uz
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Kanalga Telegram’da o‘tish

🙂🙂🙂

Ko'proq ko'rsatish
1 993
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
-67 kunlar
-930 kunlar
Postlar arxiv
‼️আল-আলীমু (اَلْعَلِیْمُ): সবকিছু জানেন যিনি (সর্বজ্ঞাত)! এই পবিত্র নাম আল-কুরআনে একশত সাতান্ন (১৫৭) বার এসেছে। ফজিলত (মাহাত্ম্য): ❖ যে ব্যক্তি এই নামটির অধিক পরিমাণে জিকির (পাঠ) করবে, আল্লাহ ﷻ তাকে দ্বীন ও দুনিয়ার মারেফাত (গভীর জ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতা) দান করবেন। ❖ যে ব্যক্তি নামাজ শেষ করার পর একশত (১০০) বার "یَا عَالِمَ الْغَیْبِ" (ইয়া আলিমুল গাইব) পাঠ করবে, আল্লাহ ﷻ তাকে 'সাহেবে কাশফ' (যার কাছে গোপন বিষয় উন্মোচিত হয়) বানিয়ে দেবেন। ❖ কোনো বিষয়ে ইস্তিখারা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তি যদি জুমার রাতে (বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে) এশার নামাজের পর মসজিদে একশত (১০০) বার এটি পাঠ করে ঘুমিয়ে পড়ে, তবে তার সামনে কাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা অবস্থা উন্মোচিত (স্পষ্ট) হয়ে যাবে। ❖ যে ব্যক্তি গোপন বিষয়াবলি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে চায়, সে প্রথমে সত্তর (৭০) বার "سُبْحٰنَکَ لَا عِلْمَ لَنَا اِلَّا مَا عَلَّمْتَنَا اِنَّکَ اَنْتَ الْعَلِیْمُ" (সুবহানাকা লা ইলমা লানা ইল্লা মা আল্লামতানা ইন্নাকা আনতাল আলীম) পাঠ করবে। এরপর একশত (১০০) বার "یَا عَلِیْمُ عَلِّمْنِیْ یَا خَبِیْرُ اَخْبِرْنِیْ یَا مُبِیْنُ بَیِّنْ لِّیْ" (ইয়া আলীমু আল্লিমনী ইয়া খাবীরু আখবিরনী ইয়া মুবীনু বাইয়্যিন লী) পাঠ করবে। আমলটির শুরুতে ও শেষে দরূদ শরীফ পড়তে হবে। তারপর শুয়ে পড়বে, অতঃপর ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে কোনো মজলিসে (সমাবেশে) গেলে সে নিজের উদ্দেশ্যের ইশারা (সংকেত) পেয়ে যাবে। 📕রেফারেন্সঃ - শরহে সুনানে তিরমিযি শরীফ। খন্ড নং ০৬। হাদীস নং ৩৪৩০। اللهم صلي علي سيدنا ومولانا محمد ﷺ وعلي آله واصحابه وعلي سيدنا حجة الاسلام امام غزالي وبارك وسلم ________ ✅দারুল গাজ্জালী: জ্ঞান ও আত্মার নিবাস 🤔Athar Masum Billah 🗓️৯ই মহররম, ১৪৪৮ হিজরী 🗓️২৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 🗓️১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ 🔴দৈহিক মি'রাজের প্রথম স্তরের মূল বক্তব্য: "এ স্তরে এসে নামাযীর রূহের নূর উপরে আরোহন করে এবং মহানবী (ﷺ)-এঁর রূহানী নূর নিচে নেমে আসে। ফলে উভয়ের মধ্যে সাক্ষাত ও মিলন ঘটে। তখন অর্জিত হয় এক অনির্বচনীয় শান্তি, আরাম ও পরিতৃপ্তি।" বিস্তারিত লিংক কমেন্ট বক্সেঃ

সূরা আল-ফুরকানের ৭৪ নম্বর আয়াত: ‏رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا রব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ’ইয়ুনিওঁ ওয়াজ’আলনা লিলমুত্তাক্বীনা ইমামা। অর্থ: "হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিদেরকে আমাদের জন্য নয়নপ্রীতিকর (চক্ষুশীতলকারী) কর এবং আমাদেরকে আল্লাহভীরু বা মুত্তাকীদের জন্য আদর্শস্বরূপ (নেতা) কর। ‏رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ রব্বি ইন্নী লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকীর। অর্থ: "হে আমার রব! নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী। সূরা আল-আম্বিয়ার ৮৯ নম্বর আয়াত: ‏رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ রব্বি লা তাযারনি ফার্দাও ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন।" অর্থ: "হে আমার প্রতিপালক! আমাকে একা (সন্তানহীন) রেখো না, আর তুমিই তো শ্রেষ্ঠ উত্তরাধিকারী।" ‏اللَّهُمَّ اخْتَرْ لِي وَلَا تَخْتَرْ لِي نَفْسِي আল্লাহুম্মা ইখতারলী ওয়া লা-তাখতারলী নাফসী। অর্থ:"হে আল্লাহ! আপনিই আমার জন্য কল্যাণকর বিষয়টি নির্ধারণ করে দিন এবং আমাকে আমার নিজের ওপর ছেড়ে দেবেন না।" ‏اللَّهُمَّ يَسِّرْ لِي زَوَاجًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ আল্লা-হুম্মা ইয়াসসির লী যাওয়া-জান তাইয়িবান মুবা-রাকান ফীহ। অর্থ: হে আল্লাহ! আমার জন্য একটি উত্তম ও বরকতময় বিবাহ সহজ করে দিন।

ভিটামিন-ডি ও ওমেগা-৩: সামুদ্রিক মাছ (ইলিশ, রুই, টুনা), মাশরুম এবং দুগ্ধজাত খাবার। দৈনিক কিছু সময় গায়ে রোদ লাগানোও ভিটামিন-ডি এর দারুণ উৎস। রসুন ও আদা: রসুনে থাকা অ্যালিসিন এবং আদার নির্যাস শরীরে টেস্টোস্টেরন উৎপাদনে উদ্দীপনা যোগায়। সবুজ শাকসবজি: পালং শাক বা ব্রকলি, যেগুলোতে ম্যাগনেসিয়াম আছে, তা হরমোনের কার্যকারিতা বাড়ায়। 🟩 যা জানা অত্যন্ত জরুরি: ১. ঘুমের সাথে কোনো আপোষ নেই: আপনি যতই ভালো খান আর ব্যায়াম করেন, রাতে যদি ৫ ঘণ্টার কম ঘুমান, তবে আপনার টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ১৫% পর্যন্ত কমে যেতে পারে। প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ঘুম এই হরমোনের জন্য মহৌষধ। ২. স্ট্রেস বা মানসিক চাপ কমান: আপনি যখন অতিরিক্ত টেনশন করেন, তখন শরীর কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন তৈরি করে। এই কর্টিসল হলো টেস্টোস্টেরনের আজন্ম শত্রু। কর্টিসল বাড়লে টেস্টোস্টেরন পালাবার পথ পায় না। ৩. অতিরিক্ত ওজন ও চিনি বর্জন: অতিরিক্ত চর্বি টেস্টোস্টেরনকে নারী হরমোন ইস্ট্রোজেন এ রূপান্তর করে ফেলে। আর অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার ইনসুলিন স্পাইক করায়, যা সরাসরি টেস্টোস্টেরন কমিয়ে দেয়। . . 🟩 লেখক: ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ডাক্তার। কাউন্সেলিং , সাইকোথেরাপি ও CBT এর উপরে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি ডিপার্টমেন্ট থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত । . PGD in Applied Psychology, PGD in Counselling Psychology, Diploma in Applied Counselling, Diploma in Child Counselling, Certificate in Child Counselling, . Trained in Psychotherapy (University of Dhaka ) Trained in Therapeutic Counselling ( University of Dhaka) Trained in CBT for Depression (University of Dhaka) Trained in Disability Management and Special Education (Proyash, Savar Cantonment , Dhaka ) . ACDAIE - Disability, Autism & Inclusive Education (IER, University of Dhaka ) . BSEd ( On course ), B.Ed, M.Ed, BA (Hons), MA (Jahangirnagar University) Masters in Communication Disorder (MCD ) Professional - ( On course ) University of Dhaka. . যৌন সমস্যা ও মানসিক স্বাস্থ্য, রিলেশনশিপ ও কাপল কাউন্সেলিং, স্ট্রেস, ডিপ্রেশন,অ্যাংজাইটি ম্যানেজমেন্টসহ শিশু-কিশোর কাউন্সেলিং, প্যারেন্ট কাউন্সেলিং, ADHD, অটিজম ও Learning Difficulty বিষয়ে পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। . হোমিওপ্যাথিক, বায়োকেমিক, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যার সমন্বিত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। . 🟢 বিস্তারিত জানতে ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.faijulhuq.com/about-us/ . 🟩 আমার সাথে ফোনে কথা বলে চিকিৎসা পরামর্শ নিতে চাইলে , প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টার মধ্যে 01712859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলতে পারবেন। . অথবা . 📱 WhatsApp-এ পরামর্শ নিতে পারবেন । 01712-859950 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে । . আপনার বয়স, ঠিকানা, পেশা ও সমস্যা বিস্তারিত লিখে পাঠান, আপনার জন্য পরামর্শ দিয়ে দেবো । ভয়েস মেসেজ দিবেন না । . 🔴 সতর্কতা: কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে! . মোবাইল: 01972859950, 01712859950 . এই দুইটা নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন। এই দুইটা যদি নাম্বার না থাকে তাহলে আমার ভিডিও অথবা ছবি থাকলেও মনে করবেন যে এখানে প্রতারণা হচ্ছে। . Disclaimer: This content is strictly for educational, scientific, and awareness purposes. It contains no explicit or inappropriate material and is intended solely to promote healthy physical and mental health awareness among adults.

টেস্টোস্টেরন হরমোন কেন এবং কতটুকু জরুরি? . পুরুষদের আসল পাওয়ার হাউজ টেস্টোস্টেরন (Testosterone) হরমোন । এটি কেবল একটা হরমোন নয়, এটি পুরুষদের জীবনের এমন এক অদৃশ্য চালিকাশক্তি, যা কমে গেলে জীবনটাই কেমন যেন পানসে আর ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে যায়। তাই পুরুষ হিসেবে নিজের শরীর আর মনকে চাঙ্গা রাখতে এই হরমোন সম্পর্কে একদম খুঁটিনাটি জেনে রাখা দরকার। 🟩টেস্টোস্টেরন কী এবং এটি কীভাবে উৎপন্ন হয়? সহজ ভাষায় বলতে গেলে, টেস্টোস্টেরন হলো পুরুষদের প্রধান সেক্স হরমোন। এটি মূলত অ্যান্ড্রেজেন (Androgen) গ্রুপের একটি হরমোন। 🟩এই হরমোন তৈরি হয় কোথায়? আমাদের শরীরে হরমোন তৈরির এই পুরো প্রক্রিয়াটি একটি চমৎকার চেইন অব কমান্ড মেনে চলে, আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস এবং পিটুইটরি গ্রন্থি হলো এই প্রক্রিয়ার মূল পরিচালক। যখন শরীরে টেস্টোস্টেরনের দরকার হয়, তখন মস্তিষ্ক সংকেত পাঠায়। মস্তিষ্কের গ্রিন সিগন্যাল পেয়ে পুরুষদের প্রধান জনন অঙ্গ বা শুক্রাশয় (Testicles) টেস্টোস্টেরন উৎপাদন শুরু করে। খুব সামান্য পরিমাণে এই হরমোন আমাদের অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি (যা কিডনির উপরে থাকে) থেকেও তৈরি হয়। 🟩পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য ও সার্বিক শরীরে এর কাজ কী? টেস্টোস্টেরনকে যদি শুধু সেক্স হরমোন ভেবে ঘরের কোণে বসিয়ে রাখেন, তবে ভুল করবেন। এর কাজ বহুমুখী, পুরুষের লিবিডো বা যৌন আকাঙ্ক্ষা সরাসরি এই হরমোনের ওপর নির্ভর করে। শুক্রাণু (Sperm) উৎপাদনের মূল কারিগরও এটি, অর্থাৎ বাবা হওয়ার জন্য এই হরমোন অপরিহার্য। জিমে গিয়ে যতই ঘাম ঝরান না কেন, শরীরে যদি টেস্টোস্টেরন কম থাকে, তবে মাসল বা পেশি তৈরি হবে না। এটি হাড়কে মজবুত রাখে এবং চর্বি জমতে বাধা দেয়। কথায় কথায় মেজাজ খারাপ হওয়া, অলসতা বা ডিপ্রেশনের পেছনেও এর হাত আছে। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাস এবং এনার্জি লেভেল ধরে রাখে। 🟩স্বাভাবিক মাত্রা কত এবং দিনের কোন সময়ে এটি ওঠানামা করে? সব জিনিসেরই একটা পারফেক্ট পরিমাপ থাকে। টেস্টোস্টেরনের ক্ষেত্রেও তাই। একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের শরীরে এর স্বাভাবিক মাত্রা সাধারণত ৩০০ থেকে ১,০০০ ন্যানোগ্রাম পার ডেসিলিটার (ng/dL) ধরা হয়। বয়স ৩০ পার হওয়ার পর প্রতি বছর প্রাকৃতিকভাবেই এই হরমোন প্রায় ১% হারে কমতে শুরু করে। মজার ব্যাপার হলো, এই হরমোন কিন্তু সারাদিন এক মাপে থাকে না। সকালবেলা (ভোর ৫টা থেকে সকাল ১০টার মধ্যে) পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা থাকে সবচেয়ে বেশি। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর যে ভরপুর এনার্জি বা রোমান্টিক মুড থাকে, তার আসল চাবিকাঠি এটাই। সারাদিনের খাটুনি শেষে বিকেল এবং রাতের দিকে এই হরমোনের মাত্রা সবচেয়ে নিচে নেমে যায়। শরীর তখন ক্লান্ত থাকে এবং বিশ্রামের খোঁজে। 🟩হরমোন কমে গেলে কী কী সমস্যা হয়? শরীরে টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় হাইপোগোনাডিজম বলে। এটি কমলে শরীর নিজেই সিগন্যাল দিতে শুরু করে, যৌন ইচ্ছা একদম কমে যায় এবং ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা দেখা দেয়। জিম না করলেও হঠাৎ করে ভুড়ি বেড়ে যাওয়া এবং হাত-পায়ের মাংসপেশি নরম হয়ে যাওয়া। মাথায় টাক পড়া শুরু হতে পারে এবং পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরেও সারাদিন নিজেকে ব্যাটারি লো মনে হয়। কোনো কোনো পুরুষের স্তনের আকার অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে (Gynecomastia)। 🟩হরমোন পরীক্ষার জন্য কী করা দরকার? আপনার শরীরে হরমোন ঠিকঠাক আছে কি না, তা জানার একমাত্র উপায় হলো রক্ত পরীক্ষা (Serum Testosterone Test)। যেহেতু সকালে এই হরমোনের মাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে, তাই ডাক্তাররা সাধারণত সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে খালি পেটে রক্ত দেওয়ার পরামর্শ দেন। পরীক্ষার আগের রাতে পর্যাপ্ত এবং ভালো ঘুম হওয়া জরুরি, নয়তো রিপোর্টে উল্টোপাল্টা রেজাল্ট আসতে পারে। 🟩টেস্টোস্টেরন বাড়াতে কী কী ব্যায়াম করবেন? ওষুধ খেয়ে হরমোন বাড়ানোর চেয়ে প্রাকৃতিকভাবে বাড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ। আর এর জন্য ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। তবে সব ব্যায়াম কিন্তু সমান কাজ করবে না। Weight Lifting/ ডাম্বেল বা বারবেল নিয়ে ভারী ওজন তোলার ব্যায়াম (যেমন: স্কোয়াট, ডেডলিফ্ট, বেঞ্চ প্রেস) টেস্টোস্টেরন বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। পায়ের ব্যায়াম বা লোয়ার বডি ওয়ার্কআউট করলে এই হরমোন দ্রুত ক্ষরিত হয়। HIIT ( High Intensity Interval Training) / অল্প সময়ে খুব দ্রুত এবং ভারী কসরত (যেমন: ৩০ সেকেন্ড তীব্র গতিতে স্প্রিন্ট বা দৌড়, তারপর ১ মিনিট বিশ্রাম) এই হরমোনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। মনে রাখবেন: অতিরিক্ত কার্ডিও বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ম্যারাথন দৌড় আবার উল্টো ফল দিতে পারে (তাতে কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন বেড়ে টেস্টোস্টেরন কমে যায়)। 🟩হরমোন বাড়াতে পাতে কোন কোন খাবার রাখবেন? জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার: জিঙ্ক হলো টেস্টোস্টেরনের প্রধান কাঁচামাল। গরুর মাংস, ডিমের কুসুম, কলিজা, কুমড়োর বীজ এবং বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে।

সূরা আরাফে নতুন একটা ব্যাপার নিয়ে জানলাম। ছোট বেলা থেকে শুনে এসেছি যে, আখিরাতের পরিণাম হবে বাইনারি, হয় জান্নাত নয় জা*হান্নাম। অথচ এই সূরার মাধ্যমে আমাদেরকে আল্লাহ জানিয়ে দিলেন— না, জান্নাত আর জা*হান্নামের মাঝামাঝিও আরেকটা জায়গা আছে। জায়গাটার নাম আরাফ! এই জায়গার নাম অনুসারেই এই সূরার নামকরণ। "আরাফ" হবে তাদের জন্য, যারা এতটাও ভালো কাজ করেনি যে জান্নাতের টিকেট পেয়ে যাবে! আবার এতটাও খারাপ কাজ করেনি যে জা*হান্নামে যেতে হবে। এ যেন মিডেল ক্লাসদের চরণ ভূমি! এই আরাফবাসি সবসময়ই আশায় থাকবে যে, তাদেরকে যেন কোন না কোন সময় জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়। এই আরাফ ছাড়াও হাশরের (The Day Of Judgement) আরেকটা ইম্পর্টেন্ট ফেক্ট আমাদের অনেকেরই অজানা। আর সেটা হলো কান্তারা! আমরা মনে করি, কোনো রকমে পুলসিরাত পার হইতে পারলেই বাঁচি। ভুল! পুলসিরাত পার হতে পারলেই জান্নাত নয়। পার হতে পারলে অপেক্ষা করবে মুমিনদের জন্য ফাইনাল পরীক্ষা। হাশরের দিনে বিশ্বাসীদের বিচার হবে দু-বার। এক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পূর্বে। আরেক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পরে। জি ঠিকই শুনেছেন। পূর্বের বিচার হবে- "স্রষ্টার হক নষ্ট করার বিচার।" আর পরের বিচার হবে- "বান্দার হক নষ্ট করার বিচার।" আর যে জায়গাটায় বিচারটি হবে, সেই জায়গাটির নামই হলো— "কান্তারা।" আল-কান্তারাহ হলো- সিরাতের পর আরেকটি ছোট সিরাত। বিশ্বাসীগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারা এই কান্তারার উপর দিয়েই প্রবেশ করবে। এবং স্রষ্টা এই কান্তারার উপরেই মুমিনদের মধ্যকার আন সেটেলড ইস্যুস গুলো রিসোলভ করবেন। ‎ ‎ কল্পনা করুন! একজন ব্যক্তি আল-কান্তারাহ তে, জান্নাতের দরজার অলমোস্ট দ্বারপ্রান্তে, অথচ সে সেথায় ঢুকতে পারছে না! কারণ তার সব সৎকর্মগুলো যা নিয়ে নিয়ে সে বড়াই করতো সব শেষ। উল্টো তাকে জা*হান্নামে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেই হতোভাগাকে আপনি তখন কী বলবেন? প্রিয় রাসূল (ﷺ) অবশ্য সেই হতভাগা কে ডিফাইন করেছেন "মুফলিস" হিসেবে। "মুফলিস" অর্থ হলো দেউলিয়া। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা কি জানো, কে আসল দেউলিয়া?” সাহাবারা (রা.) উত্তর দেন, “যার কাছে অর্থ বা সম্পদ কিছুই নেই সে ইয়া রাসূলুল্লাহ?” রাসূল (ﷺ) বললেন, “না! আমার উম্মতের মধ্যে প্রকৃত দেউলিয়া হচ্ছে সেই ব্যক্তি– যেই ব্যক্তি কি*য়ামতের দিনে অনেক নামাজ, অনেক রোজা ও অনেক সদকা নিয়ে উপস্থিত হবে। অথচ সে দেখতে পাবে যে, সে ঐ দিনে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে! কারণ জীবদ্দশায় সে অন্যদের গা*লি দিয়ে বেড়াতো। অন্যদের অপবাদ দিয়ে বেড়াতো। অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াতো। অন্যের র*ক্তপাত ঘটিয়ে বেড়াতো এবং অন্যকে প্রহার করে বেড়াতো। আজ তার সব সৎকর্মগুলো ভুক্তভোগীদেরকে দিয়ে দিতে হচ্ছে! শুধু তাই না! যদি তার ভালো কাজগুলো ক্ষতিপূরণ গুলোকে কভার করতে না পারে, তাহলে তাদের পাপ গুলোও তাঁর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে এবং তাকে জা*হান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” তাই বলছি, আপনার যারা নামাজ রোজা সাদাকার পাশাপাশি আপনার মুখের ভাষার মাধ্যমে অন্যদের কষ্ট দিয়ে বেড়াচ্ছেন কিংবা আমল দিয়ে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াচ্ছেন, তাদের জন্য একটাই কথা— দেখা হবে বন্ধু! দেখা হবে কান্তারায়! ‎ ‎ ▪️রেফারেন্স : ১. (সূরা আল-আরাফ : ৪৬) ২. (সহীহ্ বুখারী : ২৪৪০) ৩. (সহীহ্ মুসলিম : ২৫৮১) লেখা : সামিউল হক #সীরাহ

👉Narcissistic husband / partner এর সাথে থাকা খুবই mentally frustated হয়, কারণ এখানে relationship intensity বেশী থাকে, but behaviour controlling or emotionally abusive হয়। এখানে মূল লক্ষ্য হলো partner কে ঠিক করা নয়, নিজের mental peace , boundaries এবং safety ensured করা। ১. “বোঝানো ” বন্ধ করুন: Narcissistic আচরণে অনেক সময় enpathy কম থাকে, দোষ অন্যের উপর চাপানো হয় কথা ঘুরিয়ে দেওয়া হয় i mean topic shifting . তাই বারবার explanation দিলেও সাধারণত কোনো লাভ হয় না. ২. Less emotions দিয়ে কথা বলুন (Low emotional response): শান্তভাবে কথা বলুন। Short answer দিন। তর্কে যাওয়া যাবে না। ৩. Justify, Argue, Defend, Explanation ❌ “আমি এটা করেছি কারণ…” ✔ “এটা আমার সিদ্ধান্ত।” ✔ “আমি এই বিষয়ে আর কথা বলব না।” ৪. Boundaries Set: actions, behaviour দিয়ে boundaries ঠিক করুন। Insulted feel হলে কথা বন্ধ করে দেওয়া, argument শুরু হলে রুম ছেড়ে চলে যাওয়া, controlled আচরণে response না করা, প্রয়োজন হলে distance maintain করা। ৫. নিজের Emotional dependency তৈরি করুন: নিজের রুটিন রাখুন,রুটিন maintain করুন। Friends /Family /Colleague সাথে যোগাযোগ রাখুন। নিজের aim and interest বজায় রাখুন. ৬. Isolated হয়ে যাবেন না: Toxic সম্পর্কের ক্ষেত্রে একা থাকলে emotional pressure বাড়ে। এজন্য trusted person, family members পাশে রাখুন। If needed go for counselling. ৭. Pattern বুঝে রাখুন: Love bombing Gaslighting Insulting controlling behaviour এগুলো মাথায় রাখুন, এটা একদিনের problem না, এটা pattern। ৮. সব কিছুতে react করা যাবে না: সব কথার answer দেওয়া important and mandatory না। Ask yourself- “এটার answer দিলে কি আমার শান্তি থাকবে?” ৯. Safety ensured করা: If there is any Mental / Physical torture ভয় দেখানো অতিরিক্ত control তাহলে emergency help seek জরুরি। Finally; আপনি তাকে কখনোই বোঝাতে এবং control করতে পারবেন না, but আপনি কীভাবে react করবেন ,সেটাই শুধুমাত্র আপনি control করতে পারেন। And reach for legal and psychiatric help if necessary ডাঃ মুনিরা হোসেন মনি FCPS part 2 Trainee জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট।

ঘরোয়া সমাধানে সুস্থ জীবন-v1-15-06-2026.pdf

নিজেকে সুপার-ফিট এবং স্ট্রং রাখার একটা ম্যাজিক কম্বিনেশন হচ্ছে: ১। ওয়েট লিফটিং করা ২। পর্যাপ্ত প্রোটিন খাওয়া ৩। প্রতিদিন হাটা ৪। ঘুমকে প্রাধান্য দেওয়া ৫। সঠিক ভাবে নিউট্রিশন নেওয়া উপরের ৫টা কাজ যদি আপনি সময় নিয়ে করতে পারেন এবং কোন শর্টকাট না খুঁজেন, তাহলে সারাজীবন ফিট এবং স্ট্রং থাকতে পারবেন। #fitforlife

বৃদ্ধাশ্রম নিয়ে অনেকের এলার্জি আছে, কেউ কেউ হাসাহাসি করেন। কেউ কেউ মনে করেন, সন্তানদের সুশিক্ষা দেয়নি বলে বাবা-মা'কে বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে হয়। মোটাদাগে এটাকে এক ধরণের শাস্তি মনে করা হয়। কারো কাছে বৃদ্ধাশ্রমে থাকাটা / রাখাটা এক ধরণের পাপ। তবে আমার ভাবনাটা ভিন্ন। একেবারেই ভিন্ন। আমাদের দুই মেয়ে। ওদের যতটুকু পারি, ভালো পড়াশুনা করানোর চেষ্টা করবো। ভালো বিয়ে শাদী দেয়ার চেষ্টা করবো। অবশ্য এই যুগে এটি সহজ হবেনা, তাও জানি! সেটি ভিন্ন গল্প। এখন দুই মেয়ে ভালো পড়াশুনা করলে, ভালো ক্যারিয়ার হলে, ওরা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত থাকবে। নিজের পরিবার নিয়েই ব্যস্ত থাকবে। ওরা ওসময় আমার সেবা করার জন্য বসে থাকবে, সে আশা করাটা বাতুলতা। আমি কিছুই আশা করিনা। ওরা ভালো থাকলেই আমি খুশী। ওরা আমার খবরা খবর রাখলে খুশী হবো, না রাখলে হয়তো কষ্ট পাবো। তবে মেনে নিবো, মেনে না নিয়ে কি লাভ? আর সামনে যে যুগ আসছে, ভয়ংকর রকম কম্পিটিশন। ক্যারিয়ার ইত্যাদি নিয়ে এক রকম উন্মাদনা কাজ করবে। সবাই ভীষণ, ভীষণ বিজি থাকবে। আমাদের দেয়ার মতো সময় ওরা পাবে? বৃদ্ধ হলে নাতি নাতনী নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটাবো, সেই সৌভাগ্য কয়জনের হবে আমি ঠিক নিশ্চিত নই। আর সবাই এখন বিদেশ মুখী। যেন এই দেশটা একটা নরক, বিদেশ মানেই স্বর্গ! মেয়েরা সপরিবার বিদেশে সেটল হতে চাইলে আমাদের করার বেশী কিছু থাকবেনা। তখন বেঁচে থাকলে, ওরা হয়তো আমাদেরকে বিদেশে নিয়ে যেতে চাইবে। তবে ঐ বয়সে বিদেশে গিয়ে ও কি করবো? মেয়েরা ওদের লাইফ নিয়ে বিজি থাকবে। দেশের চেয়ে বিদেশের লাইফ আরো স্ট্রেসফুল। বুয়া নেই, কাজের সহকারী নেই, ড্রাইভার নেই, বাবুর্চি নেই। নিজেকেই সব করতে হয়। আর সারাদিন বাসায় বসে বসে কি করবো? কতক্ষণ আর পার্কে হাঁটবো? বিদেশে কাউকে হুটহাট আড্ডা দেয়ার জন্য পাওয়া ও যাবেনা। আর কানাডা ইত্যাদি ঠাণ্ডা, বরফের দশে যেখানে বছরের বড় একটা অংশেই বরফ পড়ে, সেখানে এত ঠাণ্ডায় হাঁটবোই বা কিভাবে? শপিং মলে, রেস্টুরেন্টে দিনের পর দিন একা একা কফি খেতে তেমন ভালো লাগার কথা নয়। তার চেয়ে বরং দেশে ভালো একটা বৃদ্ধশ্রমে থাকলে কি সমস্যা? অন্য সব বৃদ্ধদের সাথে গল্প করে, স্মৃতি রোমন্থন করে সময়টা একেবারে খারাপ কাটার কথা নয়। বৃদ্ধরা তো অতীত নিয়েই বাঁচে, ওটাই সম্বল। মধুর মধুর স্মৃতির জাবর কেটে কেটে দিনযাপন! বয়স হলে আমরা সবাই চাইবো আমাদেরকে সবাই সময় দিক, পাশে বসে গল্প করুক, নাতি নাতনী পরিবেষ্টিত হয়ে থাকি। যারা খুবই ভাগ্যবান, তারা হয়তো এরকম থাকবে। তবে ওটা নিশ্চিত, গ্যারান্টিড ধরে নেয়ার কোন কারণ নেই। সবকিছুর জন্য রেডি থাকা ভালো, মানসিক প্রস্তুতি থাকা ভালো। #পুনশ্চ যদি সম্ভব হয় তাহলে নিজেই একটা ভালো মানের বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তুলবো। সবুজে ঘেরা, একটা বড় জায়গা নিয়ে মনোরম পরিবেশে নান্দদিক একটা বৃদ্ধাশ্রম হবে। সার্বক্ষণিক ডাক্তার / নার্স থাকবে, প্রয়োজনীয় সব ফ্যাসিলিটিজ থাকবে। হাঁটার জায়গা থাকবে। নামাজ / দোয়া, প্রার্থনার সুন্দর ব্যবস্থা থাকবে। লাইব্রেরি থাকবে। সুন্দর কমন স্পেস থাকবে। দোলনা থাকবে। জিম থাকবে। সুইমিংপুল থাকবে। গেস্টদের জন্য সুন্দর বসার ব্যবস্থা থাকবে। বড় একটা পুকুর থাকবে। পার্কের মতো কিছু একটা থাকবে। এরকম কোন বৃদ্ধাশ্রমে থাকলে, খুব একটা খারাপ থাকার কথা না। আর মেয়েরা দেশে থাকলে তাদের সাথে তো দেখা হবেই। মাঝে মাঝে ওদের বাসায় ঘুরে আসবো। ইচ্ছে হলে ওরাও আমাদের দেখতে আসলো। আর যেহেতু জীবনে অনেক দিন শিক্ষকতায় আছি, ছিলাম --- কোন কোন ছাত্র - ছাত্রী ও হয়তো তাদের অবসরে দেখা করতে আসতে পারে। এখন বদনাম করলেও তখন হয়তো সুনাম করবে, হয়তো মিছেমিছি! এভাবেই কেটে যেতে পারে শেষ বয়সটা। তবে জীবনের একেবারে শেষ, একেবারে অন্তিম মুহূর্তে পরিবারের সদস্যরা পাশে থাকুক, হাতটা ধরে রাখুক, পাশে বসে দোয়া দরুদ পড়ুক - সেটা কে না চায়? সেই আশা পূরণ হবে সেই নিশ্চয়তা অবশ্য কেউই দিতে পারবেনা। এটাই বাস্তবতা 😢 #পুনশ্চ_১ নুরজাহান বেগমের অসহায় মৃত্যু সবাইকে ভাবাচ্ছে। বিক্ষুব্ধ ও করছে। সন্তানদের দোষ তো আছেই। ওরা আসলে অপরাধী ও বটে। নিজেদের ভবিষ্যত নিয়ে অনেকে হয়তো উদ্বিগ্ন। তবে ক্যারিয়ারের পাশাপাশি আমাদের নিজেদের রিটায়ারমেন্টের পরের জীবন নিয়েও একটু ভাবা দরকার। একটা প্ল্যান থাকা দরকার। সন্তানদের পড়াশুনা, ক্যারিয়ার ইত্যাদির পাশাপাশি ওদেরকে মানুষের মতো মানুষ করার চেষ্টা করা দরকার। আর হ্যাঁ, নিজেদের সব টাকা পয়সা, সব সম্পদ, নিজেদের ডিপিএস, এফডিআর, পেনশন সহ সর্বস্ব সন্তানের পড়াশুনা, বিয়ে এমনকি সন্তানদের ব্যবসা ইত্যাদির জন্য একেবারে বিলিয়ে দেওয়ার দরকার নেই। নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য কিছু নিজেদের জন্য রাখুন। নিজেদের কাছেই রাখুন। কারো মুখাপেক্ষী যেন হতে না হয়, সেটা নিশ্চিত করুন। একটু হলেও স্বার্থপর হোন। ধন্যবাদ।

​এখানে মূল শর্ত হলো—জিনিসটি আপনাকে 'বুঝতে' হবে। যে খাত সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণা নেই, সেখানে ভুলেও বাজি ধরবেন না। যেমন, আপনি যদি স্বাস্থ্যসেবা খাতে কাজ করেন, তবে একজন সাধারণ মানুষের চেয়ে আপনি অনেক আগেই বুঝতে পারবেন হেলথ-টেকনোলজির কোন ক্ষেত্রটিতে সুযোগ আছে। আপনার জানা জ্ঞানকে কাজে লাগান। নিরাপদ অংশটি আপনাকে খেলায় টিকিয়ে রাখবে, আর ঝুঁকিপূর্ণ অংশটি আপনাকে এমন বড় লাভের সুযোগ করে দেবে যা সাধারণ ইনডেক্স ফান্ড কখনোই দিতে পারবে না। ​৪. 'জিওআর্বিট্রেজ' ব্যবহার করে প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার করুন: ​উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয়বহুল শহরগুলোতে ভালো আয় করেও মাস শেষে হাত খালি হয়ে যেতে পারে। বাড়ি ভাড়া, ট্যাক্স, খাবার ও যাতায়াত খরচ আপনার আয়ের প্রায় সবকিছুই কেড়ে নেয়, ফলে সঞ্চয় বা বিনিয়োগের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। ​'জিওআর্বিট্রেজ' হলো এমন একটি কৌশল, যেখানে আপনি আয় করবেন কোনো ব্যয়বহুল অঞ্চলের বা বড় শহরের হারের সমান, কিন্তু বসবাস করবেন অনেক সস্তা বা কম খরচের কোনো জায়গায়। তাহলে আপনি আর্থিকভাবে অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবেন। কারণ সেখানে বাসা ভাড়া, খাওয়া-দাওয়া ও যাতায়াত খরচ অনেক কম হবে এবং প্রতি মাসে বেঁচে যাওয়া এই বড় অঙ্কের টাকা সরাসরি পকেটে জমা হবে। আয় একই থাকছে, কিন্তু জীবনযাত্রার খরচ নাটকীয়ভাবে কমে যাচ্ছে। ​আপনি যদি রিমোট কাজ করেন বা এমন কোনো পেশায় থাকেন যা যেকোনো জায়গায় বসে করা সম্ভব, তবে কম খরচের কোনো এলাকায় চলে যাওয়া আপনার আর্থিক অবস্থাকে যেকোনো সাধারণ বেতন বৃদ্ধির চেয়েও দ্রুত বদলে দেবে। যে আয় দিয়ে দামি শহরে কেবল টিকে থাকা যায়, সেই একই আয় দিয়ে একটি সস্তা শহরে খুব আগ্রাসীভাবে সঞ্চয় ও বিনিয়োগ করা সম্ভব। আপনার উপার্জনের ক্ষমতা এক থাকছে, কিন্তু খরচ কমে যাচ্ছে অনেকখানি। ​• ​বাজেট তৈরি করে চলা বা খরচ কমানোর নিজস্ব গুরুত্ব আছে, তবে এটি নিজে থেকে আপনার সম্পদ বৃদ্ধির ক্ষমতাকে বহুগুণ করতে পারবে না। এই ৪টি কৌশল ভিন্নভাবে কাজ করে কারণ এগুলো কেবল আপনার খরচের অভ্যাস পরিবর্তন করে না, বরং আপনার আয়ের মূল সমীকরণটিকেই বদলে দেয়। ​আপনার বর্তমান পরিস্থিতির সাথে যেটি সবচেয়ে ভালো মানায়, সেটি বেছে নিন এবং আজই শুরু করুন। বেশিরভাগ মানুষ নিখুঁত মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়েই সারাজীবন এক জায়গায় আটকে থাকে। ______

ব্যক্তিগত অর্থায়ন সংক্রান্ত বেশিরভাগ পরামর্শই দেওয়া হয় তাদের জন্য, যাদের অর্থনৈতিক অবস্থা কিছুটা ভালো। একজন কর্মজীবী মানুষকে প্রতিদিনের কফি না খেতে বলা বা বাজারের কুপন জমিয়ে খরচ বাঁচাতে বলা কেবল তাদের অভাবকে কিছুটা সামাল দেয়, কিন্তু তা জীবনকে সমৃদ্ধ বা প্রাচুর্যময় করে তোলে না। ​একেবারে কম পুঁজি থেকে সম্পদকে বহুগুণ করতে চাইলে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। মনের মানসিকতা, অসম ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা এবং প্রচলিত অর্থনৈতিক নিয়মগুলোকে উপেক্ষা করার সাহস আপনাকে একটি সাধারণ বাজেট তৈরি করার চেয়ে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এখানে এমন ৪টি আগ্রাসী এবং বাস্তবমুখী কৌশল দেওয়া হলো, যা যে কেউ চাইলে নিজের জীবনে কাজে লাগাতে পারেন। • ​১. ডিজিটাল আয়ের মাধ্যমে 'অসম ঝুঁকি' ব্যবহার করুন: ​অসম ঝুঁকি মানে হলো এমন এক পরিস্থিতি, যেখানে আপনার লোকসানের বা ক্ষতির সম্ভাবনা খুবই কম, কিন্তু লাভ বা সফল হওয়ার সম্ভাবনা সীমাহীন। বেশিরভাগ কর্মজীবী মানুষের মাথাতেই কোনো না কোনো বিশেষায়িত ও কষ্টার্জিত জ্ঞান থাকে, কিন্তু তারা মাস শেষে কেবল বেতনের বিনিময়েই তা কাজে লাগান, অন্য কোনোভাবে তা থেকে আয় করেন না। এটি একটি বড় সুযোগ হাতছাড়া করা। ​লজিস্টিকস, বিভিন্ন কারিগরি পেশা কিংবা স্বাস্থ্যসেবা খাতে আপনার যে অভিজ্ঞতা রয়েছে, তার মূল্য আপনার নিয়োগকর্তা আপনাকে যা বেতন দেন তার চেয়ে অনেক বেশি। প্রতিদিন সন্ধ্যায় কিছুটা সময় ব্যয় করে আপনার এই জ্ঞানকে একটি ডিজিটাল সম্পদে রূপান্তর করুন—যেমন একটি ই-বুক, কোনো গাইডলাইন বা নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর একটি ভিডিও কোর্স। Gumroad, Teachable বা Amazon-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো পেমেন্ট ও ডেলিভারির কাজগুলো সহজ করে দেয়, তাই প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে খুব বেশি ভাবার প্রয়োজন নেই। ​তবে কোনো প্রোডাক্ট তৈরি করতে কয়েক সপ্তাহ সময় নষ্ট করার আগে, বাজারে এর চাহিদা আছে কিনা তা যাচাই করে নিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করুন এবং দেখুন মানুষ আপনাকে এই বিষয়ে আরও জানতে প্রশ্ন করছে কিনা। যদি তারা আগ্রহী হয়, তবে বুঝবেন আপনার ক্রেতা তৈরি আছে। একবার একটি ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করে ফেললে তা বিক্রি বা বিতরণ করতে আর কোনো খরচ হয় না এবং সারা বিশ্বের মানুষের কাছে তা বিক্রি করা যায়। আপনি কষ্ট করবেন মাত্র একবার, কিন্তু সেই সম্পদ আপনাকে আজীবন আয় এনে দেবে। ​২. দামি ডিগ্রির পেছনে না ছুটে উচ্চ-আয়ের দক্ষতা অর্জন করুন: ​আবার কোনো প্রথাগত চার বছরের ইউনিভার্সিটির ডিগ্রির পেছনে ছোটার মানে হলো বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা মাথায় নেওয়া এবং আয় বাড়ানোর জন্য বছরের পর বছর ক্লাসরুমে বসে থাকা। যেসব কর্মজীবী মানুষের এখনই বেশি টাকা উপার্জনের প্রয়োজন, তাদের জন্য এই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা একটি বড় সমস্যা। ​এর চেয়ে দ্রুততম উপায় হলো একটি 'হাই-ইনকাম স্কিল' বা উচ্চ-আয়ের দক্ষতা অর্জন করা। এটি এমন একটি বিশেষ যোগ্যতা যার জন্য বিভিন্ন কোম্পানি আপনাকে অনেক বেশি টাকা দিতে প্রস্তুত থাকবে, আপনার প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট যাই হোক না কেন। ডিজিটাল অ্যাডভার্টাইজিং, টেকনিক্যাল সেলস, সাইবার সিকিউরিটি, ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং প্রফেশনাল কপিরাইটিং—এসবই এর অন্তর্ভুক্ত। সঠিক দক্ষতা বেছে নেওয়াটা শেখার মতোই গুরুত্বপূর্ণ; তাই বিভিন্ন জব বোর্ড ও ফ্রিল্যান্স প্ল্যাটফর্মগুলো ঘুরে দেখুন কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং কোন কাজে কেমন টাকা পাওয়া যায়। ​চাকরির চেয়ে ফ্রিল্যান্স বা চুক্তিভিত্তিক কাজে এই দক্ষতাগুলোর প্রতি ঘণ্টার রেট সাধারণত অনেক বেশি হয়। ইউটিউব টিউটোরিয়াল, নির্দিষ্ট বুটক্যাম্প বা বিভিন্ন সার্টিফিকেশন কোর্সের মাধ্যমে আপনি বছরের পর বছর নষ্ট না করে মাত্র কয়েক মাসেই নিজেকে কাজের উপযোগী করে তুলতে পারেন। আপনার আয়ে একটি বড় লাফ বা বড় পরিবর্তন, বার্ষিক সামান্য বেতন বৃদ্ধির চেয়ে আপনাকে বিনিয়োগের জন্য অনেক বেশি পুঁজি এনে দেবে। ​৩. বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বারবেল স্ট্র্যাটেজি ব্যবহার করুন: ​সাধারণত কর্মজীবী বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দেওয়া হয় যে, তাদের সব টাকা নিরাপদ ও বৈচিত্র্যময় ফান্ডে রেখে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে। নিরাপদ ফান্ডগুলো আপনার সম্পদ রক্ষা করতে এবং ধীরে ধীরে বাড়াতে সাহায্য করে সত্যি, কিন্তু যার প্রায় শূন্য থেকে শুরু করতে হচ্ছে, তার সম্পদ দ্রুত বাড়াতে এটি খুব একটা ভূমিকা রাখতে পারে না। ​লেখক ও পরিসংখ্যানবিদ নাসিম নিকোলাস তালেবের জনপ্রিয় করা 'বারবেল স্ট্র্যাটেজি' মাঝপদ্ধতিকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলে। এই কৌশল অনুযায়ী, আপনার বিনিয়োগযোগ্য টাকার সিংহভাগ (যেমন ৮০-৯০%) একদম নিরাপদ ও সাধারণ সম্পদ বা ইনডেক্স ফান্ডে রাখুন, যাতে বাজার ধসে পড়লেও আপনি দেউলিয়া না হয়ে যান। আর বাকি ছোট অংশটি (যেমন ১০-২০%) এমন কিছু উচ্চ-ঝুঁকি ও উচ্চ-লাভের জায়গায় খাটান, যা আপনি নিজে খুব ভালো বোঝেন—হতে পারে তা কোনো সাইড বিজনেস, নতুন কোনো সম্ভাবনাময় খাত, অথবা কম মূল্যের কোনো সম্পদ কিনে পরে বেশি দামে বিক্রি করা।

আজকের দিনে সফল হতে হলে আপনাকে শুধু অন্ধের মতো খাটলেই হবে না। এর পরিবর্তে আপনার প্রয়োজন মনোযোগ ধরে রাখা, শক্তি সঞ্চয়, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কাজের পর ক্লান্তি দূর করার বা রিকভারির জন্য একটি চমৎকার কার্যপদ্ধতি বা সিস্টেম তৈরি করা। বিজ্ঞানসম্মত গবেষণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা এমন ১০টি কার্যকরী উপায় এখানে আলোচনা করা হলো, যা আপনাকে কম পরিশ্রমে বেশি এবং মানসম্মত কাজ করতে সাহায্য করবে। • ১. কম জিনিসে মনোযোগ দিন: গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা একসাথে অনেক কাজ করতে গিয়ে আসলে কোনো কাজই ঠিকঠাক করতে পারি না। তাই কাজের সংখ্যা না বাড়িয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলো তালিকা থেকে বাদ দিন। জীবনের বা কাজের প্রধান লক্ষ্যগুলোর দিকে মনোযোগ দিলে কাজের মান বহুগুণ বেড়ে যায়। ২. নিয়মিত বিরতি বা ব্রেক নিন: একটানা কাজ করলে আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। গবেষণা বলছে, নির্দিষ্ট সময় পর পর ছোট বিরতি নিলে কাজের গতি ও মনোযোগ পুনরায় ফিরে আসে। তাই ডেস্কে টানা বসে না থেকে একটু হাঁটাহাঁটি করুন বা চোখ বন্ধ করে জিরিয়ে নিন। ৩. স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন: আপনার লক্ষ্য যদি স্পষ্ট না থাকে, তবে আপনি বিভ্রান্ত হয়ে পড়বেন। প্রতিটি দিনের শুরুতেই ঠিক করে নিন আজ ঠিক কোন কাজগুলো আপনি শেষ করতে চান। স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য আপনার কাজের দিকনির্দেশনা ঠিক রাখে। ৪. ধ্যান বা মেডিটেশন করুন: মেডিটেশন কেবল মানসিক প্রশান্তি দেয় না, এটি আপনার ফোকাস বা মনোযোগের পেশিকে শক্তিশালী করে। প্রতিদিন মাত্র কয়েক মিনিটের ধ্যান আপনার মস্তিষ্ককে শান্ত রাখতে এবং যেকোনো কঠিন সিদ্ধান্ত সহজে নিতে সাহায্য করবে। ৫. জরুরি নয়, গুরুত্বপূর্ণ কাজে মনোযোগ দিন: আমাদের সামনে প্রতিদিন এমন অনেক কাজ আসে যা দেখতে খুব জরুরি মনে হয় (যেমন: হুট করে আসা কোনো ইমেইল বা মেসেজ), কিন্তু সেগুলো হয়তো আমাদের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই কোনটি আসলেই গুরুত্বপূর্ণ তা বাছাই করে আগে শেষ করুন। ৬. সব ধরণের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন: স্মার্টফোনের একটি টুং শব্দ আপনার গভীর মনোযোগ মুহূর্তের মধ্যে নষ্ট করে দিতে পারে। বিজ্ঞান বলে, একবার মনোযোগ বিঘ্নিত হলে পুনরায় সেই কাজে পুরোপুরি মগ্ন হতে প্রায় ২৩ মিনিট সময় লাগে। তাই গভীর মনোযোগের কাজের সময় সোশ্যাল মিডিয়া ও অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। ৭. কাজের জায়গা পরিষ্কার ও গোছানো রাখুন : এলোমেলো টেবিল বা চারপাশের বিশৃঙ্খলা আপনার অজান্তেই মস্তিষ্কে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। কাজের পরিবেশ পরিষ্কার ও পরিপাটি রাখলে মন শান্ত থাকে এবং কাজে একাগ্রতা বাড়ে। ৮. নতুন দক্ষতা অর্জন করুন: আপনি যে কাজটি করছেন তা আরও দ্রুত ও নিখুঁতভাবে করার জন্য কোনো আধুনিক টুলস বা কৌশল শেখা প্রয়োজন কি না তা ভাবুন। নিজেকে অনবরত আপগ্রেড করলে কঠিন কাজও অনেক সহজ ও অল্প সময়ে করা সম্ভব হয়। ৯. টাইম ব্লকিং বা সময়ের ভাগ তৈরি করুন: আপনার পুরো দিনটিকে কয়েকটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্লকে ভাগ করে নিন। যেমন: সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কেবল একটি নির্দিষ্ট প্রজেক্টের কাজ করবেন এবং ওই সময়ে অন্য কোনো কাজ হাত দেবেন না। এই পদ্ধতিটি মাল্টিটাস্কিংয়ের হাত থেকে বাঁচায়। ১০. একবারে কেবল একটি কাজেই মনোযোগ দিন: মানব মস্তিষ্ক আসলে একসাথে একাধিক জটিল কাজ বা মাল্টিটাস্কিং করার জন্য তৈরি হয়নি। যখন আপনি একসাথে অনেক কাজ করতে যান, তখন কাজের সময় ও ভুল করার সম্ভাবনা দুটিই বাড়ে। তাই এক সময়ে কেবল একটি কাজই সম্পূর্ণ শেষ করার অভ্যাস করুন। • কর্মদক্ষতা বা এফিশিয়েন্সি বাড়ানোর জন্য অলৌকিক কোনো সূত্রের প্রয়োজন নেই। এর মূল চাবিকাঠি হলো কাজকে সহজ করা এবং নিজের শক্তিকে সঠিক উপায়ে ব্যবহার করা। কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে সঠিক কৌশলে কাজ করাই আপনাকে সফলতার চূড়ায় নিয়ে যাবে। _______

80) ইতিবাচক মনোবিজ্ঞান (Positive Psychology) 81) সৃজনশীলতা মনোবিজ্ঞান (Psychology of Creativity) 82) নান্দনিক মনোবিজ্ঞান (Aesthetics Psychology) 83) ক্রীড়া মনোবিজ্ঞান (Sports Psychology) 84) পারফরম্যান্স মনোবিজ্ঞান (Performance Psychology) 85) যোগাযোগ মনোবিজ্ঞান (Communication Psychology) 86) সাইকোলিঙ্গুইস্টিক্স (Psycholinguistics) 87) বক্তৃতা ও ভাষা মনোবিজ্ঞান (Speech & Language Psychology) 88) আচরণগত অর্থনীতি মনোবিজ্ঞান (Behavioral Economics Psychology) 89) সিদ্ধান্ত গ্রহণ মনোবিজ্ঞান (Decision-Making Psychology) 90) আর্থিক মনোবিজ্ঞান (Financial Psychology) 91) আধ্যাত্মিক মনোবিজ্ঞান (Spiritual Psychology) 92) ট্রান্সপার্সোনাল মনোবিজ্ঞান (Transpersonal Psychology) 93) অস্তিত্ববাদী মনোবিজ্ঞান (Existential Psychology) 94) মাইন্ডফুলনেস মনোবিজ্ঞান (Mindfulness Psychology) 95) খাদ্য মনোবিজ্ঞান (Food Psychology) 96) ব্যায়াম মনোবিজ্ঞান (Exercise Psychology) 97) বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান (Evolutionary Psychology) 98) জৈব মনোবিজ্ঞান (Biopsychology) 99) জেনেটিক কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞান (Genetic Counselling Psychology) 100) Reproductive Psychology লিখেছেন, Jahidul Hasan BSc in Psychology রেফারেন্সঃ 1) Corsini, R. J. (2002). The Dictionary of Psychology. Brunner-Routledge. 2) American Psychological Association (APA). (2024). Divisions & Fields of Psychology. https://www.apa.org/about/division 3) Schultz, D. P., & Schultz, S. E. (2016). A History of Modern Psychology (11th ed.). Cengage Learning. 4) Barlow, D. H. (Ed.). (2014). The Oxford Handbook of Clinical Psychology. Oxford University Press. 5) Muchinsky, P. M. (2012). Psychology Applied to Work (10th ed.). Hypergraphic Press. 6) Howitt, D. (2018). Introduction to Forensic & Criminal Psychology (6th ed.). Pearson. 7) Berlyne, D. E. (1971). Aesthetics and Psychobiology. Appleton-Century-Crofts. 8) Seligman, M. E. P. (2011). Flourish: A Visionary New Understanding of Happiness and Well-being. Free Press. 9) World Health Organization (WHO). (2022). Mental Health and Applied Psychology Reports. https://www.who.int/mental_health 10) Statt, D. A. (1998). The Concise Dictionary of Psychology (3rd ed.). Routledge. 11) Kaplan, R. M., & Saccuzzo, D. P. (2018). Psychological Testing: Principles, Applications, and Issues (9th ed.). Cengage Learning. 12) Luthans, F. (2011). Organizational Behavior (12th ed.). McGraw-Hill Education. 13) American Psychological Association (APA). Specialty Guidelines for Professional Psychology. https://www.apa.org 14) American Board of Professional Psychology (ABPP). Psychology Specialties and Subspecialties. https://abpp.org

মনোবিজ্ঞানের ফলিত শাখা মোট ১০০ টা। অর্থাৎ ১০০ টা সেক্টরে মনোবিজ্ঞানীদের কাজ চর্চা হচ্ছে.. নিম্নে রেফারেন্স সহকারে দেওয়া হলো শাখা গুলোর তালিকাঃ 1) ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞান (Clinical Psychology) 2) কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞান (Counselling Psychology) 3) স্বাস্থ্য মনোবিজ্ঞান (Health Psychology) 4) নিউরোসাইকোলজি (Neuropsychology) 5) পুনর্বাসন মনোবিজ্ঞান (Rehabilitation Psychology) 6) পেডিয়াট্রিক মনোবিজ্ঞান (Pediatric Psychology) 7) অনকোলজি মনোবিজ্ঞান (Psycho-Oncology) 8) কার্ডিয়াক মনোবিজ্ঞান (Cardiac Psychology) 9) ব্যথা ব্যবস্থাপনা মনোবিজ্ঞান (Pain Psychology) 10) মাদকাসক্তি মনোবিজ্ঞান (Addiction Psychology) 11) পুষ্টি মনোবিজ্ঞান (Nutritional Psychology) 12) ঘুম মনোবিজ্ঞান (Sleep Psychology) 13) যৌন মনোবিজ্ঞান / সেক্সোলজি (Sexual Psychology / Sexology) 14) সাইকোসোমাটিক্স (Psychosomatics) 15) প্যালিয়েটিভ কেয়ার মনোবিজ্ঞান (Palliative Care Psychology) 16) সাইকোনিউরোইমিউনোলজি (Psychoneuroimmunology) 17) সাইকোডার্মাটোলজি (Psychodermatology) 18) পেরিনেটাল মনোবিজ্ঞান (Perinatal Psychology) 19) ডায়াবেটিস মনোবিজ্ঞান (Diabetes Psychology) 20) স্থূলতা ও খাদ্যাভ্যাস মনোবিজ্ঞান (Obesity & Eating Psychology) 21) শিক্ষা মনোবিজ্ঞান (Educational Psychology) 22) স্কুল মনোবিজ্ঞান (School Psychology) 23) শিশু মনোবিজ্ঞান (Child Psychology) 24) কিশোর মনোবিজ্ঞান (Adolescent Psychology) 25) উন্নয়নমূলক মনোবিজ্ঞান (Developmental Psychology) 26) বিশেষ শিক্ষা মনোবিজ্ঞান (Special Education Psychology) 27) প্রতিভাবান শিশু মনোবিজ্ঞান (Gifted Psychology) 28) শিক্ষণ প্রযুক্তি মনোবিজ্ঞান (Educational Technology Psychology) 29) মোটিভেশনাল মনোবিজ্ঞান ইন এডুকেশন (Motivational Psychology in Education) 30) শিল্প ও সংগঠন মনোবিজ্ঞান (Industrial & Organizational Psychology) 31) নেতৃত্ব মনোবিজ্ঞান (Leadership Psychology) 32) কোচিং মনোবিজ্ঞান (Coaching Psychology) 33) ভোক্তা মনোবিজ্ঞান (Consumer Psychology) 34) বিপণন মনোবিজ্ঞান (Marketing Psychology) 35) অকুপেশনাল মনোবিজ্ঞান (Occupational Psychology) 36) কর্মক্ষেত্র মনোবিজ্ঞান (Workplace Psychology) 37) উদ্যোক্তা মনোবিজ্ঞান (Entrepreneurial Psychology) 38) আলোচনা ও দ্বন্দ্ব মনোবিজ্ঞান (Negotiation & Conflict Psychology) 39) সামাজিক মনোবিজ্ঞান (Social Psychology) 40) কমিউনিটি মনোবিজ্ঞান (Community Psychology) 41) রাজনৈতিক মনোবিজ্ঞান (Political Psychology) 42) ধর্মীয় মনোবিজ্ঞান (Psychology of Religion) 43) ক্রস-কালচারাল মনোবিজ্ঞান (Cross-Cultural Psychology) 44) পারিবারিক মনোবিজ্ঞান (Family Psychology) 45) দম্পতি মনোবিজ্ঞান (Couples Psychology) 46) নারী মনোবিজ্ঞান (Psychology of Women) 47) পুরুষ মনোবিজ্ঞান (Psychology of Men) 48) বার্ধক্য মনোবিজ্ঞান (Geropsychology) 49) জেন্ডার মনোবিজ্ঞান (Gender Psychology) 50) সংখ্যালঘু মনোবিজ্ঞান (Minority Psychology) 51) অভিবাসন মনোবিজ্ঞান (Migration Psychology) 52) ফরেনসিক মনোবিজ্ঞান (Forensic Psychology) 53) আইনি মনোবিজ্ঞান (Legal Psychology) 54) পুলিশ মনোবিজ্ঞান (Police Psychology) 55) অপরাধ মনোবিজ্ঞান (Criminal Psychology) 56) ভিকটিমোলজি মনোবিজ্ঞান (Victim Psychology) 57) সন্ত্রাসবাদ মনোবিজ্ঞান (Psychology of Terrorism) 58) কারা মনোবিজ্ঞান (Correctional Psychology) 59) ইঞ্জিনিয়ারিং মনোবিজ্ঞান (Engineering Psychology) 60) মানব উপাদান মনোবিজ্ঞান (Human Factors Psychology) 61) এরগোনোমিক্স মনোবিজ্ঞান (Ergonomics Psychology) 62) সাইবার মনোবিজ্ঞান (Cyberpsychology) 63) মিডিয়া মনোবিজ্ঞান (Media Psychology) 64) AI ও মনোবিজ্ঞান (AI & Psychology) 65) গেমিং মনোবিজ্ঞান (Gaming Psychology) 66) রোবোটিক্স মনোবিজ্ঞান (Robotics Psychology) 67) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মনোবিজ্ঞান (Virtual Reality Psychology) 68) পরিবেশ মনোবিজ্ঞান (Environmental Psychology) 69) ইকো-সাইকোলজি (Eco-Psychology) 70) সংরক্ষণ মনোবিজ্ঞান (Conservation Psychology) 71) জলবায়ু পরিবর্তন মনোবিজ্ঞান (Climate Psychology) 72) সামরিক মনোবিজ্ঞান (Military Psychology) 73) দুর্যোগ মনোবিজ্ঞান (Disaster Psychology) 74) সংকট হস্তক্ষেপ মনোবিজ্ঞান (Crisis Psychology) 75) ট্রমা মনোবিজ্ঞান (Trauma Psychology) 76) এভিয়েশন মনোবিজ্ঞান (Aviation Psychology) 77) মহাকাশ মনোবিজ্ঞান (Space Psychology) 78) ট্রান্সপোর্টেশন মনোবিজ্ঞান (Transportation Psychology) 79) ট্রাফিক মনোবিজ্ঞান (Traffic Psychology)

৩০ হাজারে LASIK এর Details ১. কই থেকে করাইসি? - শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা। ২. কারা করাতে পারবে? - বয়স ১৮ এর বেশি -শেষ ১২ মাসে চোখের পাওয়ার যাদের ০.৫ এর বেশি পরিবর্তন হয়নি - মাইনাস পাওয়ার -০.৫০ হতে -১৪.০০ D -প্লাস পাওয়ার +১.০০ হতে +৫.০০ ৩.আমার কত ছিল? - ডান চোখে -7.00D X -3.50Cyl বাম চোখে -4.75D X -4.00Cyl আর স্টেবল ২০২০ সাল থেকে ৪. হসপিটাল স্টে কেমন? - No hospital stay, যেদিন অপারেশন তার সকালে LASIK করে ২-৩ ঘন্টা observation এর পরই বাসায় ৫. আমার পাওয়ার এত এত আমার হবে কিনা? - Depends on your pre LASIK test. আমি তো আপনার সার্জারি করবো না,যে করবে সে বলবে বেটার। আপনার কর্নিয়াল থিকনেস সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর সাথে ড্রাই আই, এলার্জি এগুলাও মেইনটেইন করা লাগবে। ১২ জনের কথায় কান না দিয়ে ডিরেক্ট ডাক্তারের কাছে দেখান। ৬.সার্জন কে? - Associate Prof. AQM Omar Sharif Sir ৭. ফুল কারেকশন? - আমার ডান চোখের thickness কম তাই -১.০০ আন্ডার কারেকশন হইসে কিন্তু ভিশন এখন ৬/৬ ৮.কোন পদ্ধতির LASIK? - Micro Keratome and Femtosecond both are available. সার্জন ঠিক করবে আপনার জন‍্য লাগবে কোনটা। আমার Micro Keratome এ হইসে। ৯. আপনি তো ডাক্তার এজন‍্য করাইতে পারসেন, আমরা কি পারবো নাকি রেফারেন্স ছাড়া? - আমার সাথের আরেকজন যে করাইসে, সে কোনো রেফারেন্স ছাড়াই সিরিয়াল পাইসে।কারন তখনো মানুষ কম জানতো, আর টেস্ট রিপোর্ট আগে জমা দিলে সিরিয়ালও আগে। ১০. খরচ কত? -LASIK এর জন‍্য ১০ টাকার বহির্বিভাগ এর টিকেট আর ড্রাগস আর ইন্সট্রুমেন্ট এর জন‍্য ৩০ হাজার, To be precise ২৮ হাজার, কিন্তু এটা আপনার ল‍্যাসিকের টাইপ, তখন সাপ্লাইয়ে থাকা বিভিন্ন জিনিস এর উপর ডিপেন্ড করবে। আর আমি ইন্টার্ন ডাক্তার হিসেবে ডিসকাউন্ট পেয়েছিলাম কিছু… সো ৩৫-৪০ এর বেশি যাবে না সেটা। ১১. ব‍্যাস ৩০ হাজারই? - এটা LASIK cost.. Pre LASIK কিছু টেস্ট আছে সেটা করতে যত লাগে আপনার।আমি বাইরে থেকে করাইসি ১৩ হাজার লাগসে। শেয়ার করে জানিয়ে দিন আপনার LASIK করতে চাওয়া মানুষদের আর কোনো প্রশ্ন থাকলে বলবেন পরবর্তীতে পোস্টে সবার জন‍্য সেটা বলবো।

১. পর্যাপ্ত ঘুমান: ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি শারীরিক ও মানসিক শক্তির ভিত্তি। ২. প্রতিদিন শরীরচর্চা করুন: এটি কেবল শরীরের জন্য নয়, আপনার মেজাজ এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ঠিক রাখতেও জরুরি। ৩. প্রকৃতির সান্নিধ্যে যান: বাইরে সময় কাটালে মানসিক চাপ কমে। ৪. চিনি এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন: আপনি যা খান, আপনার শরীর ও মন সেভাবেই কাজ করে। ৫. বই পড়ুন: ভিডিও দেখার চেয়ে বই পড়া গভীর চিন্তায় সাহায্য করে। ৬. ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থাকুন: বিশেষ করে ঘুমানোর আগে ফোন ব্যবহার করবেন না। ৭. গভীর মনোযোগ দিয়ে কাজ করুন: দিনে অন্তত ১-২ ঘণ্টা সব ধরনের বিমুখতা (ফোন, ইন্টারনেট) থেকে দূরে থেকে কাজ করুন। ৮. ফলাফলের চেয়ে প্রক্রিয়ায় মনোযোগ দিন: আপনি কী পাচ্ছেন তার চেয়ে আপনি কীভাবে কাজ করছেন সেটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ৯. বিশ্রাম নিন: একটানা কাজ না করে মাঝে মাঝে বিরতি দিন। ১০. অহংকার ত্যাগ করুন: শেখার মানসিকতা বজায় রাখুন। নিজেকে সবজান্তা ভাববেন না। ১১. ছোট ছোট পা ফেলুন: বড় লক্ষ্য অর্জনে প্রতিদিন অল্প অল্প করে এগোতে থাকুন। ১২. সফলতার পেছনে না ছুটে উৎকর্ষের (Excellence) পেছনে ছুটুন: কাজ ভালো হলে সফলতা এমনিতেই আসবে। ১৩. ধৈর্য ধরুন: বড় কোনো কিছু অর্জন করতে সময় লাগে। ১৪. নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখুন: আপনার আবেগ যেন আপনাকে নিয়ন্ত্রণ না করে। ১৫. অনিশ্চয়তাকে গ্রহণ করুন: জীবন সবসময় আপনার পরিকল্পনা অনুযায়ী চলবে না। ১৬. সহমর্মিতা দেখান: অন্যের প্রতি দয়ালু হওয়া আপনার নিজের মানসিক প্রশান্তি বাড়ায়। ১৭. নিজেকে প্রশ্ন করুন: আমি কি সঠিক পথে আছি? আমার জীবনের উদ্দেশ্য কী? ১৮. অল্পতে সন্তুষ্ট থাকা শিখুন: চাহিদার শেষ নেই, তাই যা আছে তা নিয়ে খুশি থাকার চেষ্টা করুন। ১৯. ভালো বন্ধু নির্বাচন করুন: আপনার চারপাশের মানুষ আপনার চিন্তা ও আচরণকে প্রভাবিত করে। ২০. শুনতে শিখুন: কথা বলার চেয়ে অন্যের কথা মন দিয়ে শোনা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ২১. সাহায্য করুন: প্রতিদান না চেয়ে অন্যকে সাহায্য করার আনন্দ অন্যরকম। ২২. পরিবারকে সময় দিন: দিনশেষে পরিবারই আপনার বড় অবলম্বন। ২৩. ভুল থেকে শিখুন: ভুল করা দোষের কিছু নয়, কিন্তু একই ভুল বারবার করা বোকামি। ২৪. অজুহাত দেবেন না: নিজের কাজের দায়ভার নিজেই নিতে শিখুন। ২৫. সরল জীবন যাপন করুন: জীবনকে জটিল করবেন না। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বর্জন করুন। ২৬. বর্তমান মুহূর্তে বাঁচুন: অতীত নিয়ে আফসোস বা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না। ২৭. কৌতূহলী হোন: সবসময় নতুন কিছু জানার আগ্রহ রাখুন। ২৮. স্বাস্থ্যই সম্পদ: শরীর ঠিক না থাকলে কোনো সাফল্যই উপভোগ করা যায় না। ২৯. অন্যের সাথে তুলনা করবেন না: আপনার একমাত্র প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত আপনার নিজের সাথে। ৩০. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন: প্রতিদিন অন্তত তিনটি জিনিসের জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন। ৩১. সাহসী হোন: ভয় পেলেও সঠিক কাজটি করার সাহস রাখুন। ৩২. শখ বজায় রাখুন: কাজের বাইরে এমন কিছু করুন যা আপনাকে আনন্দ দেয়। ৩৩. স্পষ্টভাবে কথা বলুন: মনের কথা সরাসরি এবং নম্রভাবে বলুন। ৩৪. নিজের আদর্শে অটল থাকুন: পরিস্থিতি যাই হোক, নিজের সততা হারাবেন না। ৩৫. মনে রাখুন—জীবন সংক্ষিপ্ত: তাই প্রতিটি দিনকে অর্থবহ করার চেষ্টা করুন। • এই নিয়মগুলো আপনার জীবনকে একবারে বদলে দেবে না, কিন্তু এগুলো নিয়মিত মেনে চললে আপনি একজন উন্নত এবং সুখী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবেন। _____

বাংলাদেশে একটি অদ্ভুত এবং উদ্বেগজনক প্রবণতা বহু বছর ধরে দেখা যাচ্ছে— শিশুর প্রকৃত বয়স ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে Birth Certificate তৈরি করা। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, এই কাজটি করে স্বয়ং পিতামাতাই। অনেক অভিভাবক মনে করেন বয়স এক বা দুই বছর কমিয়ে রাখাটা অনেক “চালাকি” বা ভবিষ্যতের জন্য “স্মার্ট সিদ্ধান্ত”। কিন্তু বাস্তবে এই ভুল সিদ্ধান্তের ক্ষতি বহন করতে হয় শিশুকেই। একটি শিশুর বয়স শুধু একটি সংখ্যা নয়। বয়সের সাথে জড়িত থাকে তার শারীরিক বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ, সামাজিক দক্ষতা, শিক্ষাগত সক্ষমতা এবং চিকিৎসাগত প্রয়োজন। যখন জন্মসনদে বয়স ভুলভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়, তখন শিশুর পুরো Developmental Identity-ই ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়। ধরুন, একটি শিশুর প্রকৃত বয়স ৭ বছর। কিন্তু তার Birth Certificate-এ বয়স লেখা হয়েছে ৫ বছর। এখন ডাক্তার যদি কাগজে থাকা বয়স অনুযায়ী চিকিৎসা পরিকল্পনা করেন, তাহলে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। কারণ চিকিৎসাবিজ্ঞানে বয়স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ওষুধের ডোজ, আচরণগত মূল্যায়ন, Developmental Milestone এবং থেরাপির পরিকল্পনা বয়স অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। প্রকৃত বয়সের চেয়ে কম বয়স ধরে চিকিৎসা করা হলে অনেক সময় চিকিৎসা সঠিকভাবে কার্যকর হয় না। মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব অত্যন্ত গুরুতর। একটি ৭ বছরের শিশুর চিন্তাভাবনা, সামাজিক আচরণ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং খেলাধুলার ধরন স্বাভাবিকভাবেই ৫ বছরের শিশুর তুলনায় আলাদা হয়। কিন্তু বয়স কমিয়ে দেওয়ার কারণে তাকে ছোট শিশুদের সাথে তুলনা করা হয় বা ছোটদের সাথে মানিয়ে চলতে বাধ্য করা হয়। যে বয়সে তার সমবয়সী শিশুদের সাথে খেলাধুলা, শেখা ও সামাজিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার কথা, সে তখন ছোটদের পরিবেশে আটকে যায়। এতে শিশুর সামাজিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। শিক্ষাক্ষেত্রেও এই ভুল তথ্য শিশুর জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। শিক্ষকরা বয়স অনুযায়ী শিশুর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করেন। ফলে বয়স কম থাকলে শিশুর প্রকৃত সক্ষমতা সঠিকভাবে মূল্যায়িত হয় না। আবার অনেক সময় শিশুর কাছ থেকে বয়সের তুলনায় কম প্রত্যাশা করা হয়, যা তার আত্মবিশ্বাস ও বিকাশের ওপর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে Autism, ADHD, Speech Delay, Learning Disability বা অন্যান্য Developmental Condition-এর ক্ষেত্রে সঠিক বয়স জানা অত্যন্ত জরুরি। কারণ Assessment Tool এবং Therapy Goal সবই বয়সভিত্তিকভাবে তৈরি করা হয়। বয়স ভুল হলে পুরো মূল্যায়নই বিভ্রান্তিকর হয়ে যেতে পারে। সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো— অনেক পিতামাতা এটিকে “স্মার্টনেস” মনে করেন, অথচ তারা বুঝতে পারেন না যে এই সাময়িক সুবিধার চিন্তা শিশুর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে। একটি শিশুর প্রকৃত বয়সই তার প্রকৃত পরিচয়। সেখানে ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দেওয়া মানে শিশুর ভবিষ্যৎ বিকাশকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া। শিশুর সুস্থ বিকাশ, সঠিক চিকিৎসা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য তার প্রকৃত বয়স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Ashadujjaman Mondol (Clinical Psychologist)

যখন আপনার জীবনে কোনো স্বপ্ন থাকে না, চ্যালেঞ্জ থাকে না, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আপনার স্কেপ রুট হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু যাদের জীবনে দারুন একটি লক্ষ্য আছে, তাঁরা এই ছোট্ট স্ক্রিনের ফাঁদে পা দেয় না। কারণ তারা জানে মনোযোগ এই পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান মুদ্রা। ## ৬. শুধু বই পড়া না, বই এপ্লাই করা শুরু করুন ষষ্ঠ শিক্ষাটি বই পড়া নিয়ে। অনেকেই বই পড়েন শুধু “আমি এই বইটা পড়েছি” এই তৃপ্তি পাওয়ার জন্য। কিন্তু জ্ঞানের প্রকৃত মূল্য তথ্যে নয়, এর প্রয়োগে। বাস্তবতা হলো, পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ ইতিমধ্যে জানে তাদের কী করা উচিত। সমস্যা জ্ঞানের অভাব নয়, বরং বাস্তবায়নের অভাব। একটা ব্যবসার বই পড়ে যদি ব্যবসা শুরুই না করেন, তাহলে সেই বই বিনোদন ছাড়া আর কিছুই নয়। সত্যিকারের শেখা তখনই হয় যখন আপনি শেখা জিনিস বাস্তবে প্রয়োগ করেন। এটি আরও শক্তিশালী হয় যখন আপনি তা অন্য কাউকে শেখান। কারণ শেখানো আপনার ইন্সাইটকে আরও গভীর করে তোলে। ## ৭. অন্য কারো সাথে নিজেকে Compare করা বন্ধ করুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদের এমন একটি বিভ্রমের মধ্যে ফেলেছে যেখানে মনে হয় সবাই আমাদের থেকে এগিয়ে আছে। কেউ বেশি সফল, কেউ বেশি বুদ্ধিমান, কেউবা বেশি সুন্দর। কিন্তু তুলনা হলো আত্মবিশ্বাসের এক নীরব ঘাতক। কারণ আপনি কখনো অন্য মানুষের পুরো গল্পটি জানেন না। আপনি শুধু তাদের জীবনের উজ্জ্বল অংশটুকুই দেখেন। আপনার জীবনের তৃতীয় অধ্যায়কে অন্য কারো জীবনের সাতাশতম অধ্যায়ের সাথে তুলনা করা বোকামি। প্রত্যেক মানুষের জীবনের টাইম লাইন আলাদা। আপনার পরিবেশ, কষ্ট, সুযোগ এবং সংগ্রাম সবকিছুই অনন্য, কারো সাথেই মিলবে না। আর এই অনন্যতাই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি। পৃথিবী অনুকরণ নয়, বরং ইউনিকনেসকে পুরস্কৃত করে। তাই অন্য কারো মতো হওয়ার চেষ্টা না করে নিজের বেস্ট ভার্সন হওয়ার চেষ্টা করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত। আজ থেকেই নিজের জীবনেঃ * যেসব মানুষ আপনার স্বপ্নকে ছোট করে দেখে, তাদের থেকে ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি করুন। * সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনুন, কারণ এগুলো আপনার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ মনোযোগ চুরি করে। * প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় ডীপ ফোকাস করার অভ্যাস তৈরি করুন। * বই পড়লে সঙ্গে সঙ্গে একটি ছোট পদক্ষেপ নিন, যেন অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনে রেজাল্ট দিতে শুরু করে। * *মনে রাখবেন, জীবন বদলানোর জন্য সব সময় নতুন কিছু শুরু করতে হয় না। অনেক সময় শুধু ভুল জিনিসগুলো ছেড়ে দিলেই মানুষ নিজের আসল পটেনশিয়াল খুঁজে পায়। * *Based on a video by Dan Martell* *Adapted & Analyzed in Bangla by Nur Rahman *

# যে ৭টি অভ্যাস আজই ছেড়ে দিলে আপনি জীবনে অন্যদের চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে যাবেন! আমরা বেশিরভাগ মানুষই ভাবি সফল হতে হলে আরও বেশি কিছু করতে হবে। আরও বেশি কাজ, আরও বেশি হাসল, আরও বেশি কানেকশন। কিন্তু সত্যিটা অদ্ভুত। জীবনে বড় পরিবর্তন অনেক সময় “কী শুরু করলাম” থেকে আসে না, বরং “কী বন্ধ করলাম” সেখান থেকেই আসে। একজন মানুষের জীবন তখনই বদলাতে শুরু করে, যখন সে বুঝতে শেখে সবকিছু ধরে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কিছু জিনিস ছেড়ে দেওয়াও গ্রোথ এর অংশ। আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা সময়ের অভাব নয়। সমস্যা হলো আমরা *ভুল জায়গায়* সময়, শক্তি আর মনোযোগ খরচ করি। আপনি যদি খেয়াল করেন, অনেক মানুষ সারাদিন ব্যস্ত থেকেও জীবনে কোথাও পৌঁছাতে পারে না। আবার কিছু মানুষ তুলনামূলক কম কাজ করেও অসাধারণ ফলাফল তৈরি করে। পার্থক্যটা স্কিল এ নয়, বরং মাইন্ডসেট এ। ## ১। Energy Vampire মানুষদের সাথে সময় কাটানো বন্ধ করো প্রথম যে জিনিসটা একজন সফল মানুষ ছেড়ে দেয়, সেটা হলো এনার্জি ভ্যাম্পায়ার মানুষদের সাথে সময় কাটানো। এমন কিছু মানুষ আছে যারা আপনার জীবনে আসে শুধু কিছু নেওয়ার জন্য। তারা আপনার স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য একটি কাজও করবে না, বরং সুযোগ পেলে আপনার কাছ থেকে নিতে নিতে আপনাকে নিঃশেষ করে ফেলে। মজার ব্যাপার হলো, অনেক সময় আমরা শুধু পুরনো পরিচয়ের কারণে মানুষকে ধরে রাখি। স্কুলে একসাথে পড়তাম, অনেক দিনের বন্ধু কিংবা আত্মীয় এই পরিচয়গুলোকে আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সব পুরনো সম্পর্ক হেলদি নয়। একটা গাছকে যদি প্রতিদিন একটু একটু করে বিষ দেওয়া হয়, সে একদিন শুকিয়ে যাবে। মানুষও তাই। প্রতিদিন যদি আপনি নেতিবাচকতা, অভিযোগ, হিংসা আর নিরুৎসাহের মধ্যে থাকেন, তাহলে আপনার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ধীরে ধীরে মারা যাবে। এজন্য পরিবেশ খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানুষ তার পারিপার্শ্বিকতার গড় হয়ে যায়। ## ২। ভুল মানুষের কাছ থেকে Advice নেওয়া বন্ধ করুন দ্বিতীয় বড় শিক্ষা হলো ভুল মানুষের উপদেশ নেওয়া বন্ধ করা। আজকের পৃথিবীতে উপদেশ বিনামূল্যে পাওয়া যায়, কিন্তু এই ফ্রি উপদেশ আপনার জন্য খুব এক্সপেন্সিভ হতে পারে। সবাই মতামত দিতে ভালোবাসে, কিন্তু সবার মতামতে রেজাল্ট আসে না। একজন আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষ যদি আপনাকে ব্যবসা শেখায়, সেটা ঠিক এমন যেন সাঁতার না জানা কেউ ডুবন্ত মানুষকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। আমরা অনেক সময় বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এমন মানুষের কাছে যাই যারা নিজেরাই সেই স্তরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি। তারপর অবাক হই কেন জীবন পাল্টাচ্ছে না। আপনি যদি অ্যাথলেট হতে চান, তবে অ্যাথলেটের কাছ থেকে শিখুন। ব্যবসা করতে চাইলে ব্যবসায়ীর কাছে যান। কারণ বাস্তব অভিজ্ঞতার মূল্য কোনো তত্ত্ব দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। ## ৩। নিজের পরিস্থিতির জন্য অন্যকে দোষ দেওয়া বন্ধ করুন তৃতীয় যে বিষয়টি জীবন বদলে দেয়, সেটা হলো দোষারোপের খেলা বন্ধ করা। বেশিরভাগ মানুষ নিজের ব্যর্থতার জন্য অর্থনীতি, পরিবার, দেশ, ভাগ্য কিংবা অন্য কাউকে দায়ী করে। কিন্তু অন্যকে দোষ দেওয়ার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এটি আপনাকে যোগ্যতাহীন বানিয়ে দেয়। ধরুন আপনি রান্না করলেন আর খাবার খারাপ হলো। তখন উপকরণের দোষ দিলে খাবার ভালো হবে না। রাঁধুনি হিসেবে নিজেকেই দায় নিতে হবে। জীবনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। আপনি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না, কিন্তু আপনার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। আর এটাই শক্তিশালী মানুষের বৈশিষ্ট্য। যেদিন একজন মানুষ বুঝতে পারে যে নিজের জীবনের দায়িত্ব নিজেরই, সেদিন থেকেই তার উন্নতি শুরু হয়। ## ৪। সব Opportunity তে “Yes” বলা বন্ধ করুন চতুর্থ শিক্ষাটি আরও দারুন। সব সুযোগে হ্যাঁ বলা বন্ধ করা। শুরুতে আমরা ভাবি যত বেশি কাজ, নেটওয়ার্কিং আর অপারচুনিটি ধরব, তত দ্রুত সফল হব। কিন্তু বাস্তবে হয় উল্টোটা। যখন আপনি সবকিছুকে হ্যাঁ বলেন, তখন আসলে কোনো কিছুকেই অগ্রাধিকার দেন না। একটা ব্যাগে যদি ক্রমাগত জিনিস দিয়ে ভরা হয়, একসময় সেটি বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। মানুষের মস্তিষ্কও তাই। ফোকাস হচ্ছে এক অতিমানবীয় শক্তি, একটি সুপার পাওয়ার। স্টিভ জবস বলেছিলেন, প্রডাক্টিভ হওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়গুলোর একটি হলো না বলতে শেখা। ## ৫. ফোনের দাস হয়ে থাকবেন না পঞ্চম বিষয়টি বর্তমান প্রজন্মের সবচেয়ে বড় ফাঁদ, ফোন আসক্তি। মানুষ এখন আর একা থাকতে পারে না। দুই মিনিট অবসর পেলেই ফোন বের করে স্ক্রল করা শুরু করে। কিন্তু এই অভ্যাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো এটি ধীরে ধীরে আপনার *এম্বিশনকে মেরে ফেলে।*

৪. টাইম ব্লকিং দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময়কে নির্দিষ্ট কাজের জন্য 'লক' করে দাও। যেমন: সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ফোন একদম দূরে রেখে শুধু তোমার সিলেক্ট করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে। যখন তোমার সময় আগে থেকেই ব্লক করা থাকবে, তখন তোমাকে বারবার ভাবতে হবে না যে "এখন আমি কী করবো?" যখন তুমি এই ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলো আগে থেকেই ঠিক করে রাখবে, তখন তোমার প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স (মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অংশ) ক্লান্ত হবে না। ফলে তোমার বড় প্রজেক্ট বা ক্রিয়েটিভ কাজের জন্য অনেক বেশি এনার্জি থাকবে। এই অভ্যাসগুলো গড়ে তোলা মানে নিজের স্ট্যান্ডার্ডকে উঁচুতে নিয়ে যাওয়া। Red Pill