fa
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

رفتن به کانال در Telegram

🙂🙂🙂

نمایش بیشتر
1 996
مشترکین
+124 ساعت
+37 روز
+430 روز
آرشیو پست ها
আপনার বর্ণনা অনুযায়ী আপনার দ্বিতীয় বিবাহ হয়নি। অতএব আপনার দ্বিতীয় সংসার করা হারাম হয়েছে।কেননা তালাকের পর থেকে তিন হায়েজ ইদ্দত পালন করতে হয় আর এই ইদ্দতের মাঝে নারীর জন্য অন্য কোথাও বিবাহ বসা হারাম। আল্লাহ তা’আলা বলেন- ‘‘আর তালাকপ্রাপ্ত নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন মাসিক পর্যন্ত।’’ (সূরা বাকারা,আয়াতঃ ২২৮) এখন করণিয় হচ্ছে আপনার প্রথম তালাক হয়েছে কি না সেটা আগে নিশ্চিত হতে হবে। সেইজন্য আপনার প্রথম বিবাহের কাবিন নামা ও ডিভোর্স পেপার লাগবে আপনি আমাদের মেসেঞ্জারে পাঠান। আর আপনার কৃত গোনাহ তাওবা করার দ্বারা ক্ষমা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। -(সূরা নূর, ৩১) আরও বর্ণিত হয়েছে, ‘ তোমরা নিজেদের প্রতিপালকের নিকট (পাপের জন্য) ক্ষমা প্রার্থনা কর, অতঃপর তার কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর। -(সূরা হূদ, ৩) আল্লাহ তায়ালা আরও বলেছেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা কর বিশুদ্ধ তওবা। -(সূরা তাহরীম, ৮) নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন– ‘সেই মহান সত্তার কসম যার হাতে আমার জীবন! যদি তোমরা পাপ না কর, আল্লাহ তোমাদের নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে (তোমাদের পরিবর্তে) এমন এক জাতি আনয়ন করবেন, যারা পাপ করবে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করবে। আর আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন। -(মুসলিম, ২৭৪৮)

সূনান নাসাঈ (ইফাঃ) অধ্যায়ঃ ২৬/ নিকাহ (বিবাহ) পরিচ্ছদঃ ৪২. বিবাহের শর্ত ৩২৮৪. ঈসা ইবন হাম্মদ (রহঃ) … উকবা ইবন আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সৰ্বাধিক প্রয়োজনীয় শর্ত হলো তোমরা যা দ্বারা মহিলার লজ্জাস্থান হালাল করবে, তা আদায় করা অর্থাৎ মোহর আদায় করা। It was narrated from ‘Utbah bin ‘Amir that the Messenger of Allah said: “The conditions that are most deserving of fulfillment, are those by means of which the private parts become allowed to you.” তাহক্বীকঃ সহীহ। ইবন মাজাহ ১৯৫৪, মুখতাসার মুসলিম ৮০৪, সহীহ জামে’ আস-সগীর ১৫৪৭। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

বিদেশে উচ্চশিক্ষার ইচ্ছে আছে? —তাহলে কয়েকটা টিপসে দেই। খুবই সহজ। এগুলো অন্তত করুন আগে। বিদেশের অন্তত চল্লিশ-পঞ্চাশটা ইউনিভার্সিটির নাম জানুন। বিশেষ করে আপনি যে মহাদেশে/অঞ্চলে যেতে চান, সেই অঞ্চলের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর। খুবই সহজ। অবসর সময়ে ফোনে বসে বসে আজাইরা রিল ভিডিও না দেখে ইউনিভার্সিটিগুলোর ওয়েবসাইট ঘাটতে থাকুন। আপনার আগ্রহটা শক্ত হবে। গুগল করলেই অনেক ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। আপনি যে বিষয়ের উপর পড়তে চান, সেই ডিপার্টমেন্টগুলোতে ঢুঁ দেন। কিছু প্রফেসরের প্রোফাইল ঘাটতে থাকেন। এই ঘাটাঘাটি আপনার ভিতরের বাসনাটাকে আরো একটু জ্বালিয়ে দিবে। ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে গেলে ভর্তির জন‍্য কি কি লাগবে সেটার তালিকা দেয়া থাকে। বিবরণ দেয়া থাকে। জ‍্যামে বসে আছেন, কিংবা অলস সময় কাটাচ্ছেন—সে সময়টাতে এই তালিকাগুলো দেখেন। দরকার হয় নিজের মতো করে একটা চেক লিস্ট তৈরি করেন। সেই লিস্ট থেকে একটা একটা করে ধরেন। সময় নিয়ে লেগে পড়েন। যে কোন প্রস্তুতির শুরু কিন্তু এক পা দিয়েই। ঘর থেকে বের হয়ে সহস্র মাইল চলে যান, কিন্তু শুরু হয় এক পা দিয়েই। আর জীবনের একটা বড়ো অর্জনের জন‍্য বড়ো লক্ষ‍্য থাকতে হয়। আর বড়ো লক্ষ‍্যের জন‍্য একটু বেশি বড়ো মাপের পরিশ্রমও লাগে। ……………………….. @RAUFUL ALAM

বাউবি এইচএসসি ( BOU HSC 23 Batch) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির শেষ তারিখ ৩১ আগষ্ট ২০২৩ ইং। -------- © জুয়েল -------- ✳️ যেভাবে ভর্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন স্টেপ বাই স্টেপ... নোটঃ লাল ষ্টার (*) চিহ্নিত তথ্য গুলো অবশ্যই পুরণ করতে হবে । ১. যে মাধ্যমে ফি প্রদান করতে চান (বিকাশ, নগদ, রকেট ও ব্যাংক কার্ড) সেই মাধ্যমে ন্যূনতম ৪৫৯০/- টাকা রাখুন। ( বিভাগ অনুযায়ী টাকার পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে, তবে সর্বোচ্চ পরিমাণ ৬০০০/-। ) ২. কোন একটা নোটপ্যাডে নিম্মের তথ্যগুলো নোট করুন... ক. Applicant's Name: খ. Applicant's Name (Bengali): গ. Father's Name: ঘ. Father's Name (Bengali): ঙ. Mother's Name: চ. Mother's Name (Bengali): ছ. Identify no (আপনার জন্মনিবন্ধন নাম্বার অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার লিখুন) জ. Place of Birth (আপনার জন্মস্থান লিখুন) ঝ. Email Address: ঞ. Mobile Number (আপনার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার লিখুন) ট. Present Address ঠ. Permanent Address ড. Photo (Soft Copy Photo, Must be in JPG format, Must be 300x300 pixel, Size not more than 100 KB) ঢ. Signature (Soft Copy Signature, Must be in JPG format, Must be 300x100 pixel, Size not more than 100 KB) ণ. Institute Name ত. Registration No থ. Roll No দ. Grade Point (GPA) ধ. Duration (Academic Year) ✳️এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে https://osapsnew.bou.ac.bd/applicant/registrationForm#step-1 ✳️ আবেদন করার সাত দিনের মধ্যে যে সকল কাগজপত্র স্টাডি সেন্টার / উপ-আঞ্চলিক / আঞ্চলিক অফিসে জমা দিতে হবে। ১. এসএসসি (SSC) / সমমান পাশের সার্টিফিকেট / মার্কশিটের ফটোকপি ২. জম্ন নিবন্ধন / জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ৩. অনলাইনে ভর্তির আবেদন পত্র কপি

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এসএসসি (SSC) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে সবাই জেনারেল কলেজে অর্থাৎ এইচএসসি (HSC) আবেদন কর
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এসএসসি (SSC) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে সবাই জেনারেল কলেজে অর্থাৎ এইচএসসি (HSC) আবেদন করতে পারবেন। ✳️এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে http://xiclassadmission.gov.bd/ আবেদন করতে হবে। ❇️ ১ম আবেদন ১০ আগষ্ট ২০২৩ থেকে ২০ আগষ্ট ২০২৩। ২য় আবেদন ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩। ৩য় আবেদন ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩। আবেদন করতে লাগবে... ১. কলেজে চয়েজ করতে হবে আপনার জিপিএ অনুযায়ী (আগে থেকেই কলেজ লিষ্ট করতে হবে মিনিমাম ৫ টা) ২. ১৫৩ টাকা আবেদন ফি আগে জমা দিতে হবে বিকাশ / নগদ / রকেটের মাধ্যমে। ৩. বাউবি এসএসসি (SSC) সম্পূর্ণ স্টুডেন্ট আইডি নাম্বার। রোল ও রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দিবেন আপনার স্টুডেন্ট আইডি নাম্বার। ৪. বোর্ড সিলেক্ট করতে হবে (BOU) ৫. আপনার সচল মোবাইল নাম্বার।

মাস্টারবেশনে অভ্যস্ত অধিকাংশ পুরুষই বিয়ে নিয়ে খুব ভীত। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় এই ভয়টা একদমই খামোখা। আমি একজন বিবাহিত পুরুষ। বিয়ের আগে বহু বছর মাস্টারবেশনে এ্যাডিক্টেড ছিলাম। কিন্তু কখনোই মনোবল দুর্বল হয়নি আমার। এবং বিয়ে করার পর আজ পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ২-৩ বার পার্টনারের সাথে মিলিত হয়েছি। (অসুস্থ সময় ব্যতিত) কখনোই মনে হয়নি যে অল্প সময়ে বীর্য পড়ে যাচ্ছে। বরং প্রতিবারই ২০-২৫ মিনিট সময় লেগেছে। এবং খুবই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। সবচে বড় কথা হল, আমরা ২ জনই প্রচুর পরিমাণে ফোর প্লে করি, প্রচুর। এ জন্য দুজন দুজনের উপর স্যাটিসফাইড। একটা কথা মনে রাইখেন, মাস্টারবেশন আর পার্টনারের সাথে মিলন এক কথা না। কল্পনা আর বাস্তবের ভিতর সবসময়ই বিস্তর ফারাক থাকে। মাস্টারবেশনে আপনি ১-২ মিনিট সময় পাচ্ছেন বলে বাস্তব সঙ্গমেও ১-২ মিনিট সময় পাবেন, তা কখনোই না। জাস্ট মাথাটা ঠাণ্ডা এবং চাপমুক্ত রেখে আগাইতে হয়‌। মিলনের সময় আপনি যত বেশি মাথা ঠাণ্ডা রাখবেন, টেকনিকাললি আগাবেন আপনার পার্টনার তত বেশি স্যাটিসফাইড থাকবে। তবে আবারও বলি, পার্টনারকে পুরোপুরি সন্তুষ্ট করার জন্য ফোর প্লে এর বিকল্প কিচ্ছু নেই। আর ফার্স্ট টাইম ২-১ বার দ্রুত বীর্যপাত হওয়াটা অসুস্থতার লক্ষণ না। বরং ওভার এক্সাইটেড হয়ে গেলে এমনটা হয়। অনেকে আবার ফোর প্লে জানে না বা অভ্যস্ত না। তাদেরকে ধীরে ধীরে শিখাইতে হবে। বুঝাইতে হবে। মেইন ফিল টা পায়িয়ে দিতে হবে। তারপরেও অনেকে বাস্তবেই অসুস্থ হতে পারে। সমস্যা থাকতেই পারে। তার জন্যে সমাধান আছে। হতাশ বা চিন্তিত না হয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। ঠিক মতো ট্রিটমেন্ট নেন। আর খাওয়া দাওয়া করেন ধুমায়া। ব্যস। সবার বিবাহিত জীবন সুন্দর স্বাচ্ছন্দ্যময় হোক। ধন্যবাদ সবাইকে। 20_minute_medical

photo content
+7

পিরিয়ডের আগে হুট করেই কি আপনার প্রিয় মানুষটির আচরণ পালটে যাচ্ছে? পিরিয়ডের মোটামুটি ১ সপ্তাহ আগে, নারীদের এক অপ্রতিরোধ্য সমস্যা দেখা দেয়। প্রিমেনস্ট্রুয়াল বা মাসিকপূর্ব সিনড্রোম। পিএমএস-এর ফলে ব্রণ, স্তন ব্যাথা, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া, ক্লান্তি, প্রচুর মিষ্টি খেতে ইচ্ছে হওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং একরাশ হতাশা দেখা দিতে পারে। আমরা অনেকে এই পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে নিই না। কেননা, নারীরা এ সময়টা নিজেদেরকে অনেক ক্ষেত্রেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। নারীরা চান না, তাঁর পরিপার্শ্বের মানুষের উপর এই ঘটনাগুলো প্রভাব পড়ুক। তাঁরা চুপ থাকেন। সুতরাং, আপনার বোন, জীবনসঙ্গিনী, বন্ধু কিংবা মেয়ের এই পরিস্থিতিতে তাঁদের কটু কথা কিংবা খারাপ ব্যবহারে দুঃখ পাবেন না। বুঝে নেবেন, আচরণগুলো সাময়িক উত্তেজনা বা মুড-সুইংয়ের জন্য, আপনাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য নয়। এই সময়টাতে আপনার স্বাভাবিক আচরণ তাঁর জীবনটা রাঙিয়ে তুলতে পারে। নারীদের উদ্দেশ্যে— একই সাথে, আপনাকেও নিজের শরীরকে বুঝতে হবে। এই পরিস্থিতিগুলো জীবনসঙ্গী, রুমমেট ও বাবা-মায়ের সাথে শেয়ার করতে হবে। চুপ থেকে বা ব্যাপারটা লুকিয়ে আপনি কেবল নিজেকে একা আবদ্ধ রাখছেন না, তাদেরকেও আবদ্ধ রাখছেন। আপনার চারপাশ আপনার সাথেই প্রভাবিত হচ্ছে। তাই আপনার যদি মনে হয় আপনি এই সিনড্রোম অতিক্রম করছেন, তাঁদেরকে সিম্পলি জানিয়ে রাখুন। PMS খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। এটা নিয়ে কথা বলুন। চিন্তিত হবেন না। মূল পোস্ট: Carmesi অনুবাদ: মো. তৌহিদুজ্জামান, সম্পাদক, বিজ্ঞানপ্রিয়। #PMS #পিএমএস #মাসিক #পিরিয়ড

জীবনের সেরা কিছু টিপস ? ১. ৭ ঘন্টার ঘুম হল পারফেক্ট। ১০ টায় ঘুমিয়ে পরুন এবং ৫ এ ঘুম থেকে উঠুন। ২. সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ব্যায়াম করুন। ৩. দিনে দুবার ব্রাশ করুন। ৪. প্রতিদিন সকালে ২ গ্লাস পানি পান করুন (ব্যায়ামের পরে)। ৫. খাওয়ার সময় পানি পান এড়িয়ে চলুন। ৬. কখনই বিলম্ব করবেন না। ৭. ধীরে ধীরে খান যাতে আপনি খাবার উপভোগ করতে পারেন। ৮. কাউকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন না। ৯. নিজের মধ্যে বিনিয়োগ করুন। ১০.সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বন্ধ করুন এবং আপনার পিতামাতার সাথে আরও বেশি সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। ১১.আপনার আত্মীয় এবং শত্রুদের সম্মান করুন। ১২.ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন, এবং দান করুন। ১৩. অন্যদের সাথে আপনার দক্ষতা তুলনা করবেন না.মনে করুন আপনি অনন্য। ১৪. সময় নষ্ট করবেন না। সময়ই একমাত্র জিনিস যা আমরা হারানোর পর আর পাওয়া যায় না। ১৫. আপনার ব্যর্থতার জন্য হতাশাগ্রস্ত হবেন না। আপনার সাফল্যের জন্য ১০০ টিরও বেশি সম্ভাবনা রয়েছে। ১৬. কখনো কাউকে কষ্ট দিবেন না। এটি আপনার উপর একটি বড় প্রভাব ফেলবে। ১৭. আপনার যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত করুন এটা অবশ্যই খুব দরকারী। ১৮. আপনার সমস্যা সম্পর্কে চিন্তা করবেন না, এটির সমাধান সম্পর্কে চিন্তা করুন। ১৯. সোশ্যাল মিডিয়াতে শত শত বন্ধু এবং ফলোয়ার রাখার চেয়ে কিছু সেরা বন্ধু রাখুন। ২০. প্রতিদিন বই পড়ুন। এটি অবশ্যই আপনাকে পরিবর্তন করবে।

photo content

photo content

photo content

শায়খ মুহাম্মাদ ইবনু উসায়মিন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এই দুনিয়ার জীবনে কোনও মানুষের পক্ষে সর্বদা আনন্দে থাকা সম্ভব নয়। তার একটি দিন যদি যায় প্রফুল্লতায়, তো আরেকটি দিন যাবে দুশ্চিন্তায় (এটাই স্বাভাবিক)।’ [ইবনু উসায়মিন, শারহু রিয়াদিস সালিহিন: ১/২৪৩]

কাবিননামায় সাক্ষর করলেই বিবাহ হয়ে যায়? কাবিননামা হচ্ছে নিবন্ধন সনদ। কোনো বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পর কাবিননামার মাধ্যমে তা সরকারিভাবে নিবন্ধন করা হয়। মৌখিক ইজাব কবুল ছাড়া শুধুমাত্র এতে দস্তখত করার দ্বারা বিবাহ সংঘটিত হয় না। বিবাহ সহীহ হওয়ার জন্য দুইজন পুরুষ বা একজন পুরুষ ও দুইজন মহিলার উপস্থিতিতে পাত্র-পাত্রীর কিংবা তাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে মৌখিক ইজাব কবুল করা শর্ত। [ফাতহুল কাদীর ৩/১০২, বাহরুর রায়েক ৩/৮৩, মাজমাউল আনহুর ১/৪৬৮, রদ্দুল মুহতার ৩/১২, ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২৭০]

আদ্দাইয়ান ইবন কুত্বন আল-হারেসী তার মেয়েকে উপদেশ দেন, . “মেয়ে আমার! তোমার গলার আওয়াজ যেন তোমার স্বামীর আওয়াজের চাইতে উঁচু না হ
আদ্দাইয়ান ইবন কুত্বন আল-হারেসী তার মেয়েকে উপদেশ দেন, . “মেয়ে আমার! তোমার গলার আওয়াজ যেন তোমার স্বামীর আওয়াজের চাইতে উঁচু না হয়। তোমার আদেশ যেন তার আদেশের উপরে না থাকে। জেনে রাখো— সম্মানিতা নারী তারাই, যারা (স্বামীর কাছে) পরাজিত, বিজয়ীরা নয়। সে যদি তোমকে অল্প কিছু দেয়, সেটাকে তুমি বেশি মনে করো, তুচ্ছজ্ঞান করো না। সে যদি তোমার জন্য বেশি বেশি করে, তাহলে কৃতজ্ঞতা পোষণ করো, বড়াই করো না। তার কোনো স্বভাব তোমার কাছে খারাপ মনে হলে তার প্রতি সদয় হবে। জেনে রাখো— অভাবগ্রস্ত হলেও যে মানুষটা দানশীল, সে দশজন কৃপণ ধনী থেকে উত্তম।" . [ইবনুদ্দাজ্জাজীর ”সাফাত্বুল মুলাহ ওয়া-যাওহুত তারাহ”: ১/৫৭]

জিনদের ধর্মীয় বিধি-বিধান: মানুষের মতো জিনদের ক্ষেত্রেও ধর্মীয় অনুশাসনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাদের ইহকালীন কৃতকর্মের জন্য হাশরের ময়দানে নিজ নিজ কর্মের হিসাব দিতে হবে। সৎকর্মশীলদের জন্য জান্নাত এবং মন্দ কর্মের জন্য অপরাধীদের জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। (সুরা : আরাফ, আয়াত : ৩৪)। আরও বলা হয়েছে “আমি জ্বীন ও মানুষকে কেবলমাত্র আমার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি” (সূরা আয্-যারিয়াত, ৫৬)। “ পৃথিবীতে তিন ধরনের জ্বীন আছে- এক প্রকারের জ্বীন পাখার মাধ্যমে বাতাসে ওড়ে, এক প্রকারের জ্বীন সাপ এবং মাকড়শার আকারে থাকে, শেষ প্রকারের জ্বীনরা সাধারনভাবে থাকে এবং চলাচল করে।” (আত তাবারানী, আল হাকিম ৩৭০২, বায়হাক্বী এবং সহীহ আল জামে’ ৩১১৪)। নাম ও কাজ অনুযায়ী - ইবলিস: এই জ্বীন আদম আঃ কে সিজদা/সালাম করতে অস্বীকার করেছিল বলে কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। মুসলিমরা বিশ্বাস করে, এই জ্বীন জান্নাতে থাকাকালে আদম আঃ কে আল্লাহর আদেশ অমান্য করতে প্ররোচিত করেছিল এবং পৃথিবীতেও সে মানুষদেরকে পথভ্রষ্ট করে। খানজাব: এই জ্বীন সালাতরত মানুষের মনে নানারকম চিন্তা ঢুকিয়ে নামাজ থেকে অমনোযোগী ও উদাসীন করে তুলে।[৯] ওলহান: এরা হচ্ছে একপ্রকার শয়তান জ্বীন যারা মানুষকে ওযুর সময় ওয়াসওয়াসা দেয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ক্বারীন: ক্বারিন অর্থ হচ্ছে সংগী, প্রত্যেক মানুষের সাথেই শয়তান জ্বীন লেগে থাকে, সংগী হিসেবে। এরা সবসময় বান্দার অন্তরে খারাপ চিন্তা ঢুকিয়ে দিয়ে পাপ কাজ করতে উৎসাহিত করে। “যে এই আয়াত (আয়াতুল কুরসী) পড়বে, আল্লাহ তা’আলা তার জন্য একজন প্রহরী নিযুক্ত করে দিবেন এবং কোন পুরুষ এবং নারী জ্বীন-শয়তান তার কাছে আসতে পারবে না।” (সহিহ বুখারী, ৫০১০)।

photo content

photo content

photo content

আপনি হয়তো ভাবছেন শুক্রবারের এই দিনটায় কি করবেন, হয়তো ফোন চালিয়েই কাটিয়ে দিতে চাচ্ছেন পুরো বিকেল। কিন্তু সবচেয়ে উত্তম একটি সিদ্ধান্ত হবে যদি আপনি আপনার স্ত্রীকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে বের হন। সারা সপ্তাহের ক্লান্তি যেন আমাদের ছাড়তেই চায়না। তাই অনেকেই অলসতায়, শুয়ে, বসে শুক্রবারের এই দিনটি কাটায়। এতে করে সুন্দর একটি সময় থেকে স্বামী স্ত্রী বঞ্চিত হয়। অথচ বাইরে থেকে ঘুরে আসলে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কটা আরো গভীর হতো। তাই ভাইদের প্রতি পরামর্শ থাকবে এ দিনটি যেন মিস না হয়। যেকোন সুন্দর একটি জায়গা থেকে ঘুরে আসুন। দেখবেন ভালো লাগবে। বোনদের প্রতি পরামর্শ থাকবে আপনার স্বামীকে উৎসাহিত করুন,তাকে বোঝান এতে করে যে ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। সময়টাকে দামী করে তুলুন। দিনশেষে একটা কথা মাথায় রাখবেন, সন্তানের বিয়ে হয়ে যাবে, পরিবারের প্রতিটি সদস্য আলাদা জায়গাতে চলে যাবে। থেকে যাবেন আপনারা দুইজন স্বামী স্ত্রী 💜