ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 301 подписчиков, занимая 8 134 место в категории Религия и духовность и 2 025 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 301 подписчиков.

Согласно последним данным от 24 июня, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 81, а за последние 24 часа — 4, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 19.46%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 8.31% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 2 199 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 939 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 48.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 25 июня, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 301
Подписчики
+424 часа
+317 дней
+8130 день
Архив постов
আফগানিস্তান তাদের বৈদেশিক বাণিজ্যে ডলারের আধিপত্য থেকে বেরিয়ে আসছে! শিল্প ও বাণিজ্যের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী নূরউদ্দিন আযিযী ঘোষণ
আফগানিস্তান তাদের বৈদেশিক বাণিজ্যে ডলারের আধিপত্য থেকে বেরিয়ে আসছে! শিল্প ও বাণিজ্যের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী নূরউদ্দিন আযিযী ঘোষণা করেছেন যে, কাবুল ও মস্কো নিজেদের জাতীয় মুদ্রা ব্যবহার করে বাণিজ্যিক লেনদেন চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে — যা মার্কিন ডলারের পরিবর্তে হবে। এই পদক্ষেপটি আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক স্বাতন্ত্র্য আরও জোরদার করবে। আযিযী আরও জানিয়েছেন যে, বেইজিংয়ের সঙ্গে একই ধরনের প্রক্রিয়া চালুর বিষয়ে কাবুলে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ©আবু উসামা জাফর হাফি.

অল্পকথায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চলে এসেছে। আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার গোড়াটা না বুঝলে ফিকহে যতই মাহারাত অর্জন করেন, ধোকাটা খাবেন নিশ্চিত!

বাশার আলআসাদ যখন সিরিয়ার আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের লক্ষ মুসলমানকে হত্যা করছিলো, ইরানের প্রক্সি হিজবুল লাত (হিজবুল্লাহ) আহলুস সুন্নাহের নারীদের ধর্ষণ করছিলো, তখন বাশারের থেকে এই পরিস্থিতির জন্য মুজাহিদদের দায়ী করা ব্যক্তিরা এই কথা বললে, আমরা তো কখনোই মুজাহিদদের বিরোধি না আমরা সন্ত্রাস বিরোধী, তখন বড্ড হাসি পায়। আরো হাসি পায় সাইদ রমাদান বুতি সঠিক আর জুলানীদের সন্ত্রাস বলা ব্যক্তিরা আমাদের জিহাদের সবক দিতে আসে, আরো অট্টহাসি আসে, যখন এই ব্যক্তিরাই এই আত্মখুশিতে বসে আছে, তাদের থেকেই উম্মতের জিহাদ শিখতে হবে। এই সমস্ত তালেবে ও উস্তাদদের বলবো দুনিয়াকে এতটা সোজা ভাবার কোনো কারণ নাই আসলে বা আমাদেরও এত শর্টটাইম মেমোরির অধিকারি ভাবার কোনো কারণ নাই। আপনাদের প্রতি একজন কল্যাণকামী হিসেবে এটাই নসিহাহ, অন্তত অন্তর থেকে হলেও দুই হাত দুলে নিজেদের সেই ঘৃণিত অবস্থানের জন্য ক্ষমা চান।

গাদ্দারগুলো আমাদের যেভাবে ঐক্যের আহবান করে!
গাদ্দারগুলো আমাদের যেভাবে ঐক্যের আহবান করে!

এক তালেবে ইলমের রোজনামচা “ করাচী তে পানির ব্যাপক সংকট। সপ্তাহে কম করে হলেও দুয়েকবার এই ভোগান্তি আমাদের পোহাতে হয়। তবে সমস্যার ষোলকলা পূর্ণ করে এই ভোগান্তি চলাকালীন সময়ে দুর্গতির বড়ভাই হিসেবে আবির্ভূত হওয়া নির্দিষ্ট দুয়েকটা কলের পানি। মানে করাচীকে কটু কথা শোনাতে শোনাতে তায়াম্মুম দিয়ে কাজ চালিয়ে দেয়ার পরিবর্তে অন্তহীন লাইনে দাঁড়িয়ে পূর্বোক্ত ওজিফা পাঠে মনোযোগী হতে হয়। তেমনি আজকের দিনটা শুরু হয়েছে ফজরে ইমাম সাহেবের সালাম ফেরানোর আওয়াজ অজুর লাইনে দাঁড়িয়ে শ্রবণ করার মতো অতিব সুলভ মুহুর্তের মধ্য দিয়ে। . দো আন্ডে ফুল ফ্রাই, হাফ ছোলে, এক চাপাতি, এক চায়ে দিয়ে কোনমতে নাস্তা টা সেরে খোশ মেজাজে রুমে ফিরছি। মনে মনে পাক্কা ইরাদা—জমিয়ে একটা ঘুম দিবো মাইকে শেখ সাহেবের আওয়াজ বেজে উঠার আগ পর্যন্ত। সেই স্বাদ আর মিটলো কই। রুমে তো রীতিমতো গল্পের আসর বসে জমে ক্ষীর হওয়ার পথে। পাঁচ সিট বিশিষ্ট কামরায় আমাদের থাকা হয়। আমি অপর এক দেশি সাথি এক ওয়াজিরিস্তানী আর দুই কেপিকের বাসিন্দা। মূলত গল্পটা আজ জমলো আমার আর ওয়াজিরিস্তানীর মাঝে। গত দুদিন আগে তাদের ওখানে আবার ড্রোন হাম/লা হয়েছে। শহীদ হয়েছে ফুলের মতো দুইটা বাচ্চা। একদম পয়লা দিন থেকেই ওয়াজিরিস্তানীর সাথে খাতির লাগানোর মিশন টা এতদিনে অনেকটা সফলের পথে। সে যেই ব্যাথায় কাঁদে তার অনুভূতি খানিকটা হলেও আমার মাঝে আছে দেখতে পেয়েই কিনা টুকটাক মুখ খুলে ইদানিং। বহু বছর ধরে ওই অঞ্চলে চলতে থাকা এই জুলুমের গল্পে তাদের সমবেদী কেউ নেই। গত দুদিনের জমা কষ্ট আজ যেন অনেকটাই উগড়ে দিলো সে। বলতে থাকলো— 'ফলাস্তিনে ইজ্রে/লের জুলুম নিপিড়নের কথা আমরা জানি, শুনি। ইয়া/হুদী জালিমদের হাতে শহীদ ছোট বাচ্চার ছবি দেখে পুরো মুসলিম উম্মাহর হৃদয় ব্যাথিত হয়। আর কিছু করতে না পারি এই ব্যাথা এই কলজে পোড়া আহাজারি তো অন্তত প্রকাশ করতে পারি। অথচ দেখ, আমাদের সেই অধিকারটুকুও নেই। বছর বছর ধরে গুম, খু/ন, টার্গেট কিলিং, ড্রোন হামলার স্বীকার আমরা এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে নিজেদের জান মাল হিফাজত করতে বাধ্য হয়ে হাতিয়ায় তুলে নিয়েছি বলে নিজ দেশের আলেমরাও আমাদের প্রতি নাখোশ। এসি রুমে বসে হযরতরা আমাদের কে বাগি ফতোয়া দিচ্ছেন আর ফলাস্তিনে কটা টাকা পাঠিয়ে নিজেদের দ্বীনের বড় ঠিকাদার মনে করে বসে আছেন। আমি কোনভাবেই পবিত্রভূমির ত্যাগ ও সংগ্রামের সাথে নিজেদের তুলনা করছি না। বরং শুধুই তোমাদের বোঝাতে বলছি। জানো, নিজের এলাকা ছেড়ে এখানে কেন পড়তে এসেছি? যাতে আলিম হওয়ার মাঝ পথে মরে না যাই! নিখোঁজ হয়ে না যাই!' এপর্যায়ে এসে হঠাৎই একদম চুপ হয়ে গেল ওয়াজিরিস্তানী। প্রসঙ্গ পাল্টানোর কসরত দুএকবার চালিয়ে শেষে ব্যর্থ ও ব্যাথাতুর হৃদয় নিয়ে বিছানার দিকে ফিরলাম সবাই। এখানে এসেছি কয়টাদিন হলো সবে। দিনদিন যা দেখছি, শুনছি, বুঝছি এসব হজম করতে করতেই একদিন হয়তো আমিও ভারী গুরুগম্ভীর কিসিমের হয়ে যাবো। বুক তো একটাই অথচ দিকে দিকে উম্মাহর বিপর্যয় গুলো সব তাতেই আঁচড় কাটছে। দীর্ঘশ্বাসে দাফন হচ্ছে। আয় মাবুদ আপনি রহম করুন আমাদের উপর। তেইশ|পাঁচ|পঁচিশ দারুল উলুম কৌরাঙ্গি, করাচী।”

খুব পড়ি ভাই। বিশেষত যারা এই দুনিয়ায় দ্বীনের বিজয় চান তারা তো দরুদ আর ইসতিগফার ছাড়া সময় কাটানো একদমই ঠিক নয়।
খুব পড়ি ভাই। বিশেষত যারা এই দুনিয়ায় দ্বীনের বিজয় চান তারা তো দরুদ আর ইসতিগফার ছাড়া সময় কাটানো একদমই ঠিক নয়।

এনসিপি ভারতের বিরুদ্ধে জাতীকে ঐক্যবদ্ধের যে আহবান এটা স্পষ্ট ধোকা ছাড়া এবং ওদের নিজের স্বার্থ ছাড়া কিছুই নয়। এর অন্যতম কারণ হলো, ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এদেশে ভারতের উপনিবেশের সবচেয়ে বড় প্রমাণ রঠার সংগীতের বিরুদ্ধে বলবে না, তারমানে এগুলো বাটপারি ছাড়া কিছুই না। সুতরাং তারা তাদের দাবীতে সৎ হতে হলে তারা নিজের পক্ষে প্রমাণ দিক। আর এর নূন্যতম হলো রঠার এই সংগীতের বিরুদ্ধে সম্মেলিত বক্তব্য। অন্যথায় এদেশের মুসলমানদের উচিত বাটপারগুলোর থেকে সতর্ক থাকা।

মাহফুজের মাফ চাওয়ার নাটক দেখে যতটুকু বিরক্ত হচ্ছি তার থেকেও বেশি বিরক্ত হচ্ছি ঐ সকল বুদ্ধিজীবিদের দেখে, যারা মাহফুজের পোষ্টকে ইতিবাচক নিয়ে আবেগ ঝাড়তেছেন। বুঝি না, বোকা বা বলদের কী কোনো লিমিটেশন নাই!? নাকি কে কার থেকে বড় বোকা বা বলদ এটা প্রমাণের আয়োজন চলছে!

আফগানদের নারী বিষয়ক পশ্চিম যতটা চিন্তিত তার থেকে বেশি চিন্তিত কিছু মুসলিম গবেষক। তবে এদের চিন্তা ঠিক তেমনই, শব্দও ঠিক তেমনই যেমনটা পশ্চিম চিন্তা করে ও শব্দ বলে! . অথচ ঐদিকে আফগানের বাস্তবতা হলো এই!

বানুরীটাউনের ফারেগ পাকিস্তানি আলেম মাওলানা সাইদ আদনান সাহেবের এই বয়ানটা খুবই মনোযোগ সহকারে শুনি। যাদের সম্ভব হয় উর্দুটা অনুবাদ করে বিভিন্ন মানুষের কাছে পৌঁছাই। জাযাকাল্লাহ খাইরান।

আমার দীর্ঘ মোতালাআর অভিজ্ঞতা আপনাদের বলতেছি, পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মত সেনাবাহিনী যদি বাগদাদে, স্পেনে মুসলমানদের থাকতো তাহলে এই অঞ্চলগুলোতে মুসলমানদের পতন কখনোই হতো না! -মুফতি আব্দুর রহিম সাহেব মুহতামিম জামিয়াতুর রশিদ (হাসবো না কান্না করবো ঠিক করতে পারতেছি না।)

একটা বার কল্পনা করেন, টিটিপির আক্রমণে এই বাচ্চা দুটো মারা গেছে। এরপর পাকিস্তানের মিডিয়া, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কিছু আলেম কী
একটা বার কল্পনা করেন, টিটিপির আক্রমণে এই বাচ্চা দুটো মারা গেছে। এরপর পাকিস্তানের মিডিয়া, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কিছু আলেম কী কী করতো! অথচ, নাপাক আর্মির এই আক্রমণে পুরো দুনিয়া এমনভাবে চুপ মেরে থাকবে, যেনো গাজ্জার বাচ্চাদের মত এই শিশুগুলোর রক্তও বৈধ! . মনে আছে, আর্মি স্কুলের কথিত শিশুদের হত্যার কাহিনী? যেটা দিয়ে এখনো পর্যন্ত কিছু মাওলানারা টিটিপিকে জঘন্য ভাষায় আক্রমণ করে থাকে! অথচ এগুলোর বিষয়ে তাদের ভাষা থাকা কতটা নসিহাসূলভ!

এত সহজ সত্যটা এভাবে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর পরও আমরা চোখ কেনো বন্ধ করে রেখেছি, তা আল্লাহই জানে!
এত সহজ সত্যটা এভাবে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর পরও আমরা চোখ কেনো বন্ধ করে রেখেছি, তা আল্লাহই জানে!

আরবের শাসকগুলো গাদ্দারসহ ইত্যাদি বহু কিছু আমরা বলি। কিন্তু কাতার,কুয়েত, সৌদি, এখানের প্রত্যেকটা শাসক আর মুসলিমদের উলিল আমর নয়। এদেরকে গদি থেকে হঠানো সেখানকার মুসলমানদের জন্য ওয়াজিব। কুওয়াত না থাকলে কুওয়াত অর্জন করা ওয়াজিব। সরানো সম্ভব না হলেও বিভিন্নভাবে এদের শাসনকে দূর্বল করা সেখানকার প্রত্যেক মুসলিম নাগরিকদের জন্য সামর্থ্যনুযায়ী ওয়াজিব ইত্যাদি, এই শাসকদের ব্যাপারে ফিকহি সঠিক ও আসল বিধানটুকু বলতে সাহস করি না। এর কারণ হয়তো, এখনো তাদের বিষয় আমাদের ক্লিয়ার না। অথবা আমাদের প্রত্যেকের ভিতরেই মূলত বিভিন্ন ছুপা মাদখালির বসবাস। অথবা ফিলিস্তিন নিয়ে আমাদের শুধু কিছু মুখরোচক আবেগ আছে, বাস্তবতা কিছুই নেই! আল্লাহু আলাম।

মাদরাসার পোলাটা ভার্সিটিতে এসে জাতে উঠতে গিয়ে যখন একটা ক্যান্সারে পরিনত হয়! আমাদের মাহফুজ তারই উৎকৃষ্ট উদাহরণ!
মাদরাসার পোলাটা ভার্সিটিতে এসে জাতে উঠতে গিয়ে যখন একটা ক্যান্সারে পরিনত হয়! আমাদের মাহফুজ তারই উৎকৃষ্ট উদাহরণ!

গতকাল হযরত আবুল বাশার সাইফুল ইসলাম সাহেবের ভিডিও নিয়ে আলোচনা করার পর অনেকে হাদিসের সনদ ইত্যাদি নিয়ে আলাপ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়।
গতকাল হযরত আবুল বাশার সাইফুল ইসলাম সাহেবের ভিডিও নিয়ে আলোচনা করার পর অনেকে হাদিসের সনদ ইত্যাদি নিয়ে আলাপ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়। অথচ হযরতের ঐ ভিডিওতে হাদিসের ভবিষ্যৎবানীর মিসদাক থেকেও মুসলিম শাসকদের খাটো করা, ভারত অভিযানের আলোচনা ফিতনা বলা, ভারতের মুসলমানদের জন্য দাওয়াত ছাড়া অন্যান্য কাজকে নাই করে দেওয়া এগুলো ছিলো বেশি ভয়ংকর!

গাযওয়াতুল হিন্দ নিয়ে এই লেখাটা পড়তে পারেন।  এবং আমার লেখাটা আগে পড়া না থাকলে পড়তে পারেন।  গাযওয়াতুল হিন্দ নিয়ে আমার ছোট্ট এই লেখাটা পড়তে পারেন৷ https://t.me/abdullahbinbashir/623

গাযওয়াতুল হিন্দ নিয়ে এই লেখাটা পড়তে পারেন। এবং আমার লেখাটা আগে পড়া না থাকলে পড়তে পারেন। গাযওয়াতুল হিন্দ নিয়ে আমার ছোট্ট এই লেখাটা পড়তে পারেন৷ https://t.me/abdullahbinbashir/623

হযরত আবুল বাশার সাইফুল সাহেবের গা*জ*ওয়াতুল হিন্দ নিয়ে কথাগুলো বেশ আশ্চর্যজনক! . খুবই দুঃখের সাথে বলতে হিয় কিছুক্ষণ আগে বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ আলেমে দ্বীন আবুল বাশার সাইফুল সাহেবের একটি বক্তব্য আসে জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়ার পরিচালিত রিসালাতুল ইসলাম বিডির ইউটিউব চ্যানেল থেকে। ভিডিওটি শুনে আমি অনেক্ষণ বিশ্বাস করতে পারি নাই, এমন বক্তব্য এমন চ্যালেন থেকে বা এমন ব্যক্তি থেকে আসতে পারে! পরে কয়েকজন সাথী ভাইকে দিলাম! তারাও আশ্চর্য হলো! . হযরত উক্ত ভিডিওতে অনেকগুলো দাবী করা হয়েছে, যেগুলো শুনে শুধু আশ্চর্যই হয়নি, বিশ্বাস হচ্ছে না! ১। //সাওবান রা. ছাড়া গাযওয়াতুল হিন্দ সংক্রান্ত যত হাদিস আছে কোনোটাই সহিহ না// অথচ, হযরত আবু হুরাইরা রা.-এর হাদিসটাও বিভিন্ন সনিদে বর্ণিত হয়েছে, যেটার সামষ্টিক সনদকে সহিহ বলতে হবে। অর্থাৎ, মতনকে যয়ীফ বলার কোনো সুযোগই নেই। ২। //গাযওয়াতুল হিন্দ হয়ে গেছে// এটার সপক্ষে হযরত কয়েকটা ঘটনা বলেছেন, আমার প্রশ্ন হলো, সেই ঘটনার কোনটা গাযওয়াতুল হিন্দ ছিলো? নাকি সবগুলোই? যদি সবগুলোই হয়, তাহলে সামনেরগুলোকে গাযাওয়াতুল হিন্দ বলা যাবে না এটার দলিল কোথায়? অথচ সাওবান রা.-এর ঐ হাদিসকে অন্যান্য বর্ণনার আলোকে দেখলে শেষ জামানায় এটা হবে তাই বেশি শক্তিশালী বলেই অনেক মুহাক্কিক মত দিয়েছেন। ৩। //দীর্ঘ ৮০০ বছরের শাসনামলে আমাদের মুসলিম শাসকরা এদেশে দ্বীন প্রচারের জন্য কোনো কাজ করেনি, যা করেছেন সব সুফিরা নিজ উদ্যোগে করেছেন// এটা অনেক জঘন্য একটা অবাস্তব কথা। জানিনা হযরত এই কথাগুলো কোন দৃষ্টিতে বলেছেন! ভূখণ্ড বিজয় করা কী দ্বীনের কাজ নয়? রাষ্ট্রিয় মদদে ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া লেখা দ্বীনের কাজ নয়? ইসলামি শরীয়ার আলোকে বিচার, ব্যবসা, জিযিয়া উত্তোলন ইত্যাদি এগুলো দ্বীনের কাজ নয়? ওলি মাশায়েখদের সাচ্ছন্দ্য দ্বীনের কাজ করতে দেওয়া, তাদের খানকাহের জন্য বড় বড় বরাদ্দ দেওয়া দ্বীনের কাজ নয়? জানিনা, হযরতের বক্তব্যগুলো সেকুলারদের টোনে কেন হয়! আমি বলছি না, আমাদের ইতিহাসের সব শাসকরাই ভালোছিলো, বা দ্বীনের ব্যাপারে তাদের একটা দায়বদ্ধতা ছিলো। কিন্তু তারমানে এটাও না, তারা বর্তমান সেকুলার শাসকদের মত দ্বীন বিদ্বেষী ছিলো। হযরতের এই বক্তব্যটা মূলত মডারেট একদল মৌলবিদের মত মিলে যায়, যারা বিদ্যমান পুজিবাদি জীবনব্যবস্থায় মুসলিমদের জীবনকে আগের শাসকদের অধিনে থাকা থেকেও ভালো বলার জন্য মুসলিম শাসকদের বদনাম করে! . ৪। // গাযওয়াতুল হিন্দ হয়ে গেছে, সুতরাং এখন এগুলোর আলোচনা করা ভারতের মুসলমানদের জন্য অকল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না, বরং এগুলো উসকানীমূলক কথা// আমি শেষের এই কথাগুলো শুনে অনেক্ষণ বিশ্বাস করতে পারি নাই! ঠিক মোদি সরকার যে শব্দগুলো মুসলমানরা উচ্চারণ করুক চায় না, ভারতের গোদিয়া মিডিয়া যে শব্দগুলো উচ্চারণ করলে ফিতনা হিসেবে চিহ্নিত করে ঠিক হুজুরও সেই শব্দগুলোকে উসকানি বললেন! আশ্চর্য হলো, বাংলাদেশের মানুষ এগুলো বললে উসকানি হবে, ভারতের মুসলমানরা অনিরাপদ হয়ে যাবে (তারা এখন তো খুবই নিরাপত্তার সাথে আছে!) আর পাকিস্তানের হুজুররা/আলেমরা বললে উসকানি হবে না? নিরাপত্তাহীনতা কী হবে না? ভারত দখল, ভারতে আক্রমন এই ধরনের কথাকে হুজুর স্পষ্ট উসকানি ও ফিতনা হিসেবে চিহ্নিত করলেন! ঠিক যেমনটা আবু বকর জাকারিয়ারা বলতে চায়! হযরত সেখানে শুধু দাওয়াতের মাধ্যমে দ্বীনকে বিজয়ের কথা বললেন! এই সত্তর আশি বছর সেখানে এত এত দাওয়াতের পরেও আজ কেনো মুসলিমদের এই করুন অবস্থা? আর সবচেয়ে বড় কথা দ্বীন বিজয়ের সাথে দাওয়াত আর জি হা দ কি সাংঘর্ষিক বিষয় নাকি? দুইটাই কী এক সাথে করা যাবে না? একটা করা অবস্থায় আরেকটা করা যাবে না, এগুলোর দলিল কী? জি হা দের বিষয়ে একটু বাড়াবাড়ি বক্তব্য হয়ে গেলো হযরত বিভিন্ন আশং্খাবোধ করেন, কিন্তু দাওয়াতকে বড় করে দেখিয়ে জি হা দকে এভাবে অনেকটা নাই করে দেওয়াকে কী অন্যরা আশংখার চোখে দেখতে পারবে না? হযরত জি হাদে মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার মেহনতকেই কেনো সর্বদা একটু ভিন্ন চোখে দেখেন জানি না, যেখানে সালাফদের কত কত ইবারত রয়েছে, দ্বীনের বিজয়ের জন্য জি হা দকে বিধিবদ্ধ করার!

আগামীকাল নারী মৈত্রী নামে যে অনুষ্ঠান হচ্ছে, সেখানে যে বিশ্বাস ও চিন্তার দিকে আহবান করছে এবং বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে তার অধিকাংশই সরাসরি ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক। কোনো মুসলমান সেচ্ছায় এমন অনুষ্ঠানের সাথে ঐক্যমত পোষন করলে সে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাবে। এরমধ্যেই অসংখ্য ঈমান বিধ্বংসী দাবীর মাঝে দুটো হলো, ১। নারী পুরুষের মিরাসের ভাগ সমান চাওয়া। ২। নারীদের জন্য যৌনতার স্বাধীনতা। . এছাড়া তারা যে শ্লোগানগুল তৈরি করেছে, সেগুলোর উল্লেখযোগ্য অংশও কুফরি বাক্য স্পষ্ট, যা জেনে বুঝে মুখে উচ্চারণ করলেও একজন মুসলমানের ঈমান ধ্বংস হয়ে যাবে৷ . সুতরাং আগামীকাল প্রতিটি মুসলমানের উচিত এই অনুষ্ঠান থেকে নিজে বিরত থাকা এবং নিজের পরিবার-পরিজনকেও বিরত রাখা। এবং এই অনুষ্ঠানকে প্রত্যেকের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিরোধের চেষ্ঠা করা। এর মাঝে সর্বনিম্ন স্তর হলো অন্তর দিয়ে এই অনুষ্ঠানকে ঘৃণা করা। কেউ যদি বুঝে-শুনে এই অনুষ্ঠানকে সমর্থনও করে সেও ইসলামের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাবে। তাই, এই সকল মিষ্টি শ্লোগানে ঈমান হারিয়ে নিজের ও পরিবারকে ধ্বংস মুখে ঠেলে দিবো না আমরা ইনশাআল্লাহ।