Nirjhor Archive
رفتن به کانال در Telegram
Strategic Communication Architect Open to all, but influenced by none. 27nirjhor@gmail.com
نمایش بیشتر2 343
مشترکین
+824 ساعت
+217 روز
+7330 روز
در حال بارگیری داده...
کانالهای مشابه
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
اوت '26
اوت '26
+94
در 0 کانالها
ژوئیه '26
+178
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '26
+7
در 0 کانالها
Get PRO
مه '26
+5
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '26
+1
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '26
+8
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '26
+22
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '26
+21
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '25
+28
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '25
+22
در 1 کانالها
Get PRO
اکتبر '25
+52
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '25
+13
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '25
+231
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '25
+79
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '25
+207
در 0 کانالها
Get PRO
مه '25
+1 962
در 1 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 26 اوت | +5 | |||
| 25 اوت | +8 | |||
| 24 اوت | +5 | |||
| 23 اوت | +3 | |||
| 22 اوت | +9 | |||
| 21 اوت | +1 | |||
| 20 اوت | 0 | |||
| 19 اوت | +2 | |||
| 18 اوت | +1 | |||
| 17 اوت | +1 | |||
| 16 اوت | +1 | |||
| 15 اوت | +4 | |||
| 14 اوت | +12 | |||
| 13 اوت | +6 | |||
| 12 اوت | +2 | |||
| 11 اوت | +6 | |||
| 10 اوت | +15 | |||
| 09 اوت | +5 | |||
| 08 اوت | +1 | |||
| 07 اوت | +2 | |||
| 06 اوت | +2 | |||
| 05 اوت | +2 | |||
| 04 اوت | 0 | |||
| 03 اوت | +1 | |||
| 02 اوت | 0 | |||
| 01 اوت | 0 |
پستهای کانال
উত্তরায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে গ্রীন টিভির তিন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আজমপুর বটতলা অবৈধ নির্মাণসংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে কাজী আরিফ হাসান ও আজমীর হোসেন অমিতসহ কয়েকজন তাদের ওপর চড়াও হন। এ সময় সংবাদকর্মীদের মারধর করা হয় এবং তাদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। একপর্যায়ে তাদের ক্যামেরা ভাঙচুরও করা হয়। পুলিশ এসে উদ্ধার করলেও, এখন উত্তরা পূর্ব থানা মামলা নিতে টালবাহানা করছে।
| 2 | 🔴
এই ফেসবুক ফটোকার্ড ও শিরোনামের মাধ্যমে প্রাণ-আরএফএল এর জাগো নিউজ প্রভাকে সাইবার হেনস্থা করতেছে। পাঠককে বিভ্রান্ত তো করছেই। ফটোকার্ড দেখে মনে হবে , চুক্তিভিত্তিক বিয়ে আসলেই করেছে। শিরোনাম দেখে মনে হবে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আর ভেতরে ইন্ট্রোতে অন্য আলাপ। | 91 |
| 3 | একটা সময় ভালো সাংবাদিকতা মানে ছিল একটা ভালো রিপোর্ট। এখন ভালো রিপোর্ট মানে মিলিয়ন ভিউ। এটাই ভালো (ভাইরাল) সাংবাদিকতা।
ভালো রিপোর্টের পুরস্কার জিততে হলে সাংবাদিককে ভালো রিপোর্টের চেয়ে কিভাবে মিলিয়ন ভিউ আসবে সেদিকেই খেয়াল রাখতে হয়। দুর্মূল্যের বাজারে ভালো রিপোর্ট লিখে পেট চালানো যাবে না, এটা আপনারাও যত দ্রুত বুঝবেন, তত যলদি সবই 'ভালো' লাগবে।
আপনারা দেশ রুপান্তরের ভিউ বেশি পাওয়া রিপোর্ট নিয়ে হাসতেছেন, প্রায় সব অফিসে এখন ভিউই ভালো রিপোর্ট। কাজেই রিয়ালিটি মাইনা লওন ছাড়া কিচ্ছু করনের নাই বাজান। | 102 |
| 4 | একটা বিষয়ও আবারও ক্লিয়ার করি, নির্ঝর আর্কাইভ পেইজের অনেক এডমিন থাকলেও মূল যে তার নাম মুনওয়ার আলম নির্ঝর। জাওয়াদ নির্ঝর না। আপনারা অনেক সময়ই এটা ওলট-পালট করে ফেলেন। জাওয়াদ নির্ঝর ভাই এবং আমি মুনওয়ার আলম নির্ঝর এক যুগের বেশি সময়ের কলিগ। আমাদের দুই জনেরই টেলিভিশনে স্পোর্টস রিপোর্টিংয়ের একটা ক্যারিয়ার আছে, স্পেশালি ক্রিকেট বিটের। এছাড়াও করাপশন ইন মিডিয়ার সাথে একদম শুরু থেকে কাজ করার অভিজ্ঞতাও আমার আছে। কাজেই প্ল্যাটফরম গুলিয়ে ফেললে ঝামেলা হয়ে যায়।
অনেকেই আমার মেইমে জাওয়াদ ভাইয়ের কাছে অভিযোগ পাঠান যেটা আমি চেষ্টা করে তাকে পৌছে দিতে। কিন্তু হুমকি-ধামকি বা গালাগালি করার সময় আপনারা একটু সতর্ক হয়ে তারপর করবেন। একজন আজকে আমাকেই (জাওয়াদ ভাই ভেবে) বলছিলো , কিভাবে শায়েস্তা করা হবে সেই বিষয়ে। মামলা হবে, তুলে নেয়া হবে, এখানে মেইল করা হবে, ওখানে প্রেমপত্র, ঢিচকাউ ঢিচকাউ। আমি লজ্জায় তারে বলতে পারি নাই, ভাই আমি জাওয়াদ নির্ঝর না আমিই মুনওয়ার আলম নির্ঝর।
আশা করি এই পোস্ট দেখে তার ভুল-ভ্রান্তি ভাংবে। উনি মনে মনে হয়তো আজ রাতে ঘুমানোর সময় বলবেন, নাম দেখে আগেই কেউ করিস নে ভেউ, আড়ালে তার হতে পারে অন্য কেউ। | 136 |
| 5 | মেঘনা গ্রুপের অর্থায়নে শুরু হওয়া নাগরিক প্রতিদিনের 'ফান্ড' নিয়ে ঝামেলা শুরু করেছে শিল্প গ্রুপটি। ফলে বেতন নিয়ে নতুন করে সংকট শুরু হয়েছে। গত মাসের বেতন এখনও পরিশোধ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। এরইমধ্যে একজন রিপোর্টার বেতন বুঝে না পেয়ে তার কাছে থাকা প্রতিষ্ঠানের ডিভাইস ফেরত দেননি। বেতন বুঝিয়ে না দিয়ে এগুলো ফেরত নিতে অফিসের পক্ষ থেকে হুমকি দেয়ার অভিযোগে আজকে পত্রিকাটির বিরুদ্ধে জিডি করেছেন ঐ রিপোর্টার।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন অনিয়মে অভিযুক্ত মেঘনা গ্রুপ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে 'অপরিকল্পিত' ভাবে ইনভেস্ট করে এখন আস্তে আস্তে বন্ধ করে সংকট তৈরি করছে। | 148 |
| 6 | স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদের বিরুদ্ধে লেখা একটি 'মন্তব্য প্রতিবেদন' প্রকাশ করেছিল শফিকুল আলম সম্পাদিত ইংরেজি সংবাদপত্র দ্য ডেইলি ওয়াদা। এরপর সেই লেখাটি তাদের সাইট থেকে সরিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠে সোশ্যাল মিডিয়াতে। যা নিয়ে আলচনা-সমালোচনা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জুড়ে। এ প্রসঙ্গে জানতে পত্রিকাটির সম্পাদক শফিকুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে কল বা ম্যাসেজের তিনি কোন জবাব দেননি।
লেখাটি সরাতে কোন হুমকি দেয়া হয়েছিলো কিনা জানতে যোগাযোগ করা হলে সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, পত্রিকার মালিকানা প্রতিষ্ঠান এমজিএইচ গ্রুপের সাথে যোগাযোগ করেছে তারা। কিন্তু কোন ভয়-ভীতি তারা দেখাননি লেখা সরানোর জন্য। বরং তারা জানতে চেয়েছেন, এমন 'AI জেনারেটেড' ইস্যু নিয়ে একটি লেখা প্রকাশের আগে তারা ক্রসচেক করেছেন কিনা? যার উত্তর দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। এরপর দেখতে পান, লেখাটি সাইটে নেই। কিন্তু ইব্রাহিমের কমিউনিকেশন টিমের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে, লেখাটি রাখা বা না রাখা নিয়ে কোন কথাই বলা হয়নি।
এমজিএইচ গ্রুপের একটি সূত্রে এই আলাপের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেলেও কি আলাপ হয়েছে তা জানা যায়নি। এমজিএইচ গ্রুপের মালিকানায় রয়েছে 'আলোচিত' ব্যবসায়ি আনিস আহমেদ গোর্কি । | 170 |
| 7 | ইন্টেলিজেন্স ফেইলর কোর্স ছিল একটা আমার। সেখানে এই দেশের টপ থ্রি ফেইলরের মধ্যে দুইটা ছিল মো*সা*দ রিলেটেড। একটা এক প্যালিস্টানি টিচারকে প্রকাশ্যে গু*লি করা হ*ত্যা আরকটা প্যালিস্টানিকে কি*ড*ন্যা*প। আরেকটা কেস খুব বিখ্যাত আপনারা জানেন, কিম জং উনের ভাইকে এয়ারপোর্টে এসাসিনেট করা।
এদেশে প্রচুর আরব পড়তে আসে। প্যালিস্টিনিরাও আসে। তাই এখানে প্রায়ই মো*সা*দ নানান অপারেশন চালায় বা চালানোর ট্রাই করে। এই ইন্টেলিজেন্স তাদের স্বার্থ ছাড়া আমেরিকার জন্যও কিছু করে না।
এটা বললাম, এই কারণে যে আপনারা কথায় কথায় এরে ওরে রয়ের এজেন্ট, মোসাদের এজেন্ট ট্যাগ দিয়েন। মানে এজেন্ট ডিটেক্ট করা এতই সহজ! কিছু মানুষ হয়তো থার্ড পার্টি/ফোর্থ পার্টিকে তথ্য দেয় বাট তাকে এজেন্ট বলে না। আর সবচেয়ে বড় কথা হল, ইদানিং নতুন মো*সা*দ এজেন্টের ট্যাগ দেয়া শুরু হইছে যেটা আরও হাস্যকর। খুব ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলে, আপনিও বুঝবেন এমন আত্মকেন্দ্রিক এজেন্সির বাংলাদেশে কি স্বার্থ? এক পয়সা ঢাইলাও লাভ নাই এখানে। আবেগ দিয়ে ট্যাগ দেয়া যায়, আবেগ দিয়ে এজেন্সি চলে না। আর মনে রাইখেন , আমি/আপনি যদি ইজিলি ধরেই ফেলতে পারি এ অমুক এজেন্সির এজেন্ট তাহলে সে আর এজেন্ট থাকে না। 😉 | 186 |
| 8 | মঞ্জুর হত্যা মামলা ও ভারতের মধ্যস্ততা
[বাংলাদেশের সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকারভিত্তিক ধারাবাহিক লেখা]
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক সেনা অভ্যুত্থানে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। তখন চট্টগ্রামে অবস্থিত সেনাবাহিনীর ২৪তম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার স্টাফ (জিওসি) ছিলেন মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর। জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর আত্মগোপনে যাওয়ার পথে তাঁকে পুলিশ আটক করে। এরপর ২ জুন মেজর জেনারেল মঞ্জুরকে হাটহাজারী থানার পুলিশ হেফাজত থেকে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার ১৪ বছর পর ১৯৯৫ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুরের ভাই আইনজীবী আবুল মনসুর আহমেদ চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন।
যেই মামলা খুব বেশি দূর আগাতে পারছিলো না। এরপর যে ঘটনা বলছি, সেটা ১৯৯৮ সালের আগস্ট মাসের এক রাতের। বাইরে তখন বৃষ্টি হচ্ছে গুড়িগুড়ি। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা (ধরি তার ছদ্মনাম ইসহাক) দুপুর থেকে অপেক্ষা করছেন ধানমন্ডি-৫ এর একজন ভারতীয় দূতাবাস কর্মকর্তার বাসার সামনে। যিনি তখন ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। নাম তার রাজেশ মিশ্র, ফাস্ট সেক্রেটারি। তার বস তখন বিষ্ণু প্রসাদ।
বিকেলে থেকেই বাসার সামনে অপেক্ষা করতে করতে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হয়ে গেল। রাত ৮টা ৪৫ এর দিকে যখন ইসহাক ঠিক করলেন, চলে যাবেন ঠিক তখনই রাজেশ মিশ্রর দভত-০১২ নাম্বারের গাড়িটি বের হল। চলে গেল ধানমন্ডিতে ভারতীয় অফিসে। পিছুপিছু চলে গেলেন ইসহাকও। ঐ অফিসের সামনেই আরেকজন অফিসারকে পেয়ে গেলেন ইসহাক। তাকে সামনের দিকে থাকতে বলে নিজে বাইক নিয়ে চলে গেলেন পেছনের দিকে। কিছুক্ষণ পর গড়ি রেখে পেছনের ছোট গেট থেকে বের হয়ে আসলেন রাজেশ। রিক্সা নিয়ে চলে গেলে হোটেল শেরাটনের দিকে। সেখান থেকে একটু এগিয়েই দেখা গেল চিত্রনায়িকা কবরীর স্বামী বাবু সারোয়ার গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করছেন। সেই গাড়িতেই উঠলেন রাজেশ।
গাড়ি চলতে লাগলো বাংলামটোরের দিকে। বাংলামোটর থেকে মগবাজারের দিকে মোড় নিলেন। আর গাড়িটি বৃষ্টির মধ্যেই বাইকে ফলো করছেন ইসহাক। গাড়িটা জনকন্ঠের বর্তমান বিল্ডিং এর আশেপাশের একটা বড় বিল্ডিঙয়ে ঢুকলো। ইসহাক পৌছাতে পৌঁছাতে বাবু-রাজেশ উপরে উঠে গেছে। দাড়োয়ানকে গিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে, প্রথমে বলতে পারে না কোন ফ্লোরে বা কার গেছে। কারণ তার বক্তব্য ছিল, অনেক লোকই আসে তাই সে ওত গুরুত্ব দেয় নাই।
এরপর শুরু হয় অপেক্ষার পালা। রাত ১১টার দিকে নিচে নেমেই দ্রুত গাড়িতে ওঠে চারজন মানুষ। এবার দাড়োয়ান তাদের থামিয়ে জিজ্ঞেস করে কোন বাসায় গিয়েছিলো। আর এই সুযোগেই গাড়ির ভেতরে বসা চার জনকেই গার্ডের রুম থেকে দেখে নেন ইসহাক। গাড়িতে ছিলেন, রাজেশ মিশ্র, বাবু সারোয়ার , পীর মজিবুর রহমান চিশতী ও ড্রাইভার। বাবু সারোয়ার জানান, তারা আইনজীবী আবুল মনসুর আহমেদের বাসায় গিয়েছিলেন। আর এই ফাকে ইসহাক ইন্টারকমে কল দিয়ে নিজেকে বাবু সারোয়ারের গাড়ির ড্রাইভার পরিচয় দিয়ে জিজ্ঞেস করেন, তারা নেমেছেন কিনা তার বাসা থেকে। তিনিও নিশ্চিত করেন, হ্যা তারা মাত্রই নেমে গেছেন।
এখানে বাবু সারোয়ার ছিলেন মূল 'সেতু' দুই গ্রুপের মাঝে। বাবুর সম্পর্কে বলা হতো, তিনি এম্বাসী থেকে নিয়মিত তার পছন্দের 'বোতল' পেতেন। এটা সেসময় খুব চর্চিত ছিল ঢাকার ইন্টেলিজেন্স পাড়ায়।
পরের দিন সিচুয়েশন রিপোর্টে আগের রাতের ঘটনাগুলোকে মঞ্জুর হত্যা মামলার প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মিলিয়ে বিশ্লেষণ করেন ইসহাক। তিনি শুধু কোথায় কে গিয়েছিলেন সেটি লেখেননি। বরং আগের তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয়, তাঁদের গতিবিধি, সাক্ষাতের স্থান এবং মঞ্জুর হত্যা মামলার দীর্ঘ অগ্রগতি সবকিছুকে পাশাপাশি রেখে সম্ভাব্য একটি যোগাযোগ-চিত্র দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন। যেটা পরে আস্তে আস্তে আরও পরিষ্কার হয়। ইন্টারনালি এই রিপোর্ট বেশ প্রশংসিত হয়েছিলো তখন । আর এরপর থেকে ধীরে ধীরে মামলাটা চাপা পরে যায়। যদিও ১৯ বছর পর বিচারিক কাজ শেষে ২০১৪ সালে সেটি রায়ের পর্যায়ে এসেছিল। কিন্তু এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা মামলা আজও নিষ্পত্তি হয়নি। | 202 |
| 9 | বসুন্ধরার ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের মালিকানাধীন দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন সাংবাদিক ও কর্মীদের ছাঁটাই অব্যাহত রেখেছেন। 'ছাঁটাই লোটন' হিসেবে পরিচিত পাওয়া পত্রিকাটির সম্পাদক লোটন একরাম যোগদানের পর থেকে ৩০ জনের উপরে ছাঁটাই করেছে পত্রিকাটি। প্রতিষ্ঠানটি আজকেও ৮ জনকে টারমিনেশন লেটার দিয়েছে বলে অভিযোগের পাশাপাশি ডকুমেন্টস পেয়েছি আমরা।
এর আগে লোটন একরাম যোগদানের পর দুই দফায় ২৫ জনের উপরে ছাঁটাই করেছিলো বাংলাদেশ প্রতিদিন। যদিও সেখান থেকে ৫ জনকে তারা আবার নানান শর্তে ফিরিয়েছিলেন। ছাঁটাই হওয়ারা কবে বেতন ও ক্ষতিপূরণ পাবেন সে বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি। | 184 |
| 10 | https://www.facebook.com/reel/1567658114867312/?__cft__[0]=AZbRtG3aTwh7wFcIHjQulwoCwc0zM1V2JdtAl0F5DNHgWMF4DSIa4hTMEuweJ0c1NiNe0FQIIqYeAba-CJ1OfqkEG9FbuIc2bKztXuu31uI_shpPJX2lAfTPXe9ApMy_uXElDy2Qo-zXPIFEsPdexD6u2GNq2_0PSrIbY1NxIHjNCQ&__tn__=R]-R | 188 |
| 11 | কমেন্টসে ভিডিও লিংক পাবেন দুইটা। যেখানে দেখতে পাবেন এখানকার ছবিতে থাকা লে: সাইফুল্লাহকে তারেক রহমানের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে। শেখ হাসিনার সময় নিজেকে ছাত্রলীগ কর্মী পরিচয়ে, ছাত্রলীগের বিতর্কিত ছেলেদের নিয়ে রাওয়ার মত জায়গায় দাপিয়ে বেড়াতো। বসুন্ধরার জন্য বিভিন্ন নেগোসিয়েশন করতো। সে ছিল আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী মোজাম্মেল এবং গাজিপুরের মেয়র জাহাঙ্গীরের খাস লোক। তাকে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশকারী হিসেবেই এখন পর্যন্ত 'মার্ক' করা যাচ্ছে, যিনি তথ্য সংগ্রহ ও তা পৌছে দেয়ার কাজ করছেন।
পোস্ট: ইন্টারনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড অ্যানালিসিস ডেস্ক , নির্ঝর আর্কাইভ | 181 |
| 12 | بدون متن... | 177 |
| 13 | নিউজে দেখলাম, শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আমীন মোহাম্মদ গ্রুপের পত্রিকা সময়ের আলো সাম্প্রতিক একটা ফটোকার্ড তৈরি করেছে, যেখানে তারা দেখিয়েছে কোন সাংবাদিক কি বলেছেন জুলাইয়ে। যার মধ্যে শুধু শ্যামল দত্তের নাম আছে। বাকি দুই জনের নেই। তবে রুপার নাম না থাকলেও তার স্বামীর নাম রয়েছে সেই লিস্টে। কমেন্টসে সেটা দিয়ে দিচ্ছি।
যাইহোক আদলতকে ন্যায়বিচার করতে হলে পর্যাপ্ত ডকুমেন্টস দেখতে হয়। যেহেতু এই মামলা 'ভাষার' ওপর। তাই প্রতিটি শব্দ খুটিয়ে খুটিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রুয়ান্ডা গ*ণ*হ*ত্যা*র সময় সেখানকার সাংবাদিকরা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়াইছিলো, বাংলাদেশের এরাও কি সেইম কাজ করছে ? অনেক কিছু কিন্তু আদালতকে হিসাব করতে হবে। বাংলাদেশে এমন কেস কিন্তু অতীতে খুব কম বা নাই।
আর নাহলে এসব ঘটনা গ্লোবালি 'প্রতিশোধ' হিসেবে স্ট্যাবিলিশড হবে। যেটা বাংলাদেশের প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্সে বড় ধাক্কা দিবে। শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে হবে আপনাদের। | 181 |
| 14 | মালয়েশিয়া থাকলে 'কলিং' নিয়ে কথা না বললে, আসলে মান-সম্মান থাকে না। তাই আমি দুই/তিনটা জিনিসে ফোকাস করতেছি, যা নিয়ে আলোচনা হয় না একদমই।
১. ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের বিশাল একটা অংশ মালয়েশিয়াতে অবস্থান করতেছে। তারা সিন্ডিকেটে সরাসরি না থাকলেও, কলিংকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এটা ইস্যু না , ইস্যু হল এরা নিজেরা আসলে লোক আনার বিষয়ে কতটা সক্ষম এটা ভেবে আপনারা টাকা-পয়সা দিয়েন। দেখা গেল বলতেছে, আইনা দিচ্ছি টাকা আর পাসপোর্ট দাও, এরপর আর খোজ নাই। তখন কিন্তু এদের আপনারা খুজেও পাবেন না। অতীতেও এমন ঘটনা ঘটছে। এবার বেশি ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় তাদের মিটিং-মিছিল দেখা মনে হচ্ছে। যা নিয়ে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের কাছে কোন তথ্য নাই। একদম জিরো।
২. এই সময়টায় সবচেয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে হুন্ডি ব্যবসায়ীরা। এই পুরো 'কলিং' এর সময়ের লেনদেনের মূল অংশ বা বিশাল অংশই লেনদেন হয় হুন্ডির মাধ্যমে। এটা যদিও রাষ্ট্রীয় ইস্যু। তবুও রাষ্ট্রের কাছে এটার বিষয়ে কোন কিছু তো নাইও , ঝুঁকি কমানোর বিকল্পও নাই।
৩. একজন সাদা চামড়ার 'অভিবাসী মানবাধিকার কর্মী' ঢাকায় যাচ্ছেন, যোগাযোগ করছেন অনেকের সাথেই গত কয়েক মাস ধরে। ঢাকার বেশ কয়েকজন সাংবাদিক তার সাথে 'নিবিড়ভাবে' কাজ করছেন। সরকারি দল ও বিরোধীদলকে 'হিসাব' করেই এই ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ আগাতে হবে। কারণ সে অনেকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। বাকিটা আল্লাহ ভরসা। | 208 |
| 15 | সময় টিভি ও এসএ টিভির ডিজিটাল হেডের বিরুদ্ধে এত এত অভিযোগ। স্পেশালি তাদের পেশাদারিত্ব নিয়ে। এই দুই জনের বিরুদ্ধেই পেশাদারিত্বের বাইরে গিয়ে নিজেদের লোকদের 'স্পেশাল' সুবিধা দেয়ার অভিযোগ উঠতেছে বারবার। বাকি যেসব পারসোনাল অভিযোগ সেগুলো এড়াইয়া গেলাম। | 197 |
| 16 | কথা বলে কি হয়- এটা অনেকেই বলে । আমার সবসময় মনে হয়, কথা বলে পরিবর্তন হয় এক সময়।
একটু আগে দেখলাম, ২ পুলিশ কর্মকর্তাকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সাধারণত এই পদে মিলিটারি থেকেই আনা হতো এতদিন। গত কিছুদিন ধরে 'কতিপয়' মিলিটারির রক্তচক্ষু ও সাইবার এটাক উপেক্ষা করে চালানো আমার আলোচনা এবং পরিবর্তনের বার্তা দিতেই এই নিয়োগ হয়েছে বলে আশা করি। বাংলাদেশের সিভিলিয়ান গোয়েন্দাদের জন্য নতুন দিনের সূচনা হিসেবেই পজেটিভলি দেখছি এটাকে।
আশা করি মিলিটারি থেকে আসারাও মিলেমিশে জনগণের পালস ও আন্তর্জাতিক ইন্টেলিজেন্স ইনভারমেন্ট বুঝেই নতুন স্ট্রাটেজি নিয়ে কাজ করবে বাংলাদেশের জন্য। | 210 |
| 17 | অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে গত ২৯ জুন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তলব করেছিলো। তিনি উল্লেখিত তারিখে হাজির না হয়ে তার স্বপক্ষের সব ধরনের ডকুমেন্টস দ্রুত পাঠিয়ে দিবেন বলে তখন জানান। যদিও এখনও তিনি কোন ধরনের ডকুমেন্টস পাঠাননি বলে দুদক নিশ্চিত করেছেন। তবে বাসসের কাছে যেসকল ডকুমেন্টস চাওয়া হয়েছিল তা দুদকে পাঠানো হয়েছে বলে তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন। | 198 |
| 18 | ✅ আপডেট
পাকিস্তানের Fully Funded Master’s Scholarship বা আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ নিয়ে আমরা অনেকগুলো অভিযোগ মেইলে পেয়েছি। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ক্রসচেক করার। পাশাপাশি তাদের কোন হিডেন শর্ত বা পলেসি কি ছিল তা জানার। আমরা এটা নিয়ে অবশ্যই ডিটেইলস লিখবো। আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ ডিটেইলস মেইল করে সাহায্য করার জন্য।
নোট: এই কাজ আরও ভালোভাবে করতে শিক্ষ ও ডিপ্লোমেটিক বিটের সাংবাদিকদের সাহায্য আহ্বান করছি। | 197 |
| 19 | প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতেই নিবন্ধন ফিরে পেয়েছে বাংলা এডিশন বলে জানাচ্ছেন আউটলেটটির প্রধান সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় নানা অভিযোগে পোর্টালটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছিল। যদিও পোর্টালটির নিবন্ধনও দিয়েছিলো ইউনুস সরকারই। | 207 |
| 20 | তথ্যমন্ত্রী ক্ষমতা গ্রহণের সাথে সাথেই বহুল বিতর্কিত সাংবাদিক জাহিদের ক্যামেরায় 'বন্দী'
পার্থ সাহেব আধুনিক মানুষ তাই তাকে জেনজি ভাষায় বলতে চাই, IYKYK 😉 | 207 |
