en
Feedback
সত‍্য কথন

সত‍্য কথন

Closed channel
4 432
Subscribers
-224 hours
-167 days
-6030 days

Data loading in progress...

Similar Channels
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Tags Cloud
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Incoming and Outgoing Mentions
---
---
---
---
---
---
Attracting Subscribers
June '26
June '26
+1
in 0 channels
May '26
+9
in 1 channels
Get PRO
April '26
+17
in 4 channels
Get PRO
March '26
+75
in 4 channels
Get PRO
February '26
+80
in 2 channels
Get PRO
January '26
+32
in 2 channels
Get PRO
December '25
+41
in 2 channels
Get PRO
November '25
+105
in 1 channels
Get PRO
October '25
+288
in 6 channels
Get PRO
September '25
+322
in 6 channels
Get PRO
August '25
+272
in 4 channels
Get PRO
July '25
+328
in 9 channels
Get PRO
June '25
+568
in 6 channels
Get PRO
May '25
+510
in 7 channels
Get PRO
April '25
+585
in 2 channels
Get PRO
March '25
+355
in 3 channels
Get PRO
February '25
+424
in 5 channels
Get PRO
January '25
+541
in 10 channels
Get PRO
December '24
+860
in 6 channels
Date
Subscriber Growth
Mentions
Channels
07 June+1
06 June0
05 June0
04 June0
03 June0
02 June0
01 June0
Channel Posts
সময়টা ১৯৯৪ সাল‼️ সস্ত্রীক হজ পালন করতে গিয়ে নিজ চোখে দেখেন, জামারাতে পাথর নিক্ষেপের সময় ভয়াবহ বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে, পদদলিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ২৭০ জন হাজ্বী। এবং এটা নাকি প্রতিবছরের সাধারণ ঘটনা।২০০/৪০০ হাজ্বী মারা যায় এভাবেই। ঘটনাটি তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করে। দেশে ফিরে তিনি বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা শুরু করেন এবং একটি পূর্ণাঙ্গ, বিজ্ঞানসম্মত পরিকল্পনা তৈরী করেন। ১. প্রতিটি জামরাকে বেড়া দিয়ে পরস্পর সংযুক্ত করতে হবে, যাতে উভয় দিকে দুটি রাস্তা তৈরি হয়। ২. জামরার দেয়াল মাত্র ছয় ফুট বাই ছয় ফুট ছিল, তা উভয় দিকে অন্তত ৩০ ফুট করে বাড়িয়ে নেওয়া হলে জায়গা প্রশস্ত হবে। ৩. একমুখী ট্রাফিক সিগন্যালের ব্যবস্থা করা হবে। ৪. মিনায় প্রবেশ পথ ও বের হওয়ার পথ আলাদা হবে।অর্থাৎ হাজিরা একদিক দিয়ে ঢুকে পাথর মেরে অন্যদিক দিয়ে বেরিয়ে যাবেন; কেউ পেছনে ফিরবেন না। ৫.হজযাত্রীদের দিকনির্দেশনার জন্য পর্যাপ্ত সাইনবোর্ড ব্যবহার করা হবে। পরে তিনি সেই প্রকল্প বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ে জমা দেন। পরবর্তীতে ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে তা সৌদি সরকারের কাছে পৌঁছানো হয়। সৌদি বাদশাহ ফাহাদ অত্যন্ত খুঁশি হন তার এই পরিকল্পনা পেয়ে। তাঁকে পবিত্র মক্কায় প্রকল্পপ্রধান হিসেবে নিয়োজিত করেন। কাবার ইমাম ঘোষনা দেব পৃথিবীর ১০ জন সেরা প্রকৌশলীর মধ্যে ইব্রাহিম একজন। কেননা, এর আগে অনেক প্রকৌশলী হজযাত্রী হিসেবে হজ্জ্ব করলেও কেউ কখনও বিষয়টি নিয়ে ভাবেননি। মোহাম্মদ ইব্রাহিম ১৯৪১ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ ও স্থানীয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তিনি প্রথমে বুয়েটে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হন এবং পরবর্তীতে রাজশাহী বিআইটি থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর জাপানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। কর্মজীবনে তিনি শিক্ষা বিভাগ, বিআরটিসি, ওয়াপদা এবং বিসিআইসিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বিসিআইসির প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে অবসর গ্রহণের পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন লেখক, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী। তাঁর রচিত বইগুলোর মধ্যে How to Build a Nice Home, রাহে মক্কা রাহে মদিনা, হজ পরিক্রমা, স্বল্পমূল্যে গৃহনির্মাণ এবং আল কুরআনে আধুনিক বিজ্ঞান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ------------------------ তার কথা কেন উল্লেখ করা হলো জানেন?? আপনি যখনই কোন জাতির,কোন সমাজের,কোন মানব গোষ্টির সামস্টিক সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসবেন তখন আল্লাহ আপনার জন্য সফলতার এমন কিছু দুয়ার উন্মুক্ত করে দিবেন, যা সাধারণদের জন্য বন্ধ থাকে। আপনাকে এমন এমন ভালো কাজের সুযোগ দিবেন আবেদও যেকাজের সুযোগ পায়না। তাই মানুষের উপকারে জনগণের কল্যাণে কাজ করুন। হোক একজন দুজন দশজন বা দশহাজার জন। সংখ্যা যাই হোক না কেন বিচলিত হবেন না।আপনার প্রচেষ্টা সর্বোচ্চ কিনা আল্লাহ এটুকুই দেখবেন। joinসত‍্যকথন

2
No text...
176
3
কুরবানী সুন্নতে মুয়াক্কাদা না ওয়াজিব এই নিয়ে ইখতিলাফ আছে। যদিও সাহাবীরা এটাকে গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসাবে বিবেচিত করতেন। কিন্তু সবাই ঐক্যমত সালাত ফরজ। তবু কুরবানী যত আগ্রহ নিয়ে পালিত হয় সালাতে তার ৫০ ভাগ আগ্রহ থাকে না। কুরবানী পশু কেমন,কত টাকা দিয়ে কিনা হয়েছে কত না আগ্রহ থাকে সবার মাঝে ।যদিও সবার কুরবানির সামর্থ্য থাকে না। কুরবানী না করলেও কাফির হবে না। অথচ পাচ ওয়াক্ত সালাত সকল সুস্থ, অসুস্থ ব্যক্তির জন্য ফরজ।আর জেনে-বুঝে বিনা ওজরে সালাত ছেড়ে দেওয়া কুফরী। শয়তানের একটা বড় প্রতারনা ছোট আমলকে বড় করে দেখায়।এভাবে ফরজ হতে বিরত রাখে। সারাদিন কুরবানী হাটে সময় কাটিয়ে দিয়ে ফরজ সালাত আদায় না করা লোকের সংখ্যা অসংখ্য। ঈদের দিন ফজর সালাতে মসজিদ থাকে ফাঁকা অথচ একই মসজিদ ঈদের সালাতে মানুষ দ্বারা পরিপূর্ণ। মসজিদে মুসলিম পরিচয় কাতারবন্দি হলেও, সালাতে আর্দশ রসুল (সা:) হলেও সালাত শেষে অনেকের আর্দশ হয়ে যায় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা বা দল। আবার যাকাত ফরজ অথচ লাখো টাকার গরু কিনার লোকের অভাব হয় না, সঠিক পদ্ধতিত যাকাতদাতা খুজে পাওয়া কষ্টকর। কারন মানুষ ইবাদত নয় উৎসব,রিয়া বেশি আগ্রহী। সংগৃহীত join:  সত‍্যকথন
411
4
আজ আমরা বাংলাদেশে যেভাবে নির্বিঘ্নে গরু কোরবানি দিচ্ছি,কয়েকশ বছর আগে পরিস্থিতি এমন ছিল না।এই অধিকার আদায়ের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ লড়াই ও আত্মত্যাগের ইতিহাস। ইতিহাস নিজে জানেন এবং অন্যকে জানান। ব্রিটিশ আমল পর্যন্ত বাংলার অনেক অঞ্চলে হেদু জমিদারদের ভয়ে সাধারণ মুসলিমরা প্রকাশ্যে গরু কোরবানি করতে সাহস পেতেন না।অনেকেই ছাগল বা বকরি কোরবানি দিতেন।এ কারণেই আমাদের মুরুব্বিরা দীর্ঘদিন একে “বকরি ঈদ” বলতেন। ইতিহাসে উল্লেখ আছে,১২ শতকে বিক্রমপুরের রাজা বল্লাল সেনের রাজ্যে গরু জ*বা*ই ও আজান নিষিদ্ধ ছিল।এক মুসলিম ব্যক্তি গোপনে গরু জ*বা*ই করলে একটি চিল সেই জবাই করা গরুর এক টুকরো মাংস ঠোঁটে করে ওড়ার সময় রাজার প্রাসাদের আঙিনায় ফেলে দেয়। বিষয়টি প্রকাশ পেলে সেই পরিবার কঠোর শা*স্তির মুখে পড়ে। নিগৃহীত মুসলিমদের সাহায্যে আরব থেকে এগিয়ে আসেন বিখ্যাত সুফি সাধক ও মর্দে মু*জা*হিদ হযরত বাবা আদম শহীদ (রহ.)। তিনি বাংলায় এসে প্রকাশ্যে আজান ও গরু জ*বা*ই শুরু করেন। পরে ১১৭৮ খ্রিস্টাব্দে হেদু রাজার বাহিনীর সঙ্গে যু**দ্ধে তিনি শা*হা*দাত বরণ করেন। এভাবেই গরু জ*বাই চালু হয়,পরবর্তীতে ১৯৪৭-এ এটি আরও ব্যাপক হয়। মুন্সীগঞ্জের ঐতিহাসিক বাবা আদম মসজিদ আজও সেই আত্মত্যাগের স্মৃতি বহন করছে। আজকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও কোরবানির এই সুযোগ সহজে আসেনি;এর পেছনে রয়েছে বহু মানুষের লড়াই ও ত্যাগ। 👆ছবি: বাবা আদম মসজিদ,মুন্সীগঞ্জ
545
5
No text...
433
6
কুরবানীঃ উদ্দেশ্য, আত্মিক পুনরুজ্জীবন ও সামাজিক দায়বদ্ধতা | Ustad Ahmad Faiyaaz | Ummah News
কুরবানীঃ উদ্দেশ্য, আত্মিক পুনরুজ্জীবন ও সামাজিক দায়বদ্ধতা | Ustad Ahmad Faiyaaz | Ummah News
539
7
আজকের দিনটা শুধু আরাফার দিন নয়… আজকের দিনটা মনে করিয়ে দেয় বহু বছর আগে এই আরাফার দিনের পর পৃথিবীতে মুহাম্মাদ ﷺ আমাদের মাঝে আর মাত্র প্রায় ৮১ দিন জীবিত ছিলেন…! ভাবা যায়? যে মানুষটাকে ছাড়া জান্নাত কল্পনাও করা যায় না… যার উম্মত হওয়াই আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়… আরাফার সেই ময়দান থেকে বিদায় হজ্জের ভাষণ দেওয়ার পর তিনি দুনিয়ায় খুব অল্প সময়ই ছিলেন। আজকের সেই আরাফার দিনেই নাযিল হয়েছিল ইসলামের পূর্ণতার ঘোষণা “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের উপর আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।” — সূরা আল-মায়িদাহ : ৩ এই আয়াত শুনে অনেক সাহাবী কেঁদে ফেলেছিলেন… কারণ তারা বুঝতে পেরেছিলেন, দ্বীন পূর্ণ হওয়ার অর্থ  নবীজী ﷺ-এর দুনিয়ার মিশন প্রায় শেষের পথে…অতি শীঘ্রই তিনি চলে যাবেন তার রবের কাছে।। এবং সত্যি তাই হয়েছিল। মোহাম্মদ ইব্রাহিম join:  সত‍্যকথন
557
8
ইতিহাসের পাতা উল্টে আজ থেকে ঠিক ১৪৪৫ বছর আগে ফিরে যাওয়া যাক। সময়টা তখন ৯ হিজরি (৬৩১ খ্রিস্টাব্দ)। মদিনার ধূলিউড়ো পথ বেয়ে একটি
ইতিহাসের পাতা উল্টে আজ থেকে ঠিক ১৪৪৫ বছর আগে ফিরে যাওয়া যাক। সময়টা তখন ৯ হিজরি (৬৩১ খ্রিস্টাব্দ)। মদিনার ধূলিউড়ো পথ বেয়ে একটি ছোট কাফেলা মক্কার দিকে এগিয়ে চলেছে। দলনেতা হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)। সাথে আছেন মাত্র ৩০০ জন মুসলমান। হ্যাঁ, মাত্র ৩০০ জন! এটিই ছিল ইসলামের ইতিহাসে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মুসলমানদের প্রথম হজ। যেখানে কাফেলাটি রওনা হয়েছিল মক্কার বুক থেকে জাহেলিয়াতের সব অন্ধকার আর কুসংস্কার মুছে ফেলে তাওহীদের আলো জ্বালতে। আর আজ? সময় চক্র ঘুরে আমরা দাঁড়িয়ে আছি ২০২৬ সালে। আজকের মক্কার আকাশ-বাতাস লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত। মিনার তাঁবুর শহরে আজ আর ৩০০ জন নয়, বিশ্বের কোণ অনুকোণ থেকে ছুটে আসা প্রায় ২০ লাখ (২ মিলিয়ন) শুভ্রবসনা আশেকে রাসুলের মহাসমুদ্র!
426
9
উপমহাদেশ ও বর্তমান পৃথিবীর ইসলামি জ্ঞানের প্রধান কেন্দ্র দারূল ঊলুম দেওবন্দ মাদরাসা ভেঙে ফেলার তৎপরতা শুরু করেছে Bharatiya Janata Party (BJP)। সাহারানপুর জেলায় হিন্দু রক্ষা দল সহ বিভিন্ন চরমপন্থী হিন্দু সংগঠন যার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য বিক্ষোভ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। যেখানে ওদের মূল দাবি হলো, দারূল ঊলুম দেওবন্দের ১৪ ফিট নিচে নাকি শিব মন্দির রয়েছে! সুতরাং, মাদরাসায় খননকার্য আরম্ভের জন্য ওরা সাহারানপুর জেলার ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর স্মারকলিপি হস্তান্তর করেছে। যেটি মূলত মাদরাসাকে ভেঙে ফেলার দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি। কারণ, ওদের আলোচ্য খননকার্যের তৎপরতা মাদরাসা গুড়িয়ে দেওয়া ব্যতীত অসম্ভব। ইতিপূর্বে গেলো ২০২৫ সালে আফগানিস্তানের Minister of Foreign Affaira (MoFA) আমির খান মুত্তাক্বি দারূল ঊলুম দেওবন্দ সফর করেন। তখন হতে কট্টর ইণ্ডিয়ান বিশেষজ্ঞদের মাঝে মাদরাসা নিয়ে চরম বিদ্বেষমূলক আচরণ দৃষ্টিগোচর হয় বলে লক্ষ্য করা গিয়েছে। যেখানে মাদরাসাকে ইণ্ডিয়ার জাতীয় নিরাপত্তার ওপর হুমকি বলেও চিহ্নিত করা হয়। আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সেদিন ছাত্রদের সাধারণ জমায়েতে ভাষণ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কায় তা বাতিল করতে বাধ্য হন। তারপর হতে ইতিমধ্যে বিদ্যমান দারূল ঊলুম দেওবন্দের ওপর চাপ ক্রমাগত বাড়তে থাকে। যা আজ অনেকখানি চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। রেভান এম join:  সত‍্যকথন
508
10
হলো—ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বস্তরে আল্লাহর দেওয়া ঐশ্বরিক শরি*য়াহ ব্যবস্থার অনুপস্থিতি। ‎ ‎অতএব, সমাজে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা অপরাধের মূলোৎপাটন, জননিরাপত্তা রক্ষা এবং জমিনে প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামের শরি*য়াহ ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা আজ অনস্বীকার্য এবং অপরিহার্য। শরি*য়াহ কেবল কতগুলো শুষ্ক দণ্ডবিধির সমষ্টি নয়, বরং এটি মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সমাজকে ভেতর থেকে পরিশুদ্ধ করার এক ঐশ্বরিক রক্ষাকবচ। এর কঠোর, তাৎক্ষণিক ও প্রকাশ্য শাস্তি সমাজে এমন এক গভীর ভীতি ও দৃষ্টান্ত তৈরি করে, যা অন্য যে কোনো সম্ভাব্য অপরাধীকে অপরাধের অন্ধকার পথ থেকে চিরতরে দূরে সরিয়ে রাখে। যতক্ষণ না পর্যন্ত আমরা এই মানব রচিত অসাড়, পঙ্গু ও ইনসাফহীন বিচার ব্যবস্থা ভেঙে আল্লাহর দেওয়া ইনসাফপূর্ণ ও বরকতময় শরি*য়াহ আইনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিপূর্ণ প্রতিষ্ঠা করতে পারছি, ততক্ষণ রামিসাদের মতো নিষ্পাপ শিশুদের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া এবং তাদের শোকসন্তপ্ত অভিভাবকদের দগ্ধ অন্তর প্রশান্ত করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ইব্রাহিম হাসান join:  সত‍্যকথন
711
11
‎রামিসা হ*ত্যা: শরি*য়াহ'র বিচার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য আরও কত উদাহরণ লাগবে? ‎ সম্প্রতি সাত বছর বয়সী নিষ্পাপ শিশু রামিসার নির্মম হ*ত্যাকাণ্ড আমাদের সামাজিক বিবেককে এক চরম ও বেদনাদায়ক ঝাঁকুনি দিয়েছে। প্রতিটি সচেতন মুসলিম ও বিবেকবান মানুষের অন্তরে আজ এই একটিই জ্বলন্ত প্রশ্ন তীব্রভাবে আবর্তিত হচ্ছে—এই পৈশাচিক বর্বরতার বিচার আসলে কীভাবে সম্পন্ন হবে? যে চরম নৃশংসতার শিকার হয়ে একটি ফুটফুটে শিশুকে অকালে প্রাণ হারাতে হলো, মানব রচিত এই ঘুণে ধরা সমাজে তার কি আদৌ কোনো প্রকৃত ইনসাফ মিলবে? এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রামিসার ভাগ্যাহত ও শোকার্ত বাবার যে আকুল অভিব্যক্তি এবং হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যাপারে তাঁর যে তীব্র আকুতি, তা মূলত এ দেশের মজ*লুম ও শোষিত তাও*হিদী জনতারই বুকফাটা প্রতিধ্বনি। একজন বাবা যখন তাঁর কলিজার টুকরোকে এমন নৃশংসভাবে হারান, তখন অপরাধীর জন্য কেবল কাগজের কলমের নামমাত্র শাস্তি বা স্রেফ বন্দিদশা তিনি চান না; বরং তিনি এমন এক অমোঘ প্রতিবিধান কামনা করেন, যা তাঁর দগ্ধ কলিজায় কিছুটা হলেও শীতলতা এনে দিতে পারে এবং সমাজে এক কালজয়ী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। ‎ ‎কিন্তু আমাদের এই বিদ্যমান ধর্মনিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা ও বর্তমান রাষ্ট্রীয় কাঠামো কি সেই কাঙ্ক্ষিত সান্ত্বনা বা ইনসাফ দিতে বিন্দুমাত্র সক্ষম? বর্তমান জরাজীর্ণ, পশ্চিমা-অনুকৃত আইনি ব্যবস্থার দিকে তাকালে চরম নৈরাশ্য ও হতাশা ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। এই এক্সিস্টিং সিস্টেমে এই জঘন্য অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হয়তো মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হিসেবে ঘোষণা করা হবে; কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত রায়টুকু পেতে ঠিক কতটা দীর্ঘ বছর ও যুগ পার হবে, তা এক বিরাট প্রশ্নবোধক চিহ্ন। বছরের পর বছর ধরে চলা মামলার অন্তহীন দীর্ঘসূত্রতা, আইনজীবীদের কূটকৌশল ও আইনি মারপ্যাঁচ, সাক্ষ্য-প্রমাণের নামে হয়রানিমূলক জটিলতা এবং আমলাতান্ত্রিক লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে বিচার প্রক্রিয়া এতটাই মন্থর ও স্থবির হয়ে পড়ে যে, একসময় ভুক্তভোগীর পরিবার ন্যায়বিচারের আশা ছেড়েই দিতে বাধ্য হয়। এই মানব রচিত ব্যবস্থায় বিলম্বিত বিচার মূলত ন্যায়বিচারকে সুকৌশলে অস্বীকার করারই শামিল, যা প্রকারান্তরে খুনি ও অপরাধীদের আরও দুঃসাহসী করে তোলে এবং নিহতের স্বজনদের প্রতিনিয়ত এক যন্ত্রণাদায়ক কষ্টের দিকে ঠেলে দেয়। ‎ ‎অথচ এই সমাজ, রাষ্ট্র ও আইনি পরিমণ্ডলে যদি আজ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অবতীর্ণ করা শরি*য়াহ'র নিখুঁত বিচার ব্যবস্থা কার্যকর থাকত, তবে পুরো দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন ও ইনসাফপূর্ণ হতো। শরি*য়াহ আইনের ঐশ্বরিক ও অমোঘ বিধানে এই ধরনের জঘন্য ও সংবেদনশীল হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতো অত্যন্ত দ্রুত, স্বচ্ছ এবং প্রকাশ্য রাজপথে। সেখানে বছরের পর বছর সময় অপচয় করার কিংবা অপরাধীকে বাঁচানোর কোনো লুপহোল বা সুযোগ নেই। শরি*য়াহর নিখুঁত ও ইনসাফভিত্তিক আইনি কাঠামোতে হ*ত্যার ক্ষেত্রে নিহতের অভিভাবকের অভিব্যক্তি, অধিকার ও চাওয়াকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ও আইনি প্রধান্য দেওয়া হতো। শুধু খুনের ঘটনা হলে পবিত্র কুরআনের বিধান—'কি*সাস' বা সমদণ্ডের ঐশ্বরিক নীতি অনুযায়ী, অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ক্ষেত্রে নিহতের অভিভাবকের সিদ্ধান্তই হতো চূড়ান্ত এবং বাধ্যতামূলক। খুনিকে কি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে, নাকি রক্তপণ (দিয়াত) নিয়ে ক্ষমা করা হবে—এই পূর্ণ ইখতিয়ার ও ক্ষমতা আদালত কেবল নিহতের অভিভাবকের হাতেই ন্যস্ত করত। এই শরি*য়াহ ব্যবস্থার ফলে বিচারের প্রতিটি স্তরে ভুক্তভোগীর পরিবার নিজেদের প্রকৃত অধিকার ও কর্তৃত্ব অনুভব করত, যা বুকচেরা হাহাকারের বিপরীতে তাদের ক্ষতবিক্ষত অন্তরে এক পরম ঐশ্বরিক প্রশান্তি ও চিরন্তন স্বস্তি নামিয়ে আনত। আর বিবাহিত অপরাধী ধ*র্ষন করলে সে ক্ষেত্রে আর তাকে কোনোভাবেই ক্ষমা করা হতনা, বরং রজম করে হ*ত্যা করা হত। জোরপূর্বক ধ*র্ষণ বা ব*লাৎকার করে হত্যা করে হলে সেটাকে “হিরাবাহ” হিসেবে বিবেচনা করা হত, এবং ক্ষমার কোনো অপশন রাখা হতনা, বরং প্রকাশ্যে অপরাধীর প্রাণদণ্ড নিশ্চিত করা হত। ‎ ‎আজকের এই ভয়াবহ নৈতিক ও সামাজিক সংকটের মূল কারণ গভীরভাবে অনুসন্ধান করলে স্পষ্ট দেখা যায়, আমাদের বিদ্যমান সে*ক্যুলার শাসন কাঠামো, চরম ভোগবাদী পুঁজিবাদী সমাজ এবং পশ্চিমা ডেমোক্রেটিক বা গণতান্ত্রিক দেউলিয়াত্ব মানুষের মৌলিক অধিকার ও প্রকৃত ইনসাফ নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। আল্লাহভীতিহীন এই আধুনিক ভোগবাদী সমাজ মানুষকে পশুর চেয়েও অধম ও হিংস্র হতে শিখিয়েছে, যেখানে আত্মিক পরিশুদ্ধি ও ইসলামী নৈতিকতার কোনো স্থান নেই। অন্যদিকে, আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করে তৈরি করা মানব রচিত এই কু*ফরী গণতান্ত্রিক আইন আজ অর্থ, ক্ষমতা ও রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে পুরোপুরি জিম্মি— যা কখনো সাধারণ ও মজলুম মানুষের জন্য প্রকৃত ন্যায্যতা বয়ে আনতে পারে না। সমাজে চলমান অপরাধের এই সর্বগ্রাসী ও ভয়াবহ সয়লাবের একমাত্র ও মূল কারণ
519
12
কিছু তথ্য দিই, জেনে আপনার মনে হবে, এটা কী কোনো কৌতুক না কি অন্য কিছু। বাংলাদেশের আদালতগুলোতে এই মুহুর্তে পেন্ডিং মামলার সংখ্যা ৪৬ লাখ ৫২ হাজার। সংখ্যাটা এরকম - ৪৬,৫২,০০০। শুধু হাইকোর্টের কথা ধরি। সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত মোট পেন্ডিং মামলার সংখ্যা ৬ লাখ ১৬ হাজার। বাংলাদেশের হাইকোর্ট মাসে গড়ে এক হাজারের মত মামলা নিষ্পত্তি করে। ঠিক আজকে, এই মুহুর্ত থেকে যদি নতুন কোনো মামলা হাইকোর্টে না যায়, তাহলে বিদ্যমান সব মামলা নিষ্পত্তি হতে সময় লাগবে প্রায় ২০৮০ সাল পর্যন্ত! এটা কী ইয়ার্কি হচ্ছে? এটা কোনো ফাংশনিং রাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থা কিভাবে হয়? এত শতদিকের একটা বললাম। এর সাথে দুর্নীতি, দলবাজি, স্মজনপ্রীতি, ভয়-ভীতি - সবমিলে আপনি নিজে ভুক্তভোগী না হলে বুঝবেন না যে দেশে বারবার যে আইন-বিচার দেখায়ে আপনাকে থামায়ে দেওয়া হয়- ওইটা আসলে এক্সিস্ট করে না। যেমন, বাংলাদেশে রেইপের কিন্তু প্রোপার বিচার হয় না। রেইপ বলতে আমি অ্যাকচুয়াল রেইপ বোঝাচ্ছি, জোর করে তুলে নিয়ে, ডাকাতি করতে গিয়ে, অস্ত্রের মুখে ইত্যাদি। শুধুমাত্র রেইপের পরে যদি মার্ডার হয়, বা মেয়ের পরিবার পাওয়ারফুল হয়, তাহলে জেলটেল হয়। নয়তো প্রসেসটা এত নোংরা, মেয়ের ফ্যামিলি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। দেশি ফেমিনিস্টদের কাজ কেবল পুরুষ ব্যাশিং করা, আর স্কিন দেখানোর পক্ষে গলাবাজি করা। জীবনে এই গালিবাজ ফেমিনিস্টদের দেখবেন না একটি রেইপ ভিক্টিমের পাশে দাড়াতে। আমি ধর্ষিতার বাবাদের সাথে মিশেছি, কথা বলেছি। তারা একেকজন যে ভয়ঙ্কর যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যায় বলার মত নয়। ভিক্টিমের সাথে পুরো ফ্যামিলি, স্পেশালি ছোট ভাই-বোন থাকলে তাদের জীবন উলটে পালটে যায়। এই ধরণের ফ্যামিলিগুলো জাস্ট বিচার চায়। প্রোপার বিচার পেলে তারা না খেয়ে থাকতেও রাজি। ঘরের মেয়ের রেপিস্ট বাড়ীর সামনের রাস্তাটা দিয়ে বাইক হাঁকিয়ে যায়, এই দৃশ্য কে সহ্য করতে পারে? তো শুরুতে যা বলছিলাম, বাংলাদেশের প্রতিটা কোনায় কোনায় অবিচারে ভর্তি হয়ে আছে। আবার কেউ যদি বিচার নিজের হাতে তুলে নিতে গিয়েছে তো পুলিশ রে-রে করে ওঠে। সম্ভবতঃ চট্টগ্রামের ঘটনা, বাবার খুনীকে কোর্ট ছেড়ে দিয়েছে। প্রায় এক যুগ পর ছেলেরা এক হিটম্যান ভাড়া করে খুনীকে মেরে দিলো। অমনি পুলিশ ছেলেদেরকে ধরে নিয়ে এলো। তারা এখন সেকেন্ড ডিগ্রি মার্ডারের মামলা টানছে। একাত্তরের পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দেশে ফাঁসি হয়েছে ৪৭৯ জনের। অথচ এক বছরেই দেশে মার্ডার হয় কয়েক হাজার। — 𝐔𝐍𝐅𝐀𝐙𝐄𝐃 join:  সত‍্যকথন
593
13
গানবাজনা হারাম হওয়া বিষয়ক ক‌য়েক‌টি হাদীস : নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব‌লে‌ছেন: لَيَكُونَنَّ مِنْ أُمَّتِي أَقْوَامٌ يَسْتَحِلُّونَ الْحِرَ وَالْحَرِيرَ، وَالْخَمْرَ وَالْمَعَازِفَ، আমার উম্মা‌তের ম‌ধ্যে এমন কিছু সম্প্রদায় তৈ‌রি হ‌বে, যারা যেনা, রেশ‌মি কাপড়, মদ ও বাদ‌্যযন্ত্রকে হালাল ম‌নে কর‌বে। (সহীহ বুখারী: হাদীস নং- ৫৫৯০) নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব‌লে‌ছেন: الْغِنَاءُ يُنْبِتُ النِّفَاقَ فِي الْقَلْبِ ". গানবাজনা অন্ত‌রে নিফাক ও কপটতা উৎপাদন ক‌রে। (আবু দাঊদ: ৪৯২৭) নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব‌লে‌ছেন: صوتان ملعونان في الدنيا والآخرةِ صوتُ مزمارٍ عند نِعْمةٍ وصوتُ رنةٍ عند مصيبةٍ দু‌টি আওয়াজ দু‌নিয়া ও আখেরা‌তে অ‌ভিশপ্ত থাক‌বে। সু‌খের মুহূ‌র্তে বাজনার আওয়াজ, দুঃ‌খের মুহূ‌র্তে বিলা‌পের আওয়াজ। (দায়লামী:৩৭৭৮) নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব‌লে‌ছেন: سيكون في آخر الزمان خسف وقذف ومسخ إذا ظهرت المعازف والقينات واستحلت الخمر. শেষযু‌গে ভূ‌মিধস, শিলাবৃ‌ষ্টি চেহারা‌বিকৃ‌তি দেখা দি‌বে। তা ওই সময় হ‌বে যখন বাদ‌্যয‌ন্ত্র ও নর্তকী‌দের প্রাদুর্ভাব দেখা দি‌বে এবং মদ‌কে হালাল মনে করা হ‌বে। (তির‌মিযী ও তাবরানী) বিষয়: গান-বাজনা সংক্রান্ত হাদিস লেখা: মুফতি সাঈফুদ্দীন গাজী join:  সত‍্যকথন
575
14
ফিতনার বীজ ফসলের বীজের মতো নয় যে আজকে রোপন করলে এক সপ্তাহ বা এক মাস পরেই এর চারা গজাবে। বরং ফিতনার বীজের চারার অঙ্কুরোদগম হতে সময় লাগে। কখনো এক যুগ বা এক শতাব্দিও লাগতে পারে। মুহিব খান ২০০৭/৮ সালের দিকে একজন ইসলামী সঙ্গীত শিল্পী হয়েও বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে ইঞ্চি ইঞ্চি মাটি সংগীতটা গেয়ে যে ফিতনার বীজ বপন করেছিলেন আজ দেড় যুগ পর সেই বীজের অঙ্কুরোদ্গম হয়ে তা প্রস্ফুটিত হওয়া শুরু করেছে। আবু উবায়দারা কোন না কোনভাবে মুহিব খানের সেসব কর্মকান্ড দ্বারা প্রভাবিত। মুহিব খান যে দুঃসাহস দেখিয়েছে বিটিবিতে মিউজিকযোগে গান গেয়ে, সেসবই আজ আবু উবায়দাদের সাহস যোগায় তাকে নিজেদের সনদ বানানোর ভেতর দিয়ে। অথচ মিউজিক নিয়ে যত রকমের মতামতই পেশ করা হোক, মুহিব খান বিটিভিতে যে ধরনের মিউজিকযোগে গান গেয়েছে, সেটা হারাম হওয়া নিয়ে কারো কোন দ্বিমত থাকার কথা নয়৷ কিন্তু এটা নিয়ে মুহিব খানের মধ্যে কখনো অনুশোচনা তো পরিলক্ষিত হয়ইনি, বরং ইনিয়েবিনিয়ে এর স্বপক্ষে বলতে দেখা গেছে। তার যুক্তি ছিল বড় অদ্ভুত, আমি এটা অন্যদের জন্য বানিয়েছি, আপনারা কেন শোনেন? অথচ তিনি নিজেকে পরিচিত করিয়েছেন একজন 'ইসলামী সঙ্গীত শিল্পী' হিসেবে। সেটা না করলে এসব নিয়ে কথা বলার দরকার ছিল না। কেননা এদেশে ব্যান্ডদল আর গানের শিল্পী তো ভুরি ভুরি আছে। সবশেষে একটা হাদীস দিয়ে লেখাটার ইতি টানি। সহীহ বুখারীতে আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, 'আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক সৃষ্টি হবে, যারা ব্যভিচার, রেশম, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল সাব্যস্ত করবে।' (সহীহ বুখারী হাদীস : ৫৫৯০) - মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ হাফি. join:  সত‍্যকথন
562
15
আলহামদুলিল্লাহ। ডারতীয় মুসলিমরা জেগে উঠেছে। গতকাল শুক্রবারে পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল জেলার রেলপাড় এলাকায় মসজিদে আজান বন্ধ করতে আস
আলহামদুলিল্লাহ। ডারতীয় মুসলিমরা জেগে উঠেছে। গতকাল শুক্রবারে পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল জেলার রেলপাড় এলাকায় মসজিদে আজান বন্ধ করতে আসে পুলিশ। এতেকরে স্থানীয় মুসলিম ও পুলিশের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, পরিস্থিতি আরও উ*ত্ত*প্ত হয়ে উঠলে রাতে মুসলিমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাহাঙ্গীর মহল্লার পুলিশ স্টেশনে এ্যা*টাক করে ব্যাপক ক্ষ**তিসাধান করে। দেওয়ালে যখন পিঠ ঠেকে যায় তখন লড়াই'ই হয় একমাত্র সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর উত্তম মাধ্যম। উপমহাদেশের মুসলিমদের একমাত্র মুক্তির পথ জি* হ|দে র পথ।
792
16
কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার মারা গেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদের মেয়ে। সম্প্রতি তার চিকিৎসার জন্য ফান্ডিংয়ের আলাপ সামনে আসায় আমার মতো অনেকেই নামটির সাথে প্রথম পরিচিত হয়েছে। কন্টেন্ট ক্রিয়েশন এখন আমাদের দেশে এক মহামারীর নাম। এই কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের মহামারিতে পড়ে হেন কোনো কাজ নেই, যা মানুষ করছে না। ঘর থেকে বাহির, স্বামী-স্ত্রী সন্তান থেকে দৈনন্দিন জীবনের সকল কাজকর্ম—ভ্লগিংয়ের নামে স্বামী-স্ত্রীর একান্ত মুহূর্তগুলো প্রচার করা কেবল বাকি রেখেছে। এছাড়া আর সবই কন্টেন্ট আর ভ্লগের নামে ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। এসব ছাপড়ি ভ্লগারদের কাছে স্বপ্নের কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ছিল কারিনা কায়সাররা। যারা এলিট লাইফ, ফেমাস ব্র‍্যান্ড ডিল, আর শোঅফ করে বেড়াতো। সিংহভাগ গরিবের দেশে যা এক স্বপীল ও লোভাতুর জীবন। শরিয়ার সীমানা ক্রস করা কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা আসলে কী রেখে যান? রেখে যান কেবল কন্টেন্ট আর প্রকাশ্য গুনাহের প্রকাশিত ডকুমেন্ট। একথা তো নিঃসন্দেহ সত্য যে, কোনো ফিমেল কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের পক্ষে শরিয়া মেনে নিয়মিত ভিডিও বানানো সম্ভব না। এবং এমন ব্যক্তির পক্ষে "জনপ্রিয়" কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হওয়া সম্ভবও না। মেয়েদের কন্টেন্ট চলেই তাদের উদ্দামতার কারণে। তার মৃত্যুর পর এখন সেসব কন্টেন্ট প্রচুর ভিউ হবে, প্রচুর আফসোস হবে, কত ভালো ক্রিয়েটর ছিল—তা নিয়ে আলাপ হবে। অন্য কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা তাকে নিয়ে আবেগ বেচে আরও বেশকিছু ডলার বাগিয়ে নেবে। কারিনার আমলনামায় কী জমা হবে? গুনাহে জারিয়া! কারিনার জন্য আক্ষেপ করবে অনেকেই, কিন্তু অন্তর থেকে দুআ করবে ক'জন? علمت نفس ما قدمت واخرت. "[কিয়ামতের দিন] প্রত্যেক মানুষ জানতে পারবে, সে কী আমল আগে পাঠিয়েছে, কী আমল পিছনে রেখে গিয়েছে।" [সূরা ইনফিতার : ৫] এই ঘটনা ও লেখা মূলত আমাদের জন্য রিমাইন্ডার। কারিনা কায়সার সাব্জেক্ট না, সাব্জেক্ট হলো—আমরা কী লিগ্যাসি দুনিয়াতে রেখে যাচ্ছি, সদাকায়ে জারিয়া না গুনাহে জারিয়া—তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সদাকায়ে জারিয়া না হোক, আমাদের আমলনামায় যেন গুনাহে জারিয়ার পাল্লা ভারী না হয়। আপনি-আমি বেঁচে আছি মানে, এখনও শেষ হয়ে যায়নি সময়। ফিরে আসার এখনও সুযোগ আছে। কিন্তু, যখন নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে, তখন থাকবে কেবল অনন্ত আফসোস... - Mufti Mahmud Siddiqui join:  সত‍্যকথন
843
17
কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার মারা গেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদের মেয়ে। সম্প্রতি তার চিকিৎসার জন্য ফান্ডিংয়ের আলাপ সামনে আসায় আমার মতো অনেকেই নামটির সাথে প্রথম পরিচিত হয়েছে। কন্টেন্ট ক্রিয়েশন এখন আমাদের দেশে এক মহামারীর নাম। এই কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের মহামারিতে পড়ে হেন কোনো কাজ নেই, যা মানুষ করছে না। ঘর থেকে বাহির, স্বামী-স্ত্রী সন্তান থেকে দৈনন্দিন জীবনের সকল কাজকর্ম—ভ্লগিংয়ের নামে স্বামী-স্ত্রীর একান্ত মুহূর্তগুলো প্রচার করা কেবল বাকি রেখেছে। এছাড়া আর সবই কন্টেন্ট আর ভ্লগের নামে ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। এসব ছাপড়ি ভ্লগারদের কাছে স্বপ্নের কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ছিল কারিনা কায়সাররা। যারা এলিট লাইফ, ফেমাস ব্র‍্যান্ড ডিল, আর শোঅফ করে বেড়াতো। সিংহভাগ গরিবের দেশে যা এক স্বপীল ও লোভাতুর জীবন। শরিয়ার সীমানা ক্রস করা কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা আসলে কী রেখে যান? রেখে যান কেবল কন্টেন্ট আর প্রকাশ্য গুনাহের প্রকাশিত ডকুমেন্ট। একথা তো নিঃসন্দেহ সত্য যে, কোনো ফিমেল কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের পক্ষে শরিয়া মেনে নিয়মিত ভিডিও বানানো সম্ভব না। এবং এমন ব্যক্তির পক্ষে "জনপ্রিয়" কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হওয়া সম্ভবও না। মেয়েদের কন্টেন্ট চলেই তাদের উদ্দামতার কারণে। তার মৃত্যুর পর এখন সেসব কন্টেন্ট প্রচুর ভিউ হবে, প্রচুর আফসোস হবে, কত ভালো ক্রিয়েটর ছিল—তা নিয়ে আলাপ হবে। অন্য কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা তাকে নিয়ে আবেগ বেচে আরও বেশকিছু ডলার বাগিয়ে নেবে। কারিনার আমলনামায় কী জমা হবে? গুনাহে জারিয়া! কারিনার জন্য আক্ষেপ করবে অনেকেই, কিন্তু অন্তর থেকে দুআ করবে ক'জন? علمت نفس ما قدمت واخرت. "[কিয়ামতের দিন] প্রত্যেক মানুষ জানতে পারবে, সে কী আমল আগে পাঠিয়েছে, কী আমল পিছনে রেখে গিয়েছে।" [সূরা ইনফিতার : ৫] এই ঘটনা ও লেখা মূলত আমাদের জন্য রিমাইন্ডার। কারিনা কায়সার সাব্জেক্ট না, সাব্জেক্ট হলো—আমরা কী লিগ্যাসি দুনিয়াতে রেখে যাচ্ছি, সদাকায়ে জারিয়া না গুনাহে জারিয়া—তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সদাকায়ে জারিয়া না হোক, আমাদের আমলনামায় যেন গুনাহে জারিয়ার পাল্লা ভারী না হয়। আপনি-আমি বেঁচে আছি মানে, এখনও শেষ হয়ে যায়নি সময়। ফিরে আসার এখনও সুযোগ আছে। কিন্তু, যখন নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে, তখন থাকবে কেবল অনন্ত আফসোস... - Mufti Mahmud Siddiqui join:  সত‍্যকথন
0
18
মুসলিমদের ওপর কর ভ্যাট এগুলো আল্লাহ প্রদত্ত মানবাধিকারের লঙ্ঘন, এগুলো ডাকাতি বা চাঁদাবাজির থেকেও বড় অপরাধ। ইসলাম অনুযায়ী শুধু সামর্থ্যবানেরা যাকাত দিবে, কিন্তু এখন তারা যাকাত‌ও দেয় না, ট্যাক্স‌ও ফাকি দেয়। আর জনসাধারণের থেকে জোরপূর্বক আদায় করা হয়। আধুনিক বিশ্বের জুলুম‌ই না চিনলে, পতন ঘটাবেন কিভাবে! Mahmud Ul Hasan join:  সত‍্যকথন
753
19
কেন আমাদের মাঝে উল্টো চিত্র? - বিশ্বজুড়ে ইসলাম বিরোধী মনোভাব এবং নিজ নিজ ধর্মকে আঁকড়ে ধরার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, ইউরোপ আমেরিকা সহ অনেক জায়গায়ই উ"গ্র ডানপন্থার ব্যাপক উত্থান ঘটছে। ই'সর|য়েলে তো রীতিমত উ"গ্রতার বিস্ফোরণ ঘটেছে, মসজিদে আক্বসা ধ্বংস করে গ্রেটার ই'সর|য়েল প্রতিষ্ঠার জন্য তারা সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। ভ|র'তের অবস্থাও ভয়াবহ, সেদেশের সর্বত্র উ"গ্র হি*ন্দুত্ববাদের জয়জয়কার দেখা যাচ্ছে, নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া, জয়’শীরাম না বলায় পিটিয়ে মারা, বাড়ি ঘর মসজিদ মাদ্রাসায় বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া বর্তমানে সেখানকার নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। - অপরদিকে বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন মুসলিম দেশে ঘটছে উলটো ঘটনা, ইসলামপন্থীরা উদারতার নামে বিধর্মীদের সাথে গলা মিলাচ্ছে, তাদের তুষ্ট করার জন্য ইসলামের বিভিন্ন বিধানকে গোপন করছে, অনেক বিধান কাট-ছাঁট করে বর্ণনা করছে, ইনিয়ে বিনিয়ে কাফেরদের অপছন্দের বিধানকে অস্বীকার করছে। ইসলাম ও ইসলামী জীবনব্যবস্থাকে আঁকড়ে ধরার পরিবর্তে গণতন্ত্র, সেক্যুলারিজম, লিবারেলিজম ইত্যাদি কুফরি ব্যবস্থাকে মুসলিম সমাজে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। এসব দেখে স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে, কেন আমাদের মধ্যে এই উলটো স্রোত, কেন আমরা ইসলামকে আঁকড়ে ধরার পরিবর্তে কাফেরদের খুশি করার জন্য ইসলাম ত্যাগের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছি? অথচ অন্য সকল ধর্মের উ"গ্র ডানপন্থাই জুলুম, উ"গ্রতা এবং অনাচারে পূর্ণ, সেক্যুলারিজমও মূলত অন্যায় এবং জুলুমভিত্তিক একটি মতাদর্শ, একমাত্র ইসলামই মুসলিম-অমুসলিম সকলের জন্য সত্যিকারের ইনসাফ ও শান্তি নিশ্চিত করতে পারে। চারদিকে উ"গ্র হি*ন্দুত্ববাদ এবং সে'ক্যুলার-লিবারেল স/ন্ত্র|সের এই প্রবপল ঝড়ের বিরুদ্ধে একমাত্র ইসলামই আমাদের রক্ষাকবচ হতে পারে। - গত এক দশকে ভ|র'তের রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তন এসেছে, সেখানে নরম হি*ন্দুত্বের পরিবর্তে উ"গ্র হি*ন্দুত্ববাদ কেন্দ্রীয় শক্তিতে পরিণত হয়েছে। শুধু কেন্দ্র সরকারে নয়, বেশিরভাগ রাজ্যেও উ"গ্র হি*ন্দুত্ববাদীরা ক্ষমতায়। এবারের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গেও উ"গ্র হি*ন্দুত্ববাদী দল বি/জে'পি ক্ষমতায় এসেছে। পশ্চিমবঙ্গে আজ বা কাল যে, গে/রু'য়া ঝড় বইবে এটি সেখানকার সমাজ, রাজনীতি সহ সর্বত্র হি*ন্দুদের মাঝে উ"গ্রতার উত্থান দেখে অনেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন। তবে এবার বি/জে'পিকে ক্ষমতায় আনতে কেন্দ্র সরকারকে কম কষ্ট চক্রান্ত করেনি। ৯১ লক্ষ ভোটারকে এসআইআর করে বাদ দিয়েছে, প্রায় ২৮ লক্ষ মানুষকে একরকম বাংলাদেশী তকমা দিয়ে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপর ফলাফল জালিয়াতির অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচনে নৌ ও বিমানবাহিনী ছাড়া ভ|র'তের সব কেন্দ্রীয় বাহিনী অংশ নিয়েছিল, স্বাভাবিক কোন নির্বাচন নয়, যু*দ্ধের আবহ তৈরি হয়েছিল এই ভোটে। ভোটে জেতার জন্য মো'দী সরকার সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিল, অবশেষে জয় পেয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি প্রকাশ্যে গে/রু'য়া বলয়ে প্রবেশ করল। বি/জে'পি ক্ষমতায় আসায় আমাদেরকে অচিরেই হয়তো আরো একটা শরনার্থী ঝড় দেখতে হবে। ইতিমধ্যে আসাম গুজরাত সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে অনেক মুসলিমকে বাংলাদেশী তকমা দিয়ে পুশ ইন করা হয়েছে। সামনে যদি এই প্রবণতা বৃদ্ধি পায় তাহলে পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাবে বলে অনুমান। - এই দেশটি ধীরে ধীরে এই অঞ্চলের জন্য নতুন ই'সর|য়েল হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে, আশ পাশের দেশগুলো দখল করে অখণ্ড ভ|র'ত প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছে। সেমতে তারা প্রচুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে, শুধু সেনাবাহিনীই প্রস্তুত করছেনা সাধারণ হি*ন্দুদেরকেও ট্রেনিং দিচ্ছে, অ/স্ত্র দিচ্ছে। আশে পাশের দেশে থাকা হি*ন্দুদেরকেও উ"গ্র হিসেবে গড়ে তুলছে। আশে পাশে নজর দিলেই আমরা এর বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারব। প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের হা-হুতাশ, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ছাড়া বাস্তব কোন প্রস্তুতি নেই বললেই চলে। যদি অদূর ভবিষ্যতে তারা আমাদের উপর যু*দ্ধ চাপিয়ে দেয় তাহলে মোকাবেলা তো দূরের কথা নূন্যতম আত্মরক্ষা করাও কি সম্ভব হবে? এমতাবস্থায় আমরা কি করে নিজেদের এবং পরবর্তী প্রজন্মের ইমান রক্ষা করব? শায়েখ আবু উবাইদাহ আল-হিন্দী হাফিজাহুল্লাহ join:  সত‍্যকথন
1 014
20
No text...
639