uz
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Kanalga Telegram’da o‘tish

🙂🙂🙂

Ko'proq ko'rsatish
1 954
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
-77 kun
-1830 kun
Postlar arxiv
জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি, সার্টিফিকেট,পাসপোর্ট সংশোধন করার প্রয়োজন নেই এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছে। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক আপনি কিভাবে ধাপে ধাপে জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি, সার্টিফিকেট,পাসপোর্ট সংশোধন করবেন। সংশোধনের ধাপ সমূহ:- ১.জন্ম নিবন্ধন ২.PSC->JSC->SSC->HSC 3.জাতীয় পরিচয়পত্র ৪.Honours->Master’s ৫.পাসপোর্ট(আপনি চাইলে এনআইডি সংশোধন করেই পাসপোর্ট সংশোধন করে নিতে পারেন) মনে করেন,আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে পাসপোর্টের মিল নেই এখন আপনি চাচ্ছেন পাসপোর্টের তথ্য ঠিক রেখে এনআইডি সংশোধন করতে বা এনআাইডি ঠিক রেখে পাসপোর্ট সংশোধন করতে চান।তাহলে আপনি কি কি ধাপে সংশোধন করবেন? # মনে রাখতে হবে পাসপোর্টের সংশোধন করতে হলে আপনার প্রথম প্রয়োজন হবে এনআইডি । # এনআইডি সংশোধনের জন্য আপনার প্রয়োজন হবে সার্টিফিকেট। # সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে জন্ম নিবন্ধন। **তার মানে সবার প্রথম আপনাকে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করে আসতে হবে।এক্ষেত্রে আপনার টিকার কার্ড বা পত্যায়নপত্র লাগতে পারে। **জন্ম নিবন্ধন সংশোধন হয়েগেলে সেই সংশোধিত সঠিক জন্ম নিবন্ধন দিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গিয়ে PSC সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য আবেদন করবেন(যদি আপনি PSC পরিক্ষা দিয়ে থাকেন)। **PSC সার্টিফিকেট সংশোধন হয়ে আসলে PSC সার্টিফিকেট এবং জন্ম নিবন্ধন দিয়ে অনলাইনে JSC,SSC,HSC ৩টি একসাথে সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য আবেদন করবেন। **JSC,SSC,HSC সংশোধন হয়ে আসলে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করবেন।এর জন্য আপনার জন্ম নিবন্ধন এবং JSC/SSC/HSC যে কোন একটির সার্টিফিকেট সাবমিট করবেন। **JSC,SSC,HSC সার্টিফিকেট সংশোধন হয়ে গেলে জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি, এবং সংশোধীত সার্টিফিকেট দিয়ে অনার্স এবং মাসটার্সের সার্টিফিকেট সংশোধন করবেন। **আপনার এনআইডি সংশোধন হয়েগেলে সাথে সাথেই আপনি সংশোধিত সার্টিফিকেট,এনআইডি এবং জন্ম নিবন্ধন দিয়ে অনলাইনে পাসপোর্ট সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। **বি:দ্রি:- বাবা-মা এনআইডির সাথে আপনার তথ্য মিল না থাকলে উনাদের গুলা ঠিক রেখে আপনার তথ্য সংশোধন করতে চেষ্টা করবেন।এক্ষেত্রে সব সংশোধনীতে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে। **প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সংশোধন করতে ১ বছরের মত সময় লাগতে পারে। আপনি যদি শুরু থেকে ধাপ গুলা ক্রম অনুযাই করেন তাহলে আপনাকে কোন ধাপে পেন্ডিং থাকতে হবেনা।কিন্তু যদি একটার আগে আরেকটা সংশোধনের আবেদন করেন তাহলেই আপনাকে পেন্ডিং পরে থাকতে হবে। **ওয়াবে সংশোধন টাইপের পোস্ট আসলেই আমরা গনহারে কমেন্ট করতে থাকি দালাল ধরেন,কিছু টাকা খরচ করেন হয়ে যাবে।এই কমেন্ট গুলা সবাই পড়ে এবং পরবর্তীতে তারা কোন সমস্যায় পরলে তাদের সবার প্রথম আপনাদের করা নেগেটিভ কমেন্ট গুলা মাথায় কাজ করবে এবং তারাও হয়তো দালাল ধরবে। দালাল আসলে তৈরি হয়না,দালাল আমরা তৈরি করি।যখনি কাগজ পত্র ঠিক থাকবেনা নিচের ধাপ সংশোধন না করে উপরের ধাপ আগে সংশোধন করতে চাইবে তখনি মানুষ দালালকে টাকা দিয়ে অনৈতিক ভাবে কাজটি করার সিদ্ধান্ত নেয়।দিন শেষে বলে দালাল ছাড়া কিছু হয় না। **সর্বপরি ওয়াবের মতো জনপ্রিয় একটি গ্রুপে এই ধরনের নেতিবাচক কমেন্ট বেমানান। ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। কারো কাছে এর চেয়ে সহজ সমাধান থাকলে তারাও পরামর্শ দিতে পারেন। আলো আসবেই ইনশাআল্লাহ © লেখা ঃ নুরুজ্জামান ভাই

গ্রামের একান্নবর্তী পরিবারে পর্দার সূরত : গ্রামের বেশিরভাগ পরিবারই একান্নবর্তী পরিবার। রক্তের বন্ধনের সবাই একসাথেই থাকতে চায়। বাংলার আবহমান কাল ধরে একান্নবর্তী পরিবারগুলো স্মৃতি ধরে আছে। দাদা-দাদী, চাচা-চাচীসহ পরিবারের সবাই একই বাড়িতে বসবাস করার এ রীতি যেমন একদিক থেকে স্মৃতিময়, অন্যদিক দিয়ে পর্দার বিধানের বেহাতও হয়ে যায় অনেক ক্ষেত্রে। যারা কঠোরভাবে দ্বীনের সব বিধানগুলো মেনে থাকেন, তাদের জন্য এমন পরিবারে পর্দা রক্ষা করে চলা সমস্যা হয় না। এ ছাড়া অন্যদের জন্য পর্দা রক্ষা করা অসম্ভবই বটে। ঘরের ভেতর দিয়ে হাঁটা চলা, একই টয়লেট বা গোসলখানা ব্যবহার করা, এক ডাইনিং রুমে খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে পর্দার বিধানের অমান্য হয়। এসব পরিবারে চাইলেও পর্দার বিধান ঠিকঠাকমতো পালন করা যায় না। দেবরের সাথে ভাবির পর্দা, ভাতিজার সাথে চাচির পর্দার বিধান যেন তারা মানতেই চান না। দেবরকে মনে করা হয় ছোটভাইয়ের মতো; অনেক পরিবারে আবার দেবরকে ছোট স্বামী বলেও ডাকা হয়! এটা সুস্পষ্ট নি-র্ল-জ্জ-তা ছাড়া আর কিছুই নয়। হাদীস শরীফের ভেতর দেবরের বিষয়ে কঠোর শব্দ এসেছে, إيَّاكُمْ والدُّخُولَ علَى النِّساءِ، فقالَ رَجُلٌ مِنَ الأنْصارِ: يا رَسولَ اللهِ، أفَرَأَيْتَ الحَمْوَ؟ قالَ: الحَمْوُ المَوْتُ. ‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা বেগানা নারীদের কাছে যাওয়া থেকে দূরে থাকো। এক আনসারী সাহাবী জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, দেবরের ব্যাপারে আপনি কী বলেন? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দেবর তো মৃত্যুতুল্য।’ স্বামীর ছোট অর্থাৎ দেবর হোক বা স্বামীর বড় অর্থাৎ ভাসুর হোক। এই হাদীসের মধ্যে স্বামীর চাচাতো-ফুফাতো-মামাতো-খালাতো ইত্যাদি ভাইয়েরাও অন্তর্ভুক্ত। কেউ কেউ শুধু মাথায় কাপড় দেয়াকে পর্দা মনে করেন, এবং এভাবে তারা ঘরে দেবর বা ভাসুরের সামনে বসেও খাবার খান। ঘরে চলাফেরা করেন। এ সবকিছুই শরীয়তের পর্দার বিধান অমান্য করার শামিল। এসব পরিবারে পর্দার সূরত হলো... - প্রকাশিতব্য পর্দা বিষয়ক বইয়ে বিস্তারিত থাকবে ইন শা আল্লাহ!

কবর খনন ও লাশ দাফন করার সুন্নতি পদ্ধতি ও আমাদের দেশিও বিদআত | Sheikh Motiur Rahman Madani কবর খননের সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি কী ------------------------------------------------ আমাদের দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন পদ্ধতির কবরের প্রচলন রয়েছে। কিন্তু অনেকেরই কবর খননের সঠিক ও সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি জানা নেই। কোন্ তরিকায় কিভাবে এবং কতুটুকু কবর খনন করতে হয় তা আমরা অনেকেই জানি না। তাই নিম্নে সংক্ষিপ্ত আকারে কবর খননের পদ্ধতি আলোচনা করা হলো। কবর দুই ধরনের। ১. ‘লাহদ’ বা বগলী কবর। ২. ‘শাক্ব’ বা সিন্দুকী কবর। ‘লাহদ’ বা বগলী কবর হলো, প্রথমে স্বাভাবিক নিয়মে চার কোণা করে পুরো কবর খনন করবে। অতঃপর কিবলার দিকের দেয়ালের মধ্যে নিচে লম্বালম্বি করে একটি গর্ত খনন করবে। তারপর ঐ গর্তের মধ্যে লাশ রেখে কাঁচা ইট অথবা বাঁশ খাঁড়া করে দিয়ে গর্তের মুখ পুরোপুরি বন্ধ করে দিবে। সবশেষে কবর থেকে বের হওয়া সবগুলো মাটি ঢেলে কবর পূর্ণ করে দিবে। আর ‘শাক্ব’ বা সিন্দুকী কবর হলো, স্বাভাবিক নিয়মে চার কোণা করে পুরো কবর খনন করবে। এরপর নিচের দিকে গিয়ে কবরের মাঝ বরাবর লম্বালম্বি করে লাশ শোয়ানোর মতো ছোট একটি গর্ত খনন করবে। তারপর সেই গর্তে লাশ রাখার পর উপরে কাঁচা ইট বা বাঁশ বিছিয়ে দিয়ে গর্তের মুখ পুরোপুরি বন্ধ করে দিবে। এতে কবরটি ছাদ বিশিষ্ট সিন্দুকের মতো দেখা যাবে। এরপর কবরে মাটি ঢেলে দাফনকাজ পূর্ণ করবে। যেসব জায়গার মাটি শক্ত ও মজবুত সেসব জায়গায় বগলী কবর খনন করা সুন্নত। আর যেসব জায়গার মাটি নরম, বগলী কবর করলে মাটি ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেসব জায়গায় সিন্দুকী কবর করবে। আমির ইবনে সা’দ ইবনে আবূ ওয়াক্কাস রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন- أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ فِي مَرَضِهِ الَّذِي هَلَكَ فِيهِ: الْحَدُوا لِي لَحْدًا وَانْصِبُوا عَلَىَّ اللَّبِنَ نَصْبًا كَمَا صُنِعَ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ সা’দ ইবনে আবূ ওয়াক্কাস রা. তাঁর মৃত্যু-পীড়ায় আক্রান্ত অবস্থায় বললেন, আমার জন্য তোমরা লাহদ (বগলী) কবর তৈরী করবে এবং (কবরে শোয়ানোর পর) আমার উপরে কাঁচা ইট খাঁড়া করে দিবে যেভাবে করা হয়েছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দাফনের ক্ষেত্রে। -সহীহ মুসলিম, হাদীস: ৯৬৬ আর কবরের গভীরতা সর্বনিম্ন নাভি পর্যন্ত থেকে সর্বোচ্চ একজন মধ্যম গড়নের ব্যক্তি দু’হাত উপরে তুলে দাঁড়ালে যতটুকু লম্বা হয় ততটুকুর মধ্যে রাখবে। তবে উল্লেখিত পরিমাণের মধ্যে যে এলাকায় যেটা প্রচলিত আছে সে এলাকায় সে পরিমাণই গভীর করা উচিত। আর কবরের দৈর্ঘ্য হবে মৃতের দৈর্ঘ্য সমান এবং প্রস্থ হবে দৈর্ঘ্যের অর্ধেক বা তারচেয়ে কিছুটা কম। -মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ১১৭৮৩, ১১৭৮৪, ১২১৭৭ হালবাতুল মুজাল্লী ২/৬২২; আলবাহরুর রায়েক ২/১৯৩; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৬৬; রদ্দুল মুহতার ২/২৩৪; ফাতাওয়া রহীমিয়া ৭/৬৬ উল্লেখ্য যে, মৃত ব্যক্তিকে ডান কাত করে সীনা ও চেহারা কেবলামুখী করে শোয়ানো সুন্নত। চিৎ করে শুইয়ে শুধু চেহারা ডান দিকে ঘুরিয়ে দেয়ার দ্বারা সুন্নত আদায় হবে না। তাই পূর্ণ ডান কাতে শোয়ানোর জন্য কবরের পূর্ব দেয়ালে টেক লাগিয়ে শোয়াবে কিংবা এমনভাবে কবর খনন করবে যেন লাশ কবরে রাখলে তা সহজেই কিবলামুখী হয়ে যায়। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৮৬৭; আলমুহীতুল বুরহানী ৩/৯০; বাদায়েউস সানায়ে ২/৬৩; শরহুল মুনইয়া, পৃ. ৫৯৭; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২২৬ #সংগৃহিত

১০টি জরুরি ওষুধ, যা অবশ্যই সবসময় আপনার বাসায় রাখবেন(টাইমলাইনে রেখে দিন) ১.টাইমনিয়াম মিথাইলসালফেট (Tiemonium Methylsulfate) ২.সিলভার সালফাডায়াযিন অয়ন্টমেন্ট (Silver sulfadiazine ointment) ৩. ট্রামাডল (Tramadol) ৪. এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল (Esomeprazole/omeprazole) ৫. এন্টাসিড(Antacid) ৬. ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Saline) ৭. ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটাডিন (Fexofenadine/ Rupatadine) ৮. প্যারাসিটামল (Paracetamol) ৯. পোভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment) ১০. ডমপেরিডিন(Domperidone) কতটুকু কাজে লাগাবেন? ★★ টাইমোনিয়াম সালফেট (Tiemonium sulphate) যেকোন প্রকার পেটে ব্যাথার ক্ষেত্রে বিশেষ করে পিরিয়ডের প্রথম কয়েক দিনের ব্যথায় ব্যবহার করা যায়। এটা খেয়েও ভালো না হলে দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন। ★★ সিলভার সালফাডিয়াযিন (Silver sulfadiazine cream) হালকা পুড়ে গেলে প্রথমে পোড়া জায়গাটি কলের পানির নিচে ধরুন ১৫-২০ মিনিট। পানি শুকিয়ে গেলে যত্ন সহকারে পোড়া জায়গায় সিলভার সালফাডিয়াযিন অয়েন্টমেন্ট দিন। ★★ ট্রামাডল (Tramadol) মাঝারি ব্যথায় ভরা পেটে এটি খেতে পারেন। তারপরও ব্যথা না কমলে ডাক্তার দেখান। ★★ এসোমিপ্রাজল/ওমিপ্রাজল (Esomeprazole/Omeprazole) অধিকাংশ মানুষই কোন না কোন সময় বুক জ্বলা বা গ্যাসের সমস্যায় ভুগতে হয়; বিশেষ করে ভরপেট খাওয়ার পর। এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল পাকস্থলীতে অ্যাসিড গঠন কমিয়ে বুক জ্বলা কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় গ্যাসের জন্য অনেকটা হার্ট অ্যাটাকের মত বুকে ব্যাথা হয়, এজন্য ৩০ মিনিটের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যোগাযোগ করুন। ★★ এন্টাসিড সিরাপঃ বুক জ্বলা এবং গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য ২ চামচ করে এন্টাসিড সিরাপ খেতে পারেন। ★★ ওরস্যালাইন(Oral Rehydration Saline) ডায়রিয়ার সময় খুব সহজেই শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যায়। প্রত্যেকবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর স্যালাইন খাওয়া উচিত। ★★ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটিডিন (Fexofenadine/Rupatadine) এই অ্যান্টিহিস্টামিনগুলো তুলনামুলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ। যাদের অ্যালার্জি আছ তারা দিনে একবার ফেক্সোফেনাডিন বা রুপাটিডিন নিলে হাঁচি ও নাক থেকে পানি পড়ার উপশম হবে। চুলকানির অনুভুতি কমবে। ★★ প্যারাসিটামল (Paracetamol) জ্বরের জন্য প্রথমে একটি প্যারাসিটামল খেতে পারেন। জ্বর বাড়লে (<১০২F) বা ৩ দিনের বেশি জ্বর থাকলে ডাক্তার দেখান। ★★পভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment) কাটা-ছেড়ার জায়গায় পভিডন-আয়োডিন অয়েন্টমেন্ট দিতে পারেন। ★★ ডমপেরিডনঃ(Domperidone): পেটে গ্যাস হলে বা বমি কিংবা বমির ভাব হলে এই ওষুধটি প্রাথমিকভাবে খেতে পারেন। বি. দ্র. প্রতিটি ওষুধ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। আজকের যা বলেছি সেগুলো শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে যাতে ব্যবহার করতে পারেন সেজন্য বলেছি কিন্তু এগুলো জরুরি প্রয়োজনে সেবন করেও যদি সমস্যা না কমে তাহলে দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন। ডা.মাহামুদুল ইসলাম চৌধুরী এমবিবিএস,বিসিএস স্বাস্থ্য আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক আই ডিঃ https://www.facebook.com/mahamudulislamchowdhury.mamun

#গুরুত্বপূর্ণ_নোটিশ... আপনি যেখানে হোঁচট খেয়ে শেষ মনে করতেছেন বাউবি আপনাকে সেখান থেকে নিয়ে যাবে আপনার ধারপান্তে... আপনি যদি
#গুরুত্বপূর্ণ_নোটিশ... আপনি যেখানে হোঁচট খেয়ে শেষ মনে করতেছেন বাউবি আপনাকে সেখান থেকে নিয়ে যাবে আপনার ধারপান্তে... আপনি যদি ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম শ্রেণীর পর আর পড়াশোনা না করে থাকেন, কিন্তু এখন নতুন করে আবারও পড়াশোনা শুরু করতে চান তাহলে বাউবির এসএসসি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন। #যাহা_প্রয়োজন শুধু ভোটার কার্ড এবং জম্ন নিবন্ধন যে কোনো একটা থাকলেই হবে। নূন্যতম বয়স ১৪ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ বছর পর্যন্ত ও পড়াশোনা করতে পারবেন। শুধুমাত্র আপনাকে সাধারণ জ্ঞান ভিত্তিক একটা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। অনেকেই হয়তো অনেক যায়গায় চাকরি করেন কিন্তুু এসএসসি সার্টিফিকেট না থাকার কারণে পদোন্নতি পাচ্ছেন না তাদের জন্য এটা খুব বড় একটা সুযোগ করে দিলো বাউবি। ধন্যবাদ প্রিয় বাউবি কর্তপক্ষ ❤️

আপনি কি শারীরিক শক্তির জন্য বাজার থেকে এনার্জি ড্রিংক কিনে খাচ্ছেন? আপনি হয়তো জানেন না এলকোহলের সাথে আরো কি কি ক্ষতিকর উপাদান আপনার শরীরে যাচ্ছে। তবে এখন আর শক্তির জন্য কথিত এনার্জি ড্রিংক নয়, নিজেই তৈরী করুন শক্তিবর্ধক সুন্নতী শরবত নাবীয (نَبِيْذٌ)। আপনি হয়তো জেনে খুশি হবেন, আজকে নাবীয তৈরির যে রেসিপিটা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো সেটা আমাদের প্রিয় নবীজি উনার অত্যন্ত পছন্দের একটি পানীয় এবং তিনি নিয়মিত পান করতেন। তাহলে চলুন যেনে নেই কিভাবে আপনার ঘরে তৈরী করবেন সুন্নতী পানীয় নাবীয? উপকরন: খেজুর ও পানি প্রস্তুত প্রণালী: (যদি সকালে পান করতে চান তাহলে রাতে ঘুমানোর আগে এটি করুন) ৫-৬টি খেজুর নিন, বিচি ফেলে ১ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন এবং গ্লাসটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন। সকালে পানি থেকে খেজুর আলাদা করুন অথবা সরাসরি পান করুন। খেজুরের এই পানি-ই হচ্ছে শক্তিবর্ধক পানীয় নাবীয। এবার আসুন জেনে নেই নাবীয সম্পর্কিত পবিত্র হাদীছ শরীফ। নাবীয বিষয়ে অনেক হাদীছ শরীফ পাওয়া যায়। একটি উল্লেখ করছি- উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য সকালে নাবীয তৈরি করতেন। যখন রাত হতো তিনি তা পান করতেন। অতঃপর তিনি রাতে (পূনরায়) নাবীয তৈরি করতেন। যখন সকাল হতো তিনি তা পান করতেন। ‘উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, আমি সকাল-সন্ধ্যায় নাবীয পাত্র ধুয়ে নিতাম। হযরত মুকাতিল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমার পিতা উনার খিদমতে প্রশ্ন রাখেন, দৈনিক দুইবার? তিনি জওওয়াব মুবারক দিয়ে বলেন, হ্যাঁ, দুইবার।” (আবূ দাঊদ শরীফ) তাহলে আজই তৈরি করে ফেলুন সুন্নতী নাবীয। পান করে কমেন্টে জানান কেমন লাগলো। ভালো লাগলে অবশ্যই পোষ্টটি শেয়ার করে দিন। সকলের সুস্বাস্থ্য কামনায় করছি।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন কোর্স করতে সর্বমোট কত টাকা খরচ হয়? SSC: 10,500/- HSC: 11,000/- BA/BSS (Degree): 20,000/- BA/BSS (Hons)- 46,000/- BBA (Bangla)- 40,000/- BBA (English)- 45,000/-

📌গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহৃত কিছু আরবী শব্দ ও অর্থ: ১.জাযাকাল্লাহু খায়রান :অর্থ -"আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।" (ছেলেদের ক্ষেত্রে জাযাকাল্লাহ আর মেয়েদের ক্ষেত্রে জাযাকিল্লাহ) এর উত্তরে বলতে পারেন- ২.বারাকাল্লাহ: অর্থ -"আল্লাহ আপনাকে বরকত দান করুক।" অথবা "ওয়া ইয়্যাকি" অর্থ আপনিওও (ছেলে হলে ওয়া ইয়াক আর মেয়ে হলে ওয়া ইয়্যাকি) এর উত্তরে বলতে পারেন. ৩.আমীন: অর্থ -''কবুল করুন। ৪.শুকরান: অর্থ - ধন্যবাদ। ৫.আফওয়ান :অর্থ-" ক্ষমা করবেন। ৬.আহলান ওয়া সাহলান: অর্থ -''স্বাগতম। '' একে আমরা ইংরেজিতে 'Welcome' অর্থে ব্যবহার করি।✨

"আল্লাহর কসম করে বলছি আমি যদি ১০০ টা কাজের মধ্যে ৯৯ টা সঠিক ও একটা ভুল করি মানুষ শুধুমাত্র সেই ভুলটা নিয়েই কথা বলবে।" . - আল শা’বিঈ (রহ:) [মৃত্যু: ১০৩ হিজরী] তাই রবের পথে অবিচল থাকতে হবে, আল্লাহ আমাদের হাজারটা গুনাহ ক্ষমা করে দেন একটা পূর্ণের জন্য। আল্লাহুম্মাগফিরলী

স্ত্রীর সাথে পর্যাপ্ত সময় কাটান, এতে আপনার শারীরিক মানসিক চাহিদাগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকবে। আর আপনার শারীরিক মানসিক চাহিদাগুলো যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাহলে আপনার মাথায় কখনো অন্য নারীর প্রতি আকর্ষণ, অশ্লীল কোনো চিন্তা আসবে না ইনশাআল্লাহ। . আপনি যেমন আপনার স্ত্রীর প্রতি তৃপ্ত থাকবেন, তেমনি, আপনার স্ত্রীও প্রানবন্ত থাকবেন ইনশাআল্লাহ। এতে করে অশ্লীলতা থেকে বেঁচে যাবেন, যিনা করার চিন্তা মাথায় আসবে না এবং নজরের হিফাযতও হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। . রাসূলে কারীম ﷺ বলেছেন, তোমাদের দৃষ্টিকে নীচু কর, নিয়ন্ত্রিত কর এবং তোমাদের লজ্জাস্থানের সংরক্ষণ করো। (মু‘জামুল কাবীর:৮০১৮) যে নিজের লজ্জাস্থানের হিফাযত করবে, সংযত করবে; রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। (বুখারী:৬৪৭৪) একদা নবী করীম ﷺ অপরিচিতা স্ত্রীলোককে দেখতে পান। অতঃপর তিনি (তাঁর স্ত্রী) যায়নাব বিনত জাহশের নিকট গমণ করেন এবং তাঁর দ্বারা নিজের কামনা পূর্ণ করেন। অতঃপর তিনি তাঁর সাহাবীদের নিকট গমন করে তাদেরকে বলেন, নিশ্চই মহিলারা শয়তানের ন্যায়, পুরুষের মনের মধ্যে ওয়াস্ওয়াসার (ধোঁকার) সৃষ্টি করে। আর যে ব্যক্তি এই অবস্থায় পতিত হবে, সে যেন তার স্ত্রীর নিকট গমণ করে এবং (তার সাথে সহবাসের দ্বারা) তার অন্তরের সৃষ্ট দুর্বলতা যেন দূরীভূত করে। (সূনান আবু দাউদ:২১৪৮) রাসূলুল্লাহ ﷺ আরো বলেছেন, হে যুবক সম্প্রদায়! তোমাদের মধ্যে যে বিবাহের সামর্থ্য রাখে সে যেন অবশ্যই বিবাহ করে। কেননা বিবাহ দৃষ্টি অবনত করে ও লজ্জাস্থানের অধিক অধিক হিফাযাত করে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন সওম (রোযা) রাখে। কেননা, সওম তার জন্য ঢালস্বরূপ (অর্থাৎ- অবৈধ যৌনচাহিদা থেকে বিরত রাখে)। (মিশকাত:৩০৮০) . মহান আল্লাহ আমাদের অশ্লীলতা, যিনা থেকে রক্ষা করুন; আমাদের পরকালমুখী জীবনযাপনের তাওফিক দিন।