ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 334 подписчиков, занимая 7 907 место в категории Религия и духовность и 2 062 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 334 подписчиков.

Согласно последним данным от 27 августа, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 77, а за последние 24 часа — 8, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 15.13%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 5.64% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 716 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 640 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 35.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 28 августа, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 334
Подписчики
+824 часа
+337 дней
+7730 день
Архив постов
😘
😘

ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইয়ের ‘প্রাচ্যবাদ’ অধ্যায় থেকে। . বি.দ্র. অনেক মাদরাসার তালেবে ইলমরা বইটি সংগ্রহের জন্য আমাকে মেসেজ দি
ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইয়ের ‘প্রাচ্যবাদ’ অধ্যায় থেকে। . বি.দ্র. অনেক মাদরাসার তালেবে ইলমরা বইটি সংগ্রহের জন্য আমাকে মেসেজ দিয়ে জিজ্ঞাসা করেন, বইটির ছাড় কবে দিবে প্রকাশনী। তাদের জন্য ব্যক্তিগতভাবে আমি এতটুকু সহযোগিতা করতে পারি, আপনারা জামাত ভিত্তিক একাধিক কপি যদি সংগ্রহ করেন তাহলে আমি প্রকাশনীকে বলে ইনশাআল্লাহ ভালো একটি ছাড় নিয়ে দিতে পারবো।

নারীর হেজাব নিয়ে মডার্নিষ্টদের আপত্তির শেষ নাই। সেই আপত্তিগুলো নিয়ে চমৎকার একটি আলোচনা। https://youtu.be/kLMqMK5g63w?si=2cySIDMmLj_Skfsj

৩ মিনিটের ববি হাজ্জাজের কথাগুলো শুনুন।কোনো অস্পষ্টতা নাই। জাহালাতেরও কোনো বিষয় নাই। শরীয়াহ কী তা তার কাছে একদম স্পষ্ট। লিবারেল মূল্যবোধ থেকে সৃষ্ট হওয়া ব্রিটিশ কমন ল কী, তাও তার কাছে পূর্ণ পরিষ্কার। উভয়টি সামনে রেখে তার সিদ্ধান্ত হলো, ‘শরিয়াহ আইনের যে মৌলিক উসুল বা প্রিন্সিপাল তার থেকেও লিবারেল উসুল ও তার থেকে সৃষ্ট ব্রিটিশ কমন ল আমাদের জন্য বেশি উপযোগী।’ . লিবারেলিজম কী, তা জানতে ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটি পড়তে পারেন।

যারা এক বছরের ইফতা পড়তে চান তারা এখানে যোগাযোগ করতে পারেন। পটিয়ার ইফতার মুশরিফ মুফতি মানজুর সিদ্দিকি সাহেব বেশ যোগ্য ও অভিজ্ঞ
যারা এক বছরের ইফতা পড়তে চান তারা এখানে যোগাযোগ করতে পারেন। পটিয়ার ইফতার মুশরিফ মুফতি মানজুর সিদ্দিকি সাহেব বেশ যোগ্য ও অভিজ্ঞ মানুষ। . আর ইফতা বিভাগে খরচও বেশ কম।

ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি ভাইয়ের নতুন বই “শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ভাবনা” আসতেছে। বন্ধু প্রকাশক হওয়ার কারণে বইটি প্রকাশের আগেই প
ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি ভাইয়ের নতুন বই “শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ভাবনা” আসতেছে। বন্ধু প্রকাশক হওয়ার কারণে বইটি প্রকাশের আগেই পড়ার সুযোগ পেয়েছি। অনেক বেশি মুগ্ধ হয়েছি বইটি পড়ে। আল্লাহ ভাইয়ের কলমে বরকত দান করুন। স্কুল থেকে নিয়ে সবধরনের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের জন্য বইটি এতটাই উপকারী হয়েছে যে, বইটি একবার যে পড়বে সে চাইবে বইটি তার আশপাশের প্রত্যেকটা ছাত্রদের পড়াতে। এবং যাদের শিক্ষাজীবন শেষ তারা বইটি পড়ে আফসোস করবেন, এমন গাইডলাইন যদি আগে পেতাম! . বইটি চেতনা প্রকাশন থেকে আসতেছে। প্রি-অর্ডার চলছে।

৬. লিবারেলিজম, সেক্যুলারিজম, হিউম্যানিজম, জাতীয়তাবাদ-সহ আধুনিক বিভিন্ন মতবাদের বিস্তার, যেগুলো মিষ্টি মিষ্টি স্লোগানের মাধ্যমে খুব সহজেই মানুষকে আল্লাহর দাসত্ব থেকে বের করে নিয়ে আসছে। ৭. বশীভূত ও মোহগ্রস্তকারী বিস্তৃত এক বিনোদনব্যবস্থা ও সংস্কৃতি, যা মানুষকে প্রবৃত্তির গোলাম বানাচ্ছে এবং তাদের নৈতিকতা আর মানবপ্রকৃতিকে চরমভাবে বিপর্যস্ত করছে। বই : ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা: দুই জীবনদর্শনের সংঘাত লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ৩৬০৳ (২৫% ছাড়ে) অর্ডার করুন আমাদের সহ যে কোন বুকশপে

জাহিলিয়্যাত ও আধুনিক জাহিলিয়্যাত কোনো বিষয় জাহিলিয়্যাত হিসেবে চিহ্নিত হলেও তার বিষয়ে আমাদের মৌলিক কয়েকটি মূলনীতি মনে রাখতে হবে। প্রথমত, যেকোনো জাহিলিয়্যাতেরই কোনো বিশেষত্ব, বিশেষ গুণ বা উঁচু অবদান থাকা আশ্চর্যের ব্যাপার নয়। সম্ভবত কোনো জাহিলিয়্যাতই এর থেকে খালি নয়। কিন্তু তা এটা প্রমাণ করে না যে, সে জাহিলিয়্যাত সুস্থ জীবনযাপন করেছে, অথবা সে জাহিলিয়্যাত অনুসরণযোগ্য বা তার থেকে কিছু গ্রহণীয় রয়েছে। দ্বিতীয়ত, জাহিলিয়্যাতের কোনো বিশেষত্ব, উত্তম গুণ ও উন্নত অবদান থাকলেই তা জাহিলিয়্যাতের কলঙ্ক থেকে মুক্ত হয়ে যায় না। কেননা, তার মধ্যে এমন কিছু বিকৃতি ও ভ্রষ্টতা রয়েছে যা এসব বিশেষত্ব, গুণ ও উন্নত অবদানকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট ও ধ্বংস করে দেবে, তাতে সন্দেহ নেই। তৃতীয়ত, এসব বিকৃতি ও ভ্রষ্টতার প্রধান কারণই হচ্ছে, জাহিলিয়্যাতগুলো সর্বদা সর্ববিষয়ে নিজ প্রবৃত্তি ও কামনা-বাসনা কিংবা সংকীর্ণ মানবীয় জ্ঞানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়। কেননা, তা আল্লাহর হেদায়েত জানে না, চেনেও না। অথবা হয়তো চেনে ও জানে; কিন্তু তা ত্যাগ করে অন্য কিছু গ্রহণ করে। জাহিলিয়্যাতের ব্যাপারে এই তিনটি মূলনীতি সামনে রেখে আমরা জাহিলিয়্যাতের এমন কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের আলোচনা করব, যা ইতিহাসের প্রতিটি জাহিলিয়্যাতের মাঝে পাওয়া যায়। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি জাহিলিয়্যাতের নিজস্ব স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা তাকে অন্য জাহিলিয়্যাত থেকে আলাদা করে। কিন্তু কিছু বৈশিষ্ট্য এমন আছে, যা সব জাহিলিয়্যাতের মাঝেই পাওয়া যায়। প্রথম বৈশিষ্ট্য: সকল জাহিলিয়্যাতের মাঝে একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো, আল্লাহর ওপর সত্যিকারভাবে ঈমান না আনা। হয়তো আল্লাহর সাথে কাউকে শিরক করবে, অথবা আল্লাহকে অস্বীকার করবে, অথবা আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে স্বীকার তো করবে, কিন্তু দুনিয়ার যাবতীয় বিষয়ে আল্লাহর কোনো হস্তক্ষেপ নেই এমন বিশ্বাস করবে। মোটকথা, আল্লাহর তাওহীদ ও একত্ববাদের মৌলিকত্বের ওপর সঠিকভাবে ঈমান না-থাকাই হলো জাহিলিয়্যাতের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য। দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য: নিজস্ব চিন্তাভাবনা, ইচ্ছা ও কামনা-বাসনার অনুসরণ করা। এটা প্রথম বৈশিষ্ট্যের একটি অনিবার্য রূপ। হয়তো আল্লাহর প্রতি ঈমান আনতে হবে, যা থেকে আল্লাহর সামনে আত্মসমর্পিত হওয়া এবং তারই নাজিলকৃত বিধান পালনের আবশ্যকতা সৃষ্টি হয়। অথবা জাহিলিয়্যাতকে মেনে নিতে হবে, যা মানুষের প্রবৃত্তি-ইচ্ছার অনুসরণকে আবশ্যক করে। কেননা, আল্লাহর বিধান ভিন্ন সকল বিধানই নিছক কামনা-বাসনা মাত্র। তৃতীয় বৈশিষ্ট্য: সকল জাহিলিয়্যাতের মাঝে একটি বৈশিষ্ট্য হলো তাতে আল্লাহদ্রোহী তাগুত গোষ্ঠীর উপস্থিতি। তারা সর্বক্ষণ ও সর্বাত্মক চেষ্টায় থাকে, যাতে মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদত থেকে এবং এক আল্লাহর দেওয়া শরিয়ত পালন থেকে বিরত রাখতে পারে; আর মানুষকে তাগুতের দাসত্ব এবং তাদের শরিয়ত পালনের দিকে ধাবিত করতে পারে। (যা তারা নিজেদের প্রবৃত্তির ভিত্তিতে রচনা করেছে) চতুর্থ বৈশিষ্ট্য: প্রবৃত্তির চাহিদার স্রোতে নিজেকে ভাসিয়ে দেওয়া। প্রবৃত্তির কিছু চাহিদা মানুষের খুবই প্রিয় জিনিস বা তার জীবনের অংশ। এটাকে আল্লাহ মানুষের জন্য বৈধ করেছেন। কিন্তু যখনই সে চাহিদাগুলো তার বেঁধে দেওয়া সীমা ও যুক্তিসংগত পরিমাণ অতিক্রম করে, তখন তা মানুষকে পশুতে পরিণত করে এবং আল্লাহর দাসত্ব গ্রহণের পথে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়। তাই দেখা যায়, প্রতিটি জাহিলিয়্যাতের মাঝে একটি চিরাচরিত রূপ হলো, প্রবৃত্তির চাহিদার স্রোতকে জীবনের মূলধারার মাঝে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করে দেওয়া। এ কথা অকাট্যভাবে প্রমাণিত যে, দুনিয়ার কোনো জাহিলিয়্যাতই সব ধরনের অশ্লীলতা ও যিনা-ব্যভিচারকে পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করেনি। তারা অশ্লীলতার বিভিন্ন রূপকে মানুষের সমাজে বাকি রেখেছে এবং সমাজের একটি অংশে পরিণত করেছে। উপর্যুক্ত নিদর্শনগুলো থেকে ইতিহাসের কোনো জাহিলিয়্যাতই মুক্ত নয়। কিন্তু পশ্চিমা সভ্যতা পূর্বোক্ত সে জাহিলিয়্যাতকে আধুনিক ছাঁচে তৈরি করে এক স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ধারণ করেছে, যেগুলো স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করতে পারলে আধুনিক এই ঈমান-বিধ্বংসী জাহিলিয়্যাত বোঝা আমাদের জন্য সহজ হবে। সে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: ১. চরম বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ, যা মানুষকে আল্লাহর হেদায়েত থেকে দূরে সরানো এবং আল্লাহর সৃষ্টিকুলকে চরম দুঃখ-কষ্টে নিমজ্জিত করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। ২. বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, উদ্ভাবন ও উন্নতি উৎকর্ষের নেশায় মত্ত হয়ে মানুষকে আল্লাহর মোকাবেলায় দাঁড় করানো; যেন মানুষ এই কথা মনে করে যে, বর্তমানের এই চরম উন্নত যুগে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন মানুষের নেই, অথবা মানুষ নিজেই নিজের ইলাহ হয়ে গেছে। ৩. বিভিন্ন মডার্ন বৈজ্ঞানিক মতবাদ ও মতাদর্শসমূহ, যেগুলো সমাজ, অর্থনীতি ও মনস্তত্বসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে মানবজীবনকে চরম ভ্রষ্ট, সঠিক পথবিচ্যুত ও বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। ৪. বিবর্তনবাদী দর্শন। ৫. নারীস্বাধীনতা ও নারীবাদ।

photo content

সিয়াসাত বিষয়ক অনেকেই পরামর্শ করেন আমার সাথে। এর মধ্যে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেন এক বছর স্বতন্ত্র এই বিষয়ে পড়াশোনা করবেন। তাদের
সিয়াসাত বিষয়ক অনেকেই পরামর্শ করেন আমার সাথে। এর মধ্যে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেন এক বছর স্বতন্ত্র এই বিষয়ে পড়াশোনা করবেন। তাদের জন্য আপাতত এটাই পরামর্শ যে, আমি কোনো মাদরাসায় স্বতন্ত্র সিয়াসাত পড়াই না৷ আমাদের ইফতায় এক ফাতরার একটি দরসি মাত্র থাকে সিয়াসাত বিষয়ক। তাই যারা স্বতন্ত্র এই বিষয়ে পড়তে চান তারা মারকাযুস সাহওয়াতে যোগাযোগ করতে পারেন দ্রুত। এখানের পড়ালেখার মান ও নেসাব খুবই চমৎকার। . জাযাকাল্লাহ খাইরান।

আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে মাদরাসাতু আলী রা.-র ইফতা বিভাগের ভর্তি পরিক্ষা শুরু। . যে সকল ভাইরা আমাদের উপর আস্থা রেখে ছাত্র বা আত্মীয় পাঠাবেন বলেছেন, তারা যথাসময়ে পাঠিয়ে দিবেন ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আপনাদের কবুল করুন। আমীন।

যারা দু'বছর যোগ্যা, অভিজ্ঞ সময় সম্পর্কে সচেতন উস্তাদদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে দু'বছর ইফতা ও হাদিস নিয়ে বিশেষভাবে পড়তে চান তারা ম
যারা দু'বছর যোগ্যা, অভিজ্ঞ সময় সম্পর্কে সচেতন উস্তাদদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে দু'বছর ইফতা ও হাদিস নিয়ে বিশেষভাবে পড়তে চান তারা মৌচাকে সীমিত পরিসরে তৈরি হওয়া মাহাদুল ইতেসামে যোগাযোগ করতে পারেন ইনশাআল্লাহ। . মাওলানা যুবায়ের হোসাইন সাহেবসহ বেশকিছু মুরব্বিদের সরাসরি তত্ত্বাবধান মাদরাসাটি পরিচালিত। . আগামীকাল সেখানের দ্বিতীয় পর্বের ভর্তি পরিক্ষা। আগ্রহীরা আজ থেকেই মাদরাসায় উপস্থিত হয়ে যেতে পারি। .

কুমিল্লা ও তার আশপাশের ভাইরা এই মাদরাসায় নিজের সন্তান, ছোট ভাই ও আত্মীয়দের ভর্তি করাতে পারেন। একঝাক স্বপ্নবাজ ও মুখলিস তরুন আ
কুমিল্লা ও তার আশপাশের ভাইরা এই মাদরাসায় নিজের সন্তান, ছোট ভাই ও আত্মীয়দের ভর্তি করাতে পারেন। একঝাক স্বপ্নবাজ ও মুখলিস তরুন আলেমদের হাতে পরিচালিত, সাথে রয়েছেন উম্মাহ দরদি কিছু মুরব্বির নেক দোয়া৷ . ইনশাআল্লাহ, নিশ্চয়তার সাথে বলা যায় এখানে ভালো পড়া লেখা হয় এবং আপনার সন্তানকে যোগ্য আলেম বানানোর ফিকিরই উস্তাদদের একমাত্র ফিকির! বাকিটা আল্লাহর তাওফিক।

এক আলোচনাতে কমছে কম ৩০ থেকে ৪০ বার মালোশিয়ার নাম উচ্চারণ করা ও তাদের পলিসিগুলো কতটা উপযুক্ত তা বুঝানো ভাইটিও বলতেছে, বাংলাদেশে আফগানি মডেল চিন্তা করাটা একটা বড় ধরনের সমস্যা! এবং যারা এটা বলেন তারা ইসলামের প্রকৃত মর্মই নাকি বুঝে নাই৷ . মৃত্যু পর্যন্ত আরো কত সার্কাস ও সার্কাসের জোকারদের দেখতে হবে আল্লাহই জানে। . অথচ বাস্তবতা হলো যারা এদেশে আফগানিস্তানের না বেশি নেয়, আফগানিস্তানের আলোচনাগুলো খুব করে তারা কেউই হুবহু আফগানি সংস্কৃতি বা আফগানিদের পূঙ্খানুপুঙ্খ ফলো করতে বলে না। তারা অর্ধ সত্যগুলো খুব দেদারসে এতেদালের সাথে! কিন্তু বুদ্ধবৃত্তিক চাপাবাজগুলোর অসততা এই জায়গাতেই।

মিশন অব্যাহত রাখায় সবাইকে ধন্যবাদ আজাজিলের। সন্ধায় এক জনাকীর্ন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন৷ লিখিত বক্তব্যে আজাজিল বলেন, আজকাল মুখস্থ বক্তব্য দেয়ার সুযোগ নেই। একটু বেফাঁস কথা বললেই ভাইরাল হয়ে যাবে। আমার কোনো লাভ হবে না, লোকজনের গালি শুনবো কিন্তু ইউটিউবাররা বড়লোক হয়ে যাবে। তাই লিখিত বক্তব্য দিয়েই ক্ষান্ত হচ্ছি। দীর্ঘ এক মাস বন্দি ছিলাম। ফলে মিশনের সাফল্য নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা ছিল। কিন্তু আমার ঘনিষ্ঠ শিষ্য বিশ্বমোড়লদের কর্মতৎপরতায় মিশনে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি। স্নেহের টিকটকাররাও তাদের দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট ছিল। স্নেহের ট্রাম্প তো একটা বড়সড় যুদ্ধই বাঁধিয়ে দিয়েছে। ছোট ভাই আসেম মুনিরও নিজের বংশের মুখ উজ্জ্বল করছে। এই বংশটি রত্নগর্ভা বংশ। গনহত্যাকারী থেকে সাইকোপ্যাথ সবই পাওয়া যায় এই বংশে। তার বাবা ইয়াহইয়া খানের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক ছিল। আমার পরামর্শমত সে বাংলাদেশে গনহত্যা চালায়। নারীবিলাসেও সে বেশ এগিয়ে ছিল। মুনিরের দাদা আইয়ুব খানও অনেক গুনে গুনান্বিত ছিলেন৷ তার চাচাতো ভাই পারভেজ মোশাররফ ছিল আরেক চিজ। তার যুগে সে আমার অন্য সকল শিষ্যের চেয়ে শয়তানিতে এগিয়ে ছিল। আমি বন্দি থাকাকালে বিভিন্ন গুজবপেইজের এডমিনরা সফলভাবে প্রোপাগান্ডা চালিয়ে গেছে। যাকে উঠানো দরকার উঠিয়েছে, যাকে নামানো দরকার নামিয়েছে। এই মাসটি ছিল তাদের তরবিয়তি মাস। এ মাসেই যেহেতু ভাল কাজ করেছে, আশা করি সারাবছর এই ধারা অব্যাহত থাকবে। সবার জন্য শুভেচ্ছা। সকালে ছোট ভাই এমামুজ্জামান সেলিমের সাথে ঈদগাহে যাব। যারা আসবেন দেখা হবে।

যাদের সম্ভব হয় তারা এই খাতেও কিছু সদকাহ কর‍তে পারি।
যাদের সম্ভব হয় তারা এই খাতেও কিছু সদকাহ কর‍তে পারি।

এই হলো জামাতি ভাইদের অবস্থা!
+1
এই হলো জামাতি ভাইদের অবস্থা!

photo content

হিউম্যানিজম (পশ্চিমা সভ্যতা): এক নতুন ধর্ম হিউম্যানিজম-এক আকর্ষণীয় মোড়ক; তবে এর ভেতরে রয়েছে স্তূপীকৃত ভয়ানক দুর্গন্ধ ও কদর্যতাযুক্ত আধুনিক কুফর। এ কুফর পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে অধিক দুর্গন্ধময় ও ভয়াবহ। আধুনিক এ কুফর ও জান্দাকা আমাদের সমাজে দ্বীন থেকে দূরে থাকা ছেলে-মেয়েদের ঈমান ছিনতাই করছে এবং চুপিসারে ইরতিদাদ-ধর্মত্যাগের পরিবেশ কায়েম করছে। এই কুফর হিন্দু, খ্রিষ্টান বা ইহুদি ধর্মের পোশাকে আসেনি; এসেছে বিজ্ঞান, গবেষণা ও যুক্তিবাদের পোশাকে। এ ধর্মের কোনো নির্দিষ্ট নাম নেই, অন্য ধর্মের যেমন রয়েছে-হিন্দু, ইহুদি ইত্যাদি। এ ধর্মের কাছে আকিদা ও ওহীর সামান্যতম গুরুত্বও নেই; তবে বিজ্ঞান, যুক্তি, পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতার গুরুত্ব রয়েছে ঢের। এই ধর্মের অনুসারীরা ইসলাম নাম উচ্চারণ না করেও মহাবিশ্ব ও মানুষ সৃষ্টিতত্ত্ব ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাখ্যার মাধ্যমে ইসলাম নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করে। নাউজুবিল্লাহ! পূর্বেকার জামানায় যারা মুরতাদ হতো, তারা পুরোনো কোনো মিথ্যা ধর্ম গ্রহণপূর্বক মন্দির, গির্জা ইত্যাদিতে গিয়ে ইবাদত করত। মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মুসলিমদের থেকে সামাজিক, আর্থিক, রাজনৈতিক সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করত। জীবনযাপন, আহার-খাদ্য, সভ্যতা-সংস্কৃতিতে পূর্ণ বৈপরীত্য ধারণ করত। ফলে বুঝা যেত যে, এর সাথে এখন থেকে মুসলিম সমাজ, কুরআন, ইসলাম বিশেষভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু এই আধুনিক কুফর-হিউম্যানিজম ধর্মে অন্তর্ভুক্তির সময় আল্লাহ, রাসূল, ওহী, আখেরাত সব অস্বীকার করা সত্ত্বেও এ ধর্ম তার অনুসারীদের অনুমতি প্রদান করে, যাতে তারা নাম, সংস্কৃতি, ইবাদত, খাদ্য, ব্যবসা-বাণিজ্যে ইসলামের ছাঁচের অনুসরণ করে। শুধু দ্বীন-ধর্মের উপর্যুক্ত বিষয়গুলো অস্বীকার করে আর বেশভূষা ও চলাফেরায় মুসলিম সমাজের সাথেই থাকে। পূর্বে কাফের-মুরতাদদের জন্য আবশ্যক ছিল-ইবাদত, লেনদেন, চলাফেরা- সহ সার্বিকভাবে মুসলিম জামাত থেকে দূরে থাকা। তবে এখন আর এগুলো আবশ্যক নয়; বরং গোপনে আল্লাহ-রাসূলকে অস্বীকার করা এবং এর বিপরীতে যুক্তি, পর্যবেক্ষণ ও পঞ্চেন্দ্রিয়ে অনুধাবনযোগ্য বিষয়গুলোকে মেনে নেওয়াই যথেষ্ট। বই : ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা: দুই জীবনদর্শনের সংঘাত লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ৩৬০৳ (২৫% ছাড়ে) অর্ডার করুন আমাদের সহ যে কোন বুকশপে

ইমারতে ইসলামিয়া আর পাকিস্তানি জান্তার লড়াই দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব শুধু কাবুল আর ইসলামাবাদে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পুরো উপমহাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য এতে নড়ে যেতে পারে। . সামরিক সক্ষমতার বিচারে পাকিস্তান অনেক, অনেক এগিয়ে। তাদের পূর্ণাঙ্গ বিমানবাহিনী আছে, যা ইমারতের নেই। ভারী অস্ত্র, আর্টিলারি কিংবা আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা—সব ক্ষেত্রেই পাকিস্তান অগ্রসর। বড় আকারের যুদ্ধ শুরু হলে তারা ইমারতের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর বড় আঘাত হানতে সক্ষম। . কিন্তু সামরিক শক্তি আর রাজনৈতিক ফলাফল এক জিনিস না। আমেরিকা এখন পারস্য উপসাগরে এ সত্যটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। . পাকিস্তানি জান্তা অনেক কিছুই করতে পারবে। কিন্তু তারা যা পারবে না, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। . প্রথমত, তারা আফগানিস্তানকে দীর্ঘমেয়াদে দখল করে রাখতে পারবে না। দ্বিতীয়ত, তারা আফগান মুজাহিদিনকে নিশ্চিহ্ন করতে পারবে না। . এর আগে বিভিন্ন পরাশক্তিও এই দুটো কাজ করতে পারেনি। সোভিয়েত ইউনিয়ন পারেনি। অ্যামেরিকা পারেনি। এমনকি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যও ব্যর্থ হয়েছে। পাকিস্তানি জান্তা পারার প্রশ্নই আসে না। . আগের আগ্রাসনকারীরা অন্তত ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। পাকিস্তানের সেই সুযোগ নেই। তারা প্রতিবেশী। ভৌগোলিক বাস্তবতা তাদের এই সংঘাতের সাথে চিরস্থায়ীভাবে জড়িয়ে রাখবে। . ইমারতের শক্তির জায়গা গেরিলা লড়াই, প্রথাগত যুদ্ধ না। বিকেন্দ্রীভূত কমান্ড আর আদর্শিক ভিত্তি নিয়ে তারা দীর্ঘ যুদ্ধে অভ্যস্ত। তাই এই সংঘাত সরলরৈখিক হবে না। . বিমানবাহিনী না থাকলেও ইমারতের আছে ‘হিউম্যান ড্রোন’ নেটওয়ার্ক। যারা পাকিস্তানের ভেতরের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে প্রস্তুত। এধরণের আক্রমণ কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, পাকিস্তানী জান্তা সেটা অ্যামেরিকানদের কাছ থেকে জেনে নিতে পারে। . এর সাথে যুক্ত হবে আরও কিছু ফ্যাক্টর— -- ডুরান্ড লাইনের দুই পাশে থাকা পশতুন গোত্রগুলোর জান্তা-বিরোধী এবং লড়াকু মনোভাব। -- পাকিস্তানজুড়ে ছড়িয়ে থাকা দেওবন্দী মাদ্রাসা নেটওয়ার্ক। মুরুব্বীদের বড় একটি অংশ প্রকাশ্যে জান্তার পক্ষে অবস্থান নিলেও, এই নেটওয়ার্কের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ ইমারতের প্রতি অনুগত। -- ইমারতের ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক মিত্রগোষ্ঠী। যারা যেকোন লড়াইয়ে ওয়াইল্ডকার্ড ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। . সব মিলিয়ে, যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তার আঁচ সরাসরি পাকিস্তানের ভেতরে গিয়ে পড়বে। ঐ পাকিস্তানে যেখানে ইতিমধ্যে তুমুল জনপ্রিয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে অবৈধভাবে কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে। যেখানে বেলুচিস্তান আর খাইবার পাখতুনখাওয়ায় এরই মধ্যে জ্বলছে অস্থিরতার আগুন। যেখানে অর্থনীতির অবস্থা নাযুক। যেখানে জনগণের মধ্যে জান্তাবিরোধী মনোভাব প্রবল। . এই পরিস্থিতির মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সীমান্ত যুদ্ধ, আর পাকিস্তানের ভেতরে ইমারতের সামরিক তৎপরতা শুরু হলে জান্তাকে একসাথে অনেকগুলো ফ্রন্ট সামলাতে হবে। . দীর্ঘ যুদ্ধে পাকিস্তান ইমারতের নেতৃত্ব আর যোদ্ধাদের বড় ক্ষতি করতে পারবে। কিন্তু ইমারত যদি সর্বাত্মক লড়াইয়ের পথ বেছে নেয়, তবে তারা উপমহাদেশের মানচিত্র বদলে ফেলার সম্ভাবনা রাখে। —আসিফ আদনান