Vaiya
رفتن به کانال در Telegram
777
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-1130 روز
در حال بارگیری داده...
کانالهای مشابه
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئیه '26
ژوئیه '26
+7
در 0 کانالها
ژوئن '26
+2
در 0 کانالها
Get PRO
مه '26
+3
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '26
+1
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '26
+1
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '26
+3
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '26
+4
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '25
+2
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '25
+5
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '25
+5
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '25
+1
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '25
+3
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '25
+7
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '25
+6
در 0 کانالها
Get PRO
مه '25
+7
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '25
+4
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '25
+6
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '25
+12
در 1 کانالها
Get PRO
ژانویه '25
+8
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '24
+12
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '24
+11
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+9
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+11
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '24
+12
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '24
+10
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '24
+15
در 0 کانالها
Get PRO
مه '24
+6
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '24
+13
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '24
+17
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '24
+16
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '24
+17
در 1 کانالها
Get PRO
دسامبر '23
+19
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '23
+13
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '23
+64
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '23
+34
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '23
+48
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '23
+20
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '23
+31
در 0 کانالها
Get PRO
مه '23
+21
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '23
+30
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '23
+17
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '23
+16
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '23
+30
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '22
+26
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '22
+70
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '22
+46
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '22
+42
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '22
+88
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '22
+51
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '22
+47
در 0 کانالها
Get PRO
مه '22
+84
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '22
+41
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '22
+43
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '22
+167
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '22
+112
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '21
+27
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '21
+137
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '21
+40
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '21
+282
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '21
+183
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '21
+28
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '21
+18
در 0 کانالها
Get PRO
مه '21
+39
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '21
+91
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '21
+55
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '21
+21
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '21
+36
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '20
+358
در 0 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 29 ژوئیه | 0 | |||
| 28 ژوئیه | 0 | |||
| 27 ژوئیه | +1 | |||
| 26 ژوئیه | 0 | |||
| 25 ژوئیه | 0 | |||
| 24 ژوئیه | +1 | |||
| 23 ژوئیه | +1 | |||
| 22 ژوئیه | 0 | |||
| 21 ژوئیه | 0 | |||
| 20 ژوئیه | 0 | |||
| 19 ژوئیه | 0 | |||
| 18 ژوئیه | 0 | |||
| 17 ژوئیه | 0 | |||
| 16 ژوئیه | 0 | |||
| 15 ژوئیه | +1 | |||
| 14 ژوئیه | 0 | |||
| 13 ژوئیه | +1 | |||
| 12 ژوئیه | 0 | |||
| 11 ژوئیه | 0 | |||
| 10 ژوئیه | 0 | |||
| 09 ژوئیه | 0 | |||
| 08 ژوئیه | 0 | |||
| 07 ژوئیه | +1 | |||
| 06 ژوئیه | 0 | |||
| 05 ژوئیه | +1 | |||
| 04 ژوئیه | 0 | |||
| 03 ژوئیه | 0 | |||
| 02 ژوئیه | 0 | |||
| 01 ژوئیه | 0 |
پستهای کانال
| 2 | ইসলামের ইতিহাসে এমন অনেক মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন,যাদের মর্যাদা আকাশচুম্বী, কিন্তু বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে তাঁদের জানাযায়খুব অল্প সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হতে পেরেছিলেন। এটি প্রমাণ করে যে,জানাযায় লোকসমাগমই আল্লাহর কাছে সেই ব্যক্তির মর্যাদাকম বা বেশি হওয়ার একমাত্র নিদর্শন নয়। ইতিহাস থেকে কিছু উদাহরণ স্মরণ করিয়ে দেওয়া যায় -
.
.
১. উসমান ইবনে আফফান (রা.) – তৃতীয় খলিফা
জুননূরাইন খ্যাত ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান রদিয়াল্লাহু আনহুর জানাযা ও দাফন ছিল অত্যন্ত করুণ। বিদ্রোহীরা যখন মদিনায় তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে তাঁকে নির্মমভাবে শহীদ করে, তখন পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, সাহাবীরা প্রকাশ্যে তাঁর জানাযা পড়তে পারেননি।
শাহাদাতের পর তাঁর লাশ মোবারক দীর্ঘ সময় ঘরেই ছিল। অবশেষে রাতের অন্ধকারে জুবায়ের ইবনুল আওয়াম রদিয়াল্লাহু আনহু, হাকিম ইবনে হিজাম রদিয়াল্লাহু আনহু এবং উসমান রদিয়াল্লাহু আনহু-এর স্ত্রী-সহ মাত্র অল্প কয়েকজন (ঐতিহাসিকদের মতে ৩ থেকে ১২ জন) গোপনে তাঁর জানাযা পড়েন এবং জান্নাতুল বাকির দেয়ালের পাশে তাঁকে দাফন করেন। অথচ তিনি ছিলেন ৩য় খলিফা ও অর্ধ-পৃথিবীর শাসক।
.
.
২. ফাতিমা (রা.) – জান্নাতী নারীদের সর্দার
রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কলিজার টুকরো কন্যা ফাতিমা রদিয়াল্লাহু আনহা-এর জানাযাও হয়েছিল অত্যন্ত গোপনে এবং স্বল্প পরিসরে। ফাতিমা রদিয়াল্লাহু আনহা মৃত্যুর আগে তাঁর স্বামী আলী রদিয়াল্লাহু আনহু-কে অসিয়ত করেছিলেন যে, তাঁর মৃত্যুর পর যেন রাতে দাফন করা হয় এবং এমন কেউ যেন তাঁর জানাযায় না আসে যাদের প্রতি তিনি অসন্তুষ্ট ছিলেন।
তাঁর ওসিয়ত অনুযায়ী, আলী রদিয়াল্লাহু আনহু রাতের অন্ধকারে তাঁকে দাফন করেন। এই জানাযায় আলী রদিয়াল্লাহু আনহু, আব্বাস রদিয়াল্লাহু আনহু, ফজল ইবনে আব্বাস রদিয়াল্লাহু আনহু সহ বনু হাশিমের হাতেগোনা কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মদিনার সাধারণ মানুষ সকালে উঠে জানতে পারেন যে নবীর কন্যাকে দাফন করা হয়ে গেছে।
.
.
৩. ইমাম বুখারী রহিমাহুল্লাহ – আমীরুল মুমিনিন ফিল হাদিস
সহীহ বুখারীর সংকলক, যার কিতাবকে কুরআনের পর দুনিয়ার বুকে সবচেয়ে বিশুদ্ধ গ্রন্থ বলা হয়, তাঁর শেষ বিদায় ছিল বড়ই নিঃসঙ্গ।
শেষ জীবনে বুখারার শাসকের সাথে মতপার্থক্যের কারণে তাঁকে নিজ জন্মভূমি বুখারা থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি সমরকন্দের উদ্দেশ্যে রওনা হন কিন্তু সেখানেও যেতে পারেননি। পথিমধ্যে 'খরতাঙ্গ' নামক একটি ছোট গ্রামে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সেখানেই ঈদের রাতে ইন্তেকাল করেন।
তাঁর জানাযায় তৎকালীন বড় বড় আলেমরা বা শহরের জনস্রোত ছিল না। শুধুমাত্র সেই গ্রামের সাধারণ গ্রামবাসী এবং তাঁর অল্প কয়েকজন সফরসঙ্গীরা তাঁকে দাফন করেন।
.
.
৪. ইমাম তাবারী রহিমাহুল্লাহ – বিখ্যাত মুফাসসির ও ঐতিহাসিক
বিখ্যাত তাফসির 'তাফসীরে তাবারী' এবং ইতিহাস গ্রন্থ 'তারিখুত তাবারী'-এর রচয়িতা।
আব্বাসীয় খিলাফতের সময় বাগদাদে কিছু উগ্রপন্থী মানুষ তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ রটায় এবং তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে রাখে।
ঐতিহাসিক ইবনুল জাওযি রহিমাহুল্লাহ উল্লেখ করেন, মৃত্যুর পর দিনের বেলা তাঁকে বের করা সম্ভব হয়নি। তাই রাতের বেলা তাঁর নিজ ঘরের ভেতরই তাঁকে দাফন করা হয়। জানাযায় মাত্র কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ছাত্র ও স্বজন উপস্থিত ছিলেন। অথচ তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্বান।
.
.
এই ঘটনাগুলো থেকে বুঝা যায়, জানাযায় মানুষের ঢল নামাই আল্লাহর কাছে কবুলিয়তের একমাত্র মাপকাঠি নয়। আল্লাহ তাআলা এই মহান ব্যক্তিদের দুনিয়ার জাঁকজমক থেকে আড়াল করে আখিরাতের উচ্চ মর্যাদা দান করেছেন। তাঁদের জানাযায় মানুষ কম হলেও, ফেরেশতাদের উপস্থিতি হয়তো ছিল অগণিত। | 12 |
| 3 | আল্লাহর রাস্তায় হিজরত ও জিহাদের মর্যাদা।
Shaikhul Hadith Mufti Abu Imran Hafizahullah. @SHMAIH | 43 |
| 4 | উস্তাজ আহমেদ ফারুক (রাহিমাহুল্লাহ) | 59 |
| 5 | بدون متن... | 127 |
| 6 | “এভাবেই তারা যা চেয়েছিল, তা ‘শূরা’র সেই নাটকের মাধ্যমে সম্পন্ন হলো—ইমাম আলীকে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব গ্রহণ করা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হলো, যাতে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা উসমানের হাতে পৌঁছানোর পথ প্রস্তুত হয়। যদিও সবাই জানত যে প্রকৃত হক কার; কিন্তু সেই হক স্বীকার করার জন্য প্রয়োজন ছিল নির্মল হৃদয়—যে হৃদয় শয়তানের কুমন্ত্রণা ও প্রলোভন থেকে মুক্ত। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাদের কাছে এমন হৃদয় ছিল না; বরং তাদের হৃদয় ছিল রোগাক্রান্ত, ফলে আল্লাহ তাদের সেই রোগ আরও বাড়িয়ে দেন।”(পৃষ্ঠা, ৬৪)
৪/ দুনিয়ার লোভে সাহাবায়ে কেরাম হক বলেননি এই অভিযোগ।
في الحقيقة ان الذي مكن عبد الرحمن وامثاله ان يقفوا مع الامام مواقف مخزية كان بسبب سكوت بعض الصحابة عن اظهار الحق بسبب ركونهم الى الدنيا
“বাস্তবে, আবদুর রহমান ও তার মতো লোকদের ইমাম আলীর বিরুদ্ধে এমন লজ্জাজনক অবস্থান নেওয়ার সুযোগ যে তৈরি হয়েছিল, তার কারণ ছিল—কিছু সাহাবীর নীরবতা। তারা দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়ার কারণে সত্যকে প্রকাশ করা থেকে বিরত ছিল।”
(পৃষ্ঠা ৬৪)
৫/ প্রায় সব সাহাবাদের শানে অকথ্য গালি ও একদল সাহাবিদের প্রতি নেফাকের অভিযোগ।
وقد تكالب عليه الجميع فاصبح بين فريقين الاول متجاهل لحقه والثاني منافق حاسد
“আর সবাই তার বিরুদ্ধে কুকুরের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ল;(নাউজুবিল্লাহ)। ফলে তিনি দুই দলের মাঝে পড়ে গেলেন—এক দল ছিল যারা তার অধিকারকে উপেক্ষা করছিল, আর অন্য দল ছিল মুনাফিক ও হিংসুক।”(নাউযুবিল্লাহ) (পৃষ্ঠা, ৫৮)
৬/ আমর ইবনুল আ'স রাযি: এর ব্যপারে বিভিন্ন যায়গায় পথভ্রষ্টতার অভিযোগ।
عمرو بن العاص باع دينه بدنياه
আমর ইবনুল 'আস সে দুনিয়ার লোভে দ্বীনকে বিক্রি করেছিলো। (পৃষ্ঠা,৭৪)
৭/ মুগিরা বিন শু'বা রাযি: এর ইসলামের ব্যপারে সন্দেহ ও তার ব্যপারে খারাপ শব্দ ব্যবহার ।
يعتبر المغيرة من دهاة العرب. حضر عند الرسول ﷺ في المدينة وأعلن اسلامه، لكن المؤرخين يعتبرون اسلامه سطحياً، حياته مليئة بالغرائب والقبائح،
“মুগীরা ছিলো আরবদের মধ্যে অন্যতম চতুর ব্যক্তি। সে মদিনায় নবী ﷺ-এর সামনে হাজির হয়ে ইসলাম ঘোষণা করে; কিন্তু ইতিহাসবিদরা মনে করেন তার ইসলাম ছিল পলায়নমূলক ও অভিনয়পূর্ণ। তার জীবন কলঙ্কজনক কৃতকর্মে ভরা।” (পৃষ্ঠা,১৮৫)
৮/ মুয়াবিয়া রাযি: কে ইসলামের শত্রু হিসেবে আখ্যায়িত করা।
فاصطحبه المغيرة الى دمشق في الشام، حيث وضع يده بيد معاوية العدو القديم للاسلام .
“মুগীরা তাকে শামে মু‘আবিয়িয়ার কাছে নিয়ে গেল, যেখানে সে ইসলামের পুরনো শত্রু মু‘আবিয়িয়ার হাতে হাত রেখে তার সাথে একতাবদ্ধ হলো।” (পৃষ্ঠা, ১৮০)
৯/ মুয়াবিয়া রাযি: কে কাফের ও মুরতাদ বলা।
نعم، أن المغيرة مع علمه بكفر معاوية وارتداده، و اغتصابه حق آل البيت الطبيعي، فقد ظل في خدمة معاوية،
, মুগীরা মু‘আবিয়িয়ার কুফর ও তার মুরতাদ হওয়ার বিষয়ে এবং আহলে বাইতের প্রকৃত অধিকার হরণ করার কথা জানার পরও, মু‘আওয়িয়ার সেবায় অব্যাহত থাকল। (পৃষ্ঠা, ১৯৪)
১০/ প্রায় সকল সাহাবিদের প্রতি খিলাফাহ দখলের অভিযোগ।
نعم لقد ادى واجبه تجاه النبي له من التجهيز والتغسيل والتدفين لكن الآخرين وللأسف الشديد استغلوا انشغاله فقاموا بالاستيلاء على الخلافة وسرقتها ومنعوا حقه منها وقد كان لذلك العمل الجبان اثاراً سلبية ستبقى في سجل التاريخ ما بقي الليل والنهار…
হ্যাঁ, তিনি নবীর প্রতি তাঁর দায়িত্ব পালন করেছিলেন—তাঁকে প্রস্তুত করা, গোসল দেওয়া এবং দাফন করার মাধ্যমে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত অন্যরা তাঁর ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে খেলাফত দখল করে নেয় এবং তা ছিনিয়ে নেয়, আর তাঁকে তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। সেই কাপুরুষোচিত কাজের নেতিবাচক প্রভাব ইতিহাসের পাতায় রাত ও দিন যতদিন থাকবে ততদিন রয়ে যাবে।(পৃষ্ঠা, ৫৮)
১১/ অনেকে বলে যে, খামেনি নাকি ইসনা আসারিয়ার আকীদা রাখেনা অথচ সে নিজেও ইমামদের কে মা'সুম মনে করতো।
والانبياء والأئمة المعصومين فقط هم الذين تمكنوا من شياطين نفوسهم وتسلطوا عليها حتى انعدمت امكانية انحرافهم
শুধুমাত্র নবী এবং মা'সুম ইমামরাই এমনভাবে নিজের অন্তরের শয়তানকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম যে, তাদের ভুলপথে চলার সম্ভাবনা থাকে না। (পৃষ্ঠা, ২০০)
১২/ ইবনু আব্বাস রাযি: এর ব্যপারে খিয়ানতের অভিযোগ।
وبالاضافة لهذا اقدم على خيانة كبرى بحق الاسلام
এছাড়াও, সে ইসলামের সাথে এক ভয়ঙ্কর বিশ্বাসঘাতকতা-খিয়ানত করেছে। (পৃষ্ঠা, ২২৩)
১৩/ ইবনু আব্বাসের ব্যপারে বাইতুল মাল থেকে সম্পদ চুরির অভিযোগ।
لما علم الامام بخروج ابن عباس من البصرة وسرقته أموال بيت المال
যখন ইমাম (হুসাইন) জানলেন যে ইবনে আব্বাস বসরা থেকে বের হয়ে গেছে এবং বায়তুল-মালের সম্পদ চুরি করেছে। (পৃষ্ঠা, ২২৪)
( বিশেষ দ্রষ্টব্য: আমি এখানে তাকে তাকফীর করিনি, আমি শুধু তার কিছু আকিদা উল্লেখ করেছি, কেননা তাকে তাকফীর করা বা না করা আমার কাজ নয়,সেটা বড় বড় মুফতী সাহেবরা করবে। আল্লাহ আমাদের হেফাযত করুক।) | 119 |
| 7 | #খামেনির ব্যপারে কিছু কথা।
অনেকেই দেখছি এই খবীসের জানাযায় অংশগ্রহণ করার জন্য ইরানে যাচ্ছে, তাই ভাবলাম পুরাতন একটা আলাপ দেয়া যাক। পুরোটা পড়েন, উপকৃত হবেন ইনশাআল্লাহ।
#খামেনি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ' কে কাফের মনে করতো, আল জাযিরা তার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, খামেনি বলেন,
قتالنا بسوريا حرب على الكفر
সিরিয়াতে আমাদের যুদ্ধ হলো, কুফরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।
#গত কয়েক দশকে সিরিয়া ও অন্যান্য অঞ্চলের বহু সংঘাতে ইরানি নেতৃত্বের ভূমিকা ও তাদের সমর্থিত মিলিশিয়াদের কার্যক্রমের কারণে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে—এটা অস্বীকার করা যায় না। এবং সে সিরিয়ায় জিহাদের জন্য শিয়া উলামায়ে কেরামের কাছে জিহাদের ফাতাওয়াও চেয়েছে। আল জাযিরার এক নিউজে বলা হয়েছে,
كشف مصدر رفيع المستوى بأن المرشد الاعلى في ايران علي خامنئي طلب من المرجعين الشيعيين علي السيستاني المقيم في مدينة النجف العراقية وكاظم الحائري المقيم في مدينة قم الايرانية, إصدار فتوى الجهاد" في سوريا
এক উচ্চপদস্থ সূত্র জানিয়েছে যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইরাকের নাজফে বসবাসরত আলি আল-সিস্তানি এবং ইরানের কুমে বসবাসরত কাযিম আল-হাইরিকে সিরিয়ায় ‘জিহাদ’ বিষয়ে ফতওয়া জারি করার জন্য অনুরোধ করেছেন।”
#সে সিরিয়াতে আহলুস সুন্নাহ'র বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য ইরানি জনগণকে উৎসাহিত করতো, এবং মুসলিম হত্যায় সেই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য সে মানুষদেরকে শাহাদাহ'র কথা বলে বলে উৎসাহিত করতো। আল জাযিরার এক নিউজে বলা হয়েছে।
وأضاف خامنئي أن "باب الشهادة الذي أغلق بانتهاء الحرب الإيرانية العراقية فتح مجددا في سوريا
“খামেনি আরও বলেছে, ‘যে শাহাদাতের পথ ইরান-ইরাক যুদ্ধ শেষ হওয়ার সঙ্গে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তা আবারও সিরিয়ায় উন্মুক্ত হয়েছে।’”
(আল-জাযিরার নিউজের ছবি কমেন্টে)
***#অনেকে তার একটি ফাতাওয়া উল্লেখ করে বলে যে, সে অন্য শিয়া থেকে অনেক ভালো, কারন সে আয়েশা রাযি: ও সাহাবাদের সমালোচনা করতে নিষেধ করেছে। তবে আমি মনে করি সে সেখানে তাকিয়ার আশ্রয় নিয়েছে। কেননা আমি শুধুমাত্র তার একটি কিতাব পড়েছি, তাতেই তার এই সমস্ত বাতিল আকীদা আমার সামনে এসেছে। তার অন্যান্য কিতাবের অবস্থা কী আল্লাহই ভালো জানেন। নিচে তার কিছু জঘন্য আকীদা উল্লেখ করা হলো। তার পুরো কিতাবে এই সমস্ত শত শত অভিযোগ ও সাহাবাদের শানে জঘন্য শব্দ সে ব্যবহার করেছে।
কিতাবের নাম, الخواص واللحظات المصيريه
সাহাবাদের ব্যপারে তার আকীদা।
১/ সাহাবাদেরকে জাহালাত-অজ্ঞাতা ও খিয়ানতের অভিযোগ ।
وهكذا أفسد بعض الصحابة الذين يجهلون حقيقة الاسلام ما أراد الرسول ﷺ ان يوصي به بخصوص استمرار خط النبوة في ولاية علي واقامة صرح العدالة بين افراد المجتمع الاسلامي
“এভাবেই সাহাবীদের মধ্যকার একদল—যারা ইসলামের প্রকৃত সত্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ ছিল—রাসূল ﷺ যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি উম্মতের জন্য ওসিয়ত করতে চেয়েছিলেন, তা নষ্ট ও ব্যাহত করে দেয়। আর সেই বিষয়টি ছিল আলীর ‘ওলায়াতের’ মাধ্যমে নবুয়তের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং ইসলামী সমাজের সদস্যদের মধ্যে ন্যায়বিচারের সুদৃঢ় ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করা।”
(পৃষ্ঠা, ৫২)
২/ আবু বকর রাযি: এর ব্যপার, ষড়যন্ত্র করে খিলাফাহ নিয়ে নেওয়া ও উম্মাহর মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ।
سأل أبو بكر المغيرة ثانية وقال : كيف أفرق جمعهم ؟ فقال له المغيرة : ارى ان تلقوا العباس فتطمعوه في ان يكون له في هذا الامر نصيب ، فتقطعوه بذلك عن ابن اخيه علي بن ابي طالب عليه السلام ، فان العباس لو صار معكم كانت الحجة على الناس وهان عليكم أمر علي بن ابي طالب وحده ، وقبل أبو بكر رأيه وذهب الى العباس
“আবু বকর আবার মুগীরাকে জিজ্ঞেস করলো: ‘আমি কীভাবে তাদের ঐক্য ভেঙে দিতে পারি?’
মুগীরা বলল: ‘আমার মতে, আপনি আব্বাসের সাথে সাক্ষাৎ করুন এবং তাকে কিছু লোভ দেখান। এতে করে তাকে তার ভাতিজা আলী ইবনে আবি তালিব আ: থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারবেন। কারণ, আব্বাস যদি আপনাদের পক্ষে চলে আসে, তাহলে মানুষের সামনে আপনাদের অবস্থান শক্তিশালী হয়ে যাবে এবং যখন আলি ইবনু আবি তালেবএ একা হয়ে যাবে, তখন তার বিষয়টি আপনাদের জন্য সহজ হয়ে যাবে,।’ মুগীরার এই পরামর্শ আবু বকর গ্রহণ করলো এবং সে আব্বাসের কাছে চলে গেলো।”( পৃষ্ঠা, ৫৬)
৩/ শুরায়ী সাহাবিদের ব্যপারে পথভ্রষ্টতার অভিযোগ।
وهكذا تم ما أرادوه في مسرحيه الشورى في ابعاد الامام علي عن استلام مقاليد الامور تمهيداً لوقوعها بيد عثمان ، بالرغم من أن الجميع كان يعلم بان الحق لمن ومع من ؟ لكن الإقرار يحتاج الى قلوب نظيفة خالية من وساوس الشيطان وتزييناته وللأسف كانوا لا يمتلكون مثل هذه القلوب لان قلوبهم مريضة فزادهم الله مرضاً . | 79 |
| 8 | #আল্লাহর_স্মরণ_ভুলে_যাচ্ছি
الَّذِينَ يَذْكُرُونَ اللَّهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَىٰ جُنُوبِهِمْ وَيَتَفَكَّرُونَ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هَـٰذَا بَاطِلًا سُبْحَانَكَ فَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে এবং চিন্তা গবেষণা করে আসমান ও জমিন সৃষ্টির বিষয়ে, (তারা বলে) হে আমার রব! এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করনি। সকল পবিত্রতা তোমারই, আমাদেরকে তুমি দোযখের শাস্তি থেকে বাঁচাও। (আল ইমরান, ১৯১)
কখনো মন বিষণ্ণ হলে বা অন্তরে দ্বীনের প্রতি একটু টান অনুভব হলেই ইউটিউবে ঢুকে একটা নাসীদ ছেড়ে দেই বা কোনো বক্তার বক্তৃতা শুনি, ব্যস।....... হায়! হায়! ওই সময় যদি আমার রবের ইয়াদে একটু চোখে পানি আসতো.....
أَلَمْ يَأْنِ لِلَّذِينَ آمَنُوا أَن تَخْشَعَ قُلُوبُهُمْ لِذِكْرِ اللَّهِ
মুমিনদের জন্য কি এখনো সে সময় আসেনি যে, আল্লাহর স্মরণে তাদের অন্তর প্রকম্পিত হবে! (হাদীদ, ১৬)
.ইন্টারনেট এসে দুনিয়ার সবার সাথে আমায় জুড়ল অথচ আল্লাহ থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করল, সবার কাছাকাছি হলাম কিন্তু আল্লাহ থেকে দূরে সরে গেলাম। ফেসবুকে সারাদিন কতোজনের সাথে যোগাযোগ করলাম আর আমার আল্লাহর কথা ভুলে গেলাম! রাতের জন্য শায়িত হয়ে ফেসবুক দেখতে দেখতে চোখ বুজে গেল, আল্লাহ আল্লাহ বাকি রয়ে গেল। যার দেয়া বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে মোবাইলের কিবোর্ড চাপলাম সেই বৃদ্ধাঙ্গুলি আমার বাকি চার আঙ্গুলে আল্লাহ আল্লাহ চাপলো নাহ!!
নাসীহাহ, দাওয়াহ তো অনেক দিলাম নিলাম কিন্তু এরপরে আল্লাহ তায়ালার জিকির ভুলে গেছি!
فَإِذَا فَرَغْتَ فَانصَبْ؛ وَإِلَىٰ رَبِّكَ فَارْغَب
অতএব, যখন (দাওয়াহ থেকে) অবসর পান (আপনার রবের স্মরণে) ব্যস্ত হন।
এবং আপনার পালনকর্তার প্রতি মনোনিবেশ করুন। (ইনশিরাহ; ৭, ৮) | 92 |
| 9 | নফসের খায়েশাত বনাম আল্লাহর সন্তুষ্টি।
Shaikhul Hadith Mufti Abu Imran Hafizahullah. @SHMAIH | 73 |
| 10 | ক্বলবের জাগরণ ও নফসের পতন।
Shaikhul Hadith Mufti Abu Imran Hafizahullah. @SHMAIH | 69 |
| 11 | ঈমান বিধ্বংসী সমকামিতা ফিতনা।
(এলজিবিটি মুভমেন্ট ও ট্রান্সজেন্ডারবাদের ভয়াবহতা)
লেখকঃ ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন স্যার
রিভিউ করেছেন
মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক দামাত বারাকাতুহুম আমীনুত তালীম, মারকাযুদ দাওয়াহ আল ইসলামিয়া, ঢাকা খতীব, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ, বাংলাদেশ। | 96 |
| 12 | মিশরের দীর্ঘ জেল-জুলুম থেকে বের হয়ে তারা সোভিয়েত-আফগান জিহাদে যুক্ত হলো। জিহাদ শেষে সবাই নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছে, কিন্তু এই লোকগুলো যাচ্ছে না।
কারণ নিজ দেশে গেলেই বন্দিত্ব, ফাঁসি ও অন্যান্য জুলুম। তাদের আর হারানোর কিছু নেই এই দুনিয়াতে। মহান রবের সন্তুষ্টির জন্য জীবন ছাড়া সবকিছুই আল্লাহর রাস্তায় দিয়ে ফেলেছে।
এখন শুধু আছে ছোট এই জীবনটি। এই উপলব্ধি থেকে তারা থেকে গেল এবং মুসলিম উম্মাহর বীরগাথা গল্পে ৪০+ বছরের ইতিহাস লিখল, যা আজও চলমান।
চিন্তা করুন, আজ যদি আপনার-আমার অবস্থাও তাই হয়—যে আমাদের আর হারানোর কিছু নেই দুনিয়ার কাছে, চাওয়ার কিছু নেই। মানুষ সবাই দূরে চলে গেছে আপনার-আমার থেকে। সবাই দুনিয়ার স্বার্থের দিকে ছুটছে, আপনাকে ছুড়ে ফেলেছে। আসলে আপনি তো অনেক আগেই অগ্রগামী হয়ে গেছেন আপনার সেই মিশরি ভাইদের মতো। শুধু ইস্তিকামত থাকুন, ইনশা-আল্লাহ কাঙ্ক্ষিত শাহাদাত আপনি ঘরে থাকলেও এসে দেখা দিবে, ইনশা-আল্লাহ।
اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ وَلَا تَرُدَّنِي إِلَى أَهْلِي
হে আল্লাহ! আমাকে তোমার রাস্তায় শাহাদাত (শহীদি মৃত্যু) দান করো এবং আমাকে আমার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়ো না। | 130 |
| 13 | আমি ইমারাতে ইসলামীয়ার কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানাই যে, তারা নিজেদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলার আদেশ ও নিষেধের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিক, জনগণের সেবা, নিরাপত্তা ও কল্যাণে শরিয়তের আলোকে দায়িত্ব পালন করুক, মানুষের প্রয়োজনের দরজা বন্ধ না করুক এবং যথাযথ ও দ্রুততার সাথে কাজ সম্পন্ন করুক।
একইভাবে জনগণের ওপর জুলুম করা থেকে নিজেদের রক্ষা করো। কারণ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে জুলুম করে, সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা তাকে অপমানিত ও পরাজিত করেন।
আমি নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিচ্ছি, বিশেষ করে ঈদের দিনগুলোতে, যেন তারা জনগণের সেবা, সুরক্ষা ও কল্যাণে পূর্ণ মনোযোগ দেয় এবং তাদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
একইভাবে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ যেন প্রত্যাবর্তনকারী অভিবাসী ও শরণার্থীদের ব্যাপারে বিশেষ মনোযোগ দেয়, যাতে জমি বণ্টন, পরিবহন ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে তাদের জন্য আরও বেশি সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।
সম্মানিত আফগান ভাইয়েরা,
এই শরিয়াভিত্তিক ব্যবস্থাকে রক্ষা ও সংরক্ষণ করা আমাদের সবার যৌথ দায়িত্ব। কারণ এটি অসংখ্য শহীদের পবিত্র রক্ত, মুজাহিদ ও নিষ্ঠাবান মুসলমানদের বিশাল ত্যাগ ও কষ্টের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে।
আসুন, আমরা সবাই ঐক্য ও আন্তরিকতার সাথে এর সুরক্ষার জন্য আরও ত্যাগ স্বীকার করি এবং ভাইয়ের মতো একে অপরের পাশে দাঁড়াই, যাতে শত্রুদের অপকর্ম প্রতিহত করা যায়, নিরাপত্তা, কল্যাণ, উন্নয়ন ও ইসলামী ব্যবস্থার নেয়ামতের মূল্যায়ন করা যায় এবং শরিয়াভিত্তিক এই ব্যবস্থার শক্তি ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধিতে একযোগে কাজ করা যায়।
আমি আফগানিস্তান ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে দুই পবিত্র হারামে আগত সকল হাজিদের কাছে অনুরোধ করছি, তারা যেন ইসলামী উম্মাহর জন্য, বিশেষত বিশ্বের নিপীড়িত মুসলিম ভাইদের জন্য, দোয়া করেন, যাতে আল্লাহ তাআলা তাদের ইসলাম ও মুসলমানদের শত্রুদের বিরুদ্ধে বিজয় দান করেন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা ও সম্মান দান করেন।
আমি আরও আহ্বান জানাই ধনী আফগান ও ইমারাতে ইসলামীয়ার কর্মকর্তাদের প্রতি, যেন তারা এই বরকতময় ঈদের দিন ও রাতগুলোতে প্রত্যাবর্তনকারী অভিবাসী, দরিদ্র ও অসহায় পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেয় এবং তাদেরকেও ঈদের আনন্দে শরিক করে।
সবশেষে, আবারও আমি সকল ঈমানদার ও সম্মানিত মানুষকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানাই। আল্লাহ তাআলা করুন, তোমরা সর্বদা শান্তি ও সুখের সাথে ঈদ উদযাপন করতে পারো।
আমীরুল মুমিনীন,
শাইখ হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা
৭ জিলহজ্জ ১৪৪৭ হি. | 114 |
| 14 | ঈদুল আযহা উপলক্ষে আমীরুল মুমিনীন, শাইখুল কুরআন ওয়াল হাদীস, হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফি. বার্তা:
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।
“আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।”
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর সাহায্য চাই এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা নিজেদের অন্তরের অনিষ্ট ও আমাদের আমলের মন্দ পরিণতি থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন, তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না; আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন, তাকে কেউ হিদায়াত দিতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ ﷺ তাঁর বান্দা ও রাসূল।
অতঃপরঃ
“আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।”
“বলুন, নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার কুরবানি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু সবই আল্লাহর জন্য, যিনি সকল জগতের প্রতিপালক।”
(সূরা আল-আন‘আম: ১৬২)
আল্লাহ তাআলা আরও বলেনঃ
“এবং তোমরা আল্লাহর জন্য হজ ও উমরা পূর্ণ করো...”
(সূরা আল-বাকারাহ: ১৯৬)
আল্লাহ তাআলা আরও বলেনঃ
“অতএব তোমার প্রতিপালকের জন্য সালাত আদায় করো এবং কুরবানি করো।”
(সূরা আল-কাওসার: ২)
আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ
“রাসূলুল্লাহ ﷺ কালো দাগযুক্ত সাদা রঙের দুটি শিংওয়ালা দুম্বা কুরবানি করেছিলেন। তিনি নিজ হাতে সেগুলো জবাই করেন এবং ‘বিসমিল্লাহ, আল্লাহু আকবার’ বলেন। আমি তাঁকে দেখেছি, তিনি নিজের পা সেগুলোর পার্শ্বে রেখেছিলেন এবং বলছিলেন: ‘বিসমিল্লাহ, আল্লাহু আকবার।’”
(মিশকাতুল মাসাবীহ ১/৪৫৭)
সারসংক্ষেপে, রাসূলুল্লাহ ﷺ দুটি শিংওয়ালা কালো-সাদা দুম্বা কুরবানি করেছিলেন। তিনি নিজ হাতে সেগুলো জবাই করেন, “বিসমিল্লাহ” ও তাকবীর পাঠ করেন এবং নিজের মুবারক পা সেগুলোর পাশে রাখেন।
আরেকটি সম্মানিত হাদীসে এসেছে—
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“কুরবানির দিনে আদম সন্তানের কোনো আমল আল্লাহর কাছে রক্ত প্রবাহিত করার (কুরবানি করার) চেয়ে অধিক প্রিয় নয়। কিয়ামতের দিন কুরবানির পশু তার শিং, পশম ও খুরসহ উপস্থিত হবে। আর কুরবানির রক্ত জমিনে পড়ার আগেই আল্লাহর নিকট কবুল হয়ে যায়। অতএব তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে কুরবানি করো।”
(মিশকাত, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১২৮)
আফগানিস্তানের ঈমানদার ও মুজাহিদ জনগণ এবং সমগ্র বিশ্বের মুসলমানদের প্রতি:
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
সর্বপ্রথম আমি তোমাদের সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানাই। আল্লাহ তাআলা তোমাদের ইবাদত, কুরবানি, হজ, দান-সদকা এবং সকল নেক আমল কবুল করুন।
সম্মানিত আফগান ভাইয়েরা,
এটি আল্লাহ তাআলার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসার বিষয় যে, আমরা একটি ইসলামী ও শরিয়াভিত্তিক ব্যবস্থার ছায়াতলে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদুল আযহা উদযাপন করছি।
মানব জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো আল্লাহ তাআলার ইবাদত করা, তাঁর ইবাদতে প্রচেষ্টা চালানো, দ্বীন প্রতিষ্ঠায় চেষ্টা করা, শরিয়তের বিধান দৃঢ়ভাবে অনুসরণ ও মান্য করা এবং আল্লাহর দ্বীনের আলোকে পূর্ণ জীবন যাপন করা। আমাদের উচিত এই মহান উদ্দেশ্যের প্রতি গভীর মনোযোগ দেওয়া, কারণ এটিই সফলতা ও কল্যাণের পথ।
ইমারাতে ইসলামীয়ার শাসনের অধীনে সকল নাগরিকের শরয়ী অধিকার সংরক্ষিত ও সুরক্ষিত। কাউকে অন্যের ওপর জুলুম বা সীমালঙ্ঘনের অনুমতি দেওয়া হয় না। জুলুম প্রতিরোধ করা হয় এবং মজলুমদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হয় আফগানিস্তানে।
শরয়ী আদালতসমূহের কার্যক্রমের মাধ্যমে পবিত্র ইসলামী আইন বাস্তবায়িত হয়েছে। একইভাবে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজ থেকে নিষেধ করার মহান দায়িত্বও বাস্তবে কার্যকর করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে শরিয়তের নীতিমালার আলোকে সমাজ সংস্কারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তবে সম্মানিত আলেমগণ, সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজ থেকে নিষেধ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ এবং দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনার দায়িত্বশীলদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে যে, তারা জনগণকে দ্বীনের মৌলিক বিষয়াবলি, বিশেষত সালাত ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফরজ বিষয়, সম্পর্কে শিক্ষা, দিকনির্দেশনা ও নসিহত প্রদানে আরও অধিক প্রচেষ্টা চালান এবং মানুষকে এগুলোর প্রতি দৃঢ়ভাবে উৎসাহিত করেন।
ইমারাতে ইসলামীয়া এতিম, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও দরিদ্রদের অধিকার সংরক্ষণ ও সহায়তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একইভাবে ধনী আফগানদের প্রতিও আহ্বান জানানো হচ্ছে যেন তারা এসব অসহায় মানুষের প্রতি উদাসীন না হয় এবং তাদের যত্ন ও সহায়তায় পূর্ণ মনোযোগ দেয়।
ইমারাতে ইসলামীয়া শরিয়তের নীতিমালার আলোকে সমগ্র বিশ্বের সাথে, বিশেষত ইসলামী দেশগুলোর সাথে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চায় এবং এ ক্ষেত্রে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছে। | 83 |
| 15 | সন্দেহযুক্ত বিষয় বর্জন : প্রশান্তিময় জীবন লাভের অন্যতম উপায়।
Shaikhul Hadith Mufti Abu Imran Hafizahullah. @SHMAIH | 78 |
| 16 | শাপলাচত্বর ডকুমেন্টারি!
এখানে অসংখ্য ভিডিও ও ছবি মজুদ রয়েছে।
এগুলো আমাদের ব্যাপাকভাবে প্রচার করা দরকার।
https://t.me/shaplaDocuments | 99 |
