ch
Feedback
Nirjhor Archive

Nirjhor Archive

前往频道在 Telegram
2 119
订阅者
-124 小时
-57
-2230

数据加载中...

相似频道
无数据
有任何问题?请刷新页面或联系我们的客服
标签云
无数据
有任何问题?请刷新页面或联系我们的客服
进出提及
---
---
---
---
---
---
吸引订阅者
六月 '26
六月 '26
+4
在0个频道中
五月 '26
+5
在0个频道中
Get PRO
四月 '26
+1
在0个频道中
Get PRO
三月 '26
+8
在0个频道中
Get PRO
二月 '26
+22
在0个频道中
Get PRO
一月 '26
+21
在0个频道中
Get PRO
十二月 '25
+28
在0个频道中
Get PRO
十一月 '25
+22
在1个频道中
Get PRO
十月 '25
+52
在0个频道中
Get PRO
九月 '25
+13
在0个频道中
Get PRO
八月 '25
+231
在0个频道中
Get PRO
七月 '25
+79
在0个频道中
Get PRO
六月 '25
+207
在0个频道中
Get PRO
五月 '25
+1 962
在1个频道中
日期
订阅者增长
提及
频道
20 六月0
19 六月0
18 六月0
17 六月0
16 六月0
15 六月0
14 六月+1
13 六月0
12 六月0
11 六月+1
10 六月+1
09 六月0
08 六月+1
07 六月0
06 六月0
05 六月0
04 六月0
03 六月0
02 六月0
01 六月0
频道帖子
🔴 রেড এলার্ট এস আলমের ৫ লাখ টাকা বেতনের মিডিয়া এডভাইজার আলমগীর হোসেন আবার আওয়াজ দিচ্ছে। তার এক সময় এস আলমের বিভিন্ন ব্যাংকে
🔴 রেড এলার্ট এস আলমের ৫ লাখ টাকা বেতনের মিডিয়া এডভাইজার আলমগীর হোসেন আবার আওয়াজ দিচ্ছে। তার এক সময় এস আলমের বিভিন্ন ব্যাংকে অনেক একাউন্ট ছিল। তার বর্তয়ানের প্রতিষ্ঠান বার্তা২৪ এর ফান্ডও একই সোর্সের।

2
আপনারা কি কখনও ভাবছেন, বসুন্ধরা, ডিজিএফআই আর বোরহান কবির মিলে 'অদিতি করিম' ঘোষ্ট নামে লেখে কেন? কেন ওয়াহিদ মিল্টন নামে লেখে না?
38
3
এখন টিভির চার সাংবাদিক ফেসবুক এক্টিভিজমের জন্য যখন 'ওএসডি' হয় তখন, এশিয়া পোস্ট গুরুত্ব দিয়ে তাদের সংবাদ প্রকাশ করে। অথচ গতকাল নিউজপোর্টালটির সম্পাদকীয় থেকে লিখিতভাবে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ বা এক্টিভিজম না করার নির্দেশ দিয়েছে তাদের সংবাদকর্মীদের। এটা একদিক থেকে নিজেদেরই স্ববিরোধী অবস্থান। আবার গণমাধ্যমকর্মীদের বাকস্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ।
82
4
অ্যাটকোর মহাসচিব ও একুশে টিভির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম নিয়মিত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কথা বলেন। অথচ তার নিজ অফিসেই প্রতি মাসে বেতন দিতে দেরি করেন। নতুন করে একুশে টিভিতে বসার পর থেকে এটা নিয়মিত হতে হতে এখন সাধারণ সংবাদকর্মীরা বিপাকে। এখনও গত মাসের বেতন পায়নি কর্মীরা। এটা প্রতি মাসেই হচ্ছে। এদিকে অভিযোগ আছে, সালামের স্ত্রী ও রিহ্যাবের পরিচালক তাসনুভা মাহবুব সালাম একুশে টেলিভিশনের টাকা ইনভেস্ট করেন তার রিয়েল এস্টেট বিজনেসে। যার কারণে প্রভাব পড়ে টেলিভিশনের বেতনে। এদিকে টেলিভিশনের নির্বাহী সম্পাদক হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে একাধিক সংবাদকর্মী অভিযোগ তুলেছেন, তিনি তার নিজের প্রাপ্য বুঝে নিলেও, সংবাদকর্মীদের জন্য কোন কথা বলেন না। ফলে প্রতি মাসেই নানা রকম অর্থনৈতিক সংকটে পড়ছে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা।
108
5
এখানে একাধিক তথ্য বিভ্রান্তি বা গুজব ছড়ানো হয়েছে। স্টার নিউজ হল বহুল বিতর্কিত নাবিল গ্রুপের। যাদের বিরুদ্ধে সাড়ে ১৩ হাজার কোট
এখানে একাধিক তথ্য বিভ্রান্তি বা গুজব ছড়ানো হয়েছে। স্টার নিউজ হল বহুল বিতর্কিত নাবিল গ্রুপের। যাদের বিরুদ্ধে সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপির অভিযোগ রয়েছে। নাবিল গ্রুপকে বলা হয় দিলশানা পারুলদের জোটের টিভি। এটা গোপন কিছু না। এখন টিভির আগের নাম ছিল স্পাইস টেলিভিশন। সেখান থেকে সিটি গ্রুপ তা কিনে নিয়ে তূষার আব্দুল্লাহার অনুপ্রেরণায় নাম দেয় 'এখন' টেলিভিশন। সেখানকার চার সাংবাদিক 'ওএসডি' থাকলেও সংসদে এনসিপির একাধিক সাংসদ চাকুরিচ্যুত বলে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছিল সংসদে। তখনও সিটি গ্রুপের নাম এসেছে বিভিন্ন জায়গায়। এদিন মানে দৈনিক এদিনের মালিকানা নর্থসাউথ গ্রুপের। যারা খুব হম্বিতম্বি করে বাজারে আসলেও, পরে ফেইল খায়। একটা পোস্টে মানুষ তিনটা বিভ্রান্তিকর তথ্য ইচ্ছার বিরুদ্ধে ছড়াইছে কিনা জানি না। আর ইচ্ছার বিরুদ্ধে না হলে এটাকে সরাসরি গুজব বলা যায়। ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর এটা চেক করে ফেইক ইনফো মনে হলে , ফ্ল্যাগ দেয়া উচিৎ। কারণ উনি এভাবে এর আগেও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলার উষ্কানি দিয়েছিলেন।
139
6
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ সব সময় যে মতাদর্শের সমর্থন করে, তাকে সেরা এবং খাঁটি মনে করে। এজন্য কোনদিন কাউকে দেখবেন না বলবে, নিরপেক্ষ গণমাধ্যম চাইতে। তারা বিভিন্ন পন্থী বায়াজড গণমাধ্যম চাইবে। কারণ তারা ধরেই নেয়, তাদের পন্থা সরাসরি বেহেশত থেকে আসছে, এর কোন 'খুঁত' নেই। এই চাওয়া-পাওয়াটাই সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা। বাংলাদেশের নিরপেক্ষ গণমাধ্যম দরকার, কারো প্রতি বায়াজড না। বায়াজড গণমাধ্যম স্বাধীনতার পর থেকেই আছে, আরও দরকার হইলে জুলাইয়ের দরকার কি ছিল? আর এসব পন্থী পন্থী করা আরেক ধাপ্পাবাজি। ইউনুস সরকার যে গণমাধ্যম কমিশন করে গণমাধ্যমের আব্বাদের সাথে বসে বসে টাকা পয়সা খরচ করছে, সেটার জবাব না চাওয়াটাও ধাপ্পাবাজি। যেসব আচরণ এখন করতেছে এটাকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপের চেষ্টা বলে। হাসিনার আমলে এসবের বিরুদ্ধে এসব লোকজনই আমাদের সাথে একই সাথে এসবের বিরোধীতা করছে বাকস্বাধীনতার হস্তক্ষেপ বইলা। এছাড়াও এরা ইউনুস সরকারের গণমাধ্যম কমিশনের চরম ব্যার্থতা ঢাকতে চাচ্ছে, কারণ তথ্য উপদেষ্টারা তো আসমান থেকে পরছিলো না। তাদের দলীয় প্রধান যেগুলা দোকান খুলে দিছিলো , সব ফেইল খাইছে কেন তাও তো তারা অনুসন্ধান করে বের করতে পারে নাই এখনও। খালি ডলার ভাঙ্গাইয়া কচকচে টাকা থাকলেই হয় না, গণমাধ্যম দাঁড় করাইতে ঘিলুও লাগে। নিজেদের ঘিলুর ব্যর্থতা আওয়ামী লীগের মত অন্যের ঘারে চাপানোর অভ্যাস ১৭ বছরে হইছে আর কি। এখন যদি বলা হয় এসব অনুমোদন দেয়া গণমাধ্যম আওয়ামী লীগের তাহলে তাদের দলীয় প্রধানই দায়ী অনুমদন দেয়ার জন্য।
119
7
+3
没有文字...
125
8
সালমান এফ রহমানের পক্ষে বেঞ্চমার্ক পিআর বাংলাদেশ থেকে নিয়মিত মেইল-ম্যাসেজ পান সাংবাদিকরা। এখানে সংযুক্তগুলো ২০২৫ সালের। যেটা পাঠিছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ডিরেক্টর এ এফ এম আসাদুজ্জামান। ওনার আরেক পরিচয় হল, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় টপ সাতে ওনার নাম রয়েছে। আরও একটা পরিচয় আছে ওনার, বহু বছর ধরে ডিগবাজির পর ডিগবাজি দিয়ে চলা বিশিষ্ট টক-শোবীদ আশরাফ কায়সারের ভাই। আশরাফ কায়সার আবার বেঞ্চমার্কের সিইও। দুই ভাই মিলে সালমান এফ রহমানের জন্য কাজ শুরু করে ৯০ এর দশকেই। তখন থেকেই তারা সালমান এফ রহমানের সকল অপকর্মের সাথী। যেই প্রভুভিক্তি এখনও যায়নি। নিজেকে 'সিনিয়র সাংবাদিক' পরিচয় দেয়া আশরাফ কায়সারকে নিয়ে ৫ আগস্টের পর মুন্নী সাহারা ট্রল করে বলেছিলো, আমাদের পাশে নিয়ে কেক কাটা লোক আমাদের এখন দোসর বলছে। সাথে ছবিও দিয়েছিলো সম্ভবত। ৫ আগস্টের পর আশরাফ কায়সার যেমন সব দলের সাথে মিশে বিজ্ঞাপণের বাজার দখলে কাজ করে গেছে বেঞ্চমার্কের মাধ্যমে , পাশাপাশি তার ভাইকে দায়িত্ব দিয়েছেন সালমান এফ রহমানদের রক্ষায়। এখন রিকার্ভ চুরি থেকেও হয়তো আশরাফ কায়সার ভাইকে উদ্ধার করে ফেলবেন। কারণ তিনি জায়েদ খানকেও পল্টি মারায় হার মানানো লোক।
127
9
মেঘনা গ্রুপের গণমাধ্যমগুলো আসলে 'জমছে' না। বাজারে নতুন আসা তাদের দৈনিক আগামীর সময়ের অনলাইন ইনচার্জ আনিসুর বুলবুল রিজাইন দিয়েছেন। পত্রিকার 'কাজের ধরনের' সাথে 'খাপ' খাওয়াতে পারছিলেন না।
111
10
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গিয়েছিলেন ভোলাগঞ্জে সরকারি সফরে। কিন্তু তার সাথে সেখানে ছিলেন সাদা পাথর লুটের অভিযোগে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা শাহবুদ্দিন। এটা নিয়ে কালবেলা তাদের ওয়েবসাইটে নিউজ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও কন্টেন্ট প্রকাশ করে পরশু। তবে গতকাল চুপচাপে এগুলো কোন কারণ না দেখিয়ে সরিয়েন নেয় কালবেলা।
117
11
+2
没有文字...
117
12
"টিভি নেক্সট" নাকি "টিভি এনসিপি" আমরা বহু বছর ধরে গণমাধ্যমের লাইসেন্স দেয়া নিয়ে কথা বলেছি। সেই ১৯৯৭তে হাসিনার আমলে যে এর শুরু হয় এরপর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ধারাবাহিকতা ধরে রাখে। আর এই দলীয় লাইসেন্স দেয়াকে আর্টের পর্যায়ে নিয়ে যায় আওয়ামী লীগ সরকার। ৫ আগস্টের পর এসবের পরিবর্তন আসবে বলেই সবাই ধরে নিয়েছিলো, কিন্তু জুলাই-আগস্টকে সামনে রেখে গদিতে বসা ইউনুস সরকার কি তার ব্যাতিক্রম ছিল? অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের মধ্যে দুইটা টিভিও অনুমোদন পায়। যেখানে নাম আসে দুই এনসিপি নেতা দুই আরিফের। আবারও সেই পুরাতন বতোলে নতুন মদের মতই হাজির হয় রাজনৈতক লাইসেন্স। আমি তাই আগ্রহ নিয়ে টিভি নেক্সটের নথি-পত্র ঘাটতে শুরু করি। ৩৬ মিডিয়া লি. এর অধীনে এই টেলিভিশনের লাইসেন্স পেয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মো. আরিফুর রহমান তুহিন এমনটাই আসে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। আমিও সেটা মাথায় নিয়ে আগাতে থাকি। তাদের আবেদনজুড়ে ছিল মুক্তিযুদ্ধ আর জুলাই স্প্রিটকে ধারণ করে এগিয়ে যাওয়ার কথা মানে বলতে গেলে 'বিক্রি' আর কি। তবে আমি বারবার অবাক হইছি, অন্য জায়গায়। গণমাধ্যমে বারবার আরিফুর রহমান তুহিনের নাম আসলেও কাগজপত্র থেকে শুরু করে সবকিছু করেছেন এই টিভির অন্য ডিরেক্টর ও সম্প্রতি এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটিতে যুক্ত হওয়া আকরাম হুসাইন । আমি এখানে প্রথমেই অবাক হলাম, এর নাম কেন কোথাও আসে নাই। কেউ বলেও না যে এটার লাইসেন্স মূলত পেয়েছে আকরাম। এরপর দেখলাম তাদের আবেদনের সাথে জমা দেয়া, দশ শেয়ারহোল্ডারের নাম। সেখানেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শেয়ারের মালিক আকরাম হোসাইন। এমনকি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আবুল হাসানের এক লাখ শেয়ার থাকলেও ১৯৯৭ সালে জন্ম নেয়া আকরাম হোসাইনের রয়েছে এক লাখ ২০ হাজার শেয়ার। এরপর তৃতীয় স্থানে রয়েছে আরিফুর রহমান তুহিনের ১ লাখ ১০ হাজার শেয়ার। এছাড়াও এনসিপির আতাউল্লাহার রয়েছে ৩০ হাজার, সাইফুল্লাহ হায়দারের ২০ হাজার এবং বহুল বিতর্কিত এনসিপির সাংবাদিক নেতা জয়নাল আবেদীন শিশিরের রয়েছে ২০ হাজার শেয়ার। সে হিসাব এই টেলিভিশনের আসলে নাম হওয়া উচিৎ ছিল, টিভি এনসিপি। এই টিভির অনুমোদন নিয়ে একাধিক সংস্থার সাথে কথা বললে জানা যায়, এত বিগ বাজেটের প্রোপার উৎস দেখাতে পারে নাই গেন্ডারিয়ার ঠিকানায় আবেদন করা টেলিভিশনটি। তাহলে অনুমদন হল কিভাবে ? তখন জানা গেল, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের আগ্রহ এবং তথ্য সচিবের চাপেই সবকিছু ক্লিয়ারেন্স দিতে হয় সংস্থাগুলোকে। আরও জানা যায়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে অনুমদন পাওয়া বেশিরভাগ গণমাধ্যমই এমন আগ্রহ আর চাপে অনুমদন দিতে হয়েছে আগের সব সরকারগুলোর মতই। কাজেই এগুলোর আর্থিক খাত নিয়ে সঠিক তদন্ত করলে অনেক গণমাধ্যম আসলেই আটকে যাবে। এমনকি এই আমলেও টিভির লাইসেন্স আবেদন করাদের বেশিরভাগ তাদের ফান্ডের উৎস সঠিকভাবে বলতে পারছে না বা বলতে চাইছে না। শুধু এই কারণেই বিএনপি সরকার চাইলেও ইউনুস সরকারের আমলেও লাইসেন্স পাওয়াদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারবে না। আর এটাই হচ্ছে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ভবিষ্যত। সবাই গণমাধ্যম নিয়ে কথা বললেও ভেতরে ভেতরে.... টিকা: নথি-পত্র অনেক সংবেদনশীল তথ্য থাকায় তা শেয়ার করা হল না।
143
13
ইয়ার্কি পোস্টটা ৪/৫ মিনিটেই সরাইয়া নিছে। ৯০ এর গণআন্দোলন বাদ গেছে তার জন্য নাকি ৫ আগস্ট চলে আসছে তার জন্য ?
ইয়ার্কি পোস্টটা ৪/৫ মিনিটেই সরাইয়া নিছে। ৯০ এর গণআন্দোলন বাদ গেছে তার জন্য নাকি ৫ আগস্ট চলে আসছে তার জন্য ?
153
14
ঢাকায় কে কত ভালো সাংবাদিক তা দেখা হয় না। দেখা হয়, কে কত ক্ষমতাবান সাংবাদিক। এটাও তার সাংবাদিকতা দিয়ে ঠিক করা হয় না। এটা আগে ঠিক করা হইতো , আপার দাওয়াত কে কে পাইছে আর কে কত ছবি তুলতে পারছে। আর এখন ঠিক করা হয় ভাইয়ের দাওয়াতে কে কে খাইতে গেছিলো আর কত ক্লোজে ছবি তুলতে পারছে। মানে গোপাল ভাড়কে রাজা মাঝে মাঝে খাওয়ার মাধ্যমে যে বুদ্ধির ক্ষমতা পরখ করতো, ওমন। যে সাংবাদিক তারেক ভাইয়ার যত কাছে বসে খাইয়া ছবি ফেসবুকে দিতে পারছে সে তত বড় সাংবাদিক।
170
15
বসুন্ধরার ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ সম্পর্কে কিছু বিষয় ক্লিয়ার থাকা দরকার সবার। ৫ আগস্টের পর বসুন্ধরা কিছু ' বিএনপিপন্থী সাংবাদিক' এনে বসায় ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের বিভিন্ন পদে। এসব সাংবাদিকরা নিশ্চিত করেছিলো, বিএনপির সাথে একটা ভালো সম্পর্ক তারা করে দিবে এবং মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের হেল্পে গণমাধ্যমগুলো সচল রাখবে। ফলে এমআই কিছু জায়গায় হাত দেয় না। এর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ প্রতিদিনে নঈম নিজামের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ। বসুন্ধরার অন্য গণমাধ্যমের তুলনায় বাংলাদেশ প্রতিদিন তাই ঠিকঠাক ছিল। এমনকি এমআই এসেট বোরহান কবীরএর লেখা তার স্ত্রীর নামে চালানো সহ বিভিন্ন ইনফরমেশন ওয়ারফেয়ারেও কালেরকন্ঠের চেয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন সফল ছিল। যার ফলে গত দুই বছরে বাংলাদেশ প্রতিদিন ছাড়া বাকি সব গণমাধ্যমই তলানিতে যাইতে থাকে বসুন্ধরার । এর অন্যতম কারণ বিএবপিপন্থী যারা সাংবাদিক পরিচয় দিয়েছিলেন, তারা আসলে সাংবাদিকতা বা গণমাধ্যম পরিচালনায় ছিল 'অযোগ্য'। এছাড়াও এরা বসুন্ধরার বিভিন্ন গণমাধ্যমে থাকা আওয়ামীপন্থীদের কন্ট্রোলে আনতে না পারায়, বিশৃংখলা বাড়তেই থাকে। ফলাফল শুরু হয়ে অস্থিরতা। বসুন্ধরা এখন ধীরে ধীরে অনলাইনে হলেও, নঈম নিজামের হাতে নিয়ন্ত্রণ দিতে চাচ্ছে। যে কারণে ছাঁটাই, পরিবর্তন, আর্থিক তদন্ত শুরু হয়েছে ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের গণমাধ্যমগুলোতে। এসব ঘটনায় বড় বিপাকে পড়তে পারে বিএনপিপন্থী সাংবাদিকদের হাত ধরে গত দুই বছরে চাকরি পাওয়া বিভিন্ন সংবাদকর্মীরা।
189
16
কয়েক মাস আগে সময় টিভির এক মাসের বেতন নিয়ে সংকট তৈরি হইছিলো। সিটি গ্রুপ ও আহমেদ জোবায়রের মধ্যে সংকট বাড়ায় বেতন হচ্ছিলো না কর্মীদের। তখন আহমেদ জোবায়ের নতুন করে একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলে বেতন দেয়। যেটা সিটি গ্রুপ পজেটিভলি নিয়েছিলো না। পরে জালিয়াতির মাধ্যমে একাউন্ট খোলায় আহমেদ জোবায়ের ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করে সিটি গ্রুপ। অপরদিকে বিজ্ঞাপনের সাড়ে ৫ কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ এর অভিযোগে সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সময় টিভির পরিচালক মোহাম্মদ হাসানসহ ৫জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন আহমেদ জোবায়ের। মামলা-পরোয়ানার বাইরে চ্যানেলটির মালিকানার নিয়ন্ত্রণ নেয়া নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যেই চলছে 'স্নায়ুযুদ্ধ'। যার প্রভাব পড়তে পারে টেলিভিশনটির সাংবাদিক-কর্মচারীদের উপর।
183
17
নিউজে দেখলাম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম কেবল নিজ পরিবার ও ছেলেদের নামে নয়, লন্ডনপ্রবাসী ভাতিজি স্বর্ণর নামেও করেছেন একটি ইউনিয়ন। বগুড়ার মোকামতলা উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়ন ভেঙে বানিয়েছেন ‘স্বর্ণগ্রাম ইউনিয়ন’। তারেক রহমানের বর্তমান 'গিয়াস উদ্দিন আল মামুন' হিসেবে হাজির হওয়া শাহে আলম পিএমকে দেখলেই হয়তো বলে, "বাপ কা, দাদা কা, ভাই কা... সব কা নাম পে ইউনিয়ন দেগা রে তেরা এ শাহে আলম। "
197
18
গত এপ্রিল মাসে বগুড়ার এক পত্রিকায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলেরই আবেদন করা হয়। যদিও পত্রিকার প্রকাশক ছিল বিএনপিরই নেতা। আজকে আবার প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় আরেক পত্রিকার সম্পাদকসহ চার জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই শাহে আলমের জন্য একটা আলাদা আইন কেন করে দিচ্ছে না শেখ হাসিনার পরিবারের মত। আইনটা এমন হবে, শাহে আলমকে নিয়ে কোন সংবাদ তো দূরে থাক ফেসবুকেও কিছু লেখা যাবে না।
248
19
কমপক্ষে দুই জন পাঠক বিভ্রান্ত হইছে। আমারে লিংক পাঠাইছে। তাদের বলছি, ভাই আমি তাদের জন্য এক সময় লিখছি কিন্তু আমি কর্তৃপক্ষের কে
কমপক্ষে দুই জন পাঠক বিভ্রান্ত হইছে। আমারে লিংক পাঠাইছে। তাদের বলছি, ভাই আমি তাদের জন্য এক সময় লিখছি কিন্তু আমি কর্তৃপক্ষের কেউ না। কারণ এটার ভেতরে ক্লিক না করলে বোঝার উপায় নাই যে এটা একটা স্যাটায়ার । এখন এটাকে চটকদার ক্লিকবেট নিউজ বলেন অথবা ফেক বা বিভ্রান্তিকর ফেসবুক ফটোকার্ড যা বলেন তাই ঠিক হবে। কারণ কেবল সাইটে ঢুকলেই আপনি জানতে পারবেন যে এটা স্যাটায়ার।
15
20
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. জাহেদের সাথে যা ঘটছে, সেটা সম্পর্কে বোঝার জন্য জরুরি এটা জানা, দিল্লী হাইকমিশন আগে থেকে বিমানবন্দরে বা কর্তৃপক্ষকে জানাইছিলো কিনা তার আসার সম্পর্কে? দিল্লী হাইকমিশনের ভূমিকা কি ছিল এখানে?
297