Al Firdaws
আমাদের সকল প্লাটফর্মে যুক্ত হোন- https://linktr.ee/AlFirdaws01
Больше📈 Аналитический обзор Telegram-канала Al Firdaws
Канал Al Firdaws (@alfirdaws02) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 10 935 подписчиков, занимая 17 587 место в категории Новости и СМИ и 2 141 место в регионе Бангладеш.
📊 Показатели аудитории и динамика
С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 10 935 подписчиков.
Согласно последним данным от 24 июля, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 195, а за последние 24 часа — 7, при этом общий охват остаётся высоким.
- Статус верификации: Не верифицирован
- Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 6.28%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 4.05% реакций от общего числа подписчиков.
- Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 687 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 443 просмотров.
- Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 13.
📝 Описание и контентная политика
Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
“আমাদের সকল প্লাটফর্মে যুক্ত হোন-
https://linktr.ee/AlFirdaws01”
Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 25 июля, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Новости и СМИ.
Загрузка данных...
| Дата | Привлечение подписчиков | Упоминания | Каналы | |
| 25 июля | +1 | |||
| 24 июля | +7 | |||
| 23 июля | +10 | |||
| 22 июля | +19 | |||
| 21 июля | 0 | |||
| 20 июля | +4 | |||
| 19 июля | 0 | |||
| 18 июля | 0 | |||
| 17 июля | +13 | |||
| 16 июля | +11 | |||
| 15 июля | 0 | |||
| 14 июля | +1 | |||
| 13 июля | 0 | |||
| 12 июля | 0 | |||
| 11 июля | 0 | |||
| 10 июля | +1 | |||
| 09 июля | 0 | |||
| 08 июля | 0 | |||
| 07 июля | +6 | |||
| 06 июля | +19 | |||
| 05 июля | +135 | |||
| 04 июля | +90 | |||
| 03 июля | +2 | |||
| 02 июля | +2 | |||
| 01 июля | +2 |
| 2 | যুক্তরাজ্যে প্রতি ৫ দিনে গড়ে একটি মসজিদ চরমপন্থীদের হামলার শিকার হচ্ছে। বিগত এক বছরে দেশটিতে মসজিদকে টার্গেট করে ৭০ এরও অধিক হামলার ঘটনা রেকর্ড হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ব্রিটিশ মুসলিম ট্রাস্ট (BMT) সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।
সংস্থাটি আরও সতর্ক করেছে যে, যুক্তরাজ্যে মসজিদে হামলার প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে, এ বিষয়ে সরকারের জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।
BMT-এর তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলার মধ্যে রয়েছে ভয়ভীতি প্রদর্শন, সহিংসতা, সম্পত্তির ক্ষতি, হয়রানি, মুসলিম-বিদ্বেষী বক্তব্য, অনলাইন ইসলামবিরোধী প্রচারণা এবং ভাঙচুরের ঘটনা।
এর আগে ব্রিটিশ মুসলিম ট্রাস্ট ও ব্রিটিশ ফিউচারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যের প্রতি ৬ নাগরিকের একজন মনে করে, মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি দেশটির সংস্কৃতির জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি মুসলিমদের প্রতি শত্রুতামূলক মনোভাব স্বাভাবিক হয়ে ওঠার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। | 1 |
| 3 | মধ্য সোমালিয়ার হিরান এবং আফগোয়ে জেলায় ২টি সফল অভিযান চালিয়েছেন আশ-শা/বাব মু*জাহি/দরা। এতে মোগাদিশু বাহিনীর অন্তত ৬ সৈন্য নিহত এবং আরও ৪ সৈন্য আহত হয়েছে, বন্দী হয়েছে আরও কতক শত্রু সৈন্য।
শা/হাদাহ এজেন্সির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩শে জুলাই বৃহস্পতিবার, মধ্য সোমালিয়ার হিরান রাজ্যের তিয়দান জেলার উপকণ্ঠে ভারী আক্রমণ চালিয়েছেন আশ-শা/বাব মু*জাহি/দরা। মোগাদিশু বাহিনীকে টার্গেট করে মু*জাহি/দদের পরিচালিত এই আক্রমণে এক অফিসার সহ অন্তত ৪ শত্রু সৈন্য নিহত এবং আরও ৩ সৈন্য আহত হয়েছে।
এছাড়াও আশ-শা/বাব মু*জাহি/দরা পরাজিত মোগাদিশু বাহিনীর বেশ কয়েকজন সৈন্যকে বন্দী করতে সক্ষম হয়েছেন। আর এই অভিযান থেকে মু*জাহি/দরা গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন ৪টি একে-৪৭ রাইফেল, ২টি আরপিজি এবং অন্যান্য সরঞ্জাম।
এদিন হারা/কাতুশ শা/বাব মু*জাহি/দরা লোয়ার শাবেলি রাজ্যের আফগোয়ে জেলাতেও একটি বিস্ফোরক অভিযান চালিয়েছেন। দূর থেকে শোনা যাওয়া এই বিস্ফোরণটি মোগাদিশু প্রশাসনের প্রধান হাসান গুরগুর্তের মিলিশিয়াদের লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। এই বিস্ফোরণের ফলে হাসান শেখের মিলিশিয়া বাহিনীর অন্তত ২ সৈন্য নিহত এবং আরও ১ সৈন্য আহত হয়েছে। | 65 |
| 4 | সজিব চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দলটি তাকে রড, বাঁশের লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে জোরপূর্বক একটি প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে শরীফ সরকারের বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে গ্যাসের চুলায় লোহার রড গরম করে দুই পা ও বাম হাতে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়। এছাড়া গরম রড ও লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায় এবং গুরুতর জখম হন। নির্যাতনের একপর্যায়ে ব্যবসায়ী সজিব অচেতন হয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ বুধবার (২২ জুলাই) রাত দেড়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে সজিবকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় শরীফ সরকার, ড্রাইভার মুন্না, আনোয়ার হোসেন ও সুজন মিয়াসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে শ্রীপুর মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। এজাহারে জেলা শ্রমিক দল নেতা শরীফের নেতৃত্বে হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। | 89 |
| 5 | গাজীপুরের শ্রীপুরে চাঁদা না দেওয়ায় এক ব্যবসায়ীকে দোকান থেকে তুলে নিয়ে গরম রড দিয়ে ছ্যাঁকা এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে জেলা শ্রমিক দল নেতা শরীফ। এ ঘটনার পর ব্যবসায়ী সজিব মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টেপিরবাড়ী (দেওচালা) এলাকার বাসিন্দা ও এমসি বাজারের ফার্নিচার ও ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী সজিব মিয়া (৩০) দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে গাজীপুর জেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শরীফের নেতৃত্বে সঙ্ঘবদ্ধ একটি দল তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। | 91 |
| 6 | ঢাকার মিরপুরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবদলের এক কর্মী নিহত হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে মিরপুর ১৩ নম্বরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও ২জন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় অস্ত্রধারী এক সন্দেহভাজনকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
নিহত ব্যক্তির নাম ইউসুফ আলী ওরফে পারভেজ (৪৫)। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাকরালে। তিনি কাফরুল থানা যুবদলের কর্মী ছিল। আহত দুজন হলেন যুবদলের আরেক কর্মী মনির হোসেন (৩২) ও কাঁচামাল বিক্রেতা সালাম সরদার (৪৫)।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কাফরুল থানা যুবদলের সদস্য সচিব হাফিজুল ইসলাম বাবুর সঙ্গে যুবদলকর্মী ইউসুফ, মনির মিরপুর ১৩ নম্বরে ওপেক্স গার্মেন্টসের সামনে একটি দোকানের সামনে আড্ডা দিচ্ছিল। এ সময় চার-পাঁচজন যুবক সেখানে ঘোরাঘুরি করছিল। উপস্থিত লোকেরা ওই যুবকদের কাছে ঘোরাঘুরির কারণ জানতে চান। এই সময়ের মাঝেই তারা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়, এতে ইউসুফের বুকে গুলি লাগে, মনিরের বাঁ পায়ে ও সালামের মাথার ডান পাশে গুলি লাগে।
ইউসুফকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। | 101 |
| 7 | জানা গেছে, ভুক্তভোগী পরিবার গজিয়াপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে। প্রতিবেশী হওয়ায় অভিযুক্তের পরিবারের সাথে তাদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। রোববার (১৯ জুলাই) সকালে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত জিহাদ শিশুটিকে পেয়ারা পেরে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ডেকে নিয়ে যায়। পরে শিশুটি মূসা মন্ডলের বদ্ধ ঘর থেকে কান্না করতে করতে বের হয়ে আসে এবং দাদির কাছে সব ঘটনা প্রকাশ করে। পরে দাদি নাতনির পোশাকে রক্তের দাগ দেখতে পান।
অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর অভিযুক্তের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়া এবং স্থানীয় সালিশের নামে পাঁচদিন কালক্ষেপণ করে ভুক্তভোগী পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরবর্তীতে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার পুলিশকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. ফরহাদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, সকালে ধর্ষণের অভিযোগে শিশুটিকে নিয়ে আসা হয়েছিল। প্রাথমিক পরীক্ষায় আলামত পাওয়া না গেলেও ঘটনার পাঁচদিন পার হওয়ায় তা নষ্ট হয়ে থাকতে পারে। অধিকতর ও উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য শিশুটিকে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) রেফার করা হয়েছে। | 97 |
| 8 | গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পেয়ারা খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে প্রতিবেশী এক যুবক। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত যুবক পলাতক রয়েছে।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের ফুলপুকুরিয়া গজিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের মুছা মন্ডলের ছেলে জিহাদ মন্ডল (১৪) বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শিশুটিকে পেয়ারা খাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জানা গেছে, ভুক্তভোগী পরিবার গজিয়াপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে। প্রতিবেশী হওয়ায় অভিযুক্তের পরিবারের সাথে তাদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। রোববার (১৯ জুলাই) সকালে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত জিহাদ শিশুটিকে পেয়ারা পেরে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ডেকে নিয়ে যায়। পরে শিশুটি মূসা মন্ডলের বদ্ধ ঘর থেকে কান্না করতে করতে বের হয়ে আসে এবং দাদির কাছে সব ঘটনা প্রকাশ করে। পরে দাদি নাতনির পোশাকে রক্তের দাগ দেখতে পান। | 90 |
| 9 | স্থানীয়রা সাংবাদিকদের জানায়, ঘটনা ধামাচাপা দিতে এএসআই আব্দুল হাকিম এক ইউপি কর্মচারীর মোবাইল ফোন থেকে সিসিটিভি মনিটরিং অ্যাপ ও ফুটেজ মুছে দেয়। এর পরদিন ভবানীপুর গ্রামে অন্য একটি অভিযানে গেলে স্থানীয়দের বাধার মুখে পুলিশ সদস্যরা ফিরে আসতে বাধ্য হয়। এরপরই বিষয়টি পুরো এলাকায় জানাজানি হয় এবং তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার সাংবাদিকদের জানায়, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় চার পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। | 126 |
| 10 | সম্প্রতি লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদকের বড় একটি চালান উদ্ধার করে। তবে উদ্ধার হওয়ার পর মাদকের চালানটি ১০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে সমঝোতা করে প্রাইভেটকারসহ মাদক কারবারিদের হাতে ছেড়ে দেয় পুলিশের অফিসাররা।
অভিযুক্ত চার পুলিশ কর্মকর্তা হল- হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক তুহিন, উপ-পরিদর্শক রিমন মিয়া এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক আব্দুল হাকিম ও লুৎফর রহমান।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতীবান্ধা উপজেলার বোর্ডের হাট বাজারের পূর্ব পাশে এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালায় ওই চার পুলিশ কর্মকর্তা। অভিযানে একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার, একটি মোটরসাইকেল ও বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়।
তবে জব্দকৃত মাদক থানায় না নিয়ে ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে যায় তারা। সেখানে মাদক কারবারিদের সাথে ১০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে আটককৃত প্রাইভেটকার ও মাদকের চালানটি ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। | 123 |
| 11 | পুলিশ সূত্র সাংবাদিকদের জানায়, কোনো ব্যক্তি পলাতক অবস্থায় দেশের যেকোনো আদালতে দণ্ডিত হলে তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়। বর্তমানে গোদাগাড়ী থানায় সাজাপ্রাপ্ত মামলার ওয়ারেন্ট তদারকির দায়িত্বে রয়েছে উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম। আর বিচারাধীন মামলার ওয়ারেন্ট দেখভাল করে এসআই নাজমুল ইসলাম।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, গত ৮ জুলাই আঁচুয়া তালতলা গ্রামে রাসেলের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১১ জুলাই তার ভাতিজা রাকিবুর হাসান বাদী হয়ে গোদাগাড়ী থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। আসামিরা রিমান্ডে থাকা অবস্থায় ১৯ জুলাই থানায় যায় রাসেল। সেখানে সে চুরির মামলার অগ্রগতি নিয়ে ওসি আতিকুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে এবং একই দিনে পল্টন থানার মামলার জামিনের কাগজ জমা দেয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, আমার বিষয়টি মনে পড়ছে না।
ওয়ারেন্ট অফিসার এসআই নাজমুল ইসলাম বলেন, আমি বিচারাধীন মামলার ওয়ারেন্ট দেখি। রাসেলের বিরুদ্ধে পল্টন থানার একটি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। ১৯ জুলাই ওই মামলার জামিনের কাগজ পেয়েছি। সাজাপ্রাপ্ত মামলার বিষয়টি জানি না। সেটি এসআই নুরুল ইসলাম দেখেন।
এ বিষয়ে এসআই নুরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, এগুলো অফিসিয়াল বিষয়। আমি এ নিয়ে কোনো তথ্য দিতে পারব না, কথাও বলব না।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একসময় বাসের হেলপার হিসেবে কাজ করত রাসেল। এলাকায় সে ‘চিট রাসেল’ নামে পরিচিত। চট্টগ্রামের আদালতের রায়ের নথিতেও তার এই নাম উল্লেখ রয়েছে। পরে হেরোইন ও ইয়াবা ব্যাবসার মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয় সে। রাজশাহী শহরে তার বহুতল ভবন, ফ্ল্যাট, জমিসহ বিভিন্ন স্থাবর সম্পদ রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
এর আগে একাধিকবার মাদকসহ গ্রেপ্তারও হয়েছে রাসেল। ২০১৮ সালের ১৭ অক্টোবর রাতে রাজশাহী নগরের উপশহর এলাকায় তার ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ৮৮০ পিস ইয়াবাসহ তাকে ও তার স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরও আগে ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার এলাকায় প্রায় ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি ট্রাকসহ র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয় সে।
স্থানীয়দের দাবি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরও রাসেল প্রকাশ্যে রাজশাহী শহর ও গোদাগাড়ীতে চলাফেরা করছে। বেশিরভাগ সময় সে রাজশাহী শহরের একটি ফ্ল্যাটে থাকে, মাঝে মধ্যে গ্রামের বাড়িতেও যায়।
গোদাগাড়ী নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালাহউদ্দিন বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, গোদাগাড়ীর মাদক ব্যবসায়ীরা অনেক প্রভাবশালী। বিপুল অর্থের প্রভাবে তারা নানা বিষয় ম্যানেজ করে। এ কারণে অনেক সময় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও কার্যকর হয় না। | 121 |
| 12 | যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরও রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানায় প্রকাশ্যে যাওয়া-আসা করেছে এক শীর্ষ মাদক কারবারি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মনোয়ারুল হাসান রাসেল ওরফে ‘চিট রাসেল’ নামের ওই ব্যক্তিকে চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের একটি আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয়।
দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, আদালতের রায়ের দিন রাসেল উপস্থিত ছিল না। ফলে আদালত তাকে দণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর সে আত্মসমর্পণ করেনি, আদালত থেকেও জামিন নেয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তবে গত ১৯ জুলাই সে গোদাগাড়ী থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। রাসেলের বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার আঁচুয়া তালতলা গ্রামে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় ২০১৯ সালে দায়ের হওয়া মাদক মামলার রায় ঘোষণা করা হয় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি। ওই মামলায় রাসেল ছাড়াও জামাল উদ্দিন নামে আরেক ব্যক্তি আসামি ছিল। রায়ের দিন জামাল আদালতে উপস্থিত থাকলেও রাসেল পলাতক ছিল। | 122 |
| 13 | দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী ও অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের এই যৌথ হামলায় মোট চার ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন এবং আরও চারজন আহত হয়েছেনন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক | 324 |
| 14 | অধিকৃত পশ্চিম তীরের নাবলুস শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে তাল শহরে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী ও অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের যৌথ হামলায় চার ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। একই ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
স্থানীয় ও নিরাপত্তা সূত্র জানায়, ২৪ জুলাই, শুক্রবার সকালে অবৈধ হাভাত গিলাদ বসতির কাছে অবস্থিত তাল শহরে একদল ইহুদি বসতি স্থাপনকারী হামলা চালায়। তারা পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করলে স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দেন। এ সময় বসতি স্থাপনকারীরা স্থানীয় বাসিন্দাদের উপর সরাসরি গুলিবর্ষণ শুরু করে।
তাল শহরের ফাতাহ নেতা ইসাম সাইফি জানান, প্রথম হামলায় প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন বসতি স্থাপনকারী অংশ নেয়। পরে প্রায় আধা ঘণ্টা পর তারা আবার ফিরে এসে শহরের পশ্চিম অংশে হামলা চালায় এবং এক শিশুকে অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সেখানে পৌঁছে বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে মিলে গুলিবর্ষণ শুরু করে। | 328 |
| 15 | মুসলিম প্রতিনিধিদের বক্তব্য, কাঁওয়ার যাত্রার জন্য প্রায় এক মাস মাংসের দোকান বন্ধ থাকলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। ফলে তাদের পরিবারগুলোকে কষ্ট ভোগ করতে হবে। তাই যেসব দোকান কাঁওয়ার যাত্রার রুটের বাইরে রয়েছে, সেগুলো স্বাভাবিকভাবে পরিচালনার সুযোগ প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে।
অপরদিকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছে, সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী কেবল কাঁওয়ার যাত্রার নির্ধারিত রুটে অবস্থিত আমিষ খাবারের দোকানগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশনা রয়েছে। শহরের অন্য কোনও এলাকায় মাংসের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ সরকার দেয়নি।
পর্যবেক্ষকদের মতে, সরকারি নির্দেশনায় কিছুটা শিথিলতা থাকলেও বাস্তবচর্চা ভিন্ন। উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীসমূহের তৎপরতায় মুসলিম ব্যবসায়ীরা এক প্রকার আতঙ্কের মধ্যেই দোকান বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। এক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের সহযোগিতার ক্ষেত্রে প্রশাসন বরাবরের মতোই নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। | 362 |
| 16 | ভারতে উত্তর প্রদেশের অমরোহায় হিন্দুদের কাঁওয়ার যাত্রাকে ঘিরে মাংসের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
অমরোহায় উগ্র হিন্দুত্ববাদী বজরং দল দাবি করছে, কেবল কাঁওয়ার যাত্রার রুট নয়, পুরো শহরজুড়েই যাত্রাকালীন সময়ে আমিষ খাবারের দোকান বন্ধ রাখতে হবে। তাদের দাবি, মাংসের দোকান খোলা থাকলে পূজায় যাওয়া ভক্তদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে।
অপরদিকে একাধিক মুসলিম সংগঠনের দাবি, কাঁওয়ার যাত্রার নির্ধারিত রুটের বাইরে থাকা মাংসের দোকানগুলো প্রশাসন বন্ধ করতে পারে না। অন্যথায় তারা বিষয়টি আদালতে অভিযোগ করবেন। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দাবি নিয়ে প্রশাসনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন।
সংগঠনগুলো আরও জানায়, সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্পষ্ট করেছে যে, কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শুধু নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা আইনসম্মত নয়। | 344 |
| 17 | পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে গত ১৮ জুলাই সংঘটিত হয় তাবরিচাত যু!দ্ধ। এলাকাটি মালির উত্তরাঞ্চলীয় গাও এবং আনেফিস শহরের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। উক্ত এলাকায় মালির জান্তা বাহিনীর ১০০ টিরও বেশি সামরিক যান সম্বলিত একটি সামরিক কনভয় লক্ষ্য করে জেএনআইএম ও এফএলএ যো!দ্ধারা একটি সুপরিকল্পিত আক্রমণ চালান।
কনভয়টিতে মালির জান্তা (সেনা) সদস্যদের পাশাপাশি রুশ ভাড়াটে বাহিনী এবং বামাকোর মিত্র স্থানীয় মিলিশিয়া গোষ্ঠীর সদস্যরাও ছিল।
এই যু!দ্ধে মালির জান্তা বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়, অপরদিকে রুশ বাহিনী ও স্থানীয় মিলিশিয়ারা জান্তা বাহিনীকে ময়দানে একা ফেলে গাও শহরের দিকে পালিয়ে যায়।
এফএলএ'র মাঠ পর্যায়ের সূত্রের মতে, তাবরিচাতের যু!দ্ধে নিহত সৈন্যদের মরদেহ পাঁচ দিনেরও বেশি সময় ধরে ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল। মালির জান্তা বাহিনী বা তাদের মিত্র রুশ বাহিনীর কেউই মরদেহগুলো উদ্ধার করতে আসেনি।
পরে জেএনআইএম ও এফএলএ যো!দ্ধারা ধর্মীয় ও মানবিক বিবেচনার ভিত্তিতে গত ২২ জুলাই বুধবার সন্ধ্যায় নিহত জান্তা সদস্যদের মৃতদেহগুলো দাফন করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেখানে জান্তা সদস্যদের মোট ৮২টি মৃতদেহ দাফন করা হয়। | 308 |
| 18 | ১০. কারবালার যু*দ্ধ (৬১ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: হযরত হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ইয়াজিদের অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। ইউফ্রেটিসের তীরে কারবালার প্রান্তরে তিনি ৭২ জন সঙ্গীসহ শহীদ হন।
অবদান:
- হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অন্যায়ের সামনে মাথানত না করে শাহাদাত বরণ করেন
- আব্বাস বিন আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) পানি আনতে গিয়ে উভয় হাত হারিয়ে শহিদ হন
- এই শাহাদাত উম্মতের জন্য অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চিরন্তন প্রেরণা হয়ে আছে
১১. কনস্টান্টিনোপল অবরোধ (৪৯–৫২ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রাসূল ﷺ-এর ভবিষ্যদ্বাণী পূরণের লক্ষ্যে বাইজেন্টাইন রাজধানী কনস্টান্টিনোপল অবরোধ করা হয়। এবার বিজয় হয়নি, তবে অভিযান অব্যাহত ছিল।
অবদান:
- বিখ্যাত সাহাবি আবু আইউব আনসারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এই অভিযানে শহীদ হন এবং কনস্টান্টিনোপলেই সমাহিত হন
- তাঁর কবর আজও ইস্তানবুলে বিদ্যমান
১২. উত্তর আফ্রিকা বিজয় (৫০–৯০ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: উকবা বিন নাফে (রাঃ)-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী লিবিয়া, তিউনিসিয়া ও মরক্কো পর্যন্ত ইসলামের পতাকা উড়িয়ে দেন।
অবদান:
- উকবা বিন নাফে (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অটলান্টিক মহাসাগরের তীরে পৌঁছে ঘোড়া দাবিয়ে বলেছিলেন: "হে আল্লাহ! যদি এই সমুদ্র না থাকত, আমি তোমার নামে আরো এগিয়ে যেতাম!"
- কায়রোয়ান শহর প্রতিষ্ঠা করেন যা পরবর্তীতে ইসলামী জ্ঞানের কেন্দ্র হয়
১৩. সিন্ধু বিজয় (৯৩ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: মাত্র ১৭ বছর বয়সী মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের প্রথম প্রবেশ ঘটে।
অবদান:
- মুহাম্মদ বিন কাসিম অসাধারণ সামরিক প্রতিভায় রাজা দাহিরকে পরাজিত করেন
- সিন্ধু ও মুলতান মুসলিমদের অধীনে আসে
- উপমহাদেশে ইসলামের বিস্তারের সূচনা হয়
১৪. স্পেন বিজয় — তারিক বিন যিয়াদের অভিযান (৯২ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: তারিক বিন যিয়াদ মাত্র ৭,০০০ সৈন্য নিয়ে স্পেনে প্রবেশ করেন এবং ভিজিগথ রাজা রডারিককে পরাজিত করেন। জিব্রালটার পর্বতে নৌকা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ইতিহাসে অমর।
অবদান:
- তারিক বিন যিয়াদ ঐতিহাসিক ভাষণে বলেন: "সামনে শত্রু, পেছনে সমুদ্র — পালানোর পথ নেই, কেবল বিজয় অথবা শাহাদাত!"
- গুয়াদালকিভির নদীর তীরে রডারিককে পরাজিত করেন
- ইউরোপে ইসলামের সোনালি যুগের দরজা উন্মোচিত হয়
১৫. তুর বা পোয়াতিয়ের যু*দ্ধ (১১৪ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ফ্রান্সের গভীরে মুসলিম অভিযান। আবদুর রহমান আল-গাফিকি ফ্রান্কিশ বাহিনীর কাছে পরাজিত হন। ইউরোপে ইসলামের উত্তরাভিমুখী অগ্রগতি এখানেই থেমে যায়।
অবদান:
- আবদুর রহমান আল-গাফিকি বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে শহীদ হন
- মুসলিম বাহিনী ইউরোপের কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছেছিল — যা ইতিহাসে অভূতপূর্ব
তাবে-তাবেইনদের যুগ (১৫০–২৫০ হিজরি)
১৬. তালাসের যু*দ্ধ (১৩৩ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: মধ্য এশিয়ায় আব্বাসীয় মুসলিম বাহিনী বনাম চীনা তাং সাম্রাজ্যের মধ্যে যু*দ্ধ। মুসলিমরা বিজয়ী হন।
অবদান:
- যিয়াদ বিন সালিহ মুসলিম বাহিনীর নেতৃত্ব দেন
- মধ্য এশিয়ায় চীনা প্রভাব চিরতরে শেষ হয়
- কাগজ তৈরির প্রযুক্তি চীনা যুদ্ধবন্দিদের কাছ থেকে মুসলিমরা শেখেন — যা পরবর্তীতে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিকাশে বিপ্লব আনে
রাসূল ﷺ-এর ইন্তিকালের পর ইসলামের পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। একদিকে রিদ্দার ভয়াবহ ফিতনা, অন্যদিকে পারস্য ও রোমান সাম্রাজ্যের মতো পরাশক্তি — সব মিলিয়ে ইসলামকে প্রতিটি মুহূর্তে টিকে থাকার সংগ্রাম করতে হয়েছে।
কিন্তু সাহাবা, তাবেইন ও তাবে-তাবেইনরা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে — ঈমানের শক্তির সামনে কোনো সাম্রাজ্যই চিরস্থায়ী নয়। তারিক বিন যিয়াদের জ্বলন্ত নৌকা থেকে শুরু করে উকবা বিন নাফের অটলান্টিকের তীরের সেই অবিস্মরণীয় ঘোষণা — প্রতিটি ঘটনাই সাক্ষ্য দেয় যে এই মানুষগুলো কেবল যু*দ্ধ করেননি, তাঁরা আল্লাহর জন্য সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন।
আজকের মুসলিম উম্মত পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে আছে — স্পেন থেকে সিন্ধু, কনস্টান্টিনোপল থেকে কায়রো — এই বিস্তারের পেছনে রয়েছে সেই অকুতোভয় প্রজন্মগুলোর রক্ত, ঘাম ও অশ্রু।
তাই তাঁদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব হলো — তাঁদের জন্য দু'আ করা, তাঁদের থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং সেই আমানত — ইসলামকে — আগামী প্রজন্মের কাছে অক্ষুণ্ণ রেখে যাওয়ার পাশাপাশি নিজেদেরকে ও নিজেদের সন্তানদেরকেও তাদের মতো বীর মুজা/হিদ হিসেবে গড়ে তোলা। | 363 |
| 19 | আল ফিরদাউস এর সম্পাদক মুহতারাম ইবরাহীম হাসান হাফিযাহুল্লাহ’র কলাম
মুসলিমদের প্রথম ও শেষ রক্ষাকবচঃ মুজা/হিদিনে উম্মত (পর্ব - ৩)
খুলাফায়ে রাশেদিন, সাহাবা, তাবেইন ও তাবে-তাবেইনদের যুগের প্রধান যু*দ্ধসমূহ ও মুজা/হিদিনে উম্মতের অবদান
খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ (১১–৪০ হিজরি)
১. রিদ্দার যু*দ্ধসমূহ (১১–১২ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রাসূল ﷺ-এর ইন্তিকালের পর বহু আরব গোত্র ইসলাম ত্যাগ করে এবং মিথ্যা নবীদের অনুসরণ শুরু করে। খলিফা আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এই ভয়াবহ ফিতনা দমন করতে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেন।
অবদান:
- হযরত আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) দৃঢ়তার সাথে যাকাত অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে যু*দ্ধ ঘোষণা করেন
- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মিথ্যা নবী মুসায়লামাতুল কাযযাবকে ইয়ামামার যু*দ্ধে পরাজিত করেন
- এই যুদ্ধে ৭০০-এরও বেশি হাফেজে কুরআন শহীদ হন
- এই ঘটনার পরেই কুরআন গ্রন্থাকারে সংকলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়
২. ইয়ামামার যু*দ্ধ (১২ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রিদ্দা যু*দ্ধের সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যায়। মিথ্যা নবী মুসায়লামার নেতৃত্বে ৪০,০০০-এর বাহিনীর বিরুদ্ধে মুসলিম বাহিনী যুদ্ধ করে।
অবদান:
- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অসাধারণ সামরিক কৌশলে যুদ্ধ পরিচালনা করেন
- বারাআ বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) "মৃত্যু উদ্যান"-এ ঝাঁপ দিয়ে দরজা খুলে দেন
- ওয়াহশি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মুসায়লামাকে হত্যা করেন
৩. ইরাক বিজয় অভিযান (১২–১৪ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: পারস্য সাম্রাজ্যের অধীনস্থ ইরাক অঞ্চলে ইসলামের বিস্তার ঘটাতে একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়।
অবদান:
- মুসান্না বিন হারিসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) প্রথম ইরাক অভিযান শুরু করেন
- আবু উবাইদ সাকাফি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) জিসর যুদ্ধে বীরত্বের সাথে শহিদ হন
- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) উল্লাইস ও হিরার যুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনেন
৪. আজনাদাইনের যুদ্ধ (১৩ হিজরি, ৬৩৪ খ্রি.)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: সিরিয়ায় বাইজেন্টাইন রোমান বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম বড় যু*দ্ধ। মুসলিম বাহিনী অভূতপূর্ব বিজয় লাভ করে।
অবদান:
- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ইরাক থেকে দ্রুতগতিতে সিরিয়ায় এসে নেতৃত্ব দেন
- ইকরিমা বিন আবি জাহল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বীরত্বের সাথে লড়াই করে শহীদ হন
- সিরিয়া বিজয়ের পথ উন্মুক্ত হয়
৫. ইয়ারমুকের যু*দ্ধ (১৫ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম সেরা যুদ্ধ। মাত্র ৩৬,০০০ মুসলিম বনাম ২,৪০,০০০ রোমান বাহিনী। মুসলিমরা অলৌকিক বিজয় লাভ করেন এবং সিরিয়া চিরতরে রোমান শাসনমুক্ত হয়।
অবদান:
- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অতুলনীয় সামরিক কৌশলে যু*দ্ধ পরিচালনা করেন
- আবু উবাইদা আমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সর্বোচ্চ সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন
- মুসলিম নারীরাও তাঁবুর খুঁটি নিয়ে পালানো সৈন্যদের ফিরিয়ে আনেন
- ইকরিমা, হারিস, হিশাম বিন আস (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) শহীদ হন
৬. কাদিসিয়ার যু*দ্ধ (১৫–১৬ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: পারস্য সাসানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তমূলক যু*দ্ধ। এই যুদ্ধের পর পারস্য সাম্রাজ্যের মেরুদণ্ড ভেঙে পড়ে।
অবদান:
- সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সেনাপতি হিসেবে অসাধারণ নেতৃত্ব দেন
- কা'কা বিন আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বারবার শত্রুর ব্যূহ ভেদ করেন
- পারস্যের সেনাপতি রুস্তম নিহত হয় এবং সুবিশাল পারস্য সাম্রাজ্য কাঁপতে থাকে
৭. বায়তুল মাকদিস বিজয় (১৬ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান বায়তুল মাকদিস বিজিত হয়। খলিফা উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) স্বয়ং সেখানে গিয়ে চাবি গ্রহণ করেন।
অবদান:
- আবু উবাইদা আমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) দীর্ঘ অবরোধের পর শহর নিয়ন্ত্রণে নেন
- উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বিজয়ের পরও অত্যন্ত বিনম্রভাবে শহরে প্রবেশ করেন
- খ্রিস্টান অধিবাসীদের জীবন, সম্পদ ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা দেওয়া হয়
৮. নিহাওয়ান্দের যুদ্ধ (২১ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: পারস্য সাম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতনের যুদ্ধ। ইতিহাসে এটি "ফাতহুল ফুতুহ" বা বিজয়ের বিজয় নামে খ্যাত।
অবদান:
- নু'মান বিন মুকাররিন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সেনাপতি হিসেবে শহীদ হন
- হুযায়ফা বিন ইয়ামান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর স্থলে নেতৃত্ব নিয়ে বিজয় নিশ্চিত করেন
- এরপর পারস্য সাম্রাজ্য সম্পূর্ণরূপে মুসলিমদের অধীনে আসে
৯. মিসর বিজয় (২০ হিজরি)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: আমর বিন আস (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে মাত্র ৪,০০০ সৈন্য নিয়ে মিসর বিজয় করা হয়, যা তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রোমান প্রদেশ ছিল।
অবদান:
- আমর বিন আস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অসাধারণ কূটনৈতিক ও সামরিক দক্ষতায় মিসর জয় করেন
- যুবাইর বিন আওয়াম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) একাই দুর্গের প্রাচীর বেয়ে উঠে দরজা খুলে দেন
- উত্তর আফ্রিকায় ইসলামের বিস্তারের দ্বার উন্মোচিত হয়
তাবেইনদের যুগের প্রধান যু*দ্ধ (৪১–১৫০ হিজরি) | 349 |
| 20 | Нет текста... | 303 |
