uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 300 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 141-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 028-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 300 obunachiga ega bo‘ldi.

23 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 85 ga, so‘nggi 24 soatda esa 5 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 19.42% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 7.99% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 194 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 903 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 48 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 24 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 300
Obunachilar
+524 soatlar
+357 kunlar
+8530 kunlar
Postlar arxiv
একটি জীবনী গ্রন্থ আসতেছে। লিংকের কমেন্টে তালিকা দেওয়া আছে তাদের। সেটা দেখেই সিদ্ধন্ত নেন বইটা সংগ্রহ করবেন কি না। https://www.facebook.com/share/p/1BKfQ5V91p/

বইটিতে ৯টি ভূমিকা। আটটি অধ্যায়। ও তিনটি পরিশিষ্ট থাকবে। প্রথম ভূমিকা: ঈমান ও কুফরের পরিচয় দ্বিতীয় ভূমিকা: দীন শব্দের মর্ম ও ব
বইটিতে ৯টি ভূমিকা। আটটি অধ্যায়। ও তিনটি পরিশিষ্ট থাকবে। প্রথম ভূমিকা: ঈমান ও কুফরের পরিচয় দ্বিতীয় ভূমিকা: দীন শব্দের মর্ম ও ব্যবহার তৃতীয় ভূমিকা : ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুটি স্বতন্ত্র জীবন দর্শন চতুর্থ ভূমিকা : কুরআনের দর্পনে পশ্চিমা সভ্যতা পঞ্চম ভূমিকা : পশ্চিমা সভ্যতার গোড়ার কথা ষষ্ঠ ভূমিকা : পশ্চিমা সভ্যতার উৎপত্তি কাল সপ্তম ভূমিকা :জাহিলিয়্যাত ও আধুনিক জাহিলিয়্যাত অষ্টম ভূমিকা : পরিভাষা বিভ্রাট নবম ভূমিকা : পরিভাষার অজ্ঞতা পশ্চিমের ইসলামি করণের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। প্রথম অধ্যায় : মডার্নিজম দ্বিতীয় অধ্যায় : হিউম্যানিজম তৃতীয় অধ্যায় : লিবারেলিজম চতুর্থ অধ্যায়: সেকুলারিজম পঞ্চম অধ্য্যায় : বিবর্তনবাদ ষষ্ঠ অধ্যায় : জাতীয়বাদ সপ্তম অধ্যায় : প্রাচ্যবাদ অষ্ঠম অধ্যায় : পুজিবাদ পরিশিষ্ট ১ : ইন্টারফেইথ পরিশিষ্ট ২: কোয়ান্টাম মেথড পরিশিষ্ট ৩: পশ্চিমা সভ্যতা সংক্রান্ত বই পরিচিত

একদম স্পষ্ট মনে আছে। শুক্রবার দিন। দশটার দিকে ঠিকানা গাড়ি যোগে নীল মোড়ের কিছু আগে জ্যামে বসেছিলাম। যাচ্ছিলাম, সিয়াসাত বিষয়ে দুটো বই প্রিণ্ট করাতে দিয়েছি তা নিয়ে আসার জন্য। এমন সময় তালহার মেসেজ--ভাই আপনাকে দুটো বই দেই দেখেন কেমন লাগে। মাওলানা জাহেদ ইকবালের দুটো বই তালহা একদম ঝকঝকা পিডিএফ দেয়। জ্যামে বসে দুটো বই দেখে তো আমার অবস্থা ভয়াবহ। নীলক্ষেতে সাথে সাথেই প্রিন্ট দেই। পুরোটা পড়ে হিম্মত করি অনুবাদ শুরু করে দিবো। কিন্তু তালহার ইচ্ছে ছিলো কাজটা তালহা নিজে করবে। আমি সাচ্ছ্যন্দে রাজি হই। তালহা শুরু করে। কিন্তু শেষ করতে পারেনি! . ফখর না। বাংলাদেশে এই বই নিয়ে পোষ্ট করার পর অসংখ্য মানুষ সিয়াসাত বিষয়ে এই বইটি পড়েছে ও পড়ছে। অবশ্যই এর সাওয়াব তালহা পেতে থাকবে। অবশ্যই পেতে থাকবে। . বইটা যখন ফাদলুল্লাহ অনুবাদ শেষ করে তখন একদিন ওকে মনে কথাটা জানাই-যদি আমি অনুবাদ করতাম তাহলে তালহাকেই অর্পন করতাম। কারণ এই বইয়ের মূল খোঁজ তো তালহারই দেওয়া। ফাদলুল্লাহ সাথে সাথে বললো, ভাই আমিও এটাই ভেবে রেখেছি তালহাকেই অর্পন করবো। শুনে খুশি হলাম। আমার চিন্তাটার সাথে ওর চিন্তা মিলে যাওয়ায়। . তালহার কী অবস্থা আমি জানি না। দূর্বল মুমিন হিসেবে এই দোয়া করি সর্বদা আল্লাহ তালহাকে দ্রুত আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনুক। আমীন। . বইটার শর্ট পিডিএফ লিংক : https://t.me/abdullahbinbashir/1216

photo content

ইসলামি খিলাফতের শর্ট পিডিএফ।

প্রকাশকের সাথে গতকাল লম্বা সময় ঝগড়া করে দাম কমাইলাম। নেন, এবার প্রি-অর্ডার দেন। মিস দিয়েন না। ইসলাম কী চায়, তা না করতে পারলেও
প্রকাশকের সাথে গতকাল লম্বা সময় ঝগড়া করে দাম কমাইলাম। নেন, এবার প্রি-অর্ডার দেন। মিস দিয়েন না। ইসলাম কী চায়, তা না করতে পারলেও, চায়টা কী, একটু জানেন তো অন্তত। . প্রি-অর্ডার করুন, প্রকাশনীর পেইজে।

যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্যমান আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতার মাথায় লেখা 'কাফ' 'ফা' 'র' (কাফের) এটা বুঝতে সক্ষম নয়, বিশ্বাস করুন সে কোনোদিন ব্যক্তি দাজ্জালের মাথায় লেখা কাফের শব্দটিও সে চিনতে পারবে না। -ড. মুহাম্মদ রশিদ রাশেদ

বিন লাদেন (রহ.) ধর্মীয়, রাজনৈতিক এবং নৈতিক সকল ক্ষেত্রেই সমস্ত শয়তানের মূল হিসেবে এবং মুসলিম উম্মাহর ওপর আপতিত সকল দুঃখ দুর্দশার উৎস হিসেবে আমেরিকাকে চিহ্নিত করেন। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন যে, তিনি আমেরিকাকে ঘৃণা করেন, কারণ তারা সৌদি আরবসহ অন্যান্য সকল দুর্নীতিবাজ এবং নিপীড়ক শাসনব্যবস্থার প্রধান সহায়ক এবং তারা ইসরাইলকে অকুণ্ঠ সহায়তাকারী। আব্দুল বারী আতওয়ান──সিক্রেট হিস্ট্রি: ৭৩ পৃঃ

নাস্তিকের জানাযা দাফনের বিধান নিয়ে আমার একটি পুরাতন লেখা। দেখতে পারেন। বদরুদ্দিন ওমরের জানাযার জন্য কাজে আসবে। https://www.facebook.com/share/p/19p4Uo59sT/

বন্ধু মফিজ চেহারায় রাগ নিয়ে আমায় বললো, এই ছেলেগুলো কায়দা নামের একটা জঙ্গি গোষ্ঠীর সাপোর্ট করে, এদের কী এতটুকু বুঝ নাই, এই দল এখন পর্যন্ত শুধু মুসলিমদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করছে। এরা কখনোই কা*ফে*রদের বিরুদ্ধে ল*ড়াই করেনি। আমি হামি দিয়ে বললাম, সোমালিয়ায় ইথিওপিয়ান খ্রিস্টান বাহিনীর বিরুদ্ধে আমার গ্রামের চাচাতো ভাইরা লড়াই করতেছে। এরপর থেকেই বন্ধুর সাথে কথা বন্ধ আজ দীর্ঘদিন! বুঝলাম না, আমার অপরাধটা কী?!

বিশিষ্ট ফকিহ ও উসুলদি মুফতি মুহসিল গুলজার হাফিজাহুল্লাহ লেখেন, হিউম্যানিজম (পশ্চিমা সভ্যতা) : এক নতুন ধর্ম হিউম্যানিজম—আকর্ষণীয় নাম; তবে এর অন্তরালে রয়েছে এক নতুন কুফর। এটাকে ভালো করে চিনতে হবে—যাতে উসুলে ফিকহ অধ্যায়নকালে বুঝা যায় প্রতিটি অধ্যায়ের উদ্দেশ্য ও নির্দেশনা। হিউম্যানিজম—এক আকর্ষণীয় মোড়ক; তবে এর ভিতরে রয়েছে স্তূপীকৃত ভয়ানক দুর্গন্ধ ও কদর্যতাযুক্ত আধুনিক কুফর। এ কুফর পূর্বের যে-কোন সময়ের চেয়ে অধিক দুর্গন্ধযুক্ত ও ভয়ানক। আধুনিক এ কুফর ও জানদাকা আমাদের সমাজে দীন থেকে দূরে থাকা ছেলেমেয়েদের ঈমান ছিনতাই করছে। এবং চুপিসারে ইরতিদাদ-ধর্মত্যাগের পরিবেশ কায়েম করছে। এই কুফর হিন্দু, খ্রিস্টান বা ইহুদী ধর্মের পোশাকে আসেনি; এসেছে বিজ্ঞান, গবেষণা ও যুক্তিবাদের পোশাকে। এ ধর্মের কোনো নির্দিষ্ট নাম নেই, অন্যধর্মের যেমন রয়েছে—হিন্দু, ইহুদি ইত্যাদি। এ ধর্মের কাছে আকিদা ও ওহীর সামান্যতম গুরুত্বও নেই; তবে বিজ্ঞান, যুক্তি, পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতার গুরুত্ব রয়েছে ঢের। এই ধর্মের অনুসারীরা ইসলাম নাম উচ্চারণ না করেও মহাবিশ্ব ও মানুষ সৃষ্টিতত্ত্ব ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাখ্যার মাধ্যমে ইসলাম নিয়ে হাসিঠাট্টা করে। নাউজুবিল্লাহ পূর্বেকার জামানায় যারা মুরতাদ হত; তারা পুরনো কোন মিথ্যা ধর্ম গ্রহণ পূর্বক মন্দির, গির্জা ইত্যাদিতে গিয়ে ইবাদত করত। মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মুসলিমদের থেকে সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিকসহ সবধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করত। জীবন যাপন, আহার-খাদ্য, সভ্যতা-সংস্কৃতিতে পূর্ণ বৈপরীত্ব ধারণ করত। ফলে বোঝা যেত যে, এর সাথে এখন থেকে মুসলিম সমাজ, কুরআন, ইসলাম বিশেষভাবে রাসুল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু এই আধুনিক কুফর—হিউম্যানিজম ধর্মে অন্তর্ভুক্তির সময় আল্লাহ, রাসুল, ওহী, আখেরাত সব অস্বীকার করা সত্ত্বেও এ ধর্ম তার অনুসারীদের অনুমতি প্রদান করে, যাতে তারা নাম, সংস্কৃতি, ইবাদত, খাদ্য, ব্যবসাবাণিজ্যে ইসলামের ছাঁচের অনুসরণ করে। শুধু দীন-ধর্মের উপর্যুক্ত বিষয়গুলো অস্বীকার করো আর বেশভূষা ও চলফেরায় মুসলিম সমাজের সাথেই থাকো। পূর্বে কাফের-মুরতাদদের জন্য আবশ্যক ছিল—ইবাদত, লেনদেন, চলাফেরাসহ সার্বিকভাবে মুসলিম জামাত থেকে দূরে থাকা। তবে এখন আর এগুলো আবশ্যক নয়; বরং গোপনে আল্লাহ-রাসুলকে অস্বীকার করো। বিপরীতে যুক্তি, পর্যবেক্ষণ ও পঞ্চইন্দ্রিয়ে অনুধাবনযোগ্য বিষয়গুলোকে মেনে নাও। . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবন দর্শনের সঙ্ঘাত ( প্রকাশিতব্য ) . (সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত এখনো অনেক কাজ বাকি। আল্লাহ যেনো সহজ করে, কবুল করে ও নাজাতের উসিলা বানায়)

আমার এক সাথী জাহিদ ভাই প্রায় বলতো, টাকা কামানোই যদি জীবনে একমাত্র উদ্দেশ্য হয় তাহলে ইয়াবা বেইচা টাকা কামামু। তাও ধর্ম বেইচা কামামু না। . বিভিন্ন দীনি বইয়ের মার্কেটিং দেখে সাথী ভাইয়ের কথাটা মনে পড়লো।

মুসলিমদের পক্ষ থেকে আন্তধর্মীয় সংলাপ প্রচারকারীরা সর্বদা এ দাবী করে যে, এই সমস্ত সংলাপের দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ইসলাম ধর্মের সত্যতাকে উপস্থাপন করা আর পরষ্পর সম্প্রীতি ঠিক রাখা। কিন্তু বাস্তবতা হলো আন্তঃধর্মীয় সংলাপের উপর চটকদার যে শিরোনামই পড়ানো হোক শেষ পরিনাম আর উদ্দেশ্যের দিক দিয়ে তা মূলত তাওহিদুল আদয়ান তথা সকল ধর্মের মিশ্রণে এক নতুন ধর্ম সৃষ্টি করা। কারণ, আন্তঃধর্মীয় সংলাপে যে কাজগুলো, যে প্রস্তবনাগুলো দেওয়া হয়, সম্প্রীতির নামে বাস্তবে যা করা হয় সেগুলো একটু পরখ করলে এটাই স্পষ্ট হয়ে দেখা দিবে। কয়েকটি আন্তঃধর্মীয় সম্মেলনের চিত্র একটু দেখে নেওয়া যাক। ... আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির নামে সকল ধর্মকে এক করে ফেলার কেমন চক্রান্ত দেশব্যাপি চলছে তার একটি স্পষ্ট উদাহরণ হলো গত ২০ অক্টোবর ২০২১ ইং-এর একটি অনুষ্ঠান, যা ঈদে মিলাদুন্নবী নামে পালন করা হয়। সেদিন একই স্থানে একদল মুসলিম দেশব্যাপী মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবনী, তাঁর আধ্যাত্মিক শিক্ষা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উদযাপন করে। হিন্দুরা বার্ষিক কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা উদযাপন করে। পূজাটি তাদের নিজ গৃহে প্রতি দিনের প্রার্থনার মতোই করা হয়। বৌদ্ধরা বুদ্ধের অহিংস শিক্ষার বাণী আলোচনার মাধ্যমে বার্ষিক প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন করে। এই ঘটনা সম্পর্কে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা কাজল দেবনাথ বলেন, ‘একই দিনে একই স্থানে তিন ধর্মের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন একটি কাকতালীয় ব্যাপার। কিন্তু আমি এটিকে আন্তঃধর্মীয় ঐক্যকে সমুন্বত রাখার ইঙ্গিত হিসেবে দেখি। কারণ আমরা সবাই একই স্রষ্টার সৃষ্টি। তিনিই আমাদের সবার প্রভু।’ . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবন দর্শনের সঙ্ঘাত ( প্রকাশিতব্য ) (সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত এখনো অনেক কাজ বাকি। আল্লাহ যেনো সহজ করে, কবুল করে ও নাজাতের উসিলা বানায়)

পুঁজিবাদের পলিসিগুলো কখনোই জনসাধারণের সম্পদের প্রবৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সাজানো হয় না। ... পুঁজিবাদি রাষ্ট্র চাই তা লিবারেল হোক বা সমাজতন্ত্র, এমন কোনো আইনিনীতি প্রণয়ন করে না, যার মাধ্যমে মূল্যের স্থিতিশীলতা ঠিক করে উৎপাদনের উপকরণগুলো এমনভাবে ব্যবহৃত হবে, যার মাধ্যমে ক্রমবর্ধবান মূলধন সম্ভাব্য সমানহারে সকলের কাছে পৌঁছতে পারে। কেননা পুঁজিবাদি রাষ্ট্রগুলো যাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে তারা নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থ, গোষ্ঠি স্বার্থ বা অর্থনৈতিক স্বার্থ উদ্ধার করতেই রাষ্ট্রের সকল পলিসিগুলো নির্ধারণ করে। সেগুলো কোনো অর্থেই জনসাধারণের পুঁজির প্রতিনিধি নয়। পুঁজিবাদে কোনো নিরপেক্ষতা নেই। পুঁজিবাদে একমাত্র নিরপেক্ষতা এটাই যে, সমাজের সকল মানুষ তাদের যোগ্যতানুযায়ী পুঁজিবাদের উন্নতিকরণে নিজের সকল সম্পদ বিনিয়োগ করার সুযোগ পাবে। যাকে সুযোগের সমতা (Equlity of Opporturnity) বলে। এবং প্রত্যেক ব্যক্তিকে এই ধারণা দেওয়া হবে, তোমার গুরুত্ব ততটুকুই, যা তুমি পুঁজিবাদের প্রবৃদ্ধিকে আরো বৃদ্ধি করার জন্য করেছো। পুঁজিবাদি সমাজ নিজের তৈরি নিরপেক্ষতার সংজ্ঞানুযায়ী একটি জালেম সমাজব্যবস্থা। ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবন দর্শনের সঙ্ঘাত ( প্রকাশিতব্য ) (সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত এখনো অনেক কাজ বাকি। আল্লাহ যেনো সহজ করে, কবুল করে ও নাজাতের উসিলা বানায়)

ঢাকার ভাইরা মিস দিয়েন না অন্তত।
ঢাকার ভাইরা মিস দিয়েন না অন্তত।

পাকিস্তানের বেরলবি ঘরোনার বিখ্যাত আলেম মুফতি মুনিবুর রহমান গত সপ্তাহে মিলাদুন নবি নিয়ে সেখানের সবচেয়ে বড় পত্রিকা ‘জঙ্গ’-এ একটি ফতোয়া জারি করেন। এদেশে যারা মিলাদুন নবি নামে অনেক কিছু করতে চান ও করেন এবং এটা নিয়ে পুরো মাস সোচ্চার থাকেন তারা কী এভাবে বলেন? এই বাস্তবতা আর এই মাসআলাগুলো বলেন? উনার ফাতাওয়ার উল্লেখযোগ্য অংশ এই ভিডিওতে জামিয়া আশরাফিয়া লাহোরের শিক্ষক পড়ে শুনাচ্ছেন। । বেরলবি ভাইরা একটু শুনুন। https://youtu.be/iBX5DBG5ERM?si=rb71FggnRSjNUbe3

ঈদে মিলাদুন্নবী তো অন্যায়। ভুল কথা। ঈদ হলো, ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহা। ঈদে মিলাদুন্নবী নামে কোন ঈদ নাই। অনেকেই অসন্তুষ্ট হবেন আমার কথায়। এখান থেকে বের হয়ে গিয়ে দেখবেন যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কত কথা আসবে আমার বিরুদ্ধে। কিন্তু সেটা তো আমার চিন্তা করতে হবে না। ওটাতো স্পষ্ট একটা ইতিহাস। ইসলামের ঈদ সম্পর্কে তো একটা ইতিহাস আছে। সাহাবা জামানা, তাবেয়ী জামানা, তাবে-তাবেয়ী জামানা। নবী করীম সাল্লাল্লাহু সালামের সীরাতের আলোচনা হবে, জন্ম বৃত্তান্ত আলোচনা হবে— সে আলোচনার জন্য ঈদে মিলাদুন্নবীর নাম দেওয়া, তাঁর জন্মদিন কে ঈদ বানানো— এটা তোমার ইচ্ছা? তোমার নিজের ইচ্ছা মত বানাবা ঈদ? এটাতো শরীয়ত দিবে। নবীজির আদর্শ। নবীজিকে নিয়ে, নবীজির আদর্শ কী, সেটা দেখবা না? . মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব ০৫-০৯-২০২৫ ঈ. বাইতুল মুকাররম মসজিদ অনুলিখন: Sadik Shahriar

মাওলানা আব্দুল্লাহ মাসুদ ভাই লেখেছেন, এদেশের মুসলিমদের ঈমান আকিদা রক্ষায় যুগে যুগে নানান ধর্মীয় ঘরানার আলেমদের অবদানের একটা সামগ্রিক ধারণা পাওয়া যাবে ইমরান রাইহান ভাইর একটা আলোচনাতে। এটা সংক্ষেপের মধ্যে খুবই জরুরি আলাপ। মনে হয়েছে বড়সড় একটা থিসিসকে সাবলীলভাবে সংক্ষেপে তিনি বর্ণনা করে দিয়েছেন। গুরুত্ব বিবেচনায় এটা আমি একবার নয়, দুইবার শুনেছি। আরো একাধিকবার হয়ত শুনব। আপনারাও শুনতে পারেন। লিংক কমেন্টে পাবেন। https://www.youtube.com/watch?v=_wXVApaHhcA

আল কায়দা তো শুধু মুসলমানদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করে। মুসলমান হত্যা করাই এদের কাজ। এখন কেনো এটা করলো? মূলত এটা সিক্রেট জব। শুধু মুর্খরাই এটাকে মুজাহিদের আক্রমণ মনে করে। তাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক নেই। -জিহাদ তো আমরাও মহব্বত করি ঐক্যগোষ্ঠী

শাবাবের গাজার প্রতিশোধ। সামনে আসতে আরো বড় আক্রমন। . সোমালিয়ার সশস্ত্র গোষ্ঠী আশ-শাবাব এক সরকারি বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা গাজার
শাবাবের গাজার প্রতিশোধ। সামনে আসতে আরো বড় আক্রমন। . সোমালিয়ার সশস্ত্র গোষ্ঠী আশ-শাবাব এক সরকারি বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা গাজার যুদ্ধের জবাবে মার্কিন ঘাঁটিতে একটি বিশেষ ধরনের হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটি আরও সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এটি কেবল শুরু, সামনে আরও বড় ধরনের হামলা আসবে। . সোর্স : গাজা নাও টেলিগ্রাম