ch
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

前往频道在 Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

显示更多

📈 Telegram 频道 Abdullah bin bashir 的分析概览

频道 Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 11 322 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 7 895,并在 孟加拉国 地区排名第 2 063

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 11 322 名订阅者。

根据 30 八月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 60,过去 24 小时变化为 -1,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 14.01%。内容发布后 24 小时内通常能获得 5.87% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 1 587 次浏览,首日通常累积 665 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 35

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

凭借高频更新(最新数据采集于 31 八月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。

11 322
订阅者
-124 小时
+47
+6030
帖子存档
সেক্যুলারিজমের ইসলামি দৃষ্টিকোণ সেক্যুলারিজমের ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার পূর্বে ইসলাম গ্রহণযোগ্য হওয়ার চারটি শর্ত আমাদের ভালোভাবে বুঝতে হবে, যেগুলো ছাড়া ঈমান ও ইসলাম গ্রহণযোগ্য নয়: ১) ইসলাম ও তার প্রতিটি বিধানের প্রতি পরিপূর্ণ সন্তুষ্টি ও পূর্ণাঙ্গ ভালোবাসা রাখা, ২) দ্বীনের প্রতিটি বিষয়কে সম্মান ও মহত্ত্বের দৃষ্টিতে দেখা, ৩) শরিয়তের বিধিবিধানের সামনে পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ করা, ৪) ইসলাম ছাড়া অন্য সকল ধর্ম থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং সেগুলোকে ঘৃণা করা। এই চারটি বিষয় ঈমানের আবশ্যকীয় অংশ। এখানের কোনো একটি কারও থেকে ছুটে গেলে, সে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাবে। বিষয়টি আরও স্পষ্ট হওয়ার জন্য এখানে একটি নুকতা মনে রাখা প্রয়োজন। তা হলো, ইসলামের যেকোনো বিধান, যদি তা অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয়ে যায় তাহলে তার ক্ষেত্রে উপর্যুক্ত শর্তসমূহ-সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা, সম্মান ও মহত্ত্ব স্বীকার, আত্মসমর্পণ-প্রযোজ্য হবে। প্রমাণিত কোনো একটি বিধানের ক্ষেত্রেও যদি এই শর্তগুলোর কোনো একটি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে ঈমান ও ইসলামের দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না, যদিও ইসলামের অন্য সকল বিধান মনেপ্রাণে মেনে চলা হয়। উদাহরণত, কোনো ব্যক্তি ইসলামের সকল বিধান উপযুক্ত শর্তাবলির আলোকে গ্রহণ করে নিয়েছে, কিন্তু সুদের বিধানের বিষয়ে সে সন্তুষ্ট না, বা সন্তুষ্ট কিন্তু এটা নিয়ে সে হাসি-মজাক করে, তাহলে ইসলামের সকল বিধান মেনে নেওয়া সত্ত্বেও সে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী কাফের বলে গণ্য হবে। এখন সেক্যুলারিজমের পুরো বাস্তবতাকে যদি আমরা এই চারটি শর্ত বা মূলনীতির আলোকে ওপরের নুকতা সামনে রেখে পর্যালোচনা করি, তাহলে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সেক্যুলার মতবাদে এই চারটি মূলনীতি সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। এই মতবাদটি দ্বীনের শুধু একটি-দুটি নয়; বরং অধিকাংশ বিধানের সাথেই বিদ্বেষমূলক অবস্থান গ্রহণ করেছে। রাজনীতি, শাসনব্যবস্থা, ব্যবসা, অর্থনীতি, শিক্ষা, বিবাহ ও সামাজিক অন্যান্য সম্পর্কসহ ইসলামের প্রতিটি অধ্যায়ের সাথেই সেক্যুলারিজমের রয়েছে অবজ্ঞা ও ঘৃণার সম্পর্ক; বরং ইসলাম ধর্মকে সে একটি অনুপযুক্ত ধর্মই জ্ঞান করে থাকে। এখানে একটি কথা বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন যে, মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রগুলোতে যদিও সেক্যুলার মতবাদ প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু এখানকার অধিকাংশ মুসলিমের কাছে সেক্যুলার মতবাদ তার পূর্ণ বাস্তবতা ও উদ্দেশ্যসহ স্পষ্ট নয়। যার কারণে তারা সেক্যুলারিজমের স্বীকারোক্তির পাশাপাশি দ্বীনের অকাট্য বিধানগুলোকে স্বীকার করে এবং ইসলামের প্রয়োজনীয়তা ও শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে কোনো রকম দ্বিধায় থাকে না। প্রতারণাপূর্ণ সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যাগুলো সামনে রেখেই সে সেক্যুলারিজমের কথা বলে। তাই সেক্যুলারিজমের কথা বললেই কাউকে ঢালাওভাবে কাফের বলা অনুচিত ও অসতর্কতামূলক একটি কাজ। সুতরাং সেক্যুলারিজমে বিশ্বাসী কাউকে সুনির্দিষ্টভাবে কাফের বলা থেকে যেমন বেঁচে থাকা উচিত, তেমনি এই কথাও সকলকে জানিয়ে দেওয়া একটি ঈমানি দায়িত্ব যে, সেক্যুলারিজম একটি কুফরি মতবাদ এবং যারা সেক্যুলারিজমের বাস্তবতা অনুধাবন করার পরেও তা সমর্থন করবে, বা তা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাবে অথবা এটাকে একটি উন্নত কিছু মনে করবে, সে কাফের বলেই বিবেচিত হবে। বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ৩৬০৳ (২৫% ছাড়ে!)

photo content

যে দেশে ইসলাম ও মুসলমান কোনঠাসা, সেই দেশের আলেমদের চিন্তাভাবনা ইসলামের নিরাপদ দেশের জন্য সবসময় উপযুক্ত হবে না। দারুল কুফর ও দারুল ইসলামের আলেমদের চিন্তাভাবনার মধ্যে পার্থক্য থাকবেই। তাই নিজেদের দেশের অবস্থা সবচেয়ে ভালো বুঝেন সেই দেশের আলেমগণ। ইতিহাস বলে, শতশত বছর ইসলাম ও কুফর পাশাপাশি থাকার ফলে মুসলমানরা বারবার কুফরের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। মুসলমানদের চিন্তাভাবনারও যুগে যুগে সংশোধন করতে হয়েছে। এ সংশোধনের পরিসরে আলেমগণও শামিল ছিলেন। নবীজি ﷺ এর মক্কি জীবনের অবস্থান এবং মাদানী জীবনের অবস্থান এক ছিল না; উভয়ের বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। এই পার্থক্যটি অনুধাবন করতে পারা অত্যন্ত জরুরি। ©

হিযবুত তাওহীদ নামক এই যিন্দিকদের জামাত মুসলমানদের জন্য এক বিশাল ফিতনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলো আমরা ওদের নিয়ে সচেতনই
হিযবুত তাওহীদ নামক এই যিন্দিকদের জামাত মুসলমানদের জন্য এক বিশাল ফিতনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলো আমরা ওদের নিয়ে সচেতনই হচ্ছি না। . নোয়াখালীতে ওদের কার্যক্রম অনেক অনেক বেশি। তাই নোয়াখালীর কিছু সচেতন আলেমের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটি হবে আগামী এক তারিখ। . প্রত্যেক ভাইদের কাছে আবেদন, এই অনুষ্ঠানকে একটি জাতীয় ইস্যুতে পরিনত করতে সহযোগিতা করুন।

আমাদের কাশ্মীরের মুসলিম প্রেম এমনই। পাকিস্তানে মারলে কুচ পরওয়া নেহি। ইন্ডিয়ায় মারলেই প্রেম জেগে উঠে
আমাদের কাশ্মীরের মুসলিম প্রেম এমনই। পাকিস্তানে মারলে কুচ পরওয়া নেহি। ইন্ডিয়ায় মারলেই প্রেম জেগে উঠে

লেখাটা খুব পড়েন, বারবার পড়েন, যত বেশি আলেমদের পড়াতে পারেন তত বেশি পড়ান লেখাটা! https://themuslimminds.org/reclaiming-ulama-authority/?fbclid=IwdGRjcATPMUNjbGNrBM8xI2V4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkDDM1MDY4NTUzMTcyOAABHiinWdbdWQ2AN4gPRwj1QFo7R076x4mhSKfvvGrmdaxJc5H3pN0Nn7VAUhi7_aem_VTL3qQbg4G7qUgw-Vje0VA

‘আমাদের শুধু দ্বীনদার হওয়াই যথেষ্ট নয়; বরং দ্বীনদার হওয়ার সাথে সাথে সমঝদার হওয়ার জরুরি।’ -মাওলানা খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানী হাফিজাহুল্লাহ . আজকে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত মজলিসে হযরত আজ এই গুরুত্বপূর্ণ কথাটি বলেছেন। এরকম একটি কথার জন্য দেশবিদেশ সফর করা খুব বেশি কিছুই নয়।

৫) খেলাফত অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু খেলাফতই দ্বীন না। এমনকি দ্বীনের ভিত্তিও না। বড়জোর সেটা জাহেরি শরিয়াত বাস্তবায়নের ভিত্তি। যেসব নবি খেলাফত কায়েম করতে পারেন নাই তারা ব্যার্থ না। আবার খোদ নবি (সা) মদিনায় রাষ্ট্রীয় ভিত্তি স্থাপনের পূর্বেও দ্বীন ছিলো৷ বাদশা নাজ্জাশি ইমান এনেছিলেন। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সা) মদিনায় ইমারত কায়েমের পরেও নাজ্জাশি সেই রাষ্ট্রে হিজরত করেননি। জাফর তৈয়ার (রা) ইয়াসরিব মদিনা হওয়ার পরের দিন হিজরত করেন নাই। অপারগতাবশত আবু জান্দাল (রা) এবং তাঁর সাথিরা অনেকে খেলাফতের অংশ হতে পারেন নাই। কিন্তু তাঁরা আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের ইমান এনেছিলেন। কোন সন্দেহ নাই খেলাফত কায়েম করা উম্মাহর জন্য ওয়াজিব। ওয়াজিবে কেফায়া। কিন্তু তার মানে এটা না যে প্রত্যেক টম ডিক অ্যান্ড হ্যারি খেলাফত কায়েমের জন্য প্রচেষ্টা চালাবে। খোদ হিজব সিরাত থেকে যা আহরন করেছে সেই ঘটনা লক্ষ্য করলে দেখবেন এই খেলাফত কায়েমে প্রক্রিয়ার রাসুলুল্লাহ (সা) এবং কয়েকজন সাহাবা জড়িত ছিলেন। প্রত্যেক সাহাবা জড়িত ছিলেন তা নয়। বেলাল (রা) কি মানুষদের খেলাফতের দাওয়াত দিয়ে বেড়িয়েছেন?সুমাইয়া (রা)? আমাদের যুগে কিছু মানুষ খেলাফত কায়েমের চেষ্টা করবে এটাতো ঠিক আছে। কারও পক্ষে এজন্য অবদান রাখার যৌক্তিক সামর্থ্য থাকলে তারও সেটা করা উচিৎ। কিন্তু প্রত্যেক মুসলমান দ্বীনের সকল কাজ ছেড়ে কেবল খেলাফতের জন্য চেষ্টা করবে এমন দাবি চূড়ান্ত মাত্রায় অযৌক্তিক এবং অবাস্তব। এমন কাজ সত্যিই করা হলে সেটা বরং খেলাফত  কায়েমের বাস্তব প্রচেষ্টাকে আরও পিছিয়ে দিবে, আরও দুর্বল করে দিবে। বরং অপারগ অবস্থায় যখন খেলাফত নাই তখন দ্বীনের প্রত্যেক অংশকে টিকিয়ে রাখার জন্য উম্মাহ সামষ্টিকভাবে ব্যাক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়ে টিকিয়ে রাখবে যেনো উম্মাহর খেলাফতের আকাঙ্ক্ষা টিকে থাকে এবং বাস্তবেই খেলাফত কায়েমের সম্ভাবনা তৈরি হলে উম্মাহ সর্বাত্মক সহায়তা করে। যদি আল্লাহ সত্যিই এমন কিছু দিয়েও দেন তবে তার সংরক্ষণ ও প্রতিরক্ষায় নিজেদের জান মাল সর্বস্ব উৎসর্গ করে। তারা উম্মাহর মাযুরিয়াতকে অস্বীকার করে এবং উম্মাহর উপর এমন বোঝা এমনভাবে চাপিয়ে দিতে চায় যার ওজন বাস্তবে বহন করতে না পেরে উম্মাহর এই আকাঙ্ক্ষারই এক সময় মৃত্যু হবে। এ যেনো একটা শিশুর উপর একটা পূর্ব বয়স্ক মানুষের সামর্থ্য অনুযায়ী বোঝা চাপিয়ে দেওয়া যাতে সে হয়তো মারা পরবে অথবা তার মেরুদণ্ড ভেঙে যাবে। অথচ সে যদি ধীরে ধীরে বড় হতো তবে হয়তো একদিন অনেক বোঝা বহন করতে পারতো। তারা দ্বীন প্রচারকে মনে করে খলিফার কাজ। দ্বীনের প্রতিরক্ষাকে মনে করে প্রতিরক্ষাকে মনে খলিফার কাজ। ত্রান ও উম্মাহর সহায়তায় দাতব্য সেবাকে মনে করে খলিফার কাজ। তালিম এবং তাযকিয়া খলিফার কাজ। আমর বিল মারুফ নাহী আনিল মুনকার খলিফার কাজ। উসুলের দিক থেকেতো কথাগুলো অসত্য না৷ প্রশ্ন হলো খলিফা না থাকলে কি এসকল কাজ ফেলে রাখা হবে? আবার খলিফা ছাড়া কোন ব্যাক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য কি এটা সম্ভব যে তারা খেলাফতের জন্যও কাজ করবে আবার অন্যান্য ক্ষেত্রেও কাজ করবে। জাতীয়, আন্তর্জাতিক কুফুরি শক্তি কি সেটা বরদাস্ত করবে? আল্লাহতো খেলাফতের নেয়ামত উম্মাহকে দিয়েছেনই এজন্য যে তারা এগুলো সঠিকভাবে করতে সক্ষম হবেন। কিন্তু অপারগ অবস্থায় রোমান্টিক ফ্যানাটিসিজমে ভুগে অন্যান্য কাজ সবাই মিলে পরিত্যাগ করার যে মানহায তারা বেছে নিয়েছেন সেটা কোন বুদ্ধিমান যৌক্তিক মানুষ মেনে নিতে পারবেন না৷ আমার এই জিনিসটা তাদের সবচেয়ে খারাপ লাগে। তারা নিজেরা ছাড়া সবার অবদান বাজেভাবে অস্বীকার করে। এজন্য যে ভালো কাজের ক্রেডিট অন্য কাউকে দিতে হবে সেটা তারা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বলবে আল্লাহ এই উম্মাহর ভেতর খায়ের রেখেছেন। সত্য আল্লাহ খায়ের রেখেছেন। কিন্তু কিভাবে?  আল্লাহর একটা সুন্নাহ আছে। তিনি এই জগতকে আসবাবের মুখাপেক্ষী বানিয়েছেন। উম্মাহর এই খায়ের কাদের মাধ্যমে, কোন আসবাবের মাধ্যমে আল্লাহ টিকিয়ে রেখেছেন সেটা তারা কখনো বলবে না। এভাবে তারা কৌশলগতভাবে দলীয় আসাবিয়্যাহ বা এক কথায় হিযবিয়্যাহর চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটায়। তাদের কথা শুনলে মনে হবে এই উম্মাহর ভেতর তারাই একমাত্র কাজের কাজ কাজ করছে। অন্য সবাই বাতাসা খাচ্ছে।

প্রকাশিতব্য "দারুল ইসলাম ও দারুল হারব" বই থেকে এ প্রসঙ্গে তার ওই পত্রের সূচনাংশও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। সেখানে শাহ ওলিউল্লাহ দেহলবি রহিমাহুল্লাহ লিখেছেন, وجه بادشاهان اسلام نعمتی است بغایت عظیم، موجب نصیب بادشاهان دو چیز است: یکے کسر شوکت کفار و ظهور ملت اسلام. تا وقتی کہ بادشاهان اسلام جهاد نکنند و بجنود اسلام دولت کفار بر هم نه زنند، زمین خدای تعالیٰ دارالاسلام نگردد، کفار بر ضعفائے مسلمین تاخته، جان و مال ایشان بر باد فنا دهند۔ মুসলিম শাসকদের অস্তিত্ব আল্লাহর এক মহামূল্যবান নিয়ামত। তাদের মর্যাদা ও সৌভাগ্যের ভিত্তি প্রধানত দুটি বিষয়ে নিহিত: এক. কাফিরদের শক্তি ও প্রতাপ ভেঙে দেওয়া; দুই. ইসলামের মর্যাদা ও প্রভাব প্রতিষ্ঠা করা। মুসলিম শাসকরা যতদিন জিহাদ পরিচালনা না করবেন এবং ইসলামী বাহিনীর মাধ্যমে কাফিরদের প্রাধান্য দূর না করবেন, ততদিন আল্লাহর জমিন দারুল ইসলাম হবে না। কারণ, কাফিররা দুর্বল মুসলমানদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে তাদের জান-মাল ধ্বংস করে দিচ্ছে।

শাইখুল হিন্দের শেষ আকুতি . ১৯২০ সালের ৩০ নভেম্বর, মঙ্গলবার, হযরত শাইখুল হিন্দ মাহমুদুল হাসান দেওবন্দি রহিমাহুল্লাহের ইন্তিকাল হয়। আল্লামা শাব্বীর আহমদ উসমানী রহিমাহুল্লাহ বর্ণনা করেন, শেষ সময়ে হযরত কিছুক্ষণ চোখ খুলে ছাদের দিকে তাকালেন। তারপর বললেন, ‘মৃত্যুর জন্য আমার কোনো আফসোস নেই। তবে আফসোস একটাই—আমি বিছানায় শায়িত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করছি। আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল, আমি যেন জিহাদের ময়দানে থাকতাম এবং আল্লাহর কালিমাকে সমুন্নত করার “অপরাধে” আমাকে টুকরো টুকরো করে ফেলা হতো।’ . সূত্র : শাইখুল হিন্দ; ফিকর ও মানহাজ, পৃ. ৩৪ লেখক, মুফতি আব্দুর রহমান সাত্তি

ডারতে মুসলিম নিধনে আফগান তালিবরা চুপ কেন? তারা কেনো মোদির মত একটা ক*ইয়ের সরকারের সাথে লেনদেন করে? এই দুইটা বা এজাতীয় প্রশ্নগুলো আপনার মাথায় গেথে আছে বা গেথে গেছে। কিন্তু, ডারতে মুসলিম নিধনে ইরান তুরষ্ক বা পাকিস্তান সরকার চুপ কেন? মিলিয়ন ডলারের বানিজ্য কেনো করতেছে ক*ই মোডির সাথে এই দেশগুলো? এই প্রশ্নগুলো কিন্তু আপনার মাথায় কখনোই আসেনি। কারণ কী জানেন? কারণ এই প্রশ্নগুলো জাশির ভাইরা কখনোই তুলে নাই। এটাই জাশির ভাইদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তারা যেটাকে অপছন্দ করবে, সেটাকে তারা এতটাই নিকৃষ্ট করে তুলবে যে, আপনি না চাইলেও সেটাকে কিঞ্চিত ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখবেন, বা অন্তত আপনার মনেও সেই প্রশ্নটা উদিত হবে। . তাদের এই প্রপাগাণ্ডাটা বিভিন্ন লেয়ারে এমনভাবে চলবে যা আপনি সাধারণ হিসেবে কখনোই মিলাতে পারবেন না। রুহুল আমিনের কওমী জননি কিন্তু আপনার মনে আছে। কিন্ত্য আযহারি, আমির হামজা আর তারেক মনোয়ার সাহেবদের চাটুকারিতার শব্দগুলো আপনার জানা নেই। এমনকি তারা আওয়ামী সরকারের চাটুকারিতা করেছে কি না, সেটাও হয়তো আপনার জানা নেই। মনে থাকবে তো ববুত দূর। . এজন্য একটা সাধারণ মূলনীতি বলি, জাশির বট আইডি বা প্রসিদ্ধ আইডি থেকে যদি দেখেন কারো বিরুদ্ধে লেখা হচ্ছে, তাহলে যথাসম্ভব সতর্কতা অবলম্বন করবেন। যদি নিজের ঈমান-আমল হেফাজত করতে চান বা জাশির নোংরা প্রপাগাণ্ডায় কামলা কাটতে না চান।

ফিতনার যামানা। চারিত্রিক ইত্যাদি ভুল সবার থেকেই হয়, আল্লাহর কাছে তা থেকে আমরা পানাহ চাই, সাধারণ মানুষদের থেকে তো হচ্ছে, আলেমদ
ফিতনার যামানা। চারিত্রিক ইত্যাদি ভুল সবার থেকেই হয়, আল্লাহর কাছে তা থেকে আমরা পানাহ চাই, সাধারণ মানুষদের থেকে তো হচ্ছে, আলেমদের থেকেও এসব পদস্খলন হয়ে যাচ্ছে। . কিন্তু জামাতের ভাইদের দেখবেন, নিজেদের হাজারো অন্যায়কে একদম না দেখার ভান করে পাশ কেটে যাবে। কিন্তু কওমীর আলেমদের সাধারণ থেকে সাধারণ বিষয় নিয়ে ইহুদিদের মত বারবার বারবার এতবার বলে যাবে যে, আপনি এটা মনে করতে বাধ্য হবেন যে, আলেমদের আর কোনো কাজ নাই, সারাদিন এদের একমাত্র কাজ চারিত্রিক... . আল্লাহ জামাতের ভাইদের বুঝ দান করুক।

৭১এ নিরপরাধ বাঙ্গালী নারীদের ইজ্জত লুটায় যারা সরাসরি সহযোগিতা করেছে, তারা যদি টিটিরে নিয়ে এই ধরনের কথা কয় তাইলে সেটা ভয়ংকর কম
৭১এ নিরপরাধ বাঙ্গালী নারীদের ইজ্জত লুটায় যারা সরাসরি সহযোগিতা করেছে, তারা যদি টিটিরে নিয়ে এই ধরনের কথা কয় তাইলে সেটা ভয়ংকর কমেডি ভাই! . পড়াশোনা করা কোনো মানুষকে নিয়ে ট্রল করা বা তার ব্যাপারে অযাচিত শব্দ বলা পছন্দ করি না। কিন্তু জামাতের এই আসিফ মাহমুদের ব্যাপারে একটা কথা বলতে বাধ্য হচ্ছি। আসিফ ভাই শিক্ষিত মানুষ হলেও এর আচরণ হলো জামাতের অশিক্ষিত গোয়ার বট আইডিগুলোর মত। সম্ভবত নিজে কোনো বট আইডি নিয়মিত চালায়, তাই মূল আইডিতে ভিতরের নোংরামি আর আটকাইয়া রাখতে পারে না।

আলহামদুলিল্লাহ, শাইখ হারুন ইজহার হাফি. এর তত্ত্বাবধানে টিম আল কুরআনের দারস এর পক্ষ থেকে আপনাদের দেওয়া ছোট-বড় হাদিয়াগুলো আমাদে
আলহামদুলিল্লাহ, শাইখ হারুন ইজহার হাফি. এর তত্ত্বাবধানে টিম আল কুরআনের দারস এর পক্ষ থেকে আপনাদের দেওয়া ছোট-বড় হাদিয়াগুলো আমাদের সাহায্যের হাতকে শক্তিশালী করে পৌঁছে যাচ্ছে বন্যাকবলিত এলাকার বিপদগামী মানুষের কাছে কিছুটা স্বস্তির হয়ে। অতএব, আমাদের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং মানবতার সেবার মাধ্যমে মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে আপনার হাদিয়া অব্যাহত রাখুন। আর্থিক সহায়তার জন্য বিকাশ ও নগদ : 01407 339 468 Bank : Islami Bank Bangladesh PLC Title : Yar Ali Khan Account : 2050 7930 2001 82706 Branch : Lalkhan Bazar Sub-Branch, Dewanhat Routing No : 793 ©আল্ কুরআনের দারস - Al Quraner Dars

জামাতের উপর যখন তীব্র জুলুম চলে তখন দ্বীনদার যেকোনো শ্রেণী সাহায্য না করতে পারলেও জামাতের প্রতি একটা সহানুভূতি ছিলো। স্বৈরাচারী অত্যাচারের কারণে সবাই জামাতের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয়ে ছিলো। কিন্তু সহানুভূতি ছিলো। . কিন্তু এদেশে ইমারত-খেলাফতের স্বপ্ন দেখে, এদেশে যারা ইসলামের বাস্তবিক পরিবর্তন চান, এদেশের কওমীর আলেম, যারা তুরাসের পুনঃপ্রতিষ্ঠা চায়, এদেশের তাবলিগওয়ালারা, যারা মানুষের ঈমানের পরিবর্তন চায়, অরাজনৈতিক আখলাকের পরিবর্তন চান, তাদের উপর যখনই কোনো নিপীড়ন নেমে আসে এরা খুশিতে হাত তালি দেয়। বরং জালেম আর তাগুতকে যতটা সম্ভব সহযোগিতা করে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধার করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে। . বর্তমাম ইস্যুতে বলেন আর যেকোনো ইস্যুতে বলেন, জামাতের চরিত্রে কোনো পরিবর্তন আসবে না। কিন্তু মজার বিষয় হলো, জঙ্গিবাদের যেকোনো কার্ডে দিনশেষে জামাতই সবচেয়ে বেশি বিপদের স্বীকার হয়। .

প্রায় প্রতিটি জামাতি ভাইদের এটাই আসল রূপ। তাদের দলে ঢুকা ছাড়া অন্য কেউ যতই দ্বীনের ব্যাপারে আন্তরিক হোক, এদেরকে গুম, খুন ও হত
প্রায় প্রতিটি জামাতি ভাইদের এটাই আসল রূপ। তাদের দলে ঢুকা ছাড়া অন্য কেউ যতই দ্বীনের ব্যাপারে আন্তরিক হোক, এদেরকে গুম, খুন ও হত্যা, যেকোনো কিছু করে ফেলতে বা করিয়ে ফেলতে তারা দ্বিতীয়বার ভাবে না। ভাবতে কেনো জানি পারেও না।

সকাল থেকে ঝুম বৃষ্টি। গ্রামের বাড়িতে যে কারণে আসছি সব বন্ধ করে নানুবাড়িতে আটক বসে আছি। এখন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। পুকুরে মাছ
+1
সকাল থেকে ঝুম বৃষ্টি। গ্রামের বাড়িতে যে কারণে আসছি সব বন্ধ করে নানুবাড়িতে আটক বসে আছি। এখন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। পুকুরে মাছ ধরতে বসে গেছে। “কাজ নাই তো খৈ ভাজ” টাইপ কিছু একটা আরকি।

ফুকাহায়ে কিরামের একাংশের মতে দাড়ি রাখা আবশ্যক নয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক মুষ্টি দাড়ি ছিল। কিন্তু হতে পারে সেটা সুন্নতে ইবাদত না, বরং সুন্নতে আদত। অর্থাৎ মানুষ হিসেবে, পুরুষ হিসেবে, আরব হিসেবে নবিজি যেসব কাজ স্বাভাবিকভাবেই করতেন। এমতাবস্থায় রাষ্ট্রের এত গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে হজ করে এসেই হুট করে দাড়ি রেখে দিয়ে ভারতকে উস্কানি দেওয়াটা একটা হঠকারী সিদ্ধান্ত। হজ করে আসলে মানুষ ধার্মিক জীবনযাপন করার চেষ্টা করে৷ কিন্তু সেই ধার্মিকতা দাড়ি রেখেই কেন দেখাতে হবে? পরোপকার করা, প্রাণীদের খাওয়ানো, দেশপ্রেম এগুলোও তো ঈমানের অঙ্গ। এখানেই শেষ না। চারটা কোম্পানির নাম রাখা হয়েছে ইসলামের চার খলিফার নামে। যখন আমরা ফ্যাসিস্টের পুনরুত্থান ঠেকানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছি, ভারতকে কোনোরকম গুজব ছড়ানোর সুযোগ না দেওয়ার চেষ্টা করছি, তখন এসব সন্দেহজনক কাজকর্ম কীসের আলামত? সরকারের ঘাড়ে বসে কারা এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে? আপনি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে মুসলিম বীরদের নামে নাম দিতে চান, মানলাম। তাই বলে আবু বকর, ওমর, ওসমান এসব নামই কেন দিতে হবে? রুমি-তাহের-জিয়া এগুলো কি মুসলিম নাম নয়? আইএসের নেতার নাম আবু বকর। তালেবান নেতার নাম ওমর। জাশির একজন আন্ডারকভার এজেন্টের নাম ওসমান, যার ব্যাপারে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন জাশিই তাকে হত্যা করিয়ে দেশে একটা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চেয়েছিল। তাছাড়া যদি ধরেও নেই এই নামগুলো দিয়ে খলিফাদের বোঝানো হয়েছে, তবুও এতে শিয়া মুসলিমদের অনুভূতির প্রতি সম্মান জানানো হয়নি৷ এর বদলে এমন চারটা নাম বেছে নেওয়া যেত, যারা শিয়া-সুন্নি-শিন্নি নির্বিশেষে সকল মুসলিমের কাছে সম্মাননীয়। যেমন আহলে বাইত উনাদের নাম। যেমন- ইমাম আলি আ., ইমাম হোসেন আ., ইমাম হুসাইন আ., ইমাম জাফর সাদিক রা.। এসব দাড়ি রাখা আর নামকরণের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার পেছনে যে শুধু র এর না, বরং হ, য, ব, ল সকলের মিলিত ফান্ডিং আছে, তা বোঝার জন্য ককেট সায়েন্স জানা লাগে না, কমন সেক্স থাকাই যথেষ্ট। #HujurHoye

বিদ্রোহীদের হাত থেকে মালিকে রক্ষা করার কেউ নাই?
বিদ্রোহীদের হাত থেকে মালিকে রক্ষা করার কেউ নাই?