ru
Feedback
Redwan Rawaha

Redwan Rawaha

Открыть в Telegram

লেখালেখি কলমের যতো আয়োজন তা দিয়ে হই যেনো প্রভুর প্রিয়জন

Больше
824
Подписчики
Нет данных24 часа
-27 дней
-1030 день

Загрузка данных...

Облако тегов
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Входящие и исходящие упоминания
---
---
---
---
---
---
Привлечение подписчиков
август '26
август '26
+2
в 0 каналах
июль '26
+2
в 0 каналах
Get PRO
июнь '260
в 0 каналах
Get PRO
май '26
+5
в 0 каналах
Get PRO
апрель '26
+8
в 0 каналах
Get PRO
март '26
+8
в 0 каналах
Get PRO
февраль '26
+57
в 0 каналах
Get PRO
январь '26
+20
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '25
+10
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '25
+15
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '25
+13
в 0 каналах
Get PRO
август '25
+5
в 0 каналах
Get PRO
июль '25
+3
в 0 каналах
Get PRO
июнь '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
май '25
+13
в 0 каналах
Get PRO
апрель '25
+10
в 1 каналах
Get PRO
март '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
февраль '25
+13
в 0 каналах
Get PRO
январь '25
+14
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '24
+15
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '24
+26
в 1 каналах
Get PRO
октябрь '24
+10
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '24
+20
в 0 каналах
Get PRO
август '24
+59
в 0 каналах
Get PRO
июль '24
+29
в 1 каналах
Get PRO
июнь '24
+32
в 0 каналах
Get PRO
май '24
+42
в 0 каналах
Get PRO
апрель '24
+34
в 0 каналах
Get PRO
март '24
+34
в 0 каналах
Get PRO
февраль '24
+56
в 0 каналах
Get PRO
январь '24
+68
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '23
+85
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '23
+55
в 1 каналах
Get PRO
октябрь '23
+109
в 1 каналах
Get PRO
сентябрь '23
+15
в 0 каналах
Get PRO
август '23
+20
в 0 каналах
Get PRO
июль '23
+14
в 0 каналах
Get PRO
июнь '23
+8
в 0 каналах
Get PRO
май '23
+20
в 0 каналах
Get PRO
апрель '23
+9
в 0 каналах
Get PRO
март '23
+25
в 0 каналах
Get PRO
февраль '23
+12
в 0 каналах
Get PRO
январь '23
+14
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '22
+10
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '22
+4
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '22
+15
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '22
+16
в 0 каналах
Get PRO
август '22
+42
в 0 каналах
Get PRO
июль '22
+52
в 0 каналах
Get PRO
июнь '22
+22
в 0 каналах
Get PRO
май '22
+22
в 0 каналах
Get PRO
апрель '22
+13
в 0 каналах
Get PRO
март '22
+51
в 0 каналах
Get PRO
февраль '22
+26
в 0 каналах
Get PRO
январь '22
+21
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '21
+27
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '21
+14
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '21
+35
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '21
+36
в 0 каналах
Get PRO
август '21
+254
в 0 каналах
Дата
Привлечение подписчиков
Упоминания
Каналы
29 августа0
28 августа0
27 августа0
26 августа0
25 августа0
24 августа0
23 августа0
22 августа0
21 августа0
20 августа0
19 августа0
18 августа0
17 августа0
16 августа0
15 августа0
14 августа0
13 августа0
12 августа0
11 августа0
10 августа0
09 августа0
08 августа0
07 августа+1
06 августа+1
05 августа0
04 августа0
03 августа0
02 августа0
01 августа0
Посты канала
জুবায়ের হোসেন পটুয়াখালী সরকারি কলেজ শিবির নেতা বিয়ে করেছেন। এক সপ্তাহ সংসার করেছেন। পরে এক ছেলে তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে নিজ
+2
জুবায়ের হোসেন পটুয়াখালী সরকারি কলেজ শিবির নেতা বিয়ে করেছেন। এক সপ্তাহ সংসার করেছেন। পরে এক ছেলে তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে নিজের বলে দাবি করে সকল প্রমাণ হাজির করেছে। শিবির নেতা জুবায়ের পারিবারিকভাবেই ডিভোর্সের পথ বেছে নিয়ে মেয়েকে মুক্ত করে দিলেন। আহ কী কষ্টের একটা ব্যাপার। কোন মেয়ের মধ্যে কি আছে সেটা আল্লাহই ভালো জানেন।

2
বদদোয়া? বদদোয়া দিতে হয় না, রুহের ‘হায়' বলেও একটা কথা আছে। সবকিছুর কি ক্ষমা হয়? হুটহাট চোখের পানি এসে, বুকে তীব্র ব্যথা এসে হঠাৎ দীর্ঘশ্বাস বের হয়, দম বন্ধ লাগে, এসবের কি ক্ষমা হতে পারে, কখনও, কোনোভাবে? আমি সাধারণত কাউকে বদদোয়া দিই না, আবার সবাইকে ক্ষমাও করতে পারি না। ক্ষমা এবং অভিশাপ, দুটোই অনেক বড়ো বিষয়। অনেক বড়ো... আসলে সব অপরাধের ক্ষমা হয়ও না। সাধারণত আমি চেষ্টা করি, আমার সাথে হওয়া তীব্র জুলুম, নির্মম বিশ্বাসঘাতকতাটাকে শুধুই আল্লাহর উপর ছেড়ে দিতে , কারণ তিনিই ন্যায় বিচারক।
72
3
একটা জিনিস খুব করে উপলব্ধি হলো—স্ত্রীর চেয়ে স্বামীকে দ্বীনদার হওয়া অনেক বেশি জরুরি। কারণ, একজন নারী তার জীবন, যৌবন, আশা-ভরসা, সবকিছু একজন পুরুষের কাছে সঁপে দেয়। এরপর ধীরে ধীরে সে তার স্বামীর দ্বারা প্রভাবিত হতে শুরু করে। তার চিন্তা, রুচি, অভ্যাস, অনেক কিছুই স্বামীর দিকে ঝুঁকে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটা অবচেতন মনেই ঘটে। পুরুষ স্ত্রীর দ্বারা প্রভাবিত হয় না, এ কথা বলছি না। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীর ভালো লাগা, আশা-স্বপ্ন, জীবনযাপন—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে তার স্বামী। স্বামীর মৃদু শাসন, দিকনির্দেশনা ও ব্যক্তিত্বের কাছে সে নিজেকে বদলে ফেলতে পারে। আমরা সাধারণত নারীর দ্বীনদারিত্বকেই বেশি গুরুত্ব দিই। অথচ একজন পুরুষ দ্বীনদার হলে, তার প্রভাব শুধু তার নিজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; তার স্ত্রী, সন্তান, এমনকি পুরো পরিবার তার দ্বারা উপকৃত হয়। তাই নারীর তুলনায় পুরুষ বেশি দ্বীনদার, বেশি ইলমওয়ালা, বেশি বিচক্ষণ ও গাম্ভীর্যপূর্ণ হওয়াই অধিক সুন্দর। ٱلرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى ٱلنِّسَاءِ ‘পুরুষরা নারীদের অভিভাবক, দায়িত্বশীল ও রক্ষণাবেক্ষণকারী।’ এই একটি আয়াতের মধ্যেই বিষয়টি কত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে! "কাওয়াম" মানে শুধু কর্তৃত্ব নয়; দায়িত্ব নেওয়া, আগলে রাখা, পথ দেখানো এবং আল্লাহর বিধান অনুযায়ী পরিবারকে পরিচালনা করা। তাই একজন পুরুষের দ্বীনদারিত্ব পুরো পরিবার দ্বীনদার হওয়ার সূচনা বহণ করে। ~সংগৃহিত
77
4
https://aamarangina.blogspot.com/2020/10/blog-post.html?m=1
75
5
কেউ কেউ বলে থাকেন যে, সাধারণত উম্মাহর মধ্যে সবচেয়ে বিপদগামী হলো আমাদের বোনেরা। কিন্তু এরা জানেও না যে রাসুলুল্লাহ (সা.) এদের আত্মসম্মান নানান সময়ে নানান কাজ কর্মের মাধ্যমে কোথা থেকে কোথায় এনে দাঁড় করিয়েছে! উদাহরণস্বরুপ বলা যায়, ইসলাম পূর্ব জাহেলি আরবে যৌন সম্পর্ক ও সন্তান ধারণের পদ্ধতিগুলোর কথা। তৎকালীন সমাজে স্বাভাবিক বিয়ের সাথে আরো কয়েক ধরণের প্রথা প্রচলিত ছিলো৷ যেমন: প্রথম প্রথা, এ পদ্ধতিতে একজন স্ত্রী তার ঋতু পরবর্তী তে পবিত্রতার পর স্বামীর সাথে সহবাস করতেন না। উচ্চ মর্যাদাসম্পূর্ণ ও উন্নত জাতের সন্তান ধারণের জন্য তার স্বামী, স্ত্রীর পছন্দ মত উচ্চ মর্যাদার জ্ঞানী, গুনি, ও শক্তিধর কোন সুপুরুষ বেছে নিয়ে তাকে মিলনের প্রস্তাব পাঠানোর জন্য বলতেন। যতদিন পর্যন্ত না গর্ভধারণের ব্যাপারটা নিশ্চিত হতো ততদিন পর্যন্ত স্বামীর সাথে সববাসে লিপ্ত হতেন না, ওই পছন্দমত সুপুরুষের সাথে সহবাস চালিয়ে যেতেন। যখন গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হতো এর পর থেকে স্বামীর সাথে সহবাসে লিপ্ত হতেন। ২য় প্রথা এই প্রথাটি ছিলো আরো জঘন্য, যেখানে একজন নারীকে কেন্দ্র করে ১০ জনের কম সংখ্যক পুরুষ নিয়ে একটি দল একত্রিত হত এবং সকলে পর্যায়ক্রমে একই মহিলার সাথে সঙ্গম ক্রিয়ায় লিপ্ত হতো। গর্ভ ধারণের পর বাচ্চা প্রসব হলে, কয়েকদিন পরে ওই পুরুষগুলো ডেকে একত্রিত করতেন। এরপর মহিলা যাকে সন্তানের বাবা বলে স্বীকৃতি দিতেন সেই বাবা হতো আর সংশ্লিষ্ট বাকিরাও স্বীকৃতি দিতে বাধ্য থাকতেন। ৩য় প্রথা, এই প্রথায় কোন এক মহিলাকে কেন্দ্র করে বহু লোক সংঘবদ্ধ হতেন এবং পর্যায়ক্রমে তার সাথে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতেন। এরা পতিতাবৃত্তির মহিলা ছিলেন। তাদের বাড়িতে প্রবেশ দারে আলাদা প্রতীক থাকতো। নির্দিধায় ইচ্ছুক ব্যক্তিরা গমন করতে পারতেন এবং ওই মহিলাদের আপত্তি থাকতো না। যখন গর্ভধারণের পর সন্তান দুনিয়ায় আসতো তখন যাদের সাথে ওই মহিলা মিলিত হয়েছিলো সবাইকেই ডাকা হতো সাথে রাখা হতো একজন বিশেষজ্ঞ যিনি চেহারার অবয়ব, আকার ও গঠন থেকে সিন্ধান্ত নিতে পারতেন। এর পর তার সিন্ধান্ত অনুযায়ী সন্তানকে কোন একজন পুরুষের সাথে সংযুক্ত করে দিতেন আর সে দায়ভার বাধ্য থাকতেন এবং নিজের ওইরসজাত সন্তান বলে বিবেচনা করতেন! রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর আবির্ভাবের পর, তিনি এইসব পদ্ধতি গুলোর অবসান ঘটান। মেয়েদের আত্মমর্যাদার স্থানটাকে আরো উচুতে নিয়ে আসেন। বর্তমানে, কোন মুসলিম হয়তো সে ধর্ম মানে না, তাও এসব অযাজার নিয়ম নীতির কথা চিন্তা করতেও আতকে উঠবেন। অথচ সেই ইসলাম পূর্ব সেই জাহেলি যুগে এগুলোই ছিলো স্বাভাবিক পদ্ধতি। সোর্স: আর রাহীকুল মাখতুম
82
6
মিউজিক হারাম এটাই ইজমায়ি মাসআলা। সকল মাজহাবের আলেমরা একমত। বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকজন মত পেশ করেছে। সেটা শুযুয ও যাল্লাতের অন্তর্ভুক্ত। উসুলে ফিকহের নিয়ম অনুযায়ী, শুযুয ও যাল্লাত ইজমাকে বাতিল করে না। একদম উসুল ও ইলমি মেথডের বাইরে গিয়ে কেউ কেউ ভিন্ন মত দিয়েছে। যেমন ইমাম গাজালির কথাই ধরা যাক। উনি একবাক্যে বলে দিছেন যে, মিউজিক সংক্রান্ত হাদিসগুলো নাকি সহিহ না। অথচ উলুমুল হাদিসের উসুল অনুযায়ী প্রায় সবগুলো হাদিসই উত্তীর্ণ, সহিহ। এমনকি এর মধ্যে সহিহ বুখারির হাদিসও আছে। চারও মাযহাবের ইমামরাও একমত, তাদের ফতোয়াসিদ্ধ মতামত হলো, মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট হারাম। এখন দেখছি একটা দলের আধুনিকতাবাদী শ্রেণি ইমামদের ইজমায়ি ও সম্মিলিত অবস্থানকে বলছে প্রান্তিক আর কট্টরপন্থা। নাঊযুবিল্লাহ। অথচ শরঈ উসুলে শুযুয আর যাল্লাতই হলো প্রান্তিক অবস্থান, আর ইমামদের সম্মিলিত অবস্থানই সঠিক অবস্থান। মানুষ শরঈ উসুল বাদ দিয়ে খাহেশাত আর পরিবেশকে উসুল বানিয়ে নিলে দ্বীনের নামে এসব বিকৃতিই ঘটাবে। আল্লাহর বিধান না মানতে পারা ব্যক্তি হিসেবে আমার ব্যর্থতা। আমি পাপিষ্ঠ। আল্লাহ পাপিষ্ঠকে ক্ষমা করবেন, করেন। কারণ, তিনি তো ক্ষমাশীল। মানুষ ভুল করে ক্ষমা চাক, এটাই তিনি চান। কিন্তু, যারা তার বিধানের বিকৃত করে, তারা স্রেফ পাপিষ্ঠ না। কেবল ফাসিক না। তাদের কাজ ক্ষেত্র বিশেষ কুফরি হয়। হয় ঈমান ভঙ্গের কারণ। দুটি কিন্তু সেইম না। কস্মিনকালেও না। ব্যাপারটা কেন আমরা বুঝতে চেষ্টা করছি না?
372
7
আবাসিক হোটেলে এক নারীর সাথে ৭ জন পুরুষ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। এরকম একটা নিউজ শেষ বার দেখেছিলাম এক নারীর সাথে চারজন পুরুষ গ্রেফতার হয়েছে। নাহ আজ মানতেই হচ্ছে— পর্ণোগ্রাফি একদম উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত, সবাইকেই বিকৃত করে দিচ্ছে। নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষদের এডুকেশন কম, তারা এইসব পর্ণোগ্রাফি দেখে এইগুলির ফ্যান্টাসিতে ভুগছে। নীলছবি এবং রিয়াল লাইফের পার্থক্য হারিয়ে ফেলছে। এই ঘটনায় নারীর সম্মতি ছিল। সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু একবার ভাবুন— এরকম ৭ টা পুরুষ, যারা একে অপরের সামনে উলঙ্গ হতে লজ্জা পায় না, তারা রাতে কোনো নারীকে একা পেলে কী করবে? সবকিছু বাদ দিয়ে স্রেফ তাদের স্ত্রীর কথাও চিন্তা করুন, ওই বেচারির প্রতি কী ভয়াবহ জুলুমই না করবে! এসব পার্ভাটদের সাথে থাকতে থাকতে ওরা নিজেরাও হয়তো পার্ভার্ট হয়ে যাবে। অথবা সেক্সুয়াল ফিলিংস সারাজীবনের জন্য হারিয়ে ফেলবে। সারাজীবন একটা ভয়, একটা আতঙ্ক কাজ করবে। কোনো দিন মায়াময় স্পর্শ, আবেগময় দাম্পত্য জীবনের ঘনিষ্ঠতা উপভোগই করতে পারবে না। জাস্ট নিজেকে একটা সেক্সটয়ই মনে হবে। যে নিউজটা সামনে এলো, সেই নিউজে অনেক পুরুষদের উল্লাস করতে দেখলাম। সবাই হাস্যরস হিসেবে নিচ্ছে। বিশেষ করে ইয়ুথরা। সবাই উল্লেখ করছে গ্যাংব্যাং শব্দটা। কেউ বলছে আহা গ্যাং ব্যাং। কেউ বলছে সাত ভাই চম্পা। কিছু জিনিস মজার ছলেই নতুন প্রজন্মের কাছে নরমালাইজড হয়ে যায়। যখন টিনেজ বা সদ্য মেজোরিটি অ্যাটেইন করা ছেলে বা মেয়েটা কমেন্টে তাদের সিনিয়রদের এইসব উল্লাস দেখবে, তারা জিনিসটাকে নেগেটিভলি না নিয়ে ফান হিসেবে নিবে এবং তারাও এই বিকৃত ফ্যান্টাসি মনে ধারণ করবে। এই দেশে কী শুরু হলো? কিছুদিন আগেই লিখলাম যে ছেলে মেয়েদের ফাঁসিয়ে বাড়ি আনতো এবং নিজের মা-বাবার সহায়তায় জোর করে নীলছবি বানাতো। আবার মেয়ের নীলছবি ব্যবসায় সাহায্য করতো স্বয়ং বাবা। মানুষের নৈতিকতা আর মেন্টাল হেলথ দেখে আমি আগামীর জন্য আশার আলো দেখছি না। একটা ঘটনা শেয়ার করি, ১০/১১ বছরের ছোট মেয়েরাও দেখি যে, ওভার স্মার্টগিরি দেখায়। তারাও বুঝাতে শুরু করে যে, ভাইয়া লঙ এইজ ডিস্টেন্স রিলেসানশীপ অনেক সুন্দর। একজনকে আস্ক করি কিভাবে সুন্দর মনে হয়? সে উত্তর দেয় তার ৩ টা ক্লোজ বান্ধবীর বয়ফ্রেন্ডই এত সিনিয়র। কমবয়সী মেয়েরা যদি এত বয়স্ক ছেলেদের বয়ফ্রেন্ডই বানায়, রিলেশন নিয়ে পাকনামিই করে, তাহলে বাল্যবিবাহ-এর বিরোধিতা করে কী উদ্ধার করছি আমরা, বুঝছি না! বাঙ্গুদের বাল্য বিবাহ নিয়ে অপমান করে লাভটা হচ্ছে কী?
122
8
Fact: স্ত্রী পরকীয়া করছে। Women: স্বামীর সমস্যা আছে, ঠিক মতো কেয়ার করলে এরকম হতো না। সে সংসারের মধ্যে কী করে কে জানে! Fact: স্বামী পরকীয়া করে সরে যেতে চায় অথবা ২য় বিয়ে করে দুইজনকে নিয়ে থাকতে চায়। women: সব পুরুষের চরিত্র একই, লম্পট একেকটা! Fact: স্ত্রীর পরকীয়ায় স্বামীর শাসন কিংবা সংসার টিকাতে জোরাজোরি। Women: যে যেতে চায় তাকে ধরে রাখার কী আছে! উত্তম পুরুষের কাজ হলো তাকে মুক্ত করে দিয়ে মহানুভবতা দেখানো। Fact: স্বামী পরকীয়া/২য় বিয়ে করায় স্ত্রী নু** কেটে দিছে। Women: একদম ঠিক্কাছে, কর এবার পরকীয়া! Fact: স্বামীকে স্ত্রী ছেড়ে চলে যেতে চায়। Women: হয়তো ঘরের মধ্যে নির্যতন আর সইতে পারছে না বা মনমানসিকতার মিল হচ্ছে না। Fact: স্ত্রীকে স্বামী ছেড়ে চলে যেতে চায়। Women: পুরুষকে বিশ্বাস করা টাফ, হয়তো নতুন কাউকে ধরেছে এখন ঘরের বউ ভালো লাগবে কেনো! কী, বক্তব্যগুলো চেনা মনে হয় না? মনে হয় না মেয়েরা কখনো, কোনোভাবেই কোনো অপরাধ করতে পারে না? তারা শুধুই পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে করে, কিংবা পুরুষ তাদের বাধ্য করে? অথচ মেয়েরা প্রতারণাও করে। বিশ্বাসঘাতকতা করে। ম্যান্টালি এবিউজ করে। নতুন নতুন অপশন খোঁজে। ধর্ম কিংবা পরিবারের অজুহাতে চিট করে। অথচ দিনশেষে সব দোষ ছেলেদের ঘাড়েই আসে।
165
9
রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস হয়েছে। চালকও নারী, হেল্পারও নারী। সবাই প্রশংসা করছে। প্রশংসা করার মতোই একটি কাজ। কিন্তু, এই
রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস হয়েছে। চালকও নারী, হেল্পারও নারী। সবাই প্রশংসা করছে। প্রশংসা করার মতোই একটি কাজ। কিন্তু, এই দুর্দান্ত সুন্দর, আকর্ষণীয় ও কার্যকর আইডিয়াটি দিয়েছিল জামায়াতে ইসলামী।   তাদের নির্বাচনী মেনিফেস্টোতেই তারা এটি উল্লেখ করেছিল। আমীরে জামায়াত, ডাক্তার শফিকুর রহমানের পেইজেও বিষয়টি উল্লেখ করা আছে। আইডিয়া যারই হোক, বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে অভিনন্দন। বিএনপি কৃতজ্ঞ হলে সেটা স্বীকার করবে, অকৃতজ্ঞ হলে এড়িয়ে যাবে।
199
10
এই তীব্র গরমে যারা নিয়মিত বাইরে চলাফেরা করেন, বিশেষ করে তরুণ ছেলেরা— আপনাদের কাছে ছোট্ট একটা অনুরোধ। দয়া করে জামাকাপড় পরিষ্কার রাখুন, নিয়মিত গোসল করুন এবং শরীরের পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখুন। সম্ভব হলে সঙ্গে ছোট্ট একটা আতর বা পারফিউম রাখুন। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করুন। এই ভ্যাপসা গরমে ঘামের উৎকট গন্ধ আপনার নিজের কাছে হয়তো তেমন বিরক্তিকর মনে নাও হতে পারে। কিন্তু আপনার পাশে বসা মানুষটি, আপনার সঙ্গে হাঁটা ব্যক্তিটি কিংবা একই জায়গায় থাকা অন্য আরেকজনের জন্য সেই গন্ধটা সত্যিই ভীষণ অস্বস্তিকর ও কষ্টকর ব্যাপারই! আপনার ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা শুধু নিজের ব্যক্তিত্ব বিকাশের ব্যাপারই নয়; এটি আপনার আশপাশের মানুষের প্রতিও ন্যূনতম সম্মান ও দায়িত্ববোধের প্রকাশ। তাই নিজের অসচেতনতার কারণে অন্য কাউকে অস্বস্তিতে ফেলবেন না। নিজের পরিচ্ছন্নতার প্রতি যত্নশীল হওয়া মানে অন্যের স্বস্তির প্রতিও যত্নশীল হওয়া। আর সত্যি বলতে, যারা আপনাদের সবচেয়ে কাছের মানুষ—তারা কীভাবে এতক্ষণ এসব সহ্য করেন, সেটাও মাঝে মাঝে ভাবি! 😄 দিনের পর দিন মোজা না ধোয়া, গেঞ্জি কিংবা আন্ডারওয়্যার পরিষ্কার না করাটা কিন্তু ঘরের মানুষকেও অস্বস্তিতে ফেলে। ভদ্রতার খাতিরে তারা হয়তো কিছু বলেন না, কিন্তু অস্বস্তিটা ঠিকই অনুভব করেন। আপনার ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেন। আপনার জামাকাপড় কম থাকতে পারে, দামে স্বল্প হতে পারে। কিন্তু সেগুলো আপনার ব্যক্তিত্বকে খাটো করে না। খাটো করে অপরিচ্ছন্নতা, অসচেতনতা এবং নোংরা অভ্যাস। দামি পোশাক সাধারণত আপনাকে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন করে না। বরং পরিষ্কার পোশাক, পরিচ্ছন্ন শরীর এবং সতেজ থাকার অভ্যাসই আপনাকে পরিপাটি ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন করে তোলে। এগুলো বোঝা জরুরি। ভীষণ জরুরি। সুতরাং, আসুন, নিজের প্রতি যত্নশীল হোন, আশপাশের মানুষের প্রতিও যত্নশীল হোন। ~রেদওয়ান রাওয়াহা
184
11
সেকুলারিজম, গণতন্ত্র এগুলোর ধর্মীয় চরিত্রটা খেয়াল করেছেন। পশ্চিমাদের মানসপুত্র কদু শিশিরদের মত সেকুলার, শাহবাগি আর ইসলামি মর্ডানিস্টদের আচরণ পাঠ করুন। আপনাকে জোর করে এসব ধর্মের মূলনীতি ও মূল্যবোধে বিশ্বাস করাবে। এখানে কোন স্বাধীনতা নেই। আপনি যদি সেকুলারিজম ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস না করেন, আপনার কোন অধিকার নেই, আপনার জীবনযাপনের কোন সুযোগ নেই। আপনাকে জেলে থাকতে হবে, আপনার উপর বিধিনিষেধ চাপিয়ে দিতে হবে, আপনাকে একপ্রকার সীমাবদ্ধ ও বন্দি করে ফেলতে হবে। এমনকি আপনার বেঁচে থাকারও অধিকার থাকতে পারবে না। মানে এদের স্বাধীনতা, অধিকার ইত্যাদির বয়ান ততক্ষণ, যতক্ষণ আপনি এদের চাপিয়ে দেয়া ধর্ম, আদর্শ ও মূল্যবোধে বিশ্বাস করবেন। এরা গণতন্ত্র আর সেকুলারিজমের অস্বীকারকে ইরতিদাদ হিসেবে দেখে। আপনি গণতন্ত্র আর সেকুলারিজমকে অস্বীকার করলে এদের ধর্ম থেকে বেরিয়ে গেছেন বলে বিবেচিত হবেন। এজন্য আপনার উপর ধর্মত্যাগের শাস্তি প্রয়োগ হবে। গণতন্ত্র আর সেকুলারিজম যে স্বাধীনতা আর নিরপেক্ষতার কথা বলে, এটাও ভাওতাবাজি। এদের স্বাধীনতা আর নিরপেক্ষতা হল, তুমি আগে আমার উপর ঈমান ও বিশ্বাস স্থাপন করো। আমার উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে পারাই হল তোমার স্বাধীনতা আর তোমার প্রতি আমার নিরপেক্ষতা। এর বাইরে তোমার সাথে আমার স্বাধীনতা আর নিরপেক্ষতার কোন সম্পর্ক নেই। আমার প্রতি ঈমান এনেছো তো, তোমার সাথে আমার সম্পর্ক আছে। আর ঈমান ত্যাগ করেছো তো তোমার সাথে আমার শত্রুতা। তোমাকে আমি দমন করব, নিপীড়ন করব, চাইলে মেরেও ফেলব। এই হল গণতন্ত্র ও সেকুলারিজম ধর্মের আচরণ! ~মাওলানা ইফতেখার সিফাত
126
12
হুট করেই কোনো একটা বিপদে পড়েছেন, কিংবা কোনো একটা প্রয়োজন পড়েছেন, এমন সময় পরিচিত কোনো ভাইবন্ধুর কাছে টাকা চেয়েছেন, তিনি সাথে সাথেই ব্যবস্থা করে দিয়েছেন! তার মানে এই নয় যে, উনি আপনার জন্য টাকা নিয়ে বসে ছিলেন। অথবা এমনও যে, উনি নিজেই অনেক টাকার মালিক। অথবা, লোকাল বাসে আপনার ভাড়াটা পরিচিত কেউ একজন দিয়ে দিয়েছেন, কিংবা রেস্টুরেন্টে খেতে বসেছেন, আর আপনার বিলটাও অপর পাশের কেউ একজন দিয়ে দিয়েছেন। এর মানে এই নয় যে তার বা তাদের সবার মানিব্যাগ ভর্তি টাকা আছে। অথবা তাদের ব্যাংক-ব্যালেন্স অনেক আছে। কিংবা তাদের স্যালারি রেঞ্জও অনেক বেশি। কেউ আপনার খাবারের বিল আগে দিয়ে দিয়েছে বলে অথবা বাস ভাড়া দিয়ে দেওয়া মানে এই নয় যে, সে টাকার পাহাড়! তার টাকার পাহাড় নেই সত্য। কিন্তু, পাহাড়ের চেয়েও উঁচু একটা মন আছে! উদার একটা হৃদয় আছে। এই উঁচু মন, উদার হৃদয় আর সুন্দর মানসিকতার মানুষগুলোকে ভালোবাসুন। সময়-অসময়ে তাদের খোঁজ নিন। তাদেরকে আল্লাহ যেন অগণিত সম্পদের মালিক বানান, সেই দুআ করুন। এই ধরনের মানুষগুলো ভালো থাকা পৃথিবীর জন্যই ভালো। এদের সম্পদ হওয়া মানবতার জন্যই উপকারী। আল্লাহ এসব ভালো মনের মানুষগুলোকে ভালো রাখুন। আমাদের বিপদের মুহূর্তগুলো স্মরণ করে হলেও কি আমরা এদের জন্য দুআ করতে পারি না? #উপলব্ধি
141
13
স্বামীদের প্রতি হজরত থানভির কঠিন প্রশ্ন! হজরত থানভি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, "অনেক পুরুষ মনে করে, আমরা নারীদের পোশাক-আশাক দিই, ভরণপোষণ দিই—ব্যস, সব হক আদায় হয়ে গেছে! আমাদের আর কোনো দায়িত্ব নেই! অথচ স্ত্রীরা ঘরের যে পরিমাণ কাজ করে থাকে, তার তুলনায় ওই ভরণপোষণের টাকা কিছুই না। ওই টাকা দিয়ে এসব কাজের জন্য ফুলটাইম কোনো বুয়া বা কাজের লোকই খুঁজে পাওয়া যাবে না। যদি সন্দেহ হয়, তাহলে যাচাই করে দেখে নিতে পারেন। দেখবেন, স্ত্রী ছাড়া কস্মিনকালেও ঘরদোর ঠিক থাকতে পারে না। আপনার যদি এক লক্ষ সেবকও থাকে, তবুও তারা ঘরবাড়ি তেমনভাবে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখতে পারবে না, যেভাবে আপনার স্ত্রী রেখে থাকে।"
150
14
https://aamarangina.blogspot.com/2026/08/blog-post.html?m=1
163
15
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুসলিম সেনাবাহিনীগুলো হলো— পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর, ইরান, সৌদি; এরা। সম্ভবত র‍্যাংকিংয়ে এগিয়ে বিশেষ থাকবে মিশর, পাকিস্তান ও তুরস্ক। অথচ এই দেশগুলোর বাহিনীসমূহ মুসলমানদের রক্তে জমিন লাল করে দিচ্ছে দিনের পর দিন। কিন্তু এই দুই বাহিনীর ইতিহাস বারংবারই মুসলিম উম্মাহর সাথে গাদ্দারির ইতিহাস। মুরসিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত
1
16
প্রায়শই অন্যায়কারী প্রতিটি মানুষ মনে মনে একটা ভুল হিসাব কষে—অন্যায় করে পার পেয়ে যাওয়া খুব সহজ! কিন্তু জীবন তো আর ক্লাস টু-ত্রির অংক বইয়ের সহজ যোগ-বিয়োগ নয়। দিনশেষে হিসাব মেলানোর কাজটা প্রকৃতি নিজের হাতেই তুলে নেয়। আজ কিংবা কাল, প্রকৃতির অদৃশ্য আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার কোনো পথ খোলা থাকে না। কোনো না কোনো দিন, আপনার নিজের অপরাধই আপনাকে টেনে এনে দাঁড় করাবে সেই কাঠগড়ায়। ঢাকাই চলচ্চিত্রের সেই হাসিখুশি, চঞ্চল ও প্রতিভাবান অভিনেতা সালমান শাহর কথাই ধরুন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চব্বিশ বছরের একটা প্রাণোচ্ছ্বল তরুণকে নির্মমভাবে সরিয়ে দেওয়া হলো দুনিয়ার বুক থেকে। যে মানুষটাকে রাতে ভরসা করে জড়িয়ে ধরে ঘুমাত সালমান, যাকে মনে করত জীবনের সবচেয়ে বড় বিশ্বাস—সেই স্ত্রী সামিরাই তখন ভালোবাসার নাম করে বুনে চলেছিল প্রতারণার জাল। পরকীয়া আর গোপন সম্পর্কের চোরাবালিতে তলিয়ে গিয়ে সামিরা ও তার মা সালমানের সেই অগাধ বিশ্বাস ভেঙে ছুড়ে ফেলেছিল অন্য পুরুষের হাতে। প্রতারণা করে ধরা পড়ে যাওয়ার চরম আতঙ্ক কিংবা গোপন সম্পর্কের পথের কাঁটা সরিয়ে নেওয়ার তাগিদ থেকেই হয়তো বা শেষমেশ তারা বেছে নিল খুনের পথ। এই যে ভীষণ প্রতিভাবান আর টগবগে একটা জীবনকে সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা দুনিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়ার আয়োজন করেছিল, তার আগে সামিরা কি কখনো সালমানকে সামনাসামনি বলেছিল—“তুমি আমাকে ভীষণ যন্ত্রণা দিচ্ছ! তোমাকে আর আমার ভালো লাগে না?” হয়তো বলেনি, হয়তো বলছেও! সামিরা-আজিজদের সম্পর্কের সেই বিষাক্ত পথে ঘাতক ডনদের মতো মানুষ যুক্ত হয়েছিল টাকার লোভে—মাত্র ১২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়ে কেড়ে নিয়েছিল অপার সম্ভাবনাময় আস্ত একটা জীবন! কেটে গেল দীর্ঘ তিন দশক। যারা খুনটা করেছিল, তারা হয়তো ভেবেছিল—যাক, পার তো পাওয়া গেল! কিন্তু তিন দশক পর, ২০২৬ সালের এই ১০ আগস্টে এসে সেই অন্ধকারের নির্মম হিসাব মেলাতে শুরু করল সময়। রোববার ভোরে বিমানবন্দরের ঠান্ডা মেঝেবিল্ডিংয়ে যখন অভিনেতা ডনের হাতে হ্যান্ডকাফের ঠান্ডা লোহাটা স্পর্শ করল, ৪ নম্বর আসামি ডনকে আজ ঠিকই ধরা পড়তে হলো, মুখোমুখি হতে হলো বিচারকের। এটা তো কেবল ওপরের আদালত! আর পরকালের হিসাব? সে কথা নাহয় তোলাই থাক। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী আজ আদালতে দাঁড়িয়ে যে সত্যটা শোনালেন, তা শুনলে শরীরে কাঁটা দেয়। সামিরা আর আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের পরকীয়া আড়াল করতেই সালমানকে সরিয়ে দিতে ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকার চুক্তি করা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, সত্য চেপে রাখতে সালমানের ভাই বিল্টুকে অপহরণের চক্রান্তও করা হয়। রাজসাক্ষী রিজভী আহমেদের সেই রক্ত হিম করা পুরোনো জবানবন্দি আজ আবার জ্যান্ত হয়ে উঠল। সময় খুব অদ্ভুত জিনিস। সে অপরাধকে সাময়িক আড়াল করতে পারে, কিন্তু অপরাধের দাগটুকু মুছে ফেলার ক্ষমতা সময়কেও দেওয়া হয়নি। ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ার এক জায়গায় লিখেছিলেন— "জগতের স্বাভাবিক নিয়মের ভেতরেই এক অদ্ভুত ন্যায়বিচার লুকিয়ে থাকে; কোনো অপরাধই চিরকাল তার নিজের ছায়াকে ফাঁকি দিতে পারে না।', আপনি যদি কারো সাথে অন্যায় করেন, কারো এক চিলতে সুন্দর মুহূর্তও কেড়ে নেন, কারো নিষ্পাপ কিছু অনুভূতি কেড়ে নেন, কারো সাজানো-গোছানো কিছু স্বপ্ন কেড়ে নেন, কিংবা কারো জীবন কেড়ে নেন, ভালোবাসা-বাসী অভিনয়ে কারো বিশ্বাস ভেঙে চুরচুর করে তার জীবনটাকে বিষে বিষে ভরিয়ে দেন— তবে জেনে রাখবেন, আল্লাহ সেটার দায় আপনার কাঁধে ঠিকই ফিরিয়ে দেবেন। আপনি জগতের রবকে ফাঁকি দিতে পারবেন না কখনোই। কোনো না কোনো উপায়ে সেই নিষ্ঠুর 'ন্যাচারাল পানিশমেন্ট' আপনার দরজায় এসে ধাক্কা মারবেই। আজ না হয় কাল— ধরা আপনাকে পড়তেই হবে। মুখোশ আপনার খুলতেই হবে। রোমান দার্শনিক সেনেকা কত আগে ঠিক এই ভয়টাই দেখিয়ে গিয়েছিলেন— "Punishment may be delayed, but it is never forgotten." মানুষের চোখকে ফাঁকি দেওয়া যায়, ক্ষমতার গরম আর ছলচাতুরী দিয়ে সত্যকে মাটিচাপা দেওয়া যায়, কিন্তু ওপরওয়ালার বিচারসভা কোনোদিন ঘুমায় না। গতকালের দাপুটে লোকটা আজ যখন হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় চুপচাপ আদালতের দিকে হেঁটে যায়, তখন চারপাশের মানুষ নীরবে একটা কথাই বুঝতে শেখে—কারো বিশ্বাস ভেঙে, কারো বুকের আলো নিভিয়ে দিয়ে নিজের ঘরে প্রদীপ জ্বালানো যায় না। অন্যায়ের হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় চুকিয়ে দিতেই হয়। সালমান শাহ হত্যা মামলা তিন দশক পর আজ আমাদের আবার সেই চিরন্তন সত্যের সামনেই দাঁড় করিয়ে দিল। ~রেদওয়ান রাওয়াহা
231
17
সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে কখনো কখনো ভালোবাসার চেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়— স্যাক্রিফাইস। কারণ ভালোবাসা শুধু কাছে টেনে রাখে, কিন্তু স্যাক্রিফাইস সেই কাছাকাছিটাকে ধরে রাখতে ও থেকে থেকে যেতে শেখায়। ভুলগুলো ভুলে গিয়ে ফুলগুলো আঁকড়ে ধরে রাখতে শেখায়। ভালোবাসা বলে, “তোমাকে চাই।” আর স্যাক্রিফাইস নীরবে বলে, “তোমাকে চাই বলেই, তোমার জন্য নিজেকে আরও কিছুটা ছাড়তে পারি।” পৃথিবীতে এমন একজোড়া মানুষ কোথাও নেই— যাদের চিন্তা, অভ্যাস, চাওয়া-পাওয়া কিংবা অনুভূতিতে একশোতে একশো ভাগ মিল আছে। দুজন মানুষ মানেই দুটো আলাদা পৃথিবী। সেই দুই পৃথিবী পাশাপাশি চলতে গেলে কোথাও না কোথাও একজনকে একটু থামতে হয়, আরেকজনকে একটু এগিয়ে যেতে দিতে হয়। কখনো নিজের কথা গিলে ফেলতে হয়, কখনো অভিমানটা সরিয়ে রাখতে হয়, কখনো এমন কিছু মেনে নিতে হয়— যেটা মন থেকে মেনে নেওয়া খুব বেশি সহজ ছিল না। এই ছোট ছোট ছাড়গুলোই আসলে একটা সম্পর্ককে বড় করে তোলে। অনেক বড়! যেই বড়োত্ব নিয়ে অনাগত কাল অবধি গর্ব করা যায়। সত্যিই অধিকাংশ সম্পর্ক বড়ো কোনো ভুলের কারণেই যে ভেঙে যায়, এমন না; বরং ভেঙে যায় এই হিসাব করতে করতে— “আমি এতটা করলাম, সে আমার জন্য কী করল?” “আমি এত এত স্যাক্রিফাইস করলাম, সে একবারও করল না কেন?” “সবসময় আমিই কেন বুঝব? সে কি বুঝে নিতে পারে না?” অথচ সম্পর্ক কোনো হিসাবের খাতা নয়। এখানে সবকিছুর সমান বিনিময় হয় না। আজ হয়তো একজন বেশি দেবে, কাল অন্যজন। আজ হয়তো একজন বেশি বুঝবে, কাল ঠিকই অন্যজন বুঝবে। কারণ সম্পর্কের সৌন্দর্য সমান দেওয়া-নেওয়ার মধ্যে নয়। বরং সম্পর্কের সৌন্দর্য একে অপরকে অসম সময়েও ধরে রাখার মধ্যে। কখনো কখনো একজনের নীরব স্যাক্রিফাইস অনেক দেরিতে গিয়ে অন্যজনের চোখ খুলে দেয়। তখন তার ভেতর অনুতাপ আসে, মায়া আসে, অপরাধবোধ আসে, ভালোবাসাটা নতুন করে উপলব্ধি হয়। কিন্তু সমস্যা হলো— আমরা বেশিরভাগ মানুষ সেই উপলব্ধি আসার আগেই ক্লান্ত হয়ে যাই। একটু অপেক্ষা করার শক্তি ও সক্ষমতা থাকে না। যার ফলে ভালোবাসার মানুষটির ভুলগুলোই শুধু চোখে পড়ে, অথচ সেই ভুলগুলোর আড়ালেই যে মানুষটা আমাদেরকে ভালোবাসে, তাকে দেখার চোখটাই ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলি।” তাই সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার আগে একটু থামা উচিত। ঠান্ডা মাথায় নিজেদেরকে প্রশ্ন করা উচিত— আমি কি সত্যিই মানুষটাকে চিরতরেই হৃদয় থেকে হারাতে চাই, না কি শুধু আমি আমার জেদ, কষ্ট আর অভিমানটাকেই জিতিয়ে দিতে চাই? মানুষটাকে হারিয়ে ফেলাই কি মূল সমাধান? না কি দুজন মিলে, নিজেদের কিছুটা অহংকার আর অভিমান এক পাশে রেখে, আরেকটু চেষ্টা করে দেখাটাই হতে পারে উত্তম সমাধান? কারণ সব দূরত্বের শেষটা কিন্তু বিচ্ছেদ নয়। সব অভিমানের শেষও বিচ্ছেদ হতে নেই। সম্পর্ককে শুধু একটু সময় দিতে হয়— যাতে ক্ষতগুলো শুকিয়ে আসে। কিছু মানুষকে একটু গভীরভাবে বুঝতে হয়— তাদের কথার চেয়ে বরং নীরবতাগুলোকেই বেশি সময় নিয়ে পড়তে হয়। আর কিছু অভিমানকে এক্কেবারেই ফেলে দিতে হয় না; শুধু হৃদয়ের গহীন গহনের ভালোবাসার ভেতর একটু জায়গা করে দিতে হয়। একটা সম্পর্ক তখনই সত্যিকার অর্থে টিকে থাকে, যখন দুজন মানুষই সম্পর্কটাকে জেতাতে চায়। সেখানে কে জিতল, কে হারল— সেই প্রশ্নটা আর থাকে না। কারণ সম্পর্ককে জিতিয়ে দিতে হলে নিজের অহংকারকে হারাতে হয়। কখনো নিজের জেদ ভাঙতে হয়। কখনো নিজের কিছু প্রত্যাশাকে কবর দিতে হয়। আর হ্যাঁ— কখনো কখনো অপর পাশের মানুষটাকেও ভাঙতে হয়। তবে সেই ভাঙাটা ধ্বংস করার জন্য নয়; বরং তার ভেতরে জমে থাকা ভুল ধারণা, অহংকার, অভিমান আর দূরত্বগুলো ভেঙে তাকে নতুন করে তৈরি করার নেওয়ার জন্য। একটা ভাঙাচোরা লোহা যেমন আগুন, হাতুড়ি আর অসংখ্য আঘাতের মধ্য দিয়ে একদিন সুন্দর কোনো আকৃতি পায়, তেমনি একটা ভাঙাচোরা সম্পর্কও কখনো কখনো অসংখ্য কষ্ট, ভুল বোঝাবুঝি আর চোখের জলের ভেতর দিয়ে নতুন একটা সৌন্দর্য খুঁজে পায়। তবে এক্ষেত্রে শুধু একটা জিনিসই দরকার, তা হলো— দুজনেরই শেষ পর্যন্ত থেকে যাওয়ার ইচ্ছা। কারণ, ভালোবাসা মানে শুধু সুন্দর সময়ে পাশে থাকা নয়। ভালোবাসা মানে— মানুষটার খারাপ সময়েও তাকে ছেড়ে না গিয়ে, তার ভাঙাচোরা অংশগুলোসহ তাকে ভালোবেসে যাওয়ার চেষ্টা করা। সব সম্পর্ক নিখুঁত হয় না। সব মানুষও নিখুঁত নয়। কিন্তু দুজন মানুষ যদি সত্যিই একে অপরকে হারাতে না চায়, তাহলে অনেক অসম্পূর্ণতার মাঝেও একটা সম্পর্ক অসম্ভব সুন্দর হয়ে উঠতে পারে। শেষ পর্যন্ত সম্পর্ক টিকে থাকে ভালোবাসায়, কিন্তু সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখে— দুজন মানুষের একসাথে চেষ্টা করার ইচ্ছেটা। আর যে সম্পর্কের জন্য দুজন মানুষই লড়তে জানে, ও লড়ার আগ্রহ রাখে, সত্যিই সেই সম্পর্ককে পৃথিবীর কোনো ঝড়ই সহজে ভেঙে দিতে পারে না। পারে না মানে পারে না— সোজা হিসাব! #উপলব্ধি
184
18
একবার ফোনের 'কন্টাক্ট লিস্ট'-এ চোখ বুলিয়ে দেখুন তো! কত শত শত নাম আর নম্বরের ভিড়, তাই না? কিন্তু কখনও কি গভীর ও নিঝুম রাতে কিংবা জীবনের কোনো চরম মানসিক সংকটের সময় ভেবে দেখেছেন— যদি হুট করে আপনার কাউকে ভীষণ প্রয়োজন হয়ে পড়ে, তবে কোনো দ্বিধা বা সংকোচ ছাড়াই মন খুলে এদের মধ্য থেকে কাকে একটা ফোন দিতে পারবেন? হিসেব কষতে বসলে দেখবেন, শত শত নামের ভিড় ঠেলে হয়তো খুব জোর দুজন কি তিনজনের মুখ ভেসে উঠছে। তাহলে তালিকার বাকি এই বিশাল মিছিলটা আসলে কাদের? তারা আর কেউ নয়; কেবল আপনার ফোনের মেমোরি আর সামাজিক পরিধি ভারী করার মতো কিছু 'পরিচিত মুখ'। জীবনের কোনো এক অলস মোড়ে হয়তো তাদের সাথে সংক্ষিপ্ত একটু সময়ের জন্য দেখা হয়েছিল, কিছু আনুষ্ঠানিক হাসিমুখ আর কুশল বিনিময় হয়েছিল—কিন্তু হৃদয়ের গহীনে 'আপন মানুষ' হয়ে ওঠার রসায়নটুকু তাদের সাথে কখনোই তৈরি হয়নি। 'নিজের মানুষ' তো আসলে তারা— যাদের সামনে দাঁড়াতে কোনো কৃত্রিম মুখোশ পরতে হয় না, কোনো সাজানো অভিনয়ের প্রয়োজন পড়ে না। যাদের কাছে নিজের সমস্ত দুর্বলতা, নিঃসঙ্গতা আর না-বলা কষ্টগুলো কোনো দ্বিধা ছাড়াই উজাড় করে দেওয়া যায়।
202
19
আমরা যখন কোনো গ্রুপ ফটো তুলি, ছবিটা হাতে আসতেই সবচেয়ে আগে কার মুখটা জুম করে দেখি? নিজের মুখটাই তো, তাই না? ভাবি, "আমাকে কেমন দেখাচ্ছে! যদি সেই ছবিতে নিজেকে একটু খারাপ বা অদ্ভুত দেখায়, তবে বাকি ৯-১০ জনকে কত সুন্দর দেখাচ্ছে— তাতে আমাদের আর কিছুই আসে-যায় না। আমরা সোজাসুজি বলে দিই, "ভাই, ফটোটা ডিলিট কর, একদম বাজে এসেছে! জীবনটাও ঠিক এমনই। আমাদের কাছে মনে হয় সবাই আমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে, আমাদের নিয়েই ভাবছে। কিন্তু সত্যি বলতে, কারও এত সময় বা চিন্তা নেই; সবাই যার যার নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত। তাই অন্য কে কী ভাবল, তা নিয়ে অযথা চিন্তা করা বন্ধ করুন। অহেতুক এই ভেবে নিজের জীবনকে থমকে রাখবেন না। লোকের ভাবনার ভয় ছেড়ে নিজের জীবনকে মুক্ত আলোয় উপভোগ করুন, কারণ সবাই শুধু তার নিজের গল্পটারই হিরো।🩶
217
20
এই দিন সেই সময় ২৪ এর এই দিনে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। আমি অনেক ভাইকে দেখলাম, তাদের সাথে কথা বলা যাচ্ছে না। তাদের দিকে তাকানো যাচ্ছে না। কেউ কেউ ভীষণ শক্তপোক্ত মনের অধিকারী হলেও, কেউ কেউ ভেঙেচুরে মনে হয় সেদিন মিসমার হয়ে গেছে। আমার খুবই কাছের দুজন ভাই— যারা সে সময়কার সেক্রেটারিয়েট মেম্বার, আমার কাছে তখন কী করা যায়— পরামর্শ চেয়েছিলেন, সেক্রেটারিয়েট/পরিষদ বৈঠকে তোলার জন্য। আমি নিজের ছোট্ট বুদ্ধিতে যদ্দূর ধরে, সে আলোকে কী কী পরামর্শ যেন দিয়েছিলাম, ভুলেও গেছি। তবে একটা ব্যাপার মনে আছে। আমি তখন কারো কারো ভেঙে পড়া কিংবা হতাশা দেখে আমার মনে সেই বিশ্বাস— আল্লাহর পরিকল্পনা মানুষের ভাবনার চেয়েও বেশি গভীর— মজবুত ও গভীর হয়ে ওঠে। তাই সেদিন নিষিদ্ধকরণের পেছনের দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা ও সুফল নিয়ে ছোট্ট একটি লেখা লিখেছিলাম। লেখাটি আমার এক সময়ের ওয়ার্ড ও থানা সভাপতি (তৎকালীন পরিষদ সদস্য) ভাইকে দিয়েছিলাম। তিনি তখন আমাকে জানালেন, "আজকে নুরুল ইসলাম ভাই (বর্তমান কেন্দ্রীয় সভাপতি) এই লেখাটিই আমাদের ফরোয়ার্ড করেছেন!" শুনে তখন বুকটা এক অদ্ভুত প্রশান্তি ও তৃপ্তিতে ভরে উঠেছিল। তখন সত্যিই অনেক বেশি ভালো লেগেছিল। মনে মনে অনুধাবন করতে পারছিলাম— আমার এই ক্ষুদ্র অনুভূতি হয়তো কেন্দ্র থেকে শুরু করে একদম উপশাখা পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলতে পেরেছিল। ঘোর হতাশার ও অন্ধকার সময়ে আশার পেয়ালায় অন্তত অল্প একটুখানি হলেও হয়তো সঞ্জীবনী পানি ঢালতে পেরেছিল! লেখাটি আমি ফেসবুকে পোস্ট করেছি। ফেসবুক সেটা রিমুভ করে দেয়। এরপর সেটা টেলিগ্রামে পোস্ট করি। আজকে লেখাটি আবার পড়লাম, একটু আগে। নতুন করে পড়ে এক গভীর স্মৃতিকাতরতা আমায় গ্রাস করল। আর একই সাথে মনে পড়ে গেল— আল্লাহ কত চমৎকারভাবেই না মানুষের দিন ঘুরিয়ে দেন! যে চরম স্বৈরাচারী ও নিপীড়ক আওয়ামী শক্তি সেদিন জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করে উৎফুল্ল হয়েছিল, আজ সময়ের বিচারে তারা নিজেরাই জনগণ থেকে ধিক্কৃত ও নিষিদ্ধ। তারা আজ দেশছাড়া, দিগ্বিদিক শূন্য। অন্যদিকে, যাদের স্তব্ধ করে দেওয়ার চক্রান্ত করা হয়েছিল, সেই জামায়াতে ইসলামীই আজ দেশের প্রধান বিরোধী দল। সময়ের পরিক্রমায় তারা দেশের শাসকও হয়ে উঠবেন বৈকি! এমনকি যে রাজধানী কোনোদিন তাদের সেভাবে গ্রহণ করেনি, সেই রাজপথ ও রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসনে জনগণ আজ তাদের বিজয়ী করে ঘরে তুলেছে। "আর তারা কৌশল করেছিল, আল্লাহও কৌশল করেছিলেন। আর আল্লাহই শ্রেষ্ঠ কৌশলী।" (সূরা আল-ইমরান: ৫৪) আজ মনে প্রশ্ন জাগে— জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের প্রতিটা স্তরের দায়িত্বশীল ও কর্মীরা কি আল্লাহর এই অসীম, অভাবনীয় অনুগ্রহের উপযুক্ত শুকরিয়া আদায় করতে পারছে? কিংবা সেই চেষ্টাটুকুনও করে? ~রেদওয়ান রাওয়াহা
254