uz
Feedback
সপ্তক-Saaptak 🌿

সপ্তক-Saaptak 🌿

Kanalga Telegram’da o‘tish

অব্যক্ত লিখাগুলোর সুপ্ত প্রতিভা শেয়ার করো সপ্তকের সাথে।লেখা মানসম্মত হলে অবশ্যই চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে। 🌼 ✅লেখা পাঠানোর ঠিকানাঃ 1. @rajin_the_boss ☘️ 2. @MaxRab ☘️ ✅ ভয়েস পেজ : https://t.me/+38acMoVDu2hlNDg1 ✅মিম পেজ: t.me/castaway_memes2020

Ko'proq ko'rsatish
1 371
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
+27 kun
Ma'lumot yo'q30 kun

Ma'lumot yuklanmoqda...

Taglar buluti
Ma'lumot yo'q
Muammo bormi? Iltimos, sahifani yangilang yoki bizning qo'llab-quvvatlash boshqaruvchimizga murojaat qiling>.
Kirish va chiqish esdaliklari
---
---
---
---
---
---
Obunachilarni jalb qilish
Sentabr '26
Sentabr '26
+5
0 kanalda
Avgust '26
+40
0 kanalda
Get PRO
Iyul '26
+38
0 kanalda
Get PRO
Iyun '26
+41
0 kanalda
Get PRO
May '26
+34
0 kanalda
Get PRO
Aprel '26
+34
0 kanalda
Get PRO
Mart '26
+14
0 kanalda
Get PRO
Fevral '26
+15
0 kanalda
Get PRO
Yanvar '26
+13
0 kanalda
Get PRO
Dekabr '25
+16
0 kanalda
Get PRO
Noyabr '25
+13
0 kanalda
Get PRO
Oktabr '25
+16
0 kanalda
Get PRO
Sentabr '25
+17
0 kanalda
Get PRO
Avgust '25
+17
0 kanalda
Get PRO
Iyul '25
+12
0 kanalda
Get PRO
Iyun '25
+27
0 kanalda
Get PRO
May '25
+11
0 kanalda
Get PRO
Aprel '25
+21
0 kanalda
Get PRO
Mart '25
+18
0 kanalda
Get PRO
Fevral '25
+28
0 kanalda
Get PRO
Yanvar '25
+39
0 kanalda
Get PRO
Dekabr '24
+62
0 kanalda
Get PRO
Noyabr '24
+62
0 kanalda
Get PRO
Oktabr '24
+78
0 kanalda
Get PRO
Sentabr '24
+152
0 kanalda
Get PRO
Avgust '24
+131
1 kanalda
Get PRO
Iyul '24
+66
0 kanalda
Get PRO
Iyun '24
+71
0 kanalda
Get PRO
May '24
+55
0 kanalda
Get PRO
Aprel '24
+52
0 kanalda
Get PRO
Mart '24
+50
0 kanalda
Get PRO
Fevral '24
+131
0 kanalda
Get PRO
Yanvar '24
+291
1 kanalda
Get PRO
Dekabr '23
+253
1 kanalda
Get PRO
Noyabr '23
+10
1 kanalda
Get PRO
Oktabr '23
+10
1 kanalda
Get PRO
Sentabr '23
+13
0 kanalda
Get PRO
Avgust '23
+24
0 kanalda
Get PRO
Iyul '23
+8
0 kanalda
Get PRO
Iyun '23
+8
0 kanalda
Get PRO
May '23
+4
0 kanalda
Get PRO
Aprel '23
+2
0 kanalda
Get PRO
Mart '23
+8
0 kanalda
Get PRO
Fevral '23
+10
0 kanalda
Get PRO
Yanvar '23
+3
0 kanalda
Get PRO
Dekabr '22
+9
0 kanalda
Get PRO
Noyabr '22
+17
0 kanalda
Get PRO
Oktabr '22
+7
0 kanalda
Get PRO
Sentabr '22
+11
0 kanalda
Get PRO
Avgust '22
+13
0 kanalda
Get PRO
Iyul '22
+21
0 kanalda
Get PRO
Iyun '22
+18
0 kanalda
Get PRO
May '22
+19
0 kanalda
Get PRO
Aprel '22
+13
0 kanalda
Get PRO
Mart '22
+15
0 kanalda
Get PRO
Fevral '22
+8
0 kanalda
Get PRO
Yanvar '22
+7
0 kanalda
Get PRO
Dekabr '21
+50
0 kanalda
Get PRO
Noyabr '21
+100
0 kanalda
Get PRO
Oktabr '21
+35
0 kanalda
Get PRO
Sentabr '21
+107
0 kanalda
Get PRO
Avgust '21
+299
0 kanalda
Get PRO
Iyul '21
+234
0 kanalda
Sana
Obunachilarni jalb qilish
Esdaliklar
Kanallar
04 Sentabr0
03 Sentabr0
02 Sentabr+3
01 Sentabr+2
Kanal postlari
Repost from Max Rab
‎আমি চাই না পৃথিবীর কোনো মানুষ আমার ওপর কোনো এক্সপেক্টশন রাখুক। বাড়ির লোক ছাড়া কেউ আমার ওপর এক্সপেকটেশন রাখলে আমি খুব অবাক হই। আমি চাই বাড়ির লোকজনও আমার ওপর কোনো এক্সপেক্টেশন বা রাখুক। কিন্তু সেটা হয় না। তাদের মুখের ওপর তো গিয়ে বলতে পারি না এভাবে এসব কথা। ওদিকে বাইরের লোকজনের এক্সপেক্টেশন আমার দ্বারা ফুলফিল না হলে তারা আমার ওপর রাগ করে। বিভিন্নভাবে রিয়েক্ট করে। তখন আমার কী করা উচিত তা ভেবে পাই না। একজন মানুষ আমার ওপর অধিকারবোধ কেন দেখাচ্ছে সেটা বুঝে উঠতে পারি না আমি। ‎ ‎ ‎আমি নিজেও কারও ওপর কোনো এক্সপেক্টেশন রাখি না। রাখতে চাই না। তবে, হ্যাঁ। যেসব কাজ খুবই মামুলি এবং যেসব কাজ ঐ ব্যক্তির ওপর নির্ধারিত তার ওপর এক্সপেক্টেশন রাখতে কোনো দোষ দেখি না আমি। তাকে তো আমি বাধ্য করছি না কিছু করতে। যেমন - স্যালুন এর নাপিতের কাছে, বাসের ড্রাইভার+কন্ডাক্টরের কাছে, ইউনিভার্সিটির টিচারের কাছে। তারা ঐ কাজই করে আসছে। আমি তাদের কাছে কিছু চাপিয়ে দিচ্ছি না। ‎আমি নিজে থেকে মনে মনে ভেবে রাখি না, কেউ আমার জন্য কোনো পার্টিকুলার কাজ করবে। কিন্তু আমার পরিচিত কিছু লোককে দেখি আমি কোনো পার্টিকুলার কাজ না করলে তারা আমার ওপর মন খারাপ করে থাকে। রেগে যায়। যেন ঐ কাজ আমার করারই ছিল। অথচ ঐ কাজ করতে আমি ইচ্ছুক কিনা, তা জিজ্ঞেস করে না বা সাহায্যও চায় না। মানুষের এই সাইকোলজিটা বুঝি না আমি। ‎ তবে, আমার কি সাহায্যের দরকার হয় না? হয়। তখন আমি সাহায্যের অনুরোধ জানাই। সাহায্য করলে ভালো লাগে। না করলে খারাপ লাগে। কিন্তু যে সাহায্য করলো না তাকে নিয়ে আর ভাবি না। ‎মানে সাহায্যও নিতান্ত বাধ্য হয়েই চাইতে হয় যেটা আমার পছন্দ নয়। ‎ ‎আমি মা বাপের ওপরও কোনো বিশেষ এক্সপেক্টেশন রাখি না। ওনারা নিজেদের লাইফ নিজেদের মতো কাটান। আমি নিজের লাইফ নিজের মতো কাটাই। তাতেই হয়। ব্যস! জীবনে ঝামেলা নেই। এটাই চাই। কিন্তু না। মা বাপের কিছু এক্সপেক্টেশন আমার প্রতি থাকাটা স্বাভাবিক। বিয়ে করে সংসার করলে আমারও এমনটা হবে ভালোই বুঝতে পারছি। ভেবে দেখলাম, এই জিনিসটাই আমার পছন্দ নয়। আমার যে ট্রু সেল্ফ তাকে প্রতিনিয়ত কষ্ট পেতে হবে, যদি নিজের এগেনস্টে গিয়ে কাজ করি। কী করবো তাহলে?

2
প্রিয় পাখি, আজ চিঠি দিবস। চারপাশে কত চিঠি লেখা হবে, কত কথা কাগজে জমা হবে। কিন্তু আমি জানি, তোমাকে নিয়ে লিখতে বসলে একটা চিঠিতে আমার মনের কথাগুলো কখনোই শেষ হবে না। কিছু মানুষকে ভালো লাগার কোনো নির্দিষ্ট কারণ থাকে না। তারা হঠাৎ করেই জীবনের গল্পে এসে এমন একটা অধ্যায় হয়ে যায়, যেটা বারবার পড়তে ইচ্ছে করে। তুমি আমার কাছে ঠিক তেমনই এক অধ্যায় যার শুরুটা হয়তো খুব সাধারণ ছিল, কিন্তু কখন যে গল্পের সবচেয়ে প্রিয় অংশ হয়ে গেলে, বুঝতেই পারিনি। পাখি, তুমি যেন ব্যস্ত দিনের শেষে একটুকরো শান্ত বিকেল। তুমি যেন ক্লান্ত মনের জানালায় হঠাৎ এসে পড়া নরম বাতাস। তুমি যেন এমন এক মায়া, যাকে দূরে রাখলেও মন বারবার কাছে টেনে নেয়। তোমার সঙ্গে কথা বললে সময় কেমন করে চলে যায়, বুঝতে পারি না। আর কথা না হলে, সময়টাই যেন একটু বেশি ধীরে হাঁটে। তোমার একটা ছোট্ট হাসি কখনো কখনো পুরো একটা দিন সুন্দর করে দিতে পারে এটা হয়তো তুমি নিজেও জানো না। তোমার প্রতি আমার ভালোবাসাটা খুব বড় বড় কথায় প্রকাশ করার মতো নয়। বরং এটা ছোট ছোট যত্নে লুকিয়ে থাকে তুমি ঠিকমতো খেয়েছ কি না, তোমার দিনটা কেমন গেল, মনটা ভালো আছে কি না এসব অকারণ চিন্তার মধ্যেই হয়তো আমার ভালোবাসার সবচেয়ে সত্যি অংশটা থাকে। আমি তোমাকে শুধু সুন্দর সময়ের জন্য চাই না। তোমার মন খারাপের দিনেও তোমার পাশে থাকার ইচ্ছে করে। যখন পৃথিবীটা তোমার কাছে একটু কঠিন মনে হবে, তখন তোমার পাশে এমন একজন হয়ে থাকতে চাই, যার কাছে কোনো অভিনয় করতে হবে না। তুমি যেমন, ঠিক তেমন হয়েই থাকতে পারবে। জীবন তো নদীর মতো কখনো শান্ত, কখনো ঢেউয়ে ভরা। জানি না আমাদের পথ কোন দিকে যাবে, জানি না সময় আমাদের কোথায় নিয়ে দাঁড় করাবে। কিন্তু মন থেকে একটা দোয়া করি আল্লাহ যেন তোমার জীবনের প্রতিটি পথকে সহজ করে দেন। তোমার কপালে যেন শান্তি লেখা থাকে, তোমার চোখে যেন স্বপ্ন থাকে, আর তোমার হৃদয়ে যেন কখনো একাকিত্ব বাসা বাঁধতে না পারে। আর যদি কোনোদিন আমার জন্য তোমার মনে অভিমান জমে, তখন একটু মনে করোআমি হয়তো সবসময় ঠিকভাবে বলতে পারি না, কিন্তু তোমাকে কষ্ট দেওয়ার ইচ্ছে আমার কখনোই ছিল না। মানুষ হিসেবে ভুল হতে পারে, কথায় ভুল হতে পারে, কিন্তু তোমাকে নিয়ে আমার মায়াটা মিথ্যে নয়। পাখি, কখনো কখনো মনে হয়, পৃথিবীর সব সুন্দর শব্দ একসাথে করেও তোমাকে বোঝানো যাবে না তুমি আমার কাছে কতটা প্রিয়। তাই শব্দের ওপর ভরসা না করে শুধু এইটুকু বলি তুমি ভালো থেকো। তোমার হাসিটা অটুট থাকুক। তোমার স্বপ্নগুলো একে একে সত্যি হোক। আর আল্লাহ তোমার জীবনে এমন সব সুখ এনে দিন, যেগুলোর জন্য তুমি আজও চুপচাপ দোয়া করো। হয়তো আমি তোমার জীবনের পুরো গল্পটা লিখতে পারব না, কিন্তু যদি আল্লাহ চান, তোমার গল্পের সুন্দর কয়েকটি পাতায় আমার নামটা যেন থেকে যায় এই চাওয়াটা মনের খুব গভীরে লুকিয়ে আছে। আজ চিঠি দিবসে তাই তোমাকে কোনো দামি উপহার নয়, আমার মনের কিছু কথা দিলাম। কাগজের এই কয়েকটি শব্দ হয়তো একদিন পুরোনো হয়ে যাবে, কালির দাগ হয়তো ফিকে হয়ে যাবে, কিন্তু তোমার জন্য আমার এই মায়াটা আল্লাহ চাইলে, ফিকে হবে না কোনোদিন। ভালো থেকো আমার প্রিয় পাখি। নিজের যত্ন নিও। আর আমার জন্য একটু দোয়া রেখো যেভাবে আমি নীরবে তোমার জন্য দোয়া করি। ইতি, তোমার আজমীর উদ্দীন আব্দুল্লাহ
90
3
I have a painting i can't erase. I have a moment i can't re-create. I have a diary i can't re-read. I have a picture i can't capture. I have a memory i can't commemorate. I have a song i can't listen to. I have a path i can't take. I have a heart heavy with resentment.
100
4
Message for the Prophet Number of The Peshwa, Jama Masjid, Delhi. "I take this opportunity to offer my veneration to the Holy Prophet Mohammad, one of the greatest personalities born in the world, who has brought a new and latent force of life into human history, a vigorous ideal of purity in religion, and I earnestly pray that those who follow his path will justify their Noble faith in their life and the sublime teaching of their master by serving the cause of civilization in building the history of the modern India, helping to maintain peace and mutual goodwill in the field of our national life." Rabindranath Tagore Santiniketon 27th February 1936.
123
5
Matn yo'q...
110
6
i think i never wanted to keep it. i just wanted to win it... spirits are best when floating in the air, but maybe we like to tie it in our room like a balloon. but still we hold it loose to release the hesitation we feel to hold or not.
222
7
কোনো মেয়েকে পছন্দ করা, ভালোবাসতে পারা একটা হেভেনলি ব্যাপার মনে হয় আমার কাছে। ভালোবাসার তীব্র অনুভূতিটা যখন কাজ করে, তখন মনের মধ্যে যে অফুরন্ত আনন্দের ধারা প্রবাহিত হতে থাকে, সেই আনন্দটা অন্য কোনো আনন্দের সাথে তুলনা করা যায় না। সেই ভালোবাসাটা যদি বিশুদ্ধ হয়, শুধু লাস্ট না থাকে, তাহলে ব্যক্তির মন শান্ত হয়ে চোখে পানি চলে আসে। মনের মধ্যে শূন্যতা বিলীন হয়ে নিজের জীবনকে পরিপূর্ণ মনে হয়। মনে হয়, তখন মরে গেলেও আর কোনো আফসোস থাকবে না। পিছুটানও থাকবে না। এটারনাল সানশাইন অব দ্য স্পটলেস মাইন্ড মুভিতে যখন ক্লেমেন্টাইন আর জোল ব্যারিশ শুয়ে ছিল বরফের ওপর, তখন জোলও এই কথা বলেছিল, "I could die right now, Clem. I'm just happy. I've never felt that before. I'm just exactly where I want to be."
189
8
‎[ পরবর্তী অংশ ] ‎ আমি ভাবতে থাকি, এইবার কি তাহলে হোমস সত্যি সত্যিই কোনো অতিপ্রাকৃত কিছুর মুখোমুখি হতে চলেছে? হোমস নিজে তো প্রমাণ ছাড়া কোনো কিছু বিশ্বাস করে না। এইবার কি তাহলে অতিলৌকিক কোনো কিছুর প্রমাণ সে সত্যিই পেয়ে যাবে? নাকি শেষ পর্যন্ত এই রহস্যের কোনো সমাধানই হবে না?এসব ভাবতে ভাবতেই প্রথম এই উপন্যাসটা পড়া শেষ করেছিলাম। দুর্দান্ত লেগেছিল। পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম। ‎ আমি উপন্যাসটি original English-এ পড়িনি এখনও। প্রথম পড়ি অদ্রীশ বর্ধনের অনুবাদটা। স্কুলে থাকতে। ভীষণ ভালো অনুবাদ। দারুণ লেখা। ভদ্রলোক বইটির প্রতিটি পৃষ্ঠার নিচে টীকা সংযুক্ত করে দিয়েছেন, যেখানে হোমস-সম্পর্কিত নানা তথ্য দেওয়া আছে। তিনি যে শুধু অনুবাদ করেই ক্ষান্ত হননি, বরং অনেক research-ও করেছেন, এটা তারই প্রমাণ। ‎ ‎গল্পটি পড়ার পর Sunday Suspense-এ যে কতবার শুনেছি, তার ইয়ত্তা নেই! দীপ এত সুন্দর করে গল্পটা ন্যারেট করেছেন আর মীর এত সুন্দর করে হোমসের চরিত্রে অভিনয় করেছেন যে বারবার শুনতে মন চায়। শুনিও। আমার Sunday Suspense-এর comfort stories-এর একটা হচ্ছে এই ‘দি হাউন্ড অব দ্য বাস্কারভিলস’। ‎ ‎সামনে ইংরেজিটাও পড়ার ইচ্ছে আছে। এতকাল পড়িনি আলসেমি করেই। স্কুলে থাকতে ইংরেজিতে বই পড়ার অভ্যাস ছিল না বলে পড়া শুরু করেও ড্রপ করে দিতে হয়েছিল। তখন বাংলা অনুবাদটাই ধরি। মণীন্দ্র দত্তের অনুবাদ দিয়ে শুরু করেছিলাম। কিন্তু অদ্রীশ বর্ধনেরটা বেশি ভালো লাগায় দত্ত মশাইয়েরটা পড়া ছেড়ে দিই। ‎ ‎এবার ইচ্ছে আছে, একদিন মূল ইংরেজিতেই উপন্যাসটা পড়ব। দেখি, সেই পুরোনো ডার্টমুর, কুয়াশা, নিস্তব্ধ রাত আর দূর থেকে ভেসে আসা সেই হাউন্ডের গর্জন ইংরেজি ভাষায় পড়ে দেখতে কেমন লাগে, যেমনটা ডয়েল নিজে লিখেছিলেন। Max Rab
172
9
শার্লক হোমস পড়তে আমার ভীষণ ভালো লাগে। শুনতেও। ডয়েল সাহেব কীভাবে হোমসকে নিয়ে এত কিছু লিখে গেছেন, সেটা নিয়ে ভাবতে বসলে বিস্ময়ের সীমা থাকে না! হোমসের গল্পগুলোর মধ্যে আমার সবচেয়ে ভালো লাগার গল্পটি হলো ‘দি হাউন্ড অব দ্য বাস্কারভিলস’। হোমসকে নিয়ে লেখা চারটি উপন্যাসের মধ্যে এটি অন্যতম সেরা। ‎ ‎ ‎উপন্যাসটি লেখার সময় ডয়েল অনেক জায়গা থেকেই ইন্সপিরেশন নিয়েছিলেন। সবচেয়ে বেশি যে কথাটা শোনা যায়, সেটা হলো, সতেরো শতকে ইংল্যান্ডের ডেভনশায়ারের ডার্টমুরে রিচার্ড ক্যাবেল নামের এক ভদ্রলোক বাস করতেন। তিনি নাকি খুবই নিষ্ঠুর প্রকৃতির লোক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর কবরকে কেন্দ্র করে অদ্ভুত, নারকীয় সব লোককথা ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ তাঁর কবরের দিক থেকে ভয়ংকর সব চিৎকার শুনেছেন বলে দাবি করতেন। কেউ কেউ একপাল কালো কুকুরকে তাঁর কবরকে কেন্দ্র করে ছুটোছুটি করতে দেখেছেন বলেও গল্প প্রচলিত ছিল। এমনকি কোনো কোনো লোককথায় স্বয়ং রিচার্ড সাহেবকেও সেই কুকুরগুলোর সঙ্গে দেখা যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ‎ ‎কারা সত্যিকার অর্থে এসব দেখেছিলেন, তার কোনো প্রমাণ অবশ্য মেলে না। তবে লোকমুখে ছড়াতে ছড়াতে এসব গল্প স্থানীয় legend-এ পরিণত হয়। স্থানীয় মানুষ নাকি এতটাই ভয় পেত যে, তাঁর কবরের ওপর ভারী পাথর বসানো হয় এবং কবরের চারপাশে লোহার বেড়া দিয়ে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য ছিল, কিংবদন্তি অনুযায়ী, যেন ভদ্রলোকের অশরীরী আত্মা কবর থেকে বের হয়ে আসতে না পারে। ‎ ‎কিন্তু অশরীরী আত্মার জন্য লোহা বা পাথরই-বা কতটা বাধা? জানি না। লোককথায় অবশ্য লোহাকে অশুভ আত্মা ঠেকানোর উপায় হিসেবে ব্যবহারের কথা পাওয়া যায়। ‎ ‎এসব ছাড়াও, গোটা ইংল্যান্ডজুড়েই একসময় ভূতুড়ে কালো কুকুর বা Black Hound-এর folklore প্রচলিত ছিল। ডয়েলের এক বন্ধু, বারট্রাম ফ্লেচার রবিনসনের কাছ থেকেই তিনি ডেভনশায়ারে শত শত বছর ধরে চলে আসা নানা লোককথা সম্পর্কে জানতে পারেন। রবিনসন নিজে ডেভনের মানুষ ছিলেন এবং ডার্টমুরের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ পরিচয় ছিল। ‎ ‎ব্যস! ক্রিয়েটিভ মানুষজনের আর কী চাই? তিনি পেয়ে গেলেন গল্পের রসদ। একটা aristocratic পরিবার, নিষ্ঠুরতা, মৃত্যু, haunting dog-এর কিংবদন্তি, সব মিলে গেল একটা দারুণ প্লটের মধ্যে। তারপর নিজের ক্রিয়েটিভিটি কাজে লাগিয়ে ভৌতিক গল্পের আবহ তৈরি করলেন এবং সেখানে এন্ট্রি দিলেন দ্য মাইটি শার্লক এর, যে অতিপ্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাস করে না, যে চলে science of deduction-এর ওপর ভর করে। র‍্যাশনালিটি ছাড়া যার মনে অন্য কোনো কিছুর জায়গা নেই। ‎ ‎ডয়েল পুরো গল্পে জবরদস্ত একটা কাজ যেটা করেছেন, সেটা হলো, গল্পের সিংহভাগ অংশেই হোমসকে অনুপস্থিত রেখেছেন। আর এই কাজটা করায় গল্পটা আরও বেশি ইন্টারেস্টিং হয়ে উঠেছে। দেখা যাচ্ছে, ওয়াটসন নিজে সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছে, কিন্তু কোনো কিছুরই খেই পাচ্ছে না। এদিক-ওদিক অনেক ক্লু পড়ে আছে, অনেক এলিমেন্ট আছে, যেগুলো হোমস থাকলে তুড়িতেই একটার সঙ্গে আরেকটা জুড়ে দিয়ে মুহূর্তের মধ্যে একটা কনক্লুশনে পৌঁছে যেত। কিন্তু ওয়াটসন তা পারছে না। ফলে ওয়াটসনের মতো আমরাও কিছু বুঝে উঠতে পারছি না। ‎ ‎প্রথমে লন্ডনে হেনরি বাস্কারভিলের জুতো চুরি যাওয়া এবং অজানা এক লোকের হোমসদের ওপর নজর রাখা থেকে শুরু করে, বাস্কারভিল হলের মিস্টার ও মিসেস ব্যারিমোরের সন্দেহজনক আচরণ, তারপর মুরের ওপর রহস্যজনক দুজন মানুষের আনাগোনা এবং রাত-বিরেতে হাউন্ডের নারকীয় গর্জন, যে গর্জন শুনলে মনে হয়, তা কোনো পৃথিবীর প্রাণীর আওয়াজই নয় -- সবকিছুই ওয়াটসন আর হেনরি বাস্কারভিলকে প্রচণ্ড ধোঁয়াশার মধ্যে ফেলে দেয়। ‎ ‎তারপর স্ট্যাপলটন আর বেরিলের সেই বিচ্ছিন্ন জীবনে হেনরি বাস্কারভিলের উপস্থিতি পড়তেই স্ট্যাপলটনের আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিতে থাকে। যে মানুষটিকে প্রথমে শান্ত, স্বাভাবিক একজন প্রকৃতিবিদ বলে মনে হয়েছিল, ধীরে ধীরে তার অন্য একটি চেহারা সামনে আসতে থাকে। গল্পের এক প্রান্তে লওরা লিওন্স নামের এক মহিলার আবির্ভাব ওয়াটসনের সামনে রহস্যের আরেকটি দরজা খুলে দেয়। সে কিছুতেই বুঝে উঠতে পারে না, কোন ঘটনাটার সঙ্গে কোন ঘটনাকে মিলিয়ে দেখবে। ‎ ‎তবে গল্পের শেষদিকে যথারীতি হোমসের আবির্ভাব ঘটে এবং অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গেই সে পুরো রহস্যের সমাধান করার চেষ্টা করে। হোমসের উপস্থিতিতে আমরাও সাহস পাই। মনের ভয় দূর হয়ে যেতে থাকে। এ বিষয়টাই আমি ভীষণভাবে উপভোগ করেছি। এই যে কোনান ডয়েল যেভাবে হোমসকে একজন Savior এর পর্যায়ে নিয়ে গেছেন, যাকে দেখে ওয়াটসন আর হেনরি বাস্কারভিলের মতো আমরা ভরসা পাচ্ছি, এসব একদম পিওর ট্যালেন্ট ছাড়া শুধু লেখার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব নয়। ধন্য স্যার আর্থার কোনান ডয়েল। ‎ ‎ ‎যা বলছিলাম। পুরো গল্পজুড়ে রহস্যের ঘনীভূত হওয়া, যা শুরু হয় স্যার চার্লসের মৃত্যু দিয়ে আর নিস্তব্ধ রজনীতে অতিপ্রাকৃত এক হাউন্ডের গর্জন আমার চিন্তার সুতোকে ক্রমশ এমন এক জায়গায় নিয়ে যায়, যেখানে গিয়ে সবকিছুতেই সন্দেহ হতে থাকে। [ বাকিটুকু নিচে ] Max Rab
113
10
[পরবর্তী অংশ] ‌‎কোভিডের টাইম থেকে এই টাইম অবধি সময় কত বদলে গেছে! আমি নিজে বদলে গেছি। পরের পাঁচ ছয় বছর পরেও আরও বদল ঘটবে আমার। সেটাই স্বাভাবিক। এই যে এখন যেমন পুরনো দিনের কথা ভাবছি। তখন যা স্বপ্ন দেখতাম, উইশ করতাম, তা যেমন রিয়েলিটিতে বদলে গেছে, এখন যা মনে মনে উইশ করছি, আগামী পাঁচ বছর পরেও কি তা রিয়েলিটিতে বদলে যাবে? স্বপ্ন সত্যি হয়ে সেই স্বপ্নতেই বাঁচতে পারব? জানি না। নিজের ওপর মাঝেমাঝে রাগ হয়, এটা ভাবলেই যে, ঢাবিতে চান্স পাওয়া আসলেই আমার স্বপ্ন ছিল? আমি কীভাবে এত নিচে নামতে পেরেছিলাম? ঘাবড়াবেন না কেউ। আমি এমন ভীষণ সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্সে ভুগেই থাকে সময়ে সময়ে। পরে রিয়েলিটি হিট করলে স্বজ্ঞানে ফিরে আসি। ‎ Max Rab
110
11
‎আমাদের হাই স্কুলের এক সিনিয়রের ব্যাপারে টিচাররা সবসময় বলাবলি করতো। বলতো সে পড়াশোনায় খুব ভালো। সবসময় ফার্স্ট হয়। খুব বেশি সিনিয়র না। মাত্র এক বছরের। কিন্তু আমাদের ব্যাচের ফার্স্ট বয়কে নিয়ে কেউ কিছু কখনও বলতো না। ও আমার চেয়েও লো প্রোফাইল রাখতো। কিন্তু সিনিয়র ঐ ছেলেটা ভীষণ চঞ্চল, কর্মঠ ছিল। পড়াশোনায় যেমন ভালো, কো কারিকুলাম এক্টিভিটিসেও দুর্দান্ত ছিল। ‎এডমিশনের সময় সে বুয়েট, ঢাবি, মেডিকেল, সাস্ট সবকিছুতেই চান্স পেয়ে যায়। পরে গিয়ে ভর্তি হয় বুয়েটে। আমার নিজের কোথাও পার্টিকুলারলি পড়ার আকাঙ্খা ছিল না। তবুও, এডমিশন পিরিয়ড যখন চলে এল, তখন সবার মতো আমাকেও বিভিন্ন জায়গায় পরীক্ষা দিতে হলো। ব্যাচেলর তো করতে হবে। পড়াশোনা তো আর উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত স্থায়ী রাখা যায় না। ‎ ঐ ছেলেটাকে দেখে আমারও ইচ্ছে হতো মনে মনে, ঢাবি না হয় সাস্ট যেকোনো একটাতে আমারও যদি চান্স হয়ে যায়, তাহলে তো খুব ভালো হয়। নিজের নামের সাথে সারাজীবনের জন্য ঐ ইউনিভার্সিটির তকমা লেগে যাবে। নিজের একটা পরিচয় তৈরি হবে। ঢাবি বা সাস্ট কেন, কেন বুয়েট বা চুকুরুয়েট নয় তার কারণ আমি ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য কোনো প্রিপারেশনই নিইনি। আর ইঞ্জিনিয়ারিং এ পরীক্ষা দিয়ে পাশ করা ইজ নট এ জোক। নিজের লেভেল জানতাম ভালো করে। ‎ ঢাবিতে বা সাস্টে চান্স পাওয়ার জন্যও যে আমি খুব পড়াশোনা করেছিলাম তাও না। সেই তুলনায় পড়াশোনা করিইনি বলা চলে। বাবার ইচ্ছায় মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলাম। কিন্তু যথারীতি চান্স হয়নি। না হওয়ারই কথা ছিল। পরে ঢাবিতে এক্সাম দিলাম দুটো ইউনিটে। এ আর ডি। সাইন্সের স্টুডেন্ট হওয়ায় এ তে তো দিতেই হতো। ডি'তে শুরুতে দেওয়ার ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু এক বন্ধুর কথায় এপ্লাই করে ফেললাম। ভাবনা ছিল, যদি বাই এনি চান্স, ঢাবিতে চান্স হয়ে যায়? মাঝে গুচ্ছেও এক্সাম দিয়েছিলাম। মার্কস কম এসেছিল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লাই করেও পরীক্ষা দিতে যাইনি। ‎ঢাবি ডি'তে প্রিপারেশন ছাড়াই এক্সাম দিতে গিয়েছিলাম। আর চান্সও হয়ে গেল। কোনো কষ্ট ছাড়া, রাতের ঘুম হারাম করা ছাড়া। লেখালেখির শখ থাকায় যা'ই দক্ষতা ছিল, তা দিয়েই রিটেনে অনেক মার্কস চলে এসেছিল। এমসিকিউতে কোনোমতে উৎরেছি। মনে মনে ভাবি, যাক, লেখালেখি করে আর কিছু না হোক, অন্তত ঢাবিতে চান্সটা হয়ে গেছে। দিনেশেষে, আমিও ঢাবিয়ান। ঐ সিনিয়রের মতো। ও বুয়েটিয়ান, আমি ঢাবিয়ান। ভালো লাগা কাজ করে। এটা খুব বড় অর্জন নয়। সত্যি বলতে, এটা কোনো অর্জনই নয়। এটা শুধু ব্যক্তিগত গর্বের বিষয়। আমি তাই বুক ঠুকে বলে বেড়াই না কাউকে। নিজেকে ঢাবিয়ান বলে পরিচয় দেওয়াটা হয় আমার লাস্ট অপশন। ‎ ‎কিন্তু একটা ইনস্টিটিউশনাল প্রাইড কাজ করেই সবসময়। এটা যারা পড়ে শুধু তারাই অনুভব করতে পারে। হাজার হোক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আসলে এটা সম্ভবই হয়েছে, ঐ ভাইকে দেখে মনের মধ্যে তৈরি হওয়া মেনিফেস্টেশন থেকে। শুধু ঐ ভাই'ই না। শুধু ওনাকে ক্রেডিট দেবো না। আরও অনেককে দেখেই। তবে ঐ ভাইয়েরটা চোখের সামনে থেকে দেখতে পেতাম তাই ওর ইনফ্লিয়েন্সটা বেশি ছিল। ‎ ‎আমি দুয়া করতে থাকতাম, ঢাবি অথবা সাস্ট, যেকোনো একটা কপালে দিয়ে দাও, আল্লাহ। অথচ পড়তাম না, পরিশ্রম করতাম না। টার্নস আউট, কোনো কাজ না করেও দুয়ায় কাজ হয়। না, না। আমি কাউকে কাজ করতে বারণ করছি না। কাজ করুন, পরিশ্রম করুন। আমার ব্যাপারটা লজিক্যালি দেখলে, একেবারে ফরচুন বা লাক বা কাকতালীয়ভাবে চান্স পেয়ে যাওয়া ইত্যাদি বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা যায়। মিরাকল বলার প্রয়োজনীয়তা নেই। কিন্তু আমি নিজের কাছে এটাকে মিরাকলই বলি। এই কথাগুলো বলছি এই কারণে, ঐ সিনিয়র ভাই ফেসবুকে পোস্ট দিল সম্প্রতি, উনি আমেরিকা চলে গেছে। পিএইচডি করতে। উইথ ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ। ‎ এখন কি আমিও কি চাই ওর মতো ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ নিয়ে আমেরিকা যেতে? আমি বলবো, আমি জানিনা। আমি চাইনা কিছুই। গত পাঁচ-ছয় বছর আগে আমার মানসিকতা যেমন ছিল, এখন তেমন নেই। এখন আমার মধ্যে বেশকিছু বদল ঘটেছে। এখন আমি প্রবাবলিটি চিন্তা করে এগোবো। হিসেব নিকেশ করে যেদিকে যাওয়াটা ঠিক মনে হবে, সেদিকে যাবো৷ র‍্যান্ডমলি আবেগের বশবর্তী হয়ে কিছু চেয়ে বসবো না। তবুও মনের এক গহীনে, কিছু ইচ্ছা আকাঙ্খা থেকে যায়। মনে হয়, ওদিকে গেলেই সুখ আসবে। সমৃদ্ধি আসবে। হয়তো শান্তি আসবে। হয়তো ভালো কিছু হবে। পরে আবার অন্যান্য অনেক সম্ভাবনার কথা ভাবলে নিজের মনের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগে যায়। এতো সম্ভাবনার কথা ভাবি কেন আমি? একটা মেয়েকে একবার একটা সম্ভাবনার কথা বলেছিলাম। তার কথায় মনে হয়েছে, আমার বলা সম্ভাবনাকে সে সিরিয়াসলি ধরে নিয়েছিল। সম্ভাবনার কথা ভাবা, আর মন থেকে কোনো কিছু চাওয়ার মাঝে যে ফারাক থাকে অনেক। [ বাকিটুকু নিচে] Max Rab
105
12
আমি জানি না কীভাবে ভালোবাসতে হয়। তবে তুমি চাইলে আমি সারাদিন তোমার পাশে কিছু না বলেই চুপ করে বসে থাকতে পারি। তুমি চাইলে তোমাকে একটু আধটু গান শোনাতে পারি। তুমি চাইলে জীবনের সব এচিভমেন্টের ক্রেডিট তোমায় দিয়ে দিতে পারি। তুমি চাইলে তোমায় নিয়ে পাতার পর পাতা লিখে যেতে পারি। তুমি চাইলে তোমাকে নিয়ে বিশ্বভ্রমণে বের হতে পারি। তুমি চাইলে দুনিয়াকে তুচ্ছ করে শুধু তোমায় নিয়েই পড়ে থাকতে পারি। তুমি চাইলে শুধু তোমার হয়েই বেঁচে থাকতে পারি। তুমি চাইলে তোমাকে কানে কানে বলতে পারি 'ভালোবাসি'। তুমি চাইলে জগৎবাসীকে জানিয়ে বলতে পারি 'ভালোবাসি'। কিন্তু... Max Rab
137
13
এক অর্বাচীনের লেখা পড়লাম। এই মূর্খ জানে না, আজ পর্যন্ত উপমহাদেশের অনেক মুসলিমই মহাভারত, রামায়ণ নিয়ে কাজ করেছেন। ‎ 1. ‎আব্দুল কাদির বাদুয়ানি মহাভারতের ফারসি অনুবাদ করেন। 2. ‎মুহাম্মদ ইকবাল তাঁর কবিতায় বহুবার ভারতীয় পুরাণ ও মহাভারতের চরিত্রের উল্লেখ করেছেন। 3. ‎কাজী নজরুল ইসলামের কথা নতুন করে বলার কিছু দেখছি না। 4. ‎বি আর চোপড়ার মহাভারতের সংলাপ লিখেছিলেন রাহি মাসুম রেজা। 5. ‎বি আর চোপড়ার মহাভারতে যিনি অর্জুনের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তাঁর নাম ফিরোজ খান। 6. ‎স্টার প্লাস মহাভারতে যিনি অর্জুনের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তাঁর নাম শাহীর শেখ। 7. ‎বলিউড স্টার আমির খান নিজে একবার পরিচালক হিসেবে মহাভারতের গল্প দিয়ে সিনেমা বানানোর অভিপ্রায় প্রকাশ করেছিলেন। 8. ‎আমি নিজে রামায়ণ ও মহাভারত নিয়ে লেখালেখি করি। চ্যানেলের সার্চ বক্সে গিয়ে সার্চ করলেই বেরিয়ে আসবে। ‎ ‎এখন, প্রশ্ন হলো মুসলিমরা কি রামায়ণ মহাভারতকে নিজের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ধরে নিতে বাধ্য? উত্তর হচ্ছে, না। পরিচয় একরৈখিক নয়। একজন মানুষের ধর্মীয় পরিচয়, ভাষাগত পরিচয়, জাতীয় পরিচয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় সব সময় একইভাবে সংজ্ঞায়িত হয় না। তবে কোনো মুসলমান চাইলে, মহাভারত-রামায়ণকে অন্তরে লালন করতেই পারে। এতেও দোষের কিছু নেই। আমি নিজে মহাভারত ও রামায়ণের চর্চা করি। এতে আমি আমার নিজ ধর্ম থেকে বিচ্যুত হয়ে যাইনি। ‎ ঠিক একইভাবে, কেউ আরব্য বা পাশ্চাত্যের কালচার মনে প্রাণে গ্রহণ করলেও তাকে দোষ দেওয়ার কিছু নেই। আমরা কেউই ধুতি পাঞ্জাবি পরে অফিস আদালতে যাই না। শার্ট প্যান্ট পরেই যেতে হয়। Max Rab
125
14
ক্রিস্টোফার নোলান ওডিসি সিনেমা বানালেও কোন মুসলমান মহাভারত নিয়ে সিনেমা বানানো দূরের কথা সে এটা পড়তেই চায় না! বিষয়টা উত্তরাধিকারীত্বের। বিষয়টা সংস্কৃতির। পুরো ইউরোপ তো বটেই পশ্চিমের গর্ব হচ্ছে হোমার। তার রচিত ইলিয়াড ও ওডিসি। নোলান খ্রিস্টান। খ্রিস্টান ঐতিহ্য হচ্ছে পৌত্তলিকতা বিরোধী। পুরো ইউরোপ কিভাবে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার হলো কিভাবে আইন করে গ্রীক মন্দিরগুলো বন্ধ করা হয়েছিল, জিউস এ্যাপলোর পূজা বন্ধ করা হয়েছিল সে ইতিহাস মাথায় রেখে আমরা দেখি ইউরোপের কাছে হোমার ও তার সাহিত্যই তাদের পূর্ব পুরুষদের কীর্তি। আর এই পুরো ভারতবর্ষ, ভারতীয় উপমহাদেশের মহান সাহিত্য হচ্ছে মহাভারত, রামায়ন। এটাকে নিয়ে গর্ব করা ও উত্তরাধিকার হিসেবে নিজেকে দায়িত্ব দিতে হলে আগে নিজের অরিজিন হিসেবে এই ভূখন্ডকে মানতে হবে। ‎ ‎রবীন্দ্রনাথরা হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ব্রাহ্ম নামের এক নতুন ধর্ম অনুসরণ করতেন। এটি ছিল খ্রিস্টান ধর্ম প্রভাবিত ভারতীয় কালচারে মোড়ানো একটি ধর্ম। রবীন্দ্রনাথ কালী দেবীকে বলি দেয়ার বিরুদ্ধে তাঁর ঘোর বিরোধীতা ও ক্ষোভ তাঁর নাটকে স্থান দিয়েছিলেন। তিনিই মহাভারত থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁর কাব্যে কচ ও দেবযানীকে নিজের ন্যারেটিভে লিখেছিলেন। চিত্রাঙ্গদাকেও মহাভারত থেকে নিয়েছিলেন। তীব্র হিন্দু ধর্ম বিদ্বেষ থেকেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত খ্রিস্টান হয়েছিলেন। তিনিও রামায়ন থেকেই নিয়েছিলেন তার কাব্যের রসদ। তিনিও ন্যারেটিভ তাঁর মত করে নিয়েছিলেন। মধুসূদন মহাভারত থেকেও চরিত্র নিয়ে মহাকাব্য নাটক লিখেছেন। কিন্তু মীর মোশাররফ হোসেন তার কাব্য রচনা করতে কারবালার নবী দৌহিত্রকে বেছে নিলেন। এতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু প্রশ্ন জাগতেই পারে আরবের মরুভূমিকে বেছে নেয়ার কারণটি ছিল এ জন্য যে তিনি মুসলমান এবং এটা ভালো বুঝবেন। বাকীরা হিন্দু ব্যাকগ্রাউন্ডের তাই মহাভারত রামায়ন ভালো বুঝবেন? এটা মেনে নিলে কিন্তু ভারতীয় মহাদেশের মুসলমানদের নিজ জাতি সংস্কৃতির উত্তরাধিকার মানা যাচ্ছে না। তাহলে কি ভূমিপুত্র তাদেরই ধরতে হচ্ছে যারা এই ভূখন্ডের অমুসলিম তারাই? প্রশ্নটা মুসলমানদের কাছে। ‎ ‎ইরানীদের কাছে পারস্য সাহিত্য তাদের পূর্ব পুরুষদের কীর্তি হিসেবে তারা লালন করে। পুরো ইউরোপ-পশ্চিমা বিশ্ব গ্রীক রোমান সাহিত্য ও পুরানকে তাদের পরিচয় মনে করে। মিশরদের ইতিহাস হচ্ছে ফারাওদের ইতিহাস- আরবদের নয়। তাহলে এই অঞ্চলের মুসলমানদের ইতিহাস কি? সোহরাব রুস্তম তো পারস্যদের। কারবালা আরবদের। এই অঞ্চলের মুসলমানদের পরিচয় তাহলে কি হবে? যারা খুব আর্য বিরোধী, খুব একটা প্রলেতারিয়েত প্রেমি, সাবঅল্টার্ন কচলায় তারা কি বেহুলা লখিন্দরকে তাদের পরিচয় বলবে? কোনদিন বলেছে? ‎ ‎মহাভারত রামায়নকে সাহিত্য হিসেবে এটাকে হিন্দু বর্ণবাদ ও কুসংস্কার হিসেবে হেয় করতে প্ররোচিত করেছিল এদেশের বামপন্থীরা। কারণ তাদের নবী রসূলদের বাসও চীন রাশিয়াতে! ‎ ‎-সুষুপ্ত পাঠক ‎৩১ জুলাই, ২০২৬
114
15
আর্জেন্তিনা হারায় আমার খুশি হওয়ার কোনো কারণ নেই। কিন্তু একটা বিষয়ে খুশি যে, ঐ টীমের টক্সিক ফ্যানবেজের মুখ বন্ধ করা গেছে। কাল ফেসবুকে স্প্যামিং করেছি ঐ টক্সিক লোকগুলোর জন্য। আর খেলায় হারলে স্ল্যাজিং, ট্রোলিং এইসব থাকবেই। যে জিতবে সে প্রশংসা পাবে আর যে হারবে সে তিরস্কৃত হবে। পরাজয় কেউ সেলিব্রেট করে না। করতে পারে না। পর্তুগাল হারায় আর্জেন্তিনার ফ্যানরা যা করছিল তা যেমন আমাদের বুকে তিরের মতো এসে বিঁধছিল, কালকের হারের পরও আমরা তির ছুঁড়েছি আর জায়গা মতোই লেগেছিল। শেষমেশ এই কথাই বলবো, Justice has been delivered and football won...
160
16
ইনস্টাগ্রামে রস ডাফারের পোস্ট থেকে জানতে পারলাম গতকাল স্ট্র্যাঞ্জার থিংস রীলিজের বছর দশেক পেরিয়ে গেছে। একটা দীর্ঘ সময় ধরে ‎স্ট্র্যাঞ্জার থিংস আমার সামনে ঘোরাফরা করছিল। কোনো মুভি বা সিরিজ খুঁজতে যে কোনো ওয়েবসাইটে ঢুকলে সামনে সাজেশন চলে আসতো। কিন্তু আমি ইগনোর করে যাচ্ছিলাম। ট্রেলার দেখে ভালো লাগেনি প্রথমটায়, সত্যি বলতে। কয়েকটা বাচ্চা মিলে এদিক ওদিক ছুটোছুটি করবে আর রহস্য সমাধান করে বেড়াবে, এসব জিনিসপাতি দেখার ইচ্ছা হয়নি তখন। অন্তত ট্রেলার দেখে তো আমার এমনটাই মনে হয়েছিল। ‎ ‎ ‎একবার আমার লাইফে ভীষণ ট্র্যাজেডি চলছিলো। তখন ভালো সিনেমা বা সিরিজ দেখতে চাইছিলাম। কিন্তু মানসিক অবস্থা এমন ছিল যে, তখন আমার কোনো গুরুগম্ভীর বা হাইলি ইন্টেলেকচুয়াল নোলান টাইপ স্টাফ দেখতে মোটেও ইচ্ছে হচ্ছিল না। তাই ভেবে ভেবে শেষমেশ স্ট্র্যাঞ্জার থিংস দেখবো বলে সিদ্ধান্ত নিলাম। আর সেই সিদ্ধান্ত আমার ওপর টনিকের মতো কাজ করেছিলো। ‎ ‎ ‎তখনও সিজন ফোর বেরোয়নি। আমি সিজন ওয়ান দেখতে শুরু করলাম। আমার চরিত্রগুলোকে ভালো লাগতে শুরু করলো। তারপর সিজন টু শুরু করলাম। দেখে নিলাম একটানা। তারপর সিজন থ্রি। সেটাও একটানা দেখে নিলাম। দুদিনে তিনটে সিজনই দেখে নিয়েছিলাম। সিরিজটার প্রত্যেকটা ক্যারেক্টারকে ভালোবেসে ফেললাম। মনে হতে থাকলো, এরা আমার নিজেরই লোক। ডাফার ব্রাদার্স এতো সুন্দর করে ক্যারেক্টারগুলো লিখেছে আর পুরো গল্পের প্রেজেন্টেশন এতো আকর্ষণীয় ছিল যে শেষ না করে স্ক্রিন থেকে চোখ সরানো দায় হয়ে গিয়েছিল। ‎ ‎ ‎আমি কোনো যুক্তি তর্ক ছাড়াই এতকাল যাবৎ এই সিরিজকে আমার দেখা মোস্ট এন্টারটেইনিং সিরিজ হিসেবে মেনে নিয়েছিলাম। ঐ যে কিছু লোক জিজ্ঞেস করে না যে, তোমার যদি আগের সব স্মৃতি হারিয়ে যায় তাহলে তুমি কোন সিরিজ আবার দেখতে চাইবে? আমি নির্দ্বিধায় স্ট্র্যাঞ্জার থিংসের কথাই বলবো। তবে একটু ভাবতে বসলাম যে, এক্সাক্টলি কী কী আছে ঐ সিরিজটায় যার জন্য এটা আমার এতো প্রিয় হয়ে উঠলো? ‎ ‎প্রথম কথা হচ্ছে, প্রত্যেকটা ক্যারেক্টার নিজেদের ভয়েস পেয়েছে। মাইক, ডাস্টিন, লুকাস, উইল, ইলেভেন থেকে শুরু করে ন্যান্সি, স্টিভ, জোনাথন, জয়েস সবাই। জিম হপারের ভয়েসও বাদ যায়নি। মানে সবাই। প্রত্যেকের মনস্তত্ত্ব ও ভাবনা থেকে একেকজনের ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট খুব প্রিসাইজলি ডাফার ব্রাদার্স দেখানোর চেষ্টা করেছেন এবং সফলও হয়েছেন৷ একেবারে পারফেক্ট কামিং অফ এইজ জঁরের ক্যাটাগরিতে পড়ে। প্রসঙ্গতঃ ইউটিউবে কদিন আগেই এই জঁরের নামটা জানলাম। ‎ সবারই লাইফ স্টোরি, বন্ধু্ত্ব, প্রেম, ট্রমা, বিচ্ছেদ, মৃত্যুর মুখোমুখি চলে যাওয়া তাদের চরিত্রের আলাদা আলাদা একেকটা দিক উন্মোচন করে দেয়। বিশেষ করে, সিজন ওয়ানের সবচেয়ে হেটেড ক্যারেক্টার থেকে স্টিভের একেবারে ফ্যান ফেভারিট হয়ে ওঠার ব্যাপারটা। ‎ ‎আর গল্পটা আদ্যোপান্ত হররও নয়, সাইন্স ফিকশনও নয়। অনেক কিছুর মিশেল আছে এখানে। মিস্ট্রি আছে, কমেডি আছে, এডভেঞ্চার আছে, রোমান্টিক এঙ্গেল, ট্র্যাজেডি আছে। এগুলো ছাড়াও পুরো হকিন্স টাউনের এটমোস্ফিয়ারটা আমার দারুণ লেগেছে। ছোট টাউন। তার মধ্যে ছোট ছোট বাসা। মাইকদের বাইক রাইডিং, স্কুলে যাওয়া, ডাঞ্জন্স এন্ড ড্রাগন্স খেলা, মর্স কোডের ব্যবহার, এডির হেলফায়ার ক্লাব, এসব থেকে শুরু করে তাদের মধ্যে যে একটা ইন্টেন্স ফ্রেন্ডশিপ দেখিয়েছে, যে ফ্রেন্ডশিপের জন্য যারা নিজের জীবনের তোয়াক্কা পর্যন্ত কেউ করেনি, তারপর আপসাইড ডাউনের যে জগৎ, ডেমোগর্গ থেকে ডেমোডগ আর শেষে তো সিজন ফোরে হেনরির আবির্ভাব। আহা! সিজন ফোর গোটা সিরিজের বেস্ট সিজন ছিল আমার মতে। ‎ ‎ ‎সিরিজের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর। এই সিরিজে বিভিন্ন মিউজিক এডপ্ট করা হয়েছে সিচুয়েশনের সাথে আর মৌলিক সঙ্গীত তো আছেই। এখনও হুট করে কোনো রীলস বা অন্য কোথাও শুনলে ভাবুক হয়ে যাই। পুরনো দিনগুলো মনে পড়ে আর সিরিজটা আবারও দেখার ইচ্ছে হয়৷ যদিও বেশ কয়েকবার দেখে নেওয়া হয়েছে এর মধ্যে। আবারও দেখতে ইচ্ছে হয়। ‎ ‎ ‎আমি সবগুলো ক্যারেক্টারই ভীষণ পছন্দের। কিন্তু আমি সবার উপরে রাখবো ডাস্টিন আর ন্যান্সিকে। ডাস্টিন এমন একটা ক্যারেক্টার যা আমি বাস্তবে হতে চেয়েও হতে পারিনি। আর ন্যান্সির অমন সাহসী, এলিগেন্ট, এমবিশিয়াস, লিডিং ব্যক্তিত্ব আমাকে ভীষণরকম মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে যখন ও স্টিভকে ছেড়ে দিয়ে জোনাথনকে চুজ করেছিল তখন। ‎ ‎ ‎আর আমি ডাফার ব্রাদার্সের প্রতি ভীষণরকম ইমপ্রেসড হয়ে গিয়েছিলাম তখন। ইউটিউবে খুঁজে খুঁজে ওদের সব ইন্টারভিউগুলো দেখতে শুরু করে দিয়েছিলাম। আই ওয়াজ লাইক, তোমরা ভাই কীভাবে এমন কিছু লিখতে পেরেছো? তোমাদের তো ভায়া কাল্টিভেট করতেই হচ্ছে। এতো ডিটেইল কীভাবে এরা মাথায় রাখলো ভেবেই অবাক লাগে। একেকটা সিজনের সাথে বাকিগুলো অদ্ভুত নিপুণতার সাথে জুড়ে দিয়েছিল যে কোনো খুঁত ক্বদাচিৎই চোখে পড়ে। Max Rab
181
17
Thanks to God that he made such beautiful women. Keira Knightley is one of them. She is absolutely beautiful. I always admire+2
Thanks to God that he made such beautiful women. Keira Knightley is one of them. She is absolutely beautiful. I always admire such effortless beauty. Despite every pain and suffering, I am glad that I love such women. That I have such great taste in women. Loving women is not a crime of course. God made women to love them, to worship them.
229
18
We all want to be ambiguous, obscure and a bit mysterious so that we can project ourselves as Intelligent. As we are wired to think that all obscure things are source of great knowledge. -Allan de botton
254
19
Some women are so incredibly beautiful that I feel happy just knowing I'm drawn to them. Penelope is one of them.... You know, these kinda girls, I find myself loving them with all my heart, and that love alone fills me with joy. It makes me feel alive, light, and content. In those moments, I think to myself, this is what life is all about. What more could I possibly ask for? 🧘‍♂️
215
20
I’ve found the secret Of loving you Always for the first time.... Penelope Cruz ❤️+2
I’ve found the secret Of loving you Always for the first time.... Penelope Cruz ❤️
216