es
Feedback
Nirjhor Archive

Nirjhor Archive

Ir al canal en Telegram

Strategic Communication Architect Open to all, but influenced by none. 27nirjhor@gmail.com

Mostrar más
2 346
Suscriptores
Sin datos24 horas
+207 días
+7130 días

Carga de datos en curso...

Canales Similares
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Nube de Etiquetas
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Menciones Entrantes y Salientes
---
---
---
---
---
---
Atraer Suscriptores
agosto '26
agosto '26
+100
en 0 canales
julio '26
+178
en 0 canales
Get PRO
junio '26
+7
en 0 canales
Get PRO
mayo '26
+5
en 0 canales
Get PRO
abril '26
+1
en 0 canales
Get PRO
marzo '26
+8
en 0 canales
Get PRO
febrero '26
+22
en 0 canales
Get PRO
enero '26
+21
en 0 canales
Get PRO
diciembre '25
+28
en 0 canales
Get PRO
noviembre '25
+22
en 1 canales
Get PRO
octubre '25
+52
en 0 canales
Get PRO
septiembre '25
+13
en 0 canales
Get PRO
agosto '25
+231
en 0 canales
Get PRO
julio '25
+79
en 0 canales
Get PRO
junio '25
+207
en 0 canales
Get PRO
mayo '25
+1 962
en 1 canales
Fecha
Crecimiento de Suscriptores
Menciones
Canales
30 agosto0
29 agosto0
28 agosto+2
27 agosto+1
26 agosto+8
25 agosto+8
24 agosto+5
23 agosto+3
22 agosto+9
21 agosto+1
20 agosto0
19 agosto+2
18 agosto+1
17 agosto+1
16 agosto+1
15 agosto+4
14 agosto+12
13 agosto+6
12 agosto+2
11 agosto+6
10 agosto+15
09 agosto+5
08 agosto+1
07 agosto+2
06 agosto+2
05 agosto+2
04 agosto0
03 agosto+1
02 agosto0
01 agosto0
Publicaciones del Canal
শাহে আলমের বিরুদ্ধে করা চ্যানেল ওয়ানের রিপোর্ট সাইবার এটাক করে নামানোর পর ফেসবুক থেকে ফিরিয়ে এনেছে টেলিভিশনটি। ইউটিউবেরটিও ফেরানোর চেষ্টা করছে। এই কাজের সাথে জড়িত থাকা সন্দেহ দুই জনকে শনাক্ত করা হয়েছে এখন পর্যন্ত। যারা বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে শাহে আলম বিরোধী কন্টেন্টে সাইবার এটাক চালায়। এই রিপোর্ট তৈরির আগে শাহে আলমের ইন্টারভিউ করতে গেলে রিপোর্টারকে রুমে ডেকে ভয়-ভীতিও দেখিয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী।

2
মীর শাহে আলমকে নিয়ে একটা রিপোর্ট প্রকাশ করছে চ্যানেল ওয়ান গতকাল। তো রাতে ঘুমাতে যাবার আগে চ্যানেল ওয়ানের একজনকে বললাম, সাইবার
মীর শাহে আলমকে নিয়ে একটা রিপোর্ট প্রকাশ করছে চ্যানেল ওয়ান গতকাল। তো রাতে ঘুমাতে যাবার আগে চ্যানেল ওয়ানের একজনকে বললাম, সাইবার এটাক হলে যেন জানায়। ঘুম থেকে উঠে দেখি, চ্যানেল ওয়ানের ফটোকার্ড পাঠাইছে। যেখানে লেখা, সাইবার এটাকের মাধ্যমে ফেসবুক-ইউটিউব থেকে নিউজ ডাউন করা হয়েছে।
114
3
পরিবারের সদস্যকে কোনদিন ফিরে না পাওয়ার বিষয়টা খুব অল্প হলেও আমি জানি। ১৯৭১ সালের সেই ভয়ংকর সময় আমার দাদি তার স্বামী আর সন্তানকে হারিয়েছিলেন। আমাদের নিজ ভিটা থেকে তাদের তুলে নিয়ে গিয়ে গুম করা হয়েছিলো। আমার পরিবার আজও জানেন না, তাদের কি হয়েছিলো। তাদের লাশও আমরা পাইনি। এই ঘটনার পর আমার দাদি ২০/২৫ বছর বেঁচে ছিলেন । মৃত্যুর দিন পর্যন্ত তার ধারণা ছিল , স্বামী না হলেও তার সন্তান হয়তো ফিরে আসবেন। আমার বাপকে আমি দেখেছি বহু বছর তিনি কাঁঠাল খাননি। তাদের দুই ভাইয়ের একসাথে পরের দিন কাঁঠাল খাবার কথা ছিল। জগা বাবুর পাঠশালা থেকে 'বিরাট পাস' দিয়ে আমার চাচা গ্রামে এসেছিলেন। সেসময় এমন সংখ্যা খুবই কম ছিল। আমাদের পরিবারের ধারণা, আমার চাচা হয়তো কোন একদিন ফিরে আসবেন। তার স্মরণে আমাদের দুই ভাইয়ের নামের মাঝে আলম রাখা হয়েছে। ১০/১৫ বছর আগে আমাদের গ্রামের রাস্তার নাম সরকারিভাবে তার নামে 'শহীদ আলমগীর সড়ক' করা হয়েছিলো। আজ ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস।
132
4
https://archive.ph/oK7YU
150
5
মিরাজ শেখের গুম নিয়ে আজকে একটা বক্তব্য দেখলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। এরপর প্রথম আলোতে বাংলা ভাইয়ের পুরাতন একটা ইন্টারভিউ আবার পড়লাম। ২/৩টা প্রশ্ন আর তার উত্তর ক্যাপশনে দিলাম আর পুরোটা কমেন্টসে। প্রথম আলো: সর্বহারা উচ্ছেদের যে কাজ আপনি করছেন, সে দায়িত্ব আপনাকে কে দিয়েছে? বাংলা ভাই : এই দায়িত্ব আমাকে কেউ দেয়নি। আমি নিজেই দায়িত্ব নিয়েছি। এই অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় আমার আত্মীয়স্বজন রয়েছে। তারা সর্বহারাদের হাতে সহায়-সম্পদ এবং আত্মীয়পরিজন হারিয়েছে। এই কারণে আমি মনে করেছি, এই এলাকা থেকে সর্বহারাদের উচ্ছেদ হওয়া দরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজে নেমে পড়েছি এবং সফল হয়েছি। প্রথম আলো : দেশে আইন-প্রশাসন থাকতে আপনি কেন সর্বহারা উচ্ছেদের দায়িত্ব নিলেন? আপনার এসব কর্মকাণ্ড আইন পরিপন্থী নয় কি? বাংলা ভাই : আপনি নিশ্চয়ই জানেন, বৃহত্তর রাজশাহীর বাগমারা, আত্রাই, রানীনগর, দুর্গাপুর ও পুঠিয়া এবং নাটোরের নলডাঙ্গা এলাকায় বাহ্যত কোনো আইন-প্রশাসনের অস্তিত্ব ছিল না। এখানে সর্বহারারা দিনের বেলায় মানুষ জবাই করেছে। স্বামীকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে। এই অবস্থায় কেউ যদি সর্বহারা নামধারী ডাকাত-সন্ত্রাসীদের উচ্ছেদ করে, সেটা কি আইনবিরোধী কাজ হতে পারে? আমরা তো আইনের পক্ষেই কাজ করছি। প্রশাসন আমাদের সহযোগিতা করে যাচ্ছে। প্রথম আলো : আপনি নাটোরের উপমন্ত্রী দুলু, রাজশাহীর এসপি মাসুদ মিয়াসহ এই অঞ্চলের বড় বড় নেতা এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেছেন? কী কথা হয়েছে তাদের সঙ্গে?তারা কীভাবে আপনাকে সাহায্য করছেন? বাংলা ভাই : এদের সঙ্গে আমার সরাসরি সাক্ষাত্ হয়েছে। তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগও রয়েছে। তারা আমাদের কাজে খুশি।
140
6
Sin texto...
114
7
আমরা টক শো রিপোর্ট প্রকাশের কারণে রিলেটেড অনেক কিছুই নজরে রাখার ট্রাই করি। প্রকাশ না করলেও ইন্টারনালি অবজারভ করি। ডাটাবেজ করে রাখি। সেই জায়গা থেকে সরকার দলীয় বিএনপিপন্থী টক শো বিদদের দেখলাম, নতুন নতুন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে ন্যারেটিভ কেমন হওয়া উচিৎ তা তৈরি করতে না পারার জন্য কান্নাকাটি করতেছে। টেলিভিশনে লাস্ট কয়েকদিন ধরে টানা নিজেদের কথায় নিজেরাই ফেসে কান্নাকাটি করতেছে। টক শোবিদ ছাড়াও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় পদধারীরাও এসব গ্রুপে আছে। বিএনপি চাইলে আমরা ন্যারেটিভ বিল্ডিং এর উপর তাদের পেইড ট্রেনিং করাইতে পারি। 😎😎😎
113
8
মিরাজ শেখের গুমের ঘটনায় কোস্টগার্ডের বিষয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বলেন, কোস্টগার্ড বা নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ শোনা যায় না সাধারণত। মূলত শুনতে দেয়া হয় না। এবারই প্রথম আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলে এটা ঘটলো তা না। উপকূলের ঘটনা খুব কমই মূল ভূমিতে আসলে পৌঁছায় বা জানতে দেয়া হয়। জলদস্যু দমনের নামে এরা যে বছরের পর বছর ধরে কি করে আসছে, তা অনেকেই জানে না বা জানতে দেয়া হয় না। ২০১৯ সালে কোস্ট গার্ডের অ্যান্টি-ড্রাগ অভিযানে একজন নিহত হওয়ার ঘটনা মানবাধিকার নথিতে আসে। বাহিনীর দাবি ছিল, অভিযানের সময় আত্মরক্ষার ঘটনায় ওই মৃত্যু ঘটে। যেটা ছিল মূলত একতা বিচারবহির্ভূত হত্যা। তার আগে ২০১৪ সালের নারায়ণগঞ্জের সাত খুনে র‍্যাব-১১ এর নৌবাহিনী থেকে প্রেষণে থাকা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম এম রানা জড়িত ছিলেন। নজরুল ইসলাম, চন্দন সরকারসহ সাত জনকে অপহরণ, হত্যা ও লাশ গুমের ঘটনায় পরে রানাসহ সংশ্লিষ্টদের বিচার হয় এবং রানাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ২০০৮ সালে কোস্ট গার্ড, বিডিআর ও অন্যান্য ইউনিটের উপকূলীয় অভিযানে কথিত ‘ক্রসফায়ার’ এ ছয়জন নিহত হওয়ার তথ্য মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উঠে আসে। যা তখন ফেসবুক না থাকায় ওত বেশি আলচনায় এসেছিলো না। ২০০৭ সালে ভোলার চরফ্যাশনে নৌবাহিনীর হেফাজতে মো. দুলাল নামে এক ব্যক্তিকে নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ ছিল খুবই আলোচিত ঘটনা। এ ঘটনাকে মানবাধিকার নথিতে 'কাস্টডিয়াল ডেথ' হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২০০২–২০০৩ সালের বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত অপারেশন ক্লিন হার্টে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিডিআর ও নৌবাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় নির্যাতন ও কাস্টডিতে মৃত্যুর অভিযোগে ৪৪ থেকে ৫০ এর বেশি মৃত্যুর তথ্য বিভিন্ন মানবাধিকার প্রতিবেদনে উঠে আসে। ২০০৩ সালে অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যদের দায়মুক্তি দিতে ইনডেমনিটি আইন করা হয়। এসময়ও উপকূলীয় এলাকায় নৌ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছিলো। এসব ঘটনার বাইরে বিভিন্ন গুম ও গোপন আটককেন্দ্র পরিচালনার অভিযোগও পাওয়া যায় এদের বিরুদ্ধে।
124
9
রঙ্গপুর বার্ত্তাবহ: বাংলাদেশ ভূখন্ডের প্রথম গণমাধ্যম | Nirjhor Archive প্রথম গণমাধ্যমের মালিকানার ধরণ এখনও চলমান। সংবাদ নিয়ন্
রঙ্গপুর বার্ত্তাবহ: বাংলাদেশ ভূখন্ডের প্রথম গণমাধ্যম | Nirjhor Archive প্রথম গণমাধ্যমের মালিকানার ধরণ এখনও চলমান। সংবাদ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিও। কেন্দ্রের বাইরে হলেও, ওনারশিপ বায়াজনেস ছিল।
125
10
পাঠকদের পাশপাশি কয়টা টাকার জন্য পকেটমারদের সাথেও প্রতারণা করতেছে জাগো নিউজ। জনগণের পকেট মেরে চলা অনেক রাজনীতিবীদ জানাইছে এটা
পাঠকদের পাশপাশি কয়টা টাকার জন্য পকেটমারদের সাথেও প্রতারণা করতেছে জাগো নিউজ। জনগণের পকেট মেরে চলা অনেক রাজনীতিবীদ জানাইছে এটা একটা রম্যগল্প। কিন্তু লিংকে 'টিপ' দেয়ার আগে বোঝেন নাই। অনেকেই ভাবছেন, পোর্টালের অবস্থা খারাপ যাওয়ায় সম্পাদক সাহেব কোর্স চালু করেছেন।
163
11
ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের শুরুতে সংবাদপত্রকে শুধু খবরের কাগজ হিসেবেই দেখা হতো। কিন্তু ধীরে ধীরে ব্রিটিশ সরকার বুঝতে শুরু করে, সংবাদপত্র মানুষের চিন্তা ও জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তা করছে। কোনো পত্রিকায় যদি সরকারের অন্যায়, দুর্নীতি, যুদ্ধের খবর বা ব্রিটিশদের নীতির সমালোচনা প্রকাশিত হয়, তাহলে তা অনেক মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করতে পারে। তাই ১৭৯৯ সাল থেকে ব্রিটিশরা সংবাদপত্রের ওপর নানা ধরনের নিয়ন্ত্রণ শুরু করে। প্রথমে তারা নজরদারি ও অনুমতির ব্যবস্থা করল, পরে লাইসেন্সিং কঠোর করল। অর্থাৎ সরকার শুধু জানতে চাইছিল না, "কী লেখা হচ্ছে" তারা এটাও ঠিক করতে চাইছিল, "কে লিখবে, কে ছাপবে এবং কে পত্রিকা প্রকাশ করতে পারবে" ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের সময় এই ভয় আরও বেড়ে যায় ব্রিটিশদের। ব্রিটিশরা বুঝতে পারে, খবর ও রাজনৈতিক লেখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে মানুষের মধ্যে বিদ্রোহ বা সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে। তাই সংবাদপত্রের ওপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। এরপর ব্রিটিশ সরকার সংবাদপত্রকে আরও ভালোভাবে নজরদারির মধ্যে আনার চেষ্টা করে। ১৮৬৭ সালে রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে কোন পত্রিকা কে প্রকাশ করছে, কে ছাপছে এবং কোথা থেকে প্রকাশিত হচ্ছে এসব তথ্য সরকারি নথিতে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে কোনো পত্রিকা সরকারের সমালোচনা করলে তার প্রকাশক বা মুদ্রাকরকে সহজেই শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হতো। কিন্তু ১৮৭০ এর দশকে পরিস্থিতি আরও বদলে যায়। ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে বহু মানুষ মারা যাচ্ছিল, সাধারণ মানুষের দুর্দশা নিয়ে সংবাদপত্রে লেখালেখি হচ্ছিল, ব্রিটিশ প্রশাসনের সমালোচনা বাড়ছিল এবং ব্রিটিশদের যুদ্ধ ও শাসননীতি নিয়েও প্রশ্ন উঠছিল। বিশেষ করে ভারতীয় ভাষার সংবাদপত্রগুলো এসব খবর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছিল। ব্রিটিশ সরকারের ভয় ছিল, এই পত্রিকাগুলো যদি মানুষের ক্ষোভকে এক জায়গায় নিয়ে আসে, তাহলে তা শুধু সরকারের সমালোচনা থাকবে না, বরং রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নিতে পারে। এই ভয় থেকেই ১৮৭৮ সালে ব্রিটিশরা আনে ভার্নাকুলার প্রেস অ্যাক্ট বা দেশীয় ভাষার সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণ আইন । এখানে ভার্নাকুলার বলতে ভারতীয় বা স্থানীয় ভাষাগুলোকে বোঝানো হয়েছিল। অর্থাৎ বাংলা, হিন্দি, উর্দু, মারাঠিসহ বিভিন্ন ভারতীয় ভাষার সংবাদপত্রকে বিশেষভাবে নিয়ন্ত্রণ করা শুরু হলো। সরকারের বিরুদ্ধে একবার লেখা প্রকাশ করলে পত্রিকাকে জামানত দিতে বাধ্য করা হতো, পরেরবার সেই জামানত বাজেয়াপ্ত করা, এমনকি প্রয়োজন হলে ছাপাখানা বন্ধ বা বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাও সরকার পায়। তবে ইংরেজি সংবাদপত্র এই আইনের আওতায় ছিল না, এটাই আইনটির বৈষম্যমূলক চরিত্রকে সবচেয়ে স্পষ্ট করে। তবে ব্রিটিশরা সংবাদপত্রের মুখ বন্ধ করতে চাইলেও পুরোপুরি সফল হয়নি। অনেক সম্পাদক ও সংবাদপত্র নতুন পথ খুঁজে নিয়েছিলো। কেউ ভাষা বদলে ইংরেজিতে প্রকাশ শুরু করে, কেউ আরও সংগঠিতভাবে প্রতিবাদ করে।
167
12
🟠 গ্লোবাল টিভি গ্লোবাল টেলিভিশনের সিএনই ফেরদৌস মামুনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, তিনি একই সঙ্গে হেড অব নিউজ, সিএনই ও অ্যাসাইনমেন্ট এডিটরের 'চেয়ার' নিয়ন্ত্রণ করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির পাশে বাড়ি এবং বিএনপি সরকারের প্রেস উইংয়ের সঙ্গে 'ঘনিষ্ঠ' যোগাযোগের কথা বলে ভয় দেখিয়ে তিনি প্রথমে হেড অব নিউজের দায়িত্ব 'দখল' করেন এবং পরে অ্যাসাইনমেন্ট এডিটরেরর পদও নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে প্রতিনিধি নিয়োগে অর্থ লেনদেন, সংবাদ প্রচারে অর্থ নেওয়া, দুর্নীতি এবং সংবাদ বিভাগে একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অভিযোগ রয়েছে। তার কারণে সংবাদ বিভাগে স্থায়ী সম্পাদকীয় নেতৃত্ব গড়ে উঠছে না এবং টেলিভিশনে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগকারীর দাবি। এছাড়াও নিউজরুমে অপেশাদার আচরণ ও নতুন যুগের সাথে নিউজকে 'খাপ' খাওয়াতে না পারারও অভিযোগ তোলা হয়েছে। শুধু মাত্র বিএনপির প্রভাবে তিনি পুরো টেলিভিশন দখল করে আছে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি হয়ে দাড়িয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কেউ গণমাধ্যমে বসলে সেটা হয় 'এডিটোরিয়াল ক্যাপচার'
39
13
🔴নয়া দিগন্ত নয়া দিগন্ত নিয়ে আগের পোস্টের পর আরও লিখিত অভিযোগ আসছে। সেখানে বলা হয়েছে নয়া দিগন্তে বেতন বকেয়ার সংকট শুধু ডিজিটা
🔴নয়া দিগন্ত নয়া দিগন্ত নিয়ে আগের পোস্টের পর আরও লিখিত অভিযোগ আসছে। সেখানে বলা হয়েছে নয়া দিগন্তে বেতন বকেয়ার সংকট শুধু ডিজিটাল বিভাগে নয়, বিভিন্ন বিভাগে বিদ্যমান। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অনেক কর্মীর ৫-৬ মাসের বেতন বকেয়া এবং পুরোনো কর্মীদের কারও কারও ২০ মাসেরও বেশি বেতন পাওনা রয়েছে। বেতন দিতে না পারলেও উচ্চ বেতনে নতুন নিয়োগ অব্যাহত রয়েছে, ফলে অতিরিক্ত জনবল ও ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে অফিস সংস্কার, অপরিকল্পিত ব্যয়, বেতন বৈষম্য, মার্কেটিং আয়ের হিসাবের স্বচ্ছতার অভাব এবং নিয়মিত অডিট না করার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীর মতে, অতিরিক্ত নিয়োগ ও দুর্বল আর্থিক ব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে। মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী। অভিযোগকারীর দাবি, কাগজে-কলমে মালিকানা থাকলেও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ কয়েকজন নির্বাহী কর্মকর্তার হাতে কেন্দ্রীভূত এবং মালিকপক্ষের কার্যকর ভূমিকা সীমিত।
198
14
চাদাবাজির ও বিশৃংখলার অভিযোগে বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে বের করে দেয়া হয় কাদের গণি চৌধুরীকে। এরপর তাকে কোলে তুলে নেয় বসুন্ধরা। বসুন্ধরাকে সে তারেক রহমানের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেয়ার কথা বলে , ব্যাপক টাকা-পয়সা মাইরা ফেইল খাইলে সেখান থেকে বের করে দেয়া হয়। সেই কাদের গণি হইছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার প্রধান। যাস্ট এইটুকুই। তবে লোকটা লাস্ট কয়েক মাস ধরে যে পরিমাণ চাটাচাটি করছে, সেই তুলনায় পদ ছোট হইয়া গেছে। :3
193
15
সময় টিভির কর্মীদের জন্য একটা খারাপ সংবাদ আসতে পারে। তাদের সহযোদ্ধা আফজালের মধ্যস্ততায় সাংবাদিকতার আরেক বোঝা হিসেবে পরিচিত একটা নিউজ চ্যানেলের বিতর্কিত প্রধান আসতে পারেন 'সিওও' হিসেবে। তার মানে হেড অব নিউজ ও সিইও এর পাশাপাশি আরও এক পিস ঢাকার সাংবাদিকতার 'বোঝা' অফিসে আনার ট্রাই করতেছে সময় টিভির 'সর্বমিত্র' হিসেবে পরিচিত আফজাল। যার উপহার অগ্রিম সে বাগাইয়া নিছে। 😉 এদিকে যেই চ্যানেলের হেড অব নিউজের কথা বলা হচ্ছে , তিনি গত এক সপ্তাহ ধরে তার 'কফিলের' সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যেন তার পরিণতি 'কাদের গণি চৌধুরীর' মত না হয়। মানে হুট করে 'কিক' না খাওয়া লাগে।
203
16
Create post Nirjhor Archive সময় টিভির কর্মীদের জন্য একটা খারাপ সংবাদ আসতে পারে। তাদের সহযোদ্ধা আফজালের মধ্যস্ততায় সাংবাদিকতার আরেক বোঝা হিসেবে পরিচিত একটা নিউজ চ্যানেলের বিতর্কিত প্রধান আসতে পারেন 'সিওও' হিসেবে। তার মানে হেড অব নিউজ ও সিইও এর পাশাপাশি আরও এক পিস ঢাকার সাংবাদিকতার 'বোঝা' অফিসে আনার ট্রাই করতেছে সময় টিভির 'সর্বমিত্র' হিসেবে পরিচিত আফজাল। যার উপহার অগ্রিম সে বাগাইয়া নিছে। ;) এদিকে যেই চ্যানেলের হেড অব নিউজের কথা বলা হচ্ছে , তিনি গত এক সপ্তাহ ধরে তার 'কফিলের' সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যেন তার পরিণতি 'কাদের গণি চৌধুরীর' মত না হয়। মানে হুট করে 'কিক' না খাওয়া লাগে। copy
1
17
🟠নয়া দিগন্ত দৈনিক নয়াদিগন্তের ডিজিটাল বিভাগের সাংবাদিকদের ২ থেকে ৪ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে বলে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি গত মাস এবং চলতি মাসের বেতন এখনও কর্তৃপক্ষ পরিশোধ করেনি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বেতন চাইতে গেলে কতৃপক্ষ বলছে, আয় নেই। অপেক্ষা করেন। কতৃপক্ষের কাছে বারবার ধরণা দিয়েও কোন সুরাহা না পেয়ে বিপর্যস্ত সাংবাদিকরা বলে জানিয়েছে। পত্রিকাটির পক্ষ থেকে নাকি বলা হয়েছে, "নিজেদের ইনকাম দিয়ে নিজেরা চলেন।" পত্রিকাটি দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশন এর অধীনে পরিচালিত হয়। দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশন এর প্রধান উদ্যোক্তা ও চেয়ারম্যান ছিলেন জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলী।
193
18
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯তমবারের মতো পিছিয়েছে।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯তমবারের মতো পিছিয়েছে।
189
19
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তারেক রহমানের সাথে খাতির করাইয়া দিবে বলে অলিগার্ক মেঘনাকে বুঝাইয়া একাত্তর টিভির গদি দখল করেছিলো শফিক আহমেদ। এরপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয় নাই। কাদের গণির সাথে মিলে গড়ে তোলে এক বিশাল সিন্ডিকেট। যাদের কাজ ছিল ধান্দা আর লুটপাট। এই সিন্ডিকেটে আছে আরও কিছু 'বিএনপিপন্থী' সাংবাদিক। এমনও মাসও গেছে শফিকের ব্যাংক একাউন্টে বেতনের চেয়ে ৩০ গুণ বেশিও টাকা ঢুকেছে। আমরা সেই প্রমাণও পেয়েছি। নিজেকে তারেক রহমানের কাছের লোক এবং 'আসল' বিএনপি পরিচয় দিয়েই এসব করে বেড়াইছে। আজকে দেখা গেছে , নিজেদের লোকজনের সাথেও 'প্রতারণা' করেছে শফিক। তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে যে, ঢাকা ওয়াসায় বিএফইউজের প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ নেওয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতি বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ব্যবহার করেছে। ঢাকা ওয়াসায় বিএফইউজের প্রতিনিধি সাধারণত সংগঠনের নির্বাচিত নির্বাহী কমিটির মাধ্যমে মনোনীত হয়ে থাকেন। বর্তমানে বিএফইউজের ১৯ সদস্যের নির্বাচিত নির্বাহী কমিটি থাকলেও শফিকুল ইসলামের নিয়োগের বিষয়ে সভাপতি, মহাসচিবসহ নির্বাহী কমিটির সংশ্লিষ্ট কেউ অবগত ছিলেন না। বিএফইউজে মনে করছে, নির্বাহী কমিটির অনুমোদন বা মনোনয়ন ছাড়া সংগঠনের নামে ওই নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকতে পারে এবং এর মাধ্যমে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেছেন। একটা লোক টানা দুই বছরে ধরে 'বিএনপির সাংবাদিক' পরিচয় দিয়ে আর কত প্রতারণা করলে বিএনপির আসলে তাকে অপরাধী মনে হবে? নাকি বিএনপি নেতাদের ভিডিও আছে শফিকের কাছে?
190
20
Sin texto...
150