uz
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Kanalga Telegram’da o‘tish

🙂🙂🙂

Ko'proq ko'rsatish
1 955
Obunachilar
-124 soatlar
-67 kun
-1730 kun
Postlar arxiv
ভাবছি মানুষ থেকে এখন অনেক দূরে থাকবো! যত একা থাকা যায় ততই আঘাত কম পাবো। সারাজীবন সামান্য একটু ভালোবাসা,আদর,স্নেহ,যত্ন পেতে মানুষের দ্বারে ঘুরে ব্যর্থ হয়েছি!আজকাল মানুষ কাউকে এসব বিলায় না।মানুষ কেবল ভালো থাকতে চায়,কাউকে ভালো রাখতে চায় না! ভাবছি মানুষ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিবো।যতটা সম্ভব মানুষ থেকে দূরে থাকা যায়,ততই নিজের জন্য মঙ্গল। মানুষের পিছনে সময় ব্যয় না করে নিজের পিছনে সময় ব্যয় করবো।কুকুর পুষবো,বিড়াল পুষবো।কুকুর-বিড়াল তবুও প্রভুভক্ত হয়! মানুষকে ভালো না বেসে নিঃসঙ্গ পাখিদের ভালোবাসবো,পাখিদের যত্ন নিবো।তাতে অন্তত সময় ভালোই কাটবে!নিঃসঙ্গ লাগবে না,কোনো প্রত্যাশাও জাগবে না মনে। ভাবছি এবার সত্যি সত্যি মানুষ থেকে অনেক দূরে থাকবো!মায়া ভরা কণ্ঠে কেউ ডাকলেও আর কাছে যাবো না।তাদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি আর মন ভুলানো কথায় আর উচ্ছ্বসিত হবো না! এবার সত্যি সত্যি নিজেকে গুটিয়ে নিবো মানুষ থেকে!চারদিকে সব ভুল আর মুখোশধারী মানুষের পাল্লায় পড়ার থেকে নিঃসঙ্গ থাকা ঢের ভালো। ভাবছি মানুষকে বিশ্বাস না করে বিষধর সাপকে বিশ্বাস করবো।সাপ ছোবল দিবে এটা নিশ্চিত জানা থাকে,সতর্ক থাকা যায়;তবে মানুষ কখন বিশ্বাসঘাতকতা করে এটা জানা থাকে না। তাই ভাবছি এবার সাপই পুষবো! ভাবছি এবার সত্যি সত্যি মানুষ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিবো!ভন্ডদের ভীড়ে ভালো মানুষ আর খুঁজতে যাবো না!ভন্ডদের যুগে বিশ্বস্ত কাউকে খুঁজতে গিয়েই আমি বারবার আঘাত পেয়েছি ভুল মানুষের পাল্লায় পড়ে। আর আঘাত পেতে চাই না।নিজের সরলতার সুযোগ অন্তত আর কাউকে নিতে দিবো না। আপন মানুষ আর পর মানুষ;এই দুই শ্রেণীর মানুষ আমাকে শিখিয়েছে, কিভাবে একা বেঁচে থাকা যায়, নিজেকে ভালোবাসা যায়! তাই ভাবছি আপন মানুষ,কিংবা পর মানুষ;পৃথিবীর গোটা মানব জাতি থেকেই নিজেকে এখন আড়াল করে নিবো!এই মানব সমাজ থেকে নিজেকে একঘরে করে রাখবো। তোমাদের এই স্বার্থের নগরীতে অসাধারণ সব নাগরিকদের ভীড়ে,আমার মতো অতি নগন্য নাগরিক যে বড্ড বেমানান! লেখায়ঃ Md. Fahad Mia🌼

রি‌যিক ও চাকরি প্রাপ্তির আমল ১. গুরুত্ব আর মহব্বত নিয়ে জামাতের সাথে নামাজ আদায় করতে পারি। ২. নিয়মিত সালাতুল হাজত পড়তে পারি। ৩. বড় কোনও গুনাহের বদ অভ্যাস থাকলে তাওবা করা জরুরী। ৪) বে‌শি বে‌শি ই‌স্তিগফার করতে পারি। ৫) মা-বাবার প্রতি সাদাচার। নিয়মিত আত্মীয়স্বজনের খোঁজখবর রাখতে পারি। ৬) হালাল রিজিকের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখতে পারি। ৭) নিয়মিত এই দোয়া করছি, رَبِّ إِنِّی لِمَاۤ أَنزَلۡتَ إِلَیَّ مِنۡ خَیۡرࣲ فَقِیرࣱ হে আল্লাহ, তু‌মি আমার জন্য যে রি‌যিক না‌যিল ক‌রেছ, আ‌মি তার খুব মুখা‌পেক্ষী (কাসাস: ২৪)। শাইখ আতিকুল্লাহ হাফি.

যেকোনো অভ্যেস তৈরী করার সময়ে " The 2 Minute Rule" অনুসরণ করতে পারেন। মানে প্রথম দুই মিনিট আপনাকে নিজের সাথে লড়াই করতে হবে। যেমন ধরুন, আপনি ভাবলেন সকাল বেলা দৌড়াতে যাবেন। কিন্তু ঘুম থেকে উঠতে ইচ্ছে করছে না। আপনাকে শুধু একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে, যেটা হলো " The 2 Minute Rule"। মানে ঘুম থেকে উঠে মাত্র 2 মিনিট কষ্ট করে রানিং শ্যু পরে নিতে হবে। একবার জুতো পরে নিলে আর ঘুমোতে ইচ্ছে করবে না। একই জিনিস বই পড়ার জন্যেও ব্যবহার করতে পারেন। যখনই পড়ার সময় পাবেন, মাত্র দুই মিনিট কষ্ট করে বইটা হাতে নিয়ে খুলে ফেলুন। তারপর পড়ুন। প্রথম প্রথম কষ্ট হবে, পড়তে ইচ্ছে হবে না। বই বন্ধ করে মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেটে ঢুকতে ইচ্ছে হবে। কিন্তু নিয়মিত একটু একটু করেও বই পড়তে থাকলে বইয়ের প্রতি একটা ভালোবাসা, একটা ভালোলাগা তৈরী হয়ে যাবে। এই "The 2 Minute Rule" কিন্তু সিলেবাসের বই হোক বা গল্প উপন্যাসের বই হোক, যেকোনো ক্ষেত্রেই কাজে লাগাতে পারেন। ধন্যবাদ। সাবধানে থাকুন। সুস্থ থাকুন।

সহবাসে দূর হবে মাইগ্রেনের ব্যথা! জার্মানির এক গবেষণায় স্পষ্টভাবে প্রমাণ মিলেছে মাইগ্রেনের ব্যথা বা অন্য যে কারণে মাথা ব্যথা হয় তা থেকে মুক্তি দিতে পারে যৌন মিলন! গবেষকরা ৮০০ মাইগ্রেনের রোগী এবং ২০০ ক্লাস্টার হেডেক রোগী নিয়ে এ গবেষণা করেন! মাইগ্রেনের ৬০ শতাংশ রোগী ও ক্লাস্টার হেডেক রোগীদের ৩৭ শতাংশ যৌন মিলনের মাধ্যমে তাদের যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা থেকে মুক্তি পেয়েছেন! কারণ যৌন মিলনের সময় "অ্যান্ড্রোফিল" নামে এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়, যা শরীরের বেদনানাশক হিসেবে কাজ করে!🤍 Collected From Learn With 20 Minute Medical

#পর্ব-১ অনেক সময় জীবনে চলে আসে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। হুট করে ঘটে যায় এমন ঘটনা, যা আমাদের কল্পনারও বাইরে। ঠিক সেই সময় পরিবর্তিত প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে গিয়ে মনোজগতে তৈরি হয় আলোড়ন। তৈরি হয় মানসিক চাপ, যাকে বলা হয় ‘স্ট্রেস’। এই মানসিক চাপের কারণে কেবল মনোজগতের পরিবর্তনই ঘটে না বরং উল্লেখযোগ্য বেশ কিছু শারীরিক লক্ষণও দেখা দেয়। মানসিক চাপের কারণে মস্তিষ্কে কিছু রাসায়নিক বস্তু বা নিউরোট্রান্সমিটারের ভারসাম্য নষ্ট হয়, অন্তঃক্ষরা বিভিন্ন গ্রন্থি থেকে নিঃসরিত হরমোনের ঘাটতি-বাড়তি হয় এবং এসবের প্রভাবে হৃদ্যন্ত্রের সংকোচন-প্রসারণের হার পরিবর্তিত হয়, নিশ্বাস-প্রশ্বাস হয় অস্বাভাবিক। তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে যে শারীরিক কোনো সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু মানসিক চাপের কারণেও যে এমনটা হতে পারে সেটাও মনে রাখা প্রয়োজন। মানসিক চাপের কারণে ভুলে যাওয়া, সহজেই রেগে যাওয়া, নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানো, দুশ্চিন্তা, বিচার-বুদ্ধি লোপ পাওয়া, মনোযোগ কমে যাওয়া, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হওয়া, মন খারাপ, উৎসাহ-উদ্দীপনা কমে যাওয়া ইত্যাদি মনোসামাজিক লক্ষণ দেখা দেয়। পাশাপাশি যেসব শারীরিক অসুস্থতা বা যেসব লক্ষণ সাধারণত দেখা দিতে পারে, সেগুলো হলো— ■মাথা ব্যথা করা, মাথা ভারী অনুভব করা বা মাথা ঘোরানো ■বুকে ব্যথা বা অস্বস্তিবোধ হওয়া, বুক ধড়ফড় হওয়া ■শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া বা দ্রুত বারবার শ্বাস নেওয়া ■দুর্বল লাগা, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসা ■যৌনাকাঙ্ক্ষা ও যৌনশক্তি কমে যাওয়া ■পেট ফাঁপা, পেট সবসময় ভরা বোধ করা, বুক-পেট জ্বলা ■বারবার বাথরুমে যাওয়ার প্রয়োজন হওয়া ■খিদে কমে যাওয়া বা কখনো খিদে বেড়ে যাওয়া ■ঘুম কমে যাওয়া, ঘুম না আসা ■হাত-পা ঘামা ও মৃদু কাঁপুনি ■মুখ শুকিয়ে যাওয়া ■রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া ■প্রায়ই ছোটখাটো সংক্রমণ ও ঠান্ডাজনিত রোগে ভোগা ■চোয়াল শক্ত হয়ে আসা ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে দাঁতে দাঁতে বাড়ি লাগা ■নারীদের ক্ষেত্রে অনিয়মিত ঋতুস্রাব হওয়া। সবার ক্ষেত্রে সব সময় একই রকম লক্ষণ প্রকাশ পায় না। মানসিক চাপের কারণ এবং পরিস্থিতি আয়ত্ত করার ব্যক্তিগত দক্ষতা বা ‘কোপিং মেকানিজম’-এর ওপর লক্ষণ নির্ভর করে। একই ঘটনায় বিভিন্ন ব্যক্তির শারীরিক-মানসিক লক্ষণ বিভিন্ন হতে পারে। শারীরিক এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে শারীরিক চিকিৎসা গ্রহণের পাশাপাশি মানসিক চাপের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। ঘরে-বাইরে কোনো পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যে কেউ মানসিক চাপে পড়তে পারেন।মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকতে হলে শরীরের পাশাপাশি মনের যত্নও নিতে হবে। © IClinic

অনেক কষ্ট করে সকল বিকল্প সমাধান যাচাই বাছাই শেষে আপনার মনে হতে পারে এখনই কাজ শুরু করে দিতে হবে। কিন্ত এই সময়টাই হচ্ছে কাজের পরিকল্পনা শেষ বারের মতো যাচাই করার আদর্শ সময়। কাজ শেষ করার পর ভুল তো সবাই বের করতে পারে। আসল হচ্ছে কাজ শুরুর আগেই ভুল বুঝতে পারা যাতে প্রথমেই তা সংশোধন করা যায়। তাই কাজে নামার আগে আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে, নিজের ভাবাবেগ সরিয়ে রেখে, পুরো পরিকল্পনা নিয়ে আবারও ভাবতে হবে। দেখতে হবে কোনো ছোটখাটো ভুল চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে কিনা। যত গবেষণা ও চিন্তাভাবনা আপনি এর পেছনে দেবেন, আপনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তত ভাল হবে। নিশ্চিত করতে হবে যে তথ্য নিয়ে আপনি কাজ করছেন সেগুলি যেন বিশ্বস্ত হয়। আর কাজের সুবিধার জন্য কোনো তথ্য চেরি পিক (পছন্দ মতো বেছে নেয়া) করবেন না। এতে আপনি নিশ্চিতকরণ পক্ষপাত (Confirmation Bias) থেকে বেঁচে যাবেন। সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আমরা প্রায়ই এই পক্ষপাত করে থাকি। আপনার প্রাথমিক বিশ্লেষণ কাজের সাথে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করতে পারেন। অনেক সময় তাতে ভুল বের হয়ে আসবে, কিংবা তাদের কোন পরামর্শ আপনার কাজে লাগাতে পারবেন। আর নিজের মনের কথাও শুনুন। খুব ঠাণ্ডা মাথায় আপনার অনুমান ও সিদ্ধান্তগুলি নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে যাচাই করে নিন। মনে সন্দেহ তৈরি হলে গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন কী আপনাকে বেশি ভাবাচ্ছে। এজন্য আপনি ব্লাইন্ডস্পট অ্যানালাইসিস করতে পারেন। এতে আপনি বুঝবেন আপনি কি অতি আত্মবিশ্বাস, গ্রুপথিংক বা অতি দায়বদ্ধতার কারণে কোনো ভুল করে ফেলছেন কিনা। . # সপ্তম ধাপ: সিদ্ধান্তের কথা জড়িত ব্যক্তিদের জানান এবং কাজ শুরু করুন আপনার সিদ্ধান্ত নেয়া শেষ হলে কাজের সাথে জড়িত সবাইকে তা জানান। এই জানানোর কাজটি হতে হবে অনুপ্রেরণাময় ও তথ্যসমৃদ্ধ। খেয়াল রাখতে হবে সবাই যেন সম্পৃক্ত হয়। সবাইকে কাজের মধ্যে আনার জন্য আপনি সমাধানের বিষয়ে সবার সাথে আলোচনা করতে পারেন। একই সাথে তাদের জানাতে পারেন কেন ও কীভাবে আপনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন। কাজের ঝুঁকি ও সুবিধা নিয়ে যত বেশি তথ্য মানুষদের জানাবেন তারা তত বেশি আপনাকে সমর্থন দিবে। . মানুষ যদি আপনার সমাধানে কোনো ভুল খুঁজে পায়, অবশ্যই বিনয়ের সাথে তাদের এই মতামত শুনবেন। এরপর সেটা মাথায় রেখে নতুন পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। কারণ কাজ ব্যর্থ হওয়ার পর প্ল্যান বদলানো যেমন আপনার জন্য অসম্মানজনক, আবার তা ব্যয়বহুলও। তারচেয়ে কাজ শুরু করার আগে প্ল্যান ভাল ভাবে যাচাই করে নিন। #কাজ #সিদ্ধান্ত #কৌশল

৭টি ধাপে সিদ্ধান্ত নেয়ার কৌশল জীবনের অনেক সহজ সিদ্ধান্ত আমরা নেই, যা নিয়ে আমাদের একটুও ভাবতে হয় না। আবার এমন কিছু সিদ্ধান্ত থাকে যার জন্য অনেক সময় ব্যয় করতে হয়, ঝুঁকি নিতে হয়। আমরা দুশ্চিন্তায়ও পড়ে যাই। সিদ্ধান্তই পারে একটা কাজ অথবা একটা ব্যবসাকে গড়ে তুলতে কিংবা শেষ করে ফেলতে। আবার একটা সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যক্তি মানুষের অনেক জটিল ও অনিশ্চিত বিষয়ও জড়িত থাকতে পারে। এখানে ৭টি ধাপে সিদ্ধান্ত নেয়া বিষয়ে কথা বলা হয়েছে। এগুলি আমাদের আরো ভাল সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে এবং সফল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়াবে। . # প্রথম ধাপ: পুরো পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করুন আমাদের সিদ্ধান্ত ভুল হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে, পুরো বিষয়ের মধ্য থেকে হয় আমরা কোনো গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দেই, বা কোনো জরুরি বিষয়কে অবহেলা করি। সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আপনাকে পুরো পরিস্থিতি এজন্য ভাল ভাবে বুঝতে হবে। যে সমস্যার কারণে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে প্রথমে সেই সমস্যা নিয়ে ভাবুন। আপনাকে বুঝতে হবে সমস্যাটা কি আসলেই এত বড় নাকি এটি অন্য কোনো সমস্যার লক্ষণ মাত্র। খালি চোখে যা দেখা যায় তার চেয়ে গভীরে যেতে হবে। আপনি চাইলে সমস্যা নিয়ে আলাদা ভাবে চিন্তা করতে পারেন। তবে অধিকাংশ সময় দেখা যাবে একটা সমস্যার সাথে অনেকগুলি বিষয় জড়িত থাকে। আপনি যদি একটা বিষয় পরিবর্তন করেন, দেখা যাবে অনেকগুলি জায়গায় এর প্রভাব পড়ছে। এমনকি ফলাফল হিতে বিপরীতও হতে পারে। . # দ্বিতীয় ধাপ: সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য গঠনমূলক পরিবেশ তৈরি করুন একটা সিদ্ধান্তের পেছনে যে পরিমাণ সময় ও মনোযোগ দিতে হয়, আপনি কি তা দিতে পারছেন? কাজে নামার আগেও আপনাকে তাই সময় দিতে হবে একটা গঠনমূলক পরিবেশ তৈরি করতে। টিমে কাজ করার ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, আমাদের সিদ্ধান্তের প্রভাব অন্য মানুষের ওপরেও পড়বে। সবাই আলোচনা করতে পারবে ও সহযোগিতা নিতে পারবে এমন গঠনমূলক পরিবেশ তৈরি করা তাই অনেক প্রয়োজন। এটা আরো বেশি সত্য যখন আমাদের নেয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে অন্য মানুষের ওপর নির্ভর করতে হয়। তখন আমাদের ঠিক করতে হয় কাকে কোথায় রাখতে হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় কে আমাদের সাথে থাকবে। উচিত হচ্ছে দলের সদস্য ৫ থেকে ৭ জনের মধ্যে রাখা। সদস্যরা যাতে কোনো ভয় বা সংকোচ ছাড়াই নিজেদের মতামত, আইডিয়া দিতে পারে সেজন্য তাদের সাহস দিতে হবে। পুরো কাজের উদ্দেশ্য হচ্ছে সবচেয়ে ভাল সিদ্ধান্তটা খুঁজে বের করা। কারো আইডিয়া বাদ দেয়া কিংবা একে অন্যকে দোষারোপ করার কিছু নেই এখানে। . # তৃতীয় ধাপ: একাধিক ভাল বিকল্প হাতে রাখুন আপনি যত বেশি বিকল্প হাতে রাখবেন, সিদ্ধান্ত ভাল হওয়ার সম্ভাবনা তত বাড়বে। প্রথম দিকে বেশি বিকল্প তৈরি করতে গেলে আপনার কাছে জিনিসটা জটিল লাগতে পারে। কিন্ত আপনি যখন বিষয়টা নিয়ে ভাবা শুরু করবেন তখন আপনি গভীরে যেতে পারবেন ও বিভিন্ন আঙ্গিকে সমস্যাটি দেখতে পারবেন। এই সময়ে সৃজনশীল চিন্তা করার নানা ধরনের কৌশল আপনার কাজে লাগতে পারে। টেকনিকগুলি আপনাকে স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে নতুন কিছু ভাবতে সাহায্য করবে। আর তখনই সবচেয়ে উদ্ভাবনী আইডিয়াগুলি তৈরি হবে। যেমন, ব্রেইনস্টর্মিং বা মাথা খাটানো হচ্ছে নতুন আইডিয়া বের করার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায়। নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখতে চাইলে, আপনার চিন্তা বা আইডিয়াকে একটা থিম বা গ্রুপের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। . # চতুর্থ ধাপ: বিকল্প উপায় যাচাই করে দেখুন আপনি যখন হাতে থাকা বিকল্প সমাধান নিয়ে সন্তষ্ট হবেন, এর পরে আপনাকে এই সমাধানগুলির ঝুঁকি কেমন, বাস্তবায়ন করা যাবে কিনা এ সকল বিষয় খতিয়ে দেখতে হবে। আসলে যেকোনো সিদ্ধান্তে কোনো না কোনো ঝুঁকি থাকেই। আপনার প্রয়োজন ঝুঁকি ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি হিসাব করার জন্য একটা সিস্টেম তৈরি করা। আবার প্রতিটা বিকল্পের নৈতিক বিষয়ও খতিয়ে দেখতে হবে। আপনার নিজের ও প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধের সাথে সিদ্ধান্তগুলি কতটুকু যায় সেটা বের করতে হবে। . # পঞ্চম ধাপ: সেরা সমাধান বেছে নিন সব বিকল্প উপায় মূল্যায়ন করার পর এখন আপনার কাজ সিদ্ধান্ত নেয়া। এটি করতে গিয়ে আপনি একাধিক শর্তের মধ্যে তুলনা করতে পারেন। কোনো একটি বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিতে হতে পারে। আপনাকে যদি একটা গ্রুপের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সেক্ষেত্রে সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য সবার ভোট নেয়ার দরকার হবে। আলোচনার সময় কখনও নাম গোপন রাখার প্রয়োজন পড়তে পারে। আবার দলের লোকেদের মধ্যে খারাপ সম্পর্ক থাকতে পারে বা তারা একে অন্যের উপর প্রভাব খাটাতে চাইতে পারে। এমন অবস্থায় একটা ন্যায়, নিরপেক্ষ সিদ্ধান্তে আসার জন্য আপনি ‘Delphi Technique’ ব্যবহার করতে পারেন। এই টেকনিকে একজন মধ্যস্থতাকারীর উপস্থিতিতে দলের সদস্যরা নিজেদের নাম গোপন রেখে লিখিত ভাবে তাদের মতামত জানায়। তারা নিজেদের মধ্যে কোনো আলাপ করে না, এমনকি জানেও না অন্যদের মতামত এখানে নেয়া হচ্ছে। . # ষষ্ঠ ধাপ: আপনার কাজের প্ল্যান যাচাই করুন

দেশের বাইরে ঘুরতে গেলে অন্যতম ইস্যু হচ্ছে নেভিগেশন আর কম্যুনিকেশন! আর এজন্য ভিনদেশে গেলে আমাদের প্রথমেই দরকার হয় ইন্টারনেটের! যেহেতু হোটেল এর বাইরে সবখানে wifi থাকেনা, আমাদের দরকার হয় লোকাল সিমের অথবা দেশ থেকে কেনা roaming sim এর। এখন আলোচনার শুরুতেই ডিসক্লেইমার দিয়ে রাখি। Roaming sim is actually much more expensive than local sim for calling but fairly reasonable for data usage. তাহলে রোমিং কেন নিব? - সব এয়ারপোর্টেই নেমেই লোকাল সিম নাও পেতে পারেন। পেলেও এয়ারপোর্টে দাম বাইরের চেয়ে সাধারণত ১০-১৫ গুন হয়! প্যাকেজগুলি সবসময় ট্যুরিস্টদের স্ক্যাম করার জন্যই বানানো। সেখানে রোমিং থাকলে ধুম করে মোবাইল ডাটা দিয়ে উবার/গ্রাব ইউজ করে হোটেলে যেতে পারবেন। উবার/গ্রাব না নিয়ে লোকাল এয়ারপোর্ট ট্যাক্সি নিলে চরমভাবে স্ক্যামড হবেন। অন্তত ৫ গুন দাম রাখবেই! প্রিপেইড রোমিং নাকি পোস্টপেইড রোমিং নিব? - আমি প্রিপেইড রোমিং সাজেস্ট করব। এতে খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা ইজিয়ার। তবে সব দেশে প্রিপেইড রোমিং সাপোর্ট দেয়না সিম কোম্পানি। সেক্ষেত্রে পোস্টপেইড ছাড়া উপায় থাকেনা। রোমিং সিমে নেট এর খরচ কেমন? - আমি নিজে যেহেতু robi postpaid roaming ইউজ করি, তাই এটার অভিজ্ঞতাই শেয়ার করছি! এতে প্রতিদিন unlimited internet package পাবেন ৯৯ টাকা + ভ্যাট এ। বাস্তবে ১৩২ টাকা বা 1.56$ কেটে নেয়। আগে ২ জিবি ইউজ করার পরে FUP এপ্লাই হইত। স্পিড খুব খুব কমে যেত। ফলে মাঝে মধ্যে বিরকত হয়ে একদিনে দুইবার কিনতাম। এখন লিমিট আরো কমিয়ে দিয়েছে! বর্তমানে পোস্টপেইডে দিনে ১ জিবি ইউজ করার পর স্পিড ২৫৬ কেবিপিএস এ নামিয়ে আনা হয়। বাংলাদেশ সময় রাত ১২ টার পরে আবার রিসেট করে লিমিট বাড়িয়ে দেয়! প্রিপেইড রোমিং এ ৩০০ এমবি ইউজ এর পরে FUP এপ্লাই করে! রোমিং এর জন্য ব্যাংক দুইটা অপশন দেয়। একটা ডাটা রোমিং আরেকটা ফুল রোমিং। ডাটা রোমিং এ খালি নেট কিনা যায়। ফুল রোমিং এ ইনকামিং, আউটগোয়িং কল করা যায়। তো আমিও খুশি মনে নাচতে নাচতে ফুল রোমিং এ টিক দিয়ে দিছি পরিণাম না জেনেই! প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আমি বাইরে গেলে লোকাল সিমও কিনি হোটেলের আশে পাশের এলাকার দোকান বা সুপার শপ থেকে। এইসব জায়গায় খুবই সামান্য দাম। এই সিম দিয়ে ড্রাইভার সহ লোকাল কাজে ইউজ করি। তবে আমি মনে করি ডাটা রোমিং থাকলে এটা লাগেনা, কারণ উবার, গ্রাবেই ip call এর অপশন থাকে। মেসেজিং থাকে। তো ফিরে আসি রোমিং এর গল্পে! ফুল রোমিং অন করা থাকলে আপনি কাউকে কল দিলে মিনিটে ১৪/১৫ টাকা কাটবে। কিন্ত কেউ আপনাকে দেশ থেকে কল দিলেও আপনার থেকে ৪০ টাকার মত কাটবে প্রতি মিনিটে। এই ছোট্ট ইনফোটা আমার জানা ছিলনা! ব্যস! দেশ থেকে রেগুলার কল আসত! ধরতাম! ৫ দিন পর দেখি পুরা ১০০ ডলার গায়েব! সো, ভুলেও আমার মত ব তে বেকুবি করবেন না। দেশের যোগাযোগ whatsapp এ করাই বেটার। শুধু ডাটা রোমিং নিলে দিনে ১.৫১ ডলার খরচ। ফলে অনেক শান্তিতে ইউজ করা যায়। প্রিপেইড রোমিং এর জন্য কি কি লাগবে? - পাসপোর্ট, পাসপোর্ট এর কপি, nid, nid এর কপি, ছবি ২ কপি। আপনাকে ফর্ম দিবে, ফিলাপ করে দিবেন। এর সাথে লাগবে dual currency card (prepaid/debit/credit). কার্ড যার পাসপোর্টে এন্ডোরস করা, তার নামে রেজিস্ট্রি করা সিম এ roaming অন করা যায়। অন্যর কার্ড দিয়ে পসিবল না। কার্ডে ন্যুনতম ১০ ডলার থাকতে হয়। আমি রিকমেন্ড করব, যতদিন বাইরে থাকবেন, সেই অনুযায়ী লোড করে রাখবেন কার্ডে। ধরেন ১০ দিন থাকলে ২০ ডলার রাখা সেইফ! আপনার কার্ডের উভয় পাশের ছবি জমা রাখবে। আপনি যেকোন সময় কাস্তমার কেয়ারে কল দিয়ে অথবা whatsapp support নাম্বারে নক দিলে ওরা নিজেরাই আপনার কার্ড থেকে সিমে ডলার লোড করে দিবে। দেশের বাইরে থাকা অবস্থায় সিমের ডলার শেষ হয়ে গেলেও তাই চিন্তার কিছু নেই। আর কার্ডের ইনফো দিয়ে ফ্রড হবে, এমন ভয় পাবারও কিছু নাই। আর যদি prepaid card ইউজ করেন, তাহলে তো আরো নিশ্চিন্ত, যেহেতু এসব কার্ডে লোকে সামান্য ব্যালেন্স রাখে! পোস্টপেইড রোমিং এর জন্য কি কি লাগবে? - পাসপোর্ট, পাসপোর্ট এর কপি, nid, nid এর কপি, ছবি ২ কপি। আপনাকে ফর্ম দিবে, ফিলাপ করে দিবেন। এর সাথে লাগবে dual currency credit card. কার্ড যার পাসপোর্টে এন্ডোরস করা, তার নামে রেজিস্ট্রি করা সিম এ roaming অন করা যায়। অন্যর কার্ড দিয়ে পসিবল না। এক্ষেত্রে প্রিপেইড রোমিং এর চেয়ে পেইন বেশি। কারণ আপনাকে সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে ন্যুনতম ১০০০০ টাকা জমা রাখতে হবে যা পরে roaming off করে তুলে ফেলা যায়। তবে EBL, SCB, CITY, UCB এই ব্যাঙ্কগুলির ক্রেডিট কার্ড থাকলে robi কোন সিকিউরিটি ডিপোজিট ছাড়াই postpaid roaming এলাউ করে। এক্ষেত্রে সিম কোম্পানি auto debit এর ফর্ম দিবে, যাতে মাস সেশে অটো বিল কেটে নেয়। আমার জন্য এটা বেশ কনভেনিয়েন্ট! কোন কোম্পানির সিম রোমিং এর জন্য ভাল হবে? - রোমিং এর জন্য রবি বেস্ট। জিপি চলার মত আর টেলিটক একেবারে ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি অবস্থা! #Roaming #Travel

photo content

মানুষ পরিশ্রম করে যতটুকু ক্লান্ত হয়, তারচেয়ে বেশি ক্লান্ত হয় আশপাশের মানুষের কারণে। আপনি সারাদিন মাটি কেটে যতটুকু পরিশ্রান্ত হবেন, সেটা শরীরের জন‍্য ভালো। মনের জন‍্য ভালো। আপনার ক্ষুধা লাগবে, খেতে পারবেন। আপনি বিছানায় গেলেই ঘুমিয়ে পড়বেন। কিন্তু আপনার কাছের মানুষটি আপনাকে মানসিকভাবে যতটুকু ক্লান্ত করবে, সেটা আপনার খাওয়া, ঘুম সব কেড়ে নিবে। আপনার কাজের ফোকাস ধ্বংস করবে। সারাদিন মাটি কাটার চেয়ে, সে ক্লান্তি অনেক বেশি ক্ষতিকর! আপনি যদি ক্লান্ত হন, তাহলে ভাবুন কোন মানুষগুলো আপনাকে ক্লান্ত করছে। যারা আপনাকে ক্লান্ত করছে তাদেরকে বুঝান। তাদের সাথে খোলামেলা কথা বলুন। খুব কাছের কেউ না হলে ধীরে ধীরে এড়িয়ে চলুন। নিজেকে ক্লান্তি মুক্ত না রাখতে পারলে জীবন নিরানন্দে ধ্বংস হয়। ………………………. @RAUFUL ALAM https://www.facebook.com/rauful.alam15?mibextid=LQQJ4d

#AL_QURAN Don't lie (Q22:30) Don't spy (Q49:12) Don't insult (Q49:11) Don't waste (Q17:26) Feed the poor (Q22:36) Don't backbite (Q49:12) Keep your oaths (Q5:89) Don't take bribes (Q27:36) Honour your treaties (Q9:4) Restrain your anger (Q3:134) Don't spread gossip (Q24:15) Think good of others (Q24:12) Be good to guests (Q51:24-27) Don't harm believers (Q33:58) Don't be rude to parents (Q17:23) Turn away from ill speech (Q23:3) Don't make fun of others (Q49:11) Walk in a humble manner (Q25:63) Respond to evil with good (Q41:34) Don't say what you won't do (Q62:2) Keep your trusts & promises (Q23:8) Don't insult others' false gods (Q6:108) Don't deceive people in trade (Q6:152) Don't take items without right (Q3:162) Don't ask unnecessary questions (Q5:101) Don't be miserly nor extravagant (Q25:67) Don't call others with bad names (Q49:11) Don't claim yourselves to be pure (Q53:32) Speak nicely, even to the ignorant (Q25:63) Don't ask for repayment for favours (Q76:9) Make room for others at gatherings (Q58:11) If enemy wants peace, then accept it (Q8:61) Return a greeting in a better manner (Q4:86) Don't remind others of the favours you done to them(Q2:264) Make peace between fighting groups (Q49:9) ©️

# আপনার যে চিন্তা গুলো সিক্রেট রাখা দরকার। # ১)আপনার প্ল্যান কারো সাথে শেয়ার করবেন না। # ২)আপনার পারসোনাল লাইফস্টাইল সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে সেয়ার করবেন না। # ৩)সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার ছবি বা ব্যাক্তিগত জীবন নিয়ে কিছু শেয়ার করবেন না। # ৪)আপনার ফ্যামিলি প্রবলেম নিয়া কখনো কোথাও আলোচনা করবেন না। # ৫)আপনি কতটা জ্ঞানী, আলোকিত, সাহসী তা কখনই প্রকাশ করবেন না। # ৬)অন্যান্য মানুষের সিক্রেট জানলেও শেয়ার করবেন না। # ৭)নিজের দুর্বল পয়েন্ট কারো সাথে শেয়ার করবেন না। # # নিজের প্রাইভেসিকে রেসপেক্ট করুন।

বাচ্চারা কেন জীনে আক্রান্ত হয়! বাচ্চারা জীনে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে, কিছু অজ্ঞ, অপরিণামদর্শী ব্যক্তি ছোট বাচ্চাদেরকে বিভিন্ন জিনিস দেখিয়ে বা বিভিন্ন জিনিসের কথা বলে ভয় দেখায় এবং আতঙ্কিত করে তোলে। যেমন ভয়ঙ্কর ভাব নিয়ে বলে, এটা আসছে, ওটা আসছে! তখনই বাচ্চা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং তার অন্তরে একটি ভয় বিরাজ করতে থাকে। সর্বদা সে একটি আতঙ্কের মধ্যে পড়ে যায়। এই ভুলটি অনেক সময় পিতা-মাতা থেকেও হয়ে থাকে। বরং কতক নির্বোধ তো এমনও রয়েছে, যারা বাচ্চা কোন ভুল করলে তাকে একটি নির্জন কক্ষে আটকে রেখে দরজা লাগিয়ে দেয়। ওই ভয়ঙ্কর মুহূর্তে বাচ্চা চিৎকার-চেঁচামেচি করতে থাকে। তবুও সে তার উপর কোন দয়া করে না এবং দরজা খুলে দেয় না। বাচ্চাকে জীনে ধরার এটা অন্যতম একটি কারণ। কিছু জীন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জীন বলেছে, যখন বাচ্চা আতঙ্কিত অবস্থায় একলা ঘরে চিৎকার করছিল তখনই সে তাকে আক্রমণ করেছে। সুতরাং, এধরনের দুঃখজনক কাজগুলো থেকে বেঁচে থাকা উচিত। যদিও বর্তমানে অধিকাংশ মানুষ এমনটি করে থাকে। এসব ব্যাপারে আমাদের খুবই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। বাচ্চাদের সাথে এ ধরনের আচরণ সম্পূর্ণ ত্যাগ করতে পারলে ইনশাআল্লাহ বাচ্চাদেরকে নিরাপদ রাখতে পারব। আর হ্যাঁ, এটাই একমাত্র কারণ নয়। বাচ্চাদেরকে জিনের আক্রমণ থেকে হেফাজত করার জন্য, নিজেরা মাসনুন আমলগুলো করে বাচ্চাদের শরীর বন্ধ করে রাখলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ হেফাজত করবেন! শেইখ সালেহ ইবনে উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহর একটি লেকচার অবলম্বনে। 'بيان حقيقة صرع الجن للإنس Raqi Saifullah Aiyub Sineor Raki & consultant