uz
Feedback
Sorowar's talks

Sorowar's talks

Kanalga Telegram’da o‘tish

Challenges of changing world

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Sorowar's talks analitikasi

Sorowar's talks (@sorowar_talks) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 26 178 obunachidan iborat bo'lib, Taʼlim toifasida 7 553-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 787-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 26 178 obunachiga ega bo‘ldi.

17 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni -208 ga, so‘nggi 24 soatda esa -2 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 17.55% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 4.57% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 4 598 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 1 197 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 98 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
Challenges of changing world

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 18 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Taʼlim toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

26 178
Obunachilar
-224 soatlar
-437 kunlar
-20830 kunlar
Postlar arxiv
*এলজিবিটি এলার্ট* সাজিদা ফাউন্ডেশন পলিসিগতভাবে মমকামীবান্ধব হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এজন্য আলাদা প্লাটফর্ম তৈরি করছে।।এতদিন কিছুটা
*এলজিবিটি এলার্ট* সাজিদা ফাউন্ডেশন পলিসিগতভাবে মমকামীবান্ধব হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এজন্য আলাদা প্লাটফর্ম তৈরি করছে।।এতদিন কিছুটা লুকিয়ে ছাপিয়ে করতো। আন্তর্জাতিক ফান্ডিং লাভের আশায় এলজিওগুলো মরিয়া *পায়ুসংগম আইডেন্টিটি* প্রচারে। এরা শব্দের মারপ্যাঁচ দিয়ে দেশের আইন এড়ায়। জেন্ডার চ্যাম্পিয়নস নেটওয়ার্ক সাজিদা ফাউন্ডেশনের। দায়িত্ব হিসেবে সচেতন করলাম। ড সরোয়ার

কমিউনিটি ভিত্তিক আমাদের রিসার্চ এবং ইন্টারভেনশন ================================= আমাদের একটা উদ্যোগ- *ব্লাড ফর থ্যালাসেমিয়া* '। এজন্য একটা রিসার্চ পেপার পাবলিশ করেছিলাম। সেটার ফাইন্ডিংস এর ওপর ভিত্তি করে *জামালপুরের প্রায় ৭০০০ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপিং করা হয়েছে* । স্থানীয় মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা সহযোগিতা করে। গত ৫-৬ বছরে জামালপুরের প্রায় *৪০০০ ব্যাগ রক্ত মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা দিয়েছে* । ছবিগুলো আজকের ব্লাড গ্রুপিং কেম্পেইনের। রিসার্চ পেপারটি ফেসবুক পোস্টে দেয়া আছে। https://www.facebook.com/share/p/1BHdnKJJpX/ *Prof. Dr. Mohammad Sorowar Hossain* Independent University, Bangladesh (IUB) PhD (Molecular Biology), NUS, Singapore Postdoc, Duke-NUS Graduate Medical School Former Senior Manager (R&D), Incepta Biotech Scientist and President, Biomedical Research Foundation (BRF) Current research focus: Public Health

শিশুদের টিকটকার বানানোর মহাপরিকল্পনা! এরা দেশকে ঔউন করেন না, অন্যদের হয়ে কাজ করেন।
শিশুদের টিকটকার বানানোর মহাপরিকল্পনা! এরা দেশকে ঔউন করেন না, অন্যদের হয়ে কাজ করেন।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সমকামিতাবান্ধব নীতি গ্রহন করেছে। তাদের ফর্মে এই নীতি প্রয়োগ করেছে। তাদের ফর্মে জেন্ডার এর ঘরে নারী ও প
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সমকামিতাবান্ধব নীতি গ্রহন করেছে। তাদের ফর্মে এই নীতি প্রয়োগ করেছে। তাদের ফর্মে জেন্ডার এর ঘরে নারী ও পুরুষের সাথে Non-binary যুক্ত করেছে। সমকামী আইডেন্টিটি মুভমেন্টের এটা ভ্যালিডেশন। সচেতন করলাম। #bangladeshredcrecent

বিশ্বকাপের উন্মাদনা শুরু হতে যাচ্ছে। এটা কেন্দ্র করে কিছু বাংলাদেশী তরুণের প্রাণ ঝরে পড়ে। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে কয়েকটি আত্ন/হ/ত্যার ঘটনা ঘটে। এটা নিয়ে আমরা পেপার পাবলিকেশন করেছি। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের ২৩ জন প্রাণ হারিয়েছে। ৪৫ জন মারামারি করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আর্জেন্টিনা যদি না জিততো তবে সম্ভবত হতাহতের সংখ্যা অনেক বড় হতো। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা এমন ঘটনা সচারাচর দেখা যায় না, কিন্তু বাংলাদেশ অংশগ্রহণ না করেও খেলার জন্য জীবন দেয়। ফুটবল উন্মাদনায় মেয়ে সন্তানরা নিরাপদ। পিতামাতার উচিত ছেলে সন্তানের উন্মাদনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

photo content

সাব্বাস ঘানা! অন্যদিকে আত্নসন্মানহীন ড ইউনুস এলজি বান্ধব কিছু পলিসি বানিয়ে গেছেন জুলাই শহীদদের রক্তের সাথে বেইমানি করে। আর সব
সাব্বাস ঘানা! অন্যদিকে আত্নসন্মানহীন ড ইউনুস এলজি বান্ধব কিছু পলিসি বানিয়ে গেছেন জুলাই শহীদদের রক্তের সাথে বেইমানি করে। আর সব সংসদ সদস্য (হুজুরাও) মিলে বিনা প্রতিবাদে সেই অধ্যাদেশগুলো পাশ করছে।

photo content

চলমান হাম এর মহামারি নিয়ে আমাদের আর্টিকেল Tropical Medicine and Health (BMC) জার্নালে আজকে প্রকাশিত হয়েছে। বিস্তারিত https://link.springer.com/article/10.1186/s41182-026-00982-y ++++ *Prof. Dr. Mohammad Sorowar Hossain* Independent University, Bangladesh (IUB) PhD (Molecular Biology), NUS, Singapore Postdoc, Duke-NUS Graduate Medical School Former Senior Manager (R&D), Incepta Biotech Scientist and President, Biomedical Research Foundation (BRF) Current research focus: Public Health

এই খবরটি ভিত্তিহীন যা দেশের এলজিবিটিপন্থী মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করছে। *এর উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের সাধারন মানুষ ও সরকারকে ভয় দেখ
এই খবরটি ভিত্তিহীন যা দেশের এলজিবিটিপন্থী মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করছে। *এর উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের সাধারন মানুষ ও সরকারকে ভয় দেখানো** ! প্রেসিডেন্ট *ট্রাম্প, রাশিয়ার পুতিন এবং চায়নার নেতা* এলজিবিটি বিরোধী অবস্থান নিয়েছে প্রশাসনিকভাবে, সেখানে দেশী মিডিয়া ভয় দেখানোর বয়ান তৈরী করছে। এলজি চাইলেই জোর করে চাপিয়ে দেয়া যায় না কেননা এটা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক। এলজি অধিকারে বিশ্বাস করলে ঈমান থাকবে না যা বিশ্বের ইসলামিক স্কলাররা একমত। সেনেগালে রাজনৈতিক টানাপোড়েন ইস্যুতে বরখাস্তের ঘটনা ঘটেছে। প্রেসিডেন্ট ও পিএম দুজনেই এলজি বিরোধী। *সেনেগালে সমকামিতা নিষিদ্ধ* ড সরোয়ার

আয়নাঘর নিয়ে আমাদের প্রকাশিত জার্নাল পেপার নিয়ে প্রতিবেদন বিস্তারিত লিংকে- https://www.theaasr.com/2026/05/23/6031/ *Prof. Dr. Mohammad Sorowar Hossain* Independent University, Bangladesh (IUB) PhD (Molecular Biology), NUS, Singapore Postdoc, Duke-NUS Graduate Medical School Former Senior Manager (R&D), Incepta Biotech Scientist and President, Biomedical Research Foundation (BRF) Current research focus: Public Health

*হামের টিকা- শুধু কি ড ইউনুস সরকার দায়ী? একটি নির্মোহ বিশ্লেষণ* কিছু পয়েন্ট বিবেচনায় নেয়া জরুরী ========== ১। হামের মহামারি শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বেই হচ্ছে। কিন্তু আমাদের মিডিয়া সেটা তেমন আলোচনায় আনছে না। সম্প্রতি আমাদের একটি পেপার (শিরোনাম- Resurgence of Measles in Bangladesh Amid a Global Upsurge: An Urgent Call for Emergency Public Health Response) জার্নালে একসেপ্টেড হয়েছে যেখানে আমরা উল্লেখ করেছি- "Recent outbreaks in the United States, several European countries, the Middle East, and South Asia indicate a substantial global resurgence of measles [1]. According to WHO and UNICEF, the WHO European Region reported 127,350 measles cases in 2024, the highest number recorded since 1997 [2]. The United States alone reported more than 1,700 measles cases in 2025, compared with approximately 100 annual cases during the early 2000s [1]. ২। সম্প্রতি একটি স্টাডি থেকে দেখা গেছে- হামে মৃ/ত্যুর ৬৩% শিশুরা ৯ মাসের কম বয়সী। অর্থাৎ তাদের হামের টিকা নেয়ার বয়স-ই হয়নি। অর্থাৎ তাদের ক্ষেত্রে টিকা ইস্যু-ই নয়। ৩। সারাবিশ্বে হামের পুনরুত্থান মূলত কোভিড-১৯ মহামারির সময় নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমে বিঘ্ন, টিকা গ্রহণে অনীহা, ভুল তথ্যের প্রচার এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতার কারণে ঘটেছে (এগুলো আমাদের পেপার উল্লেখ করা হয়েছে)। ৪। টিকার কোয়ালিটিও একটা ফ্যাক্টর, বিশেষ করে বাংলাদেশের জন্য। কোন দেশে টিকা প্রডাক্টশন হয়, কিভাবে রক্ষানাবেক্ষণ হয় যা টিকার কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে। ৫। ড ইউনুস সরকার স্বাভাবিক কোন সরকার নয়। গণঅভ্যুত্থানের সরকার। বাংলাদেশের টিকা কেনার পদ্ধতিতে পরিবর্তন করতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, কিন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি। গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন আন্দোলন, দাবী দাওয়া, অস্থিরতার কারণে মাঠ লেভেলে টিকা দেয়ায় কিছুটা ঘাটতি হয়েছে। তারা আগের সরকারের প্রশাসনের লোকদের অসহযোগিতাও একটা ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে। ৬। *ইউনিসেফ কোন রাষ্ট্র নয়* , এটা উন্নয়নশীল দেশে কাজ করে। তাদের ফান্ডিং বিভিন্ন দাতা সংস্থার মাধ্যমে আসে যারা সেই দাতা দেশ/সংস্থাগুলোর বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে পরোক্ষ্যভাবে ( *যেমন এলজি* ) কাজ করে। তাদের ওপর মাত্রারিক্ত নির্ভরতা লং-টার্মে মংগলজনক নয়। বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার চেষ্টা করা জরুরী। টিকাদান কর্মসূচীতে গ্যাপ তৈরী হয়েছে কোভিড, আগের সরকারের আমল, টিকাদানে অনিহা ইত্যাদি কারনে। তাছাড়া আমার মনে হয় দেশের টিকাসদানের যে কভারেজ উল্লেখ করা হয় সেটা আসলেই হয় না কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে ক্রেডিট নিতে বাংলাদেশ ডেটা যে ম্যানিপুলেট করেছে তা অজানা বিষয় নয়। এই বিষয়ে ভালো করে গবেষণা করলে বের হয়ে আসবে আসলে কত পার্সেন্ট মানুষ টিকা নেয়। ইণ্টেরিম সরকার অস্থায়ী জেনেও অনেক অগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংস্কারের উদ্যোগী হয়েছিলেন যেটা উচিত হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে তাদের ম্যানেজমেন্টে ঘাটতি রয়েছে। ব্র্যাক্তিগতভাবে এলজি ইস্যুতে আমি ইন্টেরিম সরকারের সবচেয়ে বড় ক্রিটিক তা আপনারা জানেন। মনে রাখতে হবে হামের মহামারি শুধু বাংলাদেশে হচ্ছে না, বিভিন্ন কারণে বিশ্বব্যাপী হচ্ছে। সবকিছু বিবেচনা করলে এই ইস্যুতে শুধুমাত্র ইন্টেরিম সরকারকে দায়ী করা যায় না। এটা বেশ কয়েক বছরের কালেক্টিভ ফেইলুর। ড মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন জনস্বাস্থ্য গবেষক https://www.facebook.com/share/p/1DRhYoXoYg/

*হামের টিকা- শুধু কি ড ইউনুস সরকার দায়ী?* একটি নির্মোহ বিশ্লেষণ ড মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন জনস্বাস্থ্য গবেষক https://www.facebook.com/share/p/1EHh57hW6z/

photo content

photo content

আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ইমাম প্রশিক্ষণে জেন্ডারবাদ/সমকামিতাবাদ নিয়ে ট্রেইনিং দেয়ার সুযোগ হলো। রংপুর বিভাগের ৮টি জেলা থেকে বাছাইকৃত ১৩০ জন ইমাম উপস্থিত ছিলেন। অনেকে সামনাসামনি পরিচিত না হয়েও আমার জন্য দোয়া করতেন। পশ্চিমা ফান্ডেড এনজিওদের তুলনায় আমাদের তেমন রিসোর্স নেই। কিন্তু আমাদের ঈমানি শক্তি এবং আল্লাহ রয়েছেন। তারা অবশেষে পরাজিত হবে-ই। ড সরোয়ার https://www.facebook.com/share/p/18Ez3vqb4m/

ভিডিওতে দুই শিশু সন্তানের মা পরিবার ফেলে অন্য নারীর সাথে সমকামী সম্পর্কে লিপ্ত, তাও আবার বরিশালের এক হাসপাতালের বেডে। *দেশে সমকামিতা ব্যাপক ছড়িয়ে পড়ছে। এইডস এর রোগীও দ্বিগুন হয়েছে গত এক বছরে।* জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেংগে পড়বে, অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাবে। *এই বিষয়ে সচেতনতা কম থাকায় উঠতি বয়সীদের অনেকে সমপ্রেম স্বাভাবিক মনে করছে।* এটা যে মারাত্নক গুনাহের কাজ তা অনেকে জানেই না। আফসোস। আমাদের দেশে এই পরিবার ও ঈমান বিধংসী বিকৃত রুচী কীভাবে ছড়িয়ে পড়ছে তা আমার সদ্য প্রকাশিত বইতে ( *জেন্ডার প্রতারণা* ) তথ্যচিত্র তুলে ধরা হয়েছে। *ব্র‍্যাক এর নেতৃত্বে* দেশের অনেক এনজিও পশ্চিমা এই সমাজ বিধংসী এজেন্ডা অধিকার হিসেবে চাপাতে গত ২০ বছরে কাজ করছে। ড সরোয়ার https://www.facebook.com/share/v/18VsEkyTTF/

photo content
+2

ফ্যাসিবাদের সময় রাতারাতি স্টার বিজ্ঞানী বনে যাওয়া ব্যক্তিকে প্রথম আলো আবার সামনে আনতে চেষ্টা করছে। কোভিডের সময় একটি মাত্র জেনোম সিকুয়েন্স করার ইস্যুকে কেন্দ্র করে ফ্যাসিবাদী মিডিয়ায় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এর মাধ্যমে সামনে আনা হয় ওভারেটেড (overrated) তরুণ বিজ্ঞানী সেজুতি সাহাকে। উনার হাজব্যান্ড আবার ভা-র-তীয়। শেখ হাসিনার ইনার সার্কেলের সদস্যও ছিলেন। বণিকবার্তা বিস্তারিত রিপোর্ট করেছিলো। https://www.facebook.com/share/p/1BkhQX6pBQ/