ru
Feedback
Al Firdaws

Al Firdaws

Открыть в Telegram

আমাদের সকল প্লাটফর্মে যুক্ত হোন- https://linktr.ee/AlFirdaws01

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Al Firdaws

Канал Al Firdaws (@alfirdaws02) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 10 932 подписчиков, занимая 17 601 место в категории Новости и СМИ и 2 145 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 10 932 подписчиков.

Согласно последним данным от 23 июля, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 186, а за последние 24 часа — 10, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 6.31%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 3.97% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 689 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 434 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 13.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
আমাদের সকল প্লাটফর্মে যুক্ত হোন- https://linktr.ee/AlFirdaws01

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 24 июля, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Новости и СМИ.

10 932
Подписчики
+1024 часа
+77 дней
+18630 день

Загрузка данных...

Облако тегов
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Входящие и исходящие упоминания
---
---
---
---
---
---
Привлечение подписчиков
июль '26
июль '26
+320
в 4 каналах
июнь '26
+136
в 4 каналах
Get PRO
май '26
+164
в 6 каналах
Get PRO
апрель '26
+125
в 5 каналах
Get PRO
март '26
+434
в 10 каналах
Get PRO
февраль '26
+410
в 6 каналах
Get PRO
январь '26
+347
в 13 каналах
Get PRO
декабрь '25
+404
в 7 каналах
Get PRO
ноябрь '25
+458
в 6 каналах
Get PRO
октябрь '25
+488
в 9 каналах
Get PRO
сентябрь '25
+334
в 7 каналах
Get PRO
август '25
+346
в 10 каналах
Get PRO
июль '25
+321
в 5 каналах
Get PRO
июнь '25
+472
в 6 каналах
Get PRO
май '25
+612
в 9 каналах
Get PRO
апрель '25
+682
в 10 каналах
Get PRO
март '25
+835
в 8 каналах
Get PRO
февраль '25
+381
в 2 каналах
Get PRO
январь '25
+572
в 7 каналах
Get PRO
декабрь '24
+1 086
в 5 каналах
Get PRO
ноябрь '24
+366
в 3 каналах
Get PRO
октябрь '24
+764
в 12 каналах
Get PRO
сентябрь '24
+652
в 7 каналах
Get PRO
август '24
+844
в 7 каналах
Get PRO
июль '24
+194
в 4 каналах
Get PRO
июнь '24
+275
в 2 каналах
Get PRO
май '24
+576
в 4 каналах
Дата
Привлечение подписчиков
Упоминания
Каналы
24 июля+5
23 июля+10
22 июля+19
21 июля0
20 июля+4
19 июля0
18 июля0
17 июля+13
16 июля+11
15 июля0
14 июля+1
13 июля0
12 июля0
11 июля0
10 июля+1
09 июля0
08 июля0
07 июля+6
06 июля+19
05 июля+135
04 июля+90
03 июля+2
02 июля+2
01 июля+2
Посты канала
১০. কারবালার যু*দ্ধ (৬১ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: হযরত হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ইয়াজিদের অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। ইউফ্রেটিসের তীরে কারবালার প্রান্তরে তিনি ৭২ জন সঙ্গীসহ শহীদ হন। অবদান: - হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অন্যায়ের সামনে মাথানত না করে শাহাদাত বরণ করেন - আব্বাস বিন আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) পানি আনতে গিয়ে উভয় হাত হারিয়ে শহিদ হন - এই শাহাদাত উম্মতের জন্য অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চিরন্তন প্রেরণা হয়ে আছে ১১. কনস্টান্টিনোপল অবরোধ (৪৯–৫২ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রাসূল ﷺ-এর ভবিষ্যদ্বাণী পূরণের লক্ষ্যে বাইজেন্টাইন রাজধানী কনস্টান্টিনোপল অবরোধ করা হয়। এবার বিজয় হয়নি, তবে অভিযান অব্যাহত ছিল। অবদান: - বিখ্যাত সাহাবি আবু আইউব আনসারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এই অভিযানে শহীদ হন এবং কনস্টান্টিনোপলেই সমাহিত হন - তাঁর কবর আজও ইস্তানবুলে বিদ্যমান ১২. উত্তর আফ্রিকা বিজয় (৫০–৯০ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: উকবা বিন নাফে (রাঃ)-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী লিবিয়া, তিউনিসিয়া ও মরক্কো পর্যন্ত ইসলামের পতাকা উড়িয়ে দেন। অবদান: - উকবা বিন নাফে (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অটলান্টিক মহাসাগরের তীরে পৌঁছে ঘোড়া দাবিয়ে বলেছিলেন: "হে আল্লাহ! যদি এই সমুদ্র না থাকত, আমি তোমার নামে আরো এগিয়ে যেতাম!" - কায়রোয়ান শহর প্রতিষ্ঠা করেন যা পরবর্তীতে ইসলামী জ্ঞানের কেন্দ্র হয় ১৩. সিন্ধু বিজয় (৯৩ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: মাত্র ১৭ বছর বয়সী মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের প্রথম প্রবেশ ঘটে। অবদান: - মুহাম্মদ বিন কাসিম অসাধারণ সামরিক প্রতিভায় রাজা দাহিরকে পরাজিত করেন - সিন্ধু ও মুলতান মুসলিমদের অধীনে আসে - উপমহাদেশে ইসলামের বিস্তারের সূচনা হয় ১৪. স্পেন বিজয় — তারিক বিন যিয়াদের অভিযান (৯২ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: তারিক বিন যিয়াদ মাত্র ৭,০০০ সৈন্য নিয়ে স্পেনে প্রবেশ করেন এবং ভিজিগথ রাজা রডারিককে পরাজিত করেন। জিব্রালটার পর্বতে নৌকা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ইতিহাসে অমর। অবদান: - তারিক বিন যিয়াদ ঐতিহাসিক ভাষণে বলেন: "সামনে শত্রু, পেছনে সমুদ্র — পালানোর পথ নেই, কেবল বিজয় অথবা শাহাদাত!" - গুয়াদালকিভির নদীর তীরে রডারিককে পরাজিত করেন - ইউরোপে ইসলামের সোনালি যুগের দরজা উন্মোচিত হয় ১৫. তুর বা পোয়াতিয়ের যু*দ্ধ (১১৪ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ফ্রান্সের গভীরে মুসলিম অভিযান। আবদুর রহমান আল-গাফিকি ফ্রান্কিশ বাহিনীর কাছে পরাজিত হন। ইউরোপে ইসলামের উত্তরাভিমুখী অগ্রগতি এখানেই থেমে যায়। অবদান: - আবদুর রহমান আল-গাফিকি বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে শহীদ হন - মুসলিম বাহিনী ইউরোপের কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছেছিল — যা ইতিহাসে অভূতপূর্ব তাবে-তাবেইনদের যুগ (১৫০–২৫০ হিজরি) ১৬. তালাসের যু*দ্ধ (১৩৩ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: মধ্য এশিয়ায় আব্বাসীয় মুসলিম বাহিনী বনাম চীনা তাং সাম্রাজ্যের মধ্যে যু*দ্ধ। মুসলিমরা বিজয়ী হন। অবদান: - যিয়াদ বিন সালিহ মুসলিম বাহিনীর নেতৃত্ব দেন - মধ্য এশিয়ায় চীনা প্রভাব চিরতরে শেষ হয় - কাগজ তৈরির প্রযুক্তি চীনা যুদ্ধবন্দিদের কাছ থেকে মুসলিমরা শেখেন — যা পরবর্তীতে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিকাশে বিপ্লব আনে রাসূল ﷺ-এর ইন্তিকালের পর ইসলামের পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। একদিকে রিদ্দার ভয়াবহ ফিতনা, অন্যদিকে পারস্য ও রোমান সাম্রাজ্যের মতো পরাশক্তি — সব মিলিয়ে ইসলামকে প্রতিটি মুহূর্তে টিকে থাকার সংগ্রাম করতে হয়েছে। কিন্তু সাহাবা, তাবেইন ও তাবে-তাবেইনরা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে — ঈমানের শক্তির সামনে কোনো সাম্রাজ্যই চিরস্থায়ী নয়। তারিক বিন যিয়াদের জ্বলন্ত নৌকা থেকে শুরু করে উকবা বিন নাফের অটলান্টিকের তীরের সেই অবিস্মরণীয় ঘোষণা — প্রতিটি ঘটনাই সাক্ষ্য দেয় যে এই মানুষগুলো কেবল যু*দ্ধ করেননি, তাঁরা আল্লাহর জন্য সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন। আজকের মুসলিম উম্মত পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে আছে — স্পেন থেকে সিন্ধু, কনস্টান্টিনোপল থেকে কায়রো — এই বিস্তারের পেছনে রয়েছে সেই অকুতোভয় প্রজন্মগুলোর রক্ত, ঘাম ও অশ্রু। তাই তাঁদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব হলো — তাঁদের জন্য দু'আ করা, তাঁদের থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং সেই আমানত — ইসলামকে — আগামী প্রজন্মের কাছে অক্ষুণ্ণ রেখে যাওয়ার পাশাপাশি নিজেদেরকে ও নিজেদের সন্তানদেরকেও তাদের মতো বীর মুজা/হিদ হিসেবে গড়ে তোলা।

2
আল ফিরদাউস এর সম্পাদক মুহতারাম ইবরাহীম হাসান হাফিযাহুল্লাহ’র কলাম মুসলিমদের প্রথম ও শেষ রক্ষাকবচঃ মুজা/হিদিনে উম্মত (পর্ব - ৩) খুলাফায়ে রাশেদিন, সাহাবা, তাবেইন ও তাবে-তাবেইনদের যুগের প্রধান যু*দ্ধসমূহ ও মুজা/হিদিনে উম্মতের অবদান খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ (১১–৪০ হিজরি) ১. রিদ্দার যু*দ্ধসমূহ (১১–১২ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রাসূল ﷺ-এর ইন্তিকালের পর বহু আরব গোত্র ইসলাম ত্যাগ করে এবং মিথ্যা নবীদের অনুসরণ শুরু করে। খলিফা আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এই ভয়াবহ ফিতনা দমন করতে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেন। অবদান: - হযরত আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) দৃঢ়তার সাথে যাকাত অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে যু*দ্ধ ঘোষণা করেন - খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মিথ্যা নবী মুসায়লামাতুল কাযযাবকে ইয়ামামার যু*দ্ধে পরাজিত করেন - এই যুদ্ধে ৭০০-এরও বেশি হাফেজে কুরআন শহীদ হন - এই ঘটনার পরেই কুরআন গ্রন্থাকারে সংকলনের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২. ইয়ামামার যু*দ্ধ (১২ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রিদ্দা যু*দ্ধের সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যায়। মিথ্যা নবী মুসায়লামার নেতৃত্বে ৪০,০০০-এর বাহিনীর বিরুদ্ধে মুসলিম বাহিনী যুদ্ধ করে। অবদান: - খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অসাধারণ সামরিক কৌশলে যুদ্ধ পরিচালনা করেন - বারাআ বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) "মৃত্যু উদ্যান"-এ ঝাঁপ দিয়ে দরজা খুলে দেন - ওয়াহশি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মুসায়লামাকে হত্যা করেন ৩. ইরাক বিজয় অভিযান (১২–১৪ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: পারস্য সাম্রাজ্যের অধীনস্থ ইরাক অঞ্চলে ইসলামের বিস্তার ঘটাতে একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়। অবদান: - মুসান্না বিন হারিসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) প্রথম ইরাক অভিযান শুরু করেন - আবু উবাইদ সাকাফি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) জিসর যুদ্ধে বীরত্বের সাথে শহিদ হন - খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) উল্লাইস ও হিরার যুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনেন ৪. আজনাদাইনের যুদ্ধ (১৩ হিজরি, ৬৩৪ খ্রি.) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: সিরিয়ায় বাইজেন্টাইন রোমান বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম বড় যু*দ্ধ। মুসলিম বাহিনী অভূতপূর্ব বিজয় লাভ করে। অবদান: - খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ইরাক থেকে দ্রুতগতিতে সিরিয়ায় এসে নেতৃত্ব দেন - ইকরিমা বিন আবি জাহল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বীরত্বের সাথে লড়াই করে শহীদ হন - সিরিয়া বিজয়ের পথ উন্মুক্ত হয় ৫. ইয়ারমুকের যু*দ্ধ (১৫ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম সেরা যুদ্ধ। মাত্র ৩৬,০০০ মুসলিম বনাম ২,৪০,০০০ রোমান বাহিনী। মুসলিমরা অলৌকিক বিজয় লাভ করেন এবং সিরিয়া চিরতরে রোমান শাসনমুক্ত হয়। অবদান: - খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অতুলনীয় সামরিক কৌশলে যু*দ্ধ পরিচালনা করেন - আবু উবাইদা আমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সর্বোচ্চ সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন - মুসলিম নারীরাও তাঁবুর খুঁটি নিয়ে পালানো সৈন্যদের ফিরিয়ে আনেন - ইকরিমা, হারিস, হিশাম বিন আস (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) শহীদ হন ৬. কাদিসিয়ার যু*দ্ধ (১৫–১৬ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: পারস্য সাসানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তমূলক যু*দ্ধ। এই যুদ্ধের পর পারস্য সাম্রাজ্যের মেরুদণ্ড ভেঙে পড়ে। অবদান: - সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সেনাপতি হিসেবে অসাধারণ নেতৃত্ব দেন - কা'কা বিন আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বারবার শত্রুর ব্যূহ ভেদ করেন - পারস্যের সেনাপতি রুস্তম নিহত হয় এবং সুবিশাল পারস্য সাম্রাজ্য কাঁপতে থাকে ৭. বায়তুল মাকদিস বিজয় (১৬ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান বায়তুল মাকদিস বিজিত হয়। খলিফা উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) স্বয়ং সেখানে গিয়ে চাবি গ্রহণ করেন। অবদান: - আবু উবাইদা আমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) দীর্ঘ অবরোধের পর শহর নিয়ন্ত্রণে নেন - উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বিজয়ের পরও অত্যন্ত বিনম্রভাবে শহরে প্রবেশ করেন - খ্রিস্টান অধিবাসীদের জীবন, সম্পদ ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা দেওয়া হয় ৮. নিহাওয়ান্দের যুদ্ধ (২১ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: পারস্য সাম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতনের যুদ্ধ। ইতিহাসে এটি "ফাতহুল ফুতুহ" বা বিজয়ের বিজয় নামে খ্যাত। অবদান: - নু'মান বিন মুকাররিন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সেনাপতি হিসেবে শহীদ হন - হুযায়ফা বিন ইয়ামান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর স্থলে নেতৃত্ব নিয়ে বিজয় নিশ্চিত করেন - এরপর পারস্য সাম্রাজ্য সম্পূর্ণরূপে মুসলিমদের অধীনে আসে ৯. মিসর বিজয় (২০ হিজরি) সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: আমর বিন আস (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে মাত্র ৪,০০০ সৈন্য নিয়ে মিসর বিজয় করা হয়, যা তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রোমান প্রদেশ ছিল। অবদান: - আমর বিন আস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অসাধারণ কূটনৈতিক ও সামরিক দক্ষতায় মিসর জয় করেন - যুবাইর বিন আওয়াম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) একাই দুর্গের প্রাচীর বেয়ে উঠে দরজা খুলে দেন - উত্তর আফ্রিকায় ইসলামের বিস্তারের দ্বার উন্মোচিত হয় তাবেইনদের যুগের প্রধান যু*দ্ধ (৪১–১৫০ হিজরি)
42
3
Нет текста...
36
4
এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ খাতের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
147
5
আফগানিস্তানে প্রথমবারের মতো তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ খাতকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষায়িত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর আয়োজন করতে যাচ্ছে
আফগানিস্তানে প্রথমবারের মতো তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ খাতকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষায়িত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর আয়োজন করতে যাচ্ছে ইমারাতে ইসলামিয়া। রাজধানী কাবুলে অনুষ্ঠিতব্য এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, বিভিন্ন খাতের অর্জন এবং আধুনিক প্রযুক্তির সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে। আফগানিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশনের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সাবির লতিফি হাফিযাহুল্লাহ জানিয়েছেন, পাঁচ দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী আগামী ৪ আগস্ট, মঙ্গলবার থেকে ৮ আগস্ট, শনিবার পর্যন্ত কাবুলে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ খাতের উন্নয়ন জনগণের সামনে তুলে ধরা, প্রযুক্তি বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং বিভিন্ন খাতের অর্জন প্রদর্শন করা। তিনি আরও জানান, আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে ভারত, রাশিয়াসহ বিভিন্ন অংশীদার দেশের সঙ্গে যৌথভাবে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
155
6
আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে অবকাঠামো, পানি, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবহন খাতের উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করতে প্রায় সাড়ে ১
আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে অবকাঠামো, পানি, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবহন খাতের উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করতে প্রায় সাড়ে ১.৩ বিলিয়ন আফগানি ব্যয়ে ১৩টি নতুন উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার ক্রয় কমিশন। একইসঙ্গে ১৬টি চলমান প্রকল্পের প্রয়োজনীয় সংশোধনীও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মৌলভী আব্দুল গনি বারাদার আখুন্দ হাফিযাহুল্লাহর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিশনের বৈঠকে এসব প্রকল্প অনুমোদিত হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পাকতিয়া প্রদেশের জানি খেল জেলায় একটি হাসপাতাল নির্মাণ, টেলিযোগাযোগ সেবা সম্প্রসারণ, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ প্রকল্প এবং কাবুলে বেশ কয়েকটি সড়ক নির্মাণ। ইমারাতে ইসলামিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনুমোদিত সব প্রকল্পের অর্থায়ন সরাসরি ইমারাতে ইসলামিয়ার জাতীয় বাজেট থেকে করা হবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, জনসেবা, কর্মসংস্থান এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
166
7
অপরদিকে সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস অভিযোগ করেছে, স্বতন্ত্র ভরদ্বাজ ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি চলাকালে এক বিক্ষোভকারীর (সঞ্জয়) পিতার ওপর হামলা চালিয়ে তার মাথা ভেঙ্গে দিয়েছিল। সে ভরদ্বাজের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা ও গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০ জুলাই ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচির শুরু থেকেই বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ও দিল্লি পুলিশের বর্বরতার সমর্থনে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেছে স্বতন্ত্র ভরদ্বাজ। ঐতিহাসিক যন্তর মন্তর প্রাঙ্গণে মুখোমুখি অবস্থানে থাকা দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
134
8
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ২৩ জুলাই (বৃহস্পতিবার) একদল উ*গ্র হি*ন্দুত্ববা*দী কর্মী জড়ো হয়েছে। তারা ককরোচ জনতা পার
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ২৩ জুলাই (বৃহস্পতিবার) একদল উ*গ্র হি*ন্দুত্ববা*দী কর্মী জড়ো হয়েছে। তারা ককরোচ জনতা পার্টি'র বিক্ষোভকারীদের হুমকি দিয়ে বলেছে, দিল্লিতে এবার ‘আসল গুন্ডাগিরি’ কেমন, তা দেখানো হবে। উ*গ্র হি*ন্দুত্ববা*দী গোরক্ষা আন্দোলন কর্মী স্বতন্ত্র ভরদ্বাজ দাবি করেছে, “ বিক্ষোভ দমনে পুলিশের সাথে সিভিল পোশাক পরিহিত লোকেরা কোনও গুন্ডা ছিল না, তারাও পুলিশ সদস্য ছিল। তবে এখন সত্যিকারের গুন্ডারা (উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা) মাঠে নেমেছে, আর এবার দিল্লিতে আসল গুন্ডাগিরি কাকে বলে তা দেখানো হবে।” ভরদ্বাজ আরও দাবি করেছে, তারা দিল্লিজুড়ে ‘ককরোচ’দের খুঁজে বেড়াচ্ছে। দিল্লি পুলিশের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এতদিন তারা ধৈর্য ধরেছে। তবে শীঘ্রই সব গোরক্ষক ও সনাতনী সমর্থকদের একত্রিত করা হবে। সে দিল্লিবাসীকে সতর্ক করে বলেছে, “আমরা একটি দিন ও সময় নির্ধারণ করব। এরপর সব গোরক্ষক ও সনাতনী ভাইয়েরা দিল্লি ঘেরাও করবে। সবাই সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন।”
137
9
অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনে, বর্ধিত চেকপোস্ট ও ব্যারিকেড স্থাপনসহ সাধারণ মুসলমানদের চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে দখলদার কর্তৃপক্ষ। স্বাধীনতাপন্থী কর্মী ও তাদের সহযোগীদের অনুসন্ধানের লক্ষ্যে অধিকৃত ভূখণ্ডে ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
160
10
চলমান দমন-নিপীড়নের ধারাবাহিকতায় অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের ইসলামাবাদ জেলায় দুই কাশ্মীরি মুসলিমের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে দখলদার ক
চলমান দমন-নিপীড়নের ধারাবাহিকতায় অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের ইসলামাবাদ জেলায় দুই কাশ্মীরি মুসলিমের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে দখলদার কর্তৃপক্ষ। ২২ জুলাই (বুধবার) ইসলামাবাদের লাল চক এলাকার নিকটে দখলদার পুলিশের একজন হেড কনস্টেবল অজ্ঞাত বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হয়। এর একদিন পরেই এই ধ্বংস অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভুক্তভোগীরা হলেন বিজবেহারা এলাকার বাসিন্দা আদিল আহমেদ ঠোকার এবং হাসানপোরা এলাকার বাসিন্দা হারুন রশিদ গানাই। কথিত জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অজুহাত দেখিয়ে তাদের বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সূত্রমতে, ভুক্তভোগী আদিল আহমেদ ঠোকারের নবনির্মিত বাড়িটি বিস্ফোরক ব্যবহার করে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে ফেলা হয়েছে। এর আগে পেহেলগাম হামলার সূত্র ধরে এপ্রিল, ২০২৫-এ তার পৈতৃক বাড়িটি ধ্বংস করা হয়েছিল। এছাড়া দখলদার পুলিশ সদস্যের নিহতের অজুহাতে কাশ্মীরের সাধারণ মুসলিমদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত রেখেছে হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় বাহিনী। ঘটনার মাত্র একদিনের ব্যবধানেই ৩০০০ এর অধিক নিরপরাধ কাশ্মীরিকে আটক করা হয়েছে।
172
11
গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় চতুর্থ শ্রেণির পাঠদান কক্ষে কোনো শিক্ষক উপস্থিত ছিলে্ন না। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী ফুটবল খেলায় আর্জেন্টিনার হার নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক গান গাইতে শুরু করে। শিক্ষার্থীদের গানের শব্দ শুনে ক্ষুব্ধ হয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে সহকারী শিক্ষক আব্দুস সালাম। অভিযোগ উঠেছে, সে নিজের পছন্দের ফুটবল দলকে নিয়ে ব্যঙ্গ সইতে না পেরে একটি প্লাস্টিকের বৈদ্যুতিক তার দিয়ে শ্রেণিকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের ওপর এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। এতে কক্ষে থাকা ২৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৭ জন ছেলে-মেয়ে আহত হয়। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়। রাতে বিদ্যালয় সংলগ্ন নারচী মোড় এলাকায় স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। তারা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর এমন নির্মম শারীরিক নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং অনতিবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার দাবি জানান। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুস সালাম সাংবাদিকদের কাছে নিজের ভুল স্বীকার করে অনুশোচনা প্রকাশ করে। সে জানায়, বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেবে।
166
12
নওগাঁয় আর্জেন্টিনা ফুটবল দলকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক গান গাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের ওপর এক শিক্ষকের বেধ
নওগাঁয় আর্জেন্টিনা ফুটবল দলকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক গান গাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের ওপর এক শিক্ষকের বেধড়ক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একই শ্রেণির ১৭ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে নওগাঁ সদর উপজেলার নারচী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আব্দুস সালাম, সে বিদ্যালয়টিতে সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
154
13
অপরদিকে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শুধু ছাত্র জনতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সংঘর্ষের পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তাদের দাবি, আন্দোলনকারীদের ওপর বলপ্রয়োগ, পুলিশি ভূমিকা এবং ঘটনাস্থলে সিভিল পোশাকে থাকা অন্যান্য ব্যক্তিদের সহিংস কর্মকাণ্ডগুলো তদন্তের আওতায় আনা উচিত। সংঘর্ষের পেছনের পূর্ণ প্রেক্ষাপট খতিয়ে না দেখে একতরফা ছাত্রদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে তা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হবে।
145
14
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)–এর বিক্ষোভে সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছ
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)–এর বিক্ষোভে সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের পাসপোর্ট বাতিল হতে পারে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই বিক্ষোভ একপর্যায়ে সহিংস রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হস্তক্ষেপ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তাই দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার ব্যাপক তদন্ত চলছে। সিসিটিভি ফুটেজ, ভিডিও এবং অন্যান্য ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে যাদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হবে, তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছে, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা কিংবা সরকারি সম্পদ নষ্ট করার ঘটনায় যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংগৃহীত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে তাদের পাসপোর্টও বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
148
15
উল্লেখ্য, ৮ অক্টোবর ২০২৩ থেকে গাজায় ইসরায়েলের চলমান গণহ*ত্যামূলক যু*দ্ধে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন, প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার আহত হয়েছেন এবং গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।
149
16
যু*দ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও গাজায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। ২৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার একাধিক হামলায় দ
যু*দ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও গাজায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। ২৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার একাধিক হামলায় দুই ফিলিস্তিনি শ*হীদ হয়েছেন এবং দুই শিশুসহ আরও চারজন আহত হয়েছেন। গাজার চিকিৎসকরা এসব হাম*লাকে যুদ্ধবিরতির ধারাবাহিক লঙ্ঘনের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। গাজার চিকিৎসা সূত্র জানায়, উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে বেসামরিক লোকজনের একটি সমাবেশে বর্বর ই*সরা*য়েলি ড্রোন হাম*লায় দুই তরুণ শহীদ হন। এ হামলায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আল-ইয়ামান আল-সাঈদ হাসপাতালের কাছে ওই সমাবেশকে লক্ষ্য করে হা*মলাটি চালানো হয়। এদিকে দক্ষিণ গাজার খান ইউনুসের আল-মাওয়াসি এলাকায় ই*সরা*য়েলি সামরিক যান থেকে গুলিবর্ষণে দুই শিশুসহ চার ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। একই সময়ে বুরেইজ শরণার্থী শিবিরে বাস্তুচ্যুতদের তাঁবুতেও গুলি বর্ষণ করে সন্ত্রাসী ই*সরা*য়েলি বাহিনি। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত কয়েক দিন ধরে এলাকাটিতে ইসরায়েলি বাহিনীর টানা গুলিবর্ষণে বাস্তুচ্যুত বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হয়েছেন।
158
17
Нет текста...
199
18
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ৯ আগস্ট চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন করবেন। উক্ত ফুটবল টুর্নামেন্ট সারা বাংলাদেশে একই তারিখ ও সময়ে একযোগে শুরু হবে। এ লক্ষ্যে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফুটবল দল গঠন করা এবং দলকে প্রস্তুত করার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। এ প্রেক্ষিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বলা হলো। নির্দেশনাগুলো হলো— শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার আগ্রহ বৃদ্ধি এবং দক্ষ খেলোয়াড় নির্বাচনের লক্ষ্যে শ্রেণিভিত্তিক আন্তঃশ্রেণি ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে যোগ্যতার ভিত্তিতে দাখিল (৬ষ্ঠ-১০ম) শ্রেণির একটি ছাত্র ও একটি ছাত্রী এবং আলিম (১ম বর্ষ ও ২য় বর্ষ) শ্রেণির একটি ছাত্র ও একটি ছাত্রী ফুটবল দল গঠন করতে হবে। গঠিত দলের জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক/প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত অনুশীলনের ব্যবস্থা করতে হবে। খেলাধুলার মাধ্যমে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দলগত চেতনা ও সুস্থ জীবনধারার বিকাশে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। টুর্নামেন্ট সংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে সকল প্রতিষ্ঠানে ফুটবল দল গঠন পূর্বক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত মেইলে প্রেরণ করতে হবে। উপর্যুক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, স্থানীয় ক্রীড়ানুরাগী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষানুরাগীদের সম্পৃক্ত করে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নে আন্তরিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।' বিষয়টি অতীব জরুরি বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের এমন নির্দেশনার পর তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে। উল্লেখ্য যে, ধর্মীয় চেতনা থেকেই অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের মাদরাসায় পড়াতে পাঠান। মাদরাসাগুলো গড়েই উঠেছে ইসলামী চেতনার আলোকে। এছাড়া ইসলামে নারীদের সতর ঢেকে রাখা ও পর্দা করা একটি ফরজ বিধান। সেখানে মাদরাসা ছাত্রীদের ফুটবল খেলায় ফুটবল খেলায় অংশগ্রহণ করানোটা মাদরাসা শিক্ষার বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক।
602
19
দেশের সব আলিয়া মাদরাসায় দাখিল-আলিম শ্রেণির ছাত্রীদের দিয়ে ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্
দেশের সব আলিয়া মাদরাসায় দাখিল-আলিম শ্রেণির ছাত্রীদের দিয়ে ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ উপলক্ষ্যে ৬ষ্ঠ থেকে আলিম পর্যন্ত শ্রেণিভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়ে ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। সম্প্রতি বোর্ডের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম তৌহিদুজ্জামানের সই করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
574
20
তিনি বলেন, দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা ইসলামী ও শরিয়াভিত্তিক নীতিমালার যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর নির্ভরশীল এবং বর্তমান ইসলামী শাসনব্যবস্থাই দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের মূল ভিত্তি।
389