ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 322 подписчиков, занимая 7 895 место в категории Религия и духовность и 2 063 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 322 подписчиков.

Согласно последним данным от 30 августа, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 60, а за последние 24 часа — -1, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 14.01%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 5.87% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 587 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 665 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 35.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 31 августа, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 322
Подписчики
-124 часа
+47 дней
+6030 день
Архив постов
কী আন্তর্জাতিক এক নেতৃত্ব হারাইলাম আমরা, একদিন বুঝবো, কিন্তু কেদেও লাভ হবে না।
কী আন্তর্জাতিক এক নেতৃত্ব হারাইলাম আমরা, একদিন বুঝবো, কিন্তু কেদেও লাভ হবে না।

রয়টার্স ইরানের সরকারী টেলিভিশনের বরাতে বলতেসে, আমেরিকার প্রত্যেক নাগরিক, চাই সে সিভিলিয়ান হোক অথবা সেনা- আমাদের বৈধ লক্ষবস্তুতে পরিণত হয়েছে। আজ থেকে আরো কয়েক দশক আগে "সাপের মাথা আমেরিকা" তত্ত্বের আবিষ্কারক বিন লা//দেন রহি. এর চিন্তা ও কর্মপদ্ধতির সাথে মিলে কিনা জানায়েন। ইরান তার স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থের উপর আঘাত আসার পর এই কথা বলছে। ইসলামের "ওয়ান উম্মাহ ওয়ান বডি" নীতির উপর ভিত্তি করে সেক্যুলার ও জায়ন/বাদী কাফির টেররিস্ট আমেরিকার মুসলিম বিরোধী আগ্রাসনের কারণেও একই কথা তিনি বলেছিলেন অনেক আগে। #secularistterrorism #doyoucondemnshariah ©আব্দুল্লাহ হাশেম ভাই

আল-শাবাব জিহাদিদের প্রকাশিত একটি নতুন ১০ মিনিটের ভিডিওতে দক্ষিণ সোমালিয়ার শাবেল প্রদেশের ওয়ারঘাদা এলাকায় একটি সরকারি ঘাঁটিতে হামলার চিত্র দেখানো হয়েছে, যার সাথে গাজায় ধ্বংসযজ্ঞের ফুটেজ এবং ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিবৃতি রয়েছে। ভিডিওটি শুরুতে ওসামা বিন লাদেনের বক্তৃতা দিয়ে শুরু হয় এবং তারপর আল-শাবাবের একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে গিয়ে দেখা যায় যেখানে যোদ্ধারা "জেরুজালেমকে ইহুদী ধর্মে পরিণত করতে দেওয়া হবে না", "গাজা মুসলমানদের সম্মান," এবং "আমেরিকা ততদিন পর্যন্ত শান্তিতে থাকার কল্পনাও করতে পারবে না, যতদিন না ফিলিস্তিনে শান্তিতে বসবাস করতে পারছি। (এটা শায়খ ওসামা রহিমাহুল্লাহ এর ঐতিহাসিক বাণী) এই সমস্ত স্লোগান সম্বলিত পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। শাবাবের অন্যতম নেতা আবু আব্দুল রহমান মাহদ ওয়ারসামি হাফিজাহুল্লাহ বলেছেন যে আল-শাবাব ফিলিস্তিনকে ভুলে যায়নি এবং তার আল কুদুস কে বিজয় করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করে যখন হাজার কোটি নষ্ট করলো বলে আমরা বলেছিলাম তখন আমার বন্ধু মফিজ জিওপলিটিক্সের মাধ্যকে বড় বড় প্রবন্ধ ফেদে ছিলো, কাতারের এই বিশ্বকাপের মাধ্যমে ইসলাম ও মুসমানের কত কত ফায়দা হয়েছে। এখন সে আমাকে ইহুদিদের দালাল বলে গালি দিচ্ছে আর বলছে, আরবের সব শাসকরা, আরবের সুন্নিরা শুধু ভোগবিলাসে লিপ্ত!

লেখেছেন সাংবাদিক মাহফুজ খন্দকার অপ্রিয় সত্য- ভারতের পক্ষ হয়ে কাশ্মীরের সাথে ইরানের বিশ্বাসঘাতকতা ১৯৯৪ সালে পাকিস্তান ওআইসি-এর মাধ্যমে জাতিসংঘে কাশ্মীরিদের পক্ষে একটি প্রস্তাব তুলতে যাচ্ছিল। এতে কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানানো হতো। এই প্রস্তাব পাস করাতে হলে ওআইসি-র সব সদস্য দেশের সম্মতি প্রয়োজন ছিল। যে কোনো একটি দেশের ‘না’ মানেই পুরো প্রস্তাব বাতিল। ভারত এই সুযোগ কাজে লাগায়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমা রাও অসুস্থ পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিনেশ সিংহকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে বিশেষ বিমানে ইরানে পাঠান। তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট রাফসানজানি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেলায়াতির সঙ্গে দেখা করে অনুরোধ জানান, কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের প্রস্তাবে যেন ইরান আপত্তি তোলে। মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই ইরান জানায়, তারা প্রস্তাবে একমত নয়। জেনেভায় UNHRC অধিবেশনে ইরান আপত্তি তুলতেই ওআইসি-র সর্বসম্মতির নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। পাকিস্তান অপমান এড়াতে প্রস্তাব প্রত্যাহার করে। এই ঘটনাকে কাশ্মীরপন্থীরা “ইরানের ছুরি পিঠে মারা” বলে অভিহিত করে। ইরানের এই অবস্থান কেবল একটিমাত্র প্রস্তাব থামায়নি, বরং কাশ্মীরের আত্মনিয়ন্ত্রণের লড়াইকেও বহু বছর পেছনে ঠেলে দেয়। আজ সেই ভারত পুরো দমে ইরানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ভারতীয়রা রীতিমতো উৎসব করছে ইরানে হামলার ঘটনায়। আফসোস...। নোট : অনেকে মনে করে তখন ইরানের ক্ষমতা অন্যের হাতে ছিলো। বিষয়টি তেমন না। ১৯৭৯ সালে বিপ্লবের পর থেকে ইরানের নেতৃত্ব খোমেনির হাতেই। প্রথম ১০ বছর বিপ্লবের নেতা রুহুল্লাহ খোমেনী নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার মৃত্যুর পর ১৯৮৯ থেকে আলী খোমেনী নেতৃত্বে আছেন। সূত্র : https://www.milligazette.com/news/7-analysis/333-how-iran-saved-india-in-1994-kashmir-un-voting/?fbclid=IwY2xjawLDopVleHRuA2FlbQIxMQABHpRcCA4QlA6jwE1ZBH7-IH6IV5Mn1K7WnPSQzP_Y7V066ZkYpVaktf-j3hvA_aem_mNLKuRffwGxS999nh5c07Q

লেখেছেন সাংবাদিক মাহফুজ খন্দকার অপ্রিয় সত্য- ভারতের পক্ষ হয়ে কাশ্মীরের সাথে ইরানের বিশ্বাসঘাতকতা ১৯৯৪ সালে পাকিস্তান ওআইসি-এর মাধ্যমে জাতিসংঘে কাশ্মীরিদের পক্ষে একটি প্রস্তাব তুলতে যাচ্ছিল। এতে কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানানো হতো। এই প্রস্তাব পাস করাতে হলে ওআইসি-র সব সদস্য দেশের সম্মতি প্রয়োজন ছিল। যে কোনো একটি দেশের ‘না’ মানেই পুরো প্রস্তাব বাতিল। ভারত এই সুযোগ কাজে লাগায়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমা রাও অসুস্থ পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিনেশ সিংহকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে বিশেষ বিমানে ইরানে পাঠান। তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট রাফসানজানি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেলায়াতির সঙ্গে দেখা করে অনুরোধ জানান, কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের প্রস্তাবে যেন ইরান আপত্তি তোলে। মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই ইরান জানায়, তারা প্রস্তাবে একমত নয়। জেনেভায় UNHRC অধিবেশনে ইরান আপত্তি তুলতেই ওআইসি-র সর্বসম্মতির নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। পাকিস্তান অপমান এড়াতে প্রস্তাব প্রত্যাহার করে। এই ঘটনাকে কাশ্মীরপন্থীরা “ইরানের ছুরি পিঠে মারা” বলে অভিহিত করে। ইরানের এই অবস্থান কেবল একটিমাত্র প্রস্তাব থামায়নি, বরং কাশ্মীরের আত্মনিয়ন্ত্রণের লড়াইকেও বহু বছর পেছনে ঠেলে দেয়। আজ সেই ভারত পুরো দমে ইরানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ভারতীয়রা রীতিমতো উৎসব করছে ইরানে হামলার ঘটনায়। আফসোস...। নোট : অনেকে মনে করে তখন ইরানের ক্ষমতা অন্যের হাতে ছিলো। বিষয়টি তেমন না। ১৯৭৯ সালে বিপ্লবের পর থেকে ইরানের নেতৃত্ব খোমেনির হাতেই। প্রথম ১০ বছর বিপ্লবের নেতা রুহুল্লাহ খোমেনী নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার মৃত্যুর পর ১৯৮৯ থেকে আলী খোমেনী নেতৃত্বে আছেন। সূত্র : https://www.milligazette.com/news/7-analysis/333-how-iran-saved-india-in-1994-kashmir-un-voting/?fbclid=IwY2xjawLDopVleHRuA2FlbQIxMQABHpRcCA4QlA6jwE1ZBH7-IH6IV5Mn1K7WnPSQzP_Y7V066ZkYpVaktf-j3hvA_aem_mNLKuRffwGxS999nh5c07Q

আমার বন্ধু মফিজের চূড়ান্ত সিন্ধান্ত এটাই, শেখ হাসিনা কখনোই বাংলাদেশের মুসলমানের প্রতিনিধি নয়। সে তো একটা স্বৈরাচার। ভালো লাগলো বন্ধুর এমন কঠোর অবস্থান দেখে। কিন্তু... . ইরান আক্রমণ করার পর থেকেই বন্ধু এটা বলে ফেসবুক গরম করছে, আরবের সুন্নি শাসকগুলোই হলো আরবের সুন্নি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি।

হাজীদেরকে ইস্তিকবাল (অভ্যর্থনা) করুন এবং তাদের থেকে দুআ নিন হযরত উমর র. বলেছেন, "হজ আদায়কারী এবং যার জন্য সে দোয়া করে, তাদের উভয়কে ক্ষমা করে দেওয়া হয়—হজের কাজ শেষ হওয়ার পর যিলহজ্বের অবশিষ্ট দিনসমূহ, মহররম, সফর এবং রবিউল আওয়াল মাসের প্রথম দশ দিন পর্যন্ত।" - মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা (নতুন সংস্করণ: হাদীস নং ১২৮০০) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "হজ পালনকারীর সঙ্গে যখন তোমাদের সাক্ষাৎ হয়, তাকে সালাম দাও, মুসাফাহা করো এবং তাকে বলো—সে যেন বাড়ি ফিরে যাওয়ার আগেই তোমাদের জন্য দোয়া করে। কেননা সে ব্যক্তি আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমাপ্রাপ্ত।"- মুসনাদে আহমদ (৫৩৭১) তাবেয়ী হাবীব ইবনে আবী ছাবিত (রহ.) বলেছেন, "আমরা কাদসিয়া নামক স্থানে হাজীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতাম, মুসাফাহা করতাম এবং (দোয়ার আশায়) তাদের বাড়ি পৌঁছার আগেই দেখা করতাম।"- মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা (হাদীস ১২৭৯৬) হযরত উমর (র) -এর অন্য এক বর্ণনায় বলা হয়েছে, "তোমরা হজ্ব ও উমরাহ পালনকারী এবং মুজাহিদদের নিকট দোয়া চাও, তারা বাড়ি পৌঁছার আগেই।" #হজ ©মাওলানা রাশেদ জাবিন হাফিজাহুল্লাহ

কেনো শিয়াদের আকিদাগুলো, তাদের পিছনের ইতিহাস—আহলুস সুন্নাহকে হত্যা, ইহুদি খ্রিস্টানের সাথে বন্ধুত্বের ইতিহাস তুলে ধরা এই সময়েও
কেনো শিয়াদের আকিদাগুলো, তাদের পিছনের ইতিহাস—আহলুস সুন্নাহকে হত্যা, ইহুদি খ্রিস্টানের সাথে বন্ধুত্বের ইতিহাস তুলে ধরা এই সময়েও জরুরি, তা এই একটি পোষ্ট থেকেই স্পষ্ট। একদল মানুষ এই সুযোগে অসংখ্য মানুষকে শিয়া সিম্প বানাবে এইধরনের কথাগুলো বলেই। আর এমন অসংখ্য মানুষ পিছনের বাস্তবতা না জেনে ধোকার শিকার হচ্ছে। . সুতরাং শিয়াদের পিছনের ইতিহাসগুলোও আলোচনাগুলোও এখন সমানভাবে চালু রাখা অত্যন্ত জরুরি।

চরমোনাইয়ের পীর সাহেব কইতেছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কেউ যদি ভোট দেয় তার ঈমান চইলা যাইবো। আর তার দলের ফজলুল করিমরা বলতেছে, ইসলামের সাথে গণতন্ত্রের কোনো হার্থক্য নাই। এটা শুধুই ক্ষমতা বদলের মাধ্যম। . সাধারণ জনগণ কোথায় যাবে? এখানে কে সঠিক আর কে পথভ্রষ্ট, কীভাবে ঠিক হবে?

আমার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জমানো পানির ছোট্ট একটি পুকুর... . ভাষার অযোগ্যতা যে কত পীড়াদায়ক, না পারছি যোগ্যতা অর্জন করতে, আর না পারছ
আমার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জমানো পানির ছোট্ট একটি পুকুর... . ভাষার অযোগ্যতা যে কত পীড়াদায়ক, না পারছি যোগ্যতা অর্জন করতে, আর না পারছি একবারে ছেড়ে দিতে...! . অনেক স্বপ্ন ও কিছু পরিশ্রমের একটি কাজ। জানি না কবে তাকে মানুষের কাছে পৌঁছানোর উপযুক্ত করতে পারবো! . বি. দ্র. প্রচ্ছদটা নীলক্ষেতওয়ালারা করে দিছে! সম্ভবত বাংলা একটা বইয়ের প্রচ্ছদের সাথে মিলে যায়।

মুসলমান হওয়ার দাবিদার অসংখ্য মানুষের মুখে প্রতিদিন অজান্তে যেসকল কুফরি উক্তি উচ্চারিত হয়, ইমান ও বিবাহ নবায়ন করার জন্য যেগুলো
মুসলমান হওয়ার দাবিদার অসংখ্য মানুষের মুখে প্রতিদিন অজান্তে যেসকল কুফরি উক্তি উচ্চারিত হয়, ইমান ও বিবাহ নবায়ন করার জন্য যেগুলো থেকে তাওবা করার কোনো বিকল্প নেই, ১১টি শিরোনামে তেমন প্রায় ৫০০টি উক্তির বিবরণ এবং ৭৭টা বিদআত, ৪৫৪টা কবিরা-গুনাহ ও ৫০টা সগিরা-গুনাহের তালিকা, এ পুস্তিকায় সন্নিবেশিত হয়েছে। তাই পুস্তিকায় উল্লিখিত কুফরসমূহের বিবরণ ও গুনাহের তালিকার প্রতি আমাদের দৃষ্টি থাকা জরুরি। অন্যথায় আল্লাহর তাওফিকে যেসকল ভাগ্যবান মানুষের মধ্যে খাঁটি তাওবা করার পেরেশানি আছে, না-জানার কারণে অসংখ্য কুফরি ও গুনাহ থেকে তাঁদের তাওবা না করার আশঙ্কা আছে। তাই আসুন, আমরা পুস্তিকাটি পাঠ করে কুফর, বিদআত ও গুনাহ সম্পর্কে অবগত হই। তদ্রূপ যারা এ সকল বিচ্যুতি ও গোমরাহি থেকে মুক্ত, নিজেরা কার্যত তাঁদের মতো হওয়ার জন্য, তাঁদের সঙ্গেও যুক্ত থাকি। আশা করি পুস্তিকাটি মাদরাসাগুলোতে হিদায়াতুন নাহব জামাতে নিসাবভুক্ত করে নেওয়া উপযোগী হবে : উস্তাদগণ প্রথমে শিক্ষার্থীদেরকে বিষয়টির সঙ্গে সাধারণ সম্পর্ক করিয়ে দেবেন। তারপর তাঁদের তত্ত্বাবধানে ছাত্র/ছাত্রীরা নিজেরা বিস্তারিত পাঠ করবে এবং পরীক্ষা দেবে। আল্লাহ তাওফিকদাতা। প্রকাশ: রাহনুমা প্রকাশনী

ইরানের কিছু হলে পাকিস্তান ধ্বংস হয়ে যাবে...
ইরানের কিছু হলে পাকিস্তান ধ্বংস হয়ে যাবে...

আবু দুজানা আল খোরাসানী . একজন সাধারণ ডাক্তার। যে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ইন্টেলিজেন্স সিআইএর পুরো একটা স্টেশন উড়িয়ে দিয়েছে। যেখানে আমেরিকার শীর্ষ ছয়জন অফিসারসহ ব্ল্যাকওয়াটার মারা গেছে। কামরান ফারিদি পর্যবেক্ষণ হলো, আমেরিকা কখনোই আফগানিস্তানে পরাজয় বরণ করতো না, যদি না সেই স্টেশন ধ্বংস না হতো! মজার বিষয় হলো এত বড় ধামাকা করতে যে খরচ হয়েছে, এই পুরো খরচ এই ডাক্তার সাহেব সিআইএ থেকেই নিয়েছিলো, তাদের এজেন্ট হয়ে কাজ করার জন্য। . পডকাষ্টে যিনি পুরো আলোচনা করেছেন তার নাম কামরান ফারিদি। একজন পাকিস্তানি। আমেরিকান গোয়ান্দা বিভাগ এফবিআইয়ের জন্য কাজ করতো। ডাবল এজেন্ট হিসেবেই নাকি কাজ করেছে সারাজীবন। তার পুরো জীবন নাকি কেটেছে বিভিন্ন জি হা দি সংগঠনের সাথে কাজ করে। সে এভাবে কাজ করে আমেরিকার কাছে তথ্য পাচার করতো! . আবু দুজানা একই সাথে ট্রিপল এজেন্ট হয়ে কাজ করেছে! . সিআইএ আবু দুজানাকে এতই বিশ্বাস করেছিলো যে সিআইএ ডা. আইমানকে ধ্বংস করার মিশন দিয়েছিলো তাকে। . আবু দুজানা কোয়ার্টারে হামলার পূর্বে একটি ভিডিও রেকর্ড করে, সেখানে তিনি বলেন, শায়খ! আমি শুধু এতটুকুই চাই না, আমি আমি আমার শরীরের বোম লাগিয়ে সিআইএকে ধ্বংস করে দিবো আমি আমি আল্লাহর কাছে এই দোয়া করি, আমার প্রতিটি হাড্ডির কনা যেনো বোম হয়ে ওদেরকে ধ্বংস করে দেয়। পরিবর্তিতে পোষ্টমর্টামে এটা পাওয়া গেছে, সিআইএর স্টেশন হেডের মৃত্যু হয়েছে হাড্ডি তার শরীরে ঢুকে গেছে। . পুরো পডকাস্টেই অসংখ্য বিষয় রয়েছে, নুরানী-কায়দা কীভাবে কাজ করে, কীভানে রিক্রুট করে, নুরানীর সাথে আইএসআইয়ের পার্থক্য। সিআইএ, এফবিআইয়ের কাজের কিছু ধরন, জর্ডানের গোয়ান্দা বিভাগ কতটা ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করে ইত্যাদি। . এই পডকাস্টের লিংক : https://youtu.be/eS8ZmovY7vo?si=az8SNk-qac_BeUWP . পডকাস্টের এই লোক সিরিয়াতে লম্বা সময় এফবিআইয়ের হয়ে জি*হা*দে অংশগ্রহণ করেছে। বহু বছর সে ডাবল এজেন্ট হিসেব নুয়ারী-কায়দায় ছিলো (তার বক্তব্য মতে)। সে নুরাকীকে কাছ থেকে দেখেছে। সে দেখা সম্পর্কে তার কিছু মূল্যায়ন সে নীচের এই পডকাস্টে করেছে। পডকাস্টে কায়দার অতিত বর্তমান ও ভবিষ্যত সংক্রান্ত অনেক আলোচনা আছে। অবশ্যই ফিল্টার করে কথাগুলো নিতে হবে। অবশ্যই শুনতে পারেন। লিংক: https://youtu.be/t9uYCUwTBJ8?si=DUY3NIOxQQ7crUMB

হাজারো জামাতি ভাইদের মনের কথা এটাই। কিন্তু সাহস করে বলতে পারে না।
হাজারো জামাতি ভাইদের মনের কথা এটাই। কিন্তু সাহস করে বলতে পারে না।

আমি ও আপনার সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্য শাসকদের অপছন্দ করা এবং এই মুহুর্তে ও অন্যান্য সময় সেটা নিয়ে লেখালেখি করা এবং ইরান প্রমী শিয়া মালউন ও শিয়া সমর্থকগুলোর সমালোচনা করা এক নয়। ইরানপ্রেমী শিয়া মালউনগুলো আজ মৌলিক যে কারণে সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের শাসকগুলোর ধ্বংস কামনা করছে, ওদের চরিত্রহনন করে পোষ্টে দিচ্ছে, সেই একই কারণে এরা আপনাদেরও ধ্বংস কামনা করা ও ধ্বংস করতে এক পাও পিছপা হবে না। সুতরাং ইরানপ্রেমী শিয়া ছুপা শিয়াগুলোর থেকে সাবধান।

সম্প্রতি আফগান সরকার এক যুগন্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে- কোন সরকারী চাকুরিজীবি যদি আফগানিস্তানের বাইরে তার কোন সন্তানকে পড়াশোনা করতে পাঠায় তবে তাকে চাকুরি ছাড়তে হবে। এর কারণ হিসাবে আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হাক্কানি টোলো নিউজকে জানান যে বিগত ঘানি সরকারের আমলে, সরকারি আমলারা - প্রথমে তাদের সন্তানদের বিদেশে পাঠাত উচ্চ শিক্ষার জন্য। এরপর তারা তাদের সম্পদ সেখানে পাঠাত। এরপর সেখানে বাড়ি, ঘর কিনত। সন্তানরা সেখানে নাগরিকত্ব নিত। এরপর সুবিধামত সময়ে তারা আফগানিস্তান ছেড়ে দুবাই, আমেরিকা, কানাডা, সুইডেনে পাড়ি জমাত। এভাবে দেশের সম্পদ পাচার হত। কিন্ত এখন থেকে কারোর যদি পরিবারের সদস্যদের বাইরে পাঠানোর ইচ্ছা থাকে তবে যেন সে আগে আফগান জনগণের চাকুরি ছেড়ে দেয়। এটা ইসলামিক আমিরাত, এটা রিপাবলিক না। জনগণের কাছে আমাদের দায় আছে। এই নিয়ম শুধু সরকারি চাকুরিজীবি না বরং সকল আফগান রাজনীতিবিদ যারা সরকারের অংশ তাদের ব্যাপারেও প্রযোজ্য হবে। যেসব আমলারা বাংলাদেশের বাইরে সেকেন্ড হোম গড়ে তুলছে, বিপদে পড়লেই লন্ডনে বা আমেরিকায় পালিয়ে যায়, তারা কি এই দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা চালানোর যোগ্য? আফগানিস্তানের মতো বাংলাদেশেও এমন একটা আইন করা দরকার যাতে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ এবং আমলাদের সন্তানরা দেশের বাইরে গিয়ে পড়ালেখা করতে না পারে। এতে করে আমাদের শিক্ষার মান যেমন বাড়বে, তেমনি আরও উন্নত হবে শিক্ষা ব্যবস্থা। পাশাপাশি বিদেশে টাকা পাচার বন্ধ হবে এবং দুর্নীতি কমবে। Meer Zahan

পৃথিবীর আর কোনো রাষ্ট্রের কোমরে এই জোর আছে? কোমরের এই জোরের জন্য দরকার ঈমানি শক্তি ও একদল মুজাহিদ! কথিত গণতন্ত্র দিয়ে মুসলমান
পৃথিবীর আর কোনো রাষ্ট্রের কোমরে এই জোর আছে? কোমরের এই জোরের জন্য দরকার ঈমানি শক্তি ও একদল মুজাহিদ! কথিত গণতন্ত্র দিয়ে মুসলমানরা কখনোই এই শক্তি অর্জন করতে পারবে না।

যিনার শাস্তি পাথর নিক্ষেপে হত্যা ও হযরতের ওমরের আশংকা! সহিহ মুসলিমের একটি রিওয়ায়েত দেখুন, عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَهُوَ جَالِسٌ عَلَى مِنْبَرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ قَدْ بَعَثَ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم بِالْحَقِّ وَأَنْزَلَ عَلَيْهِ الْكِتَابَ فَكَانَ مِمَّا أُنْزِلَ عَلَيْهِ آيَةُ الرَّجْمِ قَرَأْنَاهَا وَوَعَيْنَاهَا وَعَقَلْنَاهَا فَرَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرَجَمْنَا بَعْدَهُ فَأَخْشَى إِنْ طَالَ بِالنَّاسِ زَمَانٌ أَنْ يَقُولَ قَائِلٌ مَا نَجِدُ الرَّجْمَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَيَضِلُّوا بِتَرْكِ فَرِيضَةٍ أَنْزَلَهَا اللَّهُ وَإِنَّ الرَّجْمَ فِي كِتَابِ اللَّهِ حَقٌّ عَلَى مَنْ زَنَى إِذَا أَحْصَنَ مِنَ الرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ إِذَا قَامَتِ الْبَيِّنَةُ أَوْ كَانَ الْحَبَلُ أَوْ الاِعْتِرَافُ . আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মিম্বরের উপর বসা অবস্থায় বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা মুহাম্মাদ (ﷺ) কে সত্য ধর্ম সহকারে প্রেরণ করেছেন এবং তার উপর কিতাব (কুরআন) অবতীর্ণ করেছেন। আল্লাহর নাযিলকৃত বিষয়ের মধ্যে آيَةُ الرَّجْمِ (ব্যভিচারের জন্য পাথর নিক্ষেপের আয়াত) রয়েছে। তা আমরা পাঠ করেছি, স্মরণ রেখেছি এবং হৃদয়ঙ্গম করেছি। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (ব্যভিচারের জন্য) রজম (এর হুকুম বাস্তবায়িত) করেছেন। আমি ভয় করছি যে, দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর কেউ একথা হয়তো বলবে যে, আমরা আল্লাহর কিতাবে (ব্যভিচারের শাস্তি) রজমের নির্দেশ পাচ্ছি না। তখন আল্লাহ কর্তৃক নাযিলকৃত এই ফরয কাজটি পরিত্যাগ করে তারা মানুষদেরকে পথভ্রষ্ট করে ফেলবে। নিশ্চয়ই আল্লাহর কিতাবে বিবাহিত নর-নারীর ব্যভিচারের শাস্তি رجم (পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা) এর হুকুম বাস্তব বিষয়। যখন সাক্ষ্য দ্বারা তা প্রমাণিত হয়, কিংবা গর্ভ প্রকাশ পায়, অথবা (সে নিজে) স্বীকার করে। -সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৪২৭১, কিতাবুল হুদুদ, বাবু রজমিস সাইয়িবি ফিজ জিনা //আমি ভয় করছি যে, দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর কেউ একথা হয়তো বলবে যে, আমরা আল্লাহর কিতাবে (ব্যভিচারের শাস্তি) রজমের নির্দেশ পাচ্ছি না। তখন আল্লাহ কর্তৃক নাযিলকৃত এই ফরয কাজটি পরিত্যাগ করে তারা মানুষদেরকে পথভ্রষ্ট করে ফেলবে।// আল্লাহ হযরত ইউসুফ কারযাবিসহ মিশরের ঐ সকল আলেমদের ক্ষমা করুক। যারা ইসলামের এই স্পষ্ট বিধানকে অনিসলামি বলে মত দিয়েছেন!

❤️
❤️