es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 292 suscriptores, ocupando la posición 8 145 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 031 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 292 suscriptores.

Según los últimos datos del 22 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 77, y en las últimas 24 horas de 3, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 19.38%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 8.20% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 188 visualizaciones. En el primer día suele acumular 926 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 47.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 23 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 292
Suscriptores
+324 horas
+327 días
+7730 días
Archivo de publicaciones
‘কথা কথাই, এডা আমার বিরুদ্ধে যাক আর তোর বিরুদ্ধে যাক’ ফরিদাবাদ মাদরাসার মুহাদ্দিস ও মুফতি মাওলানা ইউনুস সাহেব দা.বা. এই কথাটি একবার মাদরাসাতু আলীতে এসে বলেছিলেন। . এই ভূমিকার উদ্দেশ্য হলো ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটি লেখার বিভিন্ন বিভিন্ন তালেবে ইলমরা বইটি সংগ্রহ করে দেখা করতে আসে। যখন জিজ্ঞাসা করি কোন জামাতে পড়েন, তখন বিস্ময়ের সাথে আবিষ্কার করি, একটা উল্লেখযোগ্য অংশ প্রথম/দ্বিতীয়/ তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। তারা ভাবেন আমার বই নিয়ে এসেছেন ভেবে খুশি হবো। কিন্তু যখন কিছু কথা শুনিয়ে দেই চেহারা কালো হয়ে যায়। যখন বলি, এখন তো আপনার আমার এই বই পড়ার সময় না। এখন তো আপনি আরবী গদ্যের বই পড়বেন। নাহু সরফের মৌলিক ইস্তিদাদ তৈরিতে সময় দিবেন। ভালো গদ্যের বাংলা বই পড়বেন? তখন অবাক হয়ে থাকিয়ে থাকে! এই কার কাছে আসলাম বলে কেউ কেউ একে অপরের দিকে চোখাচোখি করে! আফসোস লাগে তখন খুব। . কাফিয়া বা তৃতীয়/চতুর্থ বর্ষের আগ পর্যন্ত একজন তালেবে ইলমের কেনো এখনই বুদ্ধিবৃত্তিক বিষয়ে জানতে হবে? এগুলো এখন না জানলে কী তার জীবনে বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যাবে? এগুলো জানার কী এখনই শেষ সময়? এই সময়গুলো তো মৌলিজ ইস্তেদাদের সময়—যত বেশি পারা যায় আরবী গদ্যের বই পড়া, নাহু সরফের মৌলিক বিষয়গুলোকে একদম মুখস্ত করে ফেলা, ভালো বাংলা গদ্যের বই পড়ে নিজের বাংলা বলা ও লেখাকে সুন্দর করা। এর বাহিরে যদি একান্ত কিছু পড়তেই হয় তাহলে সিরাত, খুলাফায়ে রাশেদিনদের ইতিহাস, মুসলিম উম্মাহের ইতিহাস, বিশেষত ভারত বর্ষের ইতিহাস পড়াটা অত্যন্ত জরুরি। . উপরোক্ত বিষয়গুলো মজবুত হলেই না একজন তালেব মজবুতির সাথে বুদ্ধিবৃত্তিক বিষয়গুলো ধরতে পারবে, আধুনিক কুফর ও যানদাকাগুলোর সঠিক বাস্তবতা বুঝতে পারবে? . প্রিয় তালেবে ইলম ভাইরা! কিতাব সংগ্রহ অত্যন্ত ভালো গুণ। কিন্তু মনে রাখবেন আপনাকে যদি কারুনের সম্পদও দেওয়া হয়তাও আপনি কিতাব সংগ্রহ করে শেষ করতে পারবেন না। তাছাড়া একজীবনে সবকিছু পড়েও আপনার পক্ষে শেষ করা সম্ভব না। তাই জীবনের মৌলিক যোগ্যতা তৈরি হয় এমন বিষয়ের উপর প্রথম ফোকাস দেন। . অনেক জায়গায় এটাতেও অবাক হই যে, অনেক উস্তাদরাও নাকি এগুলো সংগ্রহ করতে বলেন! প্রিয় উস্তাদগণ! তালেবে ইলমদের জীবনের এই কয়েকটা বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এই সময়টা তার কাছে মৌলিক ইস্তেদাদ অর্জন করা ছাড়া সবই ভালো লাগে, তাই তাদের যতই খারাপ লাগুক এই সময়গুলোতে তাদেরকে মৌলিক ইস্তিদাদ তৈরি হয় এমন বিষয়তেই সীমাবদ্ধ রাখুন।

গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হলো অনৈক্য। যেটাকে গণতন্ত্রের সবচেয়ে পছন্দনীয় বিষয় বলা হয় সেটাই গণতন্ত্রের সবচেয়ে খারাপ দিক।
গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হলো অনৈক্য। যেটাকে গণতন্ত্রের সবচেয়ে পছন্দনীয় বিষয় বলা হয় সেটাই গণতন্ত্রের সবচেয়ে খারাপ দিক।

মাওলানা যাকারিয়া আব্দুল্লাহ সাহেবের লিখিত একটি সিরাতের কিতাব আসতেছে। এটা আমাদের সকলের জন্য এক বিশেষ সুসংবাদ। হযরতের মত এমন রুচিশীল—যার উস্তাদ তাকে মাজমাউল মাহাসিন বলেছেন—মানুষের হাতে সিরাতের কাজ হওয়াটা বাংলাভাষার জন্যও একটা বিশেষ সৌভাগ্যের। . বইটির প্রি-অর্ডার চলছে, এখন নেন বা পড়ে সিরাতটি অবশ্যই সংগ্রহ করা ও অন্যকে এই সিরাতের সংবাদ দেওয়াটা আমাদের একটি দায়িত্বও বটে। . জীবনের কোনো মারহালায় আল্লাহ আমাকে হযরতের ছাত্র হওয়ার যোগ্যতা ও তাওফিক দান করুন। আমীন।

‏طالبان سے میری مراد صرف افغانستان ہی کے طلبہ نہیں پاکستان کے طلبہ بھی ہیں۔ جب افغانستان کے طالبان یہ کام کر سکتے ہیں تو پاکس
‏طالبان سے میری مراد صرف افغانستان ہی کے طلبہ نہیں پاکستان کے طلبہ بھی ہیں۔ جب افغانستان کے طالبان یہ کام کر سکتے ہیں تو پاکستان کے طالبان یہ کام کیوں نہیں کر سکتے، ضرور کریں گے ان شاء اللہ تعالیٰ، اور پھر یہ نہیں کہ یہاں کے طالبان الگ ہوں گے اور وہاں کے طالبان الگ، بلکہ یہ سب مل کر پوری دنیا پر اسلامی حکومت قائم کریں گے اس لئے کہ امارت اسلامیہ تو پوری دنیا میں ایک ہی ہوا کرتی ہے، سب مجاہدین کا ایک ہی “لشکری محمدی” ہوگا اور دنیا میں امارت اسلامیہ کا ایک ہی مرکز ہو گا اور ایک ہی امیر المؤمنین۔ خطبات الرشید

মুনাসিব পরামর্শ দিতে পারেন। https://www.facebook.com/share/p/1CPX2GipTD/

পডকাস্টটা খুব শেয়ার হওয়া উচিত https://youtu.be/VaecShqLyaI?si=y-90X8FeGMmSUue8

একটি বিষয়ে অভিজ্ঞদের সুচিন্তিত মতামত চাই। https://www.facebook.com/share/p/1DYxgpYFKZ/

এই কিতাব সংগ্রহ না করে কোনো উপায় নাই।
এই কিতাব সংগ্রহ না করে কোনো উপায় নাই।

Repost from Al Firdaws
সেই সময়ে এই ভূমিকাকে সামনে রেখে ইসলামাবাদ বিপুল পরিমাণ সামরিক ও আর্থিক সহায়তা লাভ করলেও এর মানবিক ও রাজনৈতিক মূল্য বহন করতে হয়েছে আফগানিস্তানকে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান আফগানিস্তানে পরিত্যক্ত অস্ত্রের বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করে একটি জরুরি নিরাপত্তা সংকট হিসেবে তুলে ধরছে। এর মাধ্যমে তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে আবারও নিরাপত্তা সহযোগিতার দ্বার খুলতে চাইছে—যার মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা বিনিময়, সামরিক সম্পৃক্ততা, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং শেষ পর্যন্ত আর্থিক ও কৌশলগত সুবিধা অর্জন। বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, নিজ দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা ও নিরাপত্তা সংকটের মূল কারণগুলো স্বীকার ও সমাধান করার পরিবর্তে পাকিস্তান সেগুলোকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে চাইছে। ইসলামাবাদ ওয়াশিংটনকে বোঝানোর চেষ্টা করছে যে, তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সমস্যাগুলো আসলে যুক্তরাষ্ট্রের সমস্যা, যার উৎস নাকি আফগানিস্তান। আফগানিস্তানকে দোষারোপ করে আবারও বিদেশি সমর্থন ও সুবিধা আদায়ের এই প্রচেষ্টা আঞ্চলিক বাস্তবতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। পাকিস্তানের নিজ ব্যর্থতার দায় অন্যের ঘাড়ে চাপানোর এই কৌশল আর কতদিন তারা প্রয়োগ করবে তা পাকিস্তানের জনগণের ধৈর্যসীমার উপর নির্ভর করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Repost from Al Firdaws
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের রেখে যাওয়া সামরিক সরঞ্জামকে কেন্দ্র করে নতুন করে কূটনৈতিক অপতৎপরতা শুরু করেছে পাকিস্তান। ওয়াশিং
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের রেখে যাওয়া সামরিক সরঞ্জামকে কেন্দ্র করে নতুন করে কূটনৈতিক অপতৎপরতা শুরু করেছে পাকিস্তান। ওয়াশিংটনে দাখিল করা একটি লবিং নথির মাধ্যমে ইসলামাবাদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সংশ্লিষ্ট মার্কিন মহলের কাছে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে। ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন এজেন্টস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের আওতায় ওয়াশিংটনে দাখিল করা একটি লবিং নথিতে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের আহ্বান জানিয়েছে, যেন আফগানিস্তানে অবশিষ্ট মার্কিন সামরিক অস্ত্র উদ্ধার বা নিষ্ক্রিয় করতে ইসলামাবাদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা হয়। নথিতে ব্যবহৃত ভাষা ও বয়ান স্পষ্টভাবে ২০০১ সালের পরবর্তী সময়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যেখানে পাকিস্তান নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের অগ্রসারির মিত্র হিসেবে উপস্থাপন করেছিল।

🙂
🙂

গণতান্ত্রিক শাসন ক্ষমতার পরিবর্তনের যে নির্বাচন ব্যবস্থা সেখানে ভোট দেওয়া নাজায়েয। সুতরাং মুসলমানদের উচিত নির্বাচনের এই সরগরমে লিপ্ত না হয়ে ঈমান আমল ও মৌলিক দাওয়াতি কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখা। . কিছু কিছু ওলামায়ে কেরাম নির্বাচন জায়েযের পক্ষে যে দলিলগুলো পেশ করেন তা নিতান্তই দূর্বল। যে তাকয়িফগুলো পেশ করা হয়, সেগুলোর কোনোটাতেই গণতান্ত্রিক নির্বাচনে কোনোভাবে ফিট হয় না। তার থেকেও বড় বিষয় হলো এই নির্বাচন হলো গণতন্ত্রের অন্যতম একটি শেয়ার, যাতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মৌলিকভাবে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা হয়। সুতরাং এই নাজায়েয ও গুনাহের কাজ থেকে প্রতিটি মুসলমানদের বিরত থাকা উচিত। . ওলামায়ে দেওবন্দের উল্লেখযোগ্য অংশ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে নাজায়েয বলেছেন। বিশেষত, বর্তমানের ইমারতে ইসলামিয়ার প্রধান বিচারপতি আব্দুল বাকি হক্কা নী দা.বা. চারটি মৌলিক সমস্যা দেখিয়ে ভোট দেওয়াকে নাজায়েয বলেছেন। তার মধ্যে একটি হলো প্রচলিত এই ভোট হলো গণতন্ত্রের একটি অংশ। . ‘ভোট না দেওয়া থেকে বিরত থাকলে তো সেকুরা ক্ষমতায় গিয়ে ইসলামকে ধ্বংসের পায়তারা করবে। তাই আমাদের তা একদম ছেড়ে দেওয়া উচিত না৷’ নির্বাচনের বিপক্ষে লেখলেই একদল এই আপত্তি নিয়ে হাজির হয়। এই প্রশ্নের উত্তরে এতটুকুই শুধুই মাথায় আসে, ইসলামকে টিকিয়ে রাখার অন্যতম ভিত্তি হলো গণতন্ত্র? এই তো?

মাদরাসার ছাত্রদের মোবাইল ধরা খেলে তা ভেঙ্গে ফেলা সম্পূর্ণ নাজায়েজ। যদি কোনো মাদরাসায় উস্তাদরা এধরণের কাজ করেন তাহলে ছাত্রদের মোবাইল ভাঙ্গার জরিমানা উস্তাদদের উপরই বর্তাবে। ‘ধরা খেলে মোবাইল ভেঙ্গে ফেলা হবে’ এমন কানুনও মাদরাসা কর্তৃপক্ষের জন্য বানানো উচিত নয়। . সুতরাং যে সমস্ত মাদরাসা বা স্কুল এই ধরনের কানুন বানিয়ে বা ছাত্রদের ধরা খাওয়া মোবাইল ভেঙ্গে খুব ফখরের সাথে প্রকাশ করেন তা শরীয়তের দৃষ্টিতে সঠিক নয়। দ্র. বানুরীটাউন, দেওবন্দ ও জামিয়া ফারুকিয়ার ফতোয়া দ্রষ্টব্য

শায়খ উসামা রহিমাহুল্লাহের মাথার উপর ৩০ মিনিয়ন ডলারের যে ঘোষণা আমেরিকা কর্তৃক ছিলো, শায়খকে ধরিয়ে দিয়ে পুরষ্কারের টাকা সে সময়ের পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রতি আসিফ আলী জারদারী ও সেনাপ্রধান জেনারেল কিয়ানি আমেরিকা থেকে গ্রহণ করেছিলো। দাবী পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শামসাদ আহমেদের

মাওলানা ড. শের আলী শাহ রহিমাহুল্লাহ হলেন দেওবন্দে ছানী খ্যাত জামিয়া হক্কানিয়া আখুড়াকটকের সাবেক শাইখুল হাদিস। উনাকে উস্তাজুল ম
মাওলানা ড. শের আলী শাহ রহিমাহুল্লাহ হলেন দেওবন্দে ছানী খ্যাত জামিয়া হক্কানিয়া আখুড়াকটকের সাবেক শাইখুল হাদিস। উনাকে উস্তাজুল মুজা*হিদিন বলা হয়। হাজারো মু*জাহি*দ ও আলেমদের এই উস্তাদ হলেন এই মহান মানুষটি। . একদম অনাকাঙ্ক্ষিত জায়গা থেকে এই লেখার সন্ধান পেয়েছি। ২২ পৃষ্ঠাব্যাপী হযরতের খিলা*ফত বিষয়ক এই প্রবন্ধটি পড়ে এত মুগ্ধ হয়েছি যে, অনেক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছি এমন একটি লেখার সন্ধান এমন অপ্রত্যাশিতভাবে পেয়ে যাওয়ার জন্য। সাথে সাথেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি দ্রুতই প্রবন্ধটি অনুবাদ করে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিবো! ওলামায়ে দেওবন্দের এই সেরে তাজ মানুষটির খিলা*ফ*ত ও খি*লা*ফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি সংক্রান্ত স্পষ্ট আলোচনা হয়তো এখন অনেক দেওবন্দি পরিচয়ধারীদের পছন্দ হবে না৷ ইনশাআল্লাহ অনুবাদটি প্রকাশিত হলে বুঝতে পারবেন কত স্পষ্ট করে দেওবন্দি এই আলেম নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

অংশগ্রহণ করতে পারি।
অংশগ্রহণ করতে পারি।

নিয়ে যাও তোমাদের ফতোয়া! মৌলভী মুহাম্মদ মুনীর সাহেব (রহ.) দেওবন্দ মাদ্রাসার মুহতামিম ছিলেন। একবার তিনি মাদ্রাসার বার্ষিক রিপোর্ট ছাপানোর জন্য মাদ্রাসা থেকে ২৫০ টাকা নিয়ে দিল্লি রওনা হলেন। দুর্ভাগ্যবশত পথেই টাকাগুলো চুরি হয়ে গেল। মৌলভী সাহেব এই চুরির কথা কাউকে জানালেন না। তিনি বাড়ি ফিরে নিজের কিছু জমি বিক্রি করলেন এবং সেই ২৫০ টাকা নিয়ে পুনরায় দিল্লি গিয়ে রিপোর্ট ছাপিয়ে নিয়ে আসলেন। ​কিছুদিন পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানতে পারল। তারা মাওলানা রশীদ আহমদ গঙ্গুহী (রহ.)-এর কাছে পুরো ঘটনা লিখে শরীয়তের বিধান জানতে চাইল। উত্তর আসল যে, মৌলভী সাহেবের কাছে টাকাটি ছিল' আমানত হিসাবে এবং যেহেতু অবহেলার কারণে টাকা হারায়নি, তাই এর জামানত তাঁর ওপর বর্তাবে না। মাদ্রাসার লোকেরা তখন মৌলভী মুহাম্মদ মুনীর সাহেবের কাছে গিয়ে মাওলানা গঙ্গুহীর ফতোয়া দেখাল এবং টাকাগুলো মাদ্রাসা ফান্ড থেকে ফিরিয়ে নিতে অনুরোধ করল। ​ফতোয়াটি দেখে মৌলভী সাহেব উত্তর দিলেন—"মিয়া রশীদ আহমদ কি ফিকাহ শাস্ত্র কেবল আমার জন্যই পড়েছিলেন? আর এই সব মাসআলা কি শুধু আমার বেলাতেই খাটে? রশীদ আহমদকে নিজের বুকের ওপর হাত রেখে বলতে বলুন তো—যদি তাঁর নিজের সাথে এমন ঘটনা ঘটত, তবে তিনিও কি মাদ্রাসার টাকা ফিরিয়ে নিতেন? নিয়ে যাও তোমাদের ফতোয়া, আমি কখনোই এই টাকা ফেরত নেব না।" #বড়রাকেনবড় ©

Repost from Meer Salman
কলোনিয়াল আধিপত্যের যুগে এই ধরনের শুয়োর উৎপাদন আটকানো আলেমদের জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ ছিলো। মূলত এজন্যই তারা দ্বীন এবং দুন
কলোনিয়াল আধিপত্যের যুগে এই ধরনের শুয়োর উৎপাদন আটকানো আলেমদের জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ ছিলো। মূলত এজন্যই তারা দ্বীন এবং দুনিয়ার তালিম আলাদা করতে বাধ্য হন। দারুল উলুমের প্রথম পঞ্চাশ একশত বছর যেহেতু আলেমরা দুনিয়া তালাস বাদ দিয়েছিলেন ফলে তার ফলাফল ছিল এধরণের মাদারবোর্ড উৎপাদন হয়নি বললেই চলে। কিন্তু ৯/১১ এর পরে দ্বীন ও দুনিয়ার সমন্বয় এবং আধুনিক শিক্ষা ইনকর্পোরশনের চাপে এধরণের বাটপারের বিপুল ফলন শুরু হয়েছে।

বিক্রমপুরীকে অপছন্দ করতে পারেন৷ কিন্তু বিক্রমপুরীকে যে আইনে জেলে রাখা হইছে সেটা নিয়ে আপনার সামর্থ্য থাকার পরও চুপ আছেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ, এই মামলায় আমি ও আপনি একদিন হয়তো জেলে থাকবো। তখন পুরো দুনিয়াই চুপ থাকবে। মাসলাহাতের কারণে সবাই দেখেও না দেখার ভান করবে! . বিক্রমপুরীকে অপছন্দ করা একটা শ্রেনী আইনুল হক কাসেমীকে নিয়ে কেনো চুপ? কেনো দুই একটা সাধারণ ট্রেন্ডের পোষ্ট করে শেষ করে ফেলেছি দায়িত্ব? (যারা হাকডাক না করে বাস্তবিকই কাজ করছেন, কিছু করার চেষ্টা করছেন তাদের জন্য তো অন্তর থেকে দোয়া) . আসুন প্রত্যেকেই সামর্থ্যের মধ্যে ভাইদের জন্য কিছু একটা করি!