uk
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Відкрити в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 11 292 підписників, посідаючи 8 145 місце в категорії Релігія і духовність та 2 031 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 11 292 підписників.

За останніми даними від 22 червня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на 77, а за останні 24 години на 3, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 19.38%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 8.20% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 2 188 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 926 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 47.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 23 червня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Релігія і духовність.

11 292
Підписники
+324 години
+327 днів
+7730 день
Архів дописів
বিক্রমপুরীকে অপছন্দ করতে পারেন৷ কিন্তু বিক্রমপুরীকে যে আইনে জেলে রাখা হইছে সেটা নিয়ে আপনার সামর্থ্য থাকার পরও চুপ আছেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ, এই মামলায় আমি ও আপনি একদিন হয়তো জেলে থাকবো। তখন পুরো দুনিয়াই চুপ থাকবে। মাসলাহাতের কারণে সবাই দেখেও না দেখার ভান করবে! . বিক্রমপুরীকে অপছন্দ করা একটা শ্রেনী আইনুল হক কাসেমীকে নিয়ে কেনো চুপ? কেনো দুই একটা সাধারণ ট্রেন্ডের পোষ্ট করে শেষ করে ফেলেছি দায়িত্ব? (যারা হাকডাক না করে বাস্তবিকই কাজ করছেন, কিছু করার চেষ্টা করছেন তাদের জন্য তো অন্তর থেকে দোয়া) . আসুন প্রত্যেকেই সামর্থ্যের মধ্যে ভাইদের জন্য কিছু একটা করি!

জি/ন্দি/ক ও মুর/তা/দের মাঝে পার্থক্য জিন্দিকের মুরতাদ হওয়া জরুরি নয়। বরং একজন ব্যক্তির মাঝে ইরতেদাদ ও জানদাকা দুটি একসাথে জমা হতে পারে। যেমন, একজন মুসলমান (নাউজুবিল্লাহ) কাদিয়ানি হয়ে গেল। এমনও হতে পারে, কেউ মুরতাদ হলো, কিন্তু সে জিন্দিক নয়, যেমন কেউ ইসলামধর্ম ত্যাগ করে খ্রিষ্টান বা ইহুদি হয়ে গেল, অথবা কোনো ধর্মই গ্রহণ করল না। সুতরাং একজন কাদিয়ানি পারিভাষিকভাবে শুধুই মুরতাদ নয়, বরং একজন জিন্দিক। এই পার্থক্য উভয় শব্দের মর্ম ও প্রয়োগের বিচারে। শরিয়তের দৃষ্টিতে উভয় সমান। যেমনইভাবে রিদ্দার পরিবেশের কারণে দ্বীনের ব্যাপারে ঘৃণা ও অসন্তুষ্টি ছড়িয়ে যায়, যা ইসলামের দৃষ্টিতে অনেক বড় ক্ষতির বিষয়। জিন্দিকের বিষয়টিও তেমনই। বিশেষত যখন সে নিজের জানদাকা ইলহাদের প্রতি মানুষকে দাওয়াত দেয় ও উৎসাহিত করে, বরং যদি আরও গভীর থেকে বিষয়টি দেখা হয় তাহলে মুরতাদ থেকেও জিন্দিকের বিষয়টি আরও ভয়ংকর ও ক্ষতিকর বলেই প্রমাণিত হয়। কেননা মুরতাদকে তো মানুষ মুরতাদ হিসাবেই চিহ্নিত করে ফেলে, যার ফলে তাকে ও তার চিন্তাকে ইসলাম ও সত্য বলে আর স্বীকৃতি দেয় না। আর এটা নিয়ে বাড়াবাড়িও করে না। অপরদিকে জিন্দিক ও মুলহিদ বলাই হয় ওই ব্যক্তিকে, যে নিজেকে বাহ্যত মুসলমান ও সঠিক বলে দাবি করে, আবার সাথে কুফরি বিশ্বাস ও চিন্তা লালন করে। আর এটা স্পষ্ট যে, মুরতাদের তুলনায় এমন ব্যক্তির জালে মানুষের ফেঁসে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক অনেক বেশি। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান অনুবাদক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ১৭০৳ (২৫% ছাড়ে)

photo content

যে সমস্ত ভাইরা দুই/চার/পাঁচ বছর কোনো বিজ্ঞ ব্যক্তিদের তত্ত্বাবধানে থেকে ইফতা বা হাদিসে কাজ করতে ইচ্ছুক সেই সকল সাথী ভাইদের জন
যে সমস্ত ভাইরা দুই/চার/পাঁচ বছর কোনো বিজ্ঞ ব্যক্তিদের তত্ত্বাবধানে থেকে ইফতা বা হাদিসে কাজ করতে ইচ্ছুক সেই সকল সাথী ভাইদের জন্য সুসংবাদ। . মাওলানা যুবায়ের হোসাইন সাহেবসহ বেশ কিছু বিজ্ঞ মানুষের তত্ত্বাবধানে শুরু হচ্ছে মাহাদুল ইতিসাম। মুরব্বিদের তত্ত্বাবধানে থেকে কাজের সুযোগ হয়েছে। মেধাবী ও আগ্রহী তালেবে ইলমদের জন্য এক মহা সুযোগ। হাতছাড়া না করি।

আমার দাদাজান হযরত সামিউল হক হক্ক নী রহিমাহুল্লাহ এই কথাটা সবসময় বলতেন, আমরা প্রচলিত গণতান্ত্রিক সিস্টেমে যদি শতবছরও চেষ্টা করতে থাকি তাও এই পদ্ধতিতে পাকিস্তানে ইসলামি শরিয়ত বাস্তবায়ন করতে পারবো না। জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত উনার এই অবস্থানই ছিলো। -মাওলানা আব্দুল হক সামী (নাতী, মাওলানা সামিউল হক হক্কানী রহিমাহুল্লাহ . বি.দ্র. সামিউল হক রহিমাহুল্লাহ পাকিস্তানের পার্লামেন্টের সদস্য ছিলো।

photo content

আগামীকাল মাদরাসাতু আলী রা.-র ফুজালা অনুষ্ঠান৷ মূলত ফুজালা অনুষ্ঠান শিরোনামে আগামীকাল দিনব্যাপী একজন আদর্শ শিক্ষক, দায়ী, মুহতামিম হওয়ার কর্মশালা হবে। আগামীকাল কর্মশালায় পুরো সময় ইফতা সমাপনী ছাত্রদের তারবিয়াত দিবেন মাওলানা যুবায়ের সাহেব। দিনব্যাপী হুজুরকে এত কাছে পাওয়া আমাদের সকলের জন্য অনেক বড় একটি নেয়ামত আলহামদুলিল্লাহ।

মাওলানা Ainul Haque Qasimi কাসেমী যেকারণে জ্বেলে সে একই কারণে বা এর থেকে তুচ্ছ কারণে আমি আপনিও জ্বেলের অধিকারী হয়ে বসে আছি এটা মাথায় রাখবেন ইনশাআল্লাহ। . বিদেশি প্রভুদের খুশি করার জন্য যারা আলেমদের এভাবে জুলুম করে আল্লাহ যেনো দুনিয়াতেও তাদের প্রকাশ্যে বিচার করে। এই দোয়ার আবেদন রইলো সকলের কাছে।

আফগানিস্তান বিশ বছর মেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার পর এখন সেই আমেরিকারই দালাল হয়ে গেছে। হিজ্রাইল হাজার হাজার কোটি ডলার খরচ করতেছে আফগানিদের পিছনে। দাবী জামিয়াতুর রশিদের। দলিল কী? দলিল হলো, পাকিস্তানেও তো কৃষি কাজ হয়, বিদেশে মাল রফতানি হয়, তারপরও দিনের পর দিন তাদের ডলারের দাম কমতেছে, কিন্তু আফগানের মুদ্রার মান শুধু বাড়তেই আছে! সুতরাং, এটাই স্পষ্ট যে, মেরিকাই আফগানে ইনভেস্ট করতেছে। একমাত্র পরমাণু শক্তির অধিকারী মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান আর ইরানকে ধ্বংস করার জন্য। 🙂 . এদিকে পাকিস্তান তাদের পরমানিক বোমার তথ্য ভারতকে দিয়েছে ও ভারত থেকে নিয়েছে, উভয় যেনো কখনোই কারো পরমাণু আক্রমণ না করতে পারে।🙂 . নাপাক এই ভূমির ধোকা থেকে আমাদের ওলামায়ে কেরাম কবে বের হবে!

এখন কী আর কোনো সন্দেহ আছে, তালেবরা ভারতের দালাল? তালেবরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গিয়ে ভারতের খাসবন্ধু হয়ে গিয়েছে?
এখন কী আর কোনো সন্দেহ আছে, তালেবরা ভারতের দালাল? তালেবরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গিয়ে ভারতের খাসবন্ধু হয়ে গিয়েছে?

নির্বাচনের হলফ নামায় বিভিন্ন ইসলামি দলের নেতাদের নিজেদের ইনকাম সম্পর্কে স্পষ্ট মিথ্যা দেখে অনেকেই বিষয়টিকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখছেন, অনেকে বলতে চাচ্ছেন, যারা এমন প্রকাশ্যে মিথ্যাচার করে তারা তো স্পষ্ট ফাসেক। কিন্তু আমার ভাইয়েরা আপনারা এই এই মিথ্যা নিয়ে যারা হায়হুতাশ করতেছেন তারা ভুলের উপর আছেন। কারণ, ইসলামি দলগুলোর কাছে এটা শুধুই নির্বাচন না। এটা তাদের নিকট যুদ্ধ ও জি]হ]দ। আর যুদ্ধের ময়দানে মিথ্যা কথা বলা যায় এটা হাদিসে আছে। সুতরাং ইসলামি দলগুলো হকের উপরেই আছে আলহামদুলিল্লাহ। . বি.দ্র. ইসলামি দলগুলো তাবিলের জন্য আলেম লাগলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ইনশাআল্লাহ। অল্প খরচে দলিল ভিত্তিক তাবিল করর দিতে পারবো।

গা*জ*জার খান ইউনুসের এক প্রসিদ্ধ আলেম বংশের সন্তান হলেন ড. মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আসত্বল। একজন আলেম, দায়ী ও মুজা*হি*দ। বর্তমানে তিনি প্রতিরোধ যুদ্ধের একজন সদস্য। খান ইউনুসে কী হয়েছে ও যুদ্ধের পরিস্থিতি কেমন ছিলো তা সকলেই জানি। এমন ভয়ংকর পরিবেশেও এই বান্দা ৪ খণ্ডের প্রায় ২৪ শ পৃষ্ঠার একটি বই লেখেছেন বর্তমান পৃথিবীর রাজনীতি নিয়ে। বর্তমান পৃথিবীর প্রকৃত বাস্তবতা বুঝতে চান এমন প্রতিটি আলেমের বইটি পড়া উচিত। শুধু তাই না, এই ২৪শ পৃষ্ঠা অনেকটা ভূমিকার মত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আরো দুটো কাজ উনার আসবে। যার একটা প্রায় শেষ। সেটাও দ্রুতই প্রকাশ হবে। . কথা এটা না। এমন ভয়ংকর সময়গুলোতেও মুজা*হি*দরা পড়াশোনা, মৌলিক কাজগুলো করে যান। কিন্তু আমাদের অবস্থা দেখেন, আগষ্টের পর থেকে আমাদের সামগ্রিক পড়াশোনার অবস্থা কী? কয়েকটা আন্দোলন করার সুযোগ পেয়ে জি*হা*দ ও মুজা*হি*দদের মহব্বত করেন এমন ভাইদের অবস্থা কী? যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, তাহলে বলবো ব্যতিক্রম বাদ দিলে পড়াশোনার অবস্থা একদম ভয়াবহ। ভয়াবহ মানি বেশি পরিমান ভয়াবহ। . পড়াশোনা, গবেষণা আর জ্ঞান অর্জন থেকে এই বিচ্ছিন্নতা ও বিচ্ছিন্নতার মানসিকতা আমাদের পরাজিত থাকার একটি বড় কারণ। এটা থেকে আমাদের দ্রুত বের হয়ে আসতে হবে৷ পরিবেশ-পরিস্থিতি যাইহোক জ্ঞান অর্জনে নিজেদের নিয়োজিত রাখাটা জরুরি।

Repost from Al Firdaws
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির রাজধানী বামাকোর উপকন্ঠে থেকে জান্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা ও তার ২ দেহরক্ষীকে বন্দী করে নিয়েছেন সশস্ত
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির রাজধানী বামাকোর উপকন্ঠে থেকে জান্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা ও তার ২ দেহরক্ষীকে বন্দী করে নিয়েছেন সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ যো/দ্ধারা আয-যাল্লাকা মিডিয়ার তথ্যমতে, গত ২৭ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায়, আল-কা/য়েদা সংশ্লিষ্ট জামা'আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) মু*জাহি/দিনরা মালির রাজধানী বামাকোর উপকণ্ঠে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন। এই অভিযানের মাধ্যমে মু*জাহি/দিনরা শত্রু বাহিনীর ৩ সদস্যকে বন্দী করেন। বন্দী এই শত্রু সদস্যদের একজন হচ্ছেন রাজধানী বামাকোর কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান অফিসার আহমেদ তোরে এবং অন্য দু'জন হচ্ছে তার দেহরক্ষী।

বেগম জিয়ার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই জনপদে উলামা ও ইসলামপন্থীদের নেতৃত্বশূন্যতা জনিত অসহায়ত্ব প্রকটভাবে ফুটে উঠেছে। ইসলামপন্থীরা গণহারে তার জন্য শোক প্রকাশ করছেন, আবেগমথিত স্মৃতিচারণ করছেন, আলিমদের অনেকে তার ও পরিবারের ছবিসহ পোস্ট করে গুণগান গাইছেন, তিনি কেন অনন্য ছিলেন তা জানাচ্ছেন, শীর্ষস্থানীয় উলামারা দলে দলে তার জানাযা ও দাফনে অংশগ্রহণ করছেন, তার মাগফিরাতের জন্য দুআ-দরূদ পড়ছেন। অথচ ইসলামে যে, নারী নেতৃত্ব হারাম, সেক্যুলারিজম যে ইকামতে দীনের প্রধান অন্তরায়, সেক্যুলার নেতৃবৃন্দের জানাযায় যে নেতৃস্থানীয় আলিমদের অংশগ্রহণ অনুচিত- এই সবকিছুই তারা জানেন। সবকিছু জেনেও তারা কর্তব্যের বিপরীতটা করছেন কেন? কারণ বেগম জিয়া এই জনপদে দেশপ্রেম, ভারত-বিরোধিতা, গণমানুষের আস্থা অর্জনের ক্ষেত্রে বিশেষত শেষ জীবনের মজলুমিয়্যাতের সুবাদে অবিসংবাদিত ও অদ্বিতীয় প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। এমন আইকনিক নেতা ইসলামপন্থীদের ভাণ্ডারে নেই। ফলে কেবল রাজনৈতিক কৌশল বা রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার নয়; নেতৃত্বশূন্যতাজনিত অসহায়ত্ব থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ইসলামপন্থীদের সেসব কাজ করা লাগছে, যা তাদের করার কথা ছিল না। বেগম জিয়া ও তার দলের সঙ্গে সর্বদা এই জনপদের শীর্ষ মুরব্বী উলামাদের সম্পর্ক ছিল তায়াম্মুমের, এটাকে উজু বানানো উচিত নয়। এই শোকাকুল সময়েও ভুলে যাওয়া উচিত নয়, সেক্যুলারিজম একটি স্বতন্ত্র ধর্মসম, আল্লাহর দীনের বিকল্পস্বরূপ প্রতিষ্ঠিত জীবনব্যবস্থা। আল্লাহর যমীনে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার পথে যতো প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলোর মাঝে সবচেয়ে বড়ো প্রতিবন্ধকতা হলো সেক্যুলারিজম। ফলে ইসলামপন্থীদের এমন কিছু করা উচিত নয়, যাতে সাধারণের চোখে সেক্যুলারিজমের ভয়াবহতা লঘু হয়ে যায়। মুসলমানদের মাঝে এমন ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় যে, আপাদমস্তক সেক্যুলার হয়েও খাঁটি ধর্মপ্রাণ মুসলমান হওয়া সম্ভব। কিংবা আজীবন গণতন্ত্র, সেক্যুলারিজমের প্রতিষ্ঠা ও পাহারাদারি করেও সর্বস্তরের আলিমদের সীমাহীন দুআ ও সাধুবাদ পাওয়া সম্ভব। এমন হলে তা ইকামতে দীনের জন্য মারাত্মক সর্বনাশের কারণ হবে। মানুষ সেক্যুলারিজম বর্জন করে পূর্ণরূপে ইসলামে প্রবেশের জরুরত ও যথার্থতা খুঁজে পাবে না। ©মাওলানা মীজান হারুন হাফিজাহুল্লাহ

আসিফ সৈকত ইস্যুটা ভালো হয়েছে। সামনে লুটপাটের মওসুম। দলে পদ পেয়েছেন। ফলে এধরণের 'ফ্রিঞ্জ' বা 'এক্সট্রিমিস্ট' আলেমদের সাথে সম্পর্ক না রাখাই ভালো। কারণ এরা যে ঘাওরা বিএনপির স্বার্থের সাথে কমপ্লাই করে এক্টিভিজম এরা কখনোই করবে না। ফলে বিচ্ছেদ অনিবার্য। বিচ্ছেদ যখন অনিবার্য তখন দ্রুত হওয়াই ভালো। দুদিক থেকেই। বিশুদ্ধতাবাদীদের জন্যও এটা ভালো এজন্য যে তাদের সংশয় নিরসন হবে। নিফাকের অভিযোগ না এনেও বলা যায় আসিফ সৈকতের মতো মানুষ একটা বিশুদ্ধতাবাদী গোষ্ঠীতে দীর্ঘদিন থাকলে মতাদর্শিক দূষণ তৈরি করবেন মাত্র। এতে যে ফাটল তৈরি হতো তার ফলাফল হতো দীর্ঘ মেয়াদী। . ©মীর সালমান

কৌশল কখনো কখনো সাবজেক্টিভ। কারও কৌশলের টার্গেট অডিয়েন্স হলো জনতা, কারও টার্গেট নিজের টিম। আবেগের স্রোতে ভেসে যাওয়া টিমকে হেদায়েতের উপর ধরে রাখার কৌশলগত গুরুত্ব কম না। হক এবং বাতিলের প্রতি ডুয়েল আনুগত্য যাদের আছে তারা ভালো মানুষ হতে পারে, আবু তালেব হতে পারে কিন্তু আবু বকর, উমার হামজা, মুসয়াব বিন উমায়ের হতে পারে না। কে কি চিনে রাখা জরুরী। শর্তটা পুরাতন। আমরা তোমার আল্লাহর ইবাদতের অধিকার দিতে রাজি আছি তবে তুমি আমাদের লাত, মানাত, উজ্জা হোবল নিয়ে কথা বলতে পারবে না৷ যতই মানুষ ফ্রিডম অফ স্পিচ বলুক না কেন বাস্তবে ব্লাসফেমি কেউ নিতে পারে না। পার্থক্য হলো কার ইলাহ কে? এই উদাহরণ দেওয়ার সমস্যা হলো গাধারা ফতোয়া এবং তারগীব তারহীবের ভাষার পার্থক্য বুঝবে না। বলবে তাকফিরে মুয়াইয়্যিন করেছি। তবে আকিদা এবং ফতোয়ার পরিভাষা বাদ দিয়েও যদি কথা বলি তবে পার্থক্য থাকবে কার আশিক কে তার উপর। যদি আপনার ইশক জিন্নাহর সাথে হয় তবে আপনি জিন্নাহর সাথে বেয়াদবি সহ্য করতে পারবেন না৷ যদি আপনার ইশক হুসাইন আহমাদ মাদানি (রহ) এর সাথে হয় তবে তার শানে বেয়াদবি আপনি মানতে পারবেন না যদিও বা আপনি পাকিস্তান সৃষ্টির পক্ষে হয়ে থাকেন। আমার সোজাসাপটা কথা ভাই আমি হুসাইন আহমাদ মাদানি রহ এর সন্তান। জিন্নাহকে আমি কেবল ততটা সম্মান দিতে চাই যতটা রাসুলুল্লাহ সা এর নসিহত অনুযায়ী পার্থিব কাজকর্মে সম্মানিত লোকদের সম্মান দেওয়ার বিধান। খালেদা জিয়াকে নিয়ে আমি আজ একটা শব্দও বলি নাই কারণ তার প্রতি কেবল সহানুভূতিতে তার ভক্তদের পেট বা মন ভরবে না। ব্যান্ড ওয়াগনে লাফ দিয়ে মিছিলে ভেসে যেতে কখনো রাজি ছিলাম না। সেজন্য জীবনে অন্তহীন মূল্য দিয়েছি। কিন্তু সত্যকে মন থেকে কখনো ছাড়তে পারি না। অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশে খালেদা জিয়ার ভালোগুনের স্বীকৃতি দিতে গেলেও যৌক্তিকভাবে যেকথাগুলো না বললে প্রশংসা তোষামোদে পরিনত হয় সেটা যখন বলতে পারবো না তখন কোন কথাই বলতে চাই না। . হাতেম তাঈ কাফের ছিলেন কিন্তু তাঁর বড় গুন ছিলো। তিনি দাতা ছিলেন। কোন সন্দেহ নাই খালেদা জিয়ার বহু গুন ছিলো। তার মাঝে শ্রেষ্ঠতম গুন যেটা আমার চোখে পড়েছে সেটা হলো তিনি বাচাল ছিলেন না এবং অত্যন্ত ব্যাক্তিত্ববান ছিলেন। তাঁর জ্ঞানগত কোন গভীরতা তার ছিলো না। রাজনৈতিক প্রজ্ঞাও মহাকাব্যিক ছিলো না। কিন্তু এখানেও তাঁর বড় গুণ ছিলো তিনি তাঁর সীমাবদ্ধতা বুঝতেন। ফলে তিনি জ্ঞানীগুণী লোক বুঝতে পারলে এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তার জন্য ক্ষতিকর না হলে তিনি গুনীদের সম্মান করতেন। এখন সমস্যা হলো এই যে তাঁর জ্ঞানগত গভীরতা ছিলো না বলার যে বিবৃতি সেটা অনুসারীদের কাছে ব্লাসফেমির মতো। কিন্তু তার সত্যিকারের যে কৃতিত্ব অর্থাৎ সাধারণ থেকেও অসাধারণ হয়ে উঠার যে কৌশল সেটা তার সীমাবদ্ধতা আলোচনা না করলে কখনো বলতে পারবেন না। এই সীমাবদ্ধতা আলোচনা না করেই তার প্রশংসা করতে হলে সেটা প্রশংসা থাকবে না, তোষামোদ হয়ে উঠবে। কিন্তু সেটুকু বললেই তার ভক্তরা অনলাইন অফলাইন মব করবে। হাসিনার আমলে যেভাবে মুজিবকে কাল্ট ফিগারে পরিনত করা হয় এখন প্রেসিডেন্ট জিয়া এবং তার মিসেসকে কাল্ট ফিগার বানানো হচ্ছে। প্রশ্ন হলো আজকের দিনে কি এই সীমাবদ্ধতা আলোচনা করতেই হবে? উত্তর হলো খালেদা জিয়ার জন্য আমাদের কোন ঈর্ষা নাই। তাকে আমরা কখনো তাকফিরে মুয়াইয়্যিন করি না। কিন্তু এটাও সত্য যে তার আজীবন চর্চিত রাজনৈতিক আদর্শ আমরা ধর্মীয়ভাবে কোনভাবেই নিতে পারবো না। আজ যদি কেবল ব্যাক্তি খালেদা জিয়ার গুণকীর্তন করা হতো তাতে নিশ্চুপ থাকার হাজার কারণ আছে। কিন্তু ঠিকই তাকে লায়োনাইজ করে তার আদর্শ গণতন্ত্রকেও মহিমান্বিত করা হচ্ছে। সেটা একজন আত্মমর্যাদাবান আলেম কিভাবে মেনে নিবেন? গোঁজামিল দিয়ে ডুয়েল লয়েলটি তৈরি করা ইসলামের মেজাজ না। এজন্যই সুরা কাফেরুন। এজন্যই লাকুম দিনুকুম ওয়ালিয়া দিন এবং লা ইকরাহা ফিদ্দিন। কিছুদিন হলো অনেক মানুষ হারুন ইযহারকে বিএনপি ট্যাগ দিচ্ছিলো। কিন্তু আজ তিনি প্রমান করেছেন আদর্শই বড়। লোকে তাকে বিচ্ছিন্নতার ভয় দেখায়। তিনি হুসাইন আহমাদ মাদানি রহ এর সন্তান। পপুলিজমে ভেসে যাওয়া তার কাজ না৷ আল্লাহর বহু নবির কোন উম্মাত ছিলো না বা দুই একজন উম্মাত ছিলো। ইসলামি হুকুমতের দরকার নাই। বিশুদ্ধ তাওহীদ নিয়ে একজন দাঁড়িয়ে থাকলে তিনিই জামায়াত। আমাদের আদর্শ হলো আসহাবে কাহফ। আমাদের বিশাল গ্রুপের দরকার নাই। দরকার হলো বিশুদ্ধ ইমান নিয়ে আল্লাহর সামনে একাকী দাঁড়ানো। আমিতো দেখছি হারুন ইযহার আজ যা করেছেন সেটা উলামায়ে রাব্বানির কাজ৷ আলেম তিন প্রকার। উলামায়ে সালাতিন, উলামায়ে আওয়াম এবং উলামায়ে রাব্বানি। উলামায়ে রাব্বানির কাজ হলো সত্য স্পষ্টভাবে বলা যেনো হক এবং বাতিল আলাদা হয়ে যায়।

জামিয়াতুর রশিদের মুহতামিম মুফতি আব্দুর রহিম সাহেবের সাথে এই বিষয়ে পূর্ণ একমত পোষণ করলাম।
জামিয়াতুর রশিদের মুহতামিম মুফতি আব্দুর রহিম সাহেবের সাথে এই বিষয়ে পূর্ণ একমত পোষণ করলাম।