ch
Feedback
আলোর পথ

আলোর পথ

前往频道在 Telegram

আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।

显示更多
9 341
订阅者
+424 小时
+107
-1030
帖子存档
Repost from N/a
ফিদাকা ইয়া রাসালুল্লাহ ❤️

আপনাকে কি করে ভালো না বেসে থাকতে পারি, ইয়া রাসূলাল্লাহ? আপনি তো আমাকে না দেখেও ভালোবেসেছিলেন সেই ১৪০০ বছর আগে। অশ্রুসিক্ত নয়নে ভাই বলে সম্বোধন করেছিলেন। আসন্ন সে বিভীষিকাময় দিনে আমার জন্য পেরেশান হয়ে উম্মাতি উম্মাতি বলে কাঁদবেন। মাকামে মাহমুদে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে আমার মুক্তির জন্য আকুতি জানাবেন। কি করে আপনাকে ভালো না বাসি, ইয়া রাসূলাল্লাহ? সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।🩵

Repost from N/a
Fact: স্ত্রী পরকীয়া করছে। Women: স্বামীর সমস্যা আছে, ঠিক মতো কেয়ার করলে এরকম হতো না। সে সংসারের মধ্যে কী করে কে জানে! Fact: স্বামী পরকীয়া করে সরে যেতে চায় অথবা ২য় বিয়ে করে দুইজনকে নিয়ে থাকতে চায়। women: সব পুরুষের চরিত্র একই, লম্পট একেকটা! Fact: স্ত্রীর পরকীয়ায় স্বামীর শাসন কিংবা সংসার টিকাতে জোরাজোরি। Women: যে যেতে চায় তাকে ধরে রাখার কী আছে! উত্তম পুরুষের কাজ হলো তাকে মুক্ত করে দিয়ে মহানুভবতা দেখানো। Fact: স্বামী পরকীয়া/২য় বিয়ে করায় স্ত্রী নু** কেটে দিছে। Women: একদম ঠিক্কাছে, কর এবার পরকীয়া! Fact: স্বামীকে স্ত্রী ছেড়ে চলে যেতে চায়। Women: হয়তো ঘরের মধ্যে নির্যতন আর সইতে পারছে না বা মনমানসিকতার মিল হচ্ছে না। Fact: স্ত্রীকে স্বামী ছেড়ে চলে যেতে চায়। Women: পুরুষকে বিশ্বাস করা টাফ, হয়তো নতুন কাউকে ধরেছে এখন ঘরের বউ ভালো লাগবে কেনো! কী, বক্তব্যগুলো চেনা মনে হয় না? মনে হয় না মেয়েরা কখনো, কোনোভাবেই কোনো অপরাধ করতে পারে না? তারা শুধুই পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে করে, কিংবা পুরুষ তাদের বাধ্য করে? অথচ মেয়েরা প্রতারণাও করে। বিশ্বাসঘাতকতা করে। ম্যান্টালি এবিউজ করে। নতুন নতুন অপশন খোঁজে। ধর্ম কিংবা পরিবারের অজুহাতে চিট করে। অথচ দিনশেষে সব দোষ ছেলেদের ঘাড়েই আসে।

যখনই কোনো ভালো কাজের নিয়ত করেন, ফেরেশতারা সাথে সাথে সেটার সওয়াব আপনার আমলনামায় লিখে ফেলে। সেই ভালো কাজ করতে পারলেন কী না সেই অপেক্ষায় থাকে না। কিন্তু, যখন কোনো খারাপ কাজের চিন্তা মাথায় আসে, ফেরেশতারা ততক্ষণ অবধি সেই খারাপ কাজের গুনাহ আপনার আমলনামায় লিখে না, যতক্ষণ না আপনি সেই খারাপ কাজটায় লিপ্ত হচ্ছেন। কতো দয়াময় আপনার রব, ভাবুন!

Repost from N/a
স্বামীদের প্রতি হজরত থানভির কঠিন প্রশ্ন! হজরত থানভি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, "অনেক পুরুষ মনে করে, আমরা নারীদের পোশাক-আশাক দিই, ভরণপোষণ দিই—ব্যস, সব হক আদায় হয়ে গেছে! আমাদের আর কোনো দায়িত্ব নেই! অথচ স্ত্রীরা ঘরের যে পরিমাণ কাজ করে থাকে, তার তুলনায় ওই ভরণপোষণের টাকা কিছুই না। ওই টাকা দিয়ে এসব কাজের জন্য ফুলটাইম কোনো বুয়া বা কাজের লোকই খুঁজে পাওয়া যাবে না। যদি সন্দেহ হয়, তাহলে যাচাই করে দেখে নিতে পারেন। দেখবেন, স্ত্রী ছাড়া কস্মিনকালেও ঘরদোর ঠিক থাকতে পারে না। আপনার যদি এক লক্ষ সেবকও থাকে, তবুও তারা ঘরবাড়ি তেমনভাবে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখতে পারবে না, যেভাবে আপনার স্ত্রী রেখে থাকে।" ~ইত্তিহাদ পাবলিকেশন

আমিন

Repost from N/a
কত মানুষই তো বাঁচতে চায়। তারা জীবনের অসংখ্য রঙ, স্বপ্ন আর প্রিয় মানুষগুলোর মায়াকে ফেলে বিদায় নিতে চায় না। কিন্তু.... কিন্তু! কিন্তু পৃথিবী সব সময় সবার প্রতি সমানভাবে দয়ালু হয় না। কারো কারো জীবনে বিষাদের ছায়া এতটাই গভীর হয়ে ওঠে, এতটাই যে, তখন প্রতিটি নিঃশ্বাসই যেন হয়ে ওঠে এক একটি বিশ্বযুদ্ধ! প্রতিটি সকাল নতুন এক লড়াই, প্রতিটি রাত অবসন্ন এক আত্মসমর্পণের প্রহর। তারা মৃত্যুকে ভালো না বাসলেও, অসহনীয় যন্ত্রণার ভারে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কখনো কখনো তাদের জীবনে বিষাদের ভার এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে, এতটাই অসহনীয় হয়ে ওঠে যে, তখন সবর করে বেঁচে থাকার শক্তিটুকুও আর তাদের মধ্যে অবশিষ্ট থাকে না। তাদের ছেড়ে দেওয়া প্রতিটি কার্বন ডাই-অক্সাইড যেন একেকটি পারমাণবিক বিস্ফোরণ, আর টেনে নেওয়া প্রতিটি অক্সিজেন যেন বুকের গভীরে নেমে আসা একেকটি আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত। এই অসহনীয় যুদ্ধ কয়জনই বা চালিয়ে যেতে পারে? এই দারুণ দুঃসহ লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার শক্তি কজনেরই-বা থাকে? যন্ত্রণার বহ্নিশিখা বইবার শক্তি যাদের থাকে না, যাদের কাঁধ এত ভার বহন করার মতো শক্ত নয়, তাদের জীবনেই বা কেন নেমে আসে সবচেয়ে ভারী ভারী পরীক্ষাগুলো? তাদের জন্যই বা কেন বারংবার যন্ত্রণার জটিল আগ্নেয়গিরির লাভাগুলো উদগীরণ হতে থাকে? দিন শেষে সম্ভবত এটাই সত্যিই যে, যন্ত্রণার বহ্নিশিখা বইবার শক্তি যাদের থাকে না, অধিকাংশ সময় তাদের ভাগ্যেই সবচেয়ে দহনময় জীবনের পথরেখা আকা থাকে। দহনের নদী পাড়ি দিতে দিতে তারপর একসময় তারা হারিয়ে যায় ঠিকই, তবে রয়ে যায় শুধু তাদের না-বলা যন্ত্রণার প্রতিধ্বনি। #জীবনযন্ত্রণা-০১

ধমকাইয়া বেশি দিন চুপ রাখা যায় না, পেশি শক্তি দেখাইয়া ধমকাইয়া রাখা যায় না। সত্যের পথে মানুষকে ডাকো তোমার পরাজয় হবে না, তবে পেশি শক্তি যারা দেখায় তাদের শক্তি বেশি দিন চলে না

Repost from N/a
এইবার বুঝা যাবে কার বিবাহের বয়স হয়েছে আর কার হয় নাই !
এইবার বুঝা যাবে কার বিবাহের বয়স হয়েছে আর কার হয় নাই !

Repost from N/a
এঙ্গেলে মাইর 😊

Repost from N/a
মেসি আজকে হেরে গেলেও মেসিকে নিয়ে কোনো ট্রল বা নোংরামি করব না। কারণ মেসি তো শুধুমাত্র সাম্রাজ্যবাদীদের পাপেট মাত্র। এক মেসির মাধ্যমে তারা হাজারটা খুনের বৈধতা দেয়। আপনারা বিশ্বব্যাপী কোকাকোলা বয়কট করছেন, আর ওদিকে কোকাকোলা ফিফাকে হাজার কোটি টাকা দিয়ে স্পনসর করে নিজেদের জনপ্রিয়তা বাড়াচ্ছে। এবং... আজকের ফুটবল শুধু মাঠের ৯০ মিনিটের খেলা নয়। রাষ্ট্র, কূটনীতি, ব্যবসা আর ভূরাজনীতিও এর সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। যখন ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুর মতো বিশ্বনেতারা, রাষ্ট্রপ্রধানরা ও বড় শক্তিগুলো নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান থেকে দল বা খেলোয়াড়কে সমর্থন দেয়, তখন খেলাকে শুধু বিনোদন হিসেবে দেখা কঠিন। এই কারণেই আমি স্পেনকে সমর্থন করি। আমার কাছে স্পেনের জয় শুধু একটি দলের জয় নয়, বরং তাদের আন্তর্জাতিক অবস্থানের প্রতিফলন।

Repost from N/a
"একবার গৌতম বুদ্ধ তাঁর কয়েকজন অনুসারী নিয়ে ভ্রমণ করছিলেন । পথে এক হ্রদ পড়লে বুদ্ধ তাঁর শিষ্যদের একজনকে বললেন, "আমি তৃষ্ণার্ত। আমার জন্য হ্রদ থেকে কিছু পানি আনো।" শিষ্য হ্রদে গিয়ে পৌঁছানো মাত্র একটি গরুর গাড়ি হ্রদ অতিক্রম করতে শুরু করে। ফলে পানিতে ঘূর্ণন ওঠে এবং তা কর্দমাক্ত হয়ে যায়। শিষ্য ভাবলো " এই পানি আমি বুদ্ধকে কী করে পান করতে দেব?" তাই তিনি ফিরে আসেন এবং বুদ্ধকে বলেন, "সেখানে পানি খুব ময়লা। এটা পান করার উপযুক্ত না ।" প্রায় আধা ঘন্টা পর বুদ্ধ আবার একই শিষ্যকে যেতে বলেন সেখান থেকে পানি আনতে। শিষ্য গিয়ে দেখলেন যে কাদা এখনও জমে গেছে। তিনি ফিরে আসেন এবং একই কথা বুদ্ধকে জানান। কিছুক্ষণ পরে, আবার বুদ্ধ শিষ্যকে পানি আনতে যেতে বললেন। এই সময়, শিষ্য দেখলো , কাদা স্থির হয়ে গেছে, এবং জল পরিষ্কার। অতঃপর তিনি একটি পাত্রে কিছু পানি সংগ্রহ করে বুদ্ধর জন্য নিয়ে এলেন। বুদ্ধ পানির দিকে তাকিয়ে শিষ্যকে বলেন, "দেখো, এই জল পরিষ্কার করার জন্য তুমি কি করেছ? কিছুই না । কেবল অপেক্ষা করেছ ,আর কাদাগুলি নিজ থেকেই স্থির হয়ে নীচে জায়গামত ফিরে গেছে এবং তোমার আজলায় পরিষ্কার জল এসে গেছে।" তোমার মনও ঠিক তেমন ! যখন এটি অস্থির , অশান্ত , বিক্ষুব্ধ হবে তখন শুধু মনকে একটু সময় দেবে। এটা নিজে থেকেই স্থির হবে।.….সময় সবকিছু নিরাময় করে !!"

Repost from N/a
তোমরা যারা প্রেম করছো বা হবে হবে অবস্থা তোমাদের কিছু কথা বলবো। প্রথমেই একটা কথা মাথায় রাখো, প্রেম কোনো টাইমপাস না। প্রেম একটা কমিটমেন্ট। তাই যদি সত্যিই কাউকে ভালোবাসো তাহলে ফেইসবুক, ইন্সটাগ্রাম বা অন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপরীত লিঙ্গের অপ্রয়োজনীয় অপরিচিত মানুষদের সাথে যোগাযোগ রাখা বন্ধ করো। যাকে নিজের মানুষ বলতে চাও, তাকে নিরাপত্তা আর সম্মান অনুভব করানো তোমার দায়িত্ব। একটা বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ, কনসেন্ট। প্রথম দিন তো দূরের কথা, কোনো দিনই অনুমতি ছাড়া তার হাত, কাঁধ বা শরীরের কোনো অংশে স্পর্শ করবে না। হাত ধরার ক্ষেত্রেও অনুমতি প্রয়োজন। আমাদের সমাজের অনেক মেয়েই ছোটবেলা থেকে নানা ধরনের এবিউজ বা ট্রমার মধ্যে দিয়ে বড় হয়। একজন নিরাপদ একজন মানুষ হও, ট্রমা না। শুরু থেকেই নিজের ব্যাপারে সৎ থাকো। নিজের পরিবার, অর্থনৈতিক অবস্থা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, জীবনদর্শন, ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত মূল্যবোধ, বিয়ে নিয়ে চিন্তা, এমনকি নিজের সীমাবদ্ধতাও লুকাবে না। সবার পছন্দ এক রকম হয় না, তোমারও কিছু নির্দিষ্ট চাওয়া থাকতে পারে। সেগুলো শুরুতেই আলোচনা করো। পরে এগুলো নিয়ে দ্বন্দ্ব হওয়ার চেয়ে আগে পরিষ্কার হওয়া অনেক ভালো। প্রেম শুরু করার আগে নিজের কাছে একটা প্রশ্ন করো, আমি কি এই মানুষটাকে বিয়ে করার সাহস রাখি? যদি সেই ইচ্ছা বা সাহসই না থাকে তাহলে কাউকে আবেগে জড়ানো উচিত না। পাশাপাশি দুই পরিবারের ব্যাপারেও খোলামেলা কথা বলো। কারণ বাস্তব জীবনে শুধু দুজন মানুষ না, দুইটা পরিবারও বড় ফেক্টর। প্রথম দেখা করতে গেলে সম্ভব হলে একটা লাল গোলাপ নিয়ে যেও বা একটা বই। সুন্দর এলিমেন্ট আর স্মৃতি জরুরি। রাগ, অভিমান, মতবিরোধ সব সম্পর্কেই থাকবে। কিন্তু কখনোই চিৎকার, অপমান, গালাগালি বা পাবলিক প্লেসে ছোট করা যাবে না। প্রাইভেটেও না। ভদ্রতা শুধু অন্যদের সামনে দেখানোর জিনিস না, এটা চরিত্রের অংশ। Be a man with etiquette and culture. একইভাবে, তার পরিবারকে অসম্মান করবে না, তোমার পরিবারকেও অযথা অসম্মান করতে দেবে না। যদি দেখো তোমার পার্টনার অহেতুক নিজের বাবা-মাকে অপমান করে বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, কিংবা বিনা কারণে তোমার বাবা-মাকে অপমান করে তাহলে সম্পর্কটা নতুন করে ভেবে দেখো। কারণ যে মানুষ সম্মান করতে শেখেনি, সে একদিন সেই আচরণ তোমার প্রতিও করবে। কোনো সমস্যা হলে পালিয়ে যেও না। কথা বলো, সমাধানের চেষ্টা করো। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখে যোগাযোগ, নীরবতা না। আর “আমি এমনই”, এই কথাটা খুব ভালো গুণ না। সময়, স্থান, পরিস্থিতি এবং যাকে ভালোবাসো, তার জন্য নিজের অনেক আচরণ পরিমার্জন করতে হয়। পরিবর্তন মানে নিজের অস্তিত্ব হারানো না বরং আরও পরিণত হওয়া। সবশেষে একটা কথাই বলবো, Your partner deserves the best, you have to be that best.

Repost from N/a
কারো অশ্লীল ভাষার জবাবে তুমিও যদি অশ্লীল ভাষা ব্যাবহার করো, তাহলে কৃতিত্ব তার-ই! কারন সে তোমাকে তার শ্রেণীতে নামিয়ে আনতে পেরেছে!!

Repost from N/a
কেমন আছো, সব ঠিকঠাক? নিঃশ্বাস নিচ্ছি। শ্বাস চলমান। -মানে, এটা কেমন উত্তর? - রুহটা বারবার আল্লাহর দিকে ফিরে যেতে চায়, কিন্তু দুনিয়া তাকে টেনে রাখে। এই দুনিয়ার সাথে লড়াই করতে করতে আজ আমি বিধ্বস্ত, বাকি রইলো কেবল নিঃশ্বাস। বইঃ হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের কথা।

এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীর জন্য আন্তরিক দু'আ ও শুভকামনা #HSCAlimExam #AlolPath
এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীর জন্য আন্তরিক দু'আ ও শুভকামনা #HSCAlimExam #AlolPath

Repost from N/a
আপা, একটা মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার কাছে এসেছি। আপনার মেয়েটাকে আমাদের বড় পছন্দ হয়েছে। -আমাদের মেয়েকে কোথায় দেখেছেন, সে তো খাস পর্দা করে? -জি, আপা আপনার মেয়ে খাস পর্দা করে সেটা আমরা জানি। তার ছবিটা আমরা অনলাইনে পেয়েছি। -অনলাইনে? অসম্ভব। আমাদের মেয়ের কোনো ছবি অনলাইনে নেই। -জি, আপু, আপনার কথা সত্য। তার পুরো ছবি অনলাইনে নেই। -তাহলে কোথায় পেয়েছেন? -আমরা ফেসবুক থেকে তার মেহেদীরাঙা ডানহাতের ছবি নিয়েছি। ওয়াটসএ্যাপ থেকে তার চেহারার একাংশের ছবি, ইনস্টাগ্রাম থেকে আরেকাংশের ছবি নিয়েছি। স্ন্যাপশট থেকে বামহাতের ছবি নিয়েছি। টুইটারে তার দীঘল কালো চুলের ছবি পেয়েছি। আলতা ও ঘুঙুর পরা পায়ের ছবি পেয়েছি ইমোতে। পাজলের মতো বিচ্ছিন্ন অংশগুলো জোড়া লাগিয়ে পুরো ছবিটা পেয়েছি। মা শা আল্লাহ, আপনার মেয়েটা অনেক সুন্দর, লাজুক আর ‘পর্দানশীন’। আল্লাহ তাআলা তাকে আরো পর্দানশীন বানিয়ে দিন।

খ্রিষ্টীয় ক্যালেন্ডারের পাতায় ২০৫০ সাল। উপমহাদেশের ভূ-গোলকে একটি বড়ো সড়ো পরিবর্তন ঘটে গেছে। নয়াদিল্লিস্থ কেন্দ্রীয় সরকারের সচিবালয় নর্থ ব্লকের একটি হলরুমে মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন দেশটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সর্বনাশ হয়ে গেছে তাদের। চতুর্থ জনবহুল রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ হাতছাড়া হয়ে গেছে। বাংলাদেশের মানচিত্রে যুক্ত হয়েছে নতুন পাঁচটি বিভাগ– বর্ধমান, মালদহ, জলপাইগুড়ি, প্রেসিডেন্সি এবং মেদিনীপুর। বিভাগগুলোর অন্তর্ভুক্ত নতুন তেইশ জেলা যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ পরপর কপাল চাপড়াচ্ছেন। তার চোখের নিচে কালি। বাংলাদেশে নতুন যুক্ত হওয়া জেলাগুলোর নাম সুন্দর– আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, বীরভূম, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং, হুগলি, হাওড়া, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, কালিম্পং, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া এবং কলকাতা। দুই বঙ্গ মিলিয়ে প্রায় আড়াই লক্ষ বর্গকিলোমিটারের এক সুবিশাল দেশে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। জনসংখ্যা চল্লিশ কোটির কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছেছে। রাজধানী ঢাকাতে আছে বটে, তবে কলকাতা অগুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েনি। দুঃসংবাদ এ পর্যন্ত হলেও নয়াদিল্লির নেতারা হয়তো সহ্য করতে পারতেন। তারও চেয়ে বড়ো দুঃসংবাদ হলো– সেভেন সিস্টার্স তথা উত্তরপূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য আলাদা হয়ে নতুন এক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। নবগঠিত রাষ্ট্রের এই রাজ্যগুলো হলো– অরুণাচল, মেঘালয়, মিজোরাম, মনিপুর, ত্রিপুরা, আসাম, নাগাল্যান্ড। চিকেন'স নেক বা মুরগির গলাই মূলত এই সাতটি রাজ্যের স্বাধীন হবার নেপথ্য কারণ। জায়গাটিকে শিলিগুড়ি করিডোরও বলা হয়। মাত্র ২০-২২ কিলোমিটারের একটি ছোটো করিডোর একশ বছর ধরে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছিল সাত বোনকে। তারা চেয়েছিল রংপুর বিভাগ দখল করে নিতে। লোভে হয়েছে পাপ, পাপে হয়েছে মৃ ত্যু। এই বিভাগের আটটি জেলার ওপর চোখ পড়েছিল। শাস্তি হিসেবে এখন তাদের আটটি রাজ্য হাতছাড়া। সাতটি মিলে একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়েছে। অন্য রাজ্যটি যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে। নবগঠিত রাষ্ট্রটির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হরিহর আত্মার; এক থালায় ভাত খায়। নয়াদিল্লির মর্সিয়া ক্রন্দন থামছে না। এই সবকিছুর পেছনে নেপথ্য গেম খেলেছে চীন এবং পাকিস্তানও। ঢাকা এবং আসামের মতো আজ ইসলামাবাদ এবং বেইজিংও ক্রুর হাসি হাসছে। যে হাসির অর্থ– 'কি বাছাধন! কেমন লাগে?' 'পুনরেখা'

Repost from N/a
বউ কল দিয়া কইছে, অফিস শেষ কইরা আসার সময় মাথার দুইটা ক্লিপ আইন্নো। ‎ ‎অফিস শেষ কইরা কসমেটিকস এর দোকানে যাইয়া দুইটা সুন্দর ক্লিপ কিনলাম, দোকান থেকে বের হইয়া মনে হইলো এখন যদি এই ক্লিপ নিয়া দেই, বউ কইব তুমি বেডা মানুষ এতো সুন্দর ক্লিপ কেমনে কিনলা? নিশ্চিত আগে কাউরে কিন্না দিছো, শুরু হইবো সারারাইতের ওয়াজ। ‎ ‎পরে বুদ্ধি কইরা মাথার ক্লিপ ফেরত দিয়া কাপড় রোদ দেওয়ার ক্লিপ নিয়া আসছি! 🙂 ‎ ‎এইদিকে বউ ফেইসবুকে পোস্ট করছে " আলহামদুলিল্লাহ জামাই বোকা হলেও লয়াল।😇😇" ‎ ‎(ইনবক্স থেকে নেওয়া)

Repost from N/a
Did anyone feel the earthquake just now?😥 #Earthquake