Irfan Sadik
Відкрити в Telegram
Barricade blocks the streets but paves the way.
Показати більше9 313
Підписники
-324 години
-247 днів
-7630 днів
Архів дописів
9 313
+1
এবার বইমেলায় থাকছে আমার অনুদিত এ দুটি নতুন বই।
শরিআহর বইটি পাচ্ছেন ৪০ ও ৪১ নং স্টলে।
মাওলানা মওদুদির বইটি পাচ্ছেন ১৩২ ও ১৩৩ নং স্টলে।
9 313
এবার বইমেলায় থাকছে আমার অনুদিত এ দুটি নতুন বই।
শরিআহর বইটি পাচ্ছেন ৪০ ও ৪১ নং স্টলে।
মাওলানা মওদুদির বইটি পাচ্ছেন ১৩২ ও ১৩৩ নং স্টলে।
9 313
কিছুদিন আগে এক ছোটভাই বললো, সে অমুক জায়গায় স্টল দিতে পারছে না তার প্রোডাক্ট নিয়ে, কারণ সেখানে অনেক টাকা চাঁদা দিতে হয়।
আপনি হয়তো আশা করবেন, সালমান মুক্তাদিরের মত লোকের সাথে এমন জুলুম হওয়ায় হয়তো মানুষের টনক নড়বে, চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার প্রেসার ফিল করবে।
কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি। দুটো কারণে।
এক. তারেক রহমান হচ্ছে টিকটক হাইপের প্রধানমন্ত্রী। স্ট্রাকচারাল কোনো চেইঞ্জে উনার আগ্রহ নেই। অনলাইনে কিছু একটা হাইপ উঠবে। উনি তাকে আঙ্গুর পাঠাবেন, বাসায় গিয়ে এক মাসে ফাঁসি হওয়ার সস্তা ডায়ালগ মেরে আসবেন।
এখানেও সর্বোচ্চ এমন কিছুই হবে। সালমান মুক্তাদিরের বাসায় গিয়ে বিএনপির অনেকে দেখা করে আসবে, ক্ষতিপূরণ দিতে চাইবে, বিচার চাইবে ইত্যাদি। এর বাইরে চাঁদাবাজিতে কোনো পরিবর্তন আসবে না।
দুই. বিএনপি আগেরবার তাদের মাফিয়াদেরকে মেরে ফেলে আওয়ামী লীগের সামনে দূর্বল হয়ে যায়। এবার সে আর সে ভুল করবে না। দলের লোকদের সে 'অখুশী' করে আবার সেই সিচুয়েশনে পড়তে চাইবে না।
সালমান মুক্তাদিরের একটা কথা বেশ ভালো লাগলো। সে বললো—বাংলাদেশের আইনের প্রতি আমার কোনো আস্থা নাই। বাংলাদেশের আইনের উপরে আমি নাস্তিক।
এটা যখন এনাফ সংখ্যক মানুষ বোঝা শুরু করবে, এবং এ আইনের বদলে ইসলামের শ্বাশ্বত জীবনবিধানের দিকে আসবে, শরিআহ আইন চাওয়া শুরু করবে, তখনই সত্যিকার অর্থে পরিবর্তন আসবে। ইন শা আল্লাহ।
9 313
বাংলাদেশে কিছুদিন পরপরই সন(ত্রা)সবাদ, উগ্রবাদের উত্থান নিয়ে আমরা সেক্যুলার মহলকে "গেলো, গেলো" রব তুলতে দেখি।
কিন্তু স[ন]ত্রাসবাদ জিনিসটা কী? এর সংজ্ঞাই বা কী? এ বিষয়টি নিয়ে তেমন আলাপ হয় না।
ধরে নেওয়া হয়, মুসলিম বা আরবী নামধারী কেউ ইসলামের নামে সহিংসতা করলেই সেটা স[ন]ত্রাসবাদ। এটাই ওয়ার অন টেররের বয়ান।
কিন্তু একাডেমিকরা এ ব্যাপারে কী বলছেন? কী এর সংজ্ঞা? সবাই কি এ ব্যাপারে একমত?
এ বিষয়টি নিয়েই The Debrief এর ১০ম এপিসোডে আলোচনা করেছেন ইরফান সাদিক। দেখে ফেলুন।
https://youtu.be/iFDc8Mu_uSE?si=44o2G9kHvW6qRfIE
9 313
বাংলাদেশ এবং পশ্চিমেও অনেক সময় ইসলামোফোবদেরকে বলতে শোনা যায়, শরিআহর দাবিদাররা সালাফি। আবার মুসলিমদের সংগ্রামকে তারা নাম দিয়েছে 'সালাফি-জিহ[।]দিজম'।
ব্যাপারটা আসলে কী? কেন তারা এ কাজটা করে? সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন আহমেদ রফিক।
https://youtu.be/8J2B4K6-0GY?si=olBT0zWQF4MpDzZi
9 313
এ দুটো ছবি দেখুন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল পেইজ থেকে এমন দুইজন ব্যক্তির সাথে কথা ও জড়িয়ে ধরা গর্বভরে সেলিব্রেট করা হচ্ছে—যে দুইজন নিকৃষ্ট গণহত/কারী।
যাদের সরাসরি অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থনে গণহত/ চলছে গাজায়।
জর্জ মিয়ারশিমার বলেছেন, গাযা নিয়ে নুরেমবার্গ ট্রায়ালের মত কিছু হলে জো বাইডেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পদের গণহত/র দায়ে বিচার হতো, সর্বোচ্চ সাজা হতো।
কিন্তু এই রাষ্ট্রব্যবস্থায় এরা আপনার নেতা। এদের সাথে একটা ছবি অনেক গৌরবের।
এসব নিয়ে আপনারা ঢাকা স্ট্রিম, ঢাকা পেপারসদের কোনো কনসার্ন দেখবেন না। কারণ এরা 'গুড টের / রিস্ট'। এরা গণহত/ করলেও ভালো। মুসলিম তো না অন্তত!
কিন্তু যদি একই মানুষরা আহমদ ইয়াসিন, সিনওয়ার বা মুল্লাহ উমার, যারা এদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে, তাদের সাথে দেখা করতো, এতোক্ষণে লম্বা লম্বা কলাম এসে যেত।
এই রাষ্ট্রব্যবস্থা, এই বিশ্বব্যবস্থা ভাঙা দরকার। এই নিকৃষ্ট লোকদের হাত থেকে মানবসভ্যতাকে রক্ষা করা দরকার। এপিস্টন ক্লাস ও তাদের দালালদের থেকে।
9 313
জুলাইয়ের পরে তৈরি হওয়া বামপন্থী নিউজ আউটলেটগুলো কেন হঠাৎ সন/ট্যশবাদ, উগ্রবাদ নিয়ে লেগে গেলো?
এর একটা পসিবল কারণ হলো, জুলাইয়ে তাদের ভুল অবস্থানকে জাস্টিফাই করা।
বামপন্থী, কমিউনিস্ট ও শাহবাগীদের অধিকাংশ হাসিনাকে সকল জুলুমে সমর্থন দিয়ে গেছে এই যুক্তিতে, "হাসিনা গেলে উগ্রপন্থার উত্থান হবে!"
দেশে এতোকিছু ঘটে যাচ্ছে, কিন্তু এরা পড়ে আছে উগ্রবাদ দিয়ে।
কেননা এদের গায়ে যে ঐতিহাসিক দাগ লেগে গেছে, মানুষের কাছে তারা যে ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে গেছে, সে দাগ তো গা থেকে মুছতে হবে।
তারা মানুষকে দেখাতে চাচ্ছে এগুলোর মাধ্যমে, "দেখো, আমরা কিন্তু ঠিকই বলেছিলাম। হাসিনা থাকতে এসব উগ্রবাদ থাকতো না!"
হাসিনার রাজনীতি যেভাবে বাংলাদেশে আর ফিরবে না, ইনশাআল্লাহ তোমরাও সফল হবে না। এ মাটি থেকে ইসলামকে মুছে দিতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ।
9 313
রিসেন্ট ঘটনাগুলো আমাদেরকে দেখিয়ে দিলো, শুধু আমি সন্ত্রাসী না, উগ্রবাদি না—এটা বলাই যথেষ্ট না। কারণ এর সংজ্ঞা নির্ধারণ করে 'তারা'।
বরং সন্ত্রাসবাদ, উগ্রবাদের সংজ্ঞা নিয়েই প্রশ্ন তোলা জরুরি। এর মানে সার্টেইন কাজকে সমর্থন করা না। বরং এ শব্দগুলোর অর্থ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নোম চমস্কি, আলেক্স স্মিডসহ অনেকেই।
9 313
বাংলাদেশে ইসলামী 'উগ্রবাদ'-এর চেয়েও অনেক বড় থ্রেট হলো ফ্যাসিবাদ। কেননা রাষ্ট্রীয়ভাবে ফ্যাসিজম চাপিয়ে দিয়ে হাজার হাজার মানুষকে গুম, হত/ করা হয়েছে।
তাহলে মাইন ক্যাম্ফ, অসমাপ্ত আত্মজীবনী, বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রমোট করে লেখা বইসমূহ কিংবা জাফর ইকবালদের মত লোকদের লেখা বই—এসব নিয়ে ঢাকা স্ট্রিম বা ঢাকা পেপার্সদের এতো কান্নাকাটি কেন চোখে পড়ে না?
এর কারণ হয় হাসিনার ফ্যাসিবাদের প্রতি ভালোবাসা, নয় ইসলামবিদ্বেষ। অন্য কোনো কারণ তো দেখি না।
9 313
ফ্রেঞ্চ রিভোল্যুশনে যে লোকের লেখা বেশ প্রভাবশালী ভূমিকা রেখেছে তিনি হলেন জন পল মরাআ। তার লেখালেখি বিপ্লবের বয়ান ও কমপন্থা নির্মাণে বড় ভূমিকা রেখেছিল।
কিন্তু জন পল মরাআ ছিলেন অসুস্থ। খুবই কষ্টদায়ক একটা স্কিন ডিজিজে ভুগতেন তিনি। বাসা থেকে বের হতে পারতো না। বেশিরভাগ সময় তার বাথটাবে থাকা লাগতো।
তাই তার মধ্যে চেপে বসেছিল বদ্ধ মানসিকতা, উন্মাদনা। সারাক্ষণ রেগে থাকতো সে। সেগুলোই রিফ্লেক্ট করতো তার লেখায়। পছন্দ না হলেই একে ওকে দমনের ডাক দিতো।
ফ্রেঞ্চ বিপ্লব এতো রক্তাক্ত হওয়ার অন্যতম কারণ হলো জন পলের লেখালেখি।
তাই বদ্ধ রুমে, একা একা, জনবিচ্ছিন্ন থেকে লেখালেখি, কথা বলা অনেক সময়ই টক্সিসিটি, উন্মাদনা ও ক্রোধের জন্ম দেয়। খুব দ্রুত জাজ করার প্রবণতা তৈরি করে। যারা দাওয়াহ দেন বা লেখেন তাদের এটা থেকে দূরে থাকা দরকার।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
"যে মুমিন মানুষের সাথে মিশে এবং তাদের দেওয়া কষ্ট ধৈর্য সহকারে সহ্য করে, সে ওই মুমিন অপেক্ষা উত্তম—যে মানুষের সাথে মেশে না এবং তাদের কষ্টও সহ্য করে না।"(সুনান ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৪০৩২)
সমাজবিচ্ছিন্ন, নিষ্ক্রিয় বুদ্ধিজীবিতা ইসলামের পথ নয়। মানুষের সাথে মিশে, আচরণে বিনয় রেখে দাওয়াহ পৌঁছে দেওয়া, মানুষকে সাহায্য করা—এটাই সর্বোত্তম পন্থা।
অনলাইনে অনেকেই লিখেন। অনেকের লেখায়ই ব্যাপক টক্সিসিটি, অন্যকে ছোট করা, ঢালাও মন্তব্য করার প্রবণতা দেখা যায়। এর কারণ যে উপরেরটা, অনেকের ক্ষেত্রে আমি এটা জানি। তাই সতর্ক হওয়া জরুরি ইনশাআল্লাহ।
9 313
Repost from N/a
উম্মাহকে খিলাফত পরবর্তী সময়ে যারা পথ দেখাতে এগিয়ে এসেছেন, তাঁদের অন্যমত হলেন সাইয়েদ কুতুব। তিনি এমন একজন মানুষ যিনি জীবন দিয়ে নিজের অবস্থানকে জীবন দিয়েছেন।
এখনও বিশ্বজুড়ে বারবার শত্রু ও সংগ্রামীদের কলম ও মুখে উঠে আসে উনার নাম।
আমরা সাইয়েদ কুতুবের চিন্তা ও দর্শন নিয়ে আলোচনা করেছি সিয়ান পাবলিকেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবু তাসমিয়া আহমেদ রফিকের সাথে। বুঝতে চেয়েছি সাইয়েদ কুতুবের দর্শন, কন্ট্রোভার্সির উত্তর ও আজকের দিনের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে।
https://youtu.be/JXB8_27hjDg
9 313
মাওলানা মওদুদি কেমন ধরণের বিপ্লব চেয়েছিলেন, সেটা কি আসলেই বিপ্লব ছিল নাকি রেটরিক, সেটার একটা ধারণা পাবেন এখানে। একইসাথে কেন আজ জামাআত-শিবির নিজেদের জনশক্তির কাছে প্রচুর বিপ্লবের কথা বললেও, কেন আসলে বিপ্লব থেকে বহু দূরে—সে ব্যাপারেও ধারণা পাবেন।
মাওলানা মওদুদি কেমন 'বিপ্লব' চেয়েছিলেন?
9 313
International Open University - IOU এর ছাত্র-ছাত্রী ও যারা পড়তে চান, তাদের জন্য সুখবর!
গত কয়েক বছরের মধ্যে প্রথমবারের মত আয়োজন হতে যাচ্ছে আইওইউ সেমিনার ও মিট আপ। আইওইউর বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের কম্যিউনিটি বিল্ড আপের ভালো সুযোগ।
একইসাথে যারা আইওইউতে পড়তে আগ্রহী, কিন্তু এর ব্যাপারে নানা প্রশ্ন আছে, জানতে কাউকে খুঁজে পাচ্ছেন না—তারাও অংশ নিতে পারেন এই আয়োজনে।
রেজিস্ট্রেশন ফি মাত্র ৩০০ টাকা। ঢাকার শেওড়াপাড়ায় আয়োজন। চলে আসুন ইনশাআল্লাহ।
Registration link- Link
9 313
শেষমেশ এসেই যাচ্ছে। ব্যস্ততার কারণে এ ব্যাপারে পোস্ট করা হয় নি।
সেটাপ শেষ। প্রিন্টে যাবে খুব শীঘ্রই ইনশাআল্লাহ। আশা করছি এ সপ্তাহের ভেতরেই চলে আসবে। আল্লাহ তৌফিক দিন।
প্রি অর্ডার করতে পারবেন এখনই: Pre-Order
9 313
অপ্রতিমের ঘটনায় দুটো বিষয়ই উঠে আসছে সামনে।
নৈতিক অবক্ষয় ও রাষ্ট্রের ব্যর্থতা।
এক্ষেত্রে আমাদের সুনির্দিষ্ট দুটো প্রস্তাবনা আছে।
১. তাজদিদ
২. রাষ্ট্রের বৈপ্লবিক রূপান্তর
কোনো কাটছাট ছাড়া, পূর্ণাঙ্গ ইসলামের দাওয়াহ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, সেক্যুলারিজমের ফলে সৃষ্ট সমস্যা চিহ্নিত করে ইসলামের সমাধানে ফেরার আহ্বান।
যার ফলে কওমের একটা বড় অংশ দ্বীনের চর্চা ও বিশ্বাসে ফিরে আসবে। সমাজে সৃষ্টি হবে মেরুকরণ।
এরপর আসবে ফয়সালার সময়।
কওমকে সাথে নিয়ে, বৈপ্লবিক রূপান্তরের মাধ্যমে সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্রকে ভেঙে ফেলা। এর বদলে প্রতিষ্ঠা করা ইসলামী শাসন, যার দেড় হাজার বছর ধরে উম্মাহকে রক্ষা করেছে।
এর বাইরে সমাজ ও রাজনৈতিক মহলে যত সমাধানের প্রস্তাব দেখবেন, সব হলো গভীর ক্ষতে কোনো রকম ওয়ান টাইম ব্যান্ডেজ লাগানোর মত সমাধান।
তারা শরিয়াহর ১০১ টা সমস্যার কথা বলবে। কিন্তু নিজেদের ভঙ্গুর, ভেতর থেকে ক্ষয়ে যাওয়া ব্যবস্থাকে নিয়ে কিছু বলবে না। একে রক্ষায় প্রাণপণ চেষ্টা করে যাবে।
অথচ এ শতাব্দি হলো সেক্যুলার ব্যবস্থার পতনের শতাব্দি। পূর্ব থেকে পশ্চিমে তাদের পতনের আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে।
তাদের কাছে আহ্বান! একমাত্র সত্য দ্বীন হলো ইসলাম। ইসলামের পূর্ণাঙ্গ সুশীতল ছায়ায় ফিরে আসুন। সিংকিং শিপ ছেড়ে দিন। দুনিয়া ও আখিরাতে নিশ্চিতভাবে লাভবান হবেন।
যে বার্তা রাসূলুল্লাহ ﷺ দিয়েছিলেন আরবের মুশরিকদেরকে, আপনাদের প্রতিও আমাদের সেই দাওয়াত।
বলুন, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। সকল তাগুত বর্জন করুন। খোদার নিজাম কায়েমে এগিয়ে আসুন। সফল হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ। তুফলিহুন!
