uz
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Kanalga Telegram’da o‘tish

🙂🙂🙂

Ko'proq ko'rsatish
1 995
Obunachilar
-124 soatlar
+17 kunlar
+530 kunlar
Postlar arxiv
Repost from Reflections
উস্তাযা নায়লার নুযহাত এর লেকচার থেকে নেয়া তারবিয়ার উপর কিছু কথা (নোট নিয়েছেন বোন ইসরাত জেরিন) এই সমস্যাগুলো বার বার সামনে আসে দেখে reminder হিসাবে এই কথা গুলো বলা। তাই সংক্ষেপে আমি বলে যাচ্ছি কয়েকটা point মাথায় রাখবেন বোনেরা । নিজেদের সন্তানদের জন্য এবং যদি নিজেদের সন্তান না থাকে অন্যদেরকে সচেতন করবেন । সেটা হচ্ছে: ১) সন্তানদের দিকে একটু খেয়াল রাখতে হবে। সন্তানেরা কী করে, কী করছে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে । তাদেরকে আমরা entertainment এর নামে হোক অথবা পড়াশুনার নামে হোক internet এ expose করবো না। internet এ কী হয় এটা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু অনেকে হয়তো আছি এরকম যার idea নাই যে internet এ আসলে কী হয়, কিভাবে whatsapp চলে, কিভাবে instagram চলে, কিভাবে browsing হয় --- অনেকেই এগুলো জানি না আমরা । সেক্ষেত্রে সন্তানদেরকে এটাতে exposed করার কোনো মানে নাই। যখন আমি খেয়ালই রাখতে পারবো না, যখন আমি জানি না কী চলছে তখন সন্তানদেরকে এটাতে expose ও আমরা করবো না। এবং "না ওরা শুনে না " এসব বলে লাভ নাই । আপনি চান কি না যে আপনার সন্তান আল্লাহর পথে থাকবে এটা হচ্ছে প্রথম প্রশ্ন যা আপনার নিজের কাছে নিজের করতে হবে। যদি সেটা চান তাহলে যেটা আপনি বোঝেন সেটা তো আপনি বুঝে বুঝে দিবেন সন্তানকে । কিন্তু যেটা আপনি বোঝেন না সেটা আপনি সন্তানকে দিবেনই না। তাই নিজেদেরকে সচেতন হতে হবে যে কী চলছে internet এ, সেখানে কী করতে পারে সন্তানেরা সে বিষয়ে জানতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে: যা আমি control করতে পারি না, যা কিছু আমি খেয়াল রাখতে পারি না, সেটাতে আমি সন্তানকে expose ই করবো না in first place । (চলবে)

বর্তমান জামানার সবচেয়ে বাজে দিক হলো, সকল দিক থেকে আমাদের রুচি শূন্যের কোঠায়।আমাদের মস্তিষ্ক পুরোপুরি বিকৃত। শুধু ভাইরালের নেশ
বর্তমান জামানার সবচেয়ে বাজে দিক হলো, সকল দিক থেকে আমাদের রুচি শূন্যের কোঠায়।আমাদের মস্তিষ্ক পুরোপুরি বিকৃত। শুধু ভাইরালের নেশা ও অশ্লীলতার ছড়াছড়ি। এমন এক সমাজ আর প্রজন্মে বসবাস করছি আমরা যে যত অশ্লীলতাকে বিকৃত ভাবে উপস্থাপন করতে পারে সে ততো ভাইরাল ও আইডল। ইদানিং ফেসবুক ও ইউটিউব খুললেই দেখছি অশ্লীলতাকে এমন ভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে এটা যেন খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। আমরাও তা হাসিমুখে গ্রহন করছি ও শেয়ার করছি। আল্লহ তায়ালা বলেন, اِنَّ الَّذِیۡنَ یُحِبُّوۡنَ اَنۡ تَشِیۡعَ الۡفَاحِشَۃُ فِی الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَهُمۡ عَذَابٌ اَلِیۡمٌ ۙ فِی الدُّنۡیَا وَ الۡاٰخِرَۃِ ؕ وَ اللّٰهُ یَعۡلَمُ وَ اَنۡتُمۡ لَا تَعۡلَمُوۡنَ ﴿۱۹﴾ নিশ্চয় যারা এটা পছন্দ করে যে, মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ুক, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব। আর আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না। আমাদের রুচির চরম পর্যায়ে অবনতি হয়েছে চরম তাই এসব গ্রহণ করছি

বারান্দায় কাপড় রোদ দেয়া আমাদের মা-বোনদের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষত শহুরে ফ্ল্যাটে বারান্দা ছাড়া উপায়ও নেই যেন। তবে এ ক্ষেত্রে অনেকেই মস্তবড় ভুলটি করে বসেন। শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় তারা বারান্দায় কাপড় রোদ দিয়ে রাখেন, এমনকি পরিধেয় বিশেষ পোশাকটিও তারা বারান্দায় উন্মুক্তভাবে রোদে দেন। এতে দুই ধরনের সমস্যা হয় : ১. আশেপাশের ফ্ল্যাট থেকে এসব কাপড়ের দিকে লোলুপ দৃষ্টি দেয়া হয়। এরপর এটা সীমা ছাড়িয়ে ইভটিজিংয়ে পরিণত হয়। ইভটিজিং না হলেও দুশ্চরিত্র ব্যক্তিরা এসব কাপড় দেখেই অনেক মাপঝোপ করে ফেলে। এরপর থেকে অসৎ উদ্দেশ্যে বারবার উঁকিঝুঁকি মারতে থাকে। ২. ওপরের সমস্যাটা যদি মানতে না চান, তাহলে এটা মানতে বাধ্য। আমি অনেক রাকীদের সাথে আলাপ করে জেনেছি, ভরদুপুরে এবং সন্ধ্যার পরে বারান্দায় বা ছাদে কাপড় রেখে দেয়া ব-দ জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ। শয়-তান সুযোগ খুঁজতে থাকে, আর এটা হলো এই খবি-সের জন্য অন্যতম সুযোগ। একটা বিষয় মাথায় রাখা চাই, ব-দ জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হলে যে আপনি সবসময় পাগলামো করবেন তা নয়, বরং এর আরও অনেক আলামত রয়েছে। এই যেমন, দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতায় ভোগা, কোনো রোগ ধরা না পড়া, দিনদিন শুকিয়ে যাওয়া, অরুচি হওয়া, সবসময় মাথা ব্যাথা করা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, সবকিছু অসহ্য হওয়া, মেধা কমে যাওয়া, কাজে মন না বসা (আমরা যেটাকে বলি ওয়ার্কিং ব্লক), আমল কমে যাওয়া, শরীয়তের ব্যাপারে অবহেলা চলে আসা ইত্যাদি, এসব নিয়ে লিখতে গেলেও আলাদা বই হয়ে যাবে। সবচেয়ে ভয়-ঙ্কর কথা হলো, এসব কারণে অনেক মা-বোন দীর্ঘদিন যাবৎ ব-দ জ্বীনে আক্রান্ত হয়ে আছেন, অথচ তারা বুঝতেই পারছেন না। কেউ কেউ দীর্ঘসময় কষ্ট ভোগ করে একপর্যায়ে মারাই যাচ্ছেন। প্রকাশিতব্য পর্দা বিষয়ক বই থেকে... মূল বইতে আরও বিস্তারিত লেখা হয়েছে, এবং এর বিকল্প পদ্ধতিও লেখা হয়েছে। পাশাপাশি জ্বীন শয়-তানের আক্রমন থেকে বাঁচারও কিছু আমল বলে দেয়া হয়েছে।

'সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত তো সে ব্যক্তি, যে মানুষের সামনে নেককার, আমলদার। কিন্তু যিনি তার ঘাড়ের রগের চাইতেও কাছে রয়েছেন, তাঁর সামনে সে বদকার।' . — আবূ সায়িদ বিন আল-আরাবি ©ওহী