Abdullah bin bashir
前往频道在 Telegram
📈 Telegram 频道 Abdullah bin bashir 的分析概览
频道 Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 11 327 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 7 901,并在 孟加拉国 地区排名第 2 063 位。
📊 受众指标与增长动态
自 невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 11 327 名订阅者。
根据 28 八月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 67,过去 24 小时变化为 -8,整体触达仍然可观。
- 认证状态: 未认证
- 互动率 (ER): 平均受众互动率为 15.07%。内容发布后 24 小时内通常能获得 5.70% 的反应,占订阅者总量。
- 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 1 708 次浏览,首日通常累积 646 次浏览。
- 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 35。
📝 描述与内容策略
作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
“প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট”
凭借高频更新(最新数据采集于 29 八月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。
11 327
订阅者
-824 小时
+157 天
+6730 天
帖子存档
11 327
কেউ যদি সামগ্রিকভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরোধিতা করে তাহলে তার ঈমান নিয়ে খতরা আছে।... সে কোন মুখে বাইতুল্লাহের হজ করবে, যে বাহিনী বাইতুল্লাহের হেফাজত তার বিরোধিতা করা...
-মুফতি আব্দুর রহিম
মুহতামিম, জামিয়াতুর রশিদ
.
দেখেন, আমি সবসময় বলি, অন্ন,বস্ত্র ও বাসস্থানের মত তাকফিরও মানুষের একটি মৌলিক চাহিদা।
11 327
হযরত মাওলানা আব্দুল্লাহ বিন বশির ভাই তার লেখা ইসলাম ও প্রাচাত্য সভ্যতার সংঘাত বইটি হাদিয়া পাঠিয়েছিলেন । আজ পেলাম। অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো। বইটির প্রতি আগ্রহী ছিলাম।
সাথে সাথেই খুলে দেখলাম। ভূমিকাটি পড়লাম।
সূচি দেখলাম । মাঝে মাঝে পড়লাম।
বিশেষ করে যে সমস্ত বইয়ের কথা এবং যে সমস্ত বইয়ের উদ্ধৃতি এনেছেন এবং বইগুলোর সারনির্যাস এনেছেন তা দেখলাম।
বইটি পড়ে একটি বোঝা মাথা থেকে হালকা হলো।
আধুনিক জাহিলিয়্যাহ , আধুনিক ফিতনা বরং সহজ করে বললে আধুনিক ফেরকায়ে বাতেলা , আধুনিক বাতিল মতবাদের খন্ডন ,বাতিল মতবাদ এর পরিচয়, উৎপত্তি , ইতিহাস , ঐতিহ্য, ইত্যাদি বিষয়ক একটি বই লেখার একটি সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা ছিল।
বিশেষ করে মাদ্রাসার ছাত্রদের সামনে পৌঁছানোর জন্য।
এখন আর কাজটি করার দরকার নেই। আল্লাহ তাআলা এই কাজটি ভাইয়ের দ্বারা করিয়ে নিয়েছেন।
ভাইয়ের এই বইটি মাদ্রাসার প্রতিটি ছাত্রের পড়া উচিত।
আধুনিক সভ্যতার আসারতা বুঝতে, তাদের মূল চিন্তায় আঘাত করতে , ঈমান ও কুফর সুস্পষ্ট করতে এবং কুফরের উৎপত্তির জায়গাগুলো বুঝতে এ বইটি খুবই উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ।
বইটি হাতে নিলেই পাঠক বুঝবেন বইটিতে লেখক কি পরিমান গভীরে পৌঁছেছেন এবং এই বিষয়গুলোর জন্য লেখকের কি পরিমান কিতাব ঘাটা ঘাটি করতে হয়েছে। এরপরে বিষয়গুলো কতটা সহজ ভাষায় এনেছেন।
মাশা আল্লাহ বড় জরুরি একটি কাজ হয়েছে। এবার সবার মুস্তাফিদ হবার পালা।
বাংলা ভাষায় জরুরি সংযোজন এটি।
আলহামদুলিল্লাহ। জাযাহুল্লাহু খাইরান আন্না ও জামি ইত্তুল্লাব
যাঁরা আলোকিত সুন্দর পৃথিবী গড়তে চান তারা পশ্চিমাদের বস্তা পচা এসব মতবাদ আগে ছুঁড়ে ফেলুন এরপর নববী আদর্শের পৃথিবী গড়ার প্রত্যয় নিন।
11 327
আলহামদুলিল্লাহ, কিতাবটি অবশেষে ছাপা খানায়। আগামীকাল দুপুর থেকে আশা করি পাওয়া যাবে মেলায়।
.
প্রি-অর্ডার চলছে। যার যেভাবে সুবিধা হয় সংগ্রহ করতে পারি।
.
শর্ট পিডিএফ লিংক :
https://t.me/abdullahbinbashir/1306
11 327
অফারটি নিতে পারেন। বিশেষত ফিকহে আগ্রগ রাখেন এমন ভাইরা।
.
চেতনার পেইজে অথবা ওয়াফি লাইফে।
.
https://www.wafilife.com/muslim-ummahor-punorjagoron-package/dp/1370064?fbclid=Iwb21leANS8qpjbGNrA1Lyo2V4dG4DYWVtAjExAAEeqWbaYvG06Pp5CE54ddIOK3GjIPOF8rjE02AU6o58s6HnnNTMvZvxRQYE7m4_aem_YbVJ6FQo632z4qlDYmxrzw
11 327
এরপর পাকি প্রেমী মোমিনরা বলেন, কেমন আছেন? ইমারাহকে ধ্বংস করতে কারা কাজ করে ইবার পষ্ট হইছে না আরো প্রয়োজন!?
11 327
মুফতি আব্দুর রহিম সাহেবকে নিয়ে মুহতারামা উম্মে হাসসানের আরেকটি অডিও আসছে। মুফতি আব্দুর রহিম শায়খ উসামার বিরুদ্ধে নাকি গোয়ান্দাগিরিও করেছে। এবং শায়খ রহিমাহুল্লাহ তার ব্যাপারে সকলকে সতর্ক করেছেন। বান্দা দেখি পুরান পাপি।
https://youtu.be/A9t_mr5uBPQ?si=inOGpAE0YWBUa2Q0
11 327
সাংবাদিক সেলিম শেহজাদ ও উম্মে হাসসান স্পষ্ট করেই লেখেছেন, সেদিন মাওলানা আব্দুল আজিজ সাহেব ভিতরের অন্যান্য সকলের সাথে পরামর্শ করে ও বাহিরের অন্যান্য মু জা হি দ দের পরামর্শ করেই বোরকা পড়ে সেখান থেকে সেফ বের হতে চেয়েছিলেন। যাতে নিরাপদ সরে গিয়ে শরীয়া বাস্তবায়নের দাবী নিয়ে আরো জোড়ালো কাজ করতে পারেন। কিন্তু পাকি খবিস ও দেশীয় একদল খবিস সেটাকে কী জঘন্য মিথ্যাচার করে লেখতেছে, আব্দুল আজিজ সাহেব জান বাচানোর জন্য বোরকা পড়ে পলায়ন করেছেন সকলকে মৃত্যুর মুখে রেখে!
একলোক তো সর্বদা নিজের পক্ষে যায় এমন যত গু-মুত আছে সব জমা করে, আবার ভাব এমন লয় পক্ষে বিপক্ষে সব জাইনা ফেলছে। বারবার ধরা খাওয়ার পরও শরম হয় না।
.
লাল মসজিদওয়ালারা সেদিন কী করেছে ও কী চেয়েছে সেটা বহু স্পষ্ট করেই উম্মে হাসসান তার ছোট্ট রিসালাতে লেখেছেন, সেদিন জামিয়া হাফসার আসল উদ্দেশ্য কী ছিলো এবং তারা শুধুই মাদরাসায় সীমাবদ্ধ ছিলো না। পুরো দেশেই বিভিন্ন কমিটি করেছিলো তারা শরীয়া বাস্তবায়নের। এবং এদের পিছনে শক্তি গোষ্ঠী ছিল। আরে এত দূরেও তো যাওয়ার দরকার নেই আতিকুল্লাহ সাহেবের গ্রেট গেম বইতেই তো সবকিছু বিস্তারিত আছে। কিন্তু খবিস মানসিকতার লোকদের কী এগুলো বিশ্বাস হবে। এস্টাবলিশমেন্টের কথাই এদের কাছে ওহি।
.
11 327
এক ভয়ংকর বিপদের ঘটনা
আ ফ গা নি স্তা নে আমেরিকার প্রবেশের পরের কথা। তখন আমিও তার সঙ্গে ছিলাম। আমরা এক স্থান থেকে আরেক স্থানে যাচ্ছিলাম। অধিকাংশ সময় আঁধারের আড়ালেই সফর করতে হতো। এক রাতে আমাদের সামনে পড়ল এক ভয়ংকর চ্যালেঞ্জ, একটি পিচ্ছিল পাহাড়, যেটি থেকে নামতে প্রায় চার ঘণ্টা লেগে যেত। আলো জ্বালানো আমাদের জন্য সম্পূর্ণ নিষেধ ছিল; যেন আশপাশের কেউ টের না পায়।
শায়খের অবস্থা কেমন ছিল, তা যারা জানেন তারা অনুমান করতে পারবেন। কিন্তু যারা জানেন না, তাদের বলি, শায়খ উ সা মা রহ. কেবল একটি চোখ দিয়েই দেখতে পেতেন। শৈশবের এক দুর্ঘটনায় তার আরেক চোখের আলো নিভে গিয়েছিল। তার সেই পরিচিত ছবিটি, যেখানে ঈদের সময় বাম কাঁধে বন্দুক রেখে গুলি চালাচ্ছেন, তা আসলে এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। কারণ তিনি ডান চোখ দিয়ে কিছুই দেখতে পেতেন না; এজন্যই বাম দিক থেকে তাক করে গুলি চালাতেন।
ভাবুন, একদিকে গভীর অন্ধকার, অন্যদিকে শায়খের একটি চোখ অকার্যকর, আর পাহাড়জুড়ে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য ধারালো পাথর। আমাদের পা বারবার পিছলে যাচ্ছিল। আমরা তো কোনো পাহাড়ি লোক নই, তাই পথ অতিক্রম করা ছিল ভীষণ কষ্টকর।
কিছুদূর যাওয়ার পর আমরা একটু থামি বিশ্রামের জন্য। শায়খ বলেন, আপনি কিছু মনে না করলে, একটু পেছনে সরে যান।
আমি বললাম, কোনো সমস্যা নেই, আমি সরে যাচ্ছি।
আসলে তিনি নিজের পা ছড়িয়ে একটু আরাম করতে চাচ্ছিলেন। তারপর তিনি নিজেই বলেন, আপনি জানেন, কেন আপনাকে সরতে বললাম?
আমি বলি, না, কেন?
শায়খ রহ. বলেন, অন্ধকারে আমি পিছলে পড়েছিলাম। আমার হাঁটু আমার নিজের ওজন নিয়ে একটি পাথরের সঙ্গে আঘাত করে। ব্যথার তীব্রতায় মনে হয়, হাঁড় ভেঙে গেছে। কিন্তু আল্লাহ আমাকে রক্ষা করেছেন, হাঁড় ভাঙেনি।
আমি সাথে সাথে বলি, আল্লাহর শুকরিয়া, যিনি আপনাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন।
শায়খ আ ই মা ন আজ জা ও য়া হি রি র বর্ণনায় উ সা মা রহ.-এর জীবনকথা থেকে...
উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা বই থেকে।
সকল অনলাইন অফলাইন থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন
মেলায় পাবেন আমাদের পরিবেশক সিজদাহ পাবলিকেশন এর স্টলে। স্টল নং -১৩১
11 327
মুফতি তারেক মাসুদ ও তার পীর আব্দুর রহিম সাহেবের কয়েকদিন যাবৎ বয়ান শুনতেছি। বেশ উপভোগ করতেছি আসলে বিষয়গুলো। তারা যা বলতেছে লালমসজিদ নিয়ে সেগুলোর সত্য-মিথ্যা পাক আলেমরাই যাচাই করবে, আলহামদুলিল্লাহ সেখানে চলতেছেও, কিন্তু তাদের আলাপে সবচেয়ে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো—
তারা লাল মসজিদ নিয়ে আলোচনা এজন্যই উঠাইছে যে, পাক আর্মি কাবায়েলি অঞ্চলগুলোতে প্রচুর মাইর খাচ্ছে। এবং তাদের এই মাইর খাওয়াকে মানুষ মেনেও নিচ্ছে। এজন্যই মানুষের যেহান দুরস্ত করার জন্যই লাল মসজিদ এবং পাক আর্মির পিছনের কৃতকর্মের আলোচনাগুলোর অজাহাত করারা জরুরি।
.
পাক আর্মি মাইর খাচ্ছে, এই তথ্যটা এখন ব্যাপকভাবে উঠে আসা যে কতটা সুখের সংবাদ এটা যারা পাকিস্তান থাকে বা পাকিস্তানি আলেমদের চিনে তারা ভালোই বুঝবেন। ওমরার সফরে এক পাকিস্তানি আলেমের সাথে লম্বা কথা হয়, সে বিশ্বাসই করতে রাজি না, কাবেয়েলি অঞ্চলে পাক ফৌজ মাইর খাচ্ছে। অর্থাৎ, সেখানে যে কিছু হচ্ছে এটার কোনো প্রচারই পাক আর্মি পাকিস্তানে করতে দেয় না৷
.
সিরিয়ায় সাইত বুতিরা যে ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করেছিলো, যারা অস্ত্র ধরছে আর্মির বিরুদ্ধে তারা বিদেশি চক্রান্তে এই কাজ করতেছে, আজ যদি এই আর্মির কিছু হয় তাহলে বিদেশীরা সব নিয়ে যাবে, কিছুই থাকবে না সিরিয়ায়, সেইম একই যুক্তিই তারেক মাসুদ আর তার পীর সাহেবরা দিতেছে। পুরো পৃথিবীতে জি হা দের বিরুদ্ধে এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী যুক্তি। জি হা দ করলেই বিদেশিরা সব শ্যাষ কইরা ফেলবে। এর আগে সব ভালোই থাকে। পাকিস্তানে আমেরিকার কোনো কর্তৃত্ব নাই, বাংলাদেশে ভারতের কোনো কর্তৃত্ব নাই, সিরিয়ায় ইরান-রাশিয়ার কোনো কর্তৃত্ব ছিলো না। খালি জি হা দ শুরু হলেই এরা সব দখলে নিয়ে যাবে।
মজার বিষয় কী জানেন, তালেব ও হামাসের ব্যাপারেও এটাই মশহুর ছিলো, তালেব ও হামাস মূলত মেরিকা ও বিজ্রাইলের দালাল, তাদের মাধ্যমেই মেরিকা ও হিংস্রাইল সব দখল করে রাখতেছে। হাহা।
11 327
একজন বইপোকা ভাই। আমাদের অনেকেরই প্রিয় মানুষ। বইয়ের টানে হাটহাজারী থেকে ঢাকায় ইসলামি বইমেলায় এসেছিলেন। ফেরার পথে ট্রেনের সামনে পড়ে গুরুতর আহত হয়ে যান। ফেসবুকে তার আহত মলিন মুখটা অনেকে দেখেছেন ইতোমধ্যে।
আপাতত তার তিনটি অপারেশন করতে হবে। দুটি মাথায় আর একটি চোখের উপরে। দুই জায়গায় মাথার খুলি ভেঙে ভেতরে ঢুকে গেছে। রক্ত এবং পানি জমা হয়ে আছে। আজকে জেনেছি বুকের হাড়ও নাকি ভেঙে গেছে। এখানেও অপারেশন করা লাগবে।
অপারেশনের জন্য লাগবে ৩ লাখ টাকা। আমরা তার জন্য অনুদান তুলব না। অনুদান তোলার ব্যাপারে সে কঠোরভাবে দ্বিমত করেছে। তার পরিবারও সংকোচ বোধ করছে। কিন্তু আমরা তার পাশে দাঁড়াব। এটা আমাদের ওপর তার হক মনে করি। কারণ, আমরা তথ্য নিয়ে জেনেছি এই চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহ করার সামর্থ্য তাদের নেই।
আমাদের এই কাফেলায় আমরা আপনাকেও চাই। আমরা চাই তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। দ্রুত ফিরে যান হাদিসের দারসে।
হাদিয়া পাঠানোর পদ্ধতি:
ব্যাংক একাউন্ট
IFIC Bank
MOHD. TANJIL AREFIN
A/C NO : 0210014217851
Konapara Branch
Routing No : 120273746
বিকাশ, নগদ:
01314311676
(পারসোনাল)
01743014850
(বিকাশ পারসোনাল)
Abul Kalam Azad
Tanjil Arefin Adnan
11 327
একটা কথা সাফ মনে রাখতে হবে সবার, লিবারেল আর সেকুলার এই কু*ফ*রি জীবনব্যবস্থার মধ্যে বসবাস করে আল্লাহ ও তার রাসুলের ইজ্জত রক্ষার একমাত্র হাতিয়ার হলো এই সব বিষয়ে মুসলমানদের অনমনীয় আচরন।
.
ইংরেজদের আমল থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত পৃথিবীর সর্বস্থানে রাসুলের ইজ্জতের বিষয়ে মুসলমানদের অনমনীয় আচরণই কেবল আয়িম্মাতুল কু*ফ*রকে বাধা দিয়ে রেখেছে। নাহলে লিবা*রেলি*জমের কু*ফ*র চর্চার আড়ালে বাকস্বাধীনতার নামে নাটক, সিনেমা, গল্প, উপন্যাস, কার্টুন ইত্যাদিতে আল্লাহ ও তার রাসুলকে শয়তানের দোষররা কী জঘন্য চিত্রায়ণ যে করতো, তা আল্লাহই ভালো জানে!
.
সুতরাং, রাষ্ট্রের কী হলো, দেশকে কে নিয়ে গেলো, কোন দেশের আর্মি বাংলাদেশে আক্রমণ করে বসলো তা নিয়ে সামান্য ভাবার সময় আমাদের নাই। আমাদের একটাই কথা, আল্লাহ ও তার রাসুলকে নিয়ে তাদের শানের বিপরীত একটি টু-শব্দও এই পৃথিবীর কোথাও উচ্চারণ কেউ করতে পারবে না। কেউ করলে তার একমাত্র শাস্ত্রি মৃ*ত্যু*দণ্ড!
হয় কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করবে, অন্যথায় মুসলমানরা নিজেদের দায়িত্ব নিজেরাই বুঝে নিবে৷
.
তাই, দেশের কথিত শান্তি ঠিক রাখতে হলে, আল্লাহ ও তার রাসুলের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় যে বা যারা এমন কোনো কথা বা কাজ করবে তাদের শাস্তি বাস্তবায়ন করুন।
11 327
কাল এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি হাতে পেলাম। এই বইটি সংগ্রহ না করলে বিশাল লস করবেন৷
.
সংক্ষিপ্ত পিডিএফ দেখলেই বুঝবেন কী জিনিষ।
.
11 327
আশপাশের ভাইরা আজ মিস দিয়েন না৷ বিশেষত সেখানের আশপাশের যে ভার্সিটিগুলো আছে৷ এই ধরনের মসজিলসগুলো অনেক বড় নেআমত।
11 327
মোদীকে খুশি করলেও ঠিকানা জাহান্নাম। আমেরিকাকে খুশি করলেও ঠিকানা জাহান্নাম। খুশি করতে হবে আল্লাহ ও তার রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।
.
সংগীত নিজেই তো একটা অনর্থক ও অনৈসলামিক জিনিষ, তার উপর এই সংগীতের নামে মূলত এদেশে গেন্দুত্ববাদকে চাপিয়ে দেওয়া উদ্দেশ্য। তাওহীদ বিরুদ্ধ এই বিষয়ে এদেশের মুসলমান মেনে নিবে না৷
-মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব
