ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 290 подписчиков, занимая 8 155 место в категории Религия и духовность и 2 033 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 290 подписчиков.

Согласно последним данным от 21 июня, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 76, а за последние 24 часа — -3, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 18.18%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 7.96% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 2 052 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 899 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 49.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 22 июня, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 290
Подписчики
-324 часа
+387 дней
+7630 день
Архив постов
একটা দেশের জাতীয় পরিচয় হলো সেখানের পতাকা! অথচ দেখেন, এরা যেখানেই যায় প্রথমে নিরিহ এই পতাকার উপরই এদের সকল ক্ষোভ! . পতাকা ঘায়ে দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর ইসলাম ও দেশ প্রেমের যে সমন্বিত ভার্সন আমরা পালন করি, এটার শত্রু এরা। এদের বিচার করার জন্য ম্রেরিকা হা. কী আসবে না?

International Crisis Group (ICG) এর সাহেল অঞ্চলের ডেপুটি ডিরেক্টর ইব্রাহিম ইয়াহয়াহ ইব্রাহিম লেখেন, "এই হামলার মাত্রা “অভূতপূর্ব”, কারণ অন্তত ছয়টি বড় শহরে একসাথে আক্রমণ চালানো হয়েছে, যার মধ্যে বামাকো, কাতি, গাও এবং কিদালও রয়েছে। ইব্রাহিম আরও বলেন, একাধিক স্থানে একই সময়ে আক্রমণ চালানোর ক্ষমতা JNIM-এর ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়। “এই বিভিন্ন স্থানে একসাথে সমন্বিত হামলা চালানোর ক্ষমতা সত্যিই একটি শক্তি প্রদর্শন। এটি শুধু তাদের সংগঠনিক সক্ষমতার উল্লেখযোগ্য উন্নতিই নয়, বরং তাদের অপারেশনাল পরিসরও বৃদ্ধি পেয়েছে।” -সূত্র আল জাজিরা

মালিতে আজ বিদ্রোহীদের রাজধানী আক্রমনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মুসলিমদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়াইসি (OIC)। . বিদ্রোহীদের আর রক্ষা নেই আজ।

কাতি সামরিক ঘাটিটি হলো মালির রাজধানী বামকোর নিয়ন্ত্রণের একদম হৃদপিণ্ড পর্যায়ের। শহর থেকে মাত্র ১৪ কিলো দূরত্ব। এটাকে মালির প্রধান সামরিক ঘাটিও বলা হয়। আজ সেই ঘাটির একদম ভিতরে ঢুকে আক্রমণ করেছে বিদ্রোহীরা। স্থানীয় সোর্স যদিও বলছে আপাতত নিয়ন্ত্রন সরকারি বাহিনীর হাতেই আছে, তবে আন্তর্জাতিক কিছু নিউজে "এখনো নিরাপদ হয় কাতি ঘাটি" এমন বক্তব্য এসেছে। . রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে হলো ওয়াগনারের ঘাটি। সেখানেও আজ তীব্র আক্রমণ হয়েছে। রাজধারনীর প্রতিরক্ষার সবচেয়ে বড় দূর্গ হলো এই দুটো স্থান। . এর মধ্যে মালির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর কিদাল পরিপূর্ণ বিদ্রোহীদের দখলে এমন অসংখ্য নিউজ আসতেছে! . খেলা কোন লেভেলে চলছে কিছুই বুঝা যাচ্ছে না। যারা এশার নামাজ পড়েন নাই। দ্রুত পড়ে নেন। বাংলাদেশে তেলের দাম বেড়ে যেতে পারে।

মালির অবস্থা তো ভয়াবহ! . আনাদোলু এজেন্সির নিউজ মতে আজ মালির রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে একযোগে বিদ্রোহী গোষ্ঠী হা*ম*লা চালিয়েছে। এরমধ্যে রাজধানী থেকে মাত্র ১৫ কিলোর মত দূরে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাসভবনে তীব্র মাইর হয়েছে। মাইরের পর এটাও ছড়িয়ে পড়েছে যে, বিদ্রোহীরা প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। যদিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় তা অস্বীকার করেছে। এরপর রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায়ও তীব্র আক্রমণ হয়েছে। এছাড়া রাজধানী ও রাজধানীর আশপাশের বড় বড় সামরিক ঘাটিগুলোতে একযোগে হামলা হয়েছে! . নিউজের তথ্যমতে ম্রামারি এখনো চলমান! যাই মাগরিবের নামাজ পড়ে আসি। আপনারা নিউজগুলো ঘাটতে থাকেন। . আনাদোলু এজেন্সির নিউজটা এখানে https://www.aa.com.tr/en/africa/coordinated-attacks-hit-mali-fighting-ongoing-in-capital-banako-other-cities/3917683

আমার ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে মাওলানা ফাদলুল্লাহ জাবেরের দীর্ঘ রিভিউ। সে নাকি আরেক পর্বও লেখবে। পড়তে পারেন রিভিউটি। আপনার উপযুক্ত হলে আর সংগ্রহ না থাকলে সংগ্রহও করতে পারেন৷ https://www.facebook.com/share/p/1CZwJSP8pY/

আমার দেশ পাকিস্তান পুরো পৃথিবীতে নমক (লবন) বানানোতে দুই নাম্বার। তবে নিমকহারাম বানানোতে এক নাম্বার। -আনওয়ার মাকসুদ

পশ্চিমা সভ্যতা ক্যাটাগরিতে ওয়াফি লাইফে আমার বই ১নং বেস্টসেলারে আছে। দেখে দিলটা ভরে গেলো। খুশিতে একদম ফেটে যাওয়া অবস্থা। সামষ্টিক না হোক, কোনো এক ক্যাটাগরিতে তো এক নাম্বার আছে আমার বইটা! খুশিমনে প্রকাশক বন্ধু Borhan Ashrafi কে মেসেজ দিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, —‘এই ক্যাটাগরিতে আর কী কী বই আছে, যাদেরকে আমি পিছনে ফেলে এক নাম্বারের পজিশনে আছি।’ মেসেজ দেখে বন্ধু বললো, —‘তুমিই এক নাম্বার। আর ক্লাশে ছাত্রও একজন।’ এরপর ব্যঙ্গাত্মক একটা হাসি দিয়ে বললো, —‘এই ক্যাটাগরিতে বই এই একটাই।’ মুহুর্তের মধ্যেই আমার হাসিমাখা আকাশে হঠাৎ বিষাদের কালো পর্দা নেমে এলো। আমার সাথেই কেনো এত বড় ধোকা হলো। আমার সাথেই কেন!

মাদরাসার তালেবে ইলম ও উস্তাদ ভাইয়েরা, আধুনিক জিওপলিটিক্সে কী চলছে, এটা বুঝার জন্য এক শ্বাসে এই লেখাটা পড়ে ফেলেন। https://www.facebook.com/share/p/1BJqVGMNDD/

ফিকহের কিতাবে উসুলুল ফিকহের উদাহরণ . "আম যদি একবার তাখসিস হয় তাহলে পরবর্তীতে সেই আমকে তাখসিস করার জন্য আর কতয়ি দলিলের প্রয়োজন হয় না। বরং যন্নি দলিল দিয়েও তার থেকে তাখসিস হয়ে যায়।" এই কায়দার একটি চমৎকার উদাহরণ। . হানাফিদের মতে দারুল হারবে যদি কোনো মুসলমান যিনা করে তাহলে এই অন্যায়ের কারণে তার উপর হদ আবশ্যক হবে না। দারুল ইসলামে ফিরে আসলে শাসক চাইলে তাযির স্বরূপ শাস্তি দিতে পারবেন। তো, শাফেয়িরা এটার উপর আপত্তি তুলেছে, আয়াতে যিনা করলে বেত্রাঘাতের বিষয়টি আম। আর দারুল হারবে করলে বেত্রাঘাত করা যাবে না, আপনাদের এই তাখসিস করা সঠিক হবে না। কারণ কিতাবুল্লাহের আমকে তাখসিস করার জন্য কতয়ি দলিল লাগবে। আল্লামা ফাখরুদ্দি যাইলায়ি রহিমাহুল্লাহ, এর চমৎকার উত্তর দিয়েছেন। যিনা করলেই বেত্রাঘাতের যে শাস্তির যে আম হুকুম এখান থেকে অকাট্ট দলিলের মাধ্যমে যিনার ক্ষেত্রে সন্দেহ পাওয়া গেলে বেত্রাঘাত করা যাবে না, সেই সূরতগুলো তাখসিস হয়ে গেছে। আর একবার তাকসিস হয়ে যাওয়ার পর সেখান থেকে তাকসিস করার জন্য আর কতয়ি দলিলের প্রয়োজন নেই। তিনি লেখেন, فإن قيل هذا معارض لقوله تعالى {فاجلدوا} [النور: 2] فلا يقبل، قلنا : خص منه مواضع الشبهة من ذلك، فبعد ذلك يجوز تخصيصه بخبر الواحد والقياس، وأهل البغي التحقوا بأهل الحرب لعدم قدرة الإمام عليهم. «تبيين الحقائق شرح كنز الدقائق وحاشية الشلبي» (3/ 182)

হাজি ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কি র.-কে দেওবন্দে একটা দীনি মাদরাসা প্রতিষ্ঠার সংবাদ দেওয়া হলো। অবগতকারি নিজেদের দিকে নিসবত করে বললেন, ‘আমরা দেওবন্দে একটা দীনি মাদরাসার ভিত্তি রেখেছি।’ তখন হাজি সাহেব র. বলেন— ٲپ فرماتے ہیں ہم نے مدرسہ قائم کیا ہے۔ یہ خبر نہیں کہ کتنی پیشانیاں، اوقات سحر میں بسجود ہو کر گڑ گڑاتی رہیں کہ خداوندا! ہندوستان میں بقاء اسلام اور تحفظ علم کا کوئی ذریعہ پیدا کر۔ یہ مدرسہ ان ہی سحر گاہی دعاؤں کا ثمرہ ہے۔ ‘সুবহানাল্লাহ! আপনি বলছেন, আমরা মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছি! জানেন না— কত অসংখ্য কপাল তাহাজ্জুদের নিস্তব্ধ প্রহরে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অশ্রুসিক্ত মিনতি করেছে—আয় আল্লাহ! হিন্দুস্তানে ইসলাম ও ইলমের সংরক্ষণের কোনো মাধ্যম তৈরি করে দেন। এ মাদরাসা তো সেই সেহেরগাহি (ভোর বেলার) দোয়ার ফসল।’ -আহকামে মাদারেস, মুফতি উবাইদুর রহমান, পৃষ্ঠা নং: ১৮৮ #যেমন_ছিলেন_ওলামায়ে_দেওবন্দ @মাওলানা জাহিদ হাসানের পোষ্ট থেকে

মাওলানা ইফতেখার সিফাত ভাইয়ের লেখাটি গুরত্বসহ পড়বেন ইনশাআল্লাহ গালিগালাজের ট্রেন্ড নিয়ে আমাদের কনসার্ন থাকা জরুরী। কোন সাধারণ মুমিনের শানেই গালিগালাজ যায় না। আর একজন দায়ী কিংবা দ্বীন বিজয়ের স্বপ্নলালনকারীর জন্য তো এটা একদমই পরিত্যাজ্য। কিন্তু গালিগালাজ আমাদের এই প্রজন্মের একটি কমন সমস্যা। অফলাইনে যান আর অনলাইনে, সর্বত্রই এই সমস্যা। কিন্তু গালি ইস্যু নিয়ে একটা ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কনসার্ন এক জিনিস, কিন্তু সমস্যাকে কোন নির্দিষ্টি চিন্তার লোকদের সাথে জড়িয়ে আদারিং করে ফেলা ন্যারেটিভেরই অংশ। কিছুদিন আগে খেলাফত ও জমিয়তের একটা অনলাইন দ্বন্দ্ব গেছিল। সেখানে আমরা অনেক নিকৃষ্ট গালিগালাজের চর্চা দেখেছি। অনলাইনে ইসলামি অনেক দলের কর্মীরা বিরোধী মতের লোকদের নিয়মিতই গালিগালাজ করে। নিকৃষ্ট শব্দ ইউজ করে। এটা একটা জাতীয় সমস্যা। অনলাইনের সব ধরণের ফেমাস মানুষরাই ভিন্ন ভিন্ন ইস্যুতে এসব গালিগালাজের শিকার হয়। কমেন্ট বা ইনবক্সে। কিন্তু নির্দিষ্ট একজন শিকার হওয়ার পর এটাকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে না দেখে যেভাবে নির্দিষ্ট চিন্তা ও পন্থার সাথে জুরে দিয়ে ন্যারেটিভ উৎপাদন করা হচ্ছে, এটাও বেইনসাফি। গালি এক ধরণের জুলুম, এটাও আরেক ধরণের জুলুম। দিনশেষে আমরা সবাই মনে হচ্ছে সুযোগের অভাবে জালেম নই। সুযোগ পেলে কোন না কোন ভাবে অন্যের উপর জুলুম করে বসি।

এদেশে শুধু যারা জিহাদের কথা বলে ফেসবুক চালায় তারাই গালি দেয়। আর বাকিরা নিজ হুজুর আর রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে গেলে সালাফদের বানী ছাড়া আর মুখে কিছুই উচ্চারণ করে না, এই হলো আমাদের গালি থেকে মুক্তি ও সমাধানের পথ! অথচ হওয়া দরকার ছিলো প্রত্যেক গালিবাজ, চাই সে যেই হোক, তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের অবস্থান। . বহু কুতুব দেখেছি, একসময় স্ক্রিনশটও রাখতাম, তার পক্ষ হয়ে ব্যঙ্গবিদ্রুপ করলে, অন্যকে নিয়ে ট্রল ও ক্ষেত্র বিশেষ গালি দিলে, সেগুলোকে নিরবে সমর্থন দেয়। কেউ তো লাইক দিয়ে পাশেও থাকে। আর অনেকে তো, গালি আর ট্রলের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে নিজে অন্যকে দেদারসের ট্রল ও বিকৃত ভাষা ব্যবহার করেই যায়! . এগুলো সমাধানের পথ না আসলেই ভাই। আমার আপনার প্রত্যেকের থেকে ভুল হয়। আল্লাহ আমাদের মাফ করুক। কিন্তু সবকিছুর পর ইনসাফ রক্ষা করা আমাদের জন্য খুবই জরুরি।

আমার সাথে পরিচিত যত মহিলা মাদরাসার মোহতামিম আছে সবাইকে দেখা হলে একটা কথা বলি, ভাই/হযরত দয়া করে মহিলা মাদরাসাতে প্যারামেডিকেল
আমার সাথে পরিচিত যত মহিলা মাদরাসার মোহতামিম আছে সবাইকে দেখা হলে একটা কথা বলি, ভাই/হযরত দয়া করে মহিলা মাদরাসাতে প্যারামেডিকেল কোর্সটা চালু করেন। যদি আমাদের মেয়েদের জন্য মূল ক্যারিয়ার হয় একজন আদর্শ মা হওয়া, তাহলে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় একটি জরুরি বিষয় হলো, বেসিক চিকিৎসাটা জানা থাকা। পুরুষের জন্যও জরুরি, মেয়ের জন্য এই প্রাথমিক বিদ্যাটা অনেক জরুরি। এভাবে বলে বলে তেমন বিশেষ ফায়দা হয়নি। তাও বলে যাই আরকি। কেউ জিজ্ঞাসা করলেও বলি, কথা প্রসঙ্গে সুযোগ পেলেও বলে ফেলি। আলহামদুলিল্লাহ, গত বছর নারায়নগঞ্জে আমার পরিচিত এক মহিলা মাদরাসায় আমার কথায় প্রভাবিত হইয়া তারা অল্প করে শুরু করেছিলো। এবং এই বছরও নাকি ইচ্ছে আছে। . আম্মার ভাইয়ের এই কোর্সটা দেখে নিজের সেই ইচ্ছে ও স্বপ্নের কথা মনে উঠলো। তাই এই প্রথম কোনো অনলাইন কোর্স কিনলাম। শুধু নিজের জন্য না, ছোটবোন, ভাগনীর জন্যও নিলাম। আম্মার ভাইয়ের একাডেমিতে এই কোর্সটা আপনারা চাইলে আপনাদের স্ত্রী, বোনদের শিখাইতে পারেন, আশা করি কাজে লাগবে। যাদের টাকার কিছু সমস্যা আছে তারা আমার রেফারেন্স দিয়েন, আশা করি কম রাখবে। আর যদি না রাখে আমাকে ব্যক্তিগত ইনবক্স করিয়েন তাহলে আমি সুপারিশ করবো।

❤️
❤️

'বরকত শব্দটির আভিধানিক অর্থ আসমানী মঙ্গল এবং ঐ কল্যাণ ও মঙ্গল যা সরাসরি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দার প্রতি অবতীর্ণ হয়। তাতে বাহ্যিক কোন উপকরণের বিন্দুমাত্র দখল থাকে না।' ইমাম রাগেব আসপাহানীকৃত "আলমুফরাদাত"-এর উদ্ধৃতিতে তা উল্লেখ করেছেন হযরত ইদরীস কান্ধলবী রহিমাহুল্লাহ। দেখুন, সীরাতে মোস্তফা ১/৮৮, আলকাউসার প্রকাশনী

সিজারের পক্ষে-বিপক্ষে একটা বড় অংশই দেখি অবিবাহিত পোলাপান! বিবাহিতদের থেকে বিবাহ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে অবিবাহিতদের অভিজ্ঞতা বেশি থাকে এটা আবারো প্রমাণিত হলো! . আমি সিজারের পক্ষে না বিপক্ষে? আমি অবশ্যই সিজারের পক্ষে না। তবে আমার দুই সন্তানের সময়ই আমি সিজার যদি লাগে তাই টাকা পয়সা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে রেখেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, আমার তা লাগেনি। এটার একমাত্র ক্রেডিটা আমার ঘরের মহিলাদের--স্ত্রী, আম্মা ও আমার শ্বাশুড়ির। সিজারের মাসআলায় আজিমতটা হওয়া উচিত মহিলার, পুরুষের না। আপনি সিজার করাবেন না, এটার জন্য আপনাকে মোবারকবাদ। কিন্তু চাই আপনার বিবির যা হোক তাও সিজার করাবেন না, এটা ভালো মানসিকতা না। এটা পরিহার করতে হবে। আর সিজার না করিয়ে বিবি মরে গেলে শহিদ! ভাই, শহিদ আপনি কোনো এক সূরতে হয়ে যান ইনশাআল্লাহ। বিবিকে শহিদ করার জন্য পেরেশানি না করলেই ভালো। . এবার সিজারের আলাপের সাথে আরেকটা নিকৃষ্ট ও ঘৃণিত আলাপ লক্ষ্য করলাম, গর্ভকালীন সময়েও সুস্থ বাচ্চার জন্য মেয়েদের হেলদি থাকা, ডাক্তারদের নিয়মিত পরামর্শে থাকারও একদল বিরোধিতা করেছে! এটা খুবই বাজে মানসিকতা আমার মনে হয় ভাই! এটা অনুচিত! এগুলো পরিহার করা দরকার! . সিজার কেন্দ্রিক বাড়াবাড়ি এটা শুধু ফেসবুকীয় কিছু ফ্যাক আইডির না। এলাকার বহু ঘাউড়া তাবলিগী ও বিভিন্ন পীরদের মুরিদদের মধ্যে বেশী না হলেও কম না।

ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান বহুতল ভবন সংক্রান্ত নতুন আইন জারি করেছে। সেখানে একটু উল্লেখযোগ্য আইন হলো, যেও এলাকায় ভবন নির্মান করা হবে, ভবন নির্মানের পূর্বে সেই এলাকার একজন ইমাম থেকে সত্যায়নপত্র নিতে হবে! . এটা দেখে অনেকেই দেখলাম খুশি! ইসলামি শরীয়াহতে আলেমদের সম্মানের বিষয়গুলো বলতেছেন! আরে ভাই! হুজুররা বিল্ডিংয়ের কী বুঝে! হুজুররা কী এক্সপার্ট? এক্সপার্টদের কাছে দায়িত্ব না ছেড়ে মোল্লাদের থেকে সত্যায়নের নীতির মাধ্যমে দেশকে পিছিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কী কোনো ফায়দা হবে? . আমি মনে করি এক্ষেত্রে ভারত, পাকিস্তান আর বাংলাদেশই আদর্শ! এই অঞ্চলগুলোতে বিল্ডিং করতে হলে উক্ত এলাকার যোগ্য, আমানাতদার ও এক্সপার্ট সহ-সভাপতি ও সভাপতিদের থেকে সত্যায়ন নিতে হয়। এতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যালেন্স তৈরি হয়! পুজিবাদি বড়লোক টাকার জোরে বিল্ডিং করবে আর তারই এলাকার বেকার যুবকরা দেখে কষ্ট পাবে, এটাই কী ইসলামের শিক্ষা? গরিবদের দেখিয়ে আপনি বড় বিল্ডিংয়ে থাকবেন। আর গরিব থাকবে ঝুপড়িতে! . বড়লোক টাকা আছে বিল্ডিং করবে, তার এই টাকার কিছু অংশ সহ-সভাপতি ও সভাপতিদের হাতে গেলে দেশে কত শত বেকারের কর্মসংস্থান হয় তা নিয়ে কী কখনো ভেবেছেন? এটা নিয়ে গবেষণা না করে যারা ইমারতে ইসলামিয়ার এই কাজ নিয়ে খুশি হচ্ছেন তাদের সাথে ভারতের কোনো সংযোগ আছে কি না তা বিজ্ঞ মহলকে ভেবে দেখার অনুরোধ।

ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তানের সরকার ভবন নির্মাণ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। সেখানে ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি অনুমতিপ্রাপ্তির পাশাপাশ
ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তানের সরকার ভবন নির্মাণ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। সেখানে ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি অনুমতিপ্রাপ্তির পাশাপাশি দারুণ একটা নীতিমালা জুড়ে দেয়া হয়েছে। কেউ যদি নতুন করে কোনো ভবন নির্মাণ করতে চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই স্থানীয় মসজিদের ইমামের প্রত্যয়ন পত্র দেখাতে হবে। ইমাম যদি তার ব্যাপারে পজিটিভ মতামত ব্যক্ত করে, তাহলেই কেবল সে ঐ এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করতে পারবে। সুবহানাল্লাহ! সেক্যুলার রাষ্ট্রে যিল্লতির জীবন নিয়ে বসবাস করা আমাদের মতো হুজুররা কীভাবে বুঝবে ইমামকে কীভাবে মূল্যায়ন করতে হয়? ইমাম মানে নেতা, ইমারতে ইসলামি সেটা বাস্তবে প্রয়োগ করে দেখাচ্ছে। নেতাকে নেতা হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করেছে। এবার পারলে নামাজে না এসে চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে দেখো, জুমার বয়ানে একটু সময় বেশি নিয়ে ফেললে খতিব সাহেবকে ঝাড়ি মেরে দেখো। হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকেও এমন সম্মানের জীবন দান করুন। লাঞ্ছনা থেকে মুক্ত করুন।