es
Feedback
সত‍্য কথন

সত‍্য কথন

Canal cerrado
4 358
Suscriptores
+124 horas
-77 días
-5130 días

Carga de datos en curso...

Canales Similares
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Nube de Etiquetas
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Menciones Entrantes y Salientes
---
---
---
---
---
---
Atraer Suscriptores
julio '26
julio '26
+13
en 2 canales
junio '26
+6
en 3 canales
Get PRO
mayo '26
+9
en 1 canales
Get PRO
abril '26
+17
en 4 canales
Get PRO
marzo '26
+75
en 4 canales
Get PRO
febrero '26
+80
en 2 canales
Get PRO
enero '26
+32
en 2 canales
Get PRO
diciembre '25
+41
en 2 canales
Get PRO
noviembre '25
+105
en 1 canales
Get PRO
octubre '25
+288
en 6 canales
Get PRO
septiembre '25
+322
en 6 canales
Get PRO
agosto '25
+272
en 4 canales
Get PRO
julio '25
+328
en 9 canales
Get PRO
junio '25
+568
en 6 canales
Get PRO
mayo '25
+510
en 7 canales
Get PRO
abril '25
+585
en 2 canales
Get PRO
marzo '25
+355
en 3 canales
Get PRO
febrero '25
+424
en 5 canales
Get PRO
enero '25
+541
en 10 canales
Get PRO
diciembre '24
+860
en 6 canales
Fecha
Crecimiento de Suscriptores
Menciones
Canales
23 julio+2
22 julio+1
21 julio0
20 julio+2
19 julio+1
18 julio+3
17 julio0
16 julio0
15 julio0
14 julio+1
13 julio0
12 julio0
11 julio0
10 julio0
09 julio0
08 julio+1
07 julio+1
06 julio+1
05 julio0
04 julio0
03 julio0
02 julio0
01 julio0
Publicaciones del Canal
দিল্লীতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন সফল হোক বা না হোক; একটা বার্তা পরিষ্কার। মোদির 'হিন্দু খাতরে মে হে' টনিকটা ফেইল করেছে। মোদি-অমিত-যোগীরা ভেবেছিল ভারতে ইসলাম ও মুসলমানদের ব্যাপারে ঘৃণা উৎপাদন করে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় টিকে থাকবে। মোদির স্বপ্ন নিকট ভবিষ্যতে দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে যাচ্ছে। এই টনিক খাইয়ে সাধারণ ভারতীয়দের আর বেশি দিন শোষন করতে পারবে না হিন্দুত্ববাদীরা। রাষ্ট্র পরিচালনায় বিজেপির হাজারো অবহেলা, অদক্ষতা, ব্যর্থতা, দূর্নীতি, লুটপাট, মৌলিক অধিকার হরন; সবকিছু থেকে জনগণের দৃষ্টি সরিয়ে রাখত ওই একটা টনিক দিয়ে। সাধারণ ভারতীয়রা একটু দেরি হলেও এখন বুঝতে শুরু করেছে—এই হিন্দুত্ববাদী বুদবুদে তাদের চাকরী মিলবে না, দ্রব্যমূল্য কমবে না, দারিদ্র্যতা দূর হবে না। মোদির হিন্দুত্ববাদ আদানি-আম্বানিদের দুই হাত খুলে দিয়েছে; আর সাধারণ ভারতীয়দের দিয়েছে স্রেফ বায়বীয় চেতনা। ভারত নানান জাতির, নানান ভাষার, নানান সংস্কৃতির, নানান ধর্মের একটা বিচিত্র দেশ। মোদি সেখানে কেবল হিন্দুত্ববাদী ফ্যাসিবাদ কায়েম করে রেখেছে। কোনো রাজ্যে উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছাক বা না পৌঁছাক; গোমূত্র, গোমাতার প্রেম, মসজিদ-গীর্জা ভাঙা, ধর্ম পালনে বাধা দেওয়ার হিন্দুত্ববাদী চেতনা সযত্নে পৌঁছে দিয়েছে মোদি। সকল রাজ্যের ওপর উগ্র জাতীয়তাবাদী চেতনা চাপিয়ে দিয়েছে জোরপূর্বক। তাই প্রতিটি রাজ্যই এখন ক্ষোভে ফুঁসছে। ভারতের সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে একদিন। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক লেগেছে বলিউডের নীরবতা দেখে। এক প্রকাশ রাজ ছাড়া বাকি সেলিব্রিটিরা নিশ্চুপ। ওরা ছাত্র-জনতার পাশে দাঁড়ায়নি। অথচ আজকে ওরা সেলিব্রিটি হয়েছে এই সাধারণ ছাত্র-জনতার কারণেই। আন্দোলনের এই ধারা চলমান থাকুক। আমরা বাংলাদেশের নাগরিকরা সাধারণ ভারতীয় নাগরিকদের এই আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করছি। প্রত্যাশা করি ভারতীয়রা অতি শীঘ্রই মোদি নামক এই প্রকাণ্ড দানবের হাত থেকে মুক্ত হয়ে ভারতে ইতিহাস রচনা করবে। - করিম শাওন https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1

2
দিল্লীতে ভালোই প্রতিরোধ চলছে। জেন-জির আন্দোলন মোদির ভীতে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। আমি আন্দোলনরত তরুণদেরকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি তাদের পূর্বপুরুষ সুভাষ চন্দ্র বোসের কথা। তিনি তার আজাদ হিন্দ ফৌজের জাতীয় সংগীতে বলেছিলেন: تیری ہمت بڑھتی رہے خدا تیری سنتا رہے جو سامنے تیرے کھڑے تو خاک میں ملائے جا چلو دلی پکار کے قومی نشاں سنبھال کے لال قلعے پہ گاڑ کے لہرائے جا، لہرائے جا হিম্মত তোমার বাড়তে থাকুক খোদা তোমায় শুনতে থাকুক যে-ই তোমার সামনে আসুক মাটিতে তারে মিশায়ে দাও। "চলো দিল্লী" স্লোগান দিয়ে, কওমী নিশান সাথে নিয়ে, লাল কিল্লাতে গেড়ে দিয়ে ওড়ায়ে যাও, ওড়ায়ে যাও। — Jakaria Masud https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
395
3
এই যে ওয়াফাদার লোকদের এমপ্লয় করতে গিয়ে হাসিনা যেভাবে নিজের কবর নিজেই খুঁড়েছিলো, সেইভাবেই ওয়াফাদার ধর্মেন্দ্রকে রক্ষা করতে গিয়ে এখন মোদির সিংহাসন হুমকির মুখে পড়েছে। (১৫) আন্দোলন এতোই বেশি ছড়িয়ে গেছে যেঃ ইন্ডিয়ার যে কোনো বড়-বড় ইস্যু নিয়ে চিৎকার করে রাজা-উজিড় মারা সব শুয়োরের বাচ্চাদের মুখ এখন বন্ধ হয়ে গেছে। ময়ূখ রঞ্জনের প্রোফাইলে গিয়ে দেখেন। একদিকে দেশ জ্বলছে, আরেকদিকে হারামজাদা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেঃ "বৃষ্টিতে রাস্তায় অনেক জল জমেছে। দয়া করে এটা ফিক্স করুন"! ওরে হারামজাদা, এটা কি রাস্তার জল নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়ার সময়? এই আন্দোলনের ব্যাপারে তোর অবস্থান কী? সেটা ক্লিয়ার করছিস না কেন বানচোত? মোদি যেভাবে ভারতীয় মিডিয়াকে মোটামুটি নিজের পকেটে ভরে রেখেছে, যেখানে দিনরাত গোদি মিডিয়া মোদির চরণবন্দনা করে - সেখানে সিজেপি প্রোটেস্টের এটা একটা বিশাল বিজয়। যন্তর-মন্তর থেকে সব গোদি মিডিয়াকে খেদিয়ে দেয়া হয়েছে। এইটা একটা দুর্দান্ত কাজ হয়েছে, এবং এটাই হওয়া দরকার ছিলো। শাবাস সিজেপি! (১৬) হাসিনা পালানোর পর থেকে এই গোদি মিডিয়া - হাসিনার পক্ষে এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে যে স্মিয়ার ক্যাম্পেইন চালিয়েছে, সেটা যে কোনো সুস্থ বুদ্ধির মানুষ দেখলে লজ্জা পাবেন। এমন একটা ভাবমূর্তি তৈরি করা হয়েছে যেঃ বাংলাদেশি মানেই জ*ঙ্গি। বাংলাদেশিরা মূলত ভারতের ধ্বংস চায়, এবং হাসিনা চলে যাওয়াতে বাংলাদেশ একটা জ*ঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এটা খুবই সত্যি কথা যেঃ রগে রগে ভারতবিদ্বেষী এবং পাকিস্তানপন্থী মানুষের কোনো অভাব - বাংলাদেশে নাই। কিন্তু এই ভোকাল শ্রেণীটা পুরো বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করেনা। (১৭) আমরা তো ভারতের "মানুষদের" বিপক্ষে নারে ভাই। আমরা ভারতের আধিপত্যবাদের বিপক্ষে। আমরা একটা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। আমরা তো ভারতের অঙ্গরাজ্য না। বাংলাদেশকে হাতের মুঠোর মধ্যে রাখার জন্যঃ হাসিনার মতো পাপেট সরকার বসিয়ে - ইন্ডিয়া যে বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, এটাই হচ্ছে প্রধান সমস্যা, এবং এজন্যই আমরা ভারতের "ক্ষমতাকে" ঘৃণা করি। ভারত রাষ্ট্রকেও আমরা ঘৃণা করিনা। ভারতীয় মানুষদেরও আমরা ঘৃণা করিনা। এক খুনী মহিলা, এবং তার সম্পূর্ণ পলাতক দলকে - ভারতে ফ্রি শেল্টার দেয়া হয়েছে। ভারতীয় মিডিয়া ব্যবহার করে এই শুয়োরের বাচ্চা অপরাধীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে। এইটা কেন বাংলাদেশ মেনে নিবে? আপনাদেরকে আমরা ঘৃণা করতে চাইনা। কিন্তু, নিজে যেচে এসে ঘৃণা উৎপাদনের কারণ তৈরি করলে - আমাদের আসলে কী করার আছে? (১৮) বাংলাদেশের তারুণ্যের পক্ষ থেকে - আমি খোলাখুলিভাবেই সিজেপির এই প্রটেস্টকে সমর্থন জানাচ্ছি। ভারতের তারুণ্য জানুক, তাদের ন্যায্য লড়াইয়ে - বাংলাদেশের সকল শ্রেণীর মানুষ তাদের পাশে আছে। আমরা আর ঘৃণার চাষাবাদ চাইনা। শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠান। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে ভারতীয় হস্তক্ষেপ বন্ধ করুন। আশা করি, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আমাদের প্রাতিবেশিক সুন্দর সম্পর্কটা আবার ফিরে আসবে। এইজন্য দরকার হচ্ছেঃ বিজেপির বর্তমান ক্ষমতার গায়ে ক্রমাগত হাতুড়ি মারতে থাকা। আমি জানি, বিজেপি অত্যন্ত বড় দল। হাসিনার মতো এতো সহজে হয়তো এদের ফেলে দেয়া সম্ভব হবেনা। কিন্তু, সিজেপির মতো তারুণ্য, আমাদের জেন-জিঃ যখন ফুঁসে ওঠে, যখন প্রতিবাদ করে, প্রটেস্ট করে - আমি নিজেও সেই আন্দোলনের অংশ হয়ে উঠি, এবং আশায় বুক বাঁধিঃ এইবার হয়তো ভালো কিছু একটা হবে। (১৯) নেপালের আন্দোলনকারীরা আমার ভাই। শ্রীলংকার আন্দোলনারীরা আমার ভাই। বাংলাদেশের আন্দোলনকারীরা আমার ভাই। ভারতের আন্দোলনকারীরা আমার ভাই। বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা আমার ভাই। পৃথিবীর সকল ন্যায্য আন্দোলনের সাথে - আমাদের পূর্ণ সংহতি। Together, we are ONE nation. We are Gen-Z <3 -শুভজিৎ ভৌমিক https://t.me/+efSODy7J96k0MDI1
354
4
ঠিক এইটাই ঘটে, যখন আপনি জেনুইন কাজের কম্পিটেন্ট লোক বাদ দিয়ে, চাটুকারিতা আর ওয়াফাদারির ভিত্তিতে মন্ত্রীসভায় বোকাচোদাদের এমপ্লয় করেন। আর ঠিক সেটাই হাসিনা করেছিলো। শেখ হাসিনার কল রেকর্ডিং যারা শুনেছেন, তারা অবশ্যই জানেনঃ তার আশেপাশের প্রত্যেকটা লোক - ছাত্রদেরকে মেরে আন্দোলন ঠাণ্ডা করার জন্য তাকে ক্রমাগত উষ্কানি দিয়ে গেছে। যাদের মধ্যে সিনিয়র উষ্কানিদাতা ছিলো হাসানুল হক ইনু। আপনারা সময় নিয়ে হাসিনার কল রেকর্ডিং-গুলো টপ টু বটোম শুনবেন। ক্ষমতার ইঁট কীভাবে একটা একটা করে ধ্বসে পড়ে - এইটার একদম ফার্স্ট হ্যান্ড এভিডেন্স হচ্ছে হাসিনার কল রেকর্ড। (৯) গত একমাস ব্যাপী প্রটেস্টের পরেঃ আজকে ছিলো ককরোচদের একটা বড় ফাইট। "সংসদ চলো" নামের একটা লং-মার্চ হচ্ছে আজকে দিল্লিতে। সোনমকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনের নেতা অভিজিৎ দীপকে হাংগার স্ট্রাইক শুরু করেছেন। আজকে দিল্লি ভেঙ্গে পড়েছে মানুষে। প্রচুর মানুষ আসছেন আন্দোলনে অংশ নিতে। এইটা এখন জাতীয় আন্দোলন হয়ে ওঠা জাস্ট সময়ের ব্যাপার। শুরুর দিকে সেলিব্রেটিদের কোনো আওয়াজ শোনা যায়নি। এখন ধীরে ধীরে শাবানা আজমি, কুনাল কামরা, প্রকাশ রাজ, সোনি রাজদান, জিনাত আমান, অভয় দেওল, নাসিরুদ্দিন শাহ, অমি বৈদ্য, সোনাক্ষী সিনহা, বিশাল দাদলানি, ধ্রুব রাঠী, রঘু রাম - সবাই মিলে এই প্রোটেস্টকে সমর্থন জানাচ্ছে। (১০) এমনকি পর্নস্টার পুনম পাণ্ডে পর্যন্ত প্রোটেস্ট করতে চলে এসেছে। হোয়াট আ বিউটিফুল মোমেন্ট ফর ইন্ডিয়ান ডেমোক্রেসি। পর্নস্টার জন্য মেয়েটাকে কেউ তাড়িয়ে দেয়নি প্রোটেস্ট থেকে। দিস ইজ দ্যা আল্টিমেট বিউটি অফ পাবলিক রিভোল্ট। যেইসব সেলিব্রেটি এই আন্দোলনকে সমর্থন দিচ্ছেনা, তাদের অনলাইনে কাওয়ার্ড নাম দিয়ে তুলাধুনা করা হচ্ছে - ওহ ইয়েস! এইটাই তো হওয়া দরকার। চোখের সামনে এই সুন্দর জিনিসগুলো দেখতে, এই মুহুর্তগুলোর রাজসাক্ষী হয়ে থাকতে - ভালো লাগে। আপনাদের মনে আছে নিশ্চয়ই, জুলাই আন্দোলনে বাংলাদেশের শিল্পীরা যে মুহুর্তে রাস্তায় নেমে আসলো - কী পরিমাণ শক্তিশালী হয়ে উঠেছিলো আন্দোলন ওই সময়। এইটাই এখন হচ্ছে ইন্ডিয়াতে। আর এই ব্যাপারটাই আশার আলো দেখাচ্ছে যেঃ হয়তো এইবার কিছু একটা বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে। (১১) সিজেপি আন্দোলনের দাবিটা কী? জাস্ট একটামাত্র দাবিঃ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। তো, এই এক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান - কী এমন গুরুত্বপূর্ণ লোক, যাকে বাঁচাতে গিয়ে মোদি সরকার - এতোবড় একটা আন্দোলন হতে দিচ্ছে? একে ফায়ার, বা রিজাইন করার চাপ দিলেই তো ল্যাঠা চুকে যায়। এইখানেই হচ্ছে প্রবলেমটার ডেড এন্ড। ধর্মেন্দ্র প্রধান রিজাইন করার হলে এতোদিনে করে ফেলতো। এই লোকটাকে আসলে বিজেপি স্যাক্রিফাইস করতে পারবেনা। মোদি, অমিত শাহ, যোগী আদিত্যনাথের বিশাল পপুলারিটির কারণেঃ বিজেপির কোর লিডারদের অনেকেই লাইমলাইট কম পান। রিয়েলিটি হচ্ছেঃ ধর্মেন্দ্র প্রধান আসলে বিজেপির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ লোক। (১২) মোদি সরকার যেসব ভাড়াটিয়া গুণ্ডাদের মাধ্যমে মাঠের প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করে, সেই কট্টর হিন্দুত্ববাদীদের সংগঠন RSS-এর সাথে ধর্মেন্দ্র প্রধান দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন। এছাড়াও গুণ্ডাদের সংগঠন "বজরং দল" এর আহবায়ক হিসাবেও এই লোক দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে মাঠ পর্যায়ে ম্যাটেরিয়ালাইজ করার শক্তি হিসাবে ধর্মেন্দ্র প্রধান হচ্ছেঃ মূল বিজেপি এবং ভাড়াটিয়া গুণ্ডাদের কানেকশন পয়েন্ট। যেমন ধরেনঃ শাজাহান খানের মতো গডফাদারকে আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিন পালতে হয়েছে একটাই কারণে। লোকটা পরিবহন সেক্টর এবং এই সেক্টরে জড়িত শ্রমিকদের নেটওয়ার্ক - একটা আন্ডারগ্রাউন্ড মাফিয়া গ্যাং-এর মতো কন্ট্রোল করতো। (১৩) ঠিক একই কারণে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বিজেপি স্যাক্রিফাইস করতে পারছেনা। এই লোক দীর্ঘদিন যাবৎ বিজেপির অত্যন্ত বিশ্বস্ত অর্গানাইজেশনাল লিডার। একই সাথে লোকটা বিজেপির সবচেয়ে বড় ফান্ড রেইজারদের অন্যতম। পাতি বাংলায় ব্যাখ্যা করি, লিটারেলি নিয়েন না। কিন্তু ধর্মেন্দ্র প্রধানের বেসিক শক্তিটা হচ্ছে এইরকমঃ পেট্রোলিয়াম মিনিস্টার থাকা অবস্থায় ধর্মেন্দ্র প্রধান - রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি থেকে থেকে সাড়ে ছয়শো কোটি রুপির বেশি বের করে নিয়ে RSS-এর বিভিন্ন সংগঠনে দান করেছে। অর্থাৎ, রাষ্ট্রের টাকা চুরি করে কীভাবে দলের পকেট ভরা যায় - এই সেক্টরে ধর্মেন্দ্র প্রধান হচ্ছে বিজেপির সবচেয়ে বিশ্বস্ত লোকদের মধ্যে একজন। (১৪) একইভাবে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে, দলের পকেট ভরার যে চক্রান্ত চলছিলো - ধর্মেন্দ্র প্রধান এইখানেও প্রধান ভূমিকাই পালন করেছে। প্রবলেম হচ্ছে, এই দফায়ঃ ধরা পড়েছে, চোরায় ধরা পড়েছে। আর এইজন্যই এই লোকের পদত্যাগ চাওয়া হচ্ছে। এইরকম মানি ম্যানকে স্যাক্রিফাইস করার ক্যাপাসিটি বিজেপির নাই। আর সেইজন্যই, এখনও পর্যন্ত মোদি - এই পুরো আন্দোলন নিয়ে সম্পূর্ণভাবে চুপ করে আছে।
253
5
(১) হাসিনা পতনের - সাতদিন আগেও মনে হয় কেউ কল্পনা করে নাই যে, হাসিনার পতন হতে পারে। কেউই ভাবে নাই, ১৭ বছরের রাজত্ব ছেড়ে - এই মহিলা দলবল সহ এইভাবে ইন্ডিয়া পালাবে। কিন্তু পালিয়েছে। সাতদিন আগেও ইমপসিবল মনে হওয়া ঘটনাটা ঘটেছে। এইটাই হচ্ছে বিপ্লবের বিউটি, প্রটেস্টের সৌন্দর্য। অসম্ভবকে সম্ভব করাই আন্দোলনের কাজ। জনতা তাদের ক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার তখনই করে, যখন তারা প্রটেস্ট করে। (২) বুইড়া খাটাশ পলিটিশিয়ানদের হাত থেকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু সরিয়ে ক্রমাগত নতুনদের মধ্যে নিয়ে আসার একটা রেভলিউশনারি সময়ের সাক্ষী হচ্ছি আমরা। জাস্ট চার বছরের মধ্যে সাউথ এশিয়াতে ক্ষমতার এপিসেন্টার চেঞ্জ করে ফেলেছে জেন-জি। শ্রীলংকা দিয়ে শুরু হলো। রাজাপাকশে পালালো। এরপর বাংলাদেশ। হাসিনা পালালো। এরপর নেপাল। কেপি শর্মা ওলি পালালো। এই মুহুর্তে ইন্ডিয়াতে ককরোচ জনতা পার্টির যে আন্দোলন চলছে, এইটাকে যদি ঠিকঠাক চালানো যায় - এই আন্দোলন সম্ভবত মোদির ক্ষমতা শেষ করতে চলেছে। (৩) প্রশ্ন ফাঁস ইন্ডিয়ার রেগুলার ঘটনা। মাঝেমাঝেই হয়। কিন্তু মূল ট্রিগার ছিলোঃ ২০২৬ সালের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার মতো মেজর পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যায়। এই নিয়ে ছোট আকারে, আমাদের কোটা আন্দোলনের মতো বিচ্ছিন্ন কিছু প্রটেস্ট হয়। শেখ হাসিনা যেমন কোটা আন্দোলনকারীদের রাজাকার বলে আসল আগুনটা লাগিয়েছিলোঃ ইন্ডিয়ার ক্ষেত্রে সেই আগুনটা লাগায় চিফ জাস্টিস সুরিয়াকান্ত। ওপেনকোর্টে সে বলেঃ "দেশ পোকামাকড়ে ভরে গেছে। বেকার, কোনো কামকাজ নাই, সব আন-এমপ্লয়েড ককরোচ এইসব ইয়াং পোলাপান।" (৪) চিফ জাস্টিসের এই বক্তব্য পিক করে আমেরিকা প্রবাসী এক ইন্ডিয়ান ছাত্রঃ অভিজিৎ দীপকে। ইন্সটাগ্রামে ভারতীয় জনতা পার্টি বিজেপিকে - স্যাটায়ার করে একটা প্রোফাইল খোলা হয়ঃ ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এই প্রোফাইল দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। চারদিনের মধ্যে ইনস্টাগ্রামে এই প্রোফাইলের ফলোয়ার দশ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে ককরোচরা সবাই একজোট হয়। দিল্লিতে "যন্তর-মন্তর" নামে একটা জায়গা আছে, আমাদের টিএসসি/শাহবাগ টাইপের একটা পপুলার প্রটেস্ট স্পট। অভিজিৎ দীপকে আমেরিকা ছেড়ে দিয়ে ইন্ডিয়াতে চলে আসে। যন্তর-মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে প্রটেস্ট শুরু হয়। (৫) দিল্লিতে এখন প্রচণ্ড গরম। এর মধ্যেই যন্তর-মন্তরে প্রটেস্ট চলতে থাকে। আন্দোলনটা প্রাণশক্তি পায়, যখন প্রখ্যাত ভারতীয় বিজ্ঞানী, শিক্ষক ও একটিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক সেই আন্দোলনে এসে যোগ দেন। শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত - সোনম আমরণ অনশনের সিদ্ধান্ত নেন। ২১ দিন পর্যন্ত উনি না খেয়ে ছিলেন। এর ফলে প্রচণ্ড গরমে তার শরীর খারাপ হতে শুরু করে। শরীরের ওজন ৮ কেজি কমে যায়। সোনম ওয়াংচুককে ইন্ডিয়ার তারুণ্য ভালোবাসে। নিঃস্বার্থ এই লোকটা দেশের জন্য, মানুষের জন্য - প্রচুর কন্ট্রিবিউট করেছেন। অসুস্থ সোনমের ছবি - সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়তেই মূল বিস্ফোরণটা ঘটে। দলে দলে মানুষ যন্তর-মন্তরে আসতে শুরু করে। পুলিশ ব্যারিকেড লাগিয়ে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করে। কিছুতেই কোনো লাভ হয়নি। (৬) মোদি এইখানে খুব ট্রিকি একটা গেইম খেলছে। লোকটা অসম্ভব বুদ্ধিমান। শয়তান যদি বুদ্ধিমান হয় - সেইটা একটা ডেডলি কম্বিনেশন। প্রথমত, শ্রীলংকা নেপাল বাংলাদেশের উদাহরণ থেকে সে জানতোঃ ছাত্রদের কোনো অবস্থাতেই মারা যাবেনা। আন্দোলন যদি ভায়োলেন্সের দিকে চলে যায়ঃ তাহলে ক্ষমতার পতন অনিবার্য। দ্বিতীয়ত, হাংগার স্ট্রাইকে সোনম ওয়াংচুক যদি মারা যেতো, নিমিষের মধ্যে আন্দোলন ভায়োলেন্ট হয়ে উঠতো। কাজেই, এই লোককে মরতেও দেয়া যাবেনা। এইজন্য, গতকালকে যন্তর-মন্তরে এসে সাদা পোশাকের পুলিশঃ সবার সামনে থেকে সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে গেছে। হেলথ কনসার্নে তাকে হাসপাতালে ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। (৭) কাজেই, সোনম যদি খাবার নাও খান - স্যালাইন এবং মেডিসিন পুশ করে ওনাকে জীবিত রাখা হবে। সোনম মারা যাচ্ছেন না, এটা কনফার্ম। এইধরনের আন্দোলন সফল হওয়ার জন্য, মানুষের ক্ষেপে ওঠার প্রভাবক হিসাবে - সামনে একটা প্রেজেন্টেবল ডেডবডি লাগে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যেটা ছিলো আবু সাঈদ, বা মীর মুগ্ধ, বা ওয়াসিম। আর এইখানেই মোদি ম্যাজিক দেখিয়েছে। এখনও পর্যন্ত একটাও ডেডবডি প্রোডিউসড হতে দেয়নি। কী যে দুর্দান্ত টেকনিকের মাধ্যমে মোদি এই আন্দোলন হ্যান্ডেল করছে, এইটা একটা দেখার মতো ব্যাপার। (৮) লোকটার কথাবার্তা শুনলে বোকাচোদা মনে হতে পারে। কিন্তু একই সাথে কূটনৈতিক বুদ্ধিতে চাণক্য শ্রেষ্ঠ না হলে - এমনি এমনি ইন্ডিয়ার মতো এতোবড় দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সম্ভব না। শেখ হাসিনার দুর্ভাগ্যঃ তার আশেপাশের সবাই ছিলো বোকা, চাটুকার এবং উষ্কানিদাতা। জুলাই আন্দোলন হ্যান্ডেল করার জন্য একজনও ভালো, কম্পিটেন্ট - কূটনৈতিক পরামর্শদাতা হাসিনার ছিলোনা।
239
6
Sin texto...
238
7
ই*হু*দিদেরকে কষ্ট দেওয়ার জন্যই তারা এমনটি করত। হযরত উমর রা. কাব ইবনে আহবার রা. এর সহায়তায় পাথরের স্থানটি চিহ্নিত করেন এবং নিজ হাত ও চাদর দিয়ে পাথরটি পরিষ্কার করেন। এরপর পাথরকে পেছনে রেখে বাইতুল্লাহকে সামনে রেখে এমনভাবে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন যে, নামাজি ব্যক্তির সামনে থাকবে বাইতুল্লাহ আর পেছনে থাকবে পবিত্র পাথর। উক্ত মসজিদটি এখনো মসজিদে উমর নামে পরিচিত। বর্তমানে বাইতুল মাকদিসে নামাজের যে জামাত সংঘটিত হয় সেটি এই মসজিদে উমরীতেই সংঘটিত হয়। পরবর্তী সময়ে ৬৮৮-৬৯১ সালে উমাইয়া খলিফা আব্দুল মালেক ইবনে মারওয়ানের নির্দেশে উক্ত সাখরাহ এর উপর একটি গম্বুজ নির্মাণ করা হয়, বর্তমানেও যেটি “কুব্বাতুস সাখরাহ” নামে প্রসিদ্ধ। যেহেতু এই কুব্বাতুস সাখরাহর নিচেই উক্ত পবিত্র পাথরটি রয়েছে, তাই বর্তমানে এই কুব্বাতুস সাখরাহ-ই ই*হু*দিদের কিবলা। প্রিয় পাঠক! বাইতুল মাকদিস বিজয়ের সময় হযরত উমর রা. যে শর্তগুলোর উপর সন্ধি করেছিলেন, সেগুলো আরেকবার পড়ে আসুন এবং বর্তমান অবস্থার সঙ্গে একটু তুলনা করে দেখার চেষ্টা করুন। তিনি সবাইকেই নিরাপত্তা দিয়েছিলেন; গণহত্যা চালাননি। কোনো উপাসনালয় ধ্বংস করেননি, একটি স্থাপনাতেও আঘাত করেননি। বরং খ্রিস্টান অধিকার থেকে মুক্ত করে হযরত উমর রা. সেখানে ই*হু*দিদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তখন ৭০টি ই*হু*দি পরিবার সেখানে নতুনভাবে বসবাস শুরু করেছিল। এর বিপরীতে বর্তমানে এরা ফিলিস্তিনি মুসলিমদের উপর যে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে তা শুধু তাদের নিকৃষ্টতাকেই প্রতিভাত করছে। তামিম আল আদনানী join:  সত‍্যকথন
321
8
বাইতুল মাকদিস আমাদের হয়েছিল যেভাবে - হিজরী ১৫ সাল। মুসলিম জাহানের কিংবদন্তী খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব রা. এর শাসনামল। চতুর্দিকে মুসলিমদের জয়-জয়কার রব প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। বিজয়ের সুসংবাদ ভেসে আসছে ইরাকের রণাঙ্গন থেকে। সমহারে আসছে শামের রণাঙ্গন থেকেও। কাদেসিয়ার যু*দ্ধে পারসিকদের আর ইয়ারমুকের যু*দ্ধে রোমকদের মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। যুগ যুগ ধরে জিইয়ে রাখা গর্ব আর অহমিকা নিমিষেই মিশে গেছে মাটির সঙ্গে। শতসহস্র বছর ধরে অধিকার-বঞ্চিত মানবতা ক্রমশ ফিরে পাচ্ছে সুশাসন। জালিম শাসকদের অকথ্য জুলুম-নির্যাতনের পট পরিবর্তন হয়ে রোম-পারস্যের দিগন্তে দিগন্তে প্রস্ফুটিত হচ্ছে এক আলো-ঝলমলে সুহাসিনী ভোর। মানুষের মনগড়া অপশাসনের বিদায়ী ঘণ্টা বেজে চলেছে। তৎকালীন বিশ্বের পরাশক্তি রোম ও পারস্য মুসলিমদের হাতে কচুকাটা হচ্ছে। রাসূলের হাতেগড়া সাহাবীদের র^ক্তের উপর দিয়ে নির্মিত হচ্ছে ইসলামী ইতিহাসের সোনালী অধ্যায়। হিজরী ১৫ শেষ হয়ে ১৬ শুরু হয়েছে। শামের রণাঙ্গন এখন উত্তপ্ত। খলিফা উমরের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এখন শামের রণাঙ্গনে। এ রণাঙ্গনের প্রধান সিপাহসালার আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি ছাড়াও খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ, আমর ইবনুল আস, আব্দুর রহমান ইবনে আউফ এবং মুআবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহুমের মতো যুগশ্রেষ্ঠ সিপাহসালারগণ যু*দ্ধের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শামের প্রসিদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ শহর হিমস, দামেশক, হালব, আনতাকিয়া ও কিন্নাসারিনের মতো শহরগুলোতে ততদিনে কালিমা খচিত তাওহীদের ঝাণ্ডা উড়তে শুরু করেছে। ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও আঞ্চলিক গুরুত্বের কথা ভাবতে না হলে বাইতুল মাকদিসেও এতদিনে কালিমার পতাকা উড্ডীন হয়ে যেত। বাইতুল মাকদিস শহরটি একযুগে মুসলমান, খ্রিস্টান ও ই*হু*দি- সকলের কাছেই অত্যন্ত পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হওয়ায় মুসলিম বাহিনীর ইচ্ছে ছিল বিনা র^ক্তপাতে শহরটি জয় করা। বাইতুল মাকদিসের নিয়ন্ত্রণ তখন খ্রিস্টানদের হাতে। হযরত আবু উবাইদা রা. বাইতুল মাকদিসে অবস্থানরত খ্রিস্টানদের ইসলাম গ্রহণ বা জিযিয়া প্রদানের প্রতি আহ্ববান করেন। এ আহ্বান তারা প্রত্যাখ্যান করলে ১৬ হিজরীতে তিনটি ধর্মাবলম্বীদের পবিত্রতম এ শহরটি মুসলিম বাহিনী অবরোধ করে। মুসলিম বাহিনীর সাথে মোকাবেলা অর্থহীন বুঝতে পেরে স্থানীয় খ্রিস্টানরা সন্ধির প্রস্তাব পেশ করে। পবিত্র এ শহরে র^ক্তপাত এড়াতে মুসলিম বাহিনীও এতে সম্মতি প্রকাশ করে সন্ধির শর্তাবলী নিয়ে আলোচনা শুরু করে। যেহেতু শহরটি সকলের কাছেই সম্মানিত ও মর্যাদাপূর্ণ তাই পরবর্তী সময়ে যেন এ নিয়ে কারো মাঝে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি না হতে পারে সেজন্য স্থানীয় খ্রিস্টানরা আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে যেন আমীরুল মুমিন নিজে এসে উভয় পক্ষের শর্তগুলো অনুমোদন করেন। খলিফা উমরের কাছে এ ব্যাপারে বার্তা আসলে তিনি হযরত আলী রা. কে মদীনায় নিজের স্থলাভিষিক্ত বানিয়ে ফিলিস্তিনের উদ্দেশ্যে রওনা করেন। তিনি একা একটি ঘোড়ার উপর সওয়ার হয়ে শামের উদ্দেশ্যে রওনা করেন। তাঁর সাথে না কোনো দেহরক্ষী ছিল আর না কোনো খাদেম। উত্তপ্ত মরুভূমিতে তিনি সফর করছিলেন। যখন ক্লান্ত হয়ে পড়তেন তখন ঘোড়ার জিন দিয়ে বালিশ বানাতেন আর গায়ের চাদর বিছিয়ে শুয়ে পড়তেন। তাঁর মাথার উপর না ছাতা ছিল আর না পাগড়ী। এক কাপড়ে চলতে চলতে কাপড়ও ছিঁড়ে গিয়েছিল। এ অবস্থায় চলতে চলতে তিনি যখন শামে প্রবেশ করেন তখন মুসলিম সিপাহসালারগণ আমীরুল মুমিনের এই অবস্থা দেখে বিস্মিত হন। একজন বলে উঠেন, আমীরুল মুমিনিন! এখানে শামের সেনাবাহিনী ও খ্রিস্টান পাদ্রীরা আপনার অপেক্ষায় আছে আর আপনি এ অবস্থায়? উত্তরে তিনি বলেছেন: “আমরা তো সেই জাতি, যাদেরকে আল্লাহ্‌ তাআলা ইসলামের মাধ্যেম সম্মানিত করেছেন। অন্যকিছুর মধ্যে আমরা সম্মান তালাশ করব না”। এরপর হযরত উমর ফারুক রা. সন্ধিচুক্তি সম্পাদন করেন। তারিখে তাবারির ভাষায় সংক্ষিপ্তভাবে চুক্তির বিষয়গুলো ছিল এরকম: “আল্লাহর বান্দা, আমিরুল মুমিনিন উমরের পক্ষ থেকে বাইতুল মাকদিস-বাসীদেরকে নিরাপত্তা প্রদান করা হচ্ছে। তাদের জান-মাল, গির্জা, ক্রুশ এবং গোটা জাতিই আজ থেকে নিরাপদ। তাদের কোনো গির্জাকে বাসস্থান বানানো হবে না; ধ্বংসও করা হবে না। তাদের স্থাপনা ও সীমানায় কোনো ধরনের সঙ্কোচন করা হবে না। ক্রুশ ও সম্পদ ছিনিয়ে নেওয়া হবে না। কাউকে ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য করা হবে না। কারো কোনো ক্ষতি করা হবে না। অন্যান্য শহরবাসীর মতো তাদেরকেও জিযিয়া দিতে হবে। রোমান সৈন্য ও কর্মকর্তাদের তারা শহর থেকে বের করে দেবে। শহরে যারা থাকবে তারা যেমন নিরাপদ শহর থেকে কেউ বের হয়ে গেলে সেও অনুরূপ নিরাপদ, যতক্ষণ না কোনো নিরাপদ স্থানে সে পৌঁছে যায়”…। সন্ধিচুক্তি শেষ করে তিনি প্রথম কিবলা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে রওনা হন। মেহরাবে দাউদের কাছে দু‘রাকাত নামাজ আদায় করেন। প্রথম কিবলা তথা পবিত্র পাথরকে (সাখরা) রোমানরা ডাস্টবিন বানিয়ে রেখেছিল। এমনকি মহিলারা হায়েজের নাপাক কাপড়ও বাড়ির ভেতর থেকে এখানে ফেলার জন্য পাঠিয়ে দিত। এর একমাত্র কারণ এটাই ছিল যে, এটা ই*হু*দিদের কিবলা।
341
9
Sin texto...
302
10
বরং তারাই তো গ|জ্জ|হকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে, ইজ**রায়েলকে টিকিয়ে রেখেছে! সুতরাং, যা করার করতে হবে নিজেদেরকেই এবং সেটা আন্দোলন আর মিছিলের ভাষায় ক্ষান্ত থাকলে কোনোদিনও সমাধান হবে না। এই ধাপ বহু আগেই পার হয়ে গেছে। এখন কেবলই অস্ত্রের মাধ্যমে সমাধান হবে। জি/হ|দ ফী সাবিলিল্লাহ-ই আল আকসার মুক্তি, স্বাধীনতা ও সম্মান পুনরুদ্ধারের একমাত্র পথ। তামিম আল আদনানী join:  সত‍্যকথন
1 824
11
চরম মিথ্যুকও কখনো সত্য বলে - গ|জা উপত্যকার বেসামরিক শাসনভার পরিচালনার জন্য গঠিত নিজেদের প্রশাসনিক 'জরুরি কমিটি' বিলুপ্ত করেছে হামাস। এর ফলে অঞ্চলটির বেসামরিক প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে কায়রো-ভিত্তিক 'ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গ|জা' (এনসিএজি)। গত কয়েক বছরের দীর্ঘ যু*দ্ধে ই'সর|য়েলের বর্বর হ|ম'লায় পুরো গ|জ্জ|হ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তবে, মু'জ|হি'দদের অবিশ্বাস্য প্রতিরোধের বরকতে ইজ**রায়েল সরাসরি নিজেরা গ|জ্জ|হ দখল করতে পারেনি। বাস্তবতা হল, গ|জ্জ|র বীর মু'জ|হিদ এবং বীর জনগণ যেভাবে ল'ড়|ই করেছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের আরব শাসকেরা আ/মে'রিকা ই'সর|য়েলের সহযোগিতা না করে গ|জ্জ|র সহযোগি হত, তাহলে গ|জ্জ|হকে এতটা ক্ষয়-ক্ষতির মুখোমোখি হতে হতনা। সুতরাং তু'ফ|নুল আকসার যু*দ্ধে আল্লাহর ইচ্ছায় যেসব অবিস্মরণীয় অর্জন সামনে এসেছে, সেগুলোর কৃতিত্ব গ|জ্জ|র বীর জনগণ এবং বীর মু'জ|হি'দদেরই প্রাপ্য। আর এই ধ্বং'সযজ্ঞ ও ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী মূলত ই'সর|য়েল-আ/মে'রিকার দোসর গা'দ্দার শাসকেরা। মুসলিম নামধারী এই শাসকেরা যদি খেয়ানত না করতো, বাইতুল মাকদিসের নুসরতের হক আদায় করতো, তাহলে গ|জ্জ|হবাসী এই যু*দ্ধে জাগতিকভাবেও অগ্রসর থাকতেন এবং উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই এই যু*দ্ধের সমাপ্তি হতে পারতো। নে'ত|নি'য়াহুর জবানে শ|সকদের খেয়ানতের তথ্যঃ চরম মিথ্যুকও কখনো সত্য বলে। জ|তি'সংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে প্রদত্ত বিশ্ব স'ন্ত্র|সী নে'ত|নি'য়াহুর ভাষণ অনেকেই শুনেছিলেন। শ'য়ত|নটা বলেছিল: “প্রকাশ্যে নিন্দা করলেও অনেক নেতাই গোপনে আমাদের ধন্যবাদ দেন”। মূলত, তার ভাষণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওয়াকআউট শুরু হলে পরিস্থিতিকে স্বাভাবিকরণ করার লক্ষ্যে সে এসব কথা বলে। চরম পর্যায়ের মিথ্যাবাদী ও বিশ্বস'ন্ত্র|সী এই নেতা যদি সারাজীবনে একটাও সত্য কথা বলে থাকে, তাহলে এটিই সেই একমাত্র সত্য কথা। তার এই কথাটা শোনার পর একটি হাদীস মনে পড়েছে। হাদীসটি থেকে শেখার আছে অনেক কিছুই৷ হযরত আবু হুরাইরাহ রা. বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে সাদাকার মাল হেফাজতের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। এক রাতে আমি দেখলাম, এক লোক এসে সাদাকার মাল নিয়ে যাচ্ছে। আমি তাকে ধরে বললাম: তোমাকে আমি রাসূলের কাছে নিয়ে যাব। লোকটি অনেক কাতরতার সাথে বলল, আমি অনেক দরিদ্র। আমার পরিবার-পরিজন আছে। অনেক অনেক প্রয়োজন আছে। আমাকে ছেড়ে দাও। (আবু হুরাইরা বলেন) আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসূল সা. জিজ্ঞেস করলেন, আবু হুরাইরা! তোমার গত রাতের কয়েদী কী করলো? আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! সে অনেক প্রয়োজনের কথা বলছিল, পরিবারের কথা বলছিল, আমি দয়াপরবশ হয়ে তাকে ছেড়ে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ সা. বললেন: সে তোমার সাথে মিথ্যা বলেছে। সে কিন্তু আবার আসবে! সত্যি সত্যিই লোকটি আবার আসলো এবং একই ঘটনা ঘটলো। আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালেও একই ঘটনা ঘটলো। আবারো রাসূল বলে দিলেন, আজকে রাতে সে আবার আসবে। সত্যি সত্যিই আসলো। আমি তাকে ধরলাম আর বললাম, তিনবার হয়ে গেছে আজ আর ছাড়ব না। এবার লোকটি বলল: আমাকে ছেড়ে দাও বিনিময়ে তোমাকে এমন কিছু কথা শিখিয়ে দেব যার দ্বারা আল্লাহ তাআলা তোমার মঙ্গল করবেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম সেগুলো কী? লোকটি বলল: তুমি যখন রাতে ঘুমাতে যাবে তখন আয়াতুল কুরসী পড়ে নিও। তাহলে সকাল পর্যন্ত আল্লাহর তরফ থেকে তোমার জন্য একজন হেফাজতকারী নিয়োজিত থাকবে এবং কোনো শয়তান তোমার কাছে আসতে পারবে না। এটা শুনে আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসূল সা.কে সব খুলে বললাম। তিনি বললেন, আবু হুরাইরা! সে চরম মিথ্যুক, তবে এই কথাটা সত্য বলেছে। তুমি কি জানো, এই তিন রাত ধরে তুমি কার সাথে কথা বলছিলে? সে ছিল শয়তান। (সহীহ বুখারী-২৩১১) নে'ত|নি'য়াহু চরম মি'থ্যু'ক হওয়া সত্ত্বেও এই কথাটি নির্ভেজাল সত্য বলেছে। তার এই কথার বুক চিড়ে বেড়িয়ে এসেছে গ|জ|র জন্য সময়ে সময়ে বিভিন্ন র|ষ্ট্রের মায়াকান্নার নোংরা বাস্তবতা। মূলত গ|জ|র মুসলমানদের জন্য ওদের অন্তরে বিন্দুমাত্রও দয়া নেই। কারণ, এই জনপদটি মুসলিম জনপদ। কিন্তু বিশ্ব পলিটিক্স মেনে চলতে মাঝে মাঝে এই জে'নোসাইডের বিরুদ্ধে লোক দেখানো সোচ্চার হতে হয়। বিশ্বের সামনে কিছু আহ আর কিছু উহ খরচ করতে হয়। এটাই কুফরের রাজনীতি, যার পুরাটাই ধোঁকা আর প্রতারণা দিয়ে ঠাসা। এই সারিতে সবার থেকে এগিয়ে আছে আরব বিশ্বের নপুংসক, পশ্চিমাদের একনিষ্ঠ গোলাম, তাবেদার, দালাল, ফ্যাসিস্ট, জিন্দিক শাসকগুলো। নতুবা এই গ'ণহ^ত্যা নে'ত|নি'য়াহু কোনোমতেই চালাতে পারত না। মুসলিমদের প্রাণকেন্দ্র আরব। সেই আরবের সিংহাসনগুলো এখন দখল করে রেখেছে কিছু নামধারী মুসলমান, যারা লেবাসে-পোশাকে মুসলমান হলেও বাস্তবে জিন্দিক। তাদের প্রভু হলো আ/মে'রিকা। সুতরাং প্রভু রেগে যাবেন এমন কোনো কাজ করা যাবে না। পাছে না আবার গদি চলে যায়! কারণ এই গদিও তো দিয়েছে আ/মে'রিকা প্রভুই। যারা বিচক্ষণ তারা আসলে বোঝেন যে, মুসলিমদের সমস্যার সমাধান জাতিসঙ্ঘও করবে না, নামধারী মুসলিম শাসকেরাও করবে না।
1 670
12
Sin texto...
317
13
আজানের জন্য ২২ জন মুসলিমকে শহিদ করেছে ভারত,হ্যা ঠিকই শুনেছেন শুধুমাত্র আজানের কারণেই। জানেন কী এই ছবির ইতিহাস? তরুণরা এসব না
আজানের জন্য ২২ জন মুসলিমকে শহিদ করেছে ভারত,হ্যা ঠিকই শুনেছেন শুধুমাত্র আজানের কারণেই। জানেন কী এই ছবির ইতিহাস? তরুণরা এসব না জানলেও মেসি-নেইমারদের ইতিহাস ঠিকই জানে। আজ থেকে ৯৫ বছর আগে,১৩ জুলাই ১৯৩১,কাশ্মীরের ইতিহাসে লেখা হয়েছিল এক রক্তাক্ত অধ্যায়। হেদু রাজার জুলুমের প্রতিবাদ করায় আব্দুল কাদীর রহি. কে ফাঁসি দিচ্ছিল রাজা, সেই বিচার দেখতে শ্রীনগর জেলখানার সামনে জড়ো হয়েছিলেন হাজারো মুসলিম। সেদিনের সেই জনসমুদ্র শুধু একজন মানুষের বিচার দেখতে আসেনি—তারা এসেছিল নিজেদের অধিকার,মর্যাদা ও ন্যায়ের দাবিতে। যোহরের সময় হলো। একজন উঠে আজান দিতে লাগলেন থানা প্রাঙ্গনে, কিন্তু গুলির শব্দে থেমে গেল তার কণ্ঠ। তিনি রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। তারপর আরেকজন এগিয়ে এলেন,অসমাপ্ত আজান পূর্ণ করার প্রত্যয়ে।তিনিও গুলির শিকার হলেন।এভাবেই একের পর এক মানুষ এগিয়ে এসেছিলেন আজান পূর্ণ করতে,আর তাদের আত্মত্যাগে রচিত হয়েছিল ২২ শহীদের বেদনাময় স্মৃতি। তাদের রক্তের কাহিনি আজও কাশ্মীরের ইতিহাসে একটি গভীর ক্ষত ও স্মৃতির প্রতীক হয়ে আছে। ১৩ জুলাই ১৯৩১—একটি দিন,যা ইতিহাসের পাতায় বেদনা,সাহস ও আত্মত্যাগের সাক্ষ্য হয়ে রয়ে গেছে।
560
14
ফিফার ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকায় মেটলাইফের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে। এই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ৮২৫০০ জন। টিকেট বিক্রি করা হবে ৯০ হাজার। টিকেটের সর্বনিম্ম মূল্য আড়াই লাখ টাকা। কোনো কোনো  টিকেটের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি টাকা, আবার কোনো কোনো টিকেট ১৪০ কোটি টাকা! সে হিসাবে সর্বমোট টিকেটের ইনকাম দাঁড়ায় প্রায় ২.৫২ ট্রিলিয়ন টাকা। অর্থাৎ বাংলা মুদ্রায় দুই লক্ষ বায়ান্ন হাজার কোটি টাকা। (এবার অন্যান্য ম্যাচগুলির টিকেট মূল্য হিসাব করে দেখুন তো এর চেয়েও কয়েকগুণ বেশি হবে।) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)-HIES 2022 প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী পরিবার রয়েছে ৮০ লক্ষের মতো। যাস্ট এই টাকাটা বাংলাদেশের সকল দরিদ্র পরিবারকে ভাগ করে দেওয়া হলে প্রতি পরিবার পাবে ৩,১৫,০০০ (তিন লক্ষ পনেরো হাজার) টাকা করে। গেস করুন তো! এই তিন লাখ পনেরো হাজার টাকা যদি কোনো দরিদ্র পরিবার পায়, তাহলে ঐ পরিবার আর দরিদ্র থাকবে কি-না! এটাই দাজ্জালীয় সভ্যতার পাতানো ফাঁদ। আমরা বুঝি বা না বুঝি, বরং এটাই সত্য যে- দাজ্জাল গোটা দুনিয়াটাকে চাকচিক্যময় করে অর্থের বিশাল অংশ হাতিয়ে নেবে, সম্পদের সিংহভাগ দখলে নেবে। ওদিকে মানুষ না খেয়ে মরবে। নিজেরা জুলুমের সীমা ছাড়িয়ে অন্য কোথাও মানবিকতার সাইনবোর্ড নিয়ে হাজির হবে। এপেস্টেইন ফাইলস থেকে বিশ্বজুড়ে দেখেছে শিশুদের প্রতি তারা যে জুলুম করেছে তা ইতোপূর্বে আইয়ামে জাহেলিয়াতের ইতিহাসেও দেখা যায় না। অথচ, আমাদের উখিয়া-টেকনাফে অন্তত দুই ডজেন এনজিও আছে যারা শিশু সুরক্ষা (Child Protection) নিয়ে কাজ করে। আমিও একটি আন্তর্জাতিক এনজিও সংস্থায় শিশু সুরক্ষাতে কাজ করেছিলাম। ১৯৯৩ খ্রি.-এ জাতিসংঘ খাদ্য গুদামের পাশেই এক শিশু মারা যাচ্ছিলো, শিশুর পাশে বসে মৃত্যুর অপেক্ষা করছিলো এক শকুন। শিশুটি মারা গেলেই শকুন মৃত শিশুটিকে ছিঁড়ে খাবে। এমন নির্মম দৃশ্যের ছবি তুলেছিলো দ. আফ্রিকার ফটো সাংবাদিক কেভিন কার্টার। মজার বিষয় হলো- ঐ ফটো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তাকে ১৯৯৪ সালে আন্তর্জাতিক পুলিৎজার পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিলো। যা-হোক, বলছিলাম তারা শিশুদের প্রতি জুলুমের সীমা ছাড়িয়ে অন্য কোথাও শিশু সুরক্ষা প্রোগ্রাম নিয়ে হাজির হয়। তারা সম্পদের বিশাল অংশ কুক্ষিগত করে অন্যকে ডলারের বিনিময়ে সম্পদ বিলায়, পৃথিবীর অর্থের সিংহভাগ নিজেদের দখলে নিয়ে অন্যকে ঋন দেয়। তাও এই পশ্চিমাদের আনুগত্য করলেই এসব সহায়তা, চড়াসুদের ঋন এসব পেয়ে থাকে। অন্যথায় নয়। বিশেষ করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে তারা ঐক্যবদ্ধ! হাদিসের ভাষ্যের সাথে কী মিল পাচ্ছেন? যেখানে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- “দাজ্জালের হাতে খাদ্য ও সম্পদের প্রাচুর্য থাকবে এবং সে মানুষকে তার অনুসরণে প্রলুব্ধ করার জন্য কাউকে দান করবে, কাউকে বঞ্চিত করবে!” চিন্তা করে দেখুন তো...দাজ্জাল এবং দাজ্জালীয় কর্মকাণ্ড আঁচ করতে পেরেছেন কি-না! নোট: বাংলাদেশে বিদ্যমান মেটলাইফ ইন্সুইরেন্স আমেরিকার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান। এটা থেকে মুসলমানদের যোজন-যোজন দূরে থাকা ঈমানের অপরিহার্য দাবি। আমরা ইন্সুইরেন্স করে প্রফিট বাড়াচ্ছি দাজ্জালের, লাভবান করছি মুসলমানদের শত্রুদের! আমাদের মুসলমানদের এসব বিষয় ভাবা উচিত আসলেই! 'সংগৃহীত আর্টিকেল" join:  সত‍্যকথন
602
15
শিক্ষামন্ত্রী মিলন আজকে জোর করে এইচএসসি পরীক্ষাটা নিয়েছে। দেশের চারদিকের বন্যা, জলাবদ্ধতা দেখে স্টুডেন্টরা ভেবেছিল হয়তো তাদের প্রতি একটু মায়াদয়া করা হবে, পরীক্ষাটা পেছানো হবে। কিন্তু নির্দয় শিক্ষামন্ত্রী সেসব করেনি। সে নিজের ইগো বাঁচাতে গিয়ে হুট করেই রাত ৭ টায় ঘোষণা দিয়েছে পরীক্ষা হবে। যেহেতু পদার্থবিজ্ঞানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা ছিল তাই শিক্ষার্থীরা বহু আকুতি মিনতি করেছিল কিন্তু সে মানেনি। তাই আজকে স্টুডেন্টরা বৃষ্টি মাথায় নিয়েই পরীক্ষার হলে গিয়েছে। কেউ গাড়ি পেয়েছে, কেউ পায়নি। গাড়ি না পেয়ে কেউ কেউ কোমর সমান পানিতে হেঁটে হেঁটেই হলে পৌঁছেছে। হাঁটতে গিয়ে এক পরীক্ষার্থী মেয়ে বারবার পড়ে যাচ্ছিল। তার ইউনিফর্ম, প্রবেশপত্র সবকিছু ভিজে যাচ্ছিল। কিন্তু তবুও সে উঠে দাঁড়িয়েছে। পরীক্ষাটা দিতে হবে যে! তারপর পরীক্ষার পুরোটা সময় জুড়ে ভেজা শরীর নিয়ে, ভেজা প্রবেশপথ নিয়ে কাঁপতে কাঁপতে ওরা পরীক্ষাটা দিয়েছে। এই পরীক্ষার সাথেই কতশত স্বপ্ন যে জড়িত। পরিবারের স্বপ্ন, বাবা-মায়ের স্বপ্ন , ওদের নিজেদের স্বপ্ন। নাটোরের আরেক ছেলে মাত্র ১৫ মিনিট দেরি করায় তাকে হলে ঢুকতে দেয়া হয়নি। ছেলেটার বাবা নেই, মা টাও অসুস্থ। ছেলেটা কেঁদে কেঁদে স্যারকে বহু আকুতি মিনতি করেছিল। বলেছিল- বৃষ্টির কারণে গাড়ি পাইনি স্যার, কোমর সমান পানিতে হেঁটে আসতে গিয়ে দেরি হয়ে গেছে। প্লিজ স্যার, ঢুকতে দেন। কিন্তু তাকে ঢুকতে দেয়া হয় নাই। ছেলেটার এ বছরের পরীক্ষাটা বাতিল হয়ে গেল। না জানি কত স্বপ ছিল ছেলেটার। না জানি তার অসুস্থ মা টার কত স্বপ্ন ছিল। চট্টগ্রামের আরেক মেয়ের ঘরবাড়ি, গরু-ছাগল সবকিছু ভেসে গেছে। ঘরে বিদ্যুৎ নাই, খাবার নাই, পানি নাই। মেয়েটা চোখের পানি মুছতে মুছতে বলছিল- আমরা অনেক কষ্টে আছি, আমার বই ভিজে গেছে। কথাগুলো বলেই কাঁদছিল মেয়েটা। ঘরে খাবার নেই কিন্তু বইগুলোর জন্যে দরদ কারণ পরীক্ষাটা তো দিতে হবে, বাবা-মায়ের স্বপ্নটা পূরণ করতে হবে। এমন শত শত পরীক্ষার্থী আজকে পরীক্ষা দিতে পারে নাই। যারা দিতে পেরেছে তাদেরও লেট হয়েছে কিংবা পরীক্ষাটা খারাপ হয়েছে। কারণ বন্যায় ভেসে যাওয়া ঘরবাড়ি আটকাতে গিয়ে পড়ার সুযোগটাই পায়নি ওরা। পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার নাম্বার বুয়েটসহ সব ইঞ্জিনিয়ারিং এডমিশনেই প্রভাব ফেলে। নম্বইয়ের নিচে নাম্বার পেলে আবেদনটা পর্যন্ত করা যায় না। এ কারণে বহু স্টুডেন্ট সু*ইসাইডও করে। অথচ আজকে ওরা এমন কঠিন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দিয়েছে যে পাশ করাটাই একটা যুদ্ধ। এখন না জানি কতজনের এডমিশনের স্বপ্নটা নষ্ট হয়ে গেছে। পরীক্ষার্থীদের স্বপ্ন নষ্ট হোক তাতে শিক্ষামন্ত্রীর কিচ্ছু যায় আসে না। ওরা তো আর শিক্ষামন্ত্রীর সন্তান না। শিক্ষামন্ত্রী ঠিকই তার মেয়েকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে আমেরিকার 'জন জে অব ক্রিমিনাল জাস্টিস' কলেজে পড়িয়েছে। এ কলেজে শুধুমাত্র পড়াশোনার খরচই ছিল ১,৮১,৫৮৪ মার্কিন ডলার যা বাংলা টাকায় প্রায় ২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা! অথচ খোঁজ নিলে দেখা যাবে এগুলো আমার আপনারই কষ্টের ট্যাক্সের টাকা। প্যরাসাইড মুভিতে ধনী বাড়িওয়ালা তার ড্রাইভারকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলেছিল- আজকের বৃষ্টিটা কত সুন্দর, আকাশটা কত নীল, কোনো দূষণও নেই। বৃষ্টিকে ধন্যবাদ। অথচ এই বৃষ্টিতেই ড্রাইভারের পুরো ঘরবাড়ি ভেসে গেছে, সবকিছু তলিয়ে গেছে। বৃষ্টিটা একজনের জন্যে রোমান্টিকতার হলেও আরেকজনের জন্যে চরম দুর্দশার ছিল। আমাদের শিক্ষামন্ত্রীর জন্যেও এই বৃষ্টিটা রোমান্টিকতার। কারণ তার বাড়ি আছে, গাড়ি আছে, আমেরিকায় পড়া শিক্ষিত মেয়ে আছে। অথচ সাধারণ জনগণের এসব নেই। ওদের ঘরভর্তি পানি, রাস্তায় পানি, পরীক্ষার হলে পানি। এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হবার কিছুদিন পরই রেজাল্ট দিবে। সেদিন স্টেজে উঠে শিক্ষামন্ত্রী হাসি হাসি মুখ করে কড়া করে ভাষণ দিবে, নিজের ক্রেডিট নিবে। অন্যদিকে আজকের পরীক্ষাটা খারাপ হওয়ায় বহু শিক্ষার্থীর A+ মিস হবে, এডমিশন মিস হবে, স্বপ্নটা ভেঙে যাবে। না জানি কতজন সু*ইসাইডের পথটাও বেছে নিবে। ওরা মরলে মরুক তাতে শিক্ষামন্ত্রীর কিইবা আসে যায়? দোষ আসলে শিক্ষামন্ত্রীর না, দোষটা পরীক্ষার্থীদেরই কারণ ওরা কোন মন্ত্রীর ঘরে জন্মায়নি। ওরা চাষাভুষা এক গরিব বাবার ঘরে জন্মেছে, যে ঘরটা সামান্য বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায় - Ibrahim Khalil Shawon join:  সত‍্যকথন
515
16
রেকর্ড ব্রেকিং শক্তিশালী এল নিনোর ঝুকিতে পৃথিবী!! পৃথিবীর আবহাওয়া ও জলবায়ুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক নিয়ামক হলো ENSO (El Niño–Southern Oscillation), যার দুটি প্রধান পর্যায় হলো এল নিনো (El Niño) ও লা নিনা (La Niña)। এল নিনো হলো এমন একটি অবস্থা যখন মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উষ্ণ হয়ে যায়। অন্যদিকে, লা নিনা হলো এর বিপরীত অবস্থা, যখন ওই অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যায়। এই পরিবর্তন সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলের পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে বিশ্বের আবহাওয়ার ধরনকে প্রভাবিত করে। এল নিনোর সময় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি, তাপপ্রবাহ, খরা এবং কিছু অঞ্চলে অতিবৃষ্টির প্রবণতা দেখা যায়। লা নিনার সময় সাধারণত বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি, বন্যার ঝুঁকি এবং কিছু অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের প্রবণতা বাড়তে পারে। যেহেতু সমুদ্রের পানির তাপমাত্রার সাথে সিস্টেমের ডেভেলপমেন্ট ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাই এ বছর শক্তিশালী এল নিনোর কারণে প্রশান্ত মহাসাগরে হারিকেন এবং টাইফুনের পরিমাণ বেশ বৃদ্ধি পেতে পারে। বাংলাদেশে এল নিনোর প্রভাব সরাসরি ও নিশ্চিত নয়। বৈশ্বিকভাবে এল নিনো সাধারণত তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং কিছু অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বছরভেদে ভিন্ন হতে পারে। ঐতিহাসিকভাবে কিছু এল নিনো বছরে বাংলাদেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত ও খরার প্রবণতা দেখা গেলেও, অনেক এল নিনো বছরে আবার স্বাভাবিক বা স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি বৃষ্টিপাতের রেকর্ড রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনোর সময়ও বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছিল। একইভাবে, বর্তমান এল নিনো পরিস্থিতিতেও গ্রীষ্মকালজুড়ে ঘনঘন বৃষ্টিপাত, কালবৈশাখী এবং তুলনামূলক কম তাপপ্রবাহ লক্ষ্য করা গেছে। এর কারণ হলো বাংলাদেশের আবহাওয়া শুধুমাত্র ENSO দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা, ভারত মহাসাগরের ডাইপোল (IOD), মাডেন-জুলিয়ান অসিলেশন (MJO), মৌসুমি বায়ুর শক্তি ও অবস্থান, আঞ্চলিক নিম্নচাপ এবং স্থানীয় আবহাওয়াগত প্রক্রিয়াগুলো অনেক ক্ষেত্রে ENSO-এর প্রভাবকে দুর্বল বা পরিবর্তিত করে দিতে পারে। ফলে এল নিনো শুরু হলেই বাংলাদেশে অবশ্যই কম বৃষ্টি, খরা বা তীব্র তাপপ্রবাহ হবে এমন ধারণা সঠিক নয়। বরং এল নিনো বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাব্য প্রভাবক মাত্র, যার প্রভাব অন্যান্য আঞ্চলিক ও স্থানীয় আবহাওয়াগত উপাদানের সঙ্গে মিলিত হয়ে চূড়ান্ত আবহাওয়ার ধরন নির্ধারণ করে। ধন্যবাদ, ©Bangladesh Weather Observation Team Ltd. join:  সত‍্যকথন
636
17
Sin texto...
482
18
সুসময়ে আসলে মানুষ দুঃসময়ের স্মৃতি ভুলে যায়। ক্ষমতায় বা ক্ষমতার কাছাকাছি আসলে মানুষ তার অতীত ভুলে যায়। আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল হয় এবং উম্মাহর বৃহত্তর কল্যাণচিন্তা থেকে বের হয়ে এসে সংকীর্ণ গণ্ডিবদ্ধ দলীয় চিন্তায় আবদ্ধ হয়ে যায়। আপনি পৃথিবীর ইতিহাসের অলিগলি চষে একটা জিনিসই পাবেন, প্রত্যেক জালিম তৈরি হয়েছে তার সেরা সময়ে। মানুষের মনস্তাত্ত্বিক এই ইস্কেলেশন তার চূড়ান্ত ধ্বংস ঢেকে আনে। ঠিক একারণে ইসলামী দর্শনে ক্ষমতা বা সুসময়কে একাধারে আমানত ও পরীক্ষা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। উত্তাল নদীতে নৌকা যখন ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়ে ডুবুডুবু অবস্থায় থাকে তখন আরোহীরা রবের দরবারে নতজানু হয়। আল্লাহকে ডাকেন কায়মনোবাক্যে। মুখে আল্লাহর নাম ছাড়া দ্বিতীয় কিছুই থাকে না। সেই একই নৌকা যখন শান্ত নদীতে চলে তখন আরোহীরা গান গায়, বাদ্য বাজায়, আমোদ করে, মদ খায়, নাচে মিউজিকের তালেতালে। এমন ভাবে থাকে, যেন তাদেরকে পাকড়াও করার কেউ নেই। ডুবতে থাকা নৌকার ইতিহাস ভুলে প্রবৃত্তির দাস হয়ে সীমালঙ্ঘন করে। আল্লাহ কুরআনে এই শ্রেণির উদাহরণ নিয়ে এসেছেন। সূরা ইসরার ৬৭ নাম্বার আয়াতে পাবেন। আল্লাহ বিপদ দিয়েও বান্দাকে দেখেন, বিপদ দূর করেও বান্দার মানসিকতা মাপেন। বিপদে পতিত বান্দারা সাধারণত আনুগত্যশীল থাকে। শুইতে, বসতে, উঠতে আল্লাহকে ডাকে। রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়ে। সেই একই বিপদ দূর হয়ে গেলে বেপরোয়া হয়ে যায়। যাকে ভালো লাগে না তাকে বধ করার চিন্তা করে। অন্তত কোণঠাসা করে রাখার সবধরনের চেষ্টা অব্যাহত রাখে। যে পথ তার অনুসৃত পথের মতো নয় সেই পথও চিরতরে বন্ধ করে দিতে চায়। এক্ষেত্রে ইসলাম কী বলে, তা দেখার সময় তার নেই। কারণ সে আছে এখন সুসময়ে। এই শ্রেণির উদাহরণ আল্লাহ কুরআনে নিয়ে এসেছেন। সূরা ইউনুসের ১২ নাম্বার আয়াতে বিস্তারিত। এই প্রকারের মানুষদেরকে আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারী হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। আমি নিজে ইসলামিক। সুসময়ে আমি যার বিরুদ্ধে লেগে যাচ্ছি সেও ইসলামিক। এই ভ্রাতৃঘাতী দ্বন্দ্ব আমাদেরকে সাময়িক সুখ দিলেও ছিন্নভিন্ন করেই ছাড়বে। একদিন আফসোস করা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো পথ থাকবে না। কারণ আল্লাহ কখনোই এমন ইসলামিকদের হাতে ইসলামের নামে ক্ষমতা দেবেন না। ইতিহাসে এমন নজির নেই। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাতে গড়া সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ক্ষমতার ব্যাপারে এতটাই সতর্ক, ভীত ও দায়িত্বশীল ছিলেন যে, আজকের দিনে তা ভাবলেও অবাক হতে হয়। ক্ষমতা বা সুসময়কে তারা কোনো 'পুরস্কার' বা 'মর্যাদা' মনে করতেন না, বরং এটিকে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশাল 'বোঝা' এবং 'দায়িত্বে বেখেয়াল হলে জাহান্নামের কারণ হতে পারে' এমন এক পরীক্ষা হিসেবে দেখতেন। আর আমরা দেখি প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে। হযরত আলী (রা.) যখন খলিফা তখন তাঁর একটি মূল্যবান বর্ম হারিয়ে যায়। পরে তিনি সেটি এক ইহুদির কাছে পান। খলিফা হিসেবে তিনি চাইলে ক্ষমতা খাটিয়ে বর্মটি কেড়ে নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে সাধারণ নাগরিকের মতো কাজী (বিচারক) শুরাইহ-এর আদালতে মামলা করেন। ​আদালতে খলিফা তাঁর পক্ষে কোনো উপযুক্ত প্রমাণ বা সাক্ষী দিতে না পারায় বিচারক ইহুদির পক্ষে রায় দেন। খলিফা হাসিমুখে সেই রায় মেনে নেন। ইসলামের এই পরম ন্যায়বিচার ও ক্ষমতার নির্মোহ রূপ দেখে সেই ইহুদি তৎক্ষণাৎ ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। আর আমরা একটু সমালোচনা শুনলেও হজম করতে না পেরে সমালোচনাকারীদের মূলোৎপাটন করতে যত ধরনের ষড়যন্ত্র, মিথ্যাচার, তোহমদ ও ট্যাগিং আছে, সবই ব্যবহার করি। এগুলো করার শেষে বলি, আমরা রাসূল ﷺ-এর দেখানো পথ এবং সাহাবীদের আমলে অবিচল। আল্লাহ কিয়ামতের দিন আমাদের এই মিথ্যাচারের হিসাবও নেবেন। ইসলামের সুমহান আদর্শ যেন আজ ইসলামিক দাবিকারী গোষ্ঠী, ব্যক্তি বা দল দ্বারাই নিঃশেষ হচ্ছে। - নজরুল ইসলাম join:  সত‍্যকথন
695
19
একজন মুজাহিদের রাত্রি জাগরণ হযরত সালাহুদ্দীন আইয়ুবী র. রণাঙ্গণে ব্যস্ত। মুজাহিদদের তুলনায় শত্রুবাহিনীর সংখ্যা অনেক বেশী। এমন সময় সংবাদ এল যে, শত্রুপক্ষের আরো সৈন্য সমুদ্র পথে দ্রুত এগিয়ে আসছে। এ সংবাদে হযরত সালাহুদ্দীন আইয়ুবী র. চিন্তিত হয়ে পড়লেন। ভাবতে লাগলেন, পরিস্থিতি তো মুসলমানদের জন্য আরো জটিল হয়ে গেল। তিনি বাইতুল মাকদিসে ছুটে গেলেন। রাতভর রুকু ও সিজদায় পড়ে রইলেন। আল্লাহ তা'আলার শাহী দরবারে কাকুতি-মিনতি আর আহাজারিতে সারা রাত কাটিয়ে দিলেন। ফজর নামায শেষে মসজিদ থেকে যখন বের হলেন, দেখলেন, একজন আল্লাহ ওয়ালা দাঁড়িয়ে আছেন, যার নূরানী চেহারাই বলে দিচ্ছিল যে, আল্লাহ তা'আলা তাকে আত্মাধ্যিক জগতে বিশেষ মাকাম দিয়েছেন। হযরত সালাহুদ্দীন আইয়ুবী র. তার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সালাম দিয়ে বললেন, হযরত! দু'আ করুন, সমুদ্রপথে শত্রুপক্ষের আরো অনেক সৈন্য আসছে। বুজুর্গ লোকটি হযরত সালাহুদ্দীন আইয়ুবী র.কে গভীরভাবে দেখলেন, তার দৃষ্টিতে ছিল বিশেষ তীক্ষ্ণতা। অতঃপর তার কাছে যেন সব পরিষ্কার হয়ে গেল। বললেন, সালাহুদ্দীন! তোমার চোখের পানি শত্রুর সামুদ্রিক জাহাজকে ডুবিয়ে দিয়েছে। এর তিনদিন পর জানা গেল যে, সত্যিই শত্রুর জাহাজের সলীল সমাধি হয়েছে। বস্তুত: যে ব্যক্তি রাতের নিদ্রা বিসর্জন দিয়ে আল্লাহ তা'আলার নিকট চায়, আল্লাহ তা'আলা তার জন্য পৃথিবীর মানচিত্র পর্যন্ত বদলে দেন। তার হাত দুটো উপরে উঠা মাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার জন্য ফায়সালা করে দেন। এটি মামুলি কথা নয়, অনেক বড় নেয়ামত। এর জন্য কঠোর সাধনার প্রয়োজন। একটি সময় তো ছিল যখন যুবকরা পাল্লা দিয়ে এবাদত করত, وَفِي ذَلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُوْنَ 'এ বিষয়ে প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করা উচিত'। -মুতাফফিফীন: ২৬ ঐ সব যুবকরা আজ কোথায়? যারা শেষ রাত্রে চোখের পানি ঢেলে স্বীয় প্রতিপালক থেকে চেয়ে নিত। আফসোস এমন নূরানী চেহারাগুলো আজ হারিয়ে গেছে।শেষ রাতের আহাজারী অনেক বড় নেয়ামত যা আজ হারিয়ে গেছে, আবার আমাদেরকে ঐ নেয়ামত অর্জন করতে হবে, আত্মার সংশোধনে মনোনিবেশ করতে হবে৷। বই: আত্মার পরচর্যা। join:  সত‍্যকথন
696
20
জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন সংস্কৃতির নগ্ন প্রদর্শনী ও পবিত্রতা ক্ষুণ্নের তীব্র নিন্দা: 'সংসদ ভবনকে ওয়াশিংটনের আমোদ-প্রমোদের কেন্দ্রে পরিণত করা মেনে নেওয়া হবে না'—হেফাজতে ইসলাম জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার মতো একটি রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় মর্যাদার প্রতীকী স্থানে মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগে গান-বাজনা, বাদ্যযন্ত্রের ঝঙ্কার ও পশ্চিমা সংস্কৃতির আদলে মিউজিক্যাল পারফরম্যান্সের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের তীব্র নিন্দা, গভীর ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান। আজ (৬ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক অত্যন্ত কঠোর ও প্রতিবাদী বিবৃতিতে হেফাজত মহাসচিব বলেন, "জাতীয় সংসদ ভবন কোনো সাধারণ বিনোদন কেন্দ্র কিংবা পার্ক নয়। এটি একটি স্বাধীন-সার্বভৌম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী পবিত্র স্থান এবং কোটি কোটি জনতার জাতীয় মর্যাদার প্রতীক। এই মর্যাদাপূর্ণ ভবনের চত্বরে মার্কিনীদের তথাকথিত স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গান-বাজনা ও সংস্কৃতির নামে নগ্ন আসর বসানো অত্যন্ত লজ্জাজনক, দুঃখজনক এবং বাংলাদেশের জাতীয় সার্বভৌমত্বের ওপর চরম আঘাত।" বিবৃতিতে আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, "যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিশ্বজুড়ে মজলুম মুসলমানদের রক্তে হাত রাঙিয়েছে, ফিলিস্তিনসহ সারাবিশ্বে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন করে চলেছে, তাদের খুশি করতে বাংলাদেশের হৃদপিণ্ডখ্যাত জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণকে অপসংস্কৃতির উর্বর ভূমিতে পরিণত করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কতিপয় মেরুদণ্ডহীন রাজনীতিকের মুখে এই আয়োজনকে ‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ’ কিংবা ‘সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন’ বলে জাস্টিফাই করার নির্লজ্জ চেষ্টা এদেশের আপামর তৌহিদী জনতার ধর্মীয় চেতনা, দেশপ্রেম ও আত্মমর্যাদাবোধকে চরমভাবে অবমূল্যায়ন ও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর শামিল।" হেফাজত মহাসচিব তাঁর বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "বাংলাদেশ কোনো পরাশক্তির দাসত্ব করার জন্য স্বাধীন হয়নি। বন্ধুত্বের ছদ্মবেশে কোনো ভিনদেশি এজেন্ডা, আধিপত্যবাদ কিংবা নগ্ন পশ্চিমা অপসংস্কৃতি এদেশের জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার যেকোনো চক্রান্ত রুখে দেওয়া হবে। জাতীয় সংসদ ভবনের পবিত্রতা রক্ষায় যারা ব্যর্থ হয়েছে, তাদের জবাবদিহি করতে হবে।" তিনি সরকারকে অবিলম্বে এই ধরনের জাতীয় সংবেদনশীল ও পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা রক্ষা করার এবং ভবিষ্যতে ভিনদেশি প্রভুদের সন্তুষ্ট করার লক্ষ্যে এমন আত্মঘাতী ও জাতীয় মর্যাদা হানিকর আয়োজন থেকে চিরতরে বিরত থাকার জোর আহ্বান জানান। অন্যথায় এদেশের তৌহিদী জনতা জাতীয় ঐতিহ্য ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। বার্তা প্রেরক: মুফতি কিফয়াতুল্লাহ আজহারী প্রচার সম্পাদক হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ join:  সত‍্যকথন
726