সাহিত্য ধারা
Kanalga Telegram’da o‘tish
ভাবনার আকাশ, শব্দের ডানা, অনুভূতির ঠিকানা। 🖇 Community: @BoipokaCommunity 💬 Contact admin @contactpanelbot for paid promotions or other inquiries.
Ko'proq ko'rsatish2 000
Obunachilar
-224 soatlar
+37 kunlar
+3730 kunlar
Postlar arxiv
2 002
একটা দুঃসংবাদ আছে,
যারা আমাকে ভেঙেচুরে
টুকরো কাঁচের মতো ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিল
তাদের জন্য –
দুঃসংবাদটি তাদের জন্য যারা ভেবেছিলে
আমি হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে
আর কখনো উঠে দাঁড়াতে পারবো না,
মুখ থুবড়ে পড়ে থাকবো
গা ঘিনঘিনে কাদায়।
আমাকে ছিঁড়ে কাগজের মতো
কুচিকুচি করে হাওয়ায় ভাসিয়ে দিলে
আমি হারিয়ে যাবো, দিকশূন্য-পুর।
যে আমাকে টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে নিতে চেয়েছিল
অতলান্তিক বিষাদ সমুদ্রে,
ডুবিয়ে দিতে চেয়েছিল এক পৃথিবী বিবমিষায়।
যে আমাকে অযুত রাতের কান্না লিখে দিয়ে
বুকের ভেতর খুঁড়ে দিতে চেয়েছিল,
শ্যাওলা জমা স্যাঁৎসেতে এক মজা পুকুর।
যে আমাকে দুঃখ দিয়ে, পুড়িয়ে শেষে
উড়িয়ে দিতে চেয়েছিলে ছাইয়ের মতোন
তাদের জন্য –
তাদের জন্য দুঃসংবাদ।
একটা দুঃসংবাদ আছে ....
আমি এখন পাখির মতন,
আমায় ছিঁড়ে কুচিকুচি ভাসিয়ে দিলে
এখন আমি ডানা মিলে আকাশ জুড়ে উড়তে জানি।
কাটা যায়না, ভাঙা যায়না
আমি এখন জলের মতোন,
ভেসে যেতে যেতে ও হঠাৎ
জলোচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে দিতে, আমিও জানি।
আমিও জানি
ছড়িয়ে থাকা টুকরো কাঁচের শরীর থেকে
দুফলা এক ছুরি হতে।
এই যে মানুষ
দুঃখ দিতে দক্ষ ভীষণ
সেও জানুক, আমি এখন হাসতে জানি।
শ্যাওলা জমা পুকুর জুড়ে
আমি এখন রোদের মতো ভাসতে জানি,
প্রস্থানের গল্প লিখেও ইচ্ছে হলেই,
আবার ফিরে আসতে জানি।
আমি এখন পুড়ে যাওয়া ছাইয়ের ভেতর
জেগে ওঠা ফিনিক্স পাখি,
আমি এখন মৃত্যু মেরে বাঁচতে জানি।
-সাদাত হোসাইন
2 002
“চিরকাল যে প্রেম চেয়েছে সে তো ক্ষণকালও পায়নি!”
উপন্যাস: চোখের বালি
লেখকঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
2 002
আপনার মনখারাপে এ শহরের দেয়াল এতটুকু ভিজবে না, শোক প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি ছাপা হবে না কোনো গণমাধ্যমের শিরোনামে। সহানুভূতি দেখিয়ে কেউ এগিয়ে এসে মুছে দিতে চাইবে না আপনার অশ্রুসিক্ত চোখ।
তবুও কেন আপনি এমন! নিজের কষ্টটা নিজের ভিতর পুষে রাখা যায় না? কেন বারবার প্রয়োজন হয় দ্বিতীয় কেউ!
বইঃ কাঠগোলাপ
লেখকঃ ইমরান হোসাইন আদিব
2 002
কত গল্পের শুরু হয় প্রেমে, থেমে যায় শেষে পথ
তুমি আর আমি ভুল বই শুধু একই তার প্রচ্ছদ!
~ সাদাত হোসাইন
2 002
কাগজের নৌকা দিয়ে কখনও নদী পাড় হওয়া যায় না, ঠিক তেমনিভাবে অবিশ্বাস আর সন্দেহ নিয়ে কখনও ভালোবাসা হয় না।
- রেদোয়ান মাসুদ
2 002
কাগজের নৌকা দিয়ে কখনও নদী পাড় হওয়া যায় না, ঠিক তেমনিভাবে অবিশ্বাস আর সন্দেহ নিয়ে কখনও ভালোবাসা হয় না।
- রেদোয়ান মাসুদ
2 002
Repost from সাহিত্য ধারা
তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ?
চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী, বলে না তো কিছু চাঁদ।
- কাজী নজরুল ইসলাম
2 002
মা
মা হলো সেই মানুষ, যিনি নিজের কষ্ট কখনো প্রকাশ করেন না, কিন্তু সন্তানের চোখের একফোঁটা জলও সহ্য করতে পারেন না।
আমরা বড় হয়ে যাই, ব্যস্ত হয়ে যাই, কিন্তু মা ঠিক আগের মতোই অপেক্ষা করেন—
"খেয়েছো?" "ঠিকমতো বাসায় পৌঁছেছো?" "শরীর ঠিক আছে তো?"এই ছোট ছোট কথাগুলির মাঝেই লুকিয়ে থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর একমাত্র ভালোবাসা, যেখানে কোনো স্বার্থ নেই, কোনো শর্ত নেই, শুধু নিঃস্বার্থ মায়া আছে। শুভ বিশ্ব মা দিবস সকল মায়েদের। আল্লাহ পৃথিবীর সব মাকে সুস্থ ও সুখী রাখুন। 🤍
2 002
বই" মানেই নতুন পৃথিবীর দরজা খুলে দেওয়া।
একটা ভালো বই কখনো একা থাকতে দেয় না—সে হয়ে ওঠে বন্ধু, শিক্ষক আর নীরব সঙ্গী।জীবনের প্রতিটা অনুভূতি, আনন্দ, দুঃখ, স্বপ্ন—সবকিছুর ছোঁয়া মেলে বইয়ের পাতায়।
তাই বিশ্ব বই দিবস-২০২৬ এ প্রতিজ্ঞা হোক—
ভালো বই পড়বো, নিজেকে গড়ে তুলবো, আর জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিবো চারপাশে।
একটা বই বদলে দিতে পারে একটি জীবন,
আর একটি পাঠক বদলে দিতে পারে পুরো সমাজ।জ্ঞান আর আনন্দ ছড়িয়ে দিতে বইপোকাদের আড্ডা গ্রুপের সাথে থাকুন।ধন্যবাদ।
2 002
আপনার মনখারাপে এ শহরের দেয়াল এতটুকু ভিজবে না, শোক প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি ছাপা হবে না কোনো গণমাধ্যমের শিরোনামে। সহানুভূতি দেখিয়ে কেউ এগিয়ে এসে মুছে দিতে চাইবে না আপনার অশ্রুসিক্ত চোখ।
তবুও কেন আপনি এমন! নিজের কষ্টটা নিজের ভিতর পুষে রাখা যায় না? কেন বারবার প্রয়োজন হয় দ্বিতীয় কেউ!
বইঃ কাঠগোলাপ
লেখকঃ ইমরান হোসাইন আদিব
2 002
আজকাল সম্পর্কগুলো যেন আর সম্পর্ক নেই, একেকটা হিসাবের খাতা।
কে কতটা দেবে, কে কতটা পাবে—এই অদৃশ্য অঙ্কের মাঝেই ভালোবাসা হারিয়ে যায়।
একসময় মানুষ মানুষকে ভালোবাসতো, এখন ভালোবাসে সুবিধা।
একসময় হাত ধরলে নিরাপত্তা পাওয়া যেত, এখন হাত ধরার আগেই খোঁজা হয় ব্যাংক ব্যালেন্স।
তবুও কোথাও না কোথাও কিছু মানুষ এখনো আছে,যারা হিসাব জানে না, শুধু ভালোবাসতে জানে।হয়তো তারাই এই পৃথিবীটাকে এখনো একটু বাঁচিয়ে রেখেছে।
-সাহিত্য ধারা
2 002
কোন কোন রাতে অপূর্ব জোছনা হয়। সারা ঘর নরম আলোয় ভাসতে থাকে। ভাবি, একা একা বেড়ালে বেশ হতো।
আবার চাদর মুড়ি দিয়ে নিজেকে গুটিয়ে ফেলি। যেন বাইরের উথাল পাথাল চাঁদের আলোর সঙ্গে আমার কোন যোগ নেই। মাঝে মাঝে বৃষ্টি নামে। একঘেয়ে কান্নার সুরের মতো সে শব্দ। আমি কান পেতে শুনি। বাতাসে জাম গাছের পাতার সর সর শব্দ হয়। সব মিলিয়ে হৃদয় হা হা করে উঠে। আদিগন্ত বিস্তৃত শূন্যতায় কি বিপুল বিষণ্ণতাই না অনুভব করি। জানালার ওপাশের অন্ধকার থেকে আমার সঙ্গীরা আমায় ডাকে। একদিন যাদের সঙ্গ পেয়ে আজ নিঃসঙ্গতায় ডুবছি...'
-শঙ্খনীল কারাগার;
হুমায়ূন আহমেদ
2 002
যদি যেতে চাও, যাও
আমি পথ হবো চরণের তলে
না ছুঁয়ে তোমাকে ছোঁব
ফেরাবো না, পোড়াবোই হিমেল অনলে।
- হেলাল হাফিজ
2 002
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩
সাহিত্য ধারার সারস্বত সাধকবৃন্দ ও সুহৃদগণের প্রতি—
চৈত্র-অবসানের তপ্ত নিঃশ্বাসে আজ ঝরে পড়ুক যা কিছু জীর্ণ, যা কিছু ম্লান। কালবৈশাখীর সেই প্রলয়-শঙ্খধ্বনি বেজে উঠুক আমাদের চেতনার মূলে, যা পুরাতনকে ধুয়ে-মুছে দিয়ে নতুনের আবাহন জানায়। নববর্ষ ১৪৩৩-এর এই পুণ্যলগ্নে 'সাহিত্য ধারা'র আঙিনায় আপনাদের জানাই শাশ্বত শুভেচ্ছা ও প্রীতি।
আমাদের এই সৃজন-যাত্রায় মিশে থাক রবীন্দ্রনাথের সেই চিরন্তন প্রার্থনা— "মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা"; আর হৃদয়ে স্পন্দিত হোক নজরুলের সেই দ্রোহের আগুন, যা জরাগ্রস্ত সমাজকে ভেঙে নতুনের কেতন ওড়ায়। বৈশাখের এই রুদ্র-সুন্দর রূপ আমাদের লেখনীকে করুক আরও শাণিত, আমাদের শব্দমালাকে করুক আরও জ্যোতির্ময়।
'সাহিত্য ধারা'র এই অমল প্রবাহে যুক্ত হোক আগামীর নতুন স্বপ্ন। আপনাদের কলম থেকে নিঃসৃত হোক এমন এক সাহিত্য-সুধা, যা অন্ধকার ভেদ করে জ্বালিয়ে দেবে সৃজনের আলোকবর্তিকা। জরা আর জড়তাকে তুচ্ছ করে আমরা যেন এক বৌদ্ধিক ও শৈল্পিক অভ্যুদয়ের দিকে এগিয়ে যেতে পারি।
এই নতুন বছর হোক মননের ঋদ্ধতার, সৃজনের উৎকর্ষের এবং নিবিড় সাহিত্য-চর্চার।
শুভ নববর্ষ!
সাহিত্যের জয় হোক, সৃজনশীলতার জয় হোক।
— ইতি,
সাহিত্য ধারা পরিবার
2 002
উপন্যাসঃ "নন্দিত নরকে"
লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
একটি নিম্নবিত্ত পরিবার—বাবা, মা এবং চার ভাইবোন নিয়ে তাদের ছোট্ট সংসার। তাদের সঙ্গে থাকেন বাবার স্কুলজীবনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, যাকে সবাই স্নেহ করে ‘মাস্টার কাকা’ বলে ডাকে। বাবার একার সামান্য আয়ে কোনোমতে খেয়ে-পরে চলে তাদের দিনযাপন।
পরিবারের বড় মেয়ে দেখতে অত্যন্ত সুশ্রী, কিন্তু মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী হওয়ায় সে অন্যদের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে না। বড় ছেলে পড়াশোনা শেষ করে সম্প্রতি একটি চাকরি পেয়েছে, যা পরিবারে নতুন আশার আলো জাগায়।
কিন্তু ঠিক এই সময়েই বড় মেয়েটির জীবনে কিছু অপ্রত্যাশিত সমস্যা দেখা দেয়। সেই সমস্যাকে কেন্দ্র করেই ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে উপন্যাসটির গল্প, যেখানে পরিবারের টানাপোড়েন, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং বাস্তবতার কঠিন চিত্র ফুটে ওঠে।
নন্দিত নরকে এমন একটি উপন্যাস, যেখানে “নরক”-এর মতো কঠিন জীবনের মধ্যেও মানুষ ভালোবাসা, আশা আর সম্পর্কের সৌন্দর্য খুঁজে পায়। এটি শুধু একটি গল্প নয়—বরং আমাদের চারপাশের খুব চেনা জীবনেরই প্রতিচ্ছবি💙
Endi mavjud! Telegram Tadqiqoti 2025 — yilning asosiy insaytlari 
