ch
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

前往频道在 Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

显示更多

📈 Telegram 频道 Abdullah bin bashir 的分析概览

频道 Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 11 300 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 8 141,并在 孟加拉国 地区排名第 2 028

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 11 300 名订阅者。

根据 23 六月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 85,过去 24 小时变化为 5,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 19.42%。内容发布后 24 小时内通常能获得 7.99% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 2 194 次浏览,首日通常累积 903 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 48

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

凭借高频更新(最新数据采集于 24 六月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。

11 300
订阅者
+524 小时
+357
+8530
帖子存档
কেমন ছিলো আমাদের আকাবীর। . হযরত গাওস হাযারাবি রহিমাহুল্লাহ একবার এক মুনাজারার জন্য যাচ্ছিলেন। স্টেশনে যখন পৌঁছলেন তখন টেলিফোন আসলো আপনার একমাত্র সন্তাম মারা গেছে। হযরত তা শুনে বললেন, তাকে গোসল দিয়ে দাফন করে দেও। আমার ছেলের থেকেও দীনের মূল্য অনেক বেশি। . হযরত গাওয হাজারাবি রহিমাহুল্লাহের যে বহসের ঘটনা এখানে মাওলানা মেঙ্গল সাহেব বলেছেন, তা রেজাখানিদের সাথে নয়, কাদিয়ানের সাথে। . https://youtu.be/EN9mdMZazVA?si=T-JN7Tu0gZeemUa7

চার শ্রেনীর মানুষ আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদের অন্তর্ভুক্ত নয়। ১. নারী; ২. গোলাম; ৩. জনসাধারণ; ৪. জিম্মি। নারী খলিফার নিয়োগ ও নির
চার শ্রেনীর মানুষ আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদের অন্তর্ভুক্ত নয়। ১. নারী; ২. গোলাম; ৩. জনসাধারণ; ৪. জিম্মি। নারী খলিফার নিয়োগ ও নির্বাচনে নারীদের কোনো ভূমিকা নেই, কারণ অতীতে খলিফা নির্বাচনের ক্ষেত্রে কখনোই তাদের থেকে মতামত চাওয়া হয়নি। যদি নারীদের সাথে এই বিষয়ে পরামর্শ করা হতো; তবে সাইয়্যিদা ফাতিমা বিনতে রাসুল ﷺ ও রাসুলের স্ত্রীগণ রা. এই বিষয়ে পরামর্শের জন্য অধিক উপযুক্ত ছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ এর বিপরীত। সুতরাং, নারী খলিফা নির্বাচনের পরামর্শে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কেননা নারীদের জন্য ঘরে থাকা আবশ্যক। তারা পুরুষদের সমাবেশে উপস্থিত হতে পারে না। এর ফলে তারা জনগণের পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান রাখে না। ফলশ্রুতিতে তারা খিলাফতের জন্য যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচন করতেও সক্ষম হবে না। নারীদের বিষয়গুলো পুরুষদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। কারণ পুরুষরা নারীদের তত্ত্বাবধায়ক ও শাসক হিসাবে নিযুক্ত এবং তারা নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে। আল্লাহ তাআলা বলেন, الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ পুরুষরা নারীদের উপর কর্তৃত্বশীল। বই: ইসলামি খেলাফত (প্রকাশিতব্য) লেখক: মাওলানা জাহিদ ইকবাল অনুবাদ: ফাদলুল্লাহ জাবের

এই মাসে যারা রাসুল সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি মধ্যম মানের আকর্ষনীয় সিরাত পড়তে চান, তাদেরকে আমি জাকারিয়া মাসুদ ভাইয়ের
এই মাসে যারা রাসুল সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি মধ্যম মানের আকর্ষনীয় সিরাত পড়তে চান, তাদেরকে আমি জাকারিয়া মাসুদ ভাইয়ের এই বইটি পড়তে বলবো। সহজ-সাবলিল ও সময়ের ভাষায় মাসুদটা লেখেছেন। ভাষার বিচার করার মত ভাষা আমার জানা নেই,তবে কেমন একটা মায়াবী আবেশ লেগেছিলো পুরো বইতে মাসুদ ভাইয়ের ভাষাটার মধ্যে। আরেকটা ভালো লাগার বিষয় হলো, শুধুই সিরাতের ধারাবাহিক বর্ণনা না এই বইটি। লেখক চেষ্টা করেছেন সিরাতকে আমাদের জীবনের সাথে মিলিয়ে দেখানোর জন্য। তবে অতিরঞ্জন করেননি, যাতে সিরাত পাঠের ধারাবাহিকতায় বিঘ্নতা ঘটে। . আর যারা আরো ছোট সিরাত পড়তে চান তারা মুফতি শফি রহিমাহুল্লাহের সিরাতে খাতামুল আম্বিয়া পড়তে পারেন। আর আরো বড় পড়তে চাইলে আমার অনুরোধ থাকবে ইদ্রিস কান্ধলবির সিরাতে মুসতফাটা পড়ার। । . তবে রেইনডপসের সিরাহটাও আমার কাছে বেশ ভালো ও সাবলিল লেগেছে

আরবের বিশিষ্ট আলেম ড. আব্দুল আজিজ বিন মুস্তফা কামেল লেখেন, ‘লিবারেলজমের পুরো আলোচনার সারমর্ম হলো, লিবারেলিজম হলো একটি দাজ্জালি (ধোঁকায় ভরা) মতবাদ। তা ঐসকল দাজ্জালের অনুসারীদের ধর্ম যারা বড় দাজ্জালের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। মূল দাজ্জাল আসার আগে তারা ধোঁকায় পুরো পৃথিবী ভরে ফেলবে—ইতর আর দুষ্টশ্রেণীর মানুষই হবে তখন কোটিতে। যাতে তারা সহজেই দাজ্জালের আহবানে সারা দেয়।’ . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবন দর্শনের সঙ্ঘাত (প্রকাশিতব্য) (সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত)

সেক্যুলারিজম.pdf33.86 MB

ধুলোমলিন এই ময়লা চেহারায় প্রশান্তির এক ঝিলিক যেনো ফুটে উঠেছে। .
ধুলোমলিন এই ময়লা চেহারায় প্রশান্তির এক ঝিলিক যেনো ফুটে উঠেছে। .

... বাস্তব কথা হলো, জি*হা*দ ঐসকল লোকদের কাজ নয়, যারা অনুমান, হিসাব-নিকাশ ও সংখ্যার খেলায় মগ্ন থাকে। বরং জি*হা*দ তো এমন মুমিনদ
... বাস্তব কথা হলো, জি*হা*দ ঐসকল লোকদের কাজ নয়, যারা অনুমান, হিসাব-নিকাশ ও সংখ্যার খেলায় মগ্ন থাকে। বরং জি*হা*দ তো এমন মুমিনদের কাজ, যারা নিজেদের পার্থিব জীবনকে পরকালের বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়।... . আধুনিক যুগে জি]হা*দ; আপত্তি ও জবাব (প্রকাশিতব্য) কালান্তর প্রকাশনি

এবার মেলা শুরুর আগেই বেশ কয়েকটা মিডিয়া নিউজ করেছে। আপনারা কী করবেন? . - দেশব্যাপী হাইপ তুলুন। প্রতিটা আড্ডায় মেলার কথা বলুন। . - অনেকদিন দেখা হয় না, এমন বন্ধুরা গেট টুগেদার প্ল্যান করুন মেলায়। "তোরা সবাই অমুক দিন মেলায় আয়।" . - কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা আগামী একমাসের কন্টেন্টে মেলাকে ফোকাসে রাখুন। . - মাদরাসার উস্তাযরা ছাত্রদের নিয়ে আসুন মেলায়। উস্তাযরা উস্তাযরা মিলে জামাত করে আসুন। . - আলিমগণ মেলায় এসে মেলাপ্রাঙ্গণে বরকত দিয়ে যান। লেখক, প্রকাশকদের সাহস দিয়ে যান... . - পুরুষরা ফ্যামিলি, বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে উইকডে তে আসুন (বাচ্চাদের প্লে জোন থাকছে + ফিমেল কর্নার তো গতবারও ছিল) . - দায়ীরা সম্ভাবনাময় তরুণদের নিয়ে মেলায় আসুন। ঘোরার সুযোগে দাওয়াত দিন। বই গিফট করুন। . - খতিব সাহেবগণ জুমআর বয়ানে মেলার কথা বলুন। প্র‍্যাকটিসিং ভাইয়েরা খতিব সাহেবকে খবরটা জানিয়ে দিন। . - কলেজ, ভার্সিটির বিপ্লবী জেন-জি মিছিল করতে করতে মেলায় আসুন। শ্লোগান দিন। সাহিত্যিক টাইপের একটা ক্লাসমেটকে ধরে "মেলায় যাইরে..." এর একটা ইসলামি বইমেলা ভার্শন বানিয়ে ফেলুন। পারলে ফান করে রেকর্ডও করে ফেলুন। ইতিহাসের অংশ হয়ে যাবেন... . - দুষ্টু জুনিয়ররা সিনিয়রদের ফুসলিয়ে মেলায় নিয়ে এসে জোরপূর্বক হাদিয়া নিন। "ঘোরাঘুরির প্রলোভন দেখিয়ে হাদিয়া!!" . - স্ত্রীরা স্বামীকে Whatsapp এ বাজারের লিস্টের পাশাপাশি বইয়ের লিস্টিও ধরিয়ে দিন। মেসেজ পিন করে রাখুন। . - মেট্রোরেলের আশেপাশের মানুষজন 'হুদাই' মেলায় আসুন। আপনাদের মেলায় আসতে আবার কারণ লাগবে কেন? আশ্চর্য!! মেট্রোতে করে সহজে আসা যায়, এটাই কি যথেষ্ট না!! . - বইয়ের সাথের সংশ্লিষ্ট লোকজন সারাদিন মেলার কথা বলুন, বইয়ের কথা বলুন। এ সময় লজ্জা পেয়ে কী লাভ!! কুরবানীর আগে গরুর ব্যবসায়ী আর কুরবানীর পর গরুখোর... এদের কখনো লজ্জা পেতে দেখেছেন?? . - প্রকাশকদের কি কিছু বলা লাগবে? . কপি

শাইখুল ইসলাম মোস্তফা আসসবারী রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু : ১৩৭৩ হি.) বলেন, ‘সাম্প্রতিক পশ্চিমাদের আদর্শে বিশ্বাসীরা ইসলামি বিশ্বে নতুন যা কিছুই প্রবর্তন করেছে, তা দীনের বিরুদ্ধে চক্রান্ত ও ইসলামের সঙ্গে বিদ্রোহের প্রচেষ্টা হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রনীতি থেকে দীনকে পৃথককরণের ক্ষেত্রে তাদের চক্রান্ত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রের চক্রান্ত থেকে কঠিন ও ভয়ংকর। এটি জনগণের ধর্মের বিপক্ষে একটি রাষ্ট্রীয় বিপ্লব—যদিও বিপ্লব সাধারণত রাষ্ট্রের বিপক্ষে জনগনের হয়ে থাকে—এবং ইসলামের বিধিবিধানের সামনে রাষ্ট্রের আত্মসমর্পনের বিষয়টি বিনষ্টকরণ। বরং তা প্রথমত রাষ্ট্রের এবং দ্বিতীয়ত জনগোষ্ঠীর ইসলাম থেকে ‘ইরতিদাদ’ নিবৃত্ত হওয়া। যদি এই রাষ্ট্রের ভূখন্ডের অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে ‘ইরতিদাদে’ নাও হয়, সামগ্রিকভাবে তো অবশ্যই। এটি ব্যক্তিগত ইরতিদাদের চেয়ে কুফরির আরো সংক্ষিপ্ত পথ। বরং তা আলাদা আলাদা ব্যক্তি ব্যক্তির ইরতিদাদকে আবশ্যক করে। কেননা তারা ওই মুরতাদ রাষ্ট্রের বশ্যতা স্বীকার করে নেয়, যে রাষ্ট্র ইসলামের বিধিবিধানের অনুগত থাকার পর এখন নিজেকে স্বতন্ত্র দাবী করছেইসলাম থেকে মুরতাদ হওয়া কোনো শাসনব্যবস্থা ইসলামি বিশ্বের উপর ক্ষমতাসীন হওয়া এবং ইসলামবিবর্জিত ভিনদেশি কোনো রাষ্ট্র ইসলামি বিশ্ব দখল করে নেয়া; দুয়ের মধ্যে কী পার্থক্য? বরং মুরতাদ অন্যের তুলনায় ইসলাম থেকে বেশি দূরে এবং উম্মতের দীনের জন্য তার ক্ষতির প্রভাব আরো প্রবল। কেননা ভিনদেশি রাষ্ট্র সাধারণত ধর্মীয় জাতিগোষ্ঠীর বিষয়াদিতে হস্তক্ষেপ করে না এবং তাদের থেকে একটি শ্রেণিকে নির্ধারন করে দেয় যারা ওই সকল বিষয়াদিতে ফায়সালা প্রদানের দায়িত্ব গ্রহণ করে। অপরদিকে নিজের দীন থেকে মুরতাদ হওয়া রাষ্ট্রকে উম্মত নিজেদের অন্তর্ভুক্ত মনে করে চলছে। ফলে রাষ্ট্রের সঙ্গে তারাও ধীরে ধীরে মুরতাদ হয়ে যাচ্ছে। যদিও রাষ্ট্রের বশ্যতা স্বীকারের ক্ষেত্রে নিরুপায় হওয়ার বিষয়টি রয়েছে বলে রাষ্ট্রের সঙ্গে সবাই একসাথে মুরতাদ হয়ে যায়; একথা আমরা বলি না। এছাড়াও নিজ জাতীর শক্তি ও ক্ষমতায় ক্ষমতাবান রাষ্ট্রের বিপরীতে বাধ্যতামূলক অবস্থান কখনো ভিনদেশি রাষ্ট্রের বিপরীতে বাধ্যতামূলক অবস্থানের মত নয়। যার শক্তিও অনুরূপ ভিনদেশি। ... সহিহ কথা হচ্ছে রাষ্ট্র থেকে দীনকে পৃথককরণের বিষয়টি চাই রাষ্ট্র ও জনগনের কল্যাণে রাষ্ট্রীয় হর্তাকর্তাদের পক্ষ থেকে হোক বা বুদ্ধিজীবী লেখকদের পক্ষ থেকে হোক; ঈমানের সঙ্গে মিলতে পারে না। কেননা দীন আল্লাহর পক্ষ থেকে অবধারিত এবং কুরআন ও সুন্নাতে বর্ণিত বিধিবিধান আল্লাহ তায়ালার বিধিবিধান, যা তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে পৌঁছানো হয়েছে। যে ব্যক্তি সমাজকে (ধর্ম থেকে) পৃথককরণের নীতির নির্দেশনা দেয়, সে হয়তো নিজের ‘ইলহাদ’ গোপনকারী ... অথবা এমন নির্বোধ, যে রাষ্ট্র থেকে দীনকে পৃথক করার অর্থ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে অজ্ঞ। অথচ এটা স্পষ্ট যে, এ দাবীর অর্থই হচ্ছে, রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার উপর ইসলামের কর্তৃত্ব থেকে ইসলামকে সরিয়ে দেয়া এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের প্রবেশকে বাঁধাগ্রস্ত করা। এইজন্যই তো সাধারণত যে আলেমগণ পৃথককরনের নীতির পক্ষে তারাও রাষ্ট্রীয় কাজে জড়াতে নিষেধ করেন। তো যে ব্যক্তি মুসলমানদের একজন হওয়া সত্ত্বেও তার উপর দীনের আদেশ নিষেধের কর্তৃত্ব এবং তার প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের প্রবেশ গ্রহণ করে না, সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়। তাহলে ওই ব্যক্তি কেনো ইসলাম থেকে বের হবে না, যে রাষ্ট্রের কমিশনের সদস্য হিসেবে ইসলামের কর্তৃত্ব ও প্রবেশকে গ্রহণ করে না? . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্য্যতা; দুটি জীবনদর্শনের সঙ্ঘাত বই থেকে (প্রকাশিতব্য)

বিস্তারিত জানতে শুনুন। https://www.youtube.com/watch?v=_wXVApaHhcA
বিস্তারিত জানতে শুনুন। https://www.youtube.com/watch?v=_wXVApaHhcA

গতকাল মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব হাফিজাহুল্লাহ একটা প্রাইভেট অনুষ্ঠানে MEC তে এসেছিলেন। তিনি যাবার পর কাওসার ভাই একটা ছোট্ট ঘটনা উল্লেখ করলেন। হলরুমে চারটা এসিই ২০-২২ এ দেয়া ছিল যেহেতু মানুষে পরিপূর্ণ। হুজুরের হয়তো একটু ঠান্ডা লাগছিল, তাই তিনি প্রথমে মাফলার পরলেন, এবং পরে মোজাও পরে নিলেন। কাওসার ভাই হুজুরকে আস্তে জিজ্ঞেস করেছিলেন এসির ঠান্ডা কমিয়ে দিবেন কিনা। হুজুর বললেন "না না, অন্যদের কষ্ট হবে"। এই হচ্ছে শরীয়তের মেজাজ, নিজের প্রেফারেন্সের উপরে কোন জামাতের প্রেফারেন্সকে প্রাধান্য দেয়া, সবসময় অন্যদেরটা *আগে* খেয়াল করা। এটা লিডারশীপের ক্ষেত্রেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অনেকে কোথাও গেলে অন্যরা উপস্থিত থাকলেও, নিজের প্রেফারেন্স অনুসারে এসির তাপমাত্রা চেঞ্জ করে দেই, ফ্যান ছেড়ে দেই, অন্যদের জিজ্ঞেসও করি না। এই বিহেভিয়ার লিডারশিপ এর পরিপন্থী। অবশ্যই প্রথমে অন্যদের কথা ভাবতে হবে, পরে নিজের। অনেকসময় গাড়িতে দেখা যায় এসির ভেন্টগুলো ড্রাইভার সিটের দিকে তাক করা, একজন জেন্টেলম্যান সাথে প্যাসেঞ্জার থাকলে ভেন্টগুলো তাদের দিকে দিবে, জিজ্ঞেস করবে টেম্পারেচার ঠিক আছে কিনা, বাতাস পাচ্ছে তো ? খাবার টেবিলে খাবার নেবার আগে দেখবে বাকীরা নিয়েছে কিনা, এনশিওর করবে যাতে কোন বে-ইনসাফি না হয়। মোটকথা - একজন আদর্শ মু'মিন জামাতের প্রেফারেন্সকে নিজের প্রেফারেন্স এর উপর প্রাধান্য দিবে। কপি

Repost from Global Eye
صومالیہ ایک دوسرا افغانستان ہے۔ جہاں افغان کی طرح امریکہ اور اتحادی افواج عسکریت پسند گروپ القاعدہ کو شکست دینے کے لیۓ موجود ہیں۔ لیکن افغانستان کی طرح ہر گزرتا سال امریکہ کے لیۓ ایک دلدل بنتا جا رہا ہے۔ القاعدہ کے مہلک حملوں سے ملک کا دارالحکومت موغادیشو بھی محفوظ نہیں ہے۔ کوئ حکومتی عمارت، سفارت خانے، اقوام متحدہ کے ہیڈ کوارٹرز، قلعہ بند امریکی ہلنی بیس ہر جگہ پر الشباب (القاعدہ) خودکش حملہ آوروں کی نظر ہے۔ القاعدہ جنگجو صومالی فوج کے اندر سرائیت کر چکے ہیں جہاں وہ اعلیٰ حکومتی افسران اور غیر ملکی کمانڈروں پر جب مرضی فائر کھول دیتے ہیں۔ افغان کی طرح صومالیہ میں بھی امریکی جنرلز صومالی فوجی کیمپوں کا دورہ کرنے سے گھبراتے ہیں کہ کہیں القاعدہ کا خفیہ رکن ان پر فائرنگ نہ کر دے۔ ایسے ہی ایک خفیہ رکن کی فائرنگ سے متحدہ عرب امارات کے کئ اعلیٰ کمانڈر مارے گۓ تھے جس کے بعد اماراتی حکام نے صومالیہ میں اپنا فوجی مشن (عام عوام کا قتلِ عام) ختم کر دیا تھا 📸|| ویڈیو صومالیہ میں القاعدہ ملٹری کیمپ کی ہے جس کا نام انہوں نے عالمی عسکریت پسند اور امریکیوں کے لیۓ خوف کی علامت "اسامہ بن لادن" رکھا ہے #گلوبل_آئ @GlobalEyee

এবার বইমেলায় ইনশাআল্লাহ
এবার বইমেলায় ইনশাআল্লাহ

ASR_E_HAZIR_MEIN_GHALABA_E_DEEN.pdf6.27 MB

দীন কায়েমের স্তর কারী তাইয়েব সাহেবের একটি তাদাব্বুর : কারী তাইয়েব সাহেব রহিমাহুল্লাহ "আফতাবে নবুওয়াত" গ্রন্থে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পুরো জীবন নিয়ে তাদাব্বুর করে একটু নুকতা লেখেন, 'যেমনিভাবে এই দুনিয়া আল্লাহ সাত দিনে সৃষ্টি করেছেন তেমনি নবুওয়াতের আলোও বিকাশিত হয়েছে সাত দিনে। ১। ইয়াউমুল উইলাদাত। (জন্মগ্রহণের দিন)। ২। ইয়াউমুল বি'সাত (নবুওয়াত প্রাপ্তির দিন। ৩। ইউয়ামুদ দাওয়াত (প্রকাশ্যে দাওয়াতের দিন)। ৪। ইয়াউমুল হিজরত (হিজরতের দিন)। ৫। ইয়াউমুল কুওয়াহ (যেদিন জি হা দের আদেশ এসেছে)। ৬। ইয়াউমুশ শাওকাত (যেদিন মক্কা বিজয় হয়েছে)। ৭। ইয়াউমুল আকমাল (যেদিন দীন পূর্ণ হওয়ার আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে)। এরপর লেখেন, যারাই দীন কায়েমের জন্য কাজ করবে তাদের এই সাতটি স্তর অতিক্রম করতে হবে। সূত্র : আসরে হাজের ম্যে গালাবায়ে দীন কী নববি তরিকায়ে কার, পৃ. ৯৭ . একটি আলোচনার জন্য খুজতে গিয়ে এটা পেলাম।

এটাই হলো চূড়ান্ত কথা। আল্লাহ হযরতের হায়াতে বারাকাত দান করুন। এবং আমাদের উপর হযরতের ছায়াকে দীর্ঘায়িত করুন।
এটাই হলো চূড়ান্ত কথা। আল্লাহ হযরতের হায়াতে বারাকাত দান করুন। এবং আমাদের উপর হযরতের ছায়াকে দীর্ঘায়িত করুন।

শায়খ নুরুল হুদা রহ. মুজাহিদদের সমর্থক ছিলেন। বিষয়টি সকলেই জানেন। উস্তাদ আহমদ ফারুক রহ. আমাকে বলেছেন, শায়খ নুরুল হুদা রহ. এক মজলিসে তাঁকে একটি ঘটনা বলেছিলেন, একবার শায়খ নুরুল হুদা রহ, জামিয়া বানুরী টাউনে যান। তার অনুরোধে বানুরী টাউনের দারুল ইফতার তৎকালীন প্রধান মুফতী আব্দুল মাজীদ দীনপুরী রহ. ও অন্যান্য উস্তাদ একত্র হন। শায়খ নুরুল হুদা বহ, তাঁদের সামনে বসিয়ে চল্লিশ মিনিট ধরে আলোচনা করেন। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল 'সংবিধান বা আইন-কোনোটির ভিত্তিতেই পাকিস্তানকে দারুল ইসলাম বলা যায় না; একে সত্যিকার অর্থে দারুল ইসলাম বানাতে দাওয়াত ও জিহাদের আমল করতে হবে।' শায়খ নুরুল হুদা রহ, বলেন, "আমার চল্লিশ মিনিটের আলোচনায় কেউ কোনো আপত্তি করেননি। যখন দেখলাম, আমি একাই কথা বলছি, কেউ আপত্তি করছে না; তখন তাদের বললাম, ভাইয়েরা, আমি ভুল বলে থাকলে কেউ তো (বিপরীত) দলীল দিন।" তখন মুফতী আব্দুল মাজীদ দীনপুরী রহ. বললেন, "আমরা কখন বললাম, আপনি ভুল বলছেন। কিন্তু বিষয়টা হলো, সবাই আপনার মতো মরার জন্য প্রস্তুত না। আপনি শতভাগ সঠিক বলছেন। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় এসব কথার অর্থ মৃত্যু ছাড়া আর কিছু না।" শায়খ নুরুল হুদা রহ, যখন উস্তাদ আহমাদ ফারুককে এ ঘটনা বলেছেন, ততদিনে মুফতী আব্দুল মাজীদ দীনপুরী রহ.-কে করাচিতে টার্গেট কিলিংয়ের মাধ্যমে শহীদ করে ফেলা হয়েছিল। শায়খ নুরুল হুদা রহ, ঘটনা বলার সময় উস্তাদ আহমদ ফারুককে হাসতে হাসতে বলেছিলেন 'দেখো, মুফতী সাহেব তো শহীদ হয়ে গেলেন, অথচ আমি এখনও জীবিত।' সূত্র : পাকিস্তান রাষ্ট্রের শরয়ী অবস্থান, মাওলানা মুসান্না হাসসান হাফিজাহুল্লাহ

এত এত মানুষকে না করার পর অতঃপর হাম্মাদ ভাইয়ের জালে আটকা পড়লাম। ভিডিও হবে না, তাই আলোচনাগুলো সেখানেই থাকবে শুধু।
এত এত মানুষকে না করার পর অতঃপর হাম্মাদ ভাইয়ের জালে আটকা পড়লাম। ভিডিও হবে না, তাই আলোচনাগুলো সেখানেই থাকবে শুধু।

ইফতেখার জামিল সময়ে সময়ে অসংখ্য ফিতনা নিয়ে আসে। কয়দিন আগে এক বিশ্রী দাবী করে বসলো, জিহাদ শুধুই কাফেরদের সাথেই খাস। এর বাহিরে কোনো জিহাদ নাই। যারা রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার জন্য জিহাদের কথা বলে তারা বাটপার। তার মূল দাবী হলো, শাসকের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ, বা শাসক কর্তৃক বাগিদের দমানোর জন্য যে অস্ত্র ধারণ সেটা জিহাদ নয়। এটাকে জিহাদ বলা নাকি। আমি এর আগেও তার এই ভ্রান্ত দাবীর খণ্ডন করেছি। পরে সে আমার দাবীর উত্তর না দিতে পেরে আজাইরা একটা ব্যাখ্যা দাঁড়া করালো! হাহা!! ইবনে হজমের একটি ইবারত দিচ্ছি। দেখেন, শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহকে তিনি কত স্পষ্ট করে জিহাদ শব্দ দিয়ে ব্যক্ত করছেন। فلو كان خوف ما ذكروا مانعا من تغيير المنكر ومن الأمر بالمعروف لكان هذا بعينه مانعا من جهاد أهل الحرب وهذا مالا يقوله مسلم وإن ادعى ذلك إلى سبي النصارى نساء المؤمنين وأولادهم وأخذ أموالهم وسفك دمائهم وهتك حريمهم ولا خلاف بين المسلمين في أن الجهاد واجب مع وجود هذا كله ولا فرق بين الأمرين وكل ذلك جهاد ودعاء إلى القرآن والسنة এধরনের আরো অসংখ্য ইবারত চাইলে দেওয়া যাবে, যদি তার ভ্রান্তি নিয়ে একদিন বসি। ফিতনা উসকানো বহু সহজ। কিন্তু তার বিরুদ্ধে বিস্তর ঘাটাঘাটি করে খণ্ডন বহুত কঠিন। আল্লাহ তাকে বুঝদান করুন।

ইফতেখার জামিল সময়ে সময়ে অসংখ্য ফিতনা নিয়ে আসে। কয়দিন আগে এক বিশ্রী দাবী করে বসলো, জিহাদ শুধুই কাফেরদের সাথেই খাস। এর বাহিরে কোনো জিহাদ নাই। যারা রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার জন্য জিহাদের কথা বলে তারা বাটপার। তার মূল দাবী হলো, শাসকের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ, বা শাসক কর্তৃক বাগিদের দমানোর জন্য যে অস্ত্র ধারণ সেটা জিহাদ নয়। এটাকে জিহাদ বলা নাকি। আমি এর আগেও তার এই ভ্রান্ত দাবীর খণ্ডন করেছি। পরে সে আমার দাবীর উত্তর না দিতে পেরে আজাইরা একটা ব্যাখ্যা দাঁড়া করালো! হাহা!! ইবনে হজমের একটি ইবারত দিচ্ছি। দেখেন, শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহকে তিনি কত স্পষ্ট করে জিহাদ শব্দ দিয়ে ব্যক্ত করছেন। فلو كان خوف ما ذكروا مانعا من تغيير المنكر ومن الأمر بالمعروف لكان هذا بعينه مانعا من جهاد أهل الحرب وهذا مالا يقوله مسلم وإن ادعى ذلك إلى سبي النصارى نساء المؤمنين وأولادهم وأخذ أموالهم وسفك دمائهم وهتك حريمهم ولا خلاف بين المسلمين في أن الجهاد واجب مع وجود هذا كله ولا فرق بين الأمرين وكل ذلك جهاد ودعاء إلى القرآن والسنة