ch
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

前往频道在 Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

显示更多

📈 Telegram 频道 Abdullah bin bashir 的分析概览

频道 Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 11 340 名订阅者,在 宗教与灵性 类别中位列第 7 909,并在 孟加拉国 地区排名第 2 064

📊 受众指标与增长动态

невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 11 340 名订阅者。

根据 26 八月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 76,过去 24 小时变化为 6,整体触达仍然可观。

  • 认证状态: 未认证
  • 互动率 (ER): 平均受众互动率为 15.18%。内容发布后 24 小时内通常能获得 5.61% 的反应,占订阅者总量。
  • 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 1 720 次浏览,首日通常累积 636 次浏览。
  • 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 32

📝 描述与内容策略

作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

凭借高频更新(最新数据采集于 27 八月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 宗教与灵性 类别中的关键影响点。

11 340
订阅者
+624 小时
+397
+7630
帖子存档
মাদরাসা মহলে দ্বীনদার লোকদের মাধ্যমে এই ধরনের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। . মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে মুবারকবাদ
মাদরাসা মহলে দ্বীনদার লোকদের মাধ্যমে এই ধরনের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। . মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে মুবারকবাদ এমন একটি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। আশপাশের উস্তাদরা অবশ্যই অংশগ্রহণ করবেন ইনশাআল্লাহ

সেকুলাঙ্গার আর আমাদের জামাতের ভাইরা আফগানিস্তানের ব্যাপারে একদম গলায় গলায় খাতির। যেকোনো প্রপাগাণ্ডা প্রচারে তারা পরষ্পরের কত আপন ও কত চেনা। . ঘটনা হলো, আফগানে সরকারি চাকরিজীবীদের স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করেছে তালেবান সরকার। বাস, বিদেশী মিডিয়া, সেকুলার পাড়া ও জামাতের ভাইয়েরা, সবাই এক সুরে তালেবদের চোদ্দগুষ্টি উদ্ধার শুরু করে দিলো। সেকুলারদের তো টোন ধরা যায়। জামাতের ভাইরা সেই টোনের সাথে আবার লাগিয়েছে ইসলামের ফ্লেভার—এভাবে জনগণের সাথে স্বৈরাচারের মত আচরণ, ব্যক্তিগত জীবনেও এভাবে দখলদারি দেওয়া, এটা তালেবানি শাসন হতে পারে, ইসলাম নয়, ইত্যাদি ব্লা ব্লা.. . অথচ ঘটনা কী দেখা গেলো আখের? মূলত অফিস টাইমে সরাসরি কর্মকর্তা যেনো জনগণের সেবায় পূর্ণ মনোনিবেশ করতে পারে, বসে বসে মোবাইল টিপে সময় নষ্ট না করে, সে জন্যই মূলত এই বিধান। দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর সেবার জন্য এত চমৎকার একটি সিদ্ধান্ত, যাকে একটি আদর্শ হিসেব নেওয়া উচিত, সেটাকে সেকুলারদের টোনে এভাবে নিকৃষ্ট করে জামাতের ভাইরা কেন যে করে তা তারাই ভালো জানে।

সিলেটের ভাইরা কোনো ওজর আসলেও মিস দিয়েন না।
সিলেটের ভাইরা কোনো ওজর আসলেও মিস দিয়েন না।

এক ব্যক্তি হযরত ওমরের কাছে এসে বললো, আমি আপনার মত এত উত্তম ও ভালো মানুষ আর কাউকে দেখিনি। হযরত ওমর রা. জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কী হযরত আবু বকরকে দেখেছো? লোকটি বললো, না। হযরত ওমর এটা শুনে বললেন, যদি তুমি হযরত আবু বকরকে দেখার পরও এটা বলতে, তাহলে আমি তোমাকে বেত্রাঘাত করতাম। -ইমাম আহমদ বিন হাম্বল কৃত ফাজায়েলে সাহাবা, পৃ. ১২২ (আলী সাল্লাবির পোষ্ট থেকে)

ইতিহাস বিশ্লেষক মুহাম্মদ ইলহামি হাফিজাহুল্লাহ লেখেন, শিয়াদের সবচেয়ে খারাপ কাজগুলোর মধ্যে এটি একটি যে, তারা আশুরার স্মৃতিকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। আশুরা ছিল ফেরাউনের মতো ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অত্যাচারীর ধ্বংস এবং নবী মূসা আলাইহিস সালামের মুক্তির আনন্দের দিন। কিন্তু তারা এটিকে ইমাম হুসাইনের শাহাদাতের দুঃখ, বিলাপ ও বুক চাপড়ানোর দিনে পরিণত করেছে। সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো, তাদের কাছে হুসাইনের শাহাদাতের স্মরণই সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান। এর চেয়েও নিচে রয়েছে তাঁর পিতা আলী ইবনে আবি তালিব (তাদের মতে প্রথম ইমাম) এবং ভাই হাসান ইবনে আলীর (তাদের মতে দ্বিতীয় ইমাম) মৃত্যু। এমনকি তাদের মতে ফাতিমা আয-যাহরা এবং নবীজির জীবদ্দশায় শাহাদাতপ্রাপ্ত সাহাবীদের (যাদের তারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করে যেমন, হামজা, মুস‘আব, জাফর প্রমুখ) স্মরণও এর নিচে। যেন তারা ইচ্ছাকৃতভাবেই আশুরাকে ফেরাউনের ধ্বংস ও মূসার মুক্তির আনন্দের স্মরণ থেকে সরিয়ে হুসাইনের প্রতি শোক ও বিলাপের দিন বানিয়েছে — অথচ তাদের নিজস্ব মানদণ্ডেও তাঁর আগে-পরে অনেক বেশি শহীদ রয়েছেন। তাই মুসলিমদের উচিত আশুরায় ফেরাউনের ধ্বংস এবং মূসা আলাইহিস সালামের মুক্তির কথা বেশি করে আলোচনা করা। শুধু শিয়াদের বিরোধিতার জন্য নয়, বরং দীন প্রতিষ্ঠার জন্য। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দিনে সিয়াম পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন ঠিক এই কারণেই। সবশেষে, নবীগণ সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী। আল্লাহ তাঁদেরকে আদর্শ ও শিক্ষা হিসেবে প্রেরণ করেছেন। এ মর্যাদা তিনি তাঁদের ছাড়া আর কাউকে দেননি।

এতদিন কওমী মাদরাসায় এটা শুনে বড় হলাম, আমাদের তো দক্ষতার অভাব নাই৷ শুধু মূল্যায়ন আর সুযোগ রাষ্ট্র দিচ্ছে না দেখে আমরা নিজেদের
এতদিন কওমী মাদরাসায় এটা শুনে বড় হলাম, আমাদের তো দক্ষতার অভাব নাই৷ শুধু মূল্যায়ন আর সুযোগ রাষ্ট্র দিচ্ছে না দেখে আমরা নিজেদের পেশ করতে পারতেছি না। এখন রাষ্ট্র একটা কাজ দিলো, যাই দিলো ধরেন, এখন আইসা বয়ান হাজি করতেছেন, খালি চাকরি দিলেই হবে? চাকরি করার জন্য যোগ্যতার জন্যও তো আমাদের দক্ষতা অর্জন করা লাগবে। আর সেটাও রাষ্ট্র শিখানোর ব্যবস্থা করবে। আর তা আমাদের অধিকার। তো, কওমী মাদরাসায় শিখায়টা কী? কওমী মাদরাসার প্রয়োজনটাই কেনো? . স্বাধীনভাবে ইলমে দ্বীন শিক্ষার যে নিভু প্রদীপ আমাদের আকাবীররা সকল কিছু কুরবানি করে রেখে গেছে, তাকে নেক সূরতে ধ্বংস করার পায়তারা ছাড়া এগুলো আর কিছুই না৷ বুঝে হোক আর না বুঝে হোক, সাধারণ আলেম সমাজ এই কাজটাই খুব দক্ষতার সাথে করছে। . তারা এই কাজটা কেনো পারছে? এরজন্যও অন্যতম দায় আমাদের দায়িত্বশীল মুরব্বির খামখেয়ালি, দায়িত্বহীনতা। আল্লাহ এদেশে কিছু সৎ মানুষকে আমাদের মুরব্বি বানানোর ব্যবস্থা করুক। সেই দোয়া।

ইতিহাস বিশ্লেষক মুহাম্মদ ইলহামি লেখেন, ‘যে কথা বারবার বলা হয়, তা-ই একসময় প্রতিষ্ঠিত সত্যে পরিণত হয়। মানুষ একসময় নিজের হাতেই পাথরের মূর্তি বানিয়ে উপাসনা করত। এমনকি ক্ষুধার্ত হলে সেই মূর্তিই খেয়ে ফেলত। কিন্তু তারপরও তারা মূর্তিগুলোকে গালি দেওয়া বা অপমান করা সহ্য করত না; বরং সেগুলোর বিরুদ্ধে কিছু বলাকে নিজেদের, নিজেদের বাপ-দাদা ও পূর্বপুরুষদের প্রতি চরম অবমাননা মনে করত। কেন? কারণ একটি বিষয় বারবার চর্চিত হতে হতে মানুষের মনে স্থির হয়ে যায়, তারপর শেকড় গেড়ে বসে, এবং শেষ পর্যন্ত তা অটল অভ্যাস ও ঐতিহ্যে পরিণত হয়। তখন সেটির সামান্য সমালোচনাকেও মানুষ নিজের জীবনব্যবস্থা, চিন্তাধারা ও স্বার্থের জন্য হুমকি মনে করতে শুরু করে। ফুটবলও অনেকটা এমনই। এটি শুধু জাতির আফিমই নয়; বরং এর চারপাশে গড়ে উঠেছে নানা অভ্যাস, সংস্কৃতি, স্বার্থ ও চিন্তাধারা। মানুষের স্বপ্ন, আশা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষাও এর সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। তাই বারবার বোঝানোর চেষ্টা করা যে, এটি এক ধরনের অর্থহীন ব্যস্ততা—সেটিও ঠিক ততটাই প্রতিরোধের মুখে পড়বে, যতটা প্রতিরোধের মুখে পড়েছিল এই কথা যে, মূর্তিগুলো নিছক পাথর, যা কোনো উপকার বা অপকার করার ক্ষমতা রাখে না। একদল কোটিপতি-মিলিয়নিয়ার বল নিয়ে খেলছে—যার মাধ্যমে না দেশের কোনো উপকার হচ্ছে, না দর্শকের। বরং এটি সেই শাসকদের হাতে একটি মাধ্যম, যারা দমন-পীড়ন ও দারিদ্র্যের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করে; তারা এর সাহায্যে নিপীড়িত মানুষদের অবশ করে রাখে। আর নিপীড়িতদের মধ্যেও অনেকে এটিকে গ্রহণ করে, যদিও তারা নিজেরাও জানে এটি এক ধরনের নেশা ও ব্যথানাশক। কিন্তু চারদিকে ছড়িয়ে থাকা অসহ্য যন্ত্রণা ও সংকটের মধ্যে তারা এটিকে ব্যবহার করে সবকিছু ভুলে থাকার, কিংবা অন্তত কিছুটা আনন্দ পাওয়ার উপায় হিসেবে—যদিও সেই আনন্দ বাস্তব না-ও হতে পারে। সাধারণ মানুষকে হয়তো কিছুটা ছাড় দেওয়া যায়। কিন্তু যাদের ছাড় দেওয়া যায় না, তারা হলো সেই শ্রেণি, যাদের মানুষের রোগের চিকিৎসক হওয়ার কথা ছিল; অথবা অন্তত যারা বোঝে ঘটনাগুলো কীভাবে ঘটে এবং জনগণকে কীভাবে প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রিত করা হয়। যে ব্যক্তি মানুষের অন্তরে গেঁথে থাকা মূর্তি ভাঙতে অক্ষম, সে অন্তত তার সমালোচনা করতে এবং তার প্রকৃত স্বরূপ তুলে ধরতে তো অক্ষম হওয়ার কথা নয়। তাহলে যে ব্যক্তি মূর্তিভাঙার দাওয়াত দেয়, সে-ই বা কীভাবে মানুষের মাথায় ও হৃদয়ে হাত বুলিয়ে তাদের মূর্তিপূজার উৎসবে শরিক হয়?!’

পর্ণ ও সফট পর্ণের বিষক্ত ছোবলে সংকটটা চতুর্মুখ হয়ে গেছে! কিন্তু জাশির ভাইয়েরা কওমী বিদ্বেষ থেকে সারাদিন বট আইডি দিয়ে কওমীর আল
পর্ণ ও সফট পর্ণের বিষক্ত ছোবলে সংকটটা চতুর্মুখ হয়ে গেছে! কিন্তু জাশির ভাইয়েরা কওমী বিদ্বেষ থেকে সারাদিন বট আইডি দিয়ে কওমীর আলেমদের ইজ্জত হননে লিপ্ত!

দুইটার পার্থক্য দেখেন, পাকিস্তান মাঝে মাঝেই টিটি বা সনতাস মারার জন্য আফগান্নে বিমান হামলা করে। প্রত্যেকবারেই হামলা পরবর্তী চিত্র কী দেখা যায়? ছোট বাচ্চা ও নারীদের মৃত দেহ। ঈদের আগে তো হাসপাতালে আক্রমণ করে... . আফগানরা কত কয়েকদিন আগে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে গিয়ে বিমাল হামলা চালিয়েছে খারেজি দাওলার আস্তানায়, যেমনটা তালেবদের দাবী, কিন্তু আপনি আক্রমণ পরবর্তী একটা ফুটেজেও কী শিশু বা মহিলাদের মৃত দেহের ছবি দেখেছেন? আফগানরা যে কটি ছবি প্রকাশ করেছে, সেগুলোতে আমি দেখিনি। আর পাকিস্তান তো হামলা হয়েছে সেটাই স্বীকার করতে চাচ্ছে না! . এটাই হলো একটা বড় পার্থক্য। দেখুন, আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের যে অবস্থা, তাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটবে না তা আমি বলছি না। কিন্তু প্রতিবার একই জিনিষের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর বাস্তবতা তো সবাই বুঝে!

সাধারণ আলেম সমাজের নিয়ত কী, তা তো তারাই জানেন। তবে বাজেট সংক্রান্ত তাদের আজকের ৫টি দাবী দেখে এটা স্পষ্ট, তাদের এই কার্যক্রম কওমী মাদরাসাগুলোর ঐতিহ্যকে ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই দিবে না*৷ সরকার এতদিন কওমী মাদরাসাগুলোকে নিজেদের করার যে এজেন্ডা এটা সাধারণ আলেম সমাজ সরকারের হাতে একদম তুলে দেওয়ার জন্য চমৎকার মাইন্ডসেট করছে। তাদের তিন নাম্বার পয়েন্ট দেখে আফসোস ছাড়া আর কিছুই করার নেই। সরকারের কাছে কওমী মাদরাসার জন্য ইন্টারনেট সুবিধা যাচ্ছে, সাধারণ আলেম সমাজ! আল্লাহু আকবর। আল্লাহু আকবর। যাইহোক, ধ্বংসের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া কওমী মাদরাসাকে কে কত দ্রুত ধ্বংস করতে পারে সেটার বন্দোবস্ত চলতেছে। আমরা সাধারণ তালেবে ইলমরা দেখতে থাকি। . যাত্রাবাড়ীর শায়খের সাথে কেউ দেখা করে একটু জানাইয়েন, আপনার ফুজালাদের দ্বারা পরিচালিত সাধারণ আলেম সমাজ এগুলো চাচ্ছে। আর আমাদের বড় বড় মুরব্বিদের জানানোর ব্যবস্থা করেন, মাদরাসায় ফ্রি নেট আসতেছে আলহামদুলিল্লাহ।

photo content

বিশিষ্ট ইতিহাস বিশ্লেষক মুহাম্মদ ইলহামি তার “এক্স” পোষ্টে লেখেন, “হাজারবার বলেছি, আবারও বলছি—আমাদের উম্মাহর বর্তমান করুণ অবস্থা কখনোই পরিবর্তিত হবে না, যতক্ষণ না বিশ্বাসঘাতক শাসনব্যবস্থাগুলোর অবসান ঘটে। আর আমরা যতদিন এ ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাসে উপনীত না হব যে এসব শাসনব্যবস্থা মূলত দখলদারিত্বেরই এক রূপ, ততদিন আমাদেরকে এর মূল্য দিতে হবে আমাদের জীবন, আমাদের প্রজন্ম, আমাদের রক্ত ও আমাদের সম্পদ দিয়ে। আমাদের জাতির এই মহাবিপর্যয় থেকে বেরিয়ে আসার প্রথম শর্ত হলো—নিজেদের ভাগ্যের লাগাম নিজেদের হাতে তুলে নেওয়া এবং নিজেদের মধ্যকার নিষ্ঠাবান ও কল্যাণকামী মানুষদের নেতৃত্বে পরিচালিত হওয়া। এর বাইরে অন্য কোনো সমাধানের আশা করা মানে বাতাসে ফুঁ দেওয়া; মরুভূমির মরীচিকাকে পানি ভেবে তার পেছনে ছুটে বেড়ানো।”

ভারতের দখলকৃত কাশ্মীরের কান্নার কিছু আওয়াজ তো আমাদের কানে পৌঁছে৷ পাকিস্তানের দখলকৃত কাশ্মীরী মা-বোনদের কান্না আওয়াজ কী আমাদের কাছে পৌঁছে? নাকি, ইসলামের নাম থাকলে মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন বৈধ হয়ে যায়!

কারো চরিত্র হননে জামাতের ভাইরা যে নিকৃষ্ট পরিচয়ের সাক্ষর রাখেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক! . কওমী মাদরাসায় অবশ্যই ছেলে ঘটিত কিছু সমস্যা আছে। কিন্তু অবশ্যই তা এত নিকৃষ্ট ও ভয়ংকর পর্যায়ের নয় যা অনলাইনে জামাতের বড়-ছোট সকলে প্রচার করে! . কওমী ওলামায়ে কেরাম সংক্রান্ত যেকোনো পোষ্টে দেখবেন একদল এসে এই বিষয়টি তুলে পুরো কওমী অঙ্গনকে এমন নিকৃষ্ট করে উপস্থাপন করে, কোনো ভদ্র বাবা-মায়ের সন্তানের পক্ষে একাকীও সেগুলো উচ্চারণ করা বোধহয় সম্ভব না। আর এই কাজগুলোতে সেকুলারদের থেকেও হাজার হাজারগুণ এগিয়ে জামাতে ইসলামির ভাইরা। . জামাত এদেশের মাটি ও মানুষের রাজনীতিটা কেনো যেনো বুঝে কম। এটা আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধি। আওয়ামীলীগ যেমন নিজেদের রাজনৈতিক এজেন্ডার বাহিরে অন্যকিছুকে সহ্য করতে পারতো না। জামাতের ভাইদের মধ্যেও এই স্বভাবটা অতিমাত্রায় আছে! কেউ তাদের রাজনৈতিক বিরোধী, বাস, এবার সে যেই হোক আর যত ভালো মানুষ হোক, তার চরিত্রকে একদম ধ্বংস করে দিতে জামাতের ভাইরা দ্বিতীয়বার ভাবে না। ভাবতে চায়ও না। . রাজনৈতিক কারণে এদেশের মানুষদের আলেম বিদ্বেষী বানানোর জামাতের যে প্রজেক্ট তা কখনোই এদেশে কাজ করে নাই। সামনেও করবে না। জামাতের সাধারণ কর্মীরা এই প্রজেক্টে নিজেদের দুনিয়া ও আখিরাত খোয়ানো ছাড়া আর কিছুই পায়নি ও পাবেও না।

শুনতে পারেন। https://www.youtube.com/watch?v=fSjdqYvbArQ

পশ্চিমা মূলনীতিগুলো আসমানী বা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী প্রতিটি ধর্মের সাথেই সাংঘর্ষিক। তবুও আজ প্রায় সব ধর্মের অনুসারীরা ব্যাপকভ
পশ্চিমা মূলনীতিগুলো আসমানী বা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী প্রতিটি ধর্মের সাথেই সাংঘর্ষিক। তবুও আজ প্রায় সব ধর্মের অনুসারীরা ব্যাপকভাবে পশ্চিমের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। ধর্মবিশ্বাস বজায় রেখেও তারা পশ্চিমা দর্শন গ্রহণ করছে, একে সর্বজনীন মনে করছে; এমনকি নিজেদের ধর্মের সত্যতা প্রমাণ করতে ধর্মের মৌলিক গ্রন্থের বদলে পশ্চিমা বয়ানের আলোকে ব্যাখ্যা দিতে বেশি আগ্রহী হচ্ছে। এর মূল কারণ হলো রিফরমেশন-অর্থাৎ ধর্মকে পশ্চিমা বয়ানের আলোকে সংস্কার করে নেওয়া। আর এ কাজটি পশ্চিমা সভ্যতা তার জন্মলগ্ন থেকেই গুরুত্ব সহকারে করে আসছে। মার্টিন লুথারের প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলন থেকে শুরু করে আজকের "গুড মুসলিম” প্রকল্প-সব একই সূত্রে গাঁথা। তাই ধর্মসংস্কারের যেকোনো স্লোগান বা আন্দোলনের ব্যাপারে আমাদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে এবং এ-জাতীয় আন্দোলনকে সন্দেহের চোখে দেখতে হবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রিফরমেশনের ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমিন। . বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য : ৩৬০৳ (২৫%) ছাড়ে

প্রকাশিতব্য দারুল ইসলাম ও দারুল হারব বই থেকে খিলাফতে রাশেদা ও ইমামতে হাকিকিয়্যার পর “হুকমি ইমামতের প্রকারভেদ” শিরোনামে শাহ ইসমাঈল শহিদ রহিমাহুল্লাহ লেখেন, ‘নফসের কামনা-বাসনার সাথে ঈমানি রাজনীতির মিশ্রণ চার স্তরে বিভক্ত করা হয় : ১। সালতানাতে আদেলা (ন্যাপরায়ন শাসন) বাহ্যিকভাবে শরিয়তের অনুসরণ বজায় রাখে, তবে অন্তরে নফসের ভোগ-লালসার আখাঙ্ক্ষা থাকে। অর্থাৎ, প্রকাশ্যে শরিয়তকে ছেড়ে দেয় না, ফিসক-ফুজুর বা জুলুম-অত্যাচারেও লিপ্ত হয় না। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত সুখ-সাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে এতটাই সচেষ্ট থাকে যে, তার কাজগুলো বাহ্যিক শরিয়তের দৃষ্টিতে মুবাহ (অনুমোদিত) বলেই গণ্য হয়। একে বলা হবে “সালতানাতে আদেলা”। ২। সালতানাতে জাবেরাহ (জালিম শাসন) নফসের ভোগলালসা ও শারীরিক আরামের আকাঙ্ক্ষা এতটাই প্রাধান্য পায় যে, তা অর্জনের ক্ষেত্রে শরিয়তের সীমা অতিক্রম করে। এবং নিজের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য জুলুম, ফিসক ও গুনাহকে অবলম্বন করে। এরপর সে এ ব্যাপারে অনুতপ্তও হয় না, তাওবাও করে না। একে বলা হবে “সালতানাতে জাবেরাহ”। ৩। সালতানাতে দ্বল্লাহ (পদভ্রষ্ট শাসন) নফসের কামনা এতটাই প্রবল হয়ে যায় যে, ভোগ-বিলাস তার স্বভাবসিদ্ধ চরিত্রে পরিণত হয়, জবরদস্তি, অহংকার, জুলুম-অত্যাচার প্রতিষ্ঠা করে এবং ভোগ-বিলাসেই সর্বশক্তি নিয়োজিত রাখে। এবং আমোদ-প্রমোদের স্তরকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যায়। ফিসক-ফুজুর ও জুলুমের পথগুলোকে ধর্মীয় আদর্শ ও সুন্নাহের দলিলসমূহের বিপরীতে অনুসরণীয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে এবং গুলোকে নিজের কৃতিত্ব ও দক্ষতা বলে মনে করে। এমন শাসনকে বলা হবে “সালতানাতে দ্বল্লাহ”। ৪। সালতানাতে কুফরিয়্যাহ (কুফরি শাসন) নিজস্ব বানানো আইনকে শরিয়তের উপর প্রাধান্য দেয় এবং সুন্নাহ ও মিল্লাতের পথকে অবমাননা করে। শরিয়তের বিধানসমূহকে সমালোচনা ও উপহাসের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করে এবং এর বিপরীতে নিজের প্রণিত ব্যবস্থার গুণগান করে। শরিয়তের বিষয়গুলোকে সাধারণ কথাবার্তার মতো তুচ্ছ, অর্থহীন ও বাজে কথা মনে করে। আল্লাহর বিধান ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহকে অপূর্ণ আইন বলে গণ্য করে এবং শরিয়তের অনুসারীদেরকে নির্বোধ ও পাগলের চেয়েও নিকৃষ্ট মনে করে। এমন শাসনকে বলা হবে “সালতানাতু কুফর ওয়া যান্দাকা”।’

photo content

আজ মাগরিব থেকে হিজরী নববর্ষ শুরু হতে পারে : ১ মুহাররম ১৪৪৮ হিজরী “সাহাবায়ে কেরাম নতুন মাস বা নতুন বছর শুরুর এ দুআটি তেমন গুরুত্ব দিয়ে শিখতেন, যেভাবে কুরআনুল কারিম শিখতেন।" اَللّٰهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالإِسْلَامِ وَجِوَارٍ مِنَ الشَّيْطَانِ وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمٰن হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ মাস/বছরের আগমন ঘটান- শান্তি ও নিরাপত্তা এবং ইমান ও ইসলামের (উপর অবিচলতার) সাথে; শয়তান থেকে সুরক্ষা ও দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে। ©মাওলানা জাহিদ

দুইটা বোমা প্রিন্ট করালামা। . বামেরটি হলো বানুরীটাউনের শান অসংখ্য আলেম ও মু*জা*হি*দদের উস্তাদ হযরত মাওলানা ফজল মুহাম্মদ ইউসুফ
দুইটা বোমা প্রিন্ট করালামা। . বামেরটি হলো বানুরীটাউনের শান অসংখ্য আলেম ও মু*জা*হি*দদের উস্তাদ হযরত মাওলানা ফজল মুহাম্মদ ইউসুফজায়ী হাফিজাহুল্লাহের লেখা। লেখাটি মূলত পাকিস্তানের এক আহলে হাদিস আলেম হাফেজ যুবায়ের রদে লেখা। সেই আলেম বর্তমান পৃথিবীর মু***দদের উপর বেশ কিছু ভিত্তিহীন আপত্তি করেন। সেগুলোর জবাবে হযরত কিছু কথা লেখেন, যেখানে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে, যেগুলো বলার কারণে আমরা দেশের বহু ভাইদের কাছে বহু কিছু হয়ে বসে আছি! . আর দ্বিতীয়টি হলো আরো বড় বোমা। যাহেদ সিদ্দিক মোগল সাহেব হলেন বর্তমানে ইলমে কালামের একজন বিশেষজ্ঞ আলেম। আর মুতাকাল্লিম ওলামায়ে কেরাম যখন কোনো বিষয়ে কলম ধরেন তখন কী হয় তা তো যারা মুতাকাল্লিমদের লেখা পড়েন তারা জানেন। খুরুজ বিষয়ক এত চমৎকার একটি লেখা! যা বহু প্রশ্নের তৃপ্তিদায়ক উত্তর দেয়। এমন আন্দাজে লেখা এখনো পর্যন্ত নজরে পড়েনি। বিশেষত, খুরুজ নিয়ে প্রসিদ্ধ আপত্তিগুলোর জবাব ইলমি ও যুক্তির আলোকে তুলে ধরার আন্দাজটি ছিলো বেশ চমৎকার। যা অনেক বিষয়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। . লেখা দুটো নিয়ে কিছু পরিকল্পনা আছে। দোয়া চাই।