ch
Feedback

不要被骗子欺骗!Telemetrio 会找到并标记这些频道 👉 如果想查看标记,请订阅

আলোর পথ

আলোর পথ

前往频道在 Telegram

আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।

显示更多
9 329
订阅者
无数据24 小时
-177 天
-1430 天
吸引订阅者
10月 '26
十月 '26
+50
在0个频道中
九月 '26
+146
在0个频道中
Get PRO
八月 '26
+181
在0个频道中
Get PRO
七月 '26
+162
在0个频道中
Get PRO
六月 '26
+124
在0个频道中
Get PRO
五月 '26
+177
在0个频道中
Get PRO
四月 '26
+123
在0个频道中
Get PRO
三月 '26
+26
在1个频道中
Get PRO
二月 '26
+83
在0个频道中
Get PRO
一月 '26
+27
在0个频道中
Get PRO
十二月 '25
+46
在0个频道中
Get PRO
十一月 '25
+66
在0个频道中
Get PRO
十月 '25
+49
在0个频道中
Get PRO
九月 '25
+34
在0个频道中
Get PRO
八月 '25
+57
在0个频道中
Get PRO
七月 '25
+74
在0个频道中
Get PRO
六月 '25
+58
在2个频道中
Get PRO
五月 '25
+72
在0个频道中
Get PRO
四月 '25
+134
在1个频道中
Get PRO
三月 '25
+142
在0个频道中
Get PRO
二月 '25
+99
在0个频道中
Get PRO
一月 '25
+296
在0个频道中
Get PRO
十二月 '24
+506
在0个频道中
Get PRO
十一月 '24
+503
在0个频道中
Get PRO
十月 '24
+605
在1个频道中
Get PRO
九月 '24
+1 113
在3个频道中
Get PRO
八月 '24
+2 087
在5个频道中
Get PRO
七月 '24
+1 539
在5个频道中
Get PRO
六月 '24
+510
在0个频道中
Get PRO
五月 '24
+678
在0个频道中
Get PRO
四月 '24
+635
在1个频道中
Get PRO
三月 '24
+723
在2个频道中
Get PRO
二月 '24
+505
在4个频道中
Get PRO
一月 '24
+258
在1个频道中
Get PRO
十二月 '23
+714
在1个频道中
日期
订阅者增长
提及
频道
16 十月0
15 十月+3
14 十月0
13 十月+1
12 十月+6
11 十月+1
10 十月+3
09 十月+4
08 十月+2
07 十月+1
06 十月0
05 十月+5
04 十月+10
03 十月+3
02 十月+5
01 十月+6
频道帖子
চিঠি লিখুন এখন😊

2
International Day for Failure. 13 Oct 2026. * আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া ব্যর্থতা নিয়ে, চিঠি পাঠান।
453
3
😊
😊
607
4
চিঠি লিখুন 😊
768
5
২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান: গালফ নিউজ আলহামদুলিল্লাহ
899
6
চিঠির উত্তর 👉 এখানে
902
7
চিঠি লিখুন মন খুলে, https://chithi.me/Alolpath26
885
8
আল্লাহ আপনাকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন আমীন!
আল্লাহ আপনাকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন আমীন!
1 055
9
আজ ঐতিহাসিক ৭ই অক্টোবর। তুফানুল আকসার তৃতীয় বছর। এই তুফান মসজিদুল আকসা বিজয়ের মাধ্যমেই শেষ হবে ইন শা আল্লাহ।+1
আজ ঐতিহাসিক ৭ই অক্টোবর। তুফানুল আকসার তৃতীয় বছর। এই তুফান মসজিদুল আকসা বিজয়ের মাধ্যমেই শেষ হবে ইন শা আল্লাহ।
1 036
10
Continue...
Continue...
360
11
October
October
582
12
আমার ছেলেকে আমি কখনো বলিনি, ছোটবেলায় আমি কী কী পাইনি। কারণ অভাবের কথা সন্তানকে বলতে নেই। সন্তানকে শুধু যতটা পারা যায়, তার প্রাপ্যটা দিতে হয়। এই বিশ্বাস নিয়েই আমি বড় হয়েছি। আমার বয়স এখন বিয়াল্লিশ। ঢাকার মিরপুরে নিজের ফ্ল্যাটে থাকি। চাকরি করি নামিদামি কোম্পানিতে। মাস শেষে যা বেতন আসে, ছেলের স্কুলের বেতন দিতে পারি। মাঝে মাঝে বাইরে খেতে পারি। আর সবচেয়ে বড় কথা, আমার ছেলে কিছু চাইলে অন্তত প্রথমে আমাকে পকেটের হিসাব করতে হয় না। এই একটা জায়গায় এসে আমি নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি। আমার ছেলের নাম জোহান। বয়স বারো। ছোটবেলায় ওকে একটা সাইকেল কিনে দিয়েছিলাম। সেদিন জোহান এত খুশি হয়েছিল যে, সাইকেলটা বারান্দায় রেখে রাতেও বারবার দেখতে যাচ্ছিল। আমি হাসতে হাসতে বলেছিলাম, “ঘুমা।” ও বলেছিল, “আব্বু, এটা কি সত্যিই আমার?” আমি বলেছিলাম, “হ্যাঁ।” ও আবার জিজ্ঞেস করেছিল, “পুরোপুরি?” আমি হেসে বলেছিলাম, “পুরোপুরি।” ও সেদিন রাতে সাইকেলের ঘণ্টাটা একবার বাজিয়ে ঘুমাতে গিয়েছিল। আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ সাইকেলটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। কেন জানি না, আমার বুকের ভেতর কেমন একটা ব্যথা হচ্ছিল। কারণ আমার বয়স তখন বারো। আমিও একটা সাইকেল চেয়েছিলাম। কিন্তু আমার বাবা কিনে দিতে পারেননি। বাবা একটা ছোট মুদির দোকানে কাজ করতেন। মাসের শেষে যা পেতেন, তাতে সংসার চলত। আমরা তিন ভাইবোন। ভাড়া বাড়ি। চাল ডাল। স্কুলের খাতা। ওষুধ। ঈদের জামা। আমার স্কুল থেকে বাড়ি ফিরতে প্রায় চল্লিশ মিনিট হাঁটতে হতো। রাস্তার পাশে সাইকেল চালিয়ে ছেলেরা যেত। আমি হাঁটতাম। তাদের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। একদিন বাবাকে বলেছিলাম, “আব্বা, একটা সাইকেল কিনে দিবেন?” বাবা বলেছিলেন, “দিমু।” আমি খুব খুশি হয়েছিলাম। তারপর জিজ্ঞেস করেছিলাম, “কবে?” বাবা একটু হেসে বলেছিলেন, “টাকা হইলে।” এই ‘টাকা হইলে’ কথাটা আমার শৈশবের সবচেয়ে দীর্ঘ প্রতিশ্রুতি ছিল। টাকা আর হয়নি। আমি বড় হয়ে গেলাম। সাইকেল আর কেনা হলো না। তারপর আমার আরও অনেক কিছু চাওয়া ছিল। স্কুলের বন্ধুরা শীতের ছুটিতে কক্সবাজার যেত। আমি যেতাম নানাবাড়ি। নানাবাড়িও খারাপ ছিল না। কিন্তু সমুদ্র দেখতে খুব ইচ্ছা করত। একবার বাবাকে বলেছিলাম, “আব্বা, সমুদ্দুর কেমন?” তিনি বলেছিলেন, “অনেক বড় পানি।” আমি বলেছিলাম, “আপনি দেখছেন?” তিনি মাথা নেড়ে বলেছিলেন, “না।” আমার ছেলে জোহান বড় হতে লাগল। ওর চাওয়া বাড়ল। নতুন ফোন। ভালো জুতা। কম্পিউটার। গিটার। ক্যামেরা। আমি সব দিলাম। একদিন আমার স্ত্রী বলল, “তুমি ওকে একটু বেশি দিচ্ছ।” আমি বললাম, “আমার বাবা আমাকে কিছু দিতে পারেনি।” সে বলল, “তাই বলে সবকিছু?” আমি বললাম, “আমি চাই না ও কোনোদিন মনে করুক, ওর বাবা ওকে দিতে পারেনি।” স্ত্রী চুপ করে গেল। কিছুদিন পর জোহান বললো, সে সমুদ্র দেখতে চায়। আমি তাকে কক্সবাজার নিয়ে গেলাম। ঢেউয়ে পা চুবিয়ে সে বলল, “আব্বু, এত বড় পানি আগে দেখছ?” আমি বললাম, “না।” সে অবাক হয়ে বলল, “তাহলে আজ প্রথম?” আমি হাসলাম। “হ্যাঁ।” ও বলল, “আমার জন্য?” আমি বললাম, “হ্যাঁ।” কিন্তু সত্যিটা হলো, শুধু ওর জন্য না। আমার ভেতরে বারো বছরের একটা ছেলে দাঁড়িয়ে ছিল। সে প্রথমবার সমুদ্র দেখছিল। জোহান ঢেউয়ের দিকে দৌড়াচ্ছিল। আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। হঠাৎ আমার মনে হলো, এই ছেলেটা জানে না তার সঙ্গে সমুদ্র দেখতে এসে আরেকজন মানুষও তার হারানো শৈশবটা খুঁজছে। জোহান আইসক্রিম চাইল। আমি দুটো কিনলাম। একটা ওর। একটা আমার। জীবনে প্রথমবার সমুদ্রের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের জন্য আইসক্রিম কিনলাম। খেতে খেতে মনে হলো, কিছু অপূর্ণতা পূরণ হতে এত বছর লাগে কেন? সেবার কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে একটা ঘটনা ঘটলো। আমরা যখন ঢাকার বাসের জন্য অপেক্ষা করছি, বাস স্ট্যান্ডে একজন মানুষকে দেখলাম। বয়স বোঝা যাচ্ছিল না। শরীরটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। একটা পা কাপড় দিয়ে জড়ানো। কাপড়ের ফাঁক দিয়ে পায়ের নিচের অংশটা দেখা যাচ্ছিল, জায়গাটা অনেকটা পচে গেছে। লোকটা রাস্তার পাশে শুয়ে ছিল। কেউ কেউ পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। কেউ তাকাচ্ছিল, কেউ মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছিল। আমি দাঁড়িয়ে গেলাম। পকেটে হাত দিলাম। কিছু টাকা ছিল। ভাবলাম, দিয়ে যাই। ঠিক তখন জোহান দৌড়ে আমার কাছে এসে দাঁড়াল। লোকটার দিকে একবার তাকিয়েই ঘেন্নায় মুখ ঘুরিয়ে নিল। “আব্বু, চলো।” আমি বললাম, “একটু দাঁড়া।” “না, চলো।” “কোথায়?” জোহান বলল, “এখানে গন্ধ বেরোচ্ছে। বেশিক্ষণ থেকো না।” জোহান আমাকে টানতে টানতে নিয়ে গেল। লোকটা তখনও সেখানেই শুয়ে। আমার অপরাধবোধ হলো, আমি একজন অসহায় মানুষকে সাহায্য না করে চলে এসেছি৷ কিন্তু আমার ছেলে তখন স্বাভাবিক। সে সামনে হাঁটছে। সমুদ্রের কথা বলছে। হোটেলে কী কী খেয়েছে, সেটা বলছে। আমি কোনো কথা বললাম না। বাসে উঠে জানালার পাশে বসে রইলাম। জোহান আমার পাশে বসে ফোন দেখছিল। হঠাৎ আমার মাথায় একটা কথা এলো। আমি আমার ছেলেকে জীবনে কী দিয়েছি? সাইকেল দিয়েছি। ভালো জুতা দিয়েছি। ফোন দিয়েছি। কম্পিউটার দিয়েছি। সমুদ্র দেখিয়েছি। কিন্তু অভাব? অভাব থেকে আমি ওকে খুব যত্ন করে দূরে
625
13
🌸
🌸
1 341
14
এখন একটাই স্বপ্ন। ২জনে একসাথে ভালোভাবে IETS বা PTE দিয়ে বিদেশ চলে যাওয়া।নিরাপত্তাহীন এই দেশে কত আগেই চলে যাওয়ার প্লান ছিলো।কিন্তু আল্লাহতো আমার জন্য আরও একজন পাঠায়ছেন।তারে এই পরিস্থিতিতে ফেলে রেখে কিভাবে চলে যাই?কিন্তু সমস্যা হলো তারেই এখনও খুঁজে পাচ্ছি না।
349
15
হে যুবক! বিয়ে করো........ #Biye
হে যুবক! বিয়ে করো........ #Biye
135
16
সম্পূর্ণটা মনোভাব সহকারে পড়তে পারেন, https://t.me/smileG2026/5 https://t.me/smileG2026/6
61
17
Assalamu Alaikum,, I have launched an new channel . If you want to support , you can join this. جَزَاكَ ٱللَّٰهُ خَيْرًا💙 Click on
45
18
One day - In Sh Allah -❤️🌸
One day - In Sh Allah -❤️🌸
2 956
19
ঘটক: একটা ছেলে আছে, চাকরি করে। বেতন ভালোই, ৬০,০০০+। সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে। তাদের ভালো নাম-ডাক আছে। সম্পত্তিও আছে। দেখতেও সুন্দর। বয়স ৩২ বছর। আপনার মেয়ের জন্য চলবে? পাত্রীর বাবা: আরে না, আমার মেয়ের আর কী বয়স। ৩২ বছর বেশি হয়ে যায়। আরেকটু কমের মধ্যে দেখো। ঘটক: আরেকটা ছেলে আছে। ইতালি থাকে। ১০ বছর আগে পানিপথে (অবৈধ পথে) ইতালি গিয়েছিল। এখন ভালোই পজিশনে আছে। দেখতে এতটা সুন্দর না। শুনছি ছেলে ভালো। বয়সটা ৩৯। চলবে? পাত্রীর বাবা: কথা বলো। আমরা দেখি, তারাও দেখুক। কথা বললেই তো হয়ে যায় না। মাত-কথা বনলে না-হয় আমরা আগালাম। ঘটক: স্যার, ছেলে কী করে জানতে চাইলেন না যে? পাত্রীর বাবা: যা-ই করুক, ইতালি থাকে, নিশ্চয়ই ভালো কিছু করে। এগুলো জেনে তো কাম নেই। ঘটক: স্যার, ছেলের বয়স ৩৯ কিন্তু! পাত্রীর বাবা: বয়স তো একটা সংখ্যা মাত্র। আমরা ভালো একটা পরিবার খুঁজছি। শান্তশিষ্ট, ভদ্র এবং সুন্দর মনের একটা ছেলে খুঁজছি। তুমি আলাপ আগাও। এতকিছু দেখলে মেয়ে বিয়ে দেওন যাইব? ঘটক: আচ্ছা, স্যার #collected
2 742
20
মানুষ যা চায়, তাই কি সে পায়? - সূরা আন-নাজম, ২৪ মানুষ তাই পায় যা সে চেষ্টা করে। - সূরা আন-নাজম, ৩৯
মানুষ যা চায়, তাই কি সে পায়? - সূরা আন-নাজম, ২৪ মানুষ তাই পায় যা সে চেষ্টা করে। - সূরা আন-নাজম, ৩৯
2 266