uk
Feedback
Sorowar's talks

Sorowar's talks

Відкрити в Telegram

Challenges of changing world

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Sorowar's talks

Канал Sorowar's talks (@sorowar_talks) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 25 430 підписників, посідаючи 7 633 місце в категорії Освіта та 845 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 25 430 підписників.

За останніми даними від 26 вересня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на -160, а за останні 24 години на -4, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 10.81%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 4.17% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 2 750 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 1 060 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 42.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
“Challenges of changing world”

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 27 вересня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Освіта.

25 430
Підписники
-424 години
-347 днів
-16030 днів
Архів дописів
এই বইয়ের লাস্ট চ্যাপ্টার থেকে https://www.rokomari.com/book/555489/gender-protarona

আধুনিক দাম্পত্যের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন- বিশ্লেষণ ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের তাত্ত্বিক জ্ঞান আমাদের থাকলেও, বাস্তব জীবনে এর প্রতিফলন ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। গত ৫০ বছরে পৃথিবী যতটা বদলেছে, আমাদের পারিবারিক চ্যালেঞ্জগুলোও বদলে গেছে তার চেয়ে বেশি। কিন্তু আমরা এখনো সেই পুরোনো দিনের সমাধান দিয়ে বর্তমানের ক্ষত সারাতে চাইছি। আজকের ডিজিটাল যুগে পারিবারিক শান্তির পথে যে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জগুলো আসছে, তা চিহ্নিত করা এবং কার্যকর সমাধান খোঁজা অত্যন্ত জরুরি। । ১. ডিজিটাল দেয়াল আগের দিনে মানুষের মাঝে ‘আনডিভাইডেড অ্যাটেনশন’ বা অবিভক্ত মনোযোগ ছিল। তখন ঘরে স্মার্টফোন ছিল না, ছিল না সোশ্যাল মিডিয়ায় ডুবে থাকার ব্যস্ততা। মানুষ কৃষিকাজ বা সাধারণ অফিস শেষে যখন বাড়ি ফিরত, তখন পরিবারের সদস্যের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেয়ার সুযোগ ছিল, এতে একধরনের মানসিক প্রশান্তি ছিল। কিন্তু আজকের দৃশ্যপট ভিন্ন। এখন স্বামী-স্ত্রী ঘরে থাকলেও মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে ডিজিটাল স্ক্রিন। অফিসের কাজ এখন ঘরের ভেতরেও ঢুকে পড়েছে। কর্পোরেট ইঁদুর দৌড়ে টিকে থাকতে গিয়ে মানুষের মগজ সবসময় দখল করে থাকে পরবর্তী প্রজেক্টের চিন্তা। ঠান্ডা মাথায় কথা বলা বা একে অপরের চোখের দিকে তাকিয়ে শোনার সময়টুকুও আর নেই। এই মনোযোগের অভাবই আধুনিক দম্পতিদের মধ্যে তৈরি করছে এক বিশাল অদৃশ্য দেয়াল। । ২. উচ্চশিক্ষা বনাম ‘স্টে অ্যাট হোম’ জীবনের দ্বন্দ্ব গল্পটা শুরু হয় অনেক স্বপ্ন নিয়ে। শামিমা (একটি কাল্পনিক চরিত্র হিসেবে) একজন উচ্চশিক্ষিত মেয়ে। হয়তো সে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাজুয়েট। সে ইসলামকে ভালোবাসে, তাই বিয়ের পর সিদ্ধান্ত নিল ক্যারিয়ারের পেছনে না ছুটে ঘরে থেকে সন্তান লালনপালন করবে এবং দ্বীন পালন করবে। তার স্বামীও এতে খুব খুশি। কিন্তু বিয়ের কয়েক মাস যেতেই দেখা দিল এক অদ্ভুত বিষণ্নতা। কেন? মনস্তাত্ত্বিকভাবে মানুষের কিছু মৌলিক চাহিদা থাকে। যেমন নিজের গুরুত্ব (Significance) অনুভব করা। শামিমা ক্লাস ওয়ান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত ২০ বছর ধরে পড়াশোনা করেছে, নিজেকে একভাবে বড় হতে দেখেছে। তার শাশুড়ি বা মায়ের সাথে তার পার্থক্য এখানেই। তার শাশুড়ি হয়তো কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যাননি, তাই ঘরের কাজের মধ্যেই তিনি নিজের সার্থকতা খুঁজে পেয়েছেন। কিন্তু শামিমার মনোজগৎ সেভাবে তৈরি হয়নি। হঠাৎ করে নিজেকে চার দেয়ালের মাঝে আবিষ্কার করে তার সচেতন মন হয়তো বলছে—‘আমি আল্লাহর জন্য এটা করছি’, কিন্তু অবচেতন মন কর্মহীনতা আর একঘেয়েমির ভার সইতে পারছে না। এ অবস্থায় যদি স্বামী অসংবেদনশীল হয়ে বলে বসে, ‘তুমিই তো ঘরে থাকতে চেয়েছিলে, এখন কেন মন খারাপ করো?’ তখন মেয়েটির ভেতরটা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। ভালোবাসা আছে ঠিকই, কিন্তু আধুনিক মনস্তত্ত্বের এই জটিল সমীকরণগুলো না বোঝায় দূরত্ব বাড়তে থাকে। ৩. আবেগীয় অপরিপক্বতা আরেকটি বড় সমস্যা হলো আবেগীয় অপরিপক্বতা। এখনকার ২৫ থেকে ২৬ বছরের তরুণ-তরুণীরা বয়সে বড় হলেও মানসিকভাবে অনেক ক্ষেত্রেই অপরিণত। তাদের ঝগড়ার ধর দেখে মনে হয় তারা এখনো শিশু। ছোটখাটো মতভেদ তাদের চোখে ‘তিলকে তাল’। নিজেদের অনভিজ্ঞতা বা ভুল বিশ্বাসের কারণে তুচ্ছ ঘটনাকে জীবনের চরম বিপর্যয় মনে করে। এরই মাঝে যখন পরিবারে সন্তান আসে, তখন পরিস্থিতি হয়ে উঠে আরও ভয়াবহ। একে তো নিজেদের সামলাতেই তারা হিমশিম খাচ্ছে, তার ওপর সন্তানের দায়িত্ব—সব মিলিয়ে এক বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয়। অথচ তারা যদি অভিজ্ঞ কোনো বড় মানুষের বা মেন্টরের ছায়ায় থাকত, তবে অনেক সহজ সমাধান পাওয়া যেত। ৪. মেন্টরশিপ বা ম্যারিজ কাউন্সিলিংয়ের প্রয়োজনীয়তা স্বামী যখন স্ত্রীর এই মানসিক অবস্থাকে বুঝতে না পেরে অভিযোগ করে বলেন—তুমি নিজেই তো ইসলামি জীবন চেয়েছিলে, ঘরে থাকতে চেয়েছিলে, তবে এখন কেন খারাপ লাগছে? তখন সমস্যাটি আরও ঘনীভূত হয়। এই ধরনের মন্তব্য বা অসংবেদনশীলতা দম্পতিদের মধ্যে দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়, যা প্রকারান্তরে বিচ্ছেদ বা তিক্ততার দিকে নিয়ে যায়। আগেকার দিনে ঝগড়া হলে বাবা-মা বা চাচা-ফুফুরা এসে সমাধান করতেন। কিন্তু এখনকার যুগে অনেক সময় দেখা যায়, পরিবারের সদস্যরাই পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলেন। হয়তো মেয়েটি তার কোনো আপাকে কিছু বলল বা ছেলেটি তার বাবাকে বলল—তারা সমাধানের বদলে উলটো জেদ বাড়িয়ে দেন। কারণ এ যুগের চ্যালেঞ্জগুলো বোঝার মতো সেন্সিবিলিটি সবার থাকে না। ঠিক এ জায়গাতেই প্রয়োজন একজন ‘থার্ড পার্টি’ বা নিরপেক্ষ মেন্টর। একজন কাউন্সিলর বা বিজ্ঞ মেন্টর যখন বলেন, ‘এটা কোনো সমস্যাই না, তোমরা এভাবে চিন্তা করো’, তখন দম্পতিরা বুঝতে পারে তারা ভুল পথে ছিল। প্রাতিষ্ঠানিক এই ‘মেন্টাল হেলথ লিটারেসি’ বা ম্যারেজ কাউন্সিলিং এখন বিলাসিতা নয়, বরং সময়ের দাবি। বিয়ের আগে এবং বিয়ের পরের কয়েক বছর যদি দম্পতিরা কোনো বিশেষজ্ঞের ‘অবজারভেশনে’ থাকে, তবে তুচ্ছ কারণে আজ এত ঘর ভাঙত না।" আমার লিখিত 'জেন্ডার প্রতারণা'- বই থেকে #এ_যুগের_চ্যালেঞ্জ

*এলজি গ্রুপের নতুন কৌশল সম্পর্কে সচেতন হউন* এলজিবিটির সাথে জড়িত এনজিওগুলো বিকৃত এজেন্ডা প্রমোট করতে তাদের মিটিং-এ ইসলামিক বেশভূষার লোক রাখার চেষ্টা করে যাতে সাধারণ মানুষ বুঝতে না পারে। গত সপ্তাহে সমকামী প্রতিষ্ঠান বন্ধু সোস্যাল ৮ টি বিভাগের ইমাম-খতিবের ঢাকায় একত্র করে সম্মেলন করেছে। দুদিন আগে নয়াদিগন্তের কার্যালয়েও বন্ধু সোস্যাল একজন মাদ্রাসার লোককে হাইলাইট করেছে! জেলা পর্যায়ের ছোট ছোট এনজিওগুলো যারা বন্ধু, ব্র্যাকদের হয়ে কাজ করে তারাও হিজাবি-নিকাবী-দাড়ি-টুপিওয়ালা রাখার চেষ্টা করে। এটা এলজি নর্মালাইজেশনের নতুন ফাঁদ। কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে আলেম-ওলামাদের যাচাই-বাচাই করা ইমানি দায়িত্ব। ছবিতে যাকে দেখছেন -উনি পুরুষ (রমজান)। এখন পরিচয় দেন রামিসা হিসেবে (ভিডিও কমেন্টে)! https://www.facebook.com/share/p/1DT7UEonRv/ Dr. Sorowar

photo content

ফেসবুকের পোস্ট শেয়ার করে ছড়িয়ে দেয়ার অনুরোধ রইল

photo content

*গ্রামীন ফোনের সিইও প্রকাশ্যে সমকাকমিতা (ট্রান্সজেন্ডারবাদ, যা সমকামিতার চরমপন্থী ভার্সন) এজেন্ডা প্রচার করছেন* লিংকডিনে, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির শ্লোগানে। https://www.facebook.com/share/p/1Dp6LS44VW/

জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রতি ৬০০ বিশিষ্ট আলেমদের বিবৃতির মাধ্যমে দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা আলোচনায় এসেছে। এলজি গ্রুপের কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছে দুজনের পরস্পর সম্মতি ছাড়া স*কামী আচরণ হিসেবে গণ্য হয় না। তারা না জেনে বা জানার পরও এমন বলে থাকে ধোঁকা দেয়ার জন্য। তাছাড়া এই ধারাটি নিয়ে আলোচনায় মাঝেমধ্যে একটি বক্তব্য শোনা যায় যে, বাংলাদেশের আইনে “স*কামিতা” শব্দটি নেই, এর কোনো সংজ্ঞাও নেই; আইনে কেবল “unnatural” বা অপ্রাকৃতিক যৌ*নাচারের কথা বলা হয়েছে। ফলে স*কামিতা বা স*মলি*ঙ্গের যৌ*নসম্পর্ককে ৩৭৭ ধারা সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে না। এই আইনের ধারাটি ১৫০ বছরের পুরোনো এবং সক্রিয় না থাকায় অনেক আইনজীবীও ওয়াকিবহাল নন। সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী এ বিষয়ে বিস্তারিত আর্টিকেল লিখেছেন। লিংক কমেন্টে। https://mullobodh.com/carnal-intercourse-against-the-order-of-nature/

সমকামী লেখক Yuval Noah Harari এর বই দেয়া হলো পদকজয়ী হাফেজদের। বইটিতে ধর্মকে মিথ তথা মিথ্যা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নোহা হা
সমকামী লেখক Yuval Noah Harari এর বই দেয়া হলো পদকজয়ী হাফেজদের। বইটিতে ধর্মকে মিথ তথা মিথ্যা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নোহা হারারির সমকামিতার অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিডিও করেছেন। যারা  এই বই প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে দেয়ার জন্য কিনেছেন তাদের মোটিভ নিয়ে তদন্ত করা জরুরি।

photo content

photo content

৬০০ বিশিষ্ট আলেম কি না বুঝে বিবৃতি দিয়েছেন? বিবৃতির সারাংশ হচ্ছে: ১. সমআকাম থেকেই সমআকামী সহি*সতা বা বলা*কারের জন্ম। সমআকাম প্রতিরোধ করলে সমআকামী সহি*সতা বা বলা*কারের ও প্রতিহত হবে। ২. কুরআন সুন্নাহর আইনেই আসল সমাধান। সেটা যতক্ষণ সম্ভব না হচ্ছে প্রচলিত আইনের মাধ্য‌মে হলেও সমআকাম ও সমআকামী সহি*সতা বা বলা*কার প্রতিরোধ করতে হবে। ৩. প্রচলিত সমআকাম বিরোধী আইন হচ্ছে দন্ডবিধি (১৮৬০) এর ৩৭৭ ধারা। প্রচলিত বলা*কার বিরোধী আইন হচ্ছে নারী ও শিশু নি*াতন দমন আইন। ৪. বিবৃতির দাবী হচ্ছে ৩৭৭ ধারা কার্যকরের মাধ্য‌মে সমআকামের লাগাম টেনে ধরা, যার ফলে সমআকামী সহি*সতা বা বলা*কারও কমে আসবে। ৫. বিবৃতির আরেকটি দাবী হচ্ছে, যেহেতু সাভারের ঘটনায়‍ বলা*কার ঘটেছে এখানে শুধু ৩৭৭ নয়‍ অন্য‌ সকল প্রযোজ্য‌ আইন বিবেচনায়‍ এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা। বিবৃতিতে বিশেষভাবে দাবি জানিয়ে বলা হয়, ‘সাভারের এই নজিরবিহীন ন্যা*ক্কারজনক ঘটনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীকে অবিলম্বে গ্রে*প্তার করে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ৩৭৭ ধারাসহ ###অন্যান্য‌-প্রযোজ্য-আইনের-আওতায়‍#### এনে যথাযথ ও ###সর্বোচ্চ### শা*স্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের জঘন্য কাজ করার দুঃসাহস দেখাতে না পারে।’

*সরকার কি সমকামী অধিকার কায়েমের দিকে হাঁটছে?* এর আগে ঢাকেশ্বরী মন্দিরেও এনআইডি জালিয়াতি করে এলজি বিয়ে হলো। কিন্তু কোন প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। আমাদের হ/ত্যার প্ররোচনায় একাধিক ্জিডি করার পরও ইন্টেরিম কোনো সাড়া দেয়নি। এই সরকার সংসদে এলজিবান্ধব শ্রম আইন পাশ করলো যেটা ইন্টেরিমের অধ্যাদেশ ছিলো। বিরোধী দলের কোনো সাংসদও প্রতিবাদ করার মানসিকতা দেখাতে পারেনি। সরকারের প্রতিমন্ত্রী পাবলিক ফোরামে এলজি অধিকারের কথা বললেন। এটা নাকি বিএনপি'র ৩১ দফায় আছে যা শামা ওয়াবেদ দাবী করেছেন! https://www.facebook.com/share/p/1d5STnzTXD/

কোনো ফেসবুকের কুতুব ৩৭৭ নিয়ে ভুলভাল জ্ঞান দিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাদের দাবী সমকামী তখনই গণ্য করা হবে যদি দুজনে মিলে এই বিকৃত আচরণে ম
কোনো ফেসবুকের কুতুব ৩৭৭ নিয়ে ভুলভাল জ্ঞান দিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাদের দাবী সমকামী তখনই গণ্য করা হবে যদি দুজনে মিলে এই বিকৃত আচরণে মিলিত হয়। ব্যাপারটা সেরকম নয়

photo content

photo content

photo content

photo content