uk
Feedback
সত‍্য কথন

সত‍্য কথন

Закритий канал
4 346
Підписники
-324 години
-167 днів
-5730 день

Триває завантаження даних...

Схожі канали
Немає даних
Виникли проблеми? Будь ласка, оновіть сторінку або зверніться до нашого support-менеджера.
Хмара тегів
Немає даних
Виникли проблеми? Будь ласка, оновіть сторінку або зверніться до нашого support-менеджера.
Вхідні та вихідні згадування
---
---
---
---
---
---
Залучення підписників
липень '26
липень '26
+14
в 2 каналах
червень '26
+6
в 3 каналах
Get PRO
травень '26
+9
в 1 каналах
Get PRO
квітень '26
+17
в 4 каналах
Get PRO
березень '26
+75
в 4 каналах
Get PRO
лютий '26
+80
в 2 каналах
Get PRO
січень '26
+32
в 2 каналах
Get PRO
грудень '25
+41
в 2 каналах
Get PRO
листопад '25
+105
в 1 каналах
Get PRO
жовтень '25
+288
в 6 каналах
Get PRO
вересень '25
+322
в 6 каналах
Get PRO
серпень '25
+272
в 4 каналах
Get PRO
липень '25
+328
в 9 каналах
Get PRO
червень '25
+568
в 6 каналах
Get PRO
травень '25
+510
в 7 каналах
Get PRO
квітень '25
+585
в 2 каналах
Get PRO
березень '25
+355
в 3 каналах
Get PRO
лютий '25
+424
в 5 каналах
Get PRO
січень '25
+541
в 10 каналах
Get PRO
грудень '24
+860
в 6 каналах
Дата
Залучення підписників
Згадування
Канали
27 липня0
26 липня0
25 липня0
24 липня0
23 липня+3
22 липня+1
21 липня0
20 липня+2
19 липня+1
18 липня+3
17 липня0
16 липня0
15 липня0
14 липня+1
13 липня0
12 липня0
11 липня0
10 липня0
09 липня0
08 липня+1
07 липня+1
06 липня+1
05 липня0
04 липня0
03 липня0
02 липня0
01 липня0
Дописи каналу
গাজীপুরের আবাসিক হোটেলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হলুদ মিডিয়ার মিথ্যাচার ও ইসলামবিদ্বেষী ন্যারেটিভ গাজীপুরের ঘটনায় যে আলেম ও তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। জানা যায়, ওই আলেম চিকিৎসার প্রয়োজনে শহরে গিয়েছিলেন। রাত হয়ে যাওয়ায় স্বামী-স্ত্রী  একটি আবাসিক হোটেলে রাত্রিযাপনের জন্য অবস্থান নেন। আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রীর অবস্থান কোনো অপরাধ নয়; অপরাধ তখনই, যখন সেখানে আইনবিরোধী বা অনৈতিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়। অথচ "যুগান্তর , ইত্তেফাক, কালবেলাসহ অনেক সংবাদ মাধ্যমে " ঘটনাটিকে এমনভাবে উপস্থাপন করেছে, যেন তাঁরা কোনো সন্দেহভাজন অপরাধী। এতে সত্য আড়ালে চলে গেছে এবং জনমনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বহুবার দেখা গেছে, কোনো ঘটনায় দাড়ি-টুপি, পাঞ্জাবি বা আলেম পরিচয় জড়িত থাকলেই হলুদ মিডিয়া সেটিকে রসিয়ে, বাড়িয়ে ও একপাক্ষিকভাবে প্রচার করে। পরে সেই সংবাদ ভুল, অসম্পূর্ণ বা বানোয়াট প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু ততক্ষণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, তাঁর পরিবার এবং ধর্মীয় পরিচয়—সবকিছুকেই সামাজিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলা হয়। সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো, এ ধরনের সংবাদ কেবল একজন মানুষের বিরুদ্ধে নয়; বরং সামগ্রিকভাবে দ্বীনদার মুসলমানদের বিরুদ্ধে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরির অপচেষ্টা। দাড়ি-টুপি বা আলেম পরিচয়কে বারবার সন্দেহ, অপবাদ ও অপরাধের ইঙ্গিতের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া এক সুস্পষ্ট ইসলামবিদ্বেষী ন্যারেটিভের অংশ। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মনে অযাচিত সংশয়, অবিশ্বাস ও বিদ্বেষ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। একজন মানুষের ধর্মীয় পরিচয় কখনোই অপরাধের প্রমাণ হতে পারে না। বিচার হবে প্রমাণের ভিত্তিতে, পোশাক বা বাহ্যিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়। অথচ কিছু সংবাদমাধ্যম সত্য অনুসন্ধানের পরিবর্তে ধর্মীয় প্রতীককে চটকদার শিরোনামের উপকরণ বানিয়ে ফেলেছে। এটাই তাদের সাংবাদিকতা নয়; এটাই তাদের ইসলাম বিদ্বেষী প্রচারণা।
এটি নতুন কিছু নয়। যেখানেই দ্বীনদার মানুষের উপস্থিতি, সেখানেই এই মিডিয়া অংশটি রসিয়ে, অতিরঞ্জিত করে এবং বিকৃতভাবে সংবাদ সাজায়। পরে বহু ক্ষেত্রেই সেসব খবর মিথ্যা প্রমাণিত হলেও ততক্ষণে মানুষের সম্মান, ভাবমূর্তি ও সামাজিক মর্যাদা ভেঙে দেওয়া হয়। এই ক্ষতির দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।
সাংবাদিকতার কাজ সত্য বলা; ধর্মীয় পরিচয়কে অপমানের অস্ত্র বানানো নয়। ভুল তথ্য, বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত শিরোনামের মাধ্যমে যারা ইসলাম ও দ্বীনদার মানুষকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তারা আসলে সংবাদ পরিবেশন করে না—ইসলাম বিদ্বেষ ছড়ায়। তাই এ ধরনের সংবাদমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব হলো প্রকাশ্যে ভুল স্বীকার করা, সংশোধনী প্রকাশ করা এবং যাদের ক্ষতি হয়েছে তাদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1

2
Немає тексту...
123
3
সোনা কেড়ে নেয়া হয়েছে। কিছুদিন পর নগত টাকাটাও হাতে থাকবে না . একটা কার্ড। একটা QR কোড। ব্যস, লেনদেন শেষ। . সহজ মনে হচ্ছে? একটু থামুন। . আপনার হাতে যখন নগদ টাকা থাকে, তখন সেই টাকা শুধু আপনার। কেউ জানে না আপনি কী কিনলেন। কোথায় গেলেন। কার সাথে বসে চা খেলেন। . কিন্তু কার্ডে? অ্যাপে? প্রতিটা টাকার হিসাব কোথাও না কোথাও জমা হচ্ছে। কে দেখছে সেই হিসাব? আপনি জানেন না। . ভাবুন তো। আপনি প্রতিদিন কী খান। কোথায় ঘুরতে যান। কোন ওষুধ কেনেন। এই সবকিছুর একটা ডিজিটাল ছাপ তৈরি হচ্ছে। আপনার অজান্তেই। . এখন প্রশ্ন হলো— এই তথ্য কার হাতে যাচ্ছে? ব্যাংক জানে। পেমেন্ট কোম্পানি জানে। আর যাদের হাতে ক্ষমতা আছে, তারাও চাইলে জানতে পারে। . একটা ঘটনা দেখুন। ২০২২ সালে কানাডায় ট্রাক চালকরা আন্দোলন করেছিল। সরকার কী করলো? তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দিলো। এক নির্দেশে। কোনো আদালতের রায় ছাড়াই। . চিন্তা করুন— যদি আপনার হাতে নগদ টাকা না থাকে, আর কোনোদিন কারো সাথে আপনার মতের অমিল হয়, তাহলে কী হবে? এক ক্লিকে আপনার সব টাকা আটকে যেতে পারে। আপনি কিছুই করতে পারবেন না। . এটা কল্পনা না। এটা ঘটে গেছে। বাস্তবে। . এটাই কি উন্নয়ন? . আরেকটা জিনিস ভাবুন। নগদ টাকা হাতে নিলে সেটা আপনার সিদ্ধান্ত— কোথায় খরচ করবেন, কোথায় করবেন না। কিন্তু ডিজিটাল সিস্টেমে? কোনো একদিন যদি বলা হয়— "এই দোকানে টাকা খরচ করা যাবে না," সিস্টেম নিজেই সেটা আটকে দিতে পারবে। আপনার সম্মতি ছাড়াই। . এখন এটা শুনতে অতিরঞ্জিত লাগতে পারে। কিন্তু চীনের "সোশ্যাল ক্রেডিট সিস্টেম" নিয়ে একটু পড়ে দেখুন। সেখানে মানুষের আচরণের ওপর ভিত্তি করে তাদের লেনদেনের ক্ষমতা সীমিত করে দেওয়া হয়। এটা বাস্তব। এখনই চলছে। . তাহলে প্রশ্ন হলো— সুবিধার নামে আমরা কতটুকু স্বাধীনতা ছেড়ে দিচ্ছি? . কার্ড সহজ। অ্যাপ দ্রুত। কিন্তু নগদ টাকার মধ্যে একটা জিনিস ছিল— স্বাধীনতা। কারো অনুমতি ছাড়া নিজের টাকা নিজে খরচ করার অধিকার। . সেই অধিকারটা আমরা আস্তে আস্তে হারাচ্ছি। বুঝেও। না বুঝেও। . এখন আপনিই বলুন— সুবিধার বিনিময়ে যদি আপনার আর্থিক স্বাধীনতা কারো হাতে চলে যায়, আপনি কি সেটা মেনে নেবেন? নাকি নগদ টাকা রাখার অধিকারটা ধরে রাখা দরকার? আর কাগজের টাকা কি আদৌ মূল্যমান? https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
166
4
শায়েখ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহি. التصريح بما تواتر في نزول المسيح এর ভূমিকায়, ইমাম মাহদীর আগমন পূর্বে দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য সবধরনের চেষ্টা প্রচেষ্টা করা জরুরি সাব্যস্ত করেছেন এবং ইমাম মাহদী আসবেন, তাই এই কেন্দ্রিক মেহনত মুজাহাদা না করে বসে থাকার নিন্দা করেছেন। #copied https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
192
5
নিজেকে রক্ষা করবেন কীভাবে? সময়ের এই দাবিকে সামনে রেখেই আমরা ভেবেছি, ধারাবাহিকভাবে কিয়ামতের আলামতগুলো নিয়ে আলোচনা করব। তাতে আমাদের একটুও যদি ভাবাবেগ হয়! বিদ্যমান ফেতনাগুলো সম্পর্কে আমরা একটুও যদি সচেতন হই! আমাদের উদাসীনতা, গাফলতির জগদ্দল পাথর একটু হলেও যদি সরে যায়! আল্লাহ যেন আমাদের এই উদ্যোগকে কবুল করেন এবং সহজ করেন। আমীন। তামিম আল আদনানী https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
328
6
কিয়ামতের আলামত।। পর্ব-১।। আসুন কিয়ামত সম্পর্কে সচেতন হই।। - আকারে ছোট কিন্তু তাৎপর্যে গভীর একটি শব্দ “কিয়ামত”। সেদিন পৃথিবী ধ্বংস হবে। শুধু পৃথিবী না; ধ্বংস হবে সমগ্র বিশ্বজগৎও। চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র, কোনো কিছুই সেদিন অবশিষ্ট থাকবে না। একমাত্র মহান রবের গৌরবময়, মহানুভব সত্তাই সেদিন বাকি থাকবে। কুরআনের ভাষা কত সুন্দর: كُلُّ مَنۡ عَلَیۡهَا فَانࣲ . وَیَبۡقَىٰ وَجۡهُ رَبِّكَ ذُو ٱلۡجَلَـٰلِ وَٱلۡإِكۡرَامِ অর্থ: ভূ-পৃষ্টে যা কিছু আছে, সবই ধ্বংস হবে। বাকি থাকবে কেবল আপনার প্রতিপালকের গৌরবময়, মহানুভব সত্তা। إِذَا وَقَعَتِ ٱلۡوَاقِعَةُ . لَیۡسَ لِوَقۡعَتِهَا كَاذِبَةٌ . خَافِضَةࣱ رَّافِعَةٌ . إِذَا رُجَّتِ ٱلۡأَرۡضُ رَجࣰّا . وَبُسَّتِ ٱلۡجِبَالُ بَسࣰّا . فَكَانَتۡ هَبَاۤءࣰ مُّنۢبَثࣰّا . অর্থ: যখন কিয়ামত ঘটবে, এটার সংঘটন অস্বীকার করার কেউ থাকবে না। এটা কাউকে করবে নীচ, কাউকে করবে সমুন্নত। যখন প্রবল কম্পনে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী এবং পর্বতমালা ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে, অতঃপর তা হয়ে যাবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণা। বিশাল বিশাল পাহাড়, সেদিন ধূলিকণার মতো উড়তে থাকবে। বাতাসে ভেসে বেড়াবে। সেদিন আরো কতকিছু ঘটবে! আকাশ বিদীর্ণ হবে, নক্ষত্ররাজি খসে খসে পড়বে, পাহাড়সমূহ অপসারিত হবে, ধূলিকণায় পরিণত হবে, সমুদ্র উত্তাল হবে, এই জগতের কোনো কিছুই ঠিক থাকবে না। নতুন করে মানুষকে বের করা হবে কবর থেকে। শুরু হবে হিসেব-নিকেশ। যারা আমরণ কিয়ামত আর পুনরুত্থান দিবসকে অস্বীকার করেছে, তারাও সেদিন উপস্থিত হবে। এটা হলো কী? এই ভাবনায় তাদের কেটে যাবে দীর্ঘ সময়। কুরআনকে যদি জিজ্ঞেস করি: কিয়ামত কবে সংঘটিত হবে? কুরআন বলবে: এর সঠিক জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ তাআলারই আছে, তবে তা অতি শীঘ্রই সংঘটিত হবে। يسألك الناس عن الساعة- قل إنما علمها عند الله- وما يدريك لعل الساعة تكون قريبا. অর্থ: লোকেরা আপনাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলে দিন, এর জ্ঞান কেবল আল্লাহর কাছেই আছে। আপনি এটা কী করে জানবেন সম্ভবত কিয়ামত শীঘ্রই হয়ে যেতে পারে। (সূরাতুল আহযাব ৬৩ নং আয়াত।) কুরআন আমাদেরকে আরো বলবে: কিয়ামতের ব্যাপারটি তো কেবল চোখের পলকতুল্য, বরং তার চাইতেও নিকটবর্তী। وَلِلَّهِ غَیۡبُ ٱلسَّمَـٰوَ ٰ⁠تِ وَٱلۡأَرۡضِۚ وَمَاۤ أَمۡرُ ٱلسَّاعَةِ إِلَّا كَلَمۡحِ ٱلۡبَصَرِ أَوۡ هُوَ أَقۡرَبُۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَیۡءࣲ قَدِیرࣱ অর্থ: আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সকল রহস্য আল্লাহর কতৃত্বে। কিয়ামতের বিষয়টি কেবল চোখের পলকতুল্য, বরং তার চাইতেও নিকটবর্তী। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান। (সূরা আন-নাহল, ৭৭) পুনরায় যদি কুরআনকে জিজ্ঞেস করি: আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের সময় গোপন রাখলেন কেন? কুরআন বলবে: “যাতে প্রত্যেকেই তার কৃতকর্মের ফল লাভ করে”। إِنَّ ٱلسَّاعَةَ آتِیَةٌ أَكَادُ أُخۡفِیهَا لِتُجۡزَىٰ كُلُّ نَفۡسِۭ بِمَا تَسۡعَىٰ অর্থ: কিয়ামত অবশ্যই আসন্ন। আমি তা (অর্থাৎ, তার সময়) গোপন রাখি; যাতে প্রত্যেকেই তার কৃতকর্মের ফল লাভ করে। (সূরা ত্বহা, ১৫) কিয়ামতের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ তাআলার কাছেই আছে—এটা বাস্তব। তবে কিয়ামতের অনেক আলামত, যেগুলো একজন মুমিনের জানা থাকা আবশ্যক, কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, কিয়ামত যত ঘনিয়ে আসছে আমরা কিয়ামত সম্পর্কে ততই গাফেল হচ্ছি। উদাসীন হচ্ছি। যেন কিয়ামত আমাদের থেকে কত যোজন যোজন দূরে! অথচ আমাদের থেকেও দেড় হাজার বছর পূর্বে সাহাবায়ে কেরাম কিয়ামত নিয়ে আমাদের চেয়েও বেশি উদ্বিগ্ন ছিলেন। ভয়ে প্রকম্পিত ছিলেন। দাজ্জালের ফেতনাকে তারা সেসময়ই ভয় করতেন। আর আমরা কিনা দাজ্জালের ফেতনার মধ্যে থেকেও ভীত নই। উদাসীন। বেখবর। পৃথিবীর সবকিছু একটা চূড়ান্ত পরিণতির দিকে কত দ্রুত ধাবিত হচ্ছে। ব্যতীক্রম শুধু বনী আদম। মানুষ। আমরা। আচ্ছা, আপনার মনে কি কখনো প্রশ্ন জেগেছে— পৃথিবীর ঘটনাপ্রবাহ এত দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে কেন? কোন সে অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে পৃথিবী এত দ্রুত মোড় ঘুরছে? কেমন যেন চোখের পলকেই সব উলট-পালট হয়ে যাচ্ছে না? বাঁধভাঙা জলের মতো ফেতনাগুলো এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে কেন বিশ্বব্যাপী। অশ্লীলতা, বেহায়াপনা আর বেলাল্লাপনার নগ্ন থাবা কি সমাজের সবচেয়ে নিরাপদ ঘরটিকেও রেহাই দিয়েছে? অজ পাড়াগাঁয়ের কুঁড়েঘরটিও কি আজ ফিতনামুক্ত? ফিতনার সয়লাব কি সমাজের সর্বত্র বিরাজমান নয়? তবে কি সত্যিই পৃথিবী এক চূড়ান্ত পরিণতির দিকে এগোচ্ছে? আপনি কখনো ভেবেছেন, শেষ যামানা সংক্রান্ত রাসূলের ভবিষ্যৎবাণীগুলো এত সুন্দর করে খাপে খাপে মিলে যাচ্ছে কেন? খলিফাতুল্লাহ আল-মাহদি যখন আভির্ভূত হবেন তখন মুসলমান একজন ত্রাণকর্তার জন্য অস্থির হয়ে উঠবে, তবে কি সে অবস্থাই তৈরি হচ্ছে আরব বিশ্বে! আমাদের অনেকেরই এগুলো নিয়ে ভাববার ফুরসত হয়ে ওঠে না। আমরা অনেকেই কেবল দুনিয়া গোছাতে ব্যস্ত। অথচ কিয়ামতের আলামতগুলো জানা সময়ের অপরিহার্য দাবি। বিদ্যমান দাজ্জালী ফেতনা সম্পর্কে জানাও সময়ের দাবি। তাই যদি না হবে তাহলে চলমান ফেতনার সয়লাব থেকে
315
7
Немає тексту...
255
8
দিল্লীতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন সফল হোক বা না হোক; একটা বার্তা পরিষ্কার। মোদির 'হিন্দু খাতরে মে হে' টনিকটা ফেইল করেছে। মোদি-অমিত-যোগীরা ভেবেছিল ভারতে ইসলাম ও মুসলমানদের ব্যাপারে ঘৃণা উৎপাদন করে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় টিকে থাকবে। মোদির স্বপ্ন নিকট ভবিষ্যতে দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে যাচ্ছে। এই টনিক খাইয়ে সাধারণ ভারতীয়দের আর বেশি দিন শোষন করতে পারবে না হিন্দুত্ববাদীরা। রাষ্ট্র পরিচালনায় বিজেপির হাজারো অবহেলা, অদক্ষতা, ব্যর্থতা, দূর্নীতি, লুটপাট, মৌলিক অধিকার হরন; সবকিছু থেকে জনগণের দৃষ্টি সরিয়ে রাখত ওই একটা টনিক দিয়ে। সাধারণ ভারতীয়রা একটু দেরি হলেও এখন বুঝতে শুরু করেছে—এই হিন্দুত্ববাদী বুদবুদে তাদের চাকরী মিলবে না, দ্রব্যমূল্য কমবে না, দারিদ্র্যতা দূর হবে না। মোদির হিন্দুত্ববাদ আদানি-আম্বানিদের দুই হাত খুলে দিয়েছে; আর সাধারণ ভারতীয়দের দিয়েছে স্রেফ বায়বীয় চেতনা। ভারত নানান জাতির, নানান ভাষার, নানান সংস্কৃতির, নানান ধর্মের একটা বিচিত্র দেশ। মোদি সেখানে কেবল হিন্দুত্ববাদী ফ্যাসিবাদ কায়েম করে রেখেছে। কোনো রাজ্যে উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছাক বা না পৌঁছাক; গোমূত্র, গোমাতার প্রেম, মসজিদ-গীর্জা ভাঙা, ধর্ম পালনে বাধা দেওয়ার হিন্দুত্ববাদী চেতনা সযত্নে পৌঁছে দিয়েছে মোদি। সকল রাজ্যের ওপর উগ্র জাতীয়তাবাদী চেতনা চাপিয়ে দিয়েছে জোরপূর্বক। তাই প্রতিটি রাজ্যই এখন ক্ষোভে ফুঁসছে। ভারতের সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে একদিন। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক লেগেছে বলিউডের নীরবতা দেখে। এক প্রকাশ রাজ ছাড়া বাকি সেলিব্রিটিরা নিশ্চুপ। ওরা ছাত্র-জনতার পাশে দাঁড়ায়নি। অথচ আজকে ওরা সেলিব্রিটি হয়েছে এই সাধারণ ছাত্র-জনতার কারণেই। আন্দোলনের এই ধারা চলমান থাকুক। আমরা বাংলাদেশের নাগরিকরা সাধারণ ভারতীয় নাগরিকদের এই আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করছি। প্রত্যাশা করি ভারতীয়রা অতি শীঘ্রই মোদি নামক এই প্রকাণ্ড দানবের হাত থেকে মুক্ত হয়ে ভারতে ইতিহাস রচনা করবে। - করিম শাওন https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
1 087
9
দিল্লীতে ভালোই প্রতিরোধ চলছে। জেন-জির আন্দোলন মোদির ভীতে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। আমি আন্দোলনরত তরুণদেরকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি তাদের পূর্বপুরুষ সুভাষ চন্দ্র বোসের কথা। তিনি তার আজাদ হিন্দ ফৌজের জাতীয় সংগীতে বলেছিলেন: تیری ہمت بڑھتی رہے خدا تیری سنتا رہے جو سامنے تیرے کھڑے تو خاک میں ملائے جا چلو دلی پکار کے قومی نشاں سنبھال کے لال قلعے پہ گاڑ کے لہرائے جا، لہرائے جا হিম্মত তোমার বাড়তে থাকুক খোদা তোমায় শুনতে থাকুক যে-ই তোমার সামনে আসুক মাটিতে তারে মিশায়ে দাও। "চলো দিল্লী" স্লোগান দিয়ে, কওমী নিশান সাথে নিয়ে, লাল কিল্লাতে গেড়ে দিয়ে ওড়ায়ে যাও, ওড়ায়ে যাও। — Jakaria Masud https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
542
10
এই যে ওয়াফাদার লোকদের এমপ্লয় করতে গিয়ে হাসিনা যেভাবে নিজের কবর নিজেই খুঁড়েছিলো, সেইভাবেই ওয়াফাদার ধর্মেন্দ্রকে রক্ষা করতে গিয়ে এখন মোদির সিংহাসন হুমকির মুখে পড়েছে। (১৫) আন্দোলন এতোই বেশি ছড়িয়ে গেছে যেঃ ইন্ডিয়ার যে কোনো বড়-বড় ইস্যু নিয়ে চিৎকার করে রাজা-উজিড় মারা সব শুয়োরের বাচ্চাদের মুখ এখন বন্ধ হয়ে গেছে। ময়ূখ রঞ্জনের প্রোফাইলে গিয়ে দেখেন। একদিকে দেশ জ্বলছে, আরেকদিকে হারামজাদা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেঃ "বৃষ্টিতে রাস্তায় অনেক জল জমেছে। দয়া করে এটা ফিক্স করুন"! ওরে হারামজাদা, এটা কি রাস্তার জল নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়ার সময়? এই আন্দোলনের ব্যাপারে তোর অবস্থান কী? সেটা ক্লিয়ার করছিস না কেন বানচোত? মোদি যেভাবে ভারতীয় মিডিয়াকে মোটামুটি নিজের পকেটে ভরে রেখেছে, যেখানে দিনরাত গোদি মিডিয়া মোদির চরণবন্দনা করে - সেখানে সিজেপি প্রোটেস্টের এটা একটা বিশাল বিজয়। যন্তর-মন্তর থেকে সব গোদি মিডিয়াকে খেদিয়ে দেয়া হয়েছে। এইটা একটা দুর্দান্ত কাজ হয়েছে, এবং এটাই হওয়া দরকার ছিলো। শাবাস সিজেপি! (১৬) হাসিনা পালানোর পর থেকে এই গোদি মিডিয়া - হাসিনার পক্ষে এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে যে স্মিয়ার ক্যাম্পেইন চালিয়েছে, সেটা যে কোনো সুস্থ বুদ্ধির মানুষ দেখলে লজ্জা পাবেন। এমন একটা ভাবমূর্তি তৈরি করা হয়েছে যেঃ বাংলাদেশি মানেই জ*ঙ্গি। বাংলাদেশিরা মূলত ভারতের ধ্বংস চায়, এবং হাসিনা চলে যাওয়াতে বাংলাদেশ একটা জ*ঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এটা খুবই সত্যি কথা যেঃ রগে রগে ভারতবিদ্বেষী এবং পাকিস্তানপন্থী মানুষের কোনো অভাব - বাংলাদেশে নাই। কিন্তু এই ভোকাল শ্রেণীটা পুরো বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করেনা। (১৭) আমরা তো ভারতের "মানুষদের" বিপক্ষে নারে ভাই। আমরা ভারতের আধিপত্যবাদের বিপক্ষে। আমরা একটা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। আমরা তো ভারতের অঙ্গরাজ্য না। বাংলাদেশকে হাতের মুঠোর মধ্যে রাখার জন্যঃ হাসিনার মতো পাপেট সরকার বসিয়ে - ইন্ডিয়া যে বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, এটাই হচ্ছে প্রধান সমস্যা, এবং এজন্যই আমরা ভারতের "ক্ষমতাকে" ঘৃণা করি। ভারত রাষ্ট্রকেও আমরা ঘৃণা করিনা। ভারতীয় মানুষদেরও আমরা ঘৃণা করিনা। এক খুনী মহিলা, এবং তার সম্পূর্ণ পলাতক দলকে - ভারতে ফ্রি শেল্টার দেয়া হয়েছে। ভারতীয় মিডিয়া ব্যবহার করে এই শুয়োরের বাচ্চা অপরাধীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে। এইটা কেন বাংলাদেশ মেনে নিবে? আপনাদেরকে আমরা ঘৃণা করতে চাইনা। কিন্তু, নিজে যেচে এসে ঘৃণা উৎপাদনের কারণ তৈরি করলে - আমাদের আসলে কী করার আছে? (১৮) বাংলাদেশের তারুণ্যের পক্ষ থেকে - আমি খোলাখুলিভাবেই সিজেপির এই প্রটেস্টকে সমর্থন জানাচ্ছি। ভারতের তারুণ্য জানুক, তাদের ন্যায্য লড়াইয়ে - বাংলাদেশের সকল শ্রেণীর মানুষ তাদের পাশে আছে। আমরা আর ঘৃণার চাষাবাদ চাইনা। শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠান। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে ভারতীয় হস্তক্ষেপ বন্ধ করুন। আশা করি, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আমাদের প্রাতিবেশিক সুন্দর সম্পর্কটা আবার ফিরে আসবে। এইজন্য দরকার হচ্ছেঃ বিজেপির বর্তমান ক্ষমতার গায়ে ক্রমাগত হাতুড়ি মারতে থাকা। আমি জানি, বিজেপি অত্যন্ত বড় দল। হাসিনার মতো এতো সহজে হয়তো এদের ফেলে দেয়া সম্ভব হবেনা। কিন্তু, সিজেপির মতো তারুণ্য, আমাদের জেন-জিঃ যখন ফুঁসে ওঠে, যখন প্রতিবাদ করে, প্রটেস্ট করে - আমি নিজেও সেই আন্দোলনের অংশ হয়ে উঠি, এবং আশায় বুক বাঁধিঃ এইবার হয়তো ভালো কিছু একটা হবে। (১৯) নেপালের আন্দোলনকারীরা আমার ভাই। শ্রীলংকার আন্দোলনারীরা আমার ভাই। বাংলাদেশের আন্দোলনকারীরা আমার ভাই। ভারতের আন্দোলনকারীরা আমার ভাই। বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা আমার ভাই। পৃথিবীর সকল ন্যায্য আন্দোলনের সাথে - আমাদের পূর্ণ সংহতি। Together, we are ONE nation. We are Gen-Z <3 -শুভজিৎ ভৌমিক https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
472
11
ঠিক এইটাই ঘটে, যখন আপনি জেনুইন কাজের কম্পিটেন্ট লোক বাদ দিয়ে, চাটুকারিতা আর ওয়াফাদারির ভিত্তিতে মন্ত্রীসভায় বোকাচোদাদের এমপ্লয় করেন। আর ঠিক সেটাই হাসিনা করেছিলো। শেখ হাসিনার কল রেকর্ডিং যারা শুনেছেন, তারা অবশ্যই জানেনঃ তার আশেপাশের প্রত্যেকটা লোক - ছাত্রদেরকে মেরে আন্দোলন ঠাণ্ডা করার জন্য তাকে ক্রমাগত উষ্কানি দিয়ে গেছে। যাদের মধ্যে সিনিয়র উষ্কানিদাতা ছিলো হাসানুল হক ইনু। আপনারা সময় নিয়ে হাসিনার কল রেকর্ডিং-গুলো টপ টু বটোম শুনবেন। ক্ষমতার ইঁট কীভাবে একটা একটা করে ধ্বসে পড়ে - এইটার একদম ফার্স্ট হ্যান্ড এভিডেন্স হচ্ছে হাসিনার কল রেকর্ড। (৯) গত একমাস ব্যাপী প্রটেস্টের পরেঃ আজকে ছিলো ককরোচদের একটা বড় ফাইট। "সংসদ চলো" নামের একটা লং-মার্চ হচ্ছে আজকে দিল্লিতে। সোনমকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনের নেতা অভিজিৎ দীপকে হাংগার স্ট্রাইক শুরু করেছেন। আজকে দিল্লি ভেঙ্গে পড়েছে মানুষে। প্রচুর মানুষ আসছেন আন্দোলনে অংশ নিতে। এইটা এখন জাতীয় আন্দোলন হয়ে ওঠা জাস্ট সময়ের ব্যাপার। শুরুর দিকে সেলিব্রেটিদের কোনো আওয়াজ শোনা যায়নি। এখন ধীরে ধীরে শাবানা আজমি, কুনাল কামরা, প্রকাশ রাজ, সোনি রাজদান, জিনাত আমান, অভয় দেওল, নাসিরুদ্দিন শাহ, অমি বৈদ্য, সোনাক্ষী সিনহা, বিশাল দাদলানি, ধ্রুব রাঠী, রঘু রাম - সবাই মিলে এই প্রোটেস্টকে সমর্থন জানাচ্ছে। (১০) এমনকি পর্নস্টার পুনম পাণ্ডে পর্যন্ত প্রোটেস্ট করতে চলে এসেছে। হোয়াট আ বিউটিফুল মোমেন্ট ফর ইন্ডিয়ান ডেমোক্রেসি। পর্নস্টার জন্য মেয়েটাকে কেউ তাড়িয়ে দেয়নি প্রোটেস্ট থেকে। দিস ইজ দ্যা আল্টিমেট বিউটি অফ পাবলিক রিভোল্ট। যেইসব সেলিব্রেটি এই আন্দোলনকে সমর্থন দিচ্ছেনা, তাদের অনলাইনে কাওয়ার্ড নাম দিয়ে তুলাধুনা করা হচ্ছে - ওহ ইয়েস! এইটাই তো হওয়া দরকার। চোখের সামনে এই সুন্দর জিনিসগুলো দেখতে, এই মুহুর্তগুলোর রাজসাক্ষী হয়ে থাকতে - ভালো লাগে। আপনাদের মনে আছে নিশ্চয়ই, জুলাই আন্দোলনে বাংলাদেশের শিল্পীরা যে মুহুর্তে রাস্তায় নেমে আসলো - কী পরিমাণ শক্তিশালী হয়ে উঠেছিলো আন্দোলন ওই সময়। এইটাই এখন হচ্ছে ইন্ডিয়াতে। আর এই ব্যাপারটাই আশার আলো দেখাচ্ছে যেঃ হয়তো এইবার কিছু একটা বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে। (১১) সিজেপি আন্দোলনের দাবিটা কী? জাস্ট একটামাত্র দাবিঃ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। তো, এই এক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান - কী এমন গুরুত্বপূর্ণ লোক, যাকে বাঁচাতে গিয়ে মোদি সরকার - এতোবড় একটা আন্দোলন হতে দিচ্ছে? একে ফায়ার, বা রিজাইন করার চাপ দিলেই তো ল্যাঠা চুকে যায়। এইখানেই হচ্ছে প্রবলেমটার ডেড এন্ড। ধর্মেন্দ্র প্রধান রিজাইন করার হলে এতোদিনে করে ফেলতো। এই লোকটাকে আসলে বিজেপি স্যাক্রিফাইস করতে পারবেনা। মোদি, অমিত শাহ, যোগী আদিত্যনাথের বিশাল পপুলারিটির কারণেঃ বিজেপির কোর লিডারদের অনেকেই লাইমলাইট কম পান। রিয়েলিটি হচ্ছেঃ ধর্মেন্দ্র প্রধান আসলে বিজেপির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ লোক। (১২) মোদি সরকার যেসব ভাড়াটিয়া গুণ্ডাদের মাধ্যমে মাঠের প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করে, সেই কট্টর হিন্দুত্ববাদীদের সংগঠন RSS-এর সাথে ধর্মেন্দ্র প্রধান দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন। এছাড়াও গুণ্ডাদের সংগঠন "বজরং দল" এর আহবায়ক হিসাবেও এই লোক দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে মাঠ পর্যায়ে ম্যাটেরিয়ালাইজ করার শক্তি হিসাবে ধর্মেন্দ্র প্রধান হচ্ছেঃ মূল বিজেপি এবং ভাড়াটিয়া গুণ্ডাদের কানেকশন পয়েন্ট। যেমন ধরেনঃ শাজাহান খানের মতো গডফাদারকে আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিন পালতে হয়েছে একটাই কারণে। লোকটা পরিবহন সেক্টর এবং এই সেক্টরে জড়িত শ্রমিকদের নেটওয়ার্ক - একটা আন্ডারগ্রাউন্ড মাফিয়া গ্যাং-এর মতো কন্ট্রোল করতো। (১৩) ঠিক একই কারণে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বিজেপি স্যাক্রিফাইস করতে পারছেনা। এই লোক দীর্ঘদিন যাবৎ বিজেপির অত্যন্ত বিশ্বস্ত অর্গানাইজেশনাল লিডার। একই সাথে লোকটা বিজেপির সবচেয়ে বড় ফান্ড রেইজারদের অন্যতম। পাতি বাংলায় ব্যাখ্যা করি, লিটারেলি নিয়েন না। কিন্তু ধর্মেন্দ্র প্রধানের বেসিক শক্তিটা হচ্ছে এইরকমঃ পেট্রোলিয়াম মিনিস্টার থাকা অবস্থায় ধর্মেন্দ্র প্রধান - রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি থেকে থেকে সাড়ে ছয়শো কোটি রুপির বেশি বের করে নিয়ে RSS-এর বিভিন্ন সংগঠনে দান করেছে। অর্থাৎ, রাষ্ট্রের টাকা চুরি করে কীভাবে দলের পকেট ভরা যায় - এই সেক্টরে ধর্মেন্দ্র প্রধান হচ্ছে বিজেপির সবচেয়ে বিশ্বস্ত লোকদের মধ্যে একজন। (১৪) একইভাবে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে, দলের পকেট ভরার যে চক্রান্ত চলছিলো - ধর্মেন্দ্র প্রধান এইখানেও প্রধান ভূমিকাই পালন করেছে। প্রবলেম হচ্ছে, এই দফায়ঃ ধরা পড়েছে, চোরায় ধরা পড়েছে। আর এইজন্যই এই লোকের পদত্যাগ চাওয়া হচ্ছে। এইরকম মানি ম্যানকে স্যাক্রিফাইস করার ক্যাপাসিটি বিজেপির নাই। আর সেইজন্যই, এখনও পর্যন্ত মোদি - এই পুরো আন্দোলন নিয়ে সম্পূর্ণভাবে চুপ করে আছে।
339
12
(১) হাসিনা পতনের - সাতদিন আগেও মনে হয় কেউ কল্পনা করে নাই যে, হাসিনার পতন হতে পারে। কেউই ভাবে নাই, ১৭ বছরের রাজত্ব ছেড়ে - এই মহিলা দলবল সহ এইভাবে ইন্ডিয়া পালাবে। কিন্তু পালিয়েছে। সাতদিন আগেও ইমপসিবল মনে হওয়া ঘটনাটা ঘটেছে। এইটাই হচ্ছে বিপ্লবের বিউটি, প্রটেস্টের সৌন্দর্য। অসম্ভবকে সম্ভব করাই আন্দোলনের কাজ। জনতা তাদের ক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার তখনই করে, যখন তারা প্রটেস্ট করে। (২) বুইড়া খাটাশ পলিটিশিয়ানদের হাত থেকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু সরিয়ে ক্রমাগত নতুনদের মধ্যে নিয়ে আসার একটা রেভলিউশনারি সময়ের সাক্ষী হচ্ছি আমরা। জাস্ট চার বছরের মধ্যে সাউথ এশিয়াতে ক্ষমতার এপিসেন্টার চেঞ্জ করে ফেলেছে জেন-জি। শ্রীলংকা দিয়ে শুরু হলো। রাজাপাকশে পালালো। এরপর বাংলাদেশ। হাসিনা পালালো। এরপর নেপাল। কেপি শর্মা ওলি পালালো। এই মুহুর্তে ইন্ডিয়াতে ককরোচ জনতা পার্টির যে আন্দোলন চলছে, এইটাকে যদি ঠিকঠাক চালানো যায় - এই আন্দোলন সম্ভবত মোদির ক্ষমতা শেষ করতে চলেছে। (৩) প্রশ্ন ফাঁস ইন্ডিয়ার রেগুলার ঘটনা। মাঝেমাঝেই হয়। কিন্তু মূল ট্রিগার ছিলোঃ ২০২৬ সালের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার মতো মেজর পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যায়। এই নিয়ে ছোট আকারে, আমাদের কোটা আন্দোলনের মতো বিচ্ছিন্ন কিছু প্রটেস্ট হয়। শেখ হাসিনা যেমন কোটা আন্দোলনকারীদের রাজাকার বলে আসল আগুনটা লাগিয়েছিলোঃ ইন্ডিয়ার ক্ষেত্রে সেই আগুনটা লাগায় চিফ জাস্টিস সুরিয়াকান্ত। ওপেনকোর্টে সে বলেঃ "দেশ পোকামাকড়ে ভরে গেছে। বেকার, কোনো কামকাজ নাই, সব আন-এমপ্লয়েড ককরোচ এইসব ইয়াং পোলাপান।" (৪) চিফ জাস্টিসের এই বক্তব্য পিক করে আমেরিকা প্রবাসী এক ইন্ডিয়ান ছাত্রঃ অভিজিৎ দীপকে। ইন্সটাগ্রামে ভারতীয় জনতা পার্টি বিজেপিকে - স্যাটায়ার করে একটা প্রোফাইল খোলা হয়ঃ ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এই প্রোফাইল দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। চারদিনের মধ্যে ইনস্টাগ্রামে এই প্রোফাইলের ফলোয়ার দশ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে ককরোচরা সবাই একজোট হয়। দিল্লিতে "যন্তর-মন্তর" নামে একটা জায়গা আছে, আমাদের টিএসসি/শাহবাগ টাইপের একটা পপুলার প্রটেস্ট স্পট। অভিজিৎ দীপকে আমেরিকা ছেড়ে দিয়ে ইন্ডিয়াতে চলে আসে। যন্তর-মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে প্রটেস্ট শুরু হয়। (৫) দিল্লিতে এখন প্রচণ্ড গরম। এর মধ্যেই যন্তর-মন্তরে প্রটেস্ট চলতে থাকে। আন্দোলনটা প্রাণশক্তি পায়, যখন প্রখ্যাত ভারতীয় বিজ্ঞানী, শিক্ষক ও একটিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক সেই আন্দোলনে এসে যোগ দেন। শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত - সোনম আমরণ অনশনের সিদ্ধান্ত নেন। ২১ দিন পর্যন্ত উনি না খেয়ে ছিলেন। এর ফলে প্রচণ্ড গরমে তার শরীর খারাপ হতে শুরু করে। শরীরের ওজন ৮ কেজি কমে যায়। সোনম ওয়াংচুককে ইন্ডিয়ার তারুণ্য ভালোবাসে। নিঃস্বার্থ এই লোকটা দেশের জন্য, মানুষের জন্য - প্রচুর কন্ট্রিবিউট করেছেন। অসুস্থ সোনমের ছবি - সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়তেই মূল বিস্ফোরণটা ঘটে। দলে দলে মানুষ যন্তর-মন্তরে আসতে শুরু করে। পুলিশ ব্যারিকেড লাগিয়ে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করে। কিছুতেই কোনো লাভ হয়নি। (৬) মোদি এইখানে খুব ট্রিকি একটা গেইম খেলছে। লোকটা অসম্ভব বুদ্ধিমান। শয়তান যদি বুদ্ধিমান হয় - সেইটা একটা ডেডলি কম্বিনেশন। প্রথমত, শ্রীলংকা নেপাল বাংলাদেশের উদাহরণ থেকে সে জানতোঃ ছাত্রদের কোনো অবস্থাতেই মারা যাবেনা। আন্দোলন যদি ভায়োলেন্সের দিকে চলে যায়ঃ তাহলে ক্ষমতার পতন অনিবার্য। দ্বিতীয়ত, হাংগার স্ট্রাইকে সোনম ওয়াংচুক যদি মারা যেতো, নিমিষের মধ্যে আন্দোলন ভায়োলেন্ট হয়ে উঠতো। কাজেই, এই লোককে মরতেও দেয়া যাবেনা। এইজন্য, গতকালকে যন্তর-মন্তরে এসে সাদা পোশাকের পুলিশঃ সবার সামনে থেকে সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে গেছে। হেলথ কনসার্নে তাকে হাসপাতালে ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। (৭) কাজেই, সোনম যদি খাবার নাও খান - স্যালাইন এবং মেডিসিন পুশ করে ওনাকে জীবিত রাখা হবে। সোনম মারা যাচ্ছেন না, এটা কনফার্ম। এইধরনের আন্দোলন সফল হওয়ার জন্য, মানুষের ক্ষেপে ওঠার প্রভাবক হিসাবে - সামনে একটা প্রেজেন্টেবল ডেডবডি লাগে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যেটা ছিলো আবু সাঈদ, বা মীর মুগ্ধ, বা ওয়াসিম। আর এইখানেই মোদি ম্যাজিক দেখিয়েছে। এখনও পর্যন্ত একটাও ডেডবডি প্রোডিউসড হতে দেয়নি। কী যে দুর্দান্ত টেকনিকের মাধ্যমে মোদি এই আন্দোলন হ্যান্ডেল করছে, এইটা একটা দেখার মতো ব্যাপার। (৮) লোকটার কথাবার্তা শুনলে বোকাচোদা মনে হতে পারে। কিন্তু একই সাথে কূটনৈতিক বুদ্ধিতে চাণক্য শ্রেষ্ঠ না হলে - এমনি এমনি ইন্ডিয়ার মতো এতোবড় দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সম্ভব না। শেখ হাসিনার দুর্ভাগ্যঃ তার আশেপাশের সবাই ছিলো বোকা, চাটুকার এবং উষ্কানিদাতা। জুলাই আন্দোলন হ্যান্ডেল করার জন্য একজনও ভালো, কম্পিটেন্ট - কূটনৈতিক পরামর্শদাতা হাসিনার ছিলোনা।
275
13
Немає тексту...
278
14
ই*হু*দিদেরকে কষ্ট দেওয়ার জন্যই তারা এমনটি করত। হযরত উমর রা. কাব ইবনে আহবার রা. এর সহায়তায় পাথরের স্থানটি চিহ্নিত করেন এবং নিজ হাত ও চাদর দিয়ে পাথরটি পরিষ্কার করেন। এরপর পাথরকে পেছনে রেখে বাইতুল্লাহকে সামনে রেখে এমনভাবে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন যে, নামাজি ব্যক্তির সামনে থাকবে বাইতুল্লাহ আর পেছনে থাকবে পবিত্র পাথর। উক্ত মসজিদটি এখনো মসজিদে উমর নামে পরিচিত। বর্তমানে বাইতুল মাকদিসে নামাজের যে জামাত সংঘটিত হয় সেটি এই মসজিদে উমরীতেই সংঘটিত হয়। পরবর্তী সময়ে ৬৮৮-৬৯১ সালে উমাইয়া খলিফা আব্দুল মালেক ইবনে মারওয়ানের নির্দেশে উক্ত সাখরাহ এর উপর একটি গম্বুজ নির্মাণ করা হয়, বর্তমানেও যেটি “কুব্বাতুস সাখরাহ” নামে প্রসিদ্ধ। যেহেতু এই কুব্বাতুস সাখরাহর নিচেই উক্ত পবিত্র পাথরটি রয়েছে, তাই বর্তমানে এই কুব্বাতুস সাখরাহ-ই ই*হু*দিদের কিবলা। প্রিয় পাঠক! বাইতুল মাকদিস বিজয়ের সময় হযরত উমর রা. যে শর্তগুলোর উপর সন্ধি করেছিলেন, সেগুলো আরেকবার পড়ে আসুন এবং বর্তমান অবস্থার সঙ্গে একটু তুলনা করে দেখার চেষ্টা করুন। তিনি সবাইকেই নিরাপত্তা দিয়েছিলেন; গণহত্যা চালাননি। কোনো উপাসনালয় ধ্বংস করেননি, একটি স্থাপনাতেও আঘাত করেননি। বরং খ্রিস্টান অধিকার থেকে মুক্ত করে হযরত উমর রা. সেখানে ই*হু*দিদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তখন ৭০টি ই*হু*দি পরিবার সেখানে নতুনভাবে বসবাস শুরু করেছিল। এর বিপরীতে বর্তমানে এরা ফিলিস্তিনি মুসলিমদের উপর যে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে তা শুধু তাদের নিকৃষ্টতাকেই প্রতিভাত করছে। তামিম আল আদনানী join:  সত‍্যকথন
456
15
বাইতুল মাকদিস আমাদের হয়েছিল যেভাবে - হিজরী ১৫ সাল। মুসলিম জাহানের কিংবদন্তী খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব রা. এর শাসনামল। চতুর্দিকে মুসলিমদের জয়-জয়কার রব প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। বিজয়ের সুসংবাদ ভেসে আসছে ইরাকের রণাঙ্গন থেকে। সমহারে আসছে শামের রণাঙ্গন থেকেও। কাদেসিয়ার যু*দ্ধে পারসিকদের আর ইয়ারমুকের যু*দ্ধে রোমকদের মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। যুগ যুগ ধরে জিইয়ে রাখা গর্ব আর অহমিকা নিমিষেই মিশে গেছে মাটির সঙ্গে। শতসহস্র বছর ধরে অধিকার-বঞ্চিত মানবতা ক্রমশ ফিরে পাচ্ছে সুশাসন। জালিম শাসকদের অকথ্য জুলুম-নির্যাতনের পট পরিবর্তন হয়ে রোম-পারস্যের দিগন্তে দিগন্তে প্রস্ফুটিত হচ্ছে এক আলো-ঝলমলে সুহাসিনী ভোর। মানুষের মনগড়া অপশাসনের বিদায়ী ঘণ্টা বেজে চলেছে। তৎকালীন বিশ্বের পরাশক্তি রোম ও পারস্য মুসলিমদের হাতে কচুকাটা হচ্ছে। রাসূলের হাতেগড়া সাহাবীদের র^ক্তের উপর দিয়ে নির্মিত হচ্ছে ইসলামী ইতিহাসের সোনালী অধ্যায়। হিজরী ১৫ শেষ হয়ে ১৬ শুরু হয়েছে। শামের রণাঙ্গন এখন উত্তপ্ত। খলিফা উমরের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এখন শামের রণাঙ্গনে। এ রণাঙ্গনের প্রধান সিপাহসালার আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি ছাড়াও খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ, আমর ইবনুল আস, আব্দুর রহমান ইবনে আউফ এবং মুআবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহুমের মতো যুগশ্রেষ্ঠ সিপাহসালারগণ যু*দ্ধের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শামের প্রসিদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ শহর হিমস, দামেশক, হালব, আনতাকিয়া ও কিন্নাসারিনের মতো শহরগুলোতে ততদিনে কালিমা খচিত তাওহীদের ঝাণ্ডা উড়তে শুরু করেছে। ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও আঞ্চলিক গুরুত্বের কথা ভাবতে না হলে বাইতুল মাকদিসেও এতদিনে কালিমার পতাকা উড্ডীন হয়ে যেত। বাইতুল মাকদিস শহরটি একযুগে মুসলমান, খ্রিস্টান ও ই*হু*দি- সকলের কাছেই অত্যন্ত পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হওয়ায় মুসলিম বাহিনীর ইচ্ছে ছিল বিনা র^ক্তপাতে শহরটি জয় করা। বাইতুল মাকদিসের নিয়ন্ত্রণ তখন খ্রিস্টানদের হাতে। হযরত আবু উবাইদা রা. বাইতুল মাকদিসে অবস্থানরত খ্রিস্টানদের ইসলাম গ্রহণ বা জিযিয়া প্রদানের প্রতি আহ্ববান করেন। এ আহ্বান তারা প্রত্যাখ্যান করলে ১৬ হিজরীতে তিনটি ধর্মাবলম্বীদের পবিত্রতম এ শহরটি মুসলিম বাহিনী অবরোধ করে। মুসলিম বাহিনীর সাথে মোকাবেলা অর্থহীন বুঝতে পেরে স্থানীয় খ্রিস্টানরা সন্ধির প্রস্তাব পেশ করে। পবিত্র এ শহরে র^ক্তপাত এড়াতে মুসলিম বাহিনীও এতে সম্মতি প্রকাশ করে সন্ধির শর্তাবলী নিয়ে আলোচনা শুরু করে। যেহেতু শহরটি সকলের কাছেই সম্মানিত ও মর্যাদাপূর্ণ তাই পরবর্তী সময়ে যেন এ নিয়ে কারো মাঝে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি না হতে পারে সেজন্য স্থানীয় খ্রিস্টানরা আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে যেন আমীরুল মুমিন নিজে এসে উভয় পক্ষের শর্তগুলো অনুমোদন করেন। খলিফা উমরের কাছে এ ব্যাপারে বার্তা আসলে তিনি হযরত আলী রা. কে মদীনায় নিজের স্থলাভিষিক্ত বানিয়ে ফিলিস্তিনের উদ্দেশ্যে রওনা করেন। তিনি একা একটি ঘোড়ার উপর সওয়ার হয়ে শামের উদ্দেশ্যে রওনা করেন। তাঁর সাথে না কোনো দেহরক্ষী ছিল আর না কোনো খাদেম। উত্তপ্ত মরুভূমিতে তিনি সফর করছিলেন। যখন ক্লান্ত হয়ে পড়তেন তখন ঘোড়ার জিন দিয়ে বালিশ বানাতেন আর গায়ের চাদর বিছিয়ে শুয়ে পড়তেন। তাঁর মাথার উপর না ছাতা ছিল আর না পাগড়ী। এক কাপড়ে চলতে চলতে কাপড়ও ছিঁড়ে গিয়েছিল। এ অবস্থায় চলতে চলতে তিনি যখন শামে প্রবেশ করেন তখন মুসলিম সিপাহসালারগণ আমীরুল মুমিনের এই অবস্থা দেখে বিস্মিত হন। একজন বলে উঠেন, আমীরুল মুমিনিন! এখানে শামের সেনাবাহিনী ও খ্রিস্টান পাদ্রীরা আপনার অপেক্ষায় আছে আর আপনি এ অবস্থায়? উত্তরে তিনি বলেছেন: “আমরা তো সেই জাতি, যাদেরকে আল্লাহ্‌ তাআলা ইসলামের মাধ্যেম সম্মানিত করেছেন। অন্যকিছুর মধ্যে আমরা সম্মান তালাশ করব না”। এরপর হযরত উমর ফারুক রা. সন্ধিচুক্তি সম্পাদন করেন। তারিখে তাবারির ভাষায় সংক্ষিপ্তভাবে চুক্তির বিষয়গুলো ছিল এরকম: “আল্লাহর বান্দা, আমিরুল মুমিনিন উমরের পক্ষ থেকে বাইতুল মাকদিস-বাসীদেরকে নিরাপত্তা প্রদান করা হচ্ছে। তাদের জান-মাল, গির্জা, ক্রুশ এবং গোটা জাতিই আজ থেকে নিরাপদ। তাদের কোনো গির্জাকে বাসস্থান বানানো হবে না; ধ্বংসও করা হবে না। তাদের স্থাপনা ও সীমানায় কোনো ধরনের সঙ্কোচন করা হবে না। ক্রুশ ও সম্পদ ছিনিয়ে নেওয়া হবে না। কাউকে ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য করা হবে না। কারো কোনো ক্ষতি করা হবে না। অন্যান্য শহরবাসীর মতো তাদেরকেও জিযিয়া দিতে হবে। রোমান সৈন্য ও কর্মকর্তাদের তারা শহর থেকে বের করে দেবে। শহরে যারা থাকবে তারা যেমন নিরাপদ শহর থেকে কেউ বের হয়ে গেলে সেও অনুরূপ নিরাপদ, যতক্ষণ না কোনো নিরাপদ স্থানে সে পৌঁছে যায়”…। সন্ধিচুক্তি শেষ করে তিনি প্রথম কিবলা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে রওনা হন। মেহরাবে দাউদের কাছে দু‘রাকাত নামাজ আদায় করেন। প্রথম কিবলা তথা পবিত্র পাথরকে (সাখরা) রোমানরা ডাস্টবিন বানিয়ে রেখেছিল। এমনকি মহিলারা হায়েজের নাপাক কাপড়ও বাড়ির ভেতর থেকে এখানে ফেলার জন্য পাঠিয়ে দিত। এর একমাত্র কারণ এটাই ছিল যে, এটা ই*হু*দিদের কিবলা।
418
16
Немає тексту...
355
17
বরং তারাই তো গ|জ্জ|হকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে, ইজ**রায়েলকে টিকিয়ে রেখেছে! সুতরাং, যা করার করতে হবে নিজেদেরকেই এবং সেটা আন্দোলন আর মিছিলের ভাষায় ক্ষান্ত থাকলে কোনোদিনও সমাধান হবে না। এই ধাপ বহু আগেই পার হয়ে গেছে। এখন কেবলই অস্ত্রের মাধ্যমে সমাধান হবে। জি/হ|দ ফী সাবিলিল্লাহ-ই আল আকসার মুক্তি, স্বাধীনতা ও সম্মান পুনরুদ্ধারের একমাত্র পথ। তামিম আল আদনানী join:  সত‍্যকথন
2 104
18
চরম মিথ্যুকও কখনো সত্য বলে - গ|জা উপত্যকার বেসামরিক শাসনভার পরিচালনার জন্য গঠিত নিজেদের প্রশাসনিক 'জরুরি কমিটি' বিলুপ্ত করেছে হামাস। এর ফলে অঞ্চলটির বেসামরিক প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে কায়রো-ভিত্তিক 'ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গ|জা' (এনসিএজি)। গত কয়েক বছরের দীর্ঘ যু*দ্ধে ই'সর|য়েলের বর্বর হ|ম'লায় পুরো গ|জ্জ|হ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তবে, মু'জ|হি'দদের অবিশ্বাস্য প্রতিরোধের বরকতে ইজ**রায়েল সরাসরি নিজেরা গ|জ্জ|হ দখল করতে পারেনি। বাস্তবতা হল, গ|জ্জ|র বীর মু'জ|হিদ এবং বীর জনগণ যেভাবে ল'ড়|ই করেছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের আরব শাসকেরা আ/মে'রিকা ই'সর|য়েলের সহযোগিতা না করে গ|জ্জ|র সহযোগি হত, তাহলে গ|জ্জ|হকে এতটা ক্ষয়-ক্ষতির মুখোমোখি হতে হতনা। সুতরাং তু'ফ|নুল আকসার যু*দ্ধে আল্লাহর ইচ্ছায় যেসব অবিস্মরণীয় অর্জন সামনে এসেছে, সেগুলোর কৃতিত্ব গ|জ্জ|র বীর জনগণ এবং বীর মু'জ|হি'দদেরই প্রাপ্য। আর এই ধ্বং'সযজ্ঞ ও ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী মূলত ই'সর|য়েল-আ/মে'রিকার দোসর গা'দ্দার শাসকেরা। মুসলিম নামধারী এই শাসকেরা যদি খেয়ানত না করতো, বাইতুল মাকদিসের নুসরতের হক আদায় করতো, তাহলে গ|জ্জ|হবাসী এই যু*দ্ধে জাগতিকভাবেও অগ্রসর থাকতেন এবং উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই এই যু*দ্ধের সমাপ্তি হতে পারতো। নে'ত|নি'য়াহুর জবানে শ|সকদের খেয়ানতের তথ্যঃ চরম মিথ্যুকও কখনো সত্য বলে। জ|তি'সংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে প্রদত্ত বিশ্ব স'ন্ত্র|সী নে'ত|নি'য়াহুর ভাষণ অনেকেই শুনেছিলেন। শ'য়ত|নটা বলেছিল: “প্রকাশ্যে নিন্দা করলেও অনেক নেতাই গোপনে আমাদের ধন্যবাদ দেন”। মূলত, তার ভাষণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওয়াকআউট শুরু হলে পরিস্থিতিকে স্বাভাবিকরণ করার লক্ষ্যে সে এসব কথা বলে। চরম পর্যায়ের মিথ্যাবাদী ও বিশ্বস'ন্ত্র|সী এই নেতা যদি সারাজীবনে একটাও সত্য কথা বলে থাকে, তাহলে এটিই সেই একমাত্র সত্য কথা। তার এই কথাটা শোনার পর একটি হাদীস মনে পড়েছে। হাদীসটি থেকে শেখার আছে অনেক কিছুই৷ হযরত আবু হুরাইরাহ রা. বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে সাদাকার মাল হেফাজতের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। এক রাতে আমি দেখলাম, এক লোক এসে সাদাকার মাল নিয়ে যাচ্ছে। আমি তাকে ধরে বললাম: তোমাকে আমি রাসূলের কাছে নিয়ে যাব। লোকটি অনেক কাতরতার সাথে বলল, আমি অনেক দরিদ্র। আমার পরিবার-পরিজন আছে। অনেক অনেক প্রয়োজন আছে। আমাকে ছেড়ে দাও। (আবু হুরাইরা বলেন) আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসূল সা. জিজ্ঞেস করলেন, আবু হুরাইরা! তোমার গত রাতের কয়েদী কী করলো? আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! সে অনেক প্রয়োজনের কথা বলছিল, পরিবারের কথা বলছিল, আমি দয়াপরবশ হয়ে তাকে ছেড়ে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ সা. বললেন: সে তোমার সাথে মিথ্যা বলেছে। সে কিন্তু আবার আসবে! সত্যি সত্যিই লোকটি আবার আসলো এবং একই ঘটনা ঘটলো। আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালেও একই ঘটনা ঘটলো। আবারো রাসূল বলে দিলেন, আজকে রাতে সে আবার আসবে। সত্যি সত্যিই আসলো। আমি তাকে ধরলাম আর বললাম, তিনবার হয়ে গেছে আজ আর ছাড়ব না। এবার লোকটি বলল: আমাকে ছেড়ে দাও বিনিময়ে তোমাকে এমন কিছু কথা শিখিয়ে দেব যার দ্বারা আল্লাহ তাআলা তোমার মঙ্গল করবেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম সেগুলো কী? লোকটি বলল: তুমি যখন রাতে ঘুমাতে যাবে তখন আয়াতুল কুরসী পড়ে নিও। তাহলে সকাল পর্যন্ত আল্লাহর তরফ থেকে তোমার জন্য একজন হেফাজতকারী নিয়োজিত থাকবে এবং কোনো শয়তান তোমার কাছে আসতে পারবে না। এটা শুনে আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসূল সা.কে সব খুলে বললাম। তিনি বললেন, আবু হুরাইরা! সে চরম মিথ্যুক, তবে এই কথাটা সত্য বলেছে। তুমি কি জানো, এই তিন রাত ধরে তুমি কার সাথে কথা বলছিলে? সে ছিল শয়তান। (সহীহ বুখারী-২৩১১) নে'ত|নি'য়াহু চরম মি'থ্যু'ক হওয়া সত্ত্বেও এই কথাটি নির্ভেজাল সত্য বলেছে। তার এই কথার বুক চিড়ে বেড়িয়ে এসেছে গ|জ|র জন্য সময়ে সময়ে বিভিন্ন র|ষ্ট্রের মায়াকান্নার নোংরা বাস্তবতা। মূলত গ|জ|র মুসলমানদের জন্য ওদের অন্তরে বিন্দুমাত্রও দয়া নেই। কারণ, এই জনপদটি মুসলিম জনপদ। কিন্তু বিশ্ব পলিটিক্স মেনে চলতে মাঝে মাঝে এই জে'নোসাইডের বিরুদ্ধে লোক দেখানো সোচ্চার হতে হয়। বিশ্বের সামনে কিছু আহ আর কিছু উহ খরচ করতে হয়। এটাই কুফরের রাজনীতি, যার পুরাটাই ধোঁকা আর প্রতারণা দিয়ে ঠাসা। এই সারিতে সবার থেকে এগিয়ে আছে আরব বিশ্বের নপুংসক, পশ্চিমাদের একনিষ্ঠ গোলাম, তাবেদার, দালাল, ফ্যাসিস্ট, জিন্দিক শাসকগুলো। নতুবা এই গ'ণহ^ত্যা নে'ত|নি'য়াহু কোনোমতেই চালাতে পারত না। মুসলিমদের প্রাণকেন্দ্র আরব। সেই আরবের সিংহাসনগুলো এখন দখল করে রেখেছে কিছু নামধারী মুসলমান, যারা লেবাসে-পোশাকে মুসলমান হলেও বাস্তবে জিন্দিক। তাদের প্রভু হলো আ/মে'রিকা। সুতরাং প্রভু রেগে যাবেন এমন কোনো কাজ করা যাবে না। পাছে না আবার গদি চলে যায়! কারণ এই গদিও তো দিয়েছে আ/মে'রিকা প্রভুই। যারা বিচক্ষণ তারা আসলে বোঝেন যে, মুসলিমদের সমস্যার সমাধান জাতিসঙ্ঘও করবে না, নামধারী মুসলিম শাসকেরাও করবে না।
1 956
19
Немає тексту...
404
20
আজানের জন্য ২২ জন মুসলিমকে শহিদ করেছে ভারত,হ্যা ঠিকই শুনেছেন শুধুমাত্র আজানের কারণেই। জানেন কী এই ছবির ইতিহাস? তরুণরা এসব না
আজানের জন্য ২২ জন মুসলিমকে শহিদ করেছে ভারত,হ্যা ঠিকই শুনেছেন শুধুমাত্র আজানের কারণেই। জানেন কী এই ছবির ইতিহাস? তরুণরা এসব না জানলেও মেসি-নেইমারদের ইতিহাস ঠিকই জানে। আজ থেকে ৯৫ বছর আগে,১৩ জুলাই ১৯৩১,কাশ্মীরের ইতিহাসে লেখা হয়েছিল এক রক্তাক্ত অধ্যায়। হেদু রাজার জুলুমের প্রতিবাদ করায় আব্দুল কাদীর রহি. কে ফাঁসি দিচ্ছিল রাজা, সেই বিচার দেখতে শ্রীনগর জেলখানার সামনে জড়ো হয়েছিলেন হাজারো মুসলিম। সেদিনের সেই জনসমুদ্র শুধু একজন মানুষের বিচার দেখতে আসেনি—তারা এসেছিল নিজেদের অধিকার,মর্যাদা ও ন্যায়ের দাবিতে। যোহরের সময় হলো। একজন উঠে আজান দিতে লাগলেন থানা প্রাঙ্গনে, কিন্তু গুলির শব্দে থেমে গেল তার কণ্ঠ। তিনি রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। তারপর আরেকজন এগিয়ে এলেন,অসমাপ্ত আজান পূর্ণ করার প্রত্যয়ে।তিনিও গুলির শিকার হলেন।এভাবেই একের পর এক মানুষ এগিয়ে এসেছিলেন আজান পূর্ণ করতে,আর তাদের আত্মত্যাগে রচিত হয়েছিল ২২ শহীদের বেদনাময় স্মৃতি। তাদের রক্তের কাহিনি আজও কাশ্মীরের ইতিহাসে একটি গভীর ক্ষত ও স্মৃতির প্রতীক হয়ে আছে। ১৩ জুলাই ১৯৩১—একটি দিন,যা ইতিহাসের পাতায় বেদনা,সাহস ও আত্মত্যাগের সাক্ষ্য হয়ে রয়ে গেছে।
673