uz
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Kanalga Telegram’da o‘tish

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Ko'proq ko'rsatish

📈 Telegram kanali Abdullah bin bashir analitikasi

Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) Bengal til segmentidagi kanali faol ishtirokchi. Hozirda hamjamiyat 11 290 obunachidan iborat bo'lib, Din & Maʼnaviyat toifasida 8 155-o'rinni va Bangladesh mintaqasida 2 033-o'rinni egallagan.

📊 Auditoriya ko‘rsatkichlari va dinamika

невідомо sanasidan buyon loyiha tez o‘sib, 11 290 obunachiga ega bo‘ldi.

21 Iyun, 2026 dagi oxirgi ma’lumotlarga ko‘ra kanal barqaror faollikka ega. Oxirgi 30 kunda obunachilar soni 76 ga, so‘nggi 24 soatda esa -3 ga o‘zgardi va umumiy qamrov yuqori darajada qolmoqda.

  • Tasdiqlash holati: Tasdiqlanmagan
  • Jalb etish (ER): Auditoriya o‘rtacha 18.18% darajada jalb etiladi. Nashrdan keyingi dastlabki 24 soatda kontent odatda umumiy obunachilar sonining 7.96% ini tashkil etuvchi reaksiyalarni to‘playdi.
  • Post qamrovi: Har bir post o‘rtacha 2 052 marta ko‘riladi; birinchi sutkada odatda 899 ta ko‘rish yig‘iladi.
  • Reaksiyalar va o‘zaro ta’sir: Auditoriya faol: har bir postga o‘rtacha 49 ta reaksiya keladi.

📝 Tavsif va kontent siyosati

Muallif resursni shaxsiy fikrni ifoda etish maydoni sifatida ta’riflaydi:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Yuqori yangilanish chastotasi (oxirgi ma’lumot 22 Iyun, 2026 da olingan) sababli kanal doimo dolzarb va katta qamrovli bo‘lib qoladi. Analitika auditoriya kontent bilan faol hamkorlik qilishini, uni Din & Maʼnaviyat toifasidagi muhim ta’sir nuqtasiga aylantirishini ko‘rsatadi.

11 290
Obunachilar
-324 soatlar
+387 kunlar
+7630 kunlar
Postlar arxiv
একটা বই কীভাবে পাঠ করতে হয়, কী কী নোট করতে হয় তার উত্তম নমুনা শিখার জন্য হযরতের বই নিয়ে লেখা নিয়মিত পড়তে পারেন। . আমার বই নিয়ে এমন খুটিয়ে পর্যালোচনা এত বড় মানুষ যখন করেন, তখন স্বাভাবিক আবেগে আপ্লুত হই! রাত জেগে মাথা গরম মাদরাসা আলীর বারান্দায় এমাথা থেকে ঐ মাথা হাটার মধুর কষ্টগুলো স্মরণ হয়। আরো অনেক কিছুই মনে পড়ে, থাকুক, সে কথাগুলো অন্যকোনো সময়ের জন্য। .`

‘ধর্ম মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়’ কথাটি গভীরভাবে লক্ষ্য করলে এর আরেকটি ভয়ংকর নেতিবাচক প্রভাব হলো, এটি একজন মানুষকে নিজ ধর্মের প
‘ধর্ম মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়’ কথাটি গভীরভাবে লক্ষ্য করলে এর আরেকটি ভয়ংকর নেতিবাচক প্রভাব হলো, এটি একজন মানুষকে নিজ ধর্মের প্রতি অনাস্থাশীল করে তোলে এবং ধর্মহীনতা গ্রহণের পথ সুগম করে। একজন মানুষ যখন দেখবে, জীবনের কোনো অংশেই তার ধর্মের কোনো মূল্যায়ন নেই, ধর্মীয় শিক্ষা তার একান্ত ব্যক্তিগত কিছু কাজ ছাড়া আর কোথাও কাজে আসে না, ধর্মীয় বিধিনিষেধের প্রতি সমাজে খোদই কেয়ার করা হয় না, তখন সে ধর্মের প্রতি একধরনের অনাস্থায় ভুগবে, যা তাকে ধীরে ধীরে ধর্মহীনতার দিকে ঠেলে দেবে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এভাবেই সিস্টেমেটিকভাবে মানুষকে ধর্মহীন করে তোলা হয়। আর এজন্যই বর্তমান সমাজে ব্যাপকভাবে ধর্মের ব্যাপারে অনাস্থাশীল একটি বিশাল প্রজন্ম তৈরি হয়েছে। যদি মুসলিম দেশগুলোতে আলেম ও মুসলিম দার্শনিকদের মেহনত না থাকত, তাহলে এ দেশগুলোর অবস্থা আজ তাই-ই হতো যা ইউরোপসহ সারা পৃথিবীর হয়েছে! বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ৩৬০৳ (২৫% ছাড়ে)

ইশতিয়াক তুষার ইস্যুতে একটা কথা বলবো বলবো করে বলা হয় নাই। অনেকটা ভয়েও বলি নাই। কারণ এই ইস্যুগুলোকে অনেক বেশি ভয় পাই। নিজের জন্যও ভয় পাই, আবার অনেকে ভুল বুঝতে পারবে সে জন্যও ভয় পাই। . তুষারের ক্যালেংকারি যখন ভাইরাল হয় তখন একদল "অনলাইন বুজুর্গ" একটা স্লোগান নিয়ে আসলো। অথচ তুষারের সাথে দীর্ঘদিন অফলাইনে চলাফেরা করে তাদেরকে আপনি জিজ্ঞাসা করে দেইখেন, সে অফলাইনেও এমন বুজুর্গির চেহারা নিয়েই চলতো! তার সাথে চলা প্রত্যেক ব্যক্তিই আসমান থেকে পড়েছে! তাদের কয়েকজনের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি! তাদের আফসোস আর পেরেশানি দেখে খারাপ লেগেছে! গোপন গুনাহ বড় ভয়ংকর জিনিষ!! . তুষার যে পরিমাণ অফলাইনে বড় বড় আলেমদের সোহবতে যাইতো, তারে অনলাইন নিয়ে মকারি করা ফেসবুকের বহু অফলাইন কর্তৃপক্ষের পুরো জীবনেও হয়তো এত এত আলেমের মজলিসে যায় নাই। আশপাশ তো আশপাশে, কওমী ঘরনার নির্ভরযোগ্য আলেমদের বয়ান শুনতে তুষার দূরদূরান্তে নিয়মিত যেতো। নানুপুর থেকে নিয়ে উজানী বহু মাহফিলে মুরব্বিদের বয়ান শূনতে তার উপস্থিতি থাকতো নিয়মিত। . কল্পনা করা যায় এমন একজন মানুষ এমন নিকৃষ্ট গুনাহে জর্জরিত! তো, ভাই নিজেকে নিয়ে চিন্তা করি, নিজে যদি নিজেকে গুনাহ থেকে বাঁচাবো এমন দৃঢ় হিম্মত না করি, তাহলে যত বড় শায়খই হোক বা গ্রহণযোগ্য পীরের কাছে যান কোনো বিশেষ লাভ হবে না। . কারো গোপন গুনাহ প্রকাশ হলে মকারি না করে নিজেকে নিয়ে মনে হয় বেশি ফিকির করা দরকার। যদি নিজেরই গোপন গুনাহ থাকে তাহলে তো উচিত ঐ সময়টাকে আরো বেশি ভয় করা, আল্লাহ যদি ঐ লোকের জায়গায় আমাকে এভাবে প্রকাশ করে দিতো তাহলে কী হতো! আর যদি আমার আলহামদুলিল্লাহ কোনো গোপন গুনাহ না থাকে তাহলে আল্লাহর শুকরিয়া করে নিজেকে নিয়ে ভয় পাওয়া উচিত, কখন কোন সুযোগে কোনো গোপন স্থায়ী গুনাহে লিপ্ত হয়ে যাই কি না।

মালির পরিস্থিতি এখন পুরো সাহেল অঞ্চলের ভূ-রাজনীতির জন্য এক বড় ধাঁধা। প্রশ্ন উঠেছে—বামাকোর কি খুব দ্রুতই পতন ঘটবে, নাকি দীর্ঘ
মালির পরিস্থিতি এখন পুরো সাহেল অঞ্চলের ভূ-রাজনীতির জন্য এক বড় ধাঁধা। প্রশ্ন উঠেছে—বামাকোর কি খুব দ্রুতই পতন ঘটবে, নাকি দীর্ঘ মেয়াদী অবরোধে দেশটি তিলে তিলে নিঃশেষ হয়ে যাবে? বিস্তারিত : https://madhyaprachya.com/2026/11831/

অনুবাদটা আমি দিচ্ছি না, আপনারা কষ্ট করে করে নেন।
অনুবাদটা আমি দিচ্ছি না, আপনারা কষ্ট করে করে নেন।

তাহরিরের ভাইদের দৃষ্টিতে এটা হলো জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্র, যারা আমেরিকার তাবেদারী করে, সুতরাং এদের থেকে তেমিন আশা নাই। সকল আশা মিশ
তাহরিরের ভাইদের দৃষ্টিতে এটা হলো জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্র, যারা আমেরিকার তাবেদারী করে, সুতরাং এদের থেকে তেমিন আশা নাই। সকল আশা মিশর, পাকিস্তান আর তুর্কির আর্মির কাছে। কারণ তারা উম্মাহেরই সন্তান। . ভাই তোদেরকে সালাম। তোদের বুদ্ধবৃত্তিক গবেষনারে সালাম!

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় দেশবাসী ও আমার প্রাণপ্রিয় উম্মাহ, আলহামদুলিল্লাহ, বিগত বছরগুলোর ন্যায় এ বছরও আপন
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় দেশবাসী ও আমার প্রাণপ্রিয় উম্মাহ, আলহামদুলিল্লাহ, বিগত বছরগুলোর ন্যায় এ বছরও আপনাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসাতু দাওয়াতিল ইসলাম বাংলাদেশ)-এ ছয় সপ্তাহব্যাপী দাওয়াহ কোর্সের আয়োজন করা হয়েছে। এই কোর্সের মাধ্যমে ওলামায়ে কেরাম ও তলাবায়ে ইযামসহ যে কোনো শিক্ষিত ভাইয়েরা অংশগ্রহণ করে নিজেকে একজন যোগ্য, প্রাজ্ঞ ও উম্মাহ-দরদী দাঈ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন। যুগের চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রেখে বিভিন্ন ফিরাক্বে বাতিলার মোকাবিলার উদ্দেশ্যে আমরা এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। অতএব, সকল উম্মাহ-দরদী ভাইদের প্রতি আহ্বান—আপনারা এই খণ্ডকালীন দাওয়াহ কোর্সে অংশগ্রহণ করে উম্মাহর কল্যাণে দাওয়াতি কাজকে নিজের দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করুন। 🕘 সময়: প্রতি শুক্রবার সকাল ৮:৩০টা থেকে দুপুর ১১:৩০টা পর্যন্ত।

"জাবিহুল্লাহ মুজা*দ" মুখপাত্র ইমারতে ইসলামিয়া। "আবু উবা*দাহ" মুখপাত্র মাহাস। উম্মাহের মুখপাত্রের এই সিলসিলায় নতুন আরেকটি নাম যুক্ত হলো— "আবু হুজাইফাহ" মুখপাত্র জেএনআইএম।

আল্লাহর ওয়াস্তে সেই মহান মানুষগুলোর ব্যাপারে শব্দচয়ন করতে সতর্ক হন! আল্লাহর ওয়াস্তে সতর্ক!

হযরত ওমরের শাসনামল চলছিলো। শামে এক আশ্চর্য ঘটনা ঘটে যায়। একদল লোক মদ পান করে। ইয়াযিদ বিন আবু সুফিয়ান তখন শামের গভর্নর। তিনি সকলকে পাকড়াও করলেন। তারা নিজেদের ভুল স্বীকার না করে উল্টো বললো, ‘মদ তো আমাদের জন্য হালাল।’ এবং নিজেদের দাবীর পক্ষে তারা কুরআনের একটি আয়াতের অপব্যাখ্যাও দাঁড় করালো। ইয়াযিদ বিন আবু সুফিয়ান কিছুটা পেরেশান হয়ে গেলেন। সমাধানের জন্য খলিফা হযরত ওমরের কাছে ঘটনার পুরো বিবরনসহ চিঠি পাঠালেন। হযরত ওমর তড়িৎ উত্তর পাঠালেন, ‘এরা সেখানে ফাসাদ তৈরির আগেই এদেরকে আমার কাছে পাঠিয়ে দেও।’ . অপরাধীদের মদিনায় পাঠানো হলো। খলিফা ওমর দায়িত্বশীল সাহাবীদের কাছে অপরাধীদের শাস্তির বিষয়ে পরামর্শ চাইলেন। মজলিসের সকলেই বললেন, ‘হে আমিরুল মুমিনিন! এরা আল্লাহর উপর মিত্থারোপ করেছে এবং দ্বীনের মধ্যে এমন বিধানের প্রবর্তন করেছে যার অনুমতি আল্লাহ দেননি। তাই আমাদের রায় হলো, এদের গর্দান উড়িয়ে দেওয়া হোক।’ . মজলিসে সবাই সিদ্ধান্ত দিলেও হযরত আলী ছিলেন চুপচাপ। খলিফা ওমর আলীর এই নিরাবতা দেখে বললেন, ‘হে আবুল হাসান! আপনার কী অভিমত এই বিষয়ে?’ হযরত আলী নিজেকে কিছুটা প্রস্তুত করে বললেন, ‘আমিরুল মুমিনিন! আমার মত হলো তাদের কাছে তাওবা চাওয়া হবে। যদি তারা তাওবা করে তাহলে মদ পানের অপরাধে প্রত্যেককে ৮০টি করে বেত্রাঘাত করা হবে। আর যদি তাওবা না করে তাহলে তাদের গর্দান উড়িয়ে দেওয়া হবে। কারণ তারা আল্লাহর উপর মিথ্যচার করেছে এবং দ্বীনের মধ্যে এমন বিধানের প্রবর্তন করেছেন যার অনুমতি আল্লাহ দেননি।’ . মজলিসের এই বিধান শুনে অপরাধীরা সকলেই তাওবা করে নিলো। ফলে তাদের প্রত্যেককেই মদ পানের শাস্তি হিসেবে ৮০টি করে বেত্রাঘাত করা হয়। . সূত্র: মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা, ১৪/৪৩৪; শরহে মাআনিল আসার ৩/১৫৪, বাবু হাদ্দিল খমর

চুরি করে বাঁচতে হলে বিয়ে করে ফেলতে হবে! হে যুবক....। «الاختيار لتعليل المختار» (4/ 112): «ولو سرقت من أجنبي أو سرق من أجنبية ثم تزوجا سقط القطع، لأن اعتراض الزوجية بعد القضاء يمنع الاستيفاء فيمنع القضاء أولى»

খেলাফতব্যবস্থা ও গণতন্ত্র বিপরীত মেরুর দুটি জীবনব্যবস্থা। ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলোর গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাতিল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সমর্থন ও অনুমোদন দেওয়া হয়। সাধারণ মানুষ ভাবতে শুরু করে, যখন আলেমরাই এই গণতান্ত্রিক রাজনীতির অংশ হচ্ছেন, তো এর মানে হলো এ ব্যবস্থা সঠিক এবং ইসলামের সাথে তা সাংঘর্ষিক নয়, অন্যথায় আলেমরা এতে অংশ নিতেন না। ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এ মর্মে যতই ব্যাখ্যা হাজির করুক না কেন যে, তারা এই ব্যবস্থাকে সমর্থন করেন না-একপ্রকার বাধ্য হয়েই এতে অংশ নিচ্ছেন; তবুও সাধারণ মানুষ এসব ব্যাখ্যা বুঝতে অক্ষম এবং বাস্তবতাও এ জাতীয় আজগুবি ব্যাখ্যার সত্যতা নিশ্চিত করে না। কারণ অভিজ্ঞতার আলোকে দেখা গেছে, নির্বাচনে বিজয়ের পর সংসদ ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে ধর্মীয় ও সেক্যুলার দলগুলোর কর্মপন্থায় তেমন কোনো পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় না। বই: ইসলামি খেলাফত লেখক: মাওলানা জাহিদ ইকবাল অনুবাদক: ফাদলুল্লাহ জাবের মূল্য: ৪৮০৳ (২৫% ছাড়ে)

পৃথিবীর যেকোনো দেশে যদি মুসলমানরা ইলায়ে কালিমাতুল্লাহের পথে সামান্য এগিয়ে যায় এটা একজন মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি দিবে, তার খুশির কারণ হবে এটা একদম স্বাভাবিক একটি বিষয়। বলা যায় এটা তার মধ্যে থাকা ঈমানের আলামত। কিন্তু মুমিনদের এই স্বাভাবিক খুশিও বহু ইন্টেলেকচুয়াল পন্ডিত ভাইদের পছন্দ হয় না। শুধু এই খুশিটুকুর ইজহারের কারণে কত কত শব্দে মুমিনদের এই মেধাবী ভাইরা সম্বোধন করে! সুবহানাল্লাহ! . প্রতিটি ভূখণ্ডের নিজস্ব বাস্তবতা আছে, এটা আলহামদুলিল্লাহ সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করেন যারা আল্লাহর কালিমাকে বুলন্দ করার জন্য কাজ করে। কিন্তু এই ইন্টেলেকচুয়াল ভাইদের ভাবসাব এমন যে, দুনিয়ার সব বাস্তবতা তারাই বুঝে, আর ইসলাম ও মুসলমানদের বিজয়ের খুশি হওয়া সবাই মূর্খ! এদের বাস্তবতা বুঝার হালত হলো, এরা এই দুনিয়াকে ধর্মের দৃষ্টিতে দেখতে নারাজ। এদের স্পষ্ট ঘোষণা, ধর্মের ভিত্তিতে নাকি এখন কিছুই হয় না। প্রকৃত বাস্তবতা হলো, এরা না বুঝে ধর্ম আর না বুঝে দুনিয়ার প্রকৃত বাস্তবতা। আসলে ধর্ম বাদ দিয়ে এদের দুনিয়া দেখার চশমাটাই আলাদা। . বারবার, আফগান আর তালেবদের মত রাষ্ট্র চাওয়া দ্বারা আসলে কী বুঝানো হয়, এই সহজ হিসাবটা এই বুদ্ধিজীবী ইন্টেলেকচুয়াল ভাইরা বুঝে না। অথচ এদের ইন্টেলেকচুয়াল আলাপে হাজারবারের মত উঠে আসে ইবনে খালদুনের সেই আলাপ—মানুষ বিজয়ী জাতীর অনুসরণ করে। তাহলে বিজয়ী তালেবদের মত অন্য অঞ্চলের পরাজিত মুসলিমরা হতে চাইলে সমস্যাটা কী? আসলে ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় বিজয়ী জাতির অনুসরণের আলাও দিয়ে তারা পশ্চিমের অনুগামীতার মজাকেই আস্বাদন করতে চায় ও অন্যদের করাতে চায়। আর তাদের বুদ্ধবৃত্তিক ইন্টেলেকচুয়ালগিরি মূলত এখানেই সীমাবদ্ধ। . যাইহোক, আল্লাহ সকলকে ভালো রাখুক। হকের উপর অটল থাকা ভাইদের বিজয় দান করুন এবং পুরো পৃথিবীর সমস্ত মুমিনের অন্তরকে শান্ত করুন। আমীন।

একদিনে কী একটা মাইর হইছে মালির উপর চিন্তা করে দেখেন ১। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ২। গোয়েন্দাপ্রধান ৩। সেনাপ্রধান এই সবগুলো পটল ব্যবসায় চলে গেছে! একটা দেশের ডিফেন্স বলতে আর কী থাকে? . বি. দ্র. উপরের তিনজনই মুসলিম। বাকিটা দেখেন আপনারা যা ভালো মনে করেন। আপনারা এমন কিছুর সমর্থন করবেন কি না, এটা আপনাদের বিষয়!

মালির বিজয় সংক্রান্ত একটি পোষ্ট ও দাবী থেকে আমার স্পষ্ট রুজুনামা . কোনোরকম অভ্যান্তরীন বা বহিরাগত চাপে নয়; সম্পূর্ণ নিজের দ্বায়বদ্ধতা থেকে এবং সহজ্ঞানে আমি এই রুজুনামা লেখছি। কারণ হক গ্রহণ করে তার লেজ হওয়া আমার জন্য শ্রেয় বাতিলের মাথা হওয়া থেকে। . বহুদিন আগে মালির বিজয় সংক্রান্ত আমি লেখেছিলাম ও অনেককে বলেওছিলাম--মালি যদি অমুক দিনের আগে বিজয় হয় তাহলে আমি এটাঐটা খাওয়াবো। এখন আমার কাছে হক স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, আমি আসলে তখন ভুল ছিলাম। আবেগের বশীভূত হয়ে এমন অবাস্তব কথা আমি বলে ফেলেছিলাম। তাই কোনোরকম সংশয় ও "যদি" কিন্তু" ছাড়া আমি আমার পূর্বের চিন্তা থেকে ফিরে আসলাম। আল্লাহ আমাকে হক গ্রহণের তাওফিক দান করুন। এবং বাস্তবতা বিবর্জিত কথাবার্তা থেকে পরিপূর্ণ হেফাজত করুন। . বি. দ্র. রুহুল আমিনের রুহানী মা কওমী জননী ও তার একাংশের প্রভু ম্রে-রিকা যেহেতু আগষ্টে জয় বাংলা ও জয় বঙ্গুবন্ধু হয়েছে, তাই আগষ্ট ছাড়া অন্যকোনো মাসের বিজয়কে বিজয় মানতে পারবো না। ধন্যবাদ . বিনীত আব্দুল্লাহ বিন বশির বিশ্ব তাবিল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সহসভাপতি

যারা এখনো বিয়ে করেননি, তাদের জন্য জরুরি দিকনির্দেশনা।

ঢাকার ভাইরা কোনোভাবেই মিস দিয়েন না।
ঢাকার ভাইরা কোনোভাবেই মিস দিয়েন না।

মালির ম্রামারি তীব্র হচ্ছে! . তুর্কি ও সৌদি মালির রাজধানীতে বিদ্রোহীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। উম্মাহের সালাফি-কালামি এক জায়গায় একত্রিত হয়েছে দেখে ভালো লাগলো। উম্মাহ ফকিন্ন আর দাসদের এভাবে ঐক্যমত হতে দেখে উম্মাহের বিজয় সুনিশ্চিত এবিষয়ে আর কোনো সন্দেহ রইলো না। . মালির স্থানীয় পত্রিকা খবর করেছে গতকালের আক্রমণে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু হয়ে গিয়েছে! . এদিকে বিভিন্ন বিজিত এলাকায় ব্যাপকাভাবে আফ্রিকান কর্পস (সাবেক ওয়াগনার) বাহিনী আত্মসমর্পন করছে এবং রাশিয়ান ভাড়াটিয়া সৈন্যরা বিভিন্ন ফ্রন্টে মালির পক্ষে ম্রামারি করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে! . বুকে পাথর চাপা দিয়ে নিউজগুলো দেখতে হচ্ছে! এভাবে একটি দেশ থেকে গণতন্ত্র উঠে যাচ্ছে আর কেউ কিছুই করতে পারছে না! আধুনিক যুগের ভোট যুদ্ধের কী হবে! বিষয়টি এলার্মিং!!