ch
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

前往频道在 Telegram

🙂🙂🙂

显示更多
1 995
订阅者
-124 小时
+17
+530
帖子存档
৯৩৪. তুমি কি চাও তোমার সন্তানেরা সবাই তোমাকে সমভাবে সম্মান করুক? যদি চাও, তবে তাদের কারো প্রতি অবিচার কোরো না। যে-কোনো উপহার সামগ্রী তাদের সমভাবে দান করো। উপহারের ক্ষেত্রে কারো প্রতি পক্ষপাতিত্ব কোরো না। -নোমান ইবনে বশীর (রা); বোখারী, মুসলিম https://hadith.qm.org.bd

বিষন্নতায় নিম্নের খাবারগুলো উপকারী ওমেগা ৩ - মাছ ( স্যামন, sardin, ইলিশ,পাঙ্গাস ইত্যাদি ) চিয়া সিড, ফ্লেক্স সিড ওয়াল নাট ফর্টিফাইড খাবার ইত্যাদি আয়রন - সবুজ শাক সবজি (পালং শাক, কচু শাক,ব্রকলি,লাল শাক, শিমের বিচি), বাদাম ও বীজ (কুমড়ো ও সূর্যমুখীর বীজ, বাদাম ), ফল (ডালিম, আপেল,কলা), ডার্ক চকলেট, গরুর মাংস ইত্যাদি ভিটামিন সি - টক ফল (সাইট্রাস ফল ), সবুজ শাক সবজি(cruciferous vegetable যেমন বাঁধাকপি, ব্রকলি ইত্যাদি ), টমেটো ইত্যাদি ফলেট - লেগিউমস (মশুর ডাল, মটরশুটি, রাজমা,বিনস, ইত্যাদি ) সবুজ শাক সবজি (পালঙ শাক, ব্রকলি, বাঁধাকপি, এভোকাডো, ব্রাসেল স্প্রাউট, বিট ইত্যাদি), ফল (টক ফল, পেঁপে, কলা ইত্যাদি ),বাদাম ও বীজ (ওয়াল নাট, ফ্লেক্স সিড ), গরুর মাংস ইত্যাদি মশলা - হলুদ, স্যাফ্রন, অরিগানো @Dr. Munmun Jahan

সমস্যা - পড়া হচ্ছে না, লাইফ গোল ঠিক নাই.. (পুরো টা পড়বা মনযোগ দিয়ে) 👉 সমাধান - তুমি নিজেই সমাধান, নিজেকে প্রশ্ন করো কি কি কারনে তোমার পড়া হচ্ছে না.. তুমি আসলেই কিছু করতে বা হইতে চাও কিনা.. 👉 ভাইয়া উত্তর পেয়েছি - ১/ ভাইয়া আমি চাই চান্স পেতে বা ভালো কিছু করতে চাই .. কিন্তু কিভাবে করবো জানি নাই.. হয়ত আমি গাইডলাইন পাচ্ছি না সঠিক.. ২/ আমি আমার ফিউচার নিয়ে ভাবতেছি না.. যা হয় হবে.. পড়াশোনা আমার ভালো লাগে না.. ২ নাম্বার লোকজনরা নিজের চরকায় নিজে তেল দাও.. যেদিন জ্ঞান আসবে সেদিন নতুন করে ভাইবো.. না হলে চুজ ইউর ওউন ক্যারিয়ার 👉 ১ নাম্বারের পাব্লিক - প্রথমে রুটিন করা দরকার, তো কাকে ফলো করে এটা করবো?? যে এবার আর আগে মেডিকেলে বা ডেন্টালে খুব ভালো করেছে তাকে?? 👉 উত্তর - কখনোই না.. তার খাওয়ার সময়ে তুমি খাবে না, তার পড়ার সময় তোমার পড়তে ভালো লাগবে না.. তাকে আল্লাহ যতখানি ব্রেইন দিয়েছে তোমাকে ততখানি হয়ত নাও দিতে পারে বা তোমার তার চেয়েও বেশি কিছু থাকতে পারে.. তাই আগেই নির্দিষ্ট কাউকে ফলো করা বাদ দাও.. সো এই অপশন আগেই বাদ.. তুমি নিজেই নিজের অপনেন্ট.. বই ভাগ করো, ঘন্টার রুটিন বাদ, এ কাজে আসে না.. অধ্যায় রুটিন সেট করো, যে এই অধ্যায় আমি ২ দিনের মধ্যে শেষ করবো.. পরের দিন নিজের ওই দুইদিন সময়কে ওভারকাম করবে... এটাই প্রতিযোগিতা.. এটাই সঠিক গাইডলাইন.. কাজে লাগাও, কাজে লাগবে.. না হলে সারাদিন ওই ভাং সাং সফলতার গল্প শুনতে শুনতে আর কমেন্ট করতে করতেই দিন যাবে.. 🙂👍

❝যে ব্যক্তি বিছানায় এই নিয়তে আসলো যে রাতে উঠে সালাত আদায় করবে (তাহাজ্জুদ আদায় করবে), এরপর তার চোখে ঘুম এত প্রবল হয়ে যায় যে সে সকালে উপনীত হয় (রাতে উঠতে সক্ষম হয়নি), সে যা নিয়ত করেছিল (অর্থাৎ তাহাজ্জুদের) সে মোতাবেক তার আমলনামায় সাওয়াব লেখা হবে। আর তার এই ঘুম ছিল তার জন্য তার রবের (আযযা ওয়া জাল) পক্ষ থেকে সাদাকাহ❞[১] . مَن أتى فِراشَهُ وهُوَ يَنْوِي أنْ يَقُومَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ فَغَلَبَتْهُ عَيْناهُ حَتّى أصْبَحَ كُتِبَ لَهُ ما نَوى وكانَ نَوْمُهُ صَدَقَةً عَلَيْهِ مِن رَبِّهِ ﷿ . ~ রাসূলুল্লাহ ﷺ . ইমাম সিন্ধীর [রাহ.] মতে এই হাদিসের বক্তব্য, যে নিয়মিত তাহাজ্জুদ আদায়ে অভ্যস্ত আর যে অভ্যস্ত নয়, উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য [২] . কাজেই আমাদের কর্তব্য হল, প্রতিদিন আমরা দৃঢ় নিয়ত করে ঘুমাবো যে, রাতে উঠে ইন শা আল্লাহ তাহাজ্জুদ আদায় করব। যদি নাও করতে পারি সাওয়াব তো পাব ইন শা আল্লাহ। . . [১) ইমাম নাসাঈ (রাহ.), আস সুনান, হা:১৭৮৭; শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহিহ ২) শাইখ মুহাম্মাদ বিন আলী আল ইসিওবী (রাহ.), যাখিরাতুল উক্ববা ফি শারহিল মুজতাবা: ১৮/১৭১]

মাত্র ১৫ মিনিটের ইনভেস্টমেন্ট আপনার ২৩ মিনিট বাচাবে। হঠাত মোবাইলের নোটিফিকেশন।পানি পিপাসা। শেষ৷ ২৩ মিনিট পর্যন্ত এই ডিস্ট্রাক্সন এর জন্য পড়াশোনা হবেই না। এই ডিস্ট্রাকশন থেকে বাচার জন্য জোস ট্রিক্স আছে। এতে হয়তো আপনার ১৫ মিনিট ইনভেস্ট করা হবে। কিন্তু লাভ কয়েক ঘন্টা মনোযোগ। - ফোন DND (DO NOT DISTURB) মোড করে ঘড়ের কোণায় উলটা করে রাখবেন। - টেবিল, রুম গুছাবেন। - খাতা কলম ক্যালকুলেটর যা লাগে সব সাথে রাখবেন - পানি রাখবেন এক বোতল হাইড্রেটেড থাকতে। - মাইক্রো লিস্ট করে ফেলবেন সব কিছু। ধরেন গরুর রচনা পড়বেন। গরুর ছোট ছোট লিস্ট করবেন। গরুর পা, লেজ ইত্যাদি আলাদা করবেন। সব কিছু এভাবে মাইক্রো লিস্ট করলে সহজ হয়ে যায়। EDIT: এটা যেকোনো কাজ করতে ইউজ করবেন। শুধু পড়াশোনাই না। গ্রুপের সবাই পড়াশোনা করেনা। ধন্যবাদ।

ঘূর্ণিঝড় আঘাতের পূর্বমুহুর্তে করণীয়: ⭕️ একটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত করতে যাচ্ছে- প্রস্তুতি নিন। ⭕️ ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী, যেমন- মাস্ক, হাত ধোয়ার সাবান, খাবার স্যলাইন, পানি বিশুদ্ধকরন ট্যাবলেট, ডিগনিটি কিট ও প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহে রাখুন। ⭕️ ব্যাটারিচালিত রেডিও, টর্চলাইট ও মোবাইল ফোন প্রস্তুত রাখুন। ⭕️ চার্জ দেওয়া যায় এমন সব জিনিসগুলোতে পর্যাপ্ত চার্জ দিয়ে রাখুন। ⭕️ ঘর-বাড়ির পাশে যে সব গাছপালা বাতাসের ধাক্কায় ঘরের উপর পড়তে পারে, সে সব গাছের বিপজ্জনক ডালপালা কেটে দিন। ⭕️ খাবার পানি, শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রাখুন। ⭕️ নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্র, দলিল, ভিজিডি/ভিজিএফ কার্ড, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ পলিথিনে বেঁধে নিজেদের সাথে রাখুন। ⭕️ আপনার বাড়ির বা এলাকার কোন টিউবওয়েলে লবনাক্ত পানি ঢুকে যাওয়ার আশংকা থাকলে টিউবওয়েলের মাথা খুলে পাইপের মুখ পলিথিন দিয়ে শক্ত করে বেঁধে দিন, যাতে পরে সেটি থেকে নিরাপদ পানি পাওয়া যায়। ⭕️ পরিবারে যদি গর্ভবতী নারী , শিশু, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী এবং অসুস্থ ব্যাক্তি থাকে তবে জরুরী পরিস্থিতিতে তাদেরকে সরিয়ে নেয়ার প্রস্তুতি নিন। ⭕️ নারী ও কিশোরীদের প্রতি সকল হয়রানি, সহিংসতা, নির্যাতন ও পাচার প্রতিরোধে সচেতন থাকুন। ⭕️ নির্দেশনা মোতাবেক যথাসময়ে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহণ করুন। ⭕️ প্রয়োজনে ১০৯ ও ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সহযোগিতা নিন।

দুশ্চিন্তা ও পেরেশানিতে পতিত ব্যক্তির দোয়া। দোয়াটি আমরা অবশ্যই মুখস্থ করে নিব। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “কোনও বান্দা যদি কোনও দুশ্চিন্তা বা পেরেশানির মুখোমুখি হয়ে বলে - اَللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ، وَابْنُ عَبْدِكَ، وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِي بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُــــلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجَلَاءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي আল্লা-হুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা ওয়াবনু ‘আবদিকা ওয়াবনু আমাতিকা, না-সিয়াতী বিয়াদিকা, মা-দ্বিন ফিয়্যা 'হুকমুকা, ‘আদলুন ফিয়্যা কাদ্বা-য়ুকা, আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন্ হুয়া লাকা সাম্মাইতা বিহি নাফসাকা, আও আনঝালতাহু ফী কিতা-বিকা আও ‘আল্লামতাহু আহাদাম্-মিন খালক্বিকা আও ইস্তা’সারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ‘ইনদাকা, আন্ তাজ‘আলাল ক্বুরআ-না রবী‘আ ক্বালবী, ওয়া নূরা সাদ্‌রী, ওয়া জালা’আ 'হুঝনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার দাস, তোমার এক দাসের ছেলে এবং তোমার এক দাসীর ছেলে; আমি পুরোপুরি তোমার নিয়ন্ত্রণে; তোমার সিদ্ধান্তই আমার উপর কার্যকর হয়; আমার ব্যাপারে তুমি যে সিদ্ধান্ত দাও, তা ন্যায়সংগত৷ তোমার প্রত্যেকটি নামের ওসীলা দিয়ে তোমার কাছে চাই, যে নামে তুমি নিজেকে নামকরণ করেছ, কিংবা যে নাম তুমি তোমার সৃষ্টির কাউকে শিখিয়েছ, অথবা যে নাম তুমি তোমার কিতাবে নাযিল করেছ, অথবা তোমার অদৃশ্য-জ্ঞানে যে নাম তুমি নিজের জন্য গ্রহণ করেছ, তুমি কুরআনকে বানিয়ে দাও আমার অন্তরের বসন্তকাল এবং আমার বক্ষের আলো, আমার দুশ্চিন্তার নির্বাসন এবং আমার পেরেশানি-দূরকারী! আল্লাহ্‌ অবশ্যই তার দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি দূর করে তা আনন্দ দিয়ে বদলে দেবেন।” জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমরা কি তা শিখব না?' নবী (ﷺ) বলেন, “অবশ্যই! যে-ব্যক্তি এটি শুনে, তার উচিত তা মুখস্থ করা।” রেফারেন্স: সহিহ। সিলসিলা সহিহাহঃ ১/৩৩৭ সূত্র: IRD দোয়া ও রুকইয়াহ এপ

ঘূর্ণিঝড় মোখা সংক্রান্ত যেকোন প্রয়োজনে জাতীয় দুর্যোগ কেন্দ্র, ফায়ার সার্ভিসসহ বেশ কয়েকটি সংস্থা জরুরি সেবা নম্বর চালু করেছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় জাতীয় দুর্যোগ কেন্দ্রের হটলাইন নম্বর ৫৫১০১১১৫ এবং ৫৫১০১২১৭। ফায়ার সার্ভিস বা তাদের হটলাইন নম্বর ১৬১৬৩। দুর্যোগের আগাম বার্তা জানতে টোল ফ্রি নম্বর চালু রয়েছে ১০৯০। কক্সবাজারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের হটলাইন নম্বর ০১৮৭২৬১৫১৩২। চট্টগ্রামবাসীরা ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য ও সেবা পাবেন ০২৩৩৩৩৬৩০৭৩৯ এই হটলাইন নম্বরে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি ভবনে কন্ট্রোল রুম খুলেছে। কন্ট্রোল রুমের নাম্বার হচ্ছে : ০১৩১৮২৩৪৫৬০ এবং ০১৭৭৫৪৮০০৭৫।

ইসতিখারার জন্য ঘুমানো শর্ত নয়। ইসতিখারার জন্য স্বপ্নে দেখা আবশ্যক কোনো বিষয় নয়। এমনকি ইসতিখারার জন্য নামাজও (সালাতুল ইসতিখারা) বাধ্যতামূলক নয়; তবে নামাজ পড়তে পারলে ভালো। ইসতিখারার মূল বিষয় হলো, আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া। সিদ্ধান্তকৃত বিষয় কল্যাণকর হলে আল্লাহ যেন তা সহজ করেন ও বরকত দেন আর অকল্যাণকর হলে তা থেকে সরিয়ে নেন। সিদ্ধান্ত নেবে ভাবনাচিন্তা করে বা সম্ভব হলে পরামর্শ করে। পরামর্শ করা স্বতন্ত্র সুন্নাহ। এরপর সেই সিদ্ধান্ত সঠিক আছে কি না, তা যাচাই করার জন্য আলিমুল গাইবের উদ্দেশে ইসতিখারা করবে। সংক্ষিপ্ত দুয়া দিয়ে হোক, সালাত আদায় করে নির্দিষ্ট বাক্য পাঠ করে হোক অথবা হোক আসমায়ে হুসনার জিকির করে; যেকোনোভাবে আল্লাহর হাওয়ালা করা হবে বিষয়টা। এরপর দিলের ঝোঁক যে দিকে অনুভব করবে, তা চালিয়ে যাবে। একান্ত তাতে সমস্যা থাকলে আল্লাহই তা থেকে সরিয়ে নেবেন। এটাই ইসতিখারা। বিষয়টা সিম্পল। তবে অযথাই অধিক জটিল মনে করে আমরা এ থেকে দূরে থাকি। অথচ বলা হয়ে থাকে, 'যে ইসতিখারা করে, সে ব্যর্থ হয় না আর যে পরামর্শ করে, সে লজ্জিত হয় না।' • ✒️ মুফতি আলী হাসান ওসামা...

কোনো কাজের শেষে পুরস্কার বা পরিণতি থাকলে আমরা সেই কাজটাকে গুরুত্ব দিই। বাচ্চাদের বলতে পারেন যে পুরোনো গেমগুলি বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যাবে তার পুরোটাই তাদের। . ৩. কে কোন কাজ করবে তা ঠিক করতে লটারি করতে পারেন পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে বাচ্চাদের ডিক্লাটারিংয়ে আগ্রহী করতে পুরো প্রক্রিয়াটাকে একটা খেলার মতো করতে পারেন। সবগুলি কাজের নাম আলাদা কাগজে লিখে একটি পাত্রে নিন। তারপর একেকজন একেকটা কাগজ তুলুন। যার কাগজে যে কাজের নাম থাকবে, সে সেটা করবে। . এভাবে সবাই মিলে কাজ করলে অনেক বড় ডিক্লাটারিংয়ের কাজও সহজ হয়ে যাবে। #ডিক্লাটারিং #বাসা #টিপস

ডিক্লাটার করার কাজকে সহজ করতে যে ছোট কাজগুলি করতে পারেন সাহায্য না চাইলে সাধারণত অন্য কেউ নিজ থেকে এসে আপনার বাসার অতিরিক্ত জিনিসপত্র ফেলে দেয়া বা কাউকে দিয়ে দেয়ার দায়িত্ব নেবে না। এই কাজটা আপনাকেই করতে হবে। বাসা গোছানো দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার হতে পারে। তাই এটিকে যে কোনোভাবে শুরু না করে আগে একটি পরিকল্পনা বানিয়ে নিন। যেভাবে কাজটি করবেন: # শিডিউল তৈরি করুন একদিনে সবকিছু না করে, বাসার অতিরিক্ত ও অগোছালো জিনিসপত্র পর পর তিন দিন ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট সময় নিয়ে গোছান। অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলি ফেলে দিন বা কাউকে দিয়ে দিন। অনেকে বৃহস্পতি-শুক্র-শনিবার এসব কাজ করেন, আপনিও নিজের সুবিধা মতো এমন তিন দিন বের করুন। সপ্তাহের যেকোনো তিন দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা রাতে খাওয়ার পর ডিক্লাটারিং এর কাজ করুন। . # অন্যের সাহায্য নিন দরকার হলে অবশ্যই অন্য কারো সাহায্য নিন। পরিবারের সদস্যদের সাহায্য নিতে পারেন, বন্ধুদের সাহায্য নিতে পারেন। পরিবারের সবাইকে একসাথে কাজ করতেও অনুপ্রাণিত করতে পারেন। . # নিজের পরিকল্পনার কথা প্রচার করুন পরিবারের সদস্য, রুমমেট কিংবা প্রতিবেশীদের আগে থেকেই আপনার পরিকল্পনা জানান। ডিক্লাটারের কাজে কোন সময়টা ব্যস্ত থাকবেন তা তাদের জানিয়ে দিন, যাতে তারা আপনার কাজে ব্যাঘাত না ঘটায়। আর তারা যদি আপনাকে সাহায্য করে, তাহলে এই সময়ের মধ্যে তাদের নিজস্ব কিছু কাজ এগিয়ে রাখতে বলুন। . # প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে আসুন ডিক্লাটারের জন্য এই জিনিসগুলি হাতের কাছে রাখুন: মার্কার, ইনডেক্স কার্ড, স্টিকি নোট ও স্বচ্ছ বা ট্রান্সপারেন্ট টেপ (যাতে সহজে লেবেল বানানো যায়)। কার্ডবোর্ডের বক্স ও প্লাস্টিক ব্যাগ (যেসব জিনিসপত্র কাউকে দিয়ে দেবেন সেগুলি আলাদা ভাবে গুছিয়ে রাখার জন্য)। যেসব জিনিস ফেলে দিতে চান সেগুলির জন্য আলাদা পলিথিন বা ব্যাগ ও কাঁচি বা অ্যান্টিকাটার। . # উপযুক্ত পোশাক পরুন ডিক্লাটারিংয়ের সময় আরামদায়ক ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন এমন জামাকাপড় পরুন। তাতে ডিক্লাটার করার সময় অন্য জামাকাপড় ট্রায়াল দিয়ে দেখা সুবিধার হবে। . # উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করুন পছন্দের পডকাস্ট বা গান ছেড়ে কাজ করুন। পছন্দের পানীয় বা জলখাবার রাখতে পারেন হাতের কাছে। . # ঘড়ি ধরে কাজ করুন মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে একটি টাইমার সেট করুন। এই সময়ের মধ্যে যতটা সম্ভব কাজ শেষ করার চেষ্টা করুন। তারপর ৫ মিনিট বিরতি নিন। আরো কাজ বাকি থাকলে, আরেক বার সময় সেট করে কাজ শেষ করুন। আর যদি ক্লান্ত লাগে, তাহলে পরের দিন আবার একই জায়গা থেকে কাজ করুন। . # একবারে সিদ্ধান্ত নিন ডিক্লাটারিংয়ের প্রধান বিষয় হচ্ছে, আপনি একটা জিনিস রাখবেন নাকি ফেলে বা কাউকে দিয়ে দেবেন সেই সিদ্ধান্ত নেয়া। একটা জিনিস হাতে নিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করুন, “আমার কি এটা রাখা উচিত?” এতে করে উত্তর পেয়ে যাবেন। আপনার যদি তৎক্ষণাৎ মনে হয় কোনো কিছু রাখা বা ফেলা দরকার, তাহলে নিজের মনের কথা শুনুন। . # চারটি চূড়ান্ত অপশন মাথায় রাখুন ডিক্লাটারিংয়ের সময় যে জিনিসগুলি রেখে দিচ্ছেন না সেগুলির কী হবে তা নিয়ে শুরুতেই দুশ্চিন্তা করবেন না। সেগুলি পরে বিক্রি করতে পারেন, কাউকে দিয়ে দিতে পারেন, দান করতে পারেন কিংবা রিসাইকেল করতে পারেন। . #গুণগত মান ও কার্যকারিতার দিকে মনোযোগ দিন ডিক্লাটারিংয়ের সময় নিজেকে ঠিক প্রশ্নগুলি জিজ্ঞেস করতে পারলে কোন জিনিসগুলি রাখবেন আর কোনগুলি রাখবেন না সেই সিদ্ধান্ত দ্রুত ও আত্মবিশ্বাসের সাথে নিতে পারবেন। ভালো ও কার্যকর জিনিসগুলি রাখুন ও বাকিগুলি বাদ দিন। . # আবেগের বাইরে দেখার চেষ্টা করুন যেসব জিনিসের সাথে আপনার আবেগের সম্পর্ক আছে (কালেকশন, হাতে বানানো জিনিস, বই ইত্যাদি), সেগুলি ডিক্লাটার করতে নিরপেক্ষ কারো সাহায্য নিন। নিরপেক্ষ ব্যক্তি একটা একটা করে জিনিস তুলে ধরে জিজ্ঞেস করবে আপনি তা রাখতে চান কিনা। ছোটবেলার পছন্দের খেলনা কিংবা দশ বছর আগে পড়া একটা উপন্যাস নিজের হাতে ধরে না দেখলে আপনার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ হবে। . # কাজ করতে থাকুন ডিক্লাটারিংয়ের সময় এমন অনেক জিনিস পাবেন যেটা আপনি রাখবেন নাকি বাদ দিবেন সেই সিদ্ধান্ত দ্রুত নিতে পারবেন না। এমন জিনিসগুলি একপাশে রেখে দিয়ে কাজ করতে থাকুন। প্রতি সেশনের শেষ ৫-১০ মিনিট এই জিনিসগুলি নিয়ে কী করা যায় তা ভাবুন। . # প্রতি সেশনের শেষে নিজের জন্য ভাল কিছু রাখুন প্রতিটি সেশনের শেষে ইতিবাচক কিছু করুন। সেটা হতে পারে পছন্দের চকলেট খাওয়া, এক গ্লাস বরফ পানি খাওয়া ইত্যাদি যেকোনো কিছু। . # টিমওয়ার্কের কৌশল ডিক্লাটারিংয়ের শুরু থেকেই পরিবারের সদস্যদের নিজের কাজটুকু করার জন্য অনুপ্রেরণা যোগান। ১. নির্দিষ্ট করে সব তথ্য দিন ঠিক কোন ক্ষেত্রে আপনার সাহায্য দরকার তা বলে দিন, একটি ডেডলাইন ঠিক করুন। যেমন, বাচ্চাদের বলতে পারেন, “শনিবারের মধ্যে তোমার সব ভিডিও গেম দুই ভাগে ভাগ করবে: যেগুলি তুমি খেলো ও যেগুলি খেলো না।” . ২. ডেডলাইনের কথা বার বার মনে করিয়ে দিন

জোরে বাতাশ (ঝড়) প্রবাহিত হলে রাসূল সা: এই দোয়া পড়তেন; ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা, ওয়া আউযুবিকা মিন শাররিহা’ অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এর কল্যাণটাই কামনা করি। এবং আপনার কাছে এর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। -আবু দাউদ ৪/৩২৬, হাদিস : ৫০৯৯