ru
Feedback
সাহিত্য ধারা

সাহিত্য ধারা

Открыть в Telegram

ভাবনার আকাশ, শব্দের ডানা, অনুভূতির ঠিকানা। 🖇 Community: @BoipokaCommunity 💬 Contact admin @contactpanelbot for paid promotions or other inquiries.

Больше
2 103
Подписчики
+124 часа
+137 дней
+7430 день
Архив постов
একটা নারী গোটা সংসার সামলাতে পারে। ঘর সামলায়,বর সামলায়,সম্পর্ক সামলায়, সন্তান সামলায়।ঘরে বাইরে সমানতালে সব সামলায়। কার কখন কি প্রয়োজন বুঝা মাত্র তা হাজির করে। নিজেকে নিংড়ে দিয়ে সবাইকে ভালো রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। কিন্তু সেই নারী ইচ্ছে করে নিজেকে সামলায় না। নারী চায় তাকে তার শখের পুরুষ সামলাক! তার না বলা কথাগুলো অনুভব করুক। তার ছোট ছোট চাওয়া গুলো পূরণ করুক। যত্ন করুক, সম্মান করুক, ভালোবেসে তাকে আগলিয়ে রাখুক। -লিপি সরকার

সাহিত্য সম্মেলন। দেশের ছোটোবড়ো এবং খ্যাত-অখ্যাত বহু কবি-সাহিত্যিক উপস্থিত। পশ্চিমবঙ্গেরও অনেক আছেন। প্রথম সারির ডানদিকে হুমায়ুন আজাদ এবং তাঁর স্ত্রী পাশাপাশি বসে। কিছুক্ষণের মধ্যে সম্মেলন শুরু হবে। এসময় এলেন ছফা, সঙ্গে তাঁর একদল ভক্ত।
ছফা, শ্রোতৃবৃন্দের দিকে একবার চোখ বুলিয়ে ঝড়ের বেগে সোজা চলে গেলেন হুমায়ুন-জম্পতির (দম্পত্তির সমার্থক/ জায়া+পতি= জম্পতি, দম্‌+পতি= দম্পতি) কাছে। হুমায়ুন আজাদ ছফাকে দেখে শঙ্কিত। অসভ্যটা কখন কী করে বসে তা ঠিক নেই! ছফা সবার সামনে গিয়ে আকস্মিক হুমায়ুন আজাদের স্ত্রীর পায়ে ধরে শ্রদ্ধা জানিয়ে বললেন, আপনার প্রতি গভীর গভীর শ্রদ্ধা। ছফার কাণ্ড দেখে উপস্থিত সবাই হতবাক। হুমায়ুন আজাদ বিব্রত, রীতিমতো হতভম্ব। ছফাকে তিনি এমনিতে ভয় করেন। উভয়ের কলমযুদ্ধের কথা সবাই জানেন। ছফা, হুমায়ুন আজাদকে কুম্ভিলক আখ্যায়িত করেছেন ‘নারী’র জন্য। মনে তাঁর ভয়ংকর কিছুর শঙ্কা। হুমায়ুন আজাদের স্ত্রী বিমূঢ় গলায় বললেন, ছফা ভাই, কী করলেন আপনি? ছফা বললেন, শ্রদ্ধা করলাম। আমি আবার শ্রদ্ধার কী করলাম? ছফা, হুমায়ুন আজাদকে দেখিয়ে বললেন, ভাবি এই হামবড়া লোকটাকে কেউ এক মিনিটের জন্যও সহ্য করতে পারেন না। এমন জঘন্য লোকের সঙ্গে আপনি ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দ  থেকে সংসার করে আসছেন। এরূপ বিকৃত রুচির লোককে যে রমণী এত বছর সহ্য করতে পারেন তাঁকে শ্রদ্ধা না করে কি পারা যায়?
সূত্র : আহমদ ছফা বনাম হুমায়ুন হুমায়ূন, ড. মোহাম্মদ আমীন, পুথিনিলয়, বাংলাজার, ঢাকা।

মানুষও জানে না কে ভালোবেসে তাকে, দাঁড়িয়েই থাকে। জীবনের সবটুকু তাই— ভুল দেশলাই পুড়ে করে ছাই, অথচ তোমার বুকে ডুবে যাবো বলে — আমিও দাঁড়াই। ~ সাদাত হোসাইন

একমুঠো কদমের অপূর্ণতায় বলা হয়ে ওঠেনি 'বর্ষা আমার প্রিয় ঋতু'। আলগোছে খুলে রাখা কপাট, দুয়ারে দাঁড়িয়ে বললো না কেউ; 'তোমায় দিলাম বাদলা দিনের প্রথম কদম ফুল'। পঁচিশ বর্ষা গত হয়ে গেল, বর্ষণে বর্ষণে ডুবে গেল মনের উঠোন। কদমের দিন শেষে শরত আসে অপেক্ষার দৃষ্টিতে তাকিয়ে ভাবি; আসছে বর্ষায় যদি কেউ আসে! যদি হাত ভরতি কদম বাড়িয়ে দিয়ে বলে সে আমায় ভালোবাসে! কবিতা : চলে যায় কদমের দিন -সালমান হাবীব

“অন্ধের মতো কিছু না বুঝিয়া, না শুনিয়া, ভেড়ার মতো পেছন ধরিয়া চলিও না । নিজের বুদ্ধি, নিজের কার্যশক্তিকে জাগাইয়া তোলে ।” -কাজী নজরুল ইসলাম

ভালবাসিতে শিখ, ভালবাসা দিতে শিখ তাহলে তোমার জীবনে কখনো ভালবাসার অভাব হবেনা। -টমাস ফুলার

একটা দুঃসংবাদ আছে, যারা আমাকে ভেঙেচুরে টুকরো কাঁচের মতো ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিল তাদের জন্য – দুঃসংবাদটি তাদের জন্য যারা ভেবেছিলে আমি হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে আর কখনো উঠে দাঁড়াতে পারবো না, মুখ থুবড়ে পড়ে থাকবো গা ঘিনঘিনে কাদায়। আমাকে ছিঁড়ে কাগজের মতো কুচিকুচি করে হাওয়ায় ভাসিয়ে দিলে আমি হারিয়ে যাবো, দিকশূন্য-পুর। যে আমাকে টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে নিতে চেয়েছিল অতলান্তিক বিষাদ সমুদ্রে, ডুবিয়ে দিতে চেয়েছিল এক পৃথিবী বিবমিষায়। যে আমাকে অযুত রাতের কান্না লিখে দিয়ে বুকের ভেতর খুঁড়ে দিতে চেয়েছিল, শ্যাওলা জমা স্যাঁৎসেতে এক মজা পুকুর। যে আমাকে দুঃখ দিয়ে, পুড়িয়ে শেষে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিলে ছাইয়ের মতোন তাদের জন্য – তাদের জন্য দুঃসংবাদ। একটা দুঃসংবাদ আছে .... আমি এখন পাখির মতন, আমায় ছিঁড়ে কুচিকুচি ভাসিয়ে দিলে এখন আমি ডানা মিলে আকাশ জুড়ে উড়তে জানি। কাটা যায়না, ভাঙা যায়না আমি এখন জলের মতোন, ভেসে যেতে যেতে ও হঠাৎ জলোচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে দিতে, আমিও জানি। আমিও জানি ছড়িয়ে থাকা টুকরো কাঁচের শরীর থেকে দুফলা এক ছুরি হতে। এই যে মানুষ দুঃখ দিতে দক্ষ ভীষণ সেও জানুক, আমি এখন হাসতে জানি। শ্যাওলা জমা পুকুর জুড়ে আমি এখন রোদের মতো ভাসতে জানি, প্রস্থানের গল্প লিখেও ইচ্ছে হলেই, আবার ফিরে আসতে জানি। আমি এখন পুড়ে যাওয়া ছাইয়ের ভেতর জেগে ওঠা ফিনিক্স পাখি, আমি এখন মৃত্যু মেরে বাঁচতে জানি। -সাদাত হোসাইন

“চিরকাল যে প্রেম চেয়েছে সে তো ক্ষণকালও পায়নি!” উপন্যাস: চোখের বালি লেখকঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আপনার মনখারাপে এ শহরের দেয়াল এতটুকু ভিজবে না, শোক প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি ছাপা হবে না কোনো গণমাধ্যমের শিরোনামে। সহানুভূতি দেখিয
আপনার মনখারাপে এ শহরের দেয়াল এতটুকু ভিজবে না, শোক প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি ছাপা হবে না কোনো গণমাধ্যমের শিরোনামে। সহানুভূতি দেখিয়ে কেউ এগিয়ে এসে মুছে দিতে চাইবে না আপনার অশ্রুসিক্ত চোখ। তবুও কেন আপনি এমন! নিজের কষ্টটা নিজের ভিতর পুষে রাখা যায় না? কেন বারবার প্রয়োজন হয় দ্বিতীয় কেউ! বইঃ কাঠগোলাপ লেখকঃ ইমরান হোসাইন আদিব

কত গল্পের শুরু হয় প্রেমে, থেমে যায় শেষে পথ তুমি আর আমি ভুল বই শুধু একই তার প্রচ্ছদ! ~ সাদাত হোসাইন

কাগজের নৌকা দিয়ে কখনও নদী পাড় হওয়া যায় না, ঠিক তেমনিভাবে অবিশ্বাস আর সন্দেহ নিয়ে কখনও ভালোবাসা হয় না। - রেদোয়ান মাসুদ

কাগজের নৌকা দিয়ে কখনও নদী পাড় হওয়া যায় না, ঠিক তেমনিভাবে অবিশ্বাস আর সন্দেহ নিয়ে কখনও ভালোবাসা হয় না। - রেদোয়ান মাসুদ

তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ? চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী, বলে না তো কিছু চাঁদ। - কাজী নজরুল ইসলাম

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিবসে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা
কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিবসে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা

মা মা হলো সেই মানুষ, যিনি নিজের কষ্ট কখনো প্রকাশ করেন না, কিন্তু সন্তানের চোখের একফোঁটা জলও সহ্য করতে পারেন না। আমরা বড় হয়ে যাই, ব্যস্ত হয়ে যাই, কিন্তু মা ঠিক আগের মতোই অপেক্ষা করেন—
"খেয়েছো?" "ঠিকমতো বাসায় পৌঁছেছো?" "শরীর ঠিক আছে তো?"
এই ছোট ছোট কথাগুলির মাঝেই লুকিয়ে থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর একমাত্র ভালোবাসা, যেখানে কোনো স্বার্থ নেই, কোনো শর্ত নেই, শুধু নিঃস্বার্থ মায়া আছে। শুভ বিশ্ব মা দিবস সকল মায়েদের। আল্লাহ পৃথিবীর সব মাকে সুস্থ ও সুখী রাখুন। 🤍

বই" মানেই নতুন পৃথিবীর দরজা খুলে দেওয়া। একটা ভালো বই কখনো একা থাকতে দেয় না—সে হয়ে ওঠে বন্ধু, শিক্ষক আর নীরব সঙ্গী।জীবনের প্রতিটা অনুভূতি, আনন্দ, দুঃখ, স্বপ্ন—সবকিছুর ছোঁয়া মেলে বইয়ের পাতায়। তাই বিশ্ব বই দিবস-২০২৬ এ প্রতিজ্ঞা হোক— ভালো বই পড়বো, নিজেকে গড়ে তুলবো, আর জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিবো চারপাশে। একটা বই বদলে দিতে পারে একটি জীবন, আর একটি পাঠক বদলে দিতে পারে পুরো সমাজ।জ্ঞান আর আনন্দ ছড়িয়ে দিতে বইপোকাদের আড্ডা গ্রুপের সাথে থাকুন।ধন্যবাদ।

আপনার মনখারাপে এ শহরের দেয়াল এতটুকু ভিজবে না, শোক প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি ছাপা হবে না কোনো গণমাধ্যমের শিরোনামে। সহানুভূতি দেখিয়ে কেউ এগিয়ে এসে মুছে দিতে চাইবে না আপনার অশ্রুসিক্ত চোখ। তবুও কেন আপনি এমন! নিজের কষ্টটা নিজের ভিতর পুষে রাখা যায় না? কেন বারবার প্রয়োজন হয় দ্বিতীয় কেউ! বইঃ কাঠগোলাপ লেখকঃ ইমরান হোসাইন আদিব

আজকাল সম্পর্কগুলো যেন আর সম্পর্ক নেই, একেকটা হিসাবের খাতা। কে কতটা দেবে, কে কতটা পাবে—এই অদৃশ্য অঙ্কের মাঝেই ভালোবাসা হারিয়ে যায়। একসময় মানুষ মানুষকে ভালোবাসতো, এখন ভালোবাসে সুবিধা। একসময় হাত ধরলে নিরাপত্তা পাওয়া যেত, এখন হাত ধরার আগেই খোঁজা হয় ব্যাংক ব্যালেন্স। তবুও কোথাও না কোথাও কিছু মানুষ এখনো আছে,যারা হিসাব জানে না, শুধু ভালোবাসতে জানে।হয়তো তারাই এই পৃথিবীটাকে এখনো একটু বাঁচিয়ে রেখেছে। -সাহিত্য ধারা

কোন কোন রাতে অপূর্ব জোছনা হয়। সারা ঘর নরম আলোয় ভাসতে থাকে। ভাবি, একা একা বেড়ালে বেশ হতো। আবার চাদর মুড়ি দিয়ে নিজেকে গুটিয়ে ফেলি। যেন বাইরের উথাল পাথাল চাঁদের আলোর সঙ্গে আমার কোন যোগ নেই। মাঝে মাঝে বৃষ্টি নামে। একঘেয়ে কান্নার সুরের মতো সে শব্দ। আমি কান পেতে শুনি। বাতাসে জাম গাছের পাতার সর সর শব্দ হয়। সব মিলিয়ে হৃদয় হা হা করে উঠে। আদিগন্ত বিস্তৃত শূন্যতায় কি বিপুল বিষণ্ণতাই না অনুভব করি। জানালার ওপাশের অন্ধকার থেকে আমার সঙ্গীরা আমায় ডাকে। একদিন যাদের সঙ্গ পেয়ে আজ নিঃসঙ্গতায় ডুবছি...' -শঙ্খনীল কারাগার;  হুমায়ূন আহমেদ

যদি যেতে চাও, যাও আমি পথ হবো চরণের তলে না ছুঁয়ে তোমাকে ছোঁব ফেরাবো না, পোড়াবোই হিমেল অনলে। - হেলাল হাফিজ