es
Feedback

¡No caigas en manos de tramposos! Telemetrio encuentra y marca estos canales 👉 Si quieres ver la etiqueta, suscríbete

Hope

Hope

Ir al canal en Telegram

আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Hope

El canal Hope (@hope24hours) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 18 463 suscriptores, ocupando la posición 4 388 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 1 244 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 18 463 suscriptores.

Según los últimos datos del 15 octubre, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -10, y en las últimas 24 horas de -1, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 6.36%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 3.14% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 1 175 visualizaciones. En el primer día suele acumular 579 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 16.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
“আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন। প্রয়োজনে: @HopeDM আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215 এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours উত্তর: https://t.me/a_teardrop”

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 16 octubre, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

18 463
Suscriptores
-124 horas
+87 días
-1030 días
Archivo de publicaciones
Hope
18 463
ইয়াহইয়া ইবনে মুআযের কাছে বসে একজন কুরআন তিলাওয়াত করছিলো। সূরা ত্বহার এই আয়াতটা এলো যে আয়াতে আল্লাহ তায়ালা মূসা ও হারুন আলাইহিমাস সালামকে ফিরআউনের কাছে পাঠানোর সময় নসীহত দিচ্ছিলেন: فقولا له قولا لينا তোমরা দুজন যাও। গিয়ে তাকে নরম ভাষায় বলো (যা কিছু বলার)। ইয়াহইয়া কেঁদে ফেললেন আয়াতটা শুনে। লোকজন জানতে চাইলো কাঁদার কারণ কী? তিনি বললেন: আমার আল্লাহ এমন পবিত্র সত্তা যিনি এমন লোকের সাথে নম্র হবার নসীহত দিচ্ছেন যে কিনা নিজেকে দাবী করে বলেছে 'আমিই আল্লাহ'। তাহলে ঐ ব্যক্তির সাথে আমার রব কেমন নরম হবেন যে কিনা আমার রবকে রব হিসেবে মেনে স্বীকৃতি দিয়ে বলে: তুমিই আল্লাহ। তুমি ছাড়া ইলাহ নাই। [তাফসীরে বাগাভী] কি সুন্দর কথা! আল্লাহ তায়ালা কত মহান কত দয়ালু সত্ত্বা আমাদের কল্পনায় এর কোনো স্থানই নেই। কোনো পরিমাপ নেই যা দিয়ে মাপজোখ করা যায়। আল্লাহ তায়ালার রহম এত সুবিশাল। আমাদের জিন্দেগীর প্রত্যেকটা রহস্যে আল্লাহ তায়ালার রহম আছে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের কল্যাণ ছাড়া কিছুই করেন না। কিছুই চান না। নইলে বান্দার এত এত নাফরমানির পরও কেন আল্লাহ তায়ালা বারংবার চান বান্দা ফিরে আসুক! 🌸দুআ কবুলের উত্তম সময় - জুমার দিনের আসর থেকে মাগরিব। হাতের কাজ গুছিয়ে দুআ করতে বসব, আর সূরা কাহাফ কি পড়েছি?

Hope
18 463
এই ঘটনাটা আগেও শেয়ার করেছি, আবারও শেয়ার করছি। প্রাসঙ্গিক তাই। আমার এক ভাগ্নি, তখন তার বয়স কত হবে, ৪ কি ৫। তো একটা কিছু নষ্ট করসে আমার। কিন্তু আমি শিওর না। ধরলাম ওর নাম উমাইয়া। আমি বললাম, উমাইয়া মামনি! এই জিনিসটা এত সুন্দর করে ভাঙসে কে? মুখের এক্সপ্রেশনো ছিল খুব হাসি খুশি! ও বলে, মামা এটা তো আমি করসি! তারপর আমি আরেকটা এক্সপেরিমেন্ট করার জন্য, খুব কর্কশ ভাষায়, চোখ মুখ-কুঁচকে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খুব এ্যাগ্রেসিভ করে বললাম, উমাইয়া! তুমি একটা মেয়ে! এটা দেখতে যে, ও কি রকম রিএ্যাক্ট করে। দেখলাম, ও খুব চেঁতে গেসে। আমি ওকে কেনো মেয়ে বললাম!! ও নাকি মেয়ে না! আমি নাকি তাকে খারাপ কিছু বলেছি। হাহাহা! এরকম আমি মাঝে মধ্যেই করি। দেখার জন্য, কি রকম রিএ্যাকশন আসে। তো কি বুঝলেন? সে আসলে শব্দ না, বরং আচরণের ভিত্তিতে রিএ্যাক্ট করছে। এটা শুধু বাচ্চাদের বেলায়ই প্রযোজ্য না, বরং বড়দের বেলায়ও। ছেলেদের বেলায়ও। কিন্তু মেয়েদের বেলায় আরো প্রকটভাবে, কারণ তারা তুলনামূলক বেশী ইমোশন ড্রিভেন। তারা আপনার এ্যাপ্রোচ, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখবে। তুহিন খানদের দেখবেন যে, কাব্যিক ভাষায় মেয়েদের জামা-কাপড় খুলে ফেলার কথা বলছে। কখনোই আপনি দেখবেন না যে, এই জন্যে মেয়েরা কোন প্রতিবাদ করছে। তুহিন খান বলে কথা না, আরো যারা আছে এরকম সেলিব্রেটি - তাদের এই টাইপের কবিতা-গানের ভক্ত বরং মেয়েরাও কম না। কারণটা কি? কারণটা হল, এ্যাপ্রোচ, এক্সপ্রেশন। আপনি মানুষকে কোমল আচরণের মাধ্যমে ভুল পথে নিতে পারবেন, কিন্তু কঠোর আচরণের মাধ্যমে সৎ পথে নেয়াটা কঠিন। এজন্য ধরুন আপনি খুব কঠোর ভাবে ভালো কথা বললেন, মানুষ রিএ্যাক্ট করবে। মেয়েরা আরো বেশী করবে, যদি বলেন ওইত তুই পর্দা করস না কেন? পর্দা না করলে এত এত গুনাহ, তুই জাহান্নামে যাবি। হ্যাঁ এই সম্ভাবনা আছে, যদি তাওবা না করে, আল্লাহ তা'আলা করুণ না করেন, কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আল্লাহ তা'আলা তো ক্ষমাশীল এবং করুণাময়। কিন্তু যাকে বলছেন, সে সম্ভাবনা বেশী যে, আপনার কথা এ্যাসেন্সটা ধরতে পারবে না, বরং শুরুতে আপনার এ্যাপ্রোচটা তাকে হিট করবে। আর আপনি যদি কাছের কেউ না হন, তাহলে তো কথাই নেই। আপনি বলরাই বা কে? তবে ক্ষেত্র বিশেষে কঠোরতারও দরকার আছে, কিন্তু যেখানে আপনি দায়িত্বশীল না, সেখানে কঠোরতা করা অবান্তর হয়ে যায় অনেক সময়। দায়িত্বশীলের উপর জোর করে হলেও ফরজ আদায় করিয়ে নেবার একটা বিষয় থাকে। আবার কঠোরতারও, কিংবা অসৎ কাজের নিষেধেরও আর্ট আছে। আপনি কি আল্লাহর জন্য করছেন নাকি, নিজের মনের রাগ, খায়িশাত মিটানোর জন্য করছেন, এটার উপরও তাসির নির্ভর করে। আমি নিজে যে এগুলো খুব মেইন্টেইন করতে পারি, তাও না। তবে করা উচিত। - সংগৃহীত

Hope
18 463
ফুযাইল ইবন ইয়ায রহ. ছিলেন তাবেঈ-পরবর্তী যুগের একজন প্রসিদ্ধ আল্লাহওয়ালা, জগদ্বিখ্যাত আবিদ ও জাহিদ। বিশেষ করে হারামাইন শরীফাইনে দীর্ঘ ইবাদতের কারণে তিনি 'আবিদুল হারামাইন' নামে সুপরিচিত ছিলেন। তাঁর সাহচর্য লাভ করা, তাঁর শিষ্য হওয়া-তৎকালীন সময়ে ছিল অত্যন্ত বড় সৌভাগ্যের বিষয়। ফুযাইল ইবন ইয়ায রহ. নিজেই একটি ঘটনা বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমার একজন শিষ্য খুব অসুস্থ হয়ে পড়লে আমি তাঁকে দেখতে গেলাম। তাঁর চেহারা দেখে বুঝতে পারলাম, মৃত্যুর সময় খুব কাছাকাছি। তাই আমি তাঁর পাশে বসে কালিমার তালকীন করতে শুরু করলাম। এখানে একটি বিষয় মনে রাখা দরকার। 'তালকীন' বলতে মৃত্যুপথযাত্রীকে জোর করে 'কালিমা বলুন' বলা বোঝায় না। বরং তার পাশে বসে নিজে ধীরে ধীরে কালিমা পাঠ করা, যাতে তিনি শুনে নিজেও পড়ে নেন। কারণ তাকে চাপ দিলে যদি সে কোনো কারণে বলে বসে, 'আমি বলব না', তাহলে বিষয়টি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে যেতে পারে। এ জন্য শরিয়ত কোমল পদ্ধতির শিক্ষা দিয়েছে। যাই হোক, ফুযাইল ইবন ইয়ায রহ. বলেন, আমি যখন কালিমার তালকীন করছিলাম, তখন হঠাৎ সে আমাকে বলল, 'আমি কালিমা চিনি না।' আমি যেন বজ্রাহত হয়ে গেলাম। মনে হলো, এ কী বলল! যে মানুষটি এতদিন আমার সঙ্গেই ছিল, ইবাদত করেছে, যিকির-আযকার করেছে, সে আজ মৃত্যুর মুহূর্তে বলছে-আমি কালিমা চিনি না! আমি ভারাক্রান্ত হৃদয়ে সেখান থেকে ফিরে এলাম। কিন্তু এরপর প্রায় চল্লিশ দিন পর্যন্ত আমি স্বাভাবিক থাকতে পারিনি। রাতে ঘুম আসত না। চোখের পাতা এক করতে পারতাম না। বারবার দুঃস্বপ্ন দেখতাম। দীর্ঘদিন নির্ঘুম থাকার কারণে আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। আমার মনে শুধু একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খেত-একজন মানুষ, যে এত ইবাদত করল, এত যিকির করল, তার পরিণতি কেন এমন হলো। এরপর এক রাতে আমি স্বপ্নে দেখলাম, সেই শিষ্য জাহান্নামের আগুনে শাস্তি ভোগ করছে। আমি তাকে বললাম, 'তুমি তো আমার সবচেয়ে উত্তম শিষ্যদের একজন ছিলে। তোমার এই পরিণতি কেন হলো?' সে উত্তর দিল, 'আমার তিনটি গুনাহ আমাকে ধ্বংস করেছে- প্রথমত, আমি চোগলখুরি (নামীমাহ) করতাম। একজনের কথা আরেকজনের কাছে পৌঁছে দিয়ে মানুষের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করতাম। দ্বিতীয়ত, আমার অন্তর হিংসায় (হাসাদে) পূর্ণ ছিল। অন্যের নিয়ামত আমি সহ্য করতে পারতাম না। আর তৃতীয়ত, একবার অসুস্থতার সময় একজন চিকিৎসক আমাকে ওষুধ হিসেবে অল্প পরিমাণ মদ পান করতে বলেছিলেন। পরে সেই মদের প্রতি আমার আসক্তি তৈরি হয়। এরপর আমি গোপনে গোপনে তা পান করতে শুরু করি। [আয-যুনূব ওয়াল মাআ'সী তারিকুত-তাআ'সা] প্রিয় ভাইয়েরা, দেখুন! লোকটি তিনটি বড় গুনাহে আসক্ত হয়ে পড়েছিল। গুনাহগুলো সে একদিন বা দুদিন করেনি; বরং সেগুলো তার স্বভাবে পরিণত হয়েছিল। আর গুনাহ যখন অভ্যাসে পরিণত হয়, তখন মানুষ অনেক সময় সেটাকে আর গুনাহ-ই মনে করে না। এটাই সবচেয়ে বড় বিপদ। এটাই ঈমানের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতিকর। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজের আমলের হিসাব নেওয়া। আমরা কি কোনো গুনাহকে জীবনের অংশ বানিয়ে ফেলিনি? হয়তো কেউ মোবাইলে হারাম জিনিস দেখার নেশায় আক্রান্ত। কেউ বছরের পর বছর গীবত করে চলেছে। কেউ মিথ্যাকে স্বাভাবিক অভ্যাসে পরিণত করেছে। কেউ অপবাদ, পরনিন্দা বা মানুষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেই অভ্যস্ত। আবার এমনও হতে পারে, আমাদের এমন কিছু গোপন গুনাহ রয়েছে, যা পৃথিবীর কেউ জানে না; কিন্তু আল্লাহ তাআলা সবই জানেন। #খুতুবাত Umayer Kobbadi

Hope
18 463
মহব্বতের ছোট ভাই বলল, তার স্ত্রী পর্দা করতে চায়। বেশ মজবুত। কিন্তু তার মা নারাজ। মামা, চাচারা আসলে ছেলের বউ দেখতে চায়। চা নিয়ে তো সামনে যাওয়া দরকার। এসব নিয়ে নানা যন্ত্রণা চলছে। বললাম, তোমার ভাগ্য খুব ভালো, এত ভালো একটা মেয়ে পেয়েছ। কিন্তু তোমার স্ত্রীর ভাগ্য কি ভালো? -না ভাই। -তুমি তো তাকে বিয়ে করে একটা বিপদে ফেলে দিয়েছ। ছেলেটা স্বীকার করল। প্রিয় ভাইয়েরা, ঘরে পর্দার পরিবেশ কায়েম না করে রেডিমেড দ্বীনদার মেয়ে বিয়ের চিন্তা একধরনের কাপুরুষোচিত কাজ। এই মেয়েটা একটা প্রতিষ্ঠিত দ্বীনী ঘরে বিয়ে হলে কত সুখে থাকত। আপনি তাকে বিয়ে করে তো একটা জাহান্নামে আনতে চাচ্ছেন। আগে ঘরে দ্বীনী পরিবেশ কায়েম করুন। এটা ফেসবুকে পোস্টের মতো, বা বাংলা সিনেমায় নায়ক আলমগীর ফেরি করে কাপড় বিক্রি করতে করতে শিল্পপতি হয়ে যাওয়ার মতো আচানক কোনো ঘটনা না। এ জন্য ধৈর্য ধরে মেহনত করে যেতে হবে। নিয়মিত তালীম করতে হবে। সাপ্তাহিক মাস্তুরাতের তালীমের পয়েন্টে পাঠাতে হবে। মাঝেমধ্যে তিন দিনের জন্য বের হতে হবে। মেহনত করুন। নাকি কান্না না করে পুরুষের মতো মেহনত করুন। ফল পাবেন ইনশাআল্লা - হোসাইন ভাই @RijalatTaqwa

Hope
18 463
বর্ণনাকারী: আবূ যার (রাঃ) তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, “কোন ভাল কাজকে তুচ্ছ ভেবো না, যদিও তা তোমার ভাইয়ের সাথে হাসি মুখে সাক্ষাৎ করার কাজ হয়।” (মুসলিম ২৬২৬) ১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস, হাদিস নং ৮০ হাদিসের মান: সহিহ

Hope
18 463
জীবনে সামান্য কিছু এদিক-সেদিক হলেই আমরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই, হতাশ হয়ে যাই। মনের ভেতর একটা অস্থিরতা লেগেই থাকে। . মনের এই অসুখের কথা বলা হয়েছে, একটা উপমা দিয়ে: . “মানুষের মন যখন আল্লাহকে ভুলে কেবল পার্থিব উপায়-উপকরণের (মাধ্যম বা মানুষের) ওপর ভরসা করতে শুরু করে, তখন সে আসলে এক মারাত্মক ফাঁদে আটকে যায়—ঠিক যেমন কোনো পাখি শিকারির পাতা জালে আটকা পড়ে।” . মুখে আমরা বলি, সব আল্লাহর ইচ্ছা। কিন্তু মনের ভেতর অন্য হিসাব চলে। ভাবি, এই চাকরিটা বা এই মানুষটার রেফারেন্স না পেলে আমার ভবিষ্যৎ নেই। টাকা না থাকলে সব শেষ। অমুক ডাক্তার ছাড়া আমাকে বাঁচানোর কেউ নেই। অজান্তেই আমরা ধরে নিই, ফলাফল দেওয়ার ক্ষমতা ওই মানুষ বা ওই মাধ্যমের হাতে। মনের অশান্তি শুরু হয় এখান থেকেই। . একটি হাদিস আছে: . “আল্লাহ তাআলা তাঁর ইনসাফের কারণে মনের শান্তি, স্বস্তি আর আনন্দকে রেখে দিয়েছেন সন্তুষ্টি ও দৃঢ় বিশ্বাসের (ইয়াকিন) মধ্যে। আর যাবতীয় দুশ্চিন্তা, দুঃখ আর হতাশাকে রেখে দিয়েছেন সন্দেহ ও ক্ষোভের মধ্যে।” . মন যতদিন মানুষের সাহায্য আর জাগতিক উসিলার দিকে তাকিয়ে থাকবে, ততদিন হতাশা আর মানসিক কষ্ট পিছু ছাড়বে না। যখন অন্তরে এই বিশ্বাস দৃঢ় হয় যে দুনিয়ার সবকিছু কেবল উসিলা, দেওয়া আর নিয়ন্ত্রণ করার মালিক একমাত্র আল্লাহ, তখন ভেতরটা হালকা হয়ে আসে। . চেষ্টা আপনি পুরোটাই করবেন, পার্থিব সব উপায় অবলম্বন করবেন। কিন্তু ভরসা রাখবেন শুধু আল্লাহর ওপর। . আল্লাহ তাআলার একটি বাণী আছে, যা তিনি দাউদ (আলাইহিস সালাম)-কে বলেছিলেন: . “দাউদ, তুমি কি জানো আমি কখন আমার বান্দার সব দায়িত্ব নিজের দায়িত্বে তুলে নিই? যখন সে তার মন থেকে অন্য সবকিছুর ওপর নির্ভরতা ছুড়ে ফেলে দিয়ে, খাঁটি মনে শুধু আমার ওপর ভরসা করে।” . মাধ্যমের পেছনে ছুটতে গিয়ে আমরা যেন আসল রিজিকদাতাকে ভুলে না যাই। হাত দিয়ে চেষ্টা করুন, মন বেঁধে রাখুন আল্লাহর সাথে।

Hope
18 463
photo content

Hope
18 463
খলিফাতুল মুসলিমীন উমর ইবনু আব্দিল আযিয রহিমাহুল্লাহর কাছে যাকাতের সম্পদ উত্তোলন করে আনা হলো। তিনি এগুলো দরিদ্রদের মধ্যে বণ্টন করে দেয়ার আদেশ দিলেন। কর্মকর্তারা জানালেন ইসলামি খিলাফতের সীমানায় কোথাও কোনো দরিদ্র অবশিষ্ট নেই। কেউ যাকাত নিতে ইচ্ছুক নয়। উমর এবার যাকাতের অর্থে সেনাবাহিনীর সামর্থ্য বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন। সেনাপতিরা জানালেন ইসলামি সেনাবাহিনী তো দুনিয়াকে জয় করার জন্য প্রস্তুত! তিনি এবার যুবকদের বিয়ের ব্যবস্থা করতে বললেন। তারা তা-ই করলেন। যারা বিয়ে করতে চায় তাদের বিয়ে দিলেন। এরপরও অনেক যাকাত রয়ে গেলো। উমরের কাছে আবারো গেলে তিনি যাকাতের অর্থে নাগরিকদের মধ্যকার ঋণগ্রস্তদের ঋণ পরিশোধ করার নির্দেশ দিলেন। সব পরিশোধ করার পরও সম্পদ রয়ে গেলো। এবার যারা অমুসলিম নাগরিক ছিলো তাদের কারো ঋণ থাকলে কিংবা প্রয়োজনগ্রস্থ তাদের প্রয়োজন পূরণ করা হলো। এরপরও যখন যাকাত রয়ে গেলো তখন আমীরুল মুমিনীন নির্দেশ দিলেন: 'এই সম্পদ দিয়ে গম কিনে পাহাড়ের চূড়ায় ছড়িয়ে দাও। যেন মুসলিমদের দেশে একটি পাখিও না খেয়ে আছে একথাও কেউ বলতে না পারে।' রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম ওয়ারদ্বাহ।

Hope
18 463
Repost from N/a
আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চিন্তাযুক্ত ও পেরেশানির সময় এই দোআটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন: . " اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الهَمِّ وَالحَزَنِ، وَالعَجْزِ وَالكَسَلِ، وَالبُخْلِ وَالجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ، وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ " অর্থ: “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও কাপুরুষতা থেকে, ঋণের বোঝা থেকে এবং মানুষের আধিপত্য (দমন-পীড়ন) থেকে।” . প্রামাণিক তথ্যসূত্র: সহীহ আল-বুখারী (হাদিস নং: ২৮৯৩, ৬৩৬৯), সহীহ মুসলিম (হাদিস নং: ২৭০৬)

Hope
18 463
ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ যখন কুরআন পড়তে পড়তে এই আয়াতে পৌছলেন, “মুত্তাক্বীরা থাকবে বাগান আর ঝর্ণাধারার মাঝে, প্রকৃত সম্মান ও মর্যাদার স্থানে, সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারীর নিকটে” (সূরা ক্বমার : ৫৪-৫৫) তখন তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন। শায়খ মুহাম্মাদ রাশিদ রিদ্বা কুরআনে বিখ্যাত তাফসিরকারক। তিনি যখন এই আয়াতের তাফসির শেষ করলেন, “…আপনিই দুনিয়া আর আখিরাতে আমার অভিভাবক, আপনি মুসলিম অবস্থায় আমার মৃত্যু দান করুন এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করুন” (সূরা ইউসূফ : ১০১) তখন তিনি মৃত্যুবরণ করলেন। বিখ্যাত মুহাদ্দিস হাফিজ ইবনু হাজার আসক্বালানি রহিমাহুল্লাহর মৃত্যুটা হয়েছিল এই আয়াত পাঠের পর, “পরম দয়ালু রবের পক্ষ হতে তাদেরকে বলা হবে ‘সালাম’” (সূরা ইয়াসিন : ৫৮)। আমরা কুরআনকে ভালোবাসি, কুরআনে হক্ব আদায় করি, সহীহ ও সঠিকভাবে কুরআন পড়তে শিখি। আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীন আমাদেরকেও কুরআনের সাথে মৃত্যুবরণ করার তৌফিক দান করুন।

Hope
18 463
"মানুষ কী বলবে" বা "লোকে কী ভাববে", এই চিন্তা আমাদের অনেক ভালো কাজ আটকে দেয়। . আল-ফুযাইল ইবনে ইয়াদ (রহ.) বলেছেন: . "মানুষকে দেখানোর জন্য কোনো কাজ করা যেমন রিয়া, তেমনি 'মানুষ কী ভাববে' এই ভয়ে কোনো ভালো কাজ ছেড়ে দেওয়াও এক ধরনের রিয়া। আর খাঁটি নিয়ত হলো এই দুই ফাঁদ থেকেই মুক্ত থাকা।" . ধরুন, কেউ মানুষকে দেখানোর জন্য নফল নামাজ পড়ল বা দান করল। এখানে তার ভাবনায় মানুষ প্রাধান্য পেয়েছে। . আবার ধরুন, কারো মনে হলো গোপনে একটা দান করবে বা ফেসবুকে একটা ভালো কথা লিখবে। কিন্তু তারপর ভাবল, লোকে হয়তো তাকে শো-অফ মনে করবে, তাই কাজটাই বাদ দিল। . এখানেও নিয়তের কেন্দ্রে মানুষই রয়ে গেল। দুই ক্ষেত্রেই আল্লাহর সন্তুষ্টির চেয়ে মানুষের ভাবনা বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। . ইখলাস চেনার উপায় কী? পাতার ওপরের অংশে যুন-নূন আল-মিশরি (রহ.) খাঁটি নিয়তের তিনটি লক্ষণ উল্লেখ করেছেন: . ১. প্রশংসা ও নিন্দা সমান মনে হওয়া। মানুষ প্রশংসা করুক বা নিন্দা, তাতে ভালো কাজের গতি কমে না, বাড়েও না। কাজটা হয় শুধু আল্লাহর জন্য। . ২. নিজের আমল ভুলে যাওয়া। ভালো কাজ করার পর তা নিয়ে অহংকার থাকে না, বড় কিছু করে ফেলেছি এমন মনে হয় না। বরং মনে হয়, আল্লাহ তাওফিক দিয়েছেন বলেই পেরেছি। . ৩. প্রতিদান শুধু আখেরাতে আশা করা। দুনিয়ায় কারো কাছ থেকে ধন্যবাদ বা বাহবার প্রত্যাশা না রাখা। হিসাবটা থাকে শুধু আল্লাহর সাথে। . মানুষকে খুশি করার চেষ্টার কোনো শেষ নেই। যা-ই করা হোক, সবাইকে খুশি করা যায় না। . কিন্তু হিসাব যখন শুধু আল্লাহর সাথে থাকে, তখন মানুষের কথার বোঝা হালকা হয়ে যায়। কেউ প্রশংসা করল কি করল না, তাতে আর তেমন কিছু যায়-আসে না। . আল্লাহ আমাদের প্রতিটি কাজ শুধু তাঁর সন্তুষ্টির জন্য করার তাওফিক দিন। আমিন।

Hope
18 463
photo content

Hope
18 463
. উপরে উল্লিখিত হাদীসগুলো দ্বারা জানা গেলো যে, জামা‘আতে সলাত আদায়ের সময় যদি মুক্তাদী ইমাম সাহেবের সূরা ফাতিহা শেষে ‘আ-মীন’ বলা শুনে পূর্ণ মনোযোগ, ভীতি ও একনিষ্ঠতা সহকারে ‘আ-মীন’ বলে এবং তা যদি ফেরেশতাগণের ‘আ-মীন’ বলার সাথে মিলে যায় তাহলে তার পূর্বের সকল সগীরা গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। আর যদি তার ‘আমলনামায় সগীরা গুনাহ না থাকে তাহলে তার কাবীরা গুনাহ (যদি থাকে) হালকা করে দেয়া হবে, ইন্শা-আল্লা-হ। [১৩] . . ❒ রেফারেন্স: . [১] সহীহ মুসলিম : ৫৬৬। [২] সুনান আবূ দাঊদ : ৯০৫; সহীহুত তারগীব : ২২১ হাদীসটি সহীহ। [৩] সুনান আন্ নাসায়ী : ১৪৪, সুনান ইবনু মাজাহ : ১৩৯৬, হাদীসটির সহীহ। [৪] সহীহুল বুখারী : ১৫৯, ১৬৪, সহীহ মুসলিম : ৫৬০, ৫৬১। [৫] শারহু সহীহ মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১০৮। [৬] শারহু সহীহ মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১০৮। [৭] সহীহ মুসলিম : ৫৬৫। [৮] সহীহ মুসলিম : ৫৬২। [৯] গগণবিদারী চিৎকার করে নয়, স্বাভাবিক উচ্চ আওয়াজে বলতে হবে। [১০] সহীহুল বুখারী : ৭৮২; সহীহ মুসলিম : ৯৪৭। [১১] সহীহুল বুখারী : ৭৮০, সহীহ মুসলিম : ৯৪২। [১২] সহীহুল বুখারী : ৭৮০-৭৮২, ৪৪৭৫, ৬৪০২; সহীহ মুসলিম : ৯৪২, ৯৪৪-৯৪৫। [১৩] মিন মুকাফফিরাতিয যুনূব, পৃ. ২৩। ▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂ . লেখাঃ শাহাদাৎ হুসাইন খান ফয়সাল (রহ.)

Hope
18 463
ইসলামে এমন কিছু ‘আমল রয়েছে যেগুলোর কোন একটি যিনি করবেন তার পূর্বের জীবনের সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেয়া হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। . নিম্নে সেসব ‘আমলগুলো সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো : . ★. উযূ করা : . কেউ যদি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর দেখানো পদ্ধতিতে উযূ করে তার পূর্বের সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেয়া হবে। একদিন তৃতীয় খলীফা ‘উসমান বিন ‘আফ্ফান উযূ করার পর বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে আমার এই উযূর মত উযূ করতে দেখলাম। অতঃপর তিনি বললেন, ‘‘যে ব্যক্তি এরূপ উযূ করবে, তার পূর্বের পাপরাশি মাফ করা হবে এবং তার সলাত ও মাসজিদের দিকে চলার সাওয়াব অতিরিক্ত হিসেবে গণ্য হবে।’’ [১] . ★. সুন্দর করে উযূ করে দুই রাক্‘আত সলাত আদায় করা : . শুধু উযূ করলেও যেমন গুনাহ মাফ হয় তেমনি অন্য হাদীস মোতাবেক কেউ যদি সুন্দরমত উযূ করে কোন ভুল ছাড়াই পূর্ণ মনোযোগ সহকারে দুই রাক্‘আত সলাত আদায় করে তাহলেও তার বিগত জীবনের সকল পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়। . যায়দ বিন খালিদ আল জুহানী বলেন, নাবী (সা.) বলেছেন : ‘‘যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে উযূ করে, কোন ভুল না করে (একাগ্রচিত্তে) দুই রাক‘আত সলাত আদায় করে, সেই ব্যক্তির পূর্বেকার সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।’’ [২] . রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন : ‘‘(আল্লাহ ও তার রাসূলের) নির্দেশনা মোতাবেক যে ব্যক্তি উযূ করবে এবং নির্দেশনা মোতাবেক সলাত আদায় করবে তার পূর্বে ‘আমলের গুনাহগুলো মাফ করে দেয়া হবে।’’ [৩] . ‘উসমান উযূ করা শেষ করে বললেন, আমি নাবী (সা.)-কে দেখেছি, আমি এইমাত্র যেভাবে উযূ করেছি তিনি সেভাবেই উযূ করেছেন। তারপর তিনি বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার মতো এ রকম উযূ করবে, তারপর দু রাক্‘আত সলাত আদায় করবে, যাতে দুনিয়ার কোন খেয়াল করবে না, তার পেছনের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।’’ [৪] . ইমাম নাবাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন : ‘‘রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কথা ‘যাতে নিজের কোন বাক্যালাপ করবে না’-এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সে দুনিয়ার সাথে সম্পৃক্ত এবং সলাতের সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন কোন কাজ করবে না। যদি তার সামনে কোন কথা বলা হয় তাহলে সে তা এড়িয়ে যাবে আর স্বল্প প্রতি উত্তর দিবে। তাহলে তাকে মাফ করে দেয়া হবে এবং হাদীসে বর্ণিত ফযীলত সে পেয়ে যাবে, ইনশা-আল্লা-হ। কারণ এতটুকু তার ইচ্ছকৃত কর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়। এই উম্মাতের সেসব ভুল ধরা হয় না যা অনাকাঙিÿতভাবে সামনে চলে আসা পরিস্থিতির কারণে করতে হয় কিন্তু তার উপরে অটল থাকে না।’’ [৫] . ইমাম নাবাবী (রহিমাহুল্লাহ) আরও বলেন, ‘‘অত্র হাদীসে গুনাহ মাফ দ্বারা সগীরা গুনাহ মাফের কথা উদ্দেশ্য করা হয়েছে; কাবীরা গুনাহ নয়। আর এই হাদীস দ্বারা প্রত্যেকবার উযূর পরপরই দুই বা ততোধিক রাক্‘আত সলাত আদায় করা মুস্তাহাব ‘আমল প্রমাণিত হলো। এ ‘আমল সুন্নাতে মুয়াক্কাদাও।’’ [৬] . ★সলাতের সময় হলে উত্তমরূপে উযূ করে উত্তমরূপে সলাত আদায় করা : . খলীফা ‘উসমান হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন : ‘‘কোন মুসলিম ব্যক্তির যখন কোন ফরয সলাত-এর ওয়াক্ত হয় আর সে সলাত-এর উযূকে উত্তমরূপে করে, সলাত-এর ভিতরে বিনয় ও রুকূ‘ উত্তমরূপে আদায় করে, তাহলে যতক্ষণ না সে কোন কাবীরা গুনাহে লিপ্ত হবে, তার এই সলাত তার পূর্ববর্তী যাবতীয় গুনাহের জন্য কাফ্ফারা হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আর এ অবস্থা সর্বযুগেই বিদ্যমান।’’ [৭] . নাবী (সা.) বলেছেন : ‘‘যেই মুসলিম ব্যক্তি উযূ করবে এবং উযূকে সুন্দরভাবে আদায় করবে, অতঃপর সলাত আদায় করবে সেই ব্যক্তির এই সলাত ও তার পূর্ববর্তী সলাত-এর মধ্যবর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [৮] . ★ ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা শেষে ‘‘আ-মীন’’ বলা : . ইমামের পিছনে জামা‘আতে সলাত আদায়কালে ইমাম সূরা ফাতিহার শেষ আয়াত ‘গাইরিল মাগযূবি ‘আলাইহিম ওয়ালায্ যো-ল্লীন’ পড়া শেষ করে তখন উচ্চৈঃস্বরে [৯] ‘আ-মীন’ বলা সুন্নাত। . যে ব্যক্তি এমন করে ‘আ-মীন’ বলবে আর তার ‘আ-মীন’ বলার সাথে ফেরেশতাগণের ‘আ-মীন’ বলা মিলে যাবে তাহলে তার জীবনের পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। . রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন : ‘‘ইমাম যখন ‘গাইরিল মাগযূবি ‘আলাইহিম ওলায্ যো-ল্লীন’ বলে তখন তোমরা ‘আ-মীন’ বল। কারণ যার ‘আ-মীন’ বলা ফেরেশতাদের ‘আ-মীন’ বলার সাথে মিলে যায়, তার পূর্বেকার সকল পাপ মাফ করে দেয়া হয়।’’ [১০] . অন্য এক বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন : ‘‘ইমাম যখন ‘আ-মীন’ বলবে, তখন তোমরাও ‘আ-মীন’ বল। কারণ, যার ‘আ-মীন’ বলা ফেরেশতাদের ‘আ-মীন’ বলার সাথে সাথে হয়, তখন তার পূর্বেকার গুনাহগুলো মাফ করে দেয়া হয়।’’ [১১] . আরো এক বর্ণনায় তিনি বলেন, ‘‘তোমাদের কেউ যখন সলাতে ‘আ-মীন’ বলে এবং ফেরেশতারা আকাশে ‘আ-মীন’ বলেন, আর পরস্পরে ‘আ-মীন’ বলা সমস্বরে হয়, তখন তার পূর্বের পাপরাশি মাফ করে দেয়া হয়।’’ [১২]

Hope
18 463
যিকিরের মতো সহজ ইবাদত আর হয় না। অজু লাগে না, প্রস্তুতি লাগে না, অর্থ লাগে না, শ্রম লাগে না, এমনকি অবসরও লাগে নে। অথচ এর মর্যাদা কত সুউচ্চে! তারপরও দেখুন! খুব কম সংখ্যক মানুষই সর্বদা যিকির করতে পারে। কেন? কারণ যিকির আল্লাহর তাওফীক ছাড়া হয় না। আর নিশ্চিত থাকুন, যিকির এমন এক নেয়ামত - যা আল্লাহ কেবল তাঁর প্রিয় বান্দাদেরকে দান করেন। আল্লাহ আমাকে ও আপনাকে তার প্রিয় বান্দাদের মাঝে শামিল করুন। - hafiz_al_munadi

Hope
18 463
আজকে একটা লেকচারে শুনতেসিলাম, "যারা আল্লাহ'র স্মরণ থেকে গাফিল হয়, তাদের জীবন আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সংকীর্ণ করে দেন।" আজকে সারাদিন এটা মাথায় ঘুরতেসে। কয়েকবছর আগে প্রায় প্রতিদিন নিয়ম করে রব্বে কারীমের কাছে হাত তুলে কাঁদতাম। কত কিছু চাইতাম। ওই যে, জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলেও... এরপর অনেক সময় চলে গেলো। ধীরে ধীরে প্র‍্যাক্টিক্যাল হতে শুরু করলাম। সবকিছু লজিক দিয়ে মাপতে থাকলাম। এখন খেয়াল করি, অনেক বেশি নি'আমাতে থাকলে আমরা আসলেই আল্লাহ্ কে ভুলে যাই। ধরেন, আপনি খুব করে চাচ্ছেন, আপনার লোন শোধ হয়ে যাক। অথবা, বাচ্চাটা হয়ে যাক। অথবা পরিবারে শান্তি আসুক। কিংবা পকেটভর্তি টাকা আসুক। আল্টিমেটলি মানুষ এসবই চায়। পাওয়ার পর? আমরা বিট্রে করি। আল্লাহ'র সাথে। কথা দিয়ে, তাওবাহ করে আবার ভুল পথে চলে যাই। গাফেল হয়ে যাই। গুনাহ করি। সবচেয়ে বড় যে ভুলটা করি, আল্লাহ্ কে ভুলে যাই! মারাত্মক ব্যাপার। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মক্কার জীবনটা খুব কষ্টের। প্যাথেটিক ফিল হবে। ওই সময় খুব অল্প ক'টা সূরা নাজিল হয়েছে মাত্র। বড় কোনো সূরা তখনও আসেনি। ছোট্ট ছোট্ট সূরা দিয়ে পুরোটা রাত কাভার করে দিয়েছেন। অথচ আমাদের কাছে এখন পুরো কুরআন'ই আছে। ১০ মিনিটও তেলাওয়াতের সময় পাই না... মূসা আলাইহিসালাম যেদিন তূর পাহাড়ে আল্লাহ'র সাক্ষাতের উদ্দ্যেশ্যে রওনা হন। প্রচন্ড উৎফুল্ল ছিলেন তিনি। অথচ আমরা চাইলেই প্রতিদিন আল্লাহ'র সাথে সম্পর্ক বিল্ড করতে পারি... কতগুলো হাদীস পড়েছিলাম। বান্দা রব্বে কারীমকে যত ভালো মজলিসে স্মরণ করবে, আল্লাহ্ তাকে আরও উত্তর মজলিসে স্মরণ করেন... বান্দা এক বিঘত এগিয়ে গেলে, আল্লাহ্ এক হাত এগিয়ে আসেন। পুরো দুনিয়া বান্দার বিরুদ্ধে গেলেও, শুধু রব্বে কারীম তাঁর সাথে থাকলেই, সে জিনিসটা পাবে; অন্যদিকে পুরো দুনিয়া বান্দার সাথে থাকলেও, আল্লাহ্ তা'আলা না চাইলে সে কখনোই সেটা পাবে না। কতদিন হয়ে গেলো আল্লাহ্ তা'আলার সাথে কথা বলি না। একটু আলাদা সময় বের করে হাত দু'টো উজার করে চোখ ভেজাই না। পুরো দুনিয়া আমাদের হাতে তুলে দিলেও, আমাদের জীবন সংকীর্ণ হবে না তো, কার হবে... - সংগৃহীত

Hope
18 463
সুইয়ান ইবন উয়াইনাহ রাহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘তাওবাহর নিদর্শন কী?' জবাবে তিনি বলেন, ‘তওবাহর নিদর্শন চারটি : এক. দুনিয়াবিমুখতা, দুই. প্রশান্ত আত্মা, তিন. আনুগত্যের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের উপায় তালাশ করা, চার. এ ব্যাপারে নিজের দুর্বলতা ও অপরাগতাকে মাথায় রাখা। ' (সালাফদের আখলাকঃ পৃ-১১৪)

Hope
18 463
দুআ কবুলের উত্তম সময় চলছে...

Hope
18 463
💌 বিয়েতে মেয়েদের পছন্দের গুরুত্ব কতটুকু? জোরপূর্বক মেয়ে বিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি আলোচনা করা হলো। উমার ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন, ‘তোমরা তোমাদের মেয়েদেরকে ‘অসুন্দর’ ছেলে বিয়ে করার জন্য বাধ্য করবে না। কেননা, তোমরা যা (সৌন্দর্য) ভালোবাসো, তারাও তাই ভালোবাসে।’ [ইমাম সাঈদ বিন মানসুর, আস-সুনান: ৭৮১; ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ, আল-মুসান্নাফ: ৪/৯৪] হাদিসের দাবিও এমনই। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন— لَا يُؤْمِنُ أحَدُكُمْ، حتَّى يُحِبَّ لأخِيهِ ما يُحِبُّ لِنَفْسِهِ ‘‘তোমাদের কেউ (প্রকৃত) মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য সেটাই পছন্দ করবে, যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৩] আমরা অনেক সময় নিজের জন্য একরকম পছন্দ করি, আর অপরের জন্য অন্যরকম পছন্দ করি। এটি অন্যায়। এটি কোনো প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। তাই, মেয়ের পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। জোর করে কারও সাথে মেয়ের বিয়ে দেওয়া মানে মেয়ের উপর মারাত্মক জুলুম করা। এর জন্য অবশ্যই আল্লাহর কাছে জবাব দিতে হবে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন— لاَ تُنْكَحُ الأَيِّمُ حَتّٰى تُسْتَأْمَرَ وَلاَ تُنْكَحُ الْبِكْرُ حَتّٰى تُسْتَأْذَنَ قَالُوا يَا رَسُوْلَ اللهِ وَكَيْفَ إِذْنُهَا قَالَ أَنْ تَسْكُتَ. ‘‘কোনো বিধবা নারীকে তার সরাসরি সম্মতি ব্যতীত বিয়ে দেওয়া যাবে না এবং কুমারী মেয়েকে তার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না।’’ লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, ‘হে আল্লাহর রাসুল! তার (কুমারী মেয়ের) অনুমতিটা কেমন হবে?’ তিনি বললেন, ‘‘তার চুপ থাকাটাই তার অনুমতি।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৫১৩৬] যদি জোর করে কোনো নারীকে বিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সেই নারীর অধিকার থাকবে—বিচারকের রায়ের মাধ্যমে সেই বিয়ে রাখা অথবা ছিন্ন করা। এমনটিই বলেছেন আলিমগণ। এক্ষেত্রে সেই নারীর কোনো গুনাহ হবে না। এর দলিল হলো, একবার এক কুমারী মেয়ে নবিজির কাছে এসে অভিযোগ করে যে, তার বাবা তার অমতে তাকে বিয়ে দিয়েছে। তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিষয়টি সেই মেয়েটির হাতে ছেড়ে দেন, সে চাইলে এই বিয়ে রাখতেও পারে আবার বাতিলও করতে পারে। [ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ১৮৭৫; হাদিসটি সহিহ] নবিজির কন্যা ফাতিমা (রা.)-কে প্রথমে আবু বকর (রা.) ও উমর (রা.) বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের বলেছিলেন, ‘‘সে তো ছোট!’’ অর্থাৎ তাঁদের বয়সের তুলনায় বেশ ছোট। তাই বাবা হিসেবে তিনি এটি পছন্দ করেননি। এরপর আলি (রা.) বিয়ের প্রস্তাব দিলে, তাঁর সাথে বিয়ে দেন। কারণ আলি (রা.) বয়সে বেশ ছোট ছিলেন। ফাতিমা (রা.)- এর সাথে মানানসই বয়সের ছিলেন। [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ৩২২১; হাদিসটি সহিহ] 🍀 সুতরাং বুঝা গেলো, বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়ের চাহিদা, পছন্দ-অপছন্দ বিশেষ গুরুত্ব রাখে। বাবা-মায়ের কর্তব্য হলো, মেয়ের রুচির প্রতি সম্মান দেখানো। • বন্ধন (প্রথম পর্ব) এই সিরিজটি চলবে, ইনশাআল্লাহ। ~ Nusus @FatayatalHuda