uz
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Kanalga Telegram’da o‘tish

🙂🙂🙂

Ko'proq ko'rsatish
1 971
Obunachilar
+124 soatlar
-17 kunlar
-730 kunlar
Postlar arxiv
ইবনুল জাওযী বলেছেন: জ্ঞানী ব্যক্তিরা বলতেন: “তোমার পুত্রের যখন সাত বছর হয় তখন তোমার আদরের ফুল, এবং সাত বছর তোমার ভৃত্য। অতঃপর, যখন তার বয়স চৌদ্দ বছর হয়, তখন যদি তুমি তার সাথে সদ্ব্যবহার করো, তবে সে তোমার অংশীদার হবে, আর যদি তার সাথে দুর্ব্যবহার করো, তবে সে তোমার শত্রু হবে । বয়ঃসন্ধিকালের পর তাকে প্রহার করা উচিত নয়, কিংবা তার সাথে দুর্ব্যবহারও করা উচিত নয়, কারণ তাহলে সে তার পিতার মৃত্যু কামনা করবে, যাতে সে নিজের উপর রাজত্ব করতে পারে।” 📚الطب الروحاني: 61 ↘️"মাক'তাবাতুস সালাফ(مكتبة السلف)"

বাংলাদেশি পিতামাতা তাদের মেয়েকে, তার চেয়ে সাত আট দশ বছরের বড় কারো সাথে 'বিয়ে' দিয়ে দিবে হাসিমুখে! বিয়ের পরে মেয়ের এডজাস্ট করতে সমস্যা হবে প্রচুর, বাবা মা বলবে এডজাস্ট করে নিতে তবু। মেয়ে চেষ্টা করে যাবে, একটা পর্যায়ে এই যন্ত্রণা ঝগড়া নিয়েই মেয়েটা বেঁচে থাকতে শিখে যাবে। বাংলাদেশি পিতামাতা এইসব কিছুই হাসিমুখে মেনে নিবে, কিন্তু মেয়ে তার পছন্দের ব্যাচমেট বা ভালোবাসার মানুষটাকে বিয়ে করুক, এইটা বাংলাদেশি পিতামাতা কখনোই মেনে নিবেন না, NEVER EVER! এইটা বাংলাদেশের খুব কমন একটা দৃশ্য! We are a generation that has grown up with completely wrong parenting. স্কুলে যখন স্টাডি ট্যুরের এনাউন্সমেন্ট আসতো, তখন প্রথম কোন চিন্তাটা আপনি করতেন? ঐদিন কোন জামা বা জুতা পরবেন সেটা? নাকি কত মজা হবে সেটা? না। প্রথম যে কথাটা আপনি ভাবতেন, সেইটা হলো আপনাকে আপনার বাসা থেকে পারমিশন দিবে কি না, কিভাবে বাসায় রাজি করাবেন, আদৌ যাইতে পারবেন কিনা, এসব! আমাদের অনেকের এই স্মৃতিটা আছে : পিকনিকের দিন আগায় আসতেছে, ক্লাস টিচারকে সবাই পিকনিকের টাকা দিচ্ছে, নাম এন্ট্রি করাচ্ছে, আর আপনি বেঞ্চের এক কোণায় বসে এসব দেখতেছেন। পিকনিকের দিন আসছে, সবাই যখন বাসে চড়তেছে, তখন আপনি বাসায় বসে পড়তেছেন, কারণ পিকনিকের দিন স্কুল ছুটি থাকে, তাই আপনাকে বলা হয়েছে সকালে এই সময়টা নষ্ট না করে পড়তে। আপনার মন খারাপ, হু কেয়ারস ম্যান? তারা কেন এমন করতো? কারণ উনারা ভয় পাইতো আপনাকে নিয়ে। যাইতে দিতো না, কারণ পিকনিকের বাস এক্সিডেন্ট করতে পারে, পিকনিক স্পটে পানি আছে, আপনি ডুবে যাইতে পারেন। আমাদেরকে সাঁতার শিখানোর বদলে যেখানে পানি থাকে সেখানে না গিয়ে বাসায় বসে থাকা শিখানো হয়সে সবসময়। ছোটবেলায় এক টাকা দিয়ে খেলা গেমসগুলোর কথা মনে আছে? বিকেলবেলা মাঝেমধ্যে খেলতে যাইতাম। এই গেইম খেলার মধ্যে খারাপ কোন কিছু না থাকার পরও দেখতাম কয়েকজনকে তাদের বাপ মা গেইমের দোকান থেকে কান ধরে মেরেধরে বাসায় নিয়ে যাচ্ছে। কেন? গেইম খেলার মধ্যে খারাপের কি? আমি উত্তর পাই নাই কোনদিন সেটার! আমাদেরকে বলা হয়সে, বাবা মায়ের সব কথা শুনতে হয়, তাদের কথা না শোনা পাপ। আমরা শুনে গেছি, শুনে শুনে অনেকের শৈশব কৈশোরের আনন্দময় বিকাল কাটসে স্যারের সামনে পড়ার টেবিলে। আমরা অনেক শুনসি, শুনে শুনে একটা বয়সে এসে দেখসি, আমাদের পড়াশোনার বাইরে কিছু শেখা হয় নাই, পড়াশোনাটাও আমাদের ইচ্ছামত লাইনে পড়া হয় নাই, আমাদের আসলে কিছুই করা হয় নাই। আপনি যদি খুব ভদ্র কেউ হোন, কখনো তাদের কথার বিরুদ্ধে না যান, তাহলে একটা সময় গিয়ে দেখবেন, আপনার প্রাপ্তি বা আনন্দের খাতাটা শূন্য। আপনি বার্ষিক পরীক্ষার পরে এঞ্জয় না করে উনাদের কথা শুনে কোন বড় ভাই বোন থেকে পুরাতন বই এনে অগ্রীম পড়সেন, জেএসসি পরীক্ষার পরে পঁয়তাল্লিশ দিন বন্ধেও আপনি উনাদের কথা শুনে আগে থেকে নাইন টেনের পড়া পড়সেন, মেট্রিকের পরের বন্ধে সারাদিন টোটো না করে ইন্টারের পড়া পড়সেন, সব কিছু করসেন তাদের কথামত, আপনাকে বলা হয়সে পরে আনন্দ করা যাবে। কিন্তু আনন্দ একটা সময় নির্ভর ব্যাপার, একেক বয়সের আনন্দটা একেকরকম। ক্লাস ফোরে আপনাকে বিকেলে বরফ পানি খেলতে দেয় নাই পড়ার চাপ দিয়ে, বলসে পড়ালেখা শেষ করে আনন্দ করা যাবে। পড়ালেখা শেষ করে পঁচিশ ত্রিশ বছরে কেউ বরফ পানি খেলবে? এখন এসে আপনি জীবনের সার্কেলে ব্যস্ত হয়ে গেছেন, ব্যস্ততার ভীড়ে আপনার ঐসব শখ আর কাজ করে না আগের মত, ভবিষ্যতেও আরো করবে না। অথচ এমনও হইতে পারতো, আপনাকে বার্ষিক পরীক্ষা, জেএসসি বা এসএসসি পরীক্ষার পরে মুক্ত পাখির মত আনন্দ করতে দিতে পারতো, আপনার পছন্দের লাইনে পড়তে দিতে পারতো, পছন্দের মানুষটাকে বিয়ে করতে দিতে পারতো। আমাদেরকে ধর্মের দোহাই দিয়ে উনাদের কথা শুনতে বলা হয়সে, অথচ সেই ধর্মের কথা অনুসারে যখন আপনি পায়ে ধরে সালামটা ঠিক না বলবেন, তখন দেখবেন আপনাকে বেয়াদব আখ্যা দিয়ে ফেলা হয়সে, যখন আপনি গুনাহ কমাতে দ্রুত বিয়ে দেওয়ার কথা বলবেন, তখন উনারা সেটা এড়িয়ে যাবেন। উনারা আমাদের ভালো চান নিঃসন্দেহে, কিন্তু আমাদের খুশিটা কোথায় সেটা জানেন না, জানতে চানও নাই কোনদিন। এই ভুল প্যারেন্টিংয়ের ফাঁকে আমরা "ভালো চাওয়ার" অত্যাচারের মধ্যেই বড় হয়ে গেছি সবাই, মনের মধ্যে অনেক ক্ষোভ আর ক্ষত নিয়ে। আমরা কেউ প্রকাশ করি নাহ! বাবা দিবস বা মা দিবসে খুব ভালোবাসার স্ট্যাটাস আমরা দেই... কিন্তু যে ক্ষতটা তৈরি হয়ে আছে, সেইটা আমরা কখনো একটুও ভুলি নাই। ~ওয়াসেস তামিম

২৯. খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (KMCH) শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:০০ টা ৳১০ টাকা ৩০. সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:৩০ মিনিট ৳১০ টাকা মনে রাখবেন: সব সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ (Emergency Department) ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকে এবং সেখানে টিকিট ফি মাত্র ১০-২০ টাকা। সরকারি ছুটির দিন এবং শুক্রবার সরকারি হাসপাতালের ওপিডি (Outdoor) সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। পিজিতে (BMU) এখন বৈকালিক বিশেষ ওপিডি সেবাও চালু আছে। পোস্টটি প্রচুর শেয়ার (Share) করে আপনার পরিচিত সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন। মানুষের ভোগান্তি কমাতে MediPost-এর এই ক্ষুদ্র প্রয়াস সবার টাইমলাইনে থাকা জরুরি! বাংলাদেশ হাসপাতাল OPD সময়সূচি | হাসপাতালের টিকিট মূল্য | সরকারি হাসপাতালের OPD | ঢাকা হাসপাতাল তালিকা, হাসপাতাল বহির্বিভাগ সময় | হাসপাতালের টিকিট কত টাকা | ঢাকা সরকারি হাসপাতাল | বাংলাদেশের হাসপাতাল গাইড | OPD time Bangladesh | hospital ticket price Bangladesh | #MediPost #HospitalOPDSchedule #BangladeshHospitals #DhakaMedical #BSMMU #OutpatientGuide #BDHealth #ViralPost #HospitalGuide #OPD #হাসপাতাল #হাসপাতালেরতথ্য #OPDসময় #টিকিটফি #সরকারিহাসপাতাল #ঢাকারহাসপাতাল #স্বাস্থ্যতথ্য #HealthTips #BangladeshHospital #HospitalOPD #DhakaHospital #স্বাস্থ্যসচেতনতা

হাসপাতাল গাইড: বাংলাদেশের ৩০টি প্রধান হাসপাতালের OPD (বহির্বিভাগ) সময়সূচি ও টিকিট ফি! জরুরি সময়ে কোন হাসপাতালে কখন ডাক্তার বসে, টিকিট কাটতে কত টাকা লাগে এবং কখন টিকিট কাউন্টার বন্ধ হয়—তা না জানার কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হন। বিপদের সময় ১টি মিনিটও গুরুত্বপূর্ণ! তাই পুরো বাংলাদেশের প্রধান ৩০টি হাসপাতালের ওপিডি (OPD) গাইড এখনই নিজের আইডিতে সেভ (Save) ও শেয়ার (Share) করে রাখুন। নিয়মিত নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা তথ্যের জন্য ফলো দিয়ে রাখুন MediPost! ১. শাহবাগ, রমনা ও পুরান ঢাকা এলাকা (সরকারি ও বিশেষায়িত) হাসপাতালের নাম ওপিডি দিন ও সময় ⏰ টিকিট কাউন্টার বন্ধ 🛑 টিকিট ফি 🎫 ১. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (DMCH) DMCH শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:৩০ মিনিট ৳১০ টাকা ২. পিজি হাসপাতাল (BMU) শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:০০) দুপুর ১২:৩০ মিনিট ৳৩০ টাকা (সাধারণ) / ২০০-৫০০ (স্পেশাল) ৩. বারдем জেনারেল হাসপাতাল (BIRDEM) BIRDEM প্রতিদিন (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:০০) দুপুর ১২:০০ টা মেম্বারশিপ ও বিভাগ অনুযায়ী আলাদা ৪. ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল Ibrahim Cardiac শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - বিকেল ৪:০০) বিকেল ৩:০০ টা ডাক্তার ভেদে ভিন্ন ৫. হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৯:০০ - দুপুর ১:০০) দুপুর ১২:৩০ মিনিট ৳৪০০ - ৳৬০০ টাকা ৬. সলিমুল্লাহ মেডিকেল ও মিটফোর্ড হাসপাতাল শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:৩০ মিনিট ৳১০ টাকা ২. শেরেবাংলা নগর, পান্থপথ ও শ্যামলী এলাকা (বিশেষায়িত ক্লাস্টার) হাসপাতালের নাম ওপিডি দিন ও সময় ⏰ টিকিট কাউন্টার বন্ধ 🛑 টিকিট ফি 🎫 ৭. শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:৩০ মিনিট ৳১০ টাকা ৮. পঙ্গু হাসপাতাল (NITOR) শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:০০ টা ৳১০ টাকা ৯. বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট প্রতিদিন (সকাল ৮:০০ - দুপুর ১:০০) দুপুর ১২:০০ টা ৳২০ - ৳৫০ টাকা ১০. জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট (NICVD) শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:০০ টা ৳১০ টাকা ১১. জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:০০ টা ৳১০ টাকা ১২. জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:০০ টা ৳১০ টাকা ১৩. জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:০০ টা ৳১০ টাকা ১৪. জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:০০ টা ৳১০ টাকা ১৫. স্কয়ার হাসপাতাল লি. Square Hospital শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৯:০০ - রাত ৮:০০) সিরিয়াল অনুযায়ী ৳১০০০ - ৳১৫০০+ টাকা ১৬. বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রতিদিন (সকাল ৯:০০ - রাত ৯:০০) সিরিয়াল অনুযায়ী ৳১০০০ - ৳১২০০+ টাকা ৩. ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা ও বসুন্ধরা এলাকা (বেসরকারি ক্লাস্টার) হাসপাতালের নাম ওপিডি দিন ও সময় ⏰ টিকিট কাউন্টার বন্ধ 🛑 টিকিট ফি 🎫 ১৭. ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রতিদিন (সকাল ৯:০০ - রাত ৯:০০) সিরিয়াল অনুযায়ী ৳১০০০ - ৳১৫০০ টাকা ১৮. ইবনে সিনা স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রতিদিন (সকাল ৮:০০ - রাত ৯:০০) সিরিয়াল অনুযায়ী ৳৭০০ - ৳১০০০ টাকা ১৯. পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিদিন (সকাল ৯:০০ - রাত ৮:০০) সিরিয়াল অনুযায়ী ৳৮০০ - ৳১২০০ টাকা ২০. গ্রীন লাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৯:০০ - বিকেল ৫:০০) বিকেল ৪:০০ টা ৳৮০০ - ৳১০০০ টাকা ২১. এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা প্রতিদিন (সকাল ৯:০০ - বিকেল ৫:০০) অ্যাপয়েন্টমেন্ট সাপেক্ষে ৳১৫০০ - ৳২৫০০ টাকা ২২. ইউনাইটেড হাসপাতাল লিমিটেড প্রতিদিন (সকাল ৯:০০ - বিকেল ৫:০০) অ্যাপয়েন্টমেন্ট সাপেক্ষে ৳১৫০০ - ৳২০০০+ টাকা ২৩. কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:৩০ মিনিট ৳১০ টাকা ২৪. কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:০০ টা ৳১০ টাকা ২৫. ইসলামিয়া চোখ হাসপাতাল (ফার্মগেট) Islamia Eye শনি থেকে বুধ (৭:৩০-৫:০০), বৃহস্পতি (৭:৩০-১:৩০) কাউন্টার ফুল হওয়া পর্যন্ত ৳১০০ - ৳৩০০+ টাকা ৪. ঢাকার বাইরের প্রধান বিভাগীয় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল হাসপাতালের নাম ওপিডি দিন ও সময় ⏰টিকিট কাউন্টার বন্ধ 🛑 টিকিট ফি 🎫 ২৬. চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (CMCH) শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:০০ টা ৳১০ টাকা ২৭. এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রাম প্রতিদিন (সকাল ৯:০০ - বিকেল ৫:০০) অ্যাপয়েন্টমেন্ট সাপেক্ষে ৳১২০০ - ৳২০০০ টাকা ২৮. রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (RMCH) শনি থেকে বৃহস্পতি (সকাল ৮:০০ - দুপুর ২:৩০) দুপুর ১:৩০ মিনিট ৳১০ টাকা

ব্রেস্ট ছাড়া আপনার বুকের মাপ ৩৬ ইঞ্চি, ব্রেস্ট সহ আপনার বুকের মাপ ৩৮ ইঞ্চি । ২ ইঞ্চি বেশি হওয়ার কারণে তখন আপনার ব্রা সাইজ লেখা হবে 36 B । ৩৬ বি । এখন যদি ব্রেস্ট সহ আপনার বুকের মাপ ৪০ ইঞ্চি হতো, কিন্তু আপনার ব্রেস্ট ছাড়া বুকের মাপ কেবল ৩৬ হতো, তখন আপনার ব্রা এর মাপ লিখতে হতো 36 D ।

কেমন করে আপনার ব্রায়ের সঠিক মাপ জানবেন +----++---++++------+ ডা. অপূর্ব চৌধুরী মেয়েদের ব্রা পরা কি জরুরী? অথবা মেয়েরা কেন ব্রা পরে ! আমার ধারণা, আমাদের দেশের বেশিরভাগ মেয়েরাই জানে না - কেন তারা ব্রা পরেন । মানে সঠিক কারণটি জানেন না, অন্যরাও পরে, তাই নিজেরাও পরেন । নিজের ব্লাউজের মাপ জানেন, কামিজের মাপ জানেন, কিন্তু ব্রায়ের সঠিক মাপ আসলে কতটা জানেন, জানিনা । বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হয়তো তারা পরতে পরতে যেটা ফিট মনে হয়, ফিট মনে করেন, সেটাকেই ঠিক করে নেন তার ব্রা সাইজ । তিনটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব । ব্রা পরা কি আসলেই জরুরী ? ব্রা -এর কাজ কী ? কেমন করে আপনার ব্রায়ের মাপ জানবেন । ব্রা পরা কি আসলেই জরুরী ! না, ব্রা পরা জরুরি নয় । বিশেষ করে সবার জন্য ব্রা পরা জরুরি নয় । বরং অনেক ক্ষেত্রে ব্রা এর ভুল মাপ অথবা ভুল ভুল ব্রা সাইজ উপকারের চেয়ে ক্ষতি করে আরও বেশি । কি ক্ষতি করে, সেটা পরে বলব । তার আগে বলে নেই, ব্রা পরা কাদের জন্য উপকারী । বিশেষ করে যাদের ব্রেস্ট বড়, বুকের মাপের তুলনায় বড়, ভারী, এবং বিশেষ কিছু সময় যেমন: প্রেগন্যান্সির সময়, বাচ্চা হওয়ার পরের সময়, ব্রেস্ট ফিডিং এর সময়, যখন স্বাভাবিকভাবে ব্রেস্ট বড় হয়ে যায়, শরীরকে নাড়াচাড়া করতে হয় অনেক বেশি এমন পরিস্থিতি গুলোতে, বিশেষ করে স্পোর্টস, পরিশ্রম মূলক কাজ, সৈনিক, অর্থাৎ শরীরকে যেখানে অনেক বেশি মুভমেন্ট করতে হয়, এসবক্ষেত্রে ব্রা পরা উপকারী এবং দরকারি । আর এই উপকারটাই হলো ব্রা এর কাজ । ব্রায়ের কাজ হল ব্রেস্ট এবং নিপলকে সাপোর্ট দেয়া । কারণ এটি শরীর মুভমেন্টের সময় যে পরিমাণ মুভমেন্ট করে, শরীরের একটি অঙ্গ হিসাবে ভারের কারণে নিচের দিকে টানে, তাতে শরীরে অস্বস্তি দেয়, অনেক সময় ব্যথাও করে । তখন ব্রায়ের সাপোর্ট এই অস্বস্তি থেকে রক্ষা করে । এর বাহিরে ব্রা এর আসলে তেমন কোন কাজ নেই । অনেকেই মনে করেন, ব্রা পরলে ব্রেস্ট ঝুলে পড়ে না । এই ধারণাটাও ভুল । ব্রেস্টের ঝুলে পড়া শরীরের ত্বক, ব্রেস্টের ইলাস্টিসিটি, বুকের মাসল, বয়স এবং জেনেটিক্স, অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে । ব্রা পরে চেপে রাখলেই আপনার ব্রেস্ট ঝুলে পড়বে না, ব্যাপারটা চিকিৎসা বিজ্ঞান কোনভাবেই সাপোর্ট করে না । তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে যত দ্রুত এই ঝুলে পড়ার অবস্থানটি বয়স ভেদে তৈরি হবে, কেবল সেক্ষেত্রে সেটাকে কিছুটা ধীর করতে পারে, ব্রেস্ট এর শেইপ দ্রুত পরিবর্তনের হাত থেকে কিছুটা থামায় । এর চেয়ে বেশি কিছু নয় । তারমানে ব্রা পরাটা যতটা জরুরি মনে করে মেয়েরা পরেন, বাস্তবে এটার শারীরিক এবং স্বাস্থ্যগত তেমন কোন উপকার নেই । যদি না শারীরিকভাবে উপরের কারণগুলোর কোন একটি অবস্থার তৈরি না হয় । অনেকের যদি এরকম ব্রা পরার প্রয়োজন হয়, তখন শুধু বাহিরে নয়, ঘরেও ব্রা পরা উচিত । আমাদের দেশের মেয়েরা মনে করে যে - কেবল বাহিরে গেলে ব্রা পরতে হবে, যাতে ব্রেস্ট ঢেকে রাখা যায় । ঘরে এবং বাহিরে, দুই জায়গাতেই ব্রা পরা যায়, যখন ব্রা তার সাপোর্টের কাজটি করে । এক্ষেত্রে বাইরে যেমন অস্বস্তি লাগবে সাপোর্ট না দিলে, ঘরেও তেমন অস্বস্তি লাগবে সাপোর্ট না পরলে । এবার আসি ভুল মাপের ব্রা পরলে কী হয় । ভুল মাপের ব্রা পরে সারাদিন ঘোরার পরে দেখবেন, আপনার কাঁধ ব্যথা করছে, পিঠ ব্যথা করছে, ঘাড় ব্যথা করছে, এমনকি সেই পিঠের ব্যথা কোমর পর্যন্ত চলে গেছে । খুব বেশি টাইট ব্রা, ভুল মাপের ব্রা, ত্বকে যেমন দাগ ফেলে দেয়, তেমনি অনেক ক্ষেত্রে ইলাস্টিকের জায়গাগুলোতে চুলকানি, ক্ষত, ত্বকের বারবার ফ্রিকশন, এমন অনেক কিছু হতে পারে । ভুল বা টাইট ব্রা দীর্ঘক্ষণ পরে থাকলে নিপলেরও ব্যথা করে । বেশি টাইট ব্রা, বেশি লুজ ব্রা, এবং দীর্ঘক্ষণ ব্রা পরে থাকা, তিনটাই শরীরের জন্য ক্ষতিকর । এই তিনটি লক্ষ্য রাখবেন । এবার আসি কী করে মাপবেন আপনার জন্য সঠিক ব্রা এর মাপ । খুব কমন একটা ব্রা এর মাপ উদাহরণ হিসেবে ধরে ব্যাপারটা বুঝিয়ে দেই সহজ করে । বাংলাদেশের বেশিরভাগ মেয়েদের ব্রেস্ট সাইজ অ্যাভারেজ কত হতে পারে । অনুমান করে না বলি । তাতে আবার ছোট সাইজেরা মনঃক্ষুণ্ণ হবেন, বড় সাইজেরা খুশি হয়ে যাবেন । ধরে নিলাম 36 B । একটি হলো সংখ্যা, আরেকটি লেটার । সহজ করে সংখ্যাটি হল আপনার বুকের মাপ, আর অক্ষরটি হল আপনার ব্রেস্টের মাপ । 36 ইঞ্চি হলো আপনার বুকের মাপ । এই বুকের মাপটা নেবেন ব্রেস্টের নিচ থেকে ফিতা ধরে পুরো বুক পিঠ জুড়ে । অক্ষরটি হল আপনার ব্রেস্টের কাপের সহ মাপ ।অক্ষরকে কে মাপবেন নিপলের উপর ফিতা রেখে বুকের চারিপাশে পিঠ সহ মাপ । এখন একটু কনফিউজড হয়ে যাবেন, A, B, C, D এগুলো দিয়ে কি বুঝায় এবং কিভাবে কোনটি হবে । যদি বুকের মাপের চেয়ে ১ ইঞ্চি বেশি হয় ব্রেস্টের মাপ, তাহলে A হবে, ২ ইঞ্চি বেশি হলে B, ৩ ইঞ্চি বেশি হলে C এবং ৪ ইঞ্চি বেশি হলে D । এমন করে E, F, G, H পর্যন্ত আছে । তাহলে 36 B এটার অর্থ দাঁড়ালো :

বাংলাদেশী ব্র‍্যান্ডের প্রোডাক্ট আমি ফেসে ইউজুয়ালি ট্রাই করিনা। বডিকেয়ার প্রোডাক্টগুলো আগ্রহ নিয়ে ট্রাই করি আর তার মাঝে The Celeste আমাকে অনেক বেশি ইম্প্রেস করে ফেলেছে। আপনারা হয়তো জানেন এটা The Ordinary Glycolic Acid 7% টোনারের ড্যুপ হিসাবে ক্লেইম করেছে অনেকে। ড্যুপ ঠিক বলতে পারছিনা তবে এটা কাজ করে। অনেক সময় নেয়। বাজেট থাকলে The Ordinary নিন। 𝐓𝐡𝐞 𝐎𝐫𝐝𝐢𝐧𝐚𝐫𝐲 𝐠𝐥𝐲𝐜𝐨𝐥𝐢𝐜 𝐚𝐜𝐢𝐝 𝟕% 𝐓𝐨𝐧𝐞𝐫 দ্যা অর্ডিনারির প্রোডাক্টের নকল বেশি হয়। এই গ্লাইকোলিক এসিড টোনার কত পেইজ যে নকল সেল করে। কিন্তু প্রোডাক্টটা এত ভালো বলে ইউজ করার লোভ ছাড়তে পারিনা। বডি বেশ ব্রাইট থাকে ইউজ করলে এবং ট্যান কমানোর জন্য এর সাথে সানস্ক্রিনের কম্বো বেশ ইফেক্টিভ। টেক্সচার ইম্প্রুভের জন্য বিশেষ ভাবে রেকমেন্ডেড! *** 𝐆𝐥𝐲𝐜𝐨-𝟔 নামের একটা ফার্মেসি ক্রিম আছে। যাদের বাজেট ইস্যু তারা এটা ট্রাই করতে পারেন এক্সফোলিয়েশন এর জন্য। 🍃 আমি চাচ্ছিলাম কোনটা কোন বেলায়, কয়দিন ইউজ করবেন এমন কিছু গাইডলাইন দিতে। কিন্তু বডিকেয়ার রুটিন স্কিন কেয়ার রুটিনের মতোই একেকজনের জন্য একেকরকম। আপনারা কমেন্টবক্সে শেয়ার করলে এবং কোন প্রোডাক্ট এখান থেকে অ্যাড করতে চাচ্ছেন তা জানালে বুঝিয়ে বলতে পারব বিষয়গুলো। সবার জন্য সেইম রুটিন প্রযোজ্য নয়। এখানে যে প্রোডাক্টগুলোর নাম এক্সফোলিয়েশন পার্টে বলা হয়েছে, প্রত্যেকটাই প্রাইভেট এরিয়ার দুই পাশে অর্থাৎ দুই রানের অংশে, ইনার থাই এরিয়ার পিগমেন্টেশন কমাতে হেল্পফুল। ভ্যাজাইনাল এরিয়ায় কোনো এক্সফোলিয়েটিং প্রোডাক্ট ইউজ করা উচিত হবেনা। এছাড়াও এক্সফোলিয়েশন পার্ট বডির ট্যান কমাতে, স্মুদ করতে, ব্রাইট করতে সবচেয়ে হেল্পফুল বলে আমার কাছে মনে হয়। পাশাপাশি আপনাকে বেসিক বডিকেয়ার কন্টিনিউ করে যেতে হবে। কিছু লাক্সারি বডিকেয়ার প্রোডাক্ট আছে যেমন ডাভের বডি স্ক্রাব, বডি পলিশ… এগুলো ব্যক্তিগত ভাবে আমার পছন্দ এবং অতিরিক্ত সেন্সিটিভ যাদের বডি, তারা এক্সফোলিয়েশনের জন্য ইউজ করতে পারে। অল্টারনেটিভ অপশন হিসাবে বাথসল্ট আছে যেগুলো সেন্সিটিভ বডির স্কিনে আমি রেকমেন্ড করছিনা। এক্সফোলিয়েশন করলে যে বডির হাইড্রেশনকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হয়, সেই সাথে সান প্রোটেকশনকেও… ভুলে যাবেননা কিন্তু ❤️ 𝐁𝐫𝐢𝐠𝐡𝐭𝐞𝐧𝐢𝐧𝐠 𝐏𝐫𝐨𝐝𝐮𝐜𝐭 আমাকে অনেক আপু জিজ্ঞাসা করেছেন APLB এর গ্লুটাথিওন নায়াসিনামাইড বডি লোশনটা ব্রাইটেনিং এর জন্য কেমন। আমি এটা দুই বোতল শেষ করেছি তবে ব্রাইটেনিং, ট্যান রিমুভে আলাদা করে কোনো এক্সেপশন চোখে পড়েনি। বডি গ্লোয়ি লাগে, সেটা তো হাইড্রেটিং প্রোডাক্ট থেকেও পাই। যাদের নতুন প্রোডাক্ট ট্রাই করতে ভালো লাগে তারা নিতে পারেন। ব্রাইটেনিং এর জন্য Kojie San Soap নিতে পারেন কিন্তু এটা অনেক হার্শ লাগবে। বডি ওভারড্রাই করে ফেলে। সপ্তাহে ১-২ দিন ইউজ করলে করতে পারেন কিন্তু আমি বলব আলাদা করে ব্রাইটেনিং প্রোডাক্ট না কিনলেও হবে। এক্সফোলিয়েশন এর রুটিন ভালো ভাবে মেইনটেইন করুন। 🌻 একটা পারফেক্ট বডিকেয়ার রুটিনে থাকে বডি ভালোভাবে ক্লিন করতে পারা, হাইড্রেশন দেয়া, সান প্রোটেকশন দেয়া এবং এক্সফোলিয়েশন করার মতো প্রোডাক্টের কম্বিনেশন। আপনাকে এখন শুধু নিজের মতো কাস্টোমাইজ করে নিতে হবে। সব একসাথে কেনা হয়তো সম্ভব না, ধীরে ধীরে প্রয়োজন বুঝে কিনতে হবে। আমি সব পোস্টের শেষে আপুদের জন্য কিছু টিপস রাখি। তবে বডি কেয়ার রুটিন এত বেশি কাস্টোমাইজেবল যে আমার মনে হয় কমেন্টবক্সে আপনারা প্রশ্ন করলেই ভালো হবে, একেকজনের রুটিন অনুযায়ী আলাদা আলাদা টিপস ওয়ার্ক করবে। কমেন্টে আপনার বডি রিলেটেড এক্সপেক্টেশন শেয়ার করতে পারেন যে বডিতে আপনি কী কী চেঞ্জ আনতে চান বা যেকোনো প্রশ্ন জানাতে পারেন। আমি রিপ্লাই করব ইনশাআল্লাহ ❤️ ****নেক্সট পার্টে আসছে প্রাইভেট এরিয়ার হাইজিন, ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ সহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🍃 আপনি যদি চান যে আপনার ফিডে এমন কন্টেন্ট আরও আসুক, তাহলে ফলো করুন- Mubashwira In Her Glow Up Arc ***কপি করা নিষেধ, শেয়ার করলে ভালো লাগবে💚 ©2026[Mubashwira In Her Glow Up Arc].All rights reserved. Do not post without credit. Date : 24 July Time : 11:25 AM

🍃 প্রোডাক্ট সাজেশন : 𝐃𝐞 𝐂𝐨𝐧𝐬𝐭𝐫𝐮𝐜𝐭 𝐒𝐮𝐧𝐬𝐜𝐫𝐞𝐞𝐧 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐥𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧 - এটা আমার এক ফ্রেন্ড ইন্ডিয়া থেকে এনে দিয়েছিল। বাংলাদেশেও দু একটা পেইজে দেখেছি। বেশ ভালো, যদিও উইশকেয়ারের জনপ্রিয়তা বেশি। আমি উইশকেয়ার ইউজ করেছি আগে। আমার কাছে De construct ও বেশ ভালো লেগেছে। 𝐖𝐢𝐬𝐡𝐜𝐚𝐫𝐞 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐒𝐮𝐧𝐬𝐜𝐫𝐞𝐞𝐧 - ১০০০ টাকার মধ্যে (৪) হাইড্রেটিং বডি লোশন ও অয়েল : হাইড্রেশন কিন্তু যেকোনো স্কিন টাইপের বডির জন্য মাস্ট। অনেকটা ফেসের স্কিনের মতো.. যেকোনো স্কিন টাইপের জন্য যেমন ময়েশ্চারাইজার দরকার হয়। এটা ইউজ না করলে বডি কখনোই স্মুদ হবেনা, বডির ডালনেস কখনো যাবেনা। হাইড্রেটিং বডিলোশন ইউজ করাটা আমার কাছে বেস্ট ডিসিশন মনে হয় সবসময়। আলাদা করে গ্লো এর জন্য কিছু ইউজ করতে হয় না, বডির ডালনেস এমনিই চলে যায়। 𝐕𝐚𝐬𝐞𝐥𝐢𝐧𝐞 এর 𝐆𝐥𝐮𝐭𝐚 𝐡𝐲𝐚 𝐬𝐞𝐫𝐮𝐦 𝐛𝐮𝐫𝐬𝐭 𝐥𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧 টাইপের প্রোডাক্টগুলো আমি শখ করে ইউজ করেছি গ্লো এর জন্য। হাইড্রেটিং বডিলোশনের তুলনায় আলাদা কিছু মনে হয়নি, ব্রাইটেনিং এ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা দেখিনি। ডালনেস কমাতে কিছুটা হেল্প করে। আমার পছন্দের বডিলোশন, বডিঅয়েলগুলো হচ্ছে- 🍃প্রোডাক্ট সাজেশন- 𝐏𝐚𝐫𝐚𝐜𝐡𝐮𝐭𝐞 𝐒𝐤𝐢𝐧𝐩𝐮𝐫𝐞 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐥𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧 ( 𝐬𝐡𝐞𝐚 𝐛𝐮𝐭𝐭𝐞𝐫) - এটা স্টুডেন্টদের ভালো লাগবে। স্মেলও মন্দ না। হাইড্রেশন লংলাস্টিং করার জন্য গ্লিসারিন মিক্স করে ইউজ করতে পারেন। পরিমাণ অনুযায়ী দাম অনেক বাজেট ফ্রেন্ডলি। 𝐕𝐚𝐬𝐞𝐥𝐢𝐧𝐞 𝐈𝐧𝐭𝐞𝐧𝐬𝐢𝐯𝐞 𝐜𝐚𝐫𝐞 𝐜𝐨𝐜𝐨𝐚 𝐠𝐥𝐨𝐰 𝐥𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧- আমার অন্যতম পছন্দের বডিলোশন। নামের সাথেই গ্লো আছে এবং বডিতে ইউজের পর হেলদি একটা গ্লো দেখা যায়। গোসলের পর ইউজ করতে ভালো লাগে। 𝐕𝐚𝐬𝐞𝐥𝐢𝐧𝐞 𝐈𝐧𝐭𝐞𝐧𝐬𝐢𝐯𝐞 𝐂𝐚𝐫𝐞 𝐂𝐨𝐜𝐨𝐚 𝐑𝐚𝐝𝐢𝐚𝐧𝐭 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐎𝐢𝐥 - এটা আমার রাতের বডি কেয়ার রুটিনে থাকে। যেদিন আমি এক্সফোলিয়েটিং কোনো প্রোডাক্ট বডিতে এপ্লাই করি, ময়েশ্চার লক করার জন্য এটা ইউজ করা মাস্ট আমার জন্য। দিনেও ইউজ করতে পারেন… এর গ্লো আর স্মুদ ফিনিশের রীতিমতো ফ্যান আমি। এত নতুন নতুন লোশন ট্রাই করা হলো কিন্তু ভ্যাসলিন বডি অয়েলের চেয়ে বেটার কিছু পেলাম না। 🌻 বেসিক শেষ। আপনাদেরকে যে এ প্রোডাক্টগুলোই পারচেজ করতে হবে এমন না, বাজেটের মধ্যে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী কিনতে পারবেন। এবার অ্যাডভান্সড কেয়ার নিয়ে বলা যাক। অ্যাডভান্সড কেয়ারের জন্য বডিকেয়ার রুটিনে অপশনের শেষ নেই। অ্যাডভান্সড কেয়ার মূলত সমস্যাকে টার্গেট করে করা হয়। সেটা প্রতিরোধমূলক বা সমস্যা যাতে না হয় সেজন্যও করা উচিত এবং প্রতিকারমূলক বা সমস্যা হলে যাতে সমাধান হয় সেজন্যও করা উচিত। আগে হোক, পরে হোক অ্যাডভান্সড কেয়ারে আপনাকে আস্তে আস্তে শিফট করতে হবে যদি এগুলো নিশ্চিত করতে চান। 𝗘𝘅𝗳𝗼𝗹𝗶𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻 অ্যাডভান্সড কেয়ারে ব্রাইটেনিং এর চেয়ে এক্সফোলিয়েটিং প্রোডাক্টগুলো আমার কাছে বেশি ভালো লাগে। এক্সফোলিয়েশনই মাঝেমধ্যে যথেষ্ট হয়ে যায় সমস্যা সলভ করতে। যাদের বডিতে স্মুদনেস, পিগমেন্টেশন রিলেটেড কোনো সমস্যা নেই তাদের জন্যও কিন্তু এক্সফোলিয়েশন জরুরি। এক্সফোলিয়েট করলে বডি ব্রাইট থাকে, টেক্সচার সুন্দর থাকে, দাগ পড়লে দ্রুত হালকা হয়, ট্যান ফেড হতে কম সময় নেয় । এক্সফোলিয়েটিং প্রোডাক্ট গুলো বিভিন্ন ফর্মে পাওয়া যায়.. আমি সবগুলোই বলার চেষ্টা করছি। যার যেটা সুবিধা, সেটা নেবেন। প্রত্যেকটা থেকে একটা করে নিতে হবেনা, সবগুলো থেকে বেছে একটা নেবেন। এক্সফোলিয়েশন সপ্তাহে ৩-৪ দিনের বেশি করবেননা। আমি ৩ দিন করে করি, আগে ৪ দিন করতাম। 𝐄𝐱𝐟𝐨𝐥𝐢𝐚𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐁𝐨𝐝𝐲𝐰𝐚𝐬𝐡 - 𝐂𝐡𝐞𝐦𝐢𝐬𝐭 𝐀𝐭 𝐩𝐥𝐚𝐲 𝐝𝐚𝐢𝐥𝐲 𝐞𝐱𝐟𝐨𝐥𝐢𝐚𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐛𝐨𝐝𝐲 𝐰𝐚𝐬𝐡 ( 𝐎𝐫𝐚𝐧𝐠𝐞 𝐨𝐧𝐞) - এটার দাম ১০০০ এর আশেপাশেই হয় সবসময়। যাদের স্ট্রবেরি স্কিনের সমস্যা আছে, বডির টেক্সচার স্মুদ লাগেনা তাদের জন্য এটা বেশ ভালো। ডিটেইলড রিভিউ পেইজে দেয়া আছে। পড়তে চাইলে কমেন্টবক্সে জানাবেন লিংক দিয়ে দেয়া হবে💛 𝐄𝐱𝐟𝐨𝐥𝐢𝐚𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐁𝐨𝐝𝐲𝐥𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧- 𝐖𝐢𝐬𝐡𝐜𝐚𝐫𝐞 𝐀𝐇𝐀 𝐁𝐇𝐀 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐋𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧 - খুবই ভালো লাগে। ১০/১০। যারা এক্সফোলিয়েশন জার্নি শুরু করতে চাচ্ছেন এটা নিতে পারেন। আমি কিনতেই থাকি এটা। ****𝐖𝐢𝐬𝐡𝐜𝐚𝐫𝐞 𝐔𝐧𝐝𝐞𝐫𝐚𝐫𝐦 𝐫𝐨𝐥𝐥 𝐨𝐧 𝐬𝐞𝐫𝐮𝐦 টাও সারপ্রাইজিংলি বডির পিগমেন্টেশন এর জন্য অনেক ভালো। আমি এটাও কিনি দরকার পড়লে। 𝐄𝐱𝐟𝐨𝐥𝐢𝐚𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐓𝐨𝐧𝐞𝐫 - 𝐒𝐨𝐦𝐞 𝐛𝐲 𝐦𝐢 𝐚𝐡𝐚 𝐛𝐡𝐚 𝐩𝐡𝐚 𝐦𝐢𝐫𝐚𝐜𝐥𝐞 𝐭𝐨𝐧𝐞𝐫 - এটার বড় সাইজটা ইউজ করা মানে বডির জন্য বিগিনার ফ্রেন্ডলি এক্সফোলিয়েটর রুটিনে যোগ করে নেয়া। টেক্সচার মোটামুটি ভালোই ইম্প্রুভ করতে পারে। দাগে হেল্পফুল হবেনা। 𝐓𝐡𝐞 𝐂𝐞𝐥𝐞𝐬𝐭𝐞 𝟕% 𝐆𝐥𝐲𝐜𝐨𝐥𝐢𝐜 𝐀𝐜𝐢𝐝 𝐓𝐨𝐧𝐞𝐫 -

প্রাইভেট এরিয়া সহ পুরো বডির যত্ন যেভাবে নেবেন :- এই রুটিন ফলো করলে নিজের বাজেট অনুযায়ী বডি কেয়ার করতে পারবেন এবং বেসিক টু অ্যাডভান্সড বডি কেয়ার কীভাবে নিতে হয় , কী প্রোডাক্ট ইউজ করতে হয় এ বিষয়ে আইডিয়া পাবেন। রুটিনে থাকছে - (১) বডি ব্রাইট করার উপায় (২) ট্যান দূর করার উপায় (৩) বডির অ্যান্টি এজিং (৪) বডি স্মুদ করার টেকনিক (৫) প্রাইভেট এরিয়ার আশেপাশের পিগমেন্টেশন কমানোর টিপস (ইনার থাই এরিয়া) সেই সাথে প্রোডাক্ট সাজেশন তো থাকছেই। আমি চেষ্টা করব প্রোডাক্টগুলোর শর্ট রিভিউ দিয়ে দেয়ার। চলুন, ধাপে ধাপে জেনে নিই পারফেক্ট বডিকেয়ার রুটিনটি। 🌻 স্কিন কেয়ার যারা করেন তারা জানেন যে প্রত্যেকের বেসিক স্কিন কেয়ার করা উচিত। সিরাম ইউজ করা বাধ্যতামূলক না কিন্তু বেসিক স্কিনকেয়ার একটা প্রোডাক্টও মিস করা যাবেনা যদি স্কিন হেলদি রাখতে চান। ঠিক তেমনই বডির ক্ষেত্রেও বেসিক বডিকেয়ার রুটিন আছে যেটা যেকোনো বয়সের মানুষের ফলো করা উচিত। বেসিকটা আমি একটু সময় নিয়ে বোঝাবো - (১) এক্সফোলিয়েটিং গ্লাভস : এক্সফোলিয়েটিং গ্লাভস নিয়ে কিছু কমন ভুল আপুদের মাঝে দেখে শুরুতেই এটা নিয়ে লেখা দরকার বলে মনে করছি। বেসিক বডিকেয়ারে ফিজিকাল এক্সফোলিয়েশনের জন্য সবার বাজেটের মধ্যে এই প্রোডাক্ট আছে। কিন্তু অনেক আপু ইউজের পর ওয়াশরুমেই রেখে দিচ্ছেন গ্লাভস। ভালোভাবে ধুয়ে, শুকিয়ে এটা ওয়াশরুমের বাইরে রাখতে হবে। আমি জিপলক ব্যাগের ভেতর রেখে দিই শুকিয়ে গেলে। MR. DIY এ অথবা কোনো সুপারশপে পেয়ে যাবেন। আরেকটা বিষয় হচ্ছে গরমে ঘেমে থাকলে, গায়ে ময়লা জমে থাকলে কোনো প্রোডাক্ট কিন্তু ঠিক করে কাজ করতে পারবেনা। হাতমোজা টাইপের গ্লাভস আমার পারসোনালি ভালো লাগেনি। ক্লিন করার জন্য অন্য গ্লাভসগুলো বেটার এবং বেশ স্মুদ লাগে ইউজের পর। প্রাইভেট এরিয়ার পাশে যে ইনার থাই এরিয়া থাকে বা প্রাইভেট পার্টের দুই পাশে রানের জন্য সেফ এক্সফোলিয়েটিং প্রোডাক্ট এটা। (২) বডিওয়াশ / সোপ / শাওয়ার জেল : বডি ব্রাইট করা, ট্যান দূর করা বা স্মুদ করার আগে যে জিনিসটা দরকার সেটা হলো হাইজিন। আপনাকে অবশ্যই একটা ভালো বডিওয়াশ/সোপ/শাওয়ার জেল ইউজ করে বডি নিয়মিত ক্লিন করতে হবে। আমি সবসময় বেসিক ক্লিনিং এর প্রোডাক্টগুলো মাইল্ড হওয়া প্রেফার করি ডেইলি ইউজ করলেও সমস্যা হয় না। বিভিন্ন বাজেটের মধ্যে এই প্রোডাক্টগুলো আমার পারসোনালি ভালো লেগেছে- 🍃 প্রোডাক্ট সাজেশন - 𝐃𝐨𝐯𝐞 𝐒𝐞𝐧𝐬𝐢𝐭𝐢𝐯𝐞 𝐒𝐤𝐢𝐧 𝐁𝐞𝐚𝐮𝐭𝐲 𝐁𝐚𝐫 Personal Rating : 10/10 এই সোপটা আমি আপনাদের বারবার রেকমেন্ড করি কারণ এটা খুবই মাইল্ড এবং সেন্সিটিভ স্কিনের জন্য একেবারেই হার্শ নয়। দাম ৪৫০-৫০০ টাকার মধ্যে। এর চেয়ে কম বাজেটে বডিওয়াশ বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমনকি ডাভের বডিওয়াশই সেইম বাজেটে পাওয়া যায়। কিন্তু যাদের বডিতে কোনো কিছু ইউজ করলেই সেন্সিটিভিটি ট্রিগার করে তাদের জন্য এটা খুব ভালো হবে। বিশেষ করে যাদের বডিকেয়ার রুটিনে বিভিন্ন অ্যাক্টিভ ইনগ্রিডিয়েন্ট আছে তারা ট্রাই করতে পারেন। 𝐋𝐔𝐗 𝐁𝐨𝐝𝐲𝐰𝐚𝐬𝐡(স্টুডেন্টদের জন্য) আমি বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্র‍্যান্ডের বডিওয়াশ,শাওয়ার জেল ট্রাই করে দেখেছি। কিন্তু দেখলাম সবগুলোই মোটামুটি কাছাকাছি এক্সপেরিয়েন্স। স্মেলের কথা যদি বলি, হ্যাঁ আপনার প্রেফারেন্স থাকতে পারে… কোনো ব্র‍্যান্ডের শাওয়ার জেল/বডিওয়াশের স্মেল ভালো লাগতে পারে কিন্তু হাইজিন মেইনটেইন করার জন্য চাইলে লাক্সও যা, অন্যান্য বডিওয়াশও তাই। যার বাজেট ইস্যু আছে সে লাক্স কিনলেই হাইজিন মেইনটেইন করতে পারবে এবং লাক্সের ২০০ টাকার বডিওয়াশগুলোর স্মেল একেবারে খারাপ না। আমার বডির স্কিন টাইপ ড্রাই। একটা কি দুইটা বডিওয়াশ ছাড়া যেকোনো বডিওয়াশ ইউজ করলে আমার বডি ড্রাই ই ফিল হয়। যাদের আমার মতো এমন সিচুয়েশনে পড়তে হয় তারা হাইড্রেটিং বডিলোশন ইউজ করে নিলেই হবে যেকোনো বডিওয়াশ ইউজের পর। ( c ) 𝐃𝐨𝐯𝐞 𝐃𝐞𝐞𝐩𝐥𝐲 𝐧𝐨𝐮𝐫𝐢𝐬𝐡𝐢𝐧𝐠 𝐛𝐨𝐝𝐲 𝐰𝐚𝐬𝐡 - এটার ২০০ মিলি সাইজটা আমার কাছে সবসময় থাকে। দাম ৪৫০-৪৮০ টাকার মধ্যে পাবেন । আমি ক্লাসিমিসি থেকে নিই। লোকাল শপে পাওয়া যায় কীনা চেক করিনি। বাংলাদেশে আবার পপুলার ব্র‍্যান্ডগুলোর ভুরি ভুরি নকল। এই ভয়ে লোকাল শপ রেকমেন্ড করছিনা। (৩) বডি সানস্ক্রিন : বডি দিন দিন ডাল হচ্ছে, ট্যান পড়ে যাচ্ছে, কালচে হচ্ছে এমন অভিযোগ আপনার যদি থাকে তাহলে বুঝতে হবে ভালো একটা বডি সানস্ক্রিন আপনার রুটিনে রাখা প্রয়োজন ছিল, সেটা ভুলে যাননি তো? বডি সানস্ক্রিন কিন্তু সবার জন্য মাস্ট এবং এটা বডির অ্যান্টি এজিং রুটিনের একটা প্রোডাক্ট। সান প্রোটেকশন নিশ্চিত করতে হবে, বিশেষ করে অ্যাক্টিভস রুটিনে যোগ হওয়ার পর প্রোপারলি সান প্রোটেকশন না পেলে বডি আরও বাজেভাবে ট্যানড হয়ে যায়। স্প্রে সানস্ক্রিনগুলো আমি রেকমেন্ড করছিনা। ফেসের জন্য ইন্ডিয়ান সানস্ক্রিন রেকমেন্ড না করলেও বডির জন্য আমার কাছে ইন্ডিয়ান কিছু সানস্ক্রিন ভালো লেগেছে।

আপনি কোন ধরনের বুদ্ধিমান? জেনে নিন বুদ্ধিমত্তার ৯টি ক্যাটাগরি!** আমরা অনেকেই ভেবে থাকি, যারা গণিত-বিজ্ঞানে দক্ষ, যারা তর্কে পারদর্শী বা একাডেমিকভাবে ভালো ফলাফল করে, তারাই শুধু বুদ্ধিমান। কিন্তু সত্যটা একদম আলাদা। বিশ্বখ্যাত মনোবিজ্ঞানী *হাওয়ার্ড গার্ডনার* মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ৯টি আলাদা ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করেছেন। প্রত্যেকটি ক্যাটাগরি সমান গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নিই আপনার বুদ্ধিমত্তা কোন ধরনের.? ১/ সঙ্গীতবোধী বুদ্ধিমত্তা (Musical Intelligence) গান, সুর, তাল-লয় ও বাদ্যযন্ত্রের প্রতি স্বাভাবিক দক্ষতা। গণিতে দুর্বল হলেও সঙ্গীতে অসাধারণ হতে পারেন এমন মানুষেরা তারা এই শ্রেণিতে পড়েন। ২/ যুক্তিবিদ ও গাণিতিক বুদ্ধিমত্তা (Logical-Mathematical Intelligence) সংখ্যা, যুক্তি ও বিশ্লেষণের জাদুকর। ধাঁধা সমাধান, সমস্যা বিশ্লেষণ ও বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারায় পারদর্শী। বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও প্রোগ্রামারদের মধ্যে এই বুদ্ধিমত্তা প্রবল। ৩/ অস্তিত্ববাদী বুদ্ধিমত্তা (Existential Intelligence) জীবন, মৃ'ত্যু, মহাবিশ্ব ও অস্তিত্বের গভীর প্রশ্ন নিয়ে চিন্তা করা। দার্শনিক মনের অধিকারীরা এই ক্যাটাগরিতে পড়েন। ৪/ আন্তঃব্যক্তিক বুদ্ধিমত্তা (Interpersonal Intelligence) মানুষের আবেগ, চিন্তা ও আচরণ বোঝার অসাধারণ ক্ষমতা। দারুণ যোগাযোগ দক্ষতাসম্পন্ন নেতা, শিক্ষক, কাউন্সেলর ও বিক্রয়কর্মীরা সাধারণত এই গ্রুপে থাকেন। ৫/ দেহ-কৌশলগত বুদ্ধিমত্তা (Bodily-Kinesthetic Intelligence) শরীরের উপর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ। খেলাধুলা, নাচ, অভিনয় বা হাতের কাজে দক্ষ মানুষেরা এই বুদ্ধিমত্তার অধিকারী। ৬/ ভাষাবিদ ও সাহিত্যিক বুদ্ধিমত্তা (Linguistic Intelligence) শব্দ ও ভাষার জাদুকর। সুন্দর করে কথা বলা, লেখা, গল্প-কবিতা রচনা ও ভাষা শেখায় স্বাভাবিক প্রতিভা। লেখক, কবি, বক্তা ও আইনজীবীরা এই শ্রেণিতে উজ্জ্বল। ৭/ আত্মজ্ঞানমূলক বুদ্ধিমত্তা (Intrapersonal Intelligence) নিজেকে ভালো করে চেনা। নিজের আবেগ, শক্তি, দুর্বলতা ও লক্ষ্য সম্পর্কে গভীর সচেতনতা। আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ব্যক্তিগত বিকাশে এরা এগিয়ে থাকেন। ৮/ প্রকৃতিবাদী বুদ্ধিমত্তা (Naturalist Intelligence) প্রকৃতি, প্রাণী, গাছপালা ও পরিবেশের প্রতি স্বাভাবিক আকর্ষণ ও গভীর অনুভূতি। পরিবেশবিদ, কৃষক, প্রাণীবিজ্ঞানী ও বোটানিস্টদের মধ্যে এই বুদ্ধিমত্তা বেশি দেখা যায়। ৯/ চিত্রকর ও দৃশ্যমান বুদ্ধিমত্তা (Spatial Intelligence) দৃশ্যমান জগতের অনুভূতি। ছবি আঁকা, ডিজাইন, স্থাপত্য, ফটোগ্রাফি বা ৩ডি ভিজ্যুয়ালাইজেশনে দক্ষতা। শিল্পী, ডিজাইনার ও স্থপতিরা এই ক্যাটাগরির উদাহরণ। সমাজ কোন বুদ্ধিমত্তাকে বেশি গুরুত্ব দেয়? আমাদের সমাজ সাধারণত যুক্তিবিদ ও গাণিতিক বুদ্ধিমত্তাকে সবচেয়ে বেশি মূল্যায়ন করে। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটি ধরনের বুদ্ধিমত্তাই মূল্যবান এবং সমাজের জন্য অপরিহার্য। তাহলে বলুন তো, আপনার বুদ্ধিমত্তা প্রধানত কোন ক্যাটাগরিতে পড়ে? একাধিক হলে সেটাও কমেন্ট করে জানান। কারণ একজন মানুষের মধ্যে একাধিক বুদ্ধিমত্তার সমন্বয় থাকাটাও স্বাভাবিক। Philosopher In Town: #jahidhasanscientist #HowardGardner #multipleintelligences

https://id.kahf.co/ansar/muslimsday আমি Muslims Day-এর একজন আনসার হয়েছি। ১ কোটি মানুষের কাছে ইসলামের আলো পৌঁছে দিতে আপনিও যোগ দিন।

Ultrasound of Breast is safer than mammogram. ব্রেস্ট টিউমার অনেক কারনের একটা কারন। বিষাক্ত কাপড়ের ব্রা পড়া। ব্রা যেন ন‍্যাচারাল কাপড় দিয়ে তৈরি হয়। Polyester, Nylon, Acrylic, Spandex. এই ফ‍্যাবরিকের ব্রা কেনা বা পড়া যাবে না। এগুলো প্লাস্টিক থেকে তৈরি কাপড়। আপনার শরীর যখন ঘামে এগুলোর Microplastic স্কিন দিয়ে শরীরে রক্তে ঢুকে। পাশাপাশি এসব থেকে বের হওয়া পয়জন স্কিন এবজর্ব করে। এমন ব্রা কিনবেন যাতে আপনার স্কিন নিশ্বাস নিতে পারে। বেশি টাইট ব্রা পড়া যাবে না। ভালো কাপড়ের ভেতর আছে কটন, সিল্ক, লিনেন, উল, ফ্লাক্স, হেম্প, ব‍্যামবু, রেয়ন, টেনসেল, ভিসকোস, মোডাল। ব্রা কেনার সময় কি ফ‍্যাব্রিক দিয়ে বানানো দেখে নিবেন। ক‍্যান্সারের আরেকটা বড় কারন আমাদের কসমেটিক ইন্ডাস্ট্রি। আপনি জানেন আপনার কসমেটিকস এ কি পরিমান ক‍্যানসার সৃস্টিকারি উপাদান আছে? আপনার হরমোন নস্ট করার উপাদান আছে। এগুলো যে মাখতেছেন। এগুলো চামড়া ভেত করে রক্তে প্রবেশ করে জানেনতো ? এইসব বিষাক্ত ক‍্যামিকেল দিনের পর দিন বছরের পর বছর রক্তে গেলে ক‍্যান্সার হবে না? আমেরিকাতে এখন non toxic organic cosmetics বের করছে। এই বিষাক্ত কসমেটিকস এর যে দাম। অর্গানিক কসমেটিক্স কেনার চিন্তা বাদ দেন। একটা কথা বলি? বাহিরে আলগা ফেইক সুন্দরী হবার চেয়ে। ভিতরের কোষ ক্লিন করুন। আপনি ভিতর থেকে এমনি সুন্দরী হবেন। কোন কসমেটিকস লাগবে না । আপনি কালো হলেও আপনার স্কিনে গ্লেস মারবে। কারন কোষ ক্লিন। আর স্কিন সমস‍্যার এক নাম্বার কারন তার পেটে সমস‍্যা। হঠাৎ চামড়া কালো হয়ে যাও‍য়ার কারন ইনসুলিন ৪ এর উপরে থাকা। গাট ক্লিনের খবর নাই। খালি উপর দিয়ে আটা ময়দা। আরেকটা কারন ভিটামিন ডি ঘাটতি। সেদিনই এক বোন কমেন্টে বললো ২ লাখ টাকা নস্ট করেও স্কিন ঠিক হয় নি। ভিটামিন ডি ১০০ করে স্কিন সমস‍্যা দুর হইছে। ইনসুলিন ৩ এ আনবে ভিটামিন ডি ১০০ করবে রাত ১০টায় ঘুমাবে টেনশন করবে না অর্গানিক খাবার খাবে রেগুলার ব‍্যায়াম করবে কোলাজেন, এস্টাজেনথিন ২৪, বায়োটিন ১০ খাবে বাইরের খাবার খাবে না বাজে তেল ছুয়ে দেখবে না। এমনিতেই সুন্দরী হবে। আটা ময়দা ঠোট পালিশ দিয়ে ক‍্যান্সার উপাদান আর হরমোন নস্ট করার উপাদান ঢুকাই‍য়েন না। Non toxic Organic US cosmetic brands are Toups and co organics Mineral fusion 100% Pure Ilia beauty RMS Beauty Saie Kosas Honest Beauty.

যাদের বয়স ২৫ এর নিচে তারা মাথায় রাখতে পারেন— ১। যদি ছাত্র হন তাহলে ভালোভাবে পড়াশোনা করুন। ফ্রি মিক্সিংয়ের কারণে সমস্যা হলে দক্ষ ও অভিজ্ঞ আলেমদের শরণাপন্ন হোন। পরামর্শ নিন। অমুক হকপন্থী ভাই, তমুক গুরাবা ভাইয়ের কথায় কোনো সিদ্ধান্ত নিবেন না। কমিউনিটির যাদের দেখে আপনারা অনুপ্রাণিত হন, তাদের কেউই কিন্তু লেখাপড়া ছেড়ে দেয়নি। বরং সবাইই সাধ্যমত উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন, করছেন। সমস্যা আছে, থাকবে, এগুলো কীভাবে পাশ কাটানো যায় সেই পরামর্শ নিবেন অভিজ্ঞ আলেমদের থেকে। তারা বাস্তবসম্মত পরামর্শ দিবেন। একান্তই পড়াশোনা ভালো না লাগলে স্কিল শিখুন, ব্যাবসা করুন, হালাল রিজিক উপার্জনের ব্যবস্থা করুন। পেশাগত ব্যস্ততায় ঢুকে যান। অবসর থাকবেন না। অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। ২। হুটহাট আবেগে হঠকারী কোনো কাজ করবেন না। যারা করে তাদের থেকে এক হাজার গজ দূরে থাকবেন। এবার আপনাকে ভীরু, কাপুরুষ যাই বলা হোক, পরোয়া করবেন না। রাজনীতি করতে মন চাইলে কোনো দলে ঢুকে যান। প্রচলিত দলগুলোর নানা সমস্যা আছে সত্য, কিন্তু ইস্যুগুলোকে তারা যেভাবে বুঝতে পারে অরাজনৈতিক ব্যক্তিরা তা পারে না। গাজীপুরের ইমামের কাহিনীসহ গত দুই বছরে বহু ইস্যু এমন এসেছে যেখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সতর্কতাই শেষ পর্যন্ত সঠিক প্রমাণিত হয়েছে। তাছাড়া দলীয় রাজনীতি করে কোনো ঝামেলায় পড়লে দলকে পাশে পাবেন। একা বিপদে পড়লে কেউ পাশে থাকবে না। এবং এটা স্বাভাবিক। অবশ্য দীর্ঘমেয়াদি দাওয়াতি চিন্তাধারা থাকলে দলীয় রাজনীতিতে না জড়ানো উত্তম। কিন্তু যদি মাঠের কর্মসূচি ভালো লাগে তাহলে দল করাই উত্তম। ৩। দ্বীনের জন্য কিছু করতে মন চাইলে বিদ্যমান যে কোনো দাওয়াতি, ইলমি ও ফিকরি মেহনতে সংযুক্ত হোন। যেটা সম্ভব নয়, সেখানে পণ্ডশ্রম করবেন না। অভিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ শুনবেন না, কাজ করবেন নিজের মনোমতো, এরপর বিপদে পড়লে কেউ কেন উদ্ধার করতে যাচ্ছে না—সেই কান্না করবেন, এটা উচিত না। ৪। কমিউনিটির যারা তিনবেলা উত্তেজনা সরবরাহ করে তাদের থেকেও দূরে থাকবেন। তাদের পোস্ট দেখে আপনি গরম হবেন, প্রথম আলো পোড়াবেন। উনারা হয়তো পোস্ট ডিলেট করবেন বা তাবিল করবেন। আপনি থাকবেন জেলখানায়, নিজের মামলার ঘানি নিজে টানবেন। কাউকেই পাশে পাবেন না। বাস্তবতা অনেক কঠিন। কখনো বাস্তবতা ভুলবেন না। কেউ বিপদে পড়লে তার পরিবারই সাফার করে। অন্য কেউ না। সবসময় বিপদ থেকে বেঁচে থাকার দোয়া করবেন। অযথা বিপদ টানবেন না, বিপদে পড়ার আগ্রহও রাখবেন না। ৫। নিজের জীবন, যোগ্যতা ও পেশা নিয়ে সিরিয়াস হবেন। নিজেকে গঠন না করে কেউ জাতিকে গঠন করতে পারে না। অযোগ্য লোক বড়জোর কালো পাগড়ি আর ময়লা বাবরি নিয়ে বাইকে করে এলাকা চক্কর দিয়ে জিহাদি নাশিদ লাগিয়ে ভিডিও ছাড়বে, এর বেশি কাজে তাকে পাবেন না। মুতামিদ বিন আব্বাদ বলেছিলেন, এক হাজার অসুস্থ লোক দিয়ে কোনো সেনাবাহিনী বানানো যায় না, বরং তা দিয়ে হাসপাতাল খোলা যায়। হাজার হাজার অসুস্থ মানুষের কোনো দরকার নেই, যোগ্য অল্পকিছু মানুষই যথেষ্ট। ৬। যে-কোনো ইস্যু সামনে আসলে ৫ দিন অপেক্ষা করবেন, এরপর সিদ্ধান্ত নিবেন। গত দুই বছরে দেখুন, বেশিরভাগ ইস্যু প্রথমে যেমন মনে হয়েছে পরে আর তেমন থাকেনি। সুতরাং অপেক্ষা করুন, ইস্যুটা ভালোমত স্পষ্ট হোক। ইস্যু না বুঝেই যিশু সেজে অন্যের পাপ নিজের কাঁধে নেয়া থেকে বিরত থাকবেন। যাদের বয়স ২৫ এর বেশি তাদের কিছু বলা দরকার নেই। এতদিনে তাদের বাস্তবতা বুঝে আসার কথা। যদি না আসে তাহলে বলেও লাভ হবে না। কথাগুলোতে কষ্ট পেলে মাফ করবেন।

‼️আল-আলীমু (اَلْعَلِیْمُ): সবকিছু জানেন যিনি (সর্বজ্ঞাত)! এই পবিত্র নাম আল-কুরআনে একশত সাতান্ন (১৫৭) বার এসেছে। ফজিলত (মাহাত্ম্য): ❖ যে ব্যক্তি এই নামটির অধিক পরিমাণে জিকির (পাঠ) করবে, আল্লাহ ﷻ তাকে দ্বীন ও দুনিয়ার মারেফাত (গভীর জ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতা) দান করবেন। ❖ যে ব্যক্তি নামাজ শেষ করার পর একশত (১০০) বার "یَا عَالِمَ الْغَیْبِ" (ইয়া আলিমুল গাইব) পাঠ করবে, আল্লাহ ﷻ তাকে 'সাহেবে কাশফ' (যার কাছে গোপন বিষয় উন্মোচিত হয়) বানিয়ে দেবেন। ❖ কোনো বিষয়ে ইস্তিখারা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তি যদি জুমার রাতে (বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে) এশার নামাজের পর মসজিদে একশত (১০০) বার এটি পাঠ করে ঘুমিয়ে পড়ে, তবে তার সামনে কাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা অবস্থা উন্মোচিত (স্পষ্ট) হয়ে যাবে। ❖ যে ব্যক্তি গোপন বিষয়াবলি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে চায়, সে প্রথমে সত্তর (৭০) বার "سُبْحٰنَکَ لَا عِلْمَ لَنَا اِلَّا مَا عَلَّمْتَنَا اِنَّکَ اَنْتَ الْعَلِیْمُ" (সুবহানাকা লা ইলমা লানা ইল্লা মা আল্লামতানা ইন্নাকা আনতাল আলীম) পাঠ করবে। এরপর একশত (১০০) বার "یَا عَلِیْمُ عَلِّمْنِیْ یَا خَبِیْرُ اَخْبِرْنِیْ یَا مُبِیْنُ بَیِّنْ لِّیْ" (ইয়া আলীমু আল্লিমনী ইয়া খাবীরু আখবিরনী ইয়া মুবীনু বাইয়্যিন লী) পাঠ করবে। আমলটির শুরুতে ও শেষে দরূদ শরীফ পড়তে হবে। তারপর শুয়ে পড়বে, অতঃপর ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে কোনো মজলিসে (সমাবেশে) গেলে সে নিজের উদ্দেশ্যের ইশারা (সংকেত) পেয়ে যাবে। 📕রেফারেন্সঃ - শরহে সুনানে তিরমিযি শরীফ। খন্ড নং ০৬। হাদীস নং ৩৪৩০। اللهم صلي علي سيدنا ومولانا محمد ﷺ وعلي آله واصحابه وعلي سيدنا حجة الاسلام امام غزالي وبارك وسلم ________ ✅দারুল গাজ্জালী: জ্ঞান ও আত্মার নিবাস 🤔Athar Masum Billah 🗓️৯ই মহররম, ১৪৪৮ হিজরী 🗓️২৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 🗓️১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ 🔴দৈহিক মি'রাজের প্রথম স্তরের মূল বক্তব্য: "এ স্তরে এসে নামাযীর রূহের নূর উপরে আরোহন করে এবং মহানবী (ﷺ)-এঁর রূহানী নূর নিচে নেমে আসে। ফলে উভয়ের মধ্যে সাক্ষাত ও মিলন ঘটে। তখন অর্জিত হয় এক অনির্বচনীয় শান্তি, আরাম ও পরিতৃপ্তি।" বিস্তারিত লিংক কমেন্ট বক্সেঃ

সূরা আল-ফুরকানের ৭৪ নম্বর আয়াত: ‏رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا রব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ’ইয়ুনিওঁ ওয়াজ’আলনা লিলমুত্তাক্বীনা ইমামা। অর্থ: "হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিদেরকে আমাদের জন্য নয়নপ্রীতিকর (চক্ষুশীতলকারী) কর এবং আমাদেরকে আল্লাহভীরু বা মুত্তাকীদের জন্য আদর্শস্বরূপ (নেতা) কর। ‏رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ রব্বি ইন্নী লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকীর। অর্থ: "হে আমার রব! নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী। সূরা আল-আম্বিয়ার ৮৯ নম্বর আয়াত: ‏رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ রব্বি লা তাযারনি ফার্দাও ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন।" অর্থ: "হে আমার প্রতিপালক! আমাকে একা (সন্তানহীন) রেখো না, আর তুমিই তো শ্রেষ্ঠ উত্তরাধিকারী।" ‏اللَّهُمَّ اخْتَرْ لِي وَلَا تَخْتَرْ لِي نَفْسِي আল্লাহুম্মা ইখতারলী ওয়া লা-তাখতারলী নাফসী। অর্থ:"হে আল্লাহ! আপনিই আমার জন্য কল্যাণকর বিষয়টি নির্ধারণ করে দিন এবং আমাকে আমার নিজের ওপর ছেড়ে দেবেন না।" ‏اللَّهُمَّ يَسِّرْ لِي زَوَاجًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ আল্লা-হুম্মা ইয়াসসির লী যাওয়া-জান তাইয়িবান মুবা-রাকান ফীহ। অর্থ: হে আল্লাহ! আমার জন্য একটি উত্তম ও বরকতময় বিবাহ সহজ করে দিন।

ভিটামিন-ডি ও ওমেগা-৩: সামুদ্রিক মাছ (ইলিশ, রুই, টুনা), মাশরুম এবং দুগ্ধজাত খাবার। দৈনিক কিছু সময় গায়ে রোদ লাগানোও ভিটামিন-ডি এর দারুণ উৎস। রসুন ও আদা: রসুনে থাকা অ্যালিসিন এবং আদার নির্যাস শরীরে টেস্টোস্টেরন উৎপাদনে উদ্দীপনা যোগায়। সবুজ শাকসবজি: পালং শাক বা ব্রকলি, যেগুলোতে ম্যাগনেসিয়াম আছে, তা হরমোনের কার্যকারিতা বাড়ায়। 🟩 যা জানা অত্যন্ত জরুরি: ১. ঘুমের সাথে কোনো আপোষ নেই: আপনি যতই ভালো খান আর ব্যায়াম করেন, রাতে যদি ৫ ঘণ্টার কম ঘুমান, তবে আপনার টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ১৫% পর্যন্ত কমে যেতে পারে। প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ঘুম এই হরমোনের জন্য মহৌষধ। ২. স্ট্রেস বা মানসিক চাপ কমান: আপনি যখন অতিরিক্ত টেনশন করেন, তখন শরীর কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন তৈরি করে। এই কর্টিসল হলো টেস্টোস্টেরনের আজন্ম শত্রু। কর্টিসল বাড়লে টেস্টোস্টেরন পালাবার পথ পায় না। ৩. অতিরিক্ত ওজন ও চিনি বর্জন: অতিরিক্ত চর্বি টেস্টোস্টেরনকে নারী হরমোন ইস্ট্রোজেন এ রূপান্তর করে ফেলে। আর অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার ইনসুলিন স্পাইক করায়, যা সরাসরি টেস্টোস্টেরন কমিয়ে দেয়। . . 🟩 লেখক: ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ডাক্তার। কাউন্সেলিং , সাইকোথেরাপি ও CBT এর উপরে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি ডিপার্টমেন্ট থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত । . PGD in Applied Psychology, PGD in Counselling Psychology, Diploma in Applied Counselling, Diploma in Child Counselling, Certificate in Child Counselling, . Trained in Psychotherapy (University of Dhaka ) Trained in Therapeutic Counselling ( University of Dhaka) Trained in CBT for Depression (University of Dhaka) Trained in Disability Management and Special Education (Proyash, Savar Cantonment , Dhaka ) . ACDAIE - Disability, Autism & Inclusive Education (IER, University of Dhaka ) . BSEd ( On course ), B.Ed, M.Ed, BA (Hons), MA (Jahangirnagar University) Masters in Communication Disorder (MCD ) Professional - ( On course ) University of Dhaka. . যৌন সমস্যা ও মানসিক স্বাস্থ্য, রিলেশনশিপ ও কাপল কাউন্সেলিং, স্ট্রেস, ডিপ্রেশন,অ্যাংজাইটি ম্যানেজমেন্টসহ শিশু-কিশোর কাউন্সেলিং, প্যারেন্ট কাউন্সেলিং, ADHD, অটিজম ও Learning Difficulty বিষয়ে পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। . হোমিওপ্যাথিক, বায়োকেমিক, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যার সমন্বিত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। . 🟢 বিস্তারিত জানতে ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.faijulhuq.com/about-us/ . 🟩 আমার সাথে ফোনে কথা বলে চিকিৎসা পরামর্শ নিতে চাইলে , প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টার মধ্যে 01712859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলতে পারবেন। . অথবা . 📱 WhatsApp-এ পরামর্শ নিতে পারবেন । 01712-859950 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে । . আপনার বয়স, ঠিকানা, পেশা ও সমস্যা বিস্তারিত লিখে পাঠান, আপনার জন্য পরামর্শ দিয়ে দেবো । ভয়েস মেসেজ দিবেন না । . 🔴 সতর্কতা: কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে! . মোবাইল: 01972859950, 01712859950 . এই দুইটা নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন। এই দুইটা যদি নাম্বার না থাকে তাহলে আমার ভিডিও অথবা ছবি থাকলেও মনে করবেন যে এখানে প্রতারণা হচ্ছে। . Disclaimer: This content is strictly for educational, scientific, and awareness purposes. It contains no explicit or inappropriate material and is intended solely to promote healthy physical and mental health awareness among adults.

টেস্টোস্টেরন হরমোন কেন এবং কতটুকু জরুরি? . পুরুষদের আসল পাওয়ার হাউজ টেস্টোস্টেরন (Testosterone) হরমোন । এটি কেবল একটা হরমোন নয়, এটি পুরুষদের জীবনের এমন এক অদৃশ্য চালিকাশক্তি, যা কমে গেলে জীবনটাই কেমন যেন পানসে আর ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে যায়। তাই পুরুষ হিসেবে নিজের শরীর আর মনকে চাঙ্গা রাখতে এই হরমোন সম্পর্কে একদম খুঁটিনাটি জেনে রাখা দরকার। 🟩টেস্টোস্টেরন কী এবং এটি কীভাবে উৎপন্ন হয়? সহজ ভাষায় বলতে গেলে, টেস্টোস্টেরন হলো পুরুষদের প্রধান সেক্স হরমোন। এটি মূলত অ্যান্ড্রেজেন (Androgen) গ্রুপের একটি হরমোন। 🟩এই হরমোন তৈরি হয় কোথায়? আমাদের শরীরে হরমোন তৈরির এই পুরো প্রক্রিয়াটি একটি চমৎকার চেইন অব কমান্ড মেনে চলে, আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস এবং পিটুইটরি গ্রন্থি হলো এই প্রক্রিয়ার মূল পরিচালক। যখন শরীরে টেস্টোস্টেরনের দরকার হয়, তখন মস্তিষ্ক সংকেত পাঠায়। মস্তিষ্কের গ্রিন সিগন্যাল পেয়ে পুরুষদের প্রধান জনন অঙ্গ বা শুক্রাশয় (Testicles) টেস্টোস্টেরন উৎপাদন শুরু করে। খুব সামান্য পরিমাণে এই হরমোন আমাদের অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি (যা কিডনির উপরে থাকে) থেকেও তৈরি হয়। 🟩পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য ও সার্বিক শরীরে এর কাজ কী? টেস্টোস্টেরনকে যদি শুধু সেক্স হরমোন ভেবে ঘরের কোণে বসিয়ে রাখেন, তবে ভুল করবেন। এর কাজ বহুমুখী, পুরুষের লিবিডো বা যৌন আকাঙ্ক্ষা সরাসরি এই হরমোনের ওপর নির্ভর করে। শুক্রাণু (Sperm) উৎপাদনের মূল কারিগরও এটি, অর্থাৎ বাবা হওয়ার জন্য এই হরমোন অপরিহার্য। জিমে গিয়ে যতই ঘাম ঝরান না কেন, শরীরে যদি টেস্টোস্টেরন কম থাকে, তবে মাসল বা পেশি তৈরি হবে না। এটি হাড়কে মজবুত রাখে এবং চর্বি জমতে বাধা দেয়। কথায় কথায় মেজাজ খারাপ হওয়া, অলসতা বা ডিপ্রেশনের পেছনেও এর হাত আছে। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাস এবং এনার্জি লেভেল ধরে রাখে। 🟩স্বাভাবিক মাত্রা কত এবং দিনের কোন সময়ে এটি ওঠানামা করে? সব জিনিসেরই একটা পারফেক্ট পরিমাপ থাকে। টেস্টোস্টেরনের ক্ষেত্রেও তাই। একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের শরীরে এর স্বাভাবিক মাত্রা সাধারণত ৩০০ থেকে ১,০০০ ন্যানোগ্রাম পার ডেসিলিটার (ng/dL) ধরা হয়। বয়স ৩০ পার হওয়ার পর প্রতি বছর প্রাকৃতিকভাবেই এই হরমোন প্রায় ১% হারে কমতে শুরু করে। মজার ব্যাপার হলো, এই হরমোন কিন্তু সারাদিন এক মাপে থাকে না। সকালবেলা (ভোর ৫টা থেকে সকাল ১০টার মধ্যে) পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা থাকে সবচেয়ে বেশি। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর যে ভরপুর এনার্জি বা রোমান্টিক মুড থাকে, তার আসল চাবিকাঠি এটাই। সারাদিনের খাটুনি শেষে বিকেল এবং রাতের দিকে এই হরমোনের মাত্রা সবচেয়ে নিচে নেমে যায়। শরীর তখন ক্লান্ত থাকে এবং বিশ্রামের খোঁজে। 🟩হরমোন কমে গেলে কী কী সমস্যা হয়? শরীরে টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় হাইপোগোনাডিজম বলে। এটি কমলে শরীর নিজেই সিগন্যাল দিতে শুরু করে, যৌন ইচ্ছা একদম কমে যায় এবং ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা দেখা দেয়। জিম না করলেও হঠাৎ করে ভুড়ি বেড়ে যাওয়া এবং হাত-পায়ের মাংসপেশি নরম হয়ে যাওয়া। মাথায় টাক পড়া শুরু হতে পারে এবং পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরেও সারাদিন নিজেকে ব্যাটারি লো মনে হয়। কোনো কোনো পুরুষের স্তনের আকার অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে (Gynecomastia)। 🟩হরমোন পরীক্ষার জন্য কী করা দরকার? আপনার শরীরে হরমোন ঠিকঠাক আছে কি না, তা জানার একমাত্র উপায় হলো রক্ত পরীক্ষা (Serum Testosterone Test)। যেহেতু সকালে এই হরমোনের মাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে, তাই ডাক্তাররা সাধারণত সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে খালি পেটে রক্ত দেওয়ার পরামর্শ দেন। পরীক্ষার আগের রাতে পর্যাপ্ত এবং ভালো ঘুম হওয়া জরুরি, নয়তো রিপোর্টে উল্টোপাল্টা রেজাল্ট আসতে পারে। 🟩টেস্টোস্টেরন বাড়াতে কী কী ব্যায়াম করবেন? ওষুধ খেয়ে হরমোন বাড়ানোর চেয়ে প্রাকৃতিকভাবে বাড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ। আর এর জন্য ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। তবে সব ব্যায়াম কিন্তু সমান কাজ করবে না। Weight Lifting/ ডাম্বেল বা বারবেল নিয়ে ভারী ওজন তোলার ব্যায়াম (যেমন: স্কোয়াট, ডেডলিফ্ট, বেঞ্চ প্রেস) টেস্টোস্টেরন বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। পায়ের ব্যায়াম বা লোয়ার বডি ওয়ার্কআউট করলে এই হরমোন দ্রুত ক্ষরিত হয়। HIIT ( High Intensity Interval Training) / অল্প সময়ে খুব দ্রুত এবং ভারী কসরত (যেমন: ৩০ সেকেন্ড তীব্র গতিতে স্প্রিন্ট বা দৌড়, তারপর ১ মিনিট বিশ্রাম) এই হরমোনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। মনে রাখবেন: অতিরিক্ত কার্ডিও বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ম্যারাথন দৌড় আবার উল্টো ফল দিতে পারে (তাতে কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন বেড়ে টেস্টোস্টেরন কমে যায়)। 🟩হরমোন বাড়াতে পাতে কোন কোন খাবার রাখবেন? জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার: জিঙ্ক হলো টেস্টোস্টেরনের প্রধান কাঁচামাল। গরুর মাংস, ডিমের কুসুম, কলিজা, কুমড়োর বীজ এবং বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে।

সূরা আরাফে নতুন একটা ব্যাপার নিয়ে জানলাম। ছোট বেলা থেকে শুনে এসেছি যে, আখিরাতের পরিণাম হবে বাইনারি, হয় জান্নাত নয় জা*হান্নাম। অথচ এই সূরার মাধ্যমে আমাদেরকে আল্লাহ জানিয়ে দিলেন— না, জান্নাত আর জা*হান্নামের মাঝামাঝিও আরেকটা জায়গা আছে। জায়গাটার নাম আরাফ! এই জায়গার নাম অনুসারেই এই সূরার নামকরণ। "আরাফ" হবে তাদের জন্য, যারা এতটাও ভালো কাজ করেনি যে জান্নাতের টিকেট পেয়ে যাবে! আবার এতটাও খারাপ কাজ করেনি যে জা*হান্নামে যেতে হবে। এ যেন মিডেল ক্লাসদের চরণ ভূমি! এই আরাফবাসি সবসময়ই আশায় থাকবে যে, তাদেরকে যেন কোন না কোন সময় জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়। এই আরাফ ছাড়াও হাশরের (The Day Of Judgement) আরেকটা ইম্পর্টেন্ট ফেক্ট আমাদের অনেকেরই অজানা। আর সেটা হলো কান্তারা! আমরা মনে করি, কোনো রকমে পুলসিরাত পার হইতে পারলেই বাঁচি। ভুল! পুলসিরাত পার হতে পারলেই জান্নাত নয়। পার হতে পারলে অপেক্ষা করবে মুমিনদের জন্য ফাইনাল পরীক্ষা। হাশরের দিনে বিশ্বাসীদের বিচার হবে দু-বার। এক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পূর্বে। আরেক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পরে। জি ঠিকই শুনেছেন। পূর্বের বিচার হবে- "স্রষ্টার হক নষ্ট করার বিচার।" আর পরের বিচার হবে- "বান্দার হক নষ্ট করার বিচার।" আর যে জায়গাটায় বিচারটি হবে, সেই জায়গাটির নামই হলো— "কান্তারা।" আল-কান্তারাহ হলো- সিরাতের পর আরেকটি ছোট সিরাত। বিশ্বাসীগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারা এই কান্তারার উপর দিয়েই প্রবেশ করবে। এবং স্রষ্টা এই কান্তারার উপরেই মুমিনদের মধ্যকার আন সেটেলড ইস্যুস গুলো রিসোলভ করবেন। ‎ ‎ কল্পনা করুন! একজন ব্যক্তি আল-কান্তারাহ তে, জান্নাতের দরজার অলমোস্ট দ্বারপ্রান্তে, অথচ সে সেথায় ঢুকতে পারছে না! কারণ তার সব সৎকর্মগুলো যা নিয়ে নিয়ে সে বড়াই করতো সব শেষ। উল্টো তাকে জা*হান্নামে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেই হতোভাগাকে আপনি তখন কী বলবেন? প্রিয় রাসূল (ﷺ) অবশ্য সেই হতভাগা কে ডিফাইন করেছেন "মুফলিস" হিসেবে। "মুফলিস" অর্থ হলো দেউলিয়া। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা কি জানো, কে আসল দেউলিয়া?” সাহাবারা (রা.) উত্তর দেন, “যার কাছে অর্থ বা সম্পদ কিছুই নেই সে ইয়া রাসূলুল্লাহ?” রাসূল (ﷺ) বললেন, “না! আমার উম্মতের মধ্যে প্রকৃত দেউলিয়া হচ্ছে সেই ব্যক্তি– যেই ব্যক্তি কি*য়ামতের দিনে অনেক নামাজ, অনেক রোজা ও অনেক সদকা নিয়ে উপস্থিত হবে। অথচ সে দেখতে পাবে যে, সে ঐ দিনে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে! কারণ জীবদ্দশায় সে অন্যদের গা*লি দিয়ে বেড়াতো। অন্যদের অপবাদ দিয়ে বেড়াতো। অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াতো। অন্যের র*ক্তপাত ঘটিয়ে বেড়াতো এবং অন্যকে প্রহার করে বেড়াতো। আজ তার সব সৎকর্মগুলো ভুক্তভোগীদেরকে দিয়ে দিতে হচ্ছে! শুধু তাই না! যদি তার ভালো কাজগুলো ক্ষতিপূরণ গুলোকে কভার করতে না পারে, তাহলে তাদের পাপ গুলোও তাঁর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে এবং তাকে জা*হান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” তাই বলছি, আপনার যারা নামাজ রোজা সাদাকার পাশাপাশি আপনার মুখের ভাষার মাধ্যমে অন্যদের কষ্ট দিয়ে বেড়াচ্ছেন কিংবা আমল দিয়ে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াচ্ছেন, তাদের জন্য একটাই কথা— দেখা হবে বন্ধু! দেখা হবে কান্তারায়! ‎ ‎ ▪️রেফারেন্স : ১. (সূরা আল-আরাফ : ৪৬) ২. (সহীহ্ বুখারী : ২৪৪০) ৩. (সহীহ্ মুসলিম : ২৫৮১) লেখা : সামিউল হক #সীরাহ