uz
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Kanalga Telegram’da o‘tish

🙂🙂🙂

Ko'proq ko'rsatish
1 955
Obunachilar
-124 soatlar
-67 kun
-1730 kun
Postlar arxiv
অনেক পাগল আছে সবকিছুই বুঝে এবং তারা সহবাসে সক্ষম এমন পাগলের সামনে পর্দা করা ফরজ। উম্মুল মুমিনীন উম্মে সালামা রা. বলেন, আমি একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ছিলাম। উম্মুল মুমিনীন মায়মুনা রা.ও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এমন সময় আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম উপস্থিত হলেন। এটি ছিল পর্দা বিধানের পরের ঘটনা। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা তার সামনে থেকে সরে যাও। আমরা বললাম, তিনি তো অন্ধ, আমাদেরকে দেখছেন না?! তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরাও কি অন্ধ? তোমরা কি তাকে দেখছ না?-সুনানে আবু দাউদ ৪/৩৬১, হাদীস : ৪১১২; জামে তিরমিযী ৫/১০২, হাদীস : ২৭৭৯; মুসনাদে আহমাদ ৬/২৯৬; শরহুল মুসলিম, নববী ১০/৯৭; ফাতহুল বারী ৯/২৪৮

বাংলাদেশে বর্তমানে আলাপ (Alaap), ব্রিলিয়ান্ট কানেক্ট (Brilliant Connect), ডায়াল (Dial) এবং আম্বার আইটি (Amber IT) আইপি কলিং অ্যাপ গুলো চালু আছে। প্রত্যেক আইপি কলিং অ্যাপ গুলোতে সকল সার্ভিস চার্জ বাদে কলরেট ৪০ পয়সা/মিনিট এবং সকল সার্ভিস চার্জ সহ কলরেট ৪৬ পয়সা/মিনিট! তবে ব্রিলিয়ান্ট কানেক্ট (Brilliant Connect) অ্যাপে তাদের ভেরিফায়েড এজেন্ট থেকে রিচার্জ (১০-যেকোনো অ্যামাউন্ট) করলে ১০% থেকে ২০% পর্যন্ত বোনাস পাওয়া যায়। এবং ডায়াল (Dial) অ্যাপে নির্দিষ্ট কিছু অ্যামাউন্ট রিচার্জ করলে মিনিট বোনাস পাওয়া যায়। এছাড়া আম্বার আইটি (Amber IT) অ্যাপে বিকাশ থেকে রিচার্জ করলে ২০% বোনাস পাওয়া যায়। Tong থেকে আলাপে রিচার্জ করলে ২০% বোনাস পাওয়া যায়। প্রত্যেক আইপি কলিং অ্যাপ ব্যবহার করতে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে এবং এনআইডি দিয়ে ভেরিফাই করতে হবে। তবে আলাপ এবং আম্বার আইটি অ্যাপে এনআইডির ছবি সহ এনআইডিতে থাকা চেহারা দিয়েও ফেস স্ক্যান করে ভেরিফাই করতে হবে। সকল আইপি কলিং অ্যাপ থেকে অ্যাপে কল এবং মেসেজ ফ্রি। এছাড়া আইপি কলিং অ্যাপ থেকে যেকোনো টেলিফোনি নাম্বারে কল ফ্রি❗

ছেলে ও মেয়ের উভয় পরিবারের সম্মতিতে যদি তারা ইজাব কবুল করিয়ে রাখে তাহলে ছেলে মেয়ে তারা ফোনে কথা বলতে পারবে। আর চার মাস সহবাস না করার দ্বারা স্ত্রী তালাক হয়না।তবে চার মাস পর পর কমপক্ষে একবার সহবাস করা স্বামীর উপর ওয়াজিব যদি স্ত্রী চায়। ইসলামি শরিয়তে বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য আবশ্যক ও ন্যূনতম শর্ত হলো, বিয়ের আকদের সময় সাক্ষী রাখতে হবে। সাক্ষী এমন দুইজন পুরুষ (স্বাধীন) সাক্ষী বা একজন পুরুষ (স্বাধীন) ও দুইজন মহিলা সাক্ষী হতে হবে, যারা প্রস্তাবনা ও কবুল বলার উভয় বক্তব্য উপস্থিত থেকে শুনতে পায়। (আদ-দুররুল মুখতার ৩/৯ ফাতওয়ায়ে হিন্দিয়া ১/২৬৮)

ওলিমার মূল বিষয় হলো নব বিবাহিত পুরুষ তার আত্মীয় বন্ধু বান্ধবদের কে খাওয়াবে। হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেছেন- شَرّ الطّعَامِ طَعَامُ الْوَلِيمَةِ يُدْعَى لَهَا الأَغْنِيَاءُ وَيُتْرَكُ الْفُقَرَاءُ، وَمَنْ تَرَكَ الدّعْوَةَ فَقَدْ عَصَى اللهَ وَرَسُولَهُ صلى الله عليه وسلم. যে ওলিমায় কেবল ধনীদেরকেই আমন্ত্রণ জানানো হয় আর গরীবদেরকে বর্জন করা হয়, সে ওলিমার খাবার নিকৃষ্ট খাবার। আর যে আমন্ত্রণ রক্ষা করে না, সে তো আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লামের অবাধ্য হল। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৫১৭৭ অতএব টাকা দিয়ে দিলে ওলিমা হয় না।আপনার যদি বাড়িতে আয়োজন করা সম্ভব না হয় তাহলে যে কোন মাদ্রাসায় আয়োজন করতে পারবেন।

পরিষ্কার ভাষায় সুস্থ মস্তিষ্কে তিন তালাক দেয়ার মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তির বিবাহ সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছেদ হয়ে যায়। (আল ফিকহুল ইসলামী ওয়া আদিল্লাতুহু ৭/৩৬৪ দারুল ফিকর) হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা রাযি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ثَلاثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ : النِّكَاحُ ، وَالطَّلاقُ ، وَالرَّجْعَةُ তিনটি বিষয় এমন রয়েছে যা গোস্বায় হোক বা হাসি ঠাট্টায় হোক সর্বাবস্থায় কার্যকরী হয়ে থাকে। বিবাহ, তালাক ও রজয়াত। (আবু দাউদ ২১৯৪ তিরমিযি ১১৮৪) এখন যদি সে তার স্ত্রীকে পুনরায় বরণ করে নেয়ার ইচ্ছা পোষণ করে থাকে তাহলে এর জন্য একমাত্র বৈধ ব্যবস্থা হলো ‘হালালাহ’ করা। অর্থাৎ উক্ত স্ত্রীকে অন্য স্বামীর নিকট নিয়মিত বিবাহ দেয়া এবং তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক গড়ে ওঠা। অতঃপর তাদের মাঝে সংসার জীবনে কোনো কারণে যদি ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়; তবে ইদ্দত পালনের পর তাকে সে পুনরায় বিয়ে করতে পারবে। উক্ত স্ত্রীকে পুনরায় বরণ করে নেয়ার এই ছাড়া দ্বিতীয় কোন রাস্তা নেই। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۗ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ অতঃপর স্বামী যদি স্ত্রীকে তৃতীয় তালাক দেয় তবে অন্য লোকের সাথে বিবাহ দেয়া ব্যতিত সেই স্ত্রী (প্রথম) স্বামীর জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। (সূরা বাকারা-২৩০)

বাউবি এইচএসসি ( BOU HSC 23 Batch) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির শেষ তারিখ ৩১ আগষ্ট ২০২৩ ইং। -------- © জুয়েল -------- ✳️ যেভাবে ভর্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন স্টেপ বাই স্টেপ... নোটঃ লাল ষ্টার (*) চিহ্নিত তথ্য গুলো অবশ্যই পুরণ করতে হবে । ১. যে মাধ্যমে ফি প্রদান করতে চান (বিকাশ, নগদ, রকেট ও ব্যাংক কার্ড) সেই মাধ্যমে ন্যূনতম ৪৫৯০/- টাকা রাখুন। ( বিভাগ অনুযায়ী টাকার পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে, তবে সর্বোচ্চ পরিমাণ ৬০০০/-। ) ২. কোন একটা নোটপ্যাডে নিম্মের তথ্যগুলো নোট করুন... ক. Applicant's Name: খ. Applicant's Name (Bengali): গ. Father's Name: ঘ. Father's Name (Bengali): ঙ. Mother's Name: চ. Mother's Name (Bengali): ছ. Identify no (আপনার জন্মনিবন্ধন নাম্বার অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার লিখুন) জ. Place of Birth (আপনার জন্মস্থান লিখুন) ঝ. Email Address: ঞ. Mobile Number (আপনার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার লিখুন) ট. Present Address ঠ. Permanent Address ড. Photo (Soft Copy Photo, Must be in JPG format, Must be 300x300 pixel, Size not more than 100 KB) ঢ. Signature (Soft Copy Signature, Must be in JPG format, Must be 300x100 pixel, Size not more than 100 KB) ণ. Institute Name ত. Registration No থ. Roll No দ. Grade Point (GPA) ধ. Duration (Academic Year) ✳️এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে https://osapsnew.bou.ac.bd/applicant/registrationForm#step-1 ✳️ আবেদন করার সাত দিনের মধ্যে যে সকল কাগজপত্র স্টাডি সেন্টার / উপ-আঞ্চলিক / আঞ্চলিক অফিসে জমা দিতে হবে। ১. এসএসসি (SSC) / সমমান পাশের সার্টিফিকেট / মার্কশিটের ফটোকপি ২. জম্ন নিবন্ধন / জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ৩. অনলাইনে ভর্তির আবেদন পত্র কপি

6️⃣অন্যকেও অবগত করা: আমল একা করার বিষয় নয়। বরং কোনো আমলের অভ্যাস করতে চাইলে নিজের পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব বা যার সাথে ঘনিষ্ঠতা আছে, এমন ব্যক্তিকেও আমলটির ব্যাপারে অবগত করা উত্তম। এতে করে এক সময় একজন ভুলে গেলে, আরেকজন স্মরণ করে দিতে পারেন। তার চেয়ে বড় বিষয়, সঙ্গী থাকলে আমলের প্রতি উৎসাহ বাড়ে। 7️⃣হিসাবনিকাশ: কাজের বেলায় আমাদের হিসাবনিকাশ কষে কাজ করতে হবে। তাহলে অপ্রয়োজনীয় এবং অলাভজনক কাজ থেকে আমরা দূরে থাকব। ফলে আমাদের হাতে আমলের সময় থাকবে এবং আমাদের ব্রেনই ফ্রেশ থাকবে। এজন্য কোনো কাজ করার আগে এর ফায়দা কতটুকু, এটা এখন করা জরুরি কিনা সেই হিসাব করে নিতে হবে। যেমন, ইশরাকের সালাতের সময় আপনার সামনে অন্য আরেকটি কাজ আছে। কাজটি যদি তৎক্ষণাৎ না করলেও চলে, তাহলে তখন ওই কাজের চেয়ে ইশরাকের সালাত আদায় করার ফায়দা বেশি ইনশা আল্লাহ। 8️⃣মনভোলা: যারা মনভোলা বা বিভিন্ন ব্যস্ততায় আমল করতে ভুলে যান, তাদের যখন স্মরণ আসবে তখনই আমলটি করে নিতে হবে। কারণ "পরে করব" ভাবলে একটি নতুন আমল অভ্যাস গড়ে তোলা দুষ্কর। এমনতাবস্থায় আপনি এভাবে ভাবতে পারেন যে, এই মুহূর্তে কোনো বিপদ বা দু:সংবাদ আসলে আপনার চলমান কাজ ঠিকই স্থগিত করে ভিন্ন কিছু করতে হত। আর বিপদ থেকে নিশ্চয়ই ছোট্ট আমল করা সহজ। সর্বোপরি আমাদের প্রথমে নিয়্যাত করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা আমাদের বেশি বেশি নিয়মিত আমল করার তাওফিক দান করুন, আমিন। 📣কমেন্টে সহজ কিছু আমলের পরামর্শ দিতে পারেন। ইনশা আল্লাহ, এতে করে অন্যরা উপকৃত হবেন এবং আপনি হবেন সাওয়াবের ভাগিদার।

ভেবে দেখুন, আপনার কি কোনো নিয়মিত আমল আছে? আলহামদুলিল্লাহ, মুসলিম হিসেবে অনেকেই কম-বেশি আমল করার চেষ্টা করেন। কেউ ফরজ সালাত নিয়মিয় আদায় করেন, কেউবা পাশাপাশি জিকির করেন। আবার কেউ তিলাওয়াত করেন কিংবা দান-খয়রাত করেন। কিন্তু পাকাপোক্তভাবে আমাদের কয়জনের নিয়মিত কোনো আমল আছে? এই প্রশ্নের ইতিবাচক উত্তর প্রদানকারীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। যেমন নিয়মিত সালাত আদায় করা হলেও তা ফরজ সালাত পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। এদিকে জিকির-আযকার করা হলেও তা একদম নিয়মিতভাবে করা নয়। তিলাওয়াতের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা বর্তায়। ফলে আমাদের নিয়মিত আমলের ঝুড়িটি হালকা রয়ে যায়। অথচ আপনি জানেন কি, "আল্লাহর কাছে কোন আমল সর্বাধিক প্রিয়?" প্রশ্নটি হযরত আয়িশা রা. করেছিলেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট। উত্তরে তিনি কি বলেছিলেন জানেন? উত্তরে তিনি বলেন, "যে আমল সর্বদা করা হয়, চাই তা কম হোক" (বুখারি : ৬৪৬৫)। অন্য হাদিসে এসেছে, "আল্লাহ তায়ালার কাছে সবচেয়ে পছন্দের আমল হলো যা নিয়মিত করা হয়, যদিও তা পরিমাণে হয় অল্প।" (মুসলিম : ২৮১৮) অর্থাৎ আল্লাহর কাছে নিয়মিত আমলই সর্বাধিক প্রিয় আমল। এক্ষেত্রে তা পরিমাণে কম হলেও সমস্যা নেই। কিন্তু এই আমলের তালিকায় কি কি থাকতে পারে? চলুন দেখে সহজতর কিছু আমলের নমুনা: 1️⃣দুরুদ শরীফ পাঠ করা 2️⃣যেকোন জিকির করা 3️⃣প্রতিদিন সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার করা 4️⃣প্রতিদিন কোনো না কোনো ভালো কাজ করা 5️⃣পেয়ারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সালাম পাঠানো 6️⃣কুরআন তিলাওয়াত করা 7️⃣ঘুমানোর আগে আমল করা 8️⃣ঘুমানোর পূর্বে সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া 8️⃣বারান্দা বা বাড়ির আসেপাশে পশুপাখির জন্য পানি রাখা 9️⃣ঝটপট ৩ বার সূরা ইখলাস তিলাওয়াত করা (এতে কুরআন খতমের সাওয়াব মিলে) 🔟৪ বার সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করা (এতে কুরআন খতমের সাওয়াব মিলে) 1️⃣1️⃣নিয়মিত যেকোনো নফল সালাত আদায় করা, যেমন তাহ্যিয়াতুল ওজু, ইশরাক। 1️⃣2️⃣আমলী সূরা, যেমন মাগরিবের সালাত পরে সূরা ওয়াকিয়াহ (রিজিক বৃদ্ধি করে), এশার সালাতের পর সূরা মূলক (কবরের আযান কমায়) কিংবা শুক্রবার সূরা কাহফ (দাজ্জালের ফেতনা থেকে মুক্তিসহ অনেক ফজিলত রয়েছে) 1️⃣3️⃣'বিসমিল্লাহ' বলা: যেকোনো কাজের শুরুতে 'বিসমিল্লাহ' বলার অভ্যাস করা। হোক সেটা ফোন হাতে নেওয়া কিংবা কোনো সাংসারিক বা অফিসিয়াল কাজ, শুরুতে বিসমিল্লাহ বললে এতে আল্লাহকে স্মরণ করা হয় আর সাথে জুড়ে যায় বারাকাহ। তাই প্রতিদিন আবশ্যিক কাজের শুরুতে 'বিসমিল্লাহ' বলার আমল করা। 1️⃣4️⃣সালাম দেওয়া: প্রতিদিন মেসেজ কিংবা সরাসরি আমরা কারো না কারো সাথে আলাপ করি। এই আলাপের শুরুটা সালাম দিয়ে করলেও অনেক ফায়দা রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি ফায়দা হল সালামের মাধ্যমে আমরা অপরের জন্য শান্তির দোয়া করি। আর অপরের জন্য আমরা যে দোয়া করি, ফেরেস্তারা আমাদের জন্য সে দোয়া করেন, সুবহান আল্লাহ। 1️⃣5️⃣সুন্নাহ মেনে চলা: আমাদের প্রতিটি কাজে সুন্নাহ অনুসরণ করা উত্তম। জীবনে এমন কিছু কাজ আছে যা আমরা প্রতিদিনই করি। এই কাজগুলো সুন্নাতি তরিকায় করার অভ্যায়া গড়ে তুলতে পারলে অনেক বেশি ফায়দা হবে ইনশা আল্লাহ। যেমন টয়লেটে প্রবেশের সময় বাম পা আগে প্রবেশ করানো আবার টয়লেট থেকে বের হওয়ার সময় ডান পা আগে বের করা। কিংবা জুতা পরার সময় ডান পায়ে আগে জুতা পরা আবার জুতা খোলার সময় বাম পায়ের জুতা আগে খুলা। এ জাতীয় ছোটখাটো কিন্তু নিত্যদিনের কাজগুলো ৩-৪দিন একটু খেয়াল করে সুন্নাহ মোতাবেক করলে পরবর্তীতে তা অভ্যাসে পরিনত হয়। পাশাপাশি আমাদের বাচ্চারাও সুন্নাহের চাদরে বেড়ে উঠবে ইনশা আল্লাহ। 🔸কিভাবে অভ্যাস গঠন করা যায়: আমাদের মাঝে অনেকে আছেন যারা নিয়মিত আমল করতে চান কিন্তু ব্যস্ততা কিংবা স্মরণ না থাকায় আমল করা হয় না। তবে আমরা চাইলে সহজে একটি আমলে অভ্যস্ত হতে পারি। এজন্য যা করতে হবে: 1️⃣নিয়্যাত: প্রথমে অন্তরে পাকাপোক্ত নিয়্যাত করতে হবে। 2️⃣স্টিকি নোট: যে সময়ে আমলটি করতে হবে, ওই সময় যে স্থানে সচরাচর আমরা অবস্থান করি, সেখানে স্টিকি নোট লাগিয়ে দেওয়া। যেমন টয়লেটের দরজায় বাম পা প্রথমে প্রবেশের সুন্নাহ কিংবা দোয়া লিখে রাখা। 3️⃣এলার্ম সেট করা: টার্গেটকৃত আমলটি সময় কেন্দ্রিক হলে ফোনে এলার্ম সেট করে রাখা যেতে পারে। যেমন ঘুমানোর পূর্বে সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া কিংবা ঘুমানোর সময় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সালাম পাঠানো বা দুরুদ শরীফ পাঠ করা। 4️⃣পুরষ্কার: টানা ৩/৫/৭দিন একটি আমল করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করা। এতে আগ্রহ বাড়বে ইনশা আল্লাহ। 5️⃣চেকলিস্ট: ফোনে কিংবা প্রিন্ট আকারে বহুল প্রচলিত "To Do list" ব্যবহার করা। এতে চোখের সামনে নিজের আমলের অবস্থা দেখা যায়, ফলে আগ্রহ বাড়ে।

আপনার বর্ণনা অনুযায়ী আপনার দ্বিতীয় বিবাহ হয়নি। অতএব আপনার দ্বিতীয় সংসার করা হারাম হয়েছে।কেননা তালাকের পর থেকে তিন হায়েজ ইদ্দত পালন করতে হয় আর এই ইদ্দতের মাঝে নারীর জন্য অন্য কোথাও বিবাহ বসা হারাম। আল্লাহ তা’আলা বলেন- ‘‘আর তালাকপ্রাপ্ত নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন মাসিক পর্যন্ত।’’ (সূরা বাকারা,আয়াতঃ ২২৮) এখন করণিয় হচ্ছে আপনার প্রথম তালাক হয়েছে কি না সেটা আগে নিশ্চিত হতে হবে। সেইজন্য আপনার প্রথম বিবাহের কাবিন নামা ও ডিভোর্স পেপার লাগবে আপনি আমাদের মেসেঞ্জারে পাঠান। আর আপনার কৃত গোনাহ তাওবা করার দ্বারা ক্ষমা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। -(সূরা নূর, ৩১) আরও বর্ণিত হয়েছে, ‘ তোমরা নিজেদের প্রতিপালকের নিকট (পাপের জন্য) ক্ষমা প্রার্থনা কর, অতঃপর তার কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর। -(সূরা হূদ, ৩) আল্লাহ তায়ালা আরও বলেছেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা কর বিশুদ্ধ তওবা। -(সূরা তাহরীম, ৮) নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন– ‘সেই মহান সত্তার কসম যার হাতে আমার জীবন! যদি তোমরা পাপ না কর, আল্লাহ তোমাদের নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে (তোমাদের পরিবর্তে) এমন এক জাতি আনয়ন করবেন, যারা পাপ করবে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করবে। আর আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন। -(মুসলিম, ২৭৪৮)

সূনান নাসাঈ (ইফাঃ) অধ্যায়ঃ ২৬/ নিকাহ (বিবাহ) পরিচ্ছদঃ ৪২. বিবাহের শর্ত ৩২৮৪. ঈসা ইবন হাম্মদ (রহঃ) … উকবা ইবন আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সৰ্বাধিক প্রয়োজনীয় শর্ত হলো তোমরা যা দ্বারা মহিলার লজ্জাস্থান হালাল করবে, তা আদায় করা অর্থাৎ মোহর আদায় করা। It was narrated from ‘Utbah bin ‘Amir that the Messenger of Allah said: “The conditions that are most deserving of fulfillment, are those by means of which the private parts become allowed to you.” তাহক্বীকঃ সহীহ। ইবন মাজাহ ১৯৫৪, মুখতাসার মুসলিম ৮০৪, সহীহ জামে’ আস-সগীর ১৫৪৭। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

বিদেশে উচ্চশিক্ষার ইচ্ছে আছে? —তাহলে কয়েকটা টিপসে দেই। খুবই সহজ। এগুলো অন্তত করুন আগে। বিদেশের অন্তত চল্লিশ-পঞ্চাশটা ইউনিভার্সিটির নাম জানুন। বিশেষ করে আপনি যে মহাদেশে/অঞ্চলে যেতে চান, সেই অঞ্চলের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর। খুবই সহজ। অবসর সময়ে ফোনে বসে বসে আজাইরা রিল ভিডিও না দেখে ইউনিভার্সিটিগুলোর ওয়েবসাইট ঘাটতে থাকুন। আপনার আগ্রহটা শক্ত হবে। গুগল করলেই অনেক ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। আপনি যে বিষয়ের উপর পড়তে চান, সেই ডিপার্টমেন্টগুলোতে ঢুঁ দেন। কিছু প্রফেসরের প্রোফাইল ঘাটতে থাকেন। এই ঘাটাঘাটি আপনার ভিতরের বাসনাটাকে আরো একটু জ্বালিয়ে দিবে। ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে গেলে ভর্তির জন‍্য কি কি লাগবে সেটার তালিকা দেয়া থাকে। বিবরণ দেয়া থাকে। জ‍্যামে বসে আছেন, কিংবা অলস সময় কাটাচ্ছেন—সে সময়টাতে এই তালিকাগুলো দেখেন। দরকার হয় নিজের মতো করে একটা চেক লিস্ট তৈরি করেন। সেই লিস্ট থেকে একটা একটা করে ধরেন। সময় নিয়ে লেগে পড়েন। যে কোন প্রস্তুতির শুরু কিন্তু এক পা দিয়েই। ঘর থেকে বের হয়ে সহস্র মাইল চলে যান, কিন্তু শুরু হয় এক পা দিয়েই। আর জীবনের একটা বড়ো অর্জনের জন‍্য বড়ো লক্ষ‍্য থাকতে হয়। আর বড়ো লক্ষ‍্যের জন‍্য একটু বেশি বড়ো মাপের পরিশ্রমও লাগে। ……………………….. @RAUFUL ALAM

বাউবি এইচএসসি ( BOU HSC 23 Batch) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির শেষ তারিখ ৩১ আগষ্ট ২০২৩ ইং। -------- © জুয়েল -------- ✳️ যেভাবে ভর্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন স্টেপ বাই স্টেপ... নোটঃ লাল ষ্টার (*) চিহ্নিত তথ্য গুলো অবশ্যই পুরণ করতে হবে । ১. যে মাধ্যমে ফি প্রদান করতে চান (বিকাশ, নগদ, রকেট ও ব্যাংক কার্ড) সেই মাধ্যমে ন্যূনতম ৪৫৯০/- টাকা রাখুন। ( বিভাগ অনুযায়ী টাকার পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে, তবে সর্বোচ্চ পরিমাণ ৬০০০/-। ) ২. কোন একটা নোটপ্যাডে নিম্মের তথ্যগুলো নোট করুন... ক. Applicant's Name: খ. Applicant's Name (Bengali): গ. Father's Name: ঘ. Father's Name (Bengali): ঙ. Mother's Name: চ. Mother's Name (Bengali): ছ. Identify no (আপনার জন্মনিবন্ধন নাম্বার অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার লিখুন) জ. Place of Birth (আপনার জন্মস্থান লিখুন) ঝ. Email Address: ঞ. Mobile Number (আপনার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার লিখুন) ট. Present Address ঠ. Permanent Address ড. Photo (Soft Copy Photo, Must be in JPG format, Must be 300x300 pixel, Size not more than 100 KB) ঢ. Signature (Soft Copy Signature, Must be in JPG format, Must be 300x100 pixel, Size not more than 100 KB) ণ. Institute Name ত. Registration No থ. Roll No দ. Grade Point (GPA) ধ. Duration (Academic Year) ✳️এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে https://osapsnew.bou.ac.bd/applicant/registrationForm#step-1 ✳️ আবেদন করার সাত দিনের মধ্যে যে সকল কাগজপত্র স্টাডি সেন্টার / উপ-আঞ্চলিক / আঞ্চলিক অফিসে জমা দিতে হবে। ১. এসএসসি (SSC) / সমমান পাশের সার্টিফিকেট / মার্কশিটের ফটোকপি ২. জম্ন নিবন্ধন / জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ৩. অনলাইনে ভর্তির আবেদন পত্র কপি

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এসএসসি (SSC) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে সবাই জেনারেল কলেজে অর্থাৎ এইচএসসি (HSC) আবেদন কর
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এসএসসি (SSC) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে সবাই জেনারেল কলেজে অর্থাৎ এইচএসসি (HSC) আবেদন করতে পারবেন। ✳️এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে http://xiclassadmission.gov.bd/ আবেদন করতে হবে। ❇️ ১ম আবেদন ১০ আগষ্ট ২০২৩ থেকে ২০ আগষ্ট ২০২৩। ২য় আবেদন ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩। ৩য় আবেদন ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩। আবেদন করতে লাগবে... ১. কলেজে চয়েজ করতে হবে আপনার জিপিএ অনুযায়ী (আগে থেকেই কলেজ লিষ্ট করতে হবে মিনিমাম ৫ টা) ২. ১৫৩ টাকা আবেদন ফি আগে জমা দিতে হবে বিকাশ / নগদ / রকেটের মাধ্যমে। ৩. বাউবি এসএসসি (SSC) সম্পূর্ণ স্টুডেন্ট আইডি নাম্বার। রোল ও রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দিবেন আপনার স্টুডেন্ট আইডি নাম্বার। ৪. বোর্ড সিলেক্ট করতে হবে (BOU) ৫. আপনার সচল মোবাইল নাম্বার।

মাস্টারবেশনে অভ্যস্ত অধিকাংশ পুরুষই বিয়ে নিয়ে খুব ভীত। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় এই ভয়টা একদমই খামোখা। আমি একজন বিবাহিত পুরুষ। বিয়ের আগে বহু বছর মাস্টারবেশনে এ্যাডিক্টেড ছিলাম। কিন্তু কখনোই মনোবল দুর্বল হয়নি আমার। এবং বিয়ে করার পর আজ পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ২-৩ বার পার্টনারের সাথে মিলিত হয়েছি। (অসুস্থ সময় ব্যতিত) কখনোই মনে হয়নি যে অল্প সময়ে বীর্য পড়ে যাচ্ছে। বরং প্রতিবারই ২০-২৫ মিনিট সময় লেগেছে। এবং খুবই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। সবচে বড় কথা হল, আমরা ২ জনই প্রচুর পরিমাণে ফোর প্লে করি, প্রচুর। এ জন্য দুজন দুজনের উপর স্যাটিসফাইড। একটা কথা মনে রাইখেন, মাস্টারবেশন আর পার্টনারের সাথে মিলন এক কথা না। কল্পনা আর বাস্তবের ভিতর সবসময়ই বিস্তর ফারাক থাকে। মাস্টারবেশনে আপনি ১-২ মিনিট সময় পাচ্ছেন বলে বাস্তব সঙ্গমেও ১-২ মিনিট সময় পাবেন, তা কখনোই না। জাস্ট মাথাটা ঠাণ্ডা এবং চাপমুক্ত রেখে আগাইতে হয়‌। মিলনের সময় আপনি যত বেশি মাথা ঠাণ্ডা রাখবেন, টেকনিকাললি আগাবেন আপনার পার্টনার তত বেশি স্যাটিসফাইড থাকবে। তবে আবারও বলি, পার্টনারকে পুরোপুরি সন্তুষ্ট করার জন্য ফোর প্লে এর বিকল্প কিচ্ছু নেই। আর ফার্স্ট টাইম ২-১ বার দ্রুত বীর্যপাত হওয়াটা অসুস্থতার লক্ষণ না। বরং ওভার এক্সাইটেড হয়ে গেলে এমনটা হয়। অনেকে আবার ফোর প্লে জানে না বা অভ্যস্ত না। তাদেরকে ধীরে ধীরে শিখাইতে হবে। বুঝাইতে হবে। মেইন ফিল টা পায়িয়ে দিতে হবে। তারপরেও অনেকে বাস্তবেই অসুস্থ হতে পারে। সমস্যা থাকতেই পারে। তার জন্যে সমাধান আছে। হতাশ বা চিন্তিত না হয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। ঠিক মতো ট্রিটমেন্ট নেন। আর খাওয়া দাওয়া করেন ধুমায়া। ব্যস। সবার বিবাহিত জীবন সুন্দর স্বাচ্ছন্দ্যময় হোক। ধন্যবাদ সবাইকে। 20_minute_medical

photo content
+7

পিরিয়ডের আগে হুট করেই কি আপনার প্রিয় মানুষটির আচরণ পালটে যাচ্ছে? পিরিয়ডের মোটামুটি ১ সপ্তাহ আগে, নারীদের এক অপ্রতিরোধ্য সমস্যা দেখা দেয়। প্রিমেনস্ট্রুয়াল বা মাসিকপূর্ব সিনড্রোম। পিএমএস-এর ফলে ব্রণ, স্তন ব্যাথা, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া, ক্লান্তি, প্রচুর মিষ্টি খেতে ইচ্ছে হওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং একরাশ হতাশা দেখা দিতে পারে। আমরা অনেকে এই পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে নিই না। কেননা, নারীরা এ সময়টা নিজেদেরকে অনেক ক্ষেত্রেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। নারীরা চান না, তাঁর পরিপার্শ্বের মানুষের উপর এই ঘটনাগুলো প্রভাব পড়ুক। তাঁরা চুপ থাকেন। সুতরাং, আপনার বোন, জীবনসঙ্গিনী, বন্ধু কিংবা মেয়ের এই পরিস্থিতিতে তাঁদের কটু কথা কিংবা খারাপ ব্যবহারে দুঃখ পাবেন না। বুঝে নেবেন, আচরণগুলো সাময়িক উত্তেজনা বা মুড-সুইংয়ের জন্য, আপনাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য নয়। এই সময়টাতে আপনার স্বাভাবিক আচরণ তাঁর জীবনটা রাঙিয়ে তুলতে পারে। নারীদের উদ্দেশ্যে— একই সাথে, আপনাকেও নিজের শরীরকে বুঝতে হবে। এই পরিস্থিতিগুলো জীবনসঙ্গী, রুমমেট ও বাবা-মায়ের সাথে শেয়ার করতে হবে। চুপ থেকে বা ব্যাপারটা লুকিয়ে আপনি কেবল নিজেকে একা আবদ্ধ রাখছেন না, তাদেরকেও আবদ্ধ রাখছেন। আপনার চারপাশ আপনার সাথেই প্রভাবিত হচ্ছে। তাই আপনার যদি মনে হয় আপনি এই সিনড্রোম অতিক্রম করছেন, তাঁদেরকে সিম্পলি জানিয়ে রাখুন। PMS খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। এটা নিয়ে কথা বলুন। চিন্তিত হবেন না। মূল পোস্ট: Carmesi অনুবাদ: মো. তৌহিদুজ্জামান, সম্পাদক, বিজ্ঞানপ্রিয়। #PMS #পিএমএস #মাসিক #পিরিয়ড

জীবনের সেরা কিছু টিপস ? ১. ৭ ঘন্টার ঘুম হল পারফেক্ট। ১০ টায় ঘুমিয়ে পরুন এবং ৫ এ ঘুম থেকে উঠুন। ২. সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ব্যায়াম করুন। ৩. দিনে দুবার ব্রাশ করুন। ৪. প্রতিদিন সকালে ২ গ্লাস পানি পান করুন (ব্যায়ামের পরে)। ৫. খাওয়ার সময় পানি পান এড়িয়ে চলুন। ৬. কখনই বিলম্ব করবেন না। ৭. ধীরে ধীরে খান যাতে আপনি খাবার উপভোগ করতে পারেন। ৮. কাউকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন না। ৯. নিজের মধ্যে বিনিয়োগ করুন। ১০.সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বন্ধ করুন এবং আপনার পিতামাতার সাথে আরও বেশি সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। ১১.আপনার আত্মীয় এবং শত্রুদের সম্মান করুন। ১২.ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন, এবং দান করুন। ১৩. অন্যদের সাথে আপনার দক্ষতা তুলনা করবেন না.মনে করুন আপনি অনন্য। ১৪. সময় নষ্ট করবেন না। সময়ই একমাত্র জিনিস যা আমরা হারানোর পর আর পাওয়া যায় না। ১৫. আপনার ব্যর্থতার জন্য হতাশাগ্রস্ত হবেন না। আপনার সাফল্যের জন্য ১০০ টিরও বেশি সম্ভাবনা রয়েছে। ১৬. কখনো কাউকে কষ্ট দিবেন না। এটি আপনার উপর একটি বড় প্রভাব ফেলবে। ১৭. আপনার যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত করুন এটা অবশ্যই খুব দরকারী। ১৮. আপনার সমস্যা সম্পর্কে চিন্তা করবেন না, এটির সমাধান সম্পর্কে চিন্তা করুন। ১৯. সোশ্যাল মিডিয়াতে শত শত বন্ধু এবং ফলোয়ার রাখার চেয়ে কিছু সেরা বন্ধু রাখুন। ২০. প্রতিদিন বই পড়ুন। এটি অবশ্যই আপনাকে পরিবর্তন করবে।