uk
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Відкрити в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 11 332 підписників, посідаючи 7 947 місце в категорії Релігія і духовність та 2 061 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 11 332 підписників.

За останніми даними від 02 вересня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на 65, а за останні 24 години на 2, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 13.44%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 5.36% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 1 522 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 607 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 32.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 03 вересня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Релігія і духовність.

11 332
Підписники
+224 години
-77 днів
+6530 днів
Архів дописів
উনি যাত্রাবাড়ী মাদরাসার শিক্ষক। আল্লাহ আলেমদের গোমরাহি থেকে আমাদের হেফাজত করুক। . প্রত্যেক ধ্বংসপ্রাপ্ত মুসলিম জনপদ ধ্বংস হওয়ার আগে এমনই মনে করতো, এটা-সেটার মাধ্যমে তো আমাদের রক্ষা হবে, কিন্তু আখের তারা ধ্বংসই হয়েছে। . ইতিহাস, অভিজ্ঞতা, শত শত বিজ্ঞ আলেম ও চিন্তাবিদরা যে আদর্শ ও চিন্তাকে ধ্বংসের কারণ বলে চিহ্নিত করে গেছেন, সেটাকেই এই ধরনের কিছু লোকরা বারবার ধোঁকা খাচ্ছে ও উম্মতকে ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে। . জাতীয়তাবাদ কস্মিনকালেও রক্ষাকবচ নয়। বরং মুসলিমদের ধ্বংসের হাতিয়ার। সাইয়েদ আবুল হাসান নদভি রহ. লেখেন- 'ধর্মের প্রতি যে পরিমাণ আবেগ-উদ্দীপনা, উচ্ছ্বাস-উত্তেজনা ও প্রশ্নাতীত পবিত্রতার অনুভূতি মানুষের অন্তরে থাকে, জাতীয়তাবাদের পক্ষে সেগুলো পূর্ণ মাত্রায় সক্রিয় ছিল; বরং বলা চলে, একটি নতুন ধর্মরূপেই যেন তা আত্মপ্রকাশ করেছিল।... জাতীয়তাবাদ নামক এ নতুন ধর্মের প্রথম বিশ্বাসই ছিল এই যে, জাতি ও জাতীয়তা হচ্ছে সবকিছুর উর্ধ্বে। আমার জাতির চেয়ে উত্তম এবং আমার দেশের চেয়ে সুন্দর কোনো দেশ ও জাতি পৃথিবীতে নেই।’ মুফতি তাকী উসমানি দা. বা. লেখেন- 'জাতীয়তাবাদের দর্শন মূলত সেক্যুলার গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত। যার সাথে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। রাজনৈতিক ঐক্যের জন্য তার (সেক্যুলার গণতন্ত্রের) নিকট কোনো মৌলিক ভিত্তি নেই। তাই ঐক্যের জন্য তারা দেশ ও গোত্রকে ঐক্যের ভিত্তি রেখেছে। আর এটাই হলো সেই মূর্তি যা মুসলিম উম্মাহকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে। ইতিহাসের যত জায়গায় মুসলমানরা লাঞ্ছিত ও পরাজিত হয়েছে, সব জায়গায় জাতীয়তাবাদী স্লোগানই ছিল তার আসল কারণ।’ . জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে “ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা” বইটি পড়া যেতে পারে।

photo content

একজন মুহাদ্দিস হাদিস পড়াচ্ছেন আর তার দরসে একজন মন্ত্রী উপস্থিত হয়ে হাদিস শ্রবণ করছেন! . এগুলো বইয়ের পাতায় পড়েই অভ্যস্ত ছিলাম আমরা। কিন্তু আল্লাহর শুকরিয়া যে, বইয়ের পাতার ঘটনাগুলো আজ আমাদের সামনে জীবন্ত হয়ে ধরা দিয়েছে! . আফগানিস্তানের প্রখ্যাত আলেম মুফতি নাজিবুল্লাহ সাহেব সহিহ বুখারির দরস প্রদান করছিলেন। সেখানে তার দরসে উপস্থিত হয়ে মনোযোগ দিয়ে দরস শ্রবণ করছিলেন আফগানিস্তানের পরিবহন ও বেসামরিক বিমান চলাচলমন্ত্রী হাজি মোল্লা ফাজিল আখুন্দ। .

যারা আরবী পারেন তারা নিচের এই আলোচনাটা মিস কইরেন না। ইনশাআল্লাহ, ইসলামের ব্যাপারে দৃঢ়তা, নিজের চিন্তার জগতে একটা পরিবর্তন পাবেন। https://youtu.be/viZjmgx8C5Q?si=78kKbkT_Tp-XePAs

photo content

🙂
🙂

মিস দিয়েন না।
মিস দিয়েন না।

photo content

রাহমানি সাহেবের বয়স হয়েছে তাই তিনি অভিজ্ঞ হয়েছেন। তার বক্তব্যটা এখন আপনার কাছে পরিপক্ক মনে করছেন; অথচ আপনারই এখনো বয়স হয় নাই। হতে পারে আরেকটু বয়স হলে রহমানি সাহেবের এই বক্তব্যটাও আপনার কাছে অপরিপক্ক মনে হবে। আবার এও হতে পারে আপনার মূলনীতি অনুযায়ী রাহমানি সাহেবের আরেকটু বয়স হলে, অভিজ্ঞতা বাড়লে - তিনি নিজেই এই মতামত বদলে ফেলছেন। তখন কী বলবেন? আসলে অভিজ্ঞতা আর পরিপক্কতা কিছুই না। আমার মতের সাথে মিললে সেটাই অভিজ্ঞতা লব্ধ আলাপ; আর না মিললে সেটার কোনও ভেল্যুই নেই। ©মহিউদ্দিন কাসেমী ভাই

বুরকিনা ফাসোর ইবরাহিম ত্রাওরেকে যখন হিরো হিসেবে মিডিয়াতে উপস্থাপন করা হয়, তখন আমরা স্পষ্ট করেই তো বলেছিলাম, সেখানের উদীয়মান ইসলামি শক্তির বিজয়কে আটকানোর জন্যই মূলত একে হিরো বানানো হচ্ছে। অথচ এখন আমাদের উপরই ইলজাম দেওয়া হচ্ছে, আমরা নাকি ওরে গণতন্ত্রের বিরোধিতার কারণে হিরো বানিয়েছি! মিথ্যাই যখন হাতিয়ার তখন আর আসলে আলোচনার কোনো ফায়দা থাকে না। ফেসবুকের এক প্রবাসী বিশ্লেষক ভাইকে দেখি, জামাতের ভাইদের মত খুব চমৎকার করেই অন্যদের নামে মিথ্যাচার করতে পারেন। . যাইহোক, ত্রাওরে মিয়া যখন দেখলো ইসলামি লেবাস লাগিয়েও ইসলামপন্থীদের বিজয় থামানো যাচ্ছে না। আলেম-ওলামাদের সশস্ত্র গোষ্ঠী থেকে দূরে সরানো যাচ্ছে না, তখন সে বুঝে গেছে, গুপ্ত থেকে আর লাভ নাই। ইসলাম বিদ্বেষের প্রকাশ্য রূপই কার্যকর। বাস, সে তাই করেছে। এটা সাময়িকভাবে সেই অঞ্চলের মুসলামানদের হয়তো কিছুটা কষ্ট দিবে, কিন্তু তার গুপ্ত থেকে প্রকাশ্যে আসাটা ইনশাআল্লাহ, দীর্ঘ মেয়াদে সেখানের মুসলমানকদের ফায়দাই দিবে।

সেক্যুলারিজমের ইসলামি দৃষ্টিকোণ সেক্যুলারিজমের ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার পূর্বে ইসলাম গ্রহণযোগ্য হওয়ার চারটি শর্ত আমাদের ভালোভাবে বুঝতে হবে, যেগুলো ছাড়া ঈমান ও ইসলাম গ্রহণযোগ্য নয়: ১) ইসলাম ও তার প্রতিটি বিধানের প্রতি পরিপূর্ণ সন্তুষ্টি ও পূর্ণাঙ্গ ভালোবাসা রাখা, ২) দ্বীনের প্রতিটি বিষয়কে সম্মান ও মহত্ত্বের দৃষ্টিতে দেখা, ৩) শরিয়তের বিধিবিধানের সামনে পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ করা, ৪) ইসলাম ছাড়া অন্য সকল ধর্ম থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং সেগুলোকে ঘৃণা করা। এই চারটি বিষয় ঈমানের আবশ্যকীয় অংশ। এখানের কোনো একটি কারও থেকে ছুটে গেলে, সে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাবে। বিষয়টি আরও স্পষ্ট হওয়ার জন্য এখানে একটি নুকতা মনে রাখা প্রয়োজন। তা হলো, ইসলামের যেকোনো বিধান, যদি তা অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয়ে যায় তাহলে তার ক্ষেত্রে উপর্যুক্ত শর্তসমূহ-সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা, সম্মান ও মহত্ত্ব স্বীকার, আত্মসমর্পণ-প্রযোজ্য হবে। প্রমাণিত কোনো একটি বিধানের ক্ষেত্রেও যদি এই শর্তগুলোর কোনো একটি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে ঈমান ও ইসলামের দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না, যদিও ইসলামের অন্য সকল বিধান মনেপ্রাণে মেনে চলা হয়। উদাহরণত, কোনো ব্যক্তি ইসলামের সকল বিধান উপযুক্ত শর্তাবলির আলোকে গ্রহণ করে নিয়েছে, কিন্তু সুদের বিধানের বিষয়ে সে সন্তুষ্ট না, বা সন্তুষ্ট কিন্তু এটা নিয়ে সে হাসি-মজাক করে, তাহলে ইসলামের সকল বিধান মেনে নেওয়া সত্ত্বেও সে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী কাফের বলে গণ্য হবে। এখন সেক্যুলারিজমের পুরো বাস্তবতাকে যদি আমরা এই চারটি শর্ত বা মূলনীতির আলোকে ওপরের নুকতা সামনে রেখে পর্যালোচনা করি, তাহলে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সেক্যুলার মতবাদে এই চারটি মূলনীতি সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। এই মতবাদটি দ্বীনের শুধু একটি-দুটি নয়; বরং অধিকাংশ বিধানের সাথেই বিদ্বেষমূলক অবস্থান গ্রহণ করেছে। রাজনীতি, শাসনব্যবস্থা, ব্যবসা, অর্থনীতি, শিক্ষা, বিবাহ ও সামাজিক অন্যান্য সম্পর্কসহ ইসলামের প্রতিটি অধ্যায়ের সাথেই সেক্যুলারিজমের রয়েছে অবজ্ঞা ও ঘৃণার সম্পর্ক; বরং ইসলাম ধর্মকে সে একটি অনুপযুক্ত ধর্মই জ্ঞান করে থাকে। এখানে একটি কথা বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন যে, মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রগুলোতে যদিও সেক্যুলার মতবাদ প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু এখানকার অধিকাংশ মুসলিমের কাছে সেক্যুলার মতবাদ তার পূর্ণ বাস্তবতা ও উদ্দেশ্যসহ স্পষ্ট নয়। যার কারণে তারা সেক্যুলারিজমের স্বীকারোক্তির পাশাপাশি দ্বীনের অকাট্য বিধানগুলোকে স্বীকার করে এবং ইসলামের প্রয়োজনীয়তা ও শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে কোনো রকম দ্বিধায় থাকে না। প্রতারণাপূর্ণ সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যাগুলো সামনে রেখেই সে সেক্যুলারিজমের কথা বলে। তাই সেক্যুলারিজমের কথা বললেই কাউকে ঢালাওভাবে কাফের বলা অনুচিত ও অসতর্কতামূলক একটি কাজ। সুতরাং সেক্যুলারিজমে বিশ্বাসী কাউকে সুনির্দিষ্টভাবে কাফের বলা থেকে যেমন বেঁচে থাকা উচিত, তেমনি এই কথাও সকলকে জানিয়ে দেওয়া একটি ঈমানি দায়িত্ব যে, সেক্যুলারিজম একটি কুফরি মতবাদ এবং যারা সেক্যুলারিজমের বাস্তবতা অনুধাবন করার পরেও তা সমর্থন করবে, বা তা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাবে অথবা এটাকে একটি উন্নত কিছু মনে করবে, সে কাফের বলেই বিবেচিত হবে। বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ৩৬০৳ (২৫% ছাড়ে!)

photo content

যে দেশে ইসলাম ও মুসলমান কোনঠাসা, সেই দেশের আলেমদের চিন্তাভাবনা ইসলামের নিরাপদ দেশের জন্য সবসময় উপযুক্ত হবে না। দারুল কুফর ও দারুল ইসলামের আলেমদের চিন্তাভাবনার মধ্যে পার্থক্য থাকবেই। তাই নিজেদের দেশের অবস্থা সবচেয়ে ভালো বুঝেন সেই দেশের আলেমগণ। ইতিহাস বলে, শতশত বছর ইসলাম ও কুফর পাশাপাশি থাকার ফলে মুসলমানরা বারবার কুফরের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। মুসলমানদের চিন্তাভাবনারও যুগে যুগে সংশোধন করতে হয়েছে। এ সংশোধনের পরিসরে আলেমগণও শামিল ছিলেন। নবীজি ﷺ এর মক্কি জীবনের অবস্থান এবং মাদানী জীবনের অবস্থান এক ছিল না; উভয়ের বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। এই পার্থক্যটি অনুধাবন করতে পারা অত্যন্ত জরুরি। ©

হিযবুত তাওহীদ নামক এই যিন্দিকদের জামাত মুসলমানদের জন্য এক বিশাল ফিতনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলো আমরা ওদের নিয়ে সচেতনই
হিযবুত তাওহীদ নামক এই যিন্দিকদের জামাত মুসলমানদের জন্য এক বিশাল ফিতনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলো আমরা ওদের নিয়ে সচেতনই হচ্ছি না। . নোয়াখালীতে ওদের কার্যক্রম অনেক অনেক বেশি। তাই নোয়াখালীর কিছু সচেতন আলেমের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটি হবে আগামী এক তারিখ। . প্রত্যেক ভাইদের কাছে আবেদন, এই অনুষ্ঠানকে একটি জাতীয় ইস্যুতে পরিনত করতে সহযোগিতা করুন।

আমাদের কাশ্মীরের মুসলিম প্রেম এমনই। পাকিস্তানে মারলে কুচ পরওয়া নেহি। ইন্ডিয়ায় মারলেই প্রেম জেগে উঠে
আমাদের কাশ্মীরের মুসলিম প্রেম এমনই। পাকিস্তানে মারলে কুচ পরওয়া নেহি। ইন্ডিয়ায় মারলেই প্রেম জেগে উঠে

লেখাটা খুব পড়েন, বারবার পড়েন, যত বেশি আলেমদের পড়াতে পারেন তত বেশি পড়ান লেখাটা! https://themuslimminds.org/reclaiming-ulama-authority/?fbclid=IwdGRjcATPMUNjbGNrBM8xI2V4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkDDM1MDY4NTUzMTcyOAABHiinWdbdWQ2AN4gPRwj1QFo7R076x4mhSKfvvGrmdaxJc5H3pN0Nn7VAUhi7_aem_VTL3qQbg4G7qUgw-Vje0VA

‘আমাদের শুধু দ্বীনদার হওয়াই যথেষ্ট নয়; বরং দ্বীনদার হওয়ার সাথে সাথে সমঝদার হওয়ার জরুরি।’ -মাওলানা খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানী হাফিজাহুল্লাহ . আজকে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত মজলিসে হযরত আজ এই গুরুত্বপূর্ণ কথাটি বলেছেন। এরকম একটি কথার জন্য দেশবিদেশ সফর করা খুব বেশি কিছুই নয়।

৫) খেলাফত অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু খেলাফতই দ্বীন না। এমনকি দ্বীনের ভিত্তিও না। বড়জোর সেটা জাহেরি শরিয়াত বাস্তবায়নের ভিত্তি। যেসব নবি খেলাফত কায়েম করতে পারেন নাই তারা ব্যার্থ না। আবার খোদ নবি (সা) মদিনায় রাষ্ট্রীয় ভিত্তি স্থাপনের পূর্বেও দ্বীন ছিলো৷ বাদশা নাজ্জাশি ইমান এনেছিলেন। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সা) মদিনায় ইমারত কায়েমের পরেও নাজ্জাশি সেই রাষ্ট্রে হিজরত করেননি। জাফর তৈয়ার (রা) ইয়াসরিব মদিনা হওয়ার পরের দিন হিজরত করেন নাই। অপারগতাবশত আবু জান্দাল (রা) এবং তাঁর সাথিরা অনেকে খেলাফতের অংশ হতে পারেন নাই। কিন্তু তাঁরা আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের ইমান এনেছিলেন। কোন সন্দেহ নাই খেলাফত কায়েম করা উম্মাহর জন্য ওয়াজিব। ওয়াজিবে কেফায়া। কিন্তু তার মানে এটা না যে প্রত্যেক টম ডিক অ্যান্ড হ্যারি খেলাফত কায়েমের জন্য প্রচেষ্টা চালাবে। খোদ হিজব সিরাত থেকে যা আহরন করেছে সেই ঘটনা লক্ষ্য করলে দেখবেন এই খেলাফত কায়েমে প্রক্রিয়ার রাসুলুল্লাহ (সা) এবং কয়েকজন সাহাবা জড়িত ছিলেন। প্রত্যেক সাহাবা জড়িত ছিলেন তা নয়। বেলাল (রা) কি মানুষদের খেলাফতের দাওয়াত দিয়ে বেড়িয়েছেন?সুমাইয়া (রা)? আমাদের যুগে কিছু মানুষ খেলাফত কায়েমের চেষ্টা করবে এটাতো ঠিক আছে। কারও পক্ষে এজন্য অবদান রাখার যৌক্তিক সামর্থ্য থাকলে তারও সেটা করা উচিৎ। কিন্তু প্রত্যেক মুসলমান দ্বীনের সকল কাজ ছেড়ে কেবল খেলাফতের জন্য চেষ্টা করবে এমন দাবি চূড়ান্ত মাত্রায় অযৌক্তিক এবং অবাস্তব। এমন কাজ সত্যিই করা হলে সেটা বরং খেলাফত  কায়েমের বাস্তব প্রচেষ্টাকে আরও পিছিয়ে দিবে, আরও দুর্বল করে দিবে। বরং অপারগ অবস্থায় যখন খেলাফত নাই তখন দ্বীনের প্রত্যেক অংশকে টিকিয়ে রাখার জন্য উম্মাহ সামষ্টিকভাবে ব্যাক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়ে টিকিয়ে রাখবে যেনো উম্মাহর খেলাফতের আকাঙ্ক্ষা টিকে থাকে এবং বাস্তবেই খেলাফত কায়েমের সম্ভাবনা তৈরি হলে উম্মাহ সর্বাত্মক সহায়তা করে। যদি আল্লাহ সত্যিই এমন কিছু দিয়েও দেন তবে তার সংরক্ষণ ও প্রতিরক্ষায় নিজেদের জান মাল সর্বস্ব উৎসর্গ করে। তারা উম্মাহর মাযুরিয়াতকে অস্বীকার করে এবং উম্মাহর উপর এমন বোঝা এমনভাবে চাপিয়ে দিতে চায় যার ওজন বাস্তবে বহন করতে না পেরে উম্মাহর এই আকাঙ্ক্ষারই এক সময় মৃত্যু হবে। এ যেনো একটা শিশুর উপর একটা পূর্ব বয়স্ক মানুষের সামর্থ্য অনুযায়ী বোঝা চাপিয়ে দেওয়া যাতে সে হয়তো মারা পরবে অথবা তার মেরুদণ্ড ভেঙে যাবে। অথচ সে যদি ধীরে ধীরে বড় হতো তবে হয়তো একদিন অনেক বোঝা বহন করতে পারতো। তারা দ্বীন প্রচারকে মনে করে খলিফার কাজ। দ্বীনের প্রতিরক্ষাকে মনে করে প্রতিরক্ষাকে মনে খলিফার কাজ। ত্রান ও উম্মাহর সহায়তায় দাতব্য সেবাকে মনে করে খলিফার কাজ। তালিম এবং তাযকিয়া খলিফার কাজ। আমর বিল মারুফ নাহী আনিল মুনকার খলিফার কাজ। উসুলের দিক থেকেতো কথাগুলো অসত্য না৷ প্রশ্ন হলো খলিফা না থাকলে কি এসকল কাজ ফেলে রাখা হবে? আবার খলিফা ছাড়া কোন ব্যাক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য কি এটা সম্ভব যে তারা খেলাফতের জন্যও কাজ করবে আবার অন্যান্য ক্ষেত্রেও কাজ করবে। জাতীয়, আন্তর্জাতিক কুফুরি শক্তি কি সেটা বরদাস্ত করবে? আল্লাহতো খেলাফতের নেয়ামত উম্মাহকে দিয়েছেনই এজন্য যে তারা এগুলো সঠিকভাবে করতে সক্ষম হবেন। কিন্তু অপারগ অবস্থায় রোমান্টিক ফ্যানাটিসিজমে ভুগে অন্যান্য কাজ সবাই মিলে পরিত্যাগ করার যে মানহায তারা বেছে নিয়েছেন সেটা কোন বুদ্ধিমান যৌক্তিক মানুষ মেনে নিতে পারবেন না৷ আমার এই জিনিসটা তাদের সবচেয়ে খারাপ লাগে। তারা নিজেরা ছাড়া সবার অবদান বাজেভাবে অস্বীকার করে। এজন্য যে ভালো কাজের ক্রেডিট অন্য কাউকে দিতে হবে সেটা তারা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বলবে আল্লাহ এই উম্মাহর ভেতর খায়ের রেখেছেন। সত্য আল্লাহ খায়ের রেখেছেন। কিন্তু কিভাবে?  আল্লাহর একটা সুন্নাহ আছে। তিনি এই জগতকে আসবাবের মুখাপেক্ষী বানিয়েছেন। উম্মাহর এই খায়ের কাদের মাধ্যমে, কোন আসবাবের মাধ্যমে আল্লাহ টিকিয়ে রেখেছেন সেটা তারা কখনো বলবে না। এভাবে তারা কৌশলগতভাবে দলীয় আসাবিয়্যাহ বা এক কথায় হিযবিয়্যাহর চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটায়। তাদের কথা শুনলে মনে হবে এই উম্মাহর ভেতর তারাই একমাত্র কাজের কাজ কাজ করছে। অন্য সবাই বাতাসা খাচ্ছে।

প্রকাশিতব্য "দারুল ইসলাম ও দারুল হারব" বই থেকে এ প্রসঙ্গে তার ওই পত্রের সূচনাংশও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। সেখানে শাহ ওলিউল্লাহ দেহলবি রহিমাহুল্লাহ লিখেছেন, وجه بادشاهان اسلام نعمتی است بغایت عظیم، موجب نصیب بادشاهان دو چیز است: یکے کسر شوکت کفار و ظهور ملت اسلام. تا وقتی کہ بادشاهان اسلام جهاد نکنند و بجنود اسلام دولت کفار بر هم نه زنند، زمین خدای تعالیٰ دارالاسلام نگردد، کفار بر ضعفائے مسلمین تاخته، جان و مال ایشان بر باد فنا دهند۔ মুসলিম শাসকদের অস্তিত্ব আল্লাহর এক মহামূল্যবান নিয়ামত। তাদের মর্যাদা ও সৌভাগ্যের ভিত্তি প্রধানত দুটি বিষয়ে নিহিত: এক. কাফিরদের শক্তি ও প্রতাপ ভেঙে দেওয়া; দুই. ইসলামের মর্যাদা ও প্রভাব প্রতিষ্ঠা করা। মুসলিম শাসকরা যতদিন জিহাদ পরিচালনা না করবেন এবং ইসলামী বাহিনীর মাধ্যমে কাফিরদের প্রাধান্য দূর না করবেন, ততদিন আল্লাহর জমিন দারুল ইসলাম হবে না। কারণ, কাফিররা দুর্বল মুসলমানদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে তাদের জান-মাল ধ্বংস করে দিচ্ছে।