ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 415 подписчиков, занимая 7 806 место в категории Религия и духовность и 2 050 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 415 подписчиков.

Согласно последним данным от 28 сентября, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 87, а за последние 24 часа — 4, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 13.06%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 5.68% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 491 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 648 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 29.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
“প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট”

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 29 сентября, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 415
Подписчики
+424 часа
+127 дней
+8730 дней
Архив постов
চাঁদপুর তিনমোহনার পাড়ে মাটিতে শুয়ে আছি। সাথে আছে চাঁদ, মুগ্ধতায় ভরা বাতাস আর নাতে রাসুল।

মাদরাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা এবং সেখানে পঠন-পাঠন—দীনি শিক্ষার প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিষয়টি একই সঙ্গে বেশ স্পর্শকা
মাদরাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা এবং সেখানে পঠন-পাঠন—দীনি শিক্ষার প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিষয়টি একই সঙ্গে বেশ স্পর্শকাতরও। এখানে সামান্য বিচ্যুতিও কখনো কখনো ডেকে আনতে পারে মারাত্মক সমস্যা। বর্তমানে দীনি মাদরাসাগুলোর অগ্রযাত্রার পথে যে নানা প্রতিবন্ধকতা ও সংকট দেখা দিচ্ছে, তার অন্যতম কারণ হলো—মাদরাসা পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে শরিয়তের নির্দেশনাকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়া। ফলে অনেক মাদরাসাই তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই সময়ের প্রয়োজন ছিল, শরিয়তের আলোকে মাদরাসা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা তুলে ধরা। ‘আহকামে মাদারেস’ সেই প্রয়োজনকে সামনে রেখেই একটি প্রয়াস। মাদরাসার শিক্ষা, পরিচালনা, প্রশাসন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, দায়িত্ব-কর্তব্য ও ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে। বই: আহকামে মাদারেস (মাদরাসা পরিচালনা সংকট, সমাধান ও শরয়ি নীতিমালা) লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: মাওলানা জাহিদ হাসান প্রচ্ছদ মূল্য: ২৪০৳ প্রি-অর্ডার মূল্য: ১৬৮৳ বধাইয়ের ধরণ: পেপারব্যক অর্ডার করতে মেসেজ করুন আমাদের ইনবক্সে.

আমাদের মাঝে একটি ব্যাপক প্রচলিত হলো, ভারতবর্ষকে সর্বপ্রথম দারুল হা*ব ফতোয়া দেন শাহ আব্দুল আজিজ দেহলবি রহিমাহুল্লাহ। অর্থাৎ, ইংরেজরা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল দখল করার পর। কিন্তু ভারতের বিখ্যাত মুহাক্কিক নুরুল হাসান রাশেদ কান্ধলবি হাফিজাহুল্লাহের তাহকিক মতে এই কথার কোনো ইলমি ভিত্তি নেই। তার মতে, ইংরেজরা ভারতবর্ষে আসারও বহু আগে শাহ ওলিউল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলবি ও সে সময়ের আলেমগণ ভারতের তৎকালীন পরিবেশ দেখে ভারতলে দারুল হা*ব ফতোয়া দেন। বিস্তারিত জানতে আমার অনূদিত ও সদ্য প্রকাশিত “দারুল ইসলাম ও দারুল হা*ব” বইটির প্রথম পরিশিষ্ট। হযরত নুরুল হাসান রাশেদ কান্ধলবি সাহেব লেখেন, //এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। যখন আলেমদের ভারতকে দারুল হারব ঘোষণার প্রাথমিক ফতোয়াগুলো আলোচনা করা হয় এবং ভারতীয় উপমহাদেশের ধর্মীয়, বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে সেগুলোর প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়, তখন সাধারণত বলা হয় যে, তাদের এই সংগ্রাম ও প্রচেষ্টা ছিল কেবল ইংরেজদের বিরুদ্ধে এবং তাদের রাজনৈতিক চিন্তার মূল লক্ষ্যও ছিল ইংরেজ শাসনের বিরোধিতা। কিন্তু এ ধারণার পক্ষে কোনো শক্তিশালী ইলমি ভিত্তি নেই। বাস্তবে তাদের ফতোয়াগুলো জারি হয়েছিল এমন সব ক্ষমতালোভী শক্তি এবং অত্যাচারী বলয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে, যারা ইংরেজদের এ ভূখণ্ডে আগমনেরও আগে মুসলমানদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছিল। তাদের কারণে মুসলমানদের সম্মান, জীবন ও সম্পদ সর্বক্ষণ ছিল হুমকির মুখে। যে যখন ইচ্ছা মুসলমানদের হত্যা করত, তাদের নারীদের সম্ভ্রমহানি ঘটাত এবং তাদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করত। আলেমদের প্রথম ও মৌলিক ফতোয়াগুলো মূলত এসব পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করেই প্রদান করা হয়েছিল। হজরত শাহ ওলিউল্লাহ ও হজরত মির্জা মাজহার জানেজানার রচনায় এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য রয়েছে। হজরত শাহ আবদুল আজিজের ফতোয়াতেও এর ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তাই এসব ফতোয়াকে কেবল ইংরেজ শাসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দেখা ন্যায়সংগত নয়।//

এখন পর্যন্ত সিরাত নিয়ে ইমরান রাইহান তার সবচেয়ে সেরা আলোচনাটা করে ফেলেছেন। সামনে হয়তো আরও ভালো আলোচনা আসবে। তবে এখন পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে সেরা আলোচনা। আলেম, তালিবুল ইলম, জেনারেল—সবার জন্য অবশ্যই শোনার মতো আলাপ। এই আলোচনা গত ৩ বছরে তার সিরাতকেন্দ্রিক ট্রান্সফরমেশনের সুস্পষ্ট দলিল। বারাকাল্লাহু ফিহ। ©মাহমুদ সিদ্দিকি https://youtu.be/IoukQaxee04?si=voKO1pCdXOsTAg_X

ইনশাআল্লাহ, এই মেলাতেই আসবে। মোহতামিম সাহেবদের জন্যই বইটা বেশি দরকার, বাকি তারা কী পড়বে? যাইহোক, তারা না পড়ুক, মাদরাসার সাথে
ইনশাআল্লাহ, এই মেলাতেই আসবে। মোহতামিম সাহেবদের জন্যই বইটা বেশি দরকার, বাকি তারা কী পড়বে? যাইহোক, তারা না পড়ুক, মাদরাসার সাথে সম্পৃক্ত বা সম্পৃক্ত হতে চান, এমন সবার পড়া উচিত। মাদরাসায় আন্তরিকতার সাথে দান করেন, তাদেরও পড়া উচিত, এবং আদবের সাথে ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে সেগুলোর বিষয়ে কথা বলা উচিত। . মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেবের খাস শাগরেদ ও কাজের সহযোগী মাওলানা রেজা সাহেব প্রায় বিভিন্ন পিডিএফ আমাকে পাঠান। কিন্তু কখনোই কোনো পিডিএফ দিয়ে বলেননি, বইটা অনুবাদ হওয়া দরকার। কখনোই না। কিন্তু যেদিন আহকামে মাদারেসের পিডিএফটা দিলেন, সেদিন বললেন, মুফতি সাহেবের অনেক ইচ্ছে এই বইটা উপমহাদেশে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হোক। কারণ, মাদরাসাগুলোই যদি শরয়ি দিকনির্দেশনার আলোকে পরিচালিত হতে না পারে, তাহলে পুরো সমাজ কীভাবে পরিচালিত হবে? সেদিনই নিয়ত করে ফেলেছিলাম, বইটিই আমিই অনুবাদ করবো। কিন্তু আমার গাফলতি আর গুনাহের কারণে মহান কাজটি আমার দ্বারা হলো না। তবে, আল্লাহর কাছে এতটুকু শুকরিয়া, অল্প হলেও কাজটির সাথে আমার একটা সম্পর্ক ও পরিশ্রম রয়েছে। . বইটি অনুবাদ করেছেন, আমাদের মাদরাসাতি আলী রা.-এর সাবেক ছাত্র মাওলানা জাহিদ। আল্লাহ তাকে কবুল করুন।

শাহ ইসমাইল শহিদ রহিমাহুল্লাহ বলেন, "সালতানাতে কুফর" বলতে কোনো ভূখণ্ডে কাফের শাসনকে বোঝানো হয়নি। বরং এর দ্বারা উদ্দেশ্য সেই সম্প্রদায়, যারা নিজেদেরকে মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করে। কিন্তু প্রকাশ্যে কুফর আবশ্যক করে এমন কাজকর্মে লিপ্ত থাকে। শরিয়তের বিধানের বিরোধিতা ও বিদ্বেষ তাদের মধ্যে এতটাই স্পষ্ট হয়ে উঠে যে, তাদের ওপর কুফর ও মুরতাদ হওয়ার হুকুম প্রযোজ্য হয়ে যায়। যেমন কিছু মানুষের প্রকৃতিই হয় নাস্তিকতাপ্রবণ ও জিন্দিক স্বভাবের। যদিও তারা নিজেদের মুসলিম বলে পরিচয় দেয়; কিন্তু বাস্তবে তারা আল্লাহ ও রাসুল, দ্বীন ও ধর্ম এবং কিয়ামতের ওপর বিশ্বাস রাখে না। তারা দুনিয়ার উত্থান আর পতনকেই সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্যের মাপকাঠি মনে করে এবং জাঁকজমক, প্রতিপত্তি ও ধনসম্পদ অর্জনকেই আসল কৃতিত্ব গণ্য করে। সূত্র: দারুল ইসলাম ও দারুল হারব

বইটির প্রচার ও পাঠে সকলের অংশগ্রহণ কাম্য।
বইটির প্রচার ও পাঠে সকলের অংশগ্রহণ কাম্য।

ফিরাকে বাতেলে নিয়ে কাজ করতে গেলে সবচেয়ে কষ্টকর হলো, ওদের নিকৃষ্ট কু*ফ*রি ও বেদআতি আকিদা এবং সেগুলো প্রমাণে কুরআন-সুন্নাহের জঘন্যতম বিকৃতি দেখে ঈমানি গাইরাতকে নিয়ন্ত্রিত করা৷ এই বইয়ের লেখক এক্ষেত্রে খুবই চমৎকারভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন বলেই আমার মনে হয়েছে। যেহেতু কু*ফ*রি সংগঠন হিযবুত তাওহিদ নোংরা আকিদাগুলো দলিলের আলোকে স্পষ্ট করা এই বইয়ের উদ্দেশ্য, তাই পুরো বইতে অযথা ট্যাগবাজি এবং রাগ-ক্ষোভকে নিয়ন্ত্রণ করে দলিলের আলোকেই আলোচনাগুলো চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। এটা আমাদের সকলের জন্য একটি উসওয়াহ হতে পারে। . হিযবুত তাওহীদকে আমরা অনেক হালকাভাবে নেই। তাদের প্যান্ট-শার্ট আর অযথা কিছু কাজ দেখে ভাবি, এদের রদের জন্য আর বেশি পড়াশোনার দরকার আছে নাকি! কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের এই পড়াশোনা না করাটাই একেকটি ফিরাকে বাতেলাকে শক্তিশালী করে। আমাদের আজাইরা রদ আর গলাবাজিগুলোকে দেখিয়েই ওরা মানুষদেরকে নিজেদের ভ্রান্ত মতের দিকে আহবান করে থাকে। তাই, সকল স্তরের দায়ী ও আলেমদের হিযবুত তাওহিদ বিষয়ক সচ্ছধারণা অত্যন্ত জরুরি। আর এই একটিই বই হতে পারে আপনার জন্য এই বিষয়ক অসংখ্য বই পড়া থেকেও বেশি উপকারী। . এই বইটি হিযবুত তাওহিদের রদে লেখা হলেও সংশ্লিষ্ট অনেক বিষয়ে এত চমৎকার ইলমি আলোচনা সমৃদ্ধ। যেমন, মিউজিক সংক্রান্ত বিষয়, নারীর চেহারা পর্দার অন্তর্ভুক্ত কি না, ইলহামের মাধ্যমে কোনো বিষয় সাব্যস্ত হওয়া, ইত্যাদি বিভিন্ন ইলমি বিষয়ে চমৎকার মুদাল্লাল আলোচনা করেছেন। আলোচনাগুলো অনেক সমৃদ্ধ এবং ইলমি ফাওয়ায়েদে ভরপুর। . ওলামায়ে কেরামের কাছে এই কিতাবড়া থাকা উচিত। বিশেষ করে নোয়াখালী জেলার সকল আলেমের জন্য তো এটা সংগ্রহ করা ও বারবার পড়া আবশ্যক মনে করি।

photo content

দার-সংক্রান্ত আলোচনার গুরুত্ব ও উপকারিতা সাধারণ মানুষ তো সাধারণ মানুষই। বহু আলেমও সাধারণভাবে মনে করেন যে, বর্তমানে দার-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করার তেমন কোনো ফায়দা নেই। তাদের দৃষ্টিভঙ্গি হলো, অন্যান্য "উপকারী ইলমি বিষয়গুলো"-কেই আলোচনা ও তাহকিকের বিষয় বানানো উচিত। ফলে আলোচ্য বিষয়টির যথেষ্ট জরুরত ও প্রয়োজনীয়তা থাকা সত্ত্বেও সময়ের প্রয়োজনীয়তা ও এর বাস্তবিক প্রয়োগ, এই দৃষ্টিকোণ থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ হয়নি। বাস্তবতা হলো, দার-সংক্রান্ত আলোচনাকে গুরুত্বহীন মনে করা একটি মারাত্মক ভুল ধারণা, যা মূলত পরিবেশের প্রভাবজাত। আলোচ্য বিষয়ের গুরুত্ব বোঝার জন্য কয়েকটি কথাই যথেষ্ট, ১। ইসলামের অসংখ্য বিধান দার-সংক্রান্ত মাসআলার সঠিক প্রয়োগের ওপর নির্ভরশীল। এক কথায় বলা যায়, শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ অনেক আমলই দার-সংক্রান্ত বিধানের যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করে। ২। ফিকহের কিতাবসমূহের অসংখ্য অধ্যায়-বিশেষত "সিয়ার” ও "মাগাজি”-সঠিকভাবে বুঝতে হলে দার-সংক্রান্ত মাসআলার গভীর জ্ঞান অপরিহার্য। অর্থাৎ, দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশের সঠিক ইলম ও অনুধাবন মূলত দার-সংক্রান্ত বিধানের যথাযথ প্রয়োগ ও বুঝের ওপরই নির্ভরশীল। ৩। কোন যুগে কোন কোন অঞ্চলে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত ছিল? সেখানে ইসলামের দাওয়াত কীভাবে পৌঁছেছিল? ইসলাম কীভাবে বিজয়ী ও কার্যকর শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল? আবার কোন কোন অঞ্চল এই মহান নেয়ামত ও সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত ছিল এবং কেন বঞ্চিত ছিল?- এসব বিষয়-সহ এ ধরনের আরও বহু বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা যায়। এটি ইতিহাস-সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা, যা নিজেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মনোযোগের দাবিদার। বই: দারুল ইসলাম ও দারুল হারব লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ১৯৮৳ (২৫%) ছাড়ে! অর্ডার করতে ভিজিট করুন আমাদের সহ যে কোন অনলাইন প্লাটফর্মে

photo content

শামাদানের কয়েকজন ভাই কীভাবে যেনো মেলায় খুজে বের করে এক কপি হাদিয়া দিয়ে গেলো। অনেক ইচ্ছে ছিলো তাদেরকে বলি, ভাই এই কপি আমি টাকা
শামাদানের কয়েকজন ভাই কীভাবে যেনো মেলায় খুজে বের করে এক কপি হাদিয়া দিয়ে গেলো। অনেক ইচ্ছে ছিলো তাদেরকে বলি, ভাই এই কপি আমি টাকা দিয়ে হাদিয়া নেই। কিন্তু শরমে বলতে পারিনি। নিজেদের আত্মপরিচয় ঠিক রেখে এবং মৌলিক ইলমি ইস্তেদাদের প্রতি লক্ষ্য রেখে ছাত্র যামানায় এই ধরনের ছোট ছোট বিষয়ের সাথে যুক্ত থাকাকে আমি অনেক কল্যাণকর মনে করি। সময় নষ্ট না করে এধরণের ছোট ছোট পত্রিকাগুলোতে লেখা দেওয়া, ম্যানেজমেন্ট করে এমন একটি পত্রিকা বের করা, এগুলো স্বতন্ত্র যোগ্যতা, যা তালেবে ইলমদের জন্য আমি জরুরি মনে করি। এগুলো কর্মজীবনে, দাওয়াতি জীবনে অনেক কাজে লাগে। ছাত্র যামানায় যদি আমি এমন কোনো সার্কেল পেতাম, তাহলে হয়তো লেখালেখির হাতটা আরো অনেক শক্তিশালী হতো! যাইহোক, আল্লাহ হয়তো এতেই খায়ের রেখেছেন। শামাদারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছেই আবেদন, লেখালেখির এই চর্চাকে আরো শক্তিশালী করুন। “ভালো লেখতে পারেন” এমন ভেবে কোথাও থেমে যাইয়েন না। আল্লাহ আপনাদের কবুল করুন। আমীন।

বই চলে আসছে আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা কোই?
বই চলে আসছে আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা কোই?

শরিয়াহ থাকলে আজ এই গরিব পরিবার একশো উঠের দাম পেতো৷ যদি একটি উঠ কমছে কম ৫ লাখ করেও ধরি, তাহলে ৫ কোটি টাকা! . যেহেতু আল্লাহর দে
শরিয়াহ থাকলে আজ এই গরিব পরিবার একশো উঠের দাম পেতো৷ যদি একটি উঠ কমছে কম ৫ লাখ করেও ধরি, তাহলে ৫ কোটি টাকা! . যেহেতু আল্লাহর দেওয়া শরিয়াহ তোমার পছন্দ না। এবার এভাবেই জুলুমের শিকার হতে থাকো। এটাই এই দুনিয়ার পরিনতি—আল্লাহর আল্লাহর আইন মানো, নাহলে বড়লোকদের পছন্দ আর সুবিধামতো চলো।

আমার “মুসলিম-অমুসলিম” বইটি যারা পড়েছেন তাদের প্রায় সকলেই বলেছেন, মূল বইয়ের সাথে সাথে আমার টীকাগুলো থেকেও তারা উপকৃত হয়েছেন। এবারের অনূদিত “দারুল ইসলাম...” বইটির টীকা থেকে ইনশাআল্লাহ আরো বেশি উপকৃত হবেন বলেই আমার ধারণা। এবারে বেশকিছু দীর্ঘ টীকা যুক্ত করেছি, যেগুলো বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে ভাবনার জন্য অত্যন্ত সহযোগী হবে বলেই আমি মনে করি। ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল নতুন বইটি নিয়ে দেখা হবে এবং কথা হবে।

হানাফি ফিকহের প্রসিদ্ধ কিতাব “ইখতিয়ার”-এর একটি বক্তব্য। এই বক্তব্যগুলো সামনে রাখুন এরপর যারা বলেন, ইসলামি রাষ্ট্রে অমুসিমলিমর
হানাফি ফিকহের প্রসিদ্ধ কিতাব “ইখতিয়ার”-এর একটি বক্তব্য। এই বক্তব্যগুলো সামনে রাখুন এরপর যারা বলেন, ইসলামি রাষ্ট্রে অমুসিমলিমরা মুসলিমদের মতই ধর্মে-কর্মে সকল বিষয়ে সমান অধিকার ভোগ করবে, তাদেরগুলো। তখন কী ফকিহদের বক্তব্যকে উগ্র ও জুলুম মনে হবে না?

ওয়াফি বা রকমারির বিরুদ্ধে বয়কটের ডাক দেওয়াকে সঠিক মনে করি না। ওয়াফি বা রকমারির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ক্ষোভ দেখিয়ে তাদের অনর্থক শত্রু বানানোকেও সঠিক মনে করি না। ওয়াফি বা রকমারি কেউ আমাদের মৌলিক শত্রু না। বরং ক্ষেত্রবিশেষ তারা আমাদের সহযোগি। একটা সেকুলার রাষ্ট্রে তারা কাজ করে। তাদের অপারগতার বিষয়টিকে আমরা ভুলে গেলে চলবে না। হাঁ, তারা একটা সাধারণ কোথাকার কোন ভুঁইফোড় নিউজপোর্টালের আলোচনায় এভাবে নত হবে এটা কাঙ্ক্ষিত না। বরং তাদের এখানে আইনীভাবে বলার মত বহুকিছুই ছিলো। আমাদের উচিত হলো অন্যান্য ছোট ছোট বইয়ের অনলাইন শপগুলোকে শক্তিশালী করা। যেনো আমাদের কাছে বিভিন্ন অপশন থাকে। ঐ ছোটরাও বড় হয়ে ধোকাবাজ ও খোদার আসনে বসা সেকুলার রাষ্ট্রের তোপে পড়লে অন্যান্য ছোটদের এগিয়ে নিবো। এভাবে আমাদের কাজগুলো এগিয়ে নিতে হবে।

ইনানীর মুগ্ধতা অনেকদিন থেকে যাবে মনে!
ইনানীর মুগ্ধতা অনেকদিন থেকে যাবে মনে!

দার সংক্রান্ত বইটিতে কী আছে, তা জানতে এই প্র-রিভিউটি পড়ুন। . এখানে একটি বিষয় মনে রাখবেন, রিভিউদাতা বইটি পড়ার পর মূল বইতে আরো প্রায় অসংখ্য টিকা যুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো আমার দৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিভিউদাতা সেগুলো দেখলে আশা করি আরো বেশি মুগ্ধ হতো। https://www.facebook.com/share/p/19Yb1fRiAQ/

বইটা আসলে আরো বেশি থেকে বেশি মানুষের কাছে পৌছানো উচিত! কিন্তু সীমাবদ্ধতার কারণে তা পারি না। ইনশাআল্লাহ আল্লাহই ব্যবস্থা করে দ
বইটা আসলে আরো বেশি থেকে বেশি মানুষের কাছে পৌছানো উচিত! কিন্তু সীমাবদ্ধতার কারণে তা পারি না। ইনশাআল্লাহ আল্লাহই ব্যবস্থা করে দিবেন।