আলোর পথ
رفتن به کانال در Telegram
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
نمایش بیشتر9 376
مشترکین
+624 ساعت
-17 روز
-1630 روز
آرشیو پست ها
9 376
Repost from N/a
কেমন আছো, সব ঠিকঠাক?
নিঃশ্বাস নিচ্ছি। শ্বাস চলমান।
-মানে, এটা কেমন উত্তর?
- রুহটা বারবার আল্লাহর দিকে ফিরে যেতে চায়, কিন্তু দুনিয়া তাকে টেনে রাখে। এই দুনিয়ার সাথে লড়াই করতে করতে আজ আমি বিধ্বস্ত, বাকি রইলো কেবল নিঃশ্বাস।
বইঃ হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের কথা।
9 376
এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীর জন্য আন্তরিক দু'আ ও শুভকামনা
#HSCAlimExam
#AlolPath
9 376
Repost from N/a
আপা, একটা মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার কাছে এসেছি। আপনার মেয়েটাকে আমাদের বড় পছন্দ হয়েছে।
-আমাদের মেয়েকে কোথায় দেখেছেন, সে তো খাস পর্দা করে?
-জি, আপা আপনার মেয়ে খাস পর্দা করে সেটা আমরা জানি। তার ছবিটা আমরা অনলাইনে পেয়েছি।
-অনলাইনে? অসম্ভব। আমাদের মেয়ের কোনো ছবি অনলাইনে নেই।
-জি, আপু, আপনার কথা সত্য। তার পুরো ছবি অনলাইনে নেই।
-তাহলে কোথায় পেয়েছেন?
-আমরা ফেসবুক থেকে তার মেহেদীরাঙা ডানহাতের ছবি নিয়েছি। ওয়াটসএ্যাপ থেকে তার চেহারার একাংশের ছবি, ইনস্টাগ্রাম থেকে আরেকাংশের ছবি নিয়েছি। স্ন্যাপশট থেকে বামহাতের ছবি নিয়েছি। টুইটারে তার দীঘল কালো চুলের ছবি পেয়েছি। আলতা ও ঘুঙুর পরা পায়ের ছবি পেয়েছি ইমোতে।
পাজলের মতো বিচ্ছিন্ন অংশগুলো জোড়া লাগিয়ে পুরো ছবিটা পেয়েছি। মা শা আল্লাহ, আপনার মেয়েটা অনেক সুন্দর, লাজুক আর ‘পর্দানশীন’। আল্লাহ তাআলা তাকে আরো পর্দানশীন বানিয়ে দিন।
9 376
খ্রিষ্টীয় ক্যালেন্ডারের পাতায় ২০৫০ সাল। উপমহাদেশের ভূ-গোলকে একটি বড়ো সড়ো পরিবর্তন ঘটে গেছে। নয়াদিল্লিস্থ কেন্দ্রীয় সরকারের সচিবালয় নর্থ ব্লকের একটি হলরুমে মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন দেশটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সর্বনাশ হয়ে গেছে তাদের। চতুর্থ জনবহুল রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ হাতছাড়া হয়ে গেছে। বাংলাদেশের মানচিত্রে যুক্ত হয়েছে নতুন পাঁচটি বিভাগ– বর্ধমান, মালদহ, জলপাইগুড়ি, প্রেসিডেন্সি এবং মেদিনীপুর। বিভাগগুলোর অন্তর্ভুক্ত নতুন তেইশ জেলা যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ পরপর কপাল চাপড়াচ্ছেন। তার চোখের নিচে কালি।
বাংলাদেশে নতুন যুক্ত হওয়া জেলাগুলোর নাম সুন্দর– আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, বীরভূম, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং, হুগলি, হাওড়া, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, কালিম্পং, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া এবং কলকাতা। দুই বঙ্গ মিলিয়ে প্রায় আড়াই লক্ষ বর্গকিলোমিটারের এক সুবিশাল দেশে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। জনসংখ্যা চল্লিশ কোটির কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছেছে। রাজধানী ঢাকাতে আছে বটে, তবে কলকাতা অগুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েনি।
দুঃসংবাদ এ পর্যন্ত হলেও নয়াদিল্লির নেতারা হয়তো সহ্য করতে পারতেন। তারও চেয়ে বড়ো দুঃসংবাদ হলো– সেভেন সিস্টার্স তথা উত্তরপূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য আলাদা হয়ে নতুন এক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। নবগঠিত রাষ্ট্রের এই রাজ্যগুলো হলো– অরুণাচল, মেঘালয়, মিজোরাম, মনিপুর, ত্রিপুরা, আসাম, নাগাল্যান্ড। চিকেন'স নেক বা মুরগির গলাই মূলত এই সাতটি রাজ্যের স্বাধীন হবার নেপথ্য কারণ। জায়গাটিকে শিলিগুড়ি করিডোরও বলা হয়। মাত্র ২০-২২ কিলোমিটারের একটি ছোটো করিডোর একশ বছর ধরে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছিল সাত বোনকে।
তারা চেয়েছিল রংপুর বিভাগ দখল করে নিতে। লোভে হয়েছে পাপ, পাপে হয়েছে মৃ ত্যু। এই বিভাগের আটটি জেলার ওপর চোখ পড়েছিল। শাস্তি হিসেবে এখন তাদের আটটি রাজ্য হাতছাড়া। সাতটি মিলে একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়েছে। অন্য রাজ্যটি যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে। নবগঠিত রাষ্ট্রটির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হরিহর আত্মার; এক থালায় ভাত খায়। নয়াদিল্লির মর্সিয়া ক্রন্দন থামছে না। এই সবকিছুর পেছনে নেপথ্য গেম খেলেছে চীন এবং পাকিস্তানও। ঢাকা এবং আসামের মতো আজ ইসলামাবাদ এবং বেইজিংও ক্রুর হাসি হাসছে। যে হাসির অর্থ– 'কি বাছাধন! কেমন লাগে?'
'পুনরেখা'
9 376
Repost from N/a
বউ কল দিয়া কইছে, অফিস শেষ কইরা আসার সময় মাথার দুইটা ক্লিপ আইন্নো।
অফিস শেষ কইরা কসমেটিকস এর দোকানে যাইয়া দুইটা সুন্দর ক্লিপ কিনলাম, দোকান থেকে বের হইয়া মনে হইলো এখন যদি এই ক্লিপ নিয়া দেই, বউ কইব তুমি বেডা মানুষ এতো সুন্দর ক্লিপ কেমনে কিনলা? নিশ্চিত আগে কাউরে কিন্না দিছো, শুরু হইবো সারারাইতের ওয়াজ।
পরে বুদ্ধি কইরা মাথার ক্লিপ ফেরত দিয়া কাপড় রোদ দেওয়ার ক্লিপ নিয়া আসছি! 🙂
এইদিকে বউ ফেইসবুকে পোস্ট করছে " আলহামদুলিল্লাহ জামাই বোকা হলেও লয়াল।😇😇"
(ইনবক্স থেকে নেওয়া)
9 376
কম ভোজনে দেহের স্বস্তি। কম পাপে আত্মার স্বস্তি। কম দুশ্চিন্তায় মনের স্বস্তি। কম কথায় মুখের স্বস্তি।
বইঃ দ্বীনদার নারী যদি হতে চান।
9 376
ব্যাংক ডাকাত ও ফ্যাসিবাদের দোসর এস আলমের কাছে ইসলামী ব্যাংকের বন্দোবস্ত ফেরত দিলে ২ কোটি গ্রাহকের আমানতও ফেরত দিতে হবে। আর জনগণের আমানত ফেরত দিতে না পারলে সরকারের গদি টিকবে কি না, সেটিও চিন্তা করতে হবে।
সরকারের কিছু মন্ত্রী এস আলমের টাকায় রাজনীতি করতে গিয়ে পুরো জাতির অর্থনৈতিক খাতকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
অনেক সুদি ব্যাংকের মালিক বিএনপির নেতারা। তারা ইসলামী ব্যাংককে ধ্বংস করার এই চক্রান্তে মদদ দিচ্ছে। এতে একটি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কাঠামো যে ভেঙে পড়তে পারে, কিংবা সরকারবিরোধী আন্দোলনের জন্ম দিতে পারে—সেদিকে তাদের কোনো খেয়ালই নেই।
পতন বলে-কয়ে আসে না।নুরুল ইসলাম সাদ্দাম কেন্দ্রীয় সভাপতি বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবির
9 376
Repost from N/a
ভালোবাসা অনেক সময় আসলেই একটা “লস্ট প্রজেক্ট” মনে হয়। তুমি তর্ক করো বা না করো, বাস্তবতার একটা বড় অংশ এই কথার মাঝেই লুকিয়ে আছে। কারণ লাভ রিলেশনশিপে বেশিরভাগ সময় কোনো নিশ্চয়তা থাকে না, কোনো স্থায়ী ভ্যালিডেশন থাকে না, দায়িত্বের সেই গভীরতাও থাকে না যেটা মানুষ আসলে খুঁজে। আজ যে মানুষ বলছে “কখনো ছাড়বো না”, “সবসময় পাশে থাকবো”, “তোমাকেই চাই” সময়, পরিস্থিতি আর মানসিকতা বদলালে সেই মানুষই একদিন পুরোপুরি বদলে যেতে পারে। আর সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার হলো, তখন তোমার কিছুই করার থাকে না।
মানুষ যখন কাউকে সত্যি ভালোবাসে তখন শুধু অনুভূতি না, নিজের সময়, এফোর্ট, কেয়ার, মানসিক শান্তিসবকিছু ইনভেস্ট করে ফেলে। অনেক সময় নিজের পড়াশোনা, ক্যারিয়ার, লক্ষ্য পর্যন্ত উপেক্ষা করে দেয় শুধু একটা মানুষের জন্য। রাত জেগে কথা বলা, নিজের মুড স্যাক্রিফাইস করা, নিজের প্রায়োরিটি বদলে ফেলাএসব তখন খুব স্বাভাবিক মনে হয়। কারণ তখন মনে হয় এই মানুষটাই সব। কিন্তু হঠাৎ একদিন যখন সম্পর্কটা শেষ হয়ে যায়, তখন নিজের কাছেই প্রশ্ন আসে“এত কিছু কি শুধু এই দিনের জন্য করেছিলাম?”
সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার হলো, হারানো সময় আর মানসিক ক্ষতি কেউ ফেরত দিতে পারে না। তুমি যত এফোর্ট দাও না কেন, মানুষ সবসময় সেটার মূল্য দিবেই এমন কোনো গ্যারান্টি নেই। তুমি চাইবা তোমার পার্টনার তোমার অনুভূতি বুঝুক, তোমার কেয়ার অ্যাপ্রিশিয়েট করুক, তোমার কথার দাম দিক। কিন্তু অনেক সময় দেখবা তুমি যেভাবে ভাবছো, সে সেভাবে ভাবেই না। একসময় হঠাৎ বুঝবা মানুষ বদলে গেছে।
এই প্রজন্মের রিলেশনশিপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মানসিক অস্থিরতা। মানুষ খুব দ্রুত অ্যাটাচ হয়, আবার খুব দ্রুত ডিটাচও হয়ে যায়। আজ তুমি প্রায়োরিটি, কালকে তুমি অপশনাল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নতুন মানুষের অ্যাটেনশন, সাময়িক অনুভূতি সব মিলিয়ে মানুষ এখন অনেক বেশি অনিশ্চিত। তাই অনেক সময় রিলেশনশিপ শান্তির চেয়ে মানসিক চাপই বেশি দেয়।
বিয়েও অবশ্যই নিখুঁত কিছু না, এই যুগে সেটাও অনেক জটিল। কিন্তু তারপরও সেখানে একটা দায়িত্ব, জবাবদিহিতা আর কমিটমেন্ট থাকে। অথচ বেশিরভাগ লাভ রিলেশনশিপ শুধু আবেগের উপর দাঁড়িয়ে থাকে, তাই ভেঙেও যায় খুব সহজে। আর শেষে থাকে শুধু আফসোস সময় নষ্ট হওয়ার আফসোস, মানসিক শান্তি হারানোর আফসোস, আর নিজের সেরা সময়টা হারিয়ে ফেলার আফসোস।
এই কারণেই এখন মনে হয় রিলেশনশিপে নিজেকে পুরোপুরি হারিয়ে ফেলা ঠিক না। কাউকে ভালোবাসা ভুল না, কেয়ার করা ভুল না। কিন্তু এমনভাবে সিরিয়াস হওয়াও ঠিক না যেন সে চলে গেলে তোমার পুরো জীবন থেমে যায়। কারণ দিনশেষে মানুষ বদলাতে পারে, অনুভূতি বদলাতে পারে, কিন্তু নিজের জীবনটা শেষ পর্যন্ত তোমাকেই সামলাতে হবে।
9 376
আমরা শুধুমাত্র বোনদের জন্য একটা চ্যানেল খুলতে চাচ্ছি,
সেখানে শুধু বোনরাই থাকবে আর চ্যানেলের নিয়ন্ত্রণ করবে বোনরাই।
যারা চ্যানেল চালাতে আগ্রহী তারাই নক দেন : এডমিন
9 376
আরাফার দিনের সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ দোয়া—
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
অর্থ— আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব ও সকল প্রশংসা তাঁরই, এবং তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।
9 376
জিলহজ্জ মাসের প্রথম সন্ধ্যার পূর্বেই আমরা ইনশাআল্লাহ চুল-নখ কেটে পরিষ্কার হয়ে নিবো এবং জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন এগুলা কাটা থেকে বিরত থাকবো তাহলে ইনশাআল্লাহ নবীর সুন্নাহ পালন হয়ে যাবে আশা করা যায়।
*১ম জিলহজ্জ চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল
9 376
Repost from N/a
ইয়েমেনের এক মসজিদের ইমাম সাহেব জুমার বয়ানে মুসল্লিদের একটু হাসানোর জন্য বললেন,
“আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় কেটেছে এমন একজন নারীর সঙ্গে…
যিনি আমার স্ত্রী নন!”
এই কথা শোনামাত্রই পুরো মসজিদে নীরবতা নেমে এলো…
মুসল্লিরা একে অপরের দিকে তাকাতে লাগল!
সবাই ভাবলো,
“ইমাম সাহেব আজ কী বলছেন!”
কিছুক্ষণ পরে ইমাম সাহেব মুচকি হেসে বললেন,
“হ্যাঁ… তিনি ছিলেন আমার মা!” ❤️
এই কথা শুনে পুরো মসজিদ আবেগে ভরে গেল…
“আল্লাহু আকবার” ধ্বনিতে মুখরিত হলো পরিবেশ।
অনেকের চোখে পানি চলে এলো…
কিন্তু গল্প এখানেই শেষ নয়।
মসজিদে থাকা এক ব্যক্তি খুবই অনুপ্রাণিত হলো। বাড়ি ফিরে ভাবল,
“আজ আমিও একই স্টাইলে কিছু বলব!”
স্ত্রী তখন রান্নাঘরে রান্না করছিলেন…
স্বামী রোমান্টিক ভঙ্গিতে বললেন,
“আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় কেটেছে এমন একজন নারীর সঙ্গে…
যিনি আমার স্ত্রী নন!” 😎
ব্যস!
এরপর আর কিছু মনে নেই… 😶
হাসপাতালের সূত্র অনুযায়ী জানা যায়,
“ছয় ঘণ্টা অস্ত্রোপচারের পর সফলভাবে কাটা চামচ রোগীর মাথা থেকে অপসারণ করা হয়েছে।”
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তিনি আর বলতে পারেননি,
“তিনি আমার মা ছিলেন!”
সত্যি কথা হলো, এ ধরনের “ইমোশনাল ডায়লগ” রান্নাঘরের ভিতরে বলা একদমই নিরাপদ নয়!
(সংগৃহীত)
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
