ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 334 подписчиков, занимая 7 907 место в категории Религия и духовность и 2 062 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 334 подписчиков.

Согласно последним данным от 27 августа, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 77, а за последние 24 часа — 8, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 15.13%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 5.64% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 716 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 640 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 35.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 28 августа, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 334
Подписчики
+824 часа
+337 дней
+7730 день
Архив постов
একাধিক বিবাহ সংক্রান্ত আইনের বিষয়ে কত চমৎকার আলোচনা!
একাধিক বিবাহ সংক্রান্ত আইনের বিষয়ে কত চমৎকার আলোচনা!

نور_أحمد_الحقاني_معتمد_ماتريد_من_معتقد_ماتريد_طالبان_1.pdf8.38 MB

আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশের গভর্নর হলেন হযরত মাওলানা নুর আহমদ ইসলাম জার হাফিজাহুল্লাহ। উনার আরেকটি পরিচয় হলো তিনি সেখানের এক মাদরাসার মুহাদ্দিস। প্রদেশের গভর্নর ও মুহাদ্দিস সাহেবের আকিদা সম্পর্কে একটি বই রয়েছে। নাম হলো “মুতামাদু মা তুরিদু মিন মুতাকাদি মাতুরিদি”। কিতাবটি মাতুরিদি আকিদা সম্পর্কে লেখা। সাধারণত আকিদার কিতাবগুলো যেমন গৎবাঁধা হয় তেমন নয় বইটি। বরং প্রাচীন আকিদাগুলোর সাথে সাথে লেখক সমকালীন আকিদাগুলো সম্পর্কেও আলোকপাত করেছেন৷ এজন্য শেষে স্বতন্ত্র একটি অধ্যায়ই কায়েম করেছেন। সাথে আকিদার মৌলিক উসুলগুলো আলোচনার সময় উক্ত উসুলের মাধ্যমে সমকালীন প্রাচীন বিষয়গুলোর ব্যবচ্ছেদও করেছেন৷ কিতাবটি জালালাইন ও মেশকাতের তালেবে ইলমদের জন্য অবশ্য একটি বই। . যাইহোক, এই পোষ্টের উদ্দেশ্য হলো গভর্নর সাহেব উক্ত বইতে সেকুলারিজম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তবে চমৎকার ও গভির আলোচনা করেছেন, সেই আলোচনাটিই এখানে তুলে ধরা। তিনি লেখেন, مذهب هدام من المذاهب السيئة التي أنتجتها العقلية الأوربية في مقابل الأديان، ولا يزال أتباعها يقدمونها في أثواب براقة مغرية. وقد اجتذبت كثيراً من شباب المسلمين، وهذا المذهب يراد به فصل الدين عن الحياة كلها وإبعاده عنها، وإقامة الحياة على غير الدين؛ إما بإبعاده قهراً ومحاربته علنا، وإنما بالسماح به وبضده من الإلحاد، بينما هو حرب للتدين"، وهي ردة في حق من يعتنقها مهما كان تعليلة لها، ورغم وضوح الإلحاد في العلمانية، فقد ظهر من يزعم زوراً وكذباً أنه لا منافاة بينها وبين الدين ‘সেকুলারিজম একটি ধ্বংসাত্মক মতবাদ, তা ঐ সকল নিকৃষ্ট মতবাদের একটি যা ইউরোপীয় যুক্তিবাদী মানসিকতা ধর্মের বিরুদ্ধে উদ্ভাবন করেছে। এর অনুসারীরা এখনও এই মতবাদকে আকর্ষণীয় ও চকচকে আবরণে উপস্থাপন করে চলেছে। এটি অনেক মুসলিম যুবককে আকৃষ্ট করেছে। এই মতবাদের মূল হলো ধর্মকে সমগ্র জীবন থেকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন করা এবং জীবনের বাইরে ঠেলে দেওয়া; অর্থাৎ ধর্মহীন ভিত্তির উপর সম্পূর্ণ জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। এ কাজটি কখনো ধর্মকে জোরপূর্বক দূরীভূত করে ও তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা করে সম্পন্ন হয়, আবার কখনো ধর্মকে সহনশীলতার আড়ালে অনুমোদন দিয়ে কিন্তু একই সঙ্গে জীবন থেকে দূরে সরিয়ে রেখে। এই মতবাদ ধার্মিকতার বিরুদ্ধে এক অব্যাহত যুদ্ধ। যে ব্যক্তি এটি গ্রহণ করে, সে যতই যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা উপস্থাপন করুক না কেন, তা তার জন্য ধর্মত্যাগ (রিদ্দাহ)। তথাপি, আবির্ভাব ঘটেছে যারা মিথ্যা ও প্রতারণামূলক দাবি করে যে, এই মতবাদের সঙ্গে ধর্মের কোনো বৈরিতা বা সাংঘর্ষিকতা নেই।’ এটা ছিলো লেখকের মূল মতনের (টেক্সটের) আলাপ। এরপর এই মতনের নীচে টিকায় লেখেন, كان أتاتورك زنديقاً علمانياً يهودي الأصل, وهو الذي خرب بنيان الخلافة الإسلامية التركية, ومحمد علي جناح كان رافضياً. وأمان الله خان هو أول من أسس النظام الغربي العلماني في أفغانستان. و حمل بعض القائلين بأن العلمانية لا تحارب الدين؛ ما يرونه من عدم تعرض العلمانيين لسائر أهل العبادات؛ بخلاف النظام الشيوعي، ولكن يجب أن تعرف أن أساس العلمانية لا ديني، ولعل تركهم لأهل العبادات إنما هي خطة أو فترة مؤقتة. والدين الصحيح لا يفصل السياسة والحكم بما أنزل الله تعالى، ولا يجعل قضية التدين قضية شخصية مزاجية, ولا يبيح لأي شخص أن يشرع للناس من دون الله تعالى، بينما العلمانية لم تقم في الأساس إلا على تكريس البعد عن الدين وإباحة الشهوات بكل أشكالها. فأي وفاقي بينهما ؟!. কামাল আতাতুর্ক ছিলেন একজন যিন্দিক ও সেকুলার ব্যক্তি, যিনি ইহুদি বংশোদ্ভূত। তিনিই ইসলামী খিলাফতের তুর্কি কাঠামো ধ্বংস করেছিলেন। আর মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছিলেন রাফেজি (শিয়া)। আমানুল্লাহ খান হলো সেই ব্যক্তি যে আফগানিস্তানে প্রথম পশ্চিমা সেকুলার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। কেউ কেউ দাবী করে যে, “সেকুলারিজম ধর্মের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে না”—তাদের এই দাবির পেছনে যা রয়েছে তা হলো: তারা দেখেন যে সেকুলাররা অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের (যেমন ইহুদি, খ্রিস্টান, হিন্দু ইত্যাদি) উপর হস্তক্ষেপ করে না, যেমনটি কমিউনিস্ট ব্যবস্থা করত। কিন্তু তোমাদের জানা উচিত যে, সেকুলারিজমের মূল ভিত্তি আসলে ধর্মবিরোধী (লা-দ্বীনী)। আর তাদের অন্য ধর্মাবলম্বীদের ছেড়ে দেওয়া হয়তো শুধু একটি কৌশল অথবা সাময়িক পর্যায় মাত্র। সঠিক ধর্ম ইসলাম রাজনীতি ও আল্লাহর নাজিলকৃত শাসনব্যবস্থাকে আলাদা করে না। ইসলাম ধর্ম ও ধার্মিকতাকে কোনো ব্যক্তিগত বা মেজাজ-নির্ভর বিষয় বানায় না। এবং এটি কোনো ব্যক্তিকে অনুমতি দেয় না যে, আল্লাহর আইন বাদ দিয়ে নিজেদের বানানো আইন প্রনয়ণ ও বিধিবদ্ধ করবে। অথচ সেকুলারিজম তো মূলত গড়ে উঠেছে ধর্মকে দূরে সরিয়ে রাখা এবং সকল প্রকারের কামনা-বাসনাকে বৈধ করার উপর ভিত্তি করে। তাহলে এ দুইয়ের মধ্যে কোন ধরনের সমন্বয় বা মিলমিশ হতে পারে?!

ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটি পড়ার পর এক পাঠকের মন্তব্য
ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটি পড়ার পর এক পাঠকের মন্তব্য

উসুলে ফিকহ পড়া বা পড়ালোর কালে আমাদের বেশিরভাগ সময় একটা বিষয় মাথায় আসে, ফিকহের কিতাবে উসুলে ফিকহের ব্যবহার কই? ফিকহের কিতাবে উসুলুল ফিকহের ব্যবহার খুজে না পাওয়ার অনেক কারণের একটি বড় কারণ হলো, ফিকহের কিতাব পড়ার সময় উসুলুল ফিকহকে মাথায় রেখে না পড়া। যার কারণে অনেক সময় উসুলুল ফিকহের সরিহ উদাহরণ সামনে আসলেও আমরা ধরতে পারি না। অথচ উসুলুল ফিকহের বিষয়টি মাথায় রেখে পড়লে ফিকহের ইবারতগুলো বুঝা আরো বেশি তৃপ্তিদায়ক হয়। . এখানে একটা বিষয় মনে রাখা দরকার সাধারণভাবে ফিকহের কিতাবে উসুলুল ফিকহের বেশি ব্যবহার হয় যখন লেখক দলিলের মুকারানা করে থাকেন। . নীচে দুটো উদাহরণ দিচ্ছি কিতাবুল হুদুদ থেকে। ১. যদি কোনো ব্যক্তি কোনো মহিলার সাথে বায়ুপথ দিয়ে খারাপ কাজ করে তাহলে উক্ত পুরুষের উপর হদ আসবে কি না? ইমাম আবু হানিফার মতে হদ আসবে না, কারণ এটা যিনা নয়। তবে সাহেবাইনের মতে হদ আসবে। তবে এটা যিনা হওয়ার কারণে নয়, বরং যিনার মধ্যে যে বিশেষ কারণ স্পষ্ট রয়েছে তা এখানে দালালাতের মাধ্যমে বুঝা যাচ্ছে। সাহেবাইনের মতে এখানে হদ আসবে মূলত দালালাতুন নসের কারণে। সাহেবে বাদায়ের ইবারতটুকু দেখুন, ، لا لأنه زنا بل لأنه في معنى الزنا لمشاركته (۱) الزنا في المعنى المستدعي لوجوب الحد وهو الوطء الحرام على وجه التمحض، فكان في معنى الزنا، فورود النص بإيجاب الحد هناك يكون وروداً ههنا دلالة . ২. এবার তাবয়িনের একটি ইবারত লক্ষ্য করুন, لو شهدوا متفرقين لا تقبل شهادتهم عندنا ويحدون حد القذف وقال الشافعي تقبل كسائر الحقوق إذ لا تفصيل في النصوص الواردة فيه فيعمل بإطلاقها ولنا قول عمر رضي الله عنه لو جاءوا مثل ربيعة ومضر فرادى لجلدتهم. «تبيين الحقائق شرح كنز الدقائق وحاشية الشلبي» (3/ 165) জিনার সাক্ষিদাতারা যদি চারজন একই মজলিসে এসে সাক্ষি না দিতে পারে বরং কেউ একজন এসে আলাদা সাক্ষি দেয় অমুকে যিনা করেছে তাহলে হানাফিদের মতে তার উপর হদ্দে কজফ আসবে। ইমাম শাফেয়ী বলতেছে হদ্দে কজফ আসবে না। দলিল হিসেবে কিতাবুল্লাহের মুতলাকের কথা বলছেন। আর হানাফিরা কিতাবুল্লাহের মুতলাকের উসুলকে স্বীকারও করছেন, কিন্তু কিতাবুল্লাহের মুতলাককে এখানে হানাফিরা মুকাইয়াদ করছেন অন্য নুসুস থাকার কারণে। . এভাবে খেয়াল করে পড়লে আমরা উসুলুল ফিকহের প্রচুর উদাহরণ পাবো, যা আমাদের উসুলুল ফিকহ পড়ানোর জন্য এবং ফিকহের ইবারত আরো গভীরভাবে বুঝার জন্য কাজে আসবে ইনশাআল্লাহ

মাহদি ভাই দীর্ঘ সময় শিয়া নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। বাংলাদেশে যে অল্প কয়জন মানুষের শিয়া নিয়ে একাডেমিক লেভেলের পড়াশোনা আছে এর মধ্যে মাহদি ভাই অন্যতম। পুরো আলোচনাটা শুনতে পারেন। https://youtu.be/hwhjYeJGWc8?si=ZsqnluWNuYw05fOS

জালেম ও কাফেরকে ঘৃণা করা আহলে সুন্নাত ওয়াল-জামাতের আকিদার অংশ ইমাম তাহাবি রহিমাহুল্লাহ ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহা
জালেম ও কাফেরকে ঘৃণা করা আহলে সুন্নাত ওয়াল-জামাতের আকিদার অংশ ইমাম তাহাবি রহিমাহুল্লাহ ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত আহলুস সুন্নাহর আকিদাসমূহ একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকায় একত্র করেছেন। সেখানে মুমিনের প্রতি বন্ধুত্ব আর কাফেরের সাথে শত্রুতার আকিদাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইমাম তাহাবি বলেন, ونحب أهل العدل والأمانة ونبغض أهل الجور والخيانة. আমরা ন্যায়নিষ্ঠ ও ইনসাফকারীদের ভালোবাসি আর অপরাধী ও খেয়ানতকারীদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করি। বলাবাহুল্য, অপরাধ, জুলুম ও খেয়ানতের বড় একটি বহিঃপ্রকাশই হলো কুফরি গ্রহণ করা। আমাদের সালাফদের আকিদার কিতাবসমূহে এই মাসআলাটির অন্তর্ভুক্তি দ্বারা বিষয়টি তাদের নিকটও কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল তার কিছুটা আঁচ করা যায়। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

সিলেটের ভাইরা অনেকদিন থেকেই বইটি নিয়ে পাঠচক্র করছেন। এছাড়াও আরো বিভিন্ন জায়গায় এমন পাঠচক্র হয়েছে ও হচ্ছে। কয়দিন আগে এক মাদরাস
সিলেটের ভাইরা অনেকদিন থেকেই বইটি নিয়ে পাঠচক্র করছেন। এছাড়াও আরো বিভিন্ন জায়গায় এমন পাঠচক্র হয়েছে ও হচ্ছে। কয়দিন আগে এক মাদরাসায় উপরের তালেবে ইলমদের জন্য বইটিকে লাজেমি মোতালাআ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে শুনলাম। আল্লাহ এই ছোট্ট কাজকে আমার নাজাতের উসিলা বানাক। আমীন।

সিরিয়ার নতুন পাঠ্য বইতে... “যেমন আমরা আজ গাজা উপত্যকার দৃঢ় প্রতিরোধযোদ্ধাদের সাহস দেখতে পাচ্ছি, যারা বর্বর জায়নিস্ট শত্রুর
সিরিয়ার নতুন পাঠ্য বইতে... “যেমন আমরা আজ গাজা উপত্যকার দৃঢ় প্রতিরোধযোদ্ধাদের সাহস দেখতে পাচ্ছি, যারা বর্বর জায়নিস্ট শত্রুর মুখোমুখি হচ্ছে।”

অনেকে গণতন্ত্রকে ইসলামের জামা পড়ানোর জন্য বলে থাকে, গণতন্ত্র মানিই সেকুলারিজম নয়। তাদের জন্য চিন্তার খোরাক। . সেকুলারিজম কী,
অনেকে গণতন্ত্রকে ইসলামের জামা পড়ানোর জন্য বলে থাকে, গণতন্ত্র মানিই সেকুলারিজম নয়। তাদের জন্য চিন্তার খোরাক। . সেকুলারিজম কী, তা জানতে ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইয়ের “সেকুলারিজম” অধ্যায়টি পড়া যেতে পারে।

সরকার ঢাকার সমস্ত ফুটপাত উঠিয়ে দিয়েছে ও দিচ্ছে। এক্ষেত্রে দু ধরনের মন্তব্য দেখা যাচ্ছে: ১। ঢাকাকে জ্যাম মুক্ত করতে ও ঢাকাবাসীর জীবনযাত্রাকে আরো ভালো করার জন্যই এই কাজ। বৃহত্তর স্বার্থের জন্য ক্ষুদ্র কোরবানি। ২। ফুটপাতগুলো সাময়িক উঠিয়ে দিচ্ছে। কিছুদিন পর ফুটপাত আবার বসবে। এবার বসতে হবে বিএনপির নেতাদের বন্দোবস্তে। বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন দলকে দেওয়া ফুটপাতের চাদা বিএনপি যেনো একা তুলতে পারে তার জন্যই এই উদ্যোগ। . কোন দলের মন্তব্য সঠিক তা সময় হলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে। . তবে এখানে একটি কথা স্পষ্ট যে, গণতন্ত্রের রাষ্ট্রের অধিকাংশ থেকে অধিকাংশ উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্তই গরিব বান্ধব হয় না।

মডারেট ইসলাম সম্পর্কে ধারণা পেতে ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইয়ের “মডার্নিজম” অধ্যায়টি পড়া যেতে পারে।
মডারেট ইসলাম সম্পর্কে ধারণা পেতে ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইয়ের “মডার্নিজম” অধ্যায়টি পড়া যেতে পারে।

সিয়াসাতের পাঠচক্রের জন্য আমাদের ধারণা ও সামর্থ্যের বাহিরে বেশি মানুষকে এখনো পর্যন্ত যুক্ত করা হয়ে গেছে। আর কাউকে আপাতত যুক্ত করতে পারছি না, তাই ক্ষমাপ্রার্থী। . সকলের কাছে দোয়া চাই, যে উদ্দেশ্যে আমাদের এই উদ্যোগ আল্লাহ যেনো তা কবুল করেন এবং প্রতিজন ভাই যেনো এই উসিলায় এই মজলুম ও সময়ের প্রয়োজনীয় অধ্যায়গুলো সঠিকভাবে পড়তে ও অনুধাবন করতে পারে।

আপনারা সকলে এত সাড়া দিবেন তা তো ভাবিনি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০+ মানুষ ফরম পূরণ করেছেন। এর মধ্যে বাদ দেওয়া হয়েছে ইফতা বা অন্যকোনো তাখাসসুস করেনি অথবা শুধু জাইয়েদ যারা আছে তাদের। সকলের সাথে যোগাযোগ করতে একটু সময় লাগবে। ইনশাআল্লাহ সকলের সাথেই যোগাযোগ করা হবে। আর কিছু অনেক বেশী বড় মানুষরাও ফরম পূরণ করেছেন তাদের কাছে মাজেরাত করছি। আমরা আসলে আপনাদের ছাত্র হওয়ার যোগ্য, আমাদের অধিনে আপনারা পাঠচক্র করবেন তা আমাদের জন্য বেশ কষ্টকর! . ইনশাআল্লাহ প্রতিটি ফরমপূরণকারী ভাইদের সাথে যোগাযোগ করা হবে। আমাদের আসলে মূল টার্গেট মাত্র ২০-৩০ জন। যাদেরকে নিতে পারবো না, তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি অগ্রিম।

বর্তমান কর্মস্থল বলতে আপনি কোন মাদরাসায় খেদমতে আছেন সেটা জানান! অধিকাংশই শুধু এলাকার নাম দিচ্ছেন! এতটুকু বিষয় তো ভাই বুঝা দরকার তাই না!

পাঠচক্রে কারা অংশগ্রহণ করতে পারবেন? . সারাদিন মাদরাসার বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজ করার পর যারা মাসাদির থেকে ৮-১৫ পৃষ্ঠা মোতালাআ করতে পারবেন এবং যাদের হিম্মত ও আগ্রহ আছে তারাই এখানে যুক্ত হবেন। যাদের এতটুকু হিম্মত নাই বা বাস্তবিকই মাদরাসার জরুরি কাজ করে আর সময় পাবেন না, তাদের জন্য এখানে অংশগ্রহণ না করলেই ভালো হবে। কারণ ধারাবাহিক কয়েক সপ্তাহ মোতালাআ ছুটে গেলে আমরা মাজেরাত করতে বাধ্য হবো। এই পাঠচক্র ইলমি পেরেশানি নেওয়ার জন্য, অন্য পেরেশানি বাড়ানোর জন্য না। . যারা পাঠচক্রে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী তারা গুগল ফরমটি পূর্ণ করবেন ইনশাআল্লাহ। সেখান থেকে আমরা মুনাসিব সাথীদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের যুক্ত করে নিবো ইনশাআল্লাহ। . গুগল ফরম লিংক : https://docs.google.com/forms/d/1lswcAwCKdHFCb0nKkPZmvNGQafpckpZftD9968n2cJY/edit?pli=1

অনেক অনেক দিন আগের কথা। ঐ যে ফিকহের কয়েকটা অধ্যায় নিয়ে পাঠচক্র হওয়ার কথা ছিলো—কিতাবুল জিনায়াত, হুদুদ, সিয়ার, সিয়াসাত ইত্যাদি। মনে আছে আপনাদের? না, ভুলে গেছেন? . বছরের শুরু। উস্তাদদের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যস্ততা মোটামুটি শেষ। এখন ইলমি ব্যস্ততা শুরু। এখন থেকে কী শুরু করা যায়? . অনলাইন পাঠচক্র কেনো মাথায় আসলো? https://www.facebook.com/share/p/1EtQk1Sjja/

একজন মুসলিম শিক্ষার্থীর মিশন কেমন হওয়া উচিত? জানতে পড়ুন আমরা কি কেবল একটি সার্টিফিকেটের পেছনে ছুটছি, নাকি নিজেকে এক মহান মিশন
একজন মুসলিম শিক্ষার্থীর মিশন কেমন হওয়া উচিত? জানতে পড়ুন আমরা কি কেবল একটি সার্টিফিকেটের পেছনে ছুটছি, নাকি নিজেকে এক মহান মিশনের জন্য প্রস্তুত করছি? একজন মুমিনের ক্যারিয়ার মানে কেবল জীবিকা নয়, বরং তা হওয়া চাই দুনিয়া ও আখিরাতের সার্থক বিনিয়োগ। . গতানুগতিক ইঁদুরদৌড়ের বাইরে ইসলামের আলোয় নিজের যোগ্যতাকে শাণিত করার এক পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন নিয়ে বিশেষ আয়োজন— ‘শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ভাবনা’। . প্রখ্যাত লেখক ডা. শামসুল আরেফীন এই বইয়ে দেখিয়েছেন কীভাবে একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি‘মৌলিক দক্ষতা’ অর্জন করতে হয়। যা আমাদের পাঠ্যপুস্তকগুলো শেখায় না। . অহেতুক লক্ষ্যহীনভাবে না ছুটে নিজের মেধা ও শ্রমকে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করার কৌশল জানতে আজই সংগ্রহ করুন এই মাস্টারপিস বইটি। . অর্ডার লিংক: https://www.wafilife.com/shikkharthider-carrer-bhabna/pd/76012?fbclid=IwdGRjcAQ52A5jbGNrBDnYB2V4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkDDM1MDY4NTUzMTcyOAABHqHWEuWRumEH_yS22rhv2T3srKRzKbiwsXrTWam8xQhIdVj6ZyabtpTgF2y9_aem_7zv4lkE5xpJpIyt0si9Ptg

মাওলানা মাহমুদ সিদ্দিকি ভাইয়ের আর্লি ম্যারেজ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি নুকতা : আর্লি ম্যারেজ ক্যাম্পেইন ভুল ছিল না, অ্যাপ্রোচ, টার্গেট অডিয়েন্স এবং স্ট্র‍্যাটেজি ভুল ছিল। আর্লি এইজে বিয়ে করা দরকার বা ভালো—একথা টিনেজারকে বোঝানোর দরকার নেই। বয়সের কারণে সে এমনিতেই এটা অনুভব করে। দরকার ছিল—সমাজ, বাবা-মা, অভিভাবক শ্রেণিকে টার্গেট করে ক্যাম্পেইন করা। কারণ, বিয়ের কার্যক্রম, অনুমোদন ও আয়োজন তাদের দায়িত্ব। টিনেজারদেরকে টার্গেট করে দরকার ছিল—আর্লি এইজে ইনকাম, বিয়ের জন্য মোহর জমানো, নিজের ও ভবিষ্যৎ স্ত্রীর খরচ নিজে ব্যবস্থা করার মতো সক্ষমতা অর্জন, স্কিল্ড হওয়া—এসব নিয়ে ক্যাম্পেইন করা। হয়েছে সম্পূর্ণ উল্টো। পোলাপানকে বলা হয়েছে, বিয়ে করো, বিয়ে করো। পোলাপানের মাথা খারাপ থেকে আরও খারাপ হয়েছে। ইনকামের চিন্তা না করে বিয়ে নিয়ে পাগলামি শুরু করেছে। নিজে চলে বাপের ওপর। সারাদিন করে ফেইসবুকিং আর অলসতা। আবার অভিযোগ করে—বাবা-মা কেন বিয়ে করায় না। যেন বিয়ে করানো থেকে পরবর্তী জীবনে তার বউয়ের অনির্দিষ্টকালের দায়িত্বও বাবা-মায়ের। এটা শারয়ী মেজাজের দৃষ্টিকোণ থেকেই কমপ্লিটলি সমস্যাজনক। অভিভাবক বিয়ে করিয়ে দেবে; কিন্তু বউ পালার দায়িত্ব ছেলের। এতটুকু দায়িত্ববোধ ও গাটস না থাকলে একে বিয়ে করানো কোনোভাবেই উচিৎ না। তাদের জন্য হাদিসে রোজার কথা আছে। কেউ কেউ আবার গোপনে বিয়ে করে ব্লান্ডার করেছে। ছেলে-মেয়ে উভয়েই। কিছুদিন পর দায়িত্ব চেপে বসলে তালাক, ঝামেলা, নানা সমস্যা। আর্লি ম্যারেজ ক্যাম্পেইন এখনও দরকার। তবে, সঠিক অডিয়েন্সকে টার্গেট করে, সঠিক অ্যাপ্রোচে।

শরহে বেকায়ার ছাত্রদের বিশাল বড় একটা পেরেশানি দূর করলো মাকতাবাতুল আমজাদ। . ইনশার হাতের সেই নুসখা পড়তে কী যে কষ্ট হইতো! . শরহে
+3
শরহে বেকায়ার ছাত্রদের বিশাল বড় একটা পেরেশানি দূর করলো মাকতাবাতুল আমজাদ। . ইনশার হাতের সেই নুসখা পড়তে কী যে কষ্ট হইতো! . শরহে বেকায়ার উস্তাদ ও ছাত্ররা ইনশার জন্য এটাই সংগ্রহ করবেন ও অন্যকে জানাবেন।