uk
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Відкрити в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 11 292 підписників, посідаючи 8 145 місце в категорії Релігія і духовність та 2 031 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 11 292 підписників.

За останніми даними від 22 червня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на 77, а за останні 24 години на 3, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 19.38%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 8.20% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 2 188 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 926 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 47.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 23 червня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Релігія і духовність.

11 292
Підписники
+324 години
+327 днів
+7730 день
Архів дописів
খালেদা জিয়া মারা গেছে। চরমোনাইয়ের জন্য এখন আশা করি বিএনপির সাথে জোটে সমস্যা নাই। কারণ এখন তো আর নারী নেতৃত্ব নাই। . না, মানি, বাতিল আকিদার সাথে সমঝোতা করা থেকে হক্কানী আলেমদের সমর্থিত বিএনপির সাথে জোট করা কী বেশি ভালো না? সমালোচনা মুক্ত থাকা গেলো তাতে?

তুমুল জনপ্রিয়তা মহান আল্লাহতা'আলার নিকট কিছু যায় আসেনা। আল্লাহতা'আলার কাছে প্রিয় হলো তাওবা। বেগম জিয়া তাওবা করে থাকলে আল্লাহতা'আলা তা কবুল! করুন! আমীন। অস্বীকার করিনা বেগম জিয়া বাংলাদেশবান্ধব রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইকন ছিলেন তার স্বামীর পর। আধিপত্যবাদ এবং ফ্যাসিবাদের প্রশ্নে আপোষহীন থেকে জেল জীবন বেছে নিয়েছেন, যেখানে ধরাশায়ী হয়েছেন অনেক আলেম পর্যন্ত। কিন্তু মহান রব্বের কাছে জবাবদিহিতার যে মূল ঈমানী কমিটমেন্ট তাতে তিনি আরো দশ জন রাজনীতিকির মতই উত্তীর্ণ হতে পারেন নি। রাজনৈতিক দর্শন ও কর্মে তিনি মহান রব্বের নিকট পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ করতে পারেন নি। এর দায়ভার রয়েছে ইসলামপন্থী রাজনীতিরও। আফসোস আমরা আমাদের পলিটিক্যাল মিত্রদের সাথে শুধু বস্তুবাদী সম্পর্ক কায়েম করি, যার কেন্দ্রবিন্দু থাকে ক্ষমতার রাজনীতি। আমরা দাওয়াতের সম্পর্ককে কখনোই অগ্রাধিকার দিই না। আমরা আমাদের সেক্যুলার মিত্রদের সাথে কৌশলগত সম্পর্ক কায়েম করে থাকি, ইসলাম সেখানে প্রাসঙ্গিক থাকেনা মৌলিকভাবে। বেগম জিয়া ইসলামপন্থীদের বিশাল স্পেস দিয়েছিলেন। ইসলামপন্থীরা তাঁকে, তাঁর দলকে দাওয়াতি মোটিভেশান করেন নি। হে জাতীয়তাবাদী সেক্যুলার রাজনীতির ধারক বাহক ভাই-বোনেরা! খালেদা জিয়া যেখানে চলে গেছেন, আমাদের-আপনাদেরও শেষ মনজিল ওখানেই। আসুন! আগে তওবা করি, তারপর রাজনীতি করি, আল্লাহর সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য ছাড়া কোন মুসলমানের রাজনীতিই হতে পারেনা। ©শায়খ হারুন ইজহার

আগামি শনিবার বছরের শেষ দীনি মজলিস। রমযানের ঈদ পর্যন্ত সাময়িকভাবে মাসিক দীনি মজলিস স্থগিত থাকবে। . মিস দিয়েন না৷
আগামি শনিবার বছরের শেষ দীনি মজলিস। রমযানের ঈদ পর্যন্ত সাময়িকভাবে মাসিক দীনি মজলিস স্থগিত থাকবে। . মিস দিয়েন না৷

سبائك الشيطان الجزء الرابع.pdf17.04 MB

سبائك الشيطان الجزء الثالث.pdf15.80 MB

سبائك الشيطان الجزء الثاني.pdf17.50 MB

سبائك الشيطان الجزء الأول.pdf19.86 MB

photo content

চতুর্থ কথা, ইসলামি রাষ্ট্র কখনো ‘কুরআন-সুন্নাহের বিপরীত আইন করা হবে না’ এই কথার উপর প্রতিষ্ঠিত হয় না। বরং একটি ইসলামি রাষ্ট্রের জন্য আবশ্যক হলো তাদের প্রত্যেক আইন, বিধান যাবতীয় কার্যক্রম কুরআন-সুন্নাহ এবং ইসলামি জ্ঞানতত্ত্বের আলোকে প্রণয়ন করা ও তা কার্যকর করা। 'কোনো আইন শরীয়তের বাহিরে করা হবে না’ এই কথার আবশ্যকীয় একটি অর্থ দাঁড়ায় মানুষের জীবনের এমন অনেক বিষয় আছে যেখানে শরীয়তের কোনো দিক-নির্দেশনা নেই। সেখানে মানুষকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তারা যা ইচ্ছে তাই করতে পারবে। তাছাড়া এই অর্থও মেনে নিতে হয় যে, আইনের পরিধি শরীয়তের পরিধের চেয়েও বড়। অথচ বিষয়টি সম্পূর্ণ উল্টো এবং তা মেজাজে শরীয়তের সাথে সাংঘর্ষিক। কেননা শরীয়ত মানুষের জীবনের প্রতিটি অংশে কুরআন সুন্নাহের আলোকে সমাধান দিতে পারে। আর ইসলামি রাষ্ট্রের জন্য আবশ্যক হলো কুরআন-সুন্নাহের জ্ঞানের অধিকারী আহলুর রায় আলেমদের পরামর্শে জীবনের প্রতিটি অংশে ইসলামি বিধান কার্যকর করবে। শরীয়ত শুধু ফরজ, ওয়াজিব আর হারামের নাম নয়, বরং তার পরিধি সুন্নাত, মানদুব মুস্তাহাব, মাকরুহ, খারাপ, উত্তম-অনুত্তম পর্যন্ত এমনভাবে বিস্তৃত যে, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্র অংশ তার অধিনে সমাধান হয়, বাহিরে নয়। এই জন্য ঠিক করার বিষয় এটা নয় যে, কোনো আইন শরীয়তের বিপরীত বানানো যাবেনা। বরং ঠিক করতে হবে, প্রতিটি কাজের সিন্ধান্ত শরীয়ত অনুযায়ীই করতে হবে। . প্রকাশিতব্য ইসলামি শাসনব্যবস্থা বই থেকে

ইসলাম জিহাদের মাধ্যমে ছড়িয়েছে না দাওয়াতের মাধ্যমে? https://youtu.be/yLUK6A1GT1g?si=2KtdqQr508h2YO1V

এমন পিতা হতে পারা কতই না সৌভাগ্যের বিষয়। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মাওলানা আব্দুর রহিম সাহেব আল্লাহর মেহমান হয়
এমন পিতা হতে পারা কতই না সৌভাগ্যের বিষয়। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মাওলানা আব্দুর রহিম সাহেব আল্লাহর মেহমান হয়ে গেলেন। হুজুর ছিলেন আমার দাদার সহপাঠী। ছিলেন সুদীর্ঘ কাল ধরে লালবাগ জামিয়ার দায়িত্ববান একজন শিক্ষক। মুসলিম সানি হুজুরের কাছে পড়ার সুযোগ হয়েছে। দরসের হক যথাযথভাবে আদায় করার চেষ্টা করতেন। বাংলাদেশের পাঁচ পাঁচটি রত্নের বাবা তিনি। তার পাঁচ পুত্র যথাক্রমে : ১. মুফতি সাঈদ আহমদ সাহেব। (মনসুর সাহেবের মাদ্রাসার প্রধান মুফতি) ২. মাওলানা ফরিদ আহমদ সাহেব। (লালবাগ জামিয়ার মুহাদ্দিস) ৩. মাওলানা শিব্বির আহমদ সাহেব। (ঢালকানগরের প্রধান মুফতি) ৪. মাওলানা মুখতার আহমদ (বাইতুন নূর সায়দাবাদের বুখারীর উস্তাদ) ৫. মাওলানা শরিফ আহমদ (মারকাজুল ফিকরিল ইসলামী উত্তরার উস্তাদ) হুজুর বলতেন, আমি ছাত্রদের হক আদায় করি, এজন্য আল্লাহ আমার সন্তানদের মানুষ করেছে । তিনি শামসুল হক ফরিদপুরী রহ. এর শিষ্য ও স্নেহধন্য ছিলেন। প্রায় ৫০ বছর লালবাগ জামিয়ার শিক্ষকতা করেন। আল্লাহ তাকে মাগফুর ও মারহুম করুন। আমীন!

গতকাল জামিআ রাহমানিয়ার (আলী এণ্ড নূর) রাবেতার অনুষ্ঠানে মুফতি সাইদ সাহেব দা.বা. বলেছেন, “গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কখনোই দীন আসবে না। বদদীনী পদ্ধতিতে কখনোই দীন কায়েম হবে না৷ দীন কায়েম হবে শুধু দীনি পদ্ধিতে। এখন আমাদের (আলেমদের) করনীয় নিজেদেরকে রাজনৈতিক সকল কাজ থেকে গুটিয়ে নেওয়া। নিজেদেরকে মোতালাআ আর দাওয়াতি কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। করতে থাকবো।” . মুফতি মানসুরুল হক দা. বা. বলেছেন, “গণতন্ত্র আগামাথা শিরক। গণতন্ত্রে মানুষকে আইন তৈরির অধিকার অধিকার দেওয়া হয়েছে। এই গণতন্ত্র দিয়ে ইসলাম কায়েম করবা তোমরা? গণতন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে কি বলতে পারবা চোরের শাস্তি হাত কাটা? তখন তোমাকে বলবে, কিয়ো হুজুর, যে গণতন্ত্র দিয়ে ক্ষমতায় আসলেন, সে গণতন্ত্রতে কী এগুলো আছে নাকি? তো এগুলো কী বলতেছেন? মনে রাখবেন গণতন্ত্রের মাধ্যমে কিছুতেই ইসলাম কায়েম হবে না। মানুষের কী হলো তারা এভাবে ধোকা খাচ্ছে ও অন্যদের ধোকা দিচ্ছে? বিএনপি কয়েকটা নাস্তিক মুরতাদের দল, যারা স্পষ্ট বলেই দিছে, তারা শরীয়া চায় না৷ মির্জা ফখরুল বলে নাই? আর জামাত তো স্পষ্ট গোমরাহ একটা দল। যাদের আকিদা নষ্ট। সুতরাং এমন মুহুর্তে আমাদের উচিত নিজের ঈমান ও আমলের হেফাজতের মেহনতে বেশি জোর দেওয়া।”

গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বহিঃপ্রকাশ ঘটে নির্বাচনের মাধ্যমে। দেশে নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে আর কুফর ও গুনাহের সয়লাবও বাড়তেছে। মুমিনের সবচেয়ে বড় দামী হলো ঈমান। তাই এই সময়ে আমাদের সকলের উচিত গণতন্ত্রের খারাপি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা। মাওলানা সাইদ সাহেবের এই ভিডিওটি নিজে ভালো করে দেখুন। এরপর নিজের মত করে তা ছড়িয়ে দিন৷ আমার মাধ্যমে একজন ভাইয়ের ঈমানও যদি রক্ষা হয় তাহলে তা অনেক অনেক ফলপ্রসূ হবে ইনশাআল্লাহ। https://youtu.be/ie9oc79iOVI?si=CjVeIp-80jyFa6Yn

কোন ব্যক্তি যদি ইহুদী ও নাসারা বা যে কোন কাফের সম্প্রদায়ের সাথে এই কারণে বন্ধুত্ব করে যে, ওরা ইসলামের শত্রু, তবে সে ব্যক্তির কুফরের মধ্যে কোনই সন্দেহ থাকতে পারে না। মুনাফিকদের মধ্যে আরো কিছু লোক ছিল, যারা উহুদ যুদ্ধের অবস্থা পরিবর্তিত হতে দেখে বলা শুরু করেছিল যে, আমরা তো এখন অমুক ইহুদী, অমুক নাসরানীর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ব এবং প্রয়োজন দেখা দিলে তাদেরই ধর্ম অবলম্বন করে নেব। এ ধরনের লোকদের সম্বন্ধেও وَمَنْ يَتَوَلَّهُمْ مِنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ আয়াতটির জাহেরী অর্থ স্পষ্টভাবে প্রযোজ্য। তবে যে মুসলমানরা এ রকম নিয়ত ও কারণ ছাড়া ইহুদী ও নাসারাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়বে, তাদের সম্বন্ধেও এ আয়াত প্রযোজ্য হতে পারে। কেননা, কাফেরদের সাথে সীমাতিরিক্ত মাখামাখি ও ওঠা-বসার কারণে ক্রমান্বয়ে প্রভাবিত হয়ে ওদের ধর্ম অবলম্বন করে ফেলতে পারে। আর তা না হলেও অন্তত কুফরের নিদর্শন ও শিরকের রীতি-নীতিতে যে ঘৃণা ও অসন্তুষ্টির মনোভাব থাকা অপরিহার্য, তাতে শৈথিল্য দেখা দিতে পারে। যদি এমনই ঘটে, তবে এহেন মুসলমানদের فَإِنَّهُ مِنْهُمْ-এর প্রয়োগ হতে পারে। যেমন, হাদীসে এই বিষয়ের প্রতি আলোকপাত করে বলা হয়েছে: IC RICO) المرأ مع من أحب সে পরকালে তারই সাথে থাকবে।') (সহীহ বুখারী, হাদীস : ৬১৬৮) -তাফসিরে উসমানি, সূরা মায়েদা : ৫১ (১/৫৪১)

ভোটের জন্য নিজের আকিদা নষ্ট করবেন না। -মাওলানা আব্দুল মালেক। (পুরো আলোচনাটা শুনতে পারেন) https://youtu.be/60W4_-_J_nQ?si=jrpVLBVCQTJr6Zl2

সামনে ক্রিসমাস আসছে। বহু মুসলিম এই দিনে জঘন্য কবিরাহ গুনাহে লিপ্ত হয়। কেউ কেউ তো ঈমানকেও হুমকির মুখে ফেলে দেন।
সামনে ক্রিসমাস আসছে। বহু মুসলিম এই দিনে জঘন্য কবিরাহ গুনাহে লিপ্ত হয়। কেউ কেউ তো ঈমানকেও হুমকির মুখে ফেলে দেন।

দেওবন্দের কৃতি সন্তান, বারিধারার মুহতামিম মুনির কাসেমী। . আল্লাহ এদের পাওনা বুঝিয়ে দিক। আমীন।
দেওবন্দের কৃতি সন্তান, বারিধারার মুহতামিম মুনির কাসেমী। . আল্লাহ এদের পাওনা বুঝিয়ে দিক। আমীন।

এক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারকে কেন্দ্র করে আবার আওয়ামী গুম-গ্রেফতারের যুগ ফিরে আসলো। প্রতিটি ইসলামপন্থীদের মনে আবার আওয়ামী জাহি
এক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারকে কেন্দ্র করে আবার আওয়ামী গুম-গ্রেফতারের যুগ ফিরে আসলো। প্রতিটি ইসলামপন্থীদের মনে আবার আওয়ামী জাহিলিয়াতের গুন-গ্রেফতারের আতংক ফিরে আসছে!

পশ্চিমা বিশ্বের শক্তি ও তাদের চাপিয়ে দেওয়া জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে আমিরুল মুমিনিন হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার স্পষ্ট অবস্থান। . এমন মহান আমীর মুসলিম ইতিহাসে বিরল!