1 979
المشتركون
-124 ساعات
-87 أيام
-1730 أيام
أرشيف المشاركات
1 979
বাংলাদেশী ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট আমি ফেসে ইউজুয়ালি ট্রাই করিনা। বডিকেয়ার প্রোডাক্টগুলো আগ্রহ নিয়ে ট্রাই করি আর তার মাঝে The Celeste আমাকে অনেক বেশি ইম্প্রেস করে ফেলেছে। আপনারা হয়তো জানেন এটা The Ordinary Glycolic Acid 7% টোনারের ড্যুপ হিসাবে ক্লেইম করেছে অনেকে। ড্যুপ ঠিক বলতে পারছিনা তবে এটা কাজ করে। অনেক সময় নেয়। বাজেট থাকলে The Ordinary নিন।
𝐓𝐡𝐞 𝐎𝐫𝐝𝐢𝐧𝐚𝐫𝐲 𝐠𝐥𝐲𝐜𝐨𝐥𝐢𝐜 𝐚𝐜𝐢𝐝 𝟕% 𝐓𝐨𝐧𝐞𝐫
দ্যা অর্ডিনারির প্রোডাক্টের নকল বেশি হয়। এই গ্লাইকোলিক এসিড টোনার কত পেইজ যে নকল সেল করে। কিন্তু প্রোডাক্টটা এত ভালো বলে ইউজ করার লোভ ছাড়তে পারিনা। বডি বেশ ব্রাইট থাকে ইউজ করলে এবং ট্যান কমানোর জন্য এর সাথে সানস্ক্রিনের কম্বো বেশ ইফেক্টিভ। টেক্সচার ইম্প্রুভের জন্য বিশেষ ভাবে রেকমেন্ডেড!
*** 𝐆𝐥𝐲𝐜𝐨-𝟔 নামের একটা ফার্মেসি ক্রিম আছে। যাদের বাজেট ইস্যু তারা এটা ট্রাই করতে পারেন এক্সফোলিয়েশন এর জন্য।
🍃 আমি চাচ্ছিলাম কোনটা কোন বেলায়, কয়দিন ইউজ করবেন এমন কিছু গাইডলাইন দিতে। কিন্তু বডিকেয়ার রুটিন স্কিন কেয়ার রুটিনের মতোই একেকজনের জন্য একেকরকম। আপনারা কমেন্টবক্সে শেয়ার করলে এবং কোন প্রোডাক্ট এখান থেকে অ্যাড করতে চাচ্ছেন তা জানালে বুঝিয়ে বলতে পারব বিষয়গুলো। সবার জন্য সেইম রুটিন প্রযোজ্য নয়।
এখানে যে প্রোডাক্টগুলোর নাম এক্সফোলিয়েশন পার্টে বলা হয়েছে, প্রত্যেকটাই প্রাইভেট এরিয়ার দুই পাশে অর্থাৎ দুই রানের অংশে, ইনার থাই এরিয়ার পিগমেন্টেশন কমাতে হেল্পফুল। ভ্যাজাইনাল এরিয়ায় কোনো এক্সফোলিয়েটিং প্রোডাক্ট ইউজ করা উচিত হবেনা।
এছাড়াও এক্সফোলিয়েশন পার্ট বডির ট্যান কমাতে, স্মুদ করতে, ব্রাইট করতে সবচেয়ে হেল্পফুল বলে আমার কাছে মনে হয়। পাশাপাশি আপনাকে বেসিক বডিকেয়ার কন্টিনিউ করে যেতে হবে। কিছু লাক্সারি বডিকেয়ার প্রোডাক্ট আছে যেমন ডাভের বডি স্ক্রাব, বডি পলিশ… এগুলো ব্যক্তিগত ভাবে আমার পছন্দ এবং অতিরিক্ত সেন্সিটিভ যাদের বডি, তারা এক্সফোলিয়েশনের জন্য ইউজ করতে পারে। অল্টারনেটিভ অপশন হিসাবে বাথসল্ট আছে যেগুলো সেন্সিটিভ বডির স্কিনে আমি রেকমেন্ড করছিনা।
এক্সফোলিয়েশন করলে যে বডির হাইড্রেশনকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হয়, সেই সাথে সান প্রোটেকশনকেও… ভুলে যাবেননা কিন্তু ❤️
𝐁𝐫𝐢𝐠𝐡𝐭𝐞𝐧𝐢𝐧𝐠 𝐏𝐫𝐨𝐝𝐮𝐜𝐭
আমাকে অনেক আপু জিজ্ঞাসা করেছেন APLB এর গ্লুটাথিওন নায়াসিনামাইড বডি লোশনটা ব্রাইটেনিং এর জন্য কেমন। আমি এটা দুই বোতল শেষ করেছি তবে ব্রাইটেনিং, ট্যান রিমুভে আলাদা করে কোনো এক্সেপশন চোখে পড়েনি। বডি গ্লোয়ি লাগে, সেটা তো হাইড্রেটিং প্রোডাক্ট থেকেও পাই। যাদের নতুন প্রোডাক্ট ট্রাই করতে ভালো লাগে তারা নিতে পারেন। ব্রাইটেনিং এর জন্য Kojie San Soap নিতে পারেন কিন্তু এটা অনেক হার্শ লাগবে। বডি ওভারড্রাই করে ফেলে। সপ্তাহে ১-২ দিন ইউজ করলে করতে পারেন কিন্তু আমি বলব আলাদা করে ব্রাইটেনিং প্রোডাক্ট না কিনলেও হবে। এক্সফোলিয়েশন এর রুটিন ভালো ভাবে মেইনটেইন করুন।
🌻
একটা পারফেক্ট বডিকেয়ার রুটিনে থাকে বডি ভালোভাবে ক্লিন করতে পারা, হাইড্রেশন দেয়া, সান প্রোটেকশন দেয়া এবং এক্সফোলিয়েশন করার মতো প্রোডাক্টের কম্বিনেশন। আপনাকে এখন শুধু নিজের মতো কাস্টোমাইজ করে নিতে হবে। সব একসাথে কেনা হয়তো সম্ভব না, ধীরে ধীরে প্রয়োজন বুঝে কিনতে হবে।
আমি সব পোস্টের শেষে আপুদের জন্য কিছু টিপস রাখি। তবে বডি কেয়ার রুটিন এত বেশি কাস্টোমাইজেবল যে আমার মনে হয় কমেন্টবক্সে আপনারা প্রশ্ন করলেই ভালো হবে, একেকজনের রুটিন অনুযায়ী আলাদা আলাদা টিপস ওয়ার্ক করবে। কমেন্টে আপনার বডি রিলেটেড এক্সপেক্টেশন শেয়ার করতে পারেন যে বডিতে আপনি কী কী চেঞ্জ আনতে চান বা যেকোনো প্রশ্ন জানাতে পারেন। আমি রিপ্লাই করব ইনশাআল্লাহ ❤️
****নেক্সট পার্টে আসছে প্রাইভেট এরিয়ার হাইজিন, ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ সহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🍃
আপনি যদি চান যে আপনার ফিডে এমন কন্টেন্ট আরও আসুক, তাহলে ফলো করুন-
Mubashwira In Her Glow Up Arc
***কপি করা নিষেধ, শেয়ার করলে ভালো লাগবে💚
©2026[Mubashwira In Her Glow Up Arc].All rights reserved. Do not post without credit.
Date : 24 July
Time : 11:25 AM
1 979
🍃 প্রোডাক্ট সাজেশন :
𝐃𝐞 𝐂𝐨𝐧𝐬𝐭𝐫𝐮𝐜𝐭 𝐒𝐮𝐧𝐬𝐜𝐫𝐞𝐞𝐧 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐥𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧 -
এটা আমার এক ফ্রেন্ড ইন্ডিয়া থেকে এনে দিয়েছিল। বাংলাদেশেও দু একটা পেইজে দেখেছি। বেশ ভালো, যদিও উইশকেয়ারের জনপ্রিয়তা বেশি। আমি উইশকেয়ার ইউজ করেছি আগে। আমার কাছে De construct ও বেশ ভালো লেগেছে।
𝐖𝐢𝐬𝐡𝐜𝐚𝐫𝐞 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐒𝐮𝐧𝐬𝐜𝐫𝐞𝐞𝐧 - ১০০০ টাকার মধ্যে
(৪) হাইড্রেটিং বডি লোশন ও অয়েল :
হাইড্রেশন কিন্তু যেকোনো স্কিন টাইপের বডির জন্য মাস্ট। অনেকটা ফেসের স্কিনের মতো.. যেকোনো স্কিন টাইপের জন্য যেমন ময়েশ্চারাইজার দরকার হয়। এটা ইউজ না করলে বডি কখনোই স্মুদ হবেনা, বডির ডালনেস কখনো যাবেনা।
হাইড্রেটিং বডিলোশন ইউজ করাটা আমার কাছে বেস্ট ডিসিশন মনে হয় সবসময়। আলাদা করে গ্লো এর জন্য কিছু ইউজ করতে হয় না, বডির ডালনেস এমনিই চলে যায়। 𝐕𝐚𝐬𝐞𝐥𝐢𝐧𝐞 এর 𝐆𝐥𝐮𝐭𝐚 𝐡𝐲𝐚 𝐬𝐞𝐫𝐮𝐦 𝐛𝐮𝐫𝐬𝐭 𝐥𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧 টাইপের প্রোডাক্টগুলো আমি শখ করে ইউজ করেছি গ্লো এর জন্য। হাইড্রেটিং বডিলোশনের তুলনায় আলাদা কিছু মনে হয়নি, ব্রাইটেনিং এ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা দেখিনি। ডালনেস কমাতে কিছুটা হেল্প করে।
আমার পছন্দের বডিলোশন, বডিঅয়েলগুলো হচ্ছে-
🍃প্রোডাক্ট সাজেশন-
𝐏𝐚𝐫𝐚𝐜𝐡𝐮𝐭𝐞 𝐒𝐤𝐢𝐧𝐩𝐮𝐫𝐞 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐥𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧 ( 𝐬𝐡𝐞𝐚 𝐛𝐮𝐭𝐭𝐞𝐫)
- এটা স্টুডেন্টদের ভালো লাগবে। স্মেলও মন্দ না। হাইড্রেশন লংলাস্টিং করার জন্য গ্লিসারিন মিক্স করে ইউজ করতে পারেন। পরিমাণ অনুযায়ী দাম অনেক বাজেট ফ্রেন্ডলি।
𝐕𝐚𝐬𝐞𝐥𝐢𝐧𝐞 𝐈𝐧𝐭𝐞𝐧𝐬𝐢𝐯𝐞 𝐜𝐚𝐫𝐞 𝐜𝐨𝐜𝐨𝐚 𝐠𝐥𝐨𝐰 𝐥𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧-
আমার অন্যতম পছন্দের বডিলোশন। নামের সাথেই গ্লো আছে এবং বডিতে ইউজের পর হেলদি একটা গ্লো দেখা যায়। গোসলের পর ইউজ করতে ভালো লাগে।
𝐕𝐚𝐬𝐞𝐥𝐢𝐧𝐞 𝐈𝐧𝐭𝐞𝐧𝐬𝐢𝐯𝐞 𝐂𝐚𝐫𝐞 𝐂𝐨𝐜𝐨𝐚 𝐑𝐚𝐝𝐢𝐚𝐧𝐭 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐎𝐢𝐥 -
এটা আমার রাতের বডি কেয়ার রুটিনে থাকে। যেদিন আমি এক্সফোলিয়েটিং কোনো প্রোডাক্ট বডিতে এপ্লাই করি, ময়েশ্চার লক করার জন্য এটা ইউজ করা মাস্ট আমার জন্য। দিনেও ইউজ করতে পারেন… এর গ্লো আর স্মুদ ফিনিশের রীতিমতো ফ্যান আমি। এত নতুন নতুন লোশন ট্রাই করা হলো কিন্তু ভ্যাসলিন বডি অয়েলের চেয়ে বেটার কিছু পেলাম না।
🌻
বেসিক শেষ। আপনাদেরকে যে এ প্রোডাক্টগুলোই পারচেজ করতে হবে এমন না, বাজেটের মধ্যে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী কিনতে পারবেন। এবার অ্যাডভান্সড কেয়ার নিয়ে বলা যাক।
অ্যাডভান্সড কেয়ারের জন্য বডিকেয়ার রুটিনে অপশনের শেষ নেই। অ্যাডভান্সড কেয়ার মূলত সমস্যাকে টার্গেট করে করা হয়। সেটা প্রতিরোধমূলক বা সমস্যা যাতে না হয় সেজন্যও করা উচিত এবং প্রতিকারমূলক বা সমস্যা হলে যাতে সমাধান হয় সেজন্যও করা উচিত। আগে হোক, পরে হোক অ্যাডভান্সড কেয়ারে আপনাকে আস্তে আস্তে শিফট করতে হবে যদি এগুলো নিশ্চিত করতে চান।
𝗘𝘅𝗳𝗼𝗹𝗶𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻
অ্যাডভান্সড কেয়ারে ব্রাইটেনিং এর চেয়ে এক্সফোলিয়েটিং প্রোডাক্টগুলো আমার কাছে বেশি ভালো লাগে। এক্সফোলিয়েশনই মাঝেমধ্যে যথেষ্ট হয়ে যায় সমস্যা সলভ করতে। যাদের বডিতে স্মুদনেস, পিগমেন্টেশন রিলেটেড কোনো সমস্যা নেই তাদের জন্যও কিন্তু এক্সফোলিয়েশন জরুরি। এক্সফোলিয়েট করলে বডি ব্রাইট থাকে, টেক্সচার সুন্দর থাকে, দাগ পড়লে দ্রুত হালকা হয়, ট্যান ফেড হতে কম সময় নেয় । এক্সফোলিয়েটিং প্রোডাক্ট গুলো বিভিন্ন ফর্মে পাওয়া যায়.. আমি সবগুলোই বলার চেষ্টা করছি। যার যেটা সুবিধা, সেটা নেবেন। প্রত্যেকটা থেকে একটা করে নিতে হবেনা, সবগুলো থেকে বেছে একটা নেবেন।
এক্সফোলিয়েশন সপ্তাহে ৩-৪ দিনের বেশি করবেননা। আমি ৩ দিন করে করি, আগে ৪ দিন করতাম।
𝐄𝐱𝐟𝐨𝐥𝐢𝐚𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐁𝐨𝐝𝐲𝐰𝐚𝐬𝐡 -
𝐂𝐡𝐞𝐦𝐢𝐬𝐭 𝐀𝐭 𝐩𝐥𝐚𝐲 𝐝𝐚𝐢𝐥𝐲 𝐞𝐱𝐟𝐨𝐥𝐢𝐚𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐛𝐨𝐝𝐲 𝐰𝐚𝐬𝐡 ( 𝐎𝐫𝐚𝐧𝐠𝐞 𝐨𝐧𝐞)
- এটার দাম ১০০০ এর আশেপাশেই হয় সবসময়। যাদের স্ট্রবেরি স্কিনের সমস্যা আছে, বডির টেক্সচার স্মুদ লাগেনা তাদের জন্য এটা বেশ ভালো। ডিটেইলড রিভিউ পেইজে দেয়া আছে। পড়তে চাইলে কমেন্টবক্সে জানাবেন লিংক দিয়ে দেয়া হবে💛
𝐄𝐱𝐟𝐨𝐥𝐢𝐚𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐁𝐨𝐝𝐲𝐥𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧-
𝐖𝐢𝐬𝐡𝐜𝐚𝐫𝐞 𝐀𝐇𝐀 𝐁𝐇𝐀 𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐋𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧
- খুবই ভালো লাগে। ১০/১০। যারা এক্সফোলিয়েশন জার্নি শুরু করতে চাচ্ছেন এটা নিতে পারেন। আমি কিনতেই থাকি এটা।
****𝐖𝐢𝐬𝐡𝐜𝐚𝐫𝐞 𝐔𝐧𝐝𝐞𝐫𝐚𝐫𝐦 𝐫𝐨𝐥𝐥 𝐨𝐧 𝐬𝐞𝐫𝐮𝐦 টাও সারপ্রাইজিংলি বডির পিগমেন্টেশন এর জন্য অনেক ভালো। আমি এটাও কিনি দরকার পড়লে।
𝐄𝐱𝐟𝐨𝐥𝐢𝐚𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐓𝐨𝐧𝐞𝐫 -
𝐒𝐨𝐦𝐞 𝐛𝐲 𝐦𝐢 𝐚𝐡𝐚 𝐛𝐡𝐚 𝐩𝐡𝐚 𝐦𝐢𝐫𝐚𝐜𝐥𝐞 𝐭𝐨𝐧𝐞𝐫 -
এটার বড় সাইজটা ইউজ করা মানে বডির জন্য বিগিনার ফ্রেন্ডলি এক্সফোলিয়েটর রুটিনে যোগ করে নেয়া। টেক্সচার মোটামুটি ভালোই ইম্প্রুভ করতে পারে। দাগে হেল্পফুল হবেনা।
𝐓𝐡𝐞 𝐂𝐞𝐥𝐞𝐬𝐭𝐞 𝟕% 𝐆𝐥𝐲𝐜𝐨𝐥𝐢𝐜 𝐀𝐜𝐢𝐝 𝐓𝐨𝐧𝐞𝐫 -
1 979
প্রাইভেট এরিয়া সহ পুরো বডির যত্ন যেভাবে নেবেন :-
এই রুটিন ফলো করলে নিজের বাজেট অনুযায়ী বডি কেয়ার করতে পারবেন এবং বেসিক টু অ্যাডভান্সড বডি কেয়ার কীভাবে নিতে হয় , কী প্রোডাক্ট ইউজ করতে হয় এ বিষয়ে আইডিয়া পাবেন।
রুটিনে থাকছে -
(১) বডি ব্রাইট করার উপায়
(২) ট্যান দূর করার উপায়
(৩) বডির অ্যান্টি এজিং
(৪) বডি স্মুদ করার টেকনিক
(৫) প্রাইভেট এরিয়ার আশেপাশের পিগমেন্টেশন কমানোর টিপস (ইনার থাই এরিয়া)
সেই সাথে প্রোডাক্ট সাজেশন তো থাকছেই। আমি চেষ্টা করব প্রোডাক্টগুলোর শর্ট রিভিউ দিয়ে দেয়ার।
চলুন, ধাপে ধাপে জেনে নিই পারফেক্ট বডিকেয়ার রুটিনটি।
🌻
স্কিন কেয়ার যারা করেন তারা জানেন যে প্রত্যেকের বেসিক স্কিন কেয়ার করা উচিত। সিরাম ইউজ করা বাধ্যতামূলক না কিন্তু বেসিক স্কিনকেয়ার একটা প্রোডাক্টও মিস করা যাবেনা যদি স্কিন হেলদি রাখতে চান। ঠিক তেমনই বডির ক্ষেত্রেও বেসিক বডিকেয়ার রুটিন আছে যেটা যেকোনো বয়সের মানুষের ফলো করা উচিত। বেসিকটা আমি একটু সময় নিয়ে বোঝাবো -
(১) এক্সফোলিয়েটিং গ্লাভস :
এক্সফোলিয়েটিং গ্লাভস নিয়ে কিছু কমন ভুল আপুদের মাঝে দেখে শুরুতেই এটা নিয়ে লেখা দরকার বলে মনে করছি। বেসিক বডিকেয়ারে ফিজিকাল এক্সফোলিয়েশনের জন্য সবার বাজেটের মধ্যে এই প্রোডাক্ট আছে। কিন্তু অনেক আপু ইউজের পর ওয়াশরুমেই রেখে দিচ্ছেন গ্লাভস। ভালোভাবে ধুয়ে, শুকিয়ে এটা ওয়াশরুমের বাইরে রাখতে হবে। আমি জিপলক ব্যাগের ভেতর রেখে দিই শুকিয়ে গেলে। MR. DIY এ অথবা কোনো সুপারশপে পেয়ে যাবেন। আরেকটা বিষয় হচ্ছে গরমে ঘেমে থাকলে, গায়ে ময়লা জমে থাকলে কোনো প্রোডাক্ট কিন্তু ঠিক করে কাজ করতে পারবেনা।
হাতমোজা টাইপের গ্লাভস আমার পারসোনালি ভালো লাগেনি। ক্লিন করার জন্য অন্য গ্লাভসগুলো বেটার এবং বেশ স্মুদ লাগে ইউজের পর। প্রাইভেট এরিয়ার পাশে যে ইনার থাই এরিয়া থাকে বা প্রাইভেট পার্টের দুই পাশে রানের জন্য সেফ এক্সফোলিয়েটিং প্রোডাক্ট এটা।
(২) বডিওয়াশ / সোপ / শাওয়ার জেল :
বডি ব্রাইট করা, ট্যান দূর করা বা স্মুদ করার আগে যে জিনিসটা দরকার সেটা হলো হাইজিন। আপনাকে অবশ্যই একটা ভালো বডিওয়াশ/সোপ/শাওয়ার জেল ইউজ করে বডি নিয়মিত ক্লিন করতে হবে। আমি সবসময় বেসিক ক্লিনিং এর প্রোডাক্টগুলো মাইল্ড হওয়া প্রেফার করি ডেইলি ইউজ করলেও সমস্যা হয় না। বিভিন্ন বাজেটের মধ্যে এই প্রোডাক্টগুলো আমার পারসোনালি ভালো লেগেছে-
🍃 প্রোডাক্ট সাজেশন -
𝐃𝐨𝐯𝐞 𝐒𝐞𝐧𝐬𝐢𝐭𝐢𝐯𝐞 𝐒𝐤𝐢𝐧 𝐁𝐞𝐚𝐮𝐭𝐲 𝐁𝐚𝐫
Personal Rating : 10/10
এই সোপটা আমি আপনাদের বারবার রেকমেন্ড করি কারণ এটা খুবই মাইল্ড এবং সেন্সিটিভ স্কিনের জন্য একেবারেই হার্শ নয়। দাম ৪৫০-৫০০ টাকার মধ্যে। এর চেয়ে কম বাজেটে বডিওয়াশ বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমনকি ডাভের বডিওয়াশই সেইম বাজেটে পাওয়া যায়। কিন্তু যাদের বডিতে কোনো কিছু ইউজ করলেই সেন্সিটিভিটি ট্রিগার করে তাদের জন্য এটা খুব ভালো হবে। বিশেষ করে যাদের বডিকেয়ার রুটিনে বিভিন্ন অ্যাক্টিভ ইনগ্রিডিয়েন্ট আছে তারা ট্রাই করতে পারেন।
𝐋𝐔𝐗 𝐁𝐨𝐝𝐲𝐰𝐚𝐬𝐡(স্টুডেন্টদের জন্য)
আমি বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বডিওয়াশ,শাওয়ার জেল ট্রাই করে দেখেছি। কিন্তু দেখলাম সবগুলোই মোটামুটি কাছাকাছি এক্সপেরিয়েন্স। স্মেলের কথা যদি বলি, হ্যাঁ আপনার প্রেফারেন্স থাকতে পারে… কোনো ব্র্যান্ডের শাওয়ার জেল/বডিওয়াশের স্মেল ভালো লাগতে পারে কিন্তু হাইজিন মেইনটেইন করার জন্য চাইলে লাক্সও যা, অন্যান্য বডিওয়াশও তাই। যার বাজেট ইস্যু আছে সে লাক্স কিনলেই হাইজিন মেইনটেইন করতে পারবে এবং লাক্সের ২০০ টাকার বডিওয়াশগুলোর স্মেল একেবারে খারাপ না। আমার বডির স্কিন টাইপ ড্রাই। একটা কি দুইটা বডিওয়াশ ছাড়া যেকোনো বডিওয়াশ ইউজ করলে আমার বডি ড্রাই ই ফিল হয়। যাদের আমার মতো এমন সিচুয়েশনে পড়তে হয় তারা হাইড্রেটিং বডিলোশন ইউজ করে নিলেই হবে যেকোনো বডিওয়াশ ইউজের পর।
( c ) 𝐃𝐨𝐯𝐞 𝐃𝐞𝐞𝐩𝐥𝐲 𝐧𝐨𝐮𝐫𝐢𝐬𝐡𝐢𝐧𝐠 𝐛𝐨𝐝𝐲 𝐰𝐚𝐬𝐡 -
এটার ২০০ মিলি সাইজটা আমার কাছে সবসময় থাকে। দাম ৪৫০-৪৮০ টাকার মধ্যে পাবেন । আমি ক্লাসিমিসি থেকে নিই। লোকাল শপে পাওয়া যায় কীনা চেক করিনি। বাংলাদেশে আবার পপুলার ব্র্যান্ডগুলোর ভুরি ভুরি নকল। এই ভয়ে লোকাল শপ রেকমেন্ড করছিনা।
(৩) বডি সানস্ক্রিন :
বডি দিন দিন ডাল হচ্ছে, ট্যান পড়ে যাচ্ছে, কালচে হচ্ছে এমন অভিযোগ আপনার যদি থাকে তাহলে বুঝতে হবে ভালো একটা বডি সানস্ক্রিন আপনার রুটিনে রাখা প্রয়োজন ছিল, সেটা ভুলে যাননি তো? বডি সানস্ক্রিন কিন্তু সবার জন্য মাস্ট এবং এটা বডির অ্যান্টি এজিং রুটিনের একটা প্রোডাক্ট। সান প্রোটেকশন নিশ্চিত করতে হবে, বিশেষ করে অ্যাক্টিভস রুটিনে যোগ হওয়ার পর প্রোপারলি সান প্রোটেকশন না পেলে বডি আরও বাজেভাবে ট্যানড হয়ে যায়। স্প্রে সানস্ক্রিনগুলো আমি রেকমেন্ড করছিনা। ফেসের জন্য ইন্ডিয়ান সানস্ক্রিন রেকমেন্ড না করলেও বডির জন্য আমার কাছে ইন্ডিয়ান কিছু সানস্ক্রিন ভালো লেগেছে।
1 979
আপনি কোন ধরনের বুদ্ধিমান? জেনে নিন বুদ্ধিমত্তার ৯টি ক্যাটাগরি!**
আমরা অনেকেই ভেবে থাকি, যারা গণিত-বিজ্ঞানে দক্ষ, যারা তর্কে পারদর্শী বা একাডেমিকভাবে ভালো ফলাফল করে, তারাই শুধু বুদ্ধিমান। কিন্তু সত্যটা একদম আলাদা।
বিশ্বখ্যাত মনোবিজ্ঞানী *হাওয়ার্ড গার্ডনার* মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ৯টি আলাদা ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করেছেন। প্রত্যেকটি ক্যাটাগরি সমান গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নিই আপনার বুদ্ধিমত্তা কোন ধরনের.?
১/ সঙ্গীতবোধী বুদ্ধিমত্তা (Musical Intelligence)
গান, সুর, তাল-লয় ও বাদ্যযন্ত্রের প্রতি স্বাভাবিক দক্ষতা। গণিতে দুর্বল হলেও সঙ্গীতে অসাধারণ হতে পারেন এমন মানুষেরা তারা এই শ্রেণিতে পড়েন।
২/ যুক্তিবিদ ও গাণিতিক বুদ্ধিমত্তা (Logical-Mathematical Intelligence)
সংখ্যা, যুক্তি ও বিশ্লেষণের জাদুকর। ধাঁধা সমাধান, সমস্যা বিশ্লেষণ ও বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারায় পারদর্শী। বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও প্রোগ্রামারদের মধ্যে এই বুদ্ধিমত্তা প্রবল।
৩/ অস্তিত্ববাদী বুদ্ধিমত্তা (Existential Intelligence)
জীবন, মৃ'ত্যু, মহাবিশ্ব ও অস্তিত্বের গভীর প্রশ্ন নিয়ে চিন্তা করা। দার্শনিক মনের অধিকারীরা এই ক্যাটাগরিতে পড়েন।
৪/ আন্তঃব্যক্তিক বুদ্ধিমত্তা (Interpersonal Intelligence) মানুষের আবেগ, চিন্তা ও আচরণ বোঝার অসাধারণ ক্ষমতা। দারুণ যোগাযোগ দক্ষতাসম্পন্ন নেতা, শিক্ষক, কাউন্সেলর ও বিক্রয়কর্মীরা সাধারণত এই গ্রুপে থাকেন।
৫/ দেহ-কৌশলগত বুদ্ধিমত্তা (Bodily-Kinesthetic Intelligence) শরীরের উপর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ। খেলাধুলা, নাচ, অভিনয় বা হাতের কাজে দক্ষ মানুষেরা এই বুদ্ধিমত্তার অধিকারী।
৬/ ভাষাবিদ ও সাহিত্যিক বুদ্ধিমত্তা (Linguistic Intelligence) শব্দ ও ভাষার জাদুকর। সুন্দর করে কথা বলা, লেখা, গল্প-কবিতা রচনা ও ভাষা শেখায় স্বাভাবিক প্রতিভা। লেখক, কবি, বক্তা ও আইনজীবীরা এই শ্রেণিতে উজ্জ্বল।
৭/ আত্মজ্ঞানমূলক বুদ্ধিমত্তা (Intrapersonal Intelligence) নিজেকে ভালো করে চেনা। নিজের আবেগ, শক্তি, দুর্বলতা ও লক্ষ্য সম্পর্কে গভীর সচেতনতা। আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ব্যক্তিগত বিকাশে এরা এগিয়ে থাকেন।
৮/ প্রকৃতিবাদী বুদ্ধিমত্তা (Naturalist Intelligence) প্রকৃতি, প্রাণী, গাছপালা ও পরিবেশের প্রতি স্বাভাবিক আকর্ষণ ও গভীর অনুভূতি। পরিবেশবিদ, কৃষক, প্রাণীবিজ্ঞানী ও বোটানিস্টদের মধ্যে এই বুদ্ধিমত্তা বেশি দেখা যায়।
৯/ চিত্রকর ও দৃশ্যমান বুদ্ধিমত্তা (Spatial Intelligence) দৃশ্যমান জগতের অনুভূতি। ছবি আঁকা, ডিজাইন, স্থাপত্য, ফটোগ্রাফি বা ৩ডি ভিজ্যুয়ালাইজেশনে দক্ষতা। শিল্পী, ডিজাইনার ও স্থপতিরা এই ক্যাটাগরির উদাহরণ।
সমাজ কোন বুদ্ধিমত্তাকে বেশি গুরুত্ব দেয়?
আমাদের সমাজ সাধারণত যুক্তিবিদ ও গাণিতিক বুদ্ধিমত্তাকে সবচেয়ে বেশি মূল্যায়ন করে। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটি ধরনের বুদ্ধিমত্তাই মূল্যবান এবং সমাজের জন্য অপরিহার্য।
তাহলে বলুন তো, আপনার বুদ্ধিমত্তা প্রধানত কোন ক্যাটাগরিতে পড়ে? একাধিক হলে সেটাও কমেন্ট করে জানান। কারণ একজন মানুষের মধ্যে একাধিক বুদ্ধিমত্তার সমন্বয় থাকাটাও স্বাভাবিক।
Philosopher In Town:
#jahidhasanscientist
#HowardGardner
#multipleintelligences
1 979
https://id.kahf.co/ansar/muslimsday
আমি Muslims Day-এর একজন আনসার হয়েছি। ১ কোটি মানুষের কাছে ইসলামের আলো পৌঁছে দিতে আপনিও যোগ দিন।
1 979
Ultrasound of Breast is safer than mammogram.
ব্রেস্ট টিউমার অনেক কারনের একটা কারন। বিষাক্ত কাপড়ের ব্রা পড়া। ব্রা যেন ন্যাচারাল কাপড় দিয়ে তৈরি হয়। Polyester, Nylon, Acrylic, Spandex. এই ফ্যাবরিকের ব্রা কেনা বা পড়া যাবে না। এগুলো প্লাস্টিক থেকে তৈরি কাপড়। আপনার শরীর যখন ঘামে এগুলোর Microplastic স্কিন দিয়ে শরীরে রক্তে ঢুকে। পাশাপাশি এসব থেকে বের হওয়া পয়জন স্কিন এবজর্ব করে। এমন ব্রা কিনবেন যাতে আপনার স্কিন নিশ্বাস নিতে পারে। বেশি টাইট ব্রা পড়া যাবে না।
ভালো কাপড়ের ভেতর আছে কটন, সিল্ক, লিনেন, উল, ফ্লাক্স, হেম্প, ব্যামবু, রেয়ন, টেনসেল, ভিসকোস, মোডাল। ব্রা কেনার সময় কি ফ্যাব্রিক দিয়ে বানানো দেখে নিবেন।
ক্যান্সারের আরেকটা বড় কারন আমাদের কসমেটিক ইন্ডাস্ট্রি। আপনি জানেন আপনার কসমেটিকস এ কি পরিমান ক্যানসার সৃস্টিকারি উপাদান আছে? আপনার হরমোন নস্ট করার উপাদান আছে। এগুলো যে মাখতেছেন। এগুলো চামড়া ভেত করে রক্তে প্রবেশ করে জানেনতো ? এইসব বিষাক্ত ক্যামিকেল দিনের পর দিন বছরের পর বছর রক্তে গেলে ক্যান্সার হবে না? আমেরিকাতে এখন non toxic organic cosmetics বের করছে। এই বিষাক্ত কসমেটিকস এর যে দাম। অর্গানিক কসমেটিক্স কেনার চিন্তা বাদ দেন।
একটা কথা বলি? বাহিরে আলগা ফেইক সুন্দরী হবার চেয়ে। ভিতরের কোষ ক্লিন করুন। আপনি ভিতর থেকে এমনি সুন্দরী হবেন। কোন কসমেটিকস লাগবে না । আপনি কালো হলেও আপনার স্কিনে গ্লেস মারবে। কারন কোষ ক্লিন। আর স্কিন সমস্যার এক নাম্বার কারন তার পেটে সমস্যা। হঠাৎ চামড়া কালো হয়ে যাওয়ার কারন ইনসুলিন ৪ এর উপরে থাকা। গাট ক্লিনের খবর নাই। খালি উপর দিয়ে আটা ময়দা। আরেকটা কারন ভিটামিন ডি ঘাটতি। সেদিনই এক বোন কমেন্টে বললো ২ লাখ টাকা নস্ট করেও স্কিন ঠিক হয় নি। ভিটামিন ডি ১০০ করে স্কিন সমস্যা দুর হইছে।
ইনসুলিন ৩ এ আনবে
ভিটামিন ডি ১০০ করবে
রাত ১০টায় ঘুমাবে
টেনশন করবে না
অর্গানিক খাবার খাবে
রেগুলার ব্যায়াম করবে
কোলাজেন, এস্টাজেনথিন ২৪, বায়োটিন ১০ খাবে
বাইরের খাবার খাবে না
বাজে তেল ছুয়ে দেখবে না।
এমনিতেই সুন্দরী হবে।
আটা ময়দা ঠোট পালিশ দিয়ে ক্যান্সার উপাদান আর হরমোন নস্ট করার উপাদান ঢুকাইয়েন না।
Non toxic Organic US cosmetic brands are
Toups and co organics
Mineral fusion
100% Pure
Ilia beauty
RMS Beauty
Saie
Kosas
Honest Beauty.
1 979
যাদের বয়স ২৫ এর নিচে তারা মাথায় রাখতে পারেন—
১। যদি ছাত্র হন তাহলে ভালোভাবে পড়াশোনা করুন। ফ্রি মিক্সিংয়ের কারণে সমস্যা হলে দক্ষ ও অভিজ্ঞ আলেমদের শরণাপন্ন হোন। পরামর্শ নিন। অমুক হকপন্থী ভাই, তমুক গুরাবা ভাইয়ের কথায় কোনো সিদ্ধান্ত নিবেন না। কমিউনিটির যাদের দেখে আপনারা অনুপ্রাণিত হন, তাদের কেউই কিন্তু লেখাপড়া ছেড়ে দেয়নি। বরং সবাইই সাধ্যমত উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন, করছেন। সমস্যা আছে, থাকবে, এগুলো কীভাবে পাশ কাটানো যায় সেই পরামর্শ নিবেন অভিজ্ঞ আলেমদের থেকে। তারা বাস্তবসম্মত পরামর্শ দিবেন।
একান্তই পড়াশোনা ভালো না লাগলে স্কিল শিখুন, ব্যাবসা করুন, হালাল রিজিক উপার্জনের ব্যবস্থা করুন। পেশাগত ব্যস্ততায় ঢুকে যান। অবসর থাকবেন না। অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা।
২। হুটহাট আবেগে হঠকারী কোনো কাজ করবেন না। যারা করে তাদের থেকে এক হাজার গজ দূরে থাকবেন। এবার আপনাকে ভীরু, কাপুরুষ যাই বলা হোক, পরোয়া করবেন না। রাজনীতি করতে মন চাইলে কোনো দলে ঢুকে যান। প্রচলিত দলগুলোর নানা সমস্যা আছে সত্য, কিন্তু ইস্যুগুলোকে তারা যেভাবে বুঝতে পারে অরাজনৈতিক ব্যক্তিরা তা পারে না।
গাজীপুরের ইমামের কাহিনীসহ গত দুই বছরে বহু ইস্যু এমন এসেছে যেখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সতর্কতাই শেষ পর্যন্ত সঠিক প্রমাণিত হয়েছে। তাছাড়া দলীয় রাজনীতি করে কোনো ঝামেলায় পড়লে দলকে পাশে পাবেন। একা বিপদে পড়লে কেউ পাশে থাকবে না। এবং এটা স্বাভাবিক। অবশ্য দীর্ঘমেয়াদি দাওয়াতি চিন্তাধারা থাকলে দলীয় রাজনীতিতে না জড়ানো উত্তম। কিন্তু যদি মাঠের কর্মসূচি ভালো লাগে তাহলে দল করাই উত্তম।
৩। দ্বীনের জন্য কিছু করতে মন চাইলে বিদ্যমান যে কোনো দাওয়াতি, ইলমি ও ফিকরি মেহনতে সংযুক্ত হোন। যেটা সম্ভব নয়, সেখানে পণ্ডশ্রম করবেন না। অভিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ শুনবেন না, কাজ করবেন নিজের মনোমতো, এরপর বিপদে পড়লে কেউ কেন উদ্ধার করতে যাচ্ছে না—সেই কান্না করবেন, এটা উচিত না।
৪। কমিউনিটির যারা তিনবেলা উত্তেজনা সরবরাহ করে তাদের থেকেও দূরে থাকবেন। তাদের পোস্ট দেখে আপনি গরম হবেন, প্রথম আলো পোড়াবেন। উনারা হয়তো পোস্ট ডিলেট করবেন বা তাবিল করবেন। আপনি থাকবেন জেলখানায়, নিজের মামলার ঘানি নিজে টানবেন। কাউকেই পাশে পাবেন না। বাস্তবতা অনেক কঠিন। কখনো বাস্তবতা ভুলবেন না। কেউ বিপদে পড়লে তার পরিবারই সাফার করে। অন্য কেউ না। সবসময় বিপদ থেকে বেঁচে থাকার দোয়া করবেন। অযথা বিপদ টানবেন না, বিপদে পড়ার আগ্রহও রাখবেন না।
৫। নিজের জীবন, যোগ্যতা ও পেশা নিয়ে সিরিয়াস হবেন। নিজেকে গঠন না করে কেউ জাতিকে গঠন করতে পারে না। অযোগ্য লোক বড়জোর কালো পাগড়ি আর ময়লা বাবরি নিয়ে বাইকে করে এলাকা চক্কর দিয়ে জিহাদি নাশিদ লাগিয়ে ভিডিও ছাড়বে, এর বেশি কাজে তাকে পাবেন না। মুতামিদ বিন আব্বাদ বলেছিলেন, এক হাজার অসুস্থ লোক দিয়ে কোনো সেনাবাহিনী বানানো যায় না, বরং তা দিয়ে হাসপাতাল খোলা যায়। হাজার হাজার অসুস্থ মানুষের কোনো দরকার নেই, যোগ্য অল্পকিছু মানুষই যথেষ্ট।
৬। যে-কোনো ইস্যু সামনে আসলে ৫ দিন অপেক্ষা করবেন, এরপর সিদ্ধান্ত নিবেন। গত দুই বছরে দেখুন, বেশিরভাগ ইস্যু প্রথমে যেমন মনে হয়েছে পরে আর তেমন থাকেনি। সুতরাং অপেক্ষা করুন, ইস্যুটা ভালোমত স্পষ্ট হোক। ইস্যু না বুঝেই যিশু সেজে অন্যের পাপ নিজের কাঁধে নেয়া থেকে বিরত থাকবেন।
যাদের বয়স ২৫ এর বেশি তাদের কিছু বলা দরকার নেই। এতদিনে তাদের বাস্তবতা বুঝে আসার কথা। যদি না আসে তাহলে বলেও লাভ হবে না।
কথাগুলোতে কষ্ট পেলে মাফ করবেন।
1 979
‼️আল-আলীমু (اَلْعَلِیْمُ): সবকিছু জানেন যিনি (সর্বজ্ঞাত)! এই পবিত্র নাম আল-কুরআনে একশত সাতান্ন (১৫৭) বার এসেছে।
ফজিলত (মাহাত্ম্য):
❖ যে ব্যক্তি এই নামটির অধিক পরিমাণে জিকির (পাঠ) করবে, আল্লাহ ﷻ তাকে দ্বীন ও দুনিয়ার মারেফাত (গভীর জ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতা) দান করবেন।
❖ যে ব্যক্তি নামাজ শেষ করার পর একশত (১০০) বার "یَا عَالِمَ الْغَیْبِ" (ইয়া আলিমুল গাইব) পাঠ করবে, আল্লাহ ﷻ তাকে 'সাহেবে কাশফ' (যার কাছে গোপন বিষয় উন্মোচিত হয়) বানিয়ে দেবেন।
❖ কোনো বিষয়ে ইস্তিখারা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তি যদি জুমার রাতে (বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে) এশার নামাজের পর মসজিদে একশত (১০০) বার এটি পাঠ করে ঘুমিয়ে পড়ে, তবে তার সামনে কাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা অবস্থা উন্মোচিত (স্পষ্ট) হয়ে যাবে।
❖ যে ব্যক্তি গোপন বিষয়াবলি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে চায়, সে প্রথমে সত্তর (৭০) বার "سُبْحٰنَکَ لَا عِلْمَ لَنَا اِلَّا مَا عَلَّمْتَنَا اِنَّکَ اَنْتَ الْعَلِیْمُ" (সুবহানাকা লা ইলমা লানা ইল্লা মা আল্লামতানা ইন্নাকা আনতাল আলীম) পাঠ করবে। এরপর একশত (১০০) বার "یَا عَلِیْمُ عَلِّمْنِیْ یَا خَبِیْرُ اَخْبِرْنِیْ یَا مُبِیْنُ بَیِّنْ لِّیْ" (ইয়া আলীমু আল্লিমনী ইয়া খাবীরু আখবিরনী ইয়া মুবীনু বাইয়্যিন লী) পাঠ করবে। আমলটির শুরুতে ও শেষে দরূদ শরীফ পড়তে হবে। তারপর শুয়ে পড়বে, অতঃপর ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে কোনো মজলিসে (সমাবেশে) গেলে সে নিজের উদ্দেশ্যের ইশারা (সংকেত) পেয়ে যাবে।
📕রেফারেন্সঃ
- শরহে সুনানে তিরমিযি শরীফ। খন্ড নং ০৬। হাদীস নং ৩৪৩০।
اللهم صلي علي سيدنا ومولانا محمد ﷺ وعلي آله واصحابه وعلي سيدنا حجة الاسلام امام غزالي وبارك وسلم
________
✅দারুল গাজ্জালী: জ্ঞান ও আত্মার নিবাস
🤔Athar Masum Billah
🗓️৯ই মহররম, ১৪৪৮ হিজরী
🗓️২৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
🗓️১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
🔴দৈহিক মি'রাজের প্রথম স্তরের মূল বক্তব্য: "এ স্তরে এসে নামাযীর রূহের নূর উপরে আরোহন করে এবং মহানবী (ﷺ)-এঁর রূহানী নূর নিচে নেমে আসে। ফলে উভয়ের মধ্যে সাক্ষাত ও মিলন ঘটে। তখন অর্জিত হয় এক অনির্বচনীয় শান্তি, আরাম ও পরিতৃপ্তি।" বিস্তারিত লিংক কমেন্ট বক্সেঃ
1 979
সূরা আল-ফুরকানের ৭৪ নম্বর আয়াত:
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
রব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ’ইয়ুনিওঁ ওয়াজ’আলনা লিলমুত্তাক্বীনা ইমামা।
অর্থ: "হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিদেরকে আমাদের জন্য নয়নপ্রীতিকর (চক্ষুশীতলকারী) কর এবং আমাদেরকে আল্লাহভীরু বা মুত্তাকীদের জন্য আদর্শস্বরূপ (নেতা) কর।
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
রব্বি ইন্নী লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকীর।
অর্থ: "হে আমার রব! নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।
সূরা আল-আম্বিয়ার ৮৯ নম্বর আয়াত:
رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ
রব্বি লা তাযারনি ফার্দাও ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন।"
অর্থ: "হে আমার প্রতিপালক! আমাকে একা (সন্তানহীন) রেখো না, আর তুমিই তো শ্রেষ্ঠ উত্তরাধিকারী।"
اللَّهُمَّ اخْتَرْ لِي وَلَا تَخْتَرْ لِي نَفْسِي
আল্লাহুম্মা ইখতারলী ওয়া লা-তাখতারলী নাফসী।
অর্থ:"হে আল্লাহ! আপনিই আমার জন্য কল্যাণকর বিষয়টি নির্ধারণ করে দিন এবং আমাকে আমার নিজের ওপর ছেড়ে দেবেন না।"
اللَّهُمَّ يَسِّرْ لِي زَوَاجًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ
আল্লা-হুম্মা ইয়াসসির লী যাওয়া-জান তাইয়িবান মুবা-রাকান ফীহ।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার জন্য একটি উত্তম ও বরকতময় বিবাহ সহজ করে দিন।
1 979
ভিটামিন-ডি ও ওমেগা-৩: সামুদ্রিক মাছ (ইলিশ, রুই, টুনা), মাশরুম এবং দুগ্ধজাত খাবার। দৈনিক কিছু সময় গায়ে রোদ লাগানোও ভিটামিন-ডি এর দারুণ উৎস।
রসুন ও আদা: রসুনে থাকা অ্যালিসিন এবং আদার নির্যাস শরীরে টেস্টোস্টেরন উৎপাদনে উদ্দীপনা যোগায়।
সবুজ শাকসবজি: পালং শাক বা ব্রকলি, যেগুলোতে ম্যাগনেসিয়াম আছে, তা হরমোনের কার্যকারিতা বাড়ায়।
🟩 যা জানা অত্যন্ত জরুরি:
১. ঘুমের সাথে কোনো আপোষ নেই: আপনি যতই ভালো খান আর ব্যায়াম করেন, রাতে যদি ৫ ঘণ্টার কম ঘুমান, তবে আপনার টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ১৫% পর্যন্ত কমে যেতে পারে। প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ঘুম এই হরমোনের জন্য মহৌষধ।
২. স্ট্রেস বা মানসিক চাপ কমান: আপনি যখন অতিরিক্ত টেনশন করেন, তখন শরীর কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন তৈরি করে। এই কর্টিসল হলো টেস্টোস্টেরনের আজন্ম শত্রু। কর্টিসল বাড়লে টেস্টোস্টেরন পালাবার পথ পায় না।
৩. অতিরিক্ত ওজন ও চিনি বর্জন: অতিরিক্ত চর্বি টেস্টোস্টেরনকে নারী হরমোন ইস্ট্রোজেন এ রূপান্তর করে ফেলে। আর অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার ইনসুলিন স্পাইক করায়, যা সরাসরি টেস্টোস্টেরন কমিয়ে দেয়।
.
.
🟩 লেখক:
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ডাক্তার।
কাউন্সেলিং , সাইকোথেরাপি ও CBT এর উপরে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি ডিপার্টমেন্ট থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ।
.
PGD in Applied Psychology,
PGD in Counselling Psychology,
Diploma in Applied Counselling,
Diploma in Child Counselling,
Certificate in Child Counselling,
.
Trained in Psychotherapy (University of Dhaka )
Trained in Therapeutic Counselling ( University of Dhaka)
Trained in CBT for Depression (University of Dhaka)
Trained in Disability Management and Special Education (Proyash, Savar Cantonment , Dhaka )
.
ACDAIE - Disability, Autism & Inclusive Education
(IER, University of Dhaka )
.
BSEd ( On course ), B.Ed, M.Ed, BA (Hons),
MA (Jahangirnagar University)
Masters in Communication Disorder (MCD ) Professional - ( On course ) University of Dhaka.
.
যৌন সমস্যা ও মানসিক স্বাস্থ্য, রিলেশনশিপ ও কাপল কাউন্সেলিং, স্ট্রেস, ডিপ্রেশন,অ্যাংজাইটি ম্যানেজমেন্টসহ শিশু-কিশোর কাউন্সেলিং, প্যারেন্ট কাউন্সেলিং, ADHD, অটিজম ও Learning Difficulty বিষয়ে পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।
.
হোমিওপ্যাথিক, বায়োকেমিক, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যার সমন্বিত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।
.
🟢 বিস্তারিত জানতে ওয়েবসাইট ভিজিট করুন:
www.faijulhuq.com/about-us/
.
🟩 আমার সাথে ফোনে কথা বলে চিকিৎসা পরামর্শ নিতে চাইলে , প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টার মধ্যে 01712859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলতে পারবেন।
.
অথবা
.
📱 WhatsApp-এ পরামর্শ নিতে পারবেন । 01712-859950 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে ।
.
আপনার বয়স, ঠিকানা, পেশা ও সমস্যা বিস্তারিত লিখে পাঠান, আপনার জন্য পরামর্শ দিয়ে দেবো । ভয়েস মেসেজ দিবেন না ।
.
🔴 সতর্কতা:
কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে!
.
মোবাইল:
01972859950,
01712859950
.
এই দুইটা নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন। এই দুইটা যদি নাম্বার না থাকে তাহলে আমার ভিডিও অথবা ছবি থাকলেও মনে করবেন যে এখানে প্রতারণা হচ্ছে।
.
Disclaimer: This content is strictly for educational, scientific, and awareness purposes. It contains no explicit or inappropriate material and is intended solely to promote healthy physical and mental health awareness among adults.
1 979
টেস্টোস্টেরন হরমোন কেন এবং কতটুকু জরুরি?
.
পুরুষদের আসল পাওয়ার হাউজ টেস্টোস্টেরন (Testosterone) হরমোন । এটি কেবল একটা হরমোন নয়, এটি পুরুষদের জীবনের এমন এক অদৃশ্য চালিকাশক্তি, যা কমে গেলে জীবনটাই কেমন যেন পানসে আর ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে যায়। তাই পুরুষ হিসেবে নিজের শরীর আর মনকে চাঙ্গা রাখতে এই হরমোন সম্পর্কে একদম খুঁটিনাটি জেনে রাখা দরকার।
🟩টেস্টোস্টেরন কী এবং এটি কীভাবে উৎপন্ন হয়?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, টেস্টোস্টেরন হলো পুরুষদের প্রধান সেক্স হরমোন। এটি মূলত অ্যান্ড্রেজেন (Androgen) গ্রুপের একটি হরমোন।
🟩এই হরমোন তৈরি হয় কোথায়?
আমাদের শরীরে হরমোন তৈরির এই পুরো প্রক্রিয়াটি একটি চমৎকার চেইন অব কমান্ড মেনে চলে,
আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস এবং পিটুইটরি গ্রন্থি হলো এই প্রক্রিয়ার মূল পরিচালক। যখন শরীরে টেস্টোস্টেরনের দরকার হয়, তখন মস্তিষ্ক সংকেত পাঠায়।
মস্তিষ্কের গ্রিন সিগন্যাল পেয়ে পুরুষদের প্রধান জনন অঙ্গ বা শুক্রাশয় (Testicles) টেস্টোস্টেরন উৎপাদন শুরু করে।
খুব সামান্য পরিমাণে এই হরমোন আমাদের অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি (যা কিডনির উপরে থাকে) থেকেও তৈরি হয়।
🟩পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য ও সার্বিক শরীরে এর কাজ কী?
টেস্টোস্টেরনকে যদি শুধু সেক্স হরমোন ভেবে ঘরের কোণে বসিয়ে রাখেন, তবে ভুল করবেন। এর কাজ বহুমুখী,
পুরুষের লিবিডো বা যৌন আকাঙ্ক্ষা সরাসরি এই হরমোনের ওপর নির্ভর করে। শুক্রাণু (Sperm) উৎপাদনের মূল কারিগরও এটি, অর্থাৎ বাবা হওয়ার জন্য এই হরমোন অপরিহার্য।
জিমে গিয়ে যতই ঘাম ঝরান না কেন, শরীরে যদি টেস্টোস্টেরন কম থাকে, তবে মাসল বা পেশি তৈরি হবে না। এটি হাড়কে মজবুত রাখে এবং চর্বি জমতে বাধা দেয়।
কথায় কথায় মেজাজ খারাপ হওয়া, অলসতা বা ডিপ্রেশনের পেছনেও এর হাত আছে। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাস এবং এনার্জি লেভেল ধরে রাখে।
🟩স্বাভাবিক মাত্রা কত এবং দিনের কোন সময়ে এটি ওঠানামা করে?
সব জিনিসেরই একটা পারফেক্ট পরিমাপ থাকে। টেস্টোস্টেরনের ক্ষেত্রেও তাই। একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের শরীরে এর স্বাভাবিক মাত্রা সাধারণত ৩০০ থেকে ১,০০০ ন্যানোগ্রাম পার ডেসিলিটার (ng/dL) ধরা হয়। বয়স ৩০ পার হওয়ার পর প্রতি বছর প্রাকৃতিকভাবেই এই হরমোন প্রায় ১% হারে কমতে শুরু করে।
মজার ব্যাপার হলো, এই হরমোন কিন্তু সারাদিন এক মাপে থাকে না।
সকালবেলা (ভোর ৫টা থেকে সকাল ১০টার মধ্যে) পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা থাকে সবচেয়ে বেশি। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর যে ভরপুর এনার্জি বা রোমান্টিক মুড থাকে, তার আসল চাবিকাঠি এটাই।
সারাদিনের খাটুনি শেষে বিকেল এবং রাতের দিকে এই হরমোনের মাত্রা সবচেয়ে নিচে নেমে যায়। শরীর তখন ক্লান্ত থাকে এবং বিশ্রামের খোঁজে।
🟩হরমোন কমে গেলে কী কী সমস্যা হয়?
শরীরে টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় হাইপোগোনাডিজম বলে। এটি কমলে শরীর নিজেই সিগন্যাল দিতে শুরু করে,
যৌন ইচ্ছা একদম কমে যায় এবং ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা দেখা দেয়।
জিম না করলেও হঠাৎ করে ভুড়ি বেড়ে যাওয়া এবং হাত-পায়ের মাংসপেশি নরম হয়ে যাওয়া।
মাথায় টাক পড়া শুরু হতে পারে এবং পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরেও সারাদিন নিজেকে ব্যাটারি লো মনে হয়।
কোনো কোনো পুরুষের স্তনের আকার অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে (Gynecomastia)।
🟩হরমোন পরীক্ষার জন্য কী করা দরকার?
আপনার শরীরে হরমোন ঠিকঠাক আছে কি না, তা জানার একমাত্র উপায় হলো রক্ত পরীক্ষা (Serum Testosterone Test)।
যেহেতু সকালে এই হরমোনের মাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে, তাই ডাক্তাররা সাধারণত সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে খালি পেটে রক্ত দেওয়ার পরামর্শ দেন। পরীক্ষার আগের রাতে পর্যাপ্ত এবং ভালো ঘুম হওয়া জরুরি, নয়তো রিপোর্টে উল্টোপাল্টা রেজাল্ট আসতে পারে।
🟩টেস্টোস্টেরন বাড়াতে কী কী ব্যায়াম করবেন?
ওষুধ খেয়ে হরমোন বাড়ানোর চেয়ে প্রাকৃতিকভাবে বাড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ। আর এর জন্য ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। তবে সব ব্যায়াম কিন্তু সমান কাজ করবে না।
Weight Lifting/ ডাম্বেল বা বারবেল নিয়ে ভারী ওজন তোলার ব্যায়াম (যেমন: স্কোয়াট, ডেডলিফ্ট, বেঞ্চ প্রেস) টেস্টোস্টেরন বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। পায়ের ব্যায়াম বা লোয়ার বডি ওয়ার্কআউট করলে এই হরমোন দ্রুত ক্ষরিত হয়।
HIIT ( High Intensity Interval Training) / অল্প সময়ে খুব দ্রুত এবং ভারী কসরত (যেমন: ৩০ সেকেন্ড তীব্র গতিতে স্প্রিন্ট বা দৌড়, তারপর ১ মিনিট বিশ্রাম) এই হরমোনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়।
মনে রাখবেন: অতিরিক্ত কার্ডিও বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ম্যারাথন দৌড় আবার উল্টো ফল দিতে পারে (তাতে কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন বেড়ে টেস্টোস্টেরন কমে যায়)।
🟩হরমোন বাড়াতে পাতে কোন কোন খাবার রাখবেন?
জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার: জিঙ্ক হলো টেস্টোস্টেরনের প্রধান কাঁচামাল। গরুর মাংস, ডিমের কুসুম, কলিজা, কুমড়োর বীজ এবং বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে।
1 979
সূরা আরাফে নতুন একটা ব্যাপার নিয়ে জানলাম। ছোট বেলা থেকে শুনে এসেছি যে, আখিরাতের পরিণাম হবে বাইনারি, হয় জান্নাত নয় জা*হান্নাম।
অথচ এই সূরার মাধ্যমে আমাদেরকে আল্লাহ জানিয়ে দিলেন— না, জান্নাত আর জা*হান্নামের মাঝামাঝিও আরেকটা জায়গা আছে। জায়গাটার নাম আরাফ!
এই জায়গার নাম অনুসারেই এই সূরার নামকরণ। "আরাফ" হবে তাদের জন্য, যারা এতটাও ভালো কাজ করেনি যে জান্নাতের টিকেট পেয়ে যাবে! আবার এতটাও খারাপ কাজ করেনি যে জা*হান্নামে যেতে হবে। এ যেন মিডেল ক্লাসদের চরণ ভূমি!
এই আরাফবাসি সবসময়ই আশায় থাকবে যে, তাদেরকে যেন কোন না কোন সময় জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়।
এই আরাফ ছাড়াও হাশরের (The Day Of Judgement) আরেকটা ইম্পর্টেন্ট ফেক্ট আমাদের অনেকেরই অজানা। আর সেটা হলো কান্তারা!
আমরা মনে করি, কোনো রকমে পুলসিরাত পার হইতে পারলেই বাঁচি। ভুল! পুলসিরাত পার হতে পারলেই জান্নাত নয়। পার হতে পারলে অপেক্ষা করবে মুমিনদের জন্য ফাইনাল পরীক্ষা।
হাশরের দিনে বিশ্বাসীদের বিচার হবে দু-বার। এক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পূর্বে। আরেক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পরে। জি ঠিকই শুনেছেন।
পূর্বের বিচার হবে- "স্রষ্টার হক নষ্ট করার বিচার।"
আর পরের বিচার হবে- "বান্দার হক নষ্ট করার বিচার।"
আর যে জায়গাটায় বিচারটি হবে, সেই জায়গাটির নামই হলো— "কান্তারা।" আল-কান্তারাহ হলো- সিরাতের পর আরেকটি ছোট সিরাত। বিশ্বাসীগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারা এই কান্তারার উপর দিয়েই প্রবেশ করবে। এবং স্রষ্টা এই কান্তারার উপরেই মুমিনদের মধ্যকার আন সেটেলড ইস্যুস গুলো রিসোলভ করবেন।
কল্পনা করুন! একজন ব্যক্তি আল-কান্তারাহ তে, জান্নাতের দরজার অলমোস্ট দ্বারপ্রান্তে, অথচ সে সেথায় ঢুকতে পারছে না! কারণ তার সব সৎকর্মগুলো যা নিয়ে নিয়ে সে বড়াই করতো সব শেষ। উল্টো তাকে জা*হান্নামে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
সেই হতোভাগাকে আপনি তখন কী বলবেন?
প্রিয় রাসূল (ﷺ) অবশ্য সেই হতভাগা কে ডিফাইন করেছেন "মুফলিস" হিসেবে। "মুফলিস" অর্থ হলো দেউলিয়া।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা কি জানো, কে আসল দেউলিয়া?”
সাহাবারা (রা.) উত্তর দেন, “যার কাছে অর্থ বা সম্পদ কিছুই নেই সে ইয়া রাসূলুল্লাহ?”
রাসূল (ﷺ) বললেন, “না! আমার উম্মতের মধ্যে প্রকৃত দেউলিয়া হচ্ছে সেই ব্যক্তি– যেই ব্যক্তি কি*য়ামতের দিনে অনেক নামাজ, অনেক রোজা ও অনেক সদকা নিয়ে উপস্থিত হবে। অথচ সে দেখতে পাবে যে, সে ঐ দিনে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে! কারণ জীবদ্দশায় সে অন্যদের গা*লি দিয়ে বেড়াতো। অন্যদের অপবাদ দিয়ে বেড়াতো। অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াতো। অন্যের র*ক্তপাত ঘটিয়ে বেড়াতো এবং অন্যকে প্রহার করে বেড়াতো। আজ তার সব সৎকর্মগুলো ভুক্তভোগীদেরকে দিয়ে দিতে হচ্ছে!
শুধু তাই না! যদি তার ভালো কাজগুলো ক্ষতিপূরণ গুলোকে কভার করতে না পারে, তাহলে তাদের পাপ গুলোও তাঁর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে এবং তাকে জা*হান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।”
তাই বলছি, আপনার যারা নামাজ রোজা সাদাকার পাশাপাশি আপনার মুখের ভাষার মাধ্যমে অন্যদের কষ্ট দিয়ে বেড়াচ্ছেন কিংবা আমল দিয়ে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াচ্ছেন, তাদের জন্য একটাই কথা—
দেখা হবে বন্ধু!
দেখা হবে কান্তারায়!
▪️রেফারেন্স :
১. (সূরা আল-আরাফ : ৪৬)
২. (সহীহ্ বুখারী : ২৪৪০)
৩. (সহীহ্ মুসলিম : ২৫৮১)
লেখা : সামিউল হক
#সীরাহ
1 979
👉Narcissistic husband / partner এর সাথে থাকা খুবই mentally frustated হয়, কারণ এখানে relationship intensity বেশী থাকে, but behaviour controlling or emotionally abusive হয়। এখানে মূল লক্ষ্য হলো partner কে ঠিক করা নয়, নিজের mental peace , boundaries এবং safety ensured করা।
১. “বোঝানো ” বন্ধ করুন:
Narcissistic আচরণে অনেক সময়
enpathy কম থাকে, দোষ অন্যের উপর চাপানো হয়
কথা ঘুরিয়ে দেওয়া হয় i mean topic shifting .
তাই বারবার explanation দিলেও সাধারণত কোনো লাভ হয় না.
২. Less emotions দিয়ে কথা বলুন (Low emotional response):
শান্তভাবে কথা বলুন।
Short answer দিন।
তর্কে যাওয়া যাবে না।
৩. Justify, Argue, Defend, Explanation
❌ “আমি এটা করেছি কারণ…”
✔ “এটা আমার সিদ্ধান্ত।”
✔ “আমি এই বিষয়ে আর কথা বলব না।”
৪. Boundaries Set:
actions, behaviour দিয়ে boundaries ঠিক করুন।
Insulted feel হলে কথা বন্ধ করে দেওয়া,
argument শুরু হলে রুম ছেড়ে চলে যাওয়া,
controlled আচরণে response না করা,
প্রয়োজন হলে distance maintain করা।
৫. নিজের Emotional dependency তৈরি করুন:
নিজের রুটিন রাখুন,রুটিন maintain করুন।
Friends /Family /Colleague সাথে যোগাযোগ রাখুন।
নিজের aim and interest বজায় রাখুন.
৬. Isolated হয়ে যাবেন না:
Toxic সম্পর্কের ক্ষেত্রে একা থাকলে emotional pressure বাড়ে। এজন্য trusted person, family members পাশে রাখুন। If needed go for counselling.
৭. Pattern বুঝে রাখুন:
Love bombing
Gaslighting
Insulting
controlling behaviour
এগুলো মাথায় রাখুন, এটা একদিনের problem না, এটা pattern।
৮. সব কিছুতে react করা যাবে না:
সব কথার answer দেওয়া important and mandatory না।
Ask yourself-
“এটার answer দিলে কি আমার শান্তি থাকবে?”
৯. Safety ensured করা:
If there is any
Mental / Physical torture
ভয় দেখানো
অতিরিক্ত control
তাহলে emergency help seek জরুরি।
Finally;
আপনি তাকে কখনোই বোঝাতে এবং control করতে পারবেন না, but
আপনি কীভাবে react করবেন ,সেটাই শুধুমাত্র আপনি control করতে পারেন।
And reach for legal and psychiatric help if necessary
ডাঃ মুনিরা হোসেন মনি
FCPS part 2 Trainee
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট।
1 979
নিজেকে সুপার-ফিট এবং স্ট্রং রাখার একটা ম্যাজিক কম্বিনেশন হচ্ছে:
১। ওয়েট লিফটিং করা
২। পর্যাপ্ত প্রোটিন খাওয়া
৩। প্রতিদিন হাটা
৪। ঘুমকে প্রাধান্য দেওয়া
৫। সঠিক ভাবে নিউট্রিশন নেওয়া
উপরের ৫টা কাজ যদি আপনি সময় নিয়ে করতে পারেন এবং কোন শর্টকাট না খুঁজেন, তাহলে সারাজীবন ফিট এবং স্ট্রং থাকতে পারবেন।
#fitforlife
1 979
বৃদ্ধাশ্রম নিয়ে অনেকের এলার্জি আছে, কেউ কেউ হাসাহাসি করেন। কেউ কেউ মনে করেন, সন্তানদের সুশিক্ষা দেয়নি বলে বাবা-মা'কে বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে হয়।
মোটাদাগে এটাকে এক ধরণের শাস্তি মনে করা হয়। কারো কাছে বৃদ্ধাশ্রমে থাকাটা / রাখাটা এক ধরণের পাপ।
তবে আমার ভাবনাটা ভিন্ন। একেবারেই ভিন্ন।
আমাদের দুই মেয়ে। ওদের যতটুকু পারি, ভালো পড়াশুনা করানোর চেষ্টা করবো। ভালো বিয়ে শাদী দেয়ার চেষ্টা করবো। অবশ্য এই যুগে এটি সহজ হবেনা, তাও জানি!
সেটি ভিন্ন গল্প।
এখন দুই মেয়ে ভালো পড়াশুনা করলে, ভালো ক্যারিয়ার হলে, ওরা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত থাকবে। নিজের পরিবার নিয়েই ব্যস্ত থাকবে।
ওরা ওসময় আমার সেবা করার জন্য বসে থাকবে, সে আশা করাটা বাতুলতা। আমি কিছুই আশা করিনা। ওরা ভালো থাকলেই আমি খুশী। ওরা আমার খবরা খবর রাখলে খুশী হবো, না রাখলে হয়তো কষ্ট পাবো। তবে মেনে নিবো, মেনে না নিয়ে কি লাভ?
আর সামনে যে যুগ আসছে, ভয়ংকর রকম কম্পিটিশন। ক্যারিয়ার ইত্যাদি নিয়ে এক রকম উন্মাদনা কাজ করবে। সবাই ভীষণ, ভীষণ বিজি থাকবে। আমাদের দেয়ার মতো সময় ওরা পাবে?
বৃদ্ধ হলে নাতি নাতনী নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটাবো, সেই সৌভাগ্য কয়জনের হবে আমি ঠিক নিশ্চিত নই।
আর সবাই এখন বিদেশ মুখী। যেন এই দেশটা একটা নরক, বিদেশ মানেই স্বর্গ! মেয়েরা সপরিবার বিদেশে সেটল হতে চাইলে আমাদের করার বেশী কিছু থাকবেনা।
তখন বেঁচে থাকলে, ওরা হয়তো আমাদেরকে বিদেশে নিয়ে যেতে চাইবে।
তবে ঐ বয়সে বিদেশে গিয়ে ও কি করবো? মেয়েরা ওদের লাইফ নিয়ে বিজি থাকবে। দেশের চেয়ে বিদেশের লাইফ আরো স্ট্রেসফুল। বুয়া নেই, কাজের সহকারী নেই, ড্রাইভার নেই, বাবুর্চি নেই। নিজেকেই সব করতে হয়।
আর সারাদিন বাসায় বসে বসে কি করবো? কতক্ষণ আর পার্কে হাঁটবো? বিদেশে কাউকে হুটহাট আড্ডা দেয়ার জন্য পাওয়া ও যাবেনা।
আর কানাডা ইত্যাদি ঠাণ্ডা, বরফের দশে যেখানে বছরের বড় একটা অংশেই বরফ পড়ে, সেখানে এত ঠাণ্ডায় হাঁটবোই বা কিভাবে?
শপিং মলে, রেস্টুরেন্টে দিনের পর দিন একা একা কফি খেতে তেমন ভালো লাগার কথা নয়।
তার চেয়ে বরং দেশে ভালো একটা বৃদ্ধশ্রমে থাকলে কি সমস্যা? অন্য সব বৃদ্ধদের সাথে গল্প করে, স্মৃতি রোমন্থন করে সময়টা একেবারে খারাপ কাটার কথা নয়।
বৃদ্ধরা তো অতীত নিয়েই বাঁচে, ওটাই সম্বল।
মধুর মধুর স্মৃতির জাবর কেটে কেটে দিনযাপন!
বয়স হলে আমরা সবাই চাইবো আমাদেরকে সবাই সময় দিক, পাশে বসে গল্প করুক, নাতি নাতনী পরিবেষ্টিত হয়ে থাকি।
যারা খুবই ভাগ্যবান, তারা হয়তো এরকম থাকবে।
তবে ওটা নিশ্চিত, গ্যারান্টিড ধরে নেয়ার কোন কারণ নেই।
সবকিছুর জন্য রেডি থাকা ভালো, মানসিক প্রস্তুতি থাকা ভালো।
#পুনশ্চ
যদি সম্ভব হয় তাহলে নিজেই একটা ভালো মানের বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তুলবো।
সবুজে ঘেরা, একটা বড় জায়গা নিয়ে মনোরম পরিবেশে নান্দদিক একটা বৃদ্ধাশ্রম হবে। সার্বক্ষণিক ডাক্তার / নার্স থাকবে, প্রয়োজনীয় সব ফ্যাসিলিটিজ থাকবে।
হাঁটার জায়গা থাকবে। নামাজ / দোয়া, প্রার্থনার সুন্দর ব্যবস্থা থাকবে। লাইব্রেরি থাকবে। সুন্দর কমন স্পেস থাকবে। দোলনা থাকবে। জিম থাকবে। সুইমিংপুল থাকবে।
গেস্টদের জন্য সুন্দর বসার ব্যবস্থা থাকবে। বড় একটা পুকুর থাকবে। পার্কের মতো কিছু একটা থাকবে।
এরকম কোন বৃদ্ধাশ্রমে থাকলে, খুব একটা খারাপ থাকার কথা না।
আর মেয়েরা দেশে থাকলে তাদের সাথে তো দেখা হবেই। মাঝে মাঝে ওদের বাসায় ঘুরে আসবো। ইচ্ছে হলে ওরাও আমাদের দেখতে আসলো।
আর যেহেতু জীবনে অনেক দিন শিক্ষকতায় আছি, ছিলাম --- কোন কোন ছাত্র - ছাত্রী ও হয়তো তাদের অবসরে দেখা করতে আসতে পারে। এখন বদনাম করলেও তখন হয়তো সুনাম করবে, হয়তো মিছেমিছি!
এভাবেই কেটে যেতে পারে শেষ বয়সটা।
তবে জীবনের একেবারে শেষ, একেবারে অন্তিম মুহূর্তে পরিবারের সদস্যরা পাশে থাকুক, হাতটা ধরে রাখুক, পাশে বসে দোয়া দরুদ পড়ুক - সেটা কে না চায়?
সেই আশা পূরণ হবে সেই নিশ্চয়তা অবশ্য কেউই দিতে পারবেনা।
এটাই বাস্তবতা 😢
#পুনশ্চ_১
নুরজাহান বেগমের অসহায় মৃত্যু সবাইকে ভাবাচ্ছে। বিক্ষুব্ধ ও করছে। সন্তানদের দোষ তো আছেই। ওরা আসলে অপরাধী ও বটে।
নিজেদের ভবিষ্যত নিয়ে অনেকে হয়তো উদ্বিগ্ন।
তবে ক্যারিয়ারের পাশাপাশি আমাদের নিজেদের রিটায়ারমেন্টের পরের জীবন নিয়েও একটু ভাবা দরকার। একটা প্ল্যান থাকা দরকার।
সন্তানদের পড়াশুনা, ক্যারিয়ার ইত্যাদির পাশাপাশি ওদেরকে মানুষের মতো মানুষ করার চেষ্টা করা দরকার।
আর হ্যাঁ, নিজেদের সব টাকা পয়সা, সব সম্পদ, নিজেদের ডিপিএস, এফডিআর, পেনশন সহ সর্বস্ব সন্তানের পড়াশুনা, বিয়ে এমনকি সন্তানদের ব্যবসা ইত্যাদির জন্য একেবারে বিলিয়ে দেওয়ার দরকার নেই।
নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য কিছু নিজেদের জন্য রাখুন। নিজেদের কাছেই রাখুন। কারো মুখাপেক্ষী যেন হতে না হয়, সেটা নিশ্চিত করুন।
একটু হলেও স্বার্থপর হোন।
ধন্যবাদ।
1 979
এখানে মূল শর্ত হলো—জিনিসটি আপনাকে 'বুঝতে' হবে। যে খাত সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণা নেই, সেখানে ভুলেও বাজি ধরবেন না। যেমন, আপনি যদি স্বাস্থ্যসেবা খাতে কাজ করেন, তবে একজন সাধারণ মানুষের চেয়ে আপনি অনেক আগেই বুঝতে পারবেন হেলথ-টেকনোলজির কোন ক্ষেত্রটিতে সুযোগ আছে। আপনার জানা জ্ঞানকে কাজে লাগান। নিরাপদ অংশটি আপনাকে খেলায় টিকিয়ে রাখবে, আর ঝুঁকিপূর্ণ অংশটি আপনাকে এমন বড় লাভের সুযোগ করে দেবে যা সাধারণ ইনডেক্স ফান্ড কখনোই দিতে পারবে না।
৪. 'জিওআর্বিট্রেজ' ব্যবহার করে প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার করুন:
উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয়বহুল শহরগুলোতে ভালো আয় করেও মাস শেষে হাত খালি হয়ে যেতে পারে। বাড়ি ভাড়া, ট্যাক্স, খাবার ও যাতায়াত খরচ আপনার আয়ের প্রায় সবকিছুই কেড়ে নেয়, ফলে সঞ্চয় বা বিনিয়োগের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকে না।
'জিওআর্বিট্রেজ' হলো এমন একটি কৌশল, যেখানে আপনি আয় করবেন কোনো ব্যয়বহুল অঞ্চলের বা বড় শহরের হারের সমান, কিন্তু বসবাস করবেন অনেক সস্তা বা কম খরচের কোনো জায়গায়। তাহলে আপনি আর্থিকভাবে অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবেন। কারণ সেখানে বাসা ভাড়া, খাওয়া-দাওয়া ও যাতায়াত খরচ অনেক কম হবে এবং প্রতি মাসে বেঁচে যাওয়া এই বড় অঙ্কের টাকা সরাসরি পকেটে জমা হবে। আয় একই থাকছে, কিন্তু জীবনযাত্রার খরচ নাটকীয়ভাবে কমে যাচ্ছে।
আপনি যদি রিমোট কাজ করেন বা এমন কোনো পেশায় থাকেন যা যেকোনো জায়গায় বসে করা সম্ভব, তবে কম খরচের কোনো এলাকায় চলে যাওয়া আপনার আর্থিক অবস্থাকে যেকোনো সাধারণ বেতন বৃদ্ধির চেয়েও দ্রুত বদলে দেবে। যে আয় দিয়ে দামি শহরে কেবল টিকে থাকা যায়, সেই একই আয় দিয়ে একটি সস্তা শহরে খুব আগ্রাসীভাবে সঞ্চয় ও বিনিয়োগ করা সম্ভব। আপনার উপার্জনের ক্ষমতা এক থাকছে, কিন্তু খরচ কমে যাচ্ছে অনেকখানি।
•
বাজেট তৈরি করে চলা বা খরচ কমানোর নিজস্ব গুরুত্ব আছে, তবে এটি নিজে থেকে আপনার সম্পদ বৃদ্ধির ক্ষমতাকে বহুগুণ করতে পারবে না। এই ৪টি কৌশল ভিন্নভাবে কাজ করে কারণ এগুলো কেবল আপনার খরচের অভ্যাস পরিবর্তন করে না, বরং আপনার আয়ের মূল সমীকরণটিকেই বদলে দেয়।
আপনার বর্তমান পরিস্থিতির সাথে যেটি সবচেয়ে ভালো মানায়, সেটি বেছে নিন এবং আজই শুরু করুন। বেশিরভাগ মানুষ নিখুঁত মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়েই সারাজীবন এক জায়গায় আটকে থাকে।
______
1 979
ব্যক্তিগত অর্থায়ন সংক্রান্ত বেশিরভাগ পরামর্শই দেওয়া হয় তাদের জন্য, যাদের অর্থনৈতিক অবস্থা কিছুটা ভালো। একজন কর্মজীবী মানুষকে প্রতিদিনের কফি না খেতে বলা বা বাজারের কুপন জমিয়ে খরচ বাঁচাতে বলা কেবল তাদের অভাবকে কিছুটা সামাল দেয়, কিন্তু তা জীবনকে সমৃদ্ধ বা প্রাচুর্যময় করে তোলে না।
একেবারে কম পুঁজি থেকে সম্পদকে বহুগুণ করতে চাইলে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। মনের মানসিকতা, অসম ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা এবং প্রচলিত অর্থনৈতিক নিয়মগুলোকে উপেক্ষা করার সাহস আপনাকে একটি সাধারণ বাজেট তৈরি করার চেয়ে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এখানে এমন ৪টি আগ্রাসী এবং বাস্তবমুখী কৌশল দেওয়া হলো, যা যে কেউ চাইলে নিজের জীবনে কাজে লাগাতে পারেন।
•
১. ডিজিটাল আয়ের মাধ্যমে 'অসম ঝুঁকি' ব্যবহার করুন:
অসম ঝুঁকি মানে হলো এমন এক পরিস্থিতি, যেখানে আপনার লোকসানের বা ক্ষতির সম্ভাবনা খুবই কম, কিন্তু লাভ বা সফল হওয়ার সম্ভাবনা সীমাহীন। বেশিরভাগ কর্মজীবী মানুষের মাথাতেই কোনো না কোনো বিশেষায়িত ও কষ্টার্জিত জ্ঞান থাকে, কিন্তু তারা মাস শেষে কেবল বেতনের বিনিময়েই তা কাজে লাগান, অন্য কোনোভাবে তা থেকে আয় করেন না। এটি একটি বড় সুযোগ হাতছাড়া করা।
লজিস্টিকস, বিভিন্ন কারিগরি পেশা কিংবা স্বাস্থ্যসেবা খাতে আপনার যে অভিজ্ঞতা রয়েছে, তার মূল্য আপনার নিয়োগকর্তা আপনাকে যা বেতন দেন তার চেয়ে অনেক বেশি। প্রতিদিন সন্ধ্যায় কিছুটা সময় ব্যয় করে আপনার এই জ্ঞানকে একটি ডিজিটাল সম্পদে রূপান্তর করুন—যেমন একটি ই-বুক, কোনো গাইডলাইন বা নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর একটি ভিডিও কোর্স। Gumroad, Teachable বা Amazon-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো পেমেন্ট ও ডেলিভারির কাজগুলো সহজ করে দেয়, তাই প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে খুব বেশি ভাবার প্রয়োজন নেই।
তবে কোনো প্রোডাক্ট তৈরি করতে কয়েক সপ্তাহ সময় নষ্ট করার আগে, বাজারে এর চাহিদা আছে কিনা তা যাচাই করে নিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করুন এবং দেখুন মানুষ আপনাকে এই বিষয়ে আরও জানতে প্রশ্ন করছে কিনা। যদি তারা আগ্রহী হয়, তবে বুঝবেন আপনার ক্রেতা তৈরি আছে। একবার একটি ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করে ফেললে তা বিক্রি বা বিতরণ করতে আর কোনো খরচ হয় না এবং সারা বিশ্বের মানুষের কাছে তা বিক্রি করা যায়। আপনি কষ্ট করবেন মাত্র একবার, কিন্তু সেই সম্পদ আপনাকে আজীবন আয় এনে দেবে।
২. দামি ডিগ্রির পেছনে না ছুটে উচ্চ-আয়ের দক্ষতা অর্জন করুন:
আবার কোনো প্রথাগত চার বছরের ইউনিভার্সিটির ডিগ্রির পেছনে ছোটার মানে হলো বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা মাথায় নেওয়া এবং আয় বাড়ানোর জন্য বছরের পর বছর ক্লাসরুমে বসে থাকা। যেসব কর্মজীবী মানুষের এখনই বেশি টাকা উপার্জনের প্রয়োজন, তাদের জন্য এই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা একটি বড় সমস্যা।
এর চেয়ে দ্রুততম উপায় হলো একটি 'হাই-ইনকাম স্কিল' বা উচ্চ-আয়ের দক্ষতা অর্জন করা। এটি এমন একটি বিশেষ যোগ্যতা যার জন্য বিভিন্ন কোম্পানি আপনাকে অনেক বেশি টাকা দিতে প্রস্তুত থাকবে, আপনার প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট যাই হোক না কেন। ডিজিটাল অ্যাডভার্টাইজিং, টেকনিক্যাল সেলস, সাইবার সিকিউরিটি, ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং প্রফেশনাল কপিরাইটিং—এসবই এর অন্তর্ভুক্ত। সঠিক দক্ষতা বেছে নেওয়াটা শেখার মতোই গুরুত্বপূর্ণ; তাই বিভিন্ন জব বোর্ড ও ফ্রিল্যান্স প্ল্যাটফর্মগুলো ঘুরে দেখুন কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং কোন কাজে কেমন টাকা পাওয়া যায়।
চাকরির চেয়ে ফ্রিল্যান্স বা চুক্তিভিত্তিক কাজে এই দক্ষতাগুলোর প্রতি ঘণ্টার রেট সাধারণত অনেক বেশি হয়। ইউটিউব টিউটোরিয়াল, নির্দিষ্ট বুটক্যাম্প বা বিভিন্ন সার্টিফিকেশন কোর্সের মাধ্যমে আপনি বছরের পর বছর নষ্ট না করে মাত্র কয়েক মাসেই নিজেকে কাজের উপযোগী করে তুলতে পারেন। আপনার আয়ে একটি বড় লাফ বা বড় পরিবর্তন, বার্ষিক সামান্য বেতন বৃদ্ধির চেয়ে আপনাকে বিনিয়োগের জন্য অনেক বেশি পুঁজি এনে দেবে।
৩. বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বারবেল স্ট্র্যাটেজি ব্যবহার করুন:
সাধারণত কর্মজীবী বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দেওয়া হয় যে, তাদের সব টাকা নিরাপদ ও বৈচিত্র্যময় ফান্ডে রেখে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে। নিরাপদ ফান্ডগুলো আপনার সম্পদ রক্ষা করতে এবং ধীরে ধীরে বাড়াতে সাহায্য করে সত্যি, কিন্তু যার প্রায় শূন্য থেকে শুরু করতে হচ্ছে, তার সম্পদ দ্রুত বাড়াতে এটি খুব একটা ভূমিকা রাখতে পারে না।
লেখক ও পরিসংখ্যানবিদ নাসিম নিকোলাস তালেবের জনপ্রিয় করা 'বারবেল স্ট্র্যাটেজি' মাঝপদ্ধতিকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলে। এই কৌশল অনুযায়ী, আপনার বিনিয়োগযোগ্য টাকার সিংহভাগ (যেমন ৮০-৯০%) একদম নিরাপদ ও সাধারণ সম্পদ বা ইনডেক্স ফান্ডে রাখুন, যাতে বাজার ধসে পড়লেও আপনি দেউলিয়া না হয়ে যান। আর বাকি ছোট অংশটি (যেমন ১০-২০%) এমন কিছু উচ্চ-ঝুঁকি ও উচ্চ-লাভের জায়গায় খাটান, যা আপনি নিজে খুব ভালো বোঝেন—হতে পারে তা কোনো সাইড বিজনেস, নতুন কোনো সম্ভাবনাময় খাত, অথবা কম মূল্যের কোনো সম্পদ কিনে পরে বেশি দামে বিক্রি করা।
1 979
আজকের দিনে সফল হতে হলে আপনাকে শুধু অন্ধের মতো খাটলেই হবে না। এর পরিবর্তে আপনার প্রয়োজন মনোযোগ ধরে রাখা, শক্তি সঞ্চয়, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কাজের পর ক্লান্তি দূর করার বা রিকভারির জন্য একটি চমৎকার কার্যপদ্ধতি বা সিস্টেম তৈরি করা।
বিজ্ঞানসম্মত গবেষণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা এমন ১০টি কার্যকরী উপায় এখানে আলোচনা করা হলো, যা আপনাকে কম পরিশ্রমে বেশি এবং মানসম্মত কাজ করতে সাহায্য করবে।
•
১. কম জিনিসে মনোযোগ দিন:
গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা একসাথে অনেক কাজ করতে গিয়ে আসলে কোনো কাজই ঠিকঠাক করতে পারি না। তাই কাজের সংখ্যা না বাড়িয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলো তালিকা থেকে বাদ দিন। জীবনের বা কাজের প্রধান লক্ষ্যগুলোর দিকে মনোযোগ দিলে কাজের মান বহুগুণ বেড়ে যায়।
২. নিয়মিত বিরতি বা ব্রেক নিন:
একটানা কাজ করলে আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। গবেষণা বলছে, নির্দিষ্ট সময় পর পর ছোট বিরতি নিলে কাজের গতি ও মনোযোগ পুনরায় ফিরে আসে। তাই ডেস্কে টানা বসে না থেকে একটু হাঁটাহাঁটি করুন বা চোখ বন্ধ করে জিরিয়ে নিন।
৩. স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন:
আপনার লক্ষ্য যদি স্পষ্ট না থাকে, তবে আপনি বিভ্রান্ত হয়ে পড়বেন। প্রতিটি দিনের শুরুতেই ঠিক করে নিন আজ ঠিক কোন কাজগুলো আপনি শেষ করতে চান। স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য আপনার কাজের দিকনির্দেশনা ঠিক রাখে।
৪. ধ্যান বা মেডিটেশন করুন:
মেডিটেশন কেবল মানসিক প্রশান্তি দেয় না, এটি আপনার ফোকাস বা মনোযোগের পেশিকে শক্তিশালী করে। প্রতিদিন মাত্র কয়েক মিনিটের ধ্যান আপনার মস্তিষ্ককে শান্ত রাখতে এবং যেকোনো কঠিন সিদ্ধান্ত সহজে নিতে সাহায্য করবে।
৫. জরুরি নয়, গুরুত্বপূর্ণ কাজে মনোযোগ দিন:
আমাদের সামনে প্রতিদিন এমন অনেক কাজ আসে যা দেখতে খুব জরুরি মনে হয় (যেমন: হুট করে আসা কোনো ইমেইল বা মেসেজ), কিন্তু সেগুলো হয়তো আমাদের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই কোনটি আসলেই গুরুত্বপূর্ণ তা বাছাই করে আগে শেষ করুন।
৬. সব ধরণের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন:
স্মার্টফোনের একটি টুং শব্দ আপনার গভীর মনোযোগ মুহূর্তের মধ্যে নষ্ট করে দিতে পারে। বিজ্ঞান বলে, একবার মনোযোগ বিঘ্নিত হলে পুনরায় সেই কাজে পুরোপুরি মগ্ন হতে প্রায় ২৩ মিনিট সময় লাগে। তাই গভীর মনোযোগের কাজের সময় সোশ্যাল মিডিয়া ও অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন।
৭. কাজের জায়গা পরিষ্কার ও গোছানো রাখুন :
এলোমেলো টেবিল বা চারপাশের বিশৃঙ্খলা আপনার অজান্তেই মস্তিষ্কে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। কাজের পরিবেশ পরিষ্কার ও পরিপাটি রাখলে মন শান্ত থাকে এবং কাজে একাগ্রতা বাড়ে।
৮. নতুন দক্ষতা অর্জন করুন:
আপনি যে কাজটি করছেন তা আরও দ্রুত ও নিখুঁতভাবে করার জন্য কোনো আধুনিক টুলস বা কৌশল শেখা প্রয়োজন কি না তা ভাবুন। নিজেকে অনবরত আপগ্রেড করলে কঠিন কাজও অনেক সহজ ও অল্প সময়ে করা সম্ভব হয়।
৯. টাইম ব্লকিং বা সময়ের ভাগ তৈরি করুন:
আপনার পুরো দিনটিকে কয়েকটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্লকে ভাগ করে নিন। যেমন: সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কেবল একটি নির্দিষ্ট প্রজেক্টের কাজ করবেন এবং ওই সময়ে অন্য কোনো কাজ হাত দেবেন না। এই পদ্ধতিটি মাল্টিটাস্কিংয়ের হাত থেকে বাঁচায়।
১০. একবারে কেবল একটি কাজেই মনোযোগ দিন:
মানব মস্তিষ্ক আসলে একসাথে একাধিক জটিল কাজ বা মাল্টিটাস্কিং করার জন্য তৈরি হয়নি। যখন আপনি একসাথে অনেক কাজ করতে যান, তখন কাজের সময় ও ভুল করার সম্ভাবনা দুটিই বাড়ে। তাই এক সময়ে কেবল একটি কাজই সম্পূর্ণ শেষ করার অভ্যাস করুন।
•
কর্মদক্ষতা বা এফিশিয়েন্সি বাড়ানোর জন্য অলৌকিক কোনো সূত্রের প্রয়োজন নেই। এর মূল চাবিকাঠি হলো কাজকে সহজ করা এবং নিজের শক্তিকে সঠিক উপায়ে ব্যবহার করা। কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে সঠিক কৌশলে কাজ করাই আপনাকে সফলতার চূড়ায় নিয়ে যাবে।
_______
1 979
80) ইতিবাচক মনোবিজ্ঞান (Positive Psychology)
81) সৃজনশীলতা মনোবিজ্ঞান (Psychology of Creativity)
82) নান্দনিক মনোবিজ্ঞান (Aesthetics Psychology)
83) ক্রীড়া মনোবিজ্ঞান (Sports Psychology)
84) পারফরম্যান্স মনোবিজ্ঞান (Performance Psychology)
85) যোগাযোগ মনোবিজ্ঞান (Communication Psychology)
86) সাইকোলিঙ্গুইস্টিক্স (Psycholinguistics)
87) বক্তৃতা ও ভাষা মনোবিজ্ঞান (Speech & Language Psychology)
88) আচরণগত অর্থনীতি মনোবিজ্ঞান (Behavioral Economics Psychology)
89) সিদ্ধান্ত গ্রহণ মনোবিজ্ঞান (Decision-Making Psychology)
90) আর্থিক মনোবিজ্ঞান (Financial Psychology)
91) আধ্যাত্মিক মনোবিজ্ঞান (Spiritual Psychology)
92) ট্রান্সপার্সোনাল মনোবিজ্ঞান (Transpersonal Psychology)
93) অস্তিত্ববাদী মনোবিজ্ঞান (Existential Psychology)
94) মাইন্ডফুলনেস মনোবিজ্ঞান (Mindfulness Psychology)
95) খাদ্য মনোবিজ্ঞান (Food Psychology)
96) ব্যায়াম মনোবিজ্ঞান (Exercise Psychology)
97) বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান (Evolutionary Psychology)
98) জৈব মনোবিজ্ঞান (Biopsychology)
99) জেনেটিক কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞান (Genetic Counselling Psychology)
100) Reproductive Psychology
লিখেছেন, Jahidul Hasan
BSc in Psychology
রেফারেন্সঃ
1) Corsini, R. J. (2002). The Dictionary of Psychology. Brunner-Routledge.
2) American Psychological Association (APA). (2024). Divisions & Fields of Psychology.
https://www.apa.org/about/division
3) Schultz, D. P., & Schultz, S. E. (2016). A History of Modern Psychology (11th ed.). Cengage Learning.
4) Barlow, D. H. (Ed.). (2014). The Oxford Handbook of Clinical Psychology. Oxford University Press.
5) Muchinsky, P. M. (2012). Psychology Applied to Work (10th ed.). Hypergraphic Press.
6) Howitt, D. (2018). Introduction to Forensic & Criminal Psychology (6th ed.). Pearson.
7) Berlyne, D. E. (1971). Aesthetics and Psychobiology. Appleton-Century-Crofts.
8) Seligman, M. E. P. (2011). Flourish: A Visionary New Understanding of Happiness and Well-being. Free Press.
9) World Health Organization (WHO). (2022). Mental Health and Applied Psychology Reports.
https://www.who.int/mental_health
10) Statt, D. A. (1998). The Concise Dictionary of Psychology (3rd ed.). Routledge.
11) Kaplan, R. M., & Saccuzzo, D. P. (2018). Psychological Testing: Principles, Applications, and Issues (9th ed.). Cengage Learning.
12) Luthans, F. (2011). Organizational Behavior (12th ed.). McGraw-Hill Education.
13) American Psychological Association (APA). Specialty Guidelines for Professional Psychology.
https://www.apa.org
14) American Board of Professional Psychology (ABPP). Psychology Specialties and Subspecialties.
https://abpp.org
