770
Подписчики
Нет данных24 часа
-47 дней
-530 дней
Загрузка данных...
Похожие каналы
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Облако тегов
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Входящие и исходящие упоминания
---
---
---
---
---
---
Привлечение подписчиков
сентябрь '26
сентябрь '26
+1
в 0 каналах
август '26
+4
в 0 каналах
Get PRO
июль '26
+8
в 0 каналах
Get PRO
июнь '26
+2
в 0 каналах
Get PRO
май '26
+3
в 0 каналах
Get PRO
апрель '26
+1
в 0 каналах
Get PRO
март '26
+1
в 0 каналах
Get PRO
февраль '26
+3
в 0 каналах
Get PRO
январь '26
+4
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '25
+2
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '25
+5
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '25
+5
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '25
+1
в 0 каналах
Get PRO
август '25
+3
в 0 каналах
Get PRO
июль '25
+7
в 0 каналах
Get PRO
июнь '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
май '25
+7
в 0 каналах
Get PRO
апрель '25
+4
в 0 каналах
Get PRO
март '25
+6
в 0 каналах
Get PRO
февраль '25
+12
в 1 каналах
Get PRO
январь '25
+8
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '24
+12
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '24
+11
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '24
+9
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '24
+11
в 0 каналах
Get PRO
август '24
+12
в 0 каналах
Get PRO
июль '24
+10
в 0 каналах
Get PRO
июнь '24
+15
в 0 каналах
Get PRO
май '24
+6
в 0 каналах
Get PRO
апрель '24
+13
в 0 каналах
Get PRO
март '24
+17
в 0 каналах
Get PRO
февраль '24
+16
в 0 каналах
Get PRO
январь '24
+17
в 1 каналах
Get PRO
декабрь '23
+19
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '23
+13
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '23
+64
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '23
+34
в 0 каналах
Get PRO
август '23
+48
в 0 каналах
Get PRO
июль '23
+20
в 0 каналах
Get PRO
июнь '23
+31
в 0 каналах
Get PRO
май '23
+21
в 0 каналах
Get PRO
апрель '23
+30
в 0 каналах
Get PRO
март '23
+17
в 0 каналах
Get PRO
февраль '23
+16
в 0 каналах
Get PRO
январь '23
+30
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '22
+26
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '22
+70
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '22
+46
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '22
+42
в 0 каналах
Get PRO
август '22
+88
в 0 каналах
Get PRO
июль '22
+51
в 0 каналах
Get PRO
июнь '22
+47
в 0 каналах
Get PRO
май '22
+84
в 0 каналах
Get PRO
апрель '22
+41
в 0 каналах
Get PRO
март '22
+43
в 0 каналах
Get PRO
февраль '22
+167
в 0 каналах
Get PRO
январь '22
+112
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '21
+27
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '21
+137
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '21
+40
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '21
+282
в 0 каналах
Get PRO
август '21
+183
в 0 каналах
Get PRO
июль '21
+28
в 0 каналах
Get PRO
июнь '21
+18
в 0 каналах
Get PRO
май '21
+39
в 0 каналах
Get PRO
апрель '21
+91
в 0 каналах
Get PRO
март '21
+55
в 0 каналах
Get PRO
февраль '21
+21
в 0 каналах
Get PRO
январь '21
+36
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '20
+358
в 0 каналах
| Дата | Привлечение подписчиков | Упоминания | Каналы | |
| 06 сентября | 0 | |||
| 05 сентября | 0 | |||
| 04 сентября | 0 | |||
| 03 сентября | 0 | |||
| 02 сентября | +1 | |||
| 01 сентября | 0 |
Посты канала
Repost from যুবায়ের হোসাইন
একটি বাস্তবতাকে ভুলে যাওয়া যায় না, আমরাও ভুলিনি
فصل العلم عن الكسب : -২৩
নিকট অতীত থেকে চলমান সময় পর্যন্ত যারা ইলমের বাইরে হালাল উপার্জনের পথে পা রেখেছে, তাদের অধিকাংশ ইলমের পথকে হারিয়ে ফেলেছে। তাদের অধিকাংশ ইলমের পথে আর ফিরে আসেনি।
উপার্জনের ময়দানকে ইলমের অধীনে আনতে গিয়ে তারা নিজেদেরকে এবং নিজেদের ইলমকে উপার্জনের অধীন করে ফেলেছে। ফলে উপার্জন ইলমের দ্বারা উপকৃত হয়নি এবং ইলমও উপার্জন দ্বারা উপকৃত হয়নি। বরং হালাল হারামের ব্যবধানকে পদদলিত করে, শুধু উপার্জনকেই জীবনের লক্ষ্য হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আমাদের আকাবির ওলামায়ে কেরামের সামনে এ অভিজ্ঞতাগুলো থাকার কারণে আহলে ইলমকে তাঁরা ইলমকে মাধ্যম না বানিয়ে উপার্জনের পথে পা বাড়াতে দেননি। এখনো দিচ্ছেন না।
এখন ভাবনার বিষয় হচ্ছে, তাহলে সমস্যার সমাধান কী?
এ হালাত থেকে উত্তরণের কোন বিকল্প নেই। অতএব পথ খুঁজে বের করতেই হবে।
আমার অংক অনুযায়ী এখানে মৌলিক কয়েকটি বিষয় আমাদের পরিবর্তনের পেছনে বাধা হয়ে আছে।
এক.
ইলম শিক্ষার সূচনা থেকেই আমরা ইলমের লক্ষ্য উদ্দেশ্য স্থির করতে পারিনি এবং লক্ষ্য উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রাথমিক কিছু আলোচনা হলেও শিক্ষা জীবনের শেষ পর্যন্ত তা জিইয়ে রাখতে পারিনি। এরই বিপরীতে ইলমের মাধ্যমে উপার্জনের শত হাজার উদাহরণ, মান সম্মানের শত হাজার উদাহরণ আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। যার ফলে ইলম শেখার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য এ গণ্ডি অতিক্রম করতে পারেনি। এর বাইরে কোন উদ্দেশ্য মনে স্থান দেয়া সম্ভব হয়নি।
দুই.
ইলমের অধিকাংশ অধ্যায়ের ক্ষেত্রে আমরা এ সবক পেয়েছি যে, এ অধ্যায়গুলো এখন আর কার্যকরি নয়। পৃথিবীতে যখন ইসলামী খেলাফত ছিল, তখন এসবের কার্যকারিতা ছিল, আবার যখন খেলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে, তখন এর কার্যকারিতা ফিরে আসবে। এখন এগুলো শুধুই পড়তে হবে এবং এক যুগ পর আবার এগুলো পড়াতে হবে। এর বাইরে এগুলোর প্রায়োগিক কোন অস্তিত্ব নেই। এ সবকও প্রায় শতাধিক বছরের।
তিন.
ইলম একটি ফরয দায়িত্ব। শেখাও ফরয, শেখানোও ফরয। এ বিষয়টি দালিলিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়নি। এ ফরযের গণ্ডিও নির্ণয় করে দেয়া হয়নি। ইলম উপার্জনের জন্য নয়, এ বিষয়টি মনের মাঝে যথাযথভাবে গেঁথে দেয়া হয়নি। ইলমের মাঝে লোভ, কৃপণতা, দুনিয়ামুখিতা ইত্যাদির নিন্দা এসেছে। কিন্তু এগুলো যথাযাথ অনুশীলনের সাথে পড়ানো হয়নি। উদাহরণগুলো দেখিয়ে দেয়া হয়নি।
চার.
দীর্ঘকাল যাবতই ইলম ও উপার্জন একসাথে চলছে। যার ফলে এ দু’টিকে আলাদা করার কথা আমরা আমাদের মনে জায়গা দিতে পারছি না। যার ফলে ইলমকে যথাযথভাবে ধরলে আমাদের দুনিয়া ছুটে যায়। আবার দুনিয়া ধরতে গেলে আমাদের ইলম ছুটে যায়।
একটি দীর্ঘ মেয়াদী অভ্যাস খুব দ্রুত বদলে ফেলা সহজ নয়। এ বাস্তবতাকে স্বীকার করেই বলব, অভ্যাস আখের অভ্যাসই। আমরা এ অভ্যাসও নিজেরাই গড়ে তুলেছি। অতএব অভ্যাস আমরাই ভাংতে হবে। সময় নিতে হবে অবশ্যই, তবে শুরু করতে হবে এখনই।
ইলম ও উপার্জান একসাথ হওয়া ইসলামের ফিতরাত বা স্বভাব নয়। এর ভিন্নতাই ইসলামের ফিতরাত। আমরা সে ফিতরাতকে ভেঙ্গে নিজেদের মত করে অভ্যাস গড়ে তুলেছি। এখন সে ফিতরাতে ফিরে যেতে হলে এ অভ্যাসকে ভেঙ্গে চুরমার করে ফেলতে হবে। ফিতরাত পরিপন্থি ও স্বভাববিরোধী অভ্যাস কখনো মুক্তির মূলমন্ত্র হতে পারে না।
আমরা এটাও স্বীকার করছি যে, দীর্ঘ দিনের এ অভ্যাস থেকে ফিরে আসতে আমাদের অনেক কিছু ক্ষয় করতে হবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে এ ক্ষতি, এ চুরমান ও এ প্রলয়-
“ধ্বংসের তাণ্ডব লিলা নয়, সৃষ্টির প্রসব বেদনা মাত্র।”
সৃষ্টির প্রসব বেদনা সহ্য না করে সৃজনশীল হওয়া যায় না। তাই এ ঝুঁকি আমাদেরকে নিতেই হবে। আমরা আয্ম তথা দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করে পদক্ষেপ নিলে আল্লাহ আমাদেরকে সাহায্য করবেন। আমাদের রাব্বে কারীমের কাছে এটাই আমাদের আশা।
| 2 | সৌদি সরকার খুবই মেধাবী হকপন্থি আলিম শাইখ আবদুল আজিজ আল-তারেফি দাঃ বাঃ এর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আবেদন করেছে। বর্তমানে তিনি রিয়াদের আল-হায়ির কারাগারে সলিটারি কনফাইনমেন্টে রয়েছেন।
২০১৬ সালের এপ্রিলের শেষ দিকে শাইখ তারেফিকে গ্রেপ্তার করা হয়। অনলাইনে সৌদি মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া এবং সৌদি রাষ্ট্রের কিছু সমালোচনা করে পোস্ট দেওয়ার পর শাইখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
সূত্র: Prisoners of Conscience
শাইখের লিখিত বেশ কিছু কিতাব রয়েছে যেটা থেকে উম্মাহ ফায়েদা পেতে পারে। শাইখ প্রচণ্ড ধী শক্তির অধিকারী একজন ব্যক্তি। ইউটিউবে এখনও শাইখের বেশ কিছু দারস পাওয়া যায়। উনার তাফসির "তাফসির ওয়াল বায়ান লি আহকামিল কুরআন" প্রায় ৫ খণ্ডের। আকিদা, হাদিস, তাফসির বিষয়ক উনার বেশ কিছু কিতাব রয়েছে। এছাড়াও উনার হিজাব সম্পর্কে স্বাতন্ত্র্য একটি কিতাব আছে "আল-হিজাব ফি শারঈ ওয়া ফিতরাহ" নামে। আমরা মনে করি তিনি একজন হকপন্থি আলেম তাকে বন্দি দশা থেকে আল্লাহ যেন মুক্তি দান করেন।
শাইখের তাফসিরের লিংক দেয়া হচ্ছে, তাফসির বেশ সাবলীল আরবি ভাষায় লিখিত।
https://archive.org/details/20201106_20201106_2009/التفسير والبيان 1 | 61 |
| 3 | ওহে বৎস!
যে ব্যক্তি কুরআন পরিত্যাগ করে সে আগেই আল্লাহর কাছে তুচ্ছ। তুমি আল্লাহর কাছে তোমার অবস্থান কেমন জানতে চাও? তোমার মূল্য কতদূর বুঝতে চাও?
তোমার জীবনে কুরআনের অবস্থা কেমন তা যাচাই করো। যদি আল্লাহ তায়ালা তোমাকে কুরআনের সাথে লাগিয়ে রাখে এবং তোমার দিনরাত যদি কুরআনের তিলাওয়াত-তাদাব্বুর বিনে পার না হয় তবে জেনে নাও আল্লাহর কাছে তুমি উল্লেখযোগ্য কেউ। আল্লাহ তায়ালা তোমাকে ভালোবাসেন।
কুরআন ছেড়ে দেয় কে? কেবলমাত্র সে-ই যে কিনা আল্লাহর কাছে মূল্যহীন। | 76 |
| 4 | একজন সাহাবীর রাতে ঠিকমতো ঘুম হতো না!
তিনি ঘুমানোর অনেক চেষ্টা করতেন, অনেক দুআ পড়তেন। তবুও তাঁর ঘুম আসতো না। তাঁর নাম ছিলো যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু; বিখ্যাত ওহী লেখক সাহাবী।
তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে গিয়ে তাঁর অনিদ্রার কথা জানান।
রাসূলুল্লাহ ﷺ যায়িদ ইবনে সাবিতকে একটি দুআ শিখিয়ে দিলেন।
দুআটি হলো- “আল্লাহুম্মা গারাতিন নুজুমু, ওয়া হাদাআতিল উয়ুনু, ওয়া আনতা হাইয়ুন কাইয়ুমুন, লা তা'খুযু কা ছিনাতুন ওয়ালা নাওম। ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুমু, আহদি' লাইলি ওয়া আনিম আইনি।” (তাবরানী: ৪৮১৭)
যার অর্থ হলো- “হে আল্লাহ! আকাশের তারাগুলো নিভে যাচ্ছে, কিন্তু আমার চোখ এখনো জাগ্রত। আর আপনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, ঘুম বা তন্দ্রা আপনাকে পরাভূত করতে পারে না। হে চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, আমার রাতকে প্রশান্তিময় করুন এবং আমার চোখে ঘুম এনে দিন।”
কী সুন্দর দুআ!
এই দুআর আমল করার পর যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুর অনিদ্রা সমস্যা কেটে যায়।
আরবিতে দুআ:
اللَّهُمَّ غَارَتِ النُّجُومُ، وَهَدَأَتِ العُيُونُ، وَأَنْتَ حَيٌّ قَيُّومٌ، لَا تَأْخُذُكَ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ، أَهْدِئْ لِي لَيْلِي، وَأَنِمْ عَيْنِي.
-আরিফুল ইসলাম | 91 |
| 5 | "সাদাকাহ গুনাহকে এভাবে মিটিয়ে দেয়, যেভাবে পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়"।
.
وَالصَّدَقَةُ تُطْفِئُ الخَطِيئَةَ كَمَا يُطْفِئُ المَاءُ النَّارَ
.
~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
.
[ ইমাম তিরমিযী (রাহ.), আস সুনান, হা: ৬১৪, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ] | 84 |
| 6 | '৪০ বছরের বেশি বয়সী অন্য সব মার্কিন নাগরিকের মতো আমারও মনে আছে, যখন ৯/১১ হামলার খবর পাই, তখন আমি কোথায় ছিলাম। আমি গাড়ি চালিয়ে অফিসে যাচ্ছিলাম, রেডিওতে ‘ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও’ শুনছিলাম।
.
অফিসে পৌঁছানোর পর দেখলাম লোকজন স্তব্ধ হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউ কেউ কাঁদছিল। অন্যরা কম্পিউটার মনিটরের চারপাশে জড়ো হয়েছিল। প্রতিটি স্ক্রিনে বারবার একই দৃশ্য দেখানো হচ্ছিল—টাওয়ার দুটিতে বিমান আছড়ে পড়ছে, কিছু মানুষ শূন্যে ঝাঁপিয়ে পড়ছে, টাওয়ারগুলো ধসে পড়ছে, ধোঁয়া ও ধ্বংসস্তূপের মেঘ উড়ছে।
.
তখনো কেউ খুব বেশি কিছু জানত না। কায়দা তখন পর্যন্ত তেমন পরিচিত ছিল না। 'ওবিলএলের' দলই যে এই হামলা চালিয়েছে, তা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের কয়েক দিন সময় লেগেছিল। কিন্তু সেই প্রথম স্তব্ধ মুহূর্তগুলোতেই একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল—এ ঘটনা আমাদের পৃথিবীকে বদলে দেবে, আর তা মোটেও ভালোর জন্য নয়।
.
প্রায় ২৫ বছর পর সেই ক্ষতির পরিমাপ করা এখন সহজ। এ হামলা মার্কিন বৈশ্বিক নেতৃত্বের পতনের সূচনা করেছিল। এটি আমাদের স্থায়ী ভয় ও জরুরি অবস্থার মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল। এটিই পরবর্তী সময়ে আমাদের গণতন্ত্রের দ্রুত পতনকে ত্বরান্বিত করে।'
- রোসা ব্রুকস
জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির আইনের অধ্যাপক। | 107 |
| 7 | .
কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে সরাসরি সশস্ত্র যুদ্ধ বা কিতাল করার পরিবেশ ফিলহাল না থাকলেও, নুসরতের (সহযোগী) ভূমির একজন মুসলিম অসংখ্য সুরতে বা উপায়ে বৈশ্বিক জিহাদের সাথে সরাসরি যুক্ত হতে সক্ষম।
.
যদি কোনো ব্যক্তি তাঁর বাস্তব পরিস্থিতির কারণে সরাসরি রণাঙ্গনে গিয়ে অস্ত্র ধরতে না-ও পারেন, তবুও সুনির্দিষ্ট কিতালের নিয়ত এবং দূরদর্শী পরিকল্পনার অধীনে থেকে দাওয়াত দেওয়া, যুদ্ধের বিপুল খরচ মেটানোর জন্য গোপনে অর্থায়ন করা, ল্যাবে বা প্রযুক্তির মাধ্যমে সমরাস্ত্র তৈরি ও উন্নয়ন করা, শত্রুর গতিবিধি ও সাইবার স্পেসের ওপর গোয়েন্দাগিরি করা কিংবা বিশ্বজুড়ে নতুন নতুন সৈনিক সংগ্রহ করার মতো মেহনতগুলো আঞ্জাম দেওয়া—এই সমস্ত কাজই হুবহু জিহাদের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত।
.
অতএব, রণক্ষেত্রের অনুপযোগিতাকে অজুহাত বানিয়ে বা নিজেদের অক্ষম দাবি করে ঘরে নিষ্ক্রিয় বসে থাকার কোনো সুযোগ নেই। বরং সহযোগী বা নুসরতের ভূমিতে অবস্থান করেই যার যার সাধ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী এই ব্যাপক পরিধির জিহাদি কার্যক্রমের যেকোনো এক বা একাধিক মাধ্যমে নিজের সক্ষমতার জায়গাটি খুঁজে বের করা এবং ক্রমাগত মেহনতের মাধ্যমে নিজের এই সামর্থ্যকে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর একটি অপরিহার্য ফরজ দায়িত্ব।
.
তাই! একজন দায়ীর মুখে 'বাংলাদেশ সশস্ত্র জিহাদের ভূমি না' শুনে হাত তালি দিয়ে খুশী হবার কোন সুযোগ নেই।
- Vaiya Mahdi Mabrur | 101 |
| 8 | সাম্প্রতিক সময়ে একজন মাজলুম আলেম ও জিহাদের দায়ীর একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে বেশ আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। অনেকেই এই বক্তব্যটি শুনে এমনভাবে বিস্ময় প্রকাশ করছেন যেন তাঁরা আকাশ থেকে পড়েছেন এবং এটি সম্পূর্ণ নতুন কিছু।
.
অথচ বাস্তব সত্য হলো, বাংলাদেশ ফিল-হাল (বর্তমানে) যে সরাসরি সশস্ত্র জিহাদের উপযুক্ত ভূমি বা রণক্ষেত্র নয়—এটি বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সকল অভিজ্ঞ মুজাহিদীনের সুচিন্তিত মত।
.
এই কৌশলগত অবস্থানটি তাঁরা আজ নতুন বলছেন না, বরং বহু বছর আগে থেকেই এটি তাঁরা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করে আসছেন। এমনকি এদেশের হকপন্থী জিহাদি কাফেলাগুলোও অনেক বছর ধরে এই নির্দিষ্ট মানহাজ বা রণকৌশলের ওপর ভিত্তি করেই তাদের কার্যক্রম আঞ্জাম দিয়ে আসছে।
.
বৈশ্বিক জিহাদ বিশেষজ্ঞ মুজাহিদীনগণ অনেক বছর আগেই আধুনিক অসম সমরাস্ত্রের এই যুগে মুসলিম বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক ও সামরিক অবস্থানকে অত্যন্ত গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁদের এই কৌশলগত মূল্যায়নের প্রধান ও মূল ভিত্তি হলো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভৌগোলিক গঠন এবং পরিবেশগত সক্ষমতা। এই সামর্থ্য ও উপযোগিতার তারতম্য বিবেচনা করে তাঁরা সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে স্পষ্ট দুটি ভাগে বিভক্ত করেছেন:
.
প্রথম ভাগঃ যুদ্ধের ভূমি বা অগ্রবর্তী ভূমি
এটি মূলত এমন সব অঞ্চল, রাষ্ট্র বা ভৌগোলিক সীমানাকে নির্দেশ করে, যেখানে গেরিলা যুদ্ধ বা দীর্ঘমেয়াদি সশস্ত্র প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক, সামাজিক ও সামরিক উপাদানগুলো আগে থেকেই বিদ্যমান রয়েছে। এই ভূমিগুলোর ভৌগোলিক গঠন (যেমন: দুর্গম পাহাড়-পর্বত বা ঘন জঙ্গল), প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান এবং স্থানীয় জনগণের মনস্তাত্ত্বিক প্রস্তুতি এমন অনুকূল থাকে যে, সেখানে শত্রুর বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক ফ্রন্ট খোলা বা একটি কার্যকর যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করা অত্যন্ত সহজসাধ্য হয়।
.
দ্বিতীয় ভাগঃ সহযোগী ভূমি বা নুসরতের ভূমি
এই ক্যাটাগরিতে বিশ্বের এমন সব রাষ্ট্র বা অঞ্চল পড়ে, যেখানে সমতল ভৌগোলিক গঠন, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিংবা রাষ্ট্রীয় কঠোর নজরদারির কারণে নিকট ভবিষ্যতে নতুন কোনো যুদ্ধক্ষেত্র কায়েম করা বা সরাসরি সশস্ত্র ফ্রন্ট খোলার সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ বা অসম্ভব।
বর্তমান ঐতিহাসিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ বা তিউনিসিয়ার মতো রাষ্ট্রগুলোকে এই সহযোগী বা নুসরতের ভূমির বাস্তব উদাহরণ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
এই ভৌগোলিক ও কৌশলগত বিভাজনের আলোকে সহযোগী বা নুসরতের ভূমির মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুইটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে:
.
প্রথম দায়িত্বঃ
যেহেতু এই সহযোগী অঞ্চলগুলোতে সরাসরি যুদ্ধ শুরু করার মতো পরিবেশ ফিলহাল (বর্তমানে) বিদ্যমান নেই, তাই এখানকার মুসলিমদের প্রধান এবং প্রথম কাজ হবে—বিশ্বের যেসব অগ্রবর্তী বা যুদ্ধের ভূমিতে বর্তমানে সরাসরি কিতাল বা সশস্ত্র লড়াই পরিচালিত হচ্ছে, সেখানে সম্ভাব্য সকল উপায়ে সাহায্য ও সহযোগিতা প্রস্তুত করা এবং অত্যন্ত নিরাপদ ও গোপন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তা রণাঙ্গনে নিয়মিত সরবরাহ করা।
.
দ্বিতীয় দায়িত্বঃ
এখানকার মুসলমানদের আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্ব হলো, নিজেদের এই নিষ্ক্রিয় ভূমিকে অত্যন্ত সুকৌশলে, ধারাবাহিক সাংগঠনিক মেহনত, দাওয়াত এবং বস্তুগত প্রস্তুতির মাধ্যমে ধীরে ধীরে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ জিহাদের জন্য একটি উপযোগী ও উর্বর ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলা।
.
একটি ভুল চিন্তা!
সাধারণ মুসলমান এবং বিশেষ করে রণক্ষেত্র থেকে দূরে থাকা অনেক আলেমের মাঝে এই ভুল ধারণাটি কাজ করে যে, যেহেতু বাংলাদেশ বা তিউনিসিয়ার মতো ভূমিগুলো বর্তমানে গেরিলা যুদ্ধের জন্য উপযুক্ত নয়, সেহেতু এই অঞ্চলের সাধারণ অধিবাসীদের ওপর থেকে জিহাদ বা কিতালের ধর্মীয় বিধানটি এখন সম্পূর্ণ অকার্যকর বা মাফ হয়ে গেছে।
.
কিন্তু বাস্তব ও তাত্ত্বিক সত্য হলো, যুদ্ধের জন্য কোনো একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ভৌগোলিক উপযোগিতা এক বিষয়, আর সেই ভূমিতে বসবাসকারী একজন স্বাধীন ব্যক্তি মুসলিমের জিহাদে অংশ নেওয়ার ব্যক্তিগত সক্ষমতা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। কোনো একটি নির্দিষ্ট ভূমি সরাসরি কিতাল বা সশস্ত্র যুদ্ধের উপযোগী না হলেই যে সেখানকার সমস্ত মুসলিম রাতারাতি অক্ষম হয়ে গেছেন বা ফরযের দায় থেকে মুক্ত হয়ে গেছেন, এমন দাবি করা সম্পূর্ণ অবান্তর এবং শরীয়তের মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।
.
জিহাদ বনাম কিতাল
শত্রুর সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি হয়ে যে সশস্ত্র লড়াই, অস্ত্র চালনা বা যুদ্ধ পরিচালনা করা হয়, ইসলামি পরিভাষায় সেটিকে ‘কিতাল’ বলা হয়। পক্ষান্তরে, ইসলামের দৃষ্টিতে ‘জিহাদ’ শব্দটির অর্থ, পরিধি ও বিস্তৃতি কিতালের চেয়ে অনেক বেশি ব্যাপক, গভীর এবং বিস্তৃত। কিতাল হলো মূলত জিহাদের একটি চূড়ান্ত অংশ বা ধাপ মাত্র। সুতরাং কিতালের ফিল-হাল (সাময়িক) অক্ষমতা কোনোভাবেই জিহাদের ফরিজাকে মাফ করবে না। | 71 |
| 9 | Нет текста... | 87 |
| 10 | ইসলামের ইতিহাসে এমন অনেক মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন,যাদের মর্যাদা আকাশচুম্বী, কিন্তু বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে তাঁদের জানাযায়খুব অল্প সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হতে পেরেছিলেন। এটি প্রমাণ করে যে,জানাযায় লোকসমাগমই আল্লাহর কাছে সেই ব্যক্তির মর্যাদাকম বা বেশি হওয়ার একমাত্র নিদর্শন নয়। ইতিহাস থেকে কিছু উদাহরণ স্মরণ করিয়ে দেওয়া যায় -
.
.
১. উসমান ইবনে আফফান (রা.) – তৃতীয় খলিফা
জুননূরাইন খ্যাত ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান রদিয়াল্লাহু আনহুর জানাযা ও দাফন ছিল অত্যন্ত করুণ। বিদ্রোহীরা যখন মদিনায় তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে তাঁকে নির্মমভাবে শহীদ করে, তখন পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, সাহাবীরা প্রকাশ্যে তাঁর জানাযা পড়তে পারেননি।
শাহাদাতের পর তাঁর লাশ মোবারক দীর্ঘ সময় ঘরেই ছিল। অবশেষে রাতের অন্ধকারে জুবায়ের ইবনুল আওয়াম রদিয়াল্লাহু আনহু, হাকিম ইবনে হিজাম রদিয়াল্লাহু আনহু এবং উসমান রদিয়াল্লাহু আনহু-এর স্ত্রী-সহ মাত্র অল্প কয়েকজন (ঐতিহাসিকদের মতে ৩ থেকে ১২ জন) গোপনে তাঁর জানাযা পড়েন এবং জান্নাতুল বাকির দেয়ালের পাশে তাঁকে দাফন করেন। অথচ তিনি ছিলেন ৩য় খলিফা ও অর্ধ-পৃথিবীর শাসক।
.
.
২. ফাতিমা (রা.) – জান্নাতী নারীদের সর্দার
রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কলিজার টুকরো কন্যা ফাতিমা রদিয়াল্লাহু আনহা-এর জানাযাও হয়েছিল অত্যন্ত গোপনে এবং স্বল্প পরিসরে। ফাতিমা রদিয়াল্লাহু আনহা মৃত্যুর আগে তাঁর স্বামী আলী রদিয়াল্লাহু আনহু-কে অসিয়ত করেছিলেন যে, তাঁর মৃত্যুর পর যেন রাতে দাফন করা হয় এবং এমন কেউ যেন তাঁর জানাযায় না আসে যাদের প্রতি তিনি অসন্তুষ্ট ছিলেন।
তাঁর ওসিয়ত অনুযায়ী, আলী রদিয়াল্লাহু আনহু রাতের অন্ধকারে তাঁকে দাফন করেন। এই জানাযায় আলী রদিয়াল্লাহু আনহু, আব্বাস রদিয়াল্লাহু আনহু, ফজল ইবনে আব্বাস রদিয়াল্লাহু আনহু সহ বনু হাশিমের হাতেগোনা কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মদিনার সাধারণ মানুষ সকালে উঠে জানতে পারেন যে নবীর কন্যাকে দাফন করা হয়ে গেছে।
.
.
৩. ইমাম বুখারী রহিমাহুল্লাহ – আমীরুল মুমিনিন ফিল হাদিস
সহীহ বুখারীর সংকলক, যার কিতাবকে কুরআনের পর দুনিয়ার বুকে সবচেয়ে বিশুদ্ধ গ্রন্থ বলা হয়, তাঁর শেষ বিদায় ছিল বড়ই নিঃসঙ্গ।
শেষ জীবনে বুখারার শাসকের সাথে মতপার্থক্যের কারণে তাঁকে নিজ জন্মভূমি বুখারা থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি সমরকন্দের উদ্দেশ্যে রওনা হন কিন্তু সেখানেও যেতে পারেননি। পথিমধ্যে 'খরতাঙ্গ' নামক একটি ছোট গ্রামে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সেখানেই ঈদের রাতে ইন্তেকাল করেন।
তাঁর জানাযায় তৎকালীন বড় বড় আলেমরা বা শহরের জনস্রোত ছিল না। শুধুমাত্র সেই গ্রামের সাধারণ গ্রামবাসী এবং তাঁর অল্প কয়েকজন সফরসঙ্গীরা তাঁকে দাফন করেন।
.
.
৪. ইমাম তাবারী রহিমাহুল্লাহ – বিখ্যাত মুফাসসির ও ঐতিহাসিক
বিখ্যাত তাফসির 'তাফসীরে তাবারী' এবং ইতিহাস গ্রন্থ 'তারিখুত তাবারী'-এর রচয়িতা।
আব্বাসীয় খিলাফতের সময় বাগদাদে কিছু উগ্রপন্থী মানুষ তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ রটায় এবং তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে রাখে।
ঐতিহাসিক ইবনুল জাওযি রহিমাহুল্লাহ উল্লেখ করেন, মৃত্যুর পর দিনের বেলা তাঁকে বের করা সম্ভব হয়নি। তাই রাতের বেলা তাঁর নিজ ঘরের ভেতরই তাঁকে দাফন করা হয়। জানাযায় মাত্র কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ছাত্র ও স্বজন উপস্থিত ছিলেন। অথচ তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্বান।
.
.
এই ঘটনাগুলো থেকে বুঝা যায়, জানাযায় মানুষের ঢল নামাই আল্লাহর কাছে কবুলিয়তের একমাত্র মাপকাঠি নয়। আল্লাহ তাআলা এই মহান ব্যক্তিদের দুনিয়ার জাঁকজমক থেকে আড়াল করে আখিরাতের উচ্চ মর্যাদা দান করেছেন। তাঁদের জানাযায় মানুষ কম হলেও, ফেরেশতাদের উপস্থিতি হয়তো ছিল অগণিত। | 90 |
| 11 | আল্লাহর রাস্তায় হিজরত ও জিহাদের মর্যাদা।
Shaikhul Hadith Mufti Abu Imran Hafizahullah. @SHMAIH | 94 |
| 12 | উস্তাজ আহমেদ ফারুক (রাহিমাহুল্লাহ) | 113 |
| 13 | Нет текста... | 135 |
| 14 | “এভাবেই তারা যা চেয়েছিল, তা ‘শূরা’র সেই নাটকের মাধ্যমে সম্পন্ন হলো—ইমাম আলীকে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব গ্রহণ করা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হলো, যাতে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা উসমানের হাতে পৌঁছানোর পথ প্রস্তুত হয়। যদিও সবাই জানত যে প্রকৃত হক কার; কিন্তু সেই হক স্বীকার করার জন্য প্রয়োজন ছিল নির্মল হৃদয়—যে হৃদয় শয়তানের কুমন্ত্রণা ও প্রলোভন থেকে মুক্ত। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাদের কাছে এমন হৃদয় ছিল না; বরং তাদের হৃদয় ছিল রোগাক্রান্ত, ফলে আল্লাহ তাদের সেই রোগ আরও বাড়িয়ে দেন।”(পৃষ্ঠা, ৬৪)
৪/ দুনিয়ার লোভে সাহাবায়ে কেরাম হক বলেননি এই অভিযোগ।
في الحقيقة ان الذي مكن عبد الرحمن وامثاله ان يقفوا مع الامام مواقف مخزية كان بسبب سكوت بعض الصحابة عن اظهار الحق بسبب ركونهم الى الدنيا
“বাস্তবে, আবদুর রহমান ও তার মতো লোকদের ইমাম আলীর বিরুদ্ধে এমন লজ্জাজনক অবস্থান নেওয়ার সুযোগ যে তৈরি হয়েছিল, তার কারণ ছিল—কিছু সাহাবীর নীরবতা। তারা দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়ার কারণে সত্যকে প্রকাশ করা থেকে বিরত ছিল।”
(পৃষ্ঠা ৬৪)
৫/ প্রায় সব সাহাবাদের শানে অকথ্য গালি ও একদল সাহাবিদের প্রতি নেফাকের অভিযোগ।
وقد تكالب عليه الجميع فاصبح بين فريقين الاول متجاهل لحقه والثاني منافق حاسد
“আর সবাই তার বিরুদ্ধে কুকুরের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ল;(নাউজুবিল্লাহ)। ফলে তিনি দুই দলের মাঝে পড়ে গেলেন—এক দল ছিল যারা তার অধিকারকে উপেক্ষা করছিল, আর অন্য দল ছিল মুনাফিক ও হিংসুক।”(নাউযুবিল্লাহ) (পৃষ্ঠা, ৫৮)
৬/ আমর ইবনুল আ'স রাযি: এর ব্যপারে বিভিন্ন যায়গায় পথভ্রষ্টতার অভিযোগ।
عمرو بن العاص باع دينه بدنياه
আমর ইবনুল 'আস সে দুনিয়ার লোভে দ্বীনকে বিক্রি করেছিলো। (পৃষ্ঠা,৭৪)
৭/ মুগিরা বিন শু'বা রাযি: এর ইসলামের ব্যপারে সন্দেহ ও তার ব্যপারে খারাপ শব্দ ব্যবহার ।
يعتبر المغيرة من دهاة العرب. حضر عند الرسول ﷺ في المدينة وأعلن اسلامه، لكن المؤرخين يعتبرون اسلامه سطحياً، حياته مليئة بالغرائب والقبائح،
“মুগীরা ছিলো আরবদের মধ্যে অন্যতম চতুর ব্যক্তি। সে মদিনায় নবী ﷺ-এর সামনে হাজির হয়ে ইসলাম ঘোষণা করে; কিন্তু ইতিহাসবিদরা মনে করেন তার ইসলাম ছিল পলায়নমূলক ও অভিনয়পূর্ণ। তার জীবন কলঙ্কজনক কৃতকর্মে ভরা।” (পৃষ্ঠা,১৮৫)
৮/ মুয়াবিয়া রাযি: কে ইসলামের শত্রু হিসেবে আখ্যায়িত করা।
فاصطحبه المغيرة الى دمشق في الشام، حيث وضع يده بيد معاوية العدو القديم للاسلام .
“মুগীরা তাকে শামে মু‘আবিয়িয়ার কাছে নিয়ে গেল, যেখানে সে ইসলামের পুরনো শত্রু মু‘আবিয়িয়ার হাতে হাত রেখে তার সাথে একতাবদ্ধ হলো।” (পৃষ্ঠা, ১৮০)
৯/ মুয়াবিয়া রাযি: কে কাফের ও মুরতাদ বলা।
نعم، أن المغيرة مع علمه بكفر معاوية وارتداده، و اغتصابه حق آل البيت الطبيعي، فقد ظل في خدمة معاوية،
, মুগীরা মু‘আবিয়িয়ার কুফর ও তার মুরতাদ হওয়ার বিষয়ে এবং আহলে বাইতের প্রকৃত অধিকার হরণ করার কথা জানার পরও, মু‘আওয়িয়ার সেবায় অব্যাহত থাকল। (পৃষ্ঠা, ১৯৪)
১০/ প্রায় সকল সাহাবিদের প্রতি খিলাফাহ দখলের অভিযোগ।
نعم لقد ادى واجبه تجاه النبي له من التجهيز والتغسيل والتدفين لكن الآخرين وللأسف الشديد استغلوا انشغاله فقاموا بالاستيلاء على الخلافة وسرقتها ومنعوا حقه منها وقد كان لذلك العمل الجبان اثاراً سلبية ستبقى في سجل التاريخ ما بقي الليل والنهار…
হ্যাঁ, তিনি নবীর প্রতি তাঁর দায়িত্ব পালন করেছিলেন—তাঁকে প্রস্তুত করা, গোসল দেওয়া এবং দাফন করার মাধ্যমে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত অন্যরা তাঁর ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে খেলাফত দখল করে নেয় এবং তা ছিনিয়ে নেয়, আর তাঁকে তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। সেই কাপুরুষোচিত কাজের নেতিবাচক প্রভাব ইতিহাসের পাতায় রাত ও দিন যতদিন থাকবে ততদিন রয়ে যাবে।(পৃষ্ঠা, ৫৮)
১১/ অনেকে বলে যে, খামেনি নাকি ইসনা আসারিয়ার আকীদা রাখেনা অথচ সে নিজেও ইমামদের কে মা'সুম মনে করতো।
والانبياء والأئمة المعصومين فقط هم الذين تمكنوا من شياطين نفوسهم وتسلطوا عليها حتى انعدمت امكانية انحرافهم
শুধুমাত্র নবী এবং মা'সুম ইমামরাই এমনভাবে নিজের অন্তরের শয়তানকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম যে, তাদের ভুলপথে চলার সম্ভাবনা থাকে না। (পৃষ্ঠা, ২০০)
১২/ ইবনু আব্বাস রাযি: এর ব্যপারে খিয়ানতের অভিযোগ।
وبالاضافة لهذا اقدم على خيانة كبرى بحق الاسلام
এছাড়াও, সে ইসলামের সাথে এক ভয়ঙ্কর বিশ্বাসঘাতকতা-খিয়ানত করেছে। (পৃষ্ঠা, ২২৩)
১৩/ ইবনু আব্বাসের ব্যপারে বাইতুল মাল থেকে সম্পদ চুরির অভিযোগ।
لما علم الامام بخروج ابن عباس من البصرة وسرقته أموال بيت المال
যখন ইমাম (হুসাইন) জানলেন যে ইবনে আব্বাস বসরা থেকে বের হয়ে গেছে এবং বায়তুল-মালের সম্পদ চুরি করেছে। (পৃষ্ঠা, ২২৪)
( বিশেষ দ্রষ্টব্য: আমি এখানে তাকে তাকফীর করিনি, আমি শুধু তার কিছু আকিদা উল্লেখ করেছি, কেননা তাকে তাকফীর করা বা না করা আমার কাজ নয়,সেটা বড় বড় মুফতী সাহেবরা করবে। আল্লাহ আমাদের হেফাযত করুক।) | 127 |
| 15 | #খামেনির ব্যপারে কিছু কথা।
অনেকেই দেখছি এই খবীসের জানাযায় অংশগ্রহণ করার জন্য ইরানে যাচ্ছে, তাই ভাবলাম পুরাতন একটা আলাপ দেয়া যাক। পুরোটা পড়েন, উপকৃত হবেন ইনশাআল্লাহ।
#খামেনি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ' কে কাফের মনে করতো, আল জাযিরা তার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, খামেনি বলেন,
قتالنا بسوريا حرب على الكفر
সিরিয়াতে আমাদের যুদ্ধ হলো, কুফরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।
#গত কয়েক দশকে সিরিয়া ও অন্যান্য অঞ্চলের বহু সংঘাতে ইরানি নেতৃত্বের ভূমিকা ও তাদের সমর্থিত মিলিশিয়াদের কার্যক্রমের কারণে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে—এটা অস্বীকার করা যায় না। এবং সে সিরিয়ায় জিহাদের জন্য শিয়া উলামায়ে কেরামের কাছে জিহাদের ফাতাওয়াও চেয়েছে। আল জাযিরার এক নিউজে বলা হয়েছে,
كشف مصدر رفيع المستوى بأن المرشد الاعلى في ايران علي خامنئي طلب من المرجعين الشيعيين علي السيستاني المقيم في مدينة النجف العراقية وكاظم الحائري المقيم في مدينة قم الايرانية, إصدار فتوى الجهاد" في سوريا
এক উচ্চপদস্থ সূত্র জানিয়েছে যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইরাকের নাজফে বসবাসরত আলি আল-সিস্তানি এবং ইরানের কুমে বসবাসরত কাযিম আল-হাইরিকে সিরিয়ায় ‘জিহাদ’ বিষয়ে ফতওয়া জারি করার জন্য অনুরোধ করেছেন।”
#সে সিরিয়াতে আহলুস সুন্নাহ'র বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য ইরানি জনগণকে উৎসাহিত করতো, এবং মুসলিম হত্যায় সেই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য সে মানুষদেরকে শাহাদাহ'র কথা বলে বলে উৎসাহিত করতো। আল জাযিরার এক নিউজে বলা হয়েছে।
وأضاف خامنئي أن "باب الشهادة الذي أغلق بانتهاء الحرب الإيرانية العراقية فتح مجددا في سوريا
“খামেনি আরও বলেছে, ‘যে শাহাদাতের পথ ইরান-ইরাক যুদ্ধ শেষ হওয়ার সঙ্গে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তা আবারও সিরিয়ায় উন্মুক্ত হয়েছে।’”
(আল-জাযিরার নিউজের ছবি কমেন্টে)
***#অনেকে তার একটি ফাতাওয়া উল্লেখ করে বলে যে, সে অন্য শিয়া থেকে অনেক ভালো, কারন সে আয়েশা রাযি: ও সাহাবাদের সমালোচনা করতে নিষেধ করেছে। তবে আমি মনে করি সে সেখানে তাকিয়ার আশ্রয় নিয়েছে। কেননা আমি শুধুমাত্র তার একটি কিতাব পড়েছি, তাতেই তার এই সমস্ত বাতিল আকীদা আমার সামনে এসেছে। তার অন্যান্য কিতাবের অবস্থা কী আল্লাহই ভালো জানেন। নিচে তার কিছু জঘন্য আকীদা উল্লেখ করা হলো। তার পুরো কিতাবে এই সমস্ত শত শত অভিযোগ ও সাহাবাদের শানে জঘন্য শব্দ সে ব্যবহার করেছে।
কিতাবের নাম, الخواص واللحظات المصيريه
সাহাবাদের ব্যপারে তার আকীদা।
১/ সাহাবাদেরকে জাহালাত-অজ্ঞাতা ও খিয়ানতের অভিযোগ ।
وهكذا أفسد بعض الصحابة الذين يجهلون حقيقة الاسلام ما أراد الرسول ﷺ ان يوصي به بخصوص استمرار خط النبوة في ولاية علي واقامة صرح العدالة بين افراد المجتمع الاسلامي
“এভাবেই সাহাবীদের মধ্যকার একদল—যারা ইসলামের প্রকৃত সত্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ ছিল—রাসূল ﷺ যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি উম্মতের জন্য ওসিয়ত করতে চেয়েছিলেন, তা নষ্ট ও ব্যাহত করে দেয়। আর সেই বিষয়টি ছিল আলীর ‘ওলায়াতের’ মাধ্যমে নবুয়তের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং ইসলামী সমাজের সদস্যদের মধ্যে ন্যায়বিচারের সুদৃঢ় ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করা।”
(পৃষ্ঠা, ৫২)
২/ আবু বকর রাযি: এর ব্যপার, ষড়যন্ত্র করে খিলাফাহ নিয়ে নেওয়া ও উম্মাহর মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ।
سأل أبو بكر المغيرة ثانية وقال : كيف أفرق جمعهم ؟ فقال له المغيرة : ارى ان تلقوا العباس فتطمعوه في ان يكون له في هذا الامر نصيب ، فتقطعوه بذلك عن ابن اخيه علي بن ابي طالب عليه السلام ، فان العباس لو صار معكم كانت الحجة على الناس وهان عليكم أمر علي بن ابي طالب وحده ، وقبل أبو بكر رأيه وذهب الى العباس
“আবু বকর আবার মুগীরাকে জিজ্ঞেস করলো: ‘আমি কীভাবে তাদের ঐক্য ভেঙে দিতে পারি?’
মুগীরা বলল: ‘আমার মতে, আপনি আব্বাসের সাথে সাক্ষাৎ করুন এবং তাকে কিছু লোভ দেখান। এতে করে তাকে তার ভাতিজা আলী ইবনে আবি তালিব আ: থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারবেন। কারণ, আব্বাস যদি আপনাদের পক্ষে চলে আসে, তাহলে মানুষের সামনে আপনাদের অবস্থান শক্তিশালী হয়ে যাবে এবং যখন আলি ইবনু আবি তালেবএ একা হয়ে যাবে, তখন তার বিষয়টি আপনাদের জন্য সহজ হয়ে যাবে,।’ মুগীরার এই পরামর্শ আবু বকর গ্রহণ করলো এবং সে আব্বাসের কাছে চলে গেলো।”( পৃষ্ঠা, ৫৬)
৩/ শুরায়ী সাহাবিদের ব্যপারে পথভ্রষ্টতার অভিযোগ।
وهكذا تم ما أرادوه في مسرحيه الشورى في ابعاد الامام علي عن استلام مقاليد الامور تمهيداً لوقوعها بيد عثمان ، بالرغم من أن الجميع كان يعلم بان الحق لمن ومع من ؟ لكن الإقرار يحتاج الى قلوب نظيفة خالية من وساوس الشيطان وتزييناته وللأسف كانوا لا يمتلكون مثل هذه القلوب لان قلوبهم مريضة فزادهم الله مرضاً . | 82 |
| 16 | #আল্লাহর_স্মরণ_ভুলে_যাচ্ছি
الَّذِينَ يَذْكُرُونَ اللَّهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَىٰ جُنُوبِهِمْ وَيَتَفَكَّرُونَ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هَـٰذَا بَاطِلًا سُبْحَانَكَ فَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে এবং চিন্তা গবেষণা করে আসমান ও জমিন সৃষ্টির বিষয়ে, (তারা বলে) হে আমার রব! এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করনি। সকল পবিত্রতা তোমারই, আমাদেরকে তুমি দোযখের শাস্তি থেকে বাঁচাও। (আল ইমরান, ১৯১)
কখনো মন বিষণ্ণ হলে বা অন্তরে দ্বীনের প্রতি একটু টান অনুভব হলেই ইউটিউবে ঢুকে একটা নাসীদ ছেড়ে দেই বা কোনো বক্তার বক্তৃতা শুনি, ব্যস।....... হায়! হায়! ওই সময় যদি আমার রবের ইয়াদে একটু চোখে পানি আসতো.....
أَلَمْ يَأْنِ لِلَّذِينَ آمَنُوا أَن تَخْشَعَ قُلُوبُهُمْ لِذِكْرِ اللَّهِ
মুমিনদের জন্য কি এখনো সে সময় আসেনি যে, আল্লাহর স্মরণে তাদের অন্তর প্রকম্পিত হবে! (হাদীদ, ১৬)
.ইন্টারনেট এসে দুনিয়ার সবার সাথে আমায় জুড়ল অথচ আল্লাহ থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করল, সবার কাছাকাছি হলাম কিন্তু আল্লাহ থেকে দূরে সরে গেলাম। ফেসবুকে সারাদিন কতোজনের সাথে যোগাযোগ করলাম আর আমার আল্লাহর কথা ভুলে গেলাম! রাতের জন্য শায়িত হয়ে ফেসবুক দেখতে দেখতে চোখ বুজে গেল, আল্লাহ আল্লাহ বাকি রয়ে গেল। যার দেয়া বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে মোবাইলের কিবোর্ড চাপলাম সেই বৃদ্ধাঙ্গুলি আমার বাকি চার আঙ্গুলে আল্লাহ আল্লাহ চাপলো নাহ!!
নাসীহাহ, দাওয়াহ তো অনেক দিলাম নিলাম কিন্তু এরপরে আল্লাহ তায়ালার জিকির ভুলে গেছি!
فَإِذَا فَرَغْتَ فَانصَبْ؛ وَإِلَىٰ رَبِّكَ فَارْغَب
অতএব, যখন (দাওয়াহ থেকে) অবসর পান (আপনার রবের স্মরণে) ব্যস্ত হন।
এবং আপনার পালনকর্তার প্রতি মনোনিবেশ করুন। (ইনশিরাহ; ৭, ৮) | 92 |
| 17 | নফসের খায়েশাত বনাম আল্লাহর সন্তুষ্টি।
Shaikhul Hadith Mufti Abu Imran Hafizahullah. @SHMAIH | 73 |
| 18 | ক্বলবের জাগরণ ও নফসের পতন।
Shaikhul Hadith Mufti Abu Imran Hafizahullah. @SHMAIH | 69 |
| 19 | ঈমান বিধ্বংসী সমকামিতা ফিতনা।
(এলজিবিটি মুভমেন্ট ও ট্রান্সজেন্ডারবাদের ভয়াবহতা)
লেখকঃ ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন স্যার
রিভিউ করেছেন
মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক দামাত বারাকাতুহুম আমীনুত তালীম, মারকাযুদ দাওয়াহ আল ইসলামিয়া, ঢাকা খতীব, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ, বাংলাদেশ। | 96 |
| 20 | মিশরের দীর্ঘ জেল-জুলুম থেকে বের হয়ে তারা সোভিয়েত-আফগান জিহাদে যুক্ত হলো। জিহাদ শেষে সবাই নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছে, কিন্তু এই লোকগুলো যাচ্ছে না।
কারণ নিজ দেশে গেলেই বন্দিত্ব, ফাঁসি ও অন্যান্য জুলুম। তাদের আর হারানোর কিছু নেই এই দুনিয়াতে। মহান রবের সন্তুষ্টির জন্য জীবন ছাড়া সবকিছুই আল্লাহর রাস্তায় দিয়ে ফেলেছে।
এখন শুধু আছে ছোট এই জীবনটি। এই উপলব্ধি থেকে তারা থেকে গেল এবং মুসলিম উম্মাহর বীরগাথা গল্পে ৪০+ বছরের ইতিহাস লিখল, যা আজও চলমান।
চিন্তা করুন, আজ যদি আপনার-আমার অবস্থাও তাই হয়—যে আমাদের আর হারানোর কিছু নেই দুনিয়ার কাছে, চাওয়ার কিছু নেই। মানুষ সবাই দূরে চলে গেছে আপনার-আমার থেকে। সবাই দুনিয়ার স্বার্থের দিকে ছুটছে, আপনাকে ছুড়ে ফেলেছে। আসলে আপনি তো অনেক আগেই অগ্রগামী হয়ে গেছেন আপনার সেই মিশরি ভাইদের মতো। শুধু ইস্তিকামত থাকুন, ইনশা-আল্লাহ কাঙ্ক্ষিত শাহাদাত আপনি ঘরে থাকলেও এসে দেখা দিবে, ইনশা-আল্লাহ।
اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ وَلَا تَرُدَّنِي إِلَى أَهْلِي
হে আল্লাহ! আমাকে তোমার রাস্তায় শাহাদাত (শহীদি মৃত্যু) দান করো এবং আমাকে আমার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়ো না। | 130 |
