es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 326 suscriptores, ocupando la posición 7 900 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 063 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 326 suscriptores.

Según los últimos datos del 29 agosto, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 59, y en las últimas 24 horas de -5, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 13.95%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 5.80% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 1 580 visualizaciones. En el primer día suele acumular 657 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 35.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 30 agosto, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 326
Suscriptores
-524 horas
+107 días
+5930 días
Archivo de publicaciones
আমরা জি হা দের জন্য আলেমদের ফতোয়ার অপেক্ষায় ছিলাম, অতপর যখন ফতোয়া আসলো আমাদের আর খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। . আল্লাহ আমাকে ও আমাদে
আমরা জি হা দের জন্য আলেমদের ফতোয়ার অপেক্ষায় ছিলাম, অতপর যখন ফতোয়া আসলো আমাদের আর খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। . আল্লাহ আমাকে ও আমাদেরকে ক্ষমা করুন, কুরআনে বর্ণিত মুনাফিকদের বহু গুণ আমাদের মধ্যে পাওয়া যায়, এর মধ্যে একটি হলো জি হা দের কথা তো বলি, কিন্তু কোনো প্রস্তুতিতে নেই!

📌 রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে! দি মুসলিম মাইন্ডস কনফারেন্স' ২৫ বিষয়: Clash Of Civilisation – সভ্যতার সংঘাত তারিখ: ১২ জুলাই, ২০২৫ সময়: দুপুর ২.৩০ - রাত ৮.৩০ স্থান: আইডিইবি ভবন, কাকরাইল ভিআইপি রোড, ঢাকা স্যামুয়েল হান্টিংটন তার 'Clash Of Civilisation' তত্ত্বে বলেছিলেন– আগামী দিনের যুদ্ধ ভৌগলিক সীমান্তে হবে না, বরং হবে মূল্যবোধ ও বিশ্বাসের ময়দানে। আমাদের জীবনযাত্রা, চিন্তাধারা, সংস্কৃতি— সবখানে আধুনিকতার প্রভাব। কিন্তু এই আধুনিকতা কি নিরপেক্ষ ও সার্বজনীন? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে একটি বিশেষ সভ্যতার আধিপত্যবাদী দর্শন? এই প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে 'The Muslim Minds' আয়োজন করেছে 'Clash Of Civilisation – সভ্যতার সংঘাত' কনফারেন্স। যেখানে একঝাঁক স্বপ্নদীপ্ত তরুণদের সাথে চিন্তার বিনিময়ে আলোচনায় থাকবেন– ১. আসিফ আদনান– সভ্যতার উত্থান ও পতন ২. রেজাউল করিম রনি– বেঙ্গল ওরিয়েন্টালিজমঃ বাঙালি জাতির সভ্যতাগত রূপান্তর ৩. ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি–পশ্চিমা সভ্যতার পতন কি অবশ্যম্ভাবী? ৪. ইমরান রাইহান– মুসলিম বিশ্বে পশ্চিমা উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ৫. ডা. রাফান আহমেদ– আধুনিক সভ্যতা ও ক্ষমতায় আপন-পর প্রশ্ন ৬. আম্মারুল হক– পশ্চিমা সভ্যতার বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসন মোকাবিলায় উলামাদের সিলসিলা এই কনফারেন্স শুধু একটি প্রোগ্রাম নয়, বরং চিন্তার খোরাক এবং আত্মবিশ্লেষণের ময়দান। আমরা কে? আমাদের বিশ্বাস কোন ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে? আধুনিকতার রঙিন প্রলেপের নিচে আমাদের চেতনা কতটা স্বাধীন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতেই আমরা একত্র হবো। 📌 রেজিস্ট্রেশন করুনঃ লিংক: https://themuslimminds.org/registration/ 🔰আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন কনফার্ম হবে। যারা আগে থেকে আছেন তারা রেজিষ্ট্রেশন করলেই হয় যাবে। ইসলাম ও আধুনিকতার দ্বন্দ্বকে বুঝে, সভ্যতার অবশ্যম্ভাবী সংঘাত অনুভব করে, সত্যের পক্ষে অবস্থান নিই। আপনার চিন্তা, প্রশ্ন ও অনুসন্ধান নিয়ে আমন্ত্রণ রইল 'দি মুসলিম মাইন্ডসের' এই ময়দানে.. #MuslimMindsConference #ClashOfCivilisations #IslamVsModernity #IntellectualResistance

📌 রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে! দি মুসলিম মাইন্ডস কনফারেন্স' ২৫ বিষয়: Clash Of Civilisation – সভ্যতার সংঘাত তারিখ: ১২ জুলাই, ২০২৫ সময়: দুপুর ২.৩০ - রাত ৮.৩০ স্থান: আইডিইবি ভবন, কাকরাইল ভিআইপি রোড, ঢাকা স্যামুয়েল হান্টিংটন তার 'Clash Of Civilisation' তত্ত্বে বলেছিলেন– আগামী দিনের যুদ্ধ ভৌগলিক সীমান্তে হবে না, বরং হবে মূল্যবোধ ও বিশ্বাসের ময়দানে। আমাদের জীবনযাত্রা, চিন্তাধারা, সংস্কৃতি— সবখানে আধুনিকতার প্রভাব। কিন্তু এই আধুনিকতা কি নিরপেক্ষ ও সার্বজনীন? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে একটি বিশেষ সভ্যতার আধিপত্যবাদী দর্শন? এই প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে 'The Muslim Minds' আয়োজন করেছে 'Clash Of Civilisation – সভ্যতার সংঘাত' কনফারেন্স। যেখানে একঝাঁক স্বপ্নদীপ্ত তরুণদের সাথে চিন্তার বিনিময়ে আলোচনায় থাকবেন– ১. আসিফ আদনান– সভ্যতার উত্থান ও পতন ২. রেজাউল করিম রনি– বেঙ্গল ওরিয়েন্টালিজমঃ বাঙালি জাতির সভ্যতাগত রূপান্তর ৩. ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি–পশ্চিমা সভ্যতার পতন কি অবশ্যম্ভাবী? ৪. ইমরান রাইহান– মুসলিম বিশ্বে পশ্চিমা উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ৫. ডা. রাফান আহমেদ– আধুনিক সভ্যতা ও ক্ষমতায় আপন-পর প্রশ্ন ৬. আম্মারুল হক– পশ্চিমা সভ্যতার বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসন মোকাবিলায় উলামাদের সিলসিলা এই কনফারেন্স শুধু একটি প্রোগ্রাম নয়, বরং চিন্তার খোরাক এবং আত্মবিশ্লেষণের ময়দান। আমরা কে? আমাদের বিশ্বাস কোন ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে? আধুনিকতার রঙিন প্রলেপের নিচে আমাদের চেতনা কতটা স্বাধীন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতেই আমরা একত্র হবো। 📌 রেজিস্ট্রেশন করুনঃ লিংক: https://themuslimminds.org/registration/ 🔰আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন কনফার্ম হবে। যারা আগে থেকে আছেন তারা রেজিষ্ট্রেশন করলেই হয় যাবে। ইসলাম ও আধুনিকতার দ্বন্দ্বকে বুঝে, সভ্যতার অবশ্যম্ভাবী সংঘাত অনুভব করে, সত্যের পক্ষে অবস্থান নিই। আপনার চিন্তা, প্রশ্ন ও অনুসন্ধান নিয়ে আমন্ত্রণ রইল 'দি মুসলিম মাইন্ডসের' এই ময়দানে.. #MuslimMindsConference #ClashOfCivilisations #IslamVsModernity #IntellectualResistance

যাদের সম্ভব হয় অংশগ্রহণ করতে পারেন। আশা করি চিন্তার জায়গায় ফায়দা দিবে। বিশেষত খতিব সাহেবগণ ও বিভিন্ন স্থানে দাওয়াতি কাজে আছেন
যাদের সম্ভব হয় অংশগ্রহণ করতে পারেন। আশা করি চিন্তার জায়গায় ফায়দা দিবে। বিশেষত খতিব সাহেবগণ ও বিভিন্ন স্থানে দাওয়াতি কাজে আছেন এমন ব্যক্তিরা আসার যথাসম্ভব চেষ্টা করবেন।

জালেম ও কাফেরকে ঘৃণা করা আহলে সুন্নাত ওয়াল-জামাতের আকিদার অংশ ইমাম তাহাবি রহিমাহুল্লাহ ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহা
জালেম ও কাফেরকে ঘৃণা করা আহলে সুন্নাত ওয়াল-জামাতের আকিদার অংশ ইমাম তাহাবি রহিমাহুল্লাহ ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত আহলুস সুন্নাহর আকিদাসমূহ একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকায় একত্র করেছেন। সেখানে মুমিনের প্রতি বন্ধুত্ব আর কাফেরের সাথে শত্রুতার আকিদাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইমাম তাহাবি বলেন, ونحب أهل العدل والأمانة ونبغض أهل الجور والخيانة. আমরা ন্যায়নিষ্ঠ ও ইনসাফকারীদের ভালোবাসি আর অপরাধী ও খেয়ানতকারীদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করি। বলাবাহুল্য, অপরাধ, জুলুম ও খেয়ানতের বড় একটি বহিঃপ্রকাশই হলো কুফরি গ্রহণ করা। আমাদের সালাফদের আকিদার কিতাবসমূহে এই মাসআলাটির অন্তর্ভুক্তি দ্বারা বিষয়টি তাদের নিকটও কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল তার কিছুটা আঁচ করা যায়। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

Shamsul Arefin Shakti ভাইয়ের “ফিলিস্তিনের মুক্তি ও আরব শাসকদের ব্যর্থতা” এই আলোচনাটা সকলের শুনা দরকার। https://youtu.be/W8yy5yB5u3w?si=7y7iP-eFtipelofb

কিছুদিন আগে জি হা দ বিষয়ে একজন মুতাদিল আলিমের কথা শুনলাম। তিনি দরসে স্পষ্ট জি হা দ বিষয়ে উনার ইতিদাল মেজাজ বিষয়ক কথা বলেন। একদিন দরসে বলতেছেন, “আমি শায়খ উসামা রহিমাহুল্লাহকে ইমামুল মু জা হিদ মনে করি। তবে এই বাস্তবতাও বলতে বাধ্য, তিনি একজন তাকফিরি ছিলেন। তিনি উগ্র ছিলেন। তিনি অন্যায়ভাবে মুসলমানদের হত্যা করছেন। তিমি যেখানে-সেখানে বো*ম ফেলে মুসলমানদের জান-মাল ক্ষতি করতেন। তিনি ওলামাদের লাঞ্চিত করতেন। তিনি যুবকদের আলেম বিদ্বেষী করে তুলেছেন। সর্বোপরি উনার মানহাজ ভুল ছিলো এবং মুসলমানদের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। তবে, আমি উনাকে অবশ্যই একজন ইমামুল মু জা হিদ মনে করি।” . আসমানের নীচে আর যমীনের উপর এমন ইতিদাল হয়তো পৃথিবীবাসী আর দেখবে না।

একজন সাধারণ মানুষের জন্য দ্বীনের খেদমত। ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি . https://www.facebook.com/share/171fYjXZnD/

উসুলুশ শাশী বা নুরুল আনওয়ার পড়েন বা পড়ান তাদের জন্য এই কিতাবটা অত্যাবশ্যকের পর্যায়ের বলে মনে হয়। তা কেনো? উসুলুল ফিকহ পড়ানোর সময় উস্তাদ বা ছাত্রের অন্যতম যে সমস্যাটা হয় তা হলো উদাহরণ না থাকা। অর্থাৎ কিতাবে কোনো উসুল বর্ণনা করার পর যে উদাহরণ থাকে তার বাহিরে আর কোনো উদাহরণ আমরা খুজে পাই না। যার ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। এক তো হলো, উদাহরণের অভাবে পড়া উসুল পূর্ণ বুঝে না আসা। আরেকটি হলো, বুঝে আসলেও উসুলের এই প্রয়োগটা কুরআন ও হাদিসে আর কোথায় না পাওয়ার কারণে ধরতে না পারা, এর ফলে উসুলুল ফিকহ যে একজন ফকিহের জীবনে কত গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝে আসে না। ফলাফল, এই গুরুত্বপূর্ণ ইলমটি আমাদের কাছে শুধু একটি রসমি ইলম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে। এই সবগুলোর সমস্যার সমাধান আপনি খুব সহজে এই কিতাবে পেয়ে যাবেন। কিতাবে উসুলুল ফিকহের প্রতিটি আসলের প্রচুর উদাহরণ কুরআন-সুন্নাহ থেকে লেখক জমা করেছে। এবং উদাহরণগুলো কোথায় সংক্ষিপ্ত শব্দে ও কোথাও লম্বা আলোচনা করে বুঝিয়ে দিয়েছে। বইটা আমাদের জন্য সমস্যা এই হতে পারে যে, আমাদের কিতাবগুলো সাধারণত তাকসিমে ইশরিনের তারতিবে লেখা। আর এই বইয়ের মুসান্নিফ ভিন্ন তারতিবে লেখেছে। ভিন্ন তাকসিম করেছে।

মাওলানা জিয়াউর ফারুকি রহিমাহুল্লাহ পাকিস্তানের একজন সনামধন্য আলেম ছিলেন। আমৃত্যু যে মহান ব্যক্তিবর্গরা শানে সাহাবা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি তাদের মধ্যে অন্যতম। পাকিস্তানে শিয়াদের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সমস্ত ধুম্রজালকে যখন তিনি মানুষের সামনে স্পষ্ট করতে লাগলেন তখন পূর্বসূরীদের মত মাওলানাকেও অভিশপ্ত শিয়ারা শহিদ করে দেয়। ১৯৯৭ সনে লাহোরে একটি বিস্ফোরণ আক্রমণে তিনি শহিদ হন। “শিয়াদের কুফর; ধুম্রজাল ছেড়ে বাস্তবতা” এটা মাওলানা জিয়াউর রহমান ফারুকি রহিমাহুল্লাহ-এর একটি ভাষন যা তিনি জনসম্মুখে দিয়েছিলেন। সে ভাষনে যেমন ইমানি জযবা ও হুব্বে সাহাবার আলোক বিচ্ছুরণ প্রকাশ পেয়েছিলো তেমনি তা ছিলো ইতিহাস ও দলিল সমৃদ্ধ। শিয়াদের কুফরির বিষয়গুলো দলিলের আলোকে শিয়াদের নথিপত্র থেকেই একদম সহজ ভাষায় এই ভাষনে তিনি উপস্থাপন করেন। বয়ানের এই শ্রুতিলেখনে চেষ্টা করা হয়েছে বয়ানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে অনুবাদ করতে। তাই ভাষাগত দিকটি বয়ানের অনুরূপ রাখা হয়েছে। প্রতিটি পাঠকের কাছে আবেদন তারা যেনো অবশ্যই ইউটিউব থেকে মূল বয়ানটি শুনে নেন। কারণ হুব্বে সাহাবার যে তরপ মাওলানার দিলে রক্তক্ষরণ হয়ে জবানে প্রকাশ পাচ্ছিলো সে অনুভব এই অনুবাদে আর কোথায় আসবে!

শিয়াদের অতিত ও বর্তমান -মাওলানা ইমরান রাইহান . (কথাগুলো যত বেশি সম্ভব মানুষের কাছে পৌঁছানো দরকার)

এই চ্যানেলের প্রায় প্রতিটি ভিডিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়। সমসাময়িক বিষয়গুলোতে তাদের বিশ্লেষণও চমৎকার। বিশেষত, এক উম্মাহের কনসেপ্ট তাদের আলোচনার মধ্যে প্রবলভাবে ফুটে উঠে। সাথে স্পষ্ট ভাষা ও সুনির্ধারিত দলিল। . সাধ্যের মধ্যে এই চ্যানেলটি নিয়মিত প্রচার করা দরকার আমাদের। . https://youtu.be/6-BnsvrAPAQ?si=aJLPf8uL1yag6vrv

ইরান আর আমেরিকা যুদ্ধ নামক যে নাটকটা করলো, এটা দেখে এখন একটাই মন্তব্য, “নাটক কম করো প্রিয়, তোমরা যে একে অপরের প্রেমে আসক্ত তা তোমাদের আচরণ দেখলেই বুঝা যায়।” . যুদ্ধ শব্দটারেই ইরানি শিয়া এই মালউনগুলো জয় বাংলা করে দিছে!

যদি গল্ফ রাষ্ট্রগুলো ইরানের আজকের আক্রমণের প্রতিক্রিয়া দেখায়, তাহলে মোটামুটি আমি যা বুঝতেছে, এতদিনের ইরানের যুদ্ধ যুদ্ধ খেলার আসল রূপ স্পষ্ট হবে। গল্ফের কোনো একটা দেশ এখন ইরানের সাথে যুদ্ধ লাগা মানি আমেরিকার বিলিয়ন/ট্রিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি হওয়া... দেখা যাক, কী হয়।

ইরানের কিছু হলে এরপর টার্গেট পাকিস্তান, পাকিস্তানের জন্য টেনশম করা জনসাধারণ। আর এদিকে পাকিস্তান....
ইরানের কিছু হলে এরপর টার্গেট পাকিস্তান, পাকিস্তানের জন্য টেনশম করা জনসাধারণ। আর এদিকে পাকিস্তান....

মাউসূআতুল ফিকহিয়্যাহ আল কুয়েতিয়্যাতে সংজ্ঞা দেওয়া হয় এভাবে: والجهاد اصطلاحا: قتال مُسْلِمٍ كَافِرًا غَيْرَ ذِي عَهْدٍ بَعْدَ دَعْوَتِهِ لِلإسْلامِ وَإِبَائِهِ، إِعْلاء كلمة الله . (الموسوعة الفقهية الكويتية في أوائل كتاب الجهاد) জিহাদ সংক্রান্ত যত আয়াত হাদীস আছে তিন চারটা ছাড়া বাকি সবগুলোতেই কাফিরদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ফুকাহায়ে কেরাম কিতাবুস সিয়ার বা কিতাবুল জিহাদে কিতাল সংক্রান্ত আলোচনা এনেছেন। মুহাদ্দিসীনে কেরাম হাদীসের কিতাবাদিতে কিতাবুস সিয়ার বা জিহাদে কিতাল সংক্রান্ত আলোচনাই এনেছেন। তারা জিহাদ বলতে এতো ব্যাপক অর্থ বুঝেননি,যা বর্তমান যুগে আমরা দেখতে পাচ্ছি। মুহাদ্দিস ও ফুকাহায়ে কেরামের সংজ্ঞা থেকে মূল এবং অপরিহার্য শর্ত যেটা আমরা পেয়েছি সেটা হচ্ছে, আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা জন্য "কাফিরদের বিরুদ্ধে" সর্বশক্তি ব্যয় করা। সেটা জানের মাধ্যমে হোক বা মালের মাধ্যমে। অর্থাৎ দ্বীন প্রতিষ্ঠার নাম দিয়ে সকল প্রচেষ্টাকে জিহাদ বলা সহীহ নয়। দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য কাফিরদের লড়াই করতে গিয়ে যে চেষ্টা চালানো হবে সেটা জিহাদ বলে গণ্য হবে। আচ্ছা জিহাদের সংজ্ঞা যদি "দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য সব ধরনের চেষ্টা করে যাওয়া" এভাবে করা হয় তাহলে কী সমস্যা হয়? আমরা উপরে শাইখ আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহর লেখার মাধ্যমে স্পষ্ট করে দেখিয়েছি, এতে জিহাদের অবকাঠামো,স্বীকৃত সংজ্ঞা বিকৃত হওয়া এবং দাওয়াত তাবলীগ,তাযকিয়াহ,দ্বীন প্রচারের বাহানায় নিজের ব্যক্তি স্বার্থকেও জিহাদ বলা অবধারিত হয়ে যায়। তাছাড়া যদি দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা জিহাদ হয় তবে যারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে লড়াই করছে তারাও জিহাদ করছে এটাও মেনে নিতে হবে! তারা যদি দাবি করে,আমরা নির্বাচন করি না,আমরা জিহাদ করি তাহলে তাদের দাবি ভুল হবে না,কারণ তাদের উদ্দেশ্যও দ্বীন কায়েম করা। তাদের এটা তখন দ্বীনের অপব্যাখ্যা বলতে পারবেন না, বরং সেটাকে আপনার সমর্থন করে যেতে হবে। এমন যদি প্রত্যেকের তাবীল মেনে নেয়া হয় এবং জিহাদের বিষয়টাকে এতো লাগামহীন,শর্তশারায়েত মুক্ত ছেড়ে দেওয়া হয় তবে সব করতে পারবেন, কিন্তু শরয়ী জিহাদ বাস্তবায়ন করার সুযোগ হবে না। এবং যারা জিহাদের তাহরীফ করে যায় বিভিন্নভাবে,তাদেরও বিরোধিতা করতে পারবেন না। এরপর তিনি বলেন: // তিনি তার সংজ্ঞা উল্লেখ করার পর হাসসন বিন সাবিত রাযিয়াল্লাহু আনহু যে কবিতা তৈরি করতেন , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুব উৎসাহ দিতেন। বলতেন যে,জিব্রীল তোমার সঙ্গে। সুতরাং তুমি ওদের বিরুদ্ধে কবিতা তৈরি করো! তো জিহাদ প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করার জন্যে এবং আল্লাহর দ্বীনকে বিজয় করার জন্যে যা কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার সে সবই জিহাদ। সে হিসেবে দাওয়াতি কার্যক্রম জিহাদ, মুখের দাওয়াত, তারপর লেখাজোকা, বইপুস্তক লেখা, প্রচার পত্র এসব জিহাদ। // উনার কথার কণ্ডন উনার দলীলের মধ্যেই আছে। উনি হাসসান বিন সাবিতের কবিতা দিয়ে দলীল দিয়েছেন,যা ছিল কাফিরদের বিরুদ্ধে। আর আমরা আজকাল মুসলিমদেরকে নামাযের দাওয়াত দিই বলে দাওয়াতের একটা অংশে সাদৃশ্য থাকায় সেটাকেই একমাত্র জিহাদ বলে চালিয়ে দিচ্ছি। (চলবে)

فأقبل رسول الله صلى الله عليه و سلم بوجهه وقال كذبوا، الآن الآن جاء القتال، ولا يزال من أمتي أمة يقاتلون على الحق، ويزيغ الله لهم قلوب أقوام، ويرزقهم منهم حتى تقوم الساعة، وحتى يأتي وعد الله". আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বসা ছিলাম, এমতাবস্থায় এক লোক জিজ্ঞাসা করলো হে আল্লাহর রাসূল! লোকেরা অশ্বের প্রতি গুরুত্ব কম দিচ্ছে এবং অস্ত্র রেখে দিচ্ছে। তারা একথা বলছে: এখন জিহাদ আর নেই, জিহাদ তো তার বোঝা রেখে দিয়েছে। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর চেহারা ফিরালেন এবং বললেন: তারা মিথ্যা বলেছে, কিতাল তো সবেমাত্র শুরু হয়েছে, আর আমার উম্মতের একটি দল হকের উপর সবসময় কিতাল করতেই থাকবে..."। (সুনানুন নাসাঈ ২/১০৪) লক্ষ করার বিষয় হচ্ছে, সাহাবী জিজ্ঞেস করছেন জিহাদ বলে, আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তর দিচ্ছেন কিতাল বলে। যা থেকে বুঝে আসে তাঁরা জিহাদ বলতে কিতালই বুঝতেন। হাদীসের ব্যাখ্যাগ্রন্থ দেখা যাক, মুল্লা আলী কারী(১০১৪হিঃ) মিরকাতে লেখেন: الْجِهَادُ : بِكَسْرِ أَوَّلِهِ، وَهُوَ لُغَةُ الْمَشَقَّةُ، وَشَرْعًا بَذْلُ الْمَجْهُودِ فِي قِتَالِ الْكُفَّارِ مُبَاشَرَةً، أَوْ مُعَاوَنَةٌ بِالْمَالِ، أَوْ بِالرَّأْيِ، أَوْ بِتَكْثِيرِ السَّوَادِ، أَوْ غَيْرِ ذَلِكَ. ইবনু হাজার আসকালানী (৮৫২হিঃ) রহ. ফাতহুল বারীতে লেখেন: وَشَرْعًا: بَذْلُ الْجُهْدِ فِي قِتَالِ الْكُفَّارِ . বদরুদ্দীন আইনী (৮৫৫হিঃ) রহ. উমদাতুল কারীতে লেখেন: وفي الشرع: بذل الجهد في قتال الكفار لإعلاء كلمة الله تعالى. আল্লামা সুয়ূতী (৯১১হিঃ) তাওশীহে লেখেন: وشرعا: بذل الجهد في قتال الكفار . হাফিয কিরমানী রহ. তার ব্যাখ্যা গ্রন্থে লেখেন: كتاب الجهاد والسير : وهو مصدر جاهدت العدو إذا قاتلته ببذل كل واحد منهما أي طاقته في دفع صاحبه، وبحسب الاصطلاح قتال الكفار لتقوية الدين. অন্যান্য ব্যাখ্যাকারের বক্তব্য এমনই। এবার ফুকাহায়ে কেরামের বক্তব্য দেখা যাক: وَالْجِهَادُ هُوَ الدُّعَاءُ إِلَى الدِّينِ الْحَقِّ ، وَالْقِتَالُ مَعَ مَنْ امْتَنَعَ عَنْ الْقَبُولِ بِالنَّفْسِ، وَالْمَالِ. البحر الرائق، العناية شرح الهداية، في أول كتاب السير). “জিহাদ হচ্ছে, সত্য দ্বীনের দিকে ডাকা এবং সত্য দ্বীন গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে জান-মাল দিয়ে যুদ্ধ করা"। - (আলবাহরুর রায়েক, আলইনায়াহ, কিতাবুস সিয়ার) অনুরূপ সংজ্ঞা রয়েছে তুহফাতুল ফুকাহা, বাদাইউস সানায়ে, মাজমাউল আনহুর, আললুবাব, দুররে মুখতার ইত্যাদি কিতাবে। উদ্ধৃতিগুলো বিস্তারিত দেখা যাক: আলাউদ্দীন সামারকান্দী রহ. লেখেন: فَهُوَ الدُّعاء إلى الدين الحق والقتال مع من امتنع عن الْقَبُولِ بِالْمَالِ وَالنَّفْسِ، قَالَ اللهُ تَعَالَى انفروا حفافا وثقالا وجاهدوا بأموالكم وَأَنْفُسِكُمْ وَقَالَ { إن الله اشترى من الْمُؤْمِنِينَ). (تحفة الفقهاء ٢٩٣/٣ص دار الكتب العلمية. ) আল্লামা কাসানী রহ. (৫৮১/৮৭হিঃ) লেখেন: وَأَمَّا الْجِهَادُ فِي اللُّغَةِ فَعِبَارَةٌ عَنْ بَذْلِ الْجُهْدِ بِالضَّمِّ وَهُوَ الْوُسْعُ وَالطَّاقَةُ، أَوْ عَنْ الْمُبَالَغَةِ فِي الْعَمَلِ مِنَ الْجَهْدِ بِالْفَتْحِ، وَفِي عُرْفِ الشَّرْعِ يُسْتَعْمَلُ فِي بَذْلِ الْوُسْعِ وَالطَّاقَةِ بِالْقِتَالِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ - عَزَّ وَجَلَّ - بِالنَّفْسِ وَالْمَالِ وَالنِّسَانِ، أَوْ غَيْرِ ذَلِكَ، أَوْ الْمُبَالَغَةِ فِي ذَلِكَ وَاللَّهُ - تَعَالَى - أَعْلَمُ (بدائع الصنائع في أول كتاب السير). ফকীহ ইব্রাহীম হালবী (৯৫৬হিঃ) রহ. লেখেন: (الْجِهَادُ فِي اللُّغَةِ: بَذْلُ مَا فِي الْوُسْعِ مِنَ الْقَوْلِ، وَالْفِعْلِ. وفِي الشَّرِيعَةِ : قَتْلُ الْكُفَّارِ وَنَحْوُهُ مِنْ ضَرْهِمْ، وَنَهْبِ أَمْوَالِهِمْ وَهَدْمِ مَعَابِدِهِمْ وَكَسْرِ أَصْنَامِهِمْ وَغَيْرِهِمْ. (مجمع الأنهر في شرح ملتقى الأبحر ٤٠٧/۲ دار الكتب العلمية.) ফাতওয়ায় হিন্দিয়াতে আছে: فَالْجِهَادُ هُوَ الدُّعَاءُ إِلى الدِّينِ الْحَقِّ وَالْقِتَالُ مَعَ مَنْ امْتَنَعَ وَتَمَرَّدَ عَنْ الْقَبُولِ إِمَّا بِالنَّفْسِ أَوْ بالمال. ( الفتاوى الهندية ٢ / ۱۸۸) আল্লামা আব্দুল গণী গুনাইমী (১২৯৮হিঃ) লেখেন: وهو لغة: مصدر جاهد في سبيل الله، وشرعا الدعاء إلى الدين الحق وقتال من لم يقبله، ( الشمنى اللباب في شرح الكتاب في أول كتاب السير). দুর এবং তার হাশিয়াতে আছে: وَهُوَ لُغَةٌ: مَصْدَرُ جَاهَدَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ. وَشَرْعًا: الدُّعَاءُ إِلَى الدِّينِ الْحَقِّ وَقِتَالُ مَنْ لَمْ يَقْبَلْهُ سمي وَعَرَّفَهُ ابْنُ الْكَمَالِ بِأَنَّهُ بَدِّلُ الْوُسْعِ فِي الْقِتَالِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ مُبَاشَرَةً أَوْ مُعَاوَنَةٌ بِمَالٍ، أَوْ رَأَي أَوْ تَكْثِيرٍ سَوَادٍ أَوْ غَيْرِ ذَلِكَ. اهـ.. (الدر المختار مع حاشية ابن عابدين، في أوائل كتاب الجهاد).

লেখেছেন মাওলানা মাহফুজ সাল্লামাহুল্লাহু . পৃথিবীতে জিহাদ একমাত্র বিধান, যেটাতে যে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে হস্তক্ষেপ করার অধিকার রাখে। যেভাবেই শর্ত,কায়েদ লাগাক না কেন,জিহাদের কাঠামো কখনোই পরিবর্তন হবে না। সম্প্রতি শাইখ আবুল বাশার সাইফুল ইসলাম হাফিযাহুল্লাহর একটা ভিডিও বক্তব্য নযরে এল, যেখানে তিনি জিহাদ সংক্রান্ত আলোচনা পেশ করেছেন। মৌলিকভাবে কয়েকটা পয়েন্ট নিয়ে লেখার ইচ্ছা, যেহেতু এধরনের আপত্তি, দাবি, সংশয় প্রায় অনেকেরই। সেজন্য এটা ওজাহাত করা জরুরি মনে হচ্ছে। শাইখ প্রথমে বলেন: // জিহাদ কী? ই'লায়ে কালিমাতুল্লাহর জন্য যে সংগ্রাম হয় সেটাই জিহাদ! // তার এই কথার বিশ্লেষণ আমরা হাদীস, মুহাদ্দিস ও ফকীহগণের বক্তব্যের মাধ্যমে দেখবো, জিহাদ আসলে কী?! সব রকমের প্রচেষ্টাই জিহাদ? চর্মোনাইয়ের নির্বাচন পদ্ধতিও তবে জিহাদ?! এব্যাপারে শুরুতে আমি শাইখ আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহর বক্তব্য উল্লেখ করছি, যা তিনি কিতাবুল জিহাদের ভূমিকায় লেখেছেন: ১. দ্বীন প্রতিষ্ঠার সকল প্রচেষ্টাই কি "জিহাদ”? কোন কোন বন্ধুকে বলতে শোনা যায় যে, ই'লায়ে কালিমাতুল্লাহ, দ্বীন প্রতিষ্ঠা বা দ্বীনের প্রচার প্রসারের নিমিত্ত যে কোন কর্ম-প্রচেষ্টাই জিহাদের অন্তর্ভুক্ত। বলা বাহুল্য "জিহাদ” আভিধানিক অর্থে শরীয়ত সম্মত সকল দ্বীনি প্রচেষ্টাকেই বুঝায় এবং শরয়ী নুসুসমূহের (কুরআন হাদীসের ভাষা) কোথাও কোথাও এই শব্দটি জিহাদ ছাড়া অন্যান্য দ্বীনি মিহনতের ব্যাপারেও ব্যবহৃত হয়েছে কিন্তু জিহাদ যা শরীয়তের একটি বিশেষ পরিভাষা এবং যার অপর নাম "ক্বিতাল ফী সাবীলিল্লাহ" তা কখনো এই সাধারণ কর্ম প্রচেষ্টার নাম নয় বরং এই অর্থে "জিহাদ” হল, "আল্লাহর কালিমা বুলন্দ করার জন্য, ইসলামের হিফাজত ও এর মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য, কুফরের শক্তিকে চুরমার করার জন্য এবং এর প্রভাব প্রতিপত্তিকে বিলুপ্ত করার জন্য কাফের মুশরিকদের সাথে যুদ্ধ করা।" ফিকহের কিতাবসমূহে এই জিহাদের বিধি-বিধানই উল্লেখিত হয়েছে। সীরাত প্রন্থসমূহে এই জিহাদেরই নববী যুগের ইতিহাস লিপিবদ্ধ হয়েছে, কুরআন হাদীসে জিহাদের ব্যাপারে যে বড় বড় ফযীলতের কথা বলা হয়েছে তা এই জিহাদের ব্যাপারেই বলা হয়েছে এবং এই জিহাদে শাহাদাতের মর্যাদায় বিভূষিত ব্যক্তিই হলেন প্রকৃত "শহীদ"। শরয়ী নুসূস এবং শরয়ী পরিভাষাসমূহের উপর নেহায়েত জুলম করা হবে যদি আভিধানিক অর্থের অন্যায় সুযোগ নিয়ে পারিভাষিক জিহাদের আহকাম ও ফাযাইল দ্বীনের অন্যান্য মেহনত ও কর্ম প্রচেষ্টার ব্যাপারে আরোপ করা হয়। এটা এক ধরনের অর্থগত বিকৃতি সাধন, যা থেকে বেঁচে থাকা ফরয। তা'লীম, তাযকিয়া, দাওয়াত ও তাবলীগ, ওয়ায-নসীহত বা দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিকভাবে কোন কর্ম প্রচেষ্টা (যদি শরয়ী নীতিমালা ও ইসলামী নির্দেশনা মোতাবেক হয় তবে তা আমর বিল মা'রুফ ও নাহী আনিল মুনকারের একটি নতুন পদ্ধতি) এসবই স্ব স্ব স্থানে কাম্য বরং এসব কর্মপ্রচেষ্টার প্রত্যেকটাই খিদমতে দ্বীনের এক একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এসবের ভিন্ন ফাযাইল, ভিন্ন আহকাম এবং ভিন্ন মাসাইল রয়েছে এবং কোনটিকেই খাটো করে দেখার অবকাশ নেই কিন্তু এসবের কোনটাই এমন নয় যাকে পারিভাষিক জিহাদের অন্তর্ভূক্ত করা যায় এবং যার ব্যাপারে জিহাদের ফাযাইল ও আহকাম আরোপ করা যায়। এই বিষয়টি ভালোভাবে অনুধাবন করা ও মনে রাখা নেহায়েত জরুরী, কেননা আজকাল জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে ইসলামের বহু পরিভাষার মধ্যে পূর্ণ বা আংশিক তাহরীফের (বিকৃতি সাধন) প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেউ তাবলীগের কাজকে "জিহাদ" বলে দিচ্ছেন, কেউ তাযকিয়া বা আত্মশুদ্ধির কাজকে, আবার কেউ রাজনৈতিক কর্মপ্রচেষ্টা বরং ইলেকশনে অংশগ্রহণ করাকেও জিহাদ বলে দিচ্ছেন। কারো কারো কথা থেকেতো এও বোঝা যায় যে, পাশ্চাত্য রাজনীতির অন্ধ অনুসরণ ও জিহাদের শামিল। আল্লাহর পানাহ! (কিতাবুল জিহাদের ভূমিকা: ৩৬,৩৭পৃঃ) হযরত যে পরিচয় দিয়েছেন তাঁর সংজ্ঞা দাঁড়ায় এমন: بذل الوسع لإعلاء كلمة اللّه بوجه من الوجوه . এবার আমরা হাদীস ও মুহাদ্দিসীনে কেরাম,ফুকাহায়ে কেরামের বক্তব্যের আলোকে দেখবো জিহাদ আসলে কীসের নাম! হাদীসে আছে: عن عمرو بن عنبسة قال: قال رجل يا رسول الله ! ... وما الجهاد ؟ قال: أن تقاتل الكفار إذا لقيتهم . "আমর ইবনে আবাসা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! জিহাদের পরিচয় কী? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যুদ্ধের ময়দানে কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা"। -মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ১৭০২৭ সালামাহ ইবনু নুফাইল রাযিয়াল্লাহু আনহুর হাদীস,ইমাম নাসায়ী রহিমাহুমুল্লাহ সুনানে উল্লেখ করেন, তিনি বলেন: "كنت جالسا عند رسول الله صلى الله عليه و سلم، فقال رجل يا رسول الله، أذال الناس الخيل ووضعوا السلاح، وقالوا لا جهاد قد وضعت الحرب أوزارها.

অসুস্থ কাফেরকে দেখতে যাওয়া এবং তার দুঃখে সান্ত্বনা দেওয়া জিম্মি কাফেরকে দেখাশোনা করা এবং তার দুঃখে সান্ত্বনা দেওয়ার ক্ষেত্রে শরিয়তে কোনো আপত্তি নেই, কারণ এ দুটিই আন্তরিকতা ও সহমর্মিতার প্রকার, যা শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ। আল্লামা শামি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ১২৫২ হি.) বলেন, (قوله وجاز عيادته أي عيادة مسلم ذميا نصرانيا أو يهوديا، لأنه نوع بر في حقهم وما نهينا عن ذلك، وصح أن النبي الله عاد يهوديا مرض بجواره هداية. وفي النوادر جار يهودي أو مجوسي مات ابن له أو قريب ينبغي أن يعزيه ويقول أخلف الله عليك خيرا منه، وأصلحك وكان معناه أصلحك اللهبالإسلام يعني رزقك الإسلام ورزقك ولذا مسلما كفايه (رد المحتار، کتاب الحظر والإباحة، فصل في البيع) জিম্মি ইহুদি হোক বা খ্রিষ্টান, তাদের শুশ্রূষা করা জায়েজ। কারণ এটি তাদের প্রতি একধরনের সহানুভূতি, যে ব্যাপারে আমাদের নিষেধ করা হয়নি। আর এটা প্রমাণিত যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পার্শ্ববর্তী এক ইহুদি অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যান। 'নাওয়াদির' কিতাবে উল্লেখ আছে, ইহুদি বা অগ্নিপূজারি প্রতিবেশীর সন্তান বা নিকটাত্মীয় কেউ মারা গেলে তাকে সান্ত্বনা দেওয়া (মুসলিমের জন্য) উচিত, তখন সে বলবে, 'আল্লাহ আপনাকে এর চেয়ে ভালো কিছু দান করুন, এবং আপনার মঙ্গল করুন।' মঙ্গল করার অর্থ হলো আল্লাহ আপনাকে ইসলাম (গ্রহণের তাওফিক) দান করুন, আর আপনাকে একটি মুসলিম সন্তান দান করুন। কিছু কিছু ফিকহি শাখাগত মাসআলায় এ (দেখাশোনা বা সান্ত্বনার) ক্ষেত্রে ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের সাথে جار তথা প্রতিবেশীর শর্ত করা হয়। কিন্তু এই শর্ত আবশ্যকীয় কোনো শর্ত নয়, কারণ দেখাশোনা বৈধ হওয়ার যে কারণ বিবৃত হয়েছে, সেটি 'হারবি' না হলে প্রতিবেশী ও দূরে বসবাসকারী উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে। আল্লামা হামাবি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ১০৯৮ হি.) 'আল-আশবাহ ওয়ান-নাযায়ের'- এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই শর্তটি আবশ্যকীয় শর্ত নয়। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: আবদুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

“কোনো আন্দোলন বিশেষত, কোনো বিপ্লব সম্পর্কে মতামত স্থির করার জন্যে তার নেতার মতবাদ ও বিশ্বাস জানা যে একান্ত জরুরী, তা বর্ণনা সাপেক্ষ নয়। এ ব্যাপারে অবহেলাকে সেই বৈধ মনে করতে পারে, যার কাছে ঈমান ও বিশ্বাসের কোনো গুরুত্ব নেই এবং যে কেবল রাজত্ব ও ক্ষমতাকেই ধর্ম ও ঈমান মনে করে।” -মাওলানা মঞ্জুর নোমানী রহিমাহুল্লাহ ইরানী ইনকিলাব: ইমাম খোমেনি ও শিয়া মতবাদ