en
Feedback
সত‍্য কথন

সত‍্য কথন

Closed channel
4 257
Subscribers
-124 hours
-177 days
-6530 days

Data loading in progress...

Similar Channels
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Tags Cloud
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Incoming and Outgoing Mentions
---
---
---
---
---
---
Attracting Subscribers
September '26
September '26
+1
in 0 channels
August '26
+10
in 0 channels
Get PRO
July '26
+16
in 2 channels
Get PRO
June '26
+6
in 3 channels
Get PRO
May '26
+9
in 1 channels
Get PRO
April '26
+17
in 4 channels
Get PRO
March '26
+75
in 4 channels
Get PRO
February '26
+80
in 2 channels
Get PRO
January '26
+32
in 2 channels
Get PRO
December '25
+41
in 2 channels
Get PRO
November '25
+105
in 1 channels
Get PRO
October '25
+288
in 6 channels
Get PRO
September '25
+322
in 6 channels
Get PRO
August '25
+272
in 4 channels
Get PRO
July '25
+328
in 9 channels
Get PRO
June '25
+568
in 6 channels
Get PRO
May '25
+510
in 7 channels
Get PRO
April '25
+585
in 2 channels
Get PRO
March '25
+355
in 3 channels
Get PRO
February '25
+424
in 5 channels
Get PRO
January '25
+541
in 10 channels
Get PRO
December '24
+860
in 6 channels
Date
Subscriber Growth
Mentions
Channels
06 September+1
05 September0
04 September0
03 September0
02 September0
01 September0
Channel Posts
আয়ুব আলী পেশায় কৃষক। নিজের অর্থ ও শ্রমে ২০১৪ সাল থেকে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সন্তোষপুর এলাকায় সড়কের দুই পাশে ফলের গাছ ল
আয়ুব আলী পেশায় কৃষক। নিজের অর্থ ও শ্রমে ২০১৪ সাল থেকে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সন্তোষপুর এলাকায় সড়কের দুই পাশে ফলের গাছ লাগিয়ে আসছেন তিনি। প্রায় চার কিলোমিটার সড়কজুড়ে তার লাগানো গাছের সংখ্যা এখন প্রায় ৫ হাজার। তবে এসব গাছের ফল বিক্রি করেন না আয়ুব। পথচারী, স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পাখি ও বানর—সবার জন্যই ফলগুলো উন্মুক্ত রেখেছেন তিনি। সড়কের দুই পাশে রয়েছে আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, জাম্বুরা, বরই, আমড়া, জাম ও লটকনসহ নানা জাতের ফলের গাছ। পথচারীরা ইচ্ছেমতো গাছ থেকে ফল পেড়ে খেতে পারেন, এর জন্য কোনো টাকা দিতে হয় না। স্থানীয়রা জানান, সড়কটির এক পাশে সংরক্ষিত বন ও অন্য পাশে রাবার বাগান থাকায় এখানে পাখি ও বানরেরও আনাগোনা রয়েছে। তারাও এসব গাছের ফল খায়। আয়ুব আলী জানান, নিজের বাণিজ্যিক বাগানের ফল বিক্রি করলেও সড়কের পাশের গাছগুলোর ফল বিক্রি করার ইচ্ছা নেই। দরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষসহ সবাই যেন বিনা মূল্যে ফল খেতে পারেন—এ চিন্তা থেকেই তার এই উদ্যোগ। নিজের হাতে লাগানো গাছের ফল মানুষ ও প্রাণীদের খেতে দেখে আনন্দ পান বলেও জানান তিনি।

2
ক্যানসার জয় করলেন পাকিস্তানি অভিনেতা নওমান ইজাজ, কৃতিত্ব দিলেন ‘সূরা আর রহমান’কে! ম'রণব্যাধি ক্যা'নসারের নাম শুনলেই যেখানে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে, সেখানে এক অবিশ্বাস্য ও অলৌকিক ঘটনার কথা শেয়ার করলেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় প্রবীণ অভিনেতা নওমান ইজাজ। সম্প্রতি একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের ক্যা'নসার জয়ের এক আবেগঘন অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। নওমান ইজাজ জানান, ২০২৪ সালের জুনে তার কানের কাছে একটি টিউমার এবং পেটে লিম্ফোমা (ক্যানসার) ধরা পড়ে। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি টিউমার অপসারণের পর চিকিৎসকরা তাকে কেমোথেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দেন। রোগ ধরা পড়ার পর মানসিক ও আধ্যাত্মিক শক্তির খোঁজে বন্ধু গোহর বাটের পরামর্শে তিনি প্রতিদিন নিয়মিত 'সূরা আর-রহমান' তিলাওয়াত শুরু করেন। এরপরই ঘটে সেই অলৌকিক ঘটনা! ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই তার প্রথম কেমোথেরাপি নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর ঠিক একদিন আগে ২২ জুলাই চিকিৎসকরা পুনরায় পরীক্ষা করে অবাক হয়ে যান। নতুন স্ক্যানে দেখা যায়, তার শরীরে ক্যানসার বা অন্য কোনো টিউমারের আর কোনো অস্তিত্বই নেই! ফলে চিকিৎসকরা তার কেমোথেরাপি বাতিল ঘোষণা করেন। ক্যা'নসারের মতো যন্ত্রণাদায়ক চিকিৎসা ছাড়াই আল্লাহর বিশেষ রহমতে সুস্থ হয়ে ওঠাকে তিনি 'জীবন্ত অলৌকিকতা' বা মিরাকল বলে অভিহিত করেছেন। সেই থেকে আজ পর্যন্ত প্রতিদিন নিয়ম করে সূরা আর-রহমান তিলাওয়াত করা তার জীবনের অন্যতম অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেতার এই বিশ্বাসের গল্পটি এখন লাখো মানুষের মাঝে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে..! ___সেলিম মিয়া https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
382
3
No text...
336
4
ইসলাম বনাম লিবারেল মতাদর্শঃ জরুরী কিছু কথা - গ'ণ'ত|ন্ত্রিক র|ষ্ট্রকাঠামোয় আমর বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকারের মত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধানটিকে স্থান দেওয়া হয়না। কেউ তার নিজস্ব পরিমণ্ডলে এই বিধান পালন করলে তাকে অপরাধী মনে করা হয়। এর কারণ হল গ'ণ'ত'ন্ত্রীরা মনে করে, প্রত্যেকে (ব্যাক্তিগত পরিসরে) নিজ নিজ ধর্ম বিশ্বাস ও পালনের অধিকার রাখে । কেউ কারো উপর কোন কিছু চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার রাখেনা। তবে তারা (গ'ণ'ত|ন্ত্রিকরা) ঠিকই ইসলামপ্রিয় জনতার উপর বিদেশী প্রভূদের ইশারায় ট্র|ন্স]জে'ন্ড|র, নাচ-গানের শিক্ষক, অ'শ্লী'লতা ইত্যাদি চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার রাখে। এই নিয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে দমন করার অধিকারও আছে তাদের। - তারা বলে- এখানে সঙ্গীত থাকবে, ওয়াজ থাকবে, মাজার থাকবে, কনসার্ট হবে, মাহফিল হবে, রথযাত্রা হবে, সিনেমা উৎসব হবে, আবার বিজ্ঞ আলেমদের আলোচনাও হবে। যার যেটা পছন্দ হবে, সে সেটায় যাবে, অংশ নেবে, যার যেটা পছন্দ হবে না, সে সেটায় যাবে না। এসব বলে তারা নিজদেরকে উদারতাবাদী হিসেবে উপস্থাপন করতে চায়। উদারতার প্রমাণ হিসেবে কখনো তারা মসজিদে গিয়ে নামায পড়ে আবার কখনো পুজায় গিয়ে শ্লোক পাঠ করে। তারা বলে- কেউ পর্দা করলে সেটি তার অধিকার, আর জিন্স পরলে সেটিও তার অধিকার। তাকে বাধা দেওয়ার অধিকার কারো নেই। ইসলাম কাউকে জোর করে পর্দা করাতে এবং দ্বীন পালন করাতে বলেনা। প্রমাণ হিসেবে তারা কুরআনুল কারীমের এই আয়াত বলে- لَا إِكْرَاهَ فِي الدِّينِ দ্বীনের ক্ষেত্রে কোন জোর জবরদস্তি নেই-[সুরা বাকারা ২৫৬] কিন্তু তারা জানেনা ইসলাম কোন ক্ষেত্রে জোর করতে নিষেধ করেছে আর কোন ক্ষেত্রে জোর করতে আদেশ করেছে। কোন বিধর্মীকে জোর করে মুসলিম বানানো নিষেধ। কিন্তু মুসলিম হওয়ার পর কেউ অন্যায় কাজ করলে যার যার সাধ্য অনুযায়ী তাকে বাধা দেওয়া নিষেধ নয় বরং সবার জন্য অবশ্য কর্তব্য। এই জায়গায় এসে উদারতা দেখানো এবং মাজার কনসার্ট সিনেমা করার সম্মতি দেওয়া ধীরে ধীরে মুসলিমদের ধর্মহীন করার ষড়যন্ত্রের অংশ। - বিশ বছর আগে দেশে এত অন্যায় অ'শ্লী'লতা ছিলনা। কেউ প্রকাশ্যে অন্যায় অ'শ্লী'লতা করলে সমাজ তাকে বাধা দিত, ওলামায়ে কেরাম তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেন। কিন্তু ইসলামের মোড়কে কিছু লোকের অতি উদারতার ফলে আজ সমাজের সর্বত্র অন্যায় অ'শ্লী'লতার বিষ ছড়িয়ে পড়েছে। ধীরে ধীরে অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কেউ সহজে বাধা দেওয়ার সাহসও করেনা। আল্লাহর আজাব গজব থেকে বাঁচতে চাইলে আমাদেরকে এই লিবারেলিজম ও উদারতাবাদ থেকে বের হয়ে আসতে হবে। যার যার সাধ্য অনুপাতে হিকমাহ ও প্রজ্ঞার আলোকে অন্যায় অ'শ্লী'লতাকে রুখে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তামিম আল আদনানী https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
515
5
No text...
375
6
গতকাল একটা ডকুমেন্টারি দেখলাম হাসিদিক ইহুদীদেরকে নিয়ে। পুরো পৃথিবীকে জায়োনিস্ট ফ্রন্ট বিনোদনের জগতে ডুবিয়ে রাখলেও ওরা নিজেদের একটা গ্রুপকে এগুলো থেকে পুরোপুরি দূরে সরিয়ে রেখেছে। শুধু এটাই না, ওদের চাপানো কলেজ-ভার্সিটি ক্যারিয়ার নিয়ে আমাদের মেয়েরা ব্যস্ত, কর্পোরেট স্ট্রাকচারে ছেলেরা ব্যস্ত হলেও ওরা একেকজন বিয়ে করে কমপক্ষে ১০ টা বাচ্চা নেয়। বাচ্চা নিলে ভাতা আছে, বিভিন্ন প্রণোদনা আছে। আমরা এভারেজে একবছরে যা ইনকাম করি, সেটা একমাসে শুধু বাচ্চা লালন পালনের জন্য তাদেরকে দেয়া হয়। বাচ্চা না নিলে Rabbi দের থেকে অনুমতি নিতে হয়, বিশেষ কারণ দেখালে কেবল তখনই ছাড় পায়। একবার চিন্তা করে দেখেন, মসজিদের ইমামের অনুমতি ছাড়া বাচ্চা নেয়া বন্ধ করা যাবে না, এমন হলে পুরো পৃথিবী কেমন রিঅ্যাকশন দেখাতো? এসব ছাড়াই বলে মুসলিমরা নাকি বাচ্চা তৈরি করার মেশিন হিসেবে মেয়েদেরকে ট্রিট করে! অথচ পুরো পৃথিবীতে ওদের পপুলেশন যখন ডাবল হয় ততদিনে আমাদের গ্রোথ হয় ১.২% করে। মুসলিমরা হিজাব, নিকাব পরে নাকি Oppressed হয় অথচ ওদের নিয়ম হলো বিয়ের সময় মাথার চুলগুলো ফেলে দিতে হবে। কেউই তাদের চুল কখনোই দেখতে পারে না। চুল ঢেকে রাখার জন্য wig ব্যবহার করে, স্কার্ফ ব্যবহার করে। ওরা টেক্সটিং করে না, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে না, ইন্টারনেট ব্যবহার করে না। ওরা নিজেদের প্রাইভেসির ব্যাপারে একদম কঠোর। আমরা সঠিক দ্বীন পেয়েও দুনিয়ায় হারিয়ে গেলাম, ওরা ওদের লক্ষ্য ঠিক রেখে এগিয়ে চলছে আল আকসা ধ্বংস করে থার্ড টেম্পল তৈরি করে দাজ্জালকে ফিরিয়ে আনতে। ✍ মেরাজ হোসেন https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
478
7
মিউজিক শোনা আপনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, শুনতেই পারেন। কিন্তু নিজের একটি গুনাহের কাজকে বৈধ প্রমাণ করতে গিয়ে শতাব্দীর পর শতাব্দীর ইসলামী ইলমি ঐতিহ্যকে 'কট্টরপন্থা' আর 'প্রান্তিকতা' বলে উড়িয়ে দেওয়া বেশ অদ্ভুত। বাদ্যযন্ত্রসংবলিত মিউজিকের নিষেধাজ্ঞা কোনো বিশ বছর আগের কট্টরপন্থীদের আবিষ্কার নয়। ফুকাহায়ে কেরামের বক্তব্য, চার মাযহাবের ফিকহি ঐতিহ্য এবং দীর্ঘকালীন মুসলিম স্কলারশিপে এর ভিত্তি বহু পুরোনো। হামাস মিউজিক গ্রহণ করেছে, ইখওয়ান করেছে, আন-নাহদা করেছে, এগুলো শরঈ দলিলের কোন ক্যাটাগরিতে পড়ে? কোনো রাজনৈতিক বা ইসলামী সংগঠন আজ একটি কাজ গ্রহণ করল, কাল গোটা মুসলিম সমাজও গ্রহণ করল, তাতে শরীয়তের হুকুম বদলে যায় না। শরীয়াহ জনমত জরিপে নির্ধারিত হয় না। এটুকু জ্ঞান একজন ইসলামপন্থী (!) নেতার থাকা জরুরি। আর ২০ বছর পরে সবাই মিউজিক গ্রহণ করবে, এই যুক্তি আরও বিস্ময়কর। ২০ বছর পরে মানুষ সুদ, অশ্লীলতা কিংবা আরও বহু নিষিদ্ধ বিষয় ব্যাপকভাবে গ্রহণ করলেও কি সেগুলোর শরঈ হুকুম পাল্টে যাবে? আপনি মিউজিক শুনছেন তার দায় আপনার। কিন্তু যারা শরঈ নিষেধাজ্ঞার কথা বলছেন, তাদের কট্টর ও প্রান্তিক বানিয়ে নিজের অবস্থানকে এত নিচে নামানোর কারণ জানিনা। তার তো জানার কথা, দ্বীন ভবিষ্যতের সামাজিক ট্রেন্ড দেখে নির্ধারিত হয় না। দ্বীন নির্ধারিত হয় ওহি, সুন্নাহ ও স্বীকৃত উসূলের আলোকে। ২০ বছর পর কে কোথায় দাঁড়াবে জানি না। তবে ১৪০০ বছরের দ্বীনি ঐতিহ্যকে ২০ বছরের ভবিষ্যদ্বাণী দিয়ে বাতিল করা যায় না। তানজীল আরেফিন আদনান https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
594
8
🌙✨ আপনার শিশুকে মোবাইল দিন, তবে শেখার মতো কিছু শেখান! ✨🌙 👶 বাচ্চারা মোবাইলে ভিডিও দেখতে ভালোবাসে—তাই তাদের বিনোদনের পাশাপাশি যদি ইসলামিক ও শিক্ষণীয় কিছু শেখানো যায়, তাহলে কেমন হয়? ❤️ 📱 Kahf Kids হতে পারে আপনার সন্তানের জন্য সুন্দর একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম। 🌟 এখানে শিশুরা পেতে পারে— 📖 ইসলামিক গল্প ও নৈতিক শিক্ষার কনটেন্ট 🎬 শিশুদের উপযোগী ইসলামিক ভিডিও 🎵 ইসলামিক নাশিদ ও সুন্দর কনটেন্ট 🧠 বিভিন্ন শিক্ষণীয় বিষয় 🌱 ছোটবেলা থেকেই ভালো মূল্যবোধ ও ইসলামী শিক্ষা শেখার সুযোগ 👨‍👩‍👧 বাবা-মায়ের জন্যও সন্তানের স্ক্রিন টাইমকে আরও অর্থবহ করার একটি সুন্দর মাধ্যম সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো— 👉 শুধু বিনোদন নয়, বিনোদনের মাধ্যমে শেখা। ❤️ আপনার সন্তান যদি মোবাইলে সময় দেয়, তাহলে সেই সময়টা হোক ইসলামিক শিক্ষা ও ভালো কিছু শেখার সময়। 🌙💚 📲 Kahf Kids ব্যবহার করতে চাইলে https://id.kahf.co/register?ref=KK-JMHC96। 💙 সন্তানের ছোটবেলার শিক্ষা, ভবিষ্যতের সুন্দর ভিত্তি।
49
9
চাপানো ট্যাবু ভাঙ্গতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাদের পুরো অবদানকে কিছু স্ক্রিনশটের ভিত্তিতে ধুলায় মিশিয়ে দেওয়া, এটা ইনসাফ নয়, বরং বিপজ্জনক। বিগত সময়গুলোতে প্রকাশ্য দাঈদের ওপর জুলুম করে, বন্দী রেখে সরকার ময়দানকে নিজের মতো নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইলেও এই এনোনিমাস ভাইদের কারণে পুরোপুরি সফল হয়নি। আর আজ আমাদের অবুঝ কিছু ভাই তা'গু'তের সেই না পারা কাজটাই করে দিচ্ছে!এটা কী বিপজ্জনক পদক্ষেপ নয়? পঞ্চমত : শত্রু যা বোঝে, আমরা কি তা বুঝি না? আমরা প্রত্যেকে মিলেই তো নানান সময়ে এক্টিভিজমের মাধ্যমে এই ভূমির মানুষদের ‘ডিপ স্টেটের’ সাথে পরিচিত করিয়েছি। ডিপ স্টেটের আসল ক্ষমতাধররা বাইরে থাকে না, তারা গোপনে থাকে। অর্থাৎ শত্রুরা নিজেরা এনোনিমিটির শক্তি বোঝে। তারা তাদের কার্যপ্রণালীকে দুই ভাগে ভাগ করেছে: প্রকাশ্য ও গোপন। তাহলে কেন আমরা নিজেদের বেলায় এই সহজ কৌশলটুকু মানব না? এটা খুবই সাধারণ বিষয় যে, গোপন ও প্রকাশ্য দাঈরা হবে একে অপরের কাজের সহযোগী। কারণ, উভয়েরই অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু, একজনের নিকট যেটা সীমাবদ্ধতা, অপরজনের নিকট সেটা সক্ষমতা। তাই এক ভাই আরেক ভাইয়ের শূণ্যতা, দূর্বলতাকে পূর্ণ করে, এক লক্ষ্যকে সামনে রেখে, সামষ্টিক ভাবে, ময়দানের কাজে চতুর্মুখী মেহনত চালিয়ে যাব এবং আমরা এই দ্বীন বিজয়ের কাজকে এগিয়ে নিব- এটাই তো স্বাভাবিক, এটাই তো করণীয়। অনলাইন দাঈর দ্বারা যা হবে, তা অফলাইন দাঈ দ্বারা হবেনা। আর না অফলাইন দাঈ দ্বারা যা হবে তা অনলাইন দাঈর দ্বারা সম্ভব। গোপন দাঈর দ্বারা যা হবে, তা প্রকাশ্য দাঈ দ্বারা হবেনা। আর না প্রকাশ্য দাঈ দ্বারা যা হবে তা গোপন দাঈর দ্বারা সম্ভব। ব্যবসায়ী দাঈর দ্বারা যা হবে তা এক্টিভিস্ট দাঈর দ্বারা হবে না। আর না এক্টিভিস্ট দাঈর দ্বারা যা হবে তা ব্যবসায়ী দাঈর দ্বারা সম্ভব। কিন্তু যখন সকলের কাজগুলোকে আমরা একই সুতোই গাঁথতে পারব, তখন তৈরি হবে আমাদের বিজয়ের মালা।c https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
784
10
বদরের যুদ্ধে হজরত হামজা (রা.) এবং অন্যান্য বড় বড় সাহাবীগণ মুখোশ বা শিরস্ত্রাণে আবৃত ছিলেন। তাঁদের চেনার জন্য বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছিল। যেমন— হজরত হামজা (রা.) কে চেনার চিহ্ন ছিল তাঁর বক্ষদেশে লাগানো লাল উটপাখির পালক। যদি তিনি মুখোশ না পরতেন, তবে এই চিহ্নের প্রয়োজন হতো না। হজরত জুবায়ের (রা.)ইয়ারমুকের যুদ্ধসহ বিভিন্ন ময়দানে হজরত জুবায়ের বিন আওয়াম (রা.)-কে চেনার উপায় ছিল তাঁর বিখ্যাত 'হলুদ পাগড়ি', যা তিনি চেহারায় পেঁচিয়ে নিতেন (লিথাম হিসেবে)। খালেদ বিন ওয়ালিদ (রা.) যুদ্ধের তীব্রতায় যখন শত্রুবাহিনীর ভেতরে ঢুকে পড়তেন, তখন প্রায়ই তাঁর চেহারা আবৃত থাকত, যা শত্রুর মনে এক রহস্যময় ত্রাস সৃষ্টি করত। সালাফে সালেহীন ও আরব কবিরা মুখোশকে বীরত্বের অলঙ্কার মনে করতেন। বিখ্যাত আরব কবিরা তাঁদের কবিতায় 'মুলাহ্হাম' (যিনি মুখোশ পরেন) শব্দটিকে পরম বীরত্বের বিশেষণ হিসেবে ব্যবহার করেছেন। একটি প্রবাদ ও দর্শন: "الاستعانة بالستر على قضاء الحوائج من شيم العقلاء" "নিজের প্রয়োজন ও লক্ষ্য অর্জনের জন্য গোপনীয়তার আশ্রয় নেওয়া বুদ্ধিমানদের ভূষণ।" ইতিহাসে 'মুরাবিতুন' রাজবংশের কথা আমরা জানি, যাদের অন্যতম প্রধান পরিচয় ছিল তারা সর্বদা মুখোশ বা লিথাম ব্যবহার করতেন। তাদের বলা হতো 'আল-মুতালাস্সিমুন' (মুখোশধারী জাতি)। তাঁদের কাছে এটি ছিল শৌর্য-বীর্য এবং তাকওয়ার প্রতীক। আজকের এই ডিজিটাল যুগে, যেখানে প্রতিটি মুহূর্ত এবং প্রতিটি তথ্য শত্রুর কাছে উন্মুক্ত, সেখানে নিজেকে আড়াল রাখা একটি ইবাদততুল্য কাজ। যখন ফিতনা চতুর্দিক থেকে ঘিরে ধরেছে, তখন নিজের সব তথ্য প্রকাশ করা বীরত্ব নয়, বরং বোকামি। সালাফদের ভাষায়— "استعينوا على قضاء حوائجكم بالكتمان" (তোমাদের লক্ষ্য অর্জনে গোপনীয়তার সাহায্য নাও)। আজকের দুনিয়ায় মুখোশ কেবল কাপড়ের নয়, এটি আপনার ডিজিটাল উপস্থিতিরও মুখোশ হতে পারে। নিজের কৌশল এবং ব্যক্তিত্বকে শত্রুর কাছে রহস্যময় করে রাখা সুন্নাহসম্মত এবং বুদ্ধিদীপ্ত কাজ। তৃতীয়ত : "এনোনিমাস মানেই সন্দেহজনক"? যে প্রশ্নটা এনোনিমাস আইডির বিরুদ্ধে তোলা হচ্ছে , "এগুলো গোয়েন্দা নিয়ন্ত্রিত কিনা নিশ্চিত নই" , ঠিক একই প্রশ্ন প্রকাশ্য আইডির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ইতিহাস সাক্ষী , প্রকাশ্য লেবাস পরা "দাঈ"দের মধ্যেও তাগুতের চাটুকার ও গোয়েন্দা এজেন্ট ছিল, আছে। এবং তারা আমাদের ভূমিতেও উপস্থিত। নানান সময়ে আল্লাহ সুবহানাহু তা’আলা তা আমাদের সামনে প্রকাশ করে দিয়েছেন। আবার অপরদিকে, প্রকাশ্য ব্যক্তি তা’গুতের ধরাছোঁয়ার মধ্যে থাকেন বলে তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করাও অনেক সহজ। গোয়েন্দা যদি চায়, সে ফেইক এনোনিমাস আইডি যেমন খুলতে পারে, প্রকাশ্য দাঈ সেজেও বসতে পারে। আমরা জানি আমাদের শত্রুদের থেকে অনেকেই বিভিন্ন বড় বড় মাদ্রাসাতে দ্বীনি ইল্ম অর্জন করে আমাদেরই ধোকা দিতে। তাদের অনেকেই বুযুর্গ আলেমে দ্বীনের ছদ্মবেশও ধারণ করে। কাজেই প্রকাশ্য মানেই বিশ্বস্ত আর এনোনিমাস মানেই সন্দেহজনক; এই সমীকরণ কোনো শরয়ী বা যৌক্তিক ভিত্তিতে দাঁড়ায় না। এটা কোন মূলনীতি না। এক্ষেত্রে, দ্বীন কায়েমের মা’ন’হাজ যদি সুস্পষ্ট থাকে এবং কিছু মূলনীতি মেনে চলা হয়, কিছু উসুল অনুসরণ করা হয়, তবে এই সমস্যাটা অনেকাংশেই মুকাবিলা করা সম্ভব। এনোনিমাস আইডিগুলোই মূলত বেশি ব্যবহার খারাপ আচরণ করে- এটাও ভুল কথা। আমরা এখনো দেখছি, কী পরিমাণ ওপেন আইডি প্রকাশ্যে খারাপ ব্যবহার, অপরিপক্ব আচরণ ও নিফাকিতে লিপ্ত। এর জন্য সকল ওপেন দাঈর ওপর দোষ আরোপিত হয় না। তাহলে, এনোনিমাস কেউ যদি খারাপ আচরণ করে, সে দায়ও কেন সকল এনোনিমাস দাঈদের ওপর বর্তাবে। মূলত, এক যুক্তিতে এনোনিমাস আইডির চাইতে ওপেন আইডির ফেতনা আরো ভয়ানক। কারণ, প্রকৃত এনোনিমাস আইডি ব্যবহারকারী দাঈরা অনলাইনে মানুষের চিন্তাধারার জট খুলতেই দাওয়াহর কাজ করেন। তারা কখনো সরাসরি কোন অফলাইন কাজে বা গেদারিং এ আহবান করেন না; এটা নিরাপত্তার উসুলও নয়। কিন্তু, অফলাইন ময়দানের কাজে আহবান স্বাভাবিক ভাবেই প্রকাশ্য দাঈদেরই করতে হয় ও হবে। প্রকাশ্য মানুষকে কেন্দ্র করেই ফিল্ড এক্টিভিটি গড়ে উঠবে। ফলে, এখানে ভুল পদক্ষেপে ক্ষতির আশংকাটাও অনেক বেশি। ন্যারেটিভ বিল্ডিং আর নেতৃত্ব এক কথা নয়; এক যোগ্যতাও নয়। চতুর্থত:একটু পেছনে ফিরে তাকান। আমাদের এই ভূমিতে, বছরের পর বছর ধরে তা’গু’ত তার পুরো রাষ্ট্রীয় যন্ত্র ব্যবহার করেও যে গলার কাঁটা উপড়ে ফেলতে পারেনি, সেই তা’ও’হি’দে’র দাওয়াহর বিপ্লবে এনোনিমাস দাঈ ভাইদের অবদান কি আমরা ভুলে যেতে পারি? আজ যে নতুন প্রকাশ্য দাঈরা ময়দানে এসেছেন, তাদের অনেকের চিন্তার জমিন তৈরি করেছেন এই নামহীন, চেহারাহীন, নীরব সৈনিকেরা। গোপন ভাইয়েরা যে মঞ্চ তৈরি করে দিয়েছেন, তার ওপর দাঁড়িয়ে প্রকাশ্য দাঈরা আওয়ামকে আহবান করে যাচ্ছেন। একটা সময় যখন পূর্ণাঙ্গ তাওহীদের দাওয়াহ দেওয়াটা খুব বেশি বিপজ্জনক ছিলো, মসজিদে-মিম্বারে এর দাওয়াহ স্তিমিত হয়ে পড়েছিলো; তখন এই ভাইয়েরাই তাওহীদের দাওয়াহকে এক্টিভ রেখেছিলেন এবং শাসকের
500
11
কল্পনা করুন একটা রাত। মক্কার অলিগলিতে তখন শত্রুর তলোয়ার ঝলমল করছে। হত্যার পরিকল্পনা পাকা। নাম জানা, চেহারা চেনা এমন এক মানুষকে তারা খুঁজছে। সেই মানুষটি সেই রাতে মুখ ঢেকে বেরিয়ে পড়লেন। চেহারা আড়াল করলেন। পরিচয় গোপন রাখলেন। তিনি কাপুরুষ ছিলেন না। তিনি ছিলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সম্প্রতি কিছু ফেইক আইডির বিকৃত কর্মকাণ্ডকে পুঁজি করে একদল প্রকাশ্য দাঈ ভাই সমস্ত এনোনিমাস দাঈদের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে কলম ধরেছেন। এই পোস্টে সেই ভাইদের প্রতি ভালোবাসা রেখেই কিছু কথা বলতে চাই। কারণ বিষয়টি এ ভূমির দাওয়াহর ভবিষ্যতের সাথে সরাসরি জড়িত। তাই, আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় "মুখোশ বা লিথাম: আত্মগোপন ও বীরত্বের এক অনন্য সমন্বয়।" অনলাইন যুদ্ধের এই সময়ে এনোনিমাস আইডি ইত্যাদি ব্যবহার শত্রু থেকে নিজেকে সুরক্ষারই কৌশল। একজন মুমিন কেবল ইবাদতগুজারই নন, তিনি অত্যন্ত দূরদর্শী এবং কৌশলী। বর্তমান পৃথিবীতে যখন প্রতিটি পদক্ষেপ এবং প্রতিটি তথ্য শত্রুর নিশানায় থাকে, তখন নিজের পরিচয় গোপন রাখা এবং ছদ্মবেশ ধারণ করা কেবল প্রয়োজন নয়, বরং ঈমানি প্রজ্ঞার দাবি। প্রথমত: "ফেইক আইডি" আর "এনোনিমাস আইডি" এক জিনিস নয় এই দুটোকে এক করে ফেলাটাই মূল বিভ্রান্তির উৎস। ফেইক আইডি: যাকে অফলাইনে কেউ চেনে না, অনলাইনেও পরিচিতি নেই, কাজের কোনো ধারাবাহিকতা নেই। হুট করে কোথা থেকে উদয় হলো। এগুলো দিয়ে গালাগালি, অশ্লীলতা ও ফেতনা ছড়ানো হয়। বিভাজন ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। এনোনিমাস আইডি: যার অনলাইনে সুস্পষ্ট পরিচিতি তৈরি হয়েছে, যার কাজ মানুষের চিন্তায় বিপ্লব এনেছে, অনেকের ক্ষেত্রে অফলাইনের বড় ব্যক্তিত্বরাও যাকে চেনেন, আবার অনেকের কণ্ঠস্বরও সুপরিচিত; কেবল চেহারাটিই গোপন, এবং তা নিরাপত্তার স্বার্থে। এ বিষয়ে কথা বলার সময় এই বিভাজনটুকু মাথায় রাখা দরকার। দ্বিতীয়ত: সতর্কতা শরিয়াহ বহির্ভূত বা নব্য সৃষ্ট কিছু নয় দ্বীন কায়েমের পথে দ্বীনের মুজাহিদীনদের উপর ওয়াজিব হচ্ছে, শত্রুদের কৌশলের ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা। মহান আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সকল মুমিনদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেনঃ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا خُذُوا حِذْرَكُمْ "হে মুমিনগণ! তোমরা তোমাদের সতর্কতা অবলম্বন করো।" (সূরা নিসা: ৭১) এখানে 'সতর্কতা' শব্দের ব্যাপকতা অনেক। নিজের পরিচয় গোপন রাখা এবং শত্রুকে ধোঁকায় ফেলা এই নির্দেশের অন্তর্ভুক্ত। আসহাবে কাহাফের ঘটনায় আল্লাহ আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে প্রয়োজনের সময় আত্মগোপন করতে হয়ঃ- فَلْيَنظُرْ أَيُّهَا أَزْكَىٰ طَعَامًا فَلْيَأْتِكُم بِرِزْقٍ مِّنْهُ وَلْيَتَلَطَّفْ وَلَا يُشْعِرَنَّ بِكُمْ أَحَدًا "...এবং সে যেন অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করে (ছদ্মবেশে চলে) এবং কিছুতেই যেন তোমাদের খবর কাউকে না জানায়।" (সূরা কাহাফ: ১৯) বিশ্লেষণ: 'ওয়াল ইয়াতাল্লাত্বফ' (وَلْيَتَلَطَّفْ) শব্দটির মাঝেই লুকিয়ে আছে অত্যন্ত সূক্ষ্মতা ও গোপনীয়তার সাথে লক্ষ্য অর্জনের হিকমত। শত্রুর চোখে নিজেকে আড়াল রাখা যে হিকমত ও সুন্নাহর অংশ, তা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সিরাত থেকে সুস্পষ্ট। হিজরতের রাতে রাসূল ﷺ কী করেছিলেন, একটু স্মরণ করুন: ▪ আলী রাদিঃকে নিজের বিছানায় শুইয়ে দিলেন; শত্রুকে বিভ্রান্ত করতে। ▪ ভরদুপুরে আবু বকর রাদিঃ এর বাড়িতে গেলেন; যাতে কেউ না দেখে। ▪ প্রধান দরজা দিয়ে বের হলেন না; নজরদারির আশঙ্কায়। ▪ মদিনার উল্টো দিকে গুহায় আশ্রয় নিলেন; অনুসরণকারীকে ধোঁকা দিতে। ▪ পায়ের ছাপ মুছে দেওয়া হলো ছাগল চরানোর মাধ্যমে। ▪গুহার মধ্যে তিন দিন অপেক্ষা, তারপর মদিনার দিকে রওয়ানা; যাতে শত্রুর হাতে গ্রেফতার হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ▪ প্রতিটি পদক্ষেপে গোপনীয়তা রক্ষা ও ছদ্ম বরণ গ্রহণ। নিচের এই ঘটনাটিতে খেয়াল করুন। কতটা গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয়েছে। একজন ব্যক্তির সাথে আবু বাকর রাদিঃ এর দেখা হয়ে গেলে সে জিজ্ঞাসা করল, আপনার সামনে এই ব্যক্তিটি কে? তিনি উত্তর দিলেনঃ এই লোকটি আমাকে পথ দেখায়, সে ব্যক্তি ভাবল এটা দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে চলার রাস্তা, কিন্তু তার উদ্দেশ্য হল, কল্যাণের পথ) (আল-মানহাজুল হারাকী লিস-সীরাতিন নাবাবিয়্যাহ) এ কি কাপুরুষতা ছিল? না এটাই ছিল ঈমানি প্রজ্ঞা? ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহিমাহুল্লাহ উল্লেখ করেন, যুদ্ধের ময়দানে রাসুল ﷺ প্রায়ই শিরস্ত্রাণ পরতেন যা তাঁর চেহারাকে আবৃত রাখত। তিনি বলেছেন: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يُرى مقنّعاً "রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে প্রায়ই মুখোশ পরিহিত অবস্থায় দেখা যেত।" (যাদুল মা’আদ) সাহাবায়ে কেরাম ছিলেন যুদ্ধের ময়দানের নিপুণ কারিগর। তাঁদের কাছে মুখোশ ছিল আভিজাত্য ও রণকৌশলের নাম।
372
12
[يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا عَلَيْكُمْ أَنفُسَكُمْ] হে মুমিনগণ, তোমাদের উপর তোমাদের নিজদের দায়িত্ব। যদি তোমরা সঠিক পথে থাক তাহলে যে পথভ্রষ্ট হয়েছে সে তোমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। (সূরা আল-মায়িদা: ১০৫) তাই এই ঘটনাটা আসলে ইবনে জুদ'আনকে নিয়ে নয়। এটা আয়নার সামনে দাঁড়ানোর একটা মুহূর্ত। আমরা সারা জীবন এত কিছু চাই। রিযিক চাই, সন্তান চাই, সুস্থতা চাই, শান্তি চাই। আজকের দিনে ক্ষমা চেয়েছেন তো? হে আল্লাহ, আমাদের অন্তরে সঠিক ইমান দিন, আর আমাদের আমলকে কবুল করুন। আমাদের এমন মানুষদের অন্তর্ভুক্ত করবেন না, যারা সবকিছু চেয়েছিল—শুধু আপনার ক্ষমাটুকু ছাড়া। রাব্বিগফিরলি, রাব্বিগফিরলি। আমীন। - ইয়াসির কাদী https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
296
13
শুধু মানুষের উপকার করলেই কি আপনার মুক্তি মিলবে? মক্কার সম্ভ্রান্ত মানুষদের অন্যতম ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে জুদ'আন। সীরাতের পাতায় নামটা বারবার ফিরে আসে। তিনি ছিলেন আয়েশা (রাঃ)-এর দূরসম্পর্কের আত্মীয়। তাঁর আতিথেয়তা ছিল কিংবদন্তিতুল্য—তাঁর সময়ের মক্কাবাসীদের মধ্যে তাঁকেই গণ্য করা হতো সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত মানুষ হিসেবে। মানুষ তাঁকে চিনত সমস্যা সমাধানকারী হিসেবে; ঝামেলায় পড়লে মক্কার লোক তাঁর দরজাতেই কড়া নাড়ত। আর তাঁর বাড়িতেই বসেছিল সেই ঐতিহাসিক সভাটি, যেখান থেকে জন্ম নেয় হিলফুল ফুযুল—দূর ইয়েমেন থেকে আসা এক অসহায় বণিকের পাওনা আদায়ের জন্য কুরাইশের প্রবীণদের সেই শপথ: জালিম যে গোত্রেরই হোক, আমরা মজলুমের পাশেই দাঁড়াব। সেই সভার সর্বকনিষ্ঠ অংশগ্রহণকারীর বয়স তখন মাত্র বিশ। বহু বছর পরে তিনিই হবেন আল্লাহর রসূল। ইবনে জুদ'আন সেই দিনটি দেখে যাননি। দাওয়াহ শুরুর আগেই তিনি ইন্তেকাল করেন। বহু বছর পর, এক সহিহ হাদিসে বর্ণিত আছে, আয়েশা (রাঃ) রসূলুল্লাহ (স)-কে জিজ্ঞেস করলেন এই মানুষটির কথা। লক্ষ করুন, প্রশ্নটা কে করছেন। তিনি তাঁরই বংশের একজন। তিনি ছোটবেলা থেকে এই নামটি শুনে বড় হয়েছেন—কী উদার, কী অতিথিপরায়ণ, কী ভালো মানুষ ছিলেন তিনি। তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইবনে জুদ'আন তো মহৎ এক মানুষ ছিলেন। প্রতিবেশীদের প্রতি সদয় ছিলেন, মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করতেন। তাঁর পরিণতি কী হবে? জবাব এলো: তিনি জাহান্নামে যাবেন। আয়েশা (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, কেন? আর এবার উত্তরটা শুনুন। মাত্র একটি বাক্য। তিনি বললেন, সে কখনো একবারের জন্যও বলেনি— [رَبِّ اغْفِرْ لِي] হে আমার রব, আমাকে ক্ষমা করুন। এইটুকুই। একটা গোটা জীবন, এত দান, এত আতিথেয়তা, এত মানুষের উপকার—আর একটিবারও এই ছোট্ট বাক্যটি নয়। এবার একটু থামুন, আর নিজেদের যুগটার দিকে তাকান। আমাদের কালে তাকওয়া আর পুণ্যের মাপকাঠিটা প্রায় পুরোপুরি একটাই হয়ে গেছে—আপনি মানুষের সাথে কতটা ভালো। ব্যস। আপনি যদি মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার কাছে আমাদের আর কিছুই চাওয়ার নেই। আপনি একটা এতিমখানা খুললেন—আপনি মহৎ। একটা হাসপাতাল গড়লেন, সবার দিকে হাসিমুখে তাকালেন—আহা, কত ভালো, কত প্রেমময় একজন মানুষ। আর আপনি ভেতরে ভেতরে কী বিশ্বাস করেন, স্রষ্টার ব্যাপারে আপনার অবস্থান কী—সেটা যেন একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক একটা প্রশ্ন। এই হাদিস আমাদের বলছে—না। মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করা ভালো। উত্তম। কিন্তু আরো একটা জিনিস আছে, যা এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ: যিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর ওপর ইমান আনা, আর তাঁরই ইবাদত করা। ভেবে দেখুন প্রশ্নটা: গোটা মানবজাতির সাথে ভালো ব্যবহার করে লাভ কী, যদি আপনি তাঁকেই অস্বীকার করেন, যিনি আপনাকে সবচেয়ে বড় নিয়ামতটা দিয়েছেন—আপনার অস্তিত্ব? ইসলামে তাকওয়ার রায় দুটি জিনিসের ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আপনি কী বিশ্বাস করেন, আর আপনি কতটা ভালো। [إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ] নিশ্চয় যারা ইমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে... দুটো সবসময় একসাথে আসে। কুরআনে এই জোড়াটা বারবার ফিরে আসে, কখনো আলাদা হয় না। সঠিক ইমান থাকতে হবে, আর তার সাথে সাথে থাকতে হবে নেক আমল। একটা ছাড়া অন্যটা—কোনো কাজেই আসবে না। এখন একটা জরুরি কথা, যেটা না বললে এই আলোচনা বিপজ্জনক হয়ে যায়। আমরা মুসলিমরা কারো নাম ধরে বলি না—তুমি জান্নাতে যাচ্ছ, আর তুমি জাহান্নামে যাচ্ছ। আল্লাহ নিজে না জানালে কোনো ব্যক্তির ব্যাপারে আমরা এমন রায় দিই না। আমরা বলি আবু বকর (রাঃ) জান্নাতে যাবেন, উমর (রাঃ) জান্নাতে যাবেন—কারণ আল্লাহ ও তাঁর রসূল আমাদের জানিয়েছেন। আমরা বলি ফেরাউন জাহান্নামে যাবে—কারণ আমাদের জানানো হয়েছে। এর বাইরে কারো ব্যাপারেই আমরা চূড়ান্ত কথা বলি না। এমনকি শ্রেষ্ঠতম ইমামদের ব্যাপারেও নয়—ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফেয়ি, ইমাম মালিক—আমরা বলি, ইনশাআল্লাহ তাঁরা জান্নাতে যাবেন। আশা করি। কিন্তু চূড়ান্তভাবে বলি না। কেন? কারণ আমি কে? ইবনে জুদ'আনের কথাটা আমরা বলতে পারি একটিমাত্র কারণে—কথাটা আমাদের নয়। কথাটা রসূলুল্লাহ (স)-এর। আমরা কেবল বহন করছি। তাহলে বাকি সবার ব্যাপারে? যারা কখনো দাওয়াতই পায়নি, তাদের কী হবে? এই প্রশ্নটা প্রায় সবার মনেই একবার না একবার জাগে। আর এর জবাবটাও চমকে দেওয়ার মতো: অন্য মানুষদের কী হবে, তা নিয়ে অতিরিক্ত ভাবায় আমাদের নিজেদের ক্ষতি ছাড়া লাভ নেই। রসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, আমার উম্মত কল্যাণের মধ্যেই থাকবে, যতক্ষণ না তারা মূর্তিপূজারিদের সন্তানদের ব্যাপারে প্রশ্ন করতে শুরু করে। কিছু আলেম এর ব্যাখ্যা করেছেন—যতক্ষণ না তারা এমন সব বিষয়ে তর্ক শুরু করে, যা তাদের কোনো কাজেই আসে না। তাদের বিষয় আমরা আল্লাহর ওপরই ছেড়ে দিই। তিনি সর্বজ্ঞ, তিনি পরম দয়ালু, তিনি পরম প্রজ্ঞাময়, তিনি পরম ন্যায়বিচারক। আর কুরআন আঙুল ঘুরিয়ে দেয় ঠিক আমাদের নিজেদের দিকেই:
498
14
বাচ্চা না হওয়ার জন্য জরায়ুতে পরানো হয়েছিল ‘কপার-টি’... কিন্তু মহান আল্লাহর ইচ্ছার সামনে মানুষের কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসেনা, কিছুদিন পর যখন সেই মা সন্তান জন্ম দিলেন, তখন দেখা গেল এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য! পৃথিবীর আলো দেখা শিশুটির হাতেই ধরা সেই ‘কপার-টি’, যা থাকার কথা ছিল মায়ের জরায়ুর ভেতরে। বিজ্ঞানের ভাষায় এটি অত্যন্ত বিরল ঘটনা। কিন্তু একজন মুমিনের চোখে এটি সৃষ্টিকর্তার কুদরতের এক বিস্ময়কর নিদর্শন। কারণ জীবন দান করার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন "তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন, যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন। অথবা তিনি তাদেরকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।" (সূরা আশ-শূরা: ৪৯-৫০) মানুষ চেষ্টা করে, পরিকল্পনা করে, ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কিন্তু সৃষ্টির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত থাকে মহান আল্লাহর হাতে। এই ছোট্ট শিশুটি যেন মনে করিয়ে দিল, আল্লাহ যখন কোনো জীবনকে পৃথিবীতে আনতে চান, তখন কোনো বাধাই তাঁর ইচ্ছাকে থামাতে পারে না। "তিনি যখন কোনো কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন শুধু বলেন, ‘হও’, আর তা হয়ে যায়।" (সূরা ইয়াসিন: ৮২) সন্তান আল্লাহর দেওয়া সবচেয়ে বড় নেয়ামতগুলোর একটি। প্রতিটি শিশুর আগমনই তাঁর রহমত ও কুদরতের এক অনন্য প্রকাশ। Dr-Abdur Rahman ছবি: ডা: শাহরিয়ার কবির নাইম https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
1 124
15
No text...
864
16
No text...
1 116
17
নিজ বক্তব্যের আড়ালে সমকামী ট্রান্সজেন্ডারদের পরিভাষা 'ইনক্লুসিভ' তথা অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যয় জানিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ৩০ জুলাই, বৃহস্পতিবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) অডিটোরিয়ামে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের পরিবেশনায় আয়োজিত এক বিশেষ প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে কোনো শিশু পিছিয়ে থাকবে না এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে। ববি হাজ্জাজ আরও বলেছে, শারীরিক বা অন্য যেকোনো সীমাবদ্ধতা কোনো শিশুর স্বপ্নপূরণের পথে বাধা হতে পারে না। তিনি বলেন, পরিবার, বিদ্যালয়, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত সহযোগিতায় প্রতিটি শিশুর মেধা ও সম্ভাবনার বিকাশ নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। উল্লেখ্য যে, 'অন্তর্ভুক্তিমূলক' তথা 'ইনক্লুসিভ' শব্দটি একটি সমকামী এলজিবিটিবান্ধব পরিভাষা। যে শব্দের আড়ালে মানব প্রকৃতির সম্পূর্ণ বিপরীত ও বিকৃত যৌনাচারি সমকামী, উভকামী বা পশুকামী সম্প্রদায়কে সমাজের মূলধারায় যুক্ত করার ঘৃণ্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পশ্চিমা এনজিওগোষ্ঠীগুলোর প্রচেষ্টা একটি প্রতিষ্ঠিত বিষয়। দেশের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর এমন বিতর্কিত শব্দ ব্যবহার নিয়ে সচেতন মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
1 019
18
No text...
812
19
- আপনি কি হিন্দু? আপনি কি মুসলিম? - না, আমি মানুষ। এইভাবে মানুষ নিজের ধর্মীয় পরিচয় হাইড করে। কিন্তু কেন করে? এর সম্ভাব্য উত্তর হতে পারে— "ধর্মে ধর্মে হানাহানি"। তবে, ধর্মীয় হানাহানির তুলনায় পৃথিবীতে রাজনৈতিক হানাহানির সংখ্যা বেশি। তবুও মানুষ রাজনৈতিক পরিচয় হাইড করে না। আপনি কি বিএনপি, নাকি আওয়ামী লীগ? এই প্রশ্নের উত্তরে কেউ বলে না— "আমি মানুষ"। — শিবলী আহমেদ https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
859
20
রাজনীতিতে হিংস্র দ্বন্দ্ব আর মারামারি দেখে আমার একটা ভয়ঙ্কর মনস্তাত্ত্বিক গল্পের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে... একজন কৃষক একটি শুকনো কুয়োর মধ্যে মৃত শুকর ফেলে দিলে খাবারের লোভে ৭০-৮০টি ইঁদুর কুয়োতে ঝাঁপ দেয়।কূয়োর দেয়াল অনেক উঁচু হওয়ায় তারা বের হতে পারে না। ক্ষুধার জ্বালায় প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে ইঁদুরগুলো নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি আর কাটাকাটি শুরু করে দিল। একে অপরকে মেরে কেটে খেতে লাগল তারা। ১৫ দিন পর কুয়োতে যখন মাত্র একটি ইঁদুর বেঁচে থাকে, তখন কৃষক দড়ি দিয়ে তাকে তুলে মাঠে ছেড়ে দেয়। এর কারণ ছিল ইঁদুরটি আর শস্য খাওয়ার বদলে উন্মাদের মতো অন্য ইঁদুরদের শিকার করা শুরু করে। এই ঘটনাকে 'ডিভাইড ট্র্যাপ' বলা হয়। ক্ষমতার একদম চূড়ায় বসে থাকা মূল কারিগররা কখনো নিজেরা মাঠে নেমে লড়াই করে না। তারা শুধু এমন একটি সামাজিক বা রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করে দেয়, যেখানে সাধারণ মানুষ বা দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকরা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার নামে একে অপরের ওপর হিংস্র হয়ে ওঠে। তারা নিজেদের রক্ত ঝরায়, একে অপরকে ধ্বংস করে, আর ওপরের মাস্টারমাইন্ডরা দূরে দাঁড়িয়ে তামাশা দেখে এবং নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করে। যাক যে যা বোঝার বুঝে নেন, এমনিতেই আপনারা অনেক কিছু বুঝেন এত বিস্তারিত বলে বোঝাতে হবে না। শায়েখ মুখতার আহমদ গনতান্ত্রিক ধর্মের সাইন্স https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
842