ru
Feedback
Redwan Rawaha

Redwan Rawaha

Открыть в Telegram

লেখালেখি কলমের যতো আয়োজন তা দিয়ে হই যেনো প্রভুর প্রিয়জন

Больше
826
Подписчики
-124 часа
+17 дней
Нет данных30 дней

Загрузка данных...

Облако тегов
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Входящие и исходящие упоминания
---
---
---
---
---
---
Привлечение подписчиков
сентябрь '26
сентябрь '26
+10
в 0 каналах
август '26
+3
в 0 каналах
Get PRO
июль '26
+2
в 0 каналах
Get PRO
июнь '260
в 0 каналах
Get PRO
май '26
+5
в 0 каналах
Get PRO
апрель '26
+8
в 0 каналах
Get PRO
март '26
+8
в 0 каналах
Get PRO
февраль '26
+57
в 0 каналах
Get PRO
январь '26
+20
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '25
+10
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '25
+15
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '25
+13
в 0 каналах
Get PRO
август '25
+5
в 0 каналах
Get PRO
июль '25
+3
в 0 каналах
Get PRO
июнь '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
май '25
+13
в 0 каналах
Get PRO
апрель '25
+10
в 1 каналах
Get PRO
март '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
февраль '25
+13
в 0 каналах
Get PRO
январь '25
+14
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '24
+15
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '24
+26
в 1 каналах
Get PRO
октябрь '24
+10
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '24
+20
в 0 каналах
Get PRO
август '24
+59
в 0 каналах
Get PRO
июль '24
+29
в 1 каналах
Get PRO
июнь '24
+32
в 0 каналах
Get PRO
май '24
+42
в 0 каналах
Get PRO
апрель '24
+34
в 0 каналах
Get PRO
март '24
+34
в 0 каналах
Get PRO
февраль '24
+56
в 0 каналах
Get PRO
январь '24
+68
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '23
+85
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '23
+55
в 1 каналах
Get PRO
октябрь '23
+109
в 1 каналах
Get PRO
сентябрь '23
+15
в 0 каналах
Get PRO
август '23
+20
в 0 каналах
Get PRO
июль '23
+14
в 0 каналах
Get PRO
июнь '23
+8
в 0 каналах
Get PRO
май '23
+20
в 0 каналах
Get PRO
апрель '23
+9
в 0 каналах
Get PRO
март '23
+25
в 0 каналах
Get PRO
февраль '23
+12
в 0 каналах
Get PRO
январь '23
+14
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '22
+10
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '22
+4
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '22
+15
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '22
+16
в 0 каналах
Get PRO
август '22
+42
в 0 каналах
Get PRO
июль '22
+52
в 0 каналах
Get PRO
июнь '22
+22
в 0 каналах
Get PRO
май '22
+22
в 0 каналах
Get PRO
апрель '22
+13
в 0 каналах
Get PRO
март '22
+51
в 0 каналах
Get PRO
февраль '22
+26
в 0 каналах
Get PRO
январь '22
+21
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '21
+27
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '21
+14
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '21
+35
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '21
+36
в 0 каналах
Get PRO
август '21
+254
в 0 каналах
Дата
Привлечение подписчиков
Упоминания
Каналы
22 сентября0
21 сентября0
20 сентября0
19 сентября0
18 сентября+1
17 сентября+1
16 сентября+1
15 сентября0
14 сентября+2
13 сентября+1
12 сентября0
11 сентября0
10 сентября0
09 сентября0
08 сентября0
07 сентября+1
06 сентября+1
05 сентября+1
04 сентября0
03 сентября0
02 сентября+1
01 сентября0
Посты канала
নেতৃত্বের সীমা কিছু কিছু জায়গায় জামায়াত-শিবিরের ভাইদের মধ্যে একটি অদ্ভুত প্রবণতা চোখে পড়ে। বিশেষ করে সালাত, তিলাওয়াত আর ইমামতির ক্ষেত্রে। যেমন, সংগঠনের বড় নেতা হলেই নামাজের সময় সামনে গিয়ে দাঁড়ানোটা যেন তাঁর স্বাভাবিক অধিকার! অথচ সালাতের কাতারে সামনে দাঁড়ানো পদ-পদবির বিষয় নয়; এখানে যোগ্যতা, তিলাওয়াতের শুদ্ধতা এবং আমলের আমানতদারিতাই আগে বিবেচনার বিষয়। এখানে সামনে দাঁড়ানোর আগে অন্তত এটুকু দেখা দরকার—আপনার চেয়ে ভালো কুরআন জানেন, শুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করতে পারেন, এমন কেউ আপনার পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন কি না! আপনি হয়তো সংগঠন পরিচালনায় দক্ষ। ডিসিশন মেকিংয়ে যোগ্য। মানুষ সংগঠিত করতে পারেন, কর্মীদের পরিচালনা করতে পারেন, কঠিন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। নেতৃত্বের এসব গুণ অবশ্যই মূল্যবান। কিন্তু ভাই, ফরজ সালাতের ইমামতি আর সংগঠন পরিচালনা তো এক জিনিস নয়। যদিও খুব বেশি জটিল বিষয়ও নয়। কিন্তু, এখানে যদি আপনার চেয়ে অধিকতর উত্তম কেউ থাকে, সেখানে কি তাকেই প্রাধান্য দেওয়া উচিত না? দীর্ঘ ষোলো বছর রমাদানে তারাবিহর সালাতে খতমে কুরআন সম্পন্ন করার ইমামতি করার পরও ফরজ সালাতে সামনে যাওয়ার ব্যাপারে আমি সাধারণত খুব একটা স্বস্তি বোধ করি না। আগ্রহও হয় না। বরং চেষ্টা করি পেছনে মুক্তাদি হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে। ভাবি— আমার সামনে অবশ্য আমার চেয়ে মুত্তাকি, ভালো তিলাওয়াতের অধিকারী কেউ না কেউ আছেন। কিন্তু পেছনে দাঁড়িয়ে যখন কারো কারো তিলাওয়াত শুনি, তখন সত্যিই মন খারাপ হয়ে যায়। খুবই খারাপ হয়ে যায়। মন চায় নামাজ ছেড়ে দিয়ে চলে যাই। কিংবা জামাটা টেনে পেছনে নিয়ে আসি। মদ ঠিক নেই। মাখরাজ ঠিক নেই। তিলাওয়াতের একেবারে বেসিক শুদ্ধতাটুকুও ঠিক নেই। অথচ হনহন করে সামনে দাঁড়িয়ে যান। কোনো সংকোচ নেই, কোনো দ্বিধা নেই। কারণ তিনি নেতা। এটা যেন তাঁর অধিকার! এমনকি মূল আন্দোলনের নেতাদের চেয়েও মাঝেমধ্যে পাতিনেতা কিংবা ছাত্রনেতাদের মধ্যে এই প্রবণতা আরও বেশি চোখে পড়ে। এমন মানুষও দেখি— যিনি কোনো একসময় ছাত্র আন্দোলনের কোনো এক হোমরাচোমরা ছিলেন, সংগঠনের পুরোনো পদ-পদবির একটা ভার আছে। সেই ভার যেন নামাজের কাতারেও সঙ্গে চলে আসে। নিজের তিলাওয়াত নিয়ে ওভারকনফিডেন্সের কারণে একেবারে সামনে গিয়ে হাজির! অথচ পেছনে হয়তো এক বা একাধিক হাফেজে কুরআন দাঁড়িয়ে আছেন। হয়তো হাদিস, ফিকহ কিংবা কুরআনের ইলমে অভিজ্ঞ কোনো একজন আলিম দাঁড়িয়ে আছেন। অর্থাৎ এমন কেউ দাঁড়িয়ে আছেন, যিনি আপনার চেয়ে অনেক ভালো কুরআন পড়েন। দাঁড়াতে গেলে চোখ-কান খোলা রেখেই সামনে দাঁড়ান। সামনে দাঁড়ানোর এত তাড়া কেন? যার স্টেক, তারেই দেন না! সমস্যা কী? যে কুরআন ভালো জানেন, তাঁকে ইমামতি করতে দিন। আপনি পেছনেই দাঁড়ান। এতে তো আপনি ছোটো হয়ে যাবেন না। আপনার নেতৃত্ব ছোট হবে না। কর্তৃত্ব খর্ব হবে না। বরং আপনি যে সত্যিকারের নেতা— সেটাই প্রকাশিত হবে। আরও স্পষ্ট হবে। ইসলামি আন্দোলন করবেন, সংগঠন করবেন, নেতৃত্ব দেবেন, এ সবে সময় দেবেন— অবশ্যই। কিন্তু নিজের তিলাওয়াতের বেসিকটুকু ঠিক করার জন্যও তোসময় বের করতে হবে। তাই না? মদ-মাখরাজ ঠিক করবেন। কুরআন শুদ্ধ করে পড়বেন। নিয়মিত পড়বেন। কারণ ইসলামি আন্দোলনের কর্মী হয়ে কুরআনের তিলাওয়াতটাই যদি শুদ্ধ না হয়, বিষয়টা সত্যিই বেমানান লাগে। আর একটা কথা— সব জায়গায় কিন্তু নেতা হতে হয় না। সব জায়গায় এগিয়ে যেতে হয় না। সব সময় নিজেকে জাহির করার আকাঙ্ক্ষাটাও কিন্তু ভালো নয়, খারাপ। ভীষণ খারাপ। কখন সামনে দাঁড়াতে হবে, আর কখন যোগ্য কাউকে সামনে দাঁড় করিয়ে নিজে পেছনে থাকতে হবে— এই বোধটুকুও নেতৃত্বেরই অংশ। বিশেষ করে নামাজের কাতারে এই বোধটুকু আরও শক্তিশালী হওয়া চাই। আপনি এমন একজনের সামনে ইমামতি করবেন, যার কুরআন তিলাওয়াত আপনার চেয়ে কম শুদ্ধ। এমন একজনের সামনে দাঁড়াবেন, যিনি কুরআন-হাদিস-ফিকহের ইলমে আপনার চেয়ে কম জানেন। এই জায়গাটুকু একটু খেয়াল করা দরকার। কথাগুলো শুনতে হয়তো খারাপ লাগবে। কিন্তু এগুলো কাউকে ছোট করার কথা নয়। এগুলো বেসিক ম্যানারের অংশ। সালাতের আদব, ইলমের আদব এবং সামাজিক শিষ্টাচারের অংশ। কোনো সদ্য নেতা কিংবা সাবেক কোনো হোমরাচোমরা ভাই—যাদের মধ্যে এই বদ অভ্যাস বা অতি-উৎসাহটা আছে— মেহেরবানি করে রাগ করবেন না প্লিজ! এটা মন খারাপ করার বিষয় নয়। রাগ করারও বিষয় নয়। সচেতন হওয়ার বিষয়। শেখার বিষয়। আর শেষ পর্যন্ত—আমল করার বিষয়। ~রেদওয়ান রাওয়াহা

2
জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে আমরা তখন কিছু বলিনি। এটা জামায়াতের বিষয়, জামায়াতই সেটাকে হ্যান্ডেল করেছে। কিন্তু তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এখন বিবেকের তাড়নায় কিছু কথা বলা প্রয়োজন মনে করছি। এই মেয়েটির মৃত্যুর পেছনে বিএনপির অ্যাক্টিভিস্ট এবং ইসলামবিদ্বেষী কিছু মিডিয়ার দায় রয়েছে। গাজী নজরুল ইসলাম তাঁর নাতনির বয়সী একটি মেয়েকে বিয়ে করেছেন। এটা সামাজিকভাবে ভালোভাবে দেখা হয়নি। এ কারণেই জামায়াত তাঁকে বহিষ্কার করেছে। কিন্তু বিএনপির বর্বর কর্মীরা এবং কিছু মিডিয়া এটাকে নিয়ে যে ধরনের নোংরা প্রচারণা চালিয়েছে, তা অতীতের সকল নোংরামিকে হার মানিয়েছে। শুধু তিনি জামায়াতের এমপি ছিলেন বলেই যদি তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ করতে হয়, তাহলে তাঁর নাম উল্লেখ করলেই তো হতো। একটি মেয়ের ব্যক্তিগত জীবন, ছবি, পরিচয় ও বায়োডাটা নিয়ে নোংরামি করার প্রয়োজনটা কোথায়? রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে একজন নারীকে সামাজিকভাবে হেয় করার এই সংস্কৃতি কেন? একজন প্রাপ্তবয়স্কা নারী যদি কাউকে বিয়ে করে এবং তার পরিবারও এতে অভিযোগ না করে, তাহলে রাজনৈতিক কর্মী ও মিডিয়ার লোকজনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এমন নোংরা প্রচারণা চালানোর অধিকার কোথা থেকে আসে? অথচ বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে একের পর এক অশ্লীল ভিডিও, নারী কেলেঙ্কারি ও নারী নেত্রীদের বাচ্চা মেয়ে সাপ্লাই দেয়ার সংবাদ সামনে এলেও সেগুলো নিয়ে কোন ধরনের হৈচৈ দেখা যায় না। বরং অভিযোগ থাকা ব্যক্তিরাই কখনো কখনো গুরুত্বপূর্ণ পদ-পদবি পায়। তাহলে একজন ব্যক্তির দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে এত গাত্রদাহ কেন? নিঃসন্দেহে, ওই মেয়েটা বিএনপি ও মিডিয়ার নোংরামি সহ্য করতে না পেরেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। বিএনপি বাংলাদেশের জন্য এক অভিশাপ। তাদের নোংরা রাজনীতি থেকে কোনো মানুষই যেন রেহাই পাচ্ছে না। তারা মানুষকে সুস্থভাবে বাঁচতেও দেবে না! এই মৃত্যুর দায় থেকে বিএনপি ও তাদের সহযোগী নোংরা মিডিয়া প্রচার কোনোভাবেই মুক্তি পেতে পারে না। মোল্লা খালিদ সাইফুল্লাহ
68
3
গাজী নজরুল দ্বিতীয় বিয়ে করে কোনো ধরনের ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইনের লঙ্ঘন করেননি। কোনো ধরনের অপরাধও করেননি। অথচ জামায়াতের প্রতি বিদ্বেষ থেকে তাকে তো হেনস্তা করা হয়েছেই—সেই সঙ্গে হেনস্তা করা হয়েছে এমন একজন অল্পবয়স্ক তরুণীকেও, যার জীবনটা এখন পর্যন্ত শুরুও করা হয়নি। শুরুর আগেই তাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। একেবারে দুনিয়া থেকেই চিরবিদায় করে দেওয়া হয়েছে। গাজী নজরুল তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে যদি কোনো অন্যায় করে থাকেন কিংবা করেছেন, সেটার শাস্তি পেয়েছেন। সামনে আরও পাবেন। জামায়াতও দল হিসেবে এমন লাগামহীন মানুষকে দেশ ও দলের দায়িত্ব দেওয়ার আগে যথাযথভাবে খোঁজখবর না নেওয়ায় অন্যায় করেছে। জামায়াতও সেটার শাস্তি পেয়েছে কিংবা সামনে আরও পাবে। কিন্তু দিন শেষে মেয়েটি তো কোনো অন্যায় করেনি। অভাবী ঘরের মেয়ে। মেয়েটির জীবন এবং ইজ্জত— সবকিছুই ধুলোয় ধূসরিত করে দেওয়া হলো। আজকে এই পৃথিবী থেকে সে চিরতরে এই কালপ্রিটদের জন্য হারিয়ে গেল। আসলে এ দেশের গাণ্ডুরা ইসলাম কিংবা রাজনৈতিক বিরোধিতা বলতে বুঝে মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে ঢুকে তার ব্যক্তিগত পাপকে জনসম্মুখে প্রচার করার মধ্যে। ইসলাম কিংবা রাজনৈতিক বিরোধিতা বলতে এ দেশের মুসলিম কিংবা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী নামধারী কুকুররা বুঝে— বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় গিয়ে মব করার মধ্যে। ইসলাম কিংবা রাজনৈতিক বিরোধিতা বলতে এরা বুঝে— কার সঙ্গে কে চ্যাট করছে, কার সঙ্গে কে শুয়েছে, সেসব নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করার মধ্যে। এক কথায়, এসব অসভ্যের দল মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ভুল, পাপ এবং বিচ্যুতিগুলোকে জনপরিসরে ছড়িয়ে দেওয়াকেই ধর্ম কিংবা রাজনীতি হিসেবে বুঝে। জীবনে পশ্চিম দিকে ফিরে আছাড় খায়নি, সারাদিন পর্নোগ্রাফি নিয়ে পড়ে থাকে, অসংখ্য মেয়ের পেছনে কুকুরের মতো পড়ে থাকে, মানুষের হক মেরে খায়, চুরি-ডাকাতি— সবকিছুই করে, কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, বাবা-মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে, গোপনে মাদক ব্যবসা করে, দেখা যাবে পতিতালয়ের ব্যবসাও করে— এমন নির্মম ইবনুল খিনজিররাও মানুষের ব্যক্তিগত পাপ সমাজ ও জনপরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার মধ্যে এক অদ্ভুত তৃপ্তি খুঁজে পায়। কিন্তু কোনো মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ভুল, পাপ কিংবা বিচ্যুতি প্রকাশ্যে ছড়িয়ে দেওয়া আর তার প্রকাশ্য অন্যায় বা অপরাধের জবাবদিহি নিশ্চিত করা— এই দুটো কি এক বিষয়? এক বিষয় না তো! অন্যায় হলে তার বিচার হবে। অপরাধ হলে আইনের অধীনে শাস্তি হবে। রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার হলে তারও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন ভুল করলে তার সমালোচনাও হতে পারে। কিন্তু সেই জবাবদিহির নামে এমন একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবনকে জনসমক্ষে টেনে এনে, তাঁর সঙ্গে জড়িত এমন একজন মানুষের জীবন ও মর্যাদাকেও ধ্বংস করে দেওয়া— যার নিজের কোনো অপরাধ নেই— সেটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যেতে পারে না। ধর্ম, নৈতিকতা কিংবা রাজনৈতিক বিরোধিতার নামে মানুষের ব্যক্তিগত জীবনকে উন্মুক্ত করে দেওয়া— এটা না দ্বীন সমর্থন করে আর না রাজনীতির দর্শন সাপোর্ট করে! অথচ এদেশের মানুষ ধর্ম কিংবা রাজনৈতিক এক্টিভিটি বলতে এর বাইরে চিন্তাও করতে পারে না। মানুষের ভুলের বিচার হোক, অপরাধের বিচার হোক, ক্ষমতার অপব্যবহারের বিচার হোক— কিন্তু নিরপরাধ মানুষের জীবন, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ কেন সেই বিচারের বলি হতে হয়? যে সমস্ত অসভ্যের দল এই জঘন্য কাজটি দিনের পর দিন করে গেছে, তাদের বিচার কে করবে? যদি গাজী নজরুলই মেয়েটিকে মেরে ফেলে থাকে, তবে গাজী নজরুলের বিচারের পাশাপাশি যারা মেয়েটির জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে, তাদেরও বিচার হওয়া উচিৎ। এদের ছাড় দেওয়া মানে এই ধরনের অন্যায়গুলো প্রশ্রয় দেওয়া। ~রেদওয়ান রাওয়াহা
64
4
পাকিস্তান আমাদের মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চেয়েছিল, জিন্নাহ উর্দু চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল, জিন্নাহ বাঙালির সাথে জুলম করেছিল; এসব হলো উগ্র সেক্যুলার বাঙালিদের কয়েকটি টনটনে মিথ্যা কথা। অথচ পাকিস্তান কিংবা জিন্নাহ, কারো মাতৃভাষাই কেড়ে নিতে চাননি। আজকে যেগুলো নিয়ে বিতর্ক উঠছে, সেগুলো আমরা ঘনঘোর ফ্যাসিবাদী আমলেও লিখে এসেছি— ফেসবুকে, ব্লগে এবং বিভিন্ন ম্যাগাজিনে। জিন্নাহ কিংবা পাকিস্তান কি আসলেই আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল কি না, সে ব্যাপারে বিস্তারিত একটা আর্টিকেল লিখছিলাম। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ থেকে প্রকাশিত দ্বিমাসিক আলোর দ্বীপে সেটা প্রকাশিতও হয়েছিল। লিংকটি দিলাম। পবিত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপবিত্র ডিপার্ট্মেন্টের পবিত্র আদু ভাই আবু তৈয়ব হাবিলদারকে লিংকটি কেউ পাঠিয়ে দিয়েন। https://aamarangina.blogspot.com/2023/02/blog-post_21.html?m=1
152
5
হলিক্রস কলেজে অনিমেষ সাহা নামের এক শিক্ষক একাধিক ছাত্রীর সাথে অবৈধ ফিজিক্যাল রিলেশন করছে। এক ছাত্রী গর্ভবতী হওয়ার পর বিষয়টা ফাঁস হয়েছে। মজার বিষয় হচ্ছে, উনি হিন্দু। যতগুলো মেয়ের সাথে ফিজিক্যালি ইনভলভ হয়েছেন, সবাই মুসলমান! এমনকি প্রেগন্যান্ট হয়ে যাওয়া মেয়েটাও মুসলমান। তিনি বিবাহিত, বউ আছে এবং ৩টা বাচ্চাও আছে। আবার বয়স ৫০+। অথচ, এই ঘটনা নিয়ে মিডিয়ায় কোনো আলোচনাই নেই। সুশীল সমাজ মুখে কলা দিয়ে বসে আছে। রাতদিন মাদ্রাসা নিয়ে কনসার্ন শো করা শিক্ষিত পাপীটাও পর্যন্ত নেপালি বিগ সাইজ কলা মুখে নিয়ে অন্ধের ভান করে আছে। এই ঘটনা যদি কোনো মাদ্রাসায় হতো, এতক্ষণে মিডিয়া, সুশীল সমাজ, শিক্ষিত এমসি সবাই মিলে হইচই শুরু করত। অথচ হলিক্রসও কিন্তু ধর্মীয় গোষ্ঠীই চালায়। এই ব্যাপারে চার্চের ধর্মীয় গুরুরাও আকাশসমান নীরবতা পালন করছে। অথচ তারা নিয়ম করেছে, কোনো মেয়ে হালালভাবে বিয়ে করা থাকলে সেখানে ভর্তি আবেদনই করতে পারবে না। দেশের কোথাও মেয়েরা নিরাপদ না, মেয়েদের স্বাধীনতা নেই, বলা ওই সচেতন সমাজ, যারা মেয়েদের রাস্তায় নিয়ে নাচাতে চায়, তাদের ওই পাড়ায় কিন্তু এখন চুপচাপ! কারণ এখন মেয়েদের অধিকার আদায় হচ্ছে সুশীলভাবেই। ~তানজিদুর রহমান
205
6
আমাদের অঙ্গনে কিছু ভাইবোন আছেন, যারা শাইখ ইউসুফ আল-কারজাভিকে প্রায় নবীর পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। দুনিয়ার অধিকাংশ আলিম যদি একদিকে থাকেন, আর শাইখ কারজাভি যদি থাকেন অন্যদিকে— তাহলে এরা সম্ভবত কারজাভির মতটাই গ্রহণ করবেন। এমনকি সংখ্যাগরিষ্ঠ আলিমের মতের বিপক্ষে গিয়ে হলেও। শুধু সম্ভাবনাই বা বলি কেন, বাস্তবেই এটি ঘটছে। তবে একটু গভীরভাবে খেয়াল করলে বোঝা যায়, সমস্যাটা কেবল শাইখ কারজাভিকে ঘিরে নয়। আসল ব্যাপারটা আরও গভীরে। তারা আসলে নিজের চাওয়া, কিংবা নিজের মনকেই শরিয়ত বানিয়ে ফেলতে চান। তাদের নফসের ঔদ্ধত্য চাহিদার জোগানদাতা হিসেবে ড. কারজাভি সেখানে স্রেফ এক অবলম্বন মাত্র! মজার ব্যাপার হলো, কারজাভি যেই দুয়েকটা ব্যাপারে তুলনামূলক রক্ষনশীল, সেসব জায়গায় কিন্তু আবার তাদের দেখা পাওয়া যায় না। সেখানে তারা খুব একটা আগ্রহীও নন। যেমন, সেক্যুলার ব্যবস্থা নিয়ে কারজাভি আমৃত্যু কঠোর ছিলেন। কিন্তু তারা সেক্যুলার ব্যবস্থার সাথে যেটুকু বাস্তবতার জন্য আপস করতে হয় বাধ্য হয়, তারচেয়েও বেশি আপসকামী হবার জন্য রেডি থাকেন। আবার অন্যান্য ক্ষেত্রে কারজাভি যেটুকু শিথিলতা অবলম্বন করেছেন, তারা ওটার চেয়ে আরও বেশি শিথিলতা অবলম্বন করতে এক পায়ে খাড়া হয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে সাম্প্রতিক মিউজিক বিতর্ককে উদাহরণ হিসেবে সামনে রাখা যায়। কারজাভি মিউজিক নিয়ে যা বলেছেন, যে শর্তাদি দিয়েছেন, তারা সেটুকুও মানছেন না ঠিক। বরং "মিউজিক জায়েজ"— কারজাভি বলেছেন, এটার জন্যই কেবল ওনার কথা সামনে আনেন। তারা শরিয়ত অনুসরণ করার জন্যই যে কারজাভিকে হাজির করেন, অনেকের ক্ষেত্রে এটি পরিপূর্ণ সত্যি নয় বলেই মনে করি। মোটের ওপর তাদের আগ্রহ অন্য জায়গায়— শরিয়তের বিভিন্ন বিষয়াদিতে কোথায় কিংবা কার কাছে একটু বেশিই ছাড় পাওয়া যায়, সেটা খুঁজে বের করা। যেখানে আর যার কাছে ছাড় একটু বেশি পাবেন, সেখানেই তারা হুড়মুড় করে চলে যাবেন, এমনটাই হয়ে থাকে তাদের অবস্থান। আমি প্রায়শই একটা কথা বলি। আজকের দুনিয়ায় আমরা মানুষ হিসেবে, কিংবা মুসলিম হিসেবে— ভুল করি না, এমন কেউ কি আছি এই দুনিয়ায়? আমাদের মধ্যে পাপ কার হয় না? কে গুনাহ থেকে মুক্ত আছি? ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায়, শরিয়ত লঙ্ঘন করি না, এমন কেউ কি আছে আমাদের মধ্যে? আমরা কেউই ফেরেশতা নই। সবারই পাপ হয়। ভুল হয়। অন্যায়ও হয়। কিন্তু আমি শরিয়তের কোনো একটি বিধান মানতে পারি না— এই কারণে কি উম্মতের আলিমদের মধ্য থেকে এমন কাউকে খুঁজে বের করতে হবে, যিনি আমার মনের মতো করে সেই বিধানটা সাজিয়ে দেবেন? কিংবা ইলমুল ফিকহ থেকে কি এমন বিধান ঘেটে ঘেটে বের করতে হবে, যে বিধান আমার ব্যক্তিগত চাওয়ার সাথে অথবা আমার দুর্বলতার সাথে মিলে যায়? ভাই, আমরা ভুল কিংবা অন্যায় করছি অথবা করি, করেন না! কিন্তু ভুলের গায়ে শরিয়তের পোশাক পরাতে হবে কেন? যদি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যাপারটা এমন হয়, তাহলে আমি ডাবল গুনাহের অধিকারী হচ্ছি। এমনটা চালিয়ে যেতে থাকলে একসময় দ্বীন-শরিয়ত বলে আর কিছুই থাকবে না। থাকবে শুধু আমাদের মন, আর সেই মনের অদ্ভুত সব আকাঙ্ক্ষা। এরপর আমরা যার যেভাবে ইচ্ছা, সেভাবেই দ্বীনকে একটু একটু করে সাজিয়ে নেব। শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে, ইসলাম আছে ঠিকই— কিন্তু তার মধ্যে আমাদের নিজেদের ইচ্ছাটাই সবচেয়ে বড় হয়ে বসে আছে, আল্লাহ এবং তার রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ইচ্ছে নয়। নিজের ভুলকে ভুল ভাবার মধ্যে, নিজের দুর্বলতাকে স্বীকার করে নেওয়ার ভেতর ভবিষ্যতে সংশোধন হওয়ার সুযোগ থাকে। ভুলকে ভুল মেনে ক্ষমা চাওয়ায় মুক্তি আছে, কিন্তু ফতোয়া দিয়ে সেই ভুলকে 'সঠিক' প্রমাণের চেষ্টার মধ্যে ঘোরতোর বিপদের গন্ধ ছাড়া আর কিছুই নেই। একটা সময় এই বিপদের অবস্থা এমনই হতে পারে, তখন হয়তো ঈমানই থাকবে না। মানে আমরা কী করছি, বুঝতে পারছি? আমাদের এমন কাজের কারণে আল্টিমেটলি ঈমান হারানোরই ঝুঁকি আছে। আমাদের মন ও আসমানি শরিয়ত ~রেদওয়ান রাওয়াহা
201
7
অল্প বয়সে নেতৃত্ব দিয়েছেন এমন সাহাবায়ে কেরাম ১. উসামা ইবনে যায়েদ রা.। রোমানদের বিরুদ্ধে সেনাপতি নিযুক্ত হন মাত্র ১৮ বছর বয়সে। ২. মু‘আয ইবনে জাবাল (রা.) ইয়েমেনে গভর্নর ও বিচারক নিযুক্ত হন ২০ বছর বয়সে৷ ৩. মু‘আয ইবনে আমর (রা.) বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন ও নেতৃত্ব দেন ১৪–১৬ বছর বয়সে। ৪. মু‘আউইয ইবনে আমর (রা.) বদর যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ভূমিকা পালন করেন ১৩–১৬ বছর বয়সে। ৫. আলী ইবনে আবি তালিব (রা.) বদর যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ২৪ বছর বয়সে। ৬. আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) সাহাবিদের মধ্যে অন্যতম প্রধান আলেম ও মুফাসসির হয়ে যান মাত্র ২০ বছর বয়সে। ৭. আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) ২০/২১ বছর বয়সেই হাদিস, ফিকহ ও ফতোয়ার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেন। ৮. জায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) ওহি লেখক; পরবর্তীতে কুরআন সংকলনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন ১৬-১৮ বছর বয়সে। ৯. আরকাম ইবনে আবিল আরকাম (রা.) মক্কায় দাওয়াতের প্রাথমিক পর্যায়ে তাঁর ঘরকে কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ দেন। তার বয়স তখন ২০-এর কাছাকাছি। ১০ . আবু জার আল-গিফারি (রা.) প্রাথমিক পর্যায়ের সাহাবি; প্রকাশ্যে তাওহিদের দাওয়াত দেওয়ার সাহসী ভূমিকা পালন করেন ১৬-১৯ বছর বয়সে। বয়স গুরুত্বপূর্ণ না, কাজ গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত নিজ নিজ ক্ষেত্রে কাজ করে যাওয়া।
737
8
বিয়ে মানে যদি ভাবেন শুধুই ভালোবাসা, সেক্স আর খুনশুটি তা হলে মারাত্মক ভুল করছেন। সংসারে ঢোকার সাথে সাথে খরচ বাড়বে। কোনো কোনো রাতে ঘুম হবে না। ক্লান্ত যাবে পরের দিন। স্বামী-স্ত্রীতে খিটিমিটি হবে। শ্বশুরবাড়ির ঝুটঝামেলাও পোহাতে হবে। কোনো কোনো দিন তো এমন হবে, ওর চেহারাটা দেখলেও বিষ লাগবে। কখনো কখনো কথাও বন্ধ থাকবে। রোমান্স সব দিন একরকম থাকবে না। কথা কাটাকাটি হবে। শুধু আনন্দের দিনের স্বপ্ন দেখে বিয়ে করলে কষ্টের দিনগুলিতে একদম ভেঙে যাবেন। যদি লিড করতে চান, সংসার গড়তে চান, তবেই বিয়ে করুন। সম্পর্কে একে অপরকে সহ্য করার মানসিকতা রাখুন। মাফ করতে রেডি থাকুন। হানিমুন পিরিয়ড ছোটই হয়। সারা জীবন ওরকম থাকে না। ~মাসুদ শরিফ
177
9
'নজর বলে কিছু নেই, এসব গ্রাম্য কথা।' এভাবে কথাটা আমরা এড়িয়ে গেলেও আধুনিক বিজ্ঞান এসে এ বিষয়ে যেসব আলাপ দিচ্ছে সেসব নিয়ে ইসলামে ১৪০০ বছর আগেই সতর্ক করা হয়েছিলো! বিজ্ঞান বলে, মানুষের চোখ শুধু দেখার কাজ করেনা, এই চোখের সাথে জড়িত থাকে মস্তিষ্কের ইনটেনশনাল সিগন্যাল। এর মানে কারও দিকে তাকানোর সময় যদি সেই চোখে হিংসা, ঈর্ষা, লোভ এবং ক্ষোভ থাকে তবে এই অনুভূতিগুলো ব্রেইনের Amygdala ও Hypothalamus থেকে শক্তিশালী সিগন্যাল তৈরি করে। এতে শরীরে কর্টিসল ও এড্রেনাইল বেড়ে যায় যাতে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নজর দেওয়া মানুষটি মাথাব্যথা, বুকে চাপ, অকারণ ভয় এবং ক্লান্তি এসব সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে। এটা কল্পনা নয়, এটি হলো Measured Hormonal Response। এমন ঘটনাকে বিজ্ঞান বলে Social Evaluative Threat Response। মানে হলো কারো দৃষ্টি বা নজর যখন আপনার অস্তিত্বকে 'Threat' হিসেবে নেয় শরীর সেটাকে তখন আঘাত হিসেবে বিবেচনা করে। কারো ওপর দীর্ঘ সময় Negative Attention পড়লে তার শরীরে স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়। এতে তার ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়, মন খারাপ হয় এটাকে বিজ্ঞান বলে 'Nocebo Effect'। শরীর এসময়ে 'Fight or Flight' মোডে চলে যায়। মানুষ বলে,'কেমন যেন লাগছে'। এটাই নজরের Biological Signature। Nocebo Effect হচ্ছে নজরের বৈজ্ঞানিক নাম। বিজ্ঞানে Placebo কাজ করে বিশ্বাস অংশে এবং Nocebo কাজ করে নেতিবাচক কোন কিছু চাওয়ার জায়গা নিয়ে। আমার রাসূল সা, বলেছেন,'আল আয়নু হাক্ক' এর মানে,'নজর সত্য।' তিনি আরও বলেছেন,'নজর মানুষকে কবর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারে।' পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন,'হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।' (সূরা ফালাক) নজর মানে শুধু চোখ নয়, নজর মানে কখনো হিংসা রাগ এবং বাজে দৃষ্টি। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন,'একবার এক সাহাবি শক্তিশালী, সুস্থ একজন মানুষের দিকে প্রশংসার দৃষ্টিতে তাকালেন। কিছুক্ষণ পর সে লোকটি হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল।' তখন আমার রাসূল বললেন,'তোমরা কেন তোমাদের ভাইয়ের জন্য বরকত চাও না?' এরপর তাকে দোয়া পড়তে বলা হলো। ইচ্ছাকৃত ক্ষতি নয়, অনেক সময়ে অতিরিক্ত প্রশংসাও নজর হতে পারে। অনেক পশু আছে যারা শিকারকে আক্রমণ করার আগে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। এই দৃষ্টিই শিকারের শরীরে প্যারালাইসিস-জাতীয় প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। বিজ্ঞানে একে বলে Predatory Gaze Effect। এতে শিকারের নার্ভ সিস্টেম freeze হয়, Heart rate অনিয়ন্ত্রিত হয় এবং Muscle response কমে যায়। মানুষ সেই প্রাণীরই উন্নত সংস্করণ। নজর মানে অলৌকিক গল্প নয়, এটা সত্য। তথ্য উপাত্ত, জীবনের নানান ঘটনা দেখে মনে হয় নজর, বদনজর এসবকে এড়িয়ে যাবার উপায় নেই। আপনার জীবনে নজর নিয়ে ঘটনা আছে? নজর আসলেই আছে বলে মানেন? লিখেছেন ~কিঙ্কর আহসান
153
10
``আমাদের মেয়েরা, আমাদের ব্যর্থতা`` মেয়েটি দেখতেও দারুণ। মনে হচ্ছে, পরিবারও ভালো। কমবেশি স্বচ্ছলও। জন্মও মুসলিম পরিবারে। মাত্র এসএসসি পরীক্ষা শেষ করেছে। কিন্তু সে বাবা-মা, ঘরবাড়ি—সব ছেড়ে চলে এসেছে এমন এক ছেলের কাছে, যে দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত। যে বড় হয়েছে একেবারেই নিঃস্ব অবস্থায়। যার বেড়ে ওঠা চায়ের দোকানের বাস্তবতায়, যার জীবনে নিরাপত্তা বা স্বাচ্ছন্দ্যের চেয়ে সংকটঅ বেশি। শিক্ষার চেয়ে মূর্খতাই বেশি— ইনফ্যাক্ট, প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষাই নেই। যার থাকার মতো একটি ঘর নেই, নিজস্ব নিরাপদ কোনো আশ্রয় নেই। থাকে মন্দিরে। চা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে।কালি-কলমের সঙ্গেও যার কোনো সম্পর্ক নেই। সর্বোপরি, ছেলেটা অমুসলিম। টাটকা মুশরিক। আল্লাহর দ্বীনের সাথে শিরককারী। এমন একটা ছেলের জন্যই কি না দেশের একপ্রান্ত আরেক প্রান্তে ছুটে এসেছে সে! স্থানীয় জনতা যখন ওদের আটক করল, তখন ছেলেটি বারবার ইতস্তত করছিল, সাহস হারাচ্ছিল। তখন অন্যপাশ থেকে মেয়েটি বারবার তার হাত ধরে, চোখের চাহনিতে তাকে সাহস জোগাচ্ছিল, শক্তি দিচ্ছিল। মানুষ ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কীভাবে তাকে বিয়ে করবে? তুমি এক ধর্মের, সে অন্য ধর্মের।” আরও জিজ্ঞেস করল, “তুমি কি মুসলিম হবে?” ছেলেটি চুপচাপ। কোনো জবাব নেই। সে সম্ভবত মনে মনে এটাই ভাবছিল— "একটা মেয়ের জন্য কেন আমি আমার ধর্মত্যাগ করব?" সে যাই হোক, তাকে দেখেই বোঝাই যাচ্ছিল, একজন মুশরিক তার ভ্রান্ত ধর্মের ওপর পাহাড়ের মতো অটল-অবিচল হয়ে থাকতে চাচ্ছিল। কিন্তু ক্ষণকাল পর মানুষ মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কি হিন্দু হবে?” পাশ থেকে মেয়েটা বেশ স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই বলে উঠল, “হ্যাঁ, আমি হিন্দু হব! আমি ওর সবকিছুই জানি। জেনেশুনেই এসেছি। ওর জন্য আমি সবকিছুই করতে রাজি।” কথাটা শুনে আশপাশের সবার মতো আমার মাথায়ও যেন সাত আসমান ভেঙে পড়ল। যেন কয়েক মুহুর্তের জন্য থমকে গেল আমার ঘড়ির কাটা। চিন্তা করছি— কী অসভ্য আর নালায়েক একটা মেয়ে! কী অসচেতন আর দ্বীন-ধর্ম নিয়ে উদাসীন একটা পরিবারের সন্তান সে! কী মূল্যবোধ দিয়ে বড়ো করেছে তাকে তার পরিবার, তার সমাজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান! আর্থসামাজিক অবস্থাকে আমরা একপাশে রেখেও যদি স্রেফ আমাদের চিরাচরিত ধর্মীয় মূল্যবোধের দিকে তাকাই, তাহলে এটা আমাদের জন্য কত বড় পরাজয়, কত বড় লজ্জার বিষয়— সেটা কি আমরা ভাবতে পারছি? একজন মুসলিম মেয়ে একটা মুশরিকের কাছে নিজেকে সঁপে দিতে পরিবার-পরিজন, সামাজিক মর্যাদা— সবকিছু বিসর্জন দিয়ে চলে এসেছে; এর চেয়ে অপমানজনক দৃশ্য, এর চেয়ে ঘৃণিত ঘটনা মুসলিম উম্মাহর জন্য আর কী হতে পারে? আমাদের মুসলিম মেয়েরা তো এমন আত্মমর্যাদাবান মানবী হওয়ার কথা ছিল, যাদের পাওয়ার কথা একজন ফাসিকও কল্পনা করতে পারত না। তাদের দিকে একজন বেনামাজিও চেয়ে দেখার কথা ভাবতে পারত না। অথচ এখব সেখানে একজন মুশরিক কত সহজেই না তাদেরকে প্রেম-ভালোবাসার নামে ভোগ করে! কত সহজেই না তাদের প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে সর্বস্ব কেড়ে নেয় নাপাক মুশরিকরা! কত যে মুসলিম মেয়ে— এমনকি হিজাবি-নিকাবিরাও— নাপাক মুশরিকদের প্রেমের ফাঁদে পড়ে খোদার দ্বীন ত্যাগ করে মুরতাদ-মুশরিক হয়ে যাচ্ছে দিনদিন! গত কয়েক বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বদৌলতে আমরা এত এত ঘটনার সাক্ষী হয়েছি যে, এখন সেসব আমাদেরকে আর খুব বেশি কষ্টও দেয় না। আমাদের মুসলিম মেয়েরা, মুসলিম বাবা-মায়েরা— আর কতটা আত্মমর্যাদাহীন, নির্লজ্জ হলে এরপর তাদের হুঁশ ফিরবে? একদিকে আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝগড়াঝাটি করছি, অন্যদিকে মুশরিকরা আমাদের কিশোর-তরুণী নারীদেরকে নিয়ে এক বিকৃত আয়োজনে মেতে উঠেছে! ~রেদওয়ান রাওয়াহা
177
11
আমার টেলিগ্রামের সম্মানিত পাঠক-সমাজের সাথে কোনো ধরনের ইন্টারেকশন নেই। চিন্তা করছি আজকে চিঠি দিবস উপলক্ষ্যে চিঠি লিংক দিই। গাল
আমার টেলিগ্রামের সম্মানিত পাঠক-সমাজের সাথে কোনো ধরনের ইন্টারেকশন নেই। চিন্তা করছি আজকে চিঠি দিবস উপলক্ষ্যে চিঠি লিংক দিই। গালি, বকা, রাগ-ক্ষোভ প্রকাশ ছাড়াও কিছু পরামর্শ এবং এমন কিছু সুন্দর চিঠি দিতে পারেন, যেন আরও বেশি দিন বাঁচতে ইচ্ছে করে। 😊 চিঠির লিংক: https://chithi.me/RedwanRawaha25
165
12
দীর্ঘশ্বাসের দিনলিপি ঘটনাটি ২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারির। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল ফিকহ্ বিভাগের ছাত্র ওয়ালিউল্লাহ আর আল হাদিস এণ্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র আল-মুকাদ্দাস— দুজনেই ছিলেন ক্যাম্পাসের পরিচিত মুখ। ওয়ালিউল্লাহ সামলাতেন ছাত্রশিবিরের ইবি শাখার অর্থ সম্পাদকের দায়িত্ব, আর আল মুকাদ্দাস পালন করতেন সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্ব। সেদিন ঢাকার কাজ শেষ করে কুষ্টিয়াগামী হানিফ পরিবহনের এক বাসে উঠেছিলেন দুজনে। গন্তব্য ছিল প্রিয় ক্যাম্পাস, চেনা ক্লাসরুম, সাংগঠনিক ময়দান আর বন্ধুদের আড্ডা। কিন্তু রাত বারোটার দিকে বাসটি যখন সাভারের নবীনগর পৌঁছাল, তখন বাসের গতি থমকে গেল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল বাসে ওঠে। বাসের অন্য যাত্রীদের সামনেই কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া, কোনো আইনি পরোয়ানা ছাড়াই ওয়ালিউল্লাহ আর মুকাদ্দাসকে বাস থেকে জোর করে নামিয়ে নেওয়া হয়। বাসের সুপারভাইজার আর যাত্রীরা সেদিন ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছিলেন, কিন্তু ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহসটুকু পর্যন্ত পাননি। সেই যে কুয়াশাঘেরা রাতে সাভারের রাস্তায় বাস থেকে নামিয়ে দুটি তরুণকে নিয়ে যাওয়া হলো— তারপর থেকে আর তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। পরদিন থেকে শুরু হয় দুটি পরিবারের অনন্ত নরকযন্ত্রণা। মুকাদ্দাসের চাচা আবদুল হাই দারুস সালাম থানায় এবং ওয়ালিউল্লাহর বড় ভাই খালেদ সাইফুল্লাহ আশুলিয়া থানায় জিডি করেন। কিন্তু থানা, পুলিশ কিংবা র‍্যাবের দরজায় দরজায় ঘুরেও কোনো সদুত্তর পাননি স্বজনেরা। আইনের দরজাতেও কড়া নাড়া হয়েছিল। হাইকোর্টে রিট করা হলে আদালত রুল জারি করে জানতে চেয়েছিলেন—নিখোঁজদের কেন হাজির করা হবে না? কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আদালতে সোজা জানিয়ে দেয়, তারা এ বিষয়ে কিছুই জানে না। পরবর্তীতে আপিল বিভাগেও রিট খারিজ হয়ে যায়। বিশ্বের বড় বড় মানবাধিকার সংস্থা— অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ থেকে শুরু করে সবাই এই নির্মম ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়। জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের গুম হওয়া ৭৬ জন বাংলাদেশির তালিকায় এই দুই তরুণের নাম যথাক্রমে ওঠে আসে ৯ ও ১০ নাম্বারে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৎকালীন সরকারের চরম সমালোচনা হয়। কিন্তু আইনের কাগজ আর আন্তর্জাতিক বিবৃতির বহর পার হয়ে সেই দুটি ছেলে কোনোদিন মায়ের কোলে ফিরে আসেনি। ফিরেনি তাদের প্রিয় সহকর্মী কিংবা দায়িত্বশীলদের আড্ডায়। আজ ১৪টি বছর পার হয়ে গেছে। দেশ বদলেছে, গণঅভ্যুত্থানের পর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য এসেছেন, টিএসসির আড্ডায় নতুন নতুন মুখের আগমন ঘটেছে, ক্যাম্পাসে অগণন শিক্ষার্থী এসেছে-গিয়েছে; কিন্তু ওয়ালিউল্লাহ আর আল-মুকাদ্দাসের ফেরার পথটা আজও আঁধারেই রয়ে গেছে। সম্ভবত আজও দরজার সামান্যতম শব্দেও সন্তানহারা অসুস্থ বাবা-মায়ের বুক ধক করে ওঠে। বার্ষিক সদস্য সম্মেলন এলে তাদের প্রিয় কাফেলার সহস্র শপথের কর্মী আজও অশ্রুসিক্ত হয়। এভাবেই দিন পার হয়, মাস যায়, বছর ঘোরে, কিন্তু তাদের সেই করুণ অপেক্ষার অবসান আর হয় না। তবে কি দরজার দরজায় জমা শত রাতের নীরবতা, সাথীদের অশ্রুসিক্ত চোখ আর বাবা-মায়ের এই দীর্ঘশ্বাস কস্মিনকালেও শেষ হবে না? তাদের এই করুণ অপেক্ষার প্রহর কি তবে সত্যিই আর কোনোদিন কাটবে না? ~রেদওয়ান রাওয়াহা
178
13
জুবায়ের হোসেন পটুয়াখালী সরকারি কলেজ শিবির নেতা বিয়ে করেছেন। এক সপ্তাহ সংসার করেছেন। পরে এক ছেলে তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে নিজ+2
জুবায়ের হোসেন পটুয়াখালী সরকারি কলেজ শিবির নেতা বিয়ে করেছেন। এক সপ্তাহ সংসার করেছেন। পরে এক ছেলে তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে নিজের বলে দাবি করে সকল প্রমাণ হাজির করেছে। শিবির নেতা জুবায়ের পারিবারিকভাবেই ডিভোর্সের পথ বেছে নিয়ে মেয়েকে মুক্ত করে দিলেন। আহ কী কষ্টের একটা ব্যাপার। কোন মেয়ের মধ্যে কি আছে সেটা আল্লাহই ভালো জানেন।
224
14
বদদোয়া? বদদোয়া দিতে হয় না, রুহের ‘হায়' বলেও একটা কথা আছে। সবকিছুর কি ক্ষমা হয়? হুটহাট চোখের পানি এসে, বুকে তীব্র ব্যথা এসে হঠাৎ দীর্ঘশ্বাস বের হয়, দম বন্ধ লাগে, এসবের কি ক্ষমা হতে পারে, কখনও, কোনোভাবে? আমি সাধারণত কাউকে বদদোয়া দিই না, আবার সবাইকে ক্ষমাও করতে পারি না। ক্ষমা এবং অভিশাপ, দুটোই অনেক বড়ো বিষয়। অনেক বড়ো... আসলে সব অপরাধের ক্ষমা হয়ও না। সাধারণত আমি চেষ্টা করি, আমার সাথে হওয়া তীব্র জুলুম, নির্মম বিশ্বাসঘাতকতাটাকে শুধুই আল্লাহর উপর ছেড়ে দিতে , কারণ তিনিই ন্যায় বিচারক।
185
15
একটা জিনিস খুব করে উপলব্ধি হলো—স্ত্রীর চেয়ে স্বামীকে দ্বীনদার হওয়া অনেক বেশি জরুরি। কারণ, একজন নারী তার জীবন, যৌবন, আশা-ভরসা, সবকিছু একজন পুরুষের কাছে সঁপে দেয়। এরপর ধীরে ধীরে সে তার স্বামীর দ্বারা প্রভাবিত হতে শুরু করে। তার চিন্তা, রুচি, অভ্যাস, অনেক কিছুই স্বামীর দিকে ঝুঁকে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটা অবচেতন মনেই ঘটে। পুরুষ স্ত্রীর দ্বারা প্রভাবিত হয় না, এ কথা বলছি না। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীর ভালো লাগা, আশা-স্বপ্ন, জীবনযাপন—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে তার স্বামী। স্বামীর মৃদু শাসন, দিকনির্দেশনা ও ব্যক্তিত্বের কাছে সে নিজেকে বদলে ফেলতে পারে। আমরা সাধারণত নারীর দ্বীনদারিত্বকেই বেশি গুরুত্ব দিই। অথচ একজন পুরুষ দ্বীনদার হলে, তার প্রভাব শুধু তার নিজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; তার স্ত্রী, সন্তান, এমনকি পুরো পরিবার তার দ্বারা উপকৃত হয়। তাই নারীর তুলনায় পুরুষ বেশি দ্বীনদার, বেশি ইলমওয়ালা, বেশি বিচক্ষণ ও গাম্ভীর্যপূর্ণ হওয়াই অধিক সুন্দর। ٱلرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى ٱلنِّسَاءِ ‘পুরুষরা নারীদের অভিভাবক, দায়িত্বশীল ও রক্ষণাবেক্ষণকারী।’ এই একটি আয়াতের মধ্যেই বিষয়টি কত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে! "কাওয়াম" মানে শুধু কর্তৃত্ব নয়; দায়িত্ব নেওয়া, আগলে রাখা, পথ দেখানো এবং আল্লাহর বিধান অনুযায়ী পরিবারকে পরিচালনা করা। তাই একজন পুরুষের দ্বীনদারিত্ব পুরো পরিবার দ্বীনদার হওয়ার সূচনা বহণ করে। ~সংগৃহিত
184
16
https://aamarangina.blogspot.com/2020/10/blog-post.html?m=1
166
17
কেউ কেউ বলে থাকেন যে, সাধারণত উম্মাহর মধ্যে সবচেয়ে বিপদগামী হলো আমাদের বোনেরা। কিন্তু এরা জানেও না যে রাসুলুল্লাহ (সা.) এদের আত্মসম্মান নানান সময়ে নানান কাজ কর্মের মাধ্যমে কোথা থেকে কোথায় এনে দাঁড় করিয়েছে! উদাহরণস্বরুপ বলা যায়, ইসলাম পূর্ব জাহেলি আরবে যৌন সম্পর্ক ও সন্তান ধারণের পদ্ধতিগুলোর কথা। তৎকালীন সমাজে স্বাভাবিক বিয়ের সাথে আরো কয়েক ধরণের প্রথা প্রচলিত ছিলো৷ যেমন: প্রথম প্রথা, এ পদ্ধতিতে একজন স্ত্রী তার ঋতু পরবর্তী তে পবিত্রতার পর স্বামীর সাথে সহবাস করতেন না। উচ্চ মর্যাদাসম্পূর্ণ ও উন্নত জাতের সন্তান ধারণের জন্য তার স্বামী, স্ত্রীর পছন্দ মত উচ্চ মর্যাদার জ্ঞানী, গুনি, ও শক্তিধর কোন সুপুরুষ বেছে নিয়ে তাকে মিলনের প্রস্তাব পাঠানোর জন্য বলতেন। যতদিন পর্যন্ত না গর্ভধারণের ব্যাপারটা নিশ্চিত হতো ততদিন পর্যন্ত স্বামীর সাথে সববাসে লিপ্ত হতেন না, ওই পছন্দমত সুপুরুষের সাথে সহবাস চালিয়ে যেতেন। যখন গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হতো এর পর থেকে স্বামীর সাথে সহবাসে লিপ্ত হতেন। ২য় প্রথা এই প্রথাটি ছিলো আরো জঘন্য, যেখানে একজন নারীকে কেন্দ্র করে ১০ জনের কম সংখ্যক পুরুষ নিয়ে একটি দল একত্রিত হত এবং সকলে পর্যায়ক্রমে একই মহিলার সাথে সঙ্গম ক্রিয়ায় লিপ্ত হতো। গর্ভ ধারণের পর বাচ্চা প্রসব হলে, কয়েকদিন পরে ওই পুরুষগুলো ডেকে একত্রিত করতেন। এরপর মহিলা যাকে সন্তানের বাবা বলে স্বীকৃতি দিতেন সেই বাবা হতো আর সংশ্লিষ্ট বাকিরাও স্বীকৃতি দিতে বাধ্য থাকতেন। ৩য় প্রথা, এই প্রথায় কোন এক মহিলাকে কেন্দ্র করে বহু লোক সংঘবদ্ধ হতেন এবং পর্যায়ক্রমে তার সাথে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতেন। এরা পতিতাবৃত্তির মহিলা ছিলেন। তাদের বাড়িতে প্রবেশ দারে আলাদা প্রতীক থাকতো। নির্দিধায় ইচ্ছুক ব্যক্তিরা গমন করতে পারতেন এবং ওই মহিলাদের আপত্তি থাকতো না। যখন গর্ভধারণের পর সন্তান দুনিয়ায় আসতো তখন যাদের সাথে ওই মহিলা মিলিত হয়েছিলো সবাইকেই ডাকা হতো সাথে রাখা হতো একজন বিশেষজ্ঞ যিনি চেহারার অবয়ব, আকার ও গঠন থেকে সিন্ধান্ত নিতে পারতেন। এর পর তার সিন্ধান্ত অনুযায়ী সন্তানকে কোন একজন পুরুষের সাথে সংযুক্ত করে দিতেন আর সে দায়ভার বাধ্য থাকতেন এবং নিজের ওইরসজাত সন্তান বলে বিবেচনা করতেন! রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর আবির্ভাবের পর, তিনি এইসব পদ্ধতি গুলোর অবসান ঘটান। মেয়েদের আত্মমর্যাদার স্থানটাকে আরো উচুতে নিয়ে আসেন। বর্তমানে, কোন মুসলিম হয়তো সে ধর্ম মানে না, তাও এসব অযাজার নিয়ম নীতির কথা চিন্তা করতেও আতকে উঠবেন। অথচ সেই ইসলাম পূর্ব সেই জাহেলি যুগে এগুলোই ছিলো স্বাভাবিক পদ্ধতি। সোর্স: আর রাহীকুল মাখতুম
203
18
মিউজিক হারাম এটাই ইজমায়ি মাসআলা। সকল মাজহাবের আলেমরা একমত। বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকজন মত পেশ করেছে। সেটা শুযুয ও যাল্লাতের অন্তর্ভুক্ত। উসুলে ফিকহের নিয়ম অনুযায়ী, শুযুয ও যাল্লাত ইজমাকে বাতিল করে না। একদম উসুল ও ইলমি মেথডের বাইরে গিয়ে কেউ কেউ ভিন্ন মত দিয়েছে। যেমন ইমাম গাজালির কথাই ধরা যাক। উনি একবাক্যে বলে দিছেন যে, মিউজিক সংক্রান্ত হাদিসগুলো নাকি সহিহ না। অথচ উলুমুল হাদিসের উসুল অনুযায়ী প্রায় সবগুলো হাদিসই উত্তীর্ণ, সহিহ। এমনকি এর মধ্যে সহিহ বুখারির হাদিসও আছে। চারও মাযহাবের ইমামরাও একমত, তাদের ফতোয়াসিদ্ধ মতামত হলো, মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট হারাম। এখন দেখছি একটা দলের আধুনিকতাবাদী শ্রেণি ইমামদের ইজমায়ি ও সম্মিলিত অবস্থানকে বলছে প্রান্তিক আর কট্টরপন্থা। নাঊযুবিল্লাহ। অথচ শরঈ উসুলে শুযুয আর যাল্লাতই হলো প্রান্তিক অবস্থান, আর ইমামদের সম্মিলিত অবস্থানই সঠিক অবস্থান। মানুষ শরঈ উসুল বাদ দিয়ে খাহেশাত আর পরিবেশকে উসুল বানিয়ে নিলে দ্বীনের নামে এসব বিকৃতিই ঘটাবে। আল্লাহর বিধান না মানতে পারা ব্যক্তি হিসেবে আমার ব্যর্থতা। আমি পাপিষ্ঠ। আল্লাহ পাপিষ্ঠকে ক্ষমা করবেন, করেন। কারণ, তিনি তো ক্ষমাশীল। মানুষ ভুল করে ক্ষমা চাক, এটাই তিনি চান। কিন্তু, যারা তার বিধানের বিকৃত করে, তারা স্রেফ পাপিষ্ঠ না। কেবল ফাসিক না। তাদের কাজ ক্ষেত্র বিশেষ কুফরি হয়। হয় ঈমান ভঙ্গের কারণ। দুটি কিন্তু সেইম না। কস্মিনকালেও না। ব্যাপারটা কেন আমরা বুঝতে চেষ্টা করছি না?
921
19
আবাসিক হোটেলে এক নারীর সাথে ৭ জন পুরুষ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। এরকম একটা নিউজ শেষ বার দেখেছিলাম এক নারীর সাথে চারজন পুরুষ গ্রেফতার হয়েছে। নাহ আজ মানতেই হচ্ছে— পর্ণোগ্রাফি একদম উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত, সবাইকেই বিকৃত করে দিচ্ছে। নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষদের এডুকেশন কম, তারা এইসব পর্ণোগ্রাফি দেখে এইগুলির ফ্যান্টাসিতে ভুগছে। নীলছবি এবং রিয়াল লাইফের পার্থক্য হারিয়ে ফেলছে। এই ঘটনায় নারীর সম্মতি ছিল। সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু একবার ভাবুন— এরকম ৭ টা পুরুষ, যারা একে অপরের সামনে উলঙ্গ হতে লজ্জা পায় না, তারা রাতে কোনো নারীকে একা পেলে কী করবে? সবকিছু বাদ দিয়ে স্রেফ তাদের স্ত্রীর কথাও চিন্তা করুন, ওই বেচারির প্রতি কী ভয়াবহ জুলুমই না করবে! এসব পার্ভাটদের সাথে থাকতে থাকতে ওরা নিজেরাও হয়তো পার্ভার্ট হয়ে যাবে। অথবা সেক্সুয়াল ফিলিংস সারাজীবনের জন্য হারিয়ে ফেলবে। সারাজীবন একটা ভয়, একটা আতঙ্ক কাজ করবে। কোনো দিন মায়াময় স্পর্শ, আবেগময় দাম্পত্য জীবনের ঘনিষ্ঠতা উপভোগই করতে পারবে না। জাস্ট নিজেকে একটা সেক্সটয়ই মনে হবে। যে নিউজটা সামনে এলো, সেই নিউজে অনেক পুরুষদের উল্লাস করতে দেখলাম। সবাই হাস্যরস হিসেবে নিচ্ছে। বিশেষ করে ইয়ুথরা। সবাই উল্লেখ করছে গ্যাংব্যাং শব্দটা। কেউ বলছে আহা গ্যাং ব্যাং। কেউ বলছে সাত ভাই চম্পা। কিছু জিনিস মজার ছলেই নতুন প্রজন্মের কাছে নরমালাইজড হয়ে যায়। যখন টিনেজ বা সদ্য মেজোরিটি অ্যাটেইন করা ছেলে বা মেয়েটা কমেন্টে তাদের সিনিয়রদের এইসব উল্লাস দেখবে, তারা জিনিসটাকে নেগেটিভলি না নিয়ে ফান হিসেবে নিবে এবং তারাও এই বিকৃত ফ্যান্টাসি মনে ধারণ করবে। এই দেশে কী শুরু হলো? কিছুদিন আগেই লিখলাম যে ছেলে মেয়েদের ফাঁসিয়ে বাড়ি আনতো এবং নিজের মা-বাবার সহায়তায় জোর করে নীলছবি বানাতো। আবার মেয়ের নীলছবি ব্যবসায় সাহায্য করতো স্বয়ং বাবা। মানুষের নৈতিকতা আর মেন্টাল হেলথ দেখে আমি আগামীর জন্য আশার আলো দেখছি না। একটা ঘটনা শেয়ার করি, ১০/১১ বছরের ছোট মেয়েরাও দেখি যে, ওভার স্মার্টগিরি দেখায়। তারাও বুঝাতে শুরু করে যে, ভাইয়া লঙ এইজ ডিস্টেন্স রিলেসানশীপ অনেক সুন্দর। একজনকে আস্ক করি কিভাবে সুন্দর মনে হয়? সে উত্তর দেয় তার ৩ টা ক্লোজ বান্ধবীর বয়ফ্রেন্ডই এত সিনিয়র। কমবয়সী মেয়েরা যদি এত বয়স্ক ছেলেদের বয়ফ্রেন্ডই বানায়, রিলেশন নিয়ে পাকনামিই করে, তাহলে বাল্যবিবাহ-এর বিরোধিতা করে কী উদ্ধার করছি আমরা, বুঝছি না! বাঙ্গুদের বাল্য বিবাহ নিয়ে অপমান করে লাভটা হচ্ছে কী?
195
20
Fact: স্ত্রী পরকীয়া করছে। Women: স্বামীর সমস্যা আছে, ঠিক মতো কেয়ার করলে এরকম হতো না। সে সংসারের মধ্যে কী করে কে জানে! Fact: স্বামী পরকীয়া করে সরে যেতে চায় অথবা ২য় বিয়ে করে দুইজনকে নিয়ে থাকতে চায়। women: সব পুরুষের চরিত্র একই, লম্পট একেকটা! Fact: স্ত্রীর পরকীয়ায় স্বামীর শাসন কিংবা সংসার টিকাতে জোরাজোরি। Women: যে যেতে চায় তাকে ধরে রাখার কী আছে! উত্তম পুরুষের কাজ হলো তাকে মুক্ত করে দিয়ে মহানুভবতা দেখানো। Fact: স্বামী পরকীয়া/২য় বিয়ে করায় স্ত্রী নু** কেটে দিছে। Women: একদম ঠিক্কাছে, কর এবার পরকীয়া! Fact: স্বামীকে স্ত্রী ছেড়ে চলে যেতে চায়। Women: হয়তো ঘরের মধ্যে নির্যতন আর সইতে পারছে না বা মনমানসিকতার মিল হচ্ছে না। Fact: স্ত্রীকে স্বামী ছেড়ে চলে যেতে চায়। Women: পুরুষকে বিশ্বাস করা টাফ, হয়তো নতুন কাউকে ধরেছে এখন ঘরের বউ ভালো লাগবে কেনো! কী, বক্তব্যগুলো চেনা মনে হয় না? মনে হয় না মেয়েরা কখনো, কোনোভাবেই কোনো অপরাধ করতে পারে না? তারা শুধুই পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে করে, কিংবা পুরুষ তাদের বাধ্য করে? অথচ মেয়েরা প্রতারণাও করে। বিশ্বাসঘাতকতা করে। ম্যান্টালি এবিউজ করে। নতুন নতুন অপশন খোঁজে। ধর্ম কিংবা পরিবারের অজুহাতে চিট করে। অথচ দিনশেষে সব দোষ ছেলেদের ঘাড়েই আসে।
252