fa
Feedback

فریب کلاهبرداران را نخورید! تل‌متریو این کانال‌ها را شناسایی و برچسب‌گذاری می‌کند 👉 برای مشاهده برچسب، اشتراک تهیه کنید

Redwan Rawaha

Redwan Rawaha

رفتن به کانال در Telegram

লেখালেখি কলমের যতো আয়োজন তা দিয়ে হই যেনো প্রভুর প্রিয়জন

نمایش بیشتر
820
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-27 روز
-730 روز

در حال بارگذاری داده‌ها

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
نوامبر '26
نوامبر '260
در 0 کانال‌ها
اکتبر '26
+8
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '26
+11
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '26
+3
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '26
+2
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '260
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '26
+5
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+8
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+8
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+57
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+20
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+6
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+10
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+15
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+13
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+5
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+3
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+6
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+13
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+10
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+6
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+13
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+14
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+15
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+26
در 1 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+10
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+20
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '24
+59
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '24
+29
در 1 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '24
+32
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '24
+42
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '24
+34
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '24
+34
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '24
+56
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '24
+68
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '23
+85
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '23
+55
در 1 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '23
+109
در 1 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '23
+15
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '23
+20
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '23
+14
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '23
+8
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '23
+20
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '23
+9
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '23
+25
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '23
+12
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '23
+14
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '22
+10
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '22
+4
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '22
+15
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '22
+16
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '22
+42
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '22
+52
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '22
+22
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '22
+22
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '22
+13
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '22
+51
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '22
+26
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '22
+21
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '21
+27
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '21
+14
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '21
+35
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '21
+36
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '21
+254
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
08 نوامبر0
07 نوامبر0
06 نوامبر0
05 نوامبر0
04 نوامبر0
03 نوامبر0
02 نوامبر0
01 نوامبر0
پست‌های کانال
2
https://youtu.be/JjxkklLSkws?si=sRoO6eEO7g2IOcLc
1
3
https://youtu.be/RyB2hjR6y00?si=rwgwgQ8SvjK8_KIf
84
4
পড়াশোনা না করে চাপাবাজী করলে এমন মূর্খতাসুলভ কথাবার্তা বের হওয়াটাই স্বাভাবিক। খাদিজা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) নিজ হাতে রান্না বা ঘরের কাজ করতেন, যা সহিহ সনদে প্রমাণিত। সহিহ হাদিস ও সিরাত গ্রন্থাবলি থেকে জানা যায় যে, তিনি অত্যন্ত ধনবতী ও সম্মানিত নারী হওয়া সত্ত্বেও স্বয়ং নিজের হাতে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর খিদমত করতেন এবং খাবার পরিবেশন করতেন। খাদিজা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) রাসুলুল্লাহ ﷺ হেরা গুহায় অবস্থানকালীন সময়ে (৫৫ বছর বয়সেও) সাধারণ দালানের তলার হিসেবে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ তলা ভবনের সমান উঁচু জায়গায় খাবার দিয়ে আসতেন! বর্তমানে নতুন ও সুন্দর সিঁড়িপথ করে দেওয়ার পরেও খাড়া পাহাড় বেয়ে ওপরে উঠতে একজন সুস্থ ও শারীরিকভাবে ফিট মানুষের প্রায় ৪৫ থেকে ৯০ মিনিট (১ থেকে ১.৫ ঘণ্টা) সময় লাগে। সেই পাহাড়ে প্রায় ১,২০০ থেকে ১,৭৫০টি সিঁড়ি আছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার জিবরাঈল (আ.) রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এসে বললেন, "হে আল্লাহর রাসুল! এই যে খাদিজা আপনার কাছে আসছেন, তাঁর সাথে একটি পাত্র রয়েছে, যাতে তরকারি ও খাবার (কিংবা পানীয়) আছে। তিনি যখন আপনার কাছে পৌঁছাবেন, তখন আপনি তাঁকে তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে এবং আমার পক্ষ থেকে সালাম জানাবেন এবং তাঁকে জান্নাতে মোতি দ্বারা নির্মিত এমন একটি প্রাসাদের সুসংবাদ দেবেন, যেখানে কোনো শোরগোল থাকবে না এবং কোনো কষ্টও থাকবে না।" [ সহীহ বুখারী, হাদিস নং- ৩৮২০ ]
111
5
এই মহাশয়তানটার একেবারে বেইসিক আদবও জানা নেই কীভাবে আম্মাজান খাদিজা রাদিআল্লাহু আনহাকে মেনশন করতে হয়। আর এই শয়তানটাই কি না ইসল
এই মহাশয়তানটার একেবারে বেইসিক আদবও জানা নেই কীভাবে আম্মাজান খাদিজা রাদিআল্লাহু আনহাকে মেনশন করতে হয়। আর এই শয়তানটাই কি না ইসলাম শিখাইতে আসে...!
93
6
ইসলামি রাজনৈতিক দলের সমর্থক কিছু মানুষের মানসিকতা দেখে অবাক হই। হুজুরদের অপদস্থ হতে দেখলে তারা খুব আনন্দিত হয়। তাদের মিম পেজগুলোতে আনন্দের হল্লা বয়ে যায়। তারা ভাবে, হুজুরদের প্রভাব বা জনপ্রিয়তা কমলে তাদের প্রভাব বাড়বে। আপনারা নিজেরা কি হুজুরদের বাইরে? মানুষ কি তা মনে করে? সারা দেশে আপনাদের প্রতিনিধিত্ব কারা করে? আপনাদের এমপি হয়ে সংসদে কারা এসেছে? মানুষ কাদের দেখে আপনাদের সমর্থন করে? একটু খোঁজখবর নিয়ে দেখেন। সম্প্রতি যে মোল্লা ক্লাস ওয়ানের এক শিক্ষার্থীকে চুমু দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে বা চুমু দিয়ে চড় খাইলো, সে কি কওমি মোল্লা? সে একটা আলিয়া আলিম মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল। তার এবং ওই আলিয়া আলিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের চেহারা-সুরত দেখলে বুঝবেন, তারা মূলত আপনাদের ঘরানার মানুষ। পাঁচই আগস্ট কেন এসেছিল এই দেশে? ইসলামপন্থী ও হুজুরদের ব্যাপারে সহনশীল তরুণ প্রজন্মের কারণে যাদের অনেকেরই শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল কোনো মাদরাসায় বা হুজুরদের কাছে। আবার এখন যে ভাটার টান এসেছে, মাদ্রাসাগুলো আক্রান্ত হচ্ছে, বেইজ্জত হচ্ছে, অজনপ্রিয় হচ্ছে, এর অনিবার্য প্রভাবও সমাজ ও রাজনীতিতে পড়বে। হুজুরদের পাশাপাশি আপনাদের প্রভাব ও জনপ্রিয়তাও কমবে। ইসলাম-বিদ্বেষী ও উগ্র সেকুলাররা আবার জনপ্রিয় ও শক্তিশালী হবে। এই দেশে শাহাবাগে জনসমুদ্র দেখেছিলাম কয় বছর হলো? সবাই কি আওয়ামী লীগ করতো বা টাকা খেয়ে সেখানে গেছিল? এটা জোয়ার-ভাটার দেশ, জোয়ারের পানিতে খলবল খলবল কইরা খালি উজায়েন না, বরং বালির বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন।
6
7
Summary: ইসলাম ভালো লাগে না। কারণ ইসলাম বউ ছাড়া অন্য মেয়েদের শরীর দেখার সুযোগ দেয় না। এজন্য কাফির-মুশরিক হয়ে গেছি।😅
Summary: ইসলাম ভালো লাগে না। কারণ ইসলাম বউ ছাড়া অন্য মেয়েদের শরীর দেখার সুযোগ দেয় না। এজন্য কাফির-মুশরিক হয়ে গেছি।😅
161
8
বহুরূপী রুমিন ফারহানার সর্বশেষ পোস্টটা ছিল মারাত্মক বিরক্তিকর। পোস্ট পড়ার পর তাকে গণ্ডমূর্খ ছাড়া দ্বিতীয় কিছু মনে হয় নি। একেবারেই থার্ডক্লাস! মাথায় যেন পচা জৈবসার ছাড়া কিছুই নেই। সে তার পোস্টে ২২টি কবীরা গুনাহ, বান্দার হক নষ্টের পাপ এবং চারিত্রিক স্খলন টেনে এনে বলেছে যে, এগুলো করলে ধর্ম যায় না; ধর্ম যায় শুধু পূজায় গেলে, তাদের আয়োজনে একাত্মতা ঘোষণা করলে! ও কোন লেভেলের ব্যারিস্টার, আমার বুঝে আসে না। দুনিয়াবি নথিতে ব্যারিস্টার হলেও দ্বীনের চোখে আবু জাহিলদের প্রেতাত্মা ছাড়া আর কিছুই নয় সে। কথাটা কঠিন মনে হলেও বাস্তবতা এমনই। কেউ আবার রদ করতে উঠেপড়ে লেগে যাবেন না। ১৫ দিন পর রদ করার চিন্তা করবেন। জাস্ট চুপচাপ হজম করুন। আল্লাহ বানিয়েছেন ওকে নারী করে। তাতে সে খুশি নয়। হতে চায় Lজি। ওই নিষিদ্ধ গ্রুপের সাথে তার সখ্যতা দেখার মতো। অথচ ২২টি ভয়াবহ গুনাহ উল্লেখ করলেও বেডা আক্তার বেডিদের সাথে যে তার দহরমমহরম, সেটা নিয়ে লিখল না। বলল না যে, বেডা মানুষ বেডি সেজে কাছে আসলে ধর্ম যায় না। অথচ এখানে স্পষ্ট কুফরি বিদ্যমান। বাকি উল্লিখিত ২২টিতে স্পষ্ট কুফরি নেই। সে আইনজীবী। কোর্ট-টাই পরে আদালতে চক্কর খায়। আইনের নানান শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কে সে জানে। সেভাবে জেরাও করে। অথচ পূর্ণাঙ্গ দ্বীন, তথা ইসলামের নিষিদ্ধ কাজের ক্যাটাগরি সম্পর্কে ন্যুনতম ধারণা নেই। কে বলেছে এরা শিক্ষত? এরা জ্ঞানগত প্যারালাইজড। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ হলে দেওয়ানি মামলা হয়। কাউকে জানে মেরে রাস্তায় ফেলে রাখলে হয় ফৌজদারি মামলা। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি করলে হয় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা। এই সাধারণ জিনিস বুঝলেও তারা ধর্মে সব একাকার করে ফেলে। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ হলে যদি তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা না হয়, তাহলে কেন ভাই বোনের সম্পত্তি না দিলে তার ধর্ম একেবারে চলে যাবে? উদাহরণ দিলাম সহজ করে বোঝানোর জন্য। জাস্ট চোখে একটা খোঁচা দিলাম আরকি! পাগলকে খুঁচিয়েই কী লাভ! বেশি খোঁচালে হিজড়ার মতো তালি দিয়ে কাপড় খুলে বুনো নাচ দেবে। ঠিক এই সময়ে যদি কেউ বলে "ওর ঈমান নেই, পাক্কা বে-ঈমান এবং তার অবস্থান জেনেও যারা সমর্থন দেবে তারাও শর্তসাপেক্ষে বে-ঈমান" তাহলে একটুও মুখ খুলব না৷ চুপচাপ শুনেই যাব। কোনো রদ করব না৷ বলতে দিব। ১ মাস বলতে থাকবে। সাওবানের মতো আদর্শিক ধাক্কা দিতেই থাকবে। পুরো জনপদে ছড়িয়ে দেবে। তারপর যদি ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় তারপর ইলমের কলম নিয়ে ইলমি ব্যাখ্যা নিয়ে আসব। সবসময় তড়িৎ রদ মোটেও ভালো নয়।
161
9
بدون متن...
140
10
উম্মুল মুমিনীনদের নিয়ে ১০টি অজানা ও প্রামাণ্য ঐতিহাসিক তথ্য ১. বয়সে নবীজি ﷺ-এর চেয়ে বড় ছিলেন দুজন হযরত খাদিজা (রা.) ও হযরত সাওদা (রা.), দুজনই নবীজি ﷺ-এর চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন। তবু তাঁরা নবীজির পাশে যেভাবে থেকেছেন, তা ভালোবাসা আর ত্যাগের এক অসাধারণ উদাহরণ। ২. কুরাইশের নানা গোত্রে বিয়ে নবীজি ﷺ কুরাইশের শুধু একটি শাখায় নয়, অনেক শাখাতেই বিবাহ করেছেন। তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে ছিলেন বনু আসাদ, বনু তাইম, বনু আদি, বনু মাখযুম ও বনু উমাইয়্যার নারীরা। ৩. ফুফাতো বোনও ছিলেন উম্মুল মুমিনীন হযরত যয়নব বিনতে জাহশ (রা.) ছিলেন নবীজি ﷺ-এর ফুফাতো বোন। তাঁর বিয়ের কথা কুরআনের সূরা আল-আহযাবের ৩৭ নম্বর আয়াতে এসেছে। ৪. একমাত্র কুমারী স্ত্রী আয়েশা (রা.) নবীজি ﷺ-এর স্ত্রীদের মধ্যে একমাত্র হযরত আয়েশা (রা.)-কেই তিনি কুমারী অবস্থায় বিয়ে করেছিলেন। প্রচলিত গণনা অনুযায়ী, তিনি ২,২১০টি হাদিস বর্ণনা করেছেন। ৫. সাফিয়্যা (রা.)-এর শেকড় বনি ইসরাঈলে হযরত সাফিয়্যা বিনতে হুয়াইয় (রা.) ইহুদি বংশের মেয়ে ছিলেন। ঐতিহাসিক বর্ণনায় পাওয়া যায়, তাঁর বংশ বনি ইসরাঈলের নবীদের সঙ্গে যুক্ত। ৬. তিন জায়গায় শায়িত উম্মুল মুমিনীনরা হযরত খাদিজা (রা.) শায়িত আছেন মক্কার জান্নাতুল মু‘আল্লায়, আর হযরত মায়মুনা (রা.) সারিফে। নবীজি ﷺ-এর বেশির ভাগ স্ত্রীকে দাফন করা হয়েছে মদিনার জান্নাতুল বাকিতে। ৭. হাবশায় হয়েছিল উম্মে হাবিবা (রা.)-এর বিয়ে হযরত উম্মে হাবিবা (রা.) হাবশায় অবস্থানকালে নবীজি ﷺ-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বর্ণনা অনুযায়ী, নাজাশি বাদশাহ নিজেই বিয়ের আয়োজন করেন এবং দেনমোহরও আদায় করে দেন। ৮. জুওয়াইরিয়া (রা.)-এর বিয়েতে মুক্তি পান অনেক বন্দি নবীজি ﷺ হযরত জুওয়াইরিয়া (রা.)-কে বিয়ে করার পর সাহাবিরা বনু মুস্তালিক গোত্রের বহু বন্দিকে মুক্ত করে দেন। আয়েশা (রা.) বলেছিলেন, নিজের গোত্রের জন্য তাঁর চেয়ে বরকতময় আর কেউ হননি। ৯. নবীজি ﷺ-এর জীবদ্দশাতেই বিদায় নেন দুজন হযরত খাদিজা (রা.) ও হযরত যয়নব বিনতে খুযাইমা (রা.) নবীজি ﷺ-এর জীবিত থাকতেই ইন্তেকাল করেন। খাদিজা (রা.) ছিলেন ইসলামের শুরুর দিনগুলোর অন্যতম বড় ভরসা, আর যয়নব (রা.) পরিচিত ছিলেন ‘উম্মুল মাসাকিন’, অর্থাৎ গরিবদের মা নামে। ১০. উম্মুল মুমিনীনদের মধ্যে সর্বশেষ ইন্তেকাল করেন কে? রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ওফাতের পর উম্মুল মুমিনীনদের মধ্যে হযরত উম্মে সালামা (রা.) দীর্ঘকাল জীবিত ছিলেন। তাঁর ইলম, প্রজ্ঞা ও হাদিস বর্ণনা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে আছে। . রেফারেন্স: সহীহ আল-বুখারী, হাদিস নং ৩৮১৭, ৫০৭৭ ও ৭৪২০। জামে আত-তিরমিযী, হাদিস নং ৩৮৯২। সুনানে আবি দাউদ, হাদিস নং ২০৮৬ ও ৩৯৩১। ইবনে সা‘দ (রহ.), আত-তাবাকাতুল কুবরা, খণ্ড ৮। ইবনে হাজার আল-আসকালানী (রহ.), আল-ইসাবা ফী তাময়ীযিস সাহাবা। ইবনে কাসীর (রহ.), আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ। অনুসন্ধানটি তরুণ লেখক আরিফুল ইসলামের
135
11
কিছু বিশ্বাসঘাতকতা আছে, যেগুলোর পর মানুষ কাঁদতেও ভুলে যায়। কারণ, কিছু কষ্ট মানুষকে কাঁদায়, মানুষও কাঁদে। কিন্তু কিছু কষ্ট এতটাই গভীর হয়, এতটাই যে, তখন মানুষ কাঁদার শক্তিও হারিয়ে ফেলে। কষ্টের তীব্রতা, বেদনার ভয়াবহতা এতটাই তীব্র হয়, এতটাই যে, চোখ থেকে অশ্রু-সমুদ্র নামিয়েও তার কোনো কূল-কিনারা করা যায় না। তখন মানুষ অনবরত শুধু একটা শূন্যতার মধ্যেই ডুবে যেতে থাকে— সে বুঝতেই পারে না, তার সঙ্গে ঠিক কী হয়েছে, কেন হয়েছে? সে অবিরত নিজেকে প্রশ্ন করে যায়— আমি ঠিক কী হারিয়েছি? একটা মানুষ? একটা সম্পর্ক? না কি সেই মানুষটাকে বিশ্বাস করতে গিয়ে নিজের ভেতরে যে নিষ্পাপ সত্তাটাকে এত যত্ন করে বাঁচিয়ে রেখেছিলাম, তাকেও? সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, যে মানুষটা একসময় আপনার ছোট্ট পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় ছিল, সেই মানুষটাই যখন আপনার বিশ্বাস ভেঙে দেয়, তখন আপনি সারাজীবনের জন্য এমন এক অনিরাপত্তার মধ্যে পড়ে যান, যেখান থেকে বেরিয়ে এসে আপনি আর কোনোদিন পুরোপুরি নিরাপদ বোধ করতে পারবেন না। তারপরও এই পৃথিবীর মানুষগুলো আপনাকে শেখাতে আসে—ক্ষমা করে দাও, সব ভুলে যাও, স্বাভাবিক হয়ে যাও। ক্ষমা করা মহত্ত্বের লক্ষ্মণ, ইত্যাদি কত হরেকরকম নসিহত। কিন্তু কেউ একবারও জানতে চায় না, ঠিক কতটা ভেঙে গেলে একজন মানুষ নিজের সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোকেও ঘৃণা করতে শুরু করে? কতটা প্রতারিত হলে সে নিজের অতীতের দিকে ফিরে তাকিয়ে প্রশ্ন করে— আমি কি সত্যিই ভালোবাসা চিনেছিলাম, নাকি নিজের সমস্ত আবেগ দিয়ে একটা মিথ্যেকে সত্যি ভেবে বেঁচে ছিলাম? ঠিক এখানেই এসে ক্ষমা করার প্রশ্নটা আর এত সহজ থাকে না। কারণ, ক্ষমা করা কিংবা না করার কথা তখনই আসে, যখন কোনো অন্যায় হয়— আর সেই অন্যায়ের পরে অপর মানুষটার ভেতরে অন্তত একটু হলেও অনুতাপ থাকে। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে অবিচারটা এতটাই জঘন্য, এতটাই নির্মম হয়ে ওঠে যে, সেখানে “ক্ষমা” শব্দটাই যেন সেই অপরাধের প্রতি আরেকটা অবিচার হয়ে দাঁড়ায়। সব আঘাত মানুষকে শুধু কষ্ট দিয়েই থেমে থাকে না। বরং কিছু কিছু আঘাত মানুষকে ভেতর থেকে বদলে দেয়। মানুষের প্রতি তার বিশ্বাস বদলে যায়। ভালোবাসার সংজ্ঞা বদলে যায়। কাছের মানুষ বলতে সে যাদের চিনত, তাদের সম্পর্কেও তার ধারণা বদলে যায়। আপনার কোনো বন্ধু, কোনো আপনজন, কোনো রক্তের সম্পর্কের মানুষ আপনাকে কষ্ট দিলে— হয়তো একদিন সে নিজের ভুল বুঝবে। হয়তো অনুতপ্ত হবে। হয়তো সময়ের সাথে জমে থাকা অভিমানগুলো একটু একটু করে ঝরে পড়বে। কারণ রক্তের সম্পর্কের মানুষদের সঙ্গে একটা অদৃশ্য টান থেকেই যায়। রাগ হয়, অভিমান হয়, দূরত্ব হয়— তবুও হৃদয়ের কোনো একটা জায়গায় মনে হয়, “এই মানুষটা তো আমারই।” কিন্তু যে মানুষটা আপনার রক্তসম্পর্কের কেউ ছিল না... যার সঙ্গে আপনার কোনো পারিবারিক সম্পর্ক ছিল না... তাকে যখন আপনি পৃথিবীর সবার চেয়ে বেশি বিশ্বাস করেন, সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন, নিজের সুখ-দুঃখের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলেন, নিজের একটা অংশ বানিয়ে ফেলেন— তখন সেই মানুষটার বিশ্বাসঘাতকতা শুধু একটা সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। সে আপনার ভেতরের সম্পূর্ণ একটা সত্তাকে, এমন একটা স্থানকে ভেঙে দিয়ে যায়, যেখানে পরে আর কাউকেই, সহজেই পরিপূর্ণভাবে ঢুকতে দেওয়া যায় না। যে মানুষটার জন্য আপনি নিজের অনেক কিছু বিসর্জন দিয়েছেন, নিজের আত্মমর্যাদা ভুলে গেছেন, নিজের দুর্বলতাগুলো তার সামনে নির্ভয়ে আর নির্দ্বিধায় প্রকাশ করেছেন— সেই মানুষটাই যখন আপনার বিশ্বাসের জায়গাটাকে ভেঙে দেয়, তখন কষ্টটা শুধু তার চলে যাওয়ার জন্যই যে হয়, ব্যাপারটা তা না। তখন কষ্ট হয় এই ভেবে— আমি যাকে এতটা আপন ভেবেছিলাম, তার কাছে কি আমি আদৌ কখনও আপন ছিলাম? যাকে হৃদয়ের অলিন্দে নির্দ্বিধায় এতটা দৃঢ়তার সঙ্গে ঠাই দিয়েছিলাম, সে কি সত্যিই আমাকে ন্যুনতম এতটুকু সম্মানও দিয়েছিল? সত্যিই এই প্রশ্নটা মানুষকে ভেতর থেকে শেষ করে দেয়। একদম শেষ করে দেয়! বিশ্বাস করুন, মানুষকে আজীবনের জন্য চুরমার করে দিতে, ভেঙে গুড়িয়ে দিতে, ভেতর থেকে উইপোকা’র মতো ক্ষয় করে দিতে, চিরতরে আত্মবিশ্বাসের পারদকে ধ্বংস করে দিতে নিজের ভেতর গড়ে ওঠা শুধু এই প্রশ্নটিই যথেষ্ট। ~রেদওয়ান রাওয়াহা #উপলব্ধি
133
12
https://aamarangina.blogspot.com/2026/10/blog-post.html?m=1
164
13
সৌদি আরব মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ডে’ জড়িত একটি ভিডিও না কি ভাইরাল হয়, যদিও সে ভিডিও এখনো পাব্লিক করা হয়নি! সে ভিডিও থেকে অভিযান পরবর্তীতে দুই বাংলাদেশিকে গ্রাপ্তার হয় দীর্ঘ তিনমাসের বিচার শেষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়! প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদালতের রায় বহাল থাকার পর রাজকীয় আদেশ জারি করে গত ১৪ অক্টোবর, বুধবার, শিরশ্ছেদের মাধ্যমে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ছেলেটির নাম নজরুল ইসলাম, বয়স আনুমানিক ১৮/২০ বছর। মেয়েটির নাম সম্ভাব্য সিথি আক্তার, বয়স জানা যায়নি। অথচ সৌদি আরবের নাগরিকদের খোলামেলা পোশাকে সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে দেখা যায়, হোটেল ও বারে পার্টির আয়োজন হয়, শুধুমাত্র কি পার্টির মধ্যে সীমাবদ্ধ (!) বাংলাদেশি গৃহকর্মীদের সঙ্গে দাসীর মতো আচরণ এবং তাঁদের ওপর যৌ*ন নি*র্যাতনের অভিযোগও বিভিন্ন সময় সামনে আসে। এখন কোশ্চেন আসে, আইন কি সবার জন্য সমান, নাকি নাগরিকত্ব ও জাতীয়তার ভিত্তিতে আইনের প্রয়োগে বৈষম্য রয়েছে? অবশ্যই, আমি উক্ত মৃত্যুদণ্ডকে সমর্থন করি। সৌদি কর্তৃপক্ষ তাঁদের অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিয়েছে, সেই শাস্তিত তারা ডিজার্ভ করে! কিন্তু প্রশ্নটা অন্য জায়গায়। প্রিন্স সালমানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বাহুল্য অভিযোগ প্রচলিত রয়েছে। শোনা যায়, তাঁর নাকি সব সময় কুমারী নারী প্রয়োজন! এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই সাপেক্ষ। কিন্তু প্রশ্ন! ক্ষমতাবানদের ক্ষেত্রেও কি একই আইন ও একই মানদণ্ড প্রযোজ্য? তাঁদের বেলায় কি একই বিধান কার্যকর হয়? তাঁদের ওপর কি এই হদ প্রয়োগ করা হয়!?
133
14
ইরাকের রাফেজীরা কীভাবে সুন্নিদের উপর নির্যাতন করেছে তার একটা উদাহরণ ইরাকে ইরানি মিলিশিয়া বাহিনী الحشد الشعبي এর সদস্যরা সিভিল ড্রেসে যে কোন বাজারে গিয়ে অবস্থান নিত। তাদের মধ্য থেকে একজন হঠাৎ করে “ইয়া ওমর” বলে ডাক দিয়ে উঠত। স্বাভাবিকভাবেই যার নাম ওমর সে আওয়াজ দিত বা “نعم " বলে পিছনে ঘুরে দেখত তাকে কে ডাকছে। তখন সাথে সাথেই এই সিভিল ড্রেসের الحشد الشعبي এর সদস‍্যরা তাকে উঠিয়ে নিয়ে গুম করে ফেলত। এভাবেই তারা শুধু মাত্র আবু বকর ওমর ওসমান আয়েশা নাম রাখার কারনে শত শত মানুষকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিয়েছে। আর আপনি এখানে বসে ইরানের গুণগান গান, সুলেমানীরে মোজাহিদ বলেন।
194
15
১০২° জ্বর নিয়ে কোনো নারীকে পরটা বানাতে বলা উচিতও না, যৌক্তিকও না। কথা সত্য। তবে, আরো সত্য হচ্ছে, কত কত শারীরিক অ-স্বস্তি নিয়ে কত বাবা প্রতিনিয়ত তাঁর সন্তানের জন্য, কত ভাই তাঁর বোনের জন্য, কত স্বামী তাঁর স্ত্রীর জন্য, কত সন্তান তাঁর মায়ের জন্য উপার্জন করছে নিজের সবটুকু শক্তি আর সামর্থ্য ঢেলে দিয়ে, সে হিসেব বা আলোচনা সমাজে গৌণ। জ্বর তো এখানে নস্যি! নিজের সন্তান, মা, বোন, স্ত্রীসহ পরিবারকে ভালো রাখার জন্য সে কী নিরন্তর ছুটে চলা! দায়িত্বশীলতার মাত্রা কতটুকু হওয়া উচিত, কতটুকু পর্যন্ত নিজেকে উজাড় করে দিলে একজন বাবা, ভাই বা স্বামীর উপর সন্তুষ্ট হয়ে যাওয়া উচিত বা যৌক্তিক, সে আলোচনাটা যেন নিতান্তই অ-প্রাসঙ্গিক! সামাজিক বাস্তবতা হলো- If you are a man, you are a money machine! A machine is just a thing that has no feelings.
266
16
বিবিসির সাবেক জনপ্রিয় সাংবাদিক আকবার হোসাইন ভাই শায়খ Ahmadullah—এর দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নিলেন। ৪০ মিনিট ধরে কথা বলেছেন। নানান প্রসঙ্গ উঠে এসেছে এপিসোডে। চমৎকার কিছু পয়েন্ট আছে সেখানে। তন্মধ্যে তিনটি পয়েন্ট আমাকে অভিভূত করেছে। ১. ইউনুস সরকারে যোগ দেওয়ার জন্য শায়খ আহমাদুল্লাহকে সব পক্ষ জোরাজুরি করেছিল। আবেগ, ভালোবাসা এবং সম্মানের সাথে চাপও প্রয়োগ করেছিল অনেক পক্ষ। তিনি চাপ নিলেন না। নিজেকে স্থির রেখে সবার আবেদন বিনয়ের সাথে নাকচ করে দিলেও তিনি মাওলানা খালিদ হোসেনের নাম সাজেশন করলেন। পরবর্তীতে সেই আ.ফ.ম খালিদ হোসেনই হলেন ধর্মমন্ত্রী। ২. সরকারের গঠনের পরে যখন জাতীয় মসজিদের খতীব নিয়োগের আলোচনা চলছিল তখনও আলোচনার শীর্ষে ছিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। ধর্মমন্ত্রী নিজে, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে এবং অন্যান্য ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের দ্বারা কনভিন্স করার যারপরনাই চেষ্টা করলেন। ব্যর্থ হলেন তারা। সাফ জানিয়ে দিলেন, তিনি খতীব পদ গ্রহণ করবেন না। এখানেও তিনি খতীব পদে নাম সাজেশন করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনিই হলেন জাতীয় মসজিদের খতীব। ৩. তিনি নিজ উদ্যোগে আধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স করছেন। প্রথম যেদিন এটা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তখন সবার উদ্দেশে বলেছিলেন, এই মসজিদে প্রতি শুক্রবারের খুৎবা আমিই দিব ইনশাআল্লাহ। তাঁর এই আশ্বাসে আশ্বস্ত হয়েই বিপুল পরিমাণ দান আসতে থাকে শুভাকাঙ্ক্ষী সাইড থেকে। মাঝপথে যদি জাতীয় মসজিদের খতীবের পদ গ্রহণ করেন তাহলে তাঁর কথার মূল্য থাকবে না। সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবেন। এটা তিনি কোনোক্রমেই চান নি বলেই জাতীয় মসজিদের দায়িত্ব তিনি নেন নি। নেওয়ার কোনো আগ্রহই তৈরি হয় নি। ভিন্ন আলাপ: আমার ক্লোজ একজন ছাত্র তাইসীর জামাতে পড়ে। ঢাকাতেই। তাদের মাদ্রাসায় সাপ্তাহিক জলসা হয়। সেখানে উন্মুক্ত আলোচনা করার সুযোগ থাকে। বিকালে এসে ছেলেটা শায়খ আহমাদুল্লাহকে নিয়ে কথা বলা শুরু করল। সে আমার কাছে খুব করে জানতে চাইল, শায়খ আহমাদুল্লাহ কওমী বিরোধী আহলে হাদীস কি না। আমি থমকে গেলাম। চিন্তিত হলাম। ভারাক্রান্ত মনে বললাম, "তোমার বয়স খুবই কম। এগুলো নিয়ে ভাববার সময় তোমার হয় নি। এছাড়া তোমার বাবা শিক্ষিত। কারোর ব্যাপারে সতর্ক করতে হলে তিনিই করবেন। তুমি জাস্ট সিলেবাসের বইগুলো ভালো করে পড়ার চেষ্টা করো।"
267
17
০১. প্রখ্যাত ওয়ায়েজ ও শিল্পী, মাওলানা তারেক মুনাওয়ারের একটা গান আছে— “আমার যখন ফুরাবে দিন, আসবে গহীন রাতি, থেকো প্রভু এই জীবনে, হয়ে চিরসাথী। আমার আমার বলে যখন কাউকে পাব না, সেদিন আমার শূন্য হিয়ায়, তুমি থেকো সান্ত্বনা।” আমার সবচেয়ে প্রিয় যে কয়টি গান আছে, এটি তার অন্যতম। শুনতে আমার কত যে ভালো লাগে, বলার মতো না। একটা সময় প্রায় প্রতি রাতেই হেডফোন গুঁজে দিয়ে গানটা শুনতাম। কী যে ভালো লাগত, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়! কত সহজ কিছু শব্দ, কত সাধারণ কিছু কথা—অথচ এর ভেতরেই যেন লুকিয়ে আছে আস্ত এক জীবনদর্শন। লুকিয়ে আছে জীবনের সবচেয়ে গভীর এক সত্য। ০২. আমরা সারাজীবন কত মানুষকেই তো আপন করে নিই, কত সম্পর্ককে ঘিরেই তো কত সহস্র স্বপ্ন দেখি। কত মানুষকেই তো দেখে মনে মনে বলি— এরা বুঝি সত্যিই কোনোদিন আমাদের ছেড়ে যাবে না! অথচ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি সম্পর্কই কীভাবে যেন বদলে যায়! কেউ দূরে চলে যায়, কেউ হারিয়ে যায়, কেউ স্বেচ্ছায় নিজেকে আড়াল করে নেয়। কেউ চোখের সামনে থেকেও নিবিড় নীরবতার কোলাহলে ডুবে যায়। আবার কেউ থেকেও যেন নেই— জীবন্ত লাশের মতো পড়ে থাকে; থাকতে হয়, তাই থাকে! এরকম ধাক্কা খেতে খেতেই একসময় মানুষ বুঝতে শেখে— এই দুনিয়ার কোনো সম্পর্কই চিরস্থায়ী নয়। তবে এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে আমাদের একজন চিরস্থায়ী সঙ্গী আছেন— তিনি আমাদের রব, মহান আল্লাহ। মানুষ আমাদের মনের কথা না বুঝলেও তিনি বোঝেন। সবাই আমাদের ছেড়ে গেলেও তিনি ছেড়ে যান না। আমরা মুখে কিছু না বললেও তিনি আমাদের চোখের পানি দেখেন। রাতের নির্জনতায় বুকের ভেতর জমে থাকা যে কষ্টগুলো কাউকে বলা যায় না, সেটিও তিনি দেখেন। সত্যি বলতে জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলো হয়তো এ কারণেই আসে— যাতে আমরা বুঝতে পারি, মানুষের ওপর নির্ভরতারও একটা সীমা আছে কিংবা রক্তে-মাংসে গড়া মানুষের ওপর আস্থা আর বিশ্বাসেরও একটা সীমা থাকা উচিত। উঁহু, বলছিলাম গানটির কথা। গানটি আমাকে শেখায়— যখন চারপাশের সব পথ বন্ধ হয়ে যায়, সবার দরজাই যখন আঁটকে যায়, তখনও কিন্তু একটি দরজা খোলা থাকে। সেটা হলো আল্লাহর দরজা। জীবনের কোনো এক গভীর রাতে যখন মনে হবে, বলার মতো কেউ নেই, বোঝার মতো কেউ নেই, পাশে দাঁড়িয়ে স্রেফ কাধে হাত দেওয়ার মতোও কেউ নেই— তখন, সেই সময়ও কিন্তু বান্দার জন্য একটি আশ্রয় খোলা থাকে। সে আশ্রয় আল্লাহর। মানুষের কাছে যে কান্না দুর্বলতা, কাপুরষতা, আল্লাহর কাছে সেই কান্নাই হতে পারে শক্তিমত্তার পরিচায়ক। তাই চোখের পানি নিয়েই তার কাছে বলা যায়— “হে আল্লাহ, সবাই না থাকলেও আপনি তো আছেন।” ০৩. আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কটা এমন এক সম্পর্ক, যেখানে অভিমান নিয়ে ফিরে আসা যায়, কান্না নিয়েও ফিরে আসা যায়, ফিরে আসা যায় পাপের ভার নিয়েও। মানুষ হয়তো আমাদের অতীতের ভুল মনে রাখে, কিন্তু তিনি অতীতকে অনায়াসেই ভুল স্বীকারের মাধ্যমে ক্ষমা করে দিতে পারেন। আল্লাহর রহমতের দরজা ভুল স্বীকার করে তওবার মাধ্যমে আবারও খুলে যায়। তাই জীবনে যতই ভাঙন আসুক, এখন আমি চাই, আমার হৃদয়ের ভেতর যেন এই বিশ্বাসই অটুট থাকে— আমার রব আমাকে ছেড়ে দেবেন না। ০৪. একদিন সত্যিই আমাদের এই পৃথিবীর সব পরিচয় শেষ হয়ে যাবে। যাদের আমরা সবচেয়ে আপন ভাবি, তারাও একদিন আমাদের বিদায় দিয়ে ফিরে যাবে। সেই শেষ যাত্রায় কেউ আমাদের সঙ্গে যাবে না। থাকবে না কোনো বন্ধু, কোনো প্রভাব, কোনো সম্পদ, কোনো যশ কিংবা খ্যাতিও। থাকবে শুধুই আমাদের আমল এবং আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশা। তাই সম্ভবত বর্তমানে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রার্থনা এটাই— হে আল্লাহ, দুনিয়ার সব আপনজন যদি একদিন দূরে সরে যায়, তবুও আপনি যেন আমার কাছ থেকে দূরে না যান। আমার হৃদয় যখন মানুষের শূন্যতায় ভারী হয়ে উঠবে, তখন আপনার স্মরণে যেন তা প্রশান্ত হয়। আর জীবনের শেষ প্রহরে যখন সত্যিই কাউকে “আমার” বলে পাওয়ার থাকবে না, তখন যেন আপনি থাকেন— আমার রব হয়ে, আমার আশ্রয় হয়ে, আমার শূন্য হৃদয়ের একমাত্র সান্ত্বনা হয়ে। #প্রার্থনা ~রেদওয়ান রাওয়াহা
743
18
একটা শ্রেণী আছে, যারা সুযোগ পেলেই ছোটখাটো একটা বিষয়কে সামনে এনে এমনভাবে দেশের মালিকানা নেওয়ার চেষ্টা করে, যেন দেশের সব সমস্যার সমাধান এই একটা বিষয়েই আটকে আছে। এর আগেও বহুবার দেখেছি, এবারও দেখা যাচ্ছে একদল নেংটা চলার স্বাধীনতা নিয়ে মাঠে নেমেছে! মেট্রোরেল, রাস্তা কিংবা যেকোনো পাবলিক প্লেসে পোশাক কেমন হবে এটা নিয়ে সমাজ, রাষ্ট্র কিংবা যে যার মতো মত দিতে পারে। কিন্তু একজন মুসলিম নারী বা পুরুষের পোশাকের মূল সীমারেখা নির্ধারণ করবে কে? একজন মুসলমানের কাছে আল্লাহর দেওয়া বিধানই তো চূড়ান্ত। মুসলিম পুরুষের জন্য সতরের যে সীমা শরিয়তে নির্ধারিত, তা অন্য পুরুষের সামনেও অকারণে প্রকাশ করা বৈধ নয়। জরুরি অবস্থা কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজন আলাদা বিষয়। অথচ ফুটবল খেলতে গিয়ে, জিমে গিয়ে কিংবা পাবলিক প্লেসে হাফপ্যান্ট পরে চলাফেরা করছেন এমন অনেক ভাই হয়তো বিষয়টা জানেনই না। যারা জানেন না, তাদের জানানো দরকার। না জেনে ভুল করা এক বিষয়। কিন্তু জেনেশুনে আল্লাহর বিধানকে তুচ্ছজ্ঞান করে, নিজেকে কুল প্রমাণ করার জন্য কিংবা ‘আমার যা ইচ্ছা তাই করব’ মানসিকতায় ফরজের সীমা ভেঙে চলা নিঃসন্দেহে ভয়ংকর ব্যাপার। তাও নাকি সেটা আন্দোলনে রূপ নিয়েছে! আল্লাহর বিধান অমান্য করার আন্দোলন! হাজারেরও বেশি ছেলে সেখানে অংশগ্রহণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। আর সবচেয়ে মজার বিষয় কী জানেন? এই একই মানুষগুলোর অনেককে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থান, নাগরিক অধিকার কিংবা মানুষের বাস্তব সংকটের প্রশ্নে খুব একটা মাঠে দেখা যায় না। তাদের ফেসবুক ওয়ালে ঢুকেও অনেক সময় দেশের মানুষের কষ্ট, অধিকার কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে তেমন কোনো মাথাব্যথা খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু পোশাকের নামে ‘স্বাধীনতা’ দেখানোর সুযোগ পেলেই যেন দেশের সবচেয়ে বড় সংকটটা এখানেই! আর আমাদের প্রথম সারির কিছু গণমাধ্যম তো আছেই। একটা ছোট বিষয়কে এমনভাবে উপস্থাপন করবে, যেন এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জাতীয় সংকট, সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে গেল, সভ্যতা শেষ হয়ে গেল! ভাই, একটু থামেন। এই দুনিয়ায় গায়ের জোর, টাকা-পয়সার গরম, মানুষের বাহবা কিংবা ‘কুল’ সাজা কোনোটাই চিরস্থায়ী না। একদিন নিঃশ্বাসটা বন্ধ হয়ে যাবে। সেদিন এই শরীর থাকবে না, অহংকার থাকবে না, বাহাদুরি থাকবে না, ফেসবুকের লাইক-কমেন্টও থাকবে না। থাকবে শুধু আমল। আর থাকবে আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে জবাব দেওয়ার পালা। তাই স্বাধীনতার কথা বলার আগে দায়িত্বের কথাটাও মনে রাখুন। নিজের পছন্দের কথা বলার আগে নিজের রবের হুকুমটাও একবার মনে করুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাঁর বিধান বুঝে, মেনে এবং আমল করার তাওফিক দিন। আমিন।
202
19
জাহির নামে এক গ্রাম্য সাহাবি ছিল নবিজির। বড় দরিদ্র সাহাবি জাহির। রোগা কদাকার। তবু নবিজি বড় ভালোবাসতেন জাহির রাদিয়াল্লাহু আনহুকে। জাহির প্রায়ই গ্রাম থেকে মদিনায় আসতেন। গ্রামে উৎপাদিত খাদ্যশস্য মদিনার বাজারে বিক্রি করতেন। জাহির মদিনায় এসেছেন আর নবিজির সঙ্গে দেখা করেননি, তা কখনো হয়নি। তিনি যখনই নবিজির দরবারে আসতেন, গ্রামের সব্জি-ফল-ফসল হাদিয়া আনতেন। জাহির যখন ফিরে যেতেন, নবিজি বড় দরদ ভরা কণ্ঠে বলতেন, জাহির আমাদের গ্রাম আমরা জাহিরের শহর। প্রিয় এই সাহাবি একদিন মদিনার বাজারে পণ্য বিক্রি করছিলেন। নবিজির কী খেয়াল হলো, তিনি চুপিচুপি জাহিরের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালেন। তারপর পেছন থেকে চেপে ধরলেন জাহিরের চোখ। ভরা বাজারে কেনাবেচার সময় এই রকম রসিকতা কারইবা ভালো লাগে! জাহির বিরক্ত হয়ে উঠলেন। চোখ ছাড়াবার জন্য তিনি জালে আটকা পড়া চিতার মতো মোচড়ামুচড়ি করতে লাগলেন— এই ছাড়ো ছাড়ো! ঠিত তখনই জাহিরের তনুমনে কাঁপন ধরিয়ে বেজে উঠল নবিজির কণ্ঠ— কেউ কি আছ আমার এই গোলামটাকে ক্রয় করবে? নবিজির কণ্ঠ শুনে বুকের ভেতর ধড়াশ করে উঠল জাহিরের। মুহূর্তে অবশ হয়ে গেল তার সর্বাঙ্গ। নিজের কানকে তিনি বিশ্বাস করতে পারলেন না। এই ব্যস্ত বাজারে তার মতো নাদান গ্রাম্য লোকের চোখ ধরেছেন নবিজি! কী অবিশ্বাস্য ঘটনা! এও কি হতে পারে! এই মুহূর্তে ঠিক কী করা যায়? কী করবেন জাহির? ভ্যাবাচ্যাকা জাহির আবেগে কতক্ষণ স্তব্ধ হয়ে থাকলেন। হঠাৎ তার মস্তিষ্কে ঝিলিক দিয়ে উঠল এক অভিনব ভাবনা। নবিজির পবিত্র বদনের সঙ্গে তার কুৎসিত শরীর ছোঁয়ানোর এই তো অপূর্ব সুযোগ! এমন সুযোগ আর তো কোনোদিন আসবে না। জাহির আর দেরি করলেন না। তার হ্যাংলা শরীর নবিজির দিকে ঠেলতে লাগলেন। নবিজি তখনো ধরে আছেন শিষ্যের চোখ। একইভাবে বলছেন— আমার এই গোলামটাকে কে ক্রয় করবে? নবিজির এই ঘোষণার ভেতরই জাহিরের পিঠ স্পর্শ করল ভালোবাসায় ভরা নবিজির পবিত্র বুকের জমিন। বন্ধ চোখে নবিশরীর স্পর্শের আনন্দটুকু তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতে লাগলেন তিনি। এভাবে কেটে গেল কতক্ষণ। একটু পর যখন ঘোর ভাঙল জাহিরের, বললেন, ইয়া রসুলাল্লাহ, আমি দরিদ্র, দেখতে কুৎসিত, শরীর বলহীন; এই ত্রুটিযুক্ত গোলাম বেচে আপনি কতইবা মূল্য পাবেন! নবিজি তখন বললেন, মানুষের কাছে তোমার দাম না থাকতে পারে, জাহির; আল্লাহর কাছে তোমার মূল্য অনেক অনেক বেশি। নবিজি ছিলেন ওহিপ্রাপ্ত মহামানব, মদিনা নগরীর মুকুটহীন সম্রাট। কিন্তু তার আচরণে নবি ও সম্রাটসুলভ কোনো ভাব-ভণিতা ছিল না। তিনি ছিলেন সহজ মানব। সবার সঙ্গে যেমন সহজে মিশতেন, তেমনি মজাও করতেন প্রাণ খুলে। চোখ বন্ধ করে জাহির রাদিয়াল্লাহু আনহুর সঙ্গে ঘটে যাওয়া মদিনা বাজারের ওই দৃশ্যটা কল্পনা করুন। আপনি অশ্রু সংবরণ করতে পারবেন না। জাহির রাদিয়াল্লাহু আনহু কি সারা জীবনে ভুলতে পেরেছিলেন এই মধুর স্মৃতির রেনু? ভুলতে পারেননি। এই ভালোবাসা ভোলা যায় না। বরং যার সঙ্গেই তার দেখা হয়েছে, ধারণা করি, শিশুদের মতো খলবল করে তাকেই শুনিয়েছেন জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতির সুবাসটুকু। এই ভালোবাসা তিনি বুকে আগলে নিয়ে যাবেন পরজীবনেও। নবিজির সঙ্গে যখন তার দেখা হবে জান্নাতে, তিনি বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে বলবেন, ইয়া রসুলাল্লাহ, আমার শরীরে এখনো আপনার আদর লেগে আছে। [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] — সংগৃহীত
176
20
শুধুমাত্র ছেলেরাই 'সিম্পিং' করে? শুধু ছেলেরাই মেয়ে দেখলে লুটিয়ে পড়ে? উঁহু— না! ভুল ধারণা। . কোনো সেলিব্রিটি, ইয়াং, স্টাইলিশ ও+6
শুধুমাত্র ছেলেরাই 'সিম্পিং' করে? শুধু ছেলেরাই মেয়ে দেখলে লুটিয়ে পড়ে? উঁহু— না! ভুল ধারণা। . কোনো সেলিব্রিটি, ইয়াং, স্টাইলিশ ও পয়সাওয়ালা ছেলের কমেন্ট বক্স চেক কইরেন; দেখবেন মেয়েদের বিশাল একটা অংশ তাদের জন্য, তাদের কাছে এক কথায় অন্তর্বাস খুলে দেবে৷ . তারাও ফ্লার্ট করে ও ফ্লার্ট এঞ্জয় করে। কিন্তু সবার সাথে না, ওয়েল এস্টাবলিশড, হ্যান্ডসাম অথবা ফেইমাস ও সম্পদশালী মানুষ দেখে৷ . আপনার মতো ছ্যাবলা, অসুন্দর, আনস্মার্ট,গাইয়া ও গরিব ছেলেরা ' ফ্লার্ট' করলে সেটা হবে মলেস্টেশন৷ . মোদ্দা কথা এ-যুগে 'সকল' মেয়েদের নিষ্পাপ ভাববেন না৷ তারাও ভিক্টিম কার্ড নিয়ে মাঠে নামে৷ অসুন্দর কেউ কথা বললেই উত্যক্তকারী হিসেবে পাব্লিকের কাছে মাইর খাওয়াবে৷ . ভদ্র ঘরের ছেলে বা মেয়ে কেউই এসব নীচ কাজে নিজেকে জড়ায় না৷ যাই হোক, তবু্ও আগে জানতাম সেক্সুয়ালি ফ্রাস্ট্রেটেড ছেলেরাই মেয়েদের কমেন্ট সেকশনে এমন করে, এখন দেখি মেয়েরাও সেইম কাজগুলি করে! 😀 এগুলো নিয়ে কথা বলতেও ভয় পায়— পাছে আবার নারী বিদ্বেষী তকমা লেগে যায় কি না!
302