es
Feedback
সাহিত্য ধারা

সাহিত্য ধারা

Ir al canal en Telegram

ভাবনার আকাশ, শব্দের ডানা, অনুভূতির ঠিকানা। 🖇 Community: @BoipokaCommunity 💬 Contact admin @contactpanelbot

Mostrar más
2 269
Suscriptores
+424 horas
+247 días
+9330 días
Archivo de publicaciones
বাবা-মার চেয়ে মেয়ের মঙ্গল কেউ চাইতে পারে না। কেউ চায়ও না৷ মেয়ে অসুখী হলে বাবার অন্তর জলে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। - আবুল হায়াত (অভিনেতা)

মস্তিষ্কের চেয়ে বড় কোনো কবরস্থান নেই,কত স্বপ্ন, কত শখ দাফন করলাম, অতচ কেউ জানল না -মির্জা গালিব

আজ ১২ সেপ্টেম্বর কথা সাহিত্যিক ও কালজয়ী পথের পাঁচালী উপন্যাসের জনক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর জন্মদিন🌸
আজ ১২ সেপ্টেম্বর কথা সাহিত্যিক ও কালজয়ী পথের পাঁচালী উপন্যাসের জনক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর জন্মদিন🌸

"সকল দুঃখেরই শেষ হয়। কিন্তু তাহার দাগ অন্তর হইতে মোছে না।" -জসীম উদ্দীন

আমাদের যূথবদ্ধ জীবন বয়ে এনেছিলেন দাদা-দাদু, মা-বাবারা। সেখানে দুঃখ ছিল, ছিল বেদনা কিন্তু সবকিছু ভাগ করে নেয়ার মতো মানুষও ছিল🤍🌸 সেই জীবনকে আদিম বিবেচনা করে আমরা আধুনিক-নিঃসঙ্গ-স্বাধীনতা বেছে নিয়েছি ঠিক, কিন্তু হারিয়েছি সঙ্গ,মায়া ও বন্ধন💔 কলমেঃ আহমাদ মোস্তফা কামাল

জীবন মানেই সুখের স্মৃতি বয়ে বেড়ানো। বেঁচে থাকা মানেই দুঃখের সঙ্গে অজান্তেই সহবাস করা। অবিমিশ্রত সুখ মানুষের ভাগ্যে কখনই লেখা হয় না। সুখ বাঁচিয়ে রাখতে সবচেয়ে বেশি অস্বস্তি অনুভব করে মানুষ। যে কোনো ছলছুতোয় সে দুঃখকে ডেকে নিয়ে আসে। সুখের চেয়ে দুঃখের সাথে বাস করতে মানুষ বড় আরাম বোধ করে। কারন অতিসুখে হাহাকার থাকে না। সন্দেহ, জ্বালা অথবা নিজেকে বঞ্চিত ভাবার যন্ত্রনা পাওয়া যায় না। উপন্যাসঃ সাতকাহন লেখকঃ সমরেশ মজুমদার

বন্ধু যদি কখনো শত্রুও হয়ে যায়, তবুও তার গোপন কথাটি গোপনই রেখো। কাউকে বলো না। কারণ, সে যখন তোমাকে তার ওই একান্ত গোপন কথাটি বলেছে, তখন তো সে তা বন্ধুত্বের অসীম আস্থা আর বিশ্বাস নিয়েই বলেছে। শত্রুত্বের সীমাহীন সন্দেহ কিংবা অবিশ্বাস নিয়ে নয়। সুতরাং, তার ওই বিশ্বাসটা কখনো ভেঙো না। উপন্যাসঃ আগুন ডানা মেয়ে লেখকঃ সাদাত হোসাইন

যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে, অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে! - কাজী নজরুল ইসলাম🤍
যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে, অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে! - কাজী নজরুল ইসলাম🤍

মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুন্‌তে পাই। -কাজী নজরুল ইসলাম
মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুন্‌তে পাই। -কাজী নজরুল ইসলাম

চাঁদ ডুবে গেলে পর প্রধান আঁধারে তুমি অশ্বত্থের কাছে একগাছা দড়ি হাতে গিয়েছিলে তবু একা একা; যে জীবন ফড়িঙের, দোয়েলের— মানুষের সাথে তার হয় নাকো দেখা এই জেনে। — জীবনানন্দ দাশ

ভাল বন্ধু, ভাল বই, এবং একটি ঘুমন্ত বিবেক: এটিই আদর্শ জীবন। – মার্ক টোয়েন

জীবনে যে পরিমান ভালোবাসা পেয়েছি তা দিয়ে কয়েক হাজার বছর বেঁচে থাকা সম্ভব কিন্তু জীবনে গুটি কয়েকজন মানুষের কাছ থেকে যে পরিমান অবহেলা পেয়েছি তা দিয়ে একদিনও বেঁচে থাকা সম্ভব না। – রেদোয়ান মাসুদ

পাননি বলে হতাশ হবেন না। সৃষ্টিকর্তা যা দিয়েছে তাতেই সন্তুষ্ট হোন। হয়ত আপনি যা পেয়েছেন সেটাই অন্যের কাছে স্বপ্ন! পাওয়া, না- পাওয়ার হিসেব বাদ দিন; মুচকি হেসে আলহামদুলিল্লাহ বলে দিন, এতেই সুখ🤍 - মেহেদী হাসান শুভ্র

“এমন বিষণ্ণ দিন শেষে যদি খানিক আঁধার এসে, ভীষণ আপন হয়ে বসে তোমার আঙুলগুলোর ফাঁকে? তখন আমার আঙুল ছাড়া তুমি খুঁজবে কোথায় কাকে?” -সাদাত হোসাইন

একটি নির্দিষ্ট বয়সে আসার পর বুঝা যায়, আসলে মা ছাড়া দুনিয়াতে কেউই আপন নয়.!🖤 লেখাঃ সংগৃহীত
একটি নির্দিষ্ট বয়সে আসার পর বুঝা যায়, আসলে মা ছাড়া দুনিয়াতে কেউই আপন নয়.!🖤 লেখাঃ সংগৃহীত

পড়তে হবে। কিন্তু বই কেনার পয়সা পাব কোথায়? হাত খরচ পাই দৈনিক মাত্র চার পয়সা, জীবনানন্দ দাশের 'সাতটি তারার তিমির'-এর দাম দু' টাকা। মাথায় একটা বুদ্ধি এসে গেল। রেশন থেকে চুরি করলে কেমন হয়? চাল আর চিনি যদি কিছু কিছু কম নিই, বাড়িতে ধরতে পারবে না। ধরলেও বলব, আমাকে ওজনে ঠকিয়েছে। সেরকম তো অহরহ ঠকায়। একটা যুক্তিও খাড়া করলাম। ম্যান ডাজ নট লিভ বাই ব্রেড অ্যালোন। শুধু ভাত রুটি খেয়ে বেঁচে থাকার কোনও অর্থ হয় না। কবিতাও পড়তে হবে। একটু কম ভাত খেয়ে, চায়ে একটু কম চিনি দিয়ে, সেই পয়সা বাঁচিয়ে একটা কবিতার বই অবশ্যই কেনা যেতে পারে। সেইদিনই সন্ধেবেলা কবিতার বইটি কিনে বাড়ি ফিরে, পাগলের মতন কতবার যে পড়তে লাগলাম তা কে জানে! - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

একটা নারী গোটা সংসার সামলাতে পারে। ঘর সামলায়,বর সামলায়,সম্পর্ক সামলায়, সন্তান সামলায়।ঘরে বাইরে সমানতালে সব সামলায়। কার কখন কি প্রয়োজন বুঝা মাত্র তা হাজির করে। নিজেকে নিংড়ে দিয়ে সবাইকে ভালো রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। কিন্তু সেই নারী ইচ্ছে করে নিজেকে সামলায় না। নারী চায় তাকে তার শখের পুরুষ সামলাক! তার না বলা কথাগুলো অনুভব করুক। তার ছোট ছোট চাওয়া গুলো পূরণ করুক। যত্ন করুক, সম্মান করুক, ভালোবেসে তাকে আগলিয়ে রাখুক। -লিপি সরকার

সাহিত্য সম্মেলন। দেশের ছোটোবড়ো এবং খ্যাত-অখ্যাত বহু কবি-সাহিত্যিক উপস্থিত। পশ্চিমবঙ্গেরও অনেক আছেন। প্রথম সারির ডানদিকে হুমায়ুন আজাদ এবং তাঁর স্ত্রী পাশাপাশি বসে। কিছুক্ষণের মধ্যে সম্মেলন শুরু হবে। এসময় এলেন ছফা, সঙ্গে তাঁর একদল ভক্ত।
ছফা, শ্রোতৃবৃন্দের দিকে একবার চোখ বুলিয়ে ঝড়ের বেগে সোজা চলে গেলেন হুমায়ুন-জম্পতির (দম্পত্তির সমার্থক/ জায়া+পতি= জম্পতি, দম্‌+পতি= দম্পতি) কাছে। হুমায়ুন আজাদ ছফাকে দেখে শঙ্কিত। অসভ্যটা কখন কী করে বসে তা ঠিক নেই! ছফা সবার সামনে গিয়ে আকস্মিক হুমায়ুন আজাদের স্ত্রীর পায়ে ধরে শ্রদ্ধা জানিয়ে বললেন, আপনার প্রতি গভীর গভীর শ্রদ্ধা। ছফার কাণ্ড দেখে উপস্থিত সবাই হতবাক। হুমায়ুন আজাদ বিব্রত, রীতিমতো হতভম্ব। ছফাকে তিনি এমনিতে ভয় করেন। উভয়ের কলমযুদ্ধের কথা সবাই জানেন। ছফা, হুমায়ুন আজাদকে কুম্ভিলক আখ্যায়িত করেছেন ‘নারী’র জন্য। মনে তাঁর ভয়ংকর কিছুর শঙ্কা। হুমায়ুন আজাদের স্ত্রী বিমূঢ় গলায় বললেন, ছফা ভাই, কী করলেন আপনি? ছফা বললেন, শ্রদ্ধা করলাম। আমি আবার শ্রদ্ধার কী করলাম? ছফা, হুমায়ুন আজাদকে দেখিয়ে বললেন, ভাবি এই হামবড়া লোকটাকে কেউ এক মিনিটের জন্যও সহ্য করতে পারেন না। এমন জঘন্য লোকের সঙ্গে আপনি ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দ  থেকে সংসার করে আসছেন। এরূপ বিকৃত রুচির লোককে যে রমণী এত বছর সহ্য করতে পারেন তাঁকে শ্রদ্ধা না করে কি পারা যায়?
সূত্র : আহমদ ছফা বনাম হুমায়ুন হুমায়ূন, ড. মোহাম্মদ আমীন, পুথিনিলয়, বাংলাজার, ঢাকা।

মানুষও জানে না কে ভালোবেসে তাকে, দাঁড়িয়েই থাকে। জীবনের সবটুকু তাই— ভুল দেশলাই পুড়ে করে ছাই, অথচ তোমার বুকে ডুবে যাবো বলে — আমিও দাঁড়াই। ~ সাদাত হোসাইন

একমুঠো কদমের অপূর্ণতায় বলা হয়ে ওঠেনি 'বর্ষা আমার প্রিয় ঋতু'। আলগোছে খুলে রাখা কপাট, দুয়ারে দাঁড়িয়ে বললো না কেউ; 'তোমায় দিলাম বাদলা দিনের প্রথম কদম ফুল'। পঁচিশ বর্ষা গত হয়ে গেল, বর্ষণে বর্ষণে ডুবে গেল মনের উঠোন। কদমের দিন শেষে শরত আসে অপেক্ষার দৃষ্টিতে তাকিয়ে ভাবি; আসছে বর্ষায় যদি কেউ আসে! যদি হাত ভরতি কদম বাড়িয়ে দিয়ে বলে সে আমায় ভালোবাসে! কবিতা : চলে যায় কদমের দিন -সালমান হাবীব