es
Feedback
সপ্তক-Saaptak 🌿

সপ্তক-Saaptak 🌿

Ir al canal en Telegram

অব্যক্ত লিখাগুলোর সুপ্ত প্রতিভা শেয়ার করো সপ্তকের সাথে।লেখা মানসম্মত হলে অবশ্যই চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে। 🌼 ✅লেখা পাঠানোর ঠিকানাঃ 1. @rajin_the_boss ☘️ 2. @MaxRab ☘️ ✅ ভয়েস পেজ : https://t.me/+38acMoVDu2hlNDg1 ✅মিম পেজ: t.me/castaway_memes2020

Mostrar más
1 369
Suscriptores
+124 horas
+57 días
+2630 días

Carga de datos en curso...

Nube de Etiquetas
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Menciones Entrantes y Salientes
---
---
---
---
---
---
Atraer Suscriptores
julio '26
julio '26
+10
en 0 canales
junio '26
+41
en 0 canales
Get PRO
mayo '26
+34
en 0 canales
Get PRO
abril '26
+34
en 0 canales
Get PRO
marzo '26
+14
en 0 canales
Get PRO
febrero '26
+15
en 0 canales
Get PRO
enero '26
+13
en 0 canales
Get PRO
diciembre '25
+16
en 0 canales
Get PRO
noviembre '25
+13
en 0 canales
Get PRO
octubre '25
+16
en 0 canales
Get PRO
septiembre '25
+17
en 0 canales
Get PRO
agosto '25
+17
en 0 canales
Get PRO
julio '25
+12
en 0 canales
Get PRO
junio '25
+27
en 0 canales
Get PRO
mayo '25
+11
en 0 canales
Get PRO
abril '25
+21
en 0 canales
Get PRO
marzo '25
+18
en 0 canales
Get PRO
febrero '25
+28
en 0 canales
Get PRO
enero '25
+39
en 0 canales
Get PRO
diciembre '24
+62
en 0 canales
Get PRO
noviembre '24
+62
en 0 canales
Get PRO
octubre '24
+78
en 0 canales
Get PRO
septiembre '24
+152
en 0 canales
Get PRO
agosto '24
+131
en 1 canales
Get PRO
julio '24
+66
en 0 canales
Get PRO
junio '24
+71
en 0 canales
Get PRO
mayo '24
+55
en 0 canales
Get PRO
abril '24
+52
en 0 canales
Get PRO
marzo '24
+50
en 0 canales
Get PRO
febrero '24
+131
en 0 canales
Get PRO
enero '24
+291
en 1 canales
Get PRO
diciembre '23
+253
en 1 canales
Get PRO
noviembre '23
+10
en 1 canales
Get PRO
octubre '23
+10
en 1 canales
Get PRO
septiembre '23
+13
en 0 canales
Get PRO
agosto '23
+24
en 0 canales
Get PRO
julio '23
+8
en 0 canales
Get PRO
junio '23
+8
en 0 canales
Get PRO
mayo '23
+4
en 0 canales
Get PRO
abril '23
+2
en 0 canales
Get PRO
marzo '23
+8
en 0 canales
Get PRO
febrero '23
+10
en 0 canales
Get PRO
enero '23
+3
en 0 canales
Get PRO
diciembre '22
+9
en 0 canales
Get PRO
noviembre '22
+17
en 0 canales
Get PRO
octubre '22
+7
en 0 canales
Get PRO
septiembre '22
+11
en 0 canales
Get PRO
agosto '22
+13
en 0 canales
Get PRO
julio '22
+21
en 0 canales
Get PRO
junio '22
+18
en 0 canales
Get PRO
mayo '22
+19
en 0 canales
Get PRO
abril '22
+13
en 0 canales
Get PRO
marzo '22
+15
en 0 canales
Get PRO
febrero '22
+8
en 0 canales
Get PRO
enero '22
+7
en 0 canales
Get PRO
diciembre '21
+50
en 0 canales
Get PRO
noviembre '21
+100
en 0 canales
Get PRO
octubre '21
+35
en 0 canales
Get PRO
septiembre '21
+107
en 0 canales
Get PRO
agosto '21
+299
en 0 canales
Get PRO
julio '21
+234
en 0 canales
Fecha
Crecimiento de Suscriptores
Menciones
Canales
07 julio+2
06 julio+1
05 julio+1
04 julio+1
03 julio+1
02 julio+1
01 julio+3
Publicaciones del Canal
We all want to be ambiguous, obscure and a bit mysterious so that we can project ourselves as Intelligent. As we are wired to think that all obscure things are source of great knowledge. -Allan de botton

2
Some women are so incredibly beautiful that I feel happy just knowing I'm drawn to them. Penelope is one of them.... You know, these kinda girls, I find myself loving them with all my heart, and that love alone fills me with joy. It makes me feel alive, light, and content. In those moments, I think to myself, this is what life is all about. What more could I possibly ask for? 🧘‍♂️
64
3
I’ve found the secret Of loving you Always for the first time.... Penelope Cruz ❤️+2
I’ve found the secret Of loving you Always for the first time.... Penelope Cruz ❤️
61
4
People often say that the ones who stand by you at your lowest are your true friends. I can finally tell who my real friends are and who aren't. If I actually count them, the number is surprisingly small. Well, I'm grateful for those who have stayed by my side. But honestly, I'm not upset about it at all. That's just reality. It's not even something I've had to force myself to accept. I look at my father. He doesn't really have any friends either. He has us, his family, and a few people he knows through business. Yet he's living a perfectly fulfilling life. As we go through life, we'll continue to meet new people. Some of them will become acquaintances, some may even grow close to us. Life goes on just fine that way. In fact, I often find people's company more exhausting than enjoyable. I'd much rather spend my time reading books, watching films, or listening to music than hanging out all the time. Being surrounded by art nourishes the mind and keeps the soul at peace. A lot of people who feel lonely or have no one around become desperate to get into a romantic relationship. I think that's a very unhealthy mindset. Not everyone needs romance to live a meaningful life. There's no point in getting into a relationship simply because everyone else is doing it. It's much better to develop a hobby or cultivate a passion and devote your time to that. That's what I do... I watch movies, for example. Max Rab
74
5
“বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে আমরা তখনো বসে, বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজেছি ফিকাহ ও হাদীস চষে। হানাফী, শাফিঈ, মালিকী, হাম্বলীর তখনো মেটেনি গোল, এমন সময় আজরাইল আসি হাঁকিল তলপি তোল। বাহিরের দিকে মরিয়াছি যত ভিতরের দিকে তত, গুণতিতে মোরা বাড়িয়া চলেছি গরু ছাগলের মতো।” •—– কাজী নজরুল ইসলাম
196
6
লিখেছিলাম মার্চ ১০, ২০২৩ সালে।
281
7
নাম দেয়া ‎ ‎ভাগ - দুই ‎ ‎ ‎আবার যাদের ভালো লাগে না তাদেরও আমরা নাম দিই। একটু বাজে নাম। একটু তিক্ত নাম। কিছু কিছু গালিও মাঝে মাঝে নামে পরিণত হয়। যেমন ধরো - একটা লোক রোজ তোমাকে চড় মেরে চলে যায়। কেনো চড় মারে  সে প্রসঙ্গে ভাবার কোনো দরকার নেই। জাস্ট ভাবো, তোমাকে চড় মেরে চলে যায়। তখন তুমি তাকে একটা নাম দিলে। মানে সেটা একটা গালি। সে গালিটা হতে পারে "বোতল"। আমরা ধরে নিচ্ছি বোতল একটা সাংঘাতিক রকমের গালি। অর্থাৎ তুমি তাকে বোতল বলে ডাকছোও আবার গালিও দিচ্ছো। ‎ ‎এই যে নাম দেয়ার ব্যাপারটা, এটা ইমোশন থেকে আসে। ভালোবাসা, স্নেহ, আদর, শ্রদ্ধা, রাগ, ভয় এরকম বিভিন্ন ইমোশনগুলো থেকে একেকজনের প্রতি একেকটা নাম বেরিয়ে আসে। আমরা আমাদের কুকুর বেড়ালেরও একেকটা নাম রাখি। ‎ ‎ ‎বেড়ালের দিকে তাকাতে তাকাতেই হয়তো তার আচরণ দেখে তোমার মাথায় নাম চলে এলো, " টম ক্রুজ "। আমি আজকে যত্তোসব weird উদাহরণ দিচ্ছি। মেনে নাও। সব সময় সব কিছু ছন্দবদ্ধভাবে চলে না। চলবেও না। আমি নিজের নাম ছাড়াও অনেক কিছুর অনেক রকম নাম দিই। ‎ ‎অভিনেতা সজলের নাম দিয়েছিলাম "বৃহস্পতিবার"। নাটকে অভিনয় করে যে ছেলেটা। সেই ছোটোবেলায় দিয়েছিলাম। তার নাম জানতাম না তখন। মা প্রতি বৃহস্পতিবার টিভিতে তার নাটক দেখতো। আমি মাকে নায়কের নাম জিজ্ঞেস না করেই নাম দিয়েছিলাম "বৃহস্পতিবার"। আমার ফোনের নাম দিয়েছি " ঊনত্রিশ "। এরকম আরও অনেক কিছুর নাম দিই। সবকিছু বলা যাবে না ; সেগুলোও সিক্রেট থাকুক। ‎ ‎ ‎ ‎শেষে বলি। নাম ধরে ডেকো। ডাক নামে ডেকো। যাদের নাম ধরে ডাকা যায় তাদের নাম ধরেই ডেকো বা তাদের নাম দিও ভালো ভালো। গুগল ঘাঁটলে দেখবে এসবের বিশেষ বিশেষ কারণ ও গুরুত্ব আছে। প্রেম ডট কমের "ডাক নামে ডেকো"- র এপিসোডটা শুনে অব্দি নাম দেয়া নিয়ে একটা কিছু লিখতে ইচ্ছে করছিলো। তাই ভাবলাম লিখেই ফেলি। বিশ-তিরিশ বছর পর বা আরও বেঁচে থাকলে তখন দেখবো এসব লেখা - কী কী লিখতাম এক সময়। ‎ ‎ ‎©® Max Rab
203
8
নাম দেয়া ‎ ‎ভাগ-এক ‎ ‎ ‎আমার অনেকগুলো নাম আছে। একেকজন একেক নামে ডাকে, ডাকতো। আমার নানাজি আমাকে এক নাম দিয়েছেন, বাবা এক নাম দিয়েছেন, মা এক নাম দিয়েছেন - এভাবে একেকজন একেক নাম দিয়ে দিয়ে আমার অনেকগুলো নাম হয়ে গেছে। আমি নিজেও আমাকে নাম দিয়েছি। ম্যাক্সিমিলিয়ানো অ্যাবারক্রম্বি র‍্যাব। আবার শর্ট করে সেটাকে রেখেছি ম্যাক্স র‍্যাব বা এম এ র‍্যাব। ‎ ‎আমি নিজেকে ঐসব নামেই ডাকি। হুঁ হুঁ বাওয়া, নিজেকেও ডাকতে হয় সময়ে সময়ে। যারা নিজের নাম দেয় তারা জানে। আমাকে আর কে কে কী কী নামে ডাকে তা বলবো না। ওগুলো সিক্রেট। ‎ ‎তবে স্কুলে আমার নাম কী লেখানো হবে সেটা নিয়ে বেশ ঝামেলা হয়েছিলো বাড়িতে। সেটা আলাদা একটা গল্প। আমাকে এখন যে নামে সবাই চেনে সেটা বাবাই দিয়েছে। স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে লোকজন সেই নামেই ডাকে। সাথে বংশের নামও জুড়ে দেয়া আছে। আমরা এমনটা করি। পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই হোক বা না থেকেই হোক বা হতে পারে "আমরা বংশে অমুক বা তমুক, দেখো" এরকম দেখানোর জন্যও আমরা বংশগত পদবী নিজেদের নামে রাখি। ‎ ‎ ‎আর যার যেটা নাম তার সেই নাম ধরে ডাকলে সে খুশিই হয়। তাই সবাইকে নাম ধরে ডাকা ভালো। আমাদের দেশের মানুষজন অবশ্য আত্মীয়তা করতে ভালোবাসে বেশি। বয়স্ক কেউ দেখলে চাচা, কাকা, আঙ্কেল ; একটু বয়স কম হলে ভাইয়া ইত্যাদি ডেকে ডেকে একটা সম্পর্ক গোছের  করে ফেলে। নাম ধরে ডাকা কিন্তু বারণ। শিষ্টাচার, ভদ্রতা ইত্যাদি। তাই আমরা সম্পর্কের নাম ধরে ডাকি। ‎ ‎কিছু কিছু সম্পর্কের নাম ধরে ডাকলে কেমন যেনো দূরত্ব বেড়ে যায় খানিক। এক জায়গায় পড়েছিলাম, বন্ধুদের নাম ধরে ডাকা যায় বলেই তাদের সাথে দূরত্ব কম আমাদের। আমি আমার বন্ধুদের বা চেনাজানা সমবয়সীদের কখনও কখনও স্যার, ম্যাডাম, বস, হিরো, বড়ো ভাই এসব নামেও ডেকে থাকি। একটা ছেলেকে একবার দেখে আমার ভেতর থেকে "গন্ডার" নামটা বেরিয়ে এসেছিলো। তাকে তো সেই নামে তার সামনে গিয়ে ডাকা যায় না। তাই তার নাম মনে মনে দিয়েছিলাম গন্ডার বা সিমিলার একটা স্ল্যাং আর সামনে গিয়ে বলতাম, " তুমি একটা পাক্কা গন্ডার ব্রো, অনেস্টলি। কী বডি বানিয়েছো, বস! " সে জিম টিম করতো আরকি। ‎ ‎ ‎এভাবে টিচারদেরও নাম দেয় লোকে। কারো কারো উচ্চারিত বিশেষ শব্দই তাদের নাম হয়ে যায়। যেমন এক স্যার একটা বিশেষ Tone - এ "No" বলতো। ছেলেরা সেই স্যারের নামই দিয়ে দিয়েছিলো "No". ঐরকম ভঙ্গি করে ইমিটেট ও করতো। আরেক স্যার জুলোজি পড়াতো। হাইড্রার অধ্যায় পড়ানোর সময় এক স্টুডেন্টকে বকেছিলো খুব। সে স্যারের ওপর ক্ষেপে গিয়ে স্যারের নাম হাইড্রা রেখে দেয়ার পর থেকে স্টুডেন্টরা তাঁকে হাইড্রা নামেই ডাকতো। আড়ালেই বলা বাহুল্য; এসব নামে তো আর সামনে গিয়ে ডাকা যায় না। ‎ ‎ ‎আমরা আমাদের কাছের মানুষদেরও নাম দিই। যাদের ভালো লাগে তাদের নাম দিই। মিষ্টি নাম, আদুরে নাম। কেউ কেউ আমাদের থাকে - যাদের আমরা বিশেষ বিশেষ নাম দিই বটে কিন্তু সবার সামনে ডাকি না। একান্তে সেসব নামে ডাকি। ‎ ‎রোমান্টিক রিলেশনশিপের কথাই ধরা যাক।  ধরো, শরৎ হৈমন্তীকে একটা নাম দিলো। সে সেই নামেই ডাকবে তাকে। সেই নামটা যে বিশেষ কোনো অর্থবহ হতে হবে তার কোনো মানে নেই। হতে পারে তার নাম দিলো "টেবিল" । কেউ জীবনে কারো নাম কখনও টেবিল দিয়েছে কিনা আমি জানি না। ‎ ‎আচ্ছা, শোনাে। আরও যদি বলি, কোনো একটা বিশেষ মুহূর্তে বিশেষ সাউন্ড করা থেকেও একেকটা নামের জন্ম হতে পারে। অআ, কখ ; যা খুশি। ঐ যেমনটা বললাম - অর্থবহ হওয়াটা আবশ্যক নয়। আমরা বাংলাদেশি বলে আমাদের মুখ থেকে Honey, Sweetheart এগুলো আসে না৷ এর বদলে শিশুর ইংরেজি, লাইফের উর্দু/হিন্দু এগুলো আসতে পারে অবশ্য। সে আসুক। তাতে কী। ডাকলেই হলো। কিন্তু শরতের মা তার বাবাকে নামও দেন না, ডাকেন ও না। " 'ও গো', 'হ্যাঁ গো', 'শুনছো',  'শরৎ তোর বাবাকে বলতো এদিকে একটু আসতে' " বলে চালিয়ে যান। এগুলোই ডাক বা সম্বোধন। ‎ ‎কেউ কেউ অমুকের বাবা, তমুকের বাবা নামেও ডাকেন। এই ডাকটা অবশ্য গ্রামের দিকে গেলে শোনা যায় বা যেতো। বরের নাম মুখে নিলে পাপ হয় এই কথাটা এখনকার মেয়েরাও মেনে চলে দেখে আশ্চর্য হই মাঝে মাঝে। অবশ্য মেয়েদের থেকে ছেলেদের বয়সের যে পরিমাণ গ্যাপ থাকে, সে অনুযায়ী বরদের নাম ধরে ডাকলে বেয়াদবিই হবে। এই যুক্তিটা এখানে খাটানো যেতে পারে। ‎ ‎ ‎ বৈবাহিক সম্পর্ক এক আর রোমান্টিক সম্পর্ক আরেক। সব বৈবাহিক সম্পর্কই যে রোমান্টিক হবে তার কোনো মানে নেই। হয়ও না। এভাবে গবেষণা করলে তখন বের করা যাবে এক্ষেত্রে নামকরণ কেনো করা হয় না বা কেনো হয় অথবা এর সার্থকতা কী। ‎ ‎ ‎©® Max Rab
151
9
যখন সে মারা গিয়েছিল তখন লিখেছিলাম এটা। খুব খারাপ লাগছিল। কিন্তু পরেই মনে হয়েছে, পর সাথে তো আবারও দেখা হবে। আমিও যখন মরবো, চোখ খুলে দেখবো ও আর তার দলবল আমার জন্য দাঁড়িয়ে আছে পরলোকের দোরগোড়ায়। আমি ছুট্টে গিয়ে হতভাগাকে কোলে তুলে নেবো। আর বাকিদেরও। সবাইকেই। তারপর একসাথে এই সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে সামনের দিকে হাঁটা দেবো।
106
10
কখনো কখনো খুব রাতে বাইরে গিয়ে দাঁড়ালে এমন একটা শরীর মন শীতল করে দেওয়া হাওয়া বইতে থাকে, যে মনে হয় ওখানেই বিছানা পেতে ঘুমিয়ে পড়ি। কিন্তু আজকের রাতটা অমন নয়। আজকের আবহাওয়া গুমোট। চারিদিকে কুয়াশার আস্তরণ নেই। গায়ে শিরশিরানি নেই। গরম এসেই পড়ল তাহলে। আকাশে দু একটা তারা দেখা যাচ্ছে। এছাড়া বাকিটা কালো রঙের ছায়ায় মোড়া। চাঁদকে দেখা যাচ্ছে না। একটা তারাকে একটু উজ্জ্বল মনে হল। এটাই কি তবে হ্যামিলন? হতে পারে। আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। যদ্দিন আমার সাথে ছিল - তদ্দিন কত অভিমান, কত রাগ, কত ভালবাসাবাসির পাট চলেছে। এখন চুকে গেছে সব। বেশিক্ষণ হয়নি। ঘন্টা দেড়েক হল। আর কেউ খিদে পেলে পায়ে পিঠ ঘষবে না। খাওয়ার সময় ডাকাডাকি করবে না। খাতা ছিঁড়ে ফেলবে না। জুতোয় আঁচড় কাটবে না। সোফায়, ফ্রীজে, চুলোর পাশে দলা পাকিয়ে শুয়ে থাকবে না। রোদ পোহানোর জন্য বারান্দার পাঁচিলের ওপর উঠে বসবে না। খুব শীত পড়লে লেপের নিচে এসে ঘুমোবে না। বাইরে বেরোলে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে থাকবে না। ছাদে গেলে পায়ে পায়ে দৌড়ে যাবে না। তেলাপোকা নিয়ে খেলা করবে না। কিছুই হবে না আর। ভাবতেই অবাক লাগে, মুহূর্তের মধ্যে একটা প্রাণ কেমন করে যেন আলোকবর্ষ দূরে চলে যায়। অবশ্য, এটাই নিয়ম। হয়ে আসছে সেই কবে থেকেই। আজকেও ব্যতিক্রম হয়নি। ভবিষ্যতেও হবে না। আমার কী আর করার এখানে। চেয়ে থাকব। দেখব। ওতেই হবে। ©® Max Rab
124
11
আড্ডা গল্প ১৫ সিরাজঃ হাই টেস্টোস্টেরন সমৃদ্ধ পুরুষরা কখনও এক নারীতে তৃপ্ত থাকতে পারে না। সমাজের চাপে হয়তো একটা বিয়েই করতে হয়, কিন্তু তারা অন্য অনেক নারীকেই মনে মনে পছন্দ করে এবং গোপনে তাদের সাথে সম্পর্কও রাখতে পারে। ‎ ‎কবীরঃ বাংলা ভাষায় এই ধরনের পুরুষদের লম্পট বলা হয় রে, রাসভনন্দন। ‎ ‎সিরাজঃ চুপ কর। তোরা লো টেস্টোস্টেরনের পুরুষ এসব কী বুঝবি? ‎ ‎রাজুঃ তোর খুব হাই টেস্টোস্টেরন নাকি? কই দেখি, আয় তো। পাঞ্জা লড় আমার সাথে। ‎ ‎সিরাজঃ আমি তোর মতো জিম করি না, ভাই। তোর সাথে পারব কেন? ‎ ‎রাজুঃ ওরে, আমার সোনা রে! পাঞ্জা লড়ার ক্ষমতা নেই আবার নিজেকে হাই টেস্টোস্টেরন ওয়ালা পুরুষ বলে দাবি করছো? বলি এতো নির্লজ্জ কবে থেকে হলি? ‎ ‎সিরাজঃ আমার দাড়ি তোর চেয়ে ঘন। গলার স্বর তোর চেয়ে ভারি। গায়ের লোম তোর চেয়ে বেশি তোর তো বুকে লোমই নেই। ‎ ‎মোহনঃ বনমানুষ কোথাকার! ‎ ‎সিরাজঃ চুপ, এস্ট্রোজেনওয়ালা পুরুষ! তোর তো দাড়িই ওঠে না। তুই ছেলেদের ক্লাবে কী করছিস? মেয়েদের ক্লাবে যা। ‎ ‎কবীরঃ তুই খুব পুরুষ হিসেবে অহংকার করিস তো? কী ছিঁড়েছিস আজ পর্যন্ত জীবনে? ‎ ‎সিরাজঃ বুঝলাম না, ভাই। তোরা নিজেদের পুরুষ বলতে লজ্জা বোধ করিস নাকি? কোথায় আমি পুরুষদের একটা ইতিবাচক দিক নিয়ে কথা বলছি আর তোরা আমাকেই গালাগাল দিচ্ছিস? ‎ ‎ম্যাক্সঃ এন্ড্রু টেটের ভিডিয়ো দেখে এসেছিস নাকি? ‎ ‎সিরাজঃ তুই তো চুপই থাক। আজ জিম করি না বলে রাজুর সাথে পাঞ্জাটা লড়লাম না। কিন্তু এটা তোলা রইলো। শিগগিরই জিম জয়েন করবো। তখন আসিস। ‎ ‎কবীরঃ রাজুর নিশ্চয়ই ভয়ে শুকিয়ে গেছে। ‎ ‎ম্যাক্সঃ সে আর বলতে। ‎ ‎রাজুঃ তোর টেস্টোস্টেরন হাই হলে তুই হারবি না জিতবি সেটা না ভেবেই এখন পাঞ্জা লড়তিস আমার সাথে। তোর তো সেই সাহসই নেই। ‎ ‎সিরাজঃ টেস্টোস্টেরন বেশি থাকা মানেই বুদ্ধিহীন হওয়া নয়। যুদ্ধে পরিকল্পনামাফিক এগোতে হয়। চেঙ্গিস খান, তৈমুর, আওরঙ্গজেব এঁরা আমার আদর্শ। ‎ ‎মোহনঃ চেঙ্গিস খান এঁদের সাথে কী করছে? ও তো মুসলিমও ছিল না। ‎ ‎সিরাজঃ তোর বাপের তাতে কী? ‎ ‎মোহনঃ বাপ তুলে কথা বলছিস কেন? আমি তোর বাপকে নিয়ে কিছু বলেছি? চাইলে অনেক কিছুই বলা যায়। ‎ ‎সিরাজঃ কী বলবি রে, শুয়োর? ‎ ‎মোহনঃ নিজের চোখে দেখেছি তোর বাপ তোদের পাশের বাসার আন্টির সাথে লাইন মারছিল। ‎ ‎সিরাজঃ মাদা.... ‎ ‎ম্যাক্সঃ ভাই, ভাই! ‎ ‎কবীরঃ ধর ধর ধর! ‎ ‎ ©® Max Rab ‎
148
12
সবাইকে ৯ জিলহজের শুভেচ্ছা। খোদা তা'য়ালা সবার রোজা, নামাজ, দুয়া কবুল করুন। সবার পাপ সমূহ ক্ষমা করে দিন। চলুন, সবাই মিলে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য দুয়া করি। সকলের মঙ্গল কামনা করি। পৃথিবীতে যতো লোকজন অত্যাচারিত হচ্ছেন, নিপীড়িত হচ্ছেন সবার মঙ্গল কামনায় দুয়া করি। পৃথিবী সুন্দর হোক। সকলের হজ ও কুরবানি কবুল হোক। আমীন!
151
13
মিথ্যে নয় ঝুরি ঝুরি মিথ্যে বলতে শিখে গেছি এখন। ভাল গল্পকার হতে গেলে নাকি মিথ্যে বলা শিখতে হয়। আগে বলতে পারতাম না। এখন বলি। তোমাকে একটা গল্প বলি। শুনবে? শোন। ভাব, আমি একটা নদীর তীরে একটা গাছের নিচে বসে আছি। আসলে আমি কিন্তু সেখানে নেই। আমি আছি নিজের ঘরে পড়ার টেবিলের পাশে। চেয়ারে বসে খাতায় গল্প লিখছি। আসলে আমি সেখানেও নেই। আমি হয়তো বাসে কোথাও একটা যেতে যেতে নিজের ঘরে থেকে গল্প লেখার গল্পটা তোমাকে বলছি। এটাও সত্যি নয়। আমি বাসে করে যাচ্ছি না। আমি ক্লাস করছি। স্যার কোন এক প্রসঙ্গে বাসের কথা বলতেই আমার এক বাস জার্নির কথা মনে পড়ল। ক্লাসে আছি কি এখন? না। আমি তো এক্সাম হলে এক্সাম দিচ্ছি। যে প্রশ্নটা এসেছে সেটা স্যার ডিসকাস করেছিল ক্লাসে। বাসের কথা মনে আছে। কিন্তু মূল বিষয়টাই মনে পড়ছে না। আমি কি তাহলে এখন এক্সাম হলে? না তো। আমি তো আমার এক বন্ধুকে এক্সাম খারাপ হওয়ার কথা বলছিলাম। সে রাজশাহী থাকে। তার সাথে দেখা হওয়ার কথা তো আমি সাস্টে বসে একজনকে বলছিলাম। আমি কি সাস্টের ক্যাম্পাসে এখন? না তো। আমি ভেল পুরি খেতে শাহবাগের মোড়ে দাঁড়িয়ে আছি। কোথায় আমি? সেখানেই কি? এটাই শেষ গন্তব্য? ভেল পুরি আম্বরখানায় পাওয়া যায়নি বলে রেগে হেঁটে হেঁটে জিন্দাবাজার পর্যন্ত গিয়েছিলাম গতকাল। নাহ! গতকাল নয়। অনেক কাল আগের কথা। কিন্তু মনে হচ্ছে যেন গতকালকের কথা। ঐ যে কিছু কিছু ব্যাপার এমন থাকে না যে মনে হয় কালকেই যেন ঘটেছে, কিন্তু আসলে অনেক আগেই ঘটে গেছে এমন ঘটনা। গতকালকে কী হয়েছিল তাহলে? রোদ উঠেছিল দুপুরের  দিকে। আজকে ওঠেনি। কুয়াশা ছিল সারাদিন। বেশি ঠান্ডা পড়লে কীসের কথা মনে হয়? গরমকালের কথা। আর বেশি গরম পড়লে? শীতের কথা। আমি এখন তাহলে কোথায়? গরমকালে না শীতকালে? শীতকালে? গরমকালে কি তাহলে আমি নেই? আছি? সামনে থাকব না? থাকব? আশা করছ? আর শীতকালে? এখন কোন কাল? গুলিয়ে যাচ্ছে? থাক, থাক। তুমি যদি ফোন করে জিজ্ঞেস কর আমি কোথায়, তাহলে কী বলব? আমি কোথায়? নদীর তীরে? নাকি বাসে? নাকি ক্লাসে? প্রশ্ন বেশি হয়ে যাচ্ছে? আচ্ছা, আচ্ছা। থাক, থাক। যদি বলি, আমি তোমার মনে আছি। চলবে? হ্যাঁ? এটা মিথ্যে নয়। ©® Max Rab
152
14
লাগাও খোঁজ 🌚🙂
লাগাও খোঁজ 🌚🙂
176
15
রহমান সাহেব তার ভুড়ি নিয়ে ভীষণ চিন্তিত। চিন্তা করলে যে ভুড়ি আরও বাড়বে সেই চিন্তা নেই। উনি হররোজ পাহাড়সমান ভাত গেলার গিল্ট দুটো লেবু কচলিয়ে কমানোর চেষ্টা করেন। উনার ভীষণ রাগ। বাসায় ছেলে, মেয়ে, স্ত্রী কাউকে রাগ দেখিয়ে বের হয়ে গেলে আইস্ক্রিম,চকলেট দিয়ে কমপানসেট করার চেষ্টা করেন। একবার মিস রহমানের সাথে রাগারাগি করে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলেন। এবং ঘন্টাখানেক পর কোত্থেকে এতগুলো আইস্ক্রিম নিয়ে হাজির হলেন। কেউ কারোর সাথে আগ বাড়ায় কোন কথা বলেনা। আইস্ক্রিম এনেছে মানে সে তার ভুল নিয়ে ভেবেছে আর তাই হয়তো মিস রহমানের রাগ-ও গলে গিয়েছে আইস্ক্রিমটি গলে যাবার আগেই। মৌনভাবে মিউচুয়াল করে নিয়েছে দুজনে অর্থাৎ মৌন মিউচুয়ালিটি। খেটে খাওয়া রহমান সাহেবরা চিন্তা করেন তিনি যেন তার এতোসব খাটুনির জন্যে ভালোবাসা পান। তাই হয়তো সমালোচনা সহজে নিতে পারেননা। তিনি তো যথেষ্ট করছেন-ই। রহমান সাহেব তার ঘরে গিয়ে গান ছেড়ে দেন। ভুলে অর্ণবের একটি গান চালু হয়ে যায়- '' কী হলে কী ভালো হতো। যা পেয়েছি তাই বা কজন পায়..." কী হলে কী ভালো হতো- এই চিন্তা মূলত একটি হতাশার দুষ্টচক্র । তিনি এই দুষ্টচক্রে পা দেবেননা। তিনি জানেন তার অত সময় নেই। হঠাৎ ঘরে বিদ্যুৎ চলে গেলে তার অফিসের পেন্ডিং ফাইলগুলো দেখার কথা মাথায় আসে। তিনি বসে পড়েন ফাইল নিয়ে। তার কোথাও আটকে থাকার সময় নেই।
194
16
Kids stay away [18+] আড্ডা গল্প ১৪ সিরাজঃ কবীর, তোর নওশিনের প্রতি যে ভালোবাসা, সেটা কাম নাকি প্রেম? ‎ ‎কবীরঃ আই ডোন্ট এন্সার টু স্টুপিড কোশ্চেন্স। ‎ ‎সিরাজঃ আরে, বলই না। নারী পুরুষের মধ্যকার যে ভালোবাসা, যেটা কবি-সাহিত্যিক-আর্টিস্টরা বলেন, সেটা কি আসলেই এক্সিস্ট করে? ‎ ‎কবীরঃ অফ কোর্স এক্সিস্ট করে। শুধু কি সেক্সের কথাই ভাবে নাকি মানুষ সারাদিন? ‎ ‎রাজুঃ If your dick got ripped off, do you think Noushin would still love you, Kabir? ‎ ‎সিরাজঃ Good question, Raju. ‎ ‎ম্যাক্সঃ তখন মোহন একটা সুযোগ পেয়ে যাবে। ‎ ‎মোহনঃ আমাকে টানছিস কেন, ভাই? আমি এসবে নেই। ‎ ‎ম্যাক্সঃ সেকী, রে! নওশিনকে আর শায়েরি পাঠাস না? ‎ ‎মোহনঃ চুপ, বেয়াদব। আই রেসপেক্ট নওশিন। ‎ ‎ম্যাক্সঃ আমি কখন বললাম রেসপেক্ট করিস না? ‎ ‎সিরাজঃ আমার প্রশ্নটা তো চাপা পড়ে গেল। ‎ ‎ম্যাক্সঃ তুই কি বিয়েকে শুধু সেক্স করার উপায় হিসেবেই দেখিস? অবশ্যই ভালোবাসা এক্সিস্ট করে। না করলে শাহজাহান মমতাজের জন্য তাজমহল বানাতো? কাফকা মিলেনাকে নিয়ে সাহিত্য রচনা করতো? কমন সেন্স! ‎ ‎সিরাজঃ আমার কেন জানি মনে হয়, এসব জাস্ট লোক দেখানো। নিজের নাম হওয়ার জন্য। এটেনশন পাওয়ার জন্য লোকে এসব করে বা করতো। আসলে ভালোবাসা টালোবাসা ঐসব কিছু হয় না। বড়জোর Attachment বা Familiarity effect বলা যেতে পারে। ‎ ‎কবীরঃ কেউ সিরাজের বাপের নম্বর থাকলে আমায় দে তো। বেচারা সেক্সের জন্য পাগল হয়ে গেছে। ওর বিয়ে না দিলেই নয়। ‎ ‎সিরাজঃ তোদের সাথে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনাই বৃথা। ‎ ‎কবীরঃ ভালো, কল্যাণমূলক কোনো বিষয় নিয়ে আসিস যাতে সমাজের দশজনের ভালো হয়। তখন আলোচনা করে দেখা যাবে। ‎ ‎সিরাজঃ সেদিন এটাক অফ টাইটান নিয়ে শেখরের সাথে আলোচনা করার সময় সমাজের খুব কল্যাণ হয়েছে, না? ‎ ‎ম্যাক্সঃ আই থিংক সিরাজের খিদে পেয়েছে। ‎ ‎রাজুঃ Well, Kabir ignored my valid and practical question. It explains a lot. ‎ ‎কবীরঃ হ্যাঁ, ভাই। আমি প্রচুর সেক্স চাই জীবনে। হয়েছে? খুশি? এখন মাফ কর তোরা আমায়। ‎ ‎সিরাজঃ জানতাম তো। আমি ঠিকই জানতাম। আমার থিওরিই ঠিক। ‎ ©® Max Rab
168
17
Dhul Hijjah Mubarak to Everyone As the blessed days of Dhul Hijjah begin, I pray that Allah fills your life with peace, mercy, and endless barakah. May He accept our prayers, forgive our sins, strengthen our faith, and guide our hearts toward kindness and righteousness. These sacred days remind us of sacrifice, patience, gratitude, and devotion. Let us use this beautiful time to remember Allah more, help those in need, forgive others, and become better versions of ourselves. May your duas be accepted, your hardships be eased, and your home be filled with happiness and blessings. Wishing you and your family a spiritually uplifting and peaceful Dhul Hijjah. May Allah accept all our good deeds. Ameen.
156
18
‎আমরা তো ছেলে কবি, ছেলে পেইন্টার অনেক দেখেছি। বাট, থিংক এবাউট এ মেয়ে কবি ওর এ মেয়ে পেইন্টার। যখন কোনো মেয়ে আর্টিস্ট প্রেমে পড়ে, সেই ছেলেটা কী পরিমাণ লাকি হয়! মেয়েটা দিনরাত সেই ছেলেকে নিয়ে ভাবে এবং তার সব লেখাতেই ঐ ছেলেটার কথা ফুটে ওঠে। সেই ছেলেটা পরিণত হয় কবিতায়, ছবিতে। সচরাচর তো তা হয় না। কিন্তু যখন হয়, তখন ব্যাপারটা কী দারুণ হয়। তাই না? ‎
195
19
পাঁচ বছর আগের লেখা। ফেসবুক মেমোরি থেকে এলো।
220
20
ভয়ের স্মৃতির দরকার ছিলো ক্লাস ফাইভ। জুন মাসের সন্ধ্যে। প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। এইমাত্র বাসা থেকে একখানা ছাতা ধার নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন স্যার৷ একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালাম। বারান্দা দিয়ে নিচে তাকিয়ে স্যারের চলে যাওয়া দেখতে থাকলাম। মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে। বারান্দা থেকে যে দোকানগুলো দেখা যায় সেগুলোর দিকে তাকালাম। দোকানিরা উদাসভাবে রাস্তার দিকে তাকিয়ে বৃষ্টি পড়া দেখছে। আমার মুখে বৃষ্টির ছাঁট এসে লাগছিলো। যথারীতি, কারেন্ট নেই। বাচ্চাদের দল এ ঘর থেকে ও ঘর ছুটোছুটি করছিলো৷ যদিও আমিও তখন একপ্রকার বাচ্চাই ছিলাম তাও একটা গুরুগম্ভীরতা বজায় রাখার চেষ্টা করতাম ওদের সামনে। মোমবাতি বা চার্জলাইট কোনোটা নিয়েই পড়তে বসার ইচ্ছে নেই এখন। স্যার যেহেতু চলে গেছেন তাই আপাতত আজকে আর হোমওয়ার্ক করার তেমন তাড়া নেই। ও কালকে করা যাবে'খন৷ কিছু করার নেই। তখন ব্যাঙও মাথা চাড়া দেয়নি না হয় ব্যাঙ নিয়ে খানিকটা গবেষণা করে সন্ধ্যেটা কাটিয়ে দেয়া যেতো। তাই অগত্যা একখানা গল্পের বই নিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লাম৷ বলা বাহুল্য এরকম আবহাওয়ায় গল্পের বইই একমাত্র উপাদেয় বস্তু। তারওপর যদি ভূতের গল্প হয় তবে? নীহাররঞ্জন গুপ্তের আকস্মিক গল্পখানা পড়ছিলাম। গল্পটা পড়ে বেশ একটা রোমাঞ্চ অনুভব করছিলাম। তারওপর মাঝে মাঝে বাজ পড়ার আওয়াজ আসছিলো। হঠাৎ যেন মনে হলো রুমের দরজায় যে পর্দা টাঙানো আছে তার উল্টোপাশে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে। ঠিক দাঁড়িয়ে বলবো না ; নড়াচড়া করছিলো। আমি ভয়ে ভয়ে উঠে দাঁড়ালাম। গল্পে যেরকম বিভূতি ফিরে এসেছিলো ঠিক তেমনটি.... নাহ। সে সম্ভাবনা তো নেই। এখানে তো আর শচীন নেই যে ম্যাজিক করে প্রেতাত্মা নিয়ে আসবে৷ আর আমি প্ল্যানচেটও করছিলাম না৷ একা একা অবশ্য করাও যায়না৷ তবে আবহাওয়াটা ঠিক এরকমই ছিলো। লোডশেডিং। বাইরে বৃষ্টিপাত। আর দরজায়ও খটখটানোর শব্দ হয়নি। আমি ব্যাপারটা সুবিধের নয় বুঝতে পারলাম। আবার বিছানায় এসে শুয়ে পড়লাম বইটা নিয়ে৷ তবে এবার কাঁথাটা বুক অব্দি টেনে নিলাম৷ ওদিকে রান্নাঘরে মাকে গিয়ে দৌড়ে ব্যাপারটা বলবো তারও সাহস হচ্ছিলো না৷ পুরো ঘরটায় আমি একা। বাইরে বৃষ্টি পড়ার শব্দ আর বাচ্চাদের চেঁচামেচির আওয়াজ। থেকে থেকে বাজ পড়ছে৷ চার্জ লাইট জ্বলছে। ছায়াটা আর দেখা যাচ্ছে কি? নাহ৷ তবে এবার যেন মনে হলো আমার বিছানার নিচ দিয়ে অদ্ভুত একটা আওয়াজ আসছে। দশ বারোখানা প্লাস্টিকের বোতল একসাথে ফেলে দিলে যেরকম আওয়াজ হয় ঠিক সেরকম। আমি বইখানা পাশে রেখে দিয়ে চার্জ লাইটটা অফ করে দিলাম৷ আর কাঁথাটা একেবারে মাথা পর্যন্ত টেনে নিলাম৷ অন্ধকার ঘর। বাইরে বৃষ্টি আর বাজ পড়ার শব্দ। বাচ্চাদের চেঁচামেচি আর..... না। খাটের নিচ থেকে আাসা আওয়াজটা বন্ধ হয়ে গেছিলো৷ আমি চোখ বুজে শুয়ে রইলাম। বেশ একটা ভয়ে ভয়ে কেটেছিলো সন্ধ্যেটা। সেই ঘটনার বেশ কয়েকবছর কেটে গেছে৷ এখন মাঝেমাঝে অবসরে দুদন্ড সঙ্গ দেবার জন্য হলেও ঐ সময়কার ভয়গুলো র, সেই স্মৃতিগুলোর দরকার পড়ে। আর আজ তা আমার লেখার খোরাকও হয়ে উঠলো। Max Rab
214