Nirjhor Archive
Open in Telegram
https://www.instagram.com/nirjhorarchive?igsh=MndlMHRkdGxhYjdp&utm_source=qr The Ultimate weapon is no weapon
Show more2 119
Subscribers
No data24 hours
-57 days
-2230 days
Data loading in progress...
Similar Channels
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Tags Cloud
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Incoming and Outgoing Mentions
---
---
---
---
---
---
Attracting Subscribers
June '26
June '26
+4
in 0 channels
May '26
+5
in 0 channels
Get PRO
April '26
+1
in 0 channels
Get PRO
March '26
+8
in 0 channels
Get PRO
February '26
+22
in 0 channels
Get PRO
January '26
+21
in 0 channels
Get PRO
December '25
+28
in 0 channels
Get PRO
November '25
+22
in 1 channels
Get PRO
October '25
+52
in 0 channels
Get PRO
September '25
+13
in 0 channels
Get PRO
August '25
+231
in 0 channels
Get PRO
July '25
+79
in 0 channels
Get PRO
June '25
+207
in 0 channels
Get PRO
May '25
+1 962
in 1 channels
| Date | Subscriber Growth | Mentions | Channels | |
| 22 June | 0 | |||
| 21 June | 0 | |||
| 20 June | 0 | |||
| 19 June | 0 | |||
| 18 June | 0 | |||
| 17 June | 0 | |||
| 16 June | 0 | |||
| 15 June | 0 | |||
| 14 June | +1 | |||
| 13 June | 0 | |||
| 12 June | 0 | |||
| 11 June | +1 | |||
| 10 June | +1 | |||
| 09 June | 0 | |||
| 08 June | +1 | |||
| 07 June | 0 | |||
| 06 June | 0 | |||
| 05 June | 0 | |||
| 04 June | 0 | |||
| 03 June | 0 | |||
| 02 June | 0 | |||
| 01 June | 0 |
Channel Posts
রাষ্ট্রয়াত্ব চ্যানেল বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) চলতি অর্থবছরের মে মাস পর্যন্ত ১১ মাসে করসহ আয় করেছে ৮ কোটি ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ব্যয় করেছে ২৫৪ কোটি ১৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।
দেশের সাধারণ মানুষের টাকা এত বাজেভাবে কোন ফিডব্যাক ছাড়া সম্ভবত খুব কম সরকারি প্রতিষ্ঠানই নষ্ট করে। বিনিময়ে না দেশের জন্য কিছু করে আর না জনগণের জন্য। নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্ত হওয়া উচিৎ এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। কারা সাধারণ মানুষের টাকা এভবে অপচয় করছে।
| 2 | আসল ডেইলি ওয়াদা পড়ুন। নকল জার্মান ব্যান্টের ডেইলি ওয়াদা বর্জন করুন। কিস্টান ডেইলি ওয়াদা এবং ইসলামিক ডেইলি ওয়াদা রং দেখে আলাদা করুন। | 62 |
| 3 | ডিজিএফআই, বসুন্ধরার মিডিয়া আর বোরহান কবীরের যৌথ প্রযোজনায় 'অদিতি করিম' নিয়ে পোস্ট দেয়ায় সেখানে সকপাপেট অ্যাকাউন্ট দিয়ে 'অ্যাস্ট্রোটার্ফিং' করছে। অ্যাস্ট্রোটার্ফিং হল কৃত্রিমভাবে এমন একটি ধারণা তৈরি করা যে কোনো ব্যক্তি, মতামত, নীতি বা রাজনৈতিক অবস্থানের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন আছে। কিন্তু সকপাপেট একাউন্টের জনসমর্থন আর বাস্তব জনসমর্থন তো আলাদা।
ধারণা করি, লেখার ধরণ থেকে এগুলা কচুক্ষেত-বসুন্ধরার যৌথ প্রযোজনা। কারণ খুব নিম্নমানের কাজ। প্যাটার্ন দেখেই ধরা যায়। কচুক্ষেতের চেয়ে আনসার ইন্টেলিজেন্সের কাজও এখন ভালো হয়।
কিন্তু এই যুগে এসেও এসব বোকামি টাকা দিয়ে কেউ করে? এতে কাউরে বিশ্বাস করানোর বদলে আমার পেইজের ভিউ বাড়াচ্ছে। প্রোফাইলও খুব কম দামে কেনা এগুলা। সব ২০২৬ সালের। বসুন্ধরা আর কচুক্ষেতে একদল বইসাই থাকে টাকা মারার ধান্দায়। একাউন্ট কেনার নামে না জানি কত মাইরা দিছে। :3
সেই পোস্ট: https://www.facebook.com/share/p/1BkLZx2o3g/ | 136 |
| 4 | রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ দায়িত্ব গ্রহণের এত দিন পরও সাংবাদিকদের কোন বিষয়ে বক্তব্য দিতে চান না। উনি কি একটু লাজুক নাকি প্লেনের চাক্কা চুরির সাথে জড়িত? সাংবাদিক দেখলেই দৌড় দেয়। | 136 |
| 5 | নতুন আসা অনলাইন নিউজপোর্টাল এশিয়া পোস্ট যে শুধু তার কর্মীদের বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে তা না। পাশাপাশি "প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি বা সার্ভিল্যান্সে" রাখার হুমকিও দিয়ে রেখেছে।
অথচ এমন নজরদারি ইউডিএইচআরের ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং আইসিসিপিআরের ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। এই অনুচ্ছেদগুলো বলে, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার বা যোগাযোগের ওপর যথেচ্ছ বা বেআইনি হস্তক্ষেপ করা যাবে না। ডিজিটাল যুগে 'যোগাযোগের গোপনীয়তা' একটি মৌলিক মানবাধিকার। প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি এই ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলে কর্মীদের সার্বক্ষণিক এক ধরনের মানসিক চাপের মধ্যে রাখে। যেটা মানবাধিকার স্পষ্ট লঙ্ঘন। আলাদা করে শ্রম অধিকারের লঙ্ঘন তো আছেই।
অনেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এক্টিভিজম বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের একটা নীতি আছে। যেখানে রাজনৈতিকসহ বিশেষ কিছু বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দেয়া থাকে গণমাধ্যমের বায়াজনেস থেকে মুক্ত থাকার জন্য। সেখান থেকে নতুন বাজারে আসা এই গণমাধ্যমটি কোন স্পষ্ট ধারণা না দিয়ে এভাবে সার্ভিল্যান্সের 'হুমকি' দিয়ে সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় সার্ভিল্যান্সের 'পন্থাকেও' উষ্কে দিচ্ছে।
এশিয়া পোস্টের মত এমন কর্মীদের ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়ায় 'সার্ভিল্যান্স' ঢাকার ৬০ ভাগ প্রতিষ্ঠান করে বলেও আমরা গত কয়েক ঘন্টায় নিশ্চিত হয়েছি। সে হিসেবে ঢাকার বেশিরভাগ গণমাধ্যম মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার লঙ্ঘন করছে। | 138 |
| 6 | 🔴 রেড এলার্ট
এস আলমের ৫ লাখ টাকা বেতনের মিডিয়া এডভাইজার আলমগীর হোসেন আবার আওয়াজ দিচ্ছে। তার এক সময় এস আলমের বিভিন্ন ব্যাংকে অনেক একাউন্ট ছিল। তার বর্তয়ানের প্রতিষ্ঠান বার্তা২৪ এর ফান্ডও একই সোর্সের। | 146 |
| 7 | আপনারা কি কখনও ভাবছেন, বসুন্ধরা, ডিজিএফআই আর বোরহান কবির মিলে 'অদিতি করিম' ঘোষ্ট নামে লেখে কেন? কেন ওয়াহিদ মিল্টন নামে লেখে না? | 147 |
| 8 | এখন টিভির চার সাংবাদিক ফেসবুক এক্টিভিজমের জন্য যখন 'ওএসডি' হয় তখন, এশিয়া পোস্ট গুরুত্ব দিয়ে তাদের সংবাদ প্রকাশ করে। অথচ গতকাল নিউজপোর্টালটির সম্পাদকীয় থেকে লিখিতভাবে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ বা এক্টিভিজম না করার নির্দেশ দিয়েছে তাদের সংবাদকর্মীদের।
এটা একদিক থেকে নিজেদেরই স্ববিরোধী অবস্থান। আবার গণমাধ্যমকর্মীদের বাকস্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ। | 153 |
| 9 | অ্যাটকোর মহাসচিব ও একুশে টিভির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম নিয়মিত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কথা বলেন। অথচ তার নিজ অফিসেই প্রতি মাসে বেতন দিতে দেরি করেন। নতুন করে একুশে টিভিতে বসার পর থেকে এটা নিয়মিত হতে হতে এখন সাধারণ সংবাদকর্মীরা বিপাকে। এখনও গত মাসের বেতন পায়নি কর্মীরা। এটা প্রতি মাসেই হচ্ছে।
এদিকে অভিযোগ আছে, সালামের স্ত্রী ও রিহ্যাবের পরিচালক তাসনুভা মাহবুব সালাম একুশে টেলিভিশনের টাকা ইনভেস্ট করেন তার রিয়েল এস্টেট বিজনেসে। যার কারণে প্রভাব পড়ে টেলিভিশনের বেতনে।
এদিকে টেলিভিশনের নির্বাহী সম্পাদক হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে একাধিক সংবাদকর্মী অভিযোগ তুলেছেন, তিনি তার নিজের প্রাপ্য বুঝে নিলেও, সংবাদকর্মীদের জন্য কোন কথা বলেন না। ফলে প্রতি মাসেই নানা রকম অর্থনৈতিক সংকটে পড়ছে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। | 168 |
| 10 | এখানে একাধিক তথ্য বিভ্রান্তি বা গুজব ছড়ানো হয়েছে। স্টার নিউজ হল বহুল বিতর্কিত নাবিল গ্রুপের। যাদের বিরুদ্ধে সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপির অভিযোগ রয়েছে। নাবিল গ্রুপকে বলা হয় দিলশানা পারুলদের জোটের টিভি। এটা গোপন কিছু না।
এখন টিভির আগের নাম ছিল স্পাইস টেলিভিশন। সেখান থেকে সিটি গ্রুপ তা কিনে নিয়ে তূষার আব্দুল্লাহার অনুপ্রেরণায় নাম দেয় 'এখন' টেলিভিশন। সেখানকার চার সাংবাদিক 'ওএসডি' থাকলেও সংসদে এনসিপির একাধিক সাংসদ চাকুরিচ্যুত বলে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছিল সংসদে। তখনও সিটি গ্রুপের নাম এসেছে বিভিন্ন জায়গায়।
এদিন মানে দৈনিক এদিনের মালিকানা নর্থসাউথ গ্রুপের। যারা খুব হম্বিতম্বি করে বাজারে আসলেও, পরে ফেইল খায়।
একটা পোস্টে মানুষ তিনটা বিভ্রান্তিকর তথ্য ইচ্ছার বিরুদ্ধে ছড়াইছে কিনা জানি না। আর ইচ্ছার বিরুদ্ধে না হলে এটাকে সরাসরি গুজব বলা যায়। ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর এটা চেক করে ফেইক ইনফো মনে হলে , ফ্ল্যাগ দেয়া উচিৎ। কারণ উনি এভাবে এর আগেও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলার উষ্কানি দিয়েছিলেন। | 178 |
| 11 | বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ সব সময় যে মতাদর্শের সমর্থন করে, তাকে সেরা এবং খাঁটি মনে করে। এজন্য কোনদিন কাউকে দেখবেন না বলবে, নিরপেক্ষ গণমাধ্যম চাইতে। তারা বিভিন্ন পন্থী বায়াজড গণমাধ্যম চাইবে। কারণ তারা ধরেই নেয়, তাদের পন্থা সরাসরি বেহেশত থেকে আসছে, এর কোন 'খুঁত' নেই। এই চাওয়া-পাওয়াটাই সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা। বাংলাদেশের নিরপেক্ষ গণমাধ্যম দরকার, কারো প্রতি বায়াজড না। বায়াজড গণমাধ্যম স্বাধীনতার পর থেকেই আছে, আরও দরকার হইলে জুলাইয়ের দরকার কি ছিল?
আর এসব পন্থী পন্থী করা আরেক ধাপ্পাবাজি। ইউনুস সরকার যে গণমাধ্যম কমিশন করে গণমাধ্যমের আব্বাদের সাথে বসে বসে টাকা পয়সা খরচ করছে, সেটার জবাব না চাওয়াটাও ধাপ্পাবাজি। যেসব আচরণ এখন করতেছে এটাকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপের চেষ্টা বলে। হাসিনার আমলে এসবের বিরুদ্ধে এসব লোকজনই আমাদের সাথে একই সাথে এসবের বিরোধীতা করছে বাকস্বাধীনতার হস্তক্ষেপ বইলা। এছাড়াও এরা ইউনুস সরকারের গণমাধ্যম কমিশনের চরম ব্যার্থতা ঢাকতে চাচ্ছে, কারণ তথ্য উপদেষ্টারা তো আসমান থেকে পরছিলো না। তাদের দলীয় প্রধান যেগুলা দোকান খুলে দিছিলো , সব ফেইল খাইছে কেন তাও তো তারা অনুসন্ধান করে বের করতে পারে নাই এখনও। খালি ডলার ভাঙ্গাইয়া কচকচে টাকা থাকলেই হয় না, গণমাধ্যম দাঁড় করাইতে ঘিলুও লাগে। নিজেদের ঘিলুর ব্যর্থতা আওয়ামী লীগের মত অন্যের ঘারে চাপানোর অভ্যাস ১৭ বছরে হইছে আর কি। এখন যদি বলা হয় এসব অনুমোদন দেয়া গণমাধ্যম আওয়ামী লীগের তাহলে তাদের দলীয় প্রধানই দায়ী অনুমদন দেয়ার জন্য। | 148 |
| 12 | No text... | 150 |
| 13 | সালমান এফ রহমানের পক্ষে বেঞ্চমার্ক পিআর বাংলাদেশ থেকে নিয়মিত মেইল-ম্যাসেজ পান সাংবাদিকরা। এখানে সংযুক্তগুলো ২০২৫ সালের। যেটা পাঠিছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ডিরেক্টর এ এফ এম আসাদুজ্জামান। ওনার আরেক পরিচয় হল, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় টপ সাতে ওনার নাম রয়েছে। আরও একটা পরিচয় আছে ওনার, বহু বছর ধরে ডিগবাজির পর ডিগবাজি দিয়ে চলা বিশিষ্ট টক-শোবীদ আশরাফ কায়সারের ভাই। আশরাফ কায়সার আবার বেঞ্চমার্কের সিইও।
দুই ভাই মিলে সালমান এফ রহমানের জন্য কাজ শুরু করে ৯০ এর দশকেই। তখন থেকেই তারা সালমান এফ রহমানের সকল অপকর্মের সাথী। যেই প্রভুভিক্তি এখনও যায়নি। নিজেকে 'সিনিয়র সাংবাদিক' পরিচয় দেয়া আশরাফ কায়সারকে নিয়ে ৫ আগস্টের পর মুন্নী সাহারা ট্রল করে বলেছিলো, আমাদের পাশে নিয়ে কেক কাটা লোক আমাদের এখন দোসর বলছে। সাথে ছবিও দিয়েছিলো সম্ভবত।
৫ আগস্টের পর আশরাফ কায়সার যেমন সব দলের সাথে মিশে বিজ্ঞাপণের বাজার দখলে কাজ করে গেছে বেঞ্চমার্কের মাধ্যমে , পাশাপাশি তার ভাইকে দায়িত্ব দিয়েছেন সালমান এফ রহমানদের রক্ষায়। এখন রিকার্ভ চুরি থেকেও হয়তো আশরাফ কায়সার ভাইকে উদ্ধার করে ফেলবেন। কারণ তিনি জায়েদ খানকেও পল্টি মারায় হার মানানো লোক। | 148 |
| 14 | মেঘনা গ্রুপের গণমাধ্যমগুলো আসলে 'জমছে' না। বাজারে নতুন আসা তাদের দৈনিক আগামীর সময়ের অনলাইন ইনচার্জ আনিসুর বুলবুল রিজাইন দিয়েছেন। পত্রিকার 'কাজের ধরনের' সাথে 'খাপ' খাওয়াতে পারছিলেন না। | 135 |
| 15 | পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গিয়েছিলেন ভোলাগঞ্জে সরকারি সফরে। কিন্তু তার সাথে সেখানে ছিলেন সাদা পাথর লুটের অভিযোগে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা শাহবুদ্দিন।
এটা নিয়ে কালবেলা তাদের ওয়েবসাইটে নিউজ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও কন্টেন্ট প্রকাশ করে পরশু। তবে গতকাল চুপচাপে এগুলো কোন কারণ না দেখিয়ে সরিয়েন নেয় কালবেলা। | 142 |
| 16 | No text... | 145 |
| 17 | "টিভি নেক্সট" নাকি "টিভি এনসিপি"
আমরা বহু বছর ধরে গণমাধ্যমের লাইসেন্স দেয়া নিয়ে কথা বলেছি। সেই ১৯৯৭তে হাসিনার আমলে যে এর শুরু হয় এরপর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ধারাবাহিকতা ধরে রাখে। আর এই দলীয় লাইসেন্স দেয়াকে আর্টের পর্যায়ে নিয়ে যায় আওয়ামী লীগ সরকার। ৫ আগস্টের পর এসবের পরিবর্তন আসবে বলেই সবাই ধরে নিয়েছিলো, কিন্তু জুলাই-আগস্টকে সামনে রেখে গদিতে বসা ইউনুস সরকার কি তার ব্যাতিক্রম ছিল?
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের মধ্যে দুইটা টিভিও অনুমোদন পায়। যেখানে নাম আসে দুই এনসিপি নেতা দুই আরিফের। আবারও সেই পুরাতন বতোলে নতুন মদের মতই হাজির হয় রাজনৈতক লাইসেন্স।
আমি তাই আগ্রহ নিয়ে টিভি নেক্সটের নথি-পত্র ঘাটতে শুরু করি। ৩৬ মিডিয়া লি. এর অধীনে এই টেলিভিশনের লাইসেন্স পেয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মো. আরিফুর রহমান তুহিন এমনটাই আসে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। আমিও সেটা মাথায় নিয়ে আগাতে থাকি।
তাদের আবেদনজুড়ে ছিল মুক্তিযুদ্ধ আর জুলাই স্প্রিটকে ধারণ করে এগিয়ে যাওয়ার কথা মানে বলতে গেলে 'বিক্রি' আর কি। তবে আমি বারবার অবাক হইছি, অন্য জায়গায়। গণমাধ্যমে বারবার আরিফুর রহমান তুহিনের নাম আসলেও কাগজপত্র থেকে শুরু করে সবকিছু করেছেন এই টিভির অন্য ডিরেক্টর ও সম্প্রতি এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটিতে যুক্ত হওয়া আকরাম হুসাইন । আমি এখানে প্রথমেই অবাক হলাম, এর নাম কেন কোথাও আসে নাই। কেউ বলেও না যে এটার লাইসেন্স মূলত পেয়েছে আকরাম।
এরপর দেখলাম তাদের আবেদনের সাথে জমা দেয়া, দশ শেয়ারহোল্ডারের নাম। সেখানেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শেয়ারের মালিক আকরাম হোসাইন। এমনকি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আবুল হাসানের এক লাখ শেয়ার থাকলেও ১৯৯৭ সালে জন্ম নেয়া আকরাম হোসাইনের রয়েছে এক লাখ ২০ হাজার শেয়ার। এরপর তৃতীয় স্থানে রয়েছে আরিফুর রহমান তুহিনের ১ লাখ ১০ হাজার শেয়ার। এছাড়াও এনসিপির আতাউল্লাহার রয়েছে ৩০ হাজার, সাইফুল্লাহ হায়দারের ২০ হাজার এবং বহুল বিতর্কিত এনসিপির সাংবাদিক নেতা জয়নাল আবেদীন শিশিরের রয়েছে ২০ হাজার শেয়ার। সে হিসাব এই টেলিভিশনের আসলে নাম হওয়া উচিৎ ছিল, টিভি এনসিপি।
এই টিভির অনুমোদন নিয়ে একাধিক সংস্থার সাথে কথা বললে জানা যায়, এত বিগ বাজেটের প্রোপার উৎস দেখাতে পারে নাই গেন্ডারিয়ার ঠিকানায় আবেদন করা টেলিভিশনটি। তাহলে অনুমদন হল কিভাবে ? তখন জানা গেল, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের আগ্রহ এবং তথ্য সচিবের চাপেই সবকিছু ক্লিয়ারেন্স দিতে হয় সংস্থাগুলোকে। আরও জানা যায়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে অনুমদন পাওয়া বেশিরভাগ গণমাধ্যমই এমন আগ্রহ আর চাপে অনুমদন দিতে হয়েছে আগের সব সরকারগুলোর মতই। কাজেই এগুলোর আর্থিক খাত নিয়ে সঠিক তদন্ত করলে অনেক গণমাধ্যম আসলেই আটকে যাবে। এমনকি এই আমলেও টিভির লাইসেন্স আবেদন করাদের বেশিরভাগ তাদের ফান্ডের উৎস সঠিকভাবে বলতে পারছে না বা বলতে চাইছে না। শুধু এই কারণেই বিএনপি সরকার চাইলেও ইউনুস সরকারের আমলেও লাইসেন্স পাওয়াদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারবে না। আর এটাই হচ্ছে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ভবিষ্যত। সবাই গণমাধ্যম নিয়ে কথা বললেও ভেতরে ভেতরে....
টিকা: নথি-পত্র অনেক সংবেদনশীল তথ্য থাকায় তা শেয়ার করা হল না। | 173 |
| 18 | ইয়ার্কি পোস্টটা ৪/৫ মিনিটেই সরাইয়া নিছে। ৯০ এর গণআন্দোলন বাদ গেছে তার জন্য নাকি ৫ আগস্ট চলে আসছে তার জন্য ? | 172 |
| 19 | ঢাকায় কে কত ভালো সাংবাদিক তা দেখা হয় না। দেখা হয়, কে কত ক্ষমতাবান সাংবাদিক। এটাও তার সাংবাদিকতা দিয়ে ঠিক করা হয় না। এটা আগে ঠিক করা হইতো , আপার দাওয়াত কে কে পাইছে আর কে কত ছবি তুলতে পারছে। আর এখন ঠিক করা হয় ভাইয়ের দাওয়াতে কে কে খাইতে গেছিলো আর কত ক্লোজে ছবি তুলতে পারছে। মানে গোপাল ভাড়কে রাজা মাঝে মাঝে খাওয়ার মাধ্যমে যে বুদ্ধির ক্ষমতা পরখ করতো, ওমন। যে সাংবাদিক তারেক ভাইয়ার যত কাছে বসে খাইয়া ছবি ফেসবুকে দিতে পারছে সে তত বড় সাংবাদিক। | 189 |
| 20 | বসুন্ধরার ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ সম্পর্কে কিছু বিষয় ক্লিয়ার থাকা দরকার সবার। ৫ আগস্টের পর বসুন্ধরা কিছু ' বিএনপিপন্থী সাংবাদিক' এনে বসায় ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের বিভিন্ন পদে। এসব সাংবাদিকরা নিশ্চিত করেছিলো, বিএনপির সাথে একটা ভালো সম্পর্ক তারা করে দিবে এবং মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের হেল্পে গণমাধ্যমগুলো সচল রাখবে। ফলে এমআই কিছু জায়গায় হাত দেয় না। এর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ প্রতিদিনে নঈম নিজামের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ। বসুন্ধরার অন্য গণমাধ্যমের তুলনায় বাংলাদেশ প্রতিদিন তাই ঠিকঠাক ছিল। এমনকি এমআই এসেট বোরহান কবীরএর লেখা তার স্ত্রীর নামে চালানো সহ বিভিন্ন ইনফরমেশন ওয়ারফেয়ারেও কালেরকন্ঠের চেয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন সফল ছিল।
যার ফলে গত দুই বছরে বাংলাদেশ প্রতিদিন ছাড়া বাকি সব গণমাধ্যমই তলানিতে যাইতে থাকে বসুন্ধরার । এর অন্যতম কারণ বিএবপিপন্থী যারা সাংবাদিক পরিচয় দিয়েছিলেন, তারা আসলে সাংবাদিকতা বা গণমাধ্যম পরিচালনায় ছিল 'অযোগ্য'। এছাড়াও এরা বসুন্ধরার বিভিন্ন গণমাধ্যমে থাকা আওয়ামীপন্থীদের কন্ট্রোলে আনতে না পারায়, বিশৃংখলা বাড়তেই থাকে। ফলাফল শুরু হয়ে অস্থিরতা।
বসুন্ধরা এখন ধীরে ধীরে অনলাইনে হলেও, নঈম নিজামের হাতে নিয়ন্ত্রণ দিতে চাচ্ছে। যে কারণে ছাঁটাই, পরিবর্তন, আর্থিক তদন্ত শুরু হয়েছে ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের গণমাধ্যমগুলোতে। এসব ঘটনায় বড় বিপাকে পড়তে পারে বিএনপিপন্থী সাংবাদিকদের হাত ধরে গত দুই বছরে চাকরি পাওয়া বিভিন্ন সংবাদকর্মীরা। | 214 |
Available now! Telegram Research 2025 — the year's key insights 
